পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
Exam - 5 Penal Code-1860: Test-1 Topic ➝ Section 1-294B • Introduction • General explanations • Punishments • General exceptions • Abetment • Criminal conspiracy • Offences against the state • Offences relating to the army, navy and air force • Offences against the public tranquility • Offences by or relating to public servants • Offences relating to elections • Contempts of the lawful authority of public servants • False evidence and offences against public justice • Offences relating to coin and government stamps • Offences relating to weights and measures • Offences affecting the public health, safety, convenience, decency and morals
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০ কোন ধরনের আইনের উপর প্রভাব ফেলে না?
  1. বিশেষ আইন
  2. স্থানীয় আইন
  3. সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইন
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫ স্পষ্টভাবে বলছে,  এ আইন দ্বারা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ (mutiny & desertion) সংক্রান্ত আইন, এবং যে কোনো বিশেষ আইন বা স্থানীয় আইন, কোনোভাবেই বাতিল, পরিবর্তিত বা স্থগিত হবে না।
- অর্থাৎ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫ অনুসারে, এই আইন কোনো বিশেষ আইন, স্থানীয় আইন বা সামরিক বিদ্রোহ ও পরিত্যাগ সংক্রান্ত আইনের বিধানকে বাতিল, পরিবর্তন, স্থগিত বা প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য রাখে না। তাই সঠিক উত্তর হলো "উল্লিখিত সবগুলো"।
------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 5. Certain laws not to be affected by this Act:
- Nothing in this Act is intended to repeal, vary, suspend, or affect any of the provisions of any Act for punishing mutiny and desertion of officers, soldiers, sailors or airmen in the service of the Republic, or of any special or local law.

.
‘ক’ জানত তার স্বামী খুন করেছে। সে তাকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার জন্য লুকিয়ে রাখে। এই অবস্থায় ‘ক’ সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৬ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. কোনো দণ্ড হবে না
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
কোনো দণ্ড হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো দণ্ড হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় বলা হয়েছে— অপরাধীকে আশ্রয় দিলে বা লুকিয়ে রাখলে শাস্তি হবে। কিন্তু যদি অপরাধীকে তার স্বামী বা স্ত্রী আশ্রয় দেয় বা লুকিয়ে রাখে, তাহলে এ ধারা প্রযোজ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় বা লুকিয়ে রাখার জন্য শাস্তির বিধান আছে। তবে, যদি দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী তাকে আশ্রয় দেন, তবে তারা ২১২ ধারায় দণ্ডিত হবেন না।
যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যাবজ্জীবন বা দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে, দণ্ডিতের জন্য শাস্তি তিন বছর পর্যন্ত। দশ বছরের নিচে এক বছর পর্যন্ত দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত হলে, দণ্ডের সর্বাধিক মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।
এই ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় যে কোনো কাজ বোঝানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলেও দণ্ডনীয় হবে। তবে, দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যদি তাকে আশ্রয় দেন, তাহলে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না। 

- দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান দোষী ব্যক্তিকে আশ্রয় দান করা:- কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-
দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

⇒ ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
--------
⇒ Exception. This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.

.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, কতজন বা তার বেশি ব্যক্তির সমাবেশকে বেআইনি সমাবেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ৩ বা তার বেশি
  2. ৪ বা তার বেশি
  3. ২ বা তার বেশি
  4. ৫ বা তার বেশি
সঠিক উত্তর:
৫ বা তার বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বা তার বেশি
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation. -An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

.
দণ্ডবিধির ধারা ১০২ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার কেবল তখনই শুরু হয় যখন—
  1. পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়
  2. প্রকৃতপক্ষে শারীরিক আঘাত ঘটে
  3. অপরাধ সম্পূর্ণ সংঘটিত হয়
  4. যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০২ অনুযায়ী, আত্মরক্ষার অধিকার কেবল তখনই শুরু হয় যখন যুক্তিসঙ্গতভাবে আঘাতের সম্ভাবনা থাকে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে শরীরে আঘাতের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে শুরু হয়, যদিও অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860, Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.

