পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী (সমসাময়িক ইস্যু), জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। এবং বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় আয় পরিমাপের পদ্ধতি:
দেশের জাতীয় আয় পরিমাপ করার জন্য প্রধানত তিনটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:
১. উৎপাদন পদ্ধতি – দেশভিত্তিক সকল উৎপাদনের যোগফল হিসাব করা হয়।
২. আয় পদ্ধতি – উৎপাদনের মাধ্যমে অর্জিত আয়ের যোগফল নির্ণয় করা হয়।
৩. ব্যয় পদ্ধতি – চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মোট ব্যয় হিসাব করা হয়।

জাতীয় আয়
• একটি নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক অর্থবছরে, একটি দেশে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তার বাজার মূল্য এবং বিদেশ থেকে নীট আর্থিক অর্জনের সমষ্টিকেই জাতীয় আয় বলা হয়।

• অন্যভাবে বলা যায়, একটি দেশের সকল জনগণ তাদের সম্পদ, শ্রম ও মূলধন ব্যবহার করে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার বাজার মূল্যকেই জাতীয় আয় বলা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কত?
  1. ১৯৭২-৭৭
  2. ১৯৭৩-৭৮
  3. ১৯৭৫-৮০
  4. ১৯৭০-৭৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। 
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
• বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
• বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।

.
ECNEC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Executive Council of National Economic Committee
  2. Economic Committee of National Executive Council
  3. Executive Committee of the National Economic Council 
  4. Executive Council of the National Economy
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- একনেক গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- চেয়ারম্যান বা প্রধান: সরকার প্রধান বা প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী।
- সদস্য: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী , পররাষ্ট্রমন্ত্রী , শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী  ।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
অর্থনৈতি সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ কত?
  1. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬৭১ মার্কিন ডলার 
  3. ২,৭৯৩ মার্কিন ডলার 
  4. ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP) = ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
• চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি = ২,৬৭১ মার্কিন ডলার বা ৩,২১,২৫৪ টাকা।
• স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP)=  ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
• স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার = ৩.৯৭%।
• চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) = ৩,৩৯,২১১ কোটি টাকা।

উৎস:  অর্থনৈতি সমীক্ষা-২০২৫।

.
বাংলাদেশে উৎপাদনভিত্তিক জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সর্বাধিক? (মার্চ-২০২৬)
  1. সেবাখাত 
  2. শিল্পখাত
  3. কৃষিখাত 
  4. তথ্য প্রযুক্তি খাত
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে উৎপাদনভিত্তিক জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সর্বাধিক।

অর্থনীতি/জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান : 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

উল্লেখ্য,
→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং সমসাময়িক জিডিপি সমীক্ষা।

.
সার্বিকভাবে বাংলাদেশের জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি 
  2. ১৯টি 
  3. ২১টি
  4. ২৩টি
ব্যাখ্যা

→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব: 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%। 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত?
  1. প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
  2. প্রায় ৮৩ লক্ষ হেক্টর
  3. প্রায় ৮৫ লক্ষ হেক্টর
  4. প্রায় ৮৯ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৬.৫ শতাংশ
  2. ৫ শতাংশ
  3. ৭ শতাংশ
  4. ৩.৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা

⇒ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি অর্থবছরের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। 
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংশোধিত বাজেটে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। 
- সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
- আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়ন শুরু হবে। 

উল্লেখ্য,

• মূল বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬  ও বাসস।

১০.
বাংলাদেশ কোন ‍উৎস থেকে সর্বাধিক রপ্তানি আয় করে থাকে?
  1. শাক সবজি
  2. হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ
  3. চমড়া
  4. তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ’তৈরি পোশাক’ থেকে সর্বাধিক রপ্তানি আয় করে থাকে।

- প্রধান প্রধান পণ্যের রপ্তানি অবস্থাঃ
→ নীট পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

→ ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

→ হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

→ চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

→ হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪১.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ০.৯১%।

→ কৃষিজাত পণ্য খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০০৬.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.০৯%।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি পরিসংখ্যান।

১১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয় কখন থেকে?
  1. ১ জানুয়ারি ২০২৬
  2. ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  3. ১ মার্চ ২০২৬
  4. ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ 
ব্যাখ্যা

→ চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার- ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ।

-  সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
-  ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।

• মূল বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬  ও বাসস।

১২.
বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ভাতার পরিমাণ কত? (মার্চ-২০২৬)
  1. ৮০০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৯০০ টাকা
ব্যাখ্যা

মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী
- মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত।
- এটি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় দরিদ্র মায়েদের জন্য।
- কর্মসূচির লক্ষ্য: মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং আগামী প্রজন্মের মানসম্মত বিকাশ।
- গ্রামীণ এলাকার প্রায় ৭ লক্ষ ৭০ হাজার দরিদ্র গর্ভবতী মায়ের জন্য ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- লক্ষ্য বয়স: শিশুর জন্ম থেকে ৪ বছর পর্যন্ত।
- গুরুত্ব দেওয়া হয়: শিশুর পুষ্টি, মনো-সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ।
- উদ্দেশ্য: মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমানো।
- কর্মসূচি শুরু হয়েছে ২০০৭-২০০৮ অর্থবছর থেকে।
- বর্তমানে ৪২৬টি উপজেলায় কার্যক্রম চলমান।
- ভাতা: একজন দরিদ্র গর্ভবতী মা প্রথম বা দ্বিতীয় সন্তানের জন্য ৩৬ মাসে ৮০০ টাকা। (২০২৫-২৬ অর্থবছর)
- ভাতা প্রদানের পাশাপাশি বছরে ৫ দিন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করা হয় মা ও শিশুর পুষ্টি, মনো-সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ বিষয়ক।
- সদর দফতর থেকে অর্থবছরের শুরুতে বরাদ্দ প্রাপ্তির ভিত্তিতে ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে ভাতাভোগী নির্বাচন করা হয়।
- ভাতা প্রদান হয় তিনমাস অন্তর।
- সরকারের লক্ষ্য: ২০২৬ সালের মধ্যে ০–৪ বছরের ৫০% শিশু, অর্থাৎ ৬৫ লক্ষ শিশুকে কর্মসূচির আওতায় আনা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩.
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. চীন
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• জার্মানী:
⇒ ২০২৫–২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই–ডিসেম্বর সময়ে জার্মানীতে রপ্তানি হয়েছে ২,৩৬৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৯.৮৫%।
⇒ জার্মানি বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ।

• জার্মানিতে রপ্তানিকৃত প্রধান পণ্যসমূহ হলো—
- নীটওয়্যার : ১,৩৪৮.৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ওভেন পোষাক : ৮৩৮.৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- হোম টেক্সটাইল: ৫৪.৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ক্রাস্টেসিয়ানস : ২১.৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- বাইসাইকেল : ২৪.৯৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

⇒ মোট রপ্তানিকৃত নীটওয়্যারের ১২.৮৬%, ওভেন পোষাকের ৯.৪৪%, হোম টেক্সটাইলের ১০.৮০% এবং ক্রাস্টেসিয়ানসের ১১.৪৫% জার্মানীতে রপ্তানি হয়েছে।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- ২০২৫–২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই–ডিসেম্বর সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৪,৪৬৭.২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৮.৬২%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১৪.
২০২৫-২০২৬ সালে সংশোধিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কত?
  1. ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  2. ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
  3. ২ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা
  4. ২ লাখ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংশোধিত বাজেটে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

- মূল বাজেটে এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল।
ফলে উন্নয়ন ব্যয় মূল বাজেটের তুলনায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে।

- সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা এবং দেশীয় অর্থায়ন ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা। পরিচালনসহ বাজেটের অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

উৎস: বাসস ও অর্থমন্ত্রণালয়।

১৫.
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত নয় কোনটি?
  1. দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়
  2. দেশের অভ্যন্তরীণ আয়
  3. বিদেশে অবস্থিত দেশীয় ব্যক্তিদের আয়
  4. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা
ব্যাখ্যা

• মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত নয় - বিদেশে অবস্থিত দেশীয় ব্যক্তিদের আয়।

• মোট দেশজ উৎপাদনের ধারণা (Concept of Net Domestic Product-NDP):
⇒ একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোন দেশের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে যে সকল চূড়ান্ত দ্রব্য সামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদন হয় তার সামগ্রিক পরিমানকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে। মোট দেশজ উৎপাদন থেকে ব্যবহার বা ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় তথা অবচয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তাকে নীট দেশজ উৎপাদন বলে।

-নীট দেশজ উৎপাদন = মোট দেশজ উৎপাদন - অবচয়জনিত খরচ বা মূলধনের ব্যবহারজনিত ব্যয়
- Net Domestic Product (NDP) = GDP - DC or CCA.

• মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত-
- দেশের অভ্যন্তরীণ আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা।
- বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়।

উৎস: i) উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন-প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) অর্থনীতি ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে, বাংলাদেশের  চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৫.৬%
  2. ৩.৬%
  3. ৪%
  4. ৫.১%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৭.
রাজস্ব বাজেটে সাধারণত কি অন্তর্ভুক্ত থাকে?
  1. শুধু রাজস্ব আয়
  2. শুধু রাজস্ব ব্যয়
  3. সরকারের ঋণ ও বিনিয়োগ
  4. রাজস্ব আয় ও রাজস্ব ব্যয় 
ব্যাখ্যা

• রাজস্ব বাজেট:
- রাজস্ব বাজেট সাধারণত রাজস্ব আয় ও রাজস্ব ব্যয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।
- সরকারের দৈনন্দিন ব্যয় পরিচালনার জন্য এ বাজেট হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে সরকারের প্রশাসন, সামাজিক সেবা সমূহ, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি হলো প্রধান ব্যয়ের খাত। 
- অপরদিকে সরকারি কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব হলো রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- রাজস্ব বাজেট মূল্য একটি অনুৎপাদনশীল বাজেট।
- কারণ এটি কেবল সরকারের দৈনন্দিন অর্থনৈতিক কাজ পরিচালনার জন্যই করা হয়। 
- এ বাজেটের মাধ্যমে ভবিষ্যতে কোন আয় উপার্জনের সুযোগ নেই।
- রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সাধারণত ব্যবধান থাকে। 
- কারণ সরকার সব সময় আয় থেকে ব্যয় বেশী করে। এই ব্যবধানকে বলা হয় রাজস্ব ঘাটতি।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
সাধারণ করদাতার জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ৩,৫০,০০০ টাকা
  2. ৩,৭৫,০০০ টাকা
  3. ৪,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,৬০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয়সীমা:
⇒ বর্তমানে দেশে করমুক্ত আয়ের সীমা নিম্নরূপ:
- সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%

উৎস: i) জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯.
প্রত্যক্ষ কর (Direct Tax) এর উদাহরণ কোনটি?
  1. আয়কর
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আমদানি শুল্ক
  4. আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

⇒ প্রত্যক্ষ কর (Direct Tax) এর একটি উদাহরণ - আয়কর (Income Tax) ।

• প্রত্যক্ষ কর: 

- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।
• প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর,
- দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর: 
- মূল্য সংযোজন কর:
- আমদানি শুল্ক:
- আবগারি শুল্ক:
- সম্পূরক শুল্ক:

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP) কত সালে প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৩ সাল
  2. ২০০১ সাল
  3. ২০০৫ সাল
  4. ২০০৯ সাল
ব্যাখ্যা

দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ সরকার ২০১৫ সালে দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP) প্রণয়ন করে।

উৎস: IMF .

২১.
রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy) এর প্রধান দুটি উপাদান কী কী?
  1. মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হার
  2.  আমদানি - রপ্তানি ও রিজার্ভ অনুপাত
  3. মুদ্রার বিনিময় হার ও বৈদেশিক ঋণ 
  4.  সরকারি আয় এবং সরকারি ব্যয়
ব্যাখ্যা

• রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy) এর প্রধান দুটি উপাদান-  সরকারি আয় এবং সরকারি ব্যয়

• রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহ:
- রাজস্ব নীতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে সকল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় সেগুলোকে রাজস্ব নীতির উপকরণ বা হাতিয়ার বলা হয়। - নিম্নে রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহ:
১. সরকারি ব্যয়।
২. সরকারি ঋণ।
৩. ভর্তুকি।
৪. কর (আয়)।
৫. হস্তান্তর ব্যয়।
৬. বাধ্যতামূলক সঞ্চয়।

• রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy):
→ সরকারি অর্থব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রাজস্ব নীতি। সরকার বিভিন্ন অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে সকল নীতি গ্রহণ করে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো রাজস্ব নীতি।
- সংক্ষেপে সরকারের রাজকোষ পরিচালনা নীতি হলো রাজস্ব নীতি। 

• আর্থিক নীতির হাতিয়ার (Instruments of Monetary Policy):
একটি দেশে পূর্ণ নিয়োগ অর্জন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য আর্থিক নীতির কতগুলো হাতিয়ার ব্যবহার করা হয়। আর্থিক নীতির হাতিয়ার সমূহ :
১. অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ: 
২. ন্যূনতম রিজার্ভ অনুপাত: 
৩. ব্যাংক হারের পরিবর্তন:
৪. খোলাবাজারে ঋণপত্র ক্রয়-বিক্রয়: 
৫. নৈতিক চাপ প্রয়োগ: 
৬. প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ: 

উৎস: সামষ্টিক অর্থনীতি, বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসেব অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার? (মার্চ-২০২৬)
  1. ২.৫৪%
  2. ৩.৭১%
  3. ৪.৫৩%
  4. ৫.৮%
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব: 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%। 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

উল্লেখ্য,
→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এবং চূড়ান্ত জিডিপি সমীক্ষা।

