পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
Exam 8 Topic: Part-1 Group-III (Modern) j. Eleven Point Movement of 1969, k. Election of 1970 and its aftermath, l. The War of Liberation and the emergence of Bangladesh. Source: Class – 4, relevant books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
Who was the Prime Minister of India during the Liberation War of Bangladesh in 1971?/ মুক্তিযুদ্ধের সময় (১৯৭১ সালে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. Lal Bahadur Shastri / লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  2.  Indira Gandhi / ইন্দিরা গান্ধী 
  3. Jawaharlal Nehru / জওহরলাল নেহরু
  4. Rajiv Gandhi / রাজীব গান্ধী
সঠিক উত্তর:
 Indira Gandhi / ইন্দিরা গান্ধী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 Indira Gandhi / ইন্দিরা গান্ধী 
ব্যাখ্যা

ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী গান্ধী  হলেন একমাত্র মহিলা যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। পারিবারিক পরিচয়ে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু কন্যা ইন্দিরা ১৯৬৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৭৭ সালের মার্চ এবং পুনরায় ১৯৮০ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৮৪ সালের অক্টোবরে নিহত হবার দিন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন।১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিসন । তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেন, ভারত বাংলাদেশ শরণার্থীদের আশ্রয় দেয় এবং ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বেই ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র
ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

.
Simon Dring was a citizen of which country?/ সাইমন ড্রিং কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. United States / যুক্তরাষ্ট্র
  2. Australia / অস্ট্রেলিয়া
  3. Canada / কানাডা
  4. United Kingdom / যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
United Kingdom / যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Kingdom / যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

সাইমন ড্রিং ১৯৪৫ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি কাজ করেছেন দি রয়টার্স, দ্যা ডেইলি টেলিগ্রাফ, বিবিসি এর মতো বিখ্যাত সব সংবাদমাধ্যম। বৈদেশিক সংবাদদাতা হিসেবে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশে, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, আফ্রিকা মহাদেশ, মধ্যপ্রাচ্য, ল্যাটিন আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন যুদ্ধ-বিগ্রহ, বিপ্লব, শোষন-বেষম্য ও সমকালীন রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে দৈনিক তরতাজা খবর তৈরি করতেন ও দীর্ঘ প্রতিবেদন রচনা করতেন। তিনি তার সমগ্র সাংবাদিকতা কর্মজীবনে ২২টি যুদ্ধ ও অভ্যুত্থান প্রত্যক্ষ ও কাভার করেছেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, হাইতিতে আমেরিকার আগ্রাসন, ইরানের শাহ বিরোধী গণ-অভ্যূত্থান এর মতো বিষয় সাইমন ড্রিং বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়।
সাইমন ড্রিং একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ ঢাকায় পাকিস্তানি সেনাদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞের প্রত্যক্ষদর্শী হয়ে সেই সংবাদ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন। তাঁর প্রতিবেদনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সমাজ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে সত্য ঘটনা জানতে পারে।

উৎস-ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

.
What was the main center for mobilizing public opinion in favor of the Liberation War by expatriate Bengalis?/ প্রবাসী বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে জনমত গঠনের মূলকেন্দ্র ছিল কোনটি?
  1. Delhi / দিল্লি
  2. Kolkata / কলকাতা
  3. London / লন্ডন
  4. New York / নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
London / লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
London / লন্ডন
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে লন্ডন ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। লন্ডনে বসবাসরত বাঙালি বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক কর্মীরা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংস্থা ও বিভিন্ন দেশের সরকারের কাছে পাকিস্তানি সেনাদের গণহত্যা ও দমন-নীতির তথ্য তুলে ধরতেন। এখান থেকে বাংলাদেশ লিবারেশন অফিস খোলা হয়, যা ছিল বিদেশে মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রচারণা কেন্দ্র।

লন্ডনে অবস্থানরত প্রবাসীরা সংবাদপত্রে লেখালেখি, প্রতিবাদ সভা, সমাবেশ ও লবিংয়ের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত তৈরি করতে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট সদস্যদের সাথে যোগাযোগ, বিবিসি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা—সবই লন্ডন থেকেই সমন্বিত হতো।

ফলে লন্ডনকে প্রবাসী বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধকালীন আন্তর্জাতিক প্রচারণার প্রধান কেন্দ্র বলা হয়।

উৎস -সেলিনা হোসেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।

.
How many times did the Soviet Union veto the ceasefire proposal on Bangladesh in the United Nations?/ জাতিসংঘের অধিবেশনে বাংলাদেশের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন কতবার ভেটো প্রদান করে?
  1. One time / একবার
  2. Two times / দু’বার
  3. Three times / তিনবার
  4. Four times / চারবার
সঠিক উত্তর:
Three times / তিনবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Three times / তিনবার
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের ১ থেকে ১০ তারিখ পর‌্যন্ত জাতিসংঘে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এবং তাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের চাপের কারণে জাতিসংঘে একাধিকবার বাংলাদেশের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। এসব প্রস্তাবের উদ্দেশ্য ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং কার্যত মুক্তিকামী বাঙালিদের বিজয়কে বিলম্বিত করা।

কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনগণের ন্যায্য সংগ্রামকে সমর্থন জানিয়ে সেই প্রস্তাবগুলোকে তিনবার ভেটো দেয়। এর ফলে পাকিস্তানের পক্ষে আনা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবগুলো গৃহীত হতে পারেনি এবং মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত বিজয়ের পথ সুগম হয়।

