পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়36 minutes৪৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯: বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: [প্রাচীন সভ্যতা ও সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব, বিভিন্ন দেশের সংস্কার আন্দোলন ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: [পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তিসমূহ] এবং বিষয় - মানসিক দক্ষতা টপিকসমূহ: ১. ভাষাগত যৌক্তিক বিচার (Verbal Reasoning) ২. সমস্যা সমাধান (Problem Solving)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
কিয়োটো প্রোটোকলের মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  2. বনাঞ্চল সংরক্ষণ
  3. গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস
  4. মহাসাগর দূষণ নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol):
- এটি একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা পরিবেশ সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে গৃহীত।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো গ্রিনহাউজ গ্যাস (Greenhouse Gas) নিঃসরণ হ্রাস করা।
- এই প্রোটোকল ‘কার্বন ক্রেডিট’ (Carbon Credit) ধারণা প্রবর্তন করে।
- এর দ্বারা দেশগুলিকে নির্দিষ্ট হারে কার্বন নিঃসরণ কমাতে উৎসাহিত করে।
- প্রথম গৃহীত: ১১ ডিসেম্বর ১৯৯৭, কিয়োটো, জাপান।
- কার্যকর: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কোন সম্মেলনে গৃহীত হয়?
  1. COP-15
  2. COP-16
  3. COP-21
  4. COP-23
ব্যাখ্যা

• COP-21:
- ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয় ২১তম UNFCC Conference of Parties ( COP-21 ) সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয় এবং ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর এই চুক্তি কার্যকর হয়। 
- এতে ১৯৬ টি দেশ ও সংস্থা অংশ নেয়।
- বাংলাদেশ ২০১৬ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষর  এবং কার্যকর করে।
এই চুক্তিতে, 
- একুশ শতকে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে,
- গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ কমিয়ে আনা এবং,
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেয়া।

উৎস: UNFCC ওয়েবসাইট।

.
মন্ট্রিল প্রোটোকল কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৮৫  সালে
  2. ১৯৮৭  সালে
  3. ১৯৮৯  সালে
  4. ১৯৯২  সালে
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

• চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।

.
রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) কিসের সংরক্ষণের সাথে যুক্ত?
  1. জলাভূমি সংরক্ষণ
  2. বন সংরক্ষণ
  3. মরুভূমি নিয়ন্ত্রণ
  4. সমুদ্রের সম্পদ ব্যবস্থাপনা 
ব্যাখ্যা

• রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত। 
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।

উৎস: Ramsar Convention Official Website

.
নাগোয়া প্রোটোকল(Nagoya Protocol) কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০০৩ সাল
  2. ২০০৮ সাল
  3. ২০১০ সাল
  4. ২০১২ সাল
ব্যাখ্যা

• নাগোয়া প্রোটোকল (২০১০):
- পূর্ণনাম: Nagoya Protocol on Access to Genetic Resources and the Fair and Equitable Sharing of Benefits Arising from their Utilization.
- চুক্তির স্থান: নাগোয়া, জাপান।
- গৃহীত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১২ অক্টোবর, ২০১৪।
- এর উদ্দেশ্য: জৈবসম্পদ ব্যবহার থেকে প্রাপ্ত সুবিধা ন্যায্যভাবে ভাগ করে নেওয়া এবং এর মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১৩৮টি দেশ (২০২৪ সাল পর্যন্ত)।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, অর্থনৈতিক ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয় জনগণের ক্ষমতায়নে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রটোকল।

উৎস: CBD (Convention on Biological Diversity) Official Website.

.
বাসেল কনভেনশন (Basel Convention) কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ওজোন স্তরের সুরক্ষা
  2. বৈষ্ণিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি রোধ
  3. বিপজ্জনক বর্জ্য চলাচল নিয়ন্ত্রণ
  4. জলাভূমি সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

• বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

উৎস: বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

.
স্টকহোম কনভেনশন (২০০১) মূলত কোন ধরনের দূষণকারীর সাথে সম্পর্কিত?
  1. কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. স্থায়ী জৈব দূষণকারী (POPs)
  4. প্লাস্টিক
ব্যাখ্যা

• স্টকহোম কনভেনশন:
- লক্ষ্য: এই আন্তর্জাতিক চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো স্থায়ী জৈব দূষণকারী বা Persistent Organic Pollutants (POPs) থেকে মানবস্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে রক্ষা করা।
- স্বাক্ষর: এটি ২০০১ সালে সুইডেনের স্টকহোমে গৃহীত হয় এবং ২০০৪ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- POPs : এমন কিছু ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ যা পরিবেশে দীর্ঘকাল টিকে থাকে, বাতাসের মাধ্যমে বহুদূর ছড়িয়ে যেতে পারে এবং জীবদেহের চর্বিতে জমা হয়ে স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি (যেমন ক্যান্সার বা প্রজনন সমস্যা) করে।
- ডার্টি ডজন (Dirty Dozen): শুরুতে ১২টি ক্ষতিকারক রাসায়নিককে (যেমন- ডিডিটি, পিসিবি) এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

উৎস: স্টকহোম কনভেনশন ওয়েবসাইট।

.
জাতিসংঘের ‘মরুকরণ বিরোধী কনভেনশন’ (UNCCD) কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর - ১৯৯৪ সালে। 
- অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 

• UNCCD:

- UNCCD-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention to Combat Desertification.
- UNCCD হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা মরুকরণ, ভূমি অবক্ষয় এবং খরার প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে।
- এটি গৃহীত হয়: ১৭ জুন, ১৯৯৪ সালে, প্যারিস।
- কার্যকর হয়: ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ সালে।
- সদস্য: ১৯৭টি (১৯৬টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- UNCCD একমাত্র আইনি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পরিবেশ ও উন্নয়নকে টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- UNCCD-এর মূল উদ্দেশ্য: মরুকরণ প্রতিরোধ এবং খরার প্রভাব হ্রাস করা।

উৎস: UNCCD ওয়েবসাইট।

.
বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1.  CMS 
  2. CITES 
  3. MANS
  4. RESC
ব্যাখ্যা

