উত্তর
ব্যাখ্যা
- ICN হলো International Code of Nomenclature for algae, fungi and plants.
- এটি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের নিয়মাবলী নির্ধারণ করে।
- Morphology, Chromosome, Anatomy এসব ট্যাক্সোনমিতে ব্যবহার হলেও ICN শুধু নামকরণের জন্য।
৪৯তম বিসিএস ⎯ উদ্ভিদবিদ্যা [৫৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন
- ICN হলো International Code of Nomenclature for algae, fungi and plants.
- এটি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের নিয়মাবলী নির্ধারণ করে।
- Morphology, Chromosome, Anatomy এসব ট্যাক্সোনমিতে ব্যবহার হলেও ICN শুধু নামকরণের জন্য।
- Biosystematics integrates taxonomy, cytology, genetics and ecology → পূর্ণাঙ্গ শ্রেণিবিন্যাস।
- অপরদিকে Morphology, Anatomy, Palynology → আংশিক চরিত্র, কিন্তু Biosystematics একাধিক branch একত্র করে।
Aristotle জীবদের প্রথমবারের মতো 'animal' ও 'plant' ভাগ করেন → এটিই কৃত্রিম system-এর শুরু।
Linnaeus → binomial nomenclature।
Bentham & Hooker → natural system।
Engler → phylogenetic system।
Ref.: Sporne, Morphology of Angiosperms.
- International standard herbarium sheet size = 28×42 cm
- হারবারিয়াম শীট হলো এমন একটি নির্দিষ্ট মাপের কাগজ, যেখানে গাছের শুকানো অংশ- যেমন পাতা, ফুল, কান্ড সঠিকভাবে লাগানো ও সংরক্ষণ করা হয়। এই শীটগুলো উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলোর মাধ্যমে উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক শনাক্তকরণ, গবেষণা ও শ্রেণিবিন্যাসের কাজ সহজ হয়। এই মাপটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং হারবারিয়ামে সহজে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য উপযুক্ত।
Morphological characters (আকৃতিগত বৈশিষ্ট্য) বলতে বোঝায় কোনো জীবের বাহ্যিক গঠন ও অবয়ব সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ:
- পাতার ধরন ও বিন্যাস
- ফুলের গঠন (পাপড়ির সংখ্যা, ধরন)
- মূলের প্রকার (tap root বা fibrous root)
- কান্ডের ধরন (herb, shrub, tree)
- ফল ও বীজের আকৃতি
এই বৈশিষ্ট্যগুলো উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস, সনাক্তকরণ এবং নামকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। Bentham & Hooker-এর প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতিও মূলত এসব আকৃতিগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করেই গঠিত হয়েছিল।
বেথাম ও হুকারের প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি উদ্ভিদগুলোর প্রাকৃতিক সাদৃশ্য (natural affinities) বা গঠনগত মিলের উপর ভিত্তি করে তৈরি। তারা ফুল, ফল, বীজ, পাতার বিন্যাস, কান্ডের গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে উদ্ভিদদের শ্রেণিতে ভাগ করেছেন।
এই পদ্ধতিতে যেসব উদ্ভিদের মধ্যে প্রকৃত গঠনগত ও কার্যগত মিল আছে, তাদের একত্রে একটি শ্রেণিতে রাখা হয়। তাই এটি বাস্তবধর্মী ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি, যা পরবর্তীতে আরও আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি তৈরি করে।
- Carl Linnaeus 1753 সালে Species Plantarum বইতে binomial nomenclature প্রবর্তন করেন। যেমন: Oryza sativa L. → Genus + species + author citation।
- Engler, Bentham, Hooker ছিলেন classification system প্রবর্তক।
কার্ল লিনিয়াস ১৭৫৩ সালে তাঁর লেখা Species Plantarum গ্রন্থে প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature) প্রবর্তন করেন। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবের একটি বৈজ্ঞানিক নাম হয় দুটি অংশে:
1. Generic name (গণের নাম)
2. Specific epithet (প্রজাতি নাম)
যেমন: Homo sapiens (মানব প্রজাতি)।
এখানে "Homo" হলো গণের নাম, আর "sapiens" হলো প্রজাতির নাম।
DACB = Dhaka University Herbarium (internationally recognized code)।
BNH = Bangladesh National Herbarium।
- সাইটোট্যাক্সোনমি (Cytotaxonomy) হলো শ্রেণিবিন্যাসের একটি শাখা, যেখানে জীবের ক্রোমোজোমের সংখ্যা, গঠন, আচরণ ও অন্যান্য সাইটোলজিক্যাল বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। এই পদ্ধতিতে উদ্ভিদ ও প্রাণীর মধ্যে জেনেটিক সম্পর্ক নির্ধারণে সহায়তা করা হয়।
-Cytotaxonomy = taxonomy where cytological features (chromosome number, size, karyotype, meiosis) are used to distinguish taxa.
