পরীক্ষা আর্কাইভ

১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯সময়55 minutes৯৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১০ম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ · ১০০ প্রশ্ন

.
'আনারস' এবং 'চাবি' শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে-
  1. পর্তুগিজ ভাষা হতে
  2. আরবি ভাষা হতে
  3. দেশী ভাষা হতে
  4. ওলন্দাজ ভাষা হতে
ব্যাখ্যা

• আনারস ও চাবি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ।

• পর্তুগিজ ভাষার আরোকিছু শব্দ হলো:
 কামরা, গির্জা, গুদাম, জানালা, তোয়ালে, পাউরুটি, পাদ্রি, পেয়ারা, বালতি, বোতল, বোতাম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. মূমুর্ষু
  2. মুমূর্ষু
  3. মূমূর্ষ
  4. মুমূর্ষ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: মুমূর্ষু।
- এটি বিশেষণ পদ।
- সংস্কৃত ভাষা থেকে শব্দটি আগত।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: √ম্+সন্‌+উ,

অর্থ: মৃত্যুকাল আসন্ন এমন, মরণাপন্ন, মৃতপ্ৰায়

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত কোনটি?
  1. শব পোড়া
  2. মড়া দাহ
  3. শবদাহ
  4. শবমড়া
ব্যাখ্যা
• গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত শব্দ: শবদাহ।

• গুরুচণ্ডালী দোষ:

তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়ােগ ঘটলে যে দোষের সৃষ্টি হয়, তাকে বলা হয় গুরুচণ্ডালী দোষ।

- তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়ােগ কখনও কখনও গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যােগ্যতা হারায়।
যেমন:
গরুর গাড়ি, শবদাহ, মড়াপােড়া প্রভৃতি হলাে তৎসম শব্দ।

গঠন ও অর্থের দিক থেকে এসব শব্দের কোনাে সমস্যা নেই। কিন্তু যদি বলা হয় যথাক্রমে- গরুর শকট, শবপােড়া, মড়াদাহ; তাহলে দেশীয় শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দের মিলন ঘটে এবং তাতে শব্দ গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'কবর' নাটকটির লেখক-
  1. জসীমউদ্দীন
  2. নজরুল ইসলাম
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা
• ‘কবর’ নাটক:
- ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক 'কবর'।
- নাটকটি লেখক জেলে থাকা অবস্থায় রচনা করেন এবং ১৯৫৩ সালে জেলের রাজবন্দিদের দ্বারা নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।
- নাটকটি ১৯৬৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

• ‘কবর’ নাটকের কাহিনি সংক্ষেপ:
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত 'Bury The Dead' (১৯৩৬) নাটকের অনুসরণে এদেশীয় ঘটনা কেন্দ্র করে 'কবর' নাটক লেখা হয়েছে।
- 'কবর' নাটকে মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে শহরে কারফিউ দিয়ে লাশ গুম করতে গভীর রাতে কবরস্থানে নিয়ে যায়। পুলিশ ইন্সপেক্টর হাফিজ এবং নেতা (নাটকে তার নাম নেই) যৌথভাবে এ দায়িত্ব নেয়। কিন্তু লাশগুলো ছিন্নভিন্ন দেখে তারা ধর্মীয় প্রথা অনুসারে কবরস্থ না করে একত্রে মাটিচাপা দেবার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে বাধা দেয় গোর-খোদক। কবরস্থানে আশ্রয় নেয়া আরেক স্বজনহারা পাগল মুর্দা ফকিরও প্রতিবাদ জানায়।
বলে: এ লাশগুলো আন্দোলনকারীর। এরা এভাবে কবরে যাবে না। লাশগুলোও তখন উঠে দাঁড়ায় এবং বলে: আমরা কবরে যাবো না। এসব দেখে মদ্যপ ইন্সপেক্টর ও নেতা ভয় পেয়ে যায়।
- 'কবর' একুশের পটভূমিতে রচিত প্রথম বাংলা নাটক।

---------------------
• মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'উভয়কূল রক্ষা' অর্থে ব্যবহৃত প্রবচন কোনটি?
  1. কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ
  2. চাল না চুলো, ঢেঁকী না কুলো
  3. সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
  4. বোঝার উপর, শাকের আঁটি
ব্যাখ্যা
• ‘সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে’ প্রবাদটির অর্থ - উভয়কূল রক্ষা

অন্যদিকে,
• ‘কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ’ প্রবাদটির অর্থ - কারও সুদিন কারও খারাপ দিন
• ‘চাল না চুলো, ঢেঁকী না কুলো’ প্রবাদটির অর্থ - অত্যন্ত গরীব
• ‘বোঝার উপর, শাকের আঁটি’ প্রবাদটির অর্থ -অতিরিক্তের অতিরিক্ত

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়ল
  2. দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
  3. দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
  4. দুর্বলবশত অনাথা বসে পড়ল
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল।
• 'অনাথা' শব্দটি 'অনাথ' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ।

অন্যদিকে,
• বর্তমান বাংলা ভাষা রীতি অনুসারে শব্দের শেষে 'ঃ' বসে না। সুতরাং দুর্বলতাবশতঃ বানানটি অশুদ্ধ।
• অন্যান্য বাক্যগুলোতে 'দুর্বলবশত' এবং 'অনাথিনী' শব্দের অপপ্রয়োগ ঘটেছে।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্যশুদ্ধি:
অশুদ্ধ বাক্য: ইহার আবশ্যক নেই।
শুদ্ধ বাক্য: ইহার আবশ্যকতা নেই।

অশুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।

অশুদ্ধ বাক্য: বিধি লঙ্ঘন হয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়-
  1. বিভক্তি
  2. ধাতু
  3. প্রত্যয়
  4. কৃৎ
ব্যাখ্যা
• ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে। এসকল ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।

ধাতু ৩ প্রকার। যথা:
১. মৌলিক ধাতু,
২. সাধিত ধাতু ও
৩. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।

• মৌলিক ধাতু:
যেসকল ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন- চল্‌, পড়্‌, কর্‌ ইত্যাদি।

• মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা:
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।

• সাধিত ধাতু:
মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম-শব্দের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়। আবার যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করলে এক বা একাধিক প্রত্যয় পাওয়া যায় তাকেও সাধিত ধাতু বলা হয়।
যেমন:
- দেখ্‌ + আ = দেখা।
- পড়+আ = পড়া।
- বল+আ =বলা।

• সাধিত ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা:
১. নাম ধাতু,
২. প্রযোজক (নিজন্ত) ধাতুি ও
৩. কর্মবাচ্যের ধাতু।

• সংযোগমূলক ধাতু:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাতক অব্যয়ের সাথে কর্‌, দে, পা, খা, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতু সংযুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয় তাই সংযোগমূলোক ধাতু।
যেমন: যোগ (বিশেষ্য) + কর্‌ (ধাতু) = 'যোগ কর' (সংযোগমূলোক ধাতু)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'রত্নাকর' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. রত্না + কর
  2. রত্ন + কর
  3. রত্না + আকার
  4. রত্ন + আকর
ব্যাখ্যা
• স্বরসন্ধির নিয়ম:
অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
• অ + অ = আ নিয়মে:
- নর + অধম = নরাধম,
- হস্ত + অন্তর = হস্তান্তর।
এরূপ- হিমাচল, প্রাণাধিক, হিতাহিত ইত্যাদি।

• অ + আ = আ নিয়মে:
- হিম + আলয় = হিমালয়।
- রত্ন + আকর = রত্নাকর।
এরূপ- দেবালয়, রত্নাকর, সিংহাসন ইত্যাদি।

• আ + অ = আ নিয়মে:
- যথা + অর্থ = যথার্থ।
এরূপ- আশাতীত, কথামৃত, মহার্ঘ ইত্যাদি।

• আ + আ = আ নিয়মে:
- বিদ্যা+ আলয় = বিদ্যালয়।
এরূপ- কারাগার, মহাশয়, সদানন্দ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোন দ্বিরুক্ত শব্দজুটি বহুবচন সংকেত করে?
  1. পাকা পাকা আম
  2. ছি ছি কি করছ
  3. নরম নরম হাত
  4. উড়ু উড়ু মন
ব্যাখ্যা
• বহুবচন সংকেত প্রকাশে ব্যবহৃত দ্বিরুক্ত শব্দ ‘পাকা পাকা’ আম।

• দ্বিরুক্ত শব্দ:

দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন। বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ, একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়।
যেমন
- 'আমার জ্বর জ্বর লাগছে।' অর্থাৎ ঠিক জ্বর নয়, জ্বরের ভাব অর্থে এই প্রয়োগ।

বিভিন্ন অর্থে শব্দদ্বিত বা অনুকার শব্দের প্রয়োগ:
•  আধিক্য অর্থে: পাকা পাকা আম, লাল লাল গোলাপ, বস্তা বস্তা সার, রাশি রাশি ধান।
• সামান্য অর্থে: কবি কবি ভাব, শীত শীত লাগে, কাদা কাদা মাঠ।
• তীব্রতা অর্থে: হিম হিম ঠান্ডা, গরম গরম দুধ, নরম নরম বালিশ।
• বহুত্ব অর্থে: কে কে যাবে।
• গভীরতা অর্থে: উড়ু উড়ু মন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯); প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১০.
কোন প্রবচন বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক?
  1. যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
  2. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
  3. নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙ্গা
  4. যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
ব্যাখ্যা
• বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক প্রবচন হচ্ছে: অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।
- প্রবচনাটির অর্থ: অতিরিক্ত লোকের খবরদারিতে কাজ পণ্ড।

অশুদ্ধ প্রবচন গুলোর শুদ্ধরূপ হলো:
• ‘যত গর্জে তত বর্ষে না’ প্রবচনের অর্থ - সামর্থ্যের বেশি সম্পাদিত হয় না।
• ‘নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা’ প্রবচনের অর্থ - নিজের ত্রুটি অন্যের উপর চাপানো।
• ‘যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধে হয়’ প্রবচনের অর্থ - যেখানে অসুবিধে সেখানেই বিপদ ঘটে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
বাংলায় টিএস এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক-
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বিষ্ণু দে
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
• প্রথম বাংলায় টিএস ইলিয়টের কবিতা অনুবাদ করেন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

• ‘তীর্থযাত্রী’ টি . এস . এলিয়ট' এর ‘The Journey of the Magi’ নামক কবিতার অনুবাদ। রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘পুনশ্চ’ কাব্যগ্রন্থে ‘তীর্থযাত্রী’ কবিতা নামে কবিতাটি সংকলন করেছিলেন।
- ‘পুনশ্চ’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৩২ সালে।

