ব্যাখ্যা
⇒কুরাইশ বংশের দুটি গোত্র ছিল।১)হাশেমী ২) উমাইয়া।
- উমাইয়া গোত্র আবার দুটি শাখায় বিভক্ত ছিল।
-আবু সুফিয়ানের উত্তরসূরীরা সুফিয়ানী।
- আর মারওয়ানের উত্তরসূরীরা মারওয়ানী।
৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন
⇒কুরাইশ বংশের দুটি গোত্র ছিল।১)হাশেমী ২) উমাইয়া।
- উমাইয়া গোত্র আবার দুটি শাখায় বিভক্ত ছিল।
-আবু সুফিয়ানের উত্তরসূরীরা সুফিয়ানী।
- আর মারওয়ানের উত্তরসূরীরা মারওয়ানী।
-৬৫৭ সালে সংঘটিত সিফফিনের যুদ্ধ বন্ধে ৬৫৯ সালে দুমাতুল জান্দালে সালিশি বৈঠক বসে।
- এ বৈঠকে আমর বিন আসের চাতুরীর জন্য আলী (রা.)কে খলিফা থেকে অপসারণ করে মুয়াবিয়াকে খলিফা হিসেবে ঘোষনা করা হয়।
- এ ঘোষনা না মেনে আলী (রা.) এর ১২,০০০ অনুচর আলাদা হয়ে যায়। যারা খারেজী নামে পরিচিত।
-তাদের মুল স্লোগান ছিল ' লা হুকমা ইল্লাল্লাহু '।
-৬৮০ সালের ১০ অক্টোবর (১০ মহররম ৬১ হিজরী)তে ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে ইয়াজিদ ও হুসাইনের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
-এ অসম যুদ্ধে নির্মমভাবে হুসাইন সপরিবারে শাহাদাত বরণ করেন।
-একটি গোষ্ঠি ইমাম হুসাইনকে নেতা মনেকরে অন্য কারো নেতৃত্ব অস্বীকার করে।
-এই গোড়াপন্থি ধর্মীয় গোষ্ঠিটিই ইতিহাসে শিয়া নামে পরিচিত।
-নেতৃত্বের গুনাবলী থাকায় হযরত ওমর (রা.) ৬৩৮ সালে মুয়াবিয়াকে সিরিয়ার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।
- ওসমান (রা.) এর সময়ও তিনি এ পদেই বহাল ছিলেন।
- আলী (রা.) দায়িত্ব গ্রহনের পর তাকে এ পদ থেকে অব্যহতি দিলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে উভয়ের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
-৬৬১ সালে আলী( রা.)শাহাদাত বরণ করলে আমর বিন আস তাকে খলিফা হিসেবে ঘোষনা করেন।
-রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলকে বলা হয় বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য।
-বাইজান্টাইদের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
-যার বর্তমান নাম ইস্তাম্বুল।
-মুয়াবিয়ার সময় ৬৬৯ সালে মুসলমানরা ইয়াজিদের নেতৃত্বে সর্ব প্রথম কনস্টান্টিনোপল অবরোধ করেন।
-যা অটোমান সুলতান ২য় মুহাম্মদ ১৪৫৩ সালে বিজয় করেন।
P.K Hitti said about Mu'awiyah ,"He was not only the first but also one of the best of Arab kings.”
