উত্তর
ব্যাখ্যা
অশ্ব বা ঘোড়ার সমার্থক শব্দ 'তুরগ'
'অগ্নি' শব্দের কিছু সমার্থক শব্দ হলো
- হিমারাতি
- অনল
- বহ্নি
- পাবক
- বায়ুসখা
- পিঙ্গল
- সপ্তাংশু
- হুতাশন
- শিখিন
- শুচি
- সর্বভুক
[উৎস:ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন
অশ্ব বা ঘোড়ার সমার্থক শব্দ 'তুরগ'
'অগ্নি' শব্দের কিছু সমার্থক শব্দ হলো
- হিমারাতি
- অনল
- বহ্নি
- পাবক
- বায়ুসখা
- পিঙ্গল
- সপ্তাংশু
- হুতাশন
- শিখিন
- শুচি
- সর্বভুক
[উৎস:ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
'বাতাস' এর প্রতিশব্দ 'সমীর'
'ঊর্মি' শব্দের প্রতিশব্দ 'লহরী'
'গৃহ' শব্দের প্রতিশব্দ 'বাটিকা'
'গাড়ি' শব্দের প্রতিশব্দ শব্দ হলোঃ
- শকট,
- যান
- মোটর
- শকটিকা
- যানবাহন
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
-‘উচ্ছাস’ এর শুদ্ধ বানান ‘উচ্ছ্বাস’ ।
- কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান
- গীতাঞ্জলি
- পিপীলিকা
- দরিদ্রতা
- নিশীথিনী
- পুরস্কার
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
‘গীতাঞ্জলী একটি কাব্যগ্রন্থ।’ এই বাক্যটির শুদ্ধ রূপ হলো:
গীতাঞ্জলি একটি কাব্যগ্রন্থ।
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
কিছু শুদ্ধ বানান
- সূক্ষ্ম ,
- সাক্ষরতা
- ভৌগোলিক
- নমস্কার
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
- 'আবির্ভাব' এর বিপরীত শব্দ তিরোধান
- 'অশিষ্ট' এর বিপরীত 'শিষ্ট'
- 'নির্বিশেষ' এর বিপরীত 'বিশেষ'
- 'সরল' এর বিপরীত 'বক্র'
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
- ‘বিশ্লেষণ’ এর বিপরীত সংশ্লেষণ
- ‘সংক্ষেপ’ এর বিপরীত ‘বাহুল্য’
- ‘আকুঞ্চন’এর বিপরীত ‘প্রসারণ’
- ‘ক্ষীয়মাণ’ এর বিপরীত বর্ধমান
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
- ‘তুলকালাম’ বাগধারাটির অর্থ ‘সাংঘাতিক ঘটনা’
- ‘সাপে নেউলে’ বাগধারাটির অর্থ ‘ভীষণ শক্রতা’
- ‘তুমলকান্ড’ বাগধারাটির অর্থ ‘খন্ডপ্রলয়’
- ‘জগাখিচুড়ি’ বাগধারাটির অর্থ ‘বিশৃঙ্খল’
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
- জয় করার ইচ্ছা - জিগীষা
- জানার ইচ্ছা - জিজ্ঞাসা
- গোপন করার ইচ্ছা -জুগুপ্সা
- ক্ষমা করার ইচ্ছা - তিতিক্ষা
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
- নাটকের পাত্রপাত্রী - কুশীলব
- নিকৃষ্ট ব্যাক্তি - অজন
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দুটি প্রবাদ প্রবচনে বিকৃতি জনিত ভুল রয়েছে।
১. ‘কারো পোষ মাস কারো সর্বনাশ’ এর সঠিক হলো ‘কারো পৌষমাস কারো সর্বনাশ’।
- 'কারো পৌষমাস কারো সর্বনাশ' এর অর্থ হলো 'যার যেমন ভাগ্য।'
২. 'উঠন্তি মুলো পত্তনে দেখা যায়' এর শুদ্ধ প্রবাদটি হলো 'উঠন্তি মুলো পত্তনে চেনা যায়'।
- 'উঠন্তি মুলো পত্তনে চেনা যায়' অর্থ - 'শুরুতে বা ছোট থেকে বোঝা যায় ভবিষ্যতে পরিনতি কী হবে।'
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
দ্বৈত উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।
- ‘চুনোপুঁটি’ অর্থ সামান্য ব্যাক্তি
- সকলকে চুনোপুঁটি ভেবে অবজ্ঞা করা উচিত না।
- ‘তীর্থের কাক’ এর অর্থ সুযোগ সন্ধানী