- Chemotaxonomy = chemical basis,
- Ecotype = environmental adaptation,
- Biosystematics = multiple disciplines
- হাচিনসনের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি একটি প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস ব্যবস্থা, যা উদ্ভিদের বিবর্তনীয় (evolutionary) সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে গঠিত। এটি উদ্ভিদসমূহকে তাদের বিকাশ ও বিবর্তন অনুসারে শ্রেণীবদ্ধ করে।
- Hutchinson (1926, 1959) → phylogenetic system দেন। তিনি Dicotyledons-কে woody & herbaceous groups-এ ভাগ করেন।
- আলকালয়েড (Alkaloid) হলো উদ্ভিদের রাসায়নিক যৌগ, যা প্রজাতির বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ে সাহায্য করে। কেমোট্যাক্সোনোমি (Chemotaxonomy) পদ্ধতিতে উদ্ভিদের রাসায়নিক উপাদানের ভিত্তিতে শ্রেণীবিন্যাস করা হয়, তাই আলকালয়েডের উপস্থিতি এই পদ্ধতিতে ব্যবহার হয়।
- Chemotaxonomy (কেমোট্যাক্সোনোমি) হলো উদ্ভিদ বা প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাসের একটি পদ্ধতি, যেখানে রাসায়নিক যৌগ বা উপাদানের উপস্থিতি ও প্রকৃতি ব্যবহার করে তাদের গোষ্ঠীবদ্ধ করা হয়।
- উদ্ভিদের রাসায়নিক উপাদানের পার্থক্য দেখে তাদের প্রজাতি বা গোত্র নির্ধারণ করাই কেমোট্যাক্সোনোমি। উদাহরণস্বরূপ, আলকালয়েড, টেরপেন, ফ্ল্যাভোনয়েড ইত্যাদি যৌগের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি এই শ্রেণিবিন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- Chemotaxonomy classification-এর ক্ষেত্রে secondary metabolites (alkaloids, flavonoids, essential oils) ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ: Solanaceae পরিবারে alkaloid (nicotine, atropine)।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় হারবারিয়াম হলো কিউ হারবারিয়াম (Kew Herbarium), যা যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত। এটি রায়েল বোটানিক গার্ডেন্স, কিউ এর অংশ। এখানে লাখ লাখ উদ্ভিদের সংগ্রহ সংরক্ষিত থাকে যা গবেষণা ও শিক্ষা কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি উদ্ভিদবিজ্ঞানে একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
- Royal Botanic Gardens, Kew (London) → বিশ্বের বৃহত্তম herbarium।
- লিনিয়াসের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি মূলত পুংকেশর ও স্ত্রীকেশরের সংখ্যা এবং তাদের বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। এই পদ্ধতিকে বলা হয় লিনিয়াসের যৌন পদ্ধতি (Sexual System) যা ১৭৩৫ সালে প্রবর্তিত হয়। এটি একটি কৃত্রিম (Artificial) শ্রেণিবিন্যাস ব্যবস্থা ছিল, কারণ এটি শুধু ফুলের একটি নির্দিষ্ট অংশের বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করত, পুরো উদ্ভিদের প্রকৃত সম্পর্ক বোঝার পরিবর্তে।
- Linnaeus’s Sexual System (1735) → classification based on number, arrangement of stamens (androecium)। এটি artificial system ছিল।