⇒ ৬৬১ সালে হাসান (রা.) এর সাথে মুয়াবিয়ার বেচে থাকা অব্দি খলিফা হওয়ার চুক্তি হয়।
- এর পর হুসাইন (রা.) খলিফা হওয়ার কথা ছিল।
- কিন্তু সন্ধির শর্ত ভঙ্গ করে মুয়াবিয়া তার পুত্র ইয়াজিদকে ৬৭৯ সালে উত্তরসূরী মনোনয়ন করেন।
- এর পরই ইসলামে রাজতান্ত্রিক শাসনের সূত্রপাত ঘটে।
⇒উপদেষ্টা আল-মুগীরার পরামর্শে মুয়াবিয়া তার পুত্র ইয়াজিদকে ৬৭৯ সালে পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করেন।
- ফলে খুলাফায়ে রাশিদীনের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ইতি ঘটে।
- তিনি ইসলামের ইতিহাসে রাজতন্ত্রের সূত্রপাত ঘটান।
-পরবর্তী উমাইয়া খলীফা ও আব্বাসীয় খলীফাগণও এটি অনুসরণ করেন।
-প্রথম রাজতন্ত্র চালু করেন জন্য মুয়াবিয়া (রা.) কে ‘প্রথম আরব নৃপতি’বলা হয়।
⇒ আমর বিন আস ইসলামের অন্যতম বিজেতা ছিলেন।
- তিনি ওমর রা.) এর সময় ৬৪২ সালে মিশর বিজয় করেন।
- মিশরে তিনি 'ফুসতাত' শহর প্রতিষ্ঠা করেন।
- আলী (রা.) ও মুয়াবিয়া (রা.) এর মধ্যে ৬৫৭ খ্রি. সিফফিনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ৬৫৯ সালে কূটনৈতিক জ্ঞানসম্পন আমর বিন আস দুমার সালিশের মাধ্যমে কুটকৌশলে মুয়াবিয়াকে খলিফা ঘোষনা করেন।
- এ জন্য বিখ্যাত সুফি সাধক হাসান বসরি (র.) আমর বিন আসকে 'ইসলামের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী' বলে অভিহিত করেছেন।
⇒মুয়াবিয়া ৬৬১ সালের সন্ধির শর্ত ভঙ্গ করায় ইমাম হুসাইন (রা.) দামেস্ক অভিমুখে রোনা দেন।
- ইয়াজিদের পক্ষে উবায়দুল্লা ৪০০০ সৈন্য নিয়ে পথে বাধা দেয়।
- ইমাম হুসাইন (রা.) (১০ সেপ্টেম্বর, ৬৮০) ২০০/৭২ জনের কাফেলাটিকে নিয়ে কুফা হতে ২৫ মাইল উত্তরে ফোরাত নদীর তীরবর্তী কারবালার প্রান্তরে (ইরাকে) এসে উপস্থিত হন।
-৬৮০ খ্রি. ১০ অক্টোবরে(১০ মহরম ৬১ হিজরি) দুই অসম-দলের মাঝে যুদ্ধ শুরু হয়।
- ইমাম হাসান (রা.) এর পুত্র কাসিম,হুসাইন (রা.) এর শিশুপুত্র আসগরসহ পরিবারের সকল পুরুষকে হত্যা করে।
-ঘাতক শীমার ইমাম হুসাইনের মস্তক ছিন্ন করে। কারবালায় তাকে দাফন করা হয়।
⇒ মক্কা ও মদিনায় আ. বিন জুবায়েরের প্রাধান্য থাকায় (সা.) আ. মালিক মক্কার প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে একটি অবকাঠামো নির্মান করতে শুরু করেন।
- এ জন্যই যে পাথর উপর দাড়িয়ে মহানবী (স.) পবিত্র মিরাজে গমন করেন তাকে কেন্দ্র করে তিনি ৬৯১ খ্রি. আট কোনাবিশিষ্ট “কুব্বাতুস সাখরা” Dome of the Rock নির্মাণ করেন।
-এরই পাশে তিনি ‘মসজিদ-উল- আকসা’ নামে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন।