অন্যদিকে,
- বিষ্ণু দে ১৯৫০ সালে ‘এলিয়েটের কবিতা’র বাংলা অনুবাদ করেন।

------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপুট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা ইত্যাদি।

উৎস: ‘তীর্থযাত্রী’ কবিতা ‘পুনশ্চ’ কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত প্রথম কবিতা-
  1. অগ্রপথিক
  2. বিদ্রোহী
  3. প্রলয়োল্লাস
  4. ধূমকেতু
ব্যাখ্যা
• 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ:
- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'।
- 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী কবি' হিসাবে পরিচিত হন।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা- প্রলয়োল্লাস।
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।

• অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস,
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা,
- আগমণী,
- ধূমকেতু,
- কামাল পাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী,
- মহররম।

---------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ।
১৩.
'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ রচিত-
  1. কবিতার নাম
  2. গল্প সংকলনের নাম
  3. উপন্যাসের নাম
  4. কাব্য সংকলনের নাম
ব্যাখ্যা
• শেষের কবিতা:
- শেষের কবিতা (১৯২৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।
- প্রবাসী পত্রিকায় ছাপা হয় ১৯২৮ সালে।
- ভাষার অসমান্য ঔজ্জ্বল্য,দৃপ্তিশক্তি ও কবিত্বের দীপ্তি এই গ্রন্থটিকে এমন স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে, যার জন্য এই গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথের বিস্ময়কর সৃষ্টির অন্যতম।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- অমিত,
- লাবণ্য,
- কেতকী,
- শোভনলাল প্রমুখ।

• উপন্যাসের কতিপয় বাক্য আজ প্রবাদের মর্যাদা পেয়েছে-
- ফ্যাশনটা হলো মুখোশ, স্টাইলটা হলো মুখশ্রী।
- কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও - এই কবিতা দিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষের কবিতা উপন্যাসের সমাপ্তি টানেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪.
কোন বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত?
  1. তিনিই সমাজের মাথা
  2. মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
  3. লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল
  4. মাথা নেই তার মাথা ব্যথা
ব্যাখ্যা
• 'মাথা খাটিয়ে কাজ কর' বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত।

অন্যদিকে,
• 'তিনিই সমাজের মাথা' বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি প্রধান ব্যক্তি অর্থে ব্যবহৃত।
• 'লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল' বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি সম্মান অর্থে ব্যবহৃত।
• 'মাথা নেই তার মাথা ব্যাথা' বাক্যে উভয় ‘মাথা’ই মাথা অর্থে ব্যবহৃত।

উৎস: অভিগম্য অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. নিখুঁত
  2. আনমনা
  3. অবহেলা
  4. নিমরাজী
ব্যাখ্যা
• ‘নিম’ ফারসি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ ‘নিমরাজি’।
• ‘নিমরাজি’ শব্দে নিম উপসর্গটি অর্ধেক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- 'অবহেলা' শব্দে 'অব' একটি সংস্কৃত উপসর্গ।
- 'আনমনা' শব্দে 'আন' একটি বাংলা উপসর্গ।
- 'নিখুঁত' শব্দে ''নি' একটি বাংলা উপসর্গ।

-------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে সকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি'র রচয়িতা কে?
  1. শামসুর রাহমান
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলন:
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার জন্য ঢাকায় যে আত্মদান করা হয় তার স্মরণে ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে হাসান হাফিজুর রহমান 'একুশে ফেব্রুয়ারী' নামে একটি সাহিত্য সংকলন সম্পাদনা করেন।
- এর প্রকাশক ছিলেন মোহাম্মদ সুলতান।
- সম্পাদক ও প্রকাশক উভয়েই বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এই সংকলনে কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, গান, নক্শা, ইতিহাস শিরোনামে ৬টি বিভাগে মোট ২২ জন লেখক লিখেছেন।
- এই সংকলনেই প্রথম প্রকাশিত হয় আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী রচিত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানটি।
- প্রকাশের তিন সপ্তাহের মধ্যে পাকিস্তানের তৎকালীন সরকার সংকলনটি বাজেয়াপ্ত করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৭.
কোনটি তদ্ভব শব্দ?
  1. চাঁদ
  2. সূর্য
  3. নক্ষত্র
  4. গগন
ব্যাখ্যা
• তদ্ভব শব্দ:
যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ।
যেমন: 
- হাত, পা, মাথা, কান ইত্যাদি।

• চাঁদ শব্দের উৎপত্তি: {(তৎসম বা সংস্কৃত) চন্দ্র > (পালি)চন্দ; (প্রাকৃত) চংদ > চাঁদ}। সুতরাং চাঁদ তদ্ভব শব্দ।

অন্যদিকে,
সূর্য, নক্ষত্র, গগন- শব্দগুলো তৎসম শব্দ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং অভিগম্য অভিধান।
১৮.
বাংলায় কোরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক কে?
  1. কেশব চন্দ্র সেন
  2. গিরিশচন্দ্র সেন
  3. মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
  4. মওলানা আকরাম খাঁ
ব্যাখ্যা
• বাংলায় কোরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক- গিরিশচন্দ্র সেন।

• গিরিশচন্দ্র সেন:
- নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ধর্মবেত্তা ও অনুবাদক।
- তিনি 'সুলভ সমাচার' ও 'বঙ্গবন্ধু' পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক এবং 'মাসিক মহিলা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর প্রভাবে ১৮৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন।
- কুরআনের বঙ্গানুবাদ বাংলা সাহিত্যে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফের সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন তিনি।
- সকলের নিকট তিনি ‘ভাই গিরিশচন্দ্র’ নামে পরিচিত ছিলেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
• তাপসমালা:
- গিরিশচন্দ্রের বিখ্যাত গ্রন্থ তাপসমালা।
- এটি ৯৬ জন ওলি-আউলিয়ার জীবনচরিত, যা শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের ফারসি ভাষায় রচিত তায্কেরাতুল আত্তলিয়ার ভাবাদর্শে রচিত।

• তত্ত্বরত্নমালা:
- গিরিশচন্দ্রের উল্লেখযোগ্য আরেকটি গ্রন্থ হলো তত্ত্বরত্নমালা।
- এটি শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের মানতেকুত্তায়েব ও মওলানা জালালউদ্দীন রূমীর মসনবী শরীফ নামক প্রখ্যাত ফারসি গ্রন্থদ্বয় থেকে সংকলিত।
- এতে নীতিকথা ও শিক্ষণীয় বিষয় ছোট ছোট গল্পের আকারে রসাত্মকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এছাড়াও তিনি হাদিস-পূর্ব বিভাগ শিরোনামে মিশ্কাত শরীফের প্রায় অর্ধাংশের অনুবাদ প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৯.
Choose the correct alternative to complete the sentence? 'He _____ to see us if he had been able to.'
  1. would come
  2. would have come
  3. may have come
  4. may come
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত বাক্যের শূন্যস্থানে - would have come বসবে।

Complete sentence: 'He would have come to see us if he had been able to'.

• Third Conditional এর নিয়মানুযায়ী -
- If + subject + past perfect tense দ্বারা কোন Conditional sentence শুরু হলে এর অপর sentence টি তে subject এরপর would have/could have/might have বসে এবং এর পরের verb টির past participle form হয়।
- তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - He would have come to see us if he had been able to.
২০.
Choose the appropriate alternative to complete the sentence. He had a _____ of fever.'
  1. strong attack
  2. severe attack
  3. serious kind
  4. bad attack
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: He had a severe attack of fever.

• Severe
- English Meaning: causing very great pain, difficulty, worry, damage, etc.; very serious.
- Bangla Meaning: তীব্র, কঠোর।
- সাধারণত আবহাওয়া ও রোগের অবস্থা বুঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
 
সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - severe attack.
২১.
Choose the correct sentence.
  1. I asked Javed had he passed.
  2. I asked Javed if he had passed.
  3. I asked Javed if you had passed.
  4. I asked Javed that had he passed.
ব্যাখ্যা
• Correct sentence: I asked Javed if he had passed.

- Interrogative sentence এর direct narration কে indirect narration এ পরিবর্তন করার সময় reported speech এর পূর্বে if বা whether বসে।

ক) I asked Javed had he passed.
- বাক্যটি ভুল।
- Because it lacks the conjunction "if" or "whether" to introduce the reported question. In English, when forming reported questions, the word order changes, and the subject follows the verb, but in this case, "had he passed" is in the wrong order.

খ) I asked Javed if he had passed
- বাক্যটি সঠিক।
- The conjunction "if" introduces the reported question, and the word order follows the correct structure for reported speech: subject + auxiliary verb + subject + main verb.

গ) I asked Javed if you had passed
- বাক্যটি ভুল।
- কারণ এখানে "he" এর জায়গায় "you" এর ব্যবহার হয়েছে। 
- বাক্যের subject এর সাথে pronoun এর মিল থাকতে হবে যা হলো "Javed."

ঘ) I asked Javed that had he passed
- বাক্যটি ভুল।
- Because it uses "that" instead of "if" to introduce the reported question. In reported speech, we typically use "if" or "whether" to introduce a reported question, not "that."
২২.
Choose the correct sentence.
  1. A few of the three boys got a prize.
  2. Each of the three boys got a prize.
  3. Every of the three boys got a prize.
  4. All of the three boys got a prize.
ব্যাখ্যা
Correct sentence: Each of the three boys got a prize.

• কোনো বাক্যে Each of the, one of the, neither of the, either of the থাকলে এদের পর noun (plural) কিন্তু verb (singular) এবং possessive (singular) হয়।
- a prize এর সাথে সঙ্গতি রেখে a few of / all of এর ব্যবহার অশুদ্ধ।
- Every of এর ব্যবহার অশুদ্ধ। 

ক) A few of the three boys got a prize
- বাক্যটি ভুল।
- "A few" suggests a small number out of a larger group.
- যেহেতু এখানে only three boys উল্লেখ আছে তাই এই  phrase টি এখানে appropriate নয়।

খ) Each of the three boys got a prize
- বাক্যটি সঠিক।
- "Each" correctly implies that every single one of the three boys received a prize individually. 
- তাই বাক্যটি ব্যাকরণগত ভাবে সঠিক।

গ) Every of the three boys got a prize
- বাক্যটি ভুল।
-  যদি বাক্যটি হতো "Every one of the three boys got a prize," তবে এটি সঠিক হতো।

ঘ) All of the three boys got a prize
- বাক্যটি ভুল।
- সঠিক বাক্যটি হতো "All three boys got a prize", "All of the three boys" is somewhat redundant and less natural.