অতএব, সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

.
Who wrote the report titled “Tanks Crush Revolt in Pakistan” in the Daily Telegraph newspaper?/ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় প্রকাশিত “Tanks Crush Revolt in Pakistan” প্রতিবেদনটি কে লিখেছিলেন?
  1. Anthony Mascarenhas / অ্যান্থনি মাসকারেনহাস
  2. Simon Dring / সাইমন ড্রিং
  3. Dan Coggin / ড্যান কগিন
  4. Peter Hazelhurst / পিটার হ্যাজেলহার্স্ট
সঠিক উত্তর:
Simon Dring / সাইমন ড্রিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simon Dring / সাইমন ড্রিং
ব্যাখ্যা

একাত্তরের ৬ মার্চ ডেইলি টেলিগ্রাফ–এর প্রতিবেদক সাইমন ড্রিং এসেছিলেন ঢাকায়। ২৫ মার্চের কালরাতে অস্ত্রের মুখে বিদেশি সাংবাদিকদের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আটকে রাখে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। পরদিন তাদের পাঠিয়ে দেয় করাচি। এ সময় সেনাবাহিনীর তল্লাশি এড়িয়ে হোটেলের ছাদে লুকিয়ে ছিলেন সাইমন ড্রিং। থেকে যান ঢাকায়। তিনি প্রত্যক্ষ করেন পাকিস্তানি সৈন্যদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ আর সেই সময়ের জ্বলন্ত ঢাকা। পরে ২৯ মার্চ ব্যাংককে পৌঁছে ডেইলি টেলিগ্রাফ–এ একটি মর্মস্পর্শী প্রতিবেদন পাঠান এই তরুণ সাংবাদিক। ৩০ মার্চ প্রকাশিত সাইমন ড্রিংয়ের সেই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিশ্ববাসী প্রথম বিশদভাবে জানতে পারে ঢাকায় পাকিস্তানি সেনাদের নির্মম গণহত্যার বিবরণ।সাইমন ড্রিং সেই ঘটনার প্রত্যক্ষ বর্ণনা দিয়ে Daily Telegraph পত্রিকায় “Tanks Crush Revolt in Pakistan” শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এই প্রতিবেদনটি ছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধের নৃশংসতা প্রকাশের প্রথম দিককার বড় প্রমাণ।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

.
Who was the commander of Sector No. 2 during the Liberation War of Bangladesh in 1971? /মুক্তিযুদ্ধের সময় ২নং সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. Major Ziaur Rahman / মেজর জিয়াউর রহমান
  2. Major Khaled Mosharraf / মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. Colonel M.A.G. Osmani / কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানী
  4. Captain Rafiqul Islam / ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
Major Khaled Mosharraf / মেজর খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Major Khaled Mosharraf / মেজর খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর‌্যন্ত কুমিল্লা জেলা,সিলেট জেলার হবিগঞ্জ, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের অধীনে ৪০০০ নিয়মিত সৈন্য এবং ৩০০০ এর মত গণবাহিনী বা গেরিলা ছিল। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর), মেজর এ.টি.এম. হায়দার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

.
Although the United States officially opposed Bangladesh during the Liberation War of 1971, in what ways did it support Bangladesh?/মুক্তিযুদ্ধে আমেরিকা রাষ্ট্রীয়ভাবে বাংলাদেশের বিরোধিতা করলেও কীভাবে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করে?
  1. Media & Mass People / জনগন ও মিডিয়া
  2. Military support / সামরিক সহায়তা
  3. Diplomatic recognition immediately / সঙ্গে সঙ্গে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেওয়া
  4. Sending combat troops / যুদ্ধে সৈন্য প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
Media & Mass People / জনগন ও মিডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Media & Mass People / জনগন ও মিডিয়া
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মার্কিন সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে পাকিস্তানের পক্ষে ছিল। তবু মিডিয়া ও জনগন মার্কিন মাটিতে এবং সীমান্ত এলাকায় মানবিক সাহায্য প্রদান করেছিল। তারা শরণার্থী শিবিরে খাদ্য, ঔষধ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করেছিল। এতে করে বাংলাদেশের মানুষের জন্য কিছুটা সহায়তা পৌঁছেছিল। কয়েকজন প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা পাকিস্তানের বর্বরতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ডেমোক্রেট দলীয় সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি বাংলাদেশের সমর্থনে উচ্চকন্ঠ ছিলেন।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

.
How many ministries were formed to run the Mujibnagar Government during the Liberation War of Bangladesh in 1971?/ মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকার পরিচালনার জন্য কয়টি মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়?
  1. 10 / ১০
  2. 12 / ১২
  3. 14 / ১৪
  4. 16 / ১৬
সঠিক উত্তর:
12 / ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 / ১২
ব্যাখ্যা

সরকার গঠন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড তথা প্রধান নেতৃবৃন্দকে নিয়ে একটি সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুক্তাঞ্চল বৈদ্যনাথতলায় সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ। নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। দেশের কার্যক্রম নির্বাহ ও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১২টি মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। এই মন্ত্রণালয়গুলো ছিল রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, প্রতিরক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদেশনীতি, কৃষি, শিল্প, তথ্য ও যোগাযোগ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ইত্যাদি দায়িত্বে নিয়োজিত। এছাড়াও আরও ৫ টি বিভাগ গঠন করা হয়েছিল।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

