পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৩৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৩৭
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 11” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৭ প্রশ্ন

.
কোনটি তালব্যধ্বনি নয়?
ব্যাখ্যা
তালব্যধ্বনি:
- যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান তালু, তাদের তালব্যধ্বনি বলে।
যেমন: 
- , , চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য়, শ তালব্যধ্বনি।

অন্যদিকে,
ওষ্ঠ্যধ্বনি:
- যেসব ধ্বনির উচ্চারণস্থান ওষ্ঠ, তাদের ওষ্ঠ্যধ্বনি বলে।
যেমন:
- , ঊ, প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্যধ্বনি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ইত্যাকার
  2. বারম্বার
  3. তরান্বিত
  4. ঐক্যমত
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - 'ইত্যাকার'
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- এই প্রকার,
- এইরূপ।

অন্যদিকে,
→ ঐক্যমত – ঐকমত্য, 
→ তরান্বিত – ত্বরান্বিত, 
→ বারম্বার – বারংবার।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
প্রকৃতি কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা
প্রকৃতি দুই প্রকার।
যথা:
(ক) ক্রিয়া-প্রকৃতি বা ধাতু,
(খ) নাম-প্রকৃতি বা সংজ্ঞা-প্রকৃতি।

ক্রিয়া-প্রকৃতি:
- প্রত্যয়-নিষ্পন্ন শব্দের বিশ্লেষণে মৌলিক ভাব-দ্যোতক যে অংশ পাওয়া যায়, তা যদি অবস্থান, গতি বা অন্য কোনো প্রকারের ক্রিয়া বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-প্রকৃতি বলে।

যেমন:
- √চল্, √পড়, √রাখ, √দৃশ্, √কৃ প্রভৃতি ক্রিয়া-প্রকৃতি।


নাম-প্রকৃতি:
- প্রত্যয়-নিষ্পন্ন শব্দের বিশ্লেষণে মৌলিক ভাব-দ্যোতক যে অংশ পাওয়া যায়, তা যদি কোনো দ্রব্য, জাতি, গুণ বা কোনো পদার্থকে বোঝায়, তাকে নাম-প্রকৃতি বলে।

যেমন:
- মা, চাঁদ, গাছ, প্রভৃতি নাম-প্রকৃতি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
কোনটি পরাগত স্বরসঙ্গতির উদাহরণ?
  1. বিলাতি > বিলিতি
  2. তুলা > তুলো
  3. শিকা > শিকে
  4. ফুলা > ফোলা
ব্যাখ্যা
পরাগত স্বরসঙ্গতি:
- অন্ত্যস্বরের কারণে আদ্যস্বর পরিবর্তিত হলে পরাগত স্বরসঙ্গতি হয়।

যেমন:
- বুঝা > বোঝা,
- দেশি > দিশি,
- ফুলা > ফোলা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
প্রগত স্বরসঙ্গতি - শিকা > শিকে, তুলা > তুলো।
মধ্যগত স্বরসঙ্গতি - বিলাতি > বিলিতি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
"পাতাচাটা" শব্দটি কোন তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
  1. উপপদ
  2. ষষ্ঠী
  3. অলুক
  4. পঞ্চমী
ব্যাখ্যা
উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
- যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ - প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।

যেমন:
- জলে চরে যা = জলচর,
- পকেট মারে যে = পকেটমার,
- পাতা চাটে যে = পাতাচাটা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'যুদ্ধের জন্য' ইচ্ছুক' এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. যশস্বী
  2. যুবজানি
  3. যুযুৎসু
  4. যুধিষ্টির
ব্যাখ্যা
• 'যুদ্ধের জন্য' ইচ্ছুক' এর এক কথায় প্রকাশ - যুযুৎসু

অন্যদিকে,
- 'যুদ্ধ করার সময় বুদ্ধি স্থির রাখতে পারে এমন' এর এক কথায় প্রকাশ - যুধিষ্টির।
- 'যুবতী জায়া যার' এর এক কথায় প্রকাশ - যুবজানি।
- 'যার যশ আছে' এর এক কথায় প্রকাশ - যশস্বী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'মিথ্যাবাদীকে কেউ বিশ্বাস করে না।' - বাক্যটির জটিল রূপ কী?
  1. মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে।
  2. তিনি মিথ্যাবাদী এবং তাকে কেউ বিশ্বাস করে না।
  3. যে মিথ্যাবাদী, তাকে কেউ বিশ্বাস করে না।
  4. মিথ্যাবাদী তাই কেউ বিশ্বাস করে না।
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্য:
- যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন- তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।

যেমন:
সরল বাক্য: মিথ্যাবাদীকে কেউ বিশ্বাস করে না।
জটিল বাক্য: যে মিথ্যাবাদী, তাকে কেউ বিশ্বাস করে না।

সরল বাক্য: সুসংবাদটা পেয়ে সে আনন্দিত হলো।
জটিল বাক্য: যখন সে সুসংবাদটা পেল, তখন সে আনন্দিত হলো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১)।
.
'হাড়হদ্দ' বাগ্‌ধারার অর্থ -
  1. বৃহৎ বিষয়
  2. সবকিছু
  3. গভীরভাবে
  4. ভীষণ শত্রুতা
ব্যাখ্যা
• 'হাড়হদ্দ' বাগ্‌ধারার অর্থ - সবকিছু

অন্যদিকে,
- 'হাড়ে হাড়ে' বাগ্‌ধারার অর্থ - গভীরভাবে।
- 'সাপে-নেউলে' বাগ্‌ধারার অর্থ - ভীষণ শত্রুতা।
- 'সপ্তকাণ্ড রামায়ণ' বাগ্‌ধারার অর্থ - বৃহৎ বিষয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. অপব্যয় একটি মারাত্মক ব্যাধি।
  2. বৃক্ষটি সমূল উৎপাটিত হয়েছে।
  3. অপমানিত হবার ভয় নেই।
  4. অন্নাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ: অন্নাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার।
শুদ্ধ: অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।

অন্যদিকে,
→ অপমানিত হবার ভয় নেই।
→ বৃক্ষটি সমূল উৎপাটিত হয়েছে।
→ অপব্যয় একটি মারাত্মক ব্যাধি।
উপরিউক্ত বাক্যগুলোর প্রয়োগ শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. মহামানব মুহসীন
  2. মণিচয়নিকা
  3. মরুভাস্কর
  4. মোহাম্মদ আলী
ব্যাখ্যা
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধ:
- প্রবন্ধটি মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী রচিত 'মরুভাস্কর' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
- হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মানবিক গুণাবলি এ প্রবন্ধে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। হযরত ছিলেন মানুষের নবি। তাই মানুষের পক্ষে যা আচরণীয় তিনি তারই আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তিনি বিপুল ঐশ্বর্য, ক্ষমতা ও মানুষের অগাধ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মধ্যে থেকেই একজন সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন করে গেছেন।

মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী:
- মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী (১৮৯৬-১৯৫৪) সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।
- ১৩০৩ বঙ্গাব্দের (১৮৯৬) ২৮ ভাদ্র সাতক্ষীরা জেলার বাঁশদহ গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- বিশ শতকের মধ্যভাগে প্রাঞ্জল ভাষায় প্রবন্ধ রচনা করে যাঁরা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী ছিলেন তাঁদের অন্যতম।

মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- মরুভাস্কর,
- মহামানব মুহসীন,
- মোহাম্মদ আলী,
- মণিচয়নিকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাএকাডেমি।
১১.
"কাল নিরবধি" গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. জহির রায়হান
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. সুফিয়া কামাল
  4. আনিসুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• "কাল নিরবধি" গ্রন্থটি রচনা করেন - আনিসুজ্জামান

আনিসুজ্জামান:
- লেখক আনিসুজ্জামান এর প্রকৃত নাম এ.টি.এম. আনিসুজ্জামান।
- ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা' শিরোনামে ডক্টরেট লাভ করেন। - এই গবেষণাপত্রকে তিনি ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' (১৯৬৪) নামে গ্রন্থরূপ দেন।

আনিসুজ্জামান রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:

- স্বরূপের সন্ধানে,
- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি,
- বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে,
- কাল নিরবধি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. অনল প্রবাহ
  2. খসড়া
  3. উদ্বোধ
  4. উচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
• অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ - খসড়া

অন্যদিকে,
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী কাব্যগ্রন্থ - অনল প্রবাহ, উচ্ছ্বাস, উদ্বোধ।

অমিয় চক্রবর্তী:
- তিনি ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
- ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন।
- পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)।

অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
চর্যাপদের কোন কবি দারিকপার শিষ্য ছিলেন বলে অনুমান করা হয়?
  1. কঙ্কণপা
  2. আর্যদেবপা
  3. চাটিল্লপা
  4. তাড়কপা
ব্যাখ্যা
কঙ্কণপা:
- বৌদ্ধধর্মে দীক্ষাগ্রহণের পূর্বে কঙ্কণপা বিষ্ণুনগরের রাজা ছিলেন।
- তিনি চর্যাপদের ৪৪ নং পদটির রচয়িতা।
- গবেষকদের মতে তিনি ৯৮০ থেকে ১১২০ খ্রিস্টাব্দ অবধি জীবিত ছিলেন।
- কঙ্কণপার লেখায় বাংলার সঙ্গে ব্যাকরণের কিছু অপভ্রাংশের রূপ পাওয়া যায়।
- তিনি দারিকপার শিষ্য ছিলেন বলে অনুমান করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৪.
অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. রাখী
  2. কঙ্কাবতী
  3. কামনা পঞ্চবিংশতি
  4. কামিনী কাঞ্চন
ব্যাখ্যা
• অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস - কঙ্কাবতী

অন্নদাশঙ্কর রায়:

- তিনি ১৯০৪ সালের ১৫ মার্চ ভারতের উড়িষ্যা প্রদেশের ঢেঙ্কানলে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, চিন্তাবিদ।
- তিনি উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।

অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত কবিতা - রাখী, কামনা পঞ্চবিংশতি।
অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ছোটগল্প - কামিনী কাঞ্চন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫.
সার্থক মঙ্গলকাব্যে অংশ নয় কোনটি?
  1. শ্রুতিফল
  2. মর্ত্যখণ্ড
  3. দেবখণ্ড
  4. ভারখণ্ড
ব্যাখ্যা
মঙ্গলকাব্য:
- মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের এক বিশেষ ধারা।
- ধারণা করা হয়, পনের থেকে আঠারাে শতকের শেষ অবধি এই ধারার কাব্য বাংলায় রচিত হয়।
- এই কাব্য রচনার মূল উল্লেখিত কারণ, প্রায় সব কবিই স্বপ্নে দেবতাদের নির্দেশ পেয়ে রচনা করেছেন।
- এর প্রধান শাখা ৩টি - মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল।
- মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবতারা হচ্ছেন মনসা, চণ্ডী ও ধর্মঠাকুর। এঁদের মধ্যে মনসা ও চণ্ডী এই দুই স্ত্রীদেবতার প্রাধান্য বেশি।

একটি সার্থক মঙ্গলকাব্যে ৫টি অংশ থাকে:
বন্দনা,
আত্নপরিচয়,
দেবখণ্ড,
মর্ত্যখণ্ড এবং
শ্রুতিফল

অন্যদিকে,
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ডের মধ্যে - ভারখণ্ড একটি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
'মমতাদি' গল্পের রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
'মমতাদি' গল্প:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরীসৃপ (১৯৩৯) গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'মমতাদি' গল্প।
- এই গল্পে গৃহকর্মে নিয়োজিত মানুষের প্রতি মানবিক আচরণের দিকটি প্রাধান্য পেয়েছে।

কাহিনি সংক্ষেপ:
স্কুল পড়ুয়া একটি ছেলে যখন দেখে তাদের বাড়িতে মমতাদি নামে এক গৃহকর্মী আসে, তখন সে আনন্দিত হয়। তাকে নিজের বাড়ির একজন বলে ভাবতে শুরু করে ছেলেটি। মমতাদির সংসারে অভাব আছে বলেই মর্যাদাসম্পন্ন ঘরের নারী হয়েও তাকে অপরের বাড়িতে কাজ নিতে হয়। এই আত্মমর্যাদাবোধ তার সবসময়ই সমুন্নত ছিল। সে নিজে যেমন আদর ও সম্মানপ্রত্যাশী, তেমনি অন্যকেও স্নেহ ও ভালোবাসা দেবার ক্ষেত্রে তার মধ্যে দ্বিধা ছিল না। স্কুলপড়ুয়া ছেলেটি তাই মমতাদির কাছে ছোটো ভাইয়ের মর্যাদা লাভ করে। তাকে নিজ বাসায় নিয়ে গিয়ে যথাসামর্থ্য আপ্যায়ন করে মমতাদি। সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে মমতাদির পাশেও দাঁড়ায় স্কুলপড়ুয়া ঐ ছেলে ও তার পরিবার। প্রকৃতপক্ষে, আমাদের গৃহকর্মে যাঁরা সহায়তা করে থাকেন তাঁদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করা জরুরি। আত্মসম্মানবোধ তাদেরও আছে। 'মমতাদি' গল্পটি আমাদের এই শিক্ষা দেয় যে, সামাজিক শ্রেণি মানবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় কোনো বাধা সৃষ্টি করতে পারে না; যে কোনো পেশার যে কোনো মানুষকে দেখতে হবে শ্রদ্ধা ও মর্যাদার দৃষ্টিতে

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
'কাপালিক' চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসের?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. কৃষ্ণকান্তের উইল
  3. মৃণালিনী
  4. কপালকুণ্ডলা
ব্যাখ্যা
‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস।
- সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে অপরিচিতা এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিয়ে এবং কপালকুণ্ডলার সমাজবন্ধনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব এই কাহিনির মূল ঘটনা। কুপালকুণ্ডলার মধ্যে যে রহস্য সেই রহস্য উদ্ঘাটনই উপন্যাসের প্রধান বিষয়।
- কাহিনিতে একদিকে আছে সম্রাট জাহাঙ্গিরের সময়কার আগ্রার নগর ও স্থাপত্য এবং অন্যদিকে অরণ্য ও সমুদ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা, কপালকুণ্ডলার চরিত্র, কাহিনির ট্র্যাজিক পরিণতি এই তিনটি কারণে উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম স্মরণীয় রচনা।
- বঙ্কিমের জীবৎকালেই এই উপন্যাসের আটটি সংস্করণ হয়। অনেকের মতে এটি বঙ্কিমের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কুপালকুণ্ডলা,
- নবকুমার,
- কাপালিক ইত্যাদি।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
কাশীরাম দাসের অনুবাদকৃত গ্রন্থ কোনটি?
  1. পরাগলী মহাভারত
  2. রামায়ণ
  3. ভারত পাঁচালী
  4. মেঘদূত
ব্যাখ্যা
কাশীরাম দাস:
- কাশীরাম দাসের অনুবাদকৃত মহাভারতের নাম ‘ভারত পাঁচালী'। এটির রচনাকাল সম্বন্ধে যোগেশচন্দ্র বিদ্যানিধি মনে করেন ১৬০২-০৪ খ্রিষ্টাব্দের।
- তিনি গ্রন্থ রচনা শেষ করে যেতে পারেন নি। মহাভারতের আদি, সভা, বন ও বিরাট পর্ব রচনার পর তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন।
- কথিত আছে কবির অসমাপ্ত কাব্য সমাপ্ত করেন কবির পুত্র, ভ্রাতুষ্পুত্র ও শিষ্য স্থানীয় অনেকে।

মহাভারত:
- মহাভারত সংস্কৃত ভাষায় রচিত ক্লাসিক মহাকাব্য।
- মূল রচয়িতা কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাসদেব। প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন কবীন্দ্র পরমেশ্বর।
- তিনি পরাগল খাঁর উৎসাহে প্রথম অনুবাদ করেছিলেন বলে এর নাম - পরাগলী মহাভারত।
- অনুবাদক কবীন্দ্র পরমেশ্বর অনুবাদকৃত গ্রন্থটির নাম দিয়েছিলেন - বিজয়পান্ডবকথা অথবা ভারতপাঁচালী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. জ্ঞানাঙ্কুর
  2. প্রতিবিম্ব
  3. ভারতী
  4. পরিচয়
ব্যাখ্যা
'কবি-কাহিনী' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'কবি-কাহিনী'। এটি একটি কাব্যগ্রন্থ।
- 'ভারতী' পত্রিকায় পৌষ-চৈত্র ১২৮৪ বঙ্গাব্দ সংখ্যায় এর কবিতাগুলো ছাপা হয়। 
- ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দেই কবিতাগুলো নিয়ে 'কবি-কাহিনী' গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। 
- চার সর্গে বিভক্ত এই নাতিদীর্ঘ কাব্যের নায়ক এক কবি এবং নায়িকা নলিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
  1. রাজবন্দির জবানবন্দি
  2. দুর্দিনের যাত্রী
  3. রুদ্র-মঙ্গল
  4. যুগ-বাণী
ব্যাখ্যা
'আমার পথ' প্রবন্ধ:
- প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের সুবিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'রুদ্র-মঙ্গল' থেকে সংকলিত হয়েছে।
- "আমার পথ" প্রবন্ধে নজরুল এমন এক 'আমি'র আবাহন প্রত্যাশা করেছেন যার পথ সত্যের পথ; সত্য প্রকাশে তিনি নির্ভীক অসংকোচ।
- তাঁর এই 'আমি'-ভাবনা বিন্দুতে সিন্ধুর উচ্ছ্বাস জাগায়। নজরুল প্রতিটি মানুষকে পূর্ণ এক 'আমি'র সীমায় ব্যাপ্ত করতে চেয়েছেন; একইসঙ্গে, এক মানুষকে আরেক মানুষের সঙ্গে মিলিয়ে 'আমরা' হয়ে উঠতে চেয়েছেন।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- রাজবন্দীর জবানবন্দি,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- যুগবাণী,
- রুদ্রমঙ্গল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং সাহিত্যপাঠ, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২১.
নিচের কোন লেখক উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড-পণ্ডিত নিযুক্ত হন?
  1. গোলোকনাথ শর্মা
  2. রামরাম বসু​
  3. চণ্ডীচরণ মুনশী
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার​
ব্যাখ্যা
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক।
- উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এর বাংলা বিভাগের হেড-পণ্ডিত নিযুক্ত হন
- তিনি উনিশ শতকের প্রথম ভালো বাংলা গদ্য লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- এছাড়াও তিনি কাজ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পণ্ডিত হিসেবে।

মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- বত্রিশ সিংহাসন,
- হিতোপদেশ,
- প্রবোধচন্দ্রিকা,
- বেদান্তচন্দ্রিকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২২.
"যুবনাশ্ব' ছদ্মনামটি কোন লেখকের?
  1. বিমল মিত্র
  2. মণীশ ঘটক
  3. মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায়
  4. চারুচন্দ্র চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
মণীশ ঘটক এর ছদ্মনাম - যুবনাশ্ব

অন্যদিকে,
- মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - শংকর।
- চারুচন্দ্র চক্রবর্তী এর ছদ্মনাম - জরাসন্ধ।
- বিমল মিত্র এর ছদ্মনাম - জাবালি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
কোনটি 'মর্সিয়া' সাহিত্য নয়?
  1. জয়নালের চৌতিশা
  2. ইমামগণের কেচ্ছা
  3. গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস
  4. আফৎনামা
ব্যাখ্যা
'মর্সিয়া' সাহিত্য: 
- কারবালা ও ইসলামি বিয়ােগান্তক কাহিনী নিয়ে মূলত মুসলমানদের রচিত সাহিত্যই মর্সিয়া সাহিত্য।
- মর্সিয়া সাহিত্যের আদি কবি হলেন - শেখ ফয়জুল্লাহ।
- তার রচিত গ্রন্থের নাম জয়নালের চৌতিশা এটি ১৫৭০ সালে প্রকাশিত হয়। 
- মর্সিয়া সাহিত্যে একজন হিন্দু কবি হলেন- রাধারমণ গোপ। 
- রাধারমণ গোপ রচিত গ্রন্থ হলো: ইমামগণের কেচ্ছা, আফৎনামা

অন্যদিকে,
- ‘গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস’ সুকুর মামুদের লেখা নাথসাহিত্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪.
কার সম্পাদনায় ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকা প্রকাশিত হতো?
  1. আবুল কালাম আজাদ
  2. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
ব্যাখ্যা
‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকা:
- কবি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে ১৩২৭ বঙ্গাব্দের বৈশাখ (১৯২০) মাসে মাসিক ‘মোসলেম ভারত’ প্রকাশিত হয়।
- প্রথম বছর নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হলেও পরের বছর অনিয়মিতভাবে প্রকাশ হয়। সব মিলিয়ে মাত্র ১৭টি সংখ্যা বেরিয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথের বাণী পত্রিকাটির প্রতি সংখ্যার সূচনাতে মুদ্রিত হতো।
- ‘মোসলেম ভারত' নজরুলের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে প্রধান সহায়ক হয়েছে। প্রতি সংখ্যায় নজরুলের একাধিক রচনা এখানে মুদ্রিত হয়।
- নজরুলের কামাল পাশা, মোহররম, সাত ইল বিদ্রোহী, বাঁধন-হারা আরব, বিদ্রোহী, (উপন্যাস, কিস্তিতে) ইত্যাদি নানা ধরনের লেখা এই পত্রিকার পৃষ্ঠায় ছড়িয়ে আছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৫.
'বেণের মেয়ে' উপন্যাসের রচয়িতা -
  1. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. শামসুর রাহমান
  4. শহীদ কাদরী
ব্যাখ্যা
'বেণের মেয়ে' উপন্যাস:
- 'বেণের মেয়ে' উপন্যাসের রচয়িতা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে। 
- এর চরিত্রগুলি প্রায় সবই কাল্পনিক কিন্তু এর পরিবেশ ঐতিহাসিক। 
- দশম-একাদশ শতাব্দীর বাংলাদেশ, বৌদ্ধধর্মের অবসান ও হিন্দুধর্মের পুনরুত্থানের কালে সপ্তগ্রামের এর বৌদ্ধ পরিবারকে নিয়ে কাহিনিটি রচিত হয়েছে। 

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- তিনি প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ, এবং সংস্কৃতের পণ্ডিত ছিলেন।
- ১৮৯৮ সালে সরকারের দেওয়া সম্মান ‘মহামহোপাধ্যায়' উপাধি (মহারানী ভিক্টোরিয়ার ৬০তম রাজ্যাঙ্কে প্রবর্তিত);
- ১৯১১ সালে ‘সি.আই.ই' উপাধি; ১৯২১ সালে ইংল্যান্ডের রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটির অনারারি মেম্বার মনোনয়ন পান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৬.
সেই সুমধুর স্তব্ধ দুপুর,
পাঠশালা-পলায়ন
ভাবিলাম হায় আর কি কোথায় ফিরে পাব সে জীবন! - পঙ্‌ক্তিদ্বয় কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. সেঁজুতি
  2. কাহিনী
  3. সোনার তরী
  4. মানসী
ব্যাখ্যা
সেই সুমধুর স্তব্ধ দুপুর,
পাঠশালা-পলায়ন
ভাবিলাম হায় আর কি কোথায় ফিরে পাব সে জীবন! - পঙ্‌ক্তিদ্বয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'দুই বিঘা জমি' নামক কবিতা থেকে নেওয়া। কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের 'কাহিনী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- মূলত কবি হিসেবেই তাঁর প্রতিভা বিশ্বময় স্বীকৃত। ১৯১৩ সালে তাঁকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- এশিয়ার বিদগ্ধ ও বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই পুরস্কার জয়ের গৌরব অর্জন করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া এবং 'দুই বিঘা জমি' কবিতা।
২৭.
Who is the author of the famous five-act tragedy play 'The Duchess of Malfi'?
  1. John Webster
  2. Ben Jonson
  3. Edward Spenser
  4. Nicholas Udall
ব্যাখ্যা
• The Duchess of Malfi:
- ইংরেজ নাট্যকার John Webster রচিত পাঁচ অঙ্কের ট্র্যাজেডি।
- এটি ১৬১৩/১৪ সালে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৬২৩ সালে প্রকাশিত হয়।

• 'The Duchess of Malfi' এক সাহসী duchess এবং তার বিশ্বস্ত steward Antonio-র প্রেম কাহিনি বর্ণনা করে। তারা গোপনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, যদিও তার দুই ভাই, Ferdinand (the Duke of Calabria) এবং Cardinal, এর তীব্র বিরোধিতা করেন। ডাচেস তিনটি সন্তান প্রসব করলেও, তিনি সন্তানের পিতার নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানান। শেষ পর্যন্ত, গুপ্তচর Bosola-র বিশ্বাসঘাতকতায়, ডাচেস এবং তার পরিবার পালানোর চেষ্টা করেন কিন্তু ধরা পড়েন। আন্তোনিও এবং তাদের জ্যেষ্ঠ পুত্র পালাতে সক্ষম হন। Ferdinand, Bosola কে আদেশ দেন ডাচেস, তার দুই কনিষ্ঠ সন্তান এবং তার পরিচারিকাকে হত্যা করতে এবং পরে তিনি অপরাধবোধে উন্মাদ হয়ে যান। প্রতিশোধমূলক ট্র্যাজেডির সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, চূড়ান্ত অঙ্কে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ ঘটে। সবাই নিহত হয়, শুধু ডাচেস ও আন্তোনিওর জ্যেষ্ঠ পুত্র বেঁচে থাকে, যে মালফির শাসক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

• Webster রচিত 'The Duchess of Malfi' এলিজাবেথীয় এবং জ্যাকোবীয় যুগের শেষ মহান ট্র্যাজেডি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা শুধুমাত্র উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের পরে স্থান পায়। নাটকের সবচেয়ে শক্তিশালী চরিত্র ডাচেস, যিনি একজন আবেগপ্রবণ অভিজাত নারী এবং ভালোবাসার জন্য তার ভাইদের আদেশ প্রত্যাখ্যান করেন। কঠোর নির্যাতনের পরও তিনি ভেঙে পড়েন না এবং মৃত্যুর পূর্বে ঘোষণা করেন, "I am Duchess of Malfi still."

• John Webster: 
- তিনি একজন English Dramatist. 
- তাঁর জন্ম ১৫৮০ সালে এবং ১৬৩২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 
- তিনি Jacobean যুগের একজন সাহিত্যিক। 

• Famous Tragedies of John Webster:
- The White Devils,
- The Devil's Law Case,
- The Duchess of Malfi.

Source: Ab ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
২৮.
"Bridget Allworthy, Sophia Western & Partridge" are famous characters created by -
  1. Virginia Woolf
  2. Jonathan Swift
  3. Charles Dickens
  4. Henry Fielding
ব্যাখ্যা
Bridget Allworthy, Sophia Western & Partridge চরিত্রগুলি বিখ্যাত ইংরেজি সাহিত্যিক Henry Fielding— এর সৃষ্টি। তারা তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাস "The History of Tom Jones, a Foundling" থেকে নেওয়া হয়েছে।

• Tom Jones: 

- Henry Fielding is the author of the novel.
- Tom Jones, in full The History of Tom Jones, a Foundling হচ্ছে একটি comic novel.
- এটি ১৭৪৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়, which is the 1st half of 18th century.
- এটি একটি রোমান্স প্লটের উপরে লখা।
- Tom Jones, Picaresque Novel এর অন্যতম উদাহরণ।

Summary:
• Tom Jones হচ্ছে একজন অনাথ যুবক; যাকে উপন্যাসের আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র Squire Allworthy সন্তানের মত লালন-পালন করেন। উপন্যাসে দেখা যায়,  Squire Allworthy হলেন একজন উদার ও দয়ালু জমিদার এবং তিনি Tom এর প্রতি বিশেষ যত্নশীল। বড় হয়ে Tom তার প্রতিবেশী Sophia Western এর প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের সম্পর্কের পথে নানা বাধা আসে। Tom Jons এর অনাথ পরিচয় এবং তার চরিত্রের কিছু দুর্বলতা তাদের মিলনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

• উপন্যাসটি টমের নানা দুঃসাহসিক অভিযান ও বিভিন্ন দুর্দশা , তার সাথে বিভিন্ন মানুষের সাক্ষাৎ এবং জীবনের নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পর, শেষ পর্যন্ত টমের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ পায় - সে আসলে স্কোয়ার অ্যালওয়ার্দির বোনের সন্তান। এই আবিষ্কারের পর, সমাজে তার মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় বং সে সোফিয়াকে বিয়ে করতে সক্ষম হয়।

• এই উপন্যাসে সমকালীন ইংরেজ সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। উপন্যাসটি শুধু একটি প্রেমের গল্প নয়, এটি তৎকালীন ইংরেজ সমাজের একটি  বাস্তব চিত্রও তুলে ধরে। Fielding এর এই উপন্যাসে 18 শতকের ইংল্যান্ডের সামাজিক ও নৈতিক জটিলতা এবং মানুষিক দুর্বলতা তুলে ধরা হয়েছে। Tom-এর কাহিনী একটি রোমান্টিক অভিযান এবং সামাজিক বিশ্লেষণের সংমিশ্রণ। Feilding তার তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ও রসবোধের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জীবন ও চরিত্র চিত্রিত করেছেন।

• এই novel এর চরিত্র সমূহ হচ্ছে-
- Squire Allworthy,
- Bridget Allworthy,
- Mrs. Wilkins,
- Tom Jones,
- Sophia Western,
- Jenny Jones,
- Dr. Blifil,
- Captain Blifil,
- Partridge,
- Molly Seagrim, etc.

• Henry Fielding is regarded as the 'Father of Modern English Novel' with Samuel Richardson.
- He is famous for the Picaresque Novel.
- His pen name is Captain Hercules Vinegar.

• His famous Novels:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews etc.

Source: Britannica.
২৯.
Which kind of literary work is The Vision of Judgement?
  1. Novel
  2. Play
  3. Essay
  4. Poem
ব্যাখ্যা
The Vision of Judgement হল একটি কবিতা (Poem), যা Lord Byron-এর লেখা।

• The Vision of Judgement:
- এটি Lord Byron-র রচিত একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা।
- এই কবিতাটি Poet Laureate 'Robert Southey' রচিত 'A Vision of Judgement' এর জবাবে লেখা হয়েছিল।
- এখানে, কবি irony, hyperbole ও sarcasm-র মাধ্যমে তৎকালীন রাজতন্ত্র ও সমাজব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করেছেন।

• Lord Byron:
- Lord Byron-র পুরো নাম George Gordon Byron.
- George Gordon Byron একজন British Romantic Poet এবং Satirist ছিলেন।

• Best Works:
Poetry:
- Childe Harold’s Pilgrimage,
- Don Juan,
- English Bards and Scotch Reviewers,
- Hours of Idleness,
- Heaven and Earth.

Poem:
- She walks in Beauty,
- The Vision of Judgement.

Source: Britannica.
৩০.
Which of the following statements is true about 'Moby-Dick'?
  1. Moby-Dick is a play written by Herman Melville.
  2. Moby-Dick is a historical account of whaling.
  3. Moby-Dick is a play that tells the story of a fish named Marlin.
  4. Moby-Dick is a novel that tells the story of a whale.
ব্যাখ্যা
Answer: Moby-Dick is a novel that tells the story of a whale.

Moby-Dick (১৮৫১) একটি মার্কিন উপন্যাস যা একটি বিশাল সাদা তিমির (Moby-Dick) বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামের গল্প বলে। এটি নায়ক Ishmael এবং তার সঙ্গী Queequeg-এর মাধ্যমে তাদের অভিযানে গমনের গল্প তুলে ধরে, যেখানে তাদের নেতৃত্বে থাকে মদালাজ্ঞ Captain Ahab, যিনি এই তিমিকে ধরার জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেন। উপন্যাসটি একদিকে যেমন তিমি শিকারকে কেন্দ্র করে, তেমনি মানুষের অন্তর্দ্বন্দ্ব, জীবনদর্শন, এবং অস্তিত্বের অনুসন্ধানও এতে গুরুত্ব পেয়েছে।
 
• Moby Dick:
- Herman Melville রচিত একটি novel.
- The novel, 'Moby Dick' by Herman Melville depicts - the story of a whale.
- অর্থাৎ, Moby Dick' in the novel is A Giant Whale.
- উপন্যাসটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে একটি তিমি শিকারকে কেন্দ্র করে।
- একটি whaling vessel বা শিকারকারি জাহাজে করে গল্পের চরিত্রগুলো সমুদ্রের উদ্দেশ্যে তাদের যাত্রা শুরু করে।
- এই জাহাজটি নাম হচ্ছে - 'Pequod'.
- Moby Dick নামক white gaint whale বা তিমিটিকে শিকারের কাহিনীর উপ্যাখান দেখা যায় পুরো কাহিনী জুড়ে, যার সমাপ্তি ঘটে বর্ণনাকারী Ismael ব্যাতীত সকলের মৃত্যুর মধ্যে দিয়েই।
- But the irony is - The white whale does not die in Moby Dick at the end!

• Herman Melville
- তিনি হচ্ছেন একজন American Novelist, short-story writer and poet.
- Moby Dick, a novel by Herman Melville, published in London in October 1851 as "The Whale" and a month later in New York City as Moby-Dick; or, The Whale.
- It is dedicated to Nathaniel Hawthorne.
- Moby Dick is generally regarded as Melville’s magnum opus and one of the greatest American novels.

• Famous novels of Herman Melville are:
- Moby Dick,
- White Jacket,
- Bartleby, the Scrivener.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica and Sparksnotes.
৩১.
In The Merchant of Venice, who is the Jewish moneylender?
  1. Antonio
  2. Shylock
  3. Bassanio
  4. Lorenzo
ব্যাখ্যা
উইলিয়াম শেকসপিয়রের নাটক "The Merchant of Venice"-এ Shylock হলেন একজন ইহুদি সুদখোর (moneylender)। তিনি Antonio-কে একটি ঋণ দেন, যার শর্ত ছিল যে, যদি Antonio নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তবে Shylock, Antonio- এর শরীর থেকে এক পাউন্ড মাংস কেটে নেওয়ার অধিকার পাবেন।

• The Merchant of Venice:

- এটি Shakespeare লিখিত একটি comedy.
- একজন ইহুদি (Jew) সুদখোর 'Shylock' এর কাহিনী নিয়ে এটি রচিত। 
- তিনি ছিলেন একজন moneylender. 
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট  comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এই comedy টি লেখা হয়েছিল।

• এই Tragicomedy এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র -
- Antonio,
- Shylock (Jew moneylender),
- Portia,
- Bassanio,
- Jessica etc.

• Shakespeare:
- জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- The Merchant of Venice,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com
৩২.
Which of the following literary works is written by an Irish writer?
  1. Animal Farm
  2. Waiting for Godot
  3. The Bluest Eye
  4. Das Capital
ব্যাখ্যা
'Waiting for Godot' হল Samuel Beckett-র একটি বিখ্যাত নাটক, যিনি একজন আয়ারল্যান্ডের সাহিত্যিক।

Other options,
ক) Animal Farm
"Animal Farm" একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা George Orwell লিখেছেন, তিনি একজন ব্রিটিশ লেখক।

গ) The Bluest Eye
"The Bluest Eye" একটি উপন্যাস যা Toni Morrison লিখেছেন, তিনি একজন আমেরিকান লেখক।

ঘ) Das Kapital
"Das Kapital" একটি গ্রন্থ যা Karl Marx লিখেছেন, তিনি একজন জার্মান দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ এবং রাজনৈতিক তাত্ত্বিক।
------------------

• Waiting for Godot: 
- এটি রচনা করেন Irish writer Samuel Beckett.
- It is an Absurd play.
- এটি একটি two-act বিশিষ্ট tragic-comedy too.
- Waiting for Godot is Beckett's translation of his own original French-language play, En attendant Godot.
- ১৯৫২ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- Waiting for Godot was a true innovation in drama and the Theatre of the Absurd’s first theatrical success.
- ১৯৬৯ সালে এই play টির জন্য Samuel Beckett সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• নাটকের গল্প দুটি প্রধান চরিত্র, Vladimir এবং Estragon কে নিয়ে, যারা একটি গাছের নিচে বসে অপেক্ষা করে একজন ব্যক্তি "Godot"-এর জন্য। তারা বিশ্বাস করে যে Godot তাদের জীবনকে অর্থপূর্ণ করবে, কিন্তু Godot আসে না। নাটকে দেখা যায়, Vladimir ও Estragon এর জীবনের একঘেয়েমি, হতাশা, এবং সমাজের অস্থিরতা উঠে আসে। তারা অপেক্ষা করতে থাকে, কিন্তু Godot আসবে কিনা তা জানে না।

• "Waiting for Godot" মানবজীবনের অনিশ্চয়তা, অস্থিরতা, এবং অস্তিত্বের মানে খোঁজার একটি প্রতীকী কাহিনী।

 Samuel Beckett:
- He is an Irish novelist, author, critic, and playwright.
- He was awarded the Nobel Prize for Literature in 1969.

Best Works: (play)
- Waiting for Godot,
- Endgame,
- Happy Days.

Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman & Britannica
৩৩.
Which word is spelled incorrectly?
  1. Accommodate
  2. Occurred
  3. Embarrassment
  4. Seperate
ব্যাখ্যা
The word that is spelled incorrectly is "Seperate".

সঠিক বানান হল "Separate".

Separate:
English meaning: existing or happening independently or in a different physical space.
Bangla meaning: বিভক্ত; পৃথক; আলাদা; বিচ্ছিন্ন; বিযুক্ত

Example:
- The art department and the music department are in two separate buildings.

Options,
ক) Accommodate:
- আবাসিত করা।

খ) Occurred:
- ঘটা।

গ) Embarrassment:
- অস্বস্তি।

Source: Accessible Dictionary.
৩৪.
I haven't received a letter from him yet. Here 'yet' is -
  1. Pronoun
  2. Conjunction
  3. Preposition
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
I haven't received a letter from him yet. Here 'yet' is - adverb.
- "Yet" এখানে Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• এখানে "yet" শব্দটি বোঝাচ্ছে যে কাজটি এখনো ঘটেনি, তবে ভবিষ্যতে ঘটতে পারে।
"Yet" সাধারণত Negative এবং Interrogative বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ "এখনো" বা "এখন পর্যন্ত"।

• Yet: [adverb]
English meaning: (used in negative statements and questions) at this time or at that time; now or then.
Bangla meaning: (নঞর্থক ও শর্তযুক্ত ক্ষেত্রে অথবা অজ্ঞাত অবস্থা ও অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে সাধারণত বাক্যের শেষদিকে বা ঠিক 'not' শব্দের পরে বসে) এই পর্যন্ত; এখন পর্যন্ত; বর্তমান সময় পর্যন্ত

Example:
- "Is dinner ready?" "Not yet."
- Has Janet finished her homework yet?
- He had not yet decided what to do.
- I haven't received a letter from him yet.
- We don't yet know what really happened.

---------------
অন্যদিকে,
• yet [conjunction]
English meaning: despite what has just been said.
Bangla meaning: তৎসত্ত্বেও; একইসঙ্গে; যাই হোক

Example:
It's a small car, yet it's surprisingly spacious.
He has a good job, and yet he never seems to have any money.

Source: Cambridge, Oxford & Accessible Dictionary.
৩৫.
What does the phrase "at large" mean in the sentence: "The suspect remains at large"?
  1. The suspect has been arrested
  2. The suspect is free and not captured
  3. The suspect is making a large impact
  4. The suspect is restricted
ব্যাখ্যা
Answer: The suspect is free and not captured.

"The suspect remains at large" বলতে বোঝানো হচ্ছে যে সন্দেহভাজন এখনও পুলিশ দ্বারা গ্রেফতার করা হয়নি এবং মুক্তভাবে আড়ালে বিদ্যমান।

At large
English Meaning: at liberty / free.
Bangla Meaning: স্বাধীন

Ex. Sentence: Corrupted govt. officials are still at large.
Bangla Meaning: দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তারা এখনো মুক্ত অবস্থায় আছে।

Source: Live MCQ Lecture.
৩৬.
Near and distant relations from Dublin _____ his hospitality in a constant procession.
  1. availed of
  2. availed in
  3. availed to
  4. availed with
ব্যাখ্যা
Complete sentence: Near and distant relations from Dublin availed of his hospitality in a constant procession.

Avail of
English Meaning: use or take advantage of an opportunity or available resource.
Bangla Meaning: কাজে লাগানো / সুযোগের সদ্ব্যবহার করা

Ex. Sentence: They availed themselves of his services.
Bangla Meaning: তারা তার সেবা করার সুযোগ কাজে লাগিয়েছিলো।

Source: Live MCQ Lecture.
৩৭.
If they had practiced more, they _______ the match.
  1. might had won
  2. might have win
  3. might have won
  4. might won
ব্যাখ্যা
Correct sentence: If they had practiced more, they might have won the match.

• Third Conditional এর নিয়মানুযায়ী,
- If- এর পর Past Perfect Tense থাকলে পরবর্তী clause টিতে Past Perfect Conditional বসে।
- অর্থাৎ, would have/could have + verb-এর Past Participle form হয়।

 আবার,
- অনেকসময় conditional-এ subordinate conjunction if এর পরিবর্তে sentence এর শুরুতে Had ব্যবহার করা যায় এবং এর পর verb এর past participle form বসে।
- এবং এক্ষেত্রেও, পরবর্তী clause subject এরপর would have/could have/might have বসে এবং এর পরের verbটির past participle form হয়।
৩৮.
Synonym of 'Abstemious' -
  1. Edacious
  2. Sober
  3. Hungry
  4. Intemperate
ব্যাখ্যা
• Abstemious (adjective)
English Meaning: Not self-indulgent, especially when eating and drinking.
Bangla Meaning: বিশেষত পানাহারে সংযত; মিতাহারী; সংযমী।

Synonyms: Self-disciplined (নিয়তাত্মা), Self-denying (আত্মত্যাগী), Restrained (নিয়ন্ত্রিত), Sober(সংযত), Continent (সংযমী)।
Antonyms: Self-indulgent (আত্মপ্রশ্রয়ী), Intemperate (অসংযত), Greedy, (লোভী) Hungry (ক্ষুধার্ত), Edacious (পেটুক)।

Example Sentence: 
1. A close family member confirmed that she lived a fairly simple and abstemious life.
2. She is known as an abstemious eater and drinker.

Source: Live MCQ Lecture.
৩৯.
The word 'Preamble' means -
  1. Having a complicated structure and therefore difficult to understand
  2. Not ordinary, especially because of being related to wealth
  3. Understood without being expressed directly
  4. An introduction to a speech or piece of writing
ব্যাখ্যা
• Preamble (noun)
English Meaning: An introduction to a speech or piece of writing.
Bangla Meaning: (বিশেষত কোনো আনুষ্ঠানিক দলিলের) প্রস্তাবনা।

Example Sentence:
1. There has been much historical analysis of preambles and what has happened to them.
2. His early travels were just a preamble to his later adventures.

Source: Live MCQ Lecture.
৪০.
Identify the correct embedded question:
  1. He asked me where do I live.
  2. I don’t understand what does she mean.
  3. I’m not sure what he wants.
  4. Do you know why did she leave?
ব্যাখ্যা
গ) I’m not sure what he wants. 
- এটি সঠিক embedded question, কারণ এখানে subject + verb এর সাধারণ গঠন আছে। এটি statement এর মধ্যে indirect question হিসেবে কাজ করছে।

Embedded question বলতে এমন একটি প্রশ্ন বোঝায় যা মূল বাক্যের অংশ হয়ে যায় এবং statement word order অনুসরণ করে (অর্থাৎ, subject + verb)। সরাসরি প্রশ্নের মতো auxiliary verb (do, does, did) ব্যবহৃত হয় না।

Other options,

ক) He asked me where do I live.
ভুল: এখানে "where do I live" সরাসরি প্রশ্নের word order অনুসরণ করছে, যা সঠিক নয়। Embedded question-এ subject + verb বিন্যাস হবে।

খ) I don’t understand what does she mean.
ভুল: এখানে "what does she mean" সরাসরি প্রশ্নের word order রয়েছে, যা embedded question-এ ঠিক নয়।

ঘ) Do you know why did she leave?
ভুল: এখানে "why did she leave" সরাসরি প্রশ্নের word order অনুসরণ করছে, যা embedded question-এ সঠিক নয়।

--------------------
• An embedded question is a question that is included inside another question or statement. 
- অর্থাৎ, Embedded Question হলো এমন একটি প্রশ্ন, যা আরেকটি বাক্যের ভেতরে সংযুক্ত থাকে এবং এটি সাধারণত indirect question হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত statement বা indirect question আকারে থাকে, যেখানে স্বাভাবিক প্রশ্নবোধক কাঠামো পরিবর্তিত হয়।

Embedded Question-এর বৈশিষ্ট্য:
- Subject-verb এর স্বাভাবিক বিন্যাস বজায় থাকে (অর্থাৎ, উল্টে যায় না)

উদাহরণ:
• Direct Question: Where does he live? (সে কোথায় থাকে?)
• Embedded Question: Do you know where he lives? (তুমি কি জানো, সে কোথায় থাকে?)

• Embedded question:
- বাক্যের মাঝে wh-word বসে যে প্রশ্ন তৈরি করে তাই embedded question.
- Embedded question, English Grammar এর এমন একটি নিয়ম যেখানে একটি  assertive বাক্যের মধ্যে একটি interrogative বা প্রশ্নবোধক বাক্য সন্নিবেশিত করা হয়।
- এরা প্রশ্নের মত কিন্তু প্রশ্ন নয়। 
- Wh words সমূহ sentence এর মাঝে বসলে প্রশ্ন করার যোগ্যতা হারায়।
- এমন বাক্যের প্রথম অংশে যেকোন এমনকি প্রশ্নবোধক বাক্য ও বসতে পারে।
- প্রশ্ন বোধক বাক্য প্রথম অংশে বসলে সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন এবং না থাকলে full stop হয়।
৪১.
Choose the antonym of "Scarce":
  1. Abundant
  2. Rare
  3. Sparse
  4. Limited
ব্যাখ্যা
• Scarce:
English meaning: not easy to find or get.
Bangla meaning: অপ্রতুল; দুষ্প্রাপ্য; দুর্লভ; দুষ্প্রাপণীয়।

Options,
ক) Abundant:
- প্রচুর; অঢেল।

খ) Rare:
- দুর্লভ; অস্বাভাবিক; অসাধারণ, যা সচরাচর দেখা যায় না বা ঘটে না।

গ) Sparse: 
- পাতলাভাবে ছড়ানো; বিরল।

ঘ) Limited:
- নিয়ন্ত্রিত; বাধাপ্রাপ্ত; সংকীর্ণ; সীমিত; সীমাবদ্ধ।

So, The antonym of "Scarce" is: A) Abundant.

Source: Accessible Dictionary.
৪২.
The woman whose car was parked outside is my neighbor. The underlined part is -
  1. Adverb phrase
  2. Adverb clause
  3. Noun clause
  4. Adjective clause
ব্যাখ্যা
The woman whose car was parked outside is my neighbor. The underlined part is - Adjective clause.
- এই বাক্যে 'whose car was parked outside' Noun এর post modifier হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। 
- তাই, এটি Adjective clause. 

• Adjective clause:
- যে sub-ordinate clause কোনো noun/pronoun এর পরে বসে ঐ noun/pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে। 
- অর্থাৎ noun এর post modifier হিসাবে adjective clause বসে।
- Adjective clause মূলত noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়  এবং এরা relative pronoun (that, who, whose, whom, which, why, when) ইত্যাদি দ্বারা  শুরু হয়।

• Adjective Clause দুইটি স্থানে বসতে পারে - 
- Noun এর post modifier - (subject + verb + noun + adjective clause);
- Subject এর  post modifier - (Subject + adjective clause + verb + object).
৪৩.
Choose the incorrect one.
  1. The Everest
  2. The Padma
  3. Lake Superior
  4. The U.A.E
ব্যাখ্যা
• Article:
- Articles মুলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।
- Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়।
• Indefinite Articles: A, An-এরা Indefinite Article. (এরা নির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে না)।
• Definite Articles: The হল Definite Article (এটি কোনো বিশেষ ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়কে নির্দিষ্টভাবে বোঝাতে বা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে)।

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
• একটি পর্বতের নামের আগে কোন Article বসে না, কিন্তু পর্বতমালার নামের আগে The বসে।
- এখানে একটি পর্বত বোঝানো হয়েছে, তাই কোন Article বসবে না।

• তাই সঠিক উত্তর The Everest, এর আগে Article বসবে না।

Options,
• নদীর নামের আগে Article The হয়।
- তাই The Padma সঠিক।

• হ্রদের নামের পূর্বে the বসে না।
- যেমন – Lake Superior, Lake Baikal, Lake Caspian.

• সমষ্টিবাচক দেশের নামের পূর্বে the ব্যবহৃত হয়।
যেমন - the U.K., the U.S.A., the U.A.E.
৪৪.
You eat a huge plate of food for lunch, ______ I have just a sandwich.
  1. whereas
  2. as soon as
  3. so
  4. unless
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লিখিত প্রশ্ন গুলোর মধ্যে -

- whereas - যেখানে (তুলনামূলক পার্থক্য বুঝাতে)।
- as soon as - করতে না করতেই/ হতে না হতেই।
- so - এই বা ঐ পরিমাণে অথবা মাত্রায়; এতটা; অতটা।
- unless - যদি না।

- সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে, context অনুসারে শূন্যস্থানে whereas বসালে বাক্যে অর্থ পুর্ণতা পাবে।
- Complete sentence: You eat a huge plate of food for lunch, whereas I have just a sandwich.

Source: Bangla Academy Dictionary.
৪৫.
Though the exam was challenging, she passed with flying colors. The underlined part is -
  1. Adverb clause of supposition
  2. Adverb clause of reason
  3. Adverb Clause of Condition
  4. Adverb Clause of Purpose
ব্যাখ্যা
Though the exam was challenging, she passed with flying colors. The underlined part is - Adverb clause of supposition.

• Adverb clause
- যে subordinate clause কোন বাক্যে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverb clause বলে।
- Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- অর্থাৎ, Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারন, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।

• Adverb clause of supposition/ concession/ contrast
- Verb সংঘটিত হবার বিপরীত কোন কিছু হওয়া/ করা বোঝাবে,
- Principal clause এর verb কে 'কী সত্ত্বেও' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।

Though the exam was challenging, she passed with flying colors.
- 'কী সত্ত্বেও she passed with flying colort' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'Though the exam was challenging'.
- তাই এটি Adverb clause of concession.

-------------------
• Adverbial clause of reason: 
- এর দ্বারা verb সংঘটিত হবার কারণ বোঝায়।
- Principal clause এর verb কে why দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
- Because, as, since দ্বারা adverbial clause of reason শুরু হয়।
Example: As the movie was starting soon, we hurried to the theater.

• Adverb Clause of Condition:
- এ Clause দ্বারা শর্ত আরোপ করা হয়।
- তাই এ clause If, whether, unless, but, for, otherwise, provided, suppose ইত্যাদি Conjunction দ্বারা শুরু হয়।
Example: If she invites me, I will attend the party.

• Adverb Clause of Purpose:
- এ Clause, Principal Clause-এর কাজের উদ্দেশ্য নির্দেশ করে।
- এ Clause so that, in order that, lest ইত্যাদি Conjunction দ্বারা শুরু হয়।
Example: They arrived early in order to get the best seats.
৪৬.
Scarcely had he left the house _____ the phone started ringing.
  1. when
  2. than
  3. then
  4. and
ব্যাখ্যা
• Scarcely had ....... when:
• Negative word + Auxiliary verb + subject + main verb + Extension.
• আবার Scarcely had দ্বারা বাক্য শুরু হলে পরের clause টি when দ্বারা শুরু করতে হয় এবং প্রথম clause টি past perfect + verb এর past participle এবং দ্বিতীয় clause টি past indefinite হয়।

• মনে রাখা জরুরি,
→ no sooner...than, scarcely..when, hardly...when এভাবে আসে। 

Complete sentence: Scarcely had he left the house when the phone started ringing.

Example:
→ No sooner had the thief seen the police than he ran away.
→ Hardly had I reached the station when the train came.
→ Scarcely had I stepped out when it started raining.
৪৭.
John is one of the tallest boys in the neighborhood. (Comparative)
  1. John is taller than most other boy in the neighborhood.
  2. John is taller then most other boys in the neighborhood.
  3. John is taller than most other boys in the neighborhood.
  4. John is taller than other boys in the neighborhood.
ব্যাখ্যা
Superlative: John is one of the tallest boys in the neighborhood.
Comparative: John is taller than most other boys in the neighborhood.

• One of the যুক্ত Superlative Degree কে Comparative Degree তে রূপান্তর করার নিয়ম:

- প্রথমে প্রদত্ত Sentence- এর Subject ও Verb বসে,
- One of the উঠে যায়,
- Superlative Degree-এর Comparative form বসে,
- than most other বসে,
- প্রদত্ত Sentence- এর বাকী অংশ বসে।

Structure: Subject + Verb + Superlative Degree এর Comparative form + than most other + প্রদত্ত Sentence এর বাকী অংশ।

Superlative: He is one of the best players on the team.
Comparative: He is better than most other players on the team.

Superlative: She is one of the most talented singers in the competition.
Comparative: She is more talented than most other singers in the competition.
৪৮.
They gave her a gift. (Passive)
  1. A gift was given to her by them.
  2. She was given gift by them.
  3. They were given her a gift.
  4. Both A & B
ব্যাখ্যা
Correct: A gift was given to her by them.

Active: They gave her a gift.
Passive: She was given a gift by them.
Or, A gift was given to her by them.

• Double object যুক্ত Active Voice কে Passive Voice এ রূপান্তরের নিয়ম: 
- দুটি object এর যেকোন একটিকে passive voice এর subject করতে হয় (তবে ব্যক্তিবাচক অর্থাৎ Indirect object- কে subject করাই শ্রেয়) + 
- Tense অনুযায়ী Auxiliary verb বসে + 
- প্রদত্ত মূল verb এর Past Participle বসে + 
- প্রদত্ত বাকী object টি বসে + 
- by বসে + 
- প্রদত্ত active voice এর subject টি object রূপে বসে।

Active: I gave him a book.
Passive: He was given a book by me.
or 
A book was given to him by me.

Active: The company offered him a job.
Passive: He was offered a job by the company.
Or, A job was offered to him by the company.

অন্য অপশনগুলিতে ভুল রয়েছে:
খ) "She was given gift by them." এখানে "gift"-এর আগে "a" বসানো উচিত ছিল।
৪৯.
Choose the correct one.
  1. They spoke as if they known the answer.
  2. They spoke as if they had known the answer.
  3. They spoke as if they knew the answer.
  4. They speaks as if they had known the answer.
ব্যাখ্যা
• As if / as though এর পূর্বে present indefinite tense থাকলে as if / as though এর পরে past indefinite/perfect tense হয় এবং be verb থাকলে সবসময় were হয়।
যেমন:
- He speaks as if he were mad.
- He talks as though he were a child.

