পরীক্ষা আর্কাইভ

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাএনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯ বিষয়: বাংলা - ৩ টপিক: বাগ্‌ধারা, এক কথায় প্রকাশ; যতিচিহ্ন; প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ; বানান ও বাক্য শুদ্ধিকরণ; বাচ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
বাগ্‌ধারার অর্থ নির্ণয় করুন: 'ঢাকের কাঠি'
  1. সীমাবদ্ধ জ্ঞান
  2. চাটুকার
  3. ভণ্ড
  4. তীব্র জ্বালা
ব্যাখ্যা
‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ - মোসাহেব/তোষামুদে/চাটুকার।
- বাক্য: ঢাকের কাঠির কথায় বাড়াবাড়ি করা ভালো নয়। 

অন্যদিকে,
‘কূপমুণ্ডক’ বাগধারার অর্থ = সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
‘বকধার্মিক’ বাগধারাটির অর্থ = ভণ্ড।
 কুল কাঠের আগুন বাগধারাটির অর্থ- (তীব্র জ্বালা)।

সূত্র: ভাষাশিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
.
"পান করার ইচ্ছা" এর বাক্য সংকোচন কোনটি?
  1. পেয়
  2. পিপাসা
  3. চিক্ষমিষা
  4. ক্ষুধা
ব্যাখ্যা
"পান করার ইচ্ছা" এর বাক্য সংকোচন - পিপাসা।

অন্যদিকে,
- 'পান করার যোগ্য' এর এক কথায় প্রকাশ - পেয়।
- 'ক্ষমা করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - চিক্ষমিষা।
- 'খাইবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - ক্ষুধা।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
প্রান্তিক বিরামচিহ্ন কোনটি?
  1. সেমিকোলন
  2. হাইফেন
  3. কোলন
  4. বিস্ময়বোধক চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরামচিহ্নকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- 
-  প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।
- বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন।

• প্রান্তিক বিরামচিহ্ন:
- যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে বসে তাদের প্রান্তিক বিরামচিহ্ন বলে।
- দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়বোধক চিহ্ন প্রভৃতি প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।

• বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন:
- যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে ছাড়া অন্যান্য স্থানে বসে তাদের বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন বলা হয়। 
যেমন- কমা, কোলন, সেমিকোলন, ড্যাশ, হাইফেন ইত্যাদি।   

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি-ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন। 
.
নিচের কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি?
  1. পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশত বত্রিশ
  2. কক্সবাজার, ৫ জানুয়ারি ২০২২
  3. ০৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. মে ১৬, ২০২৫
ব্যাখ্যা
বাক্যের বিভিন্ন ভাব সার্থকভাবে প্রকাশের জন্য কন্ঠস্বরের ভঙ্গির তারতম্য বোঝাতে বর্ণের অতিরিক্ত যে-সব চিহ্ন ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে বলে বিরামচিহ্ন৷

-অপশন (খ)-তে বিরামচিহ্ন সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়নি৷

• তারিখ লেখার ক্ষেত্রে সাধারণত তারিখ ও বছরের মাঝে কমা বসে।
অর্থাৎ শুদ্ধরূপ হবে - কক্সবাজার, ৫ জানুয়ারি, ২০২২।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
"প্যাঁচার ডাক" এর এক কথায় প্রকাশ-
  1. বুক্কন
  2. কেকা
  3. ঘূৎকার
  4. কুহু
ব্যাখ্যা
"প্যাঁচার ডাক" এর এক কথায় প্রকাশ- 'ঘূৎকার'।

অন্যদিকে,
কুকুরের ডাক - বুক্কন;
ময়ূরের ডাক - কেকা;
কোকিলের ডাক - কুহু।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'কেবলা হাকিম' বাগধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. অলস
  2. উচিত বক্তা
  3. অনভিজ্ঞ
  4. অপদার্থ
ব্যাখ্যা
• 'কেবলা হাকিম' বাগধারাটির অর্থ- অনভিজ্ঞ।
বাক্য গঠন: ওর মতো কেবলা হাকিম দিয়ে কোনো কাজ হবেনা, অন্য চেষ্টা করুন। 

'এক কথার মানুষ'- বাগধারাটির অর্থ: উচিত বক্তা।
বাক্য গঠন: আমি বাপু এক কথার মানুষ, ঠিক সময়ে টাকা দেব, দেখে নিও। 