- ইকোটাইপ হল এমন একটি একই প্রজাতির উদ্ভিদ বা প্রাণী যা বিভিন্ন পরিবেশে অভিযোজিত হয়ে বিশেষ ধরনের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। অর্থাৎ, তারা বিভিন্ন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে এবং তাই ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে আলাদা আলাদা রূপ ধারণ করে। ইকোটাইপকে ‘ইকোলজিক্যাল রেস’ ও বলা হয়। অন্যদিকে, মরফোটাইপ কেবলমাত্র আকার বা বাহ্যিক গঠনের ভিন্নতা বোঝায়, বায়োটাইপ হলো জেনোটাইপ ভিত্তিক গ্রুপ, আর ক্লোন হলো শাঁখা কপির মত বেঁচে থাকার উপায়
- Ecotype = same species, but genetically adapted to specific environment (ecological race)
- Morphotype = শুধু আকারগত ভিন্নতা
- Biotype = genotype group
- Clone = vegetative reproduction group
- Allium প্রজাতির (যেমন পেঁয়াজ, রসুন) শ্রেণিবিন্যাসে ক্যারিওটাইপ অধ্যয়ন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমে ক্রোমোসোমের সংখ্যা, আকৃতি ও বিন্যাস জানা যায় যা প্রজাতির বৈশিষ্ট্য ও পার্থক্য নির্ধারণে সাহায্য করে। Gemma, Sporocarp ও Indusium অন্যান্য উদ্ভিদগোষ্ঠীর বিশেষ অংশ, তাই Allium শ্রেণিবিন্যাসে ব্যবহৃত হয় না।
- Allium (onion, garlic) classification-এ chromosome number & karyotype study গুরুত্বপূর্ণ।
- Gemma = liverwort, Sporocarp = Marsilea, Indusium = fern sorus।
- Carl Linnaeus 'Herbarium' শব্দটি ১৭৫১ সালে তার বই 'Philosophia Botanica'- তে প্রথম ব্যবহার করেন। এই গ্রন্থে তিনি উদ্ভিদ সংগ্রহ, শ্রেণিবিন্যাস ও সংরক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন এবং সেখানেই herbarium শব্দটি আধুনিক অর্থে প্রবর্তিত হয়।
- 'Herbarium' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কার্ল লিনিয়াস (Carl Linnaeus)। তিনি প্রথম উদ্ভিদের নমুনা সংগ্রহ ও সংরক্ষণের এই পদ্ধতির জন্য এই শব্দটি ব্যবহার করেন। বর্তমানে herbarium হলো এমন একটি স্থান যেখানে শুকনো ও সংরক্ষিত উদ্ভিদ নমুনাগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে লেবেলসহ সাজিয়ে রাখা হয়।
- Engler & Prantl (Die Natürlichen Pflanzenfamilien, 1887) প্রথম phylogenetic ভিত্তিক system প্রস্তাব করেন। তারা ধরে নিয়েছিলেন যে Amentiferae (catkin-bearing) পরিবার primitive।
- Engler ও Prantl 1887 সালে 'Die Natürlichen Pflanzenfamilien' গ্রন্থে উদ্ভিদ শ্রেণিবিন্যাসের একটি বিবর্তনমূলক (phylogenetic) পদ্ধতি প্রস্তাব করেন। তাদের মতে, catkin-bearing (Amentiferae) পরিবারগুলো ছিল আদিম (primitive)। এটি ছিল প্রথম দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ phylogenetic classification system।
হারবারিয়ামের প্রতিটি নমুনার সঙ্গে একটি লেবেল যুক্ত থাকে যাতে থাকে:
- উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম,
- পরিবারের নাম,
- সংগ্রহস্থলের স্থান (locality),
- সংগ্রহকারীর নাম (collector),
- সংগ্রহের তারিখ (date)
