১.
উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম নারী চিকিৎসা বিজ্ঞানী কে ছিলেন?
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম নারী চিকিৎসা বিজ্ঞানী:
- উপমহাদেশের প্রথম নারী চিকিৎসক অধ্যাপক জোহরা বেগম কাজী।
⇒ তিনি ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর অবিভক্ত ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজনান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ২৩ বছর বয়সেই তিনি দিল্লির 'লেডি হাডিং মেডিকেল কলেজ' থেকে ১৯৩৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে এমবিবিএস পাস করেন।
- এজন্য পুরস্কার হিসেবে পান ভাইসরয় পদক।
- ১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দেন।
- ১৯৭৩ সালে চাকরি থেকে অবসর নেবার পর বেশকিছু বছর হলিফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে কনসালটেন্ট হিসাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
- পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেলে অনারারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন।
- তার কারণে চিকিৎসা শাস্ত্রে এদেশে মেয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়।
⇒ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘকাল মানবতার সেবায় নিঃস্তার্থ কর্মকান্ডের স্তীকৃতিস্তরূপ ডাঃ জোহরা কাজীকে তমঘা-ই-পাকিস্তান (১৯৬৪), বেগম রোকেয়া পদক (২০০২) এবং একুশে পদক (২০০৮) প্রদান করা হয়।
- তিনি ২০০৭ সালের ৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: বাংলপিডিয়া।
- উপমহাদেশের প্রথম নারী চিকিৎসক অধ্যাপক জোহরা বেগম কাজী।
⇒ তিনি ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর অবিভক্ত ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজনান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ২৩ বছর বয়সেই তিনি দিল্লির 'লেডি হাডিং মেডিকেল কলেজ' থেকে ১৯৩৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে এমবিবিএস পাস করেন।
- এজন্য পুরস্কার হিসেবে পান ভাইসরয় পদক।
- ১৯৪৮ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দেন।
- ১৯৭৩ সালে চাকরি থেকে অবসর নেবার পর বেশকিছু বছর হলিফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে কনসালটেন্ট হিসাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
- পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেলে অনারারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন।
- তার কারণে চিকিৎসা শাস্ত্রে এদেশে মেয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়।
⇒ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘকাল মানবতার সেবায় নিঃস্তার্থ কর্মকান্ডের স্তীকৃতিস্তরূপ ডাঃ জোহরা কাজীকে তমঘা-ই-পাকিস্তান (১৯৬৪), বেগম রোকেয়া পদক (২০০২) এবং একুশে পদক (২০০৮) প্রদান করা হয়।
- তিনি ২০০৭ সালের ৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: বাংলপিডিয়া।