১.
বাগ্ধ্বনি কয় প্রকার?
সঠিক উত্তর: ক
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
দুই
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি:
মানুষ বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে যা উচ্চারণ করে তা-ই ধ্বনি (Sound)। বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে নানা রকমের ধ্বনি সৃষ্টি করা যায়। কিন্তু এসব ভাষার ধ্বনি নয়। ভাষার ধ্বনি বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত হয় এবং তা অর্থপূর্ণ (meaningful)। বাগ্ধ্বনি দু-প্রকার।
যথা-
১. স্বরধ্বনি (vowel) ও
২. ব্যঞ্জনধ্বনি (consonant)।
• স্বরধ্বনি:
যেসব বাগ্ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস আগত বাতাস মুখের মধ্যে কোথাও কোনো ধরনের বাধা পায় না সেগুলিই স্বরধ্বনি (Vowel)। যেমন- অ, আ, ই, ও, উ ইত্যাদি। কিছু স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস নির্গত বাতাস কোনো রকম বাধা ছাড়াই একই সঙ্গে নাক ও মুখ দিয়ে বের হয়। যেমন- অঁ, আঁ, উঁ, এঁ ইত্যাদি। এগুলিকে বলা হয় আনুনাসিক স্বরধ্বনি। স্বরধ্বনি সাধারণত ঘোষ (voiced) হয়। বাংলা ভাষায় সব স্বরধ্বনিই ঘোষ।
• ব্যঞ্জনধ্বনি:
যেসব বাগ্ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস আগত বাতাস মুখের মধ্যে কখনো সম্পূর্ণ কখনো আংশিক বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয় তাকে বলা হয় ব্যঞ্জনধ্বনি। যেমন- ক্, খ্, র্, ল্, শ্, স্ ইত্যাদি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
মানুষ বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে যা উচ্চারণ করে তা-ই ধ্বনি (Sound)। বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে নানা রকমের ধ্বনি সৃষ্টি করা যায়। কিন্তু এসব ভাষার ধ্বনি নয়। ভাষার ধ্বনি বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত হয় এবং তা অর্থপূর্ণ (meaningful)। বাগ্ধ্বনি দু-প্রকার।
যথা-
১. স্বরধ্বনি (vowel) ও
২. ব্যঞ্জনধ্বনি (consonant)।
• স্বরধ্বনি:
যেসব বাগ্ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস আগত বাতাস মুখের মধ্যে কোথাও কোনো ধরনের বাধা পায় না সেগুলিই স্বরধ্বনি (Vowel)। যেমন- অ, আ, ই, ও, উ ইত্যাদি। কিছু স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস নির্গত বাতাস কোনো রকম বাধা ছাড়াই একই সঙ্গে নাক ও মুখ দিয়ে বের হয়। যেমন- অঁ, আঁ, উঁ, এঁ ইত্যাদি। এগুলিকে বলা হয় আনুনাসিক স্বরধ্বনি। স্বরধ্বনি সাধারণত ঘোষ (voiced) হয়। বাংলা ভাষায় সব স্বরধ্বনিই ঘোষ।
• ব্যঞ্জনধ্বনি:
যেসব বাগ্ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস আগত বাতাস মুখের মধ্যে কখনো সম্পূর্ণ কখনো আংশিক বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয় তাকে বলা হয় ব্যঞ্জনধ্বনি। যেমন- ক্, খ্, র্, ল্, শ্, স্ ইত্যাদি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।