এই তথ্যগুলো গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ও বাধ্যতামূলক।
- Phylogenetic system উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাসে তাদের বিবর্তনমূলক উৎস ও বংশগত সম্পর্ক (evolutionary origin & lineage) অনুসারে সাজানো হয়। এটি আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি, যেখানে জিনগত, শারীরিক ও বিবর্তনীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে গাছপালা সাজানো হয়।
- Artificial ও Natural পদ্ধতিগুলো শুধু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস করে।
- Herbarium হলো একটি বৈজ্ঞানিক সংগ্রহশালা, যেখানে শুকনো ও সঠিকভাবে সংরক্ষিত উদ্ভিদ নমুনা রাখা হয়।
- বিশ্বের হারবারিয়ামগুলো মূলত উদ্ভিদ সংগ্রহ, শ্রেণিবিন্যাস, শনাক্তকরণ, সংরক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য তথ্য ডেটাবেস তৈরি করে। এগুলো উদ্ভিদবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- Herbarium কাজ → উদ্ভিদ সংগ্রহ, শ্রেণিবিন্যাস, তথ্য সংরক্ষণ, ডেটাবেস তৈরি।
Bentham ও Hooker 1862–1883 সালের মধ্যে Genera Plantarum নামক গ্রন্থে একটি প্রাকৃতিক (Natural) শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি প্রস্তাব করেন। তারা শ্রেণিবিন্যাসে উদ্ভিদের ফুল, পুংকেশর, গর্ভাশয়, বীজপাতা, ফল ইত্যাদি গাঠনিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করেন। এটি তাদের সময়ে সবচেয়ে ব্যবহারিক ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি ছিল।
Solanaceae পরিবারের উদ্ভিদে যেমন Nicotiana, Atropa, Solanum প্রজাতিতে alkaloid (যেমন: nicotine, atropine, solanine) পাওয়া যায়। এই অ্যালকালয়েডগুলো এই পরিবারের রাসায়নিক সূচক (chemical marker) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে:
- Oils সাধারণত Apiaceae (মরিচা জাতীয়) পরিবারে বেশি থাকে।
- Flavonoids প্রধানত Leguminosae পরিবারে দেখা যায়।
- Tannin বেশি থাকে Myrtaceae ও Fagaceae পরিবারে।
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবারিয়াম (Bangladesh National Herbarium) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে।
- বাংলাদেশে উদ্ভিদবিজ্ঞান গবেষণা ও উদ্ভিদের সঠিক সংরক্ষণের জন্য মিরপুর, ঢাকায় এটি স্থাপন করা হয়। এটি দেশের উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও তথ্যভান্ডার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এটি উদ্ভিদসংক্রান্ত গবেষণা, সংরক্ষণ ও শ্রেণিবিন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস প্রধানত অনেকগুলো সম্পর্কিত চরিত্রের উপর নির্ভর করে। এতে উদ্ভিদের আকৃতি, গঠন, অঙ্গবিন্যাস এবং কাজকর্ম ইত্যাদি বিবেচনা করা হয়। এটি বহুমুখী বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় করে শ্রেণিবিন্যাস করে।
- অপরদিকে, কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস সাধারণত একটি বা দুটি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, এবং বিবর্তনমূলক (phylogenetic) শ্রেণিবিন্যাস বিবর্তনীয় সম্পর্ক অনুসারে হয়।
