পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা [বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজ সংস্কারক।] উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী কবে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন?
  1. ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত
  2. ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত
  3. ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত
  4. ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী: 
- হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ১৯৪৬ থেকে ১৯৪৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের পক্ষে বিশাল বিজয়ে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- ঐ নির্বাচনে মুসলিম লীগ ১২১টি সংরক্ষিত মুসলিম আসনের মধ্যে ১১৪টি আসনে জয়লাভ করে।
- এই বিজয়ের ফলে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন।
- তিনি ১৯৪৬ সালের এপ্রিল মাসে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তাঁর নেতৃত্বেই ১৬ আগস্ট ১৯৪৬ "প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস" পালন করা হয়, এর ফলে কলকাতায় ভয়াবহ দাঙ্গা ঘটে।
- মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি মুসলিম লীগের লক্ষ্য পূরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
- তিনি হিন্দু নেতাদের সঙ্গে মিলে "স্বাধীন ও অখণ্ড বাংলা" গঠনের প্রস্তাব দেন, যা ব্যর্থ হয়।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ভারত বিভাজনের মধ্য দিয়ে তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের অবসান ঘটে।
- দেশবিভাগের পর তিনি প্রথমে ভারতে থাকেন এবং গান্ধীর সঙ্গে শান্তি মিশনে কাজ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

.
ভারতীয় উপমহাদেশে 'স্বরাজ দল' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. চিত্তরঞ্জন দাস
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. সুভাষ চন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
চিত্তরঞ্জন দাশ:
- ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা রাজনীতিবিদদের মধ্যে চিত্তরঞ্জন দাস অন্যতম।
- তিনি “দেশবন্ধু” নামে সাধারণ্যে পরিচিত ছিলেন এবং একজন বলিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা ছিলেন।
- ১৯২০-এর দশকে কংগ্রেসের মধ্যে স্বরাজ বা স্ব-শাসন অর্জনের পথ নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়।
- চিত্তরঞ্জন দাস মনে করতেন, কংগ্রেসকে আইনসভায় প্রবেশ করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভিতর থেকে আন্দোলন চালানো উচিত।
- এই মতবিরোধ থেকেই ১৯২৩ সালে চিত্তরঞ্জন দাস ও মোতিলাল নেহরু মিলে ‘স্বরাজ দল’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বরাজ দলের লক্ষ্য ছিল আইন পরিষদে গিয়ে ব্রিটিশ নীতির বিরুদ্ধে কাজ করা ও স্ব-শাসনের দাবি তোলা।
- দলটি কংগ্রেসের অংশ হয়েও আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণ করে।
- চিত্তরঞ্জন দাস ছিলেন স্বরাজ দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
- এই দলের মাধ্যমেই পরবর্তীতে তিনি কলকাতা সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন (১৯২৪)।
- স্বরাজ দল ভারতীয় রাজনীতিতে সংসদীয় বিরোধিতার একটি নতুন ধারা সূচনা করে এবং চিত্তরঞ্জন দাস এর নেতৃত্বে ছিল অনন্য উদাহরণ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্বে কে আসেন?
  1. মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ
  2. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  3. মজনু শাহ
  4. মাওলানা মুহাম্মদ আলী
ব্যাখ্যা
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।

ফরায়েজী আন্দোলন:
- ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরিয়ত উল্লাহ।
- জী শরিয়ত উল্লাহ বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর এই সংস্কার আন্দোলনের নামই ফরায়েজি আন্দোলন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে।
- যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য, 
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে কাকে ধরা হয়?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. স্যার সলিমুল্লাহ
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. জওহরলাল নেহরু
ব্যাখ্যা
- দ্বি-জাতি তত্ত্বের (Two-Nation Theory) প্রবক্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্ব: 

