পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
Exam -1: The Code of Civil Procedure, 1908 Topic: Section 1-35B, Order 1-20
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কয় নং আইন?
  1. ১নং
  2. ৫নং
  3. ৯নং
  4. ৭নং
সঠিক উত্তর:
৫নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫নং
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫নং আইন। সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি পাশ হয় ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে:
- দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে,
- মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে,
- মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে,
- সমন জারি,
- পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি,
- মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি; এবং
- বলবৎকরণ, আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
.
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তির কোন উন্নয়নের ফলে যে লাভ হয়, তা কি মধ্যবর্তী মুনাফার মধ্যে গণ্য হবে?
  1. হ্যাঁ
  2. না
  3. ব্যক্তি চাইলে লাভ হিসেবে গণ্য হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফাকে মধ্যবর্তী মুনাফা(Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম:
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে,উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received there from, together with interest on such profits,
but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.
.
'Joinder of Parties' বলতে কী বোঝায়?
  1. Joinder of Plaintiffs
  2. Joinder of defendants
  3. Joinder of legal representatives of parties
  4. Joinder of Plaintiffs & defendants
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs & defendants
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joinder of Plaintiffs & defendants
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১ বিধি ১-৩ [মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত (Joinder of Parties)]-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে কতিপয় ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে মোকদ্দমার পক্ষভুক্ত হতে পারে। একটি মোকদ্দমায় একাধিক ব্যক্তিকে বাদী এবং বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একটি মোকদ্দমায় সকল ব্যক্তি বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে পারে, যদি-
১. মোকদ্দমার প্রত্যেক বাদী বা বিবাদীর দাবীকৃত প্রতিকার একই কার্য বা লেনদেন থেকে উৎপত্তি হয় বা
২. মোকদ্দমাটি এমন যে, যদি এই ব্যক্তিরা (বাদী বা বিবাদী) পৃথক মোকদ্দমা দায়ের করে তাহলে আইন বা তথ্য সংক্রান্ত একটি সাধারণ প্রশ্নের উদ্ভব হবে। 

উদহারণ-
'ক' যৌথভাবে 'খ' এবং 'গ' এর সাথে ১০০ কেজি গম বিক্রয়ের চুক্তি করে। 'ক' পরবর্তীতে তা বিক্রয়ে অস্বীকার করে। এখানে 'খ' এবং 'গ' উভয়ের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার আছে যা একই কার্য (বিক্রয় চুক্তি) থেকে উদ্ভব হয়েছে। তাই 'খ' এবং 'গ' বাদী হিসাবে যৌথভাবে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে ।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় "Judgment" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(৭) ধারায়
  2. ২(৮) ধারায়
  3. ২(৯) ধারায়
  4. ২(১০) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(৯) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(৯) ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৯):

"Judgment" means the statement given by the Judge of the grounds of a decree or order:
''রায়" (Judgment): বলতে ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসেবে বিচারক যে বিবৃতি দেন, তা বুঝায়।

⇒ রায় বলতে বুঝায় কোন দেওয়ানী মামলায় প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের যুক্তি হিসেবে বিচারক যে বর্ণনা দেন। সাধারণত, দেওয়ানী মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষণা করেন এবং রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করেন।
.
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারায় কোন ধরনের ডিক্রির কথা উল্লেখ আছে?
  1. প্রাথমিক ডিক্রি
  2. চূড়ান্ত ডিক্রি
  3. আংশিক প্রাথমিক বা চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারার বিধানমতে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক রীতিসিদ্ধভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মামলার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই ডিক্রি" প্রাথমিক বা চুড়ান্তও হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে, তবে নিম্নলিখিত বিষয় ইহার অন্তর্ভুক্ত হবে না
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের মত আপীল করা যায়; অথবা
খ) কোন ক্রটির জন্য খারিজের আদেশ।

