উত্তর
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধন সঙ্গীত। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/গানের সংকলন।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
Unlisted · ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ · ১০০ প্রশ্ন
চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধন সঙ্গীত। চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/গানের সংকলন।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
চর্যাপদের শ্রেষ্ঠ কবি - কাহ্নপা। তার প্রকৃত নাম - কৃষ্ণাচার্য পাদ।
তার রচিত পদের সংখ্যা - ১৩টি; যা সর্বাধিক পদ।
কিন্তু তার রচিত প্রাপ্ত পদের সংখ্যা ১২টি।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ফসল - বৈষ্ণব পদাবলি। এর নায়ক নায়িকা - রাধা ও কৃষ্ণ।
উল্লেখযোগ্য বৈষ্ণব পদাবলি রচয়িতা - বিদ্যাপতি, চন্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
মধ্যযুগের সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য মুসলমান কবি আলাওল।
আরাকান রাজসভার তথা সপ্তদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল।
কবি আলাওলের সাহিত্যকর্ম হলো - পদ্মাবতী, সপ্ত পয়কর, সিকান্দারনামা, তোহফা, সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান ইত্যাদি।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার কবি ছিলেন। মানিকদত্ত, দ্বিজ মাধব, দ্বিজরাম দেব, মুক্তরাম সেনও এ ধারার কবি।
মনসা মঙ্গল কাব্য ধারার কবি– কানাহরি দত্ত, নারায়ণদেব, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
‘ধর্মমঙ্গল’ ধারার কবি– ময়ূর ভট্ট, আদিরূপরাম, খেলারাম চক্রবর্তী, শ্যাম পণ্ডিত, ঘনরাম চক্রবর্তী, নরসিংহ বসু।
'অন্নদা মঙ্গল’ ধারার কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'মেঘনাদবধ কাব্য'। এর কাহিনী রামায়ণ থেকে সংগৃহীত। 'রামায়ণ' এর রাবণের সীতা হরণ, রাম রাবণের লঙ্কাযুদ্ধ এবং যুদ্ধে রাবণের পরাজয়ের কাহিনী নিয়ে এ মহাকাব্য রচিত হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা শীকর প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাংলায় রচিত প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী।
এছাড়াও তাঁর অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো- কপালকুণ্ডলা, মৃণালিনী, বিষবৃক্ষ, ইন্দিরা, যুগলাঙ্গুরীয়, চন্দ্রশেখর, রাধারানী, কৃষ্ণকান্তের উইল, রাজসিংহ, আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ হলোঃ লোক লোকান্তর, কালের কলস, মায়াবী পর্দা দুলে উঠে, সোনালী কাবিন, বখতিয়ারের ঘোড়া, পাখির কাছে ফুলের কাছে, প্রেমের কবিতা, আরব্য রজনীর রাজহাঁস, দোয়েল ও দয়িতা ইত্যাদি।
সূত্রঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – মোহসীনা নাজিলা।
'সভ্যতার সংকট' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের প্রান্তিকে লিখিত শেষ রচনাগুলোর অন্যতম।
'মানসী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যৌবনকালে রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
'রাজা' হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি রূপক-সাংকেতিক নাটক।
কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সংকলন- ‘সঞ্চিতা'। এতে ৭৮টি কবিতা গান সংকলিত হয়েছে। সংকলনটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নজরুল ইসলাম উৎসর্গ করেন।
উল্লেখ্য ‘সঞ্চয়িতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতা সংকলন।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কাব্যনাট্য 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়(১৯৭৬)'।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
''গায়ত্রী সন্ধ্যা'' - সেলিনা হোসেন রচিত - ত্রয়ী উপন্যাস। এর তিনটি খন্ড যথাক্রমে - ১৯৯৪, ১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।
১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ আটাশ বছরের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমিতে রচিত এ উপন্যাস।
তার রচিত অন্যান্য উপন্যাস -
- জলোচ্ছ্বাস
- হাঙর নদী গ্রেনেড (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক)
- যুদ্ধ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক)
- যাপিত জীবন (ভাষা আন্দোলন বিষয়ক)
- কাঁটাতারে প্রজাপতি (নাচোলের তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত)
- পোকা মাকড়ের ঘরবসতি (নাফনদীর তীরে শাহ পরীর দ্বীপের মানুষের জীবন সংগ্রাম)
- নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি (দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ৪৩ এর দুর্ভিক্ষ প্রভৃতি বিষয় উঠে এসেছে) ইত্যাদি
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