2.
As if / as though এর পূর্বে Past indefinite tense থাকলে As if / as though এর পরে past perfect হয়। যেমন:

Complete sentence: They spoke as if they had known the answer.
৫০.
শূণ্য নয় এমন একটি সংখ্যা ও এর বর্গের গড় ঐ সংখ্যার ২৫ গুণের সমান হলে, সংখ্যাটি কত?
  1. ৫০
  2. ২৫
  3. ৪৯
  4. ২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শূণ্য নয় এমন একটি সংখ্যা ও এর বর্গের গড় ঐ সংখ্যার ২৫ গুণের সমান হলে, সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যাটি ”ক”

প্রশ্নমতে,
(ক + ক)/২ = ২৫ক
⇒ ক + ক = ৫০ক
⇒ ক + ক - ৫০ক = ০
⇒ ক - ৪৯ক = ০
⇒ ক(ক - ৪৯) = ০
∴ ক = ০ অথবা ৪৯

যেহেতু প্রশ্ন অনুসারে সংখ্যাটি ০ নয়
∴ সংখ্যাটি = ৪৯
৫১.
2 + 4 + 6 +....................+ 50 = কত?
  1. 700
  2. 600
  3. 550
  4. 650
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2 + 4 + 6 +....................+ 50 = কত?

সমাধান:
এখানে,
প্রদত্ত ধারাটি হল 2 থেকে 50 পর্যন্ত সবগুলো জোড় সংখ্যার যোগফল।
যার প্রথম পদ = 2
শেষ পদ = 50
এবং 2 থেকে 50 পর্যন্ত জোড় সংখ্যা বা (পদ সংখ্যা) = 25 টি

আমরা জানি,
যোগফল = {(প্রথম পদ + শেষ পদ) × পদ সংখ্যা}/2
= {(2 + 50) × 25}/2
= (52 × 25)/2
= 26 × 25
= 650
৫২.
12 টি বই থেকে 5 টি বই কত প্রকারে বাছাই করা যায়, যেখানে 2 টি বই সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে না?
  1. 120
  2. 224
  3. 729
  4. 252
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 12 টি বই থেকে 5 টি বই কত প্রকারে বাছাই করা যায়, যেখানে 2 টি বই সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে না?

সমাধান:
যেহেতু,
2 টি বই সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।
∴ বই বাকি থাকে = (12 - 2) = 10 টি
এবং বাছাই করতে হবে 5 টি

∴ 10 টি বই থেকে 5 টি বই বাছাই করার উপায় = 10C5
= 10!/{5! × (10 - 5)!}
= (10 × 9 × 8 × 7 × 6 × 5!)/(5! × 5!)
= 30240/120
= 252
৫৩.
তরমুজ বিক্রেতা প্রতিটি তরমুজ ক্রয়মূল্যের চেয়ে ৪০% বেশি হিসেবে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে। সে তার নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের উপর ১৫% কমিশন দেয়। তরমুজ বিক্রেতার মোটের উপর শতকরা কত লাভ হয়?
  1. ১৯%
  2. ১২%
  3. ১৫%
  4. ২১%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তরমুজ বিক্রেতা প্রতিটি তরমুজ ক্রয়মূল্যের চেয়ে ৪০% বেশি হিসেবে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে। সে তার নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের উপর ১৫% কমিশন দেয়। তরমুজ বিক্রেতার মোটের উপর শতকরা কত লাভ হয়?

সমাধান:
ধরি,
প্রতিটি তরমুজের ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
ক্রয়মূল্যের উপর ৪০% হিসাব করে বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করলে,
নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ১০০ এর ৪০%) টাকা
= (১০০ + ৪০) টাকা
= ১৪০ টাকা

আবার,
নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের উপর ১৫% কমিশন = (১৪০ এর ১৫%) টাকা
= (১৪০ × ১৫/১০০) টাকা
= ২১ টাকা

∴ বিক্রয়মূল্য = (১৪০ - ২১) টাকা
= ১১৯ টাকা

∴ মোটের উপর শতকরা লাভ = (১১৯ - ১০০) টাকা
= ১৯ টাকা।
৫৪.
(x + 4)(x - 4) কে x2 - 6 দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?
  1. - 18
  2. - 12
  3. - 10
  4. 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (x + 4)(x - 4) কে (x2 - 6) দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
(x + 4)(x - 4) = (x2 - 16) কে (x2 - 6) দিয়ে ভাগ করে পাই,

x2 - 6 ) x2 - 16 ( 1
            x2 -   6
       --------------
                 - 10

অর্থাৎ ভাগশেষ = - 10
৫৫.
যদি (27)(2/3) + (216)(1/3) = 3P হয়, তবে P = ?
  1. 3/5
  2. 5
  3. 7
  4. 1/3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি (27)(2/3) + (216)(1/3) = 3P হয়, তবে P = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
(27)(2/3) + (216)(1/3) = 3P
⇒ (33)(2/3) + (63)(1/3) = 3P
⇒ (3)(3 × 2/3) + (6)(3 × 1/3) = 3P
⇒ 32 + 6 = 3P
⇒ 9 + 6 = 3P
⇒ P = 15/3
∴ P = 5
৫৬.
একটি বর্গেক্ষেত্রের এক বাহু ১২ সে.মি হলে ঐ বর্গেক্ষেত্রের কর্ণের এক-চতুর্থাংশের উপর অংকিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৪৪ বর্গ সে.মি
  2. ১০৮ বর্গ সে.মি
  3. ৫৪ বর্গ সে.মি
  4. ১৮ বর্গ সে.মি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গেক্ষেত্রের এক বাহু ১২ সে.মি হলে ঐ বর্গেক্ষেত্রের কর্ণের এক-চতুর্থাংশের উপর অংকিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বর্গেক্ষেত্রের এক বাহু = ১২ সে.মি

∴ বর্গেক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = (√২ × এক বাহু) একক
= (√২ × ১২) সে.মি
= ১২√২ সে.মি

∴ কর্ণের এক-চতুর্থাংশ = (১২√২ × ১/৪) সে.মি
= ৩√২ সে.মি

অর্থাৎ অংকিত নতুন বর্গক্ষেত্রে এক বাহু = ৩√২ সে.মি

∴ অংকিত নতুন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (৩√২) বর্গ সে.মি
= (৯ × ২) বর্গ সে.মি
= ১৮ বর্গ সে.মি
৫৭.
P(A) = 4/5, P(B) = 1/5, A & B স্বাধীন হলে, P(A ∪ B) = ?
  1. 4/5
  2. 5/3
  3. 1/5
  4. 3/5
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: P(A) = 4/5, P(B) = 1/5, A & B স্বাধীন হলে, P(A ∪ B) = ?

সমাধান:
আমরা জানি,
P(A ∪ B) = P(A) + P(B) - P(A ∩ B)
= 4/5 + 1/5 - (4/5 × 1/5)
= 4/5 + 1/5 - 4/25
= (20 + 5 - 4)/25
= 21/25

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
৫৮.
দুটি সংখ্যার ল.সা.গু ও গ.সা.গু যথাক্রমে ৭৫ ও ৫। একটি সংখ্যা অপর সংখ্যার ৩/৫ অংশ হলে, বড় সংখ্যাটি কত?
  1. ১৫
  2. ২৫
  3. ১২
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার ল.সা.গু ও গ.সা.গু যথাক্রমে ৭৫ ও ৫। একটি সংখ্যা অপর সংখ্যার ৩/৫ অংশ হলে, বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ৫ক
তাহলে ছোট সংখ্যাটি = ৩ক

আমরা জানি,
দুইটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু
⇒ ৫ক × ৩ক = ৭৫ × ৫
⇒ ১৫ক = ৩৭৫
⇒ ক = ৩৭৫ ÷ ১৫
⇒ ক = ২৫
∴ ক = ৫

অতএব,
বড় সংখ্যাটি = ৫ x ৫
= ২৫
৫৯.
বাস্তব সংখ্যায় |3x + 3| < 6 অসমতাটির সমাধান-
  1. - 3 < x < 3
  2. - 7 < x < 5
  3. - 5 < x < 1
  4. - 3 < x < 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাস্তব সংখ্যায় |3x + 3| < 6 অসমতাটির সমাধান-

সমাধান:
|3x + 3| < 6
⇒ - 6 < 3x + 3 < 6
⇒ - 6 - 3 < 3x + 3 - 3 < 6 - 3
⇒ - 9 < 3x < 3
⇒ (- 9/3) < (3x/3) < (3/3)
⇒ - 3 < x < 1
৬০.
625 এর 5 ভিত্তিক লগারিদম কত?
  1. 6
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 625 এর 5 ভিত্তিক লগারিদম কত?

সমাধান:
625 এর 5 ভিত্তিক লগারিদম = log5625
= log554
= 4 log55
= 4 × 1
= 4
৬১.
একটি খুঁটি ভেঙ্গে গিয়ে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভূমির সাথে 30° কোণ উৎপন্ন করল। ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য 16 মিটার হলে, সম্পূর্ণ খুঁটিটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?
  1. 24 মিটার
  2. 30 মিটার
  3. 48 মিটার
  4. 20 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি খুঁটি ভেঙ্গে গিয়ে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভূমির সাথে 30° কোণ উৎপন্ন করল। ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য 16 মিটার হলে, সম্পূর্ণ খুঁটিটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?

সমাধান:

ধরি,
দন্ডায়মান অংশের দৈর্ঘ্য = a মিটার

এখন, sinθ = লম্ব/অতিভুজ
⇒ sinθ = a/16
⇒ sin 30° = a/16
⇒ 1/2 = a/16
⇒ 2a = 16
∴ a = 8 মিটার

∴ সম্পূর্ণ খুঁটিটির দৈর্ঘ্য = 16 + 8 = 24 মিটার
৬২.
যদি, A = {x ∈ N : 4x < 24} হলে, A এর প্রকৃত উপসেট সংখ্যা কত? 
  1. 32
  2. 31
  3. 16
  4. 24
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি, A = {x ∈ N : 4x < 24} হলে, A এর প্রকৃত উপসেট সংখ্যা কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A = {x ∈ N : 4x < 24}
4x < 24
∴ x < 6

6 এর চেয়ে ছোট সকল স্বাভাবিক সংখ্যা হলো A সেটের উপাদান।
∴ A = {1, 2, 3, 4, 5}

∴ A সেটের উপসেট সংখ্যা = 25
= 32

∴ প্রকৃত উপসেট সংখ্যা = 32 - 1 = 31 টি
৬৩.
একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্সের অভ্যন্তরীণ রোধ কত?
  1. শূন্য
  2. অসীম
  3. তড়িচ্চালক বলের সমান
  4. তুল্যরোধের সমান
ব্যাখ্যা

◉ একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্সের (Ideal Current Source) প্রতিরোধ অসীম (infinite) হয়।
আদর্শ কারেন্ট সোর্স হলো এমন একটি উৎস, যা যেকোনো ভোল্টেজের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট কারেন্ট প্রদান করে।

একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্স সবসময় নির্দিষ্ট পরিমাণ কারেন্ট সরবরাহ করে, যেটি লোড বা ভোল্টেজের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে না। এর জন্য সোর্সের অভ্যন্তরীণ রোধ অসীম হতে হবে, যাতে কোনো ভোল্টেজ পরিবর্তন হলেও কারেন্ট অপরিবর্তিত থাকে।

যদি রোধ শূন্য (zero) হতো, তাহলে ওহমের সূত্র (V = IR) অনুযায়ী, সামান্য ভোল্টেজ পরিবর্তনেও বিশাল কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারত, যা বাস্তবে সম্ভব নয়। ওহমের সূত্র অনুসারে, যদি অভ্যন্তরীণ রোধ অসীম হয়, তাহলে সোর্সের মধ্যে কোনো ভোল্টেজ ড্রপ হবে না যা কারেন্টকে প্রভাবিত করতে পারে।
তাই, একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্সের রোধ অসীম হতে হয়, যাতে এটি যেকোনো লোডের জন্য নির্দিষ্ট কারেন্ট সরবরাহ করতে পারে।

Source:
"Fundamentals of Electric Circuits" – Charles K. Alexander & Matthew N. O. Sadiku.
2. "Basic Engineering Circuit Analysis" – J. David Irwin & R. Mark Nelms.

৬৪.
এসিড সম্পর্কে কোন উক্তিটি সত্য?
  1. pH মান 7-এর বেশি
  2. স্বাদ তিক্ত
  3. ধাতুর সাথে বিক্রিয়ায় CO2 উৎপন্ন করে
  4. নীল লিটমাস কাগজকে লাল করে
ব্যাখ্যা

◉ এসিড সাধারণত নীল লিটমাস কাগজকে লাল করে। 

এসিড: 
এসিড হলো সেই পদার্থ, যা জলে দ্রবীভূত হয়ে H+ (প্রোটন বা হাইড্রোজেন আয়ন) উৎপন্ন করে।

এসিডের ধর্ম: 
১। প্রায় সকল এসিড টক স্বাদযুক্ত। 
২। এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে। 
৩। এসিড সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন উৎপন্ন করে। 
৪। এসিড ধাতব অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
৫। ধাতব কার্বনেট বা হাইড্রোজেন কার্বনেটের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করে থাকে। 
৬। pH মান 7-এর কম হয়ে থাকে। 

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬৫.
ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের কেন্দ্রে কী থাকে?
  1. অত্যধিক বায়ুচাপ
  2. নিম্ন বায়ুচাপ
  3. অত্যধিক তাপমাত্রা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

◉ ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের কেন্দ্রকে "চোখ" (Eye) বলা হয়। এই কেন্দ্রে বায়ুচাপ অত্যন্ত নিম্ন থাকে, যা আশপাশের উচ্চ বায়ুচাপবিশিষ্ট বাতাসকে কেন্দ্রের দিকে টেনে আনে।

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।
- বায়ুর অনিয়মিত প্রবাহের দরুন ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়। সমুদ্রের পানিপৃষ্ঠের বায়ুপুঞ্জের মধ্যে নিম্নস্তরের বায়ু উষ্ণ ও আদ্র হয় এবং ওপরের দিকের বায়ু শীতল ও শুষ্ক হয়।
- বায়ুর প্রবাহের সময় নিম্নের উষ্ণ ও আদ্র বায়ু ওপরে ওঠে ওপরের শীতল বায়ুর সাথে ঘনীভূত হয়ে আদ্রতা বাড়ে এবং বৃষ্টিপাত হয়।
- ঘূর্ণিঝড় সাধারণত সমুদ্রের ওপর সংঘটিত হয়ে সমুদ্রের পাশ্ববর্তী এলাকায় ক্ষতিসাধন করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় বায়ু প্রবাহের গতিবেগ থাকে ৬৫ কি.মি বা এরও বেশি।
- ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলে।
- ঘূণিঝড়ের জন্য সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি নিকটবর্তী এলাকায় অন্তত ২৭ ডিগ্রি সেলিসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আদ্র বায়ু প্রয়োজন হয়।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬৬.
ভ্যাকসিন কীভাবে কাজ করে?
  1. সরাসরি জীবাণু ধ্বংস করে
  2. রক্তে অক্সিজেন পরিমাণ বাড়ায়
  3. শরীরে অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সাহায্য করে
  4. রোগের উপসর্গ কমায়
ব্যাখ্যা

◉ ভ্যাকসিন মূলত শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে এবং অ্যান্টিবডি উৎপাদনে সাহায্য করে, যা ভবিষ্যতে সেই নির্দিষ্ট রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে।

টিকা (Vaccine):
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অনুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিস্রুত সাসপেনশন।
- টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে।
- অ্যান্টিবডি রোগের জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিহত করে এবং স্থায়ী কার্যক্ষমতা নষ্ট করে।
- সাধারণত কোনো রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব দিয়েই ওই রোগের টিকা তৈরি করা হয়।
- টিকা প্রবেশ করালে প্রাণিদেহে ওই একই জীবাণু বা নিকট সম্পর্কিত রোগ জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধক্ষম হয়ে ওঠে।
- দেহে টিকা দেওয়া মানে হলো ওই রোগের জীবাণু দেহে প্রবেশে করানো। কিন্তু যেহেতু এ জীবাণুগুলো বিশেষ পদ্ধতিতে নিষ্ক্রিয় থাকে সেহেতু এরা জীবদেহে কোনো রোগ সৃষ্টি না করে রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
- আধুনিক জৈবপ্রযুক্তি প্রয়োগ করে বর্তমানে পোলিও, টিটেনাস, হাম্পস, ডিপথেরিয়া, যক্ষ্মা, হুপিংকাশি, টাইফয়েড, হেপাাইটিস ইত্যাদি রোগের টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭.
টলেন বিকারক কোন শ্রেণির জৈব যৌগকে শনাক্ত করে?
  1. অ্যালকোহল
  2. অ্যালডিহাইড
  3. কিটোন
  4. কার্বোক্সিলিক এসিড
ব্যাখ্যা

◉ টলেন বিকারক (Tollens' reagent) মূলত অ্যালডিহাইড শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

টলেন বিকারক:
- অতিরিক্ত NH4OH দ্রবণে AgNO3 যোগ করলে যে বর্ণহীন দ্রবণ উৎপন্ন হয় তাকে টলেন বিকারক বলা হয়। এতে [Ag(NH3)2]+ আয়ন থাকে। এটি একটি মৃদু জারক।
AgNO3 + NH4OH→ [Ag(NH3)2]OH + NH4NO3 + H2O

টলেন বিকারকসহ অ্যালডিহাইডকে একটি কাঁচের টেস্টটিউবে উত্তপ্ত করলে টেস্টটিউবের গায়ে কাঁচের মত ধাতব সিলভারের প্রলেপ পড়ে দর্পণের মত দেখায়। ইহাকে সিলভার দর্পন বলে। কিটোন এ বিক্রিয়া প্রদর্শন করে না। এ বিক্রিয়াটি তাই অ্যালডিহাইড শনাক্তকরণের বিক্রিয়া।
CH3CHO (অ্যালডিহাইড) + 2[Ag(NH3)2] OH→ H3C-COONH4 + 2Ag↓ + 3NH3↑ + H2O

এছাড়াও, অ্যালডিহাইড শনাক্তকরণে ফেহলিং দ্রবণ ব্যাবহার করা হয়। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) অ্যালকোহল - অ্যাসিটাইল ক্লোরাইড পরীক্ষা অথবা লুকাস বিকারক দ্বারা অ্যালকোহল শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হয়। 
গ) কিটোন - আইডোফর্ম টেস্ট অথবা 2,4-ডাইনাইট্রোফিনাইলহাইড্রাজিন (2,4-DNPH) টেস্ট দ্বারা কিটোন শনাক্ত করা হয়। 
ঘ) কার্বোক্সিলিক এসিড - সোডিয়াম বাইকার্বোনেট টেস্ট দ্বারা শনাক্ত করা হয়। 

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬৮.
কোনটি জারণ প্রক্রিয়া?
  1. অক্সিজেন লাভ করা
  2. হাইড্রোজেন লাভ করা
  3. ইলেকট্রন লাভ করা
  4. প্রোটন লাভ করা
ব্যাখ্যা