.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ অনুসারে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া যাবে?
  1. ১০ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৫৫ ধারা ("Commutation of sentence of imprisonment for life") অনুযায়ী: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির শাস্তি অনূর্ধ্ব ২০ (সর্বোচ্চ ২০) বছর কারাদণ্ডে রূপান্তর করতে পারেন। এটি অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই করা যায়। রূপান্তরিত দণ্ড সশ্রম (Rigorous) বা বিনাশ্রম (Simple) কারাদণ্ড হতে পারে।
- সরকার ২০ বছরের বেশি মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারবেন না।
---
⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

.
ঢাকায় এক বেআইনি সমাবেশ দাঙ্গায় পরিণত হয়। পুলিশ তা দমন করতে গেলে কয়েকজন সদস্য একজন পুলিশকে মারাত্মক আঘাত করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, এই আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4.  ১ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা বা দাঙ্গা দমন করার সময় আক্রমণের শিকার হন, আক্রমণের হুমকি পান, বাধা দেওয়া হয় বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তিও দেওয়া হতে পারে। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে তিন বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারী কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both. 

.
'A' যদি 'B'-কে 'Z'-কে খুন করতে প্ররোচনা দেয়, কিন্তু 'B' তা না করে, তাহলে দণ্ডবিধি অনুসারে 'A'-এর কী শাস্তি হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড 
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেয়, কিন্তু সেই অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে উস্কানিদাতা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার জন্য দায়ী হবে।
- প্রশ্নে বলা হয়েছে যে, 'A' যদি 'B'-কে 'Z'-কে খুন করতে প্ররোচনা দেয়, কিন্তু 'B' তা না করে, অর্থাৎ অপরাধটি সংঘটিত হয়নি। সুতরাং, এই ক্ষেত্রে 'A'-এর শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উস্কানি দেওয়া - যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়; যদি ক্ষতি সৃষ্টিকারী কার্য সম্পাদিত হয়:
যে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করার জন্য উস্কানি দেয়, কিন্তু উস্কানির ফলে ওই অপরাধ সংঘটিত না হয় এবং এই দণ্ডবিধিতে উস্কানির শাস্তির জন্য কোনো বিশেষ বিধান না থাকে, তাকে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হতে পারে;
এবং যদি কোনো এমন কার্য, যার জন্য উস্কানিদাতা দণ্ডনীয়, এবং যার কারণে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সংঘটিত হয়, তাহলে উস্কানিদাতা ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 115.  Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
-and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine. 

Illustration
A instigates B to murder Z. The offence is not committed. If B had murdered Z, he would have been subject to the punishment of death or 32[imprisonment] for life. Therefore A is liable to imprisonment for a term which may extend to seven years and also to a fine; and, if any hurt be done to Z in consequence of the abetment, he will be liable to imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and to fine.

.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অতিরাষ্ট্রিক অপরাধ (Extra-territorial offence) এর বিচারের বিধান করা হয়েছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪-এ অতিরাষ্ট্রিক অপরাধের (Extra-territorial offences) বিচারের বিধান করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ, যা বাংলাদেশে শাস্তিযোগ্য হতো, তা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির আওতায় বিচারযোগ্য:
- বাংলাদেশের নাগরিক কর্তৃক বাংলাদেশের বাইরে যেকোনো স্থানে সংঘটিত অপরাধ।
- বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে যেকোনো ব্যক্তি (নাগরিকতা নির্বিশেষে) কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ, জাহাজ বা বিমান যেখানেই থাকুক না কেন।

⇒দণ্ডবিধির অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
----------
⇒The penal Code Section-4. Extension of Code to extra-territorial offences:
- The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) কোন উপায়ে হতে পারে?
  1. প্ররোচনা
  2. ষড়যন্ত্র
  3. ইচ্ছাকৃত সহায়তা
  4. উল্লিখিত সব উপায়ে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব উপায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) তিনটি উপায়ে হতে পারে:
১) প্ররোচনা (Instigation)
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional Aid)
- সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সব উপায়ে।

⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
-  যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

