পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ৩০ আগস্ট, ২০২৩সময়55 minutes৭৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২ (নাগলিঙ্গম) (গ্রেড-১০) পরীক্ষার তারিখ: ১২.১০.২০১২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ৩০ আগস্ট, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
‘কাঁটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা।’ -এ উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) ফজলল করিম
  4. ঘ) মোহিতলাল মজুমদার
সঠিক উত্তর:
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
'কাটা-কুঞ্জে বসি' তুই গাঁথিবি মালিকা,
দিয়া গেনু ভালে তাের বেদনার টীকা।'
- উদ্ধৃতাংশটি কাজী নজরুল ইসলামের 'দারিদ্র্য' কবিতার চরণ। 

• পঙ্‌ক্তিটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের "সিন্ধু হিন্দোল" কাব্যের 'দারিদ্র্য' কবিতার অন্তর্ভুক্ত।  

দারিদ্র্য কবিতার অংশবিশেষ, 

"টলটল ধরণীর মত করুণায়!
তুমি রবি, তব তাপে শুকাইয়া যায়
করুণা-নীহার-বিন্দু! ম্লান হ’য়ে উঠি
ধরণীর ছায়াঞ্চলে! স্বপ্ন যায় টুটি’
সুন্দরের, কল্যাণের। তরল গরল
কন্ঠে ঢালি’ তুমি বল, ‘অমৃতে কি ফল?
জ্বালা নাই, নেশা নাই. নাই উন্মাদনা,-
রে দুর্বল, অমরার অমৃত-সাধনা
এ দুঃখের পৃথিবীতে তোর ব্রত নহে,
তুই নাগ, জন্ম তোর বেদনার দহে।
কাঁটা-কুঞ্জে বসি’ তুই গাঁথিবি মালিকা,
দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা!…

উৎসঃ দারিদ্র্য কবিতা- কাজী নজরুল ইসলাম। 
.
‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি -
  1. ক) গল্প
  2. খ) নাটক
  3. গ) উপন্যাস
  4. ঘ) প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উপন্যাস
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'নৌকাডুবি'- সামাজিক উপন্যাস। 

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে। 
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর]] এবং পিতামহ প্রিন্স  দ্বারকানাথ ঠাকুর। 
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান। 
 
• তাঁর রচিত কিছু উপন্যাস: 
- বৌঠাকুরাণীর হাট, 
- রাজর্ষি, 
- চোখের বালি, 
- নৌকাডুবি, 
- ঘরে-বাইরে, 
- যোগাযোগ ইত্যাদি। 

• 'নৌকাডুবি' উপন্যাস: 
- উপন্যাসটি ১৩১০-১১ বঙ্গাব্দে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 
- উপন্যাসটি লেখা হয়েছে জটিল পারিবারিক সমস্যাগুলিকে কেন্দ্র করে। 
- উপন্যাসটির মূল চরিত্রগুলো হচ্ছে: রমেশ, হেমনলিনী, কমলা, অন্নদাবাবু, নলিনাক্ষ। 

উৎস:  'নৌকাডুবি' উপন্যাস- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)। 
.
‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সৈয়দ শামসুল হক
  2. খ) আবদুল্লাহ আল মামুন
  3. গ) সেলিম আল দীন
  4. ঘ) কল্যাণ মিত্র
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুল্লাহ আল মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
• আব্দুল্লাহ আল মামুন: 
• তিনি একজন প্রসিদ্ধ বাংলাদেশী অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক, চলচ্চিত্র পরিচালক।
• ১৯৪২ সালের ১৩ জুলাই জামালপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 
• তাঁর মৃত্যু ২১ আগস্ট ২০০৮।  

• তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে: 
- অরক্ষিত মতিঝিল,
- সুবচন নির্বাসনে,
- এখন দুঃসময়,
- সেনাপতি,
- এখনও ক্রীতদাস,
- কোকিলারা,
- মেরাজ ফকিরের মা,

• তাঁর লিখিত উপন্যাস গুলো হচ্ছে: 
- মানব তোমার সারা জীবন, 
- হায় পার্বতী, 
- খলনায়ক, 
- আহ্ দেবদাস, 
- তাহাদের যৌবনকাল, 
- এই চুনীলাল, 
- গুন্ডাপান্ডার বাবা। 

উৎসঃ  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড সৌমিত্র শেখর) ও বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) আদ্যোক্ষর
  2. খ) আদ্যাক্ষর
  3. গ) আদ্যক্ষর
  4. ঘ) আদ্যাখর
সঠিক উত্তর:
খ) আদ্যাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আদ্যাক্ষর
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'আদ্যাক্ষর' বানানটি শুদ্ধ।

• 'আদ্যাক্ষর' শব্দের অর্থ:
- সর্বপ্রকার অক্ষরের বা ধ্বনির আদ্য বীজ, প্রথম অক্ষর। । 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ইন্দ্রজালিক
  2. ঈন্দ্রজালীক
  3. ঈন্দ্রজালিক
  4. ঐন্দ্রজালিক
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
ইন্দ্রজালিক ও ঐন্দ্রজালিক দুটোই শুদ্ধ।

• ইন্দ্রজালিক, ঐন্দ্রজালিক (বিশেষণ):
১. ইন্দ্রজাল সম্বন্ধীয়।
২. মায়াবী/ কুহকী ইত্যাদি। 

[অপশনে (ক + ঘ) দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো ।] 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘যে গাছে ফল ধরে কিন্তু ফুল ধরে না’ -এক কথায় কী হবে?
  1. ক) বনস্পতি
  2. খ) পরগাছা
  3. গ) বর্ণচোরা
  4. ঘ) আগাছা
সঠিক উত্তর:
ক) বনস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বনস্পতি
ব্যাখ্যা
• 'যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না' এর এক কথায় প্রকাশ হবে- 'বনস্পতি'।

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'বনস্পতি' শব্দের অর্থ- যে গাছে ফুল দেখা যায়না কিন্তু ফল ধরে।  

গাছসংক্রান্ত কিছু এক কথায় প্রকাশ - 
ফল পাকলে যে গাছ মরে যায়' এর এক কথায় প্রকাশ হবে- ওষধি।
যে গাছ অন্য কোন কাজে লাগে না' এর এক কথায় প্রকাশ হবে- আগাছা।
যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে' এর এক কথায় প্রকাশ হবে- পরগাছা।

অন্যদিকে, 
'যে আপনার রঙ লুকায়' তাকে এক কথায় বলে- 'বর্ণচোরা'। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
.
‘ভোজন করার ইচ্ছা’ -এক কথায় কী হবে?
  1. ক) পেটুক
  2. খ) ভোজনবিলাসী
  3. গ) বুভুক্ষা
  4. ঘ) খাদক
সঠিক উত্তর:
গ) বুভুক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বুভুক্ষা
ব্যাখ্যা
• ভোজন করার ইচ্ছা এর এক কথায়- 'বুভুক্ষা'। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ: 
- 'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায়- 'লিপ্সা'। 
- 'পাওয়ার ইচ্ছা' এর এক কথায়- 'ঈপ্সা'। 
- 'প্রমাণ করার যোগ্য' এর এক কথায়- 'প্রমেয়'।   
- 'যার বাসস্থান নেই' এক কথায় - অনিকেত,
- 'স্থায়ী ঠিকানা নেই যার' এক কথায় - উদ্বাস্তু,
- 'যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে' এক কথায় - উদ্বাস্তু,
- 'যা চিরস্থায়ী নয়' এক কথায় - নশ্বর,
- 'ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী' এক কথায় - ক্ষণস্থায়ী,
- 'যা স্থায়ী নয়' এক কথায় - অস্থায়ী, 

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) Volantary
  2. খ) Voluntary
  3. গ) Volantory
  4. ঘ) Vuluntory
সঠিক উত্তর:
খ) Voluntary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Voluntary
ব্যাখ্যা
♦ Voluntary
English meaning: done, made, or given willingly, without being forced or paid to do it.
Bangla meaning: স্বতঃপ্রবৃত্ত; স্বেচ্ছাপ্রণোদিত; স্বেচ্ছাপ্রবৃত্ত; স্বেচ্ছাপ্রসূত

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
.
কোন শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Accilerate
  2. খ) Accilerrate
  3. গ) Accelerate
  4. ঘ) Accilarate
সঠিক উত্তর:
গ) Accelerate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Accelerate
ব্যাখ্যা
♦ Accelerate
English meaning: When a vehicle or its driver accelerates, the speed of the vehicle increases.
Bangla meaning: গতি বাড়ানো; ত্বরান্বিত করা।

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
১০.
He was entrusted ____ the care of his uncle. -বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে __
  1. ক) with
  2. খ) at
  3. গ) for
  4. ঘ) to
সঠিক উত্তর:
ঘ) to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) to
ব্যাখ্যা
Entrust: to give someone a thing or duty for which they are responsible.