Therefore, the best and most grammatically correct option is খ) Each of the three boys got a prize.
২৩.
Choose the correct sentence.
  1. The man that said that was a fool
  2. The man who said that was a fool
  3. The man that said that was a fool.
  4. The man which said that was a fool
ব্যাখ্যা
• The correct sentence is - The man who said that was a fool. 

•  Rules of the sentence: 
- Who এর পর সরাসরি verb আসে আর whom এর পর আসে noun বা pronoun.
- ব্যক্তিবাচক noun এর relative pronoun form হিসেবে তাই এখানে who ব্যবহৃত হবে৷

• সাধারণত ব্যক্তির পরে Relative Pronoun Who বসে।
- person + who+ verb (according to person)
example:
- The man who said that was a fool.
- The man who stole my bag was tall.
২৪.
Choose the correct answer. How long did you wait?
  1. Till lunch time
  2. Till he came
  3. Until six o'clock
  4. Since this morning
ব্যাখ্যা
• How long did you wait?
- এখানে প্রশ্নটি past form এ করা হয়েছে। সে হিসেবে উত্তরটিও past form এ করতে হবে।
- প্রশ্নটির উত্তর এভাবে করা যায় -

• I waited until / till he came. বা সংক্ষেপে untill/till he came. (until/till conjunction হিসেবে ব্যবহৃত)।
- এখানে till/until অর্থ যতক্ষণ না।
- সুতরাং বাক্যের অর্থ - Till he came অর্থ- যতক্ষণ না সে এসেছিল
- তাই, সঠিক উত্তর হবে - খ।

• আবার,
- Till/untill অর্থ যদি 'পর্যন্ত' হয় এবং Preposition হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তাহলে ক ও গ উভয়েই উত্তর হতে পারে।
২৫.
What will be the correct preposition to complete the sentence? 'I am not bad ____ tennis'.
  1. in
  2. at
  3. about
  4. with
ব্যাখ্যা
• Bad at something:
English meaning: These words describe a person who lacks skill in doing something.

• The word with the broadest use is bad. You can be bad at something or bad at doing something. 
Example: We’re really bad at predicting future costs.

• দক্ষতা/অদক্ষতা বুঝাতে শব্দের সাথে at ব্যবহৃত হয়। যেমন- good at, bad at etc.

যেমনঃ
He is bad/good at cricket. [a bad/good player]
Running is bad/good for you. [unhealthy/healthy]
I am not bad at tennis.
He is good at chess.

Complete sentence: I am not bad at tennis.

Source: Cambridge Dictionary.
২৬.
What is the antonym of 'gentle'?
  1. harsh
  2. modest
  3. clever
  4. rude
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• Rude ও Harsh দুটিই Gentle এর বিপরীত শব্দ, দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

• Gentle:
English meaning: calm, kind, or soft.
Bangla meaning: অমায়িক; নম্র; মৃদু; শান্ত; সতর্ক।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
- modest: not usually talking about or making obvious your own abilities and achievements: বিনয়ী; অনুদ্ধত; নিরহংকার।
- clever: showing intelligence, but not sincere, polite, or serious: চালাক; চতুর; দক্ষ।
- rude: not polite; offensive or embarrassing: অভদ্র; অমার্জিত; রূঢ়।
- harsh: unpleasant, unkind, cruel, or more severe than is necessary: রূঢ়; কর্কশ।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৭.
What is the synonym of 'Jovial'?
  1. Jolly
  2. Gay
  3. Jealous
  4. Happy
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• Jovial এর synonym তিনটিই হয়, তাই একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

• Jovial (Adjective)English Meaning: Cheerful and friendly
Bangla Meaning: হাসিখুশি; আমুদে; আনন্দপূর্ণ

Option,
- Jolly: happy and smiling: হাসিখুশি; প্রফুল্ল; কিঞ্চিৎ মাতাল; সুন্দর; বলিষ্ঠ।
- Happy: feeling, showing, or causing pleasure or satisfaction: ভাগ্যবান; সুখী; তৃপ্ত
- Gay: happy: লঘুচেতা; হাসিখুশি; উচ্ছল।
- Jealous: অধিকার বা প্রণয়ের প্রকৃত বা সম্ভাব্য হানির জন্য শঙ্কিত বা বিদ্বেষপূর্ণ, ঈর্ষাকাতর, ঈর্ষাপরায়ণ।
২৮.
What is the synonym of 'Competent'?
  1. Circumspect
  2. Discrete
  3. Capable
  4. Prudent
ব্যাখ্যা
• Competent:
English meaning: able to do something well.
Bangla meaning: উপযুক্ত; সক্ষম; দক্ষ।

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Circumspect - কাজে নামার আগে সবকিছু খুঁটিয়ে খেয়াল করে এমন; সতর্ক।
খ) Discrete - পৃথক; বিযুক্ত; ধারাবাহিকতাহীন; অসংলগ্ন।
গ) Capable -  শক্তিমান; সক্ষম; শক্তিধর; দক্ষ।
ঘ) Prudent - সতর্ক; দূরদর্শী; কৃতাবধান; পরিণামদর্শী; সুবিবেচক; বিচক্ষণ।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Capable শব্দটি Competent এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৯.
Who is the author of 'A Farewell to Arms'?
  1. H. G. Wells
  2. George Orwel
  3. Thomas Hardy
  4. Ernest Hemingway
ব্যাখ্যা
• 'A Farewell to Arms' is written by - Ernest Hemingway.
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত তাঁর তৃতীয় novel.
- A Farewell to Arms is particularly notable for its autobiographical elements.
- এই novel এ arms বলতে একই সাথে অস্ত্র এবং প্রেমিকার হাত বোঝানো হয়েছে।
- The plot is set during the Italian campaign of World War I. First published in 1929, it is a first-person account of an American, Frederic Henry, serving as a lieutenant in the ambulance corps of the Italian Army.
- The title is taken from a poem by the 16th-century English dramatist George Peele.

• A Farewell to Arms এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ - 
- Lieutenant Frederic Henry (Protagonist)
- Henry Catherine Barkley
- Helen Ferguson
- Lieutenant Rinaldi, etc.

• Ernest Hemingway is an American novelist.
- He was awarded Nobel prize in 1954 for literature.

• His famous novels:
- A Farewell to Arms,
- For Whom The Bell Tolls,
- The Sun Also Rises,
- Death in the Afternoon,
- To Have and Have not.

Source: Britannica.
৩০.
Who is the author of 'Animal Farm'?
  1. Thomas More
  2. George Orwel
  3. Boris Pasternak
  4. Charles Dickens
ব্যাখ্যা
• Animal Farm: 
- It is a novel written by George Orwell.
- এটি একটি political allegory/ satirical allegorical novella about revolution and power.
- অর্থাৎ, Animal Farm লেখা হয়েছে allegorical form এ।
- Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story.
- Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language. 

• এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত -
১. মানুষ হিসাবে রয়েছেন  - Mr. Jones, Mr. Whymper, Mr. Pilkington,Mr. Frederick
২. পশু হিসাবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Old Major, Squealer, Boxer, Benjamin, Mollie, Clover, Moses, Muriel.

• George Orwell, Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং  Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

Source: Britannica.
৩১.
Who is the author of 'India Wins Freedom'?
  1. Mahatma Gandhi
  2. J. L. Nehru
  3. Abul Kalam Azad
  4. Moulana Akram Khan
ব্যাখ্যা
• 'India Wins Freedom' এর রচয়িতা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বিখ্যাত নেতা Maulana Abul Kalam Azad
- এটি হচ্ছে একটি autobiography.
- এটি তাঁর মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
- 1992 সালে, তার মৃত্যুর কয়েক দশক পর, আজাদকে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ভারতরত্ন দেওয়া হয়।
-  তিনি 22 ফেব্রুয়ারি, 1958, ভারতের নয়াদিল্লিতে মারা যান।

• Maulana Abul Kalam Azad:
- তিনি ছিলেন একজন Indian theologian.
- He was born on November 11, 1888, Mecca [now in Saudi Arabia]—died February 22, 1958, New Delhi, India).
- He was an Islamic theologian who was one of the leaders of the Indian independence movement against British rule in the first half of the 20th century. 

Source: Britannica.
৩২.
What kind of noun is 'Cattle'?
  1. Proper
  2. Common
  3. Collective
  4. Material
ব্যাখ্যা
• Collective Noun:
- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।

• কিছু collective noun হচ্ছে - cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority etc.
৩৩.
What kind of noun is 'Girl'?
  1. Proper
  2. Common
  3. Collective
  4. Material
ব্যাখ্যা
• Common noun: 
A common noun is one which is common to each member of class of persons or things.
অর্থাৎ, যে noun কোন এক শ্রেণির ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে common  noun  বলে। 

Examples of common nouns:
- Flower
- Poet 
Girl
- Planet 
- Dress 

 Source: A Passage to the English Language, S M Zakir Hussain.
৩৪.
What is the meaning of 'White Elephant'?
  1. An elephant of white colour
  2. A very coslty or troublesome possession
  3. A black marketer
  4. A hoarder
ব্যাখ্যা
• White elephant
English Meaning: Something that has cost a lot of money but has no useful purpose /Very costly and troublesome.
Bangla Meaning: দামী কিন্তু তেমন কাজের নয় এমন।

Ex. Sentence: This is a white elephant department of the government.
Bangla Meaning: সরকারের এই বিভাগটি কোনো কাজেরই না অথচ এর পেছনে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে।

Source: Live MCQ Lecture.
৩৫.
নিচের কোন সংখ্যাটি মৌলিক?
  1. ৯১
  2. ১৪৩
  3. ৪৭
  4. ৮৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন সংখ্যাটি মৌলিক?

সমাধান:
১ এর চেয়ে বড় যে সকল সংখ্যাকে শুধু ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না, তাদেরকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
অর্থাৎ মৌলিক সংখ্যার উৎপাদক হবে দুইটি: ১ এবং শুধুমাত্র সেই সংখ্যাটি।
৪৭ সংখ্যাটি মৌলিক সংখ্যা।
৩৬.
কোনো একটি জিনিস নির্মাতা ২০% লাভে ও খুচরা বিক্রেতা ২০% লাভে বিক্রয় করে। যদি ঐ জিনিসের নির্মাণ খরচ ১০০ টাকা হয় তবে খুচরা মূল্য কত?
  1. ১৪০ টাকা
  2. ১২০ টাকা
  3. ১৪৪ টাকা
  4. ১২৪ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো একটি জিনিস নির্মাতা ২০% লাভে ও খুচরা বিক্রেতা ২০% লাভে বিক্রয় করে। যদি ঐ জিনিসের নির্মাণ খরচ ১০০ টাকা হয় তবে খুচরা মূল্য কত?

