‘শ্যামল ছায়া’ চলচ্চিত্রটির পটভূমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।
শ্যামল ছায়া:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা হুমায়ুন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস 'শ্যামল ছায়া'।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে রচিত উপন্যাসটি ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তিতে এই উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।
হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২):
- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- জন্ম: নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
সাহিত্যিক জীবন:
- ছাত্রজীবনে লেখা 'নন্দিত নরকে' শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- উপন্যাসটি তিনি রচনা করেন ১৯৭২ সালে এবং সেই বছরই গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- 'নন্দিত নরকে' বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- দ্বিতীয় উপন্যাস: শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।
- গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, শিশুতোষ গ্রন্থ, নাটক, প্রবন্ধ, আত্মজৈবনিক রচনা মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক।
- শেষ উপন্যাস: দেয়াল (অপ্রকাশিত; পটভূমি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড ও তৎকালীন রাজনৈতিক ঘটনা)।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া,
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- জোছনা ও জননীর গল্প।
স্থান-কাল ও বিষয়ভিত্তিক প্রধান গ্রন্থ:
- শঙ্খনীল কারাগার,
- আনন্দ বেদনার কাব্য,
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ,
- আমার আছে জল,
- নক্ষত্রের রাত,
- এই সব দিনরাত্রি,
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- আশাবরী (১৯৯১),
- কোথাও কেউ নেই (১৯৯২),
- কবি।
সায়েন্স ফিকশন:
- তোমাদের জন্য ভালোবাসা,
- তারা তিনজন।
আত্মজৈবনিক গ্রন্থ:
- হোটেল গ্রেভারইন,
- আমার ছেলেবেলা।
চলচ্চিত্র নির্মাণ:
- প্রথম ছবি: আগুনের পরশমণি (১৯৯৫),
- শেষ ছবি: ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২),
- উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র: শ্যামল ছায়া (১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি)।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।