- দ্বিজাতিতত্ত্ব  ভারত ও পাকিস্তান নামে দু’টি স্বাধীন জাতি ও রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে ভারতকে রাজনৈতিকভাবে দ্বিধাবিভক্ত করার নির্ণায়ক ও আদর্শাশ্রয়ী একটি রাজনৈতিক মতবাদ।
- এই মতবাদই ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ বা ‘Two Nations Theory’ নামে পরিচিত।
- তাঁর এই তত্ত্ব ছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব বা পাকিস্তান প্রস্তাবের মূলভিত্তি।
- যদিও উক্ত প্রস্তাবে ‘পাকিস্তান’ শব্দটি বা ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবুও প্রস্তাবের অন্তর্নিহিত বক্তব্য ছিল হিন্দু ও মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর এই তত্ত্বই পরবর্তীতে ভারত বিভাগের অন্যতম যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম’ সংগঠনটি কার উদ্যোগে গঠিত হয়?
  1. শামসুন্নাহার মাহমুদ
  2. বেগম রোকেয়া
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  4. বেগম সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর, রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।
- তিনি ছিলেন উপমহাদেশের মুসলিম নারীদের শিক্ষার পথিকৃৎ ও সমাজ সংস্কারক।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের সামাজিক-রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি ১৯১৬ সালে “আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম” বা মুসলিম মহিলা সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।

উল্লেখ্য, 
- রোকেয়ার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে: মতিচূর (প্রবন্ধগ্রন্থ, দুই খণ্ড; প্রথম খণ্ড ১৯০৪ সালে ও দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২২ সালে প্রকাশিত), Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮), পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪) এবং অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১)।
- Sultana’s Dream বইটি তিনি নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে। এটি একটি প্রতীকী রচনা। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
মহাত্মা গান্ধীর সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকার নাম কী?
  1. Indian Opinion
  2. Indian liberation
  3. Indian Happiness
  4. Indian Observer
ব্যাখ্যা
মাহাত্ম গান্ধী:
- অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মহাত্মা গান্ধী।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পোরবন্দ নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা এই উপাধিটি রবীন্দ্রনাথ প্রদান করেন।
- ইন্ডিয়ান ওপিনিয়ন ১৯০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে মহাত্মা গান্ধী এবং এমএইচ নাজার সম্পাদনা করেছিলো। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও Gandhi Research Foundation.
.
কার উদ্যোগে 'মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. নওয়াব আবদুল লতিফ
  4. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা
মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি:
- মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি একটি সামাজিক সংগঠন।
- ১৮৬৩ সালে নওয়াব আবদুল লতিফ কর্তৃক কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত।
- সোসাইটির সেক্রেটারি আবদুল লতিফের কলকাতার ১৬নং তালতলার বাসভবনে সোসাইটির সদর দপ্তর ছিল।
- সোসাইটির কমিটির মোট ১২ জন সদস্য ছিলেন। বাংলার ছোটলাটকে সোসাইটির পৃষ্ঠপোষক করা হয়েছিল।
- সমগ্র ভারতবর্ষের পাঁচ শ’রও বেশি মুসলমান সোসাইটির সাধারণ সদস্যভুক্ত ছিল।
- আবদুল লতিফের ভাষায় ‘মুসলমানদের ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করা এবং সামাজিক আচরণ ও আদান-প্রদানে শিক্ষিত হিন্দু ও ইংরেজদের সমকক্ষ করে তোলাই ছিল সোসাইটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
হেনরি ডিরোজিওর নেতৃত্বে গঠিত মুক্তচিন্তক ছাত্রগোষ্ঠীর নাম কী ছিল?
  1. ইয়ংফ্রেন্ড
  2. ইয়ংবেঙ্গল
  3. বেঙ্গলফ্রেন্ড
  4. মুক্তবেঙ্গল
ব্যাখ্যা
হেনরি ডিরোজিও:
- ডিরোজিওর পূর্ণ নাম হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।
- তিনি একজন ইউরেশীয় তরুণ কবি, যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও শিক্ষক।
- মাত্র সতেরো বছর বয়সে হিন্দু কলেজের (বর্তমান নাম প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষক নিযুক্ত হন।
- ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত তাঁর একটি সংগঠন 'অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন'।
- ডিরোজিওর অনুসারী মুক্তচিন্তক গোষ্ঠীকে বলা হয় 'ইয়ংবেঙ্গল'।
- তিনি 'ডেইলি দি ইস্ট ইন্ডিয়ান' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মহাত্মা গান্ধী কত সালে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন?
  1. ১৯২৩ সালে
  2. ১৯২০ সালে
  3. ১৯২৮ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধী: 
- অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পোরবন্দ নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা এই উপাধিটি রবীন্দ্রনাথ প্রদান করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস নামক দল গঠন করেন।
-  দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের উপর বর্ণবাদী আচরনের বিরুদ্ধে তিনি সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি সেখানে ১৯১০ সালে একটি আশ্রম গড়ে তুলেন যার নাম ছিল - তলস্তয় ফার্ম (Tolstoy Farm)।
- এই আশ্রম থেকেই আন্দোলন পরিচালিত হত এবং সেখানে তিনি একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন যার নাম “দ্যা ক্রনিকাল”। 