Entrust Subject with Something -
Many people had entrusted the company with money they intended to use in retirement.
Be entrusted with something/somebody - I was entrusted with the task of looking after the money.

Entrust Something to Subject -
He entrusted the arrangement of a mortgage to a local firm of financial advisers.
Government has been entrusted with elected politicians.

Entrust Subject to do Something -
We entrust a board of Edinburgh's leading businessmen to run the affairs of the organization.

Source: Cambridge Dictionary
১১.
I attend ___ office punctually. - বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে __
  1. ক) at
  2. খ) on
  3. গ) to
  4. ঘ) in
সঠিক উত্তর:
ক) at
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) at
ব্যাখ্যা
• Attend at- গমন করা। 
- He does not attend at his office in time.

Others Option:
• Attend on- পরিচর্যা/সেবা/তত্ত্বাবধান করা; যত্ন নেওয়া। 
- She attends on her upon.

• Attend to- মনোযোগ দেওয়া; মনোনিবেশ করা; যত্নবান হওয়া; যত্ন নেওয়া। 
- Students should be attentive to their lessons.

Source: 
1. Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
১২.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) Paper is made of wood.
  2. খ) Paper is made by wood.
  3. গ) Paper is made from wood.
  4. ঘ) Paper is made with wood.
সঠিক উত্তর:
গ) Paper is made from wood.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Paper is made from wood.
ব্যাখ্যা
♦ এই প্রশ্নটি করা হয়েছে  appropriate preposition এর উপর ভিত্তি করে। Appropriate preposition এর সঠিক ব্যবহার। 

- কোন কিছু তৈরীর পর ঐ উপাদানটি দেখা না গেলে made from বসে।
যেমন- The paper is made from wood.

• সেই দিক থেকে প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশনগুলো ভুল। 
১৩.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. He refused the debt.
  2. I could not do justice to it.
  3. I could not make justice to it.
  4. I took a bath.
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
♦ প্রশ্নে খ, ঘ 2টি উত্তরই সঠিক। দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্ন বাতিল করা হয়েছে। 

• He refused the debt.
- বাক্যটি পরিপূর্ণ নয়।
- বাক্যটি দ্বারা হয়ত বোঝাতে চাচ্ছে "someone refused to repay a debt or refused to acknowledge a debt"
- সেক্ষেত্রে বাক্যটি হবে: "He refused to pay the debt."

• I could not do justice to it.
- এই বাক্যটি শুদ্ধ। 
- 'do justice to someone/something' একটি phrase যার অর্থ 'to treat someone or something in a way that is fair and shows their or its true qualities'
- বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় 'আমি এর সুবিচার করতে পারিনি।'

• I could not make justice to it.
- এই বাক্যটি অশুদ্ধ।
- কারণ 'I could not do justice to it.' হলে বাক্যটি সঠিক হত।

• I took a bath.
- এই বাক্যটি শুদ্ধ। 
- বাক্যটির অর্থ 'আমি গোসল করলাম।'
- বাক্যটি past tense এ আছে।
- বাক্যটিতে বোঝাচ্ছে speaker already গোসল শেষ করেছে।
১৪.
কোনটি 'Authentic' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) Rare
  2. খ) Expensive
  3. গ) Fake
  4. ঘ) Genuine
সঠিক উত্তর:
ঘ) Genuine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Genuine
ব্যাখ্যা
♦ Authentic: 
Meaning: প্রামাণিক; খাঁটি; অকৃত্রিম; প্রকৃত; যথার্থ

অন্য অপশন গুলো:
- Rare: দুর্লভ
- Expensive: ব্যয়সাধ্য; ব্যয়বহুল; দামি।
- Fake: মেকি বা জাল বস্তু; জালিয়াত; প্রবঞ্চক
- Genuine: প্রকৃত; খাঁটি; অকৃত্রিম

অর্থ গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় 'Authentic' শব্দের সমার্থক শব্দ - Genuine.
১৫.
কোনটি 'Feasible' শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. Realistic
  2. Practical
  3. Impossible
  4. Difficult
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
♦ Practical ও Realistic একই অর্থ প্রকাশ করছে তাই প্রশ্নে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

Feasible
Meaning: সম্ভব; যা করা যেতে পারে

অন্য অপশন গুলো:
- Realistic: having or showing a practical awareness of things as they are: বাস্তব; প্রকৃত; খাঁটি; আসল; অকৃত্রিম; নির্ভেজাল; সত্যিকার
- Practical: relating to experience, real situations, or actions rather than ideas or imagination: প্রায়োগিক; ব্যবহারিক; ফলিত
- Impossible: If an action or event is impossible, it cannot happen or be achieved: অসম্ভব; অসাধ্য; সাধ্যাতীত
- Difficult: needing skill or effort: কঠিন; দুঃসাধ্য; শ্রমসাধ্য

অর্থ গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় Realistic ও Practical একই অর্থ প্রকাশ করছে তাই Feasible শব্দের সমার্থক শব্দ Realistic ও Practical দুটিই। 
১৬.
যদি ক : খ = ৫ : ৪ এবং ক : গ =৬ : ৫ হয়, তবে গ : খ =?
  1. ক) ২৫ : ২৪
  2. খ) ২৪ : ২৫
  3. গ) ৩ : ২
  4. ঘ) এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ : ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ : ২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ক : খ = ৫ : ৪ এবং ক : গ =৬ : ৫ হয়, তবে গ : খ =?

সমাধান:
ক : খ = ৫ : ৪ = ৩০ : ২৪ [৬ দ্বারা গুণ করে]
ক : গ = ৬ : ৫ = ৩০ : ২৫ [৫ দ্বারা গুণ করে]

গ : খ = ২৫ : ২৪
১৭.
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬৩ বছর এবং তাদের বয়সের অনুপাত ৭ : ২। ৯ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত কত ছিল?
  1. ক) ৬ : ১
  2. খ) ৭ : ১
  3. গ) ৮ : ১
  4. ঘ) ৯ : ১
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ : ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ : ১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬৩ বছর এবং তাদের বয়সের অনুপাত ৭ : ২। ৯ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত কত ছিল?

সমাধান: 
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৬৩ বছর
তাদের বয়সের অনুপাত = ৭ : ২
 
∴ পিতার বর্তমান বয়স =৬৩ × (৭/৯ বছর  
= ৪৯ বছর 

আবার, 
পুত্রের বর্তমান বয়স = (৬৩ - ৪৯) বছর 
= ১৪ বছর 

 ৯ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = (৪৯ - ৯) বছর = ৪০ বছর 
৯ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = (১৪ - ৯) বছর = ৫ বছর 

∴ ৯ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল= ৪০ : ৫
= ৮ :  ১
১৮.
পরীক্ষায় ‘ক’ এর প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৭০, ৮৫ ও ৭৫। চতুর্থ পরীক্ষায় তাকে কত নম্বর পেতে হবে যেন তার গড় প্রাপ্ত নম্বর ৮০ হয়?
  1. ক) ৭৮
  2. খ) ৮২
  3. গ) ৮৮
  4. ঘ) ৯০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পরীক্ষায় ‘ক’ এর প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৭০, ৮৫ ও ৭৫। চতুর্থ পরীক্ষায় তাকে কত নম্বর পেতে হবে যেন তার গড় প্রাপ্ত নম্বর ৮০ হয়?

সমাধান: 
‘ক’ এর প্রথম তিনটি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সমষ্টি (৭০ + ৮৫ + ৭৫) = ২৩০

‘ক’ এর চারটি পরীক্ষার নম্বরের সমষ্টি হবে (৪ × ৮০) = ৩২০
∴ চতুর্থ পরীক্ষায় তাকে পেতে হবে(৩২০ - ২৩০) = ৯০ নম্বর
১৯.
৪ বছর আগে ক ও খ এর গড় বয়স ছিল ১৮ বছর। ক, খ ও গ -এর বর্তমান গড় বয়স ২৪ বছর। ৮ বছর পর গ -এর বয়স কত হবে?
  1. ক) ২৮ বছর
  2. খ) ৩৬ বছর
  3. গ) ৩৮ বছর
  4. ঘ) ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৬ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪ বছর আগে ক ও খ এর গড় বয়স ছিল ১৮ বছর। ক, খ ও গ -এর বর্তমান গড় বয়স ২৪ বছর। ৮ বছর পর গ -এর বয়স কত হবে?