.
Who was the only civilian to receive the title “Bir Uttam” during the Liberation War of Bangladesh in 1971? /মুক্তিযুদ্ধে ‘বীর উত্তম’ খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বেসামরিক ব্যক্তি কে?
  1. M.A.G. Osmani / এম.এ.জি. ওসমানী
  2. Dr. B.C. Roy / ড. বি.সি. রায়
  3. Matiur Rahman / মতিউর রহমান
  4. Kader Siddiqui / কাদের সিদ্দিকী
সঠিক উত্তর:
Kader Siddiqui / কাদের সিদ্দিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kader Siddiqui / কাদের সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা

কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম একজন মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাঘা সিদ্দিকী নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমরনায়ক, যিনি ভারতীয় বাহিনীর সাহায্য ব্যতিরেকেই ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধে ঢাকা আক্রমণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন। তাকে বঙ্গবীর নামেও ডাকা হয়। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বাহিনী কাদেরিয়া বাহিনী তার নেতৃত্বে গঠিত ও পরিচালিত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার নামে সখিপুরে "কাদেরনগর" গ্রামের নামকরণ করা হয়েছে। ৬৮ জন বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনি একমাত্র বেসামরিক ব্যাক্তি।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

১০.
Who was the commander of the ‘K’ Force during the Liberation War of Bangladesh in 1971?/ মুক্তিযুদ্ধে ‘কে’ ফোর্সের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. Major Khaled Mosharraf / মেজর খালেদ মোশাররফ
  2. Major Ziaur Rahman / মেজর জিয়াউর রহমান
  3. Colonel M.A.G. Osmani / কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
  4. Captain A.T.M. Haider / ক্যাপ্টেন এ.টি.এম. হায়দার
সঠিক উত্তর:
Major Khaled Mosharraf / মেজর খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Major Khaled Mosharraf / মেজর খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা

নিয়মিত ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ব্যাটালিয়ন নিয়ে ৩টি ব্রিগেড গঠন করা হয়। এ ব্রিগেডগুলো কে ফোর্স, এস ফোর্স ও জেড ফোর্স নামে পরিচিত ছিল। সরকারি পর্যায়ে এদের নামকরণ করা হয় এমএফ (মুক্তিফৌজ)। এ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ১৮,৬০০ জন। মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ লড়াইয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কর্নেল ওসমানী এই তিনটি ব্রিগেড আকারের ফোর্স গঠন করেছিলেন। ফোর্সগুলোর নামকরণ করা হয়েছিল তাদের অধিনায়কদের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে এ ব্রিগেডগুলো গঠিত হয়েছিল। বিগ্রেডগুলোর তথ্য নিচে দেওয়া হলো-
১. জেড ফোর্স: এই ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। ১ম, ৩য় এবং ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়েছিল।

২. কে ফোর্স: এই ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ। ৪র্থ, ৯ম এবং ১০ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
৩. এস ফোর্স: এই ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন মেজর কে এম সফিউল্লাহ। ২য় এবং ১১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়েছিল। 

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

১১.
Who administered the oath of office to the Mujibnagar Government in 1971?/মুজিবনগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান কে?
  1. Syed Nazrul Islam / সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. Justice Abu Sayeed Chowdhury / বিচারপতি আবু সায়েদ চৌধুরী
  3. Professor Yusuf Ali / অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. Tajuddin Ahmad / তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
Professor Yusuf Ali / অধ্যাপক ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Professor Yusuf Ali / অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে (বর্তমান মুজিবনগর) বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানে বন্দী ছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। শপথবাক্য পাঠ করান ও অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী, যিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

১২.
During the Liberation War of Bangladesh, what was the most popular program of Swadhin Bangla Betar Kendra?/ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান কী ছিল?
  1. Chhayanat / ছায়ানাট
  2. Charampatra / চরমপত্র
  3. Muktir Gaan / মুক্তির গান
  4. Radio News Bulletin / রেডিও নিউজ বুলেটিন
সঠিক উত্তর:
Charampatra / চরমপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charampatra / চরমপত্র
ব্যাখ্যা

চরমপত্র, বিশেষ ব্যঙ্গ রচনা, চরমপত্র লিখতেন এবং পড়তেন এম আর আখতার মুকুল। অনুষ্ঠানটি পরিকল্পনা করেছিলেন আবদুল মান্নান এমএনএ। নামকরণ করেছিলেন আশফাকুর রহমান খান। অনুষ্ঠানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। যার শুরু ২৫ মে এবং শেষ ১৬ ডিসেম্বর।

সূত্র: প্রথম আলো। 

১৩.
What was the name of the Vice President of the Mujibnagar Government during the Liberation War of Bangladesh in 1971?/ মুজিবনগর সরকারের উপ-রাষ্ট্রপতি এর নাম কী ছিল?
  1. Tajuddin Ahmad / তাজউদ্দিন আহমদ
  2. Syed Nazrul Islam / সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. Sheikh Mujibur Rahman / শেখ মুজিবুর রহমান
  4. M. A. G. Osmani / এম.এ.জি. ওসমানী
সঠিক উত্তর:
Syed Nazrul Islam / সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Syed Nazrul Islam / সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন সাধারণত শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন। তাই তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তিনি সরকার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

