পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৬ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা সিলেবাস - পরীক্ষা ১৩, ১৪ ও ১৫ [Live Class – ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় ক্ষমতা কীভাবে ভাগ করা হয়?
  1. শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে
  2. শুধুমাত্র প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে
  3. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে
  4. কেন্দ্রীয় ও সামরিক সরকারের মধ্যে
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা:
- আধুনিক সরকারের শ্রেণিবিভাগের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা অন্যতম।
- যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায় এমনভাবে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টিত হয়।
- সাংবিধানিকভাবে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার নিজ নিজ শাসনকার্য পরিচালনা করে এবং কেউ কারাে কাজে হস্তক্ষেপ করে না।
- আধুনিক বিশ্বের অনেক দেশেই যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

মূল বৈশিষ্ট্য:
- কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টিত থাকে।
- ক্ষমতা তিনটি শাখায় বিভক্ত - নির্বাহী (Executive), আইনসভা (Legislative) এবং বিচার বিভাগ (Judiciary)।
- তিনটি শাখা একে অপরের ক্ষমতা সীমিত এবং ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে পারে।
- নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করার জন্য সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো এবং স্বাধীন বিচারব্যবস্থা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক 'ভিয়েনা কনভেনশন' কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা কনভেনশন:
- পুরো নাম : Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer.
- চুক্তি গৃহিত : ১৯৮৫ সালে।
- স্থান : ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 
- চুক্তি কার্যকর : ১৯৮৮ সালে।
- উদ্দেশ্য : ওজনস্তর ক্ষয়কারী বস্তুর উৎপাদন ও ব্যবহার কমানো।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। [Link]
.
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন কে?
  1. ট্রিগভেলি
  2. উ থান্ট
  3. কফি আনান
  4. দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
ব্যাখ্যা
প্রথম মহাসচিব (Secretary-General):
- জাতিসংঘের মহাসচিব জাতিসংঘ সচিবালয়ের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- জাতিসংঘের মহাসচিব ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন নরওয়ের ট্রিগভেলি।
- তিনি ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ থেকে নভেম্বর ১৯৫২ মেয়াদে জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যদিকে,
- ২য় মহাসচিব ছিলেন দ্যাগ হ্যামারশোল্ড।
- তৃতীয় মহাসচিব ছিলেন মিয়ানমারের উ থান্ট। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন।
- সপ্তম মহাসচিব ছিলেন কফি আনান (ঘানা)।
- জাতিসংঘের বর্তমান ও নবম মহাসচিব - আন্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল)। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
OIC-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৫টি
  2. ৫৩টি
  3. ৫৭টি
  4. ৬০টি
ব্যাখ্যা
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC):
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে।

তথ্যসূত্র: OIC ওয়েবসাইট। [Link]
.
স্যাটেলাইট রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়?
  1. পরমাণু অস্ত্রের মালিকানাধীন রাষ্ট্র
  2. সামরিক শক্তিতে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র
  3. শক্তিশালী রাষ্ট্র দ্বারা প্রভাবিত দুর্বল রাষ্ট্র
  4. তথ্য প্রযুক্তিতে উন্নতশীল রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
স্যাটেলাইট রাষ্ট্র (Satellite State):
- কোনো বৃহৎ রাষ্ট্রের অর্থনীতি ও রাজনীতি দ্বারা অন্য কোনো রাষ্ট্র (বিশেষত,দুর্বল ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলো) কিংবা রাষ্ট্রের অর্থনীতি এবং রাজনীতি প্রভাবিত হয় তাহলে প্রভাবিত সেই রাষ্ট্র গুলোকে Satellite State বা পোষ্য রাষ্ট্র বলে।
(A satellite state is a political term for a country that is formally independent, but under heavy political, economic, and military influence or control by another country.)
- স্যাটেলাইট রাষ্ট্রগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হলেও তারা মূলত শক্তিশালী রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের অধীনে থাকে।
- এই রাষ্ট্রগুলি সাধারণত শক্তিশালী রাষ্ট্রের সামরিক বা অর্থনৈতিক প্রভাবের আওতায় থাকে।

উদাহরণ:
- মিয়ানমারের রাজনীতি ও অর্থনৈতিক সিস্টেম চীনের রাজনীতি ও অর্থনীতি দিয়ে প্রভাবিত।
- পাপুয়া নিউগিনি ও নাউরু অস্ট্রেলিয়ার সিস্টেম অর্থনীতি ও রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত।
- সম্প্রতি বেলারুশ রাশিয়ার স্যাটেলাইট স্টেট হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে IMF গঠিত হয়?
  1. টোকিও সম্মেলন
  2. প্যারিস সম্মেলন
  3. জেনেভা সম্মেলন
  4. ব্রেটন উডস সম্মেলন
ব্যাখ্যা
The International Monetary Fund (IMF):
- The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- ১৯৪৪ সালে Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯১টি। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
- সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।

