পরীক্ষা - ৩
পার্ট-১) বীজগাণিতিক সূত্রাবলী, বহুপদী উৎপাদক, সরল ও দ্বিপদী সমীকরণ, সরল ও দ্বিপদী অসমতা, সরল সহসমীকরণ।
পার্ট-২) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ ১. শব্দপ্রকরণ (সমাস; উপসর্গ ও অনুসর্গ) ২. পদ-প্রকরণ (পদ ও এর শ্রেণিবিভাগ) ৩. বাক্য প্রকরণ (বাক্য ও বাক্যের প্রকারভেদ; বাক্য ও উক্তির পরিবর্তন; কারক ও বিভক্তি; বাচ্য ও বাচ্যের পরিবর্তন।)
------------------
পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC বোর্ড বই।
পার্ট–২ সোর্স: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়: - যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যথা: - সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, - সাহিত্য বিষয়ক সভা= সাহিত্যসভা, - স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ= স্মৃতিসৌধ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৬.
নিচের কোনটি অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় শব্দের বৈশিষ্ট্য?
ক
কোন অর্থ প্রকাশ করে না
খ
শুধু বিশেষ্য পদের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়
গ
বাক্যে অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে
ঘ
সবসময় ক্রিয়াপদের আগে ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর: গ
বাক্যে অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাক্যে অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে
গ
ব্যাখ্যা
অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় শব্দ: - বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো বা 'কে' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে।
যেমন- বিনা: দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (প্রাতিপদিকের পরে)। সনে: ময়ূরীর সনে নাচিছে ময়ূর। (ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)। দিয়ে: তোমাকে দিয়ে আমার চলবে না। (দ্বিতীয়ার 'কে' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৭.
'নতুন ধান্যে হবে নবান্ন।' - বাক্যে 'নতুন ধান্যে' কোন কারক?
ক
কর্তা
খ
কর্ম
গ
করণ
ঘ
অধিকরণ
সঠিক উত্তর: গ
করণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
করণ
গ
ব্যাখ্যা
করণ কারক: - 'করণ' শব্দটির অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলে। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা- ই করণ কারক।
যেমন: - জগতে কীর্তিমান হও সাধনায়। - এ সাবানে কাপড় কাচা চলবে না। - নতুন ধান্যে হবে নবান্ন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
২৮.
'বসতবাড়ি' শব্দটি কোন তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
ক
তৃতীয়া
খ
চতুর্থী
গ
পঞ্চমী
ঘ
সপ্তমী
সঠিক উত্তর: খ
চতুর্থী
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
চতুর্থী
খ
ব্যাখ্যা
চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস: - পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন: রামের জন্য কেদারা = আরামকেদারা, বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি, বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৯.
কোনটি ধরনবাচক ক্রিয়া বিশেষণ?
ক
যথাসময়ে
খ
সামনে
গ
টিপ টিপ
ঘ
না
সঠিক উত্তর: গ
টিপ টিপ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
টিপ টিপ
গ
ব্যাখ্যা
ধরনবাচক ক্রিয়া বিশেষণ: - কোনাে ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরন বাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে।
যেমন - টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে। - ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।
অন্যদিকে, কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ - যথাসময়ে সে হাজির হয়। স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ - মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়। নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ - তিনি আর এখন ক্রিকেট খেলেন না।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• বাংলা উপসর্গ যেমন বাংলা শব্দের আগে বসে, তেমনি তৎসম উপসর্গ তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের আগে বসে। - বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি- এ চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়। - বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের মধ্যে পার্থক্য এই যে, যে শব্দটির সঙ্গে উপসর্গ যুক্ত হয়, সে শব্দটি বাংলা হলে উপসর্গটি বাংলা, আর সে শব্দটি তৎসম হলে সে উপসর্গটিও তৎসম হয়।
যেমন- - আকণ্ঠ, সুতীক্ষ্ণ, বিপক্ষ ও নিদাঘ তৎসম শব্দ। কাজেই এসব শব্দের উপসর্গ আ, সু, বি, নি-ও তৎসম উপসর্গ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩১.
"সাবধান না হলে বিপদে পড়বে।" - বাক্যটির জটিল রূপ কোনটি?