কবি আহসান হাবীব রচিত কাব্যগ্রন্থ- রাত্রিশেষ, ছায়াহরিণ, সারা দুপুর, আশায় বসতি, মেঘ বলে চৈত্রে যাবো, দুই হাতে দুই আদিম পাথর, প্রেমের কবিতা, বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইত্যাদি।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ- আখ্যান মঞ্জুরী, বোধোদয়, ব্যাকরণ কৌমুদী, বর্ণপরিচয়, কথামালা, শব্দ মঞ্জুরী ইত্যাদি।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
কাজী নজরুল ইসলামের ৫ টি গ্রন্থ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত ঘোষিত হয়।
সেগুলো হলো - যুগবাণী, ভাঙ্গার গান, প্রলয় শিখা, বিষের বাঁশি এবং চন্দ্রবিন্দু।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
‘সংবাদ প্রভাকর' ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
১৮৩৬ সালে সাপ্তাহিক তিন সংখ্যা হিসেবে আবার প্রকাশিত হতে থাকে। জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন 'সংবাদ প্রভাকর’ দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
ক-ম পর্যন্ত ২৫ টি বর্ণকে স্পর্শ বা বর্গীয় বর্ণ বলে।
যথাঃ ক বর্গীয় বর্ণঃ ক, খ, গ, ঘ, ঙ।
চ বর্গীয় বর্ণঃ চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
ট বর্গীয় বর্ণঃ ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।
ত বর্গীয় বর্ণঃ ত, থ, দ, ধ, ন।
প বর্গীয় বর্ণঃ প, ফ, ব, ভ, ম।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ক থেকে ম পর্যন্ত এ পঁচিশটি ব্যঞ্জনকে স্পর্শ ব্যঞ্জন বা স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।
উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিগুলােকে প্রথমত দুই ভাগে ভাগ করা যায়ঃ ১. অঘােষ এবং ২. ঘােষ।
১) যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণি্ত হয় না তাকে বলা হয় অঘােষ ধ্বনি। যেমন- ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি।
২) যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়, তাকে বলে ঘােষ ধ্বনি। যেমন- গ, ঘ, জ, ঝ ইত্যাদি।
এগুলােকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়ঃ ক. অল্পপ্রাণ এবং খ. মহাপ্রাণ
ক) যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে, তাকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি। যেমন- ক, গ, চ, জ ইত্যাদি।
খ) যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেমন- খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
তৎসম শব্দঃ জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী, বৈষ্ণব, কুৎসিত, চন্দ্র, ভবন, ধর্ম, মনুষ্য, পাত্র, নক্ষত্র, ক্ষুধা, সূর্য, পদ্ম, ক্ষমা, অন্ন, নিমন্ত্রণ, চন্দ্র, স্বামী, পুত্র, খাদ্য, অস্তি, অদ্য, অর্ধ, ইন্দ্রাগার, উপাধ্যায়, ঊষ্ণাপন, করোতি, কথয়তি, কার্য, গৃহ, চক্র, চর্মকার, বধূ, ভক্ত, মিথ্যা, লবণ, হস্ত, স্তম্ভ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমনঃ চায়ের বাগান = চাবাগান, ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
আরও কিছু উদাহরণঃ পুষ্পের সৌরভ = পুষ্পসৌরভ, রাজার পুত্র = রাজপুত্র, খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট।
এছাড়াও ছাত্রসমাজ, দেশসেবা, দিল্লিশ্বর, বিড়ালছানা ইত্যাদি।
সূত্রঃ উচ্চতর স্বনির্ভর বিশুদ্ধ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
অরুন্তুদ [ওরুন্তুদ্] (বিশেষণ)
১ মর্মাঘাতী; মর্মভেদী (এলায়ে বিশাল জটা; অরুন্তুদ; অশনি আস্ফালি-মাইকেল মধুসূদন দত্ত)।
২ অতিশয় হৃদয়বিদারক (দাঁড়ায়ে তেমনি তাজ অরুন্তুদ বিয়োগ কাহিনী-শাহাদাত হোসেন)।
[(তৎসম বা সংস্কৃত) অরুস্ (=মর্মস্থল) +√তুদ্(পীড়া দেওয়া)+অ(খচ্)]
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
“মাছি মারা কেরানি”- প্রবচনটির অর্থ বিচারবোধহীন নকলনবিশ।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
মাছি মারা কেরানি এর অর্থ হুবহু অনুকরণকারী ব্যক্তি। কেউ যদি কোনো কাজের অর্থ, প্রয়োগ ও গুরুত্ব বিবেচনা করে ভুলত্রুটিসহ শুধুমাত্র অনুকরণ করে যায় তাদের মাছি মারা কেরানি বলে। জীবনের প্রতিটা কাজের ক্ষেত্রে মানুষের নিজের বিচার বুদ্ধি বিবেচনা করার একটা সুযোগ থাকে। কিন্তু ‘কেরানি’ বা ইংরেজিতে যাদের ক্লার্ক বলে তাদের পেশাটাই এমন যেখানে নিজের বুদ্ধি বিবেচনার সুযোগ হয়তো কমই থাকে। এ পেশার লোকদের কাজই হলো অন্যের নির্দেশ হুবহু মেনে চলে কোনো কাজ করা।
এই প্রবচনটি ইংরেজ আমল থেকে প্রচলিত হয়ে আসছে। এটা নিয়ে সুন্দর একটা গল্প আছে। পড়তে পারেন- [এখানে ক্লিক করুন]
ময়ূখ (বিশেষ্য) কিরণ; আলো; জ্যোতিঃ; রশ্মি।
কালকূট (বিশেষ্য) তীব্র বিষ; গরল।
জহর (বিশেষ্য) বিষ; গরল; যা খেলে মৃত্যু হতে পারে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