ব্যাখ্যা: ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে, মামলা যখন চূড়ান্তরূপে নিস্পত্তি হয়, তখনই ডিক্রি চূড়ান্ত হয়ে থাকে। কোন ডিক্রি আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে।

অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ২(২) ধারাতে ৩ ধরনের ডিক্রির কথা বলা হয়েছে:
১। প্রাথমিক ডিক্রি;
২। চূড়ান্ত ডিক্রি;
৩। আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রি।
.
বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত হবে না যদি:
  1. রায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদত্ত হলে
  2. রায়ে কোনো প্রমাণের অভাব থাকলে
  3. মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া হলে
  4. উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত না হলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১৩ঃ যখন বিদেশি রায় চূড়ান্ত হয় না-

কোন বিদেশি আদালত কোন বিষয়ে বিচার করলে এবং তা একই পক্ষসমূহ অথবা তাদের সূত্রে এক বা একের অধিক স্বত্ব দাবিকারীর মধ্যে একই বিষয় সম্পর্কিত মোকদ্দমা হলে বিদেশি আদালতের রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে; তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত-

ক) যখন উপযুক্ত এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক রায় ঘোষিত হয় নি;
খ) মোকদ্দমার গুণাগুণের ভিত্তিতে রায় দেয়া না হলে;
গ) আন্তর্জাতিক আইনের ভ্রান্ত ব্যাখা অথবা মোকদ্দমাটির প্রতি প্রযোজ্য বাংলাদেশের আইন অস্বীকার করে রায় প্রদান করা হয়েছে বলে কার্যধারাসমূহ হতে বুঝা গেলে;
ঘ) যে রায় আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে, তাতে অনুসৃত পদ্ধতি ও কার্যক্রম ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হলে;
ঙ) প্রবঞ্চনা দ্বারা রায় সংগ্রহ করা হলে;
চ) বাংলাদেশে প্রচলিত কোন আইনের বিরোধী কোন দাবি রায়ে বজায় রাখা হলে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারা কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শ্রম আদালত
  2. রাজস্ব আদালত
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারা: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:

১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।

২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

Section 5- Application of the Code of Revenue Courts:

(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
.
আদেশ ৩ বিধি ১ অনুযায়ী- আদালত যদি নির্দেশ প্রদান করে যে পক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে, তাহলে-
  1. পক্ষকে অবশ্যই আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে
  2. পক্ষ তার স্বীকৃত প্রতিনিধি দ্বারা উপস্থিত থাকতে পারবে
  3. উকিলের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত থাকতে পারবে
  4. পক্ষের অন্য কোনো প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত থাকা যাবে
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে অবশ্যই আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষকে অবশ্যই আদালতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৩ বিধি ১: উপস্থিতি ইত্যাদি ব্যক্তিগতভাবে, স্বীকৃত প্রতিনিধি বা আইনজীবী মারফতে হতে পারে:

মোকদ্দমার কোন পক্ষের আদালতে হাজিরা দেয়া, আবেদন করা বা আইন মোতাবেক অন্য যা করা কর্তব্য, প্রত্যক্ষভাবে অন্য কোন বিপরীত বিধান না থাকলে উক্ত কার্যগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যক্তিগতভাবে সম্পন্ন করতে পারে, অথবা তার স্বীকৃত প্রতিনিধি কর্তৃক কিংবা তার পক্ষে [ক্ষেত্র বিশেষ উপস্থিত, দরখাস্ত কিংবা কার্যকরী] কোন উকিলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় হাজিরা দিতে, আবেদন করতে বা অন্য কোন কাজ সমাধান করতে পারে-