- Natural system considers morphology, anatomy, physiology → বহুমুখী চরিত্রের উপর নির্ভরশীল।
- Artificial system = এক বা দুটি চরিত্র।
- Phylogenetic system = evolutionary relationship।
U’s Triangle হলো ব্রাসিকা জাতীয় তিনটি ডিপ্লয়েড প্রজাতির (B. rapa, B. nigra, B. oleracea) মিলনে তিনটি আলোটেট্রাপ্লয়েড প্রজাতি গঠনের একটি মডেল। এটি বায়োসিস্টেমেটিক্সের উদাহরণ, কারণ এতে জিনেটিক্স, সাইটোলোজি এবং ট্যাক্সোনমি একত্রে ব্যবহার করা হয়। Nagaharu (1935) এই মডেলটি প্রস্তাব করেন।
- এঙ্গলার মতে, Amentiferae (যারা ক্যাটকিন বহন করে) পরিবারকে সবচেয়ে প্রাচীন বা প্রিমিটিভ মনে করা হয়েছিল। কিন্তু আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে, Magnoliaceae পরিবারকে অধিকতর প্রাচীন ধরা হয়।
- Engler মনে করতেন Amentiferae (catkin-bearing) primitive কিন্তু আধুনিক ধারণা → Magnoliaceae primitive।
টাইপ স্পেসিমেন হলো এমন একটি উদ্ভিদ নমুনা, যা কোন নতুন প্রজাতি বৈজ্ঞানিকভাবে বর্ণনা করার সময় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ওই প্রজাতির পরিচয়ের ভিত্তি।
Capsaicin হলো এক ধরনের অ্যালকালয়েড যা ঝাল মরিচে (Capsicum spp.) পাওয়া যায়। এটি মরিচের ঝাল বা দহন অনুভূতির জন্য দায়ী।
Solanum (আলু, বেগুন) বা Allium (রসুন, পেঁয়াজ), Mangifera (আম) প্রজাতিতে Capsaicin থাকে না।
থিওফ্রাস্টাস (Theophrastus) ছিলেন গ্রীক দার্শনিক ও বিজ্ঞানী। তিনি 'Historia Plantarum' গ্রন্থে প্রায় ৫০০টির বেশি উদ্ভিদ বর্ণনা করেন। এজন্য তাঁকে 'Father of Botany' বলা হয়।
ICN (International Code of Nomenclature for algae, fungi, and plants) মূলত শৈবাল, ছত্রাক ও উদ্ভিদের (ফুলগাছসহ) বৈজ্ঞানিক নামকরণে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ভাইরাসের জন্য আলাদা নামকরণ বিধি আছে, যাকে বলে ICTV – International Committee on Taxonomy of Viruses। তাই ভাইরাসের জন্য ICN প্রযোজ্য নয়।
- Ecotype হলো একটি প্রজাতির ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে অভিযোজিত জেনেটিকালি স্বতন্ত্র গোষ্ঠী। কৃষিতে বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক জলবায়ু ও মাটির উপযোগী জাত উন্নয়নে Ecotype ধারণা ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একই ধানের জাত হলেও পাহাড়ি, বন্যাপ্রবণ বা লবণাক্ত অঞ্চলের জন্য আলাদা ecotype প্রয়োজন হয়।
- Ecotype হলো একই প্রজাতির ভিন্ন পরিবেশে অভিযোজিত উপ-জনসংখ্যা (sub-population)। কৃষিবিজ্ঞানে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ নির্দিষ্ট পরিবেশে কোন ফসল কতটা মানানসই হবে তা বুঝতে ecotype ধারণা ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ধান, গম বা ভুট্টার বিভিন্ন ecotype ভিন্ন মাটি, আবহাওয়া ও জলবায়ুর সাথে অভিযোজিত।
- ভূগোল, ভাষাতত্ত্ব বা পদার্থবিজ্ঞানে এ ধারণা ব্যবহৃত হয় না।