কুরসি, কুরসী, কুরছি [কুরসি, কুরসি, কুরছি] (বিশেষ্য) বসার উচ্চ আসনবিশেষ; চেয়ার; কেদারা (বসাইল উপরে কুরছির -সৈয়দ হামজা; রাজ সদনে কুর্সী সোনার মিলত কবির এইখানে-সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত)।
[(আরবি) কুর্সী]
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান। ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন। এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন যা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন। ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর’ পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অন্তর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
উৎসঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট [এখানে ক্লিক করুন]।
দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কাউন্সিল হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)। এই কাউন্সিলে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়। এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়। এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন। এটি একটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণের ইউনিয়ন। এ দ্বীপের অপর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের আয়তন ১৯৭৭ একর (৮ বর্গ কিলোমিটার)। বিখ্যাত লেখক,কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এর দারুচিনি দ্বীপ নামের পূর্ণদৈর্ঘ্য ছায়াছবি দ্বারা এই দ্বীপটির পরিচিতি আরো বেড়ে যায়।
উৎসঃ পত্র-পত্রিকা, বাংলাপিডিয়া এবং লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
The Sustainable Development Goals (SDGs) are a collection of 17 global goals designed to be a “blueprint to achieve a better and more sustainable future for all”.
Source: un.org
জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল (UNHRC) ২০০৬ সালের ১৫ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান প্রেসিডেন্ট কোলি সিক। এর পূর্বে এটি জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন নামে পরিচিত ছিলো যা ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত। UNHRC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৪৭ টি। সদস্য সংখ্যার আসন বিন্যাস: এশিয়া- ১৩টি, আফ্রিকা- ১৩টি, পূর্ব ইউরোপ- ৬টি, ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল- ৮ টি এবং পশ্চিম ইউরোপ ও অন্যান্য- ৭টি।
সূত্রঃ UNHRC ওয়েবসাইট।
১৯৭২ সালের মার্চ মাসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের মধ্যে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে দু’দেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে অভিন্ন নদীর ব্যাপক জরিপ কার্যক্রম পরিচালন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রধান প্রধান নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উপর সমীক্ষা পরিচালন, উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে এতদাঞ্চলের পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বাংলাদেশের সাথে ভারত সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রীড সংযোজনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
উৎসঃ যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
সতীদাহ প্রথা ছিলো হিন্দু সমাজের একটি প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে। রাজা রামমোহন রায় এবং আরো কয়েকজন ভারতীয় সতীদাহ প্রথা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশ এবং ভারত অংশ মিলিয়ে সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশের আয়তন ২৪০০ বর্গ মাইল বা ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ৬,০১,৭০০ হেক্টর। যা বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তনের ৪.১৩% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%।
সূত্রঃ বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
চীনের উত্তর সীমান্ত জুড়ে অবস্থিত চীনের মহাপ্রাচীরের প্রকৃত দৈর্ঘ্য ৮,৮৫০ কিমি বা ৫,৫০০ মাইল।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।
গণসংগীত শিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৭ সালে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে কাগমারী সম্মেলনে কবিয়াল রমেশ শীলের সাথে গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন। ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ সালে সিলেটে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জনপ্রিয় কিছু গান-
-বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে...
-আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম...।
-গাড়ি চলে না, চলে না, চলে নারে...
-কোন মেস্তরি নাও বানাইছে।
-বসন্ত বাতাসে সইগাে, বসন্ত বাতাসে...।
-সখী কুঞ্জ সাজাও গাে।
উৎস: শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে- বান্দরবান(জেলা), থানচি(উপজেলা), আখানইঠং(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে- কক্সবাজার(জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন(ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে- পঞ্চগড়(জেলা), তেতুলিয়া(উপজেলা), বাংলাবান্ধা(ইউনিয়ন), জায়গীর জোত(স্থান)।
সূত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০০তম টেস্ট ক্রিকেটে ৪টি দেশ জয়লাভ করেছে। অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর বিশ্বের চতুর্থ দল হিসেবে শততম টেস্ট জিতেছিল বাংলাদেশ।
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
চ্যান্সেলর অস্ট্রিয়া ও জার্মানির প্রধানমন্ত্রী সমমর্যাদা সম্পন্ন পদ। বর্তমানে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুয়র্ৎস।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটিনিকা।
আয়তন ও জনসংখ্যায় পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি। এর আয়তন প্রায় ০.৪৪ বর্গকিমি বা ১২১ একর এবং জনসংখ্যা ৮২৯ জন। এটি ইতালির অভ্যন্তরে অবস্থিত।
সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ।
The English verbs let, make, have, get, and help are called causative verbs because they cause something else to happen.
a) LET = Permit Something To Happen.
Grammatical structure: LET + PERSON/THING + VERB (base form)
Examples: I don’t let my kids watch violent movies.
b) MAKE = Force Or Require Someone To Take An Action.
Grammatical structure: MAKE + PERSON + VERB (base form)
Examples: After Billy broke the neighbor’s window, his parents made him pay for it.
c) HAVE = Give Someone Else The Responsibility To Do Something.
Grammatical structure:
1) HAVE + PERSON + VERB (base form)
2) HAVE + THING + PAST PARTICIPLE OF VERB
Examples of grammatical structure-1:
I’ll have my assistant call you to reschedule the appointment.
Examples of grammatical structure-2:
My washing machine is broken; I need to have it repaired.
d) GET = Convince/Encourage Someone To Do Something.
Grammatical structure: GET + PERSON + TO + VERB
Examples: How can we get all the employees to arrive on time?
e) HELP = Assist Someone In Doing Something.
Grammatical structure:
1) HELP + PERSON + VERB (base form)
2) HELP + PERSON + TO + VERB
After “help,” you can use “to” or not – both ways are correct. In general, the form without “to” is more common:
He helped me carry the boxes.
He helped me to carry the boxes.
সাধারণত complex sentence এর subordinate clause টি সব সময় assertive sentence এ হয়। অর্থাৎ sub + verb + ext. এই structure অনুযায়ী হবে।
Do you know who I am?
Would you plese tell us when the next bus comes.
Lest [লেস্ট্] (conjunction)
(১) যাতে না-ঘটে (এজন্য): I grabbed the iron rail lest I should fall down.
(২) এই আশঙ্কায়: We hurried lest we should miss the train.
myriad (noun) [countable noun] myriad (of) বিপুল/অগণ্য সংখ্যা।
dialect (noun) ভাষার আঞ্চলিক রূপ; উপভাষা; আঞ্চলিক উচ্চারণপ্রণালি; স্থানিক ভাষা বা বাচন; সামাজিক শ্রেণিভেদে উচ্চারণ পার্থক্য।
Mother (noun) a woman in relation to her child or children.