১৪.
The Eleven Point Programme was an extension of which programme?/ ১১ দফা কর্মসূচি কোন কর্মসূচির সম্প্রসারণ ছিল?
  1. Khilafat Programme / খেলাফত কর্মসূচি
  2. Lahore Resolution / লাহোর প্রস্তাব
  3. Six-Point Programme / ছয় দফা কর্মসূচি
  4. Non-Cooperation Programme / অসহযোগ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
Six-Point Programme / ছয় দফা কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Six-Point Programme / ছয় দফা কর্মসূচি
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ তাদের ঐতিহাসিক ১১ দফা কর্মসূচী পেশ করেন।১১ দফা কর্মসূচি ১৯৬৯ সালে ছয় দফা কর্মসূচির উপর ভিত্তি করে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রবর্তিত হয়। এটি পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনকে শক্তিশালী করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ১১ দফা কর্মসূচি মূলত ছয় দফার সম্প্রসারণ এবং বাস্তবায়নের পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করেছিল।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

১৫.
Which organization announced the Eleven Point Programme?/ ১১ দফা কর্মসূচি কোন সংগঠন ঘোষণা করে?
  1. Awami League / আওয়ামী লীগ
  2. Muslim League / মুসলিম লীগ
  3. National Awami Party / জাতীয় আওয়ামী পার্টি
  4. Sarbadaliya Chhatra Sangram Parishad / সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
Sarbadaliya Chhatra Sangram Parishad / সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sarbadaliya Chhatra Sangram Parishad / সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা

একাদশ দফা কর্মসূচি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ দ্বারা ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ঘোষণা করা হয়। এটি পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছিল, যা পরে জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন অর্জন করে এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

১৬.
Which party won the majority seats in West Pakistan in the 1970 election?/ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পশ্চিম পাকিস্তানে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়?
  1. Awami League / আওয়ামী লীগ
  2. Pakistan People’s Party / পাকিস্তান পিপলস পার্টি
  3. Muslim League / মুসলিম লীগ
  4. Jamaat-e-Islami / জামায়াতে ইসলামী
সঠিক উত্তর:
Pakistan People’s Party / পাকিস্তান পিপলস পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pakistan People’s Party / পাকিস্তান পিপলস পার্টি
ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে পশ্চিম পাকিস্তানে পিপলস পার্টি (PPP) সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন অর্জন করে। পূর্ব পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রে ক্ষমতার দাবিদার হলেও, পশ্চিম পাকিস্তানে PPP-র প্রভাব বজায় ছিল। এই পার্থক্য পরবর্তীতে রাজনৈতিক অশান্তি ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট তৈরি করে।

আওয়ামী লীগ: পূর্ব পাকিস্তান-১৬০ পশ্চিম পাকিস্তান-০
পাকিস্তান পিপলস পার্টি-:পূর্ব পাকিস্তান-০ পশ্চিম পাকিস্তান-৮১

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

১৭.
Which natural disaster influenced the 1970 election in East Pakistan?/১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে কোনটি প্রভাব ফেলে?
  1. Cyclone ঘূর্ণিঝড়
  2.  Tornado  টর্নেডো
  3.  Flood / বন্যা
  4. Famine/ দুর্ভিক্ষ
সঠিক উত্তর:
Cyclone ঘূর্ণিঝড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cyclone ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা

নভেম্বর ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তানে একটি বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে লাখো মানুষ নিহত হয় এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ ও ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ ধার্য করা হয়। তবে ১২ নভেম্বর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হওয়ায় ঐসব অঞ্চলে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।  কেন্দ্রীয় সরকারের সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতা পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি করে। এর ফলে আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের সমর্থন আরও বৃদ্ধি পায় এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তারা প্রাধান্য অর্জন করে।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

১৮.
The central government was under whose rule during the 1970 election?/ ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সরকার কার শাসনে ছিল?
  1. Ayub Khan / আইয়ুব খান
  2. Yahya Khan / ইয়াহিয়া খান
  3. Zulfikar Ali Bhutto / জুলফিকার আলি ভুট্টো
  4. Nurul Amin / নুরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
Yahya Khan / ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Yahya Khan / ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনা করছিলেন মার্শাল ল’ অধীনে ফিল্ড মার্শাল ইয়াহিয়া খান। তিনি ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ আইয়ুব খানের কাছ থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। তিনি পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আয়োজন করলেও, নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের সংখ্যাগরিষ্ঠতা স্বীকার না করার কারণে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়। এটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রেক্ষাপট তৈরি করে।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

১৯.
Operation Searchlight was launched on—/ অপারেশন সার্চলাইট শুরু হয়—
  1. 25 March 1971 / ২৫ মার্চ ১৯৭১
  2. 7 March 1971 / ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. 16 December 1971 / ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. 1 April 1971 / ১ এপ্রিল ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
25 March 1971 / ২৫ মার্চ ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25 March 1971 / ২৫ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনারা ঢাকায় অপারেশন সার্চলাইট চালায়। এটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা এবং রাজনৈতিক বিদ্রোহ দমন করার জন্য একটি সামরিক অভিযান। এই অভিযানকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ পুরো পূর্ব পাকিস্তানে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

২০.
The 1970 election was significant because—/ ১৯৭০ সালের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ—
  1. It was the first general election in Pakistan / এটি পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন ছিল
  2. It gave Awami League clear majority / এটি আওয়ামী লীগকে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রদান করেছিল
  3. It exposed West Pakistan’s refusal of democracy / এটি পশ্চিম পাকিস্তানের গণতন্ত্র প্রত্যাখ্যানের সত্য উদঘাটন করেছিল
  4. All of the above / উপরোক্ত সবই
সঠিক উত্তর:
All of the above / উপরোক্ত সবই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above / উপরোক্ত সবই
ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের নির্বাচন পাকিস্তানের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ:এটি ছিল দেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন, যা জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন জিতে কেন্দ্রে ক্ষমতার দাবিদার হয়। পশ্চিম পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফল মেনে না নেওয়ায় গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের অভাব প্রকাশ পায়।
সুতরাং এই তিনটি কারণে নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

