পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৭৯
সিলেবাস
Exam - 12 Full Model Test-2 Topic: • BAR Council Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৯ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আর্থিক এখতিয়ার কত টাকা পর্যন্ত?
  1. ১৫ লক্ষ টাকা
  2. ২০ লক্ষ টাকা
  3. ২৫ লক্ষ টাকা
  4. ৩০ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
উত্তর: ২৫ লক্ষ টাকা।

• দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণ:

দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করার জন্য আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং আঞ্চলিক এখতিয়ার—এই দুটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। নিচে এই বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো:

⇒ ১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction):
আর্থিক এখতিয়ার বলতে মামলার মূল্যমান অনুযায়ী কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে, তা নির্ধারণ করা হয়। The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে, বাংলাদেশের দেওয়ানি আদালতগুলোর আর্থিক এখতিয়ার নিম্নরূপ:
→ সহকারী জজ আদালত (The Court of Assistant Judge):
সর্বোচ্চ এখতিয়ার: ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
অর্থাৎ, মামলার মূল্যমান ১৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
→ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (The Court of Senior Assistant Judge):
সর্বোচ্চ এখতিয়ার: ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
অর্থাৎ, মামলার মূল্যমান ১৫ লক্ষ টাকার বেশি কিন্তু ২৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
→ যুগ্ম জেলা জজ আদালত (The Court of Joint District Judge):
সর্বোচ্চ এখতিয়ার: ২৫ লক্ষ টাকার উপরে।
অর্থাৎ, মামলার মূল্যমান ২৫ লক্ষ টাকার বেশি হলে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

⇒ ২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার (Territorial Jurisdiction):
আঞ্চলিক এখতিয়ার বলতে মামলার বিষয়বস্তু বা পক্ষগণের অবস্থান অনুযায়ী কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে, তা নির্ধারণ করা হয়। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৫ থেকে ২৩ পর্যন্ত আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ধারাগুলো হলো:
ধারা ১৫: সাধারণ নিয়ম হলো, মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে প্রতিবাদী (Defendant) বসবাস করে বা ব্যবসা পরিচালনা করে।
ধারা ১৬: স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মামলা সম্পত্তি যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে দায়ের করতে হবে।
ধারা ১৭: যদি স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত হয়, তাহলে সম্পত্তির অংশ বিশেষ যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।
ধারা ১৮: যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয়, তাহলে যেকোনো একটি আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।
ধারা ২০: চুক্তি ভঙ্গের মামলায় চুক্তি সম্পাদনের স্থান বা চুক্তি ভঙ্গের স্থানে মামলা দায়ের করা যাবে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে কী কী বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়?
  1. দেওয়ানি মামলার পদ্ধতিগত নিয়ম
  2. রায় এবং ডিক্রি কীভাবে কার্যকর করা হয়
  3. আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।
→ The Code of Civil Procedure, 1908 (ACT NO. V OF 1908)
→ ১৮৫৯ সালে প্রথমবারের মতো সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ (codified) করা হয়।
→ বর্তমান দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ২১ মার্চ পাস হয় এবং ১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
→ দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code) একটি পদ্ধতিগত আইন, যা দেওয়ানি মামলার বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
→ এই আইনে দেওয়ানি আদালত ও মামলার পক্ষগণের জন্য প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান উল্লেখ করা হয়েছে, যা মামলার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা প্রদান করে।

এর মাধ্যমে জানা যায়:
- কীভাবে মামলা দায়ের করতে হয়।
- মামলার আবেদন বা জবাব কীভাবে দিতে হয়।
- কীভাবে সমন (জবানবন্দি বা উপস্থিতির আদেশ) জারি করতে হয়।
- কীভাবে আদালতে শুনানি হয়।
- রায় এবং ডিক্রি (আদালতের আদেশ) কীভাবে ঘোষণা এবং কার্যকর করা হয়।
- আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ করার নিয়ম।
- অর্থাৎ দেওয়ানি মামলার প্রতিটি ধাপে আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধান অনুযায়ী, যদি বাদীদের সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচার বিলম্বিত করে, আদালত বাদীগণকে পৃথক বিচারের জন্য নির্দেশ দিবেন?
  1. আদেশ-১, বিধি-১
  2. আদেশ-১, বিধি-২
  3. আদেশ-১, বিধি-৩
  4. আদেশ-১, বিধি-৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১, বিধি-২
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী সংযুক্তি মোকদ্দমায় বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি যদি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ অনুযায়ী কোনো কোনো ক্ষেত্রে আদালত পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ দিতে পারেন।
- সেই বিষয়ে ১নং আদেশের বিধি ২ তে বলা আছে- ভিন্ন উপায়ে বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা। যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, বাদীদের কোন প্রকার সংযুক্তি মোকদ্দমার বিচারকে ভারগ্রস্ত বা বিলম্বিত করতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদিদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিতে পারে অথবা পৃথক বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অন্য কোন আদেশ দিতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১ বিধি-২ আলাদা বিচার অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা: যে ক্ষেত্রে আদালতের নিকট ইহা প্রতীয়মান হয় যে বাদীদের একত্রীকরণ মামলার বিচার অনুষ্ঠানে অসুবিধায় ফেলতে বা বিলম্ব ঘটাতে পারে, সেক্ষেত্রে আদালত বাদীগণকে তাদের স্বাধীন ইচ্ছায় রাখতে পারেন বা আলাদা বিচারানুষ্ঠানের আদেশ, প্রদান করতে পারেন অথবা এরূপ আদেশ যা সুবিধাজনক মনে হয়, প্রদান করতে পারেন।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-1, Rule-2: Power of Court to order separate trials-
Where it appears to the Court that any joinder of plaintiffs may embarrass or delay the trial of the suit, the Court may put the plaintiffs to their election or order separate trials or make such other order as may be expedient.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫নং আদেশের কোন বিধি অনুযায়ী একাধিক বিবাদীর উপর সমন জারি করা হয়?
  1. বিধি-১০
  2. বিধি-১১
  3. বিধি-১৩
  4. বিধি-১৫
সঠিক উত্তর:
বিধি-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-১১
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ তে বিবাদী একাধিক হলে সমন প্রত্যেক বিবাদির উপর জারি করার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
- মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর, নির্ধারিত তারিখে হাজির হতে এবং দাবির সমর্থনে জবাব দিতে, মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ (৫) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির কাছে সমন প্রেরণ করবেন। যদি মোকদ্দমায় একাধিক বিবাদী থাকে, তবে আদেশ ৫ এর বিধি ১১ অনুযায়ী সমন জারি করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ এর বিধান:
অনুরূপ নির্দেশ যদি না থাকে তবে ক্ষেত্রে বিবাদির সংখ্যা বহুসংখ্যক হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদিগণের প্রত্যেকের উপর সমন জারি করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-11: Service on several defendants:
- Save as otherwise prescribed, where there are more defendants than one, service of the summons shall be made on each defendant.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুযায়ী, ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করা হয় কখন?
  1. রায় ঘোষণার পরে
  2. রায় ঘোষণার পূর্বে
  3. মামলা নিষ্পত্তির পরে
  4. মামলা দায়েরের সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
ব্যাখ্যা
উত্তর: রায় ঘোষণার পূর্বে।
আদালত রায় ঘোষণার আগে দুইটি কারণে ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন:
১) যদি বিবাদী জামানত ও অন্যান্য খরচ আদালতে জমা দেয়।
২) যদি মোকদ্দমা খারিজ হয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
.
যদি জমি বিক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের মামলায় জমি ময়মনসিংহ এবং কক্সবাজারে অবস্থিত হয়, তাহলে মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. শুধুমাত্র কক্সবাজারে
  2. শুধুমাত্র ময়মনসিংহে
  3. বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে
  4. ময়মনসিংহ বা কক্সবাজারে যেকোনো এক স্থানে
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ বা কক্সবাজারে যেকোনো এক স্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ বা কক্সবাজারে যেকোনো এক স্থানে
ব্যাখ্যা
⇒ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ঐ সম্পত্তির অংশ বিশেষ যে আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত, সেরূপ যে কোন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাতে পারে। তাই উল্লিখিত মোকদ্দমা ময়মনসিংহ বা কক্সবাজারে যেকোনো এক স্থানে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করতে পারে।


দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এবং ধারা ১৮ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমার এখতিয়ার নির্ধারণের জন্য প্রযোজ্য। 
ধারা ১৭: বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা:
এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো স্থাবর সম্পত্তি (যেমন জমি, বাড়ি ইত্যাদি) বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত হয়, তাহলে মোকদ্দমা সম্পত্তির অংশ বিশেষ যেখানে অবস্থিত, সেই আদালতে দায়ের করা যাবে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি জমি কুমিল্লা এবং ঢাকায় অবস্থিত হয়, তাহলে মোকদ্দমা কুমিল্লা বা ঢাকার যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যাবে।
তবে শর্ত হলো, আদালতকে সম্পূর্ণ দাবির মূল্য বিবেচনা করে মোকদ্দমা গ্রহণ করতে হবে।

ধারা ১৮: আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে প্রযোজ্য
এই ধারা প্রযোজ্য হয় যখন আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার (Territorial Jurisdiction) অনিশ্চিত হয়।
অর্থাৎ, যদি স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অবস্থিত হয় এবং কোন আদালতের এখতিয়ার প্রযোজ্য হবে তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়, তাহলে ধারা ১৮ প্রযোজ্য হবে।
এই ক্ষেত্রে, মোকদ্দমা যেকোনো একটি আদালতে দায়ের করা যাবে, এবং পরে আদালত এখতিয়ার নির্ধারণ করবে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা উল্লেখ্য আছে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-১৪
  2. আদেশ-৬ বিধি-১৫
  3. আদেশ-৬ বিধি-১৮
  4. আদেশ-৬ বিধি-১৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৬ বিধি-১৮
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬, বিধি-১৮ অনুযায়ী, আদালত যদি কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ না করেন, তবে সংশোধনী আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। তবে, আদালত চাইলে সময় বর্ধিত করতে পারেন। আদালত সময় না বাড়ালে নির্ধারিত সময়ের পর আর সংশোধন করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
--------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫নং আদেশের ১৫নং বিধি অনুযায়ী, যদি বিবাদীকে পাওয়া না যায় এবং তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো প্রতিনিধি না থাকে, তাহলে সমন জারি করা যাবে কোন ব্যক্তির উপর?
  1. বিবাদীর পরিবারের যে কোনো নাবালক সদস্যের উপর
  2. বিবাদীর পরিবারের যে কোনো পুরুষ সদস্যের উপর
  3. বিবাদীর পরিবারের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর
  4. বিবাদীর যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিবেশীর উপর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর পরিবারের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর পরিবারের যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের উপর
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫নং আদেশের ১৫নং বিধিমতে বিবাদীকে যদি পাওয়া না যায় এবং বিবাদীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন প্রতিনিধি না থাকে, তখন বিবাদীর পরিবারের যে কোন প্রাপ্তবয়স্ক লোক (নারী বা পুরুষ) এর উপর সমন জারি করা যাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের ১ থেকে ৩০ বিধিতে সমন জারির বিভিন্ন পদ্ধতির বর্ণনা করা হয়েছে।
বিবাদীর উপর সমন জারি করার ৩টি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে:
১) ব্যক্তিগতভাবে সমন জারি করা
২) বিবাদী অনুপস্থিত থাকলে বিকল্পভাবে বা ঝুলিয়ে সমন জারি করা
৩) ডাকযোগে বা কুরিয়ারের মাধ্যমে সমন জারি করা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৫, বিধি-১৫: যখন কোন মোকদ্দমায় যদি সমন জারির সময় বিবাদী তার বসবাসের স্থানে অনুপস্থিত থাকে, এবং সমন গ্রহণের ক্ষমতা প্রাপ্ত তার কোনো প্রতিনিধি না থাকে, তাহলে বিবাদীর সাথে বসবাস করে, তার পরিবারের এইরুপ যে কোন প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের উপর সমন জারি করা যাবে। দেওয়ানী কার্যবিধির ২০১২ সালের সংশোধনী দ্বারা প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ সদস্য এর পরিবর্তে প্রাপ্ত বয়স্ক শব্দ প্রতিস্থাপন করা হয়। অর্থাৎ এখন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী বা পুরুষ উভয়ের নিকট দেয়া যাবে।
------------
→ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 5 Rule 15: Where service may be on adult member of defendant's family-
Where in any suit the defendant cannot be found and has no agent empowered to accept service of the summons on his behalf, service may be made on any adult member of the family of the defendant who is residing with him.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমার কোন পক্ষ স্বীকারোক্তি (Admission) দিতে পারে?
  1. শুধু বাদী পক্ষ
  2. শুধু বিবাদী পক্ষ
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ
  4. মোকদ্দমার বাদী পক্ষের সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ
ব্যাখ্যা
উত্তর: মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ। 