''she returned to Bristol to nurse her ageing mother''
Dad (noun) [INFORMAL] one's father.
''his dad was with him''
Mum (noun) [INFORMAL] one's mother.
''she often goes round to see her mum, who lives nearby''
Sassy (adjective) [INFORMAL] lively, bold, and full of spirit; cheeky.
''Toni was smart and sassy and liked to pretend she was a hard nut''
Source: Oxford Dictionary.
Noun + ly = adjective.
Some adjectives are friendly, homely, brotherly, motherly, sisterly, manly, kingly etc
antagonize/antagonise (verb): cause (someone) to become hostile.
''the aim was to antagonize visiting supporters''
homogeneous (adjective) সমপ্রকৃতির অংশসমূহ নিয়ে গঠিত; সমজাতীয়; সমজাতিক; সমঘন; সমমাত্র।
similar (adjective) মতো; সদৃশ; অনুরূপ; একই ধরনের; সমধর্মী; সমতুল্য:
motley (adjective) নানান বর্ণের; বিচিত্রবর্ণ; চিত্রবিচিত্র।
No sooner + (does/do/did) + Subject + 1st Action + Than + Subject + 2nd Action.
No sooner does the teacher enter the classroom than the students stand up.
No sooner does he see other children than he becomes playful.
No sooner do I see other children than I become playful.
No sooner did he see other children than he became playful.
Note: Do/Does/Did are followed by the first form of the verb. The word 'had' can also be used in the place of 'did' at time.
No sooner had they started their walk than it started to rain.
Source: British English Grammar, Oxford Dictionary & Cambridge Dictionary.
So + adjective + as অর্থাৎ so kind as.
এটিকে অন্যভাবেও ব্যাখ্যা করা যায়-
বাক্যে so থাকায় as ব্যবহৃত হবে; কারন would you be so kind as to একটি phrase.
অন্যদিকে বাক্যে so না থাকলে enough ব্যবহার করা যেতো; কারন would you be kind enough to আরেকটি phrase.
Source: Macmillan Dictionary.
Positive-comparative-superlative
Little - less - least
Near - nearer - nearest
ধরি, সংখ্যাদ্বয় x ও (x + 1)
প্রশ্নমতে,
(x + 1)² - x² = 199
⇒ x² + 2x + 1 - x² = 199
⇒ 2x = 199 - 1
⇒ x = 198/2 = 99
∴ বড় সংখ্যাটি = 99 + 1 = 100
ধরি, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ R
∴ বিষুব রেখার দৈর্ঘ্য ২πR
তাহলে, ২πR = ৪,০০,০০,০০০ মিটার
∴ R = ৪,০০,০০,০০০/২π = ৪,০০,০০,০০০/(২ × ৩.১৪১৬) মিটার
= ৬৩৬৯৪২৬.৭৫ মিটার
= ৬৩৬৯.৪২৬ কিলোমিটার
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ মোটামুটিভাবে ৬৪০০ কিলোমিটার। প্রায় সবক্ষেত্রে এ মানই ব্যবহৃত হয়।
এখানে, কাছাকাছি উত্তর হয় ৬৩৬৩.৬৩ কিলোমিটার।
বড় বাক্স = ১ টি।
মাঝারি বাক্স = ৪ টি।
এবং ছোট বাক্স = ৪ X ৪ = ১৬ টি।
সুতরাং মোট বাক্স আছে = ১+৪+১৬ = ২১ টি।
২/৩ = ০.৬৭
৪/৫ = ০.৮
১৩/১৫ = ০.৮৭
২৩/৩০ = ০.৭৭
৪ ফুট ছায়া হয় তখন বাশের উচ্চতা = ৬ ফুট
৬৪ ফুট ছায়া হয় তখন বাশের উচ্চতা = ৬ X ৬৪/৪ = ৯৬ ফুট
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2; এখানে r বৃত্তের ব্যাসার্ধ।
বৃত্তদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের অনুপাত = π X ৩২ : π X ২২
= ৯ : ৪
ধরি, বিক্রয়মূল্য = ক
তাহলে ক্রয়মূল্য = ক এর ৪/৫ = ৪ক/৫
সুতরাং শতকরা লাভ = (বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য)×১০০/ক্রয়মূল্য
= [{(ক - ৪ক/৫)×১০০}/(৪ক/৫)]
= (২০ক X ৫)/৪ক
= ২৫%.