- এখানে সকলকে হজ্জ করতে উৎসাহিত করেন। কিন্তু তার উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়।
⇒৬৯৩ সালে সরকারী ক্ষেত্রে আরবী ভাষা প্রচলন করেন।
-তিনি ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সহযোগিতায় আরবি বণর্মালায় বা লিপিতে হরকত ও নুকতা সংযোজন করেন।
-তিনি দামেস্কে ৬৯৫ সালে রাষ্ট্রীয় কেন্দ্রীয় টাকশাল প্রতিষ্ঠা করে আরবী অক্ষর যুক্ত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা), দিরহাম (রৌপ্য মুদ্রা), ও ফালস (তাম্রমুদ্রা) প্রচলন করেন।
-তিনি হাজ্জাজ বিন ইউসুফের পরামর্শে মাওয়ালীদের (অনারব নও মুসলিম) উপর জিজিয়া ও খারাজ ধার্য করেন।
⇒ স্পেন ইউরোপের পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমৃদ্ধ দেশ।
-যা একটি উপদ্বিপ।
-এর পূর্বনাম ছিল আইবেরিয়া উপদ্বিপ।
-আরবদের কাছে স্পেন আন্দালুসিয়া নামে পরিচিত ছিল।
-তারিক বিন যিয়াদ ৭১২ খি: গোয়াদালকুইভার নামক নদীর তীরে মেডিনা-সিডোনিয়ায়তারিক রডারিকের বাহিনীকে সাথে যুদ্ধে পরাজিত করে স্পেন বিজয় করেন।
- ১৪৯২ সাল পর্যন্ত স্পেনে মুসলমানদের শাসন চালু ছিল।
⇒৬৬১ সালে মুয়াবিয়া ক্ষমতা দখল করেন।
- এর পর উত্তর আফ্রিকা, ভূ-মধ্যসাগর সহ অনেক অঞ্চল বিজয় করেন।
- তিনিই প্রথম কনস্টান্টিনোপোল অবরোধ করেন।
- এ সবের জন্যই তাকে আরবদের জুলিয়াস সিজার বলা হয়।
⇒আল-ওয়ালিদ হাজ্জাজ বিন ইউসুফকে পূর্বাঞ্চলের এবং মুসা ইবনে নুসাইরকে পশ্চিমাঞ্চলের শাসক হিসেবে নিযুক্ত করেন।
-তার ধমর্প্রাণ চাচাতো ভাই ওমর বিন আব্দুল আযীজকে হেজাযের গভর্ণর হিসেবে নিয়োগ করেন।
-তার সময় বিখ্যাত চার সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম, তারিক বিন জিয়াদ, মুসা ইবনে নুসাইর ও কুতায়বা বিন মুসলিম।
- যারা তার সাম্রাজ্য বিস্তারে অবদান রাখেন।
⇒ আ. মালিকের শাসনামলে পূর্বাঞ্চলের গভর্নর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ সামান্য কারনে হাজার হাজার মানুষকে বন্দি করেন।
-সুলাইমান এ সকল বন্দিকে মুক্তি দেয়ার জন্য তাকে আশির্বাদের চাবি’ বলা হয়।
⇒৬৯৩ সালে সরকারী ক্ষেত্রে আরবী ভাষা প্রচলন করেন।
-তিনি ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সহযোগিতায় আরবি বণর্মালায় বা লিপিতে হরকত ও নুকতা সংযোজন করেন।
-তিনি দামেস্কে ৬৯৫ সালে রাষ্ট্রীয় কেন্দ্রীয় টাকশাল প্রতিষ্ঠা করে আরবী অক্ষর যুক্ত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা), দিরহাম (রৌপ্য মুদ্রা), ও ফালস (তাম্রমুদ্রা) প্রচলন করেন।
-এ জন্যই তিনি আরব জাতীয়তাবাদের জনক।
⇒ যে মসজিদে ৭ টি বৈশিষ্ট বিদ্যমান থাকবে তাকেই আদর্শ নকশার মসজিদ বলা হয়।