◉ জারণ (Oxidation) প্রক্রিয়া মূলত ইলেকট্রন হারানো বা অক্সিজেন গ্রহণ করার সাথে সম্পর্কিত।

জারণ:
পুরাতন ধারণা অনুসারে, কোন মৌল বা যৌগের সাথে অক্সিজেনের সরাসরি সংযোগ বিক্রিয়াকে জারণ বলে। যেমন,

ইলেকট্রনীয় মতবাদ অনুসারে, যে প্রক্রিয়ায় কোন মৌল, আয়ন বা পরমাণুপূঞ্জের (রেডিক্যাল) তড়িৎ ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি পায় তাকেই জারণ বলা হয়। ইলেকট্রন আদান-প্রদান মতবাদের সাহায্যে এই তড়িৎ মাত্রার পরিবর্তন ব্যাখ্যা দেয়া যায়। আমরা জানি যে প্রতিটি ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধান বহন করে।
- তাই ইলেকট্রন অপসারণ বা বিতাড়নের ফলে তড়িৎ ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি বা তড়িৎ ধনাত্মক আধান হ্রাস পায়।
- অতএব কোন পরমাণু, আয়ন বা পরমাণুপুঞ্জ (রেডিক্যাল) থেকে এক বা একাধিক ইলেকট্রন অপসারণের মাধ্যমে তড়িৎ ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি বা তড়িৎ-ঋনাত্মক আধান হ্রাসের প্রক্রিয়াকে জারণ বলা হয়। যেমন, ক্লোরিন দ্বারা FeCl2 এর FeCl3 এ রূপান্তর বিক্রিয়াটি একটি জারণ বিক্রিয়া।

অন্যদিকে, বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ এবং হাইড্রোজেনের সংযোগ ঘটে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯.
লিনিয়াস-এর দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে প্রথম অংশটি কী নির্দেশ করে?
  1. ফ্যামিলি
  2. অর্ডার
  3. স্পিসিস
  4. জেনাস
ব্যাখ্যা

◉ দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে প্রথম অংশ জেনাস (Genus) এবং দ্বিতীয় অংশ স্পিসিস (Species) নির্দেশ করে।
যেমন, Homo sapiens নামে, Homo হলো Genus, এবং sapiens হলো Species।

দ্বিপদ নামকরণ:
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম।
- উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম International code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
- নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।
- 1753 সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species plantarum বইটি রচনা করেন।

নামকরণের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নীতিমালা নিম্নরূপ:
১. নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন।
২. প্রতিটি জীব-প্রজাতির নামের দু'টি অংশ থাকবে, প্রথম অংশ হলো গণ (Genus) নাম এবং দ্বিতীয় অংশ হলো প্রজাতিক (Species) পদ।
৩. একই দ্বিপদ নাম কোন দু'টি প্রজাতির জন্য প্রযোজ্য হবে না, একটি দ্বিপদ নাম কেবল মাত্র একটি প্রজাতির জন্যই সুনির্দিষ্ট।
৪. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদ ছোট অক্ষরে হবে ।
৫. ছাপানো হলে দ্বিপদ নাম ইটালিক বা মোটা অক্ষরে হবে। হাতে লিখলে দ্বিপদ নামের নিচে দু'অংশে দু'টি টানা দাগ দিতে হবে; যেমন- Homo sapiens বা Homo sapiens.
৬. দ্বিপদ নামের শেষে নাম প্রদানকারীর নাম উল্লেখ করতে হয়, যেমন- Mangifera indica L., L. হলো লিনিয়াসের সংক্ষিপ্ত রূপ। এ নামটি লিনিয়াস দিয়েছিলেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
চুম্বকের চারপাশে যে অঞ্চলে চৌম্বক বল অনুভূত হয় তাকে কী বলে?
  1. চুম্বক শক্তি
  2. চৌম্বক প্রবাহ
  3. চৌম্বক ক্ষেত্র
  4. চৌম্বক বল
ব্যাখ্যা

◉ চুম্বকের চারপাশে যে অঞ্চলে চৌম্বক বল অনুভূত হয় তাকে বলা হয় চৌম্বক ক্ষেত্র

চৌম্বক ক্ষেত্র:
- কোনো তড়িৎবাহী তারের চতুর্দিকে যে অঞ্চল জুড়ে একটি চৌম্বক শলাকা বিক্ষেপ দেখায় তাকে ঐ তড়িৎবাহী তারের চৌম্বক ক্ষেত্র বলে।
- লম্বা সোজা পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করা হলে এর চারদিকে যে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়, তা চুম্বক শলাকার সাহায্যে চৌম্বক ক্ষেত্র রেখা (বা চৌম্বক আবেশ রেখা) অঙ্কিত করে দেখানো যায়। রেখাগুলিকে চৌম্বক বলরেখাও বলা হয়ে থাকে।
- লম্বা সোজা পরিবাহীর জন্য কোনো বিন্দুতে চৌম্বক ক্ষেত্রের মান (১) পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের সমানুপাতিক এবং (২) বিন্দু থেকে পরিবাহীর দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক।

- এটি একটি অদৃশ্য বল ক্ষেত্র, যা চুম্বকের চারপাশে বিস্তৃত থাকে।
- যখন কোনো চৌম্বকীয় বস্তু বা চার্জযুক্ত কণা এই অঞ্চলে প্রবেশ করে, তখন এটি চৌম্বক বলের প্রভাব অনুভব করে।
- চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ধারণ করা হয় উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরুর দিকে।
- টেসলা হচ্ছে চৌম্বক ক্ষেত্রের এস.আই একক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১.
পৃথিবীর উপরিভাগের যে বড় বড় টুকরোগুলো ভাসমান অবস্থায় আছে তাদেরকে কী বলে?
  1. টেকটনিক প্লেট
  2. জিওলজিক্যাল স্ট্র্যাটা
  3. ম্যান্টল
  4. ম্যাগমা
ব্যাখ্যা

◉ পৃথিবীর উপরিভাগের বড় বড় টুকরোগুলো ভাসমান অবস্থায় আছে এবং এগুলোকে টেকটনিক প্লেট বলা হয়। এই প্লেটগুলো পৃথিবীর লিথোস্ফিয়ারের অংশ এবং এগুলো ক্রমাগত নড়াচড়া করে, যা ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং পর্বত গঠনের মতো ভূতাত্ত্বিক ঘটনাগুলোর কারণ হয়ে থাকে।

টেকটনিক প্লেট: 
- ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত এগুলোকে প্লেট বলা হয়।
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়। প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়। আবার কখনও কখনও একে অন্যের দিকে আসে। কখনও কখনও প্লেটগুলো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে বা নিচে নামে। একটি প্লেটের সাথে আরেকটি প্লেট যেখানে মেশে সেখানেই বেশি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে।
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে।
- প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর ভাগ সৃষ্টি হয়।
- তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে।
- বেরিয়ে আসা গলিত ভরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত ।
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে একেই ভুমিকম্প বলে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) জিওলজিক্যাল স্ট্র্যাটা: জিওলজিক্যাল স্ট্র্যাটা বলতে পৃথিবীর ভূত্বকের স্তরগুলোকে বোঝায়, যা বিভিন্ন প্রকার শিলা এবং মাটির স্তর দ্বারা গঠিত। এই স্তরগুলো সময়ের সাথে সাথে জমা হয়ে তৈরি হয় এবং ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসের তথ্য ধারণ করে।

গ) ম্যান্টল: ম্যান্টল হলো পৃথিবীর ভূত্বক এবং কোরের মধ্যবর্তী স্তর। এটি একটি অর্ধ-কঠিন স্তর, যা প্রধানত সিলিকেট খনিজ দ্বারা গঠিত। ম্যান্টল টেকটনিক প্লেটের নিচে অবস্থান করে এবং এর গতিশীলতা প্লেটগুলোর নড়াচড়ার জন্য দায়ী।

ঘ) ম্যাগমা: ম্যাগমা হলো গলিত শিলা, যা পৃথিবীর ভূত্বক এবং ম্যান্টলে পাওয়া যায়। এটি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় লাভা হিসেবে বেরিয়ে আসে। ম্যাগমা টেকটনিক প্লেট গঠন করে না, বরং এটি প্লেটগুলোর নড়াচড়া এবং ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে।

উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

৭২.
কোন নিউরোট্রান্সমিটার মুড নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
  1. অ্যাসিটাইলকোলিন
  2. ডোপামিন
  3. গ্লুটামেট
  4. GABA
ব্যাখ্যা

◉ ডোপামিন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার, যা সুখ, প্রেরণা এবং পুরস্কারমূলক অনুভূতি তৈরি করতে সাহায্য করে।

ডোপামিন:
- ডোপামিন মস্তিষ্কে তৈরি একটি নিউরোট্রান্সমিটার (দুটি স্নায়ু কোষের মধ্যে রাসায়নিক বার্তাবাহক)।
- এটি মস্তিষ্কের স্নায়ু কোষ এবং শরীরের স্নায়ু এবং পেশী কোষের মধ্যে বার্তা যোগাযোগ করতে সহায়তা করে।
- এটি শরীরের নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয়, মেজাজ, স্মৃতি, মনোযোগ, অনুপ্রেরণা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- এটি শরীরের অনেক কাজের সাথে জড়িত যেমন উত্তেজনা এবং ঘুম, জ্ঞান এবং আচরণ, মেজাজ, স্তন্যদান, শিক্ষা ইত্যাদি। 
- এটি একটি সত্যিকারের চাপের পরিস্থিতিতে শরীরের প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন বিপদ সনাক্ত করা এবং এটি থেকে পালানো।
- ডোপামিনের ঘাটতি হলে উদাসীনতা, বিষণ্নতা ও পারকিনসন রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
- অতিরিক্ত ডোপামিন স্কিজোফ্রেনিয়া ও আসক্তির (Addiction) সাথে সম্পর্কিত।

উৎস:
i) জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Care Hospitals Website. [Link] 

৭৩.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মডেল নয়?
  1. পাবলিক ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. মিশ্র ক্লাউড
  4. ওভার ক্লাউড
ব্যাখ্যা

ওভার ক্লাউড- নামে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর কোনো স্বীকৃত মডেল নেই। 

ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

সেবার ধরণ অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
পাবলিক ক্লাউড: এই ধরণের সেবা জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত থাকে। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রাধীন অফিস বা, অবস্থানের পাবলিক ক্লাউড অবস্থিত থাকে যেখানে ইউজারডের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক এপ্লিকেশন, স্টোরেজ, এবং অন্যান্য রিসোর্সসমূহ উন্মুক্ত থাকে। যেমন- এমাজন ওয়েব সার্ভিস। যেমন: Amazon Web Services.

প্রাইভেট ক্লাউড: এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোন ক্লাউড সার্ভিস যখন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মী বা, তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অথবা, বাহিরে কোথাও হোস্টিং করা হয় তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলা হয়।

মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড: দুই বা ততোধিক ক্লাউড যেমন- পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউড সম্মিলিতভাবে তাদের নিজস্বতা বজায় রেখে যখন রিসোর্স শেয়ার করে তখন তাকে মিশ্র ক্লাউড বলা হয়। যেমন- কমিউনিটি ক্লাউড।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৪.
কম্পিউটারের কোন অংশটি RAM এবং প্রসেসর থেকে ডেটা স্থানান্তর করে?
  1. ALU
  2. মাদারবোর্ড
  3. বাস
  4. পয়েন্টার
ব্যাখ্যা

◉ বাস (Bus) হলো কম্পিউটারের ডাটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত যোগাযোগ মাধ্যম। এটি RAM, প্রসেসর, এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্টগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে।

কম্পিউটার বাস: 
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- বাস মূলত কম্পিউটারের সাংগঠনিক বিভিন্ন অংশ যেমন-ইনপুট অংশ, আউটপুট অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মেমরি বা রেজিস্টার, মাদারবোর্ডে অবস্থানরত অন্য চিপসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদান করে।

কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২। এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস। 

১. সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
• ডেটা বাস (Data Bus).
• অ্যাড্রেস বাস (Address Bus).
• কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus):
- Expansion Bus যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস যে প্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন প্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
কম্পিউটার পারফরমেন্স পরিমাপের ক্ষেত্রে MIPS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Million Instructions Per Second
  2. Microprocessor Integrated Program System
  3. Manipulation of Information Per Session
  4. Multiple Instruction Processing System
ব্যাখ্যা

◉ MIPS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে— Million Instructions Per Second. 

MIPS: 
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা প্রতি সেকেন্ডে সম্পাদিত মিলিয়ন সংখ্যক নির্দেশনার সংখ্যা বোঝায়।
- এটি সাধারণত CPU পারফরম্যান্স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসরগুলোর ক্ষেত্রে।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৭৬.
ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ROM
  2. Flags
  3. Cache
  4. Register
ব্যাখ্যা

◉ ALU (Arithmetic Logic Unit)-এর আউটপুট সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করার জন্য রেজিস্টার (Register) ব্যবহৃত হয়।

রেজিস্টার: 
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) ROM (Read-Only Memory) - ROM হলো স্থায়ী মেমোরি, এটি শুধুমাত্র রিড অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
খ) Flags Register বিভিন্ন অবস্থার সংকেত (যেমন Zero Flag, Carry Flag) ধরে রাখে, তবে এটি সরাসরি ALU-এর আউটপুট সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না।
গ) Cache মূলত প্রসেসরের তথ্য দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয় কিন্তু ALU সরাসরি এতে আউটপুট সংরক্ষণ করে না।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭.
ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট মূলত কী ধরনের সিস্টেম?
  1. গ্রাফিক্স প্রসেসিং সিস্টেম
  2. ডিস্ক ফ্র্যাগমেন্টেশন সিস্টেম
  3. হায়ারার্কিক্যাল ডাটাবেজ
  4. মেমোরি ইউনিট
ব্যাখ্যা

◉ ফ্লিপ-ফ্লপ (Flip-Flop) হলো সিকোয়েনশিয়াল লজিক (Sequential Logic) সার্কিট, যা বাইনারি ডাটা (0 বা 1) সংরক্ষণ করতে পারে।
- এটি একটি 1-bit মেমোরি ইউনিট, যা Clock Pulse দ্বারা পরিচালিত হয় এবং ডাটা ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট রেজিস্টার, কাউন্টার, ও মাইক্রোপ্রসেসরের স্টোরেজ ইউনিট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৭৮.
কোনটি ইন্টারনেট প্রোটোকলের উদাহরণ?
  1. HTTP
  2. BIOS
  3. RAM
  4. ASCII
ব্যাখ্যা

HTTP (Hypertext Transfer Protocol) হল একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল, যা ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ওয়েবসাইট লোড, ওয়েব পেজ রিকোয়েস্ট এবং রেসপন্স পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

• HTTP (Hyper Text Transfer Protocol): 
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- ইন্টারনেটের বিকাশকালে ১৯৮৯ সালে একজন ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রটোকল (http) ব্যবহার করে তথ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব করেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন।
- সেই থেকে স্যার টিমোথি জন 'টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners Lee) (জন্ম জুন ৮, ১৯৫৫) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (www) জনক হিসেবে পরিচিত।
- নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির বিকাশের ফলে বিশ্বের নানান দেশের মধ্যে ইন্টারনেট বিস্তৃত হয়।
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং বিকশিত হয় বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) BIOS (Basic Input/Output System) - এটি কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, যা অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে হার্ডওয়্যার ইনিশিয়ালাইজ করে।
গ) RAM (Random Access Memory) - এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি, যা দ্রুত ডেটা এক্সেস করতে সাহায্য করে। 
ঘ) ASCII (American Standard Code for Information Interchange) - এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৭৯.
কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে-
  1. প্রোগ্রাম উন্নয়ন
  2. প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন
  3. প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ
  4. প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে- প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ। 

কম্পিউটার প্রোগ্রাম: 
কম্পিউটার ব্যবহার করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সমস্যা সমাধান করা। কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ বা কোড লেখা হয়। এরূপ সারিবদ্ধ সুশৃঙ্খল একগুচ্ছ নির্দেশমালার সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে।

প্রোগ্রাম তৈরির ধাপসমূহ: 
১। সমস্যা নির্দিষ্টকরণ
২। সমস্যা বিশ্লেষণ
৩। প্রোগ্রাম ডিজাইন
৪। প্রোগ্রাম উন্নয়ন
৫। প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন
৬। প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন ও
৭। প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ। 

প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ: 
বিভিন্ন প্রয়োজনে ও প্রোগ্রামের উন্নতিকল্পে প্রোগ্রামের আধুনিকীকরণ, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন ইত্যাদি প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অন্তর্ভুক্ত। ব্যবহারিক সুবিধা এবং আর্থিক বিষয় বিবেচনা করে অনেক সময় নতুন প্রোগ্রাম তৈরি না করে বিদ্যমান প্রোগ্রামকে আধুনিকীকরণ করা অধিক সুবিধাজনক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮০.
Distributed Denial of Service (DDoS) আক্রমণ কী?
  1. ডাটাবেজ থেকে তথ্য চুরি করা
  2. সিস্টেমের সার্ভিস স্থগিত করা
  3. কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড হ্যাক করা
  4. ফিশিং ইমেইল পাঠানো
ব্যাখ্যা

◉ DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন, যেখানে একাধিক কম্পিউটার বা বটনেটের মাধ্যমে একটি সার্ভার, নেটওয়ার্ক, বা ওয়েবসাইটকে অত্যাধিক ট্রাফিকের মাধ্যমে অকার্যকর করা হয়।

DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮১.
API এর মূল কাজ কী?
  1. স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রোগ্রাম লিখা
  2. নেটওয়ার্ক প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করা
  3. অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ডেটা প্রসেসিং করা
  4. বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন
ব্যাখ্যা

◉ API (Application Programming Interface) হল একটি সফটওয়্যার ইন্টারফেস, যা বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন বা সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদানের সুবিধা প্রদান করে।

API: 
- API এর পূর্ণরূপ Application Programming Interface
- API এমন একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- API একটি প্রোগ্রাম থেকে পরিষেবা পাওয়ার জন্য একজন ডেভেলপারকে সাহায্য করে।
- একটি API ছাড়া একটি প্রোগ্রাম খুব কার্যকরভাবে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের সাথে কাজ করতে পারেনা।
- API-এর উদাহরণ হলো remote procedure calls (RPCs)।
- তাছাড়া API, গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড সহ অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরবরাহ করে, নেটওয়ার্কিং এবিলিটি যুক্ত করে, সিকিউরিটি এবং ডেটা ট্রান্সলেশন পরিচালনা করে এবং মেমরি এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মতো সিস্টেম সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পরিচালনা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮২.
দুটি ভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমকে একই কম্পিউটারে চালানোর জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি?
  1. মাল্টিথ্রেডিং
  2. ভার্চুয়ালাইজেশন
  3. মাল্টিটাস্কিং
  4. মাল্টিপ্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা

◉ ভার্চুয়ালাইজেশন (Virtualization) হল একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে একটি কম্পিউটারে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- এটি ভিন্ন ভিন্ন OS-কে আলাদা আলাদা ভার্চুয়াল মেশিন (VM) বা কন্টেইনারের মাধ্যমে চালানোর সুযোগ দেয়।
- VMware, VirtualBox, Hyper-V, এবং KVM হলো জনপ্রিয় ভার্চুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার।
- ভার্চুয়ালাইজেশন আধুনিক কম্পিউটিংয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশেষত ক্লাউড কম্পিউটিং এবং ডেটা সেন্টার ব্যবস্থাপনায়।

উদাহরণ:
VMware: সার্ভার ভার্চুয়ালাইজেশন সমাধানে জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার।
Hyper-V: মাইক্রোসফটের একটি ভার্চুয়ালাইজেশন প্ল্যাটফর্ম।
KVM: লিনাক্স ভিত্তিক একটি ওপেন সোর্স ভার্চুয়ালাইজেশন সমাধান।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
(ক) মাল্টিথ্রেডিং (Multithreading) - এটি একটি প্রোগ্রামের মধ্যে একাধিক থ্রেড চালানোর প্রক্রিয়া। 
(গ) মাল্টিটাস্কিং (Multitasking) - এটি একই OS-এ একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালানোর পদ্ধতি। 
(ঘ) মাল্টিপ্রোগ্রামিং (Multiprogramming) - এটি একাধিক প্রোগ্রাম মেমোরিতে লোড করে একসাথে চালানোর প্রক্রিয়া। 

উৎস:
১। মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট। [লিংক] 
২। আইবিএম ওয়েবসাইট। 

৮৩.
কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহারে ডেটা বিদ্যুৎ চলে গেলেও মুছে যায় না?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. ROM
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা

◉ ROM (Read-Only Memory) একটি Non-Volatile Memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা অক্ষত থাকে।

ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

রম (ROM):
- ROM-এর পূর্ণ অর্থ হলো Read Only Memory.
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমরি (Non-Volatile Memory)।
- অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) RAM (Random Access Memory): এটি Volatile Memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে এর ডেটা মুছে যায়।
খ) Cache Memory: বিদ্যুৎ চলে গেলে এর ডেটা হারিয়ে যায় (Volatile Memory)।
ঘ) Virtual Memory: এটি একটি সফটওয়্যার-ভিত্তিক মেমোরি ম্যানেজমেন্ট টেকনিক, যা হার্ড ডিস্কের কিছু অংশকে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে। এটি  RAM এর মতো ডেটা হারাতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে TCP/IP এর প্রধান কাজ কী?
  1. ফাইল ট্রান্সফার প্রোটোকল
  2. নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি প্রোটোকল
  3. ডেটা কমিউনিকেশন প্রোটোকল
  4. স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

TCP/IP হল ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড কমিউনিকেশন প্রোটোকল। এটি ডেটা আদান-প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে, যা ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য ট্রান্সফার নিশ্চিত করে।

TCP/IP:
- TCP/IP এর পূর্ণরূপ Transmission Control Protocol/Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- TCP (Transmission Control Protocol) → ডাটা ট্রান্সমিশন সঠিকভাবে এবং সিকোয়েন্স অনুযায়ী পাঠানোর নিশ্চয়তা দেয়।
- IP (Internet Protocol) → প্রতিটি ডাটা প্যাকেটকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে (destination address) পাঠায়।
- TCP/IP ইন্টারনেটের backbone, যা ডাটা ট্রান্সফার এবং কমিউনিকেশন পরিচালনা করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) FTP (File Transfer Protocol) → সার্ভার ও ক্লায়েন্টের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
খ) নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি প্রোটোকল: SSL/TLS (Secure Sockets Layer / Transport Layer Security) → ওয়েব ব্রাউজিং ও নিরাপদ কমিউনিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IBM ওয়েবসাইট। [লিংক]

৮৫.
নিচের কোন কোম্পানি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে না?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. গুগল
  4. অ্যামাজন
ব্যাখ্যা

◉ অ্যামাজন (Amazon) অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে না। 

আমাজন:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হলো আমাজন।
- আমাজন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কর্মার্স সাইট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস (Jeff Bezos)।
- আমাজনের বর্তমান সিইও Andy Jassy ।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে না, তবে তারা Fire OS নামে একটি কাস্টমাইজড Android ভার্সন ব্যবহার করে (কিন্তু এটি মূলত Android-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি, সম্পূর্ণ নতুন OS নয়)।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) মাইক্রোসফট - Windows OS.
খ) অ্যাপল - macOS, iOS.
গ) গুগল - Android OS, Chrome OS.

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা। 
২। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

৮৬.
কোন MS Office অ্যাপ্লিকেশনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Excel
  2. PowerPoint
  3. Access
  4. Publisher
ব্যাখ্যা

◉ Microsoft Access হলো MS Office-এর একটি Database Management System (DBMS), যা রিলেশনাল ডাটাবেজ তৈরি ও পরিচালনা করতে ব্যবহার করা হয়। এটি SQL ও Graphical Interface ব্যবহার করে tables, queries, forms, reports তৈরি করতে সাহায্য করে।

MS Access:
- MS Access হচ্ছে ডেটাবেজভিত্তিক একটি প্রোগ্রাম।
- Microsoft Access হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরীকৃত মাইক্রোসফট অফিস গ্রুপের মধ্যে একটি বহুল পরিচিত Database প্রোগ্রাম।
- Access উইন্ডোজ ভিত্তিক একটি শক্তিশালী রিলেশনার ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যা দিয়ে ডেটাবেজের বিভিন্ন টেবিল তৈরি করে ডেটা এন্ট্রির জন্য সহজবোধ্য ও আকর্ষণীয় ফর্ম ডিজাইন করা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Excel → Excel Spreadsheet software, যা data calculation ও analysis-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
PowerPoint → PowerPoint presentation তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
Publisher → Publisher হলো desktop publishing software, যা brochures, newsletters, ও business cards ডিজাইনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

Source: Microsoft Support Website.

৮৭.
8, 27, 64, 125, 208, 343, 512, 729
সিরিজে একটি ভুল সংখ্যা আছে। সংখ্যাটি কত?
  1. 125
  2. 512
  3. 27
  4. 208
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 8, 27, 64, 125, 208, 343, 512, 729
সিরিজে একটি ভুল সংখ্যা আছে। সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
8, 27, 64, 125, 208, 343, 512
সিরিজিটিতে,
১ম পদ = 23 = 8
২য় পদ 33 = 27
৩য় পদ 43 = 64

৪র্থ পদ = 53 = 125
৫ম পদ = 63 = 216
ষষ্ঠ পদ = 73 = 343

৭ম পদ = 83 = 512
৮ম পদ = 93 = 729

∴ ভুল সংখ্যাটি 208 এবং 208 এর স্থলে সঠিক নম্বর 216.
৮৮.
নিচের তালিকায় কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. মুন্সি আব্দুর রউফ
  2. সি আর দত্ত
  3. এম কে বাশার
  4. খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের তালিকায় কোনটি ব্যতিক্রম?

সমাধান:
• অপশনে উল্লিখিত মুন্সি আব্দুর রউফ ছিলেন একজন বীরশ্রেষ্ঠ এবং বাকি তিনজন ছিলেন সেক্টর কমান্ডার।

- ১নং সেক্টর - মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর মেজর রফিকুল ইসলাম।
- ২নং সেক্টর - মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর এ টি এম হায়দার।
- ৩নং সেক্টর - মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান।

- ৪নং সেক্টর - মেজর সি আর দত্ত, ক্যাপ্টেন এ রব।
- ৫নং সেক্টর - মেজর মীর শওকত আলী।
- ৬নং সেক্টর - উইং কমান্ডার এম কে বাশার।

- ৭ নং সেক্টর: মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
- ৮ নং সেক্টর: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
- ৯ নং সেক্টর: মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

- ১০ সেক্টরের দায়িত্ব ছিল নৌ বাহিনীর হাতে, তাই ১০ নং সেক্টরের কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- ১১ নং সেক্টর: মেজর এম. আবু তাহের। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮৯.
যদি BELGRADE = 54 হয়, তাহলে SERBIA = কত?
  1. 65
  2. 55
  3. 54
  4. 45
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি BELGRADE = 54 হয়, তাহলে SERBIA = কত?

সমাধান:

প্রথমে BELGRADE শব্দের প্রতিটি অক্ষরের মান বের করি:
B = 2, E = 5, L = 12, G = 7, R = 18, A = 1, D = 4, E = 5
∴ B + E + L + G + R + A + D + E = 2 + 5 + 12 + 7 + 18 + 1 + 4 + 5 = 54

এখন SERBIA এর জন্য একই নিয়মে প্রতিটি অক্ষরের মান বের করি:
এখানে, S = 19, E = 5, R = 18, B = 2, A = 1
∴ S + E + R + B + I + A = 19 + 5 + 18 + 2 + 9 + 1 = 54

৯০.
ময়ূর ও হরিণ একত্রে ১৬০টি। কিন্তু তাদের মোট পায়ের সংখ্যা ৪০০টি। তাহলে কতটি হরিণ আছে?
  1. ৮০ টি
  2. ৫০ টি
  3. ৪০ টি
  4. ৬০ টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ময়ূর ও হরিণ একত্রে ১৬০টি। কিন্তু তাদের মোট পায়ের সংখ্যা ৪০০টি। তাহলে কতটি হরিণ আছে?

সমাধান:
ময়ূর আছে = ক টি 
হরিণ আছে = (১৬০ - ক) টি

প্রশ্নমতে,
২ক + ৪(১৬০ - ক) = ৪০০
বা, ২ক + ৬৪০ - ৪ক = ৪০০
বা, - ২ক = ৪০০ - ৬৪০
বা, - ২ক = - ২৪০
∴ ক = ১২০ 

∴ ময়ূর আছে ১২০ টি।

∴ হরিণ আছে = (১৬০ - ১২০) = ৪০ টি
৯১.
মিরাজ উত্তর দিকে 20 কি.মি. হাঁটছেন। তিনি বাম দিকে ঘুরে 40 কি.মি. হাঁটেন। তিনি আবার বাম দিকে ঘুরলেন এবং 20 কি.মি. হাঁটলেন। অবশেষে সে বাম দিকে মোড় নেওয়ার পর ২০ কি.মি.হাঁটেন। তিনি তার শুরু অবস্থান থেকে কত দূরে?
  1. 30 কি.মি.
  2. 12 কি.মি.
  3. 15 কি.মি.
  4. 20 কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মিরাজ উত্তর দিকে 20 কি.মি. হাঁটছেন। তিনি বাম দিকে ঘুরে 40 কি.মি. হাঁটেন। তিনি আবার বাম দিকে ঘুরলেন এবং 20 কি.মি. হাঁটলেন। অবশেষে সে বাম দিকে মোড় নেওয়ার পর ২০ কি.মি.হাঁটেন। তিনি তার শুরু অবস্থান থেকে কত দূরে?

সমাধান:


যাত্রাস্থান A এবং গন্তব্যস্থান E

AE = 40 - 20 কি.মি
= 20 কি.মি.

∴ মিরাজ তার শুরু অবস্থান থেকে 20 কি.মি. দূরে
৯২.
০, ৩, ৮, ১৫, ........ ধারাটির নবম পদ হবে?
  1. ৬৩
  2. ৮০
  3. ৪৮
  4. ৩৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০, ৩, ৮, ১৫, ........ ধারাটির নবম পদ হবে?

সমাধান:
এখানে,
১ম পদ = ০
২য় পদ = ০ + ৩ = ৩
৩য় পদ = ৩ + ৫ = ৮

৪র্থ পদ = ৮ + ৭ = ১৫
৫ম পদ = ১৫ + ৯ = ২৪
৬ষ্ঠ পদ = ২৪ + ১১ = ৩৫

৭ম পদ = ৩৫ + ১৩ = ৪৮
৮ম পদ = ৪৮ + ১৫ = ৬৩
৯ম পদ = ৬৩ + ১৭ = ৮০
৯৩.
নিচের কোন সংখ্যা যুগলকে সহ-মৌলিক বলা হবে?
  1. ১৭, ৮৫
  2. ৬৩, ৯১
  3. ৮, ৯
  4. ১৫, ২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন সংখ্যা যুগলকে সহ-মৌলিক বলা হবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গ.সা.গু ১ হলে‌ অর্থাৎ, ১ ভিন্ন কোন সাধারণ গুণনীয়ক না থাকলে তাদেরকে একত্রে সহ-মৌলিক সংখ্যা বলে।
যেমন- (৩, ৪), (৮, ৯), (৬, ১৩) (৯, ১৬), (১৬, ২৫) ইত্যাদি।

এখানে,
৯ = ১ × ৩ × ৩
৮ = ১ × ২ × ২ × ২

যেহেতু ১ ভিন্ন কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই সুতরাং (৯, ৮) পরস্পর সহ-মৌলিক।
৯৪.
আরিফকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে মাকসুদা বলল, 'সে আমার মামার বাবার একমাত্র মেয়ের ছেলে।' মাকসুদা আরিফের কী হয়?
  1. বোন
  2. খালা
  3. মা
  4. ফুফু
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আরিফকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে মাকসুদা বলল, 'সে আমার মামার বাবার একমাত্র মেয়ের ছেলে।' মাকসুদা আরিফের কী হয়?

সমাধান: 
- মাকসুদার মামার বাবা হলো মেয়েটির নানা।
- মাকসুদার নানার একমাত্র মেয়ে হলো মেয়েটির মা।
- মাকসুদার মায়ের ছেলে হলো মেয়েটির ভাই।

∴ মাকসুদা আরিফের বোন হয়।
৯৫.
কোন রাজার শাসনামলে ‘ত্রিশক্তির সংঘর্ষ' সংঘটিত হয়?
  1. মহীপাল
  2. ধর্মপাল
  3. গোপাল
  4. দেবপাল
ব্যাখ্যা
• ধর্মপাল:
- ‘ত্রিশক্তির সংঘর্ষ’ বা ত্রি-শক্তির সংগ্রাম পালরাজা ধর্মপালের শাসনামলে সংঘটিত হয়।
- রাজা হর্ষবর্ধনের মৃত্যুর পর কনৌজের সিংহাসনের ওপর আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পাল, প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূট রাজবংশের মধ্যে এই দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
- ধর্মপাল বাংলার ইতিহাসে প্রথম রাজা যিনি উত্তর ভারতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
- যদিও তিনি স্বল্পমেয়াদী সাফল্য অর্জন করেন, তবে তার শাসনামলে বাংলা একটি শক্তিশালী রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ধর্মপাল একজন বৌদ্ধ শাসক ছিলেন এবং তিনি সোমপুর মহাবিহারসহ বহু বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার পুত্র দেবপালও পাল রাজবংশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজা ছিলেন।
- ৬৪৭ সালে রাজা হর্ষবর্ধনের মৃত্যুর পর কনৌজের সিংহাসনের ওপর আধিপত্য স্থাপনকে কেন্দ্র করে পাল, প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূটের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব শুরু হয় তা-ই ইতিহাসে ত্রিশক্তির সংঘর্ষ বা ত্রি-শক্তির সংগ্রাম নামে পরিচিত। এটি ধর্মপালের শাসনামলে সংঘটিত হয়।
 
সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কালের কণ্ঠ।
৯৬.
প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: 
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) প্রশাসনিকভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা,
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং-৭৬ দ্বারা গঠিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- NBR মূলত কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আদায় এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে।
- এছাড়া, চোরাচালান প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক শুল্ক-কর সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদন এবং সরকারের রাজস্ব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট। 

৯৭.
বাংলাদেশের ইতিহাসে "অপারেশন ওমেগা" কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধে ত্রাণ কার্যক্রম
  2. মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের অভিযান
  3. মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান
  4. মুক্তিযুদ্ধে বহির্বিশ্বের স্বীকৃতি চেষ্টা
ব্যাখ্যা

অপারেশন ওমেগা: 
- "অপারেশন ওমেগা" ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এক মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম,
- এটা ব্রিটিশ সাংবাদিক রজার মুডি ও তাঁর সহযোগীদের উদ্যোগে সংগঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে মুক্তিযুদ্ধের পরিস্থিতি দেখে রজার মুডি 'পিস নিউজ' ম্যাগাজিনের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণের জন্য স্বেচ্ছাসেবক আহ্বান করেন।
- এর মাধ্যমে সারা পৃথিবী থেকে ১১ জন স্বেচ্ছাসেবক যুক্ত হন এবং তারা বাংলাদেশে ত্রাণ পৌঁছানোর কাজ শুরু করেন।
- অপারেশন ওমেগার মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে ত্রাণ সরবরাহ এবং পাকিস্তানি সেনাদের বর্বরতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ তোলা।
- এই উদ্যোগটি ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ও অন্যান্য নেতাদের সমর্থন পেয়ে ভারতের কলকাতা থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছায়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।

সূত্র: প্রথম আলো ও ডৈইলি স্টার বাংলা। 

৯৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম নির্মাণ করা হবে? [মার্চ - ২০২৫]
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. কুমিল্লা
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম: 
- বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন গ্রাম (এআই পাওয়ার্ড ভিলেজ) নির্মাণ করা হচ্ছে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার কৈলাইন গ্রামে।
- প্রকল্পটি ক্ষমতায়ন, উদ্ভাবন ও প্রবৃদ্ধি—এই তিনটি মূলনীতিকে সামনে রেখে বাস্তবায়ন করা হবে।
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর আর্থিক সহায়তায় এবং যুক্তরাজ্যের ডি-রেডি ও বাংলাদেশের এআইআইটি সংস্থার প্রযুক্তিগত সহায়তায় এটি গড়ে তোলা হচ্ছে।
- এই গ্রামে দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি দল গঠন করা হবে।
- ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ২০ জন মেধাবী শিক্ষার্থী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ২০ জন সদস্য এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
- প্রকল্পটির মূল উদ্যোক্তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ ড. আলমগীর হোসেন, তিনি এই গ্রামেরই বাসিন্দা।