নিউ ইয়র্ক বোটানিক্যাল গার্ডেন বিশেষভাবে উষ্ণমন্ডলীয় (tropical) অঞ্চলের উদ্ভিদ গবেষণার জন্য পরিচিত। এটি ট্রপিক্যাল উদ্ভিদতত্ত্বে একটি বিশ্বমানের কেন্দ্র।
Quinine হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যালকালয়েড যা Cinchona গাছের ছাল থেকে পাওয়া যায়। এটি বহু শতাব্দী ধরে ম্যালেরিয়া চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। Digitalis থেকে Cardiac glycoside (হৃদরোগে ব্যবহৃত), Azadirachta (Neem) থেকে Azadirachtin (কীটনাশক), এবং Rauwolfia থেকে Reserpine (রক্তচাপ কমানোর ওষুধ) পাওয়া যায়।
থিওফ্রাস্টাস (Theophrastus), যিনি 'Father of Botany' নামে পরিচিত, খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকে উদ্ভিদ শ্রেণিবিন্যাসে বাহ্যিক আকৃতি ও গঠন (habit) অনুসারে তিনি উদ্ভিদকে চার ভাগে ভাগ করেন। যেমন- Tree (গাছ), Shrub (ঝোপ), Herb (লতা), Grass (ঘাস)। এই পদ্ধতিকে morphological classification ধরা হয়।
তিনি উদ্ভিদকে গাছ, ঝোপ, লতা ও ঘাস হিসেবে বাহ্যিক আকারের ভিত্তিতে শ্রেণিবদ্ধ করেন। এটা ছিল উদ্ভিদ শ্রেণিবিন্যাসের প্রাচীনতম প্রাকৃতিক প্রচেষ্টা।
Ecotype হলো কোনো প্রজাতির এমন উপগোষ্ঠী, যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদে অভিযোজন (adaptation) করে গড়ে ওঠে। মূলত পরিবেশগত চাপ (যেমন জলবায়ু, মাটি, উচ্চতা, লবণাক্ততা ইত্যাদি) এদের আলাদা বৈশিষ্ট্য গঠনে ভূমিকা রাখে। যদিও মিউটেশন ও জেনেটিক ভ্যারিয়েশন ভিত্তি সরবরাহ করে, তবুও নির্দিষ্ট পরিবেশের ধারাবাহিক চাপই Ecotype তৈরি করে।
উদ্ভিদ নমুনা হারবারিয়ামে সংরক্ষণের আগে প্রথমে চেপে শুকিয়ে নেওয়া হয়। এতে নমুনাটি পচে যায় না এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।
Bentham & Hooker-এর Genera Plantarum গ্রন্থটি মোট ৩ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল, যা ১৮৬২ থেকে ১৮৮৩ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। এটি আধুনিক বোটানির শ্রেণিবিন্যাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত Royal Botanic Gardens, Kew প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭৫৯ সালে। পরবর্তীতে ১৮৫৩ সালে এখানে একটি আধুনিক Herbarium গড়ে তোলা হয়, যা বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হেরবারিয়ামগুলোর একটি।
Bentham & Hooker-এর শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি মূলত Angiosperm উদ্ভিদদের ওপর ভিত্তি করে গঠিত ছিল। তারা Gymnosperm (বীজবিহীন উদ্ভিদ) গোষ্ঠীকে আলাদা করে বিবেচনা করেননি। তবে Monocot এবং Dicot গুলো তাদের শ্রেণিবিন্যাসে প্রধান ভাগ হিসেবে ছিল।
Artificial classification system সাধারণত এক বা দুইটি সহজে চেনার উপাদানের (যেমন—পুংকেশরের সংখ্যা) উপর ভিত্তি করে গঠিত হয়। এটি ব্যবহার সহজ হলেও উদ্ভিদের প্রকৃত আত্মীয়তা বা বিবর্তনীয় সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারে না। উদাহরণ: লিনিয়াসের sexual system.