১০.
দণ্ডবিধিতে শাস্তি হিসেবে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. জরিমানা
  3. দেশান্তর
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ
সঠিক উত্তর:
দেশান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশান্তর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ (Chapter III, Section 53) অনুযায়ী শাস্তির ধরনগুলো হলো—
১) মৃত্যুদণ্ড
২) আজীবন কারাদণ্ড (rigorous)
৩) কারাদণ্ড – কঠোর শ্রমসহ বা সহজ
৪) সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ (forfeiture of property)
৫) জরিমানা (fine)
-  কিন্তু দেশান্তর (transportation) শাস্তি ১৯৫০ সালের আইন দ্বারা বাতিল (omitted) করা হয়েছে।
- সুতরাং, বর্তমানে "দেশান্তর" শাস্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
সঠিক উত্তর: গ) দেশান্তর

১১.
'X' অবহেলামূলকভাবে এমন একটি কাজ করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, 'X'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা অনুযায়ী, 'X'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড।
⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা-এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। ধারা ২৬৯ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অবহেলামূলকভাবে (negligently) এমন কোনো কাজ করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা রাখে, এবং সে এটি জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও করে, তাহলে সে এই ধারায় দণ্ডিত হবে।
- এই অপরাধের জন্য ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডই প্রদান করা হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর হল খ) ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান:  জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য :- কোন ব্যক্তি যদি বেআইনীভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 269. Negligent act likely to spread infection of disease dangerous to life:- Whoever unlawfully or negligently does any act which is, and which he knows or has reason to believe to be, likely to spread the infection of any disease dangerous to life, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.

১২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় “স্বেচ্ছায়” (Voluntarily) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৭
  2. ধারা ৩৮
  3. ধারা ৩৯
  4. ধারা ৪০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৯ অনুসারে, “স্বেচ্ছায়” (Voluntarily) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি তখনই কোনো ফলাফল “স্বেচ্ছায়” ঘটায় যখন সে:
- ইচ্ছাকৃতভাবে সেই ফলাফল ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে, অথবা
- এমন উপায় ব্যবহার করে যা সম্পর্কে সে জানে বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে যে, তা সেই ফলাফল ঘটাতে পারে।
------- 
⇒ The Penal Code, 1860: Section 39. “Voluntarily”
- A person is said to cause an effect "voluntarily" when he causes it by means whereby he intended to cause it, or by means which, at the time of employing those means, he knew or had reason to believe to be likely to cause it.
Illustration:
A sets fire, by night, to an inhabited house in a large town, for the purpose of facilitating robbery and thus causes the death of a person. Here, A may not have intended to cause death, and may even be sorry that death has been caused by his act: yet, if he knew that he was likely to cause death, he has caused death voluntarily.

১৩.
'X' একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করার জন্য স্বাক্ষর করে যা আইনের দিক থেকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। সে জানত সার্টিফিকেটে থাকা তথ্য মিথ্যা। দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী, 'X'-এর শাস্তি হবে?
  1. ধারা ১৯৫
  2. ধারা ১৯৬
  3. ধারা ১৯৭
  4. ধারা ১৯৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৭
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৭ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনত প্রয়োজনীয় কোনো সার্টিফিকেট ইস্যু করে বা স্বাক্ষর করে, অথবা এমন কোনো বিষয়ে সার্টিফিকেট দেয় বা স্বাক্ষর করে যা আইনত সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, এবং সেই সার্টিফিকেটটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ (material) বিষয়ে মিথ্যা বলে জানে বা বিশ্বাস করে, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার (ধারা ১৯৩) অনুরূপ শাস্তি প্রদান করা হবে।
প্রশ্নে উল্লিখিত 'X'-এর কাজটি (মিথ্যা সার্টিফিকেট স্বাক্ষর করা) সরাসরি ধারা ১৯৭-এর অধীনে পড়ে।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) ধারা ১৯৫: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ মিথ্যা সাক্ষ্য দেয় বা তৈরি করে যাতে কোনো ব্যক্তি কারাদণ্ড (৭ বছর বা তার বেশি) বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়। এখানে সার্টিফিকেট ইস্যু করার বিষয় নেই।
খ) ধারা ১৯৬: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ জেনেশুনে মিথ্যা সাক্ষ্য বা দলিল ব্যবহার করে (ইস্যু বা স্বাক্ষর নয়)।
ঘ) ধারা ১৯৮: এটি প্রযোজ্য যখন কেউ জেনেশুনে মিথ্যা সার্টিফিকেট ব্যবহার করে (ইস্যু বা স্বাক্ষর নয়)।
সুতরাং, 'X' এর কাজটি ধারা ১৯৭-এর সাথে মেলে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