 সমাধান: 
২০% লাভে,
নির্মাতার বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১০০ এর ২০%
= ১০০ + ২০ টাকা 
= ১২০ টাকা

আবার,
২০% লাভে,
খুচরা বিক্রেতার বিক্রয়মূল্য (১২০ + ১২০ এর ২০%)
= ১২০ + ১২০ এর ২০/১০০
= (১২০ + ২৪)
= ১৪৪ টাকা।
৩৭.
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য যদি 'a' হয় তবে ক্ষেত্রফল হবে -
  1. (√৩a2)/৪
  2. (√৩a2)/2
  3. ৩/(২a2)
  4. √১/(২a2)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য যদি 'a' হয়, তবে ক্ষেত্রফল হবে - 

সমাধান: 
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = √3a2/4
৩৮.
১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত সংখ্যার গড় কত?
  1. ২৩
  2. ২৪.৫
  3. ২৫
  4. ২৬.৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যার গড় কত?

সমাধান:
১ থেকে n পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার সমষ্টি = n(n + ১)/২
১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত সংখ্যার সমষ্টি = ৪৯(৪৯ + ১)/২
 = ৪৯ × ২৫ 

১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত ক্রমিক সংখ্যার গড় = (৪৯ × ২৫)/৪৯
 = ২৫
৩৯.
টাকায় তিনটি করে আম ক্রয় করে টাকায় ২টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
  1. ৫০%
  2. ৩৩%
  3. ৩০%
  4. ৩১%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: টাকায় ৩টি করে আম ক্রয় করে, টাকায় ২টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?

সমাধান:
৩টি আমের ক্রয়মূল্য ১ টাকা
১টি আমের ক্রয়মূল্য ১/৩ টাকা

২টি আমের বিক্রয়মূল্য ১ টাকা
১টি আমের বিক্রয়মূল্য ১/২ টাকা

∴ লাভ = (১/২) - (১/৩)
= (৩ - ২)/৬
= ১/৬ টাকা

১/৩ টাকায় লাভ হয় ১/৬ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় (১ × ৩)/৬ টাকা
১০০ টাকায় লাভ হয় (১ × ৩ × ১০০)/৬ টাকা
= ৫০ টাকা

∴ নির্ণেয় লাভ ৫০%
৪০.
ত্রিভুজ ABC এর BE = FE = CF। AEC এর ক্ষেত্রফল ৪৮ বর্গফুট হলে, ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল কত বর্গফুট?
  1. ৭২
  2. ৬০
  3. ৪৮
  4. ৬৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ত্রিভুজ ABC এর BE = FE = CF। AEC এর ক্ষেত্রফল ৪৮ বর্গফুট হলে, ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল কত বর্গফুট?

সমাধান: 

ত্রিভুজ AEC তে, EF = FC এবং AF মধ্যমা।
∴ ΔAEF = ΔAFC
আবার, ত্রিভুজ ABF তে, BE = EF এবং AE মধ্যমা।
∴ ΔABE = ΔAEF
∴ ΔABE = ΔAEF = ΔAFC
এখন,
ΔAEC = 48
⇒ ΔAEF + ΔAFC = 48
⇒ ΔAFC + ΔAFC = 48
⇒ 2.ΔAFC = 48
∴ ΔAFC = 24
∴ ΔABE = ΔAEF = ΔAFC = 24
সুতরাং,
ΔABC = ΔABE + ΔAEF + ΔAFC
= 24 + 24 + 24
= 72
৪১.
a + b = 5 এবং a - b = 3 হলে ab এর মান কত?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 5 এবং a - b = 3 হলে ab এর মান কত?

সমাধান:
a + b = 5
a - b = 3

ab = {(a + b)/2}2 - {(a - b)/2}2
= (5/2)2 - (3/2)2
= (25/4) - (9/4)
= (25 - 9)/4
= 16/4
= 4
৪২.
৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৭ : ৩। ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার পেট্রোল মিশালে অনুপাত ৩ : ৭ হবে?
  1. ৭০
  2. ৮০
  3. ৯০
  4. ৯৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ লিটার কেরোসিন ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৭ : ৩। ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার পেট্রোল মিশালে অনুপাত ৩ : ৭ হবে?

সমাধান:
মিশ্রণে কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত = ৭ : ৩
অনুপাত দ্বয়ের সমষ্টি = ৭ + ৩ = ১০

মিশ্রণে কেরোসিনের পরিমাণ = ৬০ এর ৭/১০ = ৪২ লিটার
মিশ্রণে পেট্রোলের পরিমাণ = ৬০ এর ৩/১০ = ১৮ লিটার

ধরি,
পেট্রোল মিশাতে হবে = ক লিটার

প্রশ্নমতে,
৪২/(১৮ + ক) = ৩/৭
বা, ৫৪ + ৩ক = ২৯৪
বা, ৩ক = ২৯৪ - ৫৪
বা, ৩ক = ২৪০
∴ ক = ৮০ লিটার
৪৩.
১ হতে ৩০ পর্যন্ত কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে?
  1. ১১টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ হতে ৩০ পর্যন্ত কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে?

সমাধান:
১ হতে ৩০ পর্যন্ত কয়টি মৌলিক সংখ্যা=২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯ 

১ হতে ৩০ পর্যন্ত কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে = ১০টি
৪৪.
দুটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬। সংখ্যা দুটোর ল.সা.গু ৯৬ হলে গ.সা.গু. কত?
  1. ১৬
  2. ২৪
  3. ৩২
  4. ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬। সংখ্যা দুটোর ল.সা.গু ৯৬ হলে গ.সা.গু. কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
দুইটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬
সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু ৯৬

আমরা জানি,
দুইটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু × গ.সা.গু
⇒ ১৫৩৬ = ৯৬ × গ.সা.গু
⇒ গ.সা.গু = ১৫৩৬/৯৬
∴ গ.সা.গু = ১৬
৪৫.
(.1 × .01 × .001)/(.2 × .02 × .002) এর মান কত? 
  1. 1/80
  2. 1/800
  3. 1/8000
  4. 1/8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (.1 × .01 × .001)/(.2 × .02 × .002) এর মান কত? 

সমাধান:
(.1 × .01 × .001)/(.2 × .02 × .002)
= 0.000001/0.000008 
= 1/8
৪৬.
সরল সুদের হার শতকরা কত টাকা হলে যে কোনো মূলধন ৮ বছরে সুদে-আসলে তিনগুণ হবে?
  1. ১২.৫০ টাকা
  2. ২০ টাকা
  3. ২৫ টাকা
  4. ১৫ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সরল সুদের হার শতকরা কত টাকা হলে যে কোনো মূলধন ৮ বছরে সুদে-আসলে তিনগুণ হবে?

সমাধান:
ধরি,
আসল P = ১০০ টাকা
সুদাসল A =১০০ × ৩ = ৩০০টাকা
সুদ I =(৩০০ - ১০০) টাকা = ২০০টাকা

আমরা জানি
I = Pnr
r = I/Pn
সুদের হার r = (১০০ × ২০০)/(১০০ × ৮)
= ২৫%
৪৭.
চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়াতে একটি পরিবার চিনি খাওয়া এমনিভাবে কমালো যে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়ার খরচ শতকরা কত কমিয়েছিল?
  1. ২২%
  2. ২৫%
  3. ২০%
  4. ৩০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়াতে একটি পরিবার চিনি খাওয়া এমনিভাবে কমালো যে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়ার খরচ শতকরা কত কমিয়েছিল?

সমাধান:
২৫% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = (১০০ + ২৫) টাকা = ১২৫ টাকা

বর্তমান মূল্য ১২৫ টাকা হলে পূর্বমূল্য ১০০ টাকা
বর্তমান মূল্য ১ টাকা হলে পূর্বমূল্য ১০০/১২৫ টাকা
বর্তমান মূল্য ১০০ টাকা হলে পূর্বমুল্য = (১০০×১০০)/১২৫
= ৮০ টাকা

∴ঐ পরিবার চিনি খাওয়া কমালো (১০০ - ৮০) = ২০%
৪৮.
যদি (x - 5)(a + x) = x2 - 25 হয়, তবে a এর মান কত?
  1. - 5
  2. 5
  3. 25
  4. - 25
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি (x - 5)(a + x) = x2 - 25 হয়, তবে a এর মান কত?

সমাধান:
(x - 5) (a + x) = x2 - 25
⇒ (x - 5) (a + x) = (x - 5)(x + 5)
⇒ a + x = x + 5
∴ a = 5
৪৯.
a + b + c = 0 হলে a3 + b3 + c3 এর মান কত?
  1. abc
  2. 3abc
  3. 6abc
  4. 9abc
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b + c = 0 হলে a3 + b3 + c3 এর মান কত?