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি (Admission) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি অপর পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে স্বীকার করেন, তবে এটি আদালতকে ৩ ভাবে জানানো যেতে পারে।
এই তিনটি উপায় হলো:
১) আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে লিখিত স্বীকৃতি প্রদান করা।
২) সম্মতি দ্বারা স্বীকৃতির মাধ্যমে।
৩) নোটিশ দ্বারা স্বীকৃতি প্রদান করা।
 
⇒ আদেশ ১২, বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ:
মোকদ্দমার যেকোনো পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে অথবা অন্য লিখিত উপায়ে অপর পক্ষের দাবির সামগ্রিক বা আংশিক সত্যতা স্বীকার করে নোটিশ প্রদান করতে পারেন।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party.
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর মূল বিষয় কী?
  1. মামলা স্থগিত করা
  2. রায় কার্যকর করা
  3. আদালতে জমা প্রদান
  4. মামলা প্রত্যাহার করা
সঠিক উত্তর:
আদালতে জমা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে জমা প্রদান
ব্যাখ্যা

উত্তর: আদালতে জমা প্রদান।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ এর বিধান হলো আদালতে জমা প্রদান। এই আদেশের মোট ৪টি বিধি রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-১ এর বিধান দাবী মিটানোর জন্য বিবাদি কর্তৃক টাকা আদালতের জমা দেয়া। ঋণ বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদি মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তার বিবেচনা মত দাবীর সম্পূর্ণ মিটানোর অনুরূপ পরিমাণ অর্থ আদালত জমা প্রদান করতে পারে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-২ এর বিধান জমা প্রদানের নোটিশ। আদালতে টাকা জমা দেয়ার বিষয়ে বিবাদি কর্তৃক বাদি বরাবর আদালতের মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করতে হবে এবং বাদির আবেদনক্রমে উক্ত জমা দেয়া টাকা (আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে) বাদিকে পরিশোধ করা হবে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি-৩ এর বিধান নোটিশের পর বাদিকে জমার উপর সুদ নামঞ্জুর। বিবাদির জমা দেয়া টাকা দ্বারা দাবীর পূরণ হোক কিংবা কম হোক, অনুরূপ নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে বাদিকে উক্ত জমাকৃত টাকার উপর কোন সুদ মঞ্জুর করা যাবে না।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২৪ বিধি ৪ এর বিধান আংশিক পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি এবং সম্পূর্ণ পরিতুষ্টি হিসাবে বাদি জমা টাকা গ্রহণ করলে পদ্ধতি।
-----------
ORDER XXIV: PAYMENT INTO COURT 
Rule-1: Deposit by defendant of amount in satisfaction of claim
The defendant in any suit to recover a debt or damages may, at any stage of the suit, deposit in Court such sum of money as he considers a satisfaction in full of the claim.
Rule-2: Notice of deposit
Notice of the deposit shall be given through the Court by the defendant to the plaintiff, and the amount of the deposit shall (unless the Court otherwise directs) be paid to the plaintiff on his application.
Rule-3: Interest on deposit not allowed to plaintiff after notice
No interest shall be allowed to the plaintiff on any sum deposited by the defendant from the date of the receipt of such notice, whether the sum deposited is in full of the claim or falls short thereof.

১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ২২ অনুযায়ী নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক?
  1. ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের ৬ মাস পর
  2. ডিক্রি জারির আবেদন দাখিলের ১ বছর পর
  3. ডিক্রির তারিখ থেকে ১ বছর পর ডিক্রি জারি করা হলে
  4. ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছরের বেশি সময় পর ডিক্রি জারি করা হলে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-২২ এর বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো (Notice to show cause against execution in certain cases): নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির আবেদন করা হলে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে উক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন-
i) ডিক্রির তারিখ হতে ২ বছরের অধিক সময় পর ডিক্রি জারি করলে; বা
ii) পক্ষের বৈধ প্রতিনিধিগণের বিপক্ষে ডিক্রি জারি করলে।
তবে নোটিশ দিতে গিয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব বা ন্যায় বিচার বিঘ্নিত হলে নোটিশ না দিলেও হবে।

⇒ আদেশ-২১, বিধি-২২: ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে নোটিশ প্রদানের বিধান- সাধারণত নোটিশ ব্যতীত ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়, তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হবে। যথা- দেওয়ানি কার্যবিধির ৫০(১) ধারা অনুযায়ী, দেনাদারের (Judgement debtor) মৃত্যু হলে তার বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ডিক্রি জারি করা যাবে। এক্ষেত্রে বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি জারির আবেদন হলে নোটিশ দিতে হয়। অর্থাৎ দেনাদারের বৈধ প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জারির আবেদন করতে হলে নোটিশ দিতে হয়। ডিক্রির তারিখ থেকে ২ বছর পর ডিক্রি জারির দরখাস্ত করা হলে দেনাদারকে (Judgement debtor) নোটিশ দিতে হয়।
-------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-22: Notice to show cause against execution in certain cases:
(1) Where an application for execution is made−
(a) more than two years after the date of the decree, or
(b) against the legal representative of a party to the decree,
or where an application is made for execution of a decree filed under the provisions of section 44A, the Court executing the decree shall issue a notice to the person against whom execution is applied for requiring him to show cause, on a date to be fixed, why the decree should not be executed against him:
Provided that no such notice shall be necessary in consequence of more than two years having elapsed between the date of the decree and the application for execution if the application is made within two years] from the date of the last order against the party against whom execution is applied for, made on any previous application for execution, or in consequence of the application being made against the legal representative of the judgment-debtor, if upon a previous application for execution against the same person the Court has ordered execution to issue against him.
(2) Nothing in the foregoing sub-rule shall be deemed to preclude the Court from issuing any process in execution of a decree without issuing the notice thereby prescribed, if, for reasons to be recorded, it considers that the issue of such notice would cause unreasonable delay or would defeat the ends of justice.
(3) No order of execution of the decree shall be invalid by reason of the omission to issue a notice under sub-rule (1) or to record reasons in a case where notice is dispensed with under sub-rule (2) unless the judgment-debtor has sustained substantial injury by reason of such omission.
১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১ এর তালিকায় কতটি আপিলযোগ্য আদেশ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫ টি
  2. ২৫ টি
  3. ৫১ টি
  4. ৪৩ টি
সঠিক উত্তর:
২৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ বিধি ১-এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ উল্লেখ আছে।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।
⇒ আদেশ ৪৩ এবং দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ উভয়ই আপীলযোগ্য আদেশগুলোর বর্ণনা দিয়েছে।

⇒ আদেশ ৪৩: আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মামলা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।
⇒ ধারা ১০৪: অন্যদিকে দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারা বলছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ একে অপরকে পরিপূরক করে। আদেশ ৪৩ তে ২৫টি আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা রয়েছে, যেমন অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মামলা বাতিল, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি। অন্যদিকে, ধারা ১০৪ আপিলযোগ্য আদেশের সামগ্রিক বর্ণনা দেয় এবং বলে যে, যদি কোনো আদেশ চূড়ান্ত না হলেও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিষ্পত্তি করে, তাহলে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যেতে পারে। অর্থাৎ, আদেশ ৪৩ নির্দিষ্ট আদেশগুলোর তালিকা দেয়, আর ধারা ১০৪ আপিলযোগ্য আদেশের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করে।
১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-৪ অনুযায়ী, রিভিউ আবেদন কখন প্রত্যাখ্যান করা হয়?
  1. আবেদন দেরিতে জমা দিলে
  2. আবেদনকারী উপস্থিত না হলে
  3. বিপক্ষ পক্ষের আপত্তি থাকলে
  4. আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
সঠিক উত্তর:
আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আদালতের মতে যথেষ্ট কারণ না থাকলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৪৭ বিধি-৪: রিভিউ আবেদন প্রত্যাখ্যান ও মঞ্জুরের শর্তাবলী:
(১) আদালতের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, রিভিউ আবেদনের জন্য যথেষ্ট কারণ নেই, তাহলে আদালত আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করবে।

(২) আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা উচিত, তাহলে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করবে: তবে শর্ত থাকে যে−
(ক) বিপক্ষ পক্ষকে পূর্ব নোটিশ না দিয়ে এবং তাকে ডিক্রি বা আদেশের পক্ষে শুনানির সুযোগ না দিয়ে কোনো রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না; এবং
(খ) নতুন তথ্য বা প্রমাণের ভিত্তিতে কোনো রিভিউ আবেদন মঞ্জুর করা যাবে না, যদি আবেদনকারী এই মর্মে কঠোর প্রমাণ না দেয় যে, উক্ত তথ্য বা প্রমাণ তার জানা ছিল না বা ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় তা উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল না।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-47 Rule-4. Application where rejected:
(1) Where it appears to the Court that there is not sufficient ground for a review, it shall reject the application.
Application where granted:
(2) Where the Court is of opinion that the application for review should be granted, it shall grant the same: Provided that−
(a) no such application shall be granted without previous notice to the opposite party, to enable him to appear and be heard in support of the decree or order, a review of which is applied for: and
(b) no such application shall be granted on the ground of discovery of new matter or evidence which the applicant alleges was not within his knowledge, or could not be adduced by him when the decree or order was passed or made, without strict proof of such allegation.
১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী, একতরফা ডিক্রি রদের আবেদনের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদান করতে হবে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ৯, বিধি ১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল (Directly setting-aside exparte decree)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল:
(১) বিধি-১৩ বা অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত বিলম্ব এড়ানোর এবং নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে বিবাদীকে বিধি-১৩ অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের প্রয়োজন ছাড়াই সরাসরি ডিক্রি রদ করতে পারবে, তবে আদালত বিবাদীকে অনধিক তিন হাজার টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে:
শর্ত থাকে যে, আদালত এই বিধির অধীনে ডিক্রি রদ করবে না, যদি না বিবাদী, যিনি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করেছেন, ডিক্রি জারির তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে ডিক্রি রদের জন্য একটি আবেদনপত্র, অফিডেভিট সহ, আদালতে জমা দেন।
আরও শর্ত থাকে যে, একই বিবাদীর পক্ষ থেকে এই বিধির অধীনে একাধিকবার ডিক্রি রদ করা যাবে না।
(২) উপ-বিধি (১) অনুযায়ী একতরফা ডিক্রি রদের আদেশ জারি হওয়ার সাথে সাথে আদালত বাদীকে এ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করবে, এবং এর খরচ বিবাদী বহন করবে।
------------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 9 Rule 13A: Directly setting aside ex parte decree-
(1) Notwithstanding anything contained in rule 13 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the decree without requiring the defendant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 13 but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand take as it may deem appropriate and determine:
that the decree under this rule shall not be set aside unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the decree is made the Court within thirty days of the date on which the decree is passed by the defendant who appeared and filed written statement:
Provided further that no decree shall be set aside more than once under this rule at the instance of the same defendant.
2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside an ex parte decree, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the defendant upon the plaintiff.
১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) কোন শ্রেণির আইনের অন্তর্ভুক্ত?
  1. Penal Law
  2. Adjective Law
  3. Procedural Law
  4. Substantive Law
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা

→ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) তত্ত্বগত বা মৌলিক আইনের (Substantive Law) অন্তর্ভুক্ত।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act, 1877) হলো Substantive Law, কারণ এটি অধিকার সংজ্ঞায়িত করে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত কী প্রতিকার প্রদান করতে পারে তা নির্ধারণ করে। Substantive Law: যে আইন কোনো অধিকার সৃষ্টি, সংজ্ঞায়িত বা অর্পণ করে এবং কোনো অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করে, তাকে Substantive Law (তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন) বলে।