২৩.
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান কে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের গঠন:
- বিগত ২৯-০১-২০০৯ খ্রিঃ তারিখে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী (প্রজ্ঞাপন নং-মপবি/ক:বি:শা:/মসক-১/২০০৯/৪১) বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনকে নিম্নরূপে পূনর্গঠন করা হয়:

→ প্রধানমন্ত্রী (চেয়ারপারসন) ।
→ পরিকল্পনা মন্ত্রী (ভাইস-চেয়ারম্যান)।
→ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ (সদস্য)।
→ সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ (সদস্য-সচিব)।
 
- ৩১ জানুয়ারী ১৯৭২ সনে “বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন” প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) “পরিকল্পনা বোর্ড” গঠনের মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনের সূচনা হয়। 

→ পরিকল্পনা কমিশনের আওতায় মোট ৬টি বিভাগ রয়েছে।
বিভাগসমূহ হচ্ছে
-সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ,
- কার্যক্রম বিভাগ, 
- আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ, 
- কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ, 
- শিল্প ও শক্তি বিভাগ 
- এবং ভৌত অবকাঠামো বিভাগ।
 
 উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৪.
চলতি অর্থবছরের মোট রাজস্ব আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা কত কোটি টাকা? (২০২৫-২০২৬ )
  1. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি
  2. ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি 
  3. ৫ লাখ কোটি ৮০ হাজার কোটি 
  4. ৫ লাখ কোটি ৭০ হাজার কোটি 
ব্যাখ্যা

⇒ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি অর্থবছরের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। 
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংশোধিত বাজেটে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। 
- সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
- আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়ন শুরু হবে। 

উৎস: বাসস ও অর্থমন্ত্রণালয়।

২৫.
বাংলাদেশ প্রথম LDC তালিকায় যুক্ত হয় কত সালে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

 LDC:
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না। 
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি সূচকের সব কটি পূরণ করে পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের তারিখ- ৪ নভেম্বর ২০২৬ সাল।
- আশা করা যায়, ২০৩১ সালে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে বাংলাদেশ

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৬.
জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারকে কী বলে?
  1. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. বায়োইনফরমেটিক্স
  3. বায়োমেট্রিক্স
  4. ন্যানো টেকনোলজি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) বায়োইনফরমেটিক্স 

• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যার্টান রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।

• বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য গবেষণাগুলির মধ্যে রয়েছে -
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭.
কম্পিউটার পাওয়ার বাটন চাপ দেওয়ার পর প্রথম কোন নির্দেশগুলো পালিত হয়?
  1. অপারেটিং সিস্টেমের নির্দেশ
  2. মাউস ও কিবোর্ডের নির্দেশ
  3. ইন্টারনেটের নির্দেশ
  4. BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়‍্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ডে থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে অর্থাৎ BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ হিসেবে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।


উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

২৮.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. মনিটর
  2. স্পিকার
  3. ডিজিটাল ক্যামেরা
  4. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) ডিজিটাল ক্যামেরা

• ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।


উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
OCR সফটওয়্যার ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজকে নিচের কোনটিতে রূপান্তরিত করে?
  1. বাইনারি ইমেজে
  2. ASCII টেক্সট-এ
  3. ভিডিও ফাইলে
  4. অডিও সিগন্যালে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) ASCII টেক্সট-এ

• OCR (Optical Character Reader):
- OCR হলো Optical Character Reader এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস।
- OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে সক্ষম।
- এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, শুধু মুদ্রিত লেখা নয়, হাতের লেখাও পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- প্রথমে OCR যন্ত্রটি ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। এরপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সট-এ রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড শনাক্তকরণ,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল প্রক্রিয়াকরণ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. বায়োইনফরমেটিক্স
  3. ক্রায়োসার্জারি
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) বায়োমেট্রিক্স 

• ​বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
​- বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি

• বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ধরণ-
• Unimodal system: 
​- একটি ইউনিমোডাল বায়োমেট্রিক সিস্টেম একটি একক বায়োমেট্রিক মার্কার থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা ক্যাপচার এবং বিশ্লেষণ করে। 
- ​উদাহরণস্বরূপ, একটি রেটিনা স্ক্যান। 
- এই সিস্টেমগুলি কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে বা কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Multimodal system: 
​- একাধিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন)।
​​
​উৎস: ব্রিটানিকা।

৩১.
প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি 'ফ্লিপ-ফ্লপ' সার্কিট নিচের কোনটি সংরক্ষণ করতে সক্ষম?
  1. এনালগ সিগন্যাল
  2. ০ বা ১ বাইনারি বিট
  3. শুধুমাত্র অডিও ফাইল
  4. হাই ভোল্টেজ ইলেক্ট্রিসিটি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) ০ বা ১ বাইনারি বিট  