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত নির্দেশ প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের হাজিরা বা উপস্থিতি ব্যক্তিগতভাবেই দিতে হবে।
.
'ক' একটি বিল অব এক্সচেঞ্জ বাবদ ১০০০ টাকার জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দাখিল করে। ‘খ, 'ক'-এর বিরুদ্ধে তার পূর্বেই ১০০০ টাকার ডিক্রি লাভ করেছিল। এক্ষেত্রে 'খ','ক' এর বিরুদ্ধে কোন বিধির অধীন সেট অফ দাবি করতে পারবে?
  1. আদেশ ৯, বিধি ৬
  2. আদেশ ৮, বিধি ৬
  3. আদেশ ৭, বিধি ৬
  4. আদেশ ৬, বিধি ৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৮, বিধি ৬
ব্যাখ্যা
• অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬ বিধি অনুযায়ী, কোন মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই (at the first hearing of suit) লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে সেট অফের দাবি করতে হয়। প্রথম শুনানির পর আদালতে সেট অফের জন্য লিখিত জবাব দাখিল করা যাবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে প্রথম শুনানির পর Set off এর দাবি করা যায়।

• কোন দেওয়ানী মামলায় বিবাদি যদি সেট অফ দাবি করতে চায়, তাহলে বিবাদীকে নিম্নলিখিত শর্ত সমূহ পূরণ করতে হবে। যেমন-
i) মোকদ্দমাটি অর্থ আদায়ের মোকদ্দমা হবে;
ii) দাবীকৃত অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট হবে;
iii) দাবীকৃত অর্থ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদি সেই পরিমান টাকার দাবি সমন্বয় করে চাইতে পারবে যার পরিমান ঐ বিচারিক আর্থিক এখতিয়ারের সমপরিমান হবে। বিচারিক আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের বেশি হলে সে রকম পরিমাণের টাকার জন্য বিবাদি সেট-অফ দাবি করতে পারবে না;
iv) দাবি-দাওয়ার ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদী উভয়কেই একই চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অর্থাৎ মামলায় বাদী-বিবাদী একে অন্যের নিকট পাওনাদার বা দেনাদার না হলে সেই মামলায় সেট-অফের দাবি করা যাবে না;
v) সেট-অফের মোকদ্দমায় আদালত বাদীর মূল দাবি এবং বিবাদীর সেট অফের ব্যাপারে এক সঙ্গে চূড়ান্ত রায় প্রদান করতে পারেন।
১০.
যদি কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি ক্ষতিসাধন করা হয় এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে বসবাস করে, তবে বাদী কোন আদালতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র উচ্চ আদালতে
  2. যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বিবাদী বসবাস করে
  3. যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখায় ক্ষতিসাধন হয়েছে
  4. 'খ' বা 'গ' উভয় আদালতের যেকোন একটিতে
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ' উভয় আদালতের যেকোন একটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' বা 'গ' উভয় আদালতের যেকোন একটিতে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৯: ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা:
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plaintiff in either of the said Courts.
১১.
আদেশ ৪ বিধি ১ অনুযায়ী কোন আদেশের বিধিসমূহ মোকদ্দমার আরজি প্রণয়নে প্রযোজ্য হবে?
  1. ১ম ও ২য় আদেশ
  2. ৩য় ও ৪র্থ আদেশ
  3. ৫ম ও ৬ষ্ঠ আদেশ
  4. ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশ
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশ
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:

১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
১২.
দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে ১৫ ধারায় আদালতের বিবেচ্য বিষয় কী?
  1. মোকদ্দমার গুরুত্ব
  2. আদালতের আর্থিক এখতিয়ার
  3. আদালতের অবস্থান
  4. আদালতের বিচার কার্যক্রমের গতি
সঠিক উত্তর:
আদালতের আর্থিক এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের আর্থিক এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে। সুতরাং, কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় Res-subjudice শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
সঠিক উত্তর:
কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোথাও ব্যবহার করা হয় নি
ব্যাখ্যা
• ল্যাটিন শব্দ রেস (Res) এবং সাবজুডিস (Sub-judice) থেকে রেস সাবজুডিস শব্দটির উৎপত্তি। ল্যাটিন রেস (Res) অর্থ বিষয় এবং সাবজুডিস (Sub-judice) অর্থ আদালতে বিচারাধীন অর্থাৎ Res subjudice অর্থ আদালতের বিচারাধীন বিষয়।