'ইতুনিদকুঁড়ে' বাগধারাটির অর্থ অলস।
বাক্য গঠন: তোমার মত ইতুনিদকুঁড়ে আর দেখিনি।

ঘটিরাম বাগধারাটির অর্থ- 'অপদার্থ'।
বাক্য গঠন: রিলিফের বদৌলতে কত ঘটিরাম অজস্র টাকা উপার্জন করেছে সে কথা সবারই জানা। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাগধারা ও বাগবিধি- মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান। 
.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. স্বত্বধিকারী
  2. স্বত্ত্বাধিকারী
  3. স্বতাধিকারী
  4. স্বত্বাধিকারী
ব্যাখ্যা
সঠিক বানান: স্বত্বাধিকারী।
‘স্বত্বাধিকারী’ শব্দটি এসেছে "স্বত্ব + অধিকারী" থেকে।

• স্বত্ব মানে অধিকার বা মালিকানা।
- অধিকারী মানে যিনি অধিকার রাখেন।
অর্থ: কোনো কিছুর মালিকানা বা অধিকার যার আছে।

• স্বত্বাধিকারী এর স্ত্রীবাচক শব্দ - 'স্বত্বাধিকারিণী'।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোন শব্দটির বানানে ‘ণ’ - এর ভুল প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. বিপণি
  2. নিপুণ
  3. আপণ
  4. পিণ্ডারি
ব্যাখ্যা

• তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে।

• বিপণি- 
→ শুদ্ধ বানান: বিপণি (অর্থ: দোকান)
→ ‘ণ’ ব্যবহারে ভুল নেই।

• নিপুণ- 
→ শুদ্ধ বানান: নিপুণ (অর্থ: দক্ষ/কুশলী)
→ সঠিক প্রয়োগ।

• আপণ- 
→ আপণ একটি পুরনো তদ্ভব শব্দ, যার অর্থ: নিজের মালিকানাধীন বা দোকান।
→ যদিও অনেকেই আপন ভাবেন, আসলে আপণ বানানটিও অভিধানসম্মতভাবে স্বীকৃত।
→ উদাহরণ: “আপণ প্রতিষ্ঠানে সে কর্মরত।”

অন্যদিকে,
• 'পিণ্ডারি'  শব্দটির সঠিক বানান - পিন্ডারি।
• 'পিন্ডারি' অর্থ- মহারাষ্ট্রীয় অশ্বারোহী দস্যদল, বর্গি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯)।

.
'কেউকেটা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ -
  1. শৃঙ্খলাহীন
  2. বন্ধুবান্ধব
  3. তুচ্ছ
  4. সহজলভ্য
ব্যাখ্যা
• ‘কেউকেটা’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - তুচ্ছ।
উদাহরণ: এমন কেউকেটা  লোকের সাথে ঝামেলায় জড়াতে নেই।

অন্যদিকে,
ইঁদুর দৌড় - শৃঙ্খলাহীন।
ইয়ারবকসি - বন্ধুবান্ধব।
উজানের কৈ - সহজলভ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাগধারা ও বাগবিধি- মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
১০.
শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
  1. আমি সাক্ষী দিব না।
  2. উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। 
  3. দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়। 
  4. তুমি নির্দোষ নও।
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ: তুমি নির্দোষী নও। 
বাক্যটি শুদ্ধরূপ - তুমি নির্দোষ নও। 

অন্যদিকে, 
অশুদ্ধ: উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। 
বাক্যটি শুদ্ধরূপ - উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। 

অশুদ্ধ: 'আমি সাক্ষী দিব না।'
বাক্যটি শুদ্ধরূপ - 'আমি সাক্ষ্য দিব না।' 

অশুদ্ধ: দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়।
বাক্যটি শুদ্ধরূপ - দীনতা/দৈন্য প্রশংসনীয় নয়। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
"যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয়" এর বাক্য সংকোচন-
  1. কন্যকা
  2. শুচিস্মিতা
  3. স্বয়ংবরা
  4. অনূঢ়া
ব্যাখ্যা
"যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয়" এর বাক্য সংকোচন- স্বয়ংবরা।

অন্যদিকে,
যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর - কন্যকা;
যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত - শুচিস্মিতা;
যে নারীর বিয়ে হয় না - অনূঢ়া।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
বিশ্ব সাহিত্যে _______ এক অনন্য সংযোজন।
  1. গিতাঞ্জলি
  2. গীতাঞ্জলী
  3. গীতাঞ্জলি
  4. গীতঞ্জলি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) গীতাঞ্জলি।

কারণ:
“গীতাঞ্জলি” শব্দটির শুদ্ধ বানান হলো গীতাঞ্জলি – এখানে গীত (গান) + অঞ্জলি (অর্ঘ্য) যুক্ত হয়ে অর্থ হয় "গানের অর্ঘ্য", যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলজয়ী কাব্যগ্রন্থের নাম।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; রবীন্দ্র রচনাবলী।
১৩.
'ঘটিরাম' বাগধারাটির অর্থ -
  1. অন্ধ অনুকরণ
  2. অকেজো
  3. ভাবনাচিন্তাহীন
  4. অতিমূর্খ
ব্যাখ্যা
- 'ঘটিরাম' বাগধারাটির অর্থ - অকেজো।