ক
সাবধান না হলে তুমি বিপদকে আমন্ত্রণ জানাবে।
খ
বিপদে পড়বে, কারণ তুমি সাবধান নও।
গ
তুমি সাবধান হও, নয়তো বিপদে পড়বে।
ঘ
যদি তুমি সাবধান না হও, তাহলে বিপদে পড়বে।
সঠিক উত্তর: ঘ
যদি তুমি সাবধান না হও, তাহলে বিপদে পড়বে।
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
যদি তুমি সাবধান না হও, তাহলে বিপদে পড়বে।
ঘ
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্য: - যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন- তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।
যেমন সরল বাক্য: সাবধান না হলে বিপদে পড়বে। জটিল বাক্য: যদি তুমি সাবধান না হও, তাহলে বিপদে পড়বে।
সরল বাক্য: সুসংবাদটা পেয়ে সে আনন্দিত হলো। জটিল বাক্য: যখন সে সুসংবাদটা পেল, তখন সে আনন্দিত হলো।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক, হইতে (হতে), চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে প্রভৃতি কয়েকটি অনুসর্গ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়। কারক প্রকরণে এদের উদাহরণ সন্নিবিষ্ট হয়েছে।
অন্যদিকে, আরবি উপসর্গ - বাজে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৩.
'শ্রদ্ধাবান লভে জ্ঞান অন্যে কভু নয়।' - এখানে 'শ্রদ্ধাবান' কোন কারক?
ক
করণ
খ
কর্তা
গ
অপাদান
ঘ
কর্ম
সঠিক উত্তর: খ
কর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
কর্তা
খ
ব্যাখ্যা
কর্তা কারক: - ক্রিয়া যার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তাকারক বলে। বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্যই কর্তা কারক। কর্তা কারকে সাধারণত বিভক্তি যুক্ত হয় না।
কর্তৃবাচ্য থেকে কর্মবাচ্য: নিয়ম: কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তিত করতে হলে: (১) কর্তায় তৃতীয়া (২) কর্মে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং (৩) ক্রিয়া কর্মের অনুসারী হয়। জ্ঞাতব্য: কর্তৃবাচ্যের ক্রিয়া অকর্মক হলে সেই বাক্যের কর্মবাচ্য হয় না।
কর্তৃবাচ্য: (ক) বিদ্বানকে সকলেই আদর করে। (খ) খোদাতায়ালা বিশ্বজগৎ সৃষ্টি করেছেন। (গ) মুবারক পুস্তক পাঠ করছে।
কর্মবাচ্য: (ক) বিদ্বান সকলের দ্বারা আদৃত হন। (খ) বিশ্বজগৎ খোদাতায়ালা কর্তৃক সৃষ্ট হয়েছে। (গ) মুবারক কর্তৃক পুস্তক পঠিত হচ্ছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
যেমন: সহ: সহগামিতা অর্থে – তিনি পুত্রসহ উপস্থিত হলেন। সহিত: সমসূত্রে অর্থে – শত্রুর সহিত সন্ধি চাই না। সনে: বিরুদ্ধগামিতা অর্থে – 'দংশনক্ষত শ্যেন বিহঙ্গ যুঝে ভুজঙ্গ সনে।' সঙ্গে: তুলনায় – মায়ের সঙ্গে এ মেয়ের তুলনা হয় না।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৪২.
নিচের কোন দুটি বাংলা উপসর্গ?
ক
অজ, অতি
খ
আন, অনা
গ
অতি, অভি
ঘ
অনা, অতি
সঠিক উত্তর: খ
আন, অনা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
আন, অনা
খ
ব্যাখ্যা
খাঁটি বাংলা উপসর্গ: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। - খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি। যথা: - অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
অন্যদিকে, সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ - অতি, অভি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৪৩.
কোনটি বিবৃতিমূলক বাক্য?
ক
তারা তোমাদের ভোলেনি।
খ
কী বীভৎস, এই নারকীয় হত্যাকান্ড।
গ
আমাকে একটি কলম দাও।
ঘ
সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?
