পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫: বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
যে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডে সমস্ত কম্পোনেন্ট যুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই
  2. মাদারবোর্ড
  3. প্রসেসর
  4. হার্ড ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা

• যে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডে কম্পিউটারের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট যুক্ত থাকে তাকে মাদারবোর্ড বলা হয়। মাদারবোর্ড কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ড ডিস্ক, গ্রাফিক্স কার্ড, পাওয়ার সাপ্লাইসহ বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত থাকে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এটি পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে সমন্বয় করে এবং ডেটা আদান-প্রদান সহজ করে। মাদারবোর্ডে বিভিন্ন স্লট, পোর্ট ও চিপসেট থাকে যা কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই কম্পিউটারের অন্যান্য সব অংশকে একত্রে কাজ করানোর জন্য মাদারবোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) মাদারবোর্ড।

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভিতরে থাকা প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে সিস্টেমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযোজনের সুযোগ থাকে।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়শই কম্পিউটারের “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সব উপাদানকে একত্রিত করে সংযোগ প্রদান করে।
- ভালো ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে: Gigabyte, Intel, Foxconn, Asus ইত্যাদি।

অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের কেসের ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল। 
২। ব্রিটানিকা। 
৩। বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

.
প্রথম কোন ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছিল?
  1. Ethereum
  2. Ripple
  3. Litecoin
  4. Bitcoin
সঠিক উত্তর:
Bitcoin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bitcoin
ব্যাখ্যা

• প্রথম যে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল তা হলো Bitcoin। ২০০৮ সালে একজন রহস্যময় ব্যক্তি বা গোষ্ঠী Satoshi Nakamoto বিটকয়েনের ধারণা প্রকাশ করেন এবং ২০০৯ সালে এর নেটওয়ার্ক চালু হয়। বিটকয়েনের মূল ভিত্তি হলো ব্লকচেইন প্রযুক্তি, যেখানে লেনদেনগুলো ব্লকের মধ্যে সংরক্ষিত হয়ে একটির সাথে আরেকটি ক্রমানুসারে যুক্ত থাকে। এই প্রযুক্তি বিকেন্দ্রীকৃত হওয়ায় কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা এবং পরিবর্তন-অযোগ্য ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্লকচেইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ব্লকচেইন প্রযুক্তির প্রথম বাস্তব প্রয়োগ দেখা যায় বিটকয়েনের মাধ্যমে।
 
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে।
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল।
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়।
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়।
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

.
OCR শব্দের পূর্ণাঙ্গ রূপ কী?
  1. Optical Card Recognition
  2. Optical Character Recognition
  3. Online Code Recognition
  4. Optical Code Recognition
সঠিক উত্তর:
Optical Character Recognition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Optical Character Recognition
ব্যাখ্যা

• OCR শব্দের পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো Optical Character Recognition। এটি একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে স্ক্যান করা ছবি, প্রিন্ট করা লেখা বা হাতে লেখা অক্ষরকে কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে এবং সেগুলোকে সম্পাদনযোগ্য ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বই বা নথি স্ক্যান করলে OCR সফটওয়্যার সেই ছবির ভেতরের অক্ষরগুলো চিনে নিয়ে টেক্সটে পরিণত করে, যাতে তা সহজে পড়া, কপি করা বা সম্পাদনা করা যায়। বর্তমানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট ডিজিটাইজেশন, ব্যাংকিং, ডাটা এন্ট্রি এবং আর্কাইভ সংরক্ষণে OCR প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Optical Character Recognition.

• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

.
ক্যাশ মেমরি তৈরির জন্য সাধারণত কোন ধরনের মেমরি প্রয়োগ করা হয়?
  1. ম্যাগনেটিক স্টোরেজ
  2. ডায়নামিক র‍্যাম (DRAM)
  3. ফ্ল্যাশ মেমরি
  4. স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) 
সঠিক উত্তর:
স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) 
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি তৈরির জন্য সাধারণত ঘ) স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ব্যবহার করা হয়। ক্যাশ মেমরি হলো প্রসেসরের খুব কাছাকাছি থাকা একটি উচ্চগতির মেমরি, যা ঘন ঘন ব্যবহৃত ডেটা ও নির্দেশ দ্রুত সরবরাহ করে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতির হওয়ায় এটি ক্যাশ মেমরির জন্য উপযোগী। এতে ডেটা সংরক্ষণ করতে নিয়মিত রিফ্রেশ করার প্রয়োজন হয় না, ফলে অ্যাক্সেস টাইম কম হয় এবং প্রসেসর দ্রুত ডেটা পায়। অন্যদিকে DRAM তুলনামূলক ধীর এবং রিফ্রেশ দরকার হয়, ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ও ফ্ল্যাশ মেমরি আরও ধীর। তাই দ্রুত কর্মক্ষমতার জন্য ক্যাশ মেমরি সাধারণত SRAM দিয়েই তৈরি করা হয়।
 
 • ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

.
হেক্সাডেসিমেল সিস্টেমে দশমিক ১৫ কোন অক্ষর বা প্রতীকে প্রকাশ করা হয়? 
  1. E
  2. F
  3. D
  4. C
সঠিক উত্তর:
F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি একটি ভিত্তি-১৬ (base-16) পদ্ধতি, যেখানে মোট ১৬টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: ০–৯ এবং A, B, C, D, E, F। এখানে ০–৯ পর্যন্ত সংখ্যা একই থাকে, কিন্তু দশমিক ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন, দশমিক ১০ = A, ১১ = B, ১২ = C, ১৩ = D, ১৪ = E এবং ১৫ = F। তাই দশমিক সংখ্যা ১৫ হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে F দ্বারা প্রকাশ করা হয়। সুতরাং দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) F। হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
- হেক্সাডেসিমেল একটি ১৬-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে মোট ১৬টি অংক বা ডিজিট ব্যবহার করা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় ১৬টি প্রতীকের মধ্যে দশমিক পদ্ধতির দশটি প্রতীক এবং বাকী ৬টি বর্ণ প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- ০ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক প্রতীক এবং ৯-এর পরেরগুলো হচ্ছে A, B, C, D, E ও F ।
- এখানে A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক মান হচ্ছে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫। 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

.
FLOPS দ্বারা সুপারকম্পিউটারের গতি পরিমাপ করা হয়। এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Fixed Point Operations Per Second
  2. Fast Logical Operations Per Second
  3. Floating Line Operations Per Second
  4. Floating Point Operations Per Second
সঠিক উত্তর:
Floating Point Operations Per Second
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Floating Point Operations Per Second
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ঘ) Floating Point Operations Per Second.

FLOPS-এর পূর্ণরূপ হলো Floating Point Operations Per Second। এটি সুপারকম্পিউটারের গতি বা গণনাক্ষমতা পরিমাপ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ একক। FLOPS দ্বারা বোঝানো হয়, একটি কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো ফ্লোটিং পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে। ফ্লোটিং পয়েন্ট অপারেশন সাধারণত জটিল বৈজ্ঞানিক গণনা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, মহাকাশ গবেষণা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। কোনো সুপারকম্পিউটারের FLOPS যত বেশি হয়, তার গণনার গতি ও ক্ষমতাও তত বেশি হয়। তাই সুপারকম্পিউটারের কর্মক্ষমতা তুলনা করার ক্ষেত্রে FLOPS একটি মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

.
IoT (Internet of Things) ডিভাইসের ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে সাধারণত কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়ে থাকে? 
  1. DNS ও DHCP
  2. IP ও TCP 
  3. HTTP ও HTTPS
  4. FTP ও SMTP
সঠিক উত্তর:
IP ও TCP 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IP ও TCP 
ব্যাখ্যা