- ‘টাকার কুমির’ এর অর্থ অনেক টাকার মালিক
- ‘লেফাফা দুরস্ত ’ এর অর্থ পরিপাটি
[বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত , নবম -দশম শ্রেণি ,সংস্করণ ২০২১]
‘পটল তোলা’ এর সমার্থক বাগধারা ‘অক্কা পাওয়া’
‘পটল তোলা’ ও ‘অক্কা পাওয়া’ দুটির অর্থ মারা যাওয়া
‘তালকানা’ বাগধারা অর্থ 'কান্ডজ্ঞানহীন'
'ডুব মারা' বাগধারা অর্থ 'অদৃশ্য হওয়া'
'আসরে নামা' বাগধারা অর্থ 'আবির্ভূত হওয়া'
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
- ‘লেফাফা দুরস্ত’ বাগধারাটির অর্থ 'পরিপাটি'
- 'অকাল কুষ্মাণ্ড' বাগধারার অর্থ 'অপদার্থ'
- 'তুলসী বনের বাঘ' বাগধারার অর্থ 'শয়তান'
- 'হস্তিমূর্খ' বাগধারাটির অর্থ নিরেট 'মূর্খ'
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
- ‘বানরের গলায় মুক্তার মালা’প্রবাদ-প্রবচনটির অর্থ 'অস্থানে মূল্যবান বস্তুর অবস্থান'
- 'হাতে না মেরে ভাতে মারা' এর অর্থ 'বড় ধরনের ক্ষতি করা'
- 'যত দোষ নন্দ ঘোষ' এর অর্থ দুর্বলের প্রতি সর্বদা দোষারোপ
- 'মরা হাতি লাখ টাকা' এর অর্থ 'যোগ্যতার মূল্য সর্বাবস্থায়'
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
বুকে হেঁটে গমন করে যে’ এর এককথায় প্রকাশ 'উরগ'
যে চলতে পারে না - নগ
পায়ে হেঁটে যে গমন করে না - পন্নগ
আকাশে বেড়ায় যে - খেচর
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
- ‘চোখের বালি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- এটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘চোখের বালি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গুলো হলোঃ
- মহেন্দ্র
- আশা
- বিহারী
- বিনোদিনী
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’’
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস ‘আনন্দমঠ’
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস ‘কুহেলিকা’
[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ‘বনফুল’ ছদ্মনামে পরিচিত।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস-
তৃণখন্ড (১৯৩৫),
স্থাবর (১৯৫১),
অগ্নীশ্বর (১৯৫৯),
হাটেবাজারে (১৯৬১),
ত্রিবর্ণ (১৯৬৩),
ভুবনসোম (১৯৬৩),
প্রচ্ছন্ন মহিমা (১৯৬৭),
উদয় অস্ত (দুই খন্ড, ১৯৫৯ ও ১৯৭৪) প্রভৃতি।
[উৎসঃ বাংলাপিডিয়া]
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা আধুনিক সাহিত্যের জনক। তাঁর কাব্যচর্চা শুরু হয় ইংরেজি ভাষায়।
ইংরেজি ভাষায় তিনি দুটো দীর্ঘ কাব্য লেখেন।
কাব্যগুলো হলো :
- ক্যাপটিভ লেডি
- ভিশনস অফ দি পাস্ট
তাঁর বাংলা উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভবকাব্য
- মেঘনাবধকাব্য
- বীরাঙ্গনা
- ব্রজাঙ্গনা
[উৎস : লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ]
- জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীন বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- জসীমউদ্দীন রচিত নাটকগুলো হলো:
- পদ্মাপাড়
- বেদের মেয়ে
- মধুমালা
- পল্লীবধূ
- গ্রামের মায়া
উল্লেখ্য
- জামাই বারিক নাটকটি রচনা করেন দীনবন্ধু মিত্র
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]