পক্ষগণ যাতে একই বিষয়ে অধিক মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং বিচার বিভ্রান্তি না ঘটে, সে উদ্দেশ্যে রেস সাবজুডিস নীতিটি প্রয়োগ করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় রেস সাবজুডিস নীতিটির প্রতিফলন ঘটেছে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় যদিও Res-subjudice শব্দটি একবারও ব্যবহার হয়নি, তবে ১০ ধারায় Res-subjudice শব্দটির পরিবর্তে Stay of suit শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী একই বিচার্য বিষয়ে পক্ষগণের মধ্যে দুইটি পৃথক মামলার বিচার একই সময়ে চলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটির বিচার সাপেক্ষে পরবর্তী মামলার বিচার কার্য স্থগিত রাখতে হবে। কোন দেওয়ানি মামলায় রেস সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করতে হলে নিম্নলিখিত শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়-
i) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে;
ii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলা অবশ্যই সেই আদালতে বিচারাধীন থাকতে হবে, যেখানে পরবর্তী মামলা দায়ের করা হয়েছে;
iii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হতে হবে;
iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হতে হবে অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯ এর ১৩নং বিধির অধীনে ডিক্রি রদের পর মোকদ্দমা পুনর্বহাল করা হলে, মোকদ্দমাটি কোন পর্যায় থেকে চালু হবে?
  1. একবারে প্রথম থেকে
  2. নতুন ডিক্রি অনুযায়ী
  3. ডিক্রি দেয়ার পরবর্তী পর্যায়
  4. ডিক্রি দেয়ার পূর্ববর্তী পর্যায়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দেয়ার পূর্ববর্তী পর্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি দেয়ার পূর্ববর্তী পর্যায়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত বিধি ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ১৩নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থায় ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

[Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.]
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধির মূল বক্তব্য কী?
  1. সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে হবে
  2. সকল প্রতিকার সব বিবাদীর বিরুদ্ধে দাবি করতে হবে
  3. সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়া প্রয়োজন নেই
  4. মামলা দায়েরের জন্য সকল বিবাদীর সম্মতি থাকতে হবে
সঠিক উত্তর:
সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়া প্রয়োজন নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল বিবাদীর স্বার্থ সব প্রতিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়া প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৫নং বিধি অনুযায়ী-

"বিবাদীগণের বিরুদ্ধে মোকদ্দমায় যেসকল প্রতিকার দাবী করা হয়, তন্মধ্যে সবগুলোই প্রত্যেক বিবাদির স্বার্থসম্পর্কিত হওয়ার দরকার নেই।"
It shall not be necessary that every defendant shall be interested as to all the relief claimed in any suit against him.
১৬.
আদেশ ৯ বিধি ১৩ এর অধীন- এক তরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে ডিক্রি রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল দায়ের করতে পারে
  2. নতুন আবেদন দাখিল করতে হবে
  3. নতুন মামলার আবেদন করতে হবে
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩নং বিধিতে একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে, অন্যদিকে ১৩ক বিধিতে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের বিধান রয়েছে।

আদেশ ৯, বিধি ১৩: একতরফা ডিক্রি রদ / বাতিল (Set aside ex parte decree)-
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১০নং বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একতরফা ডিক্রির সিদ্ধান্ত রদ বা বাতিল করার জন্য আবেদন করতে পারবে যদি প্রমাণিত হয় যে-
i) বিবাদীর প্রতি যথাযথ ভাবে সমন জারি হয়নি;
ii) উপযুক্ত কারণে শুনানীর দিন বিবাদী আদালতে উপস্থিত হতে পারে নি।