CITES:
- এর পূর্ণরূপ:  Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora 
- CITES হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭৩ সালে গৃহীত হয় এবং ১৯৭৫ সালে কার্যকর হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিপন্ন বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা, যেন তাদের বিলুপ্তি রোধ করা যায়।
- অনেক প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি অতিরিক্ত শিকার, পাচার ও বাণিজ্যের কারণে বিলুপ্তির পথে।
- CITES নিশ্চিত করে যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য যেন প্রজাতির টিকে থাকার জন্য হুমকি না হয়।
- বর্তমানে ১৮০টিরও বেশি দেশ এই কনভেনশনের সদস্য।

উৎস: CITES ওয়েবসাইট।

১০.
'অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. ইউক্রেনে
  2. জার্মানিতে
  3. ইতালিতে
  4. ফ্রান্সে
ব্যাখ্যা

 ”অরেঞ্জ বিপ্লব”:
- অরেঞ্জ বিপ্লব সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক  দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- এটি ছিল ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।

অপরদিকে,
- আরব বসন্ত সূচনা হয় তিউনেসিয়ায়।
- বলশেভিক বিপ্লব হয় রাশিয়ায়।
- অক্টোবর বিপ্লব হয় রাশিয়ায়।
- ইসলামিক বিপ্লব হয় ইরানে।
- ভেলভেট বিপ্লব হয় চেকোস্লোভাকিয়া।

উৎস: Britannica.

১১.
যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. থিওডোর রুজ্‌ভেল্ট
  4. উড্রো উইল্‌সন
ব্যাখ্যা

• আমেরিকার গৃহযুদ্ধ:
- আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় (১৮৬১-১৮৬৫) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।
- তিনি ১৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর আমেরিকা থেকে দাস প্রথা বিলোপ করার ঘোষণা দেন।
সরকারের দাস প্রথা বিলোপ করার ঘোষণার প্রেক্ষাপটে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা মূলত মার্কিন ফেডারেল সরকার আর বিপ্লবী ১১টি দাস-নির্ভর প্রদেশের মাঝে সংগঠিত হয়।
এই ১১টি প্রদেশ পূর্বেই নিজেদেরকে। মূল যুক্তরাষ্ট্র হতে আলাদা ঘোষণা করেছিল এবং নামকরণ করেছিল 'কনফেডারেট স্টেটস অব আমেরিকা' এবং এর নেতৃত্বে ছিলেন জেফারসন ডেভিস।
- ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয় লিংকনের বিখ্যাত 'Emancipation Proclamation' যার ফলে সকল দাস আইনগতভাবে দাসত্ব থেকে মুক্তি পায়।
মার্কিন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী অনুমোদনের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।

উৎস:  ব্রিটানিকা, ইউএস ন্যাশনাল আর্কাইভস এবং হিস্টোরি ডটকম।

১২.
'আরব বসন্ত' সূচনা হয়- 
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

• আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত হলো আরব মুসলিম দেশগুলোতে সংঘটিত হওয়া সিরিজ বা ধারাবাহিক গণঅভ্যুত্থান।
- ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বোয়াজিজি নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় সর্বপ্রথম গণবিক্ষোভ বা আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
- এর ফলে ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক জাইন এল বেন আলী এর পতন ঘটে।

- পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে।
- লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নিয়েছে। এই দেশগুলোতে এখনো সংঘাত চলমান রয়েছে।

উৎস: হিস্টোরি.কম এবং দ্যা গার্ডিয়ান রিপোর্ট

১৩.
মিশরীয় সভ্যতার চিত্রলিপিকে কী বলা হয়?
  1. ওডিসি
  2. হায়ারোগ্লিফিক
  3. প্যাপিরাস
  4. ক্যালিওগ্রাফি
ব্যাখ্যা

• মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।

- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক ’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কাণ্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- সেই কাগজের ওপর তারা লিখত। গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’।
- এই শব্দ থেকে ইংরেজি পেপার শব্দের উৎপত্তি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪.
ভেলভেট ডিভোর্স-এর মাধ্যমে কোন দু'টি দেশের জন্ম হয়?
  1. রাশিয়া ও ইউক্রেন
  2. সার্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  3. চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া
  4. পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি
ব্যাখ্যা

• ভেলভেট ডিভোর্স:
- ভেলভেট ডিভোর্স-এর ফলে চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়ার জন্ম হয়।

• 'ভেলভেট ডিভোর্স' বলতে ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার শান্তিপূর্ণ বিভক্তিকে বোঝায়।
- ১৯৯২ সালের নভেম্বরে ফেডারেল আইনসভা চেকোস্লোভাকিয়াকে বিভক্ত করার পক্ষে ভোট দেয়।
- পৃথক সংবিধান প্রণয়নের পর ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি স্বাধীন দেশের জন্ম হয়। এগুলো হলো: চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া।
- এটি ইতিহাসে ভেলভেট নামে পরিচিত কারণ বিচ্ছেদটি সম্পূর্ণ রক্তপাতহীন ও শান্তিপূর্ণ ছিল। এখানে কোনো যুদ্ধ বা সহিংসতা হয়নি।

উল্লেখ্য,
ভেলভেট বিপ্লব:
- 'ভেলভেট বিপ্লব' হলো চেকোস্লোভাকিয়ায় সংঘটিত একটি অহিংস ও শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন। 
- ১৯৮৯ সালের ১৭ নভেম্বর – ২৯ ডিসেম্বর এই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
- এর মাধ্যমে দেশটিতে ৪১ বছরের কমিউনিস্ট শাসনের পতন ঘটে এবং সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: Britannica.