• প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
- প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন।
- প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র‍্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।

ক. RAM (Random Access Memory):
- র‍্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র‍্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে।

খ. রম (ROM):
- কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।
- ROM এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে, CD ROM, Hard Disk, SSD, Pen Drive ইত্যাদি।


উৎস: 
১। Geeksforgeeks [Link]
২। Computer & ICT Cloud

৩২.
দূর থেকে ঘরের টিভি, ফ্রিজ বা লাইট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোন প্রযুক্তিটি সবচেয়ে কার্যকর?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. রোবোটিক্স
  3. IoT (Internet of Things)
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) IoT (Internet of Things)

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়

অন্যদিকে,
বায়োমেট্রিক্স: বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।

রোবোটিক্স: রোবোটিক্স হলো ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা রোবট তৈরি, ডিজাইন এবং পরিচালনা নিয়ে কাজ করে। বর্তমান যুগে এটি আমাদের জীবনযাত্রা এবং শিল্পখাতকে আমূল বদলে দিচ্ছে।
 
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি একটি কৃত্রিম বা কাল্পনিক পরিবেশ। এটি ব্যবহারকারীকে এমন এক অভিজ্ঞতায় নিমজ্জিত করে, যেখানে তার মনে হয় সে বাস্তব জগতের বাইরে অন্য কোনো জগতে আছে। 


উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৩৩.
উচ্চ রেজুল্যশন এবং দ্রুত গতির জন্য নিচের কোন ধরনের প্রিন্টার বেশি উপযোগী?
  1. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ক্যারেক্টার প্রিন্টার
  4. লাইন প্রিন্টার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) লেজার প্রিন্টার

• প্রিন্টার:
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার, অক্ষর প্রিন্টার, ডট ম্যাট্রিক্স।

• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে তৈরি করা কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক (3D) জগতকে কী বলা হয়?
  1. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  2. অগমেন্টেড রিয়েলিটি
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. হ্যাপটিক টেকনোলজি
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality): 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality বা VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন ব্যবহার করে তৈরি করা একটি কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক (3D) জগত, যা ব্যবহারকারীকে বাস্তব জগতের মতো অনুভব করায়
- এটি হেডসেট বা গ্লাভস ব্যবহার করে দৃশ্যমান ও শ্রবণযোগ্য সংবেদনশীল পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করে। 
- এটি পুরোপুরি কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি কাল্পনিক জগৎ।
- এটি ব্যবহারকারীকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে দেয় যা বাস্তবের কাছাকাছি (Immersion)।
- এতে হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD) এবং পোজ ট্র্যাকিং ব্যবহার করা হয়।
- বিনোদন (ভিডিও গেম), শিক্ষা, চিকিৎসাবিদ্যা (সার্জারি প্রশিক্ষণ), সামরিক প্রশিক্ষণ এবং গবেষণায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Britannica [Link] 

৩৫.
CD-ROM এবং DVD-ROM নিচের কোন শ্রেণির স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. Magnetic Storage
  2. Optical Storage
  3. Cloud Storage
  4. Volatile Storage
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Optical Storage

• স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Hardware):
স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ হার্ডওয়‍্যারে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়। স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device):
- RAM (Random-Access Memory), 
- ROM (Read-Only Memory).

২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device):
- Hard Disk, 
- Floppy Disk, 
- USB Flash Drive, 
- Magnetic Tape, 
- Optical Storage Devices (CD-ROMs and DVD-ROMs), 
- Solid-State Drives (SSDs)

• অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম (Optical Storage System):
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
যেমন- CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।

• সিডি-রম (CD-Rom-Compact Disk Read Only Memory):
বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম।
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়‍্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

• ডিভিডি (DVD):
- ১৯৯৬ সালের দিকে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অপটিক্যাল ডিস্কের উন্নতমানের সংস্করণ ডিভিডির (DVD- Digital Versatile Disk) উদ্ভব হয়।
- প্রথম দিকে DVD চলচ্চিত্র বা সিনেমার জন্য উন্নয়ন করা হলেও পরবর্তীতে টেক্সট, বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার সফটওয়্যার, তথ্যাবলি, ছবি, শব্দ ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্যাপক সুবিধা পাওয়া যায়।
- DVD-এর গঠন ও আকার সিডির মতোই। তবে অধিক পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য DVD-তে ট্র্যাকসমূহ আরো ঘন করে সন্নিবেশিত থাকে।
- সাধারণত DVD-এর ধারণক্ষমতা ৪ গিগাবাইট থেকে ১৭ গিগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- DVD পড়ার জন্য DVD ড্রাইভের প্রয়োজন। বর্তমানে DVD-R, DVD-RW এবং DVD RAM -এ লাল লেজার রশ্মির মাধ্যমে DVD-এর ডেটা পড়া ও লেখা হয়।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের মূল সংযোগস্থল বা কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডকে কী বলা হয়?
  1. সাউন্ড কার্ড
  2. গ্রাফিক্স কার্ড
  3. মাদারবোর্ড
  4. হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) মাদারবোর্ড