ধরি, ছোট টুকরোর দৈর্ঘ্য x একক।
∴ বড় টুকরোর দৈর্ঘ্য ৩x একক।
তাহলে সংযুক্ত টুকরো দৈর্ঘ্য হবে (x + ৩x) = ৪x একক।
অর্থাৎ, সংযুক্ত টুকরোটির দৈর্ঘ্য ছোট টুকরোর চেয়ে ৪ গুণ বড় হবে।
প্রথম পদ = ৬
দ্বিতীয় পদ = (৬ × ৩) - ১ = ১৭
তৃতীয় পদ = (১৭ ×৩) – ২ = ৪৯
চতুর্থ পদ = (৪৯×৩) – ৩ = ১৪৪
∴ পঞ্চম পদ = (১৪৪×৩) - ৪ = ৪২৮
আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে ক্ষেত্রফল (√3/4)a²
প্রশ্নমতে,
(√3/4)a² = 50
⇒ √3a² = 50 × 4
⇒ a² = (50 × 4)/√3
⇒ a² = 115.47
∴ a = 10.74
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ2= লম্ব2+ভূমি2
122 + 52 = 132
তাই সঠিক উত্তর অপশন (ঘ)।
a:b = 4:7 = 20 : 35 [5 দ্বারা গুণ করে]
b:c = 5:6 = 35 : 42 [ 7 দ্বারা গুণ করে]
∴ a:b:c = 20 : 35 : 42
ধারাটির প্রথম পদ a = ২৯
সাধারন অন্তর d = -৪
n তম পদ = a+(n-1)d
⇒ -২৩ = ২৯ +(n-1)(-৪)
⇒ -৪n+৪ =-৫২
n = ১৪
যোগফল s= n/2{2a+(n-1)d}
= ১৪/২{২×২৯+(১৪-১)(-৪)}
= ৭{ ৫৮-৫২}
= ৪২
অর্ধ-বৃত্তের ব্যাস এর উপর অঙ্কিত ত্রিভুজ হলো বৃহত্তম ত্রিভুজ
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = 1/2× 2r ×r
= r2
৩.০০০১০ + (৫ X ১০-৩)
= ৩.০০০১০ + (৫/১০০০)
= ৩.০০০১০ + ০.০০৫
= ৩.০০৫১০
সম্পূরক কোনদ্বয়ের সমষ্টি = ১৮০°
১১৫° কোণের সম্পূরক কোণ = ১৮০°-১১৫° = ৬৫°
প্রশ্নে ভুল আছে। কারণ শুরুতেই একে সমবাহু ত্রিভুজ বলা হয়েছে। সে হিসেবে প্রত্যেকটি কোণের মান ৬০ ডিগ্রি হওয়ার কথা।
ত্রিভুজটি সমবাহু না হয়ে সমদ্বিবাহু হলে সমাধান হবে-
∠B = ∠C = 75°
∴ ∠A = 180° - (∠B + ∠C)
= 180° - (75° + 75°)
= 30°
x2 - 1 - y(y-2)
= x2 -1 -y2 +2y
= x2 -(1+y2-2y)
= x2 -(1-y)2
= (x+1-y)(x-1+y)
= (x-y+1) (x+y-1)
x + 1/x = 2
x²+1 = 2x
(x-1)² = 0
x = 1
∴ x/(x²+x-1)
= 1/(1²+1-1)
= 1
(a+b+c)2 = a2+b2+c2 + 2(ab+bc+ca)
2(ab+bc+ca) = (a+b+c)2 - (a2+b2+c2)
2(ab+bc+ca) = 92 - 29
2(ab+bc+ca) = 52
∴ (ab+bc+ca) = 26
x2 = 9
∴ x = ±3
আবার, 2x = 4
∴ x = 2
শর্ত দুইটি পরস্পর সাংঘার্ষিক।
তাই তাদের উপাদান হবে = ∅