২১.
Where did Major Ziaur Rahman announce independence on radio?/ মেজর জিয়াউর রহমান কোথা থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?
  1. Dhaka / ঢাকা
  2. Chittagong (Kalurghat Betar Kendra) / চট্টগ্রাম (কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র)
  3. Jessore / যশোর
  4. India / ভারত
সঠিক উত্তর:
Chittagong (Kalurghat Betar Kendra) / চট্টগ্রাম (কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chittagong (Kalurghat Betar Kendra) / চট্টগ্রাম (কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র)
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঘুমন্ত নিরস্ত্র জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় এবং ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যা চালায়। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যা 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে পরিচিত।

মেজর জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। তারপর ২৬ মার্চ বেতার কেন্দ্রের কর্মীদের সহায়তায় চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ লিবারেশন আর্মির অস্থায়ী সর্বাধিনায়ক মেজর জিয়া এতদ্বারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ।

সূত্র: BNP Website

২২.
Who was known as the “Butcher of Bengal”?/ ‘বাংলার কসাই’ নামে কে পরিচিত ছিলেন?
  1. General Yahya Khan / জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  2. Bhutto / ভুট্টো
  3. General Niazi / জেনারেল নিয়াজি
  4.  General Tikka Khan / জেনারেল টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
 General Tikka Khan / জেনারেল টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 General Tikka Khan / জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা

জেনারেল টিক্কা (১৯১৫-২০০২)  পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের অধিনায়ক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালে ঢাকায় সামরিক অভিযান ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞ পরিচালনার জন্য তিনি ‘বাংলাদেশের কসাই’ হিসেবে পরিচিত।বিশেষ করে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তার নেতৃত্বে পাকিস্তানি সেনারা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। 

উৎস-বাংলাপিডিয়া

২৩.
Which force conducted Operation Jackpot?/ অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনা করে কোন বাহিনী?
  1. Indian Navy / ভারতীয় নৌবাহিনী
  2. Pakistan Navy / পাকিস্তান নৌবাহিনী
  3. Mukti Bahini Naval Commandos / মুক্তিবাহিনী নৌ কমান্ডো
  4. Razakar / রাজাকার
সঠিক উত্তর:
Mukti Bahini Naval Commandos / মুক্তিবাহিনী নৌ কমান্ডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mukti Bahini Naval Commandos / মুক্তিবাহিনী নৌ কমান্ডো
ব্যাখ্যা

অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে অত্যন্ত অল্প সময়ে যুদ্ধের গতি সম্পর্কে বিশ্বকে ধারণা দিতে সক্ষম হয়। ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট পরিচালিত নৌ-কমান্ডো বাহিনীর প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত। এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে এবং পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

২৪.
Who was the commander of Indian Eastern Command in 1971?/ ১৯৭১ সালে ভারতের ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান ছিলেন কে?
  1. General Manekshaw / জেনারেল মানেকশা
  2. Arjan Singh / অর্জন সিং
  3. Jagjit Singh / জগজিৎ সিং
  4. Lt. Gen. J.S. Aurora / লে. জেনারেল জে.এস. অরোরা
সঠিক উত্তর:
Lt. Gen. J.S. Aurora / লে. জেনারেল জে.এস. অরোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lt. Gen. J.S. Aurora / লে. জেনারেল জে.এস. অরোরা
ব্যাখ্যা

২১ নভেম্বর ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতের ইস্টার্ন কমান্ডের নেতৃত্বে ছিলেন লে. জেনারেল জে.এস. অরোরা। তিনি বাংলাদেশ ভারতের মিত্রবাহিনীর প্রধান হিসেবেও মনোনীত হন। মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ কার্যক্রম সমন্বয় করেন এবং পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে কার্যকরী অভিযান পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সমাপ্তিলগ্নে তিনি মিত্রবাহিনীর পক্ষে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ সম্পর্কীয় দলিল গ্রহণ করেন।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

২৫.
Who signed the Instrument of Surrender of the Pakistan Army?/ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. Lt. Gen. Niazi / লে. জেনারেল নিয়াজি
  2. Yahya Khan / ইয়াহিয়া খান
  3. Bhutto / ভুট্টো
  4. Tikka Khan / টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
Lt. Gen. Niazi / লে. জেনারেল নিয়াজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lt. Gen. Niazi / লে. জেনারেল নিয়াজি
ব্যাখ্যা

দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করার পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় সেনার কাছে আত্মসমর্পণ করে।১৬ ডিসেম্বর বিকেল ৪ টা ৩১ মিনিটে রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করেন পূর্ব পাকিস্তানের কমান্ডার লে. জেনারেল আমির আবদুল্লা নিয়াজি। ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্যসহ আত্মসমর্পণ করেন। এ ঘটনার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে উদ্ভব লাভ করে।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

২৬.
Who was the Finance Minister of the Mujibnagar Government?/ মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. M. Mansur Ali / এম. মনসুর আলী
  2. Tajuddin Ahmad / তাজউদ্দিন আহমদ
  3. Syed Nazrul Islam / সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. Khandaker Mushtaque / খন্দকার মোশতাক
সঠিক উত্তর:
M. Mansur Ali / এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
M. Mansur Ali / এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা

মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের  দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী। তিনি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ, তহবিল সংগ্রহ এবং সরকারি কার্যক্রম চালানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