উল্লেখ্য,
- IMF এর রিজার্ভ মুদ্রা ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র: IMF ওয়েবসাইট। [Link]
.
'APEC' কোন অঞ্চলের বাণিজ্যিক জোট?
  1. ইউরোপ
  2. দক্ষিণ এশিয়া
  3. দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকা
  4. এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয়
ব্যাখ্যা
APEC:
- APEC-এর পূর্ণরূপ Asia-Pacific Economic Cooperation.
- এটি এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।
- এটি গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
- উদ্দেশ্য: সুষম, অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই, উদ্ভাবনী এবং নিরাপদ প্রবৃদ্ধি প্রচার করা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।

তথ্যসূত্র: APEC ওয়েবসাইট। [Link] 
.
কোন দেশটি D-8 জোটের সদস্য নয়?
  1. তুরস্ক
  2. ইরান
  3. মালয়েশিয়া
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
• 'সৌদি আরব' D-8 জোটের সদস্য নয়।

Developing Eight (D-8):
- D-8 হলো মুসলিম বিশ্বের আটটি উন্নয়নশীল দেশের একটি অর্থনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত।

• D-8 এর সদস্য দেশগুলো হলো (৮টি):
- তুরস্ক;
- বাংলাদেশ;
- পাকিস্তান;
- মিশর;
- নাইজেরিয়া;
- মালয়েশিয়া;
- ইন্দোনেশিয়া এবং
- ইরান।

তথ্যসূত্র: D-8 ওয়েবসাইট। [Link]
.
নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি (Wolf Warrior Diplomacy) কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ইরান
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি (Wolf Warrior Diplomacy):
- এটি একটি আধুনিক কূটনৈতিক কৌশল বা পদ্ধতি, যা চীনের সম্প্রতিক কূটনৈতিক মনোভাব ও আচরণকে বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত চীনের কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের (বিশেষত রাষ্ট্রদূতদের) আক্রমণাত্মক, কঠোর, এবং প্ররোচনামূলক মনোভাব এবং শাব্দিক আক্রমণকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ২০২০ সাল থেকেই নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি চালিয়ে আসছে চীন।
- চীনের নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতির বৈশিষ্ট্য:
: চীনের কূটনীতিকরা সরাসরি আক্রমণাত্মক ভাষায় বিশ্বের অন্যান্য দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনা করেন।
: চীনের কূটনৈতিক কর্মকর্তারা তাদের দেশ ও সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের বিবৃতি ও প্রতিক্রিয়া জানিয়ে থাকেন।
: নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতির পদ্ধতিতে চীন বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালিয়ে তার নিজস্ব রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা পদ্ধতিকে বিশ্বজনীন ন্যায় হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১০.
Sustainable Development Goals বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা কত সাল নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ২০২৫ সাল
  2. ২০৩০ সাল
  3. ২০৩৫ সাল
  4. ২০৪০ সাল
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১১.
রামসার কনভেনশনের বিষয়বস্তু কী?
  1. মরুভূমি সংরক্ষণ
  2. জলাভূমি সংরক্ষণ
  3. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
  4. খনিজ সম্পদ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention):
- রামসার কনভেনশন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

তথ্যসূত্র: Ramsar Convention ওয়েবসাইট। [Link]
১২.
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কোন প্রতিষ্ঠান মূলত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে?
  1. IDA
  2. IBRD
  3. MIGA
  4. ICSID
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক বলতে IBRD (International Bank for Reconstruction and Development) কে বুঝানো হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে: জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অজয় বঙ্গ (বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট সবসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা মনোনীত এবং মার্কিন নাগরিক হয়ে থাকে)।
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।

• প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD): মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে ঋণ প্রদান।
2. International Development Association (IDA): যে সব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায়না তাদের স্বল্প সুদে ও দীর্ঘমেয়াদে ঋণ প্রদান করে। অন্য নাম: Soft-loan Window.
3. International Finance Corporation (IFC): উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করা।
4. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA): উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গ্যারান্টি প্রদান করা।
5. International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID): সদস্য রাষ্ট্রের উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করা।

তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।[Link]
১৩.
'পশতুন' জাতিগোষ্ঠী কোন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ?
  1. মঙ্গোলিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. তাজিকিস্তান
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী:
- মাওরী: নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী।
- উইঘুর: চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।
- গুর্খা: নেপালের যোদ্ধা জাতি।
- কারেন: স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
- টোডা: বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের বসবাস।
- পশতুন: আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
- এক্সিমো: সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস।
- পিগমি: পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
- জুলু: দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান: আমেরিকার আদিবাসী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।