১৪.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কোন কাজ বা বিশ্বাসকে “good faith” বলা যায় না?
  1. যা অন্যের উপকারে করা হয়েছে
  2. যা আইনের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ
  3. যা যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া করা হয়েছে
  4. যা যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ দিয়ে করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যা যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে।
-
 যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
---------
⇒ The Penal Code,1860- Section 52:
- “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

১৫.
দণ্ডবিধির অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেওয়ার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারা অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীকে বা তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেওয়ার শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: খ) সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:- কোন সরকারি কর্মচারী হিসেবে তার সরকারি কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারি কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারি কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 189. Threat of injury to public servant:- Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে একাধিক ব্যক্তি সাধারণ উদ্দেশ্যে অপরাধ করলে প্রত্যেকে এককভাবে দায়ী হবেন?
  1. ধারা ৩৪
  2. ধারা ৩৫
  3. ধারা ৩৬
  4. ধারা ৩৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩৪ অনুসারে, যখন একটি অপরাধ একাধিক ব্যক্তি দ্বারা সাধারণ উদ্দেশ্যে (common intention) সংঘটিত হয়, তখন প্রত্যেক ব্যক্তি এমনভাবে দায়ী হবেন যেন তিনি একাই সেই অপরাধটি করেছেন। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে বলে যে, অপরাধটি যদি সকলের সাধারণ উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়, তবে প্রত্যেকে সমানভাবে দায়ী।

- দণ্ডবিধির ৩৪ ধারামতে যখন কতিপয় ব্যক্তি (২ বা ততোধিক) দ্বারা সকলের একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে (in furtherance of Common Intention) কোন অপরাধমূলক কার্য সম্পাদিত হয় তখন প্রত্যেকে যৌথভাবে দায়ী হবে যেন নিজে কাজটি করেছে।
- উক্ত ধারা অনুযায়ী যখন একই অভিপ্রায় পূরণকল্পে একাধিক ব্যক্তি কোন অপরাধমূলক কাজ সম্পাদন করে তখন তাদের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এমনভাবে দায়ী হবেন যেন প্রত্যেকে আলাদাভাবে কাজটি সম্পাদন করেছে।

- দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অধীনে সাধারণ অভিপ্রায় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
ⅰ) কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত হবে;
ii) তাদের প্রত্যেকের সাধারণ অভিপ্রায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা ছিল উক্ত অপরাধ সংঘটন করা; এবং
iii) অভিপ্রায়কে সফল করার জন্য অপরাধ সংঘটনে অংশগ্রহণ।
--------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 34: Acts done by several persons in furtherance of common intention:
- When a criminal act is done by several persons, in furtherance of the common intention of all, each of such persons is liable for that act in the same manner as if it were done by him alone.

১৭.
'X' এবং 'Y' প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে সাধারণ জনশান্তি বিঘ্নিত করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১৫ দিন পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৫৯ অনুযায়ী, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে তা “মারামারি” হিসেবে গণ্য হয়। ধারা ১৬০ অনুযায়ী, দোষী ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, একশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় হতে পারে।
- প্রশ্নের ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ১৬০-এর অধীনে পড়ে, যা “মারামারি” (Affray) সম্পর্কিত।
সুতরাং, 'X' এবং 'Y'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-159: Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒The Penal Code, 1860-Section-160: Punishment for committing affray:
Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.