অন্যদিকে,
• 'গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগধারাটির অর্থ - অন্ধ অনুকরণ।
- 'গোমূর্খ' বাগধারাটির অর্থ - অতিমূর্খ।
- 'খোদার খাসি' বাগধারাটির অর্থ - ভাবনাচিন্তাহীন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 
১৪.
"যা সহজে দমন কর যায় না" এর এক কথায়?
  1. দুর্গম
  2. দুস্তর
  3. দুর্দম
  4. দুর্মর
ব্যাখ্যা
• "যা সহজে দমন করা যায় না" এর এক কথায় – দুর্দম।

অন্যদিকে,
যাহাতে সহজে গমন করা যায় না - দুর্গম।
যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না - দুস্তর।
যা সহজে মরে না- দুর্মর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
কোন বাগ্‌ধারাটি ভিন্নার্থক?
  1. দা-কুমড়া
  2. আদায় কাঁচকলায়
  3. অহি-নকুল
  4. দহরম মহরম
ব্যাখ্যা
• ভিন্নার্থক বাগ্‌ধারা- দহরম মহরম। কারণ এর অর্থ- ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

অন্যদিকে,
• দা-কুমড়া গ্‌ধারাটির অর্থ (ভীষণ শত্রুতা)
• 'অহি নকুল' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - ভীষণ শত্রুতা। 
• 'আদায় কাঁচকলায়' গ্‌ধারাটির অর্থ - শত্রুতা। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬.
"যা পূর্বে দেখা যায়নি এমন" এক কথায় কী বলে?
  1. ভূতপূর্ব
  2. অনুক্ত
  3. অদৃষ্টপূর্ব
  4. অশ্রুতপূর্ব
ব্যাখ্যা
- 'যা পূর্বে দেখা যায়নি এমন' এক কথায় প্রকাশ - অদৃষ্টপূর্ব।

অন্যদিকে,
- যা পূর্বে ছিল এখন নেই এক কথায় প্রকাশ - ভূতপূর্ব।
- যা বলা হয় নি এক কথায় প্রকাশ - অনুক্ত।
- যা পূর্বে শোনা যায় নি এক কথায় প্রকাশ - অশ্রুতপূর্ব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
নিচের কোন শব্দটির বানানে ভুল রয়েছে?
  1. ঊর্ধ্বগামী
  2. ঊর্ধ্বপাতন
  3. ঊর্ধ্বফনা
  4. ঊর্ধ্বস্থ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
"ঊর্ধ্বফনা" বানানটি ভুল।
- এর শুদ্ধ বানান - ঊর্ধ্বফণা।

অন্যান্য শব্দগুলো সঠিক বানানে রয়েছে।
যেমন- 
- ঊর্ধ্বগামী;
- ঊর্ধ্বপাতন;
- ঊর্ধ্বস্থ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮.
'অনিন্দ্য' কোন শব্দগুচ্ছের এক কথায় প্রকাশ?
  1. নিবারণ করা যায় না যা
  2. কেউ যা জানে না
  3. নিন্দার যোগ্য নয় যা
  4. নিজেকে হত্যা করে যে
ব্যাখ্যা
• "নিন্দার যোগ্য নয় যা" এর এক কথায় - অনিন্দ্য।

অন্যদিকে,
দমন করা যায় না যাকে = অদম্য;
নিবারণ করা যায় না যা = অনিবার্য।
কেউ যা জানে না = অজ্ঞাত/অজানা।

উৎস: ভাষাশিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
"এখনই ঘরে ফেরা উচিত" - কোন বাচ্য?
  1. কর্তৃবাচ্য
  2. কর্মবাচ্য
  3. ভাববাচ্য
  4. কর্ম-কর্তৃবাচ্য
ব্যাখ্যা
•  এখনই ঘরে ফেরা উচিত - ভাববাচ্য।

• বাচ্য:
- বাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশভঙ্গিকে বলা হয় 'বাচ্য'।
- বাচ্য প্রধানত তিন প্রকার। যথা:
(১) কর্তৃবাচ্য,
(২) কর্মবাচ্য ও
(৩) ভাববাচ্য।

• ভাববাচ্য:
যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।

• কখনো কখনো ভাববাচ্যে কর্তা উহ্য থাকে, কর্ম দ্বারাই ভাববাচ্য গঠিত হয়।
যেমন -
- এ পথে চলা যায় না।
- এবার ট্রেনে ওঠা যাক।
- এখনই ঘরে ফেরা উচিত।
- কোথা থেকে আসা হচ্ছে?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।