সমাধান:
৪ বছর আগে ক ও খ এর গড় বয়স ছিল ১৮ বছর
৪ বছর আগে ক ও খ এর মোট বয়স ছিল ১৮ × ২ বছর
= ৩৬ বছর

ক ও খ এর বর্তমানে মোট বয়স = ৩৬ + ৪ + ৪ বছর
= ৪৪ বছর

ক, খ ও গ এর বর্তমান গড় বয়স ২৪ বছর।
ক, খ ও গ এর বর্তমান মোট বয়স ২৪ × ৩ বছর।
= ৭২ বছর

গ এর বর্তমান বয়স = ৭২ - ৪৪ = ২৮ বছর

৮ বছর পর গ -এর বয়স হবে = ২৮ + ৮ = ৩৬ বছর
২০.
একটি বানর ১৩ মিটার উঁচু পিচ্ছিল বাঁশের মাথায় উঠতে প্রথম সেকেন্ডে ৩ মিটার উঠে এবং পরবর্তী সেকেন্ডে ১ মিটার নেমে আসে। বাঁশের মাথায় উঠতে বানরটির কত সময় লাগবে?
  1. ক) ৮ সেকেন্ড
  2. খ) ১০ সেকেন্ড
  3. গ) ১১ সেকেন্ড
  4. ঘ) ১২ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বানর ১৩ মিটার উঁচু পিচ্ছিল বাঁশের মাথায় উঠতে প্রথম সেকেন্ডে ৩ মিটার উঠে এবং পরবর্তী সেকেন্ডে ১ মিটার নেমে আসে। বাঁশের মাথায় উঠতে বানরটির কত সময় লাগবে?

সমাধান:
১ম সেকেন্ডে উঠে ৩ মিটার
২য় সেকেন্ডে নামে ১ মিটার
∴ ২ মিটার উঠবে ২ সেকেন্ডে 
২ সেকেন্ডে উঠবে ২ মিটার 
৩ সেকেন্ডে উঠবে ২ + ৩ = ৫ মিটার 

প্যাটার্ন অনুসারে, 
১,৩,৫,৭,৯,১১তম সেকেন্ডে অতিক্রম করবে যথাক্রমে ৩,৫,৭,৯,১১,১৩ মিটার 
২১.
১৫টি খাসির মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান। ২টি গরুর ‍মূল্য ৩০০০ টাকা হলে, ৩টি খাসির মূল্য কত?
  1. ক) ১৪০০ টাকা
  2. খ) ১৫০০ টাকা
  3. গ) ১৬০০ টাকা
  4. ঘ) ১৮০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫টি খাসির মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান। ২টি গরুর ‍মূল্য ৩০০০ টাকা হলে, ৩টি খাসির মূল্য কত?

সমাধান: 
২ টি গরুর মূল্য = ৩০০০ টাকা
১ টি গরুর মূল্য = ৩০০০/২ টাকা
৫টি গরুর মূল্য = ৩০০০ × ৫/২ টাকা
= ৭৫০০ টাকা

১৫টি খাসির মূল্য = ৭৫০০ টাকা
১টি খাসির মূল্য = ৭৫০০/১৫ টাকা
২টি খাসির মূল্য = ৭৫০০ × ৩/১৫ টাকা
= ১৫০০ টাকা 
২২.
একটি দ্রব্য ৫০০ টাকায় ক্রয় করে ১০% লাভে বিক্রয় করা হলো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে, কত টাকা লাভ হয়?
  1. ক) ১০০ টাকা
  2. খ) ১১০ টাকা
  3. গ) ১১৫ টাকা
  4. ঘ) ১২০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ৫০০ টাকায় ক্রয় করে ১০% লাভে বিক্রয় করা হলো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে, কত টাকা লাভ হয়?

সমাধান:
১০% লাভে,
বিক্রয়মূল্য = ৫০০ + ৫০০ এর ১০%
= ৫০০ + ৫০০ এর ১০/১০০
= ৫০০ + ৫০
= ৫৫০ টাকা

১০% কমে 
ক্রয়মূল্য = ৫০০ - ৫০০ এর ১০%
= ৫০০ - ৫০০ এর ১০/১০০
= ৫০০ - ৫০
= ৪৫০ টাকা

লাভ হতো = (৫৫০ - ৪৫০) টাকা
= ১০০ টাকা 
২৩.
একটি কোম্পানি দিনে প্রথম ১০০০ টাকা বিক্রির উপর ৫% লাভ করে এবং ১০০০ টাকার অতিরিক্ত বিক্রির উপর ৪% লাভ করে। দিনে মোট ৬০০০ টাকার জিনিস বিক্রি হলে, কোম্পানি সর্বমোট কত টাকা লাভ করে?
  1. ক) ২১০ টাকা
  2. খ) ২২০ টাকা
  3. গ) ২২৫ টাকা
  4. ঘ) ২৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কোম্পানি দিনে প্রথম ১০০০ টাকা বিক্রির উপর ৫% লাভ করে এবং ১০০০ টাকার অতিরিক্ত বিক্রির উপর ৪% লাভ করে। দিনে মোট ৬০০০ টাকার জিনিস বিক্রি হলে, কোম্পানি সর্বমোট কত টাকা লাভ করে?

সমাধান:
১ম ১০০০ টাকার লাভ করেন
= ১০০০ এর ৫%
= ১০০০ এর ৫/১০০
= ৫০ টাকা 


পরবর্তী ৫০০০ টাকার উপর লাভ করেন
= ৫০০০ এর ৪%
= ৫০০০ এর ৪/১০০
= ২০০ টাকা

সুতরাং মোট ৬০০০ টাকায় লাভ করেন = (৫০ + ২০০) = ২৫০টাকা
২৪.
‘হাত - ভারি’ বাগধারার অর্থ __
  1. ক) দাতা
  2. খ) কম - খরচে
  3. গ) কৃপণ
  4. ঘ) দরিদ্র
সঠিক উত্তর:
গ) কৃপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃপণ
ব্যাখ্যা
• 'হাত-ভারি' বাগধারার অর্থ 'কৃপণ'। 
বাক্য গঠন: তাঁর মত হাতভারি লোক আমি কমই দেখেছি। 

আরও কিছু বাগ্‌ধারা এবং এর অর্থ- 
- 'হাত ধরা' বাগধারার অর্থ বশীভূত।
- 'হাড় হাভাতে' বাগধারার অর্থ হতভাগ্য,
- 'হাল ছাড়া' বাগধারার অর্থ হতাশ হওয়া।
- 'হাত পাকান' বাগধারার অর্থ দক্ষতা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৫.
কোন সংখ্যাটি ক্ষুদ্রতম?
  1. ক) ১/১১
  2. খ) ২/২১
  3. গ) ৩/৩১
  4. ঘ) √০.০২
সঠিক উত্তর:
ক) ১/১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১/১১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যাটি ক্ষুদ্রতম?

সমাধান:
১/১১ = ০.০৯
২/২১ = ০.০৯৫
৩/৩১ = ০.০৯৭
√০.০২ = ০.১৪১
২৬.
কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
  1. ক) ০.৩
  2. খ) √০.৩
  3. গ) ১/৩
  4. ঘ) ২/৫
সঠিক উত্তর:
খ) √০.৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) √০.৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?

সমাধান:
 ০.৩ = ০.৩
√০.৩ = ০.৫৪
 ১/৩ = ০.৩৩
২/৫ = ০.৪
২৭.
‘জঙ্গম’ -এর বিপরীতার্থক শব্দ কি?
  1. ক) অরণ্য
  2. খ) সমুদ্র
  3. গ) পর্বত
  4. ঘ) স্থাবর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থাবর
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আআধুনিক বাংলা বাংলা অভিধান অনুসারে,
» জঙ্গম (বিশেষণ)  শব্দের অর্থ: 
- গতিশীল; স্থাবরের বিপরীত; চলমান; সচল।

» জঙ্গম এর বিপরীত শব্দ - স্থাবর (বিশেষণ)।
- যার অর্থ - নিশ্চল; স্থানান্তরিত করার অযোগ্য।

উৎস: বাংলা একাডেমী অভিধান। 
২৮.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
পুলিশ প্রশাসন:
- পুলিশ প্রশাসন অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা।
- মহিলাদের মধ্যে পেশাধারী প্রতারণা, দেশি ও আন্তর্জাতিক চোরাচালান, হোটেল ও বিত্তবানদের গৃহে প্রমোদবালাদের অসামাজিক তৎপরতা প্রতিরোধ সংক্রান্ত অপরাধের অনুসন্ধান ও তল্লাশীর ক্ষেত্রে পুরুষের জন্য কিছু আইনগত ও সামাজিক অসুবিধা থাকায় ১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশে মহিলা পুলিশ নিয়োগ শুরু হয়।
- বর্তমানে মহানগর ব্যতীত সিআইডি, ইমিগ্রেশন, জেলা সদর ও পুলিশ সদর দপ্তরেও বিভিন্ন পদবীর মহিলা পুলিশ নিয়োজিত আছে।
- দেশের অন্যান্য মহানগর পুলিশে বিভিন্ন পদবীর মহিলা পুলিশ নিয়োজিত আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৯.
বাংলাদেশে বৃহত্তম স্থল বন্দর কোনটি?
  1. ক) বেনাপোল
  2. খ) সোনা মসজিদ
  3. গ) হিলি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) বেনাপোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেনাপোল
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- হিলি স্থলবন্দর বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- সোনামসজিদ স্থল বন্দর হলো বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য একটি স্থল বন্দর, যা রাজশাহী বিভাগের শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ থেকে প্রায় ১৯ কিমি উত্তরে শাহাবাজপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৩০.
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের কি বলা হয়?
  1. ক) তাতারু
  2. খ) মাউরি
  3. গ) রেড ইন্ডিয়ান
  4. ঘ) কুর্দি
সঠিক উত্তর:
খ) মাউরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাউরি
ব্যাখ্যা
মাউরি:
- নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় মাউরি।