⇒ আদেশ ৯ বিধি-১৩ অনুযায়ী,
একতরফা ডিক্রি রদের আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে, আপিল করা যাবে (বিধি-১, আদেশ-৪৩); আবেদন মঞ্জুর হলে রিভিশন করা যায়।
১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১ অনুযায়ী, সমন প্রেরণের সময়সীমা কত দিন?
  1. মোকদ্দমা রুজুর ৩ কার্যদিবসের মধ্যে
  2. মোকদ্দমা রুজুর ৫ কার্যদিবসের মধ্যে
  3. মোকদ্দমা রুজুর ৭ কার্যদিবসের মধ্যে
  4. মোকদ্দমা রুজুর ১০ কার্যদিবসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা রুজুর ৫ কার্যদিবসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা রুজুর ৫ কার্যদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-

১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদি আরজী দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদির দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদির উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদি হাজিরা দিতে পারবে-
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদি হাজিরা দিতে পারে।
১৮.
প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তি কার পক্ষে মামলা দায়ের করেন?
  1. কেবল নিজের পক্ষে
  2. শুধু আদালতের পক্ষে
  3. নিজের এবং আদালতের পক্ষে
  4. নিজের এবং অন্য সকলের পক্ষে
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্য সকলের পক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের এবং অন্য সকলের পক্ষে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ৮ নং বিধিতে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা [Representative suit] এর বিধান রয়েছে।
সাধারণত মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে স্বার্থসংশ্লিস্ট সকল ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসেবে যুক্ত হতে হয়। কিন্তু ১নং আদেশের ৮ নং বিধির আওতায় প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা এই নিয়মের ব্যতিক্রম। অর্থাৎ এই বিধিমতে, যেক্ষেত্রে কোন মামলায় বহু সংখ্যক লোকের একই রূপ স্বার্থ (same interest) থাকলে, সেক্ষেত্রে আদালতের অনুমতিক্রমে সকলের পক্ষে এক বা একাধিক ব্যক্তি মামলা দায়ের করতে পারে। এই এক বা একাধিক ব্যক্তি অন্যান্য সকলকে প্রতিনিধিত্ব করে। এই ধরনের মোকদ্দমাকে প্রতিনিধিত্বমূলক মোকদ্দমা বা Representative suit বলা হয়।

Order 1 Rule 8: One person may sue or defend on behalf of all in same interest-
1) Where there are numerous persons having the same interest in one suit, one or more of such persons may, with the permission of the Cour sue or be sued, or may defend, in such suit, on behalf of or for the benefit of all persons so interested. But the Court shall in such case give, at the plantiffs expense, notice of the institution of the suit to all such personal either by person service or, where from the number of persons or any other cause such service is not reasonably practicable, by public advertisement as the Court in each case may direct

2) Any person on whose behalf or for whose benefit a suit is instituted or defended under sub-rule (1) may apply to the Court to be made a party to such suit.
১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৪(ক) ধারা অনুযায়ী আবেদন ব্যতীত যদি দেওয়ানি মামলা স্থানান্তরিত হয়, তাহলে পক্ষগণকে কী করতে হবে?
  1. মামলা প্রত্যাহার করতে হবে
  2. নতুন মামলা দায়ের করতে হবে
  3. হাজির না হলেও চলবে
  4. স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে হাজির হতে হবে
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে হাজির হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে হাজির হতে হবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-
১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে, বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred.

(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
২০.
স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক প্রতিকার বা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের করা হলে এবং যদি বিবাদীর উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না যায়, তাহলে কী করা যেতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করা যাবে
  2. আদালত সমন জারি বন্ধ করবে
  3. বিবাদীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা যাবে
  4. সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা যাবে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা যাবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৫ বিধি ১৪ অনুসারে,
স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক কোন প্রতিকার বা এর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, যদি বিবাদীর উপর ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা না যায় এবং যদি বিবাদীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি সমন গ্রহণের জন্য না থাকে, তাহলে সম্পত্তির দায়িত্বে থাকা বিবাদীর যে কোন প্রতিনিধির উপর সমন জারি করা যাবে।

Service on agent in charge in suits for immovable property:
Where in a suit to obtain relief respecting, or compensation for wrong to, immovable property, service cannot be made on the defendant in person, and the defendant has no agent empowered to accept the service, it may be made on any agent of the defendant in charge of the property.
২১.
Either party may call upon the other party to admit any document within _______ days from the date of service of notice.
  1. 7
  2. 10
  3. 15
  4. 21
সঠিক উত্তর:
15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15
ব্যাখ্যা
• Order 12 Rule 2: Notice to admit documents:
Either party may call upon the other party  to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.

