১.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
সঠিক উত্তর: খ
মুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
মুলা
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা ও বানান অভিধান অনুসারে, মুলা ও মুলো দুটি শব্দের বানানই শুদ্ধ।
• যেহেতু বানান দুটোই শুদ্ধ, তাই প্রমিত রীতি বিবেচনায় নিয়ে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর বিবেচনায় নিতে হবে।
• বাংলা প্রমিত রীতি অনুসারে সঠিক শব্দ- মুলা। মুলো শব্দটি বর্জনীয়।
→ প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির অনেকগুলো শব্দ বর্জনীয়।
যেমন ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো ইত্যাদি না লিখে ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা ইত্যাদি লিখতে হয়।
অর্থাৎ,
→ ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা শব্দগুলো গ্রহণযোগ্য।
→ ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো- শব্দগুলো কথ্য রীতির হওয়ায় ব্যবহার বর্জনীয়।
অপশনের অন্যান্য শব্দ:
- ধুলি শব্দের সঠিক বানান- ধূলি।
- ধূলো বানানটিও ভুল; সঠিক রূপ ধুলো (তবে এই শব্দও প্রমিত রীতিতে বর্জনীয়)।
-----------------
• প্রমিত রীতি:
বিশ শতকের সূচনায় কলকাতার শিক্ষিত লোকের কথ্য ভাষাকে লেখ্য রীতির আদর্শ হিসেবে চালু করার চেষ্টা হয়। এটি তখন চলিত রীতি নামে পরিচিতি পায়। এই রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম, অনুসর্গ প্রভৃতি শ্রেণির শব্দ হ্রস্ব হয় এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার অপেক্ষাকৃত কমে।
একুশ শতকের সূচনা নাগাদ এই চলিত রীতিরই নতুন নাম হয় 'প্রমিত রীতি'। এটি 'মান রীতি' নামেও পরিচিত।
• প্রমিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
ক) প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর। ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন- 'করা' ক্রিয়ার রূপ: করছে, করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, করছিল, করেছিল, করব, করবে, করতে, করে, করলে, করার। সর্বনামের ক্ষেত্রে যেমন তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ ইত্যাদি। অনুসর্গের ক্ষেত্রে যেমন থেকে, হতে, সঙ্গে ইত্যাদি।
খ) প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল। প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম 'বৎসর'-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব 'বছর'-ও লেখা যায়। একইভাবে 'চন্দ্র'-ও লেখা যায়, 'চাঁদ'-ও লেখা যায়।
গ) প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়।
যেমন- 'ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো, সবচে' ইত্যাদি না লিখে 'ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে' ইত্যাদি লিখতে হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• যেহেতু বানান দুটোই শুদ্ধ, তাই প্রমিত রীতি বিবেচনায় নিয়ে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর বিবেচনায় নিতে হবে।
• বাংলা প্রমিত রীতি অনুসারে সঠিক শব্দ- মুলা। মুলো শব্দটি বর্জনীয়।
→ প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির অনেকগুলো শব্দ বর্জনীয়।
যেমন ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো ইত্যাদি না লিখে ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা ইত্যাদি লিখতে হয়।
অর্থাৎ,
→ ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা শব্দগুলো গ্রহণযোগ্য।
→ ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো- শব্দগুলো কথ্য রীতির হওয়ায় ব্যবহার বর্জনীয়।
অপশনের অন্যান্য শব্দ:
- ধুলি শব্দের সঠিক বানান- ধূলি।
- ধূলো বানানটিও ভুল; সঠিক রূপ ধুলো (তবে এই শব্দও প্রমিত রীতিতে বর্জনীয়)।
-----------------
• প্রমিত রীতি:
বিশ শতকের সূচনায় কলকাতার শিক্ষিত লোকের কথ্য ভাষাকে লেখ্য রীতির আদর্শ হিসেবে চালু করার চেষ্টা হয়। এটি তখন চলিত রীতি নামে পরিচিতি পায়। এই রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম, অনুসর্গ প্রভৃতি শ্রেণির শব্দ হ্রস্ব হয় এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার অপেক্ষাকৃত কমে।
একুশ শতকের সূচনা নাগাদ এই চলিত রীতিরই নতুন নাম হয় 'প্রমিত রীতি'। এটি 'মান রীতি' নামেও পরিচিত।
• প্রমিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
ক) প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর। ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন- 'করা' ক্রিয়ার রূপ: করছে, করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, করছিল, করেছিল, করব, করবে, করতে, করে, করলে, করার। সর্বনামের ক্ষেত্রে যেমন তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ ইত্যাদি। অনুসর্গের ক্ষেত্রে যেমন থেকে, হতে, সঙ্গে ইত্যাদি।
খ) প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল। প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম 'বৎসর'-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব 'বছর'-ও লেখা যায়। একইভাবে 'চন্দ্র'-ও লেখা যায়, 'চাঁদ'-ও লেখা যায়।
গ) প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়।
যেমন- 'ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো, সবচে' ইত্যাদি না লিখে 'ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে' ইত্যাদি লিখতে হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।