Rauwolfia serpentina (বাংলায় সাপকুঁচি) গাছে প্রধানত Reserpine নামক আলকালয়েড পাওয়া যায়, যা উচ্চ রক্তচাপ ও মানসিক রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
অন্য আলকালয়েডগুলো:
- Morphine → Papaver somniferum (আফিম গাছ)
- Quinine → Cinchona গাছ
- Caffeine → Coffea বা Camellia sinensis
কমারভ বোটানিক্যাল ইনস্টিটিউট রাশিয়ায় অবস্থিত। এটি পূর্ব ইউরোপ ও এশিয়ার উদ্ভিদবৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত।
Takhtajan উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাসে বিবর্তনমূলক (phylogenetic) পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন। তার পদ্ধতিতে উদ্ভিদের বংশগত সম্পর্ক (evolutionary relationships) ও আদানপ্রদানকে গুরুত্ব দেয়া হয়। এটি আধুনিক ট্যাক্সোনমির মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
Bentham & Hooker তাঁদের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতিটি Genera Plantarum (1862–1883) গ্রন্থে প্রকাশ করেন। এ পদ্ধতিতে তাঁরা ফুলওয়ালা উদ্ভিদ (Phanerogams) কে ৩টি শ্রেণি, 24 টি শ্রেণীবিভাগ (orders) ও 202 টি পরিবারে ভাগ করেন। এটি একটি Natural system of classification এবং Herbarium ভিত্তিক বাস্তব গবেষণার ফল।
Cytotaxonomy হলো এক ধরনের ট্যাক্সোনমিক পদ্ধতি যেখানে উদ্ভিদের chromosome number, structure, behavior ইত্যাদি বিশ্লেষণ করা হয়। ক্রোমোসোম বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির মধ্যে genetic affinity ও evolutionary relationship বোঝা যায়। তাই Cytotaxonomy মূলত বিবর্তনীয় সম্পর্ক নির্ণয়ে সহায়ক।
হারবারিয়ামে সংরক্ষিত শুকনো উদ্ভিদ নমুনা যেন পোকামাকড় দ্বারা নষ্ট না হয়, সে জন্য ন্যাফথালিন বল ব্যবহার করা হয়। এটি একটি কার্যকর কীটনাশক।
- গ্যামেট (যেমন- স্পার্ম বা ডিম) সবসময় haploid (n) হয়, অর্থাৎ দেহকোষের অর্ধেক ক্রোমোসোম থাকে। যেহেতু 2n = 14, তাই n = 7 হবে। অর্থাৎ গ্যামেটে ক্রোমোসোম সংখ্যা = 7।
- গ্যামেট সর্বদা haploid (n) হয়। কোনো উদ্ভিদে 2n = 14 হলে তার somatic কোষে 14 ক্রোমোসোম থাকে। সেক্ষেত্রে n = 14 ÷ 2 = 7। তাই গ্যামেটে থাকবে ৭টি ক্রোমোসোম।
- ICN (International Code of Nomenclature for algae, fungi, and plants) প্রতি নির্দিষ্ট সময় পরপর Botanical Congress-এ আপডেট করা হয়। সর্বশেষ ২০১৭ সালে চীনের Shenzhen শহরে অনুষ্ঠিত International Botanical Congress-এ ICN-এর নতুন সংস্করণ গৃহীত হয়। এজন্য এই সংস্করণকে Shenzhen Code (2018, published in 2018) নামে ডাকা হয়।
- Shenzhen Code হলো টোকিও (2011)-এর পরবর্তী সংস্করণ। এতে nomenclature stability ও DNA sequence ভিত্তিক টাইপ ডেফিনিশনসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নতুন নিয়ম যুক্ত হয়।
ICN (International Code of Nomenclature)-এর অন্যতম মূল নীতি হলো Priority Principle। এর দ্বারা বোঝানো হয় যে, কোনো উদ্ভিদ, শৈবাল বা ছত্রাকের জন্য যে নামটি সবার আগে বৈধভাবে প্রকাশিত হয়েছে, সেই নামটিই বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে। পরে যদি একই জীবের জন্য অন্য কোনো নাম প্রস্তাব করা হয়, তবে তা synonym ধরা হয়, কিন্তু ব্যবহারযোগ্য নাম কেবল প্রথম বৈধ নামটিই।
উদাহরণ: যদি একটি প্রজাতি ১৮০০ সালে বৈধভাবে নামকরণ করা হয় এবং ১৮২০ সালে নতুন নাম দেওয়া হয়, তবে ১৮০০ সালের নামটিই গ্রহণযোগ্য হবে।
- হারবারিয়ামে শুষ্ক নমুনা সংরক্ষণ করা হয়, কিন্তু জীবন্ত প্রজাতির জিনগত বৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে বীজ ব্যাংক অপরিহার্য। এটি ভবিষ্যতে পুনঃপ্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে কাজ করে।
- হারবারিয়ামে শুধুমাত্র শুকনো উদ্ভিদ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়, কিন্তু জীবন্ত উদ্ভিদের জিনগত বৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য বীজ ব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে প্রজাতি পুনরুজ্জীবনের জন্য এটি অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।