Functional Organization-এর সুবিধাসমূহ
1. Specialization (বিশেষায়ন):
প্রতিটি কাজ আলাদা আলাদা ফাংশনে ভাগ হয়, যেমন উৎপাদন, অর্থ, বিপণন ইত্যাদি। এতে কাজের মান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
2. Expert Supervision (বিশেষজ্ঞ তত্ত্বাবধান):
প্রতিটি ফাংশন বিশেষজ্ঞ ম্যানেজার দ্বারা পরিচালিত হয়, ফলে কর্মীরা সর্বোচ্চ পরামর্শ ও নির্দেশনা পান।
3. Efficiency in Work (কাজে দক্ষতা):
বিশেষজ্ঞরা কাজ পরিচালনা করায় সময়, খরচ ও শ্রম বাঁচে, এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ে।
4. Clarity of Duties (দায়িত্বের স্বচ্ছতা):
প্রতিটি ম্যানেজার তার নিজস্ব ফাংশনের দায়িত্বে থাকে, ফলে দায়িত্ব ও কর্তব্য পরিষ্কারভাবে নির্ধারিত হয়।
5. Training & Development (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন):
কর্মীরা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কাজ করতে করতে দক্ষ হয়ে ওঠে এবং ভবিষ্যতের জন্য আরও প্রশিক্ষিত হয়।
6. Better Quality of Decisions (সিদ্ধান্তের মানোন্নয়ন):
যেহেতু সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞরা নেন, তাই তা বেশি যুক্তিসঙ্গত ও কার্যকর হয়।
7. Scope for Expansion (বিস্তার করার সুযোগ):
প্রতিটি ফাংশন স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়, ফলে প্রতিষ্ঠান সহজে বিস্তার লাভ করতে পারে।
8. Scientific Approach (বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি):
কাজ পরিচালনায় বৈজ্ঞানিক নিয়ম, গবেষণা ও বিশ্লেষণ প্রয়োগ করা যায়।
Functional Organization-এর একটি বড় অসুবিধা হলো Confusion from multiple commands। একজন কর্মী একই সময়ে একাধিক ফাংশনাল বস থেকে নির্দেশ পেতে পারে, যা প্রায়ই বিভ্রান্তি, দ্বন্দ্ব এবং Unity of Command নীতির লঙ্ঘন ঘটায়। তাই এটি কোনো সুবিধা নয়, বরং একটি সীমাবদ্ধতা।