কেন "Specific Relief Act" Substantive Law?
- এটি অধিকার সুরক্ষার জন্য আদালত কর্তৃক দেওয়া প্রতিকার (Relief) নির্ধারণ করে।
- এটি কোনো মামলা পরিচালনার পদ্ধতি নির্ধারণ করে না (যা Procedural Law করে)।
- এটি কোনো অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করে না (যা Penal Law করে)।
Procedural Law বা Adjective Law মূলত মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে, কিন্তু Specific Relief Act সরাসরি অধিকার সংজ্ঞায়িত করে, যা Substantive Law-এর বৈশিষ্ট্য।
- যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনি প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে।
- যেমন ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।
- Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় ঘোষণার ফলাফল (Effect of Declaration) সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ৪০ ধারায়
  2. ৪১ ধারায়
  3. ৪২ ধারায়
  4. ৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।
এই ধারায় বলা হয়েছে, আদালতের ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) কেবল মামলার পক্ষদের জন্যই বাধ্যতামূলক হবে। অর্থাৎ, যেসব ব্যক্তি মামলা করেছে বা যাদের মাধ্যমে মামলা হয়েছে, শুধুমাত্র তাদের জন্যই এই ঘোষণা কার্যকর হবে।
তবে, যদি কোনো পক্ষ জিম্মাদার (Trustee) হয়, তাহলে তার জন্য ঘোষণাটি কার্যকর হবে তাদের ক্ষেত্রেও, যাদের জন্য সে জিম্মাদার হিসেবে কাজ করছে।
- ঘোষণামূলক ডিক্রি তৃতীয় কোনো পক্ষের ওপর বাধ্যতামূলক নয়, এটি কেবল মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 43:- Effect of declaration:
- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.
১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ক্ষেত্রে কোন আইনের বিধান অনুসরণ করতে হবে?
  1. The Penal Code, 1860
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Transfer of Property Act, 1882
  4. The Code of Criminal Procedure, 1898
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, শুধু মালিকই নয়, যে কেউ যার স্থাবর সম্পত্তিতে স্বত্ব ও দখলের অধিকার রয়েছে, সে আদালতে মামলা করতে পারে। অর্থাৎ, যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে যে তার সম্পত্তিতে স্বত্ব রয়েছে—তা চুক্তি, উত্তরাধিকার বা দখল সূত্রে হোক—তাহলে সে এই ধারায় মামলা করতে পারবে।
এই ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। তবে, দখল উদ্ধারের নিয়ম-কানুন The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ২১-এ উল্লেখ করা আছে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section 8- Recovery of specific immoveable property:
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে প্রতিকার পাওয়া যাবে না?
  1. যখন চুক্তিটি মৌখিক
  2. যখন চুক্তিটি বৈধ নয়
  3. যখন চুক্তিটি নিবন্ধিত নয়
  4. যখন চুক্তিটি দুই পক্ষের সম্মতিতে হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যখন চুক্তিটি বৈধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন চুক্তিটি বৈধ নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: যখন চুক্তিটি বৈধ নয়।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে, যদি কোনো চুক্তি বৈধ না হয়, তবে এ আইনের অধীনে তার জন্য কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ, কোনো অবৈধ বা আইনত অকার্যকর চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করা যাবে না।
তবে, বৈধ চুক্তির ক্ষেত্রে এ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের দাবির পাশাপাশি অন্যান্য আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ন থাকে।

অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ: 
(ক) যখন চুক্তিটি মৌখিক:
→ মৌখিক চুক্তিও আইনত কার্যকর হতে পারে যদি সেটি প্রমাণ করা যায়। তাই শুধুমাত্র মৌখিক হওয়ার কারণে প্রতিকার অযোগ্য হবে না।
(গ) যখন চুক্তিটি নিবন্ধিত নয়:
→ কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, তবে সকল চুক্তির ক্ষেত্রে নয়। যদি চুক্তির নিবন্ধন আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হয় এবং তা নিবন্ধিত না হয়, তবে প্রতিকার পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে নিবন্ধন-অপ্রয়োজনীয় চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করা যেতে পারে।
(ঘ) যখন চুক্তিটি দুই পক্ষের সম্মতিতে হয়েছে:
→ দুই পক্ষের সম্মতিতে সম্পাদিত চুক্তি আইনত কার্যকর হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়ার জন্য চুক্তিটির বৈধ হওয়া আবশ্যক। অবৈধ চুক্তি বা আইনবহির্ভূত কোনো সমঝোতা থাকলে এ আইনের অধীনে কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৪ ধারা এই আইনের প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করছে। এর প্রধান বিষয়গুলি হল:
(a) এই আইন যে সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে, চুক্তি ব্যতীত অন্য কোনো সমঝোতা/আইনিদৃষ্টিতে বাধ্যবাধকতা না থাকলে তার বিষয়ে কোনো প্রতিকারের অধিকার প্রদান করবে না।
(b) এই আইন কাউকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যতীত অন্য কোনো চুক্তিজনিত প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না।
(c) এই আইন 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন এবং নথিপত্রের উপর তার প্রভাব রাখবে না।

সংক্ষেপে,এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো যে, যদি কোনো চুক্তি বৈধ না হয়, তাহলে এ আইনে তার জন্য কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
-তবে, বৈধ চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ছাড়াও অন্যান্য প্রতিকার পাওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর বিধানাবলি এ আইনের মাধ্যমে প্রভাবিত হবে না।
-----------
⇒ Section 4- Savings: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.

১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা কী সম্পর্কিত?
  1. চুক্তি বাস্তবায়ন
  2. চুক্তির ব্যাখ্যা
  3. ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল
  4. সুনির্দিষ্ট ক্ষতিপূরণ আদায়
সঠিক উত্তর:
ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল। 

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা চুক্তি বাতিলের (Rescission) নিয়ম নিয়ে আলোচনা করে, বিশেষ করে যখন ভুলের (Mistake) কারণে চুক্তি রদ করার দাবি আসে।
এই ধারা অনুযায়ী, কেবলমাত্র ভুলের কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যদি না চুক্তি বাতিলের ফলে যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া হচ্ছে, তাকে এমন অবস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া যায়, যেন চুক্তিই করা হয়নি।
অর্থাৎ, যদি চুক্তি বাতিল করার ফলে বিপরীত পক্ষ অন্যায্য ক্ষতির শিকার হয়, তবে শুধুমাত্র ভুলের ভিত্তিতে চুক্তি বাতিল করা যাবে না।
- ৩৬ ধারা ভুলের কারণে চুক্তি বাতিল সম্পর্কিত বিধান নির্ধারণ করে, যেখানে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রত্যেক পক্ষের অবস্থান বিবেচনা করতে হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
----------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে কত ভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)
- অর্থাৎ নিষেধাত্মক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকারে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫(ঘ) ধারার বিধান অনুযায়ী আদলত ক্ষতিপূরণ ব্যতীত অন্য কোনভাবে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ এবং ঘোষণার মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দিতে পারে।
-অর্থাৎ ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেনা। সুতরাং আর্থিক ক্ষতিপূরণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারায় প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বা Preventive Relief এর সংজ্ঞা রয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের অধীন যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় তাকে নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার বলে।
-অর্থাৎ যা না করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ প্রদানই হলো প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।
⇒ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার প্রদান করা হলেও সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার নয়। যেমন- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হলেও বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) হল আদেশাত্মক প্রতিকার।
- অর্থাৎ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ছাড়া সকল ধরনের নিষেধাজ্ঞা হলো নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩০ অনুযায়ী 'Mutatis mutandis' শব্দটির অর্থ কী?
  1. সম্পূর্ণ পরিবর্তন
  2. কোনো পরিবর্তন ছাড়া
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
  4. শুধুমাত্র আইনি পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
ব্যাখ্যা
উত্তর: প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ।

→ 'Mutatis Mutandis' একটি ল্যাটিন শব্দ, যার মানে হলো "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ"। এটি তখন ব্যবহার করা হয়, যখন কোনো আইন বা বিধি অন্য একটি পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য হয়, তবে কিছু পরিবর্তন বা সমন্বয় করার প্রয়োজন হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩০ ধারার বিধান:
এই অধ্যায়ের চুক্তি সম্পর্কিত বিধানগুলি, প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ, পুরস্কার এবং উইল বা কোডিসিলে একটি বিশেষ সেটেলমেন্ট নিষ্পন্ন করার নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
অর্থাৎ, চুক্তির যে সকল বিধি-নিয়ম, দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলিকে প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করে পুরস্কার এবং উইল/কোডিসিলের নির্দেশনাসমূহের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হবে।
-------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 30: Application of preceding sections to awards and testamentary directions to execute settlements:
-The provisions of this Chapter as to contracts shall, mutatis mutandis, apply to awards and to directions in a will or codicil to execute a particular settlement.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার আওতায় যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর প্রমাণিত হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. আসামির জামিন বাতিল করতে পারে
  2. আসামির শাস্তি ঘোষণা করতে পারে
  3. অভিযোগকারীকে কারাগারে পাঠাতে পারে
  4. অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
ব্যাখ্যা
উত্তর: অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর অভিযোগ - 
(১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অথবা পুলিশ কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হয় এবং ওই মামলা একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বিচারাধীন থাকে, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মামলাটি শুনে আসামিদের মধ্যে এক বা একাধিককে খালাস বা মুক্তি দেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তার খালাস বা মুক্তির আদেশে, যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা আদালতে উপস্থিত থাকে, তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি এমন অভিযোগে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না। এবং যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা উপস্থিত না থাকে, তবে তাকে হাজির হতে এবং কারণ দর্শানোর summon জারি করার নির্দেশ দিতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা তথ্যদাতার প্রদত্ত কারণ রেকর্ড করে এবং যদি তিনি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে তিনি রেকর্ডকৃত কারণের ভিত্তিতে এমন ক্ষতিপূরণ আদায় করার নির্দেশ দিতে পারেন, যার পরিমাণ ১,০০০ টাকা (যদি ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় শ্রেণির বা তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে ৫০০ টাকা) পর্যন্ত হতে পারে এবং সেই ক্ষতিপূরণ আসামি বা তাদের মধ্যে এক বা একাধিককে প্রদান করতে হতে পারে।
(২ক) ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়ার পর, যদি অভিযোগকারী ক্ষতিপূরণ প্রদান না করেন, তবে তিনি আরও আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি এক মাসের বেশি না হওয়া পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাবাস ভোগ করবেন।
(২খ) যখন কোনো ব্যক্তি ২(এ) উপধারার অধীনে কারাবাসে যাবেন, তখন দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা অনুযায়ী সেই ব্যক্তির ওপর প্রযোজ্য শর্তাবলী অনুসৃত হবে।
(২গ) যিনি এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য নির্দেশিত হয়েছেন, তিনি এই আদেশের কারণে তার করা অভিযোগ বা প্রদত্ত তথ্যের জন্য কোনো সিভিল বা ফৌজদারি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাবেন না। তবে, যদি এই পরিমাণ কোনো আসামিকে প্রদান করা হয়, তা পরবর্তী সিভিল মামলায় ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে গণনা করা হবে।
(৩) যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা ২(২) উপধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশিত হয়েছেন, এবং যদি ক্ষতিপূরণ ১০০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন, যেমন যদি তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
(৪) যদি এমন কোনো আদেশ থাকে যা আপিলযোগ্য, তবে ক্ষতিপূরণ তখন প্রদান করা হবে না, যতক্ষণ না আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা যদি আপিল হয়, ততক্ষণ না আপিল নিষ্পত্তি হয়। এবং যদি আপিলযোগ্য না হয়, তবে ওই আদেশের এক মাস পরে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।
(৫) এই ধারায় যা কিছু উল্লেখ করা হয়েছে, তা সত্ত্বেও ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ আদায়ের আদেশের সাথে অতিরিক্তভাবে নির্দেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ ব্যক্তি ছয় মাসের কারাবাসে দণ্ডিত হবেন অথবা তিন হাজার টাকা জরিমানা করবেন।
-------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(1) If in any case instituted upon complaint or upon information given to a police-officer or to a Magistrate, one or more persons is or are accused before a Magistrate or any offence triable by a Magistrate, and the Magistrate by whom the case is heard discharges or acquits all or any of the accused, and is or opinion that the accusation against them or any of them was false and either frivolous or vexatious, the Magistrate may, by his order of discharge or acquittal, if the person upon whose complaint or information the accusation was made is present, call upon him forthwith to show cause why he should not pay compensation to such accused or to each or any of such accused when there are more than one, or, if such person is not present direct the issue of a summons to him to appear and show cause as aforesaid. 
(2) The Magistrate shall record and consider any cause which such complainant or information may show and if he is satisfied that the accusation was false and either frivolous or vexatious may, for reasons to be recorded, direct that compensation to such amount not exceeding one thousand Taka or, if the Magistrate is a Magistrate of the third Class, not exceeding five hundred Taka, as he may determine be paid by such complainant or informant to the accused or to each or any of them. 
(2A) The Magistrate may, by the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that, in default of payment, the person ordered to pay such compensation shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days. 
(2B) When any person is imprisoned under sub-section (2A), the provisions of sections 68 and 69 of the Penal Code shall, so far as may be, apply. 
(2C) No person who has been directed to pay compensation under this section shall, by reason of such order, be exempted from any civil or criminal liability in respect of the complaint made or information given by him: 
Provided that any amount paid to an accused person under this section shall be taken into account in awarding compensation to such person in any subsequent civil suit relating to the same matter. 
(3) A complainant or informant who has been ordered under sub-section (2) by a Magistrate of the second or third class to pay compensation or has been so ordered by any other Magistrate to pay compensation exceeding one hundred taka may appeal from the order, in so far as the order relates to the payment of the compensation, as if such complainant or informant had been convicted on a trial held by such Magistrate. 
(4) When an order for payment of compensation to an accused person is made in a case which is subject to appeal under sub-section (3), the compensation shall not be paid to him before the period allowed for the presentation of the appeal has elapsed, or, if any appeal is presented, before the appeal has been decided and, where such order is made in a case which is not so subject to appeal, the compensation shall not be paid before the expiration of one month from the date of the order. 
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.]
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারার অধীনে যুগ্ম দায়রা জজ কোন ধরনের দণ্ড প্রদান করতে পারেন না?
  1. অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কম কারাদণ্ড
  4. কোনো দণ্ডই দিতে পারেন না
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যে-সব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোনো দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

- অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী যুগ্ম দায়রা জজ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবে না।

---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
২৪.
একজন বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যখন কোনো মামলার সিদ্ধান্তে পার্সোনাল ইন্টারেস্ট (ব্যক্তিগত আগ্রহ) যুক্ত থাকে, তখন তাকে কী করতে হবে?
  1. মামলাটি বাতিল করতে হবে
  2. মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে
  3. মামলার বিচার করতে উভয় পক্ষের অনুমতি নিতে হবে
  4. অন্য কোনো বিচারকের কাছে মামলাটি হস্তান্তর করতে হবে
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনো বিচারকের কাছে মামলাটি হস্তান্তর করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনো বিচারকের কাছে মামলাটি হস্তান্তর করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে একজন বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যখন কোনো মামলার সিদ্ধান্তে পার্সোনাল ইন্টারেস্ট (ব্যক্তিগত আগ্রহ) যুক্ত থাকে, তখন তাকে অন্য কোনো বিচারকের কাছে মামলাটি হস্তান্তর করতে হবে।
• 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি হচ্ছে- 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa, যার অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না।
৫৫৬ ধারা অনুসারে, যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, ঊর্ধ্বতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৫৬: বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত থাকার ক্ষেত্রে বিধান:
কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, যার আদালত থেকে আপিল করা যায় এমন আদালতের অনুমতি ছাড়া, এমন কোনো মামলার বিচার বা শুনানি পরিচালনা করতে পারবেন না যেখানে তিনি নিজে পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত রয়েছেন। এছাড়া কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে প্রদত্ত কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনবেন না।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে, কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত কারণে পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত বলে গণ্য করা হবে না:
১. তিনি একজন পৌর কমিশনার বা অন্য কোনো সরকারি পদে রয়েছেন এবং সেই সূত্রে মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।
২. তিনি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার স্থান বা মামলার সাথে সম্পর্কিত অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেছেন এবং মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট তদন্ত করেছেন।

উদাহরণ: A একজন কালেক্টর হিসেবে B-কে এক্সাইজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করার নির্দেশ দেন। এই মামলায় A ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বিচার পরিচালনা করতে অযোগ্য হবেন, কারণ তিনি ব্যক্তিগতভাবে মামলার সাথে জড়িত।

- অর্থাৎ কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত থাকলে সেই মামলার বিচার বা শুনানি পরিচালনা করতে পারবেন না।
- শুধুমাত্র সরকারি পদে থাকা বা স্থান পরিদর্শন করা ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত হওয়া বলে গণ্য হবে না।
- এই বিধান মামলার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রযোজ্য।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, sections 556. Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
- No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself. 

Explanation:–
- A Judge or Magistrate shall not be deemed a party, or personally interested, within the meaning of this section, to or in any case by reason only that he is a Municipal Commissioner or otherwise concerned therein in a public capacity, or by reason only that he has viewed the place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place in which any other transaction material to the case is alleged to have occurred, and made an inquiry in connection with the case. 

Illustration:
A, as Collector, upon consideration of information furnished to him, directs the prosecution of B or a breach of the excise Laws. A is disqualified from trying this case as a Magistrate.
২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারার অধীনে কোন পরিস্থিতিতে আপিল খারিজ করা যেতে পারে?
  1. যদি আপিল যথাযথভাবে নথিভুক্ত না হয়
  2. যদি আপিলকারী আদালতে উপস্থিত না হন
  3. যদি আপিলকারী একাধিকবার আপিল দাখিল করেন
  4. যদি আপিল আদালত মনে করে যে হস্তক্ষেপের পর্যাপ্ত কারণ নেই
সঠিক উত্তর:
যদি আপিল আদালত মনে করে যে হস্তক্ষেপের পর্যাপ্ত কারণ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি আপিল আদালত মনে করে যে হস্তক্ষেপের পর্যাপ্ত কারণ নেই
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারার অধীনে যদি আপিল আদালত মনে করে যে হস্তক্ষেপের পর্যাপ্ত কারণ নেই তখন আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:ঃ
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে ক্ষমা প্রদানের শর্ত কী?
  1. অপরাধীকে আদালতে দোষ স্বীকার করতে হবে
  2. অপরাধীকে তার সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে
  3. অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
  4. অপরাধীকে অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানাতে হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে ক্ষমা প্রদানের শর্ত অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৩৭: সহযোগীকে ক্ষমা প্রদানের বিধান:
(১) যে কোনো অপরাধ যা শুধুমাত্র দায়রা আদালত দ্বারা বিচারযোগ্য, বা যে অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, বা দণ্ডবিধির ২১১ ধারার অধীনে যে অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, বা দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারাগুলোর অধীনে যে কোনো অপরাধ (যেমন, ধারা ২১৬ক, ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫ এবং ৪৭৭ক), সেক্ষেত্রে একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, অপরাধের তদন্ত বা জিজ্ঞাসাবাদের যে কোনো পর্যায়ে বা বিচারের সময়, অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা অপরাধের কথা জানা থাকতে পারে এমন কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য পাওয়ার উদ্দেশ্যে, উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা প্রদান করতে পারেন। তবে এই ক্ষমা প্রদানের শর্ত হবে যে, উক্ত ব্যক্তিকে অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সমস্ত পরিস্থিতি এবং অপরাধ সংঘটনে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির (প্রধান অপরাধী বা সহযোগী) সম্পর্কে সম্পূর্ণ ও সত্য বিবৃতি দিতে হবে।
শর্তসাপেক্ষে: যদি অপরাধটি তদন্ত বা বিচারের অধীনে থাকে, তাহলে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত) এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি উক্ত তদন্ত বা বিচারকার্য পরিচালনা করছেন। আর যদি অপরাধটি তদন্তাধীন থাকে, তাহলে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি এমন এলাকার ম্যাজিস্ট্রেট হন যেখানে অপরাধের তদন্ত বা বিচার হতে পারে এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।
(১ক) উপধারা (১) অনুযায়ী ক্ষমা প্রদানকারী প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেটকে তার সিদ্ধান্তের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং অভিযুক্তের আবেদন করলে, তাকে এই রেকর্ডের একটি কপি সরবরাহ করতে হবে।
শর্তসাপেক্ষে: অভিযুক্তকে এই কপির জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কোনো কারণে বিনামূল্যে কপি সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেন।
(২) এই ধারার অধীনে ক্ষমা গ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাক্ষী হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং পরবর্তী বিচারেও (যদি থাকে) সাক্ষ্য দিতে হবে।
(২ক) যদি কোনো ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করে এবং উপধারা (২) অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্ত অপরাধের দোষী হওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে তিনি অভিযুক্তকে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করবেন।
(৩) এই ধরনের ব্যক্তি, যদি ইতিমধ্যে জামিনে না থাকে, তাহলে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে।

অর্থাৎ
- ধারা ৩৩৭ অনুযায়ী, সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করা যেতে পারে যদি সে অপরাধ সম্পর্কিত সম্পূর্ণ ও সত্য বিবৃতি দেয়।
- ক্ষমা প্রদানের সিদ্ধান্তের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং অভিযুক্তের আবেদনে কপি সরবরাহ করতে হবে।
- ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং বিচারের জন্য প্রেরণ করা হবে।
- ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে (যদি জামিনে না থাকে)।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 337.Tender of pardon to accomplice:
(1) In the case of any offence triable exclusively by the Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof: 
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the Chief Judicial Magistrate has been obtained to the exercise thereof. 
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record: 
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost. 
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any. 
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, [send] him for trial to the Court of Session . 
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.

২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আবেদনকারীকে কত বছরের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আবেদনকারীকে দুই বছরের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
২৮.
BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলার রায় হাইকোর্ট বিভাগ কত সালে প্রদান করে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা বিতর্কিত ও সমালোচিত, কারণ এ দুটি আইনের মাধ্যমে পুলিশকে বিনা পরোয়ানায় যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের বিস্তৃত ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এই ক্ষমতার ফলে পুলিশ কর্তৃক অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকে, যা মানবাধিকারের লঙ্ঘনের কারণ হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে, পুলিশ যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিসংগত সন্দেহ পোষণ করে, তবে আদালতের পরোয়ানা ছাড়াই তাকে গ্রেফতার করতে পারে। এজন্যই অনেকের কাছে এ আইনগুলো ‘কালো আইন’ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। BLAST vs Bangladesh 55 DLR 363 মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারাকে সংবিধানের ২৭, ৩১, ৩২ ও ৩৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে অসামঞ্জস্য বলে উক্ত ধারা দুইটিকে সংশোধন করার জন্য সুপারিশ করেন।