উল্লেখ্য, 
- ভারতে ব্রিটিশদের অত্যাচার ও ১৯১৯ সালে জালিয়ালওয়ালাগের হত্যাকান্ডের প্রেক্ষিতে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ১৯২০ সালে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯৪২ সালে মহাত্মাগান্ধী ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ‘ভারত ছাড় আন্দোলন' (Quit India Movement) শুরু করেন। 
- ১৯৪৬ সালে তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুরী ভ্রমন করেন দাঙ্গা থামানোর লক্ষ্যে এবং সোনাইমুরীতে তার নামে একটি জাদুঘর আছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১০.
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. Banking with the Poor
  2. Voice of the Poor
  3. Grameen and the Poor
  4. Banker to the Poor
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৪০ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- শিক্ষা জীবনের শুরুতে তিনি গ্রামের “মহাজন ফকিরের স্কুল” নামে একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন।
- মাধ্যমিক পর্যায়ে তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬তম স্থান অর্জন করেন।
- ১৯৫৭ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ ও এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। স্নাতকোত্তর শেষ করে কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ব্যুরো অব ইকোনমিক্স-এ গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করেন। পরে, ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।

- ১৯৬৫ সালে ড. ইউনূস ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিনি মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। - ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- তাঁর এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে তিনি এবং গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই Banker to the Poor বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
- পরবর্তীকালে, তিনি ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

সূত্র: ইউনুস সেন্টার ঢাকা এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
‘ভারতে রাজভক্ত মুসলমান’ বইয়ের রচয়িতা কে?
  1. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আহমদ খান:
- সিপাহী বিদ্রোহের জন্য ইংরেজ সরকার মুসলমানদের এককভাবে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে নানা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করে।
- ভারতীয় মুসলমানদের দুর্দশা সৈয়দ আহমদ খানকে ব্যথিত করে।
- এমতাবস্থায় সৈয়দ আহমদ খান ভারতীয় মুসলমানদের প্রতি ইংরেজ সরকারের মনোভাব পরিবর্তনের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তিনি ‘ভারতে সিপাহী বিদ্রোহের কারণ’ এবং ‘ভারতের রাজভক্ত মুসলমান' নামক দুটি বই রচনা করেন।
- তিনি যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করেন যে, সিপাহী বিদ্রোহের জন্য মুসলমানরা দায়ী ছিল না।
- বরং বিদ্রোহকালে অধিকাংশ মুসলমান ইংরেজদের পক্ষে ছিল।
- তাঁর যৌক্তিক আলোচনায় মুসলমানদের প্রতি ইংরেজদের দৃষ্টিভঙ্গি যথেষ্ট পরিবর্তন ঘটে।
- উল্লেখ্য যে, সৈয়দ আহমদ খান নিজে ইংরেজ অনুগত ছিলেন।
- তিনি ভারতের মুসলমানদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য তাদেরকেও ইংরেজ অনুগত হওয়ার এবং তাদের সহযোগিতা করার উপদেশ দেন।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কী?
  1. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
  3. লিয়াকত আলী খান
  4. আবুল হাশেম
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন প্রবর্তনের পর ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টির মধ্যে কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয় এবং ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

পরবর্তীতে,
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ ১২১টি আসনের মধ্যে ১১৪টি আসনে বিজয়ী হয় এবং তিনি মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
মাওলানা ভাসানী জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের কোন জেলায়?
  1. টাঙ্গাইল
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. কুষ্টিয়া
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- মাওলানা ভাসানী জন্মগ্রহণ করেন ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে।
- তিনি ১৯১৯ সালে অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
- পরে টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে কৃষক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৩৭ সালে মুসলিম লীগে যোগ দিয়ে আসাম শাখার সভাপতি হন।
- ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করে এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে মুসলিম লীগকে পরাজিত করেন।
- ১৯৫৭ সালে কাগমারির সম্মেলনে নীতিগত দ্বন্দ্বে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে সরে দাঁড়ান।
- পরে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন করে রাজনীতি চালিয়ে যান।
- ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজের বিরুদ্ধে তিনি ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন এবং ঐ বছরের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১৪.
নওয়াব ফয়জুন্নেসা জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
  1. ঢাকায়
  2. কুমিল্লায়
  3. রংপুরে
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
- নওয়াব ফয়জুন্নেসা জন্মগ্রহণ করেন কুমিল্লায়। 