সমাধান:
a + b + c = 0
a + b = - c

এখন
a3 + b3 + c3
= (a + b)3 - 3ab(a + b) + c3
= (- c)3 - 3ab(- c) + c3
= - c3 + 3abc + c3
= 3abc
৫০.
ত্রিভুজের একটি কোণ এর অপর দুটি কোণের সমষ্টির সমান হলে ত্রিভুজটি-
  1. সমকোণী
  2. স্থূলকোণী
  3. সমবাহু
  4. সূক্ষ্মকোণী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ত্রিভুজের একটি কোণ এর অপর দুটি কোণের সমান হলে ত্রিভুজটি-

সমাধান:
⇒ ত্রিভুজের একটি কোণ এর অপর দুটি কোণের সমান হলে অর্থাৎ সবগুলো কোণই সমান। তাই ত্রিভুজটি সমবাহু হবে।
⇒ ত্রিভুজের একটি কোণ এর অপর দুটি কোণের সমষ্টির সমান হলে ত্রিভুজটি সমকোণী হবে।
৫১.
বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা ছিল-
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।

যেহেতু প্রশ্নে ১০ ই এপ্রিল নেই, তাই কাছাকাছি উত্তর হিসেবে ১৭ ই এপ্রিল উত্তর গ্রহণ করা হয়েছে।

- মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসাবে কার্যকর হয়।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
-  প্রথম বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে কার্যকর হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এ ঘোষণা দেশের সংবিধান হিসেবে কার্যকর ছিল।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা: 
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী সেনারা ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যায় লিপ্ত হয়।
- নিরস্ত্র ঘুমন্ত বাঙ্গালির ওপর বিভৎস এ আক্রমণ অখন্ড পাকিস্তানের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়।
- আনুমানিক রাত দেড়টার দিকে গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।

• 'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র-- মুজিবনগর, বাংলাদেশ-- তারিখ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১': 
আমরা, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা, সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী বাংলাদেশের জনগণ যেক্ষমতাদিয়েছেন, সে মোতাবেক,তাদেরসর্বোচ্চ চাওয়া দ্রষ্টব্য যে আমাদের সংগঠিত করে একটি শাসনণতন্ত্র গঠন করা। সমাবেশ করে পারষ্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা ও গঠন করছি এবং আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া স্বাধীনতারঘোষণা নিশ্চিত করছি, এবং এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন,এবং রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।

উৎস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
৫২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৯১
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। 
-------------------------------- 
• বাংলাদেশের সংবিধান:

- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান প্রবর্তিত হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

• ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ;  

১৫৩ (১)-
এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে ইহা বলবৎ হইবে, যাহাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে।

১৫৩(২)-
বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকিবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলিয়া গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন।

১৫৩(৩)- 
এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫৩.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?
  1. মহাস্থানগড়ে
  2. শাহজাদপুরে
  3. নেত্রকোনায়
  4. রামপালে
ব্যাখ্যা
শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
- তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে সমাহিত।
- শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
- কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

মহাস্থানগড়:
• মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ নগর পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান। 
• মহাস্থানগড়ে শাহ সুলতান বলখীর মাজার রয়েছে । 
• সম্রাট অশোকের সময়ের খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি পাওয়া গেছে । 
• স্থানটি বগুড়া শহর থেকে ১৩ কিমি (৮ মাইল) উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে ।

এছাড়া, 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারি তদারকি উপলক্ষে বাংলাদেশের শাহজাদপুরে এসেছিলেন। তাছাড়া, এখানে বাংলাদেশের গো-চারণের জন্যে বাথান ভূমি রয়েছে- শাহজাদপুরে। 
 বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি অবস্থিত - বিরিশিরি, নেত্রকোনা।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি প্রস্তাবিত কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রামে
  2. বগুড়ায়
  3. সোনারগাঁওয়ে
  4. রামপালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর- নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত। 

বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর:

- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ  ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

অন্যদিকে, 
 • নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর:
- বাংলাদেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক বা নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬৫ সালে।
- জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ১৯৭৪ সালের ৯ জানুয়ারি। 
- এই জাদুঘরে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জাতি তাত্ত্বিক সামগ্রী প্রদর্শিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর (১৯১০)।

উল্লেখ্য।
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।

তথ্যসূত্র: জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও সোনারগাঁ উপজেলায় ওয়েবসাইট।
৫৫.
বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে প্রথম এসেছিল-
  1. ইংরেজরা
  2. ওলন্দাজরা
  3. ফরাসিরা
  4. পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
• বাংলায় ইউরোপীয় বণিকেদের মধ্যে, 
- পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পনেরো শতকের শুরু থেকেই তারা বাণিজ্যের জন্য দুঃসাহসিক সমুদ্রযাত্রা শুরু করে।
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে ভাস্কো ডা গামার কালিকটে পৌঁছার কয়েক দশক পরে বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

পর্তুগীজদের নিয়ে আরো কিছু তথ্য: 
• পর্তুগালের অধিবাসীরা পর্তুগিজ বা ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত। 
• ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
• আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। 
• উপমহাদেশে আগমন- ১৪৯৮ 
• বাংলায় আগমন- ১৫১৬ ( হুগলি )
• বাংলায় প্রথম কুঠি-১৫১৭ ( হুগলি )
• বাংলা ত্যাগ-১৬৬৬ চট্রগ্রাম থেকে 
• ভারত ত্যাগ-১৯৬১ গয়া থেকে।
------------------------- 
বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- তারা ‘ডাচ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে বাণিজ্যের উদ্দেশে ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে আসে।
- ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা বিদরার যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। ফলে ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে শেষ পর্যন্ত সকল বাণিজ্যকেন্দ্র গুটিয়ে তারা এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।
- ওলন্দাজদের মতোই দিনেমার বা ডেনমার্কের অধিবাসী একদল বণিক বাণিজ্য করার জন্য ‘ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে।
- এদেশে লাভজনক ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়ে ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্যিক সফলতা ছাড়াই দিনেমাররা এদেশ ত্যাগ করে।
- ইউরোপীয়দের মধ্যে সবার শেষে আসেন ফরাসিরা।
• ইংরেজরা বাংলায় আগমন-১৬০০ সালে।
• ফরাসিরা বাংলায় আগমন-১৬৭৪ সালে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৫৬.
বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন-
  1. লক্ষ্মণ সেন
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. আকবর
  4. বিজয় সেন
ব্যাখ্যা
⊕ বাংলা নববর্ষ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা - ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর।
- এই কৃষি কাজের সুবিধার্থেই মুঘল সম্রাট আকবর — ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৭.
পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কি নামে পরিচিত ছিল?
  1. সোমপুর বিহার
  2. ধর্মপাল বিহার
  3. জগদ্দল বিহার
  4. শ্রী বিহার
ব্যাখ্যা
• পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করেছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। 
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- বর্তমান বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বাদলগাছি উপজেলার পাহারপুর গ্রামে অবস্থিত এই বিহার।

- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ।
৫৮.
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে -
  1. বিজয়পুরে
  2. রানীগঞ্জে
  3. টেকেরহাটে
  4. বিয়ানী বাজারে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 
----------------- 
• 'চীনামাটি':

- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৫৯.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ১৮৯৭ সালে
  2. ১৯০২ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৯২১ সালে।

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর প্রাথমিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ গড়ে উঠে ঢাকা কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী এবং কলেজ ভবনের (বর্তমান কার্জন হল) উপর ভিত্তি করে।
- ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ রহমান।
- ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূরণ করেছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬০.
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেন-
  1. শায়েস্তা খান
  2. নওয়াব সলিমুল্লাহ
  3. মির্জা আহমেদ জান
  4. খান সাহেব আবুল হাসনাত
ব্যাখ্যা
• ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেন — 'মির্জা আহমেদ জান'। 

• তারা মসজিদ: 
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

উল্লেখ্য, 
- ছোট কাটরা  নির্মান করেন শায়েস্তা খান এবং বড় কাটরা নির্মান করেন শাহ সুজা ।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৬১.
পাখি ছাড়া 'বলাকা' ও 'দোয়েল' নামে পরিচিত হচ্ছে-
  1. দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য
  2. দু'টি উন্নত জাতের ধানশস্য
  3. দু'টি উন্নত জাতের ভুট্টাশস্য
  4. দু'টি উন্নত জাতের ইক্ষু
ব্যাখ্যা
• পাখি ছাড়া 'বলাকা' ও 'দোয়েল' নামে পরিচিত হচ্ছে- দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য। 

• বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা
- দোয়েল
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
------------------------- 
• বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৬২.
'অগ্নিশ্বর', 'কানাইবাঁসি', 'মোহনবাঁশী' ও 'বীটজবা' কি জাতীয় ফলের নাম?
  1. পেয়ারা
  2. কলা
  3. পেঁপে
  4. জামরুল
ব্যাখ্যা
• কলার উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অগ্নিশ্বর, 
- অমৃতসাগর, 
- মোহনবাঁশী, 
- কানাইবাঁশী, 
- বীটজবা, 
- চাম্পা, 
- মেহেরসাগর, 
- কবরি ইত্যাদি।
---------------------- 
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৬৩.
বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা প্রবর্তন করা হয় কোন সালে?
  1. ১৭০০ সালে
  2. ১৭৭২ সালে
  3. ১৭৬৫ সালে
  4. ১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে বাংলার কৃষকরা জমির উপর তাদের মালিকানা হারায়।
- ১৯৫০ সালের ‘পূর্ববঙ্গ জমিদার অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে’র ফলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার বিলুপ্তি হয়।

তাছাড়া, 
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানির দেওয়ানি লাভের পর প্রকৃতপক্ষে ইংরেজরাই বাংলার সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে।
- ক্লাইব প্রবর্তিত দ্বৈতশাসন ১৭৬৫ থেকে ১৭৭২ সাল পযর্ন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা বাতিল করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৪.
কোন মুঘল সম্রাট বাংলার নাম দেন 'জান্নাতাবাদ'?
  1. বাবর
  2. হুমায়ুন
  3. আকবর
  4. জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
• সম্রাট হুমায়ুন — বাংলার নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।

• সম্রাট হুমায়ুন (১৫৩০-১৫৫৬):

- মুঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন।
- বাবরের শাসনামলে হুমায়ুন বাদাখশান, হিসার ফিরোজা এবং সম্বলের শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- পিতা বাবরের মৃত্যুর পর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে ডিসেম্বর মাত্র ২৩ বছর বয়সে পিতৃ মনোনয়ন অনুসারে হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন' নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।

উল্লেখ্য,
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মোগল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আকবর এর প্রথম পুত্র জাহাঙ্গীর তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নূরুদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর উপাধি গ্রহণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন। তাঁর সময়ে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
উপমহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর-
  1. ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার
  2. ড. মাহমুদ হাসান
  3. ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. স্যার এ. এফ. রহমান
ব্যাখ্যা
• উপ-মহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন - স্যার এ. এফ. রহমান।

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২০ সালে ভারতীয় বিধানসভায় গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনবলে ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গঠিত কমিশনের নাম ছিলো নাথান কমিশন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টজ।
- উপ-মহাদেশীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর হলেন স্যার এ. এফ. রহমান।

অন্যদিকে,
- রমেশচন্দ্র মজুমদার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য। 
- ড. মাহমুদ হোসেন : পঞ্চম উপাচার্য (ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি জাকির হোসেনের ভাই)। 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সায়্যিদ চৌধুরী।

• উপাচার্যের সময়কাল:
১. স্যার পি. জে. হার্টগ (১৯২০ - ১৯২৫), 
২. অধ্যাপক জর্জ হ্যারি ল্যাংলি (১৯২৬ - ১৯৩৪), 
৩. স্যার এ. এফ. রাহমান (১৯৩৪ - ১৯৩৬), 
৪. অধ্যাপক রমেশচন্দ্র মজুমদার (১৯৩৭ - ১৯৪২), 
৫. অধ্যাপক মাহমুদ হাসান (১৯৪২ - ১৯৪৮), 
৬. অধ্যাপক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হুসাইন (১৯৪৮ - ১৯৫৩)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
৬৬.
১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের কোন ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়?
  1. শামীম সিকদার
  2. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. আবদুস সুলতান
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের হামিদুজ্জামান খান ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়। 

--------------------- 
• হামিদুজ্জামান খান:
- একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন- হামিদুজ্জামান খান।
- "His piece titled ‘Steps’ has found a permanent place in the Seoul Olympic Park in Korea."