সঠিক উত্তর: ক
তারা তোমাদের ভোলেনি।
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
তারা তোমাদের ভোলেনি।
ক
ব্যাখ্যা
বিবৃতিমূলক বাক্য: - সাধারণভাবে কোনো বিবরণ প্রকাশ পায় যেসব বাক্যে, সেগুলোকে বিবৃতিমূলক বাক্য বলে। বিবৃতিবাচক বাক্য ইতিবাচক বা নেতিবাচক হতে পারে।
যেমন: - আমরা রোজ বেড়াতে যেতাম । - তারা তোমাদের ভোলেনি।
অন্যদিকে, প্রশ্নবোধক বাক্য - সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়? অনুজ্ঞাসূচক বাক্য - আমাকে একটি কলম দাও। আবেগসূচক বাক্য - কী বীভৎস, এই নারকীয় হত্যাকান্ড।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৪৪.
'সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য' কোন সমাস?
ক
বহুব্রীহি সমাস
খ
নিত্য সমাস
গ
অব্যয়ীভাব সমাস
ঘ
কর্মধারয় সমাস
সঠিক উত্তর: গ
অব্যয়ীভাব সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অব্যয়ীভাব সমাস
গ
ব্যাখ্যা
অব্যয়ীভাব সমাস: - পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন: - অতিক্রান্ত (উৎ) অর্থে: বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল, - শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল, - সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য, - ভিক্ষার অভাব = দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৫.
'জলে কুমির ডাঙায় বাঘ।' - এখানে 'জলে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক
অপাদানে সপ্তমী
খ
কর্মে সপ্তমী
গ
অপাদানে তৃতীয়া
ঘ
অধিকরণে সপ্তমী
সঠিক উত্তর: ঘ
অধিকরণে সপ্তমী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অধিকরণে সপ্তমী
ঘ
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক: - যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত এ, য়, য়ে, তে ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন: - কাননে কুসুমকলি সকলি ফুটিল। - এ দেহে প্রাণ নেই। - জলে কুমির ডাঙায় বাঘ। অধিকরণে সপ্তমী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
৪৬.
'শরতের পর আসে বসন্ত'। - এখানে 'পর' অনুসর্গটি কী অর্থ প্রকাশ করছে?
ক
নৈকট্য
খ
অল্প বিরতি
গ
দীর্ঘ বিরতি
ঘ
দূরে
সঠিক উত্তর: গ
দীর্ঘ বিরতি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
দীর্ঘ বিরতি
গ
ব্যাখ্যা
অনুসর্গের প্রয়োগ:
যেমন: অবধি: পর্যন্ত অর্থে – সন্ধ্যা অবধি অপেক্ষা করব। পরে: স্বল্প বিরতি অর্থে – এ ঘটনার পরে আর এখানে থাকা চলে না। পর: দীর্ঘ বিরতি অর্থে - শরতের পরে আসে বসন্ত। মতে: ন্যায় অর্থে – বেকুবের মতো কাজ করো না। তরে: মত অর্থে – এ জন্মের তরে বিদায় নিলাম। পক্ষে: সক্ষমতা অর্থে – রাজার পক্ষে সব কিছুই সম্ভব।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৪৭.
কোনটি বিশেষ্য পদ?
ক
ঐচ্ছিক
খ
ইচ্ছা
গ
সুন্দর
ঘ
ইচ্ছুক
সঠিক উত্তর: খ
ইচ্ছা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ইচ্ছা
খ
ব্যাখ্যা
• বিশেষ্য পদ - ইচ্ছা।
শব্দের অর্থ: - অভিলাষ, রুচি, অভিপ্রায়।
অন্যদিকে, বিশেষণ পদ - ইচ্ছুক, ঐচ্ছিক, সুন্দর।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪৮.
'দিব তোমা শ্রদ্ধা ভক্তি।' - বাক্যে 'তোমা' কোন কারক?
ক
কর্ম
খ
কর্তা
গ
অধিকরণ
ঘ
সম্প্রদান
সঠিক উত্তর: ঘ
সম্প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
সম্প্রদান
ঘ
ব্যাখ্যা
সম্প্রদান কারক: - যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কে কোনো কিছু দান বা সাহায্য করা হয়, তাকে বলা হয় সম্প্রদান কারক। দানের সঙ্গে সম্প্রদানের একটি সম্পর্ক রয়েছে। তবে কোনাে কিছু দিয়ে যদি আবার ফেরত নেয়া হয় তবে তা সম্প্রদান কারক হয় না।