• IoT (Internet of Things) ডিভাইসের ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে সাধারণত খ) IP ও TCP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়। IP (Internet Protocol) নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইসকে একটি স্বতন্ত্র ঠিকানা প্রদান করে এবং ডেটা প্যাকেটকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে TCP (Transmission Control Protocol) ডেটা আদান-প্রদানকে নির্ভরযোগ্য ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করে, যাতে ডেটা হারিয়ে না যায় বা ভুলভাবে না পৌঁছায়। IoT ডিভাইস যেমন স্মার্ট সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইস বা স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ যন্ত্র- এসবের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য IP ও TCP গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ডেটা যোগাযোগ নিশ্চিত করতে এই দুই প্রোটোকল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT):
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা যন্ত্রপাতি ও ডিভাইসকে ইন্টারনেট এবং একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে সক্ষম করে, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) এবং ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রোটোকল (TCP) ব্যবহার করে। এই প্রোটোকলগুলো ইথারনেট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং ৫জি-র মতো সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা বিনিময় সহজ করে, শারীরিক ও ডিজিটাল জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।

IoT ডিভাইসের ধরণ:
১. ডিজিটাল-প্রথম (Digital-first): যেমন স্মার্টফোন, যেগুলিতে বিল্ট-ইন কানেক্টিভিটি থাকে এবং যন্ত্র থেকে যন্ত্রে (M2M) যোগাযোগ করে।
২. শারীরিক-প্রথম (Physical-first): প্রচলিত বস্তু যেমন যানবাহন বা মেডিক্যাল ডিভাইস, যেগুলিতে মাইক্রোচিপ বা সেন্সর যুক্ত করে তাদের কার্যকারিতা এবং ট্র্যাকিং সক্ষমতা বাড়ানো হয়।

IoT-এর ব্যবহার:
- ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য মনিটরিং
- স্মার্ট ট্রাফিক নেটওয়ার্ক
- সংযুক্ত স্টোরেজ ট্যাংক
- COVID-19 মহামারীর সময় সংযুক্ত থার্মোমিটার জ্বর মনিটর করে ভাইরাসের বিস্তার ট্র্যাক করেছে।
- কৃষি, পরিবহন, এবং স্বাস্থ্যসেবায় সম্পদ ব্যবহার ও কার্যকারিতা বাড়ানো।

ইতিহাস:
- ব্রিটিশ প্রযুক্তিবিদ কেভিন অ্যাশটন ১৯৯৯ সালে "Internet of Things" শব্দটি প্রবর্তন করেন।

সুরক্ষা ও গোপনীয়তা চ্যালেঞ্জ:
- সংযুক্তি বৃদ্ধি ডেটা লঙ্ঘন এবং অবৈধ প্রবেশের সম্ভাবনা বাড়ায়।
- নিরাপত্তার অভাবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও আর্থিক তথ্যসহ ডেটা হারানো, চুরি হওয়া বা অপব্যবহার হতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

.
নিম্নলিখিত তালিকা থেকে কোনটি শারীরিক বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির উদাহরণ?
  1. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  2. টাইপিং গতি যাচাইকরণ
  3. স্বাক্ষর শনাক্তকরণ
  4. মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ
সঠিক উত্তর:
মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা

• শারীরিক বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি হলো সেই প্রযুক্তি যা মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে পরিচয় নির্ধারণ করে। এটি এমন বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে যা সাধারণত পরিবর্তন হয় না এবং অনন্য হয়, যেমন চোখের রঙ, আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডলের অবয়ব ইত্যাদি। তালিকায় দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ, টাইপিং গতি যাচাইকরণ বা স্বাক্ষর শনাক্তকরণ মূলত আচরণগত বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি, কারণ এগুলো মানুষের আচরণ বা শৈলীর উপর নির্ভর করে। অন্যদিকে, মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ সরাসরি শারীরিক বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে। তাই, শারীরিক বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির উদাহরণ হিসেবে ঘ) মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ সঠিক উত্তর।
 