অন্যদিকে -
- কুর্দি জাতি পশ্চিম এশিয়ার কুর্দিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় একটি ইরানি জাতিগোষ্ঠী, যারা দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক, উত্তর-পশ্চিম ইরান, উত্তর ইরাক এবং উত্তর সিরিয়ায় বাস করে।
- জুলু উপজাতি বাস করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
- তাতার জাতি হল তুর্কি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি, যারা প্রধানত ইউরোপ ও এশিয়ায় বসবাস করে। 
- আমেরিকান অধিবাসীদের বলা হয় রেড ইন্ডিয়ান।

উৎস: Britannica.
৩১.
‘পিসিকালচার’ বলতে কি বোঝায়?
  1. ক) হাঁস-মুরগি পালন
  2. খ) মৌমাছি পালন
  3. গ) মৎস্য চাষ
  4. ঘ) রেশম চাষ
সঠিক উত্তর:
গ) মৎস্য চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৎস্য চাষ
ব্যাখ্যা
- পিসিকালচার বলতে বোঝায় মৎস্যচাষ বিজ্ঞান
- এপিকালচার বলতে বুঝায় মৌমাছি পালন।
- সেরিকালচার বলতে বোঝায় রেশম চাষ বিজ্ঞানকে।
- এভিকালচারকে পাখি পালন বিদ্যা বলে।

Source: britannica.com
৩২.
কোন মুঘল সুবাদার চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ?
  1. ক) ইসলাম খান
  2. খ) মীর জুমলা
  3. গ) রাজা মানসিংহ
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খান ছিলেন বাংলার মুঘল সুবাদার।
- ১৬৭৮-৭৯ খ্রিস্টাব্দে এক বছরের সামান্য বেশি সময়ের বিরতিসহ দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা।
- তিনি যখন ঢাকায় পৌঁছেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৬৩ বছর।
- ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন।
- প্রধানত চট্টগ্রাম জয়ের জন্যই বাংলায় শায়েস্তা খানের বিশাল খ্যাতি।
- ১৬৬৬ সালে বাংলার মোঘল শাসক শায়েস্তা খান তাঁর পুত্র বুজুর্গ ওমেদখানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিজয় সম্পন্ন করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলের নাম রাখেন ইসলামাবাদ।

উল্লেখ্য,
- ১৫১৭ সালে প্রথম পর্তুগিজ বণিকদের আগমন ঘটে এই বন্দর চট্টগ্রামে।
- ১৭৬১ সাল পর্যন্ত ৩২ জন নবাব বা শাসনকর্তা চট্টগ্রাম শাসন করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩.
পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা কে?
  1. ক) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) রামপাল
  4. ঘ) আদিশূর
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৪.
কোন মুসলিম নারী সর্বপ্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কার পান?
  1. ক) শিরিন এবাদি
  2. খ) বেনজীর ভুট্টো
  3. গ) মনিকা আলী
  4. ঘ) বেগম রোকেয়া
সঠিক উত্তর:
ক) শিরিন এবাদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শিরিন এবাদি
ব্যাখ্যা
নোবেল পুরস্কার:
- শিরিন এবাদি প্রথম মুসলিম নারী, যিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ইরানের একজন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী।
- গণতন্ত্র, মানবাধিকার, নারী ও শিশু অধিকার এবং শরণার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছিলেন তিনি।
- এই স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে নোবেল প্রাইজ দেওয়া হয় ২০০৩ সালে।
- তিনি প্রথম ইরানের নাগরিক যিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।
৩৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরান ঐতিহাসিক স্থান কোনটি?
  1. ক) সোনারগাঁ
  2. খ) পাহাড়পুর
  3. গ) মহাস্থানগড়
  4. ঘ) ময়নামতি
সঠিক উত্তর:
গ) মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়েরবিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরেরসুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরান ঐতিহাসিক স্থান।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ। আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়। মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৬.
কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ছাগলে কিনা খায়
  2. খ) টাকায় টাকা আনে
  3. গ) আরেফ বই পড়ে
  4. ঘ) ডাক্তার ডাক
সঠিক উত্তর:
গ) আরেফ বই পড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আরেফ বই পড়ে
ব্যাখ্যা
• কর্তৃকারক: 
- বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
- ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
- (কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না। সেক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।)

 • বিভক্তি:  
- যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি।
- বাংলা শব্দ বিভক্তি ৭ প্রকার-
• বিভক্তির নাম ও বিভক্তিঃ
- প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তিঃ  ০, অ
- দ্বিতীয়া বিভক্তিঃ  কে, রে
- তৃতীয়া বিভক্তিঃ  দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক
- চতুর্থী বিভক্তিঃ  কে, রে
- পঞ্চমী বিভক্তিঃ  হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে
- ষষ্ঠী বিভক্তিঃ  র, এর
- সপ্তমী বিভক্তিঃ  এ, য়, তে
------------------------
উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি যে, 
'আরেফ বই পড়ে' বাক্যটিতে কে বই পড়ে দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'আরেফ'।
এবং এখানে শ্যূন্য বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। 
তা বলা যায়, 'আরেফ বই পড়ে' কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ।  
--------------------------------------

• কর্তৃকারকে বিভক্তির প্রয়োগের উদাহরণ- 
- পাখি সব করে রব = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির
- আমার দ্বারা এ কাজ হবে না সাধন = কর্তৃকারকে তৃতীয়া বিভক্তির 
- পাছে লােকে কিছু বলে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির
- বুলবুলিতে ধান খেয়েছে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির
- ঘােড়ায় গাড়ি টানে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির 
- মানুষ ভাবে এক হয় আর এক = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির
- সবাইকে একদিন মরতে হবে = কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন, বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৩৭.
অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) বুলবুলিতে ধান খেয়েছে
  2. খ) গোয়ালে গরু আছে
  3. গ) সৎপাত্রে কন্যা দান কর
  4. ঘ) পরাজয়ে ডরে না বীর
সঠিক উত্তর:
খ) গোয়ালে গরু আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গোয়ালে গরু আছে
ব্যাখ্যা
• অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।
- অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়।

• অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যেমন- আধার (স্থান) : আমরা প্রতিদিন কলেজে যাই। কাল (সময়) সকালে সূর্য উঠবে।
----------------------------------------
• 'গোয়ালে গরু আছে' - বাক্যে অধিকরণ কারকে 'সপ্তমী' বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে।
এই বাক্যে 'গোয়ালে' শব্দ দ্বারা স্থানকে বুঝায় এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি (এ) আছে।
তাই এটিই অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।  
 
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৮.
কোনটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) দুর্ভিক্ষ (ভিক্ষার অভাব)
  2. খ) নীলকণ্ঠ (নীল কণ্ঠ যার)
  3. গ) দম্পতি (জায়া ও পতি)
  4. ঘ) একাদশ (একের অধিক দশ)
সঠিক উত্তর:
ঘ) একাদশ (একের অধিক দশ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একাদশ (একের অধিক দশ)
ব্যাখ্যা
• কর্মধারয় সমাস:
- যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণ ভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে বলা হয় কর্মধারয় সমাস।
যেমন:
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম,
- যে শান্ত সেই শিষ্ট = শান্তশিষ্ট,
- যা কাঁচা তাই পাকা= কাঁচাপাকা,
- ঋষি যে কবি = ঋষিকবি  ইত্যাদি।

• মধ্যপদলােপী কর্মধারয়:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লােপ হয়, তাকে মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন, 
একের অধিক দশ= একাদশ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ), প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন। 
৩৯.
কোনটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) সুবর্ণ (সু বর্ণ যার)
  2. খ) বৃষ্টি ধৌত (বৃষ্টিতে ধৌত)
  3. গ) ক্রোধানল (ক্রোধরূপ অনল)
  4. ঘ) হররোজ (রেজ রোজ)
সঠিক উত্তর:
ক) সুবর্ণ (সু বর্ণ যার)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুবর্ণ (সু বর্ণ যার)
ব্যাখ্যা
• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলাের কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনাে পদকে বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
চতুষ্পদ = চার পা বিশিষ্ট প্রাণী,
পদ্মনাভ = পদ্ম নাভিতে যার ইত্যাদি।

• সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়ে থাকে, তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- কালাে বরণ যার = কালােবরণ;
- পােড়া কপাল যার = পােড়াকপালে,
- সমান উদর যার = সহোদর,
- বদ রাগ যার = বদরাগী,
- সুন্দর বর্ণ যার = সুবর্ণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম - দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৪০.
‘ইতস্তত’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ইত + তত
  2. ইতঃ + তত
  3. ইতস্ + তত
  4. ইত + স্তত
সঠিক উত্তর:
ইতঃ + তত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতঃ + তত
ব্যাখ্যা
'ইতস্তত' শব্দটি বিসর্গ সন্ধিযোগে গঠিত শব্দ।
- 'ইতস্তত' শব্দের সঠিক বিচ্ছেদ : ইতঃ + তত। 

কয়েকটি বিসর্গ সন্ধি-
তিরঃ + ধান = তিরোধান,
মনঃ + রম = মনোরম,
মনঃ + যোগ = মনোযোগ,
মনঃ + হর = মনোহর,
তপঃ + বন = তপোবন ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
৪১.
‘শিষ্টাচার’ -এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) সততা
  2. খ) নিষ্ঠা
  3. গ) সদাচার
  4. ঘ) সংযম
সঠিক উত্তর:
গ) সদাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সদাচার
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
» শিষ্টাচার (বিশেষ্য) শব্দের অর্থ: 
- ভদ্র ব্যবহার; নম্র আচরণ।
- সদাচার - সদাচারণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪২.
'I have bought the books' -বাক্যটির সঠিক পরিবর্তিত voice হবে __
  1. The books have been bought by me.
  2. The books had been bought by me.
  3. The books were bought by me.
  4. The books are bought by me.
সঠিক উত্তর:
The books have been bought by me.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The books have been bought by me.
ব্যাখ্যা
♦ Voice:
Active voice কে passive voice এ রুপান্তর করার নিয়ম:
- Active voice এর object টি subject এ পরিণত হয়।
- have been বসে।
- মূল verb এর past participle বসে।
- by বসে।
- Active voice এর subject টি object এ পরিণত হয়।

সঠিক উত্তর: The books have been bought by me.
৪৩.
'Let him sing a song' -বাক্যটির সঠিক পরিবর্তিত voice হবে __
  1. ক) Let a song be sang by him.
  2. খ) Let a song sing by him.
  3. গ) Let a song sang by him.
  4. ঘ) Let a song be sung by him
সঠিক উত্তর:
ঘ) Let a song be sung by him
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Let a song be sung by him
ব্যাখ্যা
• Let যুক্ত imperative বাক্যকে passive এ পরিণত করার নিয়ম - 
- প্রথমে Let বসে
- এরপর  object  বসে
- be বসে
- মূল verb এর past participle form + by
 - let পরবর্তী ব্যক্তি বাচক object.

- তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - Let a song be sung by him.
৪৪.
কোনটি Material Noun?
  1. ক) Book
  2. খ) Paper
  3. গ) Ring
  4. ঘ) River
সঠিক উত্তর:
খ) Paper
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Paper
ব্যাখ্যা
♦ Materiel noun 
- যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Material noun সাধারণত uncountable noun হয়।
- একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- Paper হলো Material noun, কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক এবং একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- আরো উদাহরণ: Silver, Iron, Cotton, Diamond, Milk, Paint, Rubber, Paper, Steel, Sand, Wood, Mutton, Oil etc.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
৪৫.
Deny শব্দের noun হবে __
  1. ক) Refuse
  2. খ) Denial
  3. গ) Deny
  4. ঘ) Deniable
সঠিক উত্তর:
খ) Denial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Denial
ব্যাখ্যা
♦ Deny শব্দটির noun হচ্ছে Denial. 

• Denial (Noun):
English Meaning: An unwillingness to grant something asked for. 
Bengali Meaning: অস্বীকার; প্রত্যাখ্যান; ব্যপনয়ন। 
Example Sentence: She issued a flat denial of the charges made against her.

• অন্য অপশন,
- Refuse: প্রত্যাখ্যান/অগ্রাহ্য/অস্বীকার করা; অসম্মত হওয়া। [ভিন্ন শব্দ] 
- Deny: [verb]
- Deniable: [adjective]

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৬.
He said to me, 'will you go home?' -বাক্যটির indirect speech হবে __
  1. ক) He said to me if I will go home.
  2. খ) He said to me if I would go home.
  3. গ) He asked me if I would go home.
  4. ঘ) He asked me if I will go home.
সঠিক উত্তর:
গ) He asked me if I would go home.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) He asked me if I would go home.
ব্যাখ্যা
• Reported speech যদি Interrogative sentence হয় তাহলে reporting verb 'said' বা 'said to' indirect speech এ 'ask', 'demand', 'enquire', 'wonder' বা 'want to know' তে পরিবর্তিত হয়। 
- Reported speech যদি কোন auxiliary verb দ্বারা শুরু হয় তাহলে indirect speech এ if বা whether ব্যবহৃত হয়। 
- Indirect speech এ রূপান্তরিত বাক্য আর Interrogative থাকে না; একারণে এর শেষে প্রশ্ন বোধক চিহ্ন (?) বসবে না।
- এজন্যে Indirect speech এ auxiliary verb টি subject এর পরে বসে। 

Direct: He said to me, 'will you go home?' 
Indirect: He asked me if I would go home.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain. 
৪৭.
'He told us that he had waited an hour' -বাক্যটির direct speech হবে __
  1. ক) He said to us, 'I waited an hour.'
  2. খ) He informed us, 'I had to wait an hour.'
  3. গ) He said to us, 'I have been waiting an hour.'
  4. ঘ) He said to us that, 'I waited an hour.'
সঠিক উত্তর:
ক) He said to us, 'I waited an hour.'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) He said to us, 'I waited an hour.'
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ক) He said to us, ''I waited an hour.'' 


Direct Speech/ Reporting speech Vs Indirect speech / Reported speech

Present indefinite ↔ Past indefinite 
Present continuous ↔ Past continuous 
Present Perfect ↔ Past perfect 
Past indefinite ↔ Past Perfect 
Past continuous ↔ Past perfect continuous
Past perfect ↔ Past Perfect 
Future Indefinite ↔ Use of modal 

Indirect speech এ that clause টি past perfect tense এ হওয়ায় direct speech এ তা reported speech এ পরিণত হবে এবং তা past indefinite /present perfect tense এ হবে।

Source: Cambridge Dictionary Grammar Reference & Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
৪৮.
'Out and out' এর অর্থ __
  1. ক) Not at all
  2. খ) To be last
  3. গ) Man of outside
  4. ঘ) Thoroughly
সঠিক উত্তর:
ঘ) Thoroughly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Thoroughly
ব্যাখ্যা
• Out and out
- complete or in every way; used to emphasize an unpleasant quality of a person or thing; thoroughly;
বাংলা অর্থ - সম্পূর্ণরূপে; পুরোপুরি।

যেমন:
- That's an out-and-out lie!
- The whole project was an out-and-out disaster.

উল্লেখিত অন্য অপশন গুলো অপ্রাসঙ্গিক। 
৪৯.
a + b = 6, ab = 4 হলে, a3 + b3 = কত?
  1. ক) 216
  2. খ) 144
  3. গ) 136
  4. ঘ) 120
সঠিক উত্তর:
খ) 144
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 144
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 6, ab = 4 হলে,  a3 + b3 = কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
a + b = 6
ab = 4

আমরা জানি
a3 + b3 = (a + b)3 - 3ab(a + b)
= 63 - 3 × 4 × 6
= 216 - 72
= 144
৫০.
(3x + 2)(2x - 6) = (4 - 3x)(1 - 2x) - 10 হলে, x এর মান হবে-
  1. ক) - 2
  2. খ) 4
  3. গ) - 3
  4. ঘ) 5
সঠিক উত্তর:
ক) - 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) - 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (3x + 2)(2x - 6) = (4 - 3x)(1 - 2x) - 10 হলে, x এর মান হবে-

সমাধান:
(3x + 2)(2x - 6) = (4 - 3x)(1 - 2x) - 10
বা, 6x2 - 18x + 4x - 12 = 4 - 8x - 3x + 6x2 - 10
বা, 6x2 - 14x - 12 = - 6 - 11x + 6x2 
বা, 6x2 - 14x + 11x - 6x2 = - 6 + 12
বা, - 3x = 6
বা, x = 6/- 3
x = - 2
৫১.
বার্ষিক শতকরা ৬.০০ টাকা হার সুদে কত সময়ে ৪৫০ টাকা সুদে - আসলে ৫৫৮ টাকা হবে?
  1. ক) ৩ বছর
  2. খ) ৪ বছর
  3. গ) ৫ বছর
  4. ঘ) ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক শতকরা ৬.০০ টাকা হার সুদে কত সময়ে ৪৫০ টাকা সুদে - আসলে ৫৫৮ টাকা হবে?