সূত্র: সূত্র: প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ। 

৯৯.
সুশীল সমাজের কাজ কোনটি?
  1. দুর্নীতি সমর্থন করা
  2. নাগরিকদের স্বাধীনতা কুক্ষিত করা
  3. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
  4. বিতর্ক সৃষ্টি করা
ব্যাখ্যা

- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে - এটি সুশীল সমাজের কাজ। 

সুশীল সমাজ:

- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।

উল্লেখ্য, 
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।
- সরকার বা কোন কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ প্রচার করা সুশীল সমাজের কাজ নয়।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১০০.
IDRA এর সম্পর্কে কোন তথ্যটি সত্য?
  1. এটি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
  2. এটি অভ্যন্তরীণ গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. এটি আন্তর্জাতিক গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  4. এটি একটি মানবাধিকার সংস্থা
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
-  এটি বাংলাদেশের বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা,
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত বীমা আইন ২০১০ অনুযায়ী কাজ করে।
- IDRA মূলত বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার জন্য গঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
- IDRA এর একটি চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১০১.
৭ম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ- ২০২৪ এর সেরা গোলকিপার পুরস্কার অর্জন করেন -
  1. রূপনা চাকমা
  2. লাজোম চাকমা
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. মনিকা চাকমা
ব্যাখ্যা
সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪:
- সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৭ থেকে ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, নেপালে।
- টুর্নামেন্টে মোট ৭টি দল অংশ নেয় এবং ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
- ফাইনালে বাংলাদেশ নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
- নেপাল রানার্স আপ হয়।
- বাংলাদেশের ঋতুপর্ণা চাকমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন,
- সেরা গোলকিপার হন রূপনা চাকমা।

সূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
১০২.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত ধরনের মালিকানার কথা বলা আছে?
  1. এক ধরনের
  2. দুই ধরনের
  3. তিন ধরনের
  4. চার ধরনের
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় - গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানে তিন ধরনের মালিকানা নীতি স্বীকার করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই মালিকানাগুলো হলো:
১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা
২. সমবায় মালিকানা
৩. ব্যক্তিগত মালিকানা
  
অনুচ্ছেদ-১৩ অনুযায়ী: 
উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীর মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা তিনভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
- প্রথমত, রাষ্ট্রীয় মালিকানা, এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র রাষ্ট্রায়ত্ত করা হবে, যাতে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্র মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয়ত, সমবায় মালিকানা, এই আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়ের সদস্যদের পক্ষে মালিকানা প্রতিষ্ঠা করে।
- তৃতীয়ত, ব্যক্তিগত মালিকানা, এখানে আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা স্বীকৃত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০৩.
সম্প্রতি হাইকোর্ট সংবিধানের কোন সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করে? [মার্চ - ২০২৫]
  1. প্রথম সংশোধনী
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. অষ্টম সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

- সম্প্রতি হাইকোর্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছে।
- ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ হয়ে গেছে।
- তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করায় সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- তবে আদালত পুরো পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল না করে আংশিক বাতিল ঘোষণা করেছে।
- পাশাপাশি সংবিধানে গণভোটের বিধান পুনঃপ্রবর্তন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
 
অন্যদিকে: 
- অষ্টম সংশোধনী: ১৯৮৮ সালে গৃহীত এই সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংযোজন করা হয়।
- পঞ্চম সংশোধনী: ১৯৭৯ সালে গৃহীত এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের চারটি মূল স্তম্ভের তিনটিতে পরিবর্তন আনা হয়।
- প্রথম সংশোধনী: ১৯৭৩ সালে গৃহীত এই সংশোধনীর মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তির বিধান সংযোজন করা হয়।
 
সূত্র - বিবিসি বাংলা ও দৈনিক ইত্তেফাক।

১০৪.
"নাকুগাঁও স্থলবন্দর" বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. শেরপুর
  2. যশোর
  3. লালমনিরহাট
  4. চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা
নাকুগাঁও স্থলবন্দর: 
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত একটি স্থলবন্দর,
- এটা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
- এই স্থলবন্দরটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলার ডালু সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।

বিভিন্ন স্থলবন্দর:

- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১০৫.
বাংলাদেশের কৃষিতে কাঞ্চন ও মানিক কী ফসলের জাত?
  1. ভুট্টা ও তামাক
  2. গম ও টমেটো
  3. আলু ও আম
  4. তুলা ও গম
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের কৃষিতে কাঞ্চন হলো গমের একটি উন্নত জাত, আর মানিক হলো টমেটোর একটি উন্নত জাত। 

গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী।

টমেটো:
- বাহার, মানিক, রতন, অপুর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।

অন্যান্য ফসল ও তাদের কিছু উন্নত জাত:
→ ধান: ব্রি হাইব্রিড - ১, সুফলা, প্রগতি। 
→ ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ। 
→ বেগুন: নয়নতারা, শুকতারা, বিজয়। 
→ আলু: হিরা, গ্রানোলা, কার্ডিনাল। 
→ আম: ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা। 
→ তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ। 

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

১০৬.
টাঙ্গাইল জেলা ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. চাকমা
  2. রাখাইন
  3. গারো
  4. খেয়াং
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল জেলা ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ে গারো সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করে।

গারো:
- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ ও বাংলাপিডিয়া।
১০৭.
উপমহাদেশে প্রথম স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ক্লাইভ
  2. লর্ড ডালহৌসী
  3. লর্ড কর্ণওয়ালিস
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

লর্ড ডালহৌসী: 
- স্বত্ববিলোপ নীতি প্রথম প্রবর্তন করেন লর্ড ডালহৌসী।
- তিনি ১৮৪৮ থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে শাসন করেন।
- ডালহৌসী এই নীতি প্রবর্তন করেন যাতে তিনি নির্দিষ্ট রাজা বা শাসকরা যদি উত্তরাধিকারী রেখে মারা যান, তবে তাদের রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে চলে আসবে।
- তিনি দত্তক পুত্র গ্রহণের অধিকারকে অবৈধ ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে তিনি সাতারা, সম্বলপুর, উদয়পুর, ঝাঁসি এবং নাগপুরের মতো বিভিন্ন রাজ্যকে দখল করেন।
- স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগে তিনি রাজ্যগুলোর রাজনৈতিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনেন, ফলে বহু রাজ্য ব্রিটিশ শাসনের অধীনে চলে আসে।
- এই নীতি তার শাসনকালে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
- লর্ড ডালহৌসী রেলপথ, টেলিগ্রাফ এবং ডাক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করেন।
- তার আমলে সড়ক ও সেতু নির্মাণের জন্য সরকারি পূর্ত বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সেচ প্রকল্পের উন্নয়নও ঘটে।
- তিনি বাংলার জন্য একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করেন এবং কলকাতার সচিবালয় পুনর্গঠন করেন।
- ডালহৌসি ভারতের সিভিল সার্ভিসে ভারতীয়দের জন্য সুযোগ উন্মুক্ত করেন এবং হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধ ঘোষণা করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১০৮.
কোনটি প্রত্যক্ষ কর নয়?
  1. ভ্রমণ কর
  2. ভূমি উন্নয়ন কর
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. দানকর
ব্যাখ্যা
- মূল্য সংযোজন কর প্রত্যক্ষ কর নয়। 

পরোক্ষ কর:
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলা হয়।

পরোক্ষ করের মধ্যে রয়েছে:
- সম্পূরক শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক),
- আমদানি শুল্ক,
- আবগারি শুল্ক প্রভৃতি।

প্রত্যক্ষ কর:
- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।

প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- আয়কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

সূত্র: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৯.
দ্বিজাতি তত্ত্ব নামক রাজনৈতিক মতবাদের প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  4. স্যার সৈয়দ আহম্মদ
ব্যাখ্যা

দ্বিজাতি তত্ত্ব: 
- দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
- তিনি ১৯৪০ সালে পাকিস্তান আন্দোলনের মূল ভিত্তি হিসেবে এই তত্ত্বটি প্রস্তাব করেন।
- দ্বিজাতি তত্ত্ব অনুযায়ী, ভারতীয হিন্দু এবং মুসলিম সমাজ দুটি আলাদা জাতি, যার সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, এবং ঐতিহাসিক পার্থক্য রয়েছে।
- তিনি মনে করতেন যে, হিন্দু ও মুসলিমরা একত্রে একটি সাধারণ রাষ্ট্রের অধীনে বাস করতে সক্ষম নয়, কারণ তাদের মধ্যে মৌলিকভাবে ভিন্ন জাতিগত পরিচয় রয়েছে।
- জিন্নাহর মতে, মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্রের প্রয়োজন ছিল, যেখানে তারা নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা বজায় রাখতে পারবে। তার এই চিন্তা ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যেখানে পাকিস্তান গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছিল। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১১০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. অনুচ্ছেদ - ৩২
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৩
  3. অনুচ্ছেদ - ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৫
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় - গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

৩৫।অনুচ্ছেদ অনুসারে: 

(১) কেউ যদি কোনো অপরাধ করেন, তাহলে সেই অপরাধ সংঘটনের সময় যে আইন কার্যকর ছিল, সে আইন অনুযায়ীই তার বিচার হবে। নতুন কোনো কঠোর শাস্তি তাকে দেওয়া যাবে না।
(২) একবার যদি কাউকে কোনো অপরাধের জন্য বিচার করে শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে তাকে একই অপরাধে আবার বিচার করা বা শাস্তি দেওয়া যাবে না।
(৩) ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উঠলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে দ্রুত এবং প্রকাশ্যে বিচার পাওয়ার অধিকারী থাকবেন।
(৪) কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না।
(৫) কাউকে নির্যাতন করা যাবে না, নিষ্ঠুর বা অমানবিক শাস্তি দেওয়া যাবে না, কিংবা লজ্জাজনক আচরণ করা যাবে না।
(৬) প্রচলিত আইনে যে শাস্তি বা বিচারপদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তা এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ, 
- অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, 
- অনুচ্ছেদ ৩৪: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

১১১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.৩৩%
  3. ১.৩৭%
  4. ১.৩২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১২.
ফ্লোর ক্রসিং সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৬8নং অনুচ্ছেদে
  2. ৬৯নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭০নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭১নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

- ফ্লোর ক্রসিং সংবিধানের ৭০নং অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?

• সংবিধান:
- ৭০ তম অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি সংসদ সদস্যদের নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বোঝায়।
- এর মাধ্যমে একজন সংসদ সদস্য যদি নিজ দলের পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের পক্ষে ভোট দেন, এটাকে ফ্লোর ক্রসিং হিসেবে গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে: 
- ৬৮নং অনুচ্ছেদে:  সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি, 
- ৬৯নং অনুচ্ছেদে: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড, 
- ৭১নং অনুচ্ছেদে: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

১১৩.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. খাজা নাজিমউদ্দীন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. ইস্কান্দর মির্জা
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন: 
- ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত এক গণআন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু ঘোষণার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে দাবি ওঠে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ গুলি চালায়, যার ফলে রফিক, জববার, বরকতসহ অনেকে শহীদ হন।
- আন্দোলন আরও তীব্র হয় এবং ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- ১৯৫২ সালে গভর্নর ছিলেন গোলাম মুহাম্মদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১১৪.
বর্তমানে বিশ্বের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি 'World Herittage Site' রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ইতালি
  2. জার্মানি
  3. চীন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
World Herittage Site:
- বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ‘World Herittage Site’ বলতে বিশেষ ধরনের (বন, পাহাড়, হ্রদ, মরুভূমি, স্মৃতিস্তম্ভ, দালান, প্রাসাদ বা শহর) একটি স্থান যা ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় লিপিবদ্ধ হয়।
- UNESCO ১৯৭৮ সালে World Heritage Sites তালিকা শুরু করে।
- UNESCO কর্তৃক ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় বর্তমানে ১২২৩টি স্থাপনা আছে।
- সবচেয়ে বেশি World Herittage Site রয়েছে ইতালিতে।

উল্লেখ্য,
⇒ সবচেয়ে বেশি World Herittage Site:
১. ইতালি - ৬০টি।
২. চীন - ৫৯টি। 
৩. জার্মানি - ৫৪টি। 
৪. ফ্রান্স- ৫৩টি। 
৫. স্পেন -৫০টি।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
১১৫.
New Development Bank (NDB)-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
New Development Bank:
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ জুলাই, ২০১৫।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা)।
- বর্তমান সদস্য: ১০টি (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, উরুগুয়ে, আলজেরিয়া।)।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।

উল্লেখ্য,
- New Development Bank (NDB) ব্রিকস দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি ব্যাংক।
- পূর্বে ব্যাংকটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: New Development Bank ওয়েবসাইট।
১১৬.
মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী 'আরাকান আর্মি' কবে গঠিত হয়?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
আরাকান আর্মি:
- মিয়ানমারের সবচেয়ে শক্তিশালী বিদ্রোহীগোষ্ঠী আরাকান আর্মি।
- কাচিন ইন্ডিপেনডেন্ট আর্মির (কেআইএ) সহায়তায় ইউনাইটেড লীগ অব আরাকানের সামরিক শাখা হিসাবে আরাকান আর্মি গঠিত হয় ২০০৯ সালে।
- রাখাইন সম্প্রদায়ের তরুণরা এই দলটি তৈরি করেছিল।
- তাদের লক্ষ্য, একটি সার্বভৌম আরাকান রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা।
- আরাকান আর্মি হলো থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অংশ।
- ২০১৫ সাল থেকে পালেতোয়া টাউনশিপ এলাকায় তাদের সামরিক তৎপরতা শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- মিয়ানমারের বর্তমান রাখাইন রাজ্যটির একসময়ের নাম ছিল আরাকান। বর্তমানে এখানকার প্রধান জনগোষ্ঠী হলো আরাকানি। 

উৎস: BBC.
১১৭.
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. উরসুলা ভন ডের লেইন
  2. আন্তোনিও তাজানি
  3. সালভাতোর সিয়াচিটানো
  4. রবার্টা মেটসোলা
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনসভা ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।
- ইউরোপীয় পার্লামেন্ট মূলত ইইউ সদস্য দেশগুলোর পার্লামেন্ট দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত।
- ইউরোপীয় পার্লামেন্ট-এ ৭২০ জন সদস্য রয়েছে।
- ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ইইউর একমাত্র সরাসরি নির্বাচিত সংস্থা, যা এর সদস্য দেশগুলোর নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করে।
- ইইউয়ের বাজেট অনুমোদন, আন্তর্জাতিক চুক্তি, সদস্য দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে ইইউ আইন নিয়ে আলোচনার মতো কাজগুলো করে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।
- প্রতি ৫ বছরে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট-এর সদস্য নির্বাচনে ভোট হয়।
- এই সদস্যরা আবার আড়াই বছরের জন্য ইপি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করেন।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: রবার্টা মেটসোলা (২০২৪-২০২৭ সাল)।

⇒ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে:
i. ইউরোপিয়ান কাউন্সিল,
ii. ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট,
iii. ইউরোপিয়ান কমিশন,
iv. ইউরোপিয়ান কোর্ট অব জাস্টিস,
V. ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক,
vi. দি কোর্ট অব অডিটরস.

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
১১৮.
পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি কত সালে একীভূত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি একীভূত:
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানি এবং পশ্চিম জার্মানি তাদের মতপার্থক্যের অবসান ঘটিয়ে ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে আবির্ভূত হয়।

উল্লেখ্য,
- বার্লিন দেয়াল পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানিকে পৃথক করেছিল।
- ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন ঘটে।
- ১৯৯০ সালের জুলাইয়েই পূর্ব জার্মানি অর্থনৈতিক লেনদেনের জন্য পশ্চিম জার্মানির মুদ্রা গ্রহণ করে।
- ১৯৯০ সালের ৩১ আগস্ট একত্রীকরণ চুক্তি সই হয়। 
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ বার্লিন দেয়াল পতনের একবছরের মাথায় আনুষ্ঠানিকভাবে একীভূত হয় পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি।

উৎস: Britannica.
১১৯.
UNEP এর 'Ozone Layer' সুরক্ষা কর্মসূচি কোন চুক্তির অধীনে কাজ করে?
  1. Kyoto Protocol
  2. Montreal Protocol
  3. Nagoa Protocol
  4. Paris Agreement
ব্যাখ্যা
Montreal Protocol:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- Montreal Protocol-এর মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা। 
- এই প্রটোকলটি ওজন স্তর সুরক্ষার কাজ করে।


⇒ বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর। এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
- চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

অন্যদিকে,
- কিয়োটো প্রটোকল হল United Nations Framworks Convention on Climate Change (UNFCCC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার আওতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়।
- নাগোয়া প্রটোকল হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য ব্যবহার সম্পর্কিত ন্যায্য সুবিধা বণ্টন নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি -বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে।  ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
১২০.
সক্রেটিসকে কোথায় হেমলক পানে হত্যা করা হয়?
  1. গ্রিস
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস: 
- সক্রেটিস একজন বিশ্ববিখ্যাত প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক।
- ইউরোপের দেশ গ্রিসে ৪৭০ খ্রিস্টপূর্বে তার জন্ম।
- অ্যালোপেস নামক অঞ্চলে বেড়ে ওঠেন সক্রেটিস।
- তাঁর প্রখ্যাত শিষ্য ছিলেন প্লেটো।

⇒ সক্রেটিস তার নিজ দর্শন প্রচারের জন্য নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার প্রভৃতি যখন যেখানে সুবিধা সেখানেই আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার সঙ্গে বিনামূল্যে তিনি দর্শন আলোচনায় প্রবৃত্ত হতেন।
- তার অনুসারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। তার প্রিয় শিষ্য প্লেটো প্রচার করতে থাকেন গুরুর শিক্ষা-দীক্ষা। কিন্তু দেশটির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সক্রেটিসের এ খ্যাতি মেনে নেয়নি। পছন্দ করেনি তার শিক্ষা-দর্শন।
- একপর্যায়ে তারা অভিযোগ করেন, সক্রেটিস নাকি যুব সমাজকে বিপথগামী করছেন। এ অভিযোগে তাকে ঢোকানো হলো কারাগারে।

⇒ সক্রেটিসকে হেমলক পান করার মাধ্যমে গ্রিসের আথেন্সে হত্যা করা হয়। তিনি ৩৯৯ খ্রিস্টপূর্বে গ্রিসের আথেন্সে দোষী সাব্যস্ত হয়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, এবং তার পরবর্তীতে হেমলক পান করার মাধ্যমে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: Britannica.
১২১.
'ফোর বি' আন্দোলন কী?
  1. নারীবাদী আন্দোলন
  2. পরিবেশবাদী আন্দোলন
  3. সংস্কার আন্দোলন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
'ফোর বি' আন্দোলন হলো নারীবাদী আন্দোলন।