• বায়োমেট্রিক্স:
বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বাক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

.
10 ভিত্তিতে 12-এর 1-এর পরিপূরক নির্ণয় করুন।
  1. 1010
  2. 0100
  3. 0011
  4. 1100
সঠিক উত্তর:
0011
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0011
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 10 ভিত্তিতে 12-এর 1-এর পরিপূরক নির্ণয় করুন।

সমাধান:
(12)10 = (1100)2

1100 এর 1 এর পরিপূরক = 0011

উল্লেখ্য, ১-এর পরিপূরক হলো প্রতিটি বিটের বিপরীত রূপ। এটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে নেতিবাচক সংখ্যার প্রতিনিধিত্বের জন্য ব্যবহার হয়। বাইনারি সংখ্যার ১-এর পরিপূরক বের করা খুবই সহজ, কেবল প্রত্যেকটি বিট উল্টে দিতে হয়।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১০.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এক্সপিরিয়েন্স করার জন্য কোন ডিভাইস ব্যবহার করতে হয়? 
  1. Printer
  2. Monitor
  3. Keyboard
  4. Headset
সঠিক উত্তর:
Headset
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Headset
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এক্সপিরিয়েন্স করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস হলো ঘ) হেডসেট। হেডসেট একটি বিশেষ ধরনের চশমার মতো যন্ত্র, যা ব্যবহারকারীর চোখের সামনে একটি স্ক্রিন দেখায় এবং মুভমেন্ট সেন্সর ব্যবহার করে মাথার চলাচলের সাথে ভিজ্যুয়াল পরিবেশকে পরিবর্তন করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণভাবে একটি কল্পিত জগতে প্রবেশ করতে পারে এবং চারপাশের দৃশ্য, অবজেক্ট, এবং সাউন্ডের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে। অন্যান্য ডিভাইস যেমন প্রিন্টার, মনিটর বা কীবোর্ড VR এক্সপিরিয়েন্সের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না। হেডসেট ছাড়া VR-এর সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব নয়, কারণ এটি ভিজ্যুয়াল ও অডিয়োর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ইমারসন তৈরি করে। তাই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি উপভোগের জন্য হেডসেট অপরিহার্য।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১১.
অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে পাওয়া যায়:
  1. 165
  2. 167
  3. 171
  4. 175
সঠিক উত্তর:
165
উত্তর
সঠিক উত্তর:
165
ব্যাখ্যা

• অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 165

• অক্টাল কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যাকে (ভিত্তি 8) ডেসিমেল সংখ্যায় (ভিত্তি 10) রূপান্তর করতে হলে, অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান এবং ভিত্তি (8) দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলগুলো যোগ করতে হয়।
- উদাহরণ: (124)8, (731)8 ইত্যাদি।

এখানে, (245)8 কে ডেসিমেল সংখ্যা হিসেবে রূপান্তর করি:
(245)8 = 2 × 82 + 4 × 81 + 5 × 80
= 2 × 64 + 4 × 8 + 5 × 1
= 128 + 32 + 5
= 165
∴ (245)8 = 165

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১২.
MICR প্রযুক্তি কোন কাজটি সম্পন্ন করতে সাহায্য করে?
  1. ইন্টারনেট ব্যবহার
  2. চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
  3. ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ
  4. মোবাইল ব্যাংক ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি মূলত চেক প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ব্যাংক চেক গ্রহণ করে, তখন চেকের নিচের অংশে থাকা বিশেষ চিহ্ন এবং সংখ্যাগুলি এই প্রযুক্তির সাহায্যে পড়া হয়। MICR প্রযুক্তি চেকের তথ্য দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করতে পারে, যেমন চেক নম্বর, ব্যাংক কোড এবং শাখার তথ্য। এটি মানবদ্বারা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমায় এবং চেক ক্লিয়ারিং প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে। অর্থাৎ, MICR প্রযুক্তি চেক প