• মাদারবোর্ড (Motherboard):

- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড। এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত। - - কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন-কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়। 

• মাদারবোর্ডের প্রধান উপাদান:
- CPU সকেট (Socket): প্রসেসর বসানোর জায়গা।
- RAM স্লট: মেমরি (RAM) লাগানোর জায়গা।
- এক্সপ্যানশন স্লট: গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড ইত্যাদির জন্য।
- চিপসেট: বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডেটা চলাচলের সমন্বয় সাধন করে।
- পাওয়ার কানেক্টর: পাওয়ার সাপ্লাই থেকে বিদ্যুৎ গ্রহণের জন্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
UPS-এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Universal Power System
  2. Ultra Power Saver
  3. United Power Source
  4. Uninterruptible Power Supply
ব্যাখ্যা

• ইউপিএস (UPS):
- ইউপিএস (UPS)-এর পূর্ণরূপ হলো Uninterruptible Power Supply। এটি এমন একটি বৈদ্যুতিক ডিভাইস যা বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে তাৎক্ষণিকভাবে সংযুক্ত যন্ত্রপাতিতে (যেমন: কম্পিউটার বা সার্ভার) বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখে। 
- বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার মাত্র কয়েক মিলিসেকেন্ডের মধ্যে এটি ব্যাটারি থেকে পাওয়ার সরবরাহ শুরু করে, ফলে কম্পিউটার বা ডিভাইস বন্ধ হয় না।
- এটি বিদ্যুৎ লাইনের ভোল্টেজের ওঠানামা (Surge বা Spike) নিয়ন্ত্রণ করে আপনার দামী ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
- ইউপিএস সাধারণত একটি ব্যাটারি, চার্জার এবং ইনভার্টার (যা ডিসি কারেন্টকে এসিতে রূপান্তর করে) নিয়ে গঠিত। 
 
• ইউপিএস-এর প্রকারভেদ:
১. অফলাইন/স্ট্যান্ডবাই ইউপিএস: এটি সাধারণ ব্যবহারের জন্য। বিদ্যুৎ চলে গেলেই কেবল এটি সক্রিয় হয়।
২. অনলাইন ইউপিএস: এটি সব সময়ই চালু থাকে এবং সবথেকে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে। এটি সাধারণত সার্ভার বা বড় শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
৩. লাইন ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইউপিএস: এটি অফলাইনের মতো কাজ করলেও ভোল্টেজ রেগুলেশনের জন্য এতে বিশেষ প্রযুক্তি থাকে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Solent-Power [Link]

৩৮.
টেক্সটের ফন্টের আকার ১ পয়েন্ট করে বৃদ্ধি (Increase font size) করার শর্টকাট কোনটি?
  1. Ctrl + ]
  2. Ctrl + S
  3. Ctrl + [
  4. Ctrl + B
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + ] 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৩৯.
লজিক অপারেশনের জন্য ALU-তে নিচের কোন ধরনের সার্কিট থাকে?
  1. ইনভার্টার সার্কিট
  2. AND এবং OR সার্কিট
  3. রেকটিফায়ার সার্কিট
  4. এমপ্লিফায়ার সার্কিট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) AND এবং OR সার্কিট

• ALU বা Arithmetic Logic Unit:

- ALU বা Arithmetic Logic Unit হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত গাণিতিক এবং যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করে।
- ALU দ্বারা সম্পাদিত সাধারণ অ্যারিথমেটিক অপারেশনগুলোর মধ্যে যোগ (Addition), বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ প্রধান। 
- এটি একটি ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি মৌলিক কার্যকরী উপাদানের মধ্যে একটি।
- অন্য তিনটি হলো: ইনপুট-আউটপুট সরঞ্জাম, প্রধান মেমরি এবং কন্ট্রোল ইউনিট।
- ALU-এর কাজ হল ইনকামিং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য গাণিতিক এবং লজিক অ্যালগরিদমগুলো সম্পাদন করা।
- এটি অত্যন্ত উচ্চ গতিতে কাজ করে, যা ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
- ALU-তে এমন সার্কিট রয়েছে যা দুটি গাণিতিক মান যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করতে পারে।
- এছাড়া লজিক অপারেশনের জন্য AND এবং OR-এর মতো সার্কিটও রয়েছে
- ALU-তে বেশ কয়েকটি রেজিস্টার থাকে, যা গণনার ফলাফলগুলো কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখে, যাতে সেগুলো আরও গাণিতিক অপারেশনের জন্য ব্যবহার করা যায় অথবা প্রধান মেমরিতে স্থানান্তর করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪০.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (4E)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 56
  2. 64
  3. 78
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 78