সমাধান: 
মুনাফার হার r = ৬% = ৬/১০০ টাকা 
আসল P = ৪৫০ টাকা 
সুদ I = (৫৫৮ - ৪৫০) টাকা 
         = ১০৮ টাকা 

আমরা জানি,
I  =Pnr 
n  = I /Pr 
     = ১০৮/{৪৫০ × (৬/১০০)}
     = ১০৮/২৭
      = ৪
৫২.
একটি বর্গের ক্ষেত্রফল একটি আয়তের ক্ষেত্রফলের সমান। বর্গের পরিসীমা ২৪ সে.মি. এবং আয়তের প্রস্থ ৪ সে.মি. হলে, আয়তের পরিসীমা হবে-
  1. ক) ১৬ সে.মি.
  2. খ) ২০ সে.মি.
  3. গ) ২৪ সে.মি.
  4. ঘ) ২৬ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৬ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গের ক্ষেত্রফল একটি আয়তের ক্ষেত্রফলের সমান। বর্গের পরিসীমা ২৪ সে.মি. এবং আয়তের প্রস্থ ৪ সে.মি. হলে, আয়তের পরিসীমা হবে-

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বর্গের পরিসীমা = ২৪ সে.মি. 
∴ বর্গের একবাহুর দৈর্ঘ্য = ২৪/৪ সে.মি. 
= ৬ সে.মি. 

∴ বর্গের ক্ষেত্রফল = (এক বাহু) বর্গ সে.মি. 
= (৬) বর্গ সে.মি. 
= ৩৬ বর্গ সে.মি. 

প্রশ্নমতে, 
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের সমান। 
∴ দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = ৩৬ 
বা, দৈর্ঘ্য × ৪ = ৩৬ 
বা, দৈর্ঘ্য = ৩৬/৪ 
∴ দৈর্ঘ্য = ৯ সে.মি. 

আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) সে.মি. 
= ২ (৯ + ৪) সে.মি. 
= (২ × ১৩) সে.মি. 
= ২৬ সে.মি. 

∴ আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২৬ সে.মি.
৫৩.
একটি বৃত্তের ব্যাস দ্বিগুণ করলে বৃত্তটির ক্ষেত্রফল হবে-
  1. ক) দ্বিগুণ
  2. খ) তিন গুণ
  3. গ) চার গুণ
  4. ঘ) একই থাকবে
সঠিক উত্তর:
গ) চার গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চার গুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাস দ্বিগুণ করলে বৃত্তটির ক্ষেত্রফল হবে-

সমাধান:
বৃত্তের ব্যাস d হলে এর ক্ষেত্রফল হয়, π(d/2)2 = (πd)2/4

বৃত্তের ব্যাস দিগুণ করলে ব্যাস হয় 2d 
∴ ক্ষেত্রফল হয়, π{(2d)/2}2 = πd2

এখন,
(πd2)/{(πd)2/4}
= 4 

∴ ক্ষেত্রফল চারগুণ হবে।
৫৪.
DOS (কম্পিউটার সংক্রান্ত) কি?
  1. ক) Disk Operating System
  2. খ) Data Operating Service
  3. গ) Data Operating System
  4. ঘ) এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) Disk Operating System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Disk Operating System
ব্যাখ্যা
DOS
- DOS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Disk Operating System
- যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন আইবিএম কম্পিউটারের জন্য ১৯৮১ সালে প্রথম ডস অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন।
- ডস আইবিএম এবং আইবিএম উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- DOS কে PC-DOS বা MS-DOSও বলা হয়।
- ডস একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ডসের প্রধান অসুবিধা হলো এর কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস বৈশিষ্ট্য, অর্থাৎ এর সাহায্যে কাজ করতে হলে ব্যবহারকারীকে ডসের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় এবং কি-বোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে কমান্ড বা নির্দেশ প্রদান করতে হয়।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
‘পূর্বাশা’ দ্বীপের অপর নাম -
  1. ক) নিঝুম দ্বীপ
  2. খ) দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
  3. গ) কুতুবদিয়া দ্বীপ
  4. ঘ) সেন্টমার্টিন দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ। 
- দ্বীপটি মূলত  গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী-এর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। 
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে।
- ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীপটির অভ্যুদয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়।
- ভারত নতুন জেগে ওঠা দ্বীপটিকে ‘নিউমুর দ্বীপ’ The New Moore Island) নামে চিহ্নিত করে।
- সে সময় পশ্চিমবঙ্গে দ্বীপটিকে কখনও ‘নিউমুর’ আবার কখনও ‘পূর্বাশা’ নামে অভিহিত করা হতো।
- ভারত সরকারও দ্বীপটিকে নিজ রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভূক্ত বলে দাবী করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৬.
রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?
  1. ক) বিটা রশ্মি
  2. খ) গামা রশ্মি
  3. গ) কসমিক রশ্মি
  4. ঘ) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
• রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি বের হয়।
• রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।
- টিভির পর্দায় যে ফসফর থাকে, ইলেকট্রন যখন ফসফরকে আঘাত করে তখন সেখান থেকে মৃদু রঞ্জনরশ্মি নির্গত হয়, এটার পরিমাণ এতই ক্ষুদ্রতর যা উপেক্ষা করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৭.
মধ্যযুগের গৌড় নগরীর অংশবিশেষ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গৌড় নগরী:
- প্রাচীন গৌড় নগরী ভারতীয় উপমহাদেশে মধ্যযুগীয় অন্যতম বৃহৎ নগরী।
- আনুমানিক ১৪৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এটি বাংলার রাজধানী ছিল।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্ৰ বাংলাকেই গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- এটি অধুনা ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি নগর যার অবস্থান বর্তমান ভারত-বাংলাদশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল। 
- প্রাচীন নগরী লক্ষ্মণাবতী একই স্থানে অবস্থিত ছিল বলে অনুমান করা হয়।
- প্রাচীন এই দূর্গনগরীর অধিকাংশ পড়েছে বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদা জেলায় এবং কিছু অংশ পড়েছে বাংলাদশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি গ্রহণ করে গর্ববোধ করতেন।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কর্ণসুবর্ণ দেশ ও গৌড়দেশ অভিন্ন।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮.
ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৭৫৭
  2. খ) ১৭৬৯
  3. গ) ১৭৮৯
  4. ঘ) ১৮১০
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৮৯
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে। 
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

উৎস: Britannica.
৫৯.
‘বাঙালি’ নামের নদীটি বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) গোপালগঞ্জ
  4. ঘ) কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বগুড়া
ব্যাখ্যা
‘বাঙালি’ নদী:
- বাঙালি নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গাইবান্ধা, বগুড়া এবং সিরাজগঞ্জ জেলার একটি নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ১৮৩ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৪৩ মিটার।
- নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। 
- হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত বাঙালি জাতির নামে বাংলাদেশের একমাত্র নদী এটি।
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা 'পাউবো' কর্তৃক পাথরাজ নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৭৯।
- ২০০৭ সালে নদীটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে যমুনা নদীর সঙ্গে নদীটির মিশে যাবার আশঙ্কায়।
- এর ফলে এলাকার ব্যাপক ভৌগোলিক পরিবর্তন হতে পারে।
- বাঙালি নদীর উৎপত্তি নীলফামারী জেলার তিস্তা নদী থেকে।
- উৎস থেকে নদীটি ঘাঘট নামে গাইবান্ধায় প্রবাহিত হয়।
- গাইবান্ধায় এসে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে যায়।
- একটি শাখা পশ্চিমে ঘাঘট নামে প্রবাহিত হয়ে শেরপুরে করতোয়া নদীতে গিয়ে পড়ে; অপর শাখা বাঙালি নামে দক্ষিণ দিকে এগিয়ে গিয়ে বগুড়ায় আবারো দুটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- এই শাখা দুটি যথাক্রমে যমুনা ও করতোয়ায় গিয়ে পড়ে।
- বাঙালি নদীর অনেক শাখা নদী আছে যথা: বেলাল, মানস, মধুখালি, ইছামতি, ভলকা এবং অন্যান্য।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬০.
কত বছর পর পর হ্যালির ধুমকেতু আবির্ভূত হয়?
  1. ক) ৬৫ বছর
  2. খ) ৭০ বছর
  3. গ) ৭৬ বছর
  4. ঘ) ৮০ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৬ বছর
ব্যাখ্যা
হ্যালির ধূমকেতু (Halley's Comet):
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ।
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
- ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে।
- হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ১৯৮৬ + ৭৬ = ২০৬২ সালে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬১.
কোন ধাতু তরল অবস্থায় থাকে?
  1. ক) Au
  2. খ) Hg
  3. গ) Cu
  4. ঘ) Na
সঠিক উত্তর:
খ) Hg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Hg
ব্যাখ্যা
- পারদ (Hg) একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। 
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮০। 
- পারদের গলনাঙ্ক প্রায় ৩৮.৮৩° সেলসিয়াস। 
- তাই এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। 