২৭.
The genocide of 1971 by Pakistan Army is recognized as—/  ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ স্বীকৃত হয়েছে—
  1. Civil war / গৃহযুদ্ধ
  2. Military operation / সামরিক অভিযান
  3. Freedom fight / মুক্তিযুদ্ধ
  4. Genocide / গণহত্যা
সঠিক উত্তর:
Genocide / গণহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Genocide / গণহত্যা
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। নিরীহ জনসংখ্যা হত্যা, নারীদের ওপর নির্যাতন, এবং গ্রামের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর কারণে এটি আন্তর্জাতিকভাবে গণহত্যা (Genocide) হিসেবে স্বীকৃত। এই হত্যাযজ্ঞ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবে পরিচিত।

·         Genocide Watch (যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন) ২০১৬ সালে এবং পুনরায় ২০২১ সালে নিশ্চিত করে যে, ১৯৭১ সালের এই ঘটনা একটি গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ ।

·         Lemkin Institute for Genocide Prevention এবং International Coalition of Sites of Conscience ২০২১–২২ সালেও এটি গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

·         International Association of Genocide Scholars (IAGS) ২০২৩ সালে একটি রেজোলিউশনে এই ঘটনাকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ।

·         ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সংসদ ২৫ মার্চকে Genocide Remembrance Day (গণহত্যা স্মরণ দিবস) হিসেবে ঘোষণা করে, যা Operation Searchlight–এর সূচনা হিসেবে গণ্য ।

·         বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই গণহত্যার স্বীকৃতি দেয়ার জন্য কাজ করে চলেছে

Source: GENOCIDE WATCH

২৮.
Which sector was under Major Ziaur Rahman during the Liberation War?/ মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান?
  1. Sector 1 / সেক্টর ১
  2. Sector 2 / সেক্টর ২
  3. Sector 3 / সেক্টর ৩
  4. Sector 11 / সেক্টর ১১
সঠিক উত্তর:
Sector 1 / সেক্টর ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sector 1 / সেক্টর ১
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের রণসংগঠন ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল। এর মধ্যে সেক্টর ১-এর দায়িত্বে ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। এই সেক্টরে মূলত চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি এখানে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, অভিযান ও কৌশলগত পরিকল্পনা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে জেড ফোর্সের (Z Force) ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময়, ২৮ আগস্ট, ১৯৭১ সালে, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে পুনরুদ্ধার করা রৌমারীতে প্রথম বেসামরিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব পুরস্কার ‘বীর উত্তম’-এ ভূষিত হন।

https://www.bnpbd.org/leader-details/shaheed-president-ziaur-rahman?language=bn

২৯.
What is the current name of Iqbal Hall?
ইকবাল হলের বর্তমান নাম কি?
  1. Zia Hall /  জিয়া হল
  2. Dr. Muhammad Shahidullah Hall / ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল
  3. Jahurul Haque Hall / জহুরুল হক হল
  4. Bangabandhu Hall / বঙ্গবন্ধু হল
সঠিক উত্তর:
Jahurul Haque Hall / জহুরুল হক হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jahurul Haque Hall / জহুরুল হক হল
ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম হল হিসেবে পাকিস্তানের কবি আল্লামা ইকবালের নামে ১৯৫৭ সালে ‘ইকবাল হল’ স্থাপিত হয়।বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা ঊনসত্তের আইয়ুব খানের পতন ঘটান এবং ইকবাল হলের নাম পরিবর্তন করে আগরতলা মামলার ১৭ নং অভিযুক্ত শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের স্মরণে নতুন নামকরণ করেন ‘সার্জেন্ট জহুরুল হক হল’।১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে বাঙালির দিক নির্দেশনার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে ওঠে এই হল। বাঙালির মুক্তির লক্ষ্যে এই হল থেকে গঠিত হয় ‘জয় বাংলা বাহিনী’। মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির প্রেরণার উৎস বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত প্রথম জাতীয় পতাকা তৈরি হয় এ হলে এবং ২ মার্চ ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে ছাত্রনেতারা তা প্রথম উত্তোলন করেন। এই হলে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ২৫ মার্চের কালরাতে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে বহু ছাত্র, কর্মচারী ও নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সবার প্রত্যাশা অনুসারে ইকবাল হলের নাম দাপ্তরিকভাবে পরিবর্তন করে ‘জহুরুল হক হল’ রাখেন। ২০১৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল’ নামকরণ করেন।

উৎস- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট

৩০.
In which force did Sergeant Zahurul Haque serve?/ সার্জেন্ট জহুরুল হক কোন বাহিনীতে ছিলেন?
  1. Army / সেনাবাহিনী
  2. Mukti Bahini / মুক্তিবাহিনী
  3. Navy / নৌবাহিনী
  4. Air Force / বিমান বাহিনী
সঠিক উত্তর:
Air Force / বিমান বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Air Force / বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা

জহুরুল হক (১৯৩৫-১৯৬৯)  পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট ছিলেন। তাঁকে বিচারাধীন অবস্থায় জেলে হত্যা করা হয়। ১৯৬৮ সালের ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য মামলা’ নামক আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলার ৩৫ জন আসামির মধ্যে তিনি অন্যতম ছিলেন।  ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল বেলা একজন পাকিস্তানি হাবিলদার জেলের একটি সেলের দরজায় দাঁড়ানো জহুরুল হককে সামনাসামনি গুলি করে আহত করে। তাঁকে সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