- BLAST মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত।
- এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:
পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।
মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।
আদালতের রায়:
২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এই মামলার রায় প্রদান করে, যেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধনের সুপারিশসহ মোট ১৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা পুলিশ কর্তৃক বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতার ওপর কেন্দ্রিত। রায়ে উল্লেখ করা হয় যে, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে হেফাজতে নিতে পারবে, তবে সেই হেফাজতের সময়কাল ও কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং তা অভিযুক্তের উপস্থিতিতেই সম্পন্ন করতে হবে। এরপর অভিযুক্তকে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন করা বাধ্যতামূলক।
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৪(২) অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
  1. মামলাটি মুলতবি করবেন
  2. অভিযোগকারীকে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করবেন
  3. আসামিকে তার প্রতিরক্ষা প্রমাণের জন্য বাধ্য করবেন
  4. কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন জারি করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোন জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।
(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence: 
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court. 
(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing. 
(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫৪ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. কোন ব্যক্তির কাছে ঘর ভাঙার সরঞ্জাম পেলে
  2. যে ব্যক্তি সশস্ত্র বাহিনীতে পলাতক
  3. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ করেছে
  4. যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি বিশেষ ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:
১. যদি কাউকে কোন গুরুতর অপরাধে জড়িত বলে সন্দেহ হয় (যেমন খুন বা চুরির মতো অপরাধ)।
২. যদি কাউকে ঘর ভাঙার সরঞ্জাম (যেমন হাঁসুয়া, হাতুড়ি) সহ আটক করা যায়।
৩. যদি কাউকে "অপরাধী ঘোষিত" করা হয়।
৪. যদি কাউকে চোরাই মাল সহ পাওয়া যায়।
৫. যদি কেউ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দেয় বা আইনত আটক থেকে পালানোর চেষ্টা করে।
৬. যদি কাউকে সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলাতক পাওয়া যায়।
৭. যদি কাউকে বাংলাদেশের বাইরে কোন অপরাধ করতে দেখা যায়, যা বাংলাদেশে দণ্ডনীয়।
৮. যদি মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারার নিয়ম ভঙ্গ করে।
৯. যদি অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করে।
এইসব ক্ষেত্রে, পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54. When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest-
firstly , any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned;
secondly , any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
thirdly , any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
fifthly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
seventhly , any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
eighthly , any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচার চলাকালীন হাজতে থাকার সময় দণ্ড থেকে বাদ দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ৩৫ ধারায়
  3. ৩৫ক ধারায়
  4. ৩৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৫ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ক ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে।
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫ক: কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে হেফাজতকাল বাদ দেওয়ার বিধান:
(১) মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ছাড়া, যখন কোনো আদালত কোনো অভিযুক্তকে অপরাধের দোষী সাব্যস্ত করে এবং দণ্ডাদেশ প্রদান করে কারাদণ্ড (সাধারণ বা কঠোর) প্রদান করে, তখন আদালত উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে অভিযুক্তের হেফাজতে থাকা মোট সময়কাল বাদ দেবে। এই হেফাজতকাল উক্ত অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকবে।

(২) যদি উপধারা (১) এ উল্লিখিত হেফাজতকাল অভিযুক্তের প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে অভিযুক্তকে কারাদণ্ড সম্পূর্ণরূপে ভোগ করেছেন বলে গণ্য করা হবে এবং তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে (যদি তিনি হেফাজতে থাকেন), যদি না অন্য কোনো অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে তাকে আটক রাখা প্রয়োজন হয়। এছাড়া, যদি অভিযুক্তকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়, তাহলে উক্ত জরিমানা মওকুফ করা হবে।

- ধারা ৩৫ক অনুযায়ী, আদালত কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে অভিযুক্তের হেফাজতে থাকা সময় বাদ দেবে।
- যদি হেফাজতকাল কারাদণ্ডের মেয়াদের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং জরিমানা মওকুফ করা হবে।
- এই বিধান মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.

৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫২৫ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে বিচারক পচনশীল সম্পত্তি বিক্রি করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. যখন সম্পত্তির মূল্য দশ টাকার বেশি হয়
  2. যখন সম্পত্তি কোন অপরাধে ব্যবহার হয়েছে
  3. যখন সম্পত্তির মালিককে খুঁজে পাওয়া না যায়
  4. যখন সম্পত্তি বিক্রির জন্য মালিকের অনুমতি থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তির মালিককে খুঁজে পাওয়া না যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সম্পত্তির মালিককে খুঁজে পাওয়া না যায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন সম্পত্তির মালিককে খুঁজে পাওয়া না যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- বিচারক নিম্নলিখিত পরিস্থিতিতে পচনশীল সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিতে পারেন—
যখন সম্পত্তির মালিক অজ্ঞাত বা অনুপস্থিত থাকেন: যদি সম্পত্তির প্রকৃত মালিক কে, তা জানা না যায় বা তিনি উপস্থিত না থাকেন, তাহলে বিচারক বিক্রির অনুমতি দিতে পারেন।
যখন সম্পত্তি দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে: যদি সম্পত্তিটি পচনশীল (perishable) বা দ্রুত নষ্ট হওয়ার উপযোগী হয়, তাহলে বিচারক সেটি বিক্রি করার নির্দেশ দিতে পারেন।
যখন সম্পত্তির মূল্য দশ টাকার কম হয়: বিচারক যদি মনে করেন যে সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম, তাহলে সেটি বিক্রি করা হলে মালিকেরই সুবিধা হবে।
এছাড়া, বিক্রির পর ৫২৩ ও ৫২৪ ধারার বিধান অনুযায়ী ওই অর্থ ব্যবস্থাপনা করা হবে, যা পরবর্তীতে মালিক চিহ্নিত হলে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে।

→ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-ধারা ৫২৫- পচনশীল সম্পত্তি বিক্রি করার ক্ষমতা:
যদি এমন সম্পত্তির অধিকারী ব্যক্তি অজ্ঞাত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তিটি দ্রুত পচনশীল বা প্রাকৃতিকভাবে বিক্রি হয়ে যায়, অথবা যদি বিচারক যার কাছে সম্পত্তির বাজেয়াপ্তি রিপোর্ট করা হয়েছে, তিনি মনে করেন যে, এর বিক্রি মালিকের জন্য উপকারী হবে, অথবা যদি এমন সম্পত্তির মূল্য দশ টাকা অপেক্ষা কম হয়, তবে বিচারক যে কোনো সময় এটি বিক্রি করার নির্দেশ দিতে পারেন; এবং ধারা ৫২৩ ও ৫২৪-এর বিধানগুলি, যতটা সম্ভব, এই বিক্রির নিট আয় এর সাথে প্রযোজ্য হবে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৬১ক ধারার অধীনে, হাইকোর্ট বিভাগ কোন উদ্দেশ্যে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কোনো আদেশ কার্যকর করা
  2. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে। 

⇒ একটি মামলার বিচার পরিচালনার জন্য প্রযোজ্য পদ্ধতিগুলি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা রয়েছে। তবে বাস্তব জীবনে এমন কিছু পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে, যেখানে আদালতের করণীয় সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন বিধান নেই। এই ধরনের ক্ষেত্রে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকে আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, sections-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঘ অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করে, তাহলে আদালতের কী করণীয়?
  1. মামলা বাতিল করা
  2. তাকে দণ্ডিত করা
  3. তাকে অব্যাহতি দেওয়া
  4. নতুন বিচারের নির্দেশ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
তাকে দণ্ডিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে দণ্ডিত করা
ব্যাখ্যা
উত্তর: তাকে দণ্ডিত করা।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে [Plea Of Guilty] দায়রা আদালত ২৬৫ঙ ধারায় অভিযুক্তকে দণ্ডিত করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

- আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেন বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
 If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265F.Date for prosecution evidence: 
 If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারায় ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. আদালতের কার্যক্রম সর্বদা গোপন রাখতে হবে
  2. আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
  3. আদালতের কার্যক্রম শুধুমাত্র আইনজীবীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
  4. শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবার আদালতে উপস্থিত থাকতে পারবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির - ধারা ৩৫২ এর বিধান: আদালত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে: 
যে স্থানটি কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফৌজদারি আদালত হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেটি উন্মুক্ত আদালত বলে গণ্য হবে, যেখানে সাধারণ জনগণ উপস্থিত হতে পারবে, যদি আদালতের কক্ষ বা স্থান তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্থান ধারণ করতে সক্ষম হয়।
তবে শর্ত থাকে যে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে তদন্ত বা বিচার কার্যক্রমের যে কোনো পর্যায়ে তিনি আদেশ দিতে পারেন যে—
সাধারণ জনগণ বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি আদালতের সেই কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না বা সেখানে অবস্থান করতে পারবে না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 352: Courts to be open:-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার অধীনে কোন আদালত জামিন মঞ্জুর বা জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র দায়রা আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ও দায়রা আদালত
  3. হাইকোর্ট ডিভিশন ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
  4. হাইকোর্ট ডিভিশন ও দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন ও দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন ও দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার অধীনে হাইকোর্ট ডিভিশন ও দায়রা আদালত জামিন মঞ্জুর বা জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বন্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপিল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যে-কোনো ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫২ ধারায়, মহিলাদের দেহ তল্লাশির ক্ষেত্রে কী জরুরি?
  1. মহিলার অনুমতি
  2. জনসমক্ষে তল্লাশি করা
  3. শালীনতা বজায় রাখা
  4. পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শালীনতা বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোনো স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশির বিধান রয়েছে।
- ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশি করাতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,  Section 52. Mode of searching women:
- Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
৩৮.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার অধীনে ডাকাতি সংঘটিত হতে হলে কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?
  1. তিনজন
  2. চারজন
  3. পাঁচজন
  4. ছয়জন
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচজন
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার অধীনে ডাকাতি সংঘটিত হতে হলে কমপক্ষে ৫ জন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 391 Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৩৯.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার সংজ্ঞা অনুযায়ী নিচের কোনটি চুরির হিসেবে গণ্য হয়?
  1. সম্পত্তি ধ্বংস করা
  2. স্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
  3. অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
  4. সম্পত্তির মালিকের সম্মতিতে সম্পত্তি গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
উত্তর: অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৪০.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা অনুযায়ী আক্রমণের জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. সম্পত্তি ধ্বংস
  2. শুধুমাত্র মুখের কথা
  3. শারীরিক বল প্রয়োগ
  4. অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
উত্তর: অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি দ্বারা ভয় সৃষ্টি। 

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।
(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।
(গ) ক একটি ছুড়ি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতৃল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 351. Assault:
- Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.

Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault.
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z.
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৪১.
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার মতে, কত বছরের কম বয়সী নাবালিকাকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া নিয়ে গেলে তা মনুষ্যহরণ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা অনুসারে, যদি ১৪ বছরের কম বয়সী নাবালক (ছেলে) অথবা ১৬ বছরের কম বয়সী নাবালিকা (মেয়ে) অথবা বিকৃত মস্তিষ্কের ব্যক্তি-কে তার আইনগত অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে তা মনুষ্যহরণ (Kidnapping from lawful guardianship) বলে গণ্য হবে।
এখানে ১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েদের (নাবালিকা) ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য, তাই সঠিক উত্তর গ) ১৬ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্য হরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্য হরণ।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 359.Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 360. Kidnapping from Bangladesh, etc:
Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 361. Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৪২.
'A' 'Z' কে নিহত করার উদ্দেশ্যে তার ওপর গুলিবর্ষণ করে, ফলে 'Z' এর মৃত্যু হয়। 'A' দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধ করেছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০০
  3. ৩০১
  4. ৩০৩
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুন খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুন অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার (উদা: ক)।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 300. Murder:
Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustrations
(a) 'A' shoots 'Z' with the intention of killing him. 'Z' dies in consequence. 'A' commits murder.
৪৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দানের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩০৫
  2. ৩০৬
  3. ৩০৭
  4. ৩০৮
সঠিক উত্তর:
৩০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৬
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করে এবং অন্য কোনো ব্যক্তি তাকে আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবে।
- এই অপরাধের জন্য দণ্ডবিধিতে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years and shall also be liable to fine.
৪৪.
যদি রাতের বেলায় কেউ একটি বাড়িতে চুরি করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে, তবে সেই বাড়ির মালিক আত্মরক্ষার অধিকারের সর্বোচ্চ সীমা কতদূর পর্যন্ত প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. চোরকে ধরিয়ে দিতে পারেন
  2. চোরকে কেবল ভয় দেখাতে পারেন
  3. চোরকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে পারেন
  4. চোরের মৃত্যু ঘটাতে পারেন যদি পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়
সঠিক উত্তর:
চোরের মৃত্যু ঘটাতে পারেন যদি পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোরের মৃত্যু ঘটাতে পারেন যদি পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১০৩ ধারার মতে, সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়, এমনকি আক্রমণকারীর মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত, যদি অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর হয়।
রাতের বেলায় বেআইনিভাবে ঘরে প্রবেশ (House-breaking by night) এই চারটি গুরুতর অপরাধের মধ্যে একটি, যার ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো বৈধ হতে পারে।
তবে, এই অধিকার দণ্ডবিধির ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে প্রযোজ্য। যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে আত্মরক্ষা না করলে বাড়ির মালিক বা পরিবারের সদস্যদের জীবন বা গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তখন প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করা আইনসিদ্ধ হতে পারে।

অতএব, যদি রাতের বেলায় কেউ বেআইনিভাবে চুরি করার উদ্দেশ্যে বাড়িতে প্রবেশ করে এবং সেই পরিস্থিতি প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের আশঙ্কা তৈরি করে, তাহলে আত্মরক্ষার সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত (অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো) যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৩ :- যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
- সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা ঘর ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাঁবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-103: When the right of private defence of property extends to causing death:
The right of private defence of property extends, under the restrictions mentioned in section 99, to the voluntary causing of death or of any other harm to the wrong-doer, if the offence, the committing of which, or the attempting to commit which, occasions the exercise of the right, be an offence of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:-
Firstly.-Robbery;
Secondly.-House-breaking by night;
Thirdly.-Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling or as a place for the custody of property;
Fourthly.-Theft, mischief or house-trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension that death or grievous hurt will be the consequence, if such right of private defence is not exercised;
৪৫.
যদি কোনো ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করে এবং তার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু সেই আসামি খালাস পেয়ে যায়, তবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

→ যদি মিথ্যা সাক্ষ্যের কারণে আসামি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত না হয় বা খালাস পায়, তাহলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন শাস্তি ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
তাই সঠিক উত্তর "ঘ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড"।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদণ্ড না হলে বা আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :-
- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।
- যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতঃপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
______________________
⇒The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:
- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.