• অলিম্পিকে বাংলাদেশ:
- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামে।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।

উৎস: Bengal Foundation, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯।
৬৭.
ঢাকায় সর্বপ্রথম কবে বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয়?
  1. ১২০৬ খ্রিঃ
  2. ১৩১০ খ্রিঃ
  3. ১৫২৬ খ্রিঃ
  4. ১৬১০ খ্রিঃ
ব্যাখ্যা
• ঢাকায় সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয় — ১৬১০ খ্রিঃ। 

• রাজধানী হিসেবে ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম 'জাহাঙ্গীরনগর' রাখা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
-  ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
-  ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: ঢাকা জেলা, dhaka.gov.bd.জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৮.
'পূর্বাশা' দ্বীপের অপর নাম-
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  3. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
  4. কুতুবদিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• 'পূর্বাশা' দ্বীপের অপর নাম — দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ। 
----------------------- 
• দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ। 
- দ্বীপটি মূলত গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী- এর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। 
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে।
- ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীপটির অভ্যুদয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়।
- ভারত নতুন জেগে ওঠা দ্বীপটিকে ‘নিউমুর দ্বীপ’ The New Moore Island) নামে চিহ্নিত করে।
- সে সময় পশ্চিমবঙ্গে দ্বীপটিকে কখনও ‘নিউমুর’ আবার কখনও ‘পূর্বাশা’ নামে অভিহিত করা হতো।
- ভারত সরকারও দ্বীপটিকে নিজ রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভূক্ত বলে দাবী করে থাকে।
- দক্ষিণ তালপট্টির আর এখন অস্তিত্ব নেই।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
সার্ক-এর প্রথম শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
• সার্ক-এর প্রথম শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় — ১৯৮৫ সালে। 

---------------------- 
• সার্ক (SAARC): 
- South Asian Association for Regional Cooperation (SAARC).
- সার্ক হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডু শহরে অবস্থিত।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- তিনি ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে ১৯৮৯ সালের ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সার্কের প্রথম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

- সর্বশেষ ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৪ সালের ২৬-২৭ নভেম্বর নেপালের কাঠমুন্ডু শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৬ সালের ১৫-১৯ নভেম্বর ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু কাশ্মিরে ভারতীয় সেনাক্যাম্পে হামলার জের ধরে ভারতের কারণে বিরোধিতায় সেই সম্মেলন বাতিল হয়। তারপর থেকে আর কোন সার্ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।

• সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
এগুলো হলো:
- বাংলাদেশ, 
- ভারত, 
- পাকিস্তান, 
- নেপাল, 
- শ্রীলংকা, 
- ভুটান, 
- মালদ্বীপ, 
- আফগানিস্তান।
এদের মধ্যে আফগানিস্তান সর্বশেষ সদস্য হিসেবে ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়। বাকি সাতটি দেশ সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

তথ্যসূত্র: সার্ক ওয়েবসাইট। 
৭০.
আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কোনটি বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. ইরাক
  2. আলজেরিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা
• আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় — ইরাক। 
---------------- 
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ::
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় — ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে। 
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ। 
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় — ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে। 
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় — ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে। 
- সৌদি আরব — ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র: 

- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার — সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে — ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- বাংলাদেশকে ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বীকৃতি দেয় — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ২৫ মে ১৯৭২।

 উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)। 
৭১.
পিএলও-এর সদর দপ্তর-
  1. তিউনিস
  2. ফিলিস্তিন
  3. বেনগাজি
  4. মরক্কো
ব্যাখ্যা
• পিএলও (PLO):
- PLO-এর পূর্ণরূপ— Palestine Liberation Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয় — ১৯৬৪ সালে।
- সদর দপ্তর: রামাল্লাহ — ফিলিস্তিন।
- PLO-এর প্রথম চেয়ারম্যান — আহমদ শুকিরি ।
- PLO-এর তৃতীয় চেয়ারম্যান — ইয়াসির আরাফাত।
- সংগঠনটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সাল থেকে পিএলও জাতিসংঘে পর্যবেক্ষক মর্যাদা ভোগ করছে।

• 'Orient House':
- জেরুজালেমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর সদর দপ্তর।
- ওরিয়েন্ট হাউস হল ইসরায়েলি অধিকৃত জেরুজালেমে স্বায়ত্তশাসন এবং সংহতির জন্য ফিলিস্তিনিদের আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং এটিই আজ ফিলিস্তিনি জাতীয় পতাকা নেড়েছে।

তথ্যসূত্র: orienthouse.org, Encyclopaedia Britannica, Britannica. 
৭২.
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন-
  1. উ থান্ট
  2. ট্রিগভেলি
  3. দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
  4. কুট ওয়াল্ডহেইম
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের মহাসচিবগণ: 

জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব:
- নরওয়ের ট্রিগভেলাই।

- তিনি ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ থেকে নভেম্বর ১৯৫২ মেয়াদে জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

- দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন — দ্যাগ হ্যামারশোল্ড। তিনি সুইডেনের অধিবাসী ছিলেন। ১৯৬১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আফ্রিকার জাম্বিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। ১৯৬১ সালে তিনি মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

- তৃতীয় মহাসচিব — মিয়ানমারের উ থান্ট। তিনি ছিলেন জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধচলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন।

- চতুর্থ মহাসচিব — অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম (তার সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে)।
- পঞ্চম মহাসচিব — পেরুর জাভিয়ার পেরেজ দ্য কুয়েলার (প্রথম আমেরিকান)। ষষ্ঠ মহাসচিব মিশরের ড. বুট্রোস ঘালি (প্রথম আফ্রিকান)।
- সপ্তম মহাসচিব — ঘানা'র কফি আনান (২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী)।
- অষ্টম মহাসচিব — দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি মুন।
- নবম ও বর্তমান মহাসচিব — পর্তুগালের অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
----------------------
• জাতিসংঘ সম্পর্কে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- নামকরণ করেন — রুজভেল্ট।
- সনদ স্বাক্ষরিত হয় — ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে (সানফ্রানসিস্কো শহরে)।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় — ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল — ৫১ টি।
- জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর না করেও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত হয় — পোল্যান্ড (৫১ তম দেশ)।
- সদর দপ্তর — নিউইর্য়ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- ইউরোপীয় সদর দপ্তর — জেনেভা, সুইজার‌ল্যান্ড।
- জাতিসংঘের মহাসচিব — ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- জাতিসংঘের দুইজন মহাসচিব নোবেল পুরস্কার পান।
- নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত মহাসচিবরা হলেন — দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (১৯৬১) ও কফি আনান (২০০১)।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৩.
নিরাপত্তা পরিষদের এশীয় আসনে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল-
  1. ফিলিপাইন
  2. জাপান
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ — দু’বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে — ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার — ২০০০-২০০১ সালে।

• জাতিসংঘে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে — ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬ তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে। 
- ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় এবং
- ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত দু’বার অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) এর সদস্য হিসেবে কাজ করে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের — ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হুমায়ুন রশিদ চৌধূরী — ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

এছাড়াও, 
- বাংলাদেশ — ২০০০ সালের মার্চ মাসে এবং ২০০১ সালের জুন মাসে নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- বাংলাদেশ — ১৯৮৫ সালে শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) এবং ১৯৯৮ সালে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার সিটিডি কমিটির হাইকমিশনার নিযুক্ত হয়।
- বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৮৫ সালে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নির্বাচিত হয়ে — ১৯৮৩-২০০০ মেয়াদে এবং ২০০৬-২০০৮ মেয়াদে কাজ করে।

(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৭৪.
সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন শুরু হয়-
  1. সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার
  2. সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সোমবার
  3. সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় বুধবার
  4. সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ মঙ্গলবার
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
অধিবেশনের সময়:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের নিয়মিত বার্ষিক অধিবেশন বসে — সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার।
- সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৪৬ সালে লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টার হলে বসেছিল।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের নিয়মিত বার্ষিক অধিবেশন বসে সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় মঙ্গলবার।
- ২০২২ সাল পর্যন্ত সেপ্টেম্বরের তৃতীয় মঙ্গলবার ছিলো; কিন্তু ২০২৩ সাল থেকে দ্বিতীয় মঙ্গলবার অধিবেশন বসে।
প্রশ্নটি তৎকালীন এবং রিয়েল জব পরীক্ষার বিধায় অপশন পরিবর্তন করা হয় নি। 

• প্রতিনিধির সংখ্যা:
-অধিবেশনে প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ পাঁচ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে, তবে ভোটাধিকার প্রত্যেকেরই একটি করে।
- প্রতি সদস্যের একটি ভোটাধিকার থাকে।

•  সভাপতির মেয়াদ:
- সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ ১ বছর।
--------------------
সাধারণ পরিষদ/United Nations General Assembly:
▪ সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের আলোচনা/বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দু।
- এটি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মূখপাত্র, নীতি নির্ধারণী অঙ্গ হিসাবে কাজ করে।
▪ জাতিসংঘের সদস্য ১৯৩টি দেশ এর সদস্য। জাতিসংঘের সকল সদস্যই মূলত সাধারণ পরিষদের সদস্য। জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ - ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট,এবং ব্রিটানিকা।

৭৫.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে]
বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা-
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৮৮
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতিসংঘ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- নামকরণ করেন — রুজভেল্ট।
- সনদ স্বাক্ষরিত হয় — ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে (সানফ্রানসিস্কো শহরে)।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় — ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল — ৫১ টি।
- জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর না করেও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত হয় — পোল্যান্ড (৫১ তম দেশ)।
- সদর দপ্তর — নিউইর্য়ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- ইউরোপীয় সদর দপ্তর — জেনেভা, সুইজার‌ল্যান্ড।
- বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য দেশ ১৯৩ টি।

