◉ ওভার ক্লাউড- নামে ক্লাউড কম্পিউটিং-এর কোনো স্বীকৃত মডেল নেই।
ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.
সেবার ধরণ অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
পাবলিক ক্লাউড: এই ধরণের সেবা জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত থাকে। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রাধীন অফিস বা, অবস্থানের পাবলিক ক্লাউড অবস্থিত থাকে যেখানে ইউজারডের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক এপ্লিকেশন, স্টোরেজ, এবং অন্যান্য রিসোর্সসমূহ উন্মুক্ত থাকে। যেমন- এমাজন ওয়েব সার্ভিস। যেমন: Amazon Web Services.
প্রাইভেট ক্লাউড: এককভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন কোন ক্লাউড সার্ভিস যখন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কর্মী বা, তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অথবা, বাহিরে কোথাও হোস্টিং করা হয় তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলা হয়।
মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড: দুই বা ততোধিক ক্লাউড যেমন- পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউড সম্মিলিতভাবে তাদের নিজস্বতা বজায় রেখে যখন রিসোর্স শেয়ার করে তখন তাকে মিশ্র ক্লাউড বলা হয়। যেমন- কমিউনিটি ক্লাউড।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।