আদেশ ১২ বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ:
সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে,তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
২২.
আদেশ ১১ বিধি ২১ অনুযায়ী, যদি বিবাদী প্রশ্নমালার উত্তর দানে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. বিবাদীকে জরিমানা করা হবে
  2. তার জবাব কর্তন করা হবে
  3. বিবাদীকে নতুন সময় দেওয়া হবে
  4. বিবাদীর মোকদ্দমা স্থগিত করা হবে
সঠিক উত্তর:
তার জবাব কর্তন করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার জবাব কর্তন করা হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Rule 21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.
২৩.
"দায়িক" বলতে কাকে বোঝানো হয়?
  1. যে ব্যক্তি ডিক্রি প্রদান করেছে
  2. যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
  3. যে ব্যক্তি ডিক্রি প্রাপ্তি সম্পর্কে আবেদন করেছে
  4. যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
ধারা ২(১০) এ “দায়িক” (Judgment-debtor) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

দায়িক বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে বা জারিযোগ্য আদেশ প্রদান করা হয়েছে।
(Judgment-debtor means any person against whom a decree has been passed or an order capable of execution has been made)
২৪.
আদেশ ১৮ বিধি ৪ এর অধীনে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. আদালতের বাইরে
  2. সাক্ষীর ইচ্ছামত স্থানে
  3. উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে নির্ধারিত স্থানে
  4. নির্ধারিত প্রকাশ্য আদালতে
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত প্রকাশ্য আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত প্রকাশ্য আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।

[Witnesses to be examined in open Court-
The evidence of the witnesses in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী 'সত্যাখ্যান' কী?
  1. আদালতের নথির যাচাইকরণ
  2. মামলার পক্ষসমূহের সমঝোতা আদেশ
  3. মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা স্বীকার
  4. মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা স্বীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার পক্ষসমূহের দ্বারা উল্লেখিত বিষয়ের সত্যতা স্বীকার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬ এর বিধি ১৫ তে প্লিডিংস সত্যাখ্যান [Verification of Pleadings] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে-

সত্যাখ্যান হলো মামলার পক্ষসমূহ যেমন আরজির ক্ষেত্রে বাদী এবং লিখিত জবাবের ক্ষেত্রে বিবাদী আরজি বা লিখিত জবাবে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে,তা তার জানা বলে স্বীকার করা। আরজির নিচে মোকদ্দমার বাদী এবং লিখিত জবাবের নিচে বিবাদী সত্যাখ্যান (সত্যতা প্রতিপাদন) করবে অথবা আদালত সন্তুষ্ট হলে,অন্য কোনো ব্যক্তি যে মোকদ্দমার বিষয় সম্পর্কে জানে,সে আরজি বা লিখিত জবাবে সত্যাখ্যান করতে পারে।

যে ব্যক্তি সত্যাখ্যান করছে সে সত্যতা প্রতিপাদন অংশে স্বাক্ষর করবে এবং যে দিন,যে স্থানে সত্যাখ্যান স্বাক্ষর করা হয়েছিল তা উল্লেখ করবে।
২৬.
আদেশ ১৬ বিধি ১৪ এর অধীন আদালত কোন ধরনের ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে সমন দিতে পারে?
  1. যে ব্যক্তি মামলার পক্ষ
  2. যে ব্যক্তি আদালতে উপস্থিত
  3. যে ব্যক্তি মামলার পক্ষের আইনজীবী
  4. যে ব্যক্তি মামলার পক্ষ নয় এবং সাক্ষী হিসেবেও ডাকা হয়নি
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি মামলার পক্ষ নয় এবং সাক্ষী হিসেবেও ডাকা হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি মামলার পক্ষ নয় এবং সাক্ষী হিসেবেও ডাকা হয়নি
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৬ বিধি ১৪-