১৮.
দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারায় রাষ্ট্রপতির কোন বিশেষ ক্ষমতা সংরক্ষিত হয়েছে?
  1. কারাদণ্ড বৃদ্ধি করা
  2. মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা
  3. শুধুমাত্র জরিমানা আদায় বন্ধ করা
  4. ক্ষমা, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা
সঠিক উত্তর:
ক্ষমা, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমা, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ক ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদান, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করার বিশেষ ক্ষমতা সংরক্ষিত হয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ৫৪ বা ৫৫ ধারার কোনো বিধান রাষ্ট্রপতির এই অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে না।
- সঠিক উত্তর: ঘ) ক্ষমা, দণ্ড স্থগিত, দণ্ড হ্রাস বা মওকুফ করা।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৫ক ধারার বিধান রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষণ:- ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার কোন বিধান দ্বারাই রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, মৃত্যুদণ্ড মওকুফ বা স্থগিত করা বা দণ্ডাজ্ঞা হ্রাসের অধিকার ক্ষুন্ন হবে না। 
--------- 
⇒ The Penal Code,1860- Section 55A. Saving for President prerogative:- Nothing in section fifty- four or section fifty-five shall derogate from the right of the President to grant pardons, reprieves, respites or remissions of punishment.

১৯.
দণ্ডবিধিতে "বছর" বা "মাস" কীভাবে গণনা করা হয়?
  1. বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
  2. হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
  3. ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
  4. ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, "year" বা "month" শব্দ ব্যবহৃত হলে তা ইংরেজি ক্যালেন্ডার (অথবা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী গণনা করা হবে।
- ইংরেজি ক্যালেন্ডারে এক বছর ৩৬৫ দিন (অথবা লিপ বছরের ক্ষেত্রে ৩৬৬ দিন) এবং এক মাস ৩০ বা ৩১ দিন (ফেব্রুয়ারিতে ২৮ বা ২৯ দিন) হিসেবে গণনা করা হয়।

অর্থাৎ, দণ্ডবিধিতে "বছর" বা "মাস" গণনা করা হয় ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) অনুযায়ী।
- সঠিক উত্তর: গ) ব্রিটিশ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 49.“Year” “Month”:
- Wherever the word "year" or the word "month" is used, it is to be understood that the year or the month is to be reckoned according to the British calendar.

২০.
'B' একটি বেআইনী সমাবেশে যোগ দেয়, যেখানে সমাবেশের সদস্যরা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য রাস্তায় উগ্রতা প্রদর্শন করে এবং দোকান ভাঙচুর করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ 'B' একটি বেআইনী সমাবেশে (unlawful assembly) যোগ দিয়েছে।
- এই সমাবেশের সদস্যরা তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য উগ্রতা প্রদর্শন করে এবং দোকান ভাঙচুর করেছে (বলপ্রয়োগ/সহিংসতা)।
- দণ্ডবিধির ধারা ১৪৬ অনুযায়ী, এমন সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার (rioting) অপরাধে অপরাধী।
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী, দাঙ্গার অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- সুতরাং, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান দাঙ্গা:- কোন বেআইনী সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে উক্ত বেআইনী সমাবেশ দ্বারা বা উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তি কর্তৃক বল বা উগ্রতা প্রয়োগ করা হলে, উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার বিধান দাঙ্গা করার সাজা :- কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-146. Rioting:- Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting.
⇒ The Penal Code, 1860- Section-147:- Punishment for rioting:
Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২১.
দণ্ডবিধি অনুসারে, মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তন সম্পর্কিত ধারা কোনগুলো?
  1. ৫৩ ও ৫৩ক
  2. ৫৪ ও ৫৫
  3. ৫৫ক ও ৫৬
  4. ৫৫ ও ৫৭
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ও ৫৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি অনুসারে, মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পরিবর্তন (commutation) সম্পর্কিত ধারা হলো ৫৪ এবং ৫৫।
- ধারা ৫৪: মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই দণ্ডকে দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অন্য যেকোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে।
- ধারা ৫৫: যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই দণ্ডকে দুই ধরনের যেকোনো কারাদণ্ডে (কঠোর বা সাধারণ) পরিবর্তন করতে পারে, যার মেয়াদ ২০ বছরের বেশি হবে না।
সঠিক উত্তর: খ) ৫৪ ও ৫৫