• পূর্ণ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
১। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি ডিজিটকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেজ 16 দ্বারা গুণ করতে হবে।
২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: একক স্থানীয় অংককে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংককে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংককে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে।
৩। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার কোনো অংক যদি A, B, C, D, E বা F হয়; তাহলে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
৪। প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।

এখন, 
(4E)16 = 4 × 161 + 14 × 160
= 4 × 16 + 14 × 1
= 64 + 14
= 78

৪১.
কোনটি নন-ভোলাটাইল স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. RAM
  2. ক্যাশ মেমোরি
  3. SSD
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) SSD

• নন-ভোলাটাইল মেমোরি:
নন-ভোলাটাইল মেমোরি সেই মেমোরি যা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলেও সংরক্ষিত তথ্য বজায় রাখে।
SSD হলো এক ধরনের সহায়ক মেমোরি, যা নন-ভোলাটাইল, তাই এটি অ-সক্রিয় প্রোগ্রাম সংরক্ষণ এবং ডেটা আর্কাইভ করার জন্য উপযুক্ত।

• SSD:
- SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive। এটি একটি আধুনিক স্টোরেজ ডিভাইস যা ডেটা সংরক্ষণের জন্য নন-ভোলাটাইল ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে।
- প্রথাগত হার্ড ডিস্কের (HDD) মতো এতে কোনো চলন্ত বা ঘূর্ণায়মান অংশ নেই, তাই এটি অনেক বেশি টেকসই। 
- মেকানিক্যাল ডিস্ক না থাকায় এটি দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। 
- হার্ড ডিস্কের তুলনায় এটি বহুগুণ দ্রুত কম্পিউটার স্টার্ট করতে এবং সফটওয়্যার লোড করতে পারে।
- কোনো মুভিং পার্টস না থাকায় হাত থেকে পড়লেও ডেটা হারানোর ঝুঁকি কম থাকে।
- এটি কাজ করার সময় কোনো শব্দ উৎপন্ন করে না।
- এটি হার্ড ডিস্কের চেয়ে কম বিদ্যুৎ খরচ করে। 

অন্যদিকে,
- RAM (Random Access Memory): এটি ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলে এর ডেটা হারিয়ে যায়।
- ক্যাশ মেমোরি: এটি CPU চিপে থাকা একটি ছোট, দ্রুত SRAM যা প্রায়ই ব্যবহৃত নির্দেশাবলী এবং ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য সংরক্ষণ করে। RAM-এর মতোই ক্যাশ মেমোরি ভোলাটাইল।
- রেজিস্টার: এগুলো ছোট, অত্যন্ত দ্রুত SRAM যা CPU বর্তমান নির্দেশাবলী এবং ডেটা ধারণ করার জন্য ব্যবহার করে। রেজিস্টারও ভোলাটাইল।

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
৩। HP [Link]

৪২.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. Light-pen
  2. Digitizer
  3. Film Recorder
  4. OCR
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Film Recorder

• ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।


উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
নিচের কোনটি OCR এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য?
  1. এটি শুধুমাত্র গোল দাগ পড়তে পারে
  2. এটি চুম্বকীয় কালি শনাক্ত করে
  3. এটি শুধুমাত্র ছবি এডিট করতে পারে
  4. এটি মুদ্রিত লেখার পাশাপাশি হাতের লেখাও পড়তে পারে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) এটি মুদ্রিত লেখার পাশাপাশি হাতের লেখাও পড়তে পারে।

• OCR (Optical Character Reader):
- OCR হলো Optical Character Reader এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস।
- OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে সক্ষম।
- এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, শুধু মুদ্রিত লেখা নয়, হাতের লেখাও পড়তে পারে
- OCR-এর কার্যপ্রণালী OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- প্রথমে OCR যন্ত্রটি ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। এরপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সট-এ রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড শনাক্তকরণ,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল প্রক্রিয়াকরণ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
ক্রায়োসার্জারি মূলত কোন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি?
  1. অত্যাধিক তাপ প্রয়োগ করে অপারেশন
  2. অত্যন্ত ঠান্ডা ব্যবহার করে অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা
  3. লেজার রশ্মি দিয়ে রক্তপাতহীন অপারেশন
  4. শুধু ঔষধের মাধ্যমে ক্যান্সার নিরাময়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) অত্যন্ত ঠান্ডা ব্যবহার করে অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা 

• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (Cryo) থেকে, যার অর্থ হলো 'বরফের মতো ঠান্ডা'। এটি বিশেষ করে ত্বকের ক্যান্সার বা আঁচিল দূর করতে খুবই কার্যকর।
- ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৫.
ASCII-7 কোডের মাধ্যমে মোট কতটি অদ্বিতীয় (Unique) চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. 64 টি
  2. 128 টি
  3. 256 টি
  4. 512 টি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 128 টি 

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI-American National Standards Institute) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 27 বা 128 টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত, যার বাম দিকের 3 টি বিটকে জোন এবং ডান দিকের 4 টি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেমন- B অক্ষরটির ASCII-7 কোড হলো:



- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-8 কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 28 বা 256 টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়। 
- ডেটা কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোড বেশি জনপ্রিয় এবং বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার বিশেষ করে মিনি ও মাইক্রো- কম্পিউটারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 
- ​কীবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদির মধ্যে আলফানিউমেরিক ডেটা আদান-প্রদানের জন্য অ্যাসকি কোড ব্যবহৃত হয়। 

 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬.
ফ্লিপ-ফ্লপের এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তন করার জন্য বাইরে থেকে যে তড়িৎপ্রবাহ দেওয়া হয় তাকে কী বলে?
  1. ইনপুট (Input)
  2. ট্রিগার (Trigger)
  3. আউটপুট (Output)
  4. লোডার (Loader)
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) ট্রিগার (Trigger) 

• ফ্লিপ ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0, 1) আছে এবং এটি দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। ধরা যাক, এটি প্রথম অবস্থায় আছে, তাহলে - এটি প্রথম অবস্থাতেই থাকবে যতক্ষণ না এতে বাইরে থেকে একটি তড়িৎপ্রবাহ (যাকে ট্রিগার (Trigger) বলা হয়) দেওয়া হচ্ছে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়। 

• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
- বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ:
ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকারের হয়ে থাকে। যথা:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
- D ফ্লিপ-ফ্লপ,
- JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
- T ফ্লিপ-ফ্লপ,
- মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
XOR গেইটের ক্ষেত্রে ইনপুট A = 1 এবং B = 1 হলে আউটপুট কত হবে?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) 0

• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি আ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ইনপুট A = 0 এবং B = 1 হয়, আউটপুট হবে 1; একইভাবে A = 1 এবং B = 0 হলে আউটপুট হবে 1। কিন্তু যদি ইনপুট দুটো সমান হয়, যেমন A = 0, B = 0 অথবা A = 1, B = 1, তখন আউটপুট হবে 0।

এছাড়া,
- XNOR গেইটে দুটি ইনপুট একই মানের হলে আউটপুট 1 হয়। দুটি ইনপুট ভিন্ন মানের হলে আউটপুট 0 হয়।
- OR গেইটে যে কোনো একটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হয়। দুটি ইনপুটই 0 হলে আউটপুট 0 হয়।
- AND গেইটে দুটি ইনপুটই 1 হলে আউটপুট 1 হয়। যে কোনো একটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 0 হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮.
নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে যখন ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ফেস রিকগনিশন উভয়ই ব্যবহার করা হয়, তখন তাকে কী বলে?
  1. ইউনিমোডাল সিস্টেম
  2. মাল্টিমোডাল সিস্টেম
  3. সিঙ্গেল সাইন-অন
  4. অটোমেটেড সিস্টেম
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) মাল্টিমোডাল সিস্টেম 

• ​বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
​বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।

বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ধরণ-
• Unimodal system: 
​- একটি ইউনিমোডাল বায়োমেট্রিক সিস্টেম একটি একক বায়োমেট্রিক মার্কার থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা ক্যাপচার এবং বিশ্লেষণ করে। 
- ​উদাহরণস্বরূপ, একটি রেটিনা স্ক্যান। 
- এই সিস্টেমগুলি কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে বা কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Multimodal system: 
​- একাধিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন)।
​​
​উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৯.
নিচের কোনটি একটি বিশ্ববিখ্যাত আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম?
  1. www.google.com
  2. www.facebook.com
  3. www.wikipedia.org
  4. www.amazon.com
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) www.amazon.com

• ই-কমার্স (E-Commerce):

- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

• ই-কমার্স এর ধরণ: 
পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। -
১। Business to Consumer (B2C),
২। Business to Business (B2B),
৩। Consumer to Business (C2B),
8। Consumer to Consumer (C2C),


উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।