৩১.
Where was the headquarters of the Mujibnagar Government established?
মুজিবনগর সরকারের সদরদপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. Kolkata, India / কলকাতা, ভারত
  2. Agartala, India / আগরতলা, ভারত
  3. Dhaka, Bangladesh / ঢাকা, বাংলাদেশ
  4. Meherpur, Kushtia / মেহেরপুর, কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
Meherpur, Kushtia / মেহেরপুর, কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Meherpur, Kushtia / মেহেরপুর, কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

সরকার গঠন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড তথা প্রধান নেতৃবৃন্দকে নিয়ে একটি সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুক্তাঞ্চল বৈদ্যনাথতলায় সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ। নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন  ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল সরকার গঠন এবং ১৭ এপ্রিল সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন হয় ১৮ এপ্রিল। 

উৎস-বাংলাপিডিয়া

৩২.
In which point of the Eleven-Point Programme were the students’ demands regarding education included? ছাত্রদের শিক্ষা সংক্রান্ত দাবী ১১ দফার কত নং দফায় ছিল?
  1. 1st d Point/১ নং দফা
  2. 3rd Point/৩ নং দফা
  3. 4th Point/৪ নং দফা
  4. 5th Point/৫ নং দফা
সঠিক উত্তর:
1st d Point/১ নং দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1st d Point/১ নং দফা
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ তাদের ঐতিহাসিক ১১ দফা কর্মসূচী পেশ করেন।১১ দফা কর্মসূচি ১৯৬৯ সালে ছয় দফা কর্মসূচির উপর ভিত্তি করে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রবর্তিত হয়। এটি পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনকে শক্তিশালী করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ১১ দফা কর্মসূচি মূলত ছয় দফার সম্প্রসারণ এবং বাস্তবায়নের পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করেছিল। ১১ দফার প্রথম দফা ছিল শিক্ষা সংক্রান্ত। 

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৩৩.
How many total seats were there in the Pakistan National Assembly (1970 Election)?/ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে মোট আসন সংখ্যা কত ছিল?
  1. 200/২০০
  2. 305/৩০৫
  3. 313/৩১৩
  4. 400/৪০০
সঠিক উত্তর:
313/৩১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
313/৩১৩
ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিল ৩১৩ । মহিলা আসন ১৩ টি। এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ১৬৯টি এবং পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য ১৪৪টি আসন নির্ধারিত ছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টির মধ্যে ১৬৭টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

উৎস- উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস ১ম পত্র

ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯০৫-১৯৭১)

৩৪.
‘Concert for Bangladesh’ er director chhilen ke?
‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর পরিচালক ছিলেন কে?
  1. George Harrison / জর্জ হ্যারিসন
  2. Ravi Shankar / রবি শঙ্কর
  3. Saul Swimmer / সল সুইমার
  4. Bob Dylan / বব ডিলান
সঠিক উত্তর:
Saul Swimmer / সল সুইমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Saul Swimmer / সল সুইমার
ব্যাখ্যা

 Concert for Bangladesh অনুষ্ঠিত হয় ১ আগস্ট ১৯৭১, নিউ ইয়র্কের Madison Square Garden-এ। এই কনসার্ট আয়োজন করেছিলেন জর্জ হ্যারিসন ও রবি শঙ্কর, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন শরণার্থী ও দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের সাহায্য করা। পুরো অনুষ্ঠানটি চলচ্চিত্রে ধারণ করেন সল সুইমার। পরবর্তীতে এই চলচ্চিত্র ও অ্যালবাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ বাংলাদেশ ত্রাণ তহবিলে প্রদান করা হয়।

উৎস-বাংলাপিডিয়া

৩৫.
‘September on Jessore Road’ ke rachona koren?
‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ কে রচনা করেন?
  1. Allen Ginsberg / অ্যালেন গিন্সবার্গ
  2. George Harrison / জর্জ হ্যারিসন
  3. Shamsur Rahman / শামসুর রাহমান
  4. Rudyard Kipling / রুডইয়ার্ড কিপলিং
সঠিক উত্তর:
Allen Ginsberg / অ্যালেন গিন্সবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Allen Ginsberg / অ্যালেন গিন্সবার্গ
ব্যাখ্যা

 “September on Jessore Road” হলো বিখ্যাত মার্কিন কবি Allen Ginsberg রচিত একটি কবিতা। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতে শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন এবং যশোর রোডে শরণার্থীদের করুণ অবস্থা দেখে গভীরভাবে মর্মাহত হয়ে এই কবিতা লেখেন। কবিতাটিতে তিনি বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভোগ, দুঃখ-কষ্ট এবং শরণার্থীদের মানবেতর জীবনযাপনকে হৃদয়স্পর্শীভাবে তুলে ধরেন। এটি মুক্তিযুদ্ধের আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উৎস- বাংলাপিডিয়া