 • নবাব ফয়জুন্নেসা:
- নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন জমিদার, নারীশিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি।
- কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার বংশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা আহমদ আলী চৌধুরী ছিলেন হোমনাবাদ-পশ্চিমগাঁও-এর জমিদার।
- পারিবারিক পরিবেশে গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাড়িতেই তিনি শিক্ষালাভ করেন।
- মুসলমানদের কঠিন পর্দাপ্রথার মধ্যে থেকেও ফয়জুন্নেসা আরবি, ফারসি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত ভাষায়ও ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন।
- গদ্যে-পদ্যে রচিত তাঁর রূপজালাল (১৮৭৬) গ্রন্থটি রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১৫.
কোন প্রতিষ্ঠান ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধিতে ভূষিত করে?
  1. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ইংরেজী কলেজ
  3. সংস্কৃত কলেজ
  4. হিন্দু কলেজ
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন উনিশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও লেখক।
- ১৮৩৯ সালে কলকাতার সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে তার অসাধারণ পাণ্ডিত্য ও জ্ঞানগরিমার জন্য ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধিতে ভূষিত করে। 

উল্লেখ্য, 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ছিল বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তিনি সাহিত্যে অবদানের পাশাপাশি শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারমূলক রচনাতেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস উল্লেখযোগ্য।
- এ ছাড়াও শিক্ষামূলক রচনার ক্ষেত্রে তাঁর লেখা আখ্যান মঞ্জরী, বোধোদয়, বর্ণপরিচয়, কথামালা প্রভৃতি গ্রন্থ বাংলা ভাষা ও শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
রামমোহন রায়কে 'রাজা' উপাধিতে ভূষিত করেন কে?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. রাজা পঞ্চম জর্জ
  3. সম্রাট দ্বিতীয় আকবর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

রাজা রামমোহন রায়: 
- রাজা রামমোহন রায় ছিলেন উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত।
- তিনি রাধানগর গ্রামে এক রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সংস্কৃত, বাংলা, হিন্দি, ফারসি ও আরবিতে তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল।
- একেশ্বরবাদ প্রচারে তিনি আত্মীয় সভা গঠন করেন এবং ১৮২২ সালে অ্যাংলো-হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- সম্রাট দ্বিতীয় আকবর তাঁকে “রাজা” উপাধি দেন।
- তিনি সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ও কৌলীন্য প্রথার বিরোধিতা করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত হয়।
- পরে তাঁর আন্দোলন থেকে ব্রাহ্ম সমাজ গঠিত হয়, ১৮৪৩ সালে “ব্রাহ্মধর্ম” নামে রূপান্তরিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১৭.
স্যার সৈয়দ আহমদ খানের নেতৃত্বে গঠিত আন্দোলনের নাম কী ছিল?
  1. খেলাফত আন্দোলন
  2. আলিগড় আন্দোলন
  3. অসহযোগ আন্দোলন
  4. ফরায়েজি আন্দোলন
ব্যাখ্যা
আলীগড় আন্দোলন:
- আলীগড় আন্দোলন হচ্ছে আলীগড়ভিত্তিক সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলন।
- স্যার সৈয়দ আহমদ খানের নেতৃত্বে আলীগড় আন্দোলন সংঘটিত হয়।

এছাড়াও, 
- ১৮৭৫ সালে সৈয়দ আহমদ খান আলীগড়ে 'মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৭৭ সালে এটি কলেজে উন্নীত হয়।
- সৈয়দ আহমদ খান এ আলীগড় কলেজকে কেন্দ্র করে অধঃপতিত অবস্থা থেকে মুসলমানদের পুনরুদ্ধার ও তাদের পুনর্জাগরণের জন্য একটি আন্দোলন পরিচালনা করেন।
- ইতিহাসে এটিই 'আলীগড় আন্দোলন' নামে প্রসিদ্ধ।
- এ আন্দোলন মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক ভাবধারা ও চিন্তা-চেতনা জাগ্রত করে।

অন্যদিকে: 
- মাওলানা মুহাম্মদ আলী খিলাফত আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরিয়ত উল্লাহ।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।