৪৬.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে আহত ব্যক্তি কত দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করতে পারে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা
উত্তর: ২০ দিন।
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোনো চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোনো কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোনো অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 320: Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.- Emasculation.
Secondly.- Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.- Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.- Privation of any member or joint.
Fifthly.- Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.- Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.- Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.- Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৪৭.
কোন পরিস্থিতিতে ৮৪ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যাবে না?
  1. যদি সে আত্মরক্ষার জন্য অপরাধ করে
  2. যদি সে অর্ধেক পাগল এবং অর্ধেক সুস্থ থাকে
  3. যদি অপরাধ সংঘটনের সময় সে সম্পূর্ণ অপ্রকৃতিস্থ থাকে
  4. যদি সে অপরাধ করার পর নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন দাবি করে
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ সংঘটনের সময় সে সম্পূর্ণ অপ্রকৃতিস্থ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অপরাধ সংঘটনের সময় সে সম্পূর্ণ অপ্রকৃতিস্থ থাকে
ব্যাখ্যা
→ যদি অপরাধ সংঘটনের সময় সে সম্পূর্ণ অপ্রকৃতিস্থ থাকে তাহলে ৮৪ ধারা অনুযায়ী সেই ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারায় মতে অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
- এমন কোনো ব্যক্তির কোনো কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা (Unsoundness) বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 84: Act of a person of unsound mind:
- Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
৪৮.
দণ্ডবিধির ৪৭৮ ধারা অনুযায়ী ট্রেডমার্ক (Trade mark) কী?
  1. ব্যক্তি পরিচয় চিহ্ন
  2. পণ্যের গুণমান চিহ্ন
  3. স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা চিহ্ন
  4. পণ্যের উৎপাদনকারী বা বাণিজ্যিক মালিকের চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
পণ্যের উৎপাদনকারী বা বাণিজ্যিক মালিকের চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পণ্যের উৎপাদনকারী বা বাণিজ্যিক মালিকের চিহ্ন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৪৭৮ ধারার বিধান: পণ্য-প্রতীক (Trade mark): কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে। অর্থাৎ কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৭৮- ট্রেডমার্ক: যে চিহ্নটি কোন পণ্য বা মালামাল নির্দিষ্ট ব্যক্তির উৎপাদন বা বাণিজ্যের নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে ট্রেডমার্ক বলা হয়, এবং এই কোডের উদ্দেশ্যে "ট্রেডমার্ক" শব্দের মধ্যে যেকোনো ট্রেডমার্ক অন্তর্ভুক্ত থাকবে যা ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইন অনুযায়ী ট্রেডমার্ক রেজিস্টারে নিবন্ধিত, এবং যেকোনো ট্রেডমার্ক যা নিবন্ধন থাকা বা না থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্রিটিশ অধিভুক্ত অঞ্চল বা বিদেশী রাষ্ট্রে আইন দ্বারা সুরক্ষিত, যেখানে ১৮৮৩ সালের পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেডমার্ক আইনের ১০৩ ধারা, সরকারি আদেশের মাধ্যমে, সংশ্লিষ্ট সময়ে প্রযোজ্য হয়েছে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা-৪৭৯: প্রোপার্টি মার্ক: যে চিহ্নটি চলন্ত সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রোপার্টি মার্ক বলা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-478. Trade mark: 
- A mark used for denoting that goods are the manufacture or merchandise of a particular person is called a trade mark, and for the purposes of this Code the expression "trade mark" includes any trade mark which is registered in the register of trade marks kept under the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, and any trade mark which, either with or without registration, is protected by law in any British possession or Foreign State to which the provisions of the one hundred and third section of the Patents, Designs and Trade Marks Act, 1883, are, under Order-in-Council, for the time being applicable.
⇒ The Penal Code, 1860, Section-479:
- Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.
৪৯.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের ক্ষেত্রে সম্পত্তি কী ধরনের হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র নগদ অর্থ
  2. শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি
  3. শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি
  4. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
উত্তর: স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি।

⇒ যদি কোনো ব্যক্তি বিশ্বাসের ভিত্তিতে অর্পিত সম্পত্তি আইন বা চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেন, ব্যক্তিগত ব্যবহারে পরিণত করেন, অন্যকে হস্তান্তর করেন বা কাউকে তা করতে অনুমতি দেন, তবে এটি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ।
উপাদান:
- বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পত্তির দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া
- স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি
- অসাধুভাবে আত্মসাৎ বা অন্যভাবে ব্যবহার করা
- নিজস্ব ব্যবহারে পরিণত করা, হস্তান্তর করা বা অনুমতি দেওয়া

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনোভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
-----------------------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
৫০.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার অধীনে কোন অপরাধটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. মিথ্যা প্রমাণ উপস্থাপন
  2. নথি জালিয়াতি করা
  3. সরকারি নথি চুরি করা
  4. মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা বা স্বাক্ষর করা।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.
৫১.
দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার মতে, যদি কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমার বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে সেটি কী অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. ডাকাতি
  2. অপহরণ
  3. মানব পাচার
  4. হত্যার চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
অপহরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপহরণ
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজের সম্মতি ছাড়া, অথবা তার পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশের সীমার বাইরে পাঠানো বা নিয়ে যাওয়া হয়, তবে এটি “বাংলাদেশ থেকে অপহরণ” (Kidnapping from Bangladesh) বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্য হরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্য হরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 359.Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 360. Kidnapping from Bangladesh, etc:
Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 361. Kidnapping from lawful guardianship
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৫২.
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ২,০০০ টাকা
  4. ৩,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় করে যা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর, তার সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড ১,০০০ টাকা হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 273. Sale of noxious food or drink:- Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৫৩.
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা অনুসারে শুধুমাত্র ডাকাতির সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর কারাদণ্ড
  4. তিন বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা অনুসারে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যৌথভাবে ডাকাতি সংঘটিত করে, তবে এটি "ডাকাতি" (Dacoity) অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র ডাকাতির জন্য মৃত্যুদণ্ড প্রযোজ্য নয় তবে অন্যান্য গুরুতর পরিস্থিতিতে, যেমন ডাকাতির সময় হত্যা করা হলে (৩৯৬ ধারা), তখন মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 395. Punishment for dacoity:- Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৫৪.
আরিফ পার্কে প্রবেশ করতে চাইলে, রানা তাকে বাধা দেয়, যদিও আরিফের প্রবেশের অধিকার আছে। রানার কাজটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞিত অপরাধ?
  1. ৩৩৯ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৩৪১ ধারায়
  4. ৩৪২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৩৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারার বিধান অবৈধ বাধা (Wrongful restraint):- যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যতিক্রম:- যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশত উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।
⇒ উদাহরণ:
যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 339. Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
Illustration:
A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.
৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে একজন মৃত ব্যক্তির বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. স্বার্থবিরোধী বিবৃতি
  2. উক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত বিবৃতি
  3. মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি
  4. জীবিত থাকা অবস্থায় করা বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি।
→ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন একজন ব্যক্তি মারা যান অথবা নিখোঁজ হন, তার তখনকার বিবৃতি কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এর মধ্যে একটি হলো মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতি (dying declaration)। যদি কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিবৃতি দিয়ে থাকে, তা তখন আদালতে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে, কারণ এই বিবৃতিটি সরাসরি তার মৃত্যুর কারণকে প্রমাণ করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
অন্য যে কোনো বিবৃতি, যেমন উক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত বা স্বার্থবিরোধী বিবৃতি, এই ধারায় প্রাসঙ্গিক নয়, কারণ এটি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.
৫৬.
ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ২ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৬ ধারা
  4. ১২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
ব্যাখ্যা
- সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং এগুলো দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড, যেমন ড্রোন ডেটা, সিসিটিভি রেকর্ডিং, কম্পিউটার মেমরি, বা মাইক্রোফিল্মে ধারণকৃত রেকর্ড বা ডাটা, দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। এগুলো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংরক্ষিত হয় এবং সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী দলিলের অন্তর্ভুক্ত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা তে যুক্ত: The Evidence Act (Amendment), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
- ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম;
- অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উৎপাদিত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য;
- ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি), সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার; বা
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৫৭.
সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায় ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়ে মৌখিক স্বীকারোক্তি কখন প্রাসঙ্গিক ?
  1. যখন উত্থাপিত রেকর্ডটি নতুন হয়
  2. যখন রেকর্ডটি আইনিভাবে স্বীকৃত হবে
  3. যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে
  4. যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব সন্দেহাতীতভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

⇒ মৌখিক স্বীকারোক্তি শুধুমাত্র তখন প্রাসঙ্গিক হবে যখন ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হবে, অন্যথায় তা প্রাসঙ্গিক নয়।
- সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারায় বলা হয়েছে যে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি কেবল তখনই প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা বা প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়। অন্যথায়, মৌখিক স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। ২২ক ধারায় বলা হয়েছে, উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা বিচারের বিষয়ীভূত না হওয়া পর্যন্ত ডিজিটাল রেকর্ডের বিবৃতি বিষয়ে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি যেক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে না, যতক্ষণ না প্রদর্শিত ডিজিটাল রেকর্ডের প্রকৃতত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
-----------------
⇒ The Evidence (Amendment) Act, 2022 sections 22A. When oral admissions as to contents of digital records are relevant:
Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant unless the genuineness of the digital record produced is in question.
৫৮.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী, আদালতের নিকট যে কোনো সত্য যা আদালত স্বীকার করতে পারে, তা প্রমাণ করতে হবে না?
  1. ৫৪ ধারার
  2. ৫৬ ধারার
  3. ৫৭ ধারার
  4. ৫৮ ধারার
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ ধারার
ব্যাখ্যা

→ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত যে সমস্ত তথ্য বিচারিকভাবে অবগত বা স্বীকার করে থাকে, সেই তথ্যগুলো প্রমাণ করতে হবে না। এর মানে হলো, আদালত যে তথ্যগুলি সাধারণভাবে জানে, সেগুলোর জন্য প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।

সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারা:
- যে কোন সত্য, যা আদালত বিচারিকভাবে অবগত বা স্বীকার করে, তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 56. Fact judicially noticeable need not be proved:
- No fact of which the Court will take judicial notice need be proved

৫৯.
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় কে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. বুদ্ধিমান শিশুরা
  2. অল্প বয়সী বালকরা
  3. যাদের মানসিক সমস্যা নেই, কিন্তু সঠিক উত্তর দিতে সক্ষম
  4. যে ব্যক্তি তার মস্তিষ্কের বিকৃতি কারণে প্রশ্ন বুঝে সঠিক উত্তর দিতে অক্ষম
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি তার মস্তিষ্কের বিকৃতি কারণে প্রশ্ন বুঝে সঠিক উত্তর দিতে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি তার মস্তিষ্কের বিকৃতি কারণে প্রশ্ন বুঝে সঠিক উত্তর দিতে অক্ষম
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী শিশুর বোধশক্তির ভিত্তিতে একজন শিশুকে সাক্ষী হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ১১৮ ধারায় উল্লেখ আছে যে, মানসিকভাবে বিকৃত ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে অযোগ্য হতে পারে যদি সে প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে অক্ষম হয়।