হাজিরা এবং উপস্থিতি সম্পর্কে উক্ত আইনের বিধানাবলী এবং বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইন সাপেক্ষে যেক্ষেত্রে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার পক্ষ নয় এরূপ কোন ব্যক্তিকে এবং মোকদ্দমার পক্ষ কর্তৃক সাক্ষী হিসাবেও ডাকা হয়নি এরূপ কোন ব্যক্তিকে জবানবন্দি করিতে প্রয়োজন বোধ সেক্ষেত্রে আদালত স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে উক্ত ব্যক্তিকে নির্ধারিত কোন তারিখে সাক্ষ্য দানের নিমিত্ত বা তার হস্তগত কোন দলিল দাখিল করতে সাক্ষী হিসাবে ঐ ব্যক্তিকে সমন করাতে পারবে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবে বা অনুরূপ দলিল দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারবে।

অর্থাৎ আদালত উল্লেখিত ক্ষেত্রে ৩য় ব্যক্তিকে সমন দিতে পারে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-
১- সাক্ষ্য গ্রহণ
২- দলিল দাখিল
২৭.
'দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর তৎক্ষণাৎ বা সাতদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে'- উক্ত বিধান আদালতের জন্য-
  1. ঐচ্ছিক
  2. বাধ্যতামূলক
  3. ঐচ্ছিক তবে গুরুত্বপূর্ণ
  4. আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে যা সাতদিনের বেশি হবে না, পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]

• উক্ত বিধিতে ''shall'' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। যার দরুণ এই বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
২৮.
যদি বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করে এবং বিবাদীর উপর সমন জারি না হয়, তবে আদালত কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. মামলার শুনানি স্থগিত করতে পারে
  2. মামলা খারিজ করতে পারে
  3. মামলা পুনরায় বিবেচনা করতে পারে
  4. বাদীর বিরুদ্ধে জরিমানা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করতে পারে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৯ বিধি-২:

নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদী কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।

Dismissal of suit where summons not served in consequence of plaintiff's failure to pay costs-
Where on the day so fixed it is found that the summons has not been served upon the defendant in consequence of the failure of the plaintiff, to pay the court-fee or postal charges (if any) chargeable for such service, the Court may make an order that the suit be dismissed: 
Provided that no such order shall be made although the summons has not been served upon the defendant, if on the day fixed for him to appear and answer he attends in person or by agent when he is allowed to appear by agent.
২৯.
আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হবে-
  1. প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে
  2. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার পূর্বে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময়
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে।

• নিম্নে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার সাধারণ নিয়মগুলো দেয়া হলো-

⇒ আদালতের আর্থিক (pecuniary) এবং আঞ্চলিক (territorial) উভয় এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলা যায়।
⇒ আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে পক্ষদের কোন আপত্তি থাকলে, উক্ত আপত্তি প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
⇒ যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতেই এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হয়।
⇒ সাধারণত আপিল বা রিভিশনে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলা যায় না, তবে শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে আপিল বা রিভিশনের সময়ও এই দাবি উত্থাপন করা যায়। এছাড়া যদি আরজি উপস্থাপনের সময় আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকে, তবে সেই অনিশ্চয়তা আপিল বা রিভিশন আদালতের নিকট যৌক্তিক মনে হলে এরকম প্রশ্ন আপিল বা রিভিশন আদালত গ্রহণ করতে পারে।
৩০.
'ম' ২০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার আরজি সহকারী জজ আদালতে পেশ করে। এই ক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. আরজি প্রত্যাখান
  2. আরজি সংশোধন
  3. আরজি ফেরত
  4. মোকদ্দমা খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
• আদালত উক্ত আরজিটি ফেরত পাঠাবে।