১৫.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা

• চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution):
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং- এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- এটি ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয়।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই
বিপ্লব শুরু হয়।
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

উৎস: Britannica.com

১৬.
ব্যাবিলন কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. সিন্ধু
  2. ইউফ্রেটিস 
  3. নীল
  4. জর্ডান নদী
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- ব্যাবিলন ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর তীরে অবস্থিত।
- ব্যাবিলন ছিল একটি প্রাচীন শহর যা বর্তমানে ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থিত।
- ব্যাবিলন প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম সেরা শহর, মহান স্থাপত্যের শহর এবং শিক্ষার কেন্দ্র হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল।
- ব্যাবিলন ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে প্রায় ৮৮ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ছিল। 
- ব্যাবিলন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ৪০০০ বছরেরও বেশি আগে, প্রায় ২৩০০ BCE।
- এটি মূলত একটি ছোট বন্দর শহর ছিল। এর আদি বাসিন্দারা ছিল দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার প্রাচীন আক্কাদিয়ান-ভাষী মানুষ।
- ব্যাবিলনের প্রাচীনতম উল্লেখগুলির মধ্যে একটি 'বুক অফ জেনেসিস'-এ শহর যেটিতে বাবেলের টাওয়ারটি নির্মিত হয়েছিল।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান এই শহরে অবস্থিত।

উৎস: Worldatlas.com

১৭.
বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে কখন?
  1.  ১৮৮৯ সালে
  2.  ১৭৮৯ সালে
  3.  ১৭৯৯ সালে
  4.  ১৮৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।

উৎস: Britannica.com

১৮.
পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন কোন সভ্যতা?
  1. রোম সভ্যতা
  2. অ্যাসেরীয় সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. ক্যালডীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

অ্যাসেরীয় সভ্যতা:
- বিজ্ঞান ও জ্যোতিশাস্ত্রে অ্যাশেরীয়রা অতুলনীয় অবদান রাখেন যা বর্তমান সময়েও কাজে লাগে।
- তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য তারা মেসোপটেমিয়ায় সর্বপ্রথম লাইব্রেরি স্থাপন করেন যা বর্তমানে ইরাকের 'নিনেভাহ' তে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরী হিসাবে পরিচিত যা মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরী থেকেও কয়েকশ বছরের পুরনো।
- অ্যাসেরীয়রা প্রথম লোহার তৈরি তলোয়ার, বর্শা, ধনুক ইত্যাদি অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করতো।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
কোন বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করা হয়?
  1. বলশেভিক বিপ্লব
  2. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  3. অক্টোবর বিপ্লব
  4. নভেম্বর বিপ্লব
ব্যাখ্যা

রাশিয়া ১৯১৭ সালে সংঘটিত বিপ্লবের দুটি পর্যায় রয়েছে।
যথা -
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয়। ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় দুটি বিপ্লব সংগঠিত হয়। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব বলে।
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লব নেতৃত্ব দেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি।

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা।

২০.
ভলতেয়ার কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. ফ্রান্স
  2. রাশিয়া
  3. ইতালি 
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

ভলতেয়ার:
- ভলতেয়ার ছিলেন ফরাসি  ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক।
- ফ্রঁসোয়া-মারি আরুয়ে  যিনি ছদ্মনাম ভলতেয়ার নামেই বেশি পরিচিত,
- ফরাসি আলোকময় যুগের একজন লেখক, প্রাবন্ধিক,ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক।
- তার বাকচাতুর্য ও দার্শনিক ছলাকলা সুবিদিত।
- তিনি নাগরিক স্বাধীনতার স্বপক্ষে, বিশেষত ধর্মের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়ার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- তিনি ফ্রান্সের কঠোর সেন্সর আইন উপেক্ষা করে সামাজিক সংস্কারের অন্যতম প্রবক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- খ্রিস্টান গির্জা ও তৎকালীন ফরাসি সামাজিক আচার ছিল তার ব্যঙ্গবিদ্রুপের লক্ষ্য।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কত তারিখকে D-Day বলা হয় ?
  1. ৬ জুন
  2. ৮ জুন
  3. ৬ মে
  4. ৮ মে
ব্যাখ্যা

D-Day:
- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ফ্রান্সে মিত্রপক্ষের সেনাবাহিনীর অবতরণের দিন স্থির হয়।
- এই দিনটিকে বলা হয় ডি ডে বা মুক্তি দিবস।
- ৬ জুন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে চার হাজারেরও বেশি জাহাজে করে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মিত্রবাহিনীর সেনা নর্মান্ডি উপকূলে অবতরণ করে।
- তাদের নিরাপত্তার জন্য ১১ হাজার বিমান প্রস্তুত রাখা হয়।
- মিত্র পক্ষের সেনাবাহিনীতে আমেরিকান, ইংরেজ, কানাডীয়, ওলন্দাজ, পোল নরওয়েজিও, ফরাসি ও গ্রিক সৈনিক ছিল।
- ডি দিবস (D Day) বা অবতরণ দিবসের দিন ধার্য হয় ১৯৯৪ সালের ১ জুন।
- কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে ৬ জুন করা হয়।
- এই সুবিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিরেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস-২, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এস্টার ম্যাকভে 
  2. ররি স্টুওয়ার্ট
  3. নেভিলি চেম্বারলেইন
  4. ম্যাট হ্যানকক
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় যুদ্ধকালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান:
▪ যুক্তরাষ্ট্র - ফ্রাঙ্কলিন ডি.রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান (প্রেসিডেন্ট)
▪ সোভিয়েত ইউনিয়ন - জোসেফ স্ট্যালিন (প্রেসিডেন্ট/নেতা)
▪ যুক্তরাজ্য - উইনস্টন চার্চিল ও নেভিলি চেম্বারলেইন (প্রধানমন্ত্রী)
▪ ফ্রান্স - চার্লস ডি গল (প্রবাসী সরকারের প্রধান)
▪ জার্মানি - এডলফ হিটলার (চ্যান্সেলর/ফুয়েরার)
▪ জাপান - হিরোহিতো (সম্রাট)
▪ ইতালি - বেনিতো মুসোলিনী ও পিয়েত্রো বাডুগোল্লি (প্রধানমন্ত্রী)।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।

২৩.
Home: Shelter :: School : ?
  1. Principal
  2. Student
  3. Teacher
  4. Education
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Home: Shelter :: School : ?