'ফোর বি' আন্দোলন:
- ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার নারীবাদীদের মধ্যে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই আন্দোলন হয়েছিল।
- তখন দেশটির নারীদের ওপর বেশ কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল।
- আন্দোলনের অন্যতম আরেকটি কারণ ছিল দেশটির সামাজিক বৈষম্য।
- মূলত সেই আন্দোলনের থেকেই ‘ফোর বি’ আন্দোলন শুরু হয়েছে।

⇒ ২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল সাবওয়ে স্টেশনে হত্যা করা হয় এক নারীকে। এ ঘটনায় সামনে আসে নারীদের নিরাপত্তা ও সমঅধিকার না থাকার বিষয়টি। পরে চারটি নীতি নিয়ে শুরু হয় ফোর বি আন্দোলন। চারটি নীতিই কোরীয় ভাষায় শুরু হয়েছে ‘বি’ দিয়ে, যার অর্থ হলো ‘না’। এ আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল নারীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ এবং পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।

⇒  ‘ফোর বি’:
- শব্দগুলো হলো
• বিহন: বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত।
• বিচুলসান: সন্তান জন্ম না দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
• বিইয়েওনায়: প্রেমিকের সঙ্গে ডেটিং না করার সিদ্ধান্ত।
• বিসেকসেউ: শারীরিক সম্পর্ক না করার সিদ্ধান্ত।

উৎস: প্রথম আলো।
১২২.
ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি কী নামে পরিচিত?
  1. ওয়াশিংটন চুক্তি
  2. লন্ডন চুক্তি
  3. বার্লিন চুক্তি
  4. লিসবন চুক্তি
ব্যাখ্যা
NATO প্রতিষ্ঠার চুক্তি:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ‘ওয়াশিংটন চুক্তি’ নামেও পরিচিত।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো। 
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার। 
- চুক্তির পঞ্চম ধারায় বলা আছে জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে। 

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১২৩.
'দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. রাগনার নার্কাস
  2. অ্যাডাম স্মিথ
  3. পল স্যামুয়েলসন
  4. আলফ্রেড মার্শাল
ব্যাখ্যা
দারিদ্রের দুষ্টুচক্র (vicious circle of poverty):
- দারিদ্রের দুষ্টচক্র বলতে এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে মানুষ দরিদ্রতার কবল থেকে মুক্তি পেতে চাইলেও পরোক্ষভাবে পুনরায় আবারো দারিদ্রতার ভেতরেই আবদ্ধ হয়ে যায়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে দরিদ্র থেকে আরও বেশি দরিদ্র হওয়াকেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলা হয়। এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে।

⇒ ‘দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র’ ধারণাটির মূল প্রবক্তা হলেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রাগনার নার্কস্।
- অনুন্নত দেশের অর্থনৈতিক অনুন্নয়নের কারণ বিশ্লেষণ প্রসঙ্গে তিনি এ ধারণাটির অবতারণা করেন।
- তার মতে, “দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র হলো এমন কতকগুলো শক্তির একত্রিভবন যারা একে অপরের সাথে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে একটি দেশকে দরিদ্র করে রাখে।”
- দারিদ্র্যের দুষ্টু চক্র সম্পর্কে অধ্যাপক রাগনার নারকস সুন্দর একটি সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।
- তিনি বলেছেন 'A country is poor because it is poor'.

উৎস: i) National Institutes of Health (NIH) (.gov) ওয়েবসাইট।
ii) The History of Economic Thought ওয়েবসাইট।
১২৪.
'Global Environment Facility (GEF)' কী নিয়ে কাজ করে?
  1. জলবায়ু পরিবর্তন এবং সুরক্ষা
  2. খাদ্য নিরাপত্তা
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ
  4. স্থলমাইন প্রকল্প
ব্যাখ্যা
Global Environmental Facility:
- Global Environmental Facility (GEF) হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত তহবিল।
- এটি জীববৈচিত্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক জল, ভূমির অবক্ষয়, ক্রমাগত জৈব দূষণকারী (POPs), পারদ, টেকসই বন ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা, এবং সম্পর্কিত প্রকল্পগুলির জন্য অনুদান এবং মিশ্রিত অর্থ প্রদান করে।

⇒ তহবিলটি ১টি অ্যাসেম্বলি, কাউন্সিল, সেক্রেটারিয়েট, ১৮টি সংস্থা, ১টি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উপদেষ্টা প্যানেল নিয়ে গঠিত।
- GEF বিভিন্ন পরিবেশগত সম্মেলনগুলির জন্য একটি আর্থিক ব্যবস্থা হিসাবে কাজ করে।
- GEF অ্যাসেম্বলি সদস্য দেশ: ১৮৬টি নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: Global Environment Facility ওয়েবসাইট।
১২৫.
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় 'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য কী পরিমাণ অর্থ মঞ্জুর করেছে?
  1. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  2. ১২০ বিলিয়ন ডলার
  3. ১৫০ বিলিয়ন ডলার
  4. ২০০ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল। শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: কপ-১৬।
- সদর দপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।

⇒ ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে ১৫তম কপ সমেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের প্রস্তাব রাখা হয় এবং ২০১০ সালে কানকুনে ১৬তম কপ সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট।
১২৬.
MERCOSUR (Southern Common Market)-এর প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তিটি কী নামে পরিচিত?
  1. আসুনসিয়ন চুক্তি
  2. বোগোটা চুক্তি
  3. কুইটো চুক্তি
  4. ফোর্টালেজা চুক্তি
ব্যাখ্যা
MERCOSUR:
- MERCOSUR বা The Southern Common Market.
- এটি দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৯১।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: Treaty of Asuncion.
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আসুনসিয়ন, প্যারাগুয়ে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়ে।
- বর্তমান সদস্য: ৫টি (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে ও ভেনেজুয়েলা)।
- সদরদপ্তর: মণ্টেভিডিও, উরুগুয়ে।
- সহযোগী সদস্য: ৭টি (বলিভিয়া, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, গায়ানা, পেরু, সুরিনাম)।

উল্লেখ্য,
⇒ MERCOSUR (Southern Common Market)-এর প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি "আসুনসিয়ন চুক্তি" (Treaty of Asuncion) নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি ১৯৯১ সালের ২৬ মার্চ প্যারাগুয়ের আসুনসিয়ন শহরে স্বাক্ষরিত হয় এবং এটি MERCOSUR প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করে।

উৎস: Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।
১২৭.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট 'INF' চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন?
  1. রোনাল্ড রিগান
  2. বারাক ওবামা
  3. জো বাইডেন
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যা
'INF' চুক্তি:
- INF-এর পূর্ণরূপ: The Intermediate-Range Nuclear Forces.
- এটি হলো মাঝারি পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮৭ সালের ৮ ডিসেম্বর।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- স্বাক্ষরকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।

উল্লেখ্য,
⇒ এই চুক্তির মাধ্যমে ভূমিতে স্থাপিত ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ক্রুজ মিসাইল নিষিদ্ধ করা হয়।
- সমুদ্রে ও আকাশে ব্যবহৃত মিসাইল এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

⇒ ১ জুন, ১৯৯১ তারিখ চুক্তির বাস্তবায়নের সময়সীমার মধ্যে দেশ দুটি প্রায় ২৬৯২টি মিসাইল ধ্বংস করে।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে চুক্তিটি অকার্যকর হয়ে যায়।
- ২ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে INF চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: Arms Control Association.
১২৮.
নিম্নের কোন সংস্থাটি FAO-এর সদস্য?
  1. কমনওয়েলথ
  2. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  3. আফ্রিকান ইউনিয়ন
  4. আসিয়ান
ব্যাখ্যা
সংস্থা হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন FAO-এর সদস্য।

FAO:

- FAO-এর পূর্ণরুপ: Food and Agriculture Organization.
- এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫।
- FAO প্রতিষ্ঠার স্থান: কুইবেক, কানাডা।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৬।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৫টি (১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (চীনের নাগরিক)।
- সংস্থাটি বর্তমানে ১৩০টিরও বেশি দেশে তাদের কার্যক্রম চালায়।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
১২৯.
OAS কোন অঞ্চলের জন্য গঠিত জোট?
  1. আমেরিকা
  2. ইউরোপ
  3. পশ্চিম আফ্রিকা
  4. দক্ষিণ এশিয়া
ব্যাখ্যা
OAS:
- OAS-এর পূর্ণরূপ: Organization of American States.
- এটি আমেরিকা অঞ্চলের আঞ্চলিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৮ সালে। 
- বর্তমান সদস্য: ৩৫টি (স্বাক্ষরিত দেশ ২১টি এবং অনুমোদিত দেশ ১৪টি)।  
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র। 
- মহাসচিব: লুইস আলমাগ্রো লেমেস।
- এর মূল লক্ষ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে শান্তি, নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।

উৎস: OAS ওয়েবসাইট।
১৩০.
কোন দেশের সিভিল ডিফেন্স গ্রুপ 'হোয়াইট হেলমেট' নামে পরিচিত?
  1. সিরিয়া
  2. ইরান
  3. তুরস্ক
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
হোয়াইট হেলমেট:
- হোয়াইট হেলমেট নামে পরিচিত সিরিয়ান সিভিল ডিফেন্স বা সিরিয়ার সেনাবাহিনী।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
- হোয়াইট হেলমেট একটি মানবিক, নিরস্ত্র ও নিরপেক্ষ সংগঠন।
- "যে একটি জীবন বাঁচাল, সে যেন গোটা মানবজাতিকে বাঁচাল"- কোরআনের এই আয়াতকে মটো বা উদ্দেশ্য হিসেবে নিয়ে কাজ করছে সংগঠনটি।
- যখন সিরিয়ার কোথাও বোমা হামলা হচ্ছে সবার আগে সেখানে ছুটে যাচ্ছে 'হোয়াইট হেলমেট'।
- তারা সিরিয়ার ধ্বংসস্তুপ থেকে জীবনবাজি রেখে মানুষকে উদ্ধার করছে বিশেষ করে শিশুদের। 

উৎস: i) White Helmets ওয়েবসাইট।
ii) Bdnews24.com
১৩১.
বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে কোনটি অবস্থিত?
  1. ১২০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  2. ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  3. ১২০ ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা
  4. ৯০ ডিগ্রি পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
প্রমাণ সময় (Standard Time):
- দ্রাঘিমারেখার উপর মধ্যাহ্ন সূর্যের অবস্থানের সময়কালকে দুপুর ১২টা ধরে স্থানীয় সময় নির্ধারণ করলে একই দেশের মধ্যে সময় গণনার বিভ্রাট হয়।
- সেজন্য প্রত্যেক দেশের একটি প্রমাণ সময় নির্ণয় করা হয়।
- প্রত্যেক দেশেই সেই দেশের মধ্যভাগের কোনো স্থানের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ণয় করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলে।
- অনেক বড়ো দেশ হলে কয়েকটি প্রমাণ সময় থাকে।
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের চারটি এবং কানাডাতে পাঁচটি প্রমাণ সময় রয়েছে।
- গ্রিনিচের (০ ডিগ্রি দ্রাঘিমা) স্থানীয় সময়কে সমগ্র পৃথিবীর প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা ৬ ঘণ্টা অগ্রবর্তী।
- ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে অবস্থিত।
- এ কারণে এ দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে বাংলাদেশের প্রমাণ সময় ধরে কাজ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩২.
কবে দিন-রাত্রি সমান হয়?
  1. ২৩শে সেপ্টেম্বর
  2. ২১শে জুন
  3. ২১শে মার্চ
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
২৩শে সেপ্টেম্বর:
- ২১শে জুনের পর উত্তর মেরু সূর্য থেকে দূরে সরতে থাকে এবং দক্ষিণ মেরু নিকটে আসতে থাকে।
- এতে উত্তর গোলার্ধে ক্রমশ দিন ছোটো ও রাত বড়ো এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দিন বড়ো ও রাত ছোটো হতে থাকে।
- ২৩শে সেপ্টেম্বর পৃথিবী এমন এক স্থানে অবস্থান করে যখন উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে।
- এই দিন সূর্যরশ্মি নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে (৯০° কোণে) সুমেরুবৃত্তে ও কুমেরুবৃত্তে ৬৬.৫° কোণে এবং মেরুদ্বয়ে ০° কোণে পতিত হয়।
- তাই ২৩শে সেপ্টেম্বর তারিখে পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়।

২১শে মার্চ:
- ২২শে ডিসেম্বরের পর পৃথিবী আপন কক্ষপথে আরও অগ্রসর হলে উত্তর মেরু ক্রমশ সূর্যের নিকট আসে এবং দক্ষিণ মেরু দূরে সরে যায়।
- এতে উত্তর গোলার্ধে দিন বড়ো ও রাত ছোটো হতে থাকে।
- অবশেষে ২১শে মার্চ পৃথিবী আপন কক্ষপথের এমন এক স্থানে পৌঁছে যেখানে উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে।
- ২১শে মার্চের দিন ২৩শে সেপ্টেম্বরের মতো দিবা-রাত্রি সমান হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩৩.
দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে কী বলে?
  1. দোয়াব
  2. নদীসংগম
  3. মোহনা
  4. নদী উপত্যকা
ব্যাখ্যা
নদীর উৎস: যেখান থেকে নদীর উৎপত্তি হয় তাকে নদীর উৎস বলে।
মোহনা: নদী যখন কোনো হ্রদ বা সাগরে এসে পতিত হয়, তখন সেই পতিত স্থানকে মোহনা বলে।
খাঁড়ি: নদীর অধিক বিস্তৃত মোহনাকে খাঁড়ি বলে।
দোয়াব: প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
নদীসংগম: দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসংগম বলে।
নদী উপত্যকা: যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।
নদীগর্ভ: নদী উপত্যকার তলদেশকে নদীগর্ভ বলে।
নদী অববাহিকা: উৎপত্তি স্থান থেকে শাখাপ্রশাখার মাধ্যমে যে বিস্তীর্ণ অঞ্চল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র বা হ্রদে পতিত হয় সেই সমগ্র অঞ্চলই নদীর অববাহিকা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩৪.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক সাম্যের উদাহরণ?
  1. পছন্দমত পেশা নির্বাচন
  2. চাকুরিতে সমান সুযোগ লাভের অধিকার
  3. ভোটাধিকার
  4. সমাবেশ করার অধিকার
ব্যাখ্যা
সাম্যের ধারণা:
- সাম্য বলতে এমন একটি অবস্থা বা পরিবেশ বুঝায় যেখানে সকল নাগরিক সমান সুযোগ-সুবিধা লাভ করে যথার্থভাবে নিজেদের বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হয়।

সাম্যের প্রকারভেদ:
- সাম্য বিভিন্ন রকমের হতে পারে। যথা:
ক. সামাজিক সাম্য: যেমন- বাক স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা ভোগ, নাগরিক অধিকার চর্চা।
খ. রাজনৈতিক সাম্য: যেমন- সংগঠন করার স্বাধীনতা, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এর সুবিধা, ভোটাধিকার। 
গ. অর্থনৈতিক সাম্য: যেমন- পছন্দমত পেশা নির্বাচন, পেশা পরিবর্তন, যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা গ্রহণ। 
ঘ. আইনগত সাম্য: যেমন- চাকুরিতে সমান সুযোগ লাভের অধিকার, সমাবেশ করার অধিকার। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
কার মতে "আইন হল সার্বভৌম শাসকের আদেশ"?
  1. অধ্যাপক হল্যান্ড
  2. জন অস্টিন
  3. জন লক
  4. অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা
আইন:
- আইন হল ফার্সি শব্দ যার অর্থ সুনির্দিষ্ট নীতি বা নিয়ম।
- আইন এর ইংরেজি প্রতিশব্দ "Law"। Law শব্দের অর্থ স্থির বা অপরিবর্তনীয় এবং সকলের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য।
- অ্যারিস্টটল বলেন, "সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন"।
- The Dictionary of the History of Ideas (1973) এ আইনকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, "আইন হচ্ছে মানুষের আচরণকে পরিচালিত করার সবচেয়ে স্পষ্ট, প্রাতিষ্ঠানিক এবং জটিল মাধ্যম"।
- অধ্যাপক হল্যান্ড এর মতে আইন হচ্ছে, "সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ যা প্রয়োগ করেন।"
- জন অস্টিন বলেন, "আইন হল সার্বভৌম শাসকের আদেশ"।
- সংক্ষেপে বলতে গেলে, আইন হল মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে সকল বিধিনিষেধ প্রণয়ন করে সাধারণভাবে সেগুলোকেই আইন বলা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৬.
“স্বাধীনতা ও আইনের বিরোধ নেই” উক্তিটি কার?
  1. আর্নেস্ট বার্কার
  2. জন লক
  3. হার্বাট
  4. এ ভি ডাইসি
ব্যাখ্যা
আইন ও স্বাধীনতা:
- আইন ও স্বাধীনতার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও পরস্পর নির্ভরশীল।
- আইন ও স্বাধীনতার সম্পর্ক সংক্রান্ত দুটি পরস্পর বিরোধী মতবাদ প্রচলিত রয়েছে।
- এরিস্টটল, মন্টেস্কু, উইলোবি, বার্কার, লক প্রমুখ মনে করেন আইন ও স্বাধীনতা গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত।
- হার্বাট, এ ভি ডাইসি প্রমুখ মনে করেন আইন ও স্বাধীনতা পরস্পর বিরোধী।
- জন লকের মতে, “যেখানে আইন নেই সেখানে স্বাধীনতাও নেই।”
- আর্নেস্ট বার্কারের মতে, “স্বাধীনতা ও আইনের বিরোধ নেই”।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
ই-গভর্নেন্স এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ইলেক্ট্রিক গভর্নেন্স
  2. ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স
  3. ইলেক্টেড গভর্নেন্স
  4. ইলাস্ট্রেটেড গভর্নেন্স
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নেন্স:
- ই-গভর্নেন্স শব্দটি 'ইলেক্ট্রনিক গভর্নেন্স' এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- অনলাইনের মাধ্যমে পাবলিক ডেলিভারি ও সেবা জনগণের কাছে সহজলভ্য করা ই-গভর্নেন্স এর লক্ষ্য।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া সাধিত হলে ই-গভর্নেন্স এর উদ্ভব ঘটে।
- জাতিসংঘের মতে, "সরকারি তথ্য ও সেবা ইন্টারনেত এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমে জনগণের নিকট পৌঁছানোর ব্যাবস্থাই হল ই-গভর্নেন্স"।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।