⇒ সাক্ষীর যোগ্যতা: সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা আছে ১১৮- ১৩১ ও ১৩৩ ধারায়।
সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতিবৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসংগত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।
ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসংগত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

যেমন- বোধশক্তিসম্পন্ন শিশু, অল্পবয়স্ক বুদ্ধিমান বালক, প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম বিকৃতমস্তিস্কের ব্যক্তি; বোবা, জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝে উত্তরদানে সক্ষম ব্যক্তি। এক্ষেত্রে তাদের বয়স, দৈহিক বা মানসিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা সাক্ষ্য প্রদানে বাধার সৃষ্টি করবে না।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 118. Who may testify:
- All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind.
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৬০.
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা অনুসারে, কোন ধরনের তথ্য প্রমাণ করার জন্য মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা যেতে পারে?
  1. আইনগত প্রমাণ
  2. দলিলের স্বাক্ষর
  3. দলিলের বিষয়বস্তু
  4. সকল তথ্য, তবে দলিলের বিষয়বস্তু বাদে
সঠিক উত্তর:
সকল তথ্য, তবে দলিলের বিষয়বস্তু বাদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল তথ্য, তবে দলিলের বিষয়বস্তু বাদে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া সব ধরনের তথ্য প্রমাণ করা যেতে পারে। অর্থাৎ, মৌখিক সাক্ষ্য ব্যবহার করা যেতে পারে এমন তথ্য যা দলিলের মধ্যে না থাকে, তবে দলিলের বিষয়বস্তু (যেমন: লেখা, স্বাক্ষর, অথবা অন্যান্য ধরণের তথ্য) প্রমাণের জন্য দলিলই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়, মৌখিক সাক্ষ্য নয়।
তাহলে সঠিক উত্তর হবে: ঘ) সকল তথ্য, তবে দলিলের বিষয়বস্তু বাদে।
→ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া সকল সত্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারা:
কোনো দলিলের বিষয়বস্তু বাদে সকল সত্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section: 59. Proof of facts by oral evidence: 
 All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
৬১.
পুলিশ চোরাই মাল রাখার অভিযোগে 'ক' কে আটক করে, তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাড়ি থেকে মাল উদ্ধার করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে 'ক' এর স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ২৬ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ২৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির দ্বারা কোনো অপরাধের সাথে সম্পর্কিত তথ্য স্বীকার করা হয়, এবং সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সেই ব্যক্তির কাছ থেকে কোনো বস্তু বা প্রমাণ উদ্ধার করা হয়, তবে সেই স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক এবং গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
এক্ষেত্রে 'ক' চোরাই মাল রাখার স্বীকারোক্তি দিয়েছে, এবং সেই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে মাল উদ্ধার করা হয়েছে। তাই এটি ২৭ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হবে, যা স্বীকারোক্তির প্রমাণের ক্ষেত্রে অপরাধমূলক তথ্যের উদ্ধারের সঙ্গে সম্পর্কিত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী- আসামীর নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে যদি আলামত উদ্ধার হয়, তাহলে উক্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যেতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা: আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে:
পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে, যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।
-------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 27: How much of information received from accused may be proved:
Provided that, when any fact is deposed to as discovered in consequence of information received from a person accused of any offence, in the custody of a police officer, so much of such information, whether it amounts to a confession or not, as relates distinctly to the fact thereby discovered, may be proved.
৬২.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার অধীনে স্বীকৃতি কীভাবে কার্যকর হতে পারে?
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে
  2. মৌখিক প্রমাণ হিসেবে
  3. প্রতিবন্ধক হিসেবে
  4. সন্দেহাতীত সাক্ষ্য হিসেবে
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধক হিসেবে
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, কোনো স্বীকৃতি (Admission) চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে এটি প্রতিবন্ধক (Estoppel) হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পরবর্তী সময়ে উক্ত স্বীকৃতি প্রদানকারী ব্যক্তিকে বিপরীত বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে।

⇒ স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা লিখিত এমন কোন বিবৃতি, যা কোন বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন অনুমানের ইঙ্গিত বহন করে।
- সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে:
কোনো বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
-------------
⇒ The Evidence Act,1872, Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৬৩.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের মৌখিক বিবরণ কখন মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. যখন দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়
  2. যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি দলিল সম্পর্কে শুনেছেন
  3. যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন
  4. যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনুমান ভিত্তিক মতামত দেন
সঠিক উত্তর:
যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যখন বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি দেখেছেন। 
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩(৫) ধারা অনুসারে, দলিলের মৌখিক বিবরণ তখনই মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়, যদি বিবরণ প্রদানকারী ব্যক্তি নিজে দলিলটি প্রত্যক্ষভাবে দেখেন। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি দলিলের মূল কপি দেখেছেন এবং তার ভিত্তিতে মৌখিক বিবরণ দিচ্ছেন, কেবল তার সাক্ষ্যই মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্য (Secondary Evidence) সম্পর্কিত বিধানাবলি রয়েছে।
এই ধারায় বলা হয়েছে:
১. এই আইনে বর্ণিত বিধানমতে প্রদত্ত সার্টিফাইডকৃত অনুলিপি;
২. যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মূল থেকে তৈরিকৃত অনুলিপি যা নিজেই অনুলিপির নির্ভুলতা নিশ্চিত করে এবং সেই অনুলিপির সাথে তুলনাকৃত অন্যান্য অনুলিপি;
৩. মূল থেকে তৈরিকৃত বা মূলের সাথে তুলনাকৃত অনুলিপি;
৪. দলিলের মূল অংশবিশেষ যা যারা এটি সম্পাদন করেনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য;
৫. কোন দলিলের বিষয়বস্তুর মৌখিক বিবরণ যা দেয় এমন কেউ যিনি নিজে এটি দেখেছেন।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 63. Secondary evidence:
-"Secondary evidence means and includes, among other things-
(1) Certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) Copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) Copies made from or compared with the original;
(4) Counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) Oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself perceived it."
৬৪.
যদি একটি দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হয়, তাহলে প্রত্যেক খণ্ড কী বলে গণ্য হবে?
  1. প্রাথমিক সাক্ষ্য
  2. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
  3. পরোক্ষ সাক্ষ্য
  4. গৌণ সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুযায়ী, যদি একটি দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হয়, তাহলে প্রত্যেক খণ্ডই সেই দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, প্রতিটি খণ্ডই মূল দলিলের অংশ হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিটি খণ্ড আদালতে উপস্থাপন করা হলে তা প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রাথমিক সাক্ষ্য হল দলিলের মূল অথবা অগ্রিম প্রস্তুতকৃত প্রতিলিপি, যা বিশ্বাসযোগ্য এবং প্রকৃত তথ্য সরবরাহ করে।
⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী সর্বোত্তম সাক্ষ্য (Best Evidence) হলো প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence). সাক্ষ্য আইনের ৬০ এবং ৬৪ ধারায় Best Evidence নীতির উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। আদালতের পরিদর্শনের জন্য যখন সংশ্লিষ্ট দলিলটি স্বয়ং আদালতে উপস্থাপন করা হয় তখন তাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে। কোন দলিল যদি কতিপয় খন্ডে সম্পাদিত হয় তাহলে প্রত্যেক খন্ডই এই দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য। কোন দলিল যখন প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি এর সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে।
⇒ প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বা (Direct Evidence): প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বলতে বোঝায় কোন দলিল বা সাক্ষীর যে সমস্ত বিবৃতি মামলার বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অস্তিত্বহীনতা সম্পর্কে সরাসরি সমর্থণ যোগায়।
⇒ মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence): বাংলাদেশের সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, বিচার্য বা তদন্তাধীন বিষযয়ে সাক্ষীকে যে সমস্ত বিবৃতি প্রদান করার অনুমতি আদালত দেয় বা সাক্ষীদের যেসব বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয়, সেসব বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলা হয়।
৬৫.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারা অনুসারে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সে পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. Witness hearing
  2. Re-examination
  3. Examination-in-chief
  4. Cross-examination
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Examination-in-chief
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: জবানবন্দি গ্রহণ (Examination-in-chief).
- সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারা অনুসারে, যে পক্ষ সাক্ষীকে আদালতে হাজির করে, সেই পক্ষ যখন প্রথমবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জবানবন্দি গ্রহণ (Examination-in-chief) বলা হয়।
- এটি সাক্ষ্য গ্রহণের প্রথম ধাপ যেখানে সাক্ষীর কাছ থেকে তার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এখানে সাধারণত সাক্ষীর বক্তব্য বা তথ্য পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে বিরুদ্ধ পক্ষ তখনো তাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
- জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
- পুনঃজবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুনঃজবানবন্দি (Re- examination) বলে।
-------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872 section 137:
- Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
- Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
- Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.
৬৬.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় আইনজীবী ও মক্কেলের মধ্যকার গোপনীয়তা সংরক্ষণের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১২২
  2. ধারা ১২৬
  3. ধারা ১২৯
  4. ধারা ১৩২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২৬
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১২৬ ধারায় আইনজীবী এবং তার মক্কেলের মধ্যকার তথ্য আদান-প্রদানের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
- সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৬ অনুযায়ী, আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে, মক্কেলের সঙ্গে করা যে কোনো যোগাযোগ বা পরামর্শ গোপন রাখবেন। এই ধারা আইনজীবীকে তার মক্কেলের তথ্য বা পরামর্শ প্রকাশ না করার বাধ্যবাধকতা দেয়, যতক্ষণ না মক্কেল নিজে সেই তথ্য প্রকাশ করতে সম্মতি দেন। তবে এই বিধান কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কার্যকর নয়, যেমন যখন কোনো অবৈধ উদ্দেশ্যে যোগাযোগ করা হয় বা কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারার বিধান পেশাগত যোগাযোগ:
কোন আইনজীবী তার ক্লায়েন্টের স্পষ্ট সম্মতি ছাড়া কখনোই নিম্নলিখিত তথ্য প্রকাশ করতে পারবেন না:
(১) তার ক্লায়েন্টের পক্ষ থেকে বা তার ক্লায়েন্টের পক্ষে তার কর্মজীবনের উদ্দেশ্যে তাকে প্রদান করা কোন যোগাযোগ, অথবা
(২) কোন দলিলের বিষয়বস্তু বা অবস্থা, যা তিনি তার পেশাগত কর্মজীবনের চলাকালে জানেন, অথবা
(৩) তার ক্লায়েন্টকে প্রদত্ত কোন পরামর্শ, যা তিনি তার পেশাগত কর্মজীবনে প্রদান করেছেন।
এটি বিধানাবদ্ধ যে, এই ধারা কোন কিছু প্রকাশের থেকে রক্ষা করবে না–
(১) এমন কোন যোগাযোগ যা অবৈধ উদ্দেশ্য সাধনে করা হয়েছে;
(২) কোন ঘটনা যা কোন আইনজীবী তার কর্মজীবনের চলাকালে পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং যা তার ক্লায়েন্টের পক্ষ থেকে কোন ধরনের প্রতারণা বা অপরাধ সংঘটিত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।
এটি অসংগঠিত যে, ওই আইনজীবীর দৃষ্টি আকর্ষণ ওই ঘটনা সম্পর্কে তার ক্লায়েন্টের পক্ষ থেকে হয়েছে কিনা।
ব্যাখ্যা: এই ধারা অনুযায়ী, যে বাধ্যবাধকতা জানানো হয়েছে তা কর্মজীবনের সমাপ্তির পরেও অব্যাহত থাকবে।
-------------- 
⇒ The Evidence Act, 1872 section-126. Professional communications:
No Advocate shall at any time be permitted, unless with his client's express consent, to disclose any communication made to him in the course and for the purpose of his employment as such Advocate by or on behalf of his client, or to state the contents or condition of any document with which he has become acquainted in the course and for the purpose of his professional employment, or to disclose any advice given by him to his client in the course and for the purpose of such employment:
Provided that nothing in this section shall protect from disclosure–
(1) any such communication made in furtherance of any illegal purpose:
(2) any fact observed by any Advocate, in the course of his employment as such, showing that any crime of fraud has been committed since the commencement of his employment.
It is immaterial whether the attention of such Advocate was or was not directed to such fact by or on behalf of his client.
Explanation.– The obligation stated in this section continues after the employment has ceased.
৬৭.
তামাদি আইনের কোন তফসিলে মামলার তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম তফসিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ক) প্রথম তফসিল।
তামাদি আইন:

১৮৫৯ সালে সর্বপ্রথম তামাদি আইন পাশ করা হয়।
১৮৬২ সালে এই আইনটি কার্যকর করা হয়।
১৯০৮ সালে সর্বশেষ তামাদি আইন প্রবর্তন করা হয়, যা বর্তমানে বাংলাদেশে প্রযোজ্য।
এটি ১৯০৮ সালের ৯নং আইন নামে পরিচিত।
এই আইনটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

তামাদি আইনের বর্তমান কাঠামো:
বর্তমানে তামাদি আইনে ২৯টি ধারা এবং ১টি তফশিল বলবৎ আছে। 

ধারাসমূহ:
তামাদির মেয়াদ গণনার পদ্ধতি: কোন সময় বাদ দিয়ে বা যোগ করে তামাদি গণনা করতে হবে।
তামাদির ফলাফল: নির্ধারিত সময়ের পর মোকদ্দমা দায়ের করলে তার ফলাফল।
তামাদির বিলম্ব মওকুফ: তামাদির বিলম্ব মওকুফের বিধান।
প্রেসক্রিপশন ও অর্জন: ২৬ থেকে ২৮ ধারায় প্রেসক্রিপশন [prescription] ও অর্জন [acquisition] নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রথম তফশিলের বিষয়বস্তু:
প্রথম তফশিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফশিলে ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে:
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits] → অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals] → অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions] → অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
৬৮.
তামাদি আইনের কোন ধারা অনুসারে চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৫ এর ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হয় না?
  1. ২৬ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৮ ধারা
  4. ২৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৯(১) অনুযায়ী চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৫ এর ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হয় না।

⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
- বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
- বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
- সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ২৯: সংরক্ষন (Savings)
(১) এই আইনের কোনো কিছুই ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ধারা ২৫-কে প্রভাবিত করবে না।
(২) যদি কোনো বিশেষ আইন কোনো মোকদ্দমা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির একটি ভিন্ন মেয়াদ নির্ধারণ করে, যা প্রথম তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ থেকে আলাদা, তাহলে ধারা ৩-এর বিধান প্রযোজ্য হবে, যেন সেই মেয়াদ প্রথম তফসিলে উল্লিখিত হয়েছে। এবং কোনো বিশেষ আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ নির্ধারণের জন্য:
(ক) ধারা ৪, ধারা ৯ থেকে ১৮ এবং ধারা ২২-এর বিধানগুলো কেবলমাত্র সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যতটুকু সেই বিশেষ আইন দ্বারা স্পষ্টভাবে বাতিল করা হয়নি; এবং
(খ) এই আইনের অন্যান্য বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না।
(৩) এই আইনের কোনো কিছুই ডিভোর্স আইন (Divorce Act) এর অধীনে দায়েরকৃত মোকদ্দমাগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
(৪) ধারা ২৬ এবং ২৭, এবং ধারা ২-এ উল্লিখিত "সুবিধা" (easement)-এর সংজ্ঞা, ১৮৮২ সালের সুবিধা আইন (Easements Act, 1882) যে অঞ্চলে প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872.
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law-
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply.
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act.
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৬৯.
মৌখিক কুৎসার দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ২৫ অনুযায়ী, মৌখিক কুৎসার [Slander] দ্বারা মানহানির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করার জন্য তামাদির মেয়াদ হল ১ বছর।
- এটি মূলত নির্ধারণ করে যে, যদি কেউ অন্যের বিরুদ্ধে মৌখিক কুৎসা রটায় বা অপবাদ দেয়, এবং এর ফলে কোনো ধরনের মানহানি বা ক্ষতি ঘটে, তবে ক্ষতিপূরণের মামলা কুৎসামূলক কথা বলার তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
- যদি সেই কুৎসামূলক কথা নালিশযোগ্য না হয়, তবেও তবে যদি বিশেষ ক্ষতি ঘটে, তার ফলস্বরূপ ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করা যাবে।
৭০.
তামাদি আইনের ৯ ধারা কোন বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. তামাদির বিলম্ব মওকুফ
  2. তামাদির গণনার পদ্ধতি
  3. পাওনা আদায়ের নিয়ম
  4. সময়ের অবিরাম চলন
সঠিক উত্তর:
সময়ের অবিরাম চলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়ের অবিরাম চলন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৯ ধারা "সময়সীমার অবিরাম চলন" (Continuous running of time) এর বিষয়টি আলোচনা করে।
এটি নির্ধারণ করে যে একবার তামাদির সময় গণনা শুরু হলে তা কোনো পরবর্তী অপারগতা বা অক্ষমতায় বন্ধ হবে না। অর্থাৎ, যতদিন না মেয়াদ শেষ হয়, ততদিন সময়ের চলন অব্যাহত থাকবে, তা কোনো ধরনের অসুবিধা বা অক্ষমতা দ্বারা থামানো যাবে না।
তবে একটি ব্যতিক্রম আছে— যদি পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়, তখন তার দায়িত্ব পালনের সময় মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ স্থগিত থাকবে, অর্থাৎ তামাদির সময় স্থগিত হবে যতক্ষণ না দেনাদারের দায়িত্ব শেষ হয়।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তী কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
----------------
⇒ The Limitation Act, 1908- Section 9:- Continuous running of time:
- Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৭১.
যে প্রাপ্য টাকার জন্য স্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকে তা আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৩২ অনুযায়ী, যে প্রাপ্য টাকার জন্য স্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকে, তা আদায়ের জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ হল ১২ বছর।
- এটি বোঝায় যে, যদি কোনো টাকার জন্য স্থাবর সম্পত্তি দায়বদ্ধ থাকে, তবে সেই টাকার পরিশোধযোগ্য হওয়ার তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
৭২.
হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের সাধারণত কত দিনের মধ্যে করতে হয়?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ৯০ দিন।
- রিভিশনের তামাদির মেয়াদ সরাসরি তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ নেই। তবে আদালতের রীতি ও প্রথা অনুযায়ী, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়। 
এ ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত সময়সীমা অনুসরণ করা হয়:
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়েরের সময়সীমা: সংশ্লিষ্ট আদেশ বা রায় পাওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজ আদালতে রিভিশন দায়েরের সময়সীমা: সংশ্লিষ্ট আদেশ বা রায় পাওয়ার তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
৭৩.
তামাদি আইনের কোন ধারার বিধান অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের মামলার ক্ষেত্রে 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. ৬ ধারার
  2. ৭ ধারার
  3. ৮ ধারার
  4. ৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
৮ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান অনুযায়ী, অগ্রক্রয়ের মামলার ক্ষেত্রে 'বৈধ অপারগতা' সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য নয়।
- এই ধারা অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার সংক্রান্ত মামলায় তামাদির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বৈধ অপারগতা বা অক্ষমতা (যেমন কোনো কারণে মামলা দায়ের করা সম্ভব না হওয়া) গণনা করা হবে না। অর্থাৎ, তামাদি আইনের ৬ অথবা ৭ ধারার বিধান এই ধরনের মামলায় প্রযোজ্য নয়, এবং অপারগতার সময় পরবর্তী ৩ বছর ছাড়া মেয়াদ বাড়ানো যাবে না।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
----------------
⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৭৪.
মৃত্যু দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কতদিনের তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত আছে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদি আইন, ১৯০৮-এর তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৫১ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ৭ দিনের তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়সীমা মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে গণনা করা হয়।
- অনুচ্ছেদ ১৫১: মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য ৭ দিন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎক্ষণিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।

অতএব, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৭ দিনের তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত আছে।
৭৫.
বর্তমানে তামাদি আইনে কতটি ধারা ও তফসিল বলবৎ আছে?
  1. ২৯টি ধারা এবং ২টি তফসিল
  2. ৩০টি ধারা এবং ১টি তফসিল
  3. ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল
  4. ৩১টি ধারা এবং ১টি তফসিল
সঠিক উত্তর:
২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ বর্তমানে তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) অনুযায়ী:
- ২৯টি ধারা বলবৎ আছে।
- ১টি তফসিল বলবৎ আছে।
অতএব, বর্তমানে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনে মোট ২৯টি ধারা এবং ১টি তফসিল বলবৎ আছে।

আইনের তফসিল (১টি):
এই তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যেখানে তিন ধরনের বিষয়ের তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে— 
- মোকদ্দমা দায়েরের তামাদি মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ১-১৪৯।
- আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ১৫০-১৫৭।
- দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ: অনুচ্ছেদ ১৫৮-১৮৩।
৭৬.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কিভাবে তার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে পারে?
  1. নিজস্ব উদ্যোগে
  2. কোনো আবেদনের ভিত্তিতে
  3. প্রধান বিচারপতির নির্দেশে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ) করার ক্ষমতা:
অনুচ্ছেদ ৩৪(৮) অনুযায়ী: বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে তার পূর্বের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (review), পরিবর্তন (vary) বা বাতিল (rescind) করতে পারে।
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
------------------ 
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 Article-34(8):
The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.
৭৭.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules 1972-এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা আহ্বান করবেন কে?
  1. বার কাউন্সিলের সদস্য
  2. বার কাউন্সিলের সভাপতি
  3. বার কাউন্সিলের সম্পাদক
  4. বার কাউন্সিলের নির্বাচিত চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-এর ২৮ বিধি অনুযায়ী:
- বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে।
- এই সভা আহ্বানের দায়িত্ব বার কাউন্সিলের সম্পাদক-এর উপর বর্তায়।
- সভাটি পরিচালনা করবেন একজন সদস্য, যিনি সভার চেয়ারম্যান হিসেবে ভোটে নির্বাচিত হবেন।
অতএব, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
৭৮.
Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায় একজন আইনজীবীর কোন বিষয়ে আলোচনা করে?
  1. মক্কেলদের প্রতি আচরণ
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. জনসাধারণের প্রতি আচরণ
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
সঠিক উত্তর:
মক্কেলদের প্রতি আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলদের প্রতি আচরণ
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায় একজন আইনজীবীর মক্কেলদের প্রতি আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। এই অধ্যায়ে একজন আইনজীবী কীভাবে তার মক্কেলদের সাথে আচরণ করবেন, তাদের প্রতি তার দায়িত্ব ও কর্তব্য কী—সেই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মক্কেলদের প্রতি আচরণ-এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো:
মক্কেলের প্রতি বিশ্বস্ততা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা।
মক্কেলকে সঠিক ও ন্যায্য পরামর্শ প্রদান করা।
মক্কেলকে মামলা করতে প্ররোচিত না করা।
মক্কেলের স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো।

অন্যদিকে:
খ) আদালতের প্রতি কর্তব্য (৩য় অধ্যায়ে আলোচিত)।
গ) জনসাধারণের প্রতি আচরণ (৪র্থ অধ্যায়ে আলোচিত)।
ঘ) অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (১ম অধ্যায়ে আলোচিত)।
অতএব, Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায় একজন আইনজীবীর মক্কেলদের প্রতি আচরণ নিয়ে আলোচনা করে।
৭৯.
বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. এনরোলমেন্ট কমিটি
  4. আইন শিক্ষা কমিটি
সঠিক উত্তর:
এনরোলমেন্ট কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনরোলমেন্ট কমিটি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: গ) এনরোলমেন্ট কমিটি।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটিগুলো হলো:
ক) নির্বাহী কমিটি
খ) আর্থিক কমিটি
ঘ) আইন শিক্ষা কমিটি
এই অনুচ্ছেদে এনরোলমেন্ট কমিটি-এর কোনো উল্লেখ নেই। তাই এটি বার কাউন্সিলের স্থায়ী কমিটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ - অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে—যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।
---------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.