-৭ টি বৈশিষ্ট হচ্ছে- ১) জুল্লাহ( নামাজঘর),২) সাহান( আঙ্গিনা)৩) রিওয়াক( বারান্দা),৪) মিম্বার,৫) মিহরাব, ৬) মিনার ৭) ওজু খানা।
- পূর্বে গীর্জার স্থানে আল ওয়ালিদ সর্ব প্রথম দামেস্ক জামে মসজিদে ৭ টি বৈশিষ্ট সন্নিবেশ ঘটিয়ে আদর্শ নকশার মসজিদ স্থাপন করেন।
⇒ওমর বিন আব্দুল আযীয খোলাফায়ে রাশিদীনের নীতি অনুসরণ করে সরল ও অনাড়ম্বর জীবন যাপন করতেন।
-তিনি বায়তুল মালকে জনগণের সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
-হাশেমীয় বংশের প্রতি উদার হয়ে শুক্রবারের খুৎবায় হযরত আলীর নামে পঠিত লানত ও অভিসম্পাত বন্ধ করে দেন।
-শাসন ক্ষেত্রে তিনি মজলিস-আল-শুরা অনুসরণ করতেন
-অমুসলিমদেরকে ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য তিনি মাওয়ালীদের (অনারব মুসলিম) উপর হতে জিযিয়া ও খারাজ মওকুফ করেন।
-এজন্যই তিনি পঞ্চম ধর্ম প্রাণ খলিফা ও ‘উমাইয়া সাধু (Pious Caliph of the Umayyah) বা ২য় ওমর নামে পরিচিত।
⇒মুয়াবিয়া (রা.) সর্ব প্রথম ডাক বিভাগ চালু করেন।
-১২ মাইল অন্তর একটি ডাকঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
-এ বিভাগকে বলা হত ‘দিওয়ান আল-বারিদ।
-এর প্রধানকে বলা হত সাহিব-আল-বারিদ।
⇒স্পেনে ৬ বছর বিশৃংখল অবস্থার জন্য হিশাম ৭৩১ খ্রিস্টাব্দে আব্দুর রহমান আল-গাফিকীকে স্পেনে পাঠান।
-স্পেনের শাসক ইউডিজ ফ্রানকিস রাজা চালর্স মারটেলের সহায়তায় আব্দুর রহমানকে বাঁধা দেন।
-৭৩২ খ্রি. টুরসের যুদ্ধে আব্দুর রহমান নিহত হয়।
-এ যুদ্ধকে বালাত-উশ-শুহাদা বা শহিদের মঞ্চ বলা হয়।
⇒ তার পিতা মারওয়ানের মনোনয়নে ৬৮৫ খ্রিস্টাব্দে আব্দুল মালিক দামেস্কের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
-সিংহাসনে আরোহণ করে তিনি বিভিন্ন বিদ্রোহ দমন করেন।
-৬৯২ সালে বাইজান্টাইন,৬৯৩ সালে এশিয়া মাইনর ও ৬৯৮ সালে উত্তর আফ্রিকা জয় করেন।
-সরকারী ক্ষেত্রে আরবী ভাষা প্রচলন করেন।
-আরবি বণর্মালায় বা লিপিতে হরকত ও নুকতা সংযোজন করেন।
-আরবী অক্ষর যুক্ত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা), দিরহাম (রৌপ্য মুদ্রা), ও ফালস (তাম্রমুদ্রা) প্রচলন করেন।
-এ জন্যই তাকে উমাইয়া খিলাফতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
⇒ তারিক বিন যিয়াদ ৭১২ খ্রি. গোয়াদালকুইভার নামক নদীর তীরে মেডিনা-সিডোনিয়ায়তারিক রডারিকের বাহিনীকে সাথে যুদ্ধে পরাজিত করে স্পেন বিজয় করেন।
-এর পর তিনি মালাগা,গ্রানাডা,কর্ডোভা ও রাজধানী টলেডো বিজয় করে।
-স্পেন বিজয় করে তিনি কর্ডোভাকে রাজধানী হিসেবে গোড়াপত্তন করেন।