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: 
- জাতিসংঘের মহাসচিব — ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- জাতিসংঘের — দুইজন মহাসচিব নোবেল পুরস্কার পান।
- নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত মহাসচিবরা হলেন — দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (১৯৬১) ও কফি আনান (২০০১)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশ — ১৫ টি (স্থায়ী ৫ টি এবং অস্থায়ী ১০ টি)।
– অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় — ২ বছরের জন্য। 
- স্থায়ী সদস্য দেশ — যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন (এই ৫টি দেশের ভেটো প্রদান করার ক্ষমতা রয়েছে)।
- অস্থায়ী সদস্য দেশ — ১০ টি।
- সর্বশেষ সদস্য — দক্ষিণ সুদান।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৭৬.
ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সচিবালয় অবস্থিত-
  1. রিয়াদ
  2. জেদ্দা
  3. দামেস্ক
  4. মক্কা
ব্যাখ্যা
• ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সচিবালয় অবস্থিত — জেদ্দা। 

• OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা — OIC. 
- OIC এর পূর্ণরুপ হচ্ছে — The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে — ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ (মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়)।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা — ৫৭টি।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের — জেদ্দায় অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ — গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের — আলবেনিয়া OIC সদস্য।

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত — OIC-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে এবং এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করে।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় — তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় — রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ।

তথ্যসূত্র: OIC ওয়েবসাইট।
৭৭.
যে দেশ এসডিআই প্রতিরক্ষা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে-
  1. ব্রিটেন
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• Strategic Defense Initiative (SDI):
- তারকা যুদ্ধ নামে খ্যাত — Strategic Defense Initiative এর প্রস্তাবক ছিলেন রোনাল্ড রিগ্যান। 
- আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান প্রবর্তিত — Strategic Defense Initiative (SDI) এর মূল বিষয়বস্তু ছিল পারমাণবিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত। 

রোনাল্ড রিগ্যান ও এসডিআই (SDI): 
- রোনাল্ড রিগ্যান মার্কিন রাজনীতিবিদ।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের — ৪০তম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতিত্বের পূর্বে তিনি — হলিউডের চলচ্চিত্র অভিনেতা ছিলেন।
- রোনাল্ড রিগ্যান — ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন যা — SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- একে সমালোচকরা — নক্ষত্র যুদ্ধ (Star War) এর পরিকল্পনা হিসেবেও অভিহিত করেন।
--------------- 
অন্যদিকে, 
• S-400: 
- S-400 রাশিয়ার তৈরি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
- ২০০৭ সাল থেকে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী S-400 প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে আসছে।
- বর্তমানে রাশিয়া ব্যতীত চীন ও তুরস্ক এই ব্যবস্থা ব্যবহার করছে। এছাড়া ভারতও এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করতে রাশিয়ার সাথে চুক্তি করেছে।

উৎস: ডয়েচেভেলে এবং আল জাজিরা, Britannica.
৭৮.
ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয়-
  1. ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে
  2. হোয়াইট হল
  3. মার্বেল চার্চ
  4. বুশ হাউজ
ব্যাখ্যা
• ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তর:
- হোয়াইট হলকে – ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তর বলা হয়।
- ধর্মীয় গির্জার নাম — ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবে।
- যুক্তরাজ্যের রানীর বাসভবন হচ্ছে বাকিংহাম প্যালেস/উইন্ডসর ক্যাসেল।
- যুক্তরাজ্য এর পার্লামেন্টকে প্যালেস অব ওয়েস্টমিনিস্টারও বলা হয়ে থাকে।

অন্যান্য তথ্য, 
- ৯ নং ডাউনিং স্ট্রিট: বৃটেনের আইনসভার চিফ হুইপ এর কার্যালয়।
- ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে 'Chancellor of Ex-chequer' বলা হয়।
- ১১ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়।
- ১২ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস।

তথ্যসূত্র:- যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট।
৭৯.
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে জার্মানি আত্মসমর্পণ করে-
  1. ১৯৪২ সালের নভেম্বর মাসে
  2. ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে
  3. ১৯৪৫ সালের মে মাসে
  4. ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক — পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ —জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।

- জাপানের সম্রাট হিরোহিতো — ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট আত্মসমর্পণ ঘোষণা করেন।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান — কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত; এর ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন প্রাণহানি ঘটে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

সূত্র: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
৮০.
কঙ্গোকে বিদেশি শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে চিরস্থায়ী নাম-
  1. কাশাভুবু
  2. প্যাট্রিক লুমুম্বা
  3. শোম্বে
  4. মবুতু
ব্যাখ্যা
• কঙ্গোকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ের চিরস্থায়ী নাম — প্যাট্রিক লুমুম্বা।

• গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র:
- গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের একটি রাষ্ট্র।
- পূর্বে এটি জায়ারে নামে পরিচিত ছিল।
- কঙ্গোর রাজধানী কিনসাসা এবং সরকারী ভাষা ফরাসি।
- বেলজিয়াম থেকে ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।

• প্যাট্রিস লুমুম্বা (1925-1961):
- কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের — প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ।
- একজন আফ্রিকান জাতীয়তাবাদী নেতা।
- মাত্র ৩৫ বছরের একটি জীবন পেয়েছিলেন প্যাট্রিস লুমুম্বা।
- ক্ষণস্থায়ী সে জীবন উৎসর্গিত হয়েছিল জন্মভূমির স্বাধীনতার লড়াইয়ে।

উৎসঃ www.history.com, Britannica.com.
৮১.
হিরোশিমায় এটম বোমা ফেলা হয়েছিল-
  1. ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে
  2. ১৯৪৫ সালের মে মাসে
  3. ১৯৪৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
  4. ১৯৪৪ সালের আগস্ট মাসে
ব্যাখ্যা
• লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের — হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে  — ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে — নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো — ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট — হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History.com.
৮২.
আইএমএফ-এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ওয়াশিংটন
  2. মস্কো
  3. লন্ডন
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
• IMF:
- ‘আইএমএফ’ — এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- IMF-এর পূর্ণরূপ — International Monetary Fund.
- IMF কাজ শুরু করে — ১৯৪৭ সালে।
- IMF এর মূল দায়িত্ব হল আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থা স্থিতিশীল নিশ্চিত করা।
- IMF-এর অন্যান্য দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজতর করা এবং সংস্থার নাগরিকদের তাদের পছন্দের বিভিন্ন দেশে কাজ করার অনুমতি দিয়ে উচ্চ কর্মসংস্থানের প্রচার করা।
- সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং এর সদস্য দেশগুলির জন্য আর্থিক স্থিতিশীলতা সুরক্ষিত করার জন্যও কাজ করে।
- IMF দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের পর থেকে বিশ্বের অর্থনীতি গঠনে সাহায্য করেছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৮৩.
নিকারাগুয়ায় যে বিদ্রোহীদের যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে তার নাম-
  1. ইউনিটা
  2. সান্ডিনিস্টা
  3. কন্ট্রা
  4. সোয়াপো
ব্যাখ্যা
• নিকারাগুয়ায় যে বিদ্রোহীদের যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে তার নাম- 'কন্ট্রা'। 

• কনট্রাগুলি ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত ও অনুপ্রেরিত ডানপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠী যা ১৯৯৯ থেকে ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে নিকারাগুয়ায় জাতীয় পুনর্গঠন সরকারের সমাজতান্ত্রিক সান্দিনিস্তা জান্তার বিরোধিতা করে সক্রিয় ছিল।
- ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অস্ত্রভর্তি বিমান ইসরায়েল হয়ে ইরানের একটি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
- অস্ত্র বিক্রির সম্পূর্ণ টাকা নিকারাগুয়ার কমিউনিস্ট সরকারে পতনের জন্য গড়ে উঠা কন্ট্রা বিদ্রোহী গ্রুপকে সাহায্য হিসেবে প্রদান করা হয়।

• নিকারাগুয়া:
- নিকারাগুয়া মধ্য আমেরিকার একটি দেশ।
- এটি মধ্য আমেরিকার বৃহত্তম দেশ।
- ১৮২১ সালে স্পেন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটির সবচেয়ে বিখ্যাত আগ্নেয়গিরি হল মাসায়া।
- মার্কিন হস্তক্ষেপ:
বিংশ শতাব্দীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহুবার নিকারাগুয়ার রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। বিশেষত ১৯৮০-এর দশকে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কন্ট্রা বিদ্রোহীদের সমর্থন করেছিল যারা স্যান্ডিনিস্টা সরকারকে উৎখাত করার চেষ্টা করছিল।

উৎস: Encyclopedia Britannica, ব্রিটানিকা। 
৮৪.
'ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. মিশর
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
• ‘ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান’:
- বর্তমান ইরাকে অবস্থিত ‘ — ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান’।
- এটি পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতকে নব্য ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সময় — রাজা নেবুচাদনেজার তার রাণীর সন্তুষ্টির জন্যে এটি নির্মাণ করেন।
- ব্যাবিলন নগরের দেয়ালের উপর মনোরম এই বাগানটি তৈরি করা হয়।
- ৫১৪ খ্রিস্টাব্দে পার্শ্ববর্তী পারস্য রাজ্যের সাথে এক ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে এ সুন্দর উদ্যানটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।

• ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- পৃথিবীতে প্রথম লিখিত আইনের উদ্ভব হয় এই সভ্যতার সময়ে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান হল — আইন প্রণয়ন ও সংকলন।
- পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে ব্যাবিলনের উত্তরে — গাথুর শহরে।
- এটি ছিল ভ্রমণকারীদের পথনির্দেশক মানচিত্র।

- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন প্রণেতা যা —  "Code of Hammurabi' নামে পরিচিত। 
- এটি থেকে ধারনা করা হয় — পৃথিবীর আদি মানচিত্র ব্যাবিলনীয়রা অঙ্কন করেছিলো।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়ন ঘটিয়ে চাঁদ পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যাবিলনীয়রা চন্দ্রপঞ্জিকা তৈরি করেছিল।
- যদিও আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র গ্রীকরা প্রথম অঙ্কন করে।
- হাম্বুরাবির মৃত্যুর পর ব্যবলনীয় সভ্যতা তার প্রভাবের সাথে খুব বেশী দিন টিকতে পারে নি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস, প্রথমপত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৮৫.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায়?
  1. ইতালি
  2. স্পেন
  3. তুরস্ক
  4. গ্রিস
ব্যাখ্যা
• ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী — তুরস্কে অবস্থিত। 