সমাধান:
• এই শব্দজোড়ের ক্ষেত্রে 'স্থান এবং তার মূল উদ্দেশ্য' (Place and Purpose) সম্পর্কটি বিদ্যমান।

• Home : Shelter→ ঘরের মূল উদ্দেশ্য বা কাজ হলো মানুষকে Shelter (আশ্রয়) প্রদান করা। অর্থাৎ Home হলো Shelter-এর স্থান বা উৎস।

একইভাবে,
School : Education→ বিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য বা কাজ হলো শিক্ষা (education) দেওয়া। অর্থাৎ School হলো Education-এর স্থান বা উৎস।

উল্লেখ্য:
- বিকল্পগুলোর মধ্যে 'Principal', 'Student' বা 'Teacher' হলো বিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, কিন্তু 'Education' হলো বিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য বা সেবা।

২৪.
একটি পানি ভর্তি বালতির ওজন ২৫ কেজি। বালতিটি অর্ধেক পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন হয় ১৫ কেজি। খালি বালতির ওজন কত?
  1. ১০ কেজি
  2. ৫ কেজি
  3. ২ কেজি
  4. ৮ কেজি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি পানি ভর্তি বালতির ওজন ২৫ কেজি। বালতিটি অর্ধেক পানি পূর্ণ থাকলে তার ওজন হয় ১৫ কেজি। খালি বালতির ওজন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বালতি + সম্পূর্ণ পানির ওজন = ২৫ কেজি ........ (১)
বালতি + অর্ধেক পানির ওজন = ১৫ কেজি ........ (২)

সমীকরণ (১) থেকে (২) বিয়োগ করে পাই,
অর্ধেক পানির ওজন = (২৫ - ১৫) কেজি = ১০ কেজি
∴ সম্পূর্ণ পানির ওজন = (১০ × ২) কেজি = ২০ কেজি

এখন সমীকরণ (১) থেকে পাই,
খালি বালতির ওজন + সম্পূর্ণ পানির ওজন = ২৫ কেজি
⇒ খালি বালতির ওজন + ২০ কেজি = ২৫ কেজি
⇒ খালি বালতির ওজন = ২৫ - ২০ কেজি
∴ খালি বালতির ওজন = ৫ কেজি

২৫.
C, B এর চেয়ে হালকা; A, D এর চেয়ে ভারী; D, E এর চেয়ে ভারী; B, D এর চেয়ে হালকা; E, B এর চেয়ে ভারী হলে সবচেয়ে ভারী কে?
  1. D
  2. B
  3. A
  4. E
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: C, B এর চেয়ে হালকা; A, D এর চেয়ে ভারী; D, E এর চেয়ে ভারী; B, D এর চেয়ে হালকা; E, B এর চেয়ে ভারী হলে সবচেয়ে ভারী কে?

সমাধান:
C, B এর চেয়ে হালকা
R < B

A, D এর চেয়ে ভারী
D < A

D, E এর চেয়ে ভারী
E < D

B, D এর চেয়ে হালকা
B < D

E, B এর চেয়ে ভারী
B < E

অর্থাৎ, C < B < E < D < A
সুতরাং সবচেয়ে ভারী হচ্ছে - A

২৬.
দেয়ালঘড়িতে ২টা ১৫ মিনিটে ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত হবে?
  1. ২০°
  2. ২২.৫°
  3. ২৫°
  4. ২৭.৫°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দেয়ালঘড়িতে ২টা ১৫ মিনিটে ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত হবে?

সমাধান:
এখানে,
ঘণ্টা = ২
মিনিট = ১৫

আমরা জানি,
θ = |(১১ × মিনিট - ৬০ × ঘণ্টা)/২|
= |(১১ × ১৫ - ৬০ × ২)/২|
= |(১৬৫ - ১২০)/২|
= |৪৫/২|
= ২২.৫°

∴ নির্ণেয় কোণ = ২২.৫°

২৭.
রাকিব, মামুনের চেয়ে ৭ বছরের বড় এবং তানভীরের চেয়ে ৭ বছরের ছোট। আবার মামুন এবং সুমন হলো যমজ। তাহলে তানভীর, সুমনের চেয়ে কত বছরের বড়?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রাকিব, মামুনের চেয়ে ৭ বছরের বড় এবং তানভীরের চেয়ে ৭ বছরের ছোট। আবার মামুন এবং সুমন হলো যমজ। তাহলে তানভীর, সুমনের চেয়ে কত বছরের বড়?

সমাধান:
ধরি, মামুনের বয়স = x বছর।

যেহেতু মামুন এবং সুমন যমজ,
সুতরাং, সুমনের বয়স = x বছর।

প্রশ্নমতে, রাকিব হলো মামুনের চেয়ে ৭ বছরের বড়।
অতএব, রাকিবের বয়স = (x + ৭) বছর।

আবার, রাকিব হলো তানভীরের চেয়ে ৭ বছরের ছোট (অর্থাৎ তানভীর হলো রাকিবের চেয়ে ৭ বছরের বড়)।
অতএব, তানভীরের বয়স = (x + ৭) + ৭ = (x + ১৪) বছর।

এখন, তানভীর এবং সুমনের বয়সের পার্থক্য হবে:
= (x + ১৪) - x = ১৪ বছর।

∴ তানভীর, সুমনের চেয়ে ১৪ বছরের বড়।

২৮.
নিচের অনুক্রমটিতে কতটি 'P' আছে যার ঠিক আগে 'R' এবং ঠিক পরে 'Q' রয়েছে?
R P Q L P R Q R P L R P Q R L P Q R P Q L R L P R P Q L R P
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের অনুক্রমটিতে কতটি 'P' আছে যার ঠিক আগে 'R' এবং ঠিক পরে 'Q' রয়েছে?
R P Q L P R Q R P L R P Q R L P Q R P Q L R L P R P Q L R P

সমাধান:
R P Q L P R Q R P L R P Q R L P Q R P Q L R L P R P Q L R P

- অনুক্রমটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, 'RPQ' বিন্যাসটি মোট 4 বার রয়েছে।

২৯.
অনেক বছর পর আপনার এক প্রতিবেশীর সাথে দেখা হলো যার সাথে দা কুমড়া সম্পর্ক ছিল। ঐ প্রতিবেশী আপনাকে দেখে হাসলেন ও কথা বলতে চাইছেন। তখন আপনি কী করবেন?
  1. অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেবেন।
  2. পুরনো কথা ভুলে গিয়ে তার সাথে হাসি বিনিময় করবেন।
  3. তাকে দেখে পুরনো সম্পর্কের কথা বলবেন।
  4. কিছুই করবেন না নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকবেন।
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: অনেক বছর পর আপনার এক প্রতিবেশীর সাথে দেখা হলো যার সাথে দা কুমড়া সর্ম্পক ছিল। ঐ প্রতিবেশী আপনাকে দেখে হাসলেন ও কথা বলতে চাইছেন। তখন আপনি কী করবেন?