 অন্যদিকে, 
- সাধারণ তাপমাত্রায় ব্রোমিন তরল অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। 
- কিন্তু ব্রোমিন একটি অধাতু। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৬২.
শৈবাল কোন জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. ক) স্বভোজী
  2. খ) মৃতজীবী
  3. গ) পরভোজী
  4. ঘ) পরাশ্রয়ী
সঠিক উত্তর:
ক) স্বভোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বভোজী
ব্যাখ্যা
শৈবাল হচ্ছে স্বভোজী জাতীয় উদ্ভিদ। 

- শৈবাল (Algae)  ক্লোরোফিলবহনকারী সরল প্রকৃতির স্বভোজী (autotrophic) অতি প্রাচীন এক উদ্ভিদ দল।
- এদের উদ্ভব সমুদ্রের পানিতে, আজ থেকে প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে।
- সেই আদিমকাল থেকেই শৈবাল prokaryotic থেকে eukaryotic আকৃতিতে রূপ ও বৈচিত্র্য লাভ করেছে।
- প্যালিওজোয়িক যুগের শুরু থেকে অর্থাৎ এখন থেকে প্রায় ৫০০ কোটি বছর পূর্ব পর্যন্ত এরা সমুদ্রে একক আধিপত্য অটুট রেখেছিল।
- সমুদ্রের প্রধান উদ্ভিদ এই শৈবাল।
- এদের দেহ কাঠামো সরল এবং মূল, কান্ড ও পত্রে পৃথকীভূত নয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৬৩.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) গড়াই
  3. গ) মহানন্দা
  4. ঘ) করতোয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) করতোয়া
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থান গড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৪.
আলোর গতি ও বেতার তরঙ্গের গতি __
  1. সমান নয়
  2. সমান
  3. আলোর গতি বেশি
  4. বেতার তরঙ্গের গতি বেশি
সঠিক উত্তর:
সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমান
ব্যাখ্যা
• আমরা সূর্য থেকে আলো এবং তাপ পাই। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়। এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ।
বেতার তরঙ্গ, এক্সরশ্মি, গামারশ্মি, তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গের উদাহরণ।
আলো একটি তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ
- ১৮৬২ সালে জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল প্রমাণ করেন তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ মহাশূন্যের মধ্য দিয়ে ধ্রুব দ্রুতিতে গমন করতে পারে।       
- ১৮৬৪ সালে তিনি আলোর তাড়িতচৌম্বক তত্ত্বের অবতারণা করেন।

তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের ধর্ম:
যদিও বিভিন্ন তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের উৎস বিভিন্ন এবং তাদের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে বিরাট পার্থক্য বর্তমান কিন্তু কিছু কিছু ধৰ্ম বা মৌলিক বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে এদের মধ্যে মিল আছে। এসব বৈশিষ্ট্য হল :
১. তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য কোন জড় মাধ্যমের প্রয়োজন নেই।
২. তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণ মুক্ত স্থানে (free Space) আলোর দ্রুতিতে (3×108 ms- 1) অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার দ্রুতিতে সরল রেখায় গমন করে। মুক্ত স্থান বলতে এখানে ভ্যাকুয়াম বা বায়ু শূন্য স্থান বোঝানো হয়েছে।

• যেহেতু আলো একটি তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ এবং বেতার তরঙ্গও তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ এবং তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণ মুক্ত স্থানে (free Space) আলোর দ্রুতিতে (3×108 ms- 1) গমন করে তাই বলা যায় আলোর গতি ও বেতার তরঙ্গের গতি সমান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান (এসএসসি), পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৬৫.
আয়নার পিছনে কোন ধাতুটি ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. জিংক
  3. মার্কারি
  4. কপার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে 'ক'ও গ' দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটির উত্তর তুলে নেয়া হয়েছে।
- আয়নার পশ্চাতে পূর্বে মার্কারি বা পারদ এর প্রলেপ দেওয়া হতো, তবে বর্তমানে সিলভার এর প্রলেপ দেয়া হয়। 
- অ্যালুমিনিয়ামও কিছুটা কম আলো প্রতিফলিত করতে পারে বিধায় পূর্বে তা ব্যবহার করা হতো। 

আয়না অথবা দর্পণ (Mirror):

- আয়নায় নিয়মিত প্রতিফলনের কারণে স্পষ্ট প্রতিবিম্বের তৈরি হয়।
- আয়না তৈরি করার জন্য কাচের পেছনে প্রতিফলনের উপযোগী রূপার প্রলেপ দেওয়া হয়।
- কাচের সামনের পৃষ্ঠ থেকে 4% আলো প্রতিফলিত হলেও পেছনের পৃষ্ঠ থেকে পুরো আলো প্রতিফলিত হয় বলে সেটি মূল প্রতিবিম্বটি তৈরি করে।
- টেলিস্কোপ বা অন্য অপটিক্যাল (Optical) যন্ত্রে যখন মূল প্রতিবিম্বটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয় তখন কাচের উপরেই রুপা বা অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয় যেন একটি 4% হালকা আরেকটি 96% স্পষ্ট, এ রকম দুটি প্রতিবিম্ব তৈরি না হয়ে একটা 100% স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান (নবম-দশম শ্রেণি)।
৬৬.
মানবদেহের কোন অংশে নিউমোনিয়া রোগ হয়?
  1. ক) গলায়
  2. খ) ফুসফুসে
  3. গ) নাকে
  4. ঘ) হৃৎপিণ্ডে
সঠিক উত্তর:
খ) ফুসফুসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফুসফুসে
ব্যাখ্যা
• নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয় মানবদেহের ফুসফুস
- নিউমোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়া এ রোগের অন্যতম কারণ।
-  অত্যধিক ঠান্ডা লাগলে এ রোগ হতে পারে।
-  এছাড়াও আরো বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের আক্রমণে নিউমোনিয়া হতে পারে।
- এ রােগে মানব দেহের ফুসফুস আক্রান্ত হয়ে ফুসফুসের থলিতে অস্বস্তিকর যন্ত্রনা হয়।
- ফুসফুসের প্রদাহকে নিউমােনিয়া,
- যকৃতের প্রদাহকে হেপাটাইটিস
- কিডনির প্রদাহকে নেফ্রাইটিস বলে ।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৭.
বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁও -এর পত্তন করেন __
  1. ক) সম্রাট আকবর
  2. খ) শাহজাদা আযম
  3. গ) ঈশা খান
  4. ঘ) সুবেদার ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশা খান
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
- বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ'র স্ত্রী সোনাবিবি'র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন ঈশা খাঁ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৮.
মিয়ানমার বাংলাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ - পূর্ব
  2. খ) উত্তর- পূর্ব
  3. গ) পূর্ব
  4. ঘ) পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ - পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ - পূর্ব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত:
- মিয়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে বিভক্তকারী নদীর নাম নাফ নদী।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমানা রেখা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে এবং মিয়ানমারের পশ্চিমে অবস্থিত।
- সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার (১৭০ মাইল)।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের তিনটি জেলার স্থল সীমান্ত আছে।
- তিনটি হলো: রাঙামাটি , বান্দরবান ও কক্সবাজার।

উৎস: Britannica.
৬৯.
পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে __
  1. মুন্সিগঞ্জের নিকট
  2. ভৈরবের নিকট
  3. চাঁদপুরের নিকট
  4. গোয়ালন্দের নিকট
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দের নিকট
ব্যাখ্যা
পদ্মা (গঙ্গা):
- ভারতের মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি।
- রাজশাহীর কাছে কুষ্টিয়ার উত্তর প্রান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- তারপর গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। 
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত বঙ্গোপসাগরে ঢুকেছে।
- শাখা নদী: মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসা, পশুর (বা পসুর) বড়াল প্রধান।
- উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
ইংলিশ চ্যানেল সংযুক্ত করেছে __
  1. ক) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে
  2. খ) উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
  3. গ) ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে
  4. ঘ) ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে
ব্যাখ্যা
ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে এবং উত্তর সাগরে আটলান্টিকের সাথে মিলিত হয়।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি প্রায় ৫৬৩ কিমি (৩৫০ মাইল) দীর্ঘ এবং এর প্রস্থে ২৪০ কিমি (১৫০ মাইল)।
- ডোভার প্রণালী হলো এই চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ।
- পূর্বদিকে এর বিস্তার কমে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার হয়ে যায় এবং সেখানে এটি ডোভার প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত।
- ইংলিশ চ্যানেলের প্রধান দ্বীপগুলির মধ্যে আছে আইল অভ ওয়াইট এবং চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ।