------------------------------- 
• ইতিহাস এবং অবস্থান:

- হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাসে, ট্রয় নগরী হলো বিখ্যাত একটি নগরী যা বর্তমান — তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত ছিল।

• প্রত্নতাত্ত্বিক খোঁজ:
- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে, ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করা সম্ভব হয়।

• ধ্বংস:
- গ্রিকদের দ্বারা — ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- ট্রয় এর ধ্বংসের কারণ হেলেনকেন্দ্রিক ঐতিহাসিক — ট্রোজান যুদ্ধ।

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট।
৮৬.
নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের একটি উদাহরণ হলো-
  1. পারমাণবিক জ্বালানি
  2. পীট কয়লা
  3. ফুয়েল সেল
  4. সূর্য
ব্যাখ্যা
- 'সূর্য তথা সৌর শক্তি' একটি নবায়নযোগ্য শক্তি এবং বাকিগুলো অনবায়নযোগ্য শক্তি। 

শক্তির উৎস: 

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা - 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- 
• সৌর শক্তি, 
• জলবিদ্যুৎ, 
• বায়ু বিদ্যুৎ, 
• বায়োগ্যাস, 
• ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- 
• কয়লা, 
• খনিজ তেল, 
• প্রাকৃতিক গ্যাস, 
• নিউক্লিয় শক্তি বা পারমাণবিক শক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ-
  1. রান্নার জন্য তাপ নয় চাপও কাজে লাগে
  2. বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
  3. উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
  4. সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নায় সহায়ক
ব্যাখ্যা
- প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাংক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। 
- স্থির আয়তনে প্রেসার কুকারে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়। এতে পানির স্ফুটনাংক বেড়ে যায়। 
- প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ, কুকারের ভেতরের পানি ফুটন্ত অবস্থায় বাষ্পে পরিণত হয়েই বাইরে আসতে পারে না। 
- প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৮.
যে তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য বর্ণ সৃষ্টি করা যায় সেগুলো হলো-
  1. লাল, হলুদ, নীল
  2. লাল, কমলা, বেগুনী
  3. হলুদ, সবুজ, নীল
  4. লাল, নীল, সবুজ
ব্যাখ্যা
- কেবল তিনটি রঙের মাধ্যমেই সাদাসহ যেকোনো রঙের সৃষ্টি সম্ভব। 
- এই তিনটি রঙকে বলা হয় মৌলিক রং (Primary color)। 
যেমন- লাল, সবুজ আর নীল। 
যেমন: লাল ও সবুজ রঙের সমন্বয়ে হলুদ রং সৃষ্টি হয়। 
- রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ যথা- লাল, সবুজ এবং আসমানী বা নীল রং ব্যবহার করে সকল ধরনের ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। 
- রঙিন মনিটরে তিনটি মৌলিক রঙ প্রদর্শনের জন্য তিন ধরনের ইলেকট্রন গান থাকে। 
- রঙ তিনটি হলো- লাল, নীল ও সবুজ। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৮৯.
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে তা হলো-
  1. মূল মধ্যরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা: 
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। 
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত। 
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি। 
- এছাড়া বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৯০.
মাছ অক্সিজেন নেয়-
  1. মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে
  2. পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে
  3. পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে
  4. পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে
ব্যাখ্যা
- জলাধারে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি থাকে পানির উপরিভাগে, এবং গভীরতার সাথে সাথে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমতে থাকে। 
- কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন পানির সকল স্তর তথা উপরিভাগ, মধ্যভাগ এবং তলদেশ সকল স্তরেই থাকে। 
- না হলে মধ্য এবং তলদেশের জলজ প্রাণীদের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব হতো না। 
- মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। 
- যারা বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না তাদের বেঁচে থাকার জন্য পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গুরুত্বপূর্ণ। 
- মাছ অক্সিজেন নেয় পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে। 
৯১.
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো-
  1. ভিটামিন 'এ'
  2. ভিটামিন 'সি'
  3. লৌহ
  4. ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
খনিজ উপাদান: 
- ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎসের তালিকায় কচু শাক দেয়া আছে। তবে, কচু শাক লৌহেরও ভাল উৎস। 
- কিন্তু লৌহ এবং ক্যালসিয়াম একসাথে দেয়া হলে ক্যালসিয়াম প্রধান উৎস হিসেবে জীববিজ্ঞান বইতে সরাসরি বলা আছে তাই এটাকেই উত্তর হিসেবে নেয়া হল। 
- লৌহ/আয়রনের উদ্ভিজ্জ উৎস: ফুলকপির পাতা, নটোশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম ইত্যাদি৷
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস: ডাল, তিল, গাজর, ফুলকপি, পালংশাক, কচুশাক, লাল শাক, বাধাকপি ইত্যাদি৷

- যদিও, এখানে লিস্টে নাম দেয়া হয়নি। তবে, কচু শাক লৌহের ভাল উৎস কোন সন্দেহ নেই। যাইহোক, দুইটা রেফারেন্সেরই দিক থেকে চিন্তা করলে ক্যালসিয়ামকে বাদ দেয়া যাচ্ছে না।

উৎস: বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
৯২.
সাধারণ ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে থাকে-
  1. তামার দণ্ড ও দস্তার দণ্ড
  2. তামার পাত ও দস্তার পাত
  3. কার্বন দণ্ড ও দস্তার কৌটা
  4. তামার দণ্ড ও দস্তার কৌটা
ব্যাখ্যা
- সাধারণত ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা থাকে। 
- ড্রাইসেলের কিছু বৈশিষ্ট্য- 
• এতে তরল ইলেকট্রোডের পরিবর্তে পেষ্ট ব্যবহার করা হয়, 
• এর পাত্রটি একটি ইলেকট্রোড নেগেটিভ হিসাবে কাজ করে, 
• প্রয়োজনে ইলেকট্রোড ও পানি যোগ করে ব্যবহার করা যায় না। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৩.
দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে হলে হাইভোল্টেজ ব্যবহার করার কারণ -
  1. এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয়
  2. এতে কমে গিয়েও প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ বজায় থাকে
  3. অধিক বিদ্যুৎ প্রবাহ পাওয়া যায়
  4. প্রয়োজনমতো ভোল্টেজ কমিয়ে ব্যবহার করা যায়
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক তারের রোধ থাকে, যার ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে বিদ্যুৎ সবটুকু না গিয়ে কিছু অংশ অপচয় হয়। 
- ফলে দুরত্ব যত বেশি হয় রোধ তত বেশি হয়। 
- ফলে বিদ্যুতের অপচয় কমানোর জন্য দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে হলে হাইভোল্টেজ ব্যবহার করা হয়

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৪.
সংকর ধাতু পিতলের উপাদান হলো-
  1. তামা ও টিন
  2. তামা ও দস্তা
  3. তামা ও নিকেল
  4. তামা ও সীসা
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু: 
- দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। 
যেমন- 
- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু। 
- পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু। 
- সংকর ধাতু পিতলে ৬৫% তামা এবং ৩৫% দস্তা মিশ্রিত থাকে। 
- সংকর ধাতু পিতলের প্রধান উপাদান হলো- তামা যা শতকরা ৬৫% থাকে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৫.
আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে গ্রহণ করে-
  1. অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
  2. অক্সিজেনে ও রক্তের আমিষ
  3. ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
  4. এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেহে সকল কাজের জন্য অক্সিজেন দরকার। 
- অক্সিজেন না হলে জীবকোষ বাঁচতে পারে না। 
- রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় অবস্থিত হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। 
- অক্সিহিমোগ্লোবিন রূপে প্রতিটি কোষে বহন করে। 
- দেহকোষ রক্ত হতে অক্সিজেন ও খাদ্যসার (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটিএসিড) গ্রহণ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৯৬.
পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না-
  1. মহাকর্ষ বলের জন্য
  2. মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
  3. আমরা স্থির থাকার জন্য
  4. পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আবর্তনের জন্য
ব্যাখ্যা
- মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকে পড়ি না। 
- কোনো বস্তুকে পৃথিবী যে বল দ্বারা নিজের দিকে টানে তাকে মাধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- যে বস্তুর ভর যত বেশি, তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও ততই বেশি। 
- চাঁদ পৃথিবীর চেয়ে ছোট ও তার ভর কম হওয়ায় পৃথিবীর চেয়ে চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কম। 
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরে বা নিচের দিকে যত যেতে থাকব, পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও ততটাই কমতে থাকবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়?
  1. পেট্রোলিয়াম
  2. কয়লা
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা
- জীবাশ্ম জ্বালানি হলো এক প্রকার জ্বালানি যা বায়ুর অনুপস্থিতিতে অবাত পচন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। 
- মৃত গাছের পাতা, মৃতদেহ ইত্যাদি জীবনের উপাদান হাজার হাজার বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে এ জ্বালানি তৈরি হয়। 
- বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে রয়েছে- 
- পেট্রোলিয়াম
- খনিজ তেল, 
- কয়লা
- প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি। 
- জীবাশ্ম জ্বালানিসমূহ অনবায়নযোগ্য, অর্থাৎ এসব জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না এবং এদের মজুদ সীমিত। 

অন্যদিকে, 
- পারমাণবিক শক্তি, জিও থার্মাল বা ভূ-তাপীয় শক্তি, বায়োগ্যাস, জলবিদ্যুৎ হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৯৮.
বৈদ্যুতিক মটর এমন একটি যন্ত্রকৌশল, যা-
  1. তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে
  2. তাপ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  3. যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  4. তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে বলা হয়-
  1. আয়ন বায়ু
  2. প্রত্যয়ন বায়ু
  3. মৌসুমী বায়ু
  4. নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু ও 
• অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
• অয়ন বায়ু, 
• পশ্চিমা বায়ু ও 
• মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
জলজ উদ্ভিদ সহজে ভাসতে পারে, কারণ-
  1. এরা অনেক ছোট হয়
  2. এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে
  3. এরা পানিতে জন্মে
  4. এদের পাতা অনেক কম থাকে
ব্যাখ্যা
- জলজ উদ্ভিদ সহজে পানিতে ভাসতে পারে, কারণ এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে। 
- অধিকাংশ জলজ উদ্ভিদের কাণ্ড ফাঁপা। 
- এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে, তাই এরা পানিতে ভাসতে পারে। 
- এই বায়ু কুঠুরী জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।