• মোকদ্দমাটির মূল্যমান ২০ লক্ষ টাকা, তাই তা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমাটি দায়ের করা উচিত ছিল। কারণ সহকারি জজ আদালতের এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫লক্ষ টাকা [The Civil Courts Act,1887]। যেহেতু এখতিয়ার বিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে চেয়েছে, তাই আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য আরজি ফেরত পাঠাবে।

• আরজি ফেরত (Return of Plaint) অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ এর বিধি ১০ এ আরজি ফেরত এর বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

• আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
৩১.
শপথনামায় (affidavit) জনশ্রুতি বা বিতর্কমূলক বিষয় উল্লেখ করা হলে, আদালত ভিন্ন কোন আদেশ না দিলে তার খরচ কে বহন করবে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. আদালত
  4. যে পক্ষ তা দাখিল করেছে
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ তা দাখিল করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে পক্ষ তা দাখিল করেছে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৯ বিধি ৩: যেসকল বিষয়ে শপথনামা সীমাবদ্ধ থাকবে:
১) জবানবন্দিকারকের বিশ্বাস সম্পর্কিত বিবৃতি যে আবেদন পত্রের উপর গৃহীত হতে পারে উক্ত অন্তবর্তী আবেদন পত্রের ক্ষেত্র ব্যতীত জবানবন্দিকারক নিজস্ব জ্ঞানমতে প্রমাণ করতে সমর্থ হয়, এরূপ ঘটনাবলীতে শপথনামা সীমাবদ্ধ রাখতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উহার কারণসমূহ উল্লেখ করতে হবে।

২) যে শপথনামায় জনশ্রুতিমূলক বিষয় কিংবা বিতর্কমূলক কোন বিষয়, কিংবা দলিলের নকল বা অংশ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বর্ণনাকারে থাকে, উক্ত শপথনামার ব্যয় (যদি না আদালত অন্যরকম কোন আদেশ দিলে) যে পক্ষ তা দাখিল করেছে তাকেই বহন করতে হবে।

Order 19 Rule 3: Matters to which affidavits shall be confined-
1) Affidavits shall be confined to such facts as the deponent is able of his own knowledge to prove, except on interlocutory applications, on which statements of his belief may be admitted: Provided that the grounds thereof are stated.

2) The costs of every affidavit which shall unnecessarily set forth matters of hearsay or argumentative matter, or copies of or extracts from documents, shall (unless the Court otherwise directs) be paid by the party filing the same.
৩২.
মামলার শুনানি শেষে আদালত কী প্রদান করে?
  1. রায়
  2. সমন
  3. নোটিশ
  4. অভিযোগপত্র
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে,
কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে।

Section 33- Judgment and decree:
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment and on such judgment a decree shall follow.
৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারায় কোন ধরনের সমন জারির বিধান উল্লেখ আছে?
  1. স্থানীয় সমন
  2. বিদেশি সমন
  3. ফৌজদারি সমন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশি সমন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ২৯ ধারা- বিদেশি সমন জারি:
বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোন দেওয়ানি অথবা রাজস্ব আদালতের সমন এবং অন্যান্য ওয়ারেন্ট বাংলাদেশের আদালতসমূহে প্রেরণ করা যেতে পারে এবং উক্ত সমন অনুরূপ আদালত মারফত প্রদত্ত সমন হিসাবে জারি করা যেতে পারেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে অনুরূপ আদালত সমূহে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য বলে ঘোষণা করবে।

Section 29: Service of foreign summons:
Summons and other processes issued by any Civil or Revenue Court situate outside Bangladesh may be sent to the Courts in Bangladesh and served as if they were summonses issued by such Courts:
Provided that the Government has by notification in the official Gazette declared the provisions of this section to apply to such Courts.