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

২২.
দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, যদি আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয় এবং তা পালন না করা হয়, তবে শাস্তি কী হতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, যদি আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণা জারি করা হয় এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে পালন না করা হয়, তবে শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: গ) সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া- কোন ব্যক্তি সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনতঃ কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে; 

- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-section 174. Non-attendance in obedience to an order from public servant:
Whoever, being legally bound to attend in person or by an agent at a certain place and time in obedience to a summons, notice, order or proclamation proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue the same, intentionally omits to attend at that place or time, or departs from the place where he is bound to attend before the time at which it is lawful for him to depart,shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka or with both; 

or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

২৩.
দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হয়?
  1. অর্থদণ্ডের পরিমাণ
  2. দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির আচরণ
  3. অপরাধীর আর্থিক অবস্থা 
  4. অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন
সঠিক উত্তর:
অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা অনুসারে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন বিবেচনা করা হয়। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড সেই ধরনের হবে, যে ধরনের কারাদণ্ডে অপরাধীকে অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা যেত।
- সঠিক উত্তর: ঘ) অপরাধের জন্য প্রযোজ্য কারাদণ্ডের ধরন।

⇒ দণ্ডবিধির ৬৬ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।
-------
⇒ The Penal Code,1860-Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.

২৪.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি কমিউট (commute) করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. বিচারক
  3. সরকার
  4. সংসদ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি কমিউট (commute) করার ক্ষমতা সরকার এর আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হলে, সরকার অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই এই শাস্তিকে দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অন্য যেকোনো শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

২৫.
'A' জানে যে কিছু মুদ্রা জাল এবং সে এই জাল মুদ্রা বাংলাদেশে আমদানি করে। দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারা অনুযায়ী, 'A'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ২ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৩৭ অনুসারে, জাল মুদ্রা বলে জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে আমদানি বা রপ্তানি করলে অপরাধ সংঘটিত হয়।
- এই অপরাধের শাস্তি হলো: সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড (imprisonment of either description), এবং অর্থদণ্ড (shall be liable to fine)।
- অতএব, সঠিক উত্তর খ) ৩ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩৭ ধারার বিধান: জাল মুদ্রা আমদানি কিংবা রপ্তানি:
-মুদ্রা জাল বলে জানা সত্ত্বেও, অথবা উহা জাল বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের মধ্যে উহা আমদানি করে অথবা তথা হতে উহা রপ্তানি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 237: Import or export of counterfeit coin:
- Whoever imports into Bangladesh, or exports there from, any counterfeit coin, knowingly or having reason to believe that the same is counterfeit, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall be liable to fine.

২৬.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র গঠনের জন্য ন্যূনতম কতজন ব্যক্তির সম্মতি প্রয়োজন?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. চারজন
সঠিক উত্তর:
দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিরা 'অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র' করেছে বলে গণ্য হবে।

- এই ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র গঠিত হয় যখন দুইজন বা ততোধিক ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোনো একটি কাজ করতে বা করানোর জন্য সম্মত হয়:
- একটি অবৈধ কাজ করা: এটি এমন কোনো কাজ যা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ বা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
- বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করা: এটি এমন কাজ যা নিজে অবৈধ নয়, কিন্তু অবৈধ উপায় বা পদ্ধতি ব্যবহার করে সম্পন্ন করা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

২৭.
দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে কীভাবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
  2. ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
  3. ১৫ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
  4. ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
সঠিক উত্তর:
৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, শাস্তির মেয়াদ গণনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- দণ্ডবিধির ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, দণ্ডের মেয়াদের ভগ্নাংশ হিসাবের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ৩০ বছর কারাদণ্ডের সমান বলে গণ্য হবে।
- সুতরাং দণ্ডবিধির ৫৭ ধারামতে শাস্তির ভগ্নাংশ হিসাব করতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে ৩০ বছর ধরতে হবে।
----------
 ⇒ The Penal Code,1860- Section 57: Fractions of terms of punishment:
- In calculating fractions of terms of punishment, imprisonment for life shall be reckoned as equivalent to rigorous imprisonment for thirty years.