সমাধান:
সঠিক উত্তর: খ) পুরনো কথা ভুলে গিয়ে তার সাথে হাসি বিনিময় করবেন।

• সামাজিক শিষ্টাচার এবং সুস্থ মানসিকতার পরিচয় হলো ক্ষমাশীল হওয়া এবং ইতিবাচক আচরণ করা।
- যেহেতু ঐ প্রতিবেশী নিজে থেকে হাসছেন এবং কথা বলতে চাইছেন, তার মানে তিনি অতীতের তিক্ততা ভুলে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে আগ্রহী।
- এমতাবস্থায় বুদ্ধিমান ও মার্জিত ব্যক্তির কাজ হলো পুরনো ঝগড়া বা বিবাদ (দা কুমড়া সম্পর্ক) ভুলে গিয়ে সৌজন্যমূলক আচরণ করা এবং হাসিমুখে কথা বলা।

∴ সঠিক পদক্ষেপ হলো পুরনো কথা ভুলে গিয়ে তার সাথে হাসি বিনিময় করা।

৩০.
একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৬০ কি. মি. বেগে চলে। ট্রেনটি ৮০০ মি. দীর্ঘ একটি প্লাটফরম ১.৫ মিনিটে অতিক্রম করে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৭০০ মিটার
  2. ৯০০ মিটার
  3. ১০০০ মিটার
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৬০ কি. মি. বেগে চলে। ট্রেনটি ৮০০ মি. দীর্ঘ একটি প্লাটফরম ১.৫ মিনিটে অতিক্রম করে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার
৬০ কিলোমিটার = ৬০ × ১০০০ = ৬০০০০ মিটার

১ ঘণ্টা বা ৩৬০০ সেকেন্ডে অতিক্রম করে = ৬০০০০ মিটার
∴ ১ সেকেন্ডে অতিক্রম করে = ৬০০০০/৩৬০০ = ৫০/৩ মিটার
∴ ১.৫ মিনিট৯০ সেকেন্ডে অতিক্রম করে = (৫০ × ৯০)/৩ = ১৫০০ মিটার

অতএব, ট্রেন + প্লাটফরমের মোট দৈর্ঘ্য = ১৫০০ মিটার
∴ ট্রেনের দৈর্ঘ্য = (১৫০০ - ৮০০) মিটার
= ৭০০ মিটার

৩১.
নিচের শব্দগুলো ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি পাওয়া যাবে?
1. Magnet, 2. Magic, 3. Master, 4. Magma, 5. Machine
  1. 54213
  2. 52413
  3. 51423
  4. 25143
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলো ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি পাওয়া যাবে?
1. Magnet, 2. Magic, 3. Master, 4. Magma, 5. Machine

সমাধান:
শব্দগুলোকে ইংরেজি অভিধানের ক্রমানুসারে সাজালে পাই,
Machine (5)
Magic (2)
Magma (4)
Magnet (1)
Master (3)

∴ সঠিক ক্রম: 52413

৩২.
প্রথম ১০০ টি স্বাভাবিক সংখ্যার গড় কত?
  1. ৪৫.৫
  2. ৪৯.৫
  3. ৫০.৫
  4. ৫১.৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রথম ১০০ টি স্বাভাবিক সংখ্যার গড় কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
গড় = সমষ্টি/পদের সংখ্যা

এখন,
প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার সমষ্টি = n(n + ১)/২
= ১০০(১০০ + ১)/২
= ৫০ × ১০১
= ৫০৫০

গড় = সমষ্টি/পদের সংখ্যা
= ৫০৫০/১০০
= ৫০.৫

∴ প্রথম ১০০ টি স্বাভাবিক সংখ্যার গড় ৫০.৫

৩৩.
আগামী পরশুর পরের দিন যদি সোমবার হয় তাহলে গতকালের আগের দিন কী বার ছিলো?
  1. শুক্রবার 
  2. বুধবার
  3. বৃহস্পতিবার
  4. মঙ্গলবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আগামী পরশুর পরের দিন যদি সোমবার হয় তাহলে গতকালের আগের দিন কী বার ছিলো?

সমাধান:
আগামী পরশুর পরের দিন = সোমবার
অর্থাৎ আগামী পরশুদিন = রবিবার
আগামী দিন = শনিবার

∴ আজ হলো শুক্রবার 
গতকাল ছিল = বৃহস্পতিবার।
∴গতকালের আগের দিন ছিলো - বুধবার

৩৪.
একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ। এর ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত?
  1. ৪৮ মিটার
  2. ৬০ মিটার
  3. ৭২ মিটার
  4. ৮৪ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ। এর ক্ষেত্রফল ২১৬ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত?

সমাধান:
মনে করি, আয়তাকার ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
সুতরাং, দৈর্ঘ্য = ১.৫ক বা ৩ক/২ মিটার

প্রশ্নমতে,
ক × (৩ক/২) = ২১৬
⇒ ৩ক/২ = ২১৬
⇒ ৩ক = ২১৬ × ২
⇒ ৩ক = ৪৩২
⇒ ক = ৪৩২/৩
⇒ ক = ১৪৪
⇒ ক = √১৪৪
∴ ক = ১২

অর্থাৎ, আয়তাকার ঘরের প্রস্থ = ১২ মিটার
এবং দৈর্ঘ্য = (৩ × ১২) / ২ = ১৮ মিটার

∴ পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= ২(১৮ + ১২)
= ২ × ৩০
= ৬০ মিটার

৩৫.
নিচের কোনটি অন্য তিনটি থেকে আলাদা? 
  1. ব্রাজিল
  2. মিশর
  3. চিল্লি
  4. ইকুয়েডর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি অন্য তিনটি থেকে আলাদা?

