১.
কোন চুক্তির কারণে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন?
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords):
- স্বাক্ষরিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮
- চুক্তির পক্ষ: মিশর ও ইসরায়েল
- মধ্যস্থতাকারী: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার
- স্থান: ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
- ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল প্রথমবারের মতো কোনো আরব দেশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তি স্থাপন করে।
- ইসরায়েল সম্মত হয় যে তারা ১৯৬৭ সালের ছয়দিনের যুদ্ধের পর দখল করা সিনাই উপদ্বীপ মিশরকে ফিরিয়ে দেবে।
- পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিদের স্বায়ত্তশাসনের পথ উন্মুক্ত করা হয়।
- মিশর আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় ও পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- ১৯৭৮ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়, যদিও ফিলিস্তিনি ইস্যু ও আঞ্চলিক সংঘাত এখনো সমাধান হয়নি।
উৎস: Britannica.
- স্বাক্ষরিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮
- চুক্তির পক্ষ: মিশর ও ইসরায়েল
- মধ্যস্থতাকারী: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার
- স্থান: ক্যাম্প ডেভিড, মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
- ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল প্রথমবারের মতো কোনো আরব দেশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শান্তি স্থাপন করে।
- ইসরায়েল সম্মত হয় যে তারা ১৯৬৭ সালের ছয়দিনের যুদ্ধের পর দখল করা সিনাই উপদ্বীপ মিশরকে ফিরিয়ে দেবে।
- পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিদের স্বায়ত্তশাসনের পথ উন্মুক্ত করা হয়।
- মিশর আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় ও পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- ১৯৭৮ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়, যদিও ফিলিস্তিনি ইস্যু ও আঞ্চলিক সংঘাত এখনো সমাধান হয়নি।
উৎস: Britannica.