- সে সময় কর্ডোভাকে ইউরোপের বাতিঘর বলা হতো।
⇒হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সহযোগিতায় আ. মালিক আরবি বণর্মালায় বা লিপিতে হরকত ও নুকতা সংযোজন করেন।
-তার পরামর্শে মাওয়ালীদের (অনারব নও মুসলিম) উপর জিজিয়া ও খারাজ ধার্য করেন।
-তার পৃষ্ঠপোষকতায় জামাতা ও ১৭ বয়স্ক ভ্রাতষ্পুত্র মুহাম্মদ বিন কাসিম ৭১২ রাজা দাহিরকে পরাজিত করে সিন্ধু বিজয় করেন।
- তিনি হাজার হাজার মানুষকে সামন্য কারণে বন্দি করেনল
- জামাতা ও ভ্রাতষ্পুত্র মুহাম্মদ বিন কাসিমকে হত্যা করেন।
- এত অবদানের পরও তার কঠোরতার জন্য তাকে ‘আরবদের নিরো’ বলা হয়।
⇒উমাইয়াদের ১৪ জন শাসকের শেষ শাসক ছিলেন ২য় মারওয়ান।
-৭৫০ সালে জাবের যুদ্ধে তিনি আব্বাসীদের কাছে পরাজিত হলে উমাইয়া শাসনের অবসান ঘটে।
-৭৫০ সালে আব্বাসীয় শাসনের সূত্রপাত ঘটে।
⇒দাহির কর্তৃক বিদ্রোহীদের আশ্রয়, উপঢৌকন বোঝাই ৮ টি জাহাজ সিন্ধুর দেবল বন্দরে জলদস্যু কর্তৃক লুন্ঠিত হলে
-৭১০ সালে উবায়দুল্লাহ ও বুদায়েলের নেতৃত্বে প্রেরিত অভিযান ২টি ব্যর্থ হয়।
-পরে হাজ্জাজ বিন ইউসুফের জামাতা ও ১৭ বয়স্ক ভ্রাতষ্পুত্র মুহাম্মদ বিন কাসিম কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করেন।
-প্রথমে ৭১১ সালে দেবলের শাসক রাজা দাহিরের ভ্রাতুষ্পুত্রকে পরাজিত করে দেবল অধিকার করেন।
-৭১২ খ্রিস্টাব্দে ‘রওয়ার’ নামক স্থানে রাজা দাহিরের সাথে মুহাম্মদ বিন কাসিম সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হন।
-এ যুদ্ধে রাজা দাহির শোচনীয় ভাবে পরাজিত হন।
⇒৬৬১ খ্রি. খলীফা হযরত আলী (রা.) এর শাহাদাতের পর তাঁর জ্যেষ্ঠ্যপুত্র ইমাম হাসান (রা.) এর সাথে সমঝোতার মাধ্যমে মুয়াবিয়া (রা.) নিজেকে খলীফা হিসেবে ঘোষণা করেন।
-তিনি তাঁর রাজধানী কুফা হতে দামেস্কে স্থানান্তরিত করেন।
-যা ৭৫০ খ্রি. পর্যন্ত তাদের রাজধানী ছিল।
- এই শহর বর্তমানে সিরিয়ার রাজধানী ।
⇒উমাইয়া আমলে কাবার বিকল্প হিসেবে মসজিদ নির্মিত হয় কুব্বাত আস সাখরা বা Dome of the Rock (Jerusalem-এর গম্বুজবিশিষ্ট সৌধ)।
-আব্দুল্লাহ বিন জুবায়েরের জন্য মক্কা ও মদিনার উপর কর্তৃত্ব না থাকায় কাবার বিকল্প হিসেবে ৬৯১ সালে আ.মালিক কুববাত আস সাখরা নির্মাণ করেন।
⇒ রডারিকের গথিক শাসন ও ৩টি শ্রেণীতে বিভক্ত সমাজব্যবস্থার জন্য স্পেনের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে।
- রাজা উইটজার পর তার জামাতা কাউন্ট জুলিয়ানের রাজা হওয়ার কথা থাকলেও রডারিক জোর করে ক্ষমতা দখল করে।
- কাউন্ট জুলিয়ানের আমন্ত্রনে মুসা সেনাপতি তারিক বিন যিয়াদকে ৭১১ খি: স্পেন অভিযানে প্রেরণ করেন।