৩৬.
Who refused to administer the oath to General Tikka Khan?/ টিক্কা খানকে শপথ পড়াতে অস্বীকার করেন কে?
  1. Justice Abu Sayeed Chowdhury / বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. Justice Syed Mahbub Murshed / বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মুর্শিদ
  3. Justice B.A. Siddiqui / বিচারপতি বি.এ. সিদ্দিকী
  4. Justice Abdus Sattar / বিচারপতি আবদুস সাত্তার
সঠিক উত্তর:
Justice B.A. Siddiqui / বিচারপতি বি.এ. সিদ্দিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Justice B.A. Siddiqui / বিচারপতি বি.এ. সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মার্চ মাসে স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্বের দিনগুলিতে বিচারপতি সিদ্দিকী এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে স্বাধীনতার পথকে সুগম করেন। মার্চের ৯ তারিখে প্রধান বিচারপতি সিদ্দিকীকে পূর্ব-পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে সামরিক শাসনকর্তা লেঃ জেনারেল টিক্কা খানকে শপথ গ্রহণ করানোর জন্য বলা হলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। ঐদিন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের আদেশ পালনে তাঁকে বাধ্য করার জন্য পাকিস্তানী সৈন্যদের দ্বারা বিচারপতি সিদ্দিকীর সরকারি বাসভবন ঘেরাও করা হয়। গভর্নরকে শপথ গ্রহণ করাতে রাজি হলে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে নিরাপদে পাকিস্তানে পৌঁছানোর আশ্বাস দেওয়া হয়। পুনরায় বিচারপতি সিদ্দিকী শপথ গ্রহণ করাতে তাঁর অপারগতা প্রকাশের মাধ্যমে সরাসরি পাকিস্তান সরকারের বিরোধিতা করেন। বিচারপতি সিদ্দিকীর এই সাহসী পদক্ষেপ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

৩৭.
 In which sector did W. A. S. Ouderland fight during the 1971 Bangladesh Liberation War? /ডব্লিউ. এ. এস. ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন?
  1. Sector-1 / সেক্টর-১
  2. Sector-2 / সেক্টর-২
  3. Sector-3 / সেক্টর-৩
  4. Sector-4 / সেক্টর-৪
সঠিক উত্তর:
Sector-2 / সেক্টর-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sector-2 / সেক্টর-২
ব্যাখ্যা

ডব্লিউ. এ. এস. ওডারল্যান্ড (William A. S. Ouderland) ছিলেন ডাচ-অস্ট্রেলিয়ান কমান্ডো অফিসার।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি সেক্টর-২-এ মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করেন।সেক্টর-২-এ ঢাকা ও আশেপাশের অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল।তিনি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, সরবরাহ এবং কৌশলগত পরামর্শ প্রদান করেন, যা সেক্টরের প্রতিরোধকে শক্তিশালী করে। ২নং সেক্টরের গণ বাহিনীর সদস্য হিসেবে ৩১৭ নং ক্রমিকে তার নাম লিপিবদ্ধ আছে। একমাত্র বিদেশী হিসেবে তিনি বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত হন।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

৩৮.
Who prepared the draft of “Operation Searchlight”?/ ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ এর খসড়া তৈরি করেন কে?
  1. Major General Rao Farman Ali/ মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলি
  2. General Tikka Khan / জেনারেল টিক্কা খান
  3. Lieutenant General Yahya Khan / লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  4. Major General Khadim Hussain Raja / মেজর জেনারেল খাদিম হুসেইন রাজা
সঠিক উত্তর:
Major General Rao Farman Ali/ মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Major General Rao Farman Ali/ মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলি
ব্যাখ্যা

পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন। পাঁচ পৃষ্ঠার এই পরিকল্পনাটি রাও ফরমান আলী নিজ হাতে লিখেন।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

৩৯.
Which hall of Dhaka University was attacked first by the Pakistani army during Operation Searchlight?/ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন হলে প্রথম পাক হানাদার বাহিনী আক্রমণ করে?
  1. Jagannath Hall / জগন্নাথ হল
  2. Fazlul Huq Hall / ফজলুল হক হল
  3. Salimullah Muslim Hall / সলিমুল্লাহ মুসলিম হল
  4. Iqbal Hall (now Shahid Sergeant Zahurul Haq Hall) / ইকবাল হল (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল)
সঠিক উত্তর:
Iqbal Hall (now Shahid Sergeant Zahurul Haq Hall) / ইকবাল হল (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Iqbal Hall (now Shahid Sergeant Zahurul Haq Hall) / ইকবাল হল (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল)
ব্যাখ্যা

২৫ মার্চ, ১৯৭১ এর রাতে সমগ্র ঢাকা শহরে কারফিউ জারি করা হয় ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কয়েকটি সুসজ্জিত দল ঢাকার রাস্তায় নেমে পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলো ১৮ নং পাঞ্জাব, ২২ নং বেলুচ, ৩২ নং পাঞ্জাব রেজিমেন্ট এবং কিছু সহযোগী ব্যাটেলিয়ন। এই বাহিনীগুলোর অস্ত্রসম্ভারের মাঝে ছিলো ট্যাংক, স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, রকেট নিক্ষেপক, ভারী মর্টার, হালকা মেশিনগান ইত্যাদি। এই সমস্ত অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে অগ্রসর হয়। ইউনিট নং ৪১ পূর্ব দিক থেকে, ইউনিট নং ৮৮ দক্ষিণ দিক থেকে এবং ইউনিট নং ২৬ উত্তর দিকে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ঘিরে ফেলে।এস-২৪ ট্যাংক নিয়ে একদল সেনা মধ্যরাতের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ করে। হঠাৎ আক্রমণে ইকবাল হলের অসংখ্য ছাত্র মৃত্যুবরণ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মনিরুজ্জামান ও অধ্যাপক ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা সেনাবাহিনীর শিকার হন। তাঁরা ছাড়াও ভূবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মুক্তাদির, মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফজলুর রহমান, ফলিত পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ আর খান খাদিম, গণিত বিভাগের শিক্ষক শরাফত আলী নিহত হন।
জগন্নাথ হলও আক্রান্ত হয়। 

উৎস- বাংলাপিডিয়া