সমাধান:
ভৌগোলিক অবস্থান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে:
ব্রাজিল, চিলি এবং ইকুয়েডর — এই তিনটি দেশই দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।

অন্যদিকে, মিসর হলো আফ্রিকা Africa মহাদেশের একটি দেশ।
∴ যেহেতু অন্য তিনটি দেশ একই মহাদেশের (দক্ষিণ আমেরিকা), তাই 'মিশর' এখানে ব্যতিক্রম বা আলাদা।

টাইপিং এর ভুলের কারণে 'চিলি' কে 'চিল্লি' লেখা হয়েছে। সে অনুসারে চিল্লি কোন দেশ নয়; অন্য তিনটি দেশ এই লজিকও সামনে আসে।
টাইপিং জনিত ভুলের কারণে প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।  

৩৬.
নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় যথাক্রমে ১০ ও ৫ কি. মি.। নদী পথে ৭৫ কি. মি. দীর্ঘ পথ একবার অতিক্রম করে ফিরে আসতে মোট কত ঘণ্টা সময় লাগবে?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ১৬ ঘণ্টা
  3. ১৮ ঘণ্টা
  4. ২০ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় যথাক্রমে ১০ ও ৫ কি. মি.। নদী পথে ৭৫ কি. মি. দীর্ঘ পথ একবার অতিক্রম করে ফিরে আসতে মোট কত ঘণ্টা সময় লাগবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
নৌকার বেগ = ১০ কি. মি./ঘণ্টা
স্রোতের বেগ = ৫ কি. মি./ঘণ্টা

∴ স্রোতের অনুকূলে নৌকার কার্যকর গতিবেগ = (১০ + ৫) = ১৫ কি. মি./ঘণ্টা
∴ স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার কার্যকর গতিবেগ = (১০ - ৫) = ৫ কি. মি./ঘণ্টা

এখন,
স্রোতের অনুকূলে যেতে সময় = দূরত্ব/গতিবেগ
= ৭৫/১৫
= ৫ ঘণ্টা

আবার,
স্রোতের প্রতিকূলে ফিরে আসতে সময় = দূরত্ব/গতিবেগ
= ৭৫/৫
= ১৫ ঘণ্টা

∴ মোট সময় = (৫ + ১৫) = ২০ ঘণ্টা

৩৭.
এক ব্যক্তির কাছে ১০৫০ টাকা আছে যার মধ্যে ৫ টাকার নোট, ১০ টাকার নোট এবং ২০ টাকার নোটের সংখ্যা সমান। ঐ ব্যক্তির কাছে মোট কতগুলো নোট আছে?
  1. ৬০ টি
  2. ৭৫ টি
  3. ৯০ টি
  4. ১২০ টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক ব্যক্তির কাছে ১০৫০ টাকা আছে যার মধ্যে ৫ টাকার নোট, ১০ টাকার নোট এবং ২০ টাকার নোটের সংখ্যা সমান। ঐ ব্যক্তির কাছে মোট কতগুলো নোট আছে?

সমাধান:
মনে করি, প্রতিটি নোটের সংখ্যা = ক

প্রশ্নমতে,
(৫ × ক) + (১০ × ক) + (২০ × ক) = ১০৫০
⇒ ৫ক + ১০ক + ২০ক = ১০৫০
⇒ ৩৫ক = ১০৫০
⇒ ক = ১০৫০/৩৫
⇒ ক = ৩০

যেহেতু ৫ টাকা, ১০ টাকা এবং ২০ টাকার নোটের সংখ্যা সমান এবং প্রতিটি ৩০টি করে,
সুতরাং, মোট নোটের সংখ্যা = (৩০ + ৩০ + ৩০) = ৯০ টি।

∴ ঐ ব্যক্তির কাছে মোট ৯০ টি নোট আছে।

৩৮.
নিচের কোনটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?
  1. মৃত্যুক্ষুধা
  2. সোনারতরী
  3. বাঁধনহারা
  4. কুহেলিকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?

সমাধান:
• মৃত্যুক্ষুধা, বাঁধনহারা, ও কুহেলিকা — তিনটিই কাজী নজরুল ইসলামের রচনা।
অন্যদিকে,
সোনারতরী — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ।

∴ সঠিক উত্তর: খ) সোনারতরী — এটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

৩৯.
Ideally perfect but impracticable-
  1. Realistic
  2. Mediocrity
  3. Utopian
  4. Pragmatic
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Ideally perfect but impracticable-

সমাধান:
• “Ideally perfect but impracticable” অর্থাৎ যা তত্ত্বে বা কল্পনায় নিখুঁত কিন্তু বাস্তবে অসম্ভব বা অপ্রয়োগযোগ্য — এই ধারণার জন্য সবচেয়ে সঠিক ও সাধারণত ব্যবহৃত শব্দ হলো Utopian।

- Utopian শব্দটি এসেছে Thomas More-এর বই Utopia (১৫১৬) থেকে, যেখানে একটি কাল্পনিক নিখুঁত সমাজের বর্ণনা আছে যা কখনো বাস্তবে হতে পারে না।
- এটি ঠিক এই অর্থ বহন করে: আদর্শগতভাবে পরিপূর্ণ কিন্তু বাস্তবায়ন অসম্ভব।

অন্যান্য অপশন:
ক) Realistic: বাস্তবসম্মত → Utopian-এর বিপরীত
খ) Mediocrity: সাধারণত্ব/মাঝারি মান
ঘ) Pragmatic: বাস্তববাদী/কার্যকরী → Utopian-এর বিপরীত

৪০.
একদল ছাত্র বনভোজনে যাওয়ার জন্য ২৪০ টাকা খাবারের খরচ হিসেবে বরাদ্দ করল। কিন্তু ২ জন ছাত্র অনুপস্থিত থাকায় প্রত্যেকের মাথাপিছু খরচ ৪ টাকা করে বৃদ্ধি পেল। বনভোজনে কতজন ছাত্র উপস্থিত ছিল?
  1. ৯ জন
  2. ১০ জন
  3. ১২ জন
  4. ১৫ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একদল ছাত্র বনভোজনে যাওয়ার জন্য ২৪০ টাকা খাবারের খরচ হিসেবে বরাদ্দ করল। কিন্তু ২ জন ছাত্র অনুপস্থিত থাকায় প্রত্যেকের মাথাপিছু খরচ ৪ টাকা করে বৃদ্ধি পেল। বনভোজনে কতজন ছাত্র উপস্থিত ছিল?

সমাধান:
মনে করি, শুরুতে মোট ছাত্রের সংখ্যা ছিল x জন।
শুরুতে প্রত্যেকের মাথাপিছু খরচ হওয়ার কথা ছিল = ২৪০/x টাকা।
২ জন অনুপস্থিত থাকায় বর্তমানে উপস্থিত ছাত্রের সংখ্যা = (x - ২) জন।

বর্তমানে প্রত্যেকের মাথাপিছু খরচ = ২৪০/(x - ২) টাকা।

প্রশ্নমতে,
{২৪০/(x - ২)} - (২৪০/x) = ৪
⇒ {৬০/(x - ২)} - (৬০/x) = ১   [৪ দিয়ে উভয় পক্ষকে ভাগ করে]
⇒ {৬০x - ৬০(x - ২)}/{x(x - ২)} = ১
⇒ {৬০x - ৬০x + ১২০}/{x - ২x} = ১
⇒ ১২০ = x - ২x
⇒ x - ২x - ১২০ = ০
⇒ x - ১২x + ১০x - ১২০ = ০
⇒ x(x - ১২) + ১০(x - ১২) = ০
⇒ (x - ১২)(x + ১০) = ০
হয়, x - ১২ = ০ ⇒ x = ১২
অথবা, x + ১০ = ০ ⇒ x = - ১০ (ছাত্রের সংখ্যা ঋণাত্মক হতে পারে না)

∴ শুরুতে ছাত্রের সংখ্যা ছিল ১২ জন।
∴ বনভোজনে উপস্থিত ছিল = (১২ - ২) = ১০ জন।

৪১.
বৃক্ষায়ন প্রয়োজন, কেননা —
  1. গাছপালা মাটির উর্বরতা কমিয়ে দেয়
  2. এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে
  3. বৃক্ষের আর্থিক মূল্য বেশি
  4. গাছ বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধি করে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বৃক্ষায়ন প্রয়োজন, কেননা —

সমাধান:
• বৃক্ষায়নের মূল এবং প্রধান উদ্দেশ্য হলো প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য (Ecological Balance) বজায় রাখা।
-
গাছ বায়ুমণ্ডল থেকে বিষাক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং প্রাণিকুলের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ত্যাগ করে।
- এছাড়া বনভূমি বৃষ্টিপাত ঘটাতে এবং মরুপ্রক্রিয়া রোধ করতে সাহায্য করে।

∴ সঠিক উত্তর: খ) এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।

৪২.
একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে এক সারিতে কিছু চারাগাছ লাগানো হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট চারাগাছ উভয় প্রান্ত থেকেই ২৫তম অবস্থানে থাকলে, ঐ সারিতে মোট কতটি চারাগাছ আছে?
  1. ৪৫টি
  2. ৫০টি
  3. ৪৯টি
  4. ৫১টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে এক সারিতে কিছু চারাগাছ লাগানো হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট চারাগাছ উভয় প্রান্ত থেকেই ২৫তম অবস্থানে থাকলে, ঐ সারিতে মোট কতটি চারাগাছ আছে?

সমাধান:
আমরা জানি,
সারি বা লাইনের মোট সংখ্যা = (এক প্রান্ত থেকে অবস্থান + অন্য প্রান্ত থেকে অবস্থান) - ১

এখানে,
বাম/এক প্রান্ত থেকে চারাগাছটির অবস্থান = ২৫তম
ডান/অন্য প্রান্ত থেকে চারাগাছটির অবস্থান = ২৫তম

সুতরাং, সারিতে মোট চারাগাছ আছে = (২৫ + ২৫) - ১
= ৫০ - ১
= ৪৯টি

∴ ঐ সারিতে মোট ৪৯টি চারাগাছ আছে।

৪৩.
রায়হান একজন নারীকে ইশারা করে বললেন, "তার পৌত্রী হলো আমার ভাইয়ের একমাত্র কন্যা।" রায়হানের সঙ্গে ঐ নারীর সম্পর্ক কেমন? 
  1. শ্বাশুড়ি
  2. দাদী
  3. মা
  4. বোন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রায়হান একজন নারীকে ইশারা করে বললেন, "তার পৌত্রী হলো আমার ভাইয়ের একমাত্র কন্যা।" রায়হানের সঙ্গে ঐ নারীর সম্পর্ক কেমন?

সমাধান:
নারীর পৌত্রী অর্থাৎ ছেলের মেয়ে হলো রায়হানের ভাইয়ের মেয়ে।
অর্থাৎ রায়হানের ভাই ঐ নারীর ছেলে।
সুতরাং, রায়হানও ঐ নারীর ছেলে।

∴ নারীটি রায়হানের মা।

৪৪.
একজন মা তার অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তানের প্রতি মনে মনে বিরক্তি পোষণ করলেও জনসম্মুখে তাকে অতিরিক্ত ভালোবাসা ও যত্ন প্রদর্শন করেন। মায়ের এই আচরণটি কোন ধরনের আত্মরক্ষামূলক কৌশল?
  1. উদগতি (Sublimation)
  2. ক্ষতিপূরণ (Compensation)
  3. অবদমন (Repression)
  4. প্রতিক্রিয়া সংগঠন (Reaction formation)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন মা তার অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তানের প্রতি মনে মনে বিরক্তি পোষণ করলেও জনসম্মুখে তাকে অতিরিক্ত ভালোবাসা ও যত্ন প্রদর্শন করেন। মায়ের এই আচরণটি কোন ধরনের আত্মরক্ষামূলক কৌশল?

সমাধান:
এখানে, মায়ের এই আচরণটি হলো প্রতিক্রিয়া সংগঠন (Reaction formation)।
• প্রতিক্রিয়া সংগঠন (Reaction formation):
- মনোবিজ্ঞানে যখন কোনো ব্যক্তি তার মনের গভীরের কোনো নেতিবাচক বা অসামাজিক ইচ্ছাকে (এখানে সন্তানের প্রতি অনিচ্ছা বা বিরক্তি) সচেতনভাবে দমন করার জন্য ঠিক তার বিপরীত ধর্মী আচরণ (অতিরিক্ত ভালোবাসা) প্রকাশ করে, তখন তাকে প্রতিক্রিয়া সংগঠন (Reaction formation) বলা হয়। মা এখানে তার অবদমিত অপরাধবোধ থেকে বাঁচতে এবং নিজেকে একজন আদর্শ মা হিসেবে প্রমাণ করতে বাস্তব অনুভূতির ঠিক উল্টো আচরণ করছেন।

• আত্মরক্ষামূলক কৌশল:
- প্রকৃত সমস্যার সমাধান না করে কিছু কৌশল প্রয়োগ করে মানসিক চাপের কবল থেকে ব্যক্তি আত্মরক্ষা করার যে প্রচেষ্টা তাকেই আত্মরক্ষামূলক কৌশল (ego defense mechanism) বা প্রতিরক্ষণ কৌশল (defense mechanism) বলে।
- নিম্নে বিভিন্ন রকম আত্মরক্ষামূলক কৌশল উল্লেখ করা হলো:
১. অবদমন (Repression): এটি কোনো কষ্টদায়ক বা নীতিবিরোধী ইচ্ছাকে জোরপূর্বক ভুলে থাকা বা অচেতন মনে দাবিয়ে রাখার প্রক্রিয়া। প্রকৃতির দিক দিয়ে অবদমন হলো সঙ্গতিবিধানের চরমতম এবং নিকৃষ্টতম কৌশল।

২. অপব্যাখ্যান বা যুক্তিসিদ্ধকরণ (Rationalization): নিজের ব্যর্থতা বা অক্ষমতাকে ঢাকতে মিথ্যা কিন্তু গ্রহণযোগ্য যুক্তি দেওয়া। যেমন: আঙুর ফল টক বলা বা বয়স হয়েছে বলে খেলায় অংশ না নেওয়ার অজুহাত দেওয়া।

৩. প্রতিক্রিয়া সংগঠন (Reaction formation): মনের আসল (নেতিবাচক) ইচ্ছাকে লুকিয়ে রাখতে ঠিক তার বিপরীত আচরণ করা। যেমন: অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তানের প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা প্রদর্শন করা।

৪. প্রত্যাবৃত্তি (Regression): বর্তমানের চাপ সহ্য করতে না পেরে শৈশবের শিশুসুলভ আচরণে ফিরে যাওয়া।

৫. প্রতিক্ষেপণ/প্রক্ষেপণ (Projection): নিজের দোষ বা ব্যর্থতা অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে নিজেকে নির্দোষ ভাবা।

৬. ক্ষতিপূরণ (Compensation): এক ক্ষেত্রের ব্যর্থতাকে অন্য ক্ষেত্রের সাফল্য দিয়ে ঢেকে দেওয়া (যেমন: পড়াশোনায় খারাপ কিন্তু খেলায় ভালো)।

৭. উদগতি (Sublimation): অসামাজিক ইচ্ছাকে সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য কাজে রূপান্তর করা (যেমন: প্রেমে ব্যর্থ হয়ে কবি হওয়া)।

৮. একাত্মভাবন (Identification): অন্যের কৃতিত্বকে নিজের ভেবে আনন্দ পাওয়া (যেমন: সিনেমার নায়কের সাথে নিজেকে কল্পনা করা)।

৯. অপস্থাপন (Displacement): শক্তিশালী কারো ওপর রাগ ঝাড়তে না পেরে দুর্বল নিরপরাধ কারো ওপর তা প্রকাশ করা।

১০. দিবাস্বপ্ন (Daydreaming): অপূর্ণ ইচ্ছাকে কল্পনার জগতে পূরণ করে সাময়িক তৃপ্তি পাওয়া।

উৎস: মানসিক চাপ ও মোকাবেলা, পঞ্চম অধ্যায়, মনোবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, প্রফেসর যোগেন্দ্র কুমার মন্ডল।

৪৫.
একটি জারে থাকা ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা প্রতিদিন দ্বিগুণ হয়। ২০ দিনে জারটি সম্পূর্ণ পূর্ণ হলে, ঐ জারের ১/৪ অংশ পূর্ণ হতে কত দিন সময় লেগেছিল?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১৮ দিন
  4. ১৯ দিন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি জারে থাকা ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা প্রতিদিন দ্বিগুণ হয়। ২০ দিনে জারটি সম্পূর্ণ পূর্ণ হলে, ঐ জারের ১/৪ অংশ পূর্ণ হতে কত দিন সময় লেগেছিল?

সমাধান:
ব্যাকটেরিয়া প্রতিদিন দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পায়।
সম্পূর্ণ জারটি ভরতে সময় লাগে = ২০ দিন।

যেহেতু প্রতিদিন সংখ্যা দ্বিগুণ হয়, তাই:
২০তম দিনে = সম্পূর্ণ জার ভরে = ১ (পূর্ণ অংশ)
১৯তম দিনে = অর্ধেক জার ভরে = ১/২ অংশ
১৮তম দিনে = এক-চতুর্থাংশ জার ভরে = ১/৪ অংশ

∴ ঐ জারের ১/৪ অংশ পূর্ণ হতে ১৮ দিন সময় লেগেছিল।

৪৬.
প্রত্যক্ষণ, শিক্ষণ, আবেগ ইত্যাদিকে কোন শব্দ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়?
  1. Mental process
  2. Mental maturity
  3. Mental characteristics
  4. Mental illness
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রত্যক্ষণ, শিক্ষণ, আবেগ ইত্যাদিকে কোন শব্দ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়?

সমাধান:
• মনোবিজ্ঞানের সংজ্ঞানুযায়ী, মানুষের মনের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াকলাপ যেমন—প্রত্যক্ষণ (Perception), শিক্ষণ (Learning), আবেগ (Emotion), স্মৃতি (Memory) ও চিন্তা (Thinking)—এগুলো সবই 'Mental process' বা মানসিক প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত।

প্রত্যক্ষণ (Perception): ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যকে অর্থপূর্ণ করা।
শিক্ষণ (Learning): অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আচরণের পরিবর্তন।
আবেগ (Emotion): কোনো উদ্দীপকের প্রতি মানসিক ও শারীরিক প্রতিক্রিয়া।
- এই বিষয়গুলো মানুষের তথ্য গ্রহণ, অনুধাবন এবং প্রতিক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত, যাকে সমষ্টিগতভাবে 'Mental process' বা মানসিক প্রক্রিয়া বলা হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Mental maturity: এটি মানসিক পরিপক্কতাকে বোঝায়, যা সাধারণত বয়স ও অভিজ্ঞতার সাথে বিকশিত হয়।
- Mental characteristics: এটি মানসিক বৈশিষ্ট্য বা স্বভাবকে বোঝায় যা একজন মানুষকে অন্যজনের থেকে আলাদা করে (যেমন: শান্ত স্বভাব বা মেধা)।
- Mental illness: এটি মানসিক রোগ বা অস্বাভাবিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।