১.
'যে যাবে না সে থাকুক, চলো, আমরা এগিয়ে যাই।
যে-সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে যে-মন্ত্র শিখেছি' - পংক্তিগুলোর রচয়িতা কে?
যে-সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে যে-মন্ত্র শিখেছি' - পংক্তিগুলোর রচয়িতা কে?
ব্যাখ্যা
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো, আমরা এগিয়ে যাই।
যে-সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে যে-মন্ত্র শিখেছি,' পংক্তিগুলোর রচয়িতা রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ।
- লাইন দুটি ‘মিছিল’ কবিতা থেকে নেয়া।
- ‘মিছিল’ কবিতাটি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ছোবল কাব্য থেকে সংকলন করা হয়েছে।
- এ কবিতায় কবি অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে মিছিলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, দেশাত্মবোধ, গণআন্দোলন ও অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধের অসাধারণ এক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ।
মূলত স্বাধীনতা-উত্তর বাংলা কবিতায় উচ্চকণ্ঠে প্রতিবাদী কবি হিসেবে তাঁর আবির্ভাব।
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ১৬ই অক্টোবর ১৯৫৬ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পৈতৃক নিবাস বাগেরহাটের মোংলায়
তিনি ‘সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট’ ও ‘জাতীয় কবিতা পরিষদ' গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য:
- উপদ্রুত উপকূল,
- ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম,
- মানুষের মানচিত্র,
- ছোবল ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা সাহিত্য পাঠ, নবম দশম শ্রেণি।
যে-সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে যে-মন্ত্র শিখেছি,' পংক্তিগুলোর রচয়িতা রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ।
- লাইন দুটি ‘মিছিল’ কবিতা থেকে নেয়া।
- ‘মিছিল’ কবিতাটি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ছোবল কাব্য থেকে সংকলন করা হয়েছে।
- এ কবিতায় কবি অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে মিছিলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, দেশাত্মবোধ, গণআন্দোলন ও অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধের অসাধারণ এক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ।
মূলত স্বাধীনতা-উত্তর বাংলা কবিতায় উচ্চকণ্ঠে প্রতিবাদী কবি হিসেবে তাঁর আবির্ভাব।
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ১৬ই অক্টোবর ১৯৫৬ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পৈতৃক নিবাস বাগেরহাটের মোংলায়
তিনি ‘সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট’ ও ‘জাতীয় কবিতা পরিষদ' গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য:
- উপদ্রুত উপকূল,
- ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম,
- মানুষের মানচিত্র,
- ছোবল ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা সাহিত্য পাঠ, নবম দশম শ্রেণি।