উৎস: Britannica.
৭১.
গ্রেট বেরিয়ার রীফ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. গ) ভারত মহাসাগরে
  4. ঘ) পারস্য মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
ক) প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রবাল রিফ।
- এটি ২৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- রিফটি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূল ঘেঁষা প্রশান্ত মহাসাগরের কোরাল সাগরে অবস্থিত।
- UNESCO এটিকে ১৯৮১ সালে বিশ্ব হেরিটেজ সাইটেও অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: World Atlas.
৭২.
প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময় ___
  1. ক) চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে
  2. খ) পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
  3. গ) সূর্য , পৃথিবী ও চন্দ্র এক সরলরেখায় থাকে
  4. ঘ) সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সাথে সমকোণ করে থাকে
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্য , পৃথিবী ও চন্দ্র এক সরলরেখায় থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্য , পৃথিবী ও চন্দ্র এক সরলরেখায় থাকে
ব্যাখ্যা
প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হয়৷ এগুলো হলো-
১. চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং
২. পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি৷

সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালো হয় না।
তবে চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় থাকলে উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
অমাবস্যা এবং পূর্ণিমা তিথিতে অধিকমাত্রায় জোয়ারের ফলে নৌকা, লঞ্চ ডুবে যায় এবং জানমালের ক্ষতি হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই।
৭৩.
পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার বড় কারণ __
  1. ক) পানিতে আর্সেনিকের পরিমাণ হ্রাস
  2. খ) পরিবেশ দূষণ হ্রাস
  3. গ) ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ কামনো
  4. ঘ) উৎপাদন খরচের আধিক্য
সঠিক উত্তর:
খ) পরিবেশ দূষণ হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পরিবেশ দূষণ হ্রাস
ব্যাখ্যা
- ২০০২ সালে প্রণীত বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন অনুযায়ী দেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০০২ অনুযায়ী -
- সকল বা যে কোন প্রকার পলিথিন শপিং ব্যাগ, বা পলিইথাইলিন বা পলিপ্রপাইলিনের তৈরী অন্য কোন সামগ্রী বা অন্য যে কোন সামগ্রী পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, তাহা হইলে, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, সমগ্র দেশে বা কোন নির্দিষ্ট এলাকায় এইরূপ সামগ্রীর উৎপাদন, আমদানী, বাজারজাতকরণ, বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, মজুদ, বিতরণ, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিবহন বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করিবার বা প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত শতাধীনে ঐ সকল কার্যক্রম পরিচালনা বা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে নির্দেশ জারী করিতে পারিবে এবং উক্ত নির্দেশ পালনে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন।

• পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ: সরকার পরিবেশ দূষণ রোধে ২০০২ সালের জানুয়ারি থেকে ঢাকা শহরে এবং একই সালের মার্চ থেকে সারাদেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। পরিবেশ অধিদপ্তর নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ যাতে ব্যবহার হতে না পারে সে লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। পাশাপাশি সরকার জনগণকেও সচেতন করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০০২।
৭৪.
মালদ্বীপ গঠিত হয়েছে কীভাবে?
  1. ক) একটি বড় দ্বীপ নিয়ে
  2. খ) দুইটি ছোট দ্বীপ নিয়ে
  3. গ) চারটি দ্বীপ নিয়ে
  4. ঘ) অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে
ব্যাখ্যা
মালদ্বীপ:
- মালদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম।
- এটি ভারত মহাসাগরের অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- ১১০০ দ্বীপ নিয়ে দেশটি গঠিত।
- এর আয়তন প্রায় ২৯৮ বর্গ কিলোমিটার।
- সার্ক এর সদস্য দেশ মালদ্বীপ। 
- বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ।
- পর্যটনের জন্য বিখ্যাত এ দেশের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ উচ্চতা মাত্র দুই দশমিক তিন মিটার।
- মালদ্বীপের রাজধানী মালে।
- মালদ্বীপের মুদ্রা রুপাইয়া।

উৎস: World Atlas.
৭৫.
১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবর কাকে পরাজিত করেন?
  1. ক) ইব্রাহিম লোদী
  2. খ) শিবাজি
  3. গ) বৈরাম খাঁ
  4. ঘ) রানা প্রতাপ সিংহ
সঠিক উত্তর:
ক) ইব্রাহিম লোদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবঢ় বনাম ইব্রাহিম লোদী। 
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। 
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। 
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন। 
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন। 
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬.
আমাদের দেশে পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  2. গাছপালা কাটা
  3. পাহাড় কাটা
  4. নদী ভরাট করা
সঠিক উত্তর:
দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা বৃদ্ধি : ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা ও পরিবেশ দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করছে।
- বর্ধিত জনসংখ্যার প্রয়োজনে বনজঙ্গল, গাছপালা কেটে চাষের জমি তৈরি করা হয় বা বসতবাড়ি নির্মাণ করা হয়। গাছপালা কাটার ফলে বৃষ্টিপাত কমে যায়, খরার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।
- অধিক জনসংখ্যা পরিবেশের ওপর অধিক চাপ সৃষ্টি করে, স্যানিটেশন ব্যবস্থাকে কলুষিত করে এবং পরিবেশের বিপর্যয় ঘটায়।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খাদ্য, বাসস্থান, যানবাহন, শিল্পকারখানা সবকিছুর চাহিদাই বৃদ্ধি পায়। অধিক খাদ্য উৎপাদন করতে অধিক কীটনাশক ও সার ব্যবহার, ভূগর্ভের পানি উত্তোলনের ফলে মৃত্তিকা দূষণ হচ্ছে। অধিক শিল্পকারখানা, যানবাহন, পানি ও বায়ুদূষণ ঘটাচ্ছে।

∴ আমাদের দেশে পরিবেশ দূষণের প্র্রধান কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি।

উৎস: এইচএসচি প্রোগ্রাম, গার্হস্থ্যবিজ্ঞান ১ম পত্র (১০ম ইউনিট), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
লালবাগ কেল্লার আদি নাম -
  1. ক) পরীবিবির দুর্গ
  2. খ) আজম দুর্গ
  3. গ) আত্তরঙ্গবাদ দুর্গ
  4. ঘ) শায়েস্তা খান দুর্গ
সঠিক উত্তর:
গ) আত্তরঙ্গবাদ দুর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আত্তরঙ্গবাদ দুর্গ
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- উল্লেখ্য আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি, যিনি তাজমহল তৈরির জন্যে বিশ্ব মহলে ব্যাপক সমাদৃত।
- মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত।
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।
- এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।

 উৎস: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৭৮.
আদর্শ মাটিতে কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?
  1. ক) ৩%
  2. খ) ৪%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৫.৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫%
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার হচ্ছে মাটি। সাধারণত আদর্শ মাটিতে ৫% জৈব পদার্থ থাকে।
মাটির গঠন, বর্ণ, পানি ধারণক্ষমতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়;
যথা-
(ক) বালু মাটি,
(খ) পলি মাটি,
(গ) কাদামাটি এবং
(ঘ) দো-আঁশ মাটি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭৯.
কোন বাংলাদেশী সর্বপ্রথম এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন?
  1. ক) মুসা ইব্রাহিম
  2. খ) নিশাত মজুমদার
  3. গ) এম. এ. মুহিত
  4. ঘ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
সঠিক উত্তর:
ক) মুসা ইব্রাহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুসা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
মুসা ইব্রাহিম:
- মুসা ইব্রাহীম একজন বাংলাদেশী পর্বতারোহী।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তিনি ২৩ মে ২০১০ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ৫ মিনিটে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- এভারেস্ট জয়ী মুসা ইব্রাহিমের গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাটের দুর্গাপুর উপজেলা।
- মুসা ইব্রাহীম চায়না-তিব্বতের দিক দিয়ে এভারেস্ট জয় করেছিলেন।
- ২০১০ সালের ২৩ মে এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়ে বাংলাদেশকে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ হিসেবে পরিণত করে মুসা ইব্রাহীম।

উল্লেখ্য,
- তেনজিং নোরগে একজন নেপালী শেরপা পর্বতারোহী ছিলেন।
- তিনি এবং এডমন্ড হিলারি ১৯৫৩ সালের ২৯ শে মে যৌথভাবে বিশ্বে সর্বপ্রথম পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট পর্বত জয় করেন ।

উৎস: i) প্রথম আলো, ১০ মার্চ, ২০১৮।
         ii) মে ২৬, ২০১০, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৮০.
নিশাত মজুমদার কত তারিখে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন?
  1. ক) ১৮ মে ২০১২
  2. খ) ১৯ মে ২০১২
  3. গ) ২১ মে ২০১২
  4. ঘ) ২২ মে ২০১২
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯ মে ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯ মে ২০১২
ব্যাখ্যা
নিশাত মজুমদার:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার সকাল নয়টা ৩০ মিনিটে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেছেন।
- নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে-টুর চূড়ায় পা রাখলেন এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।

উৎস: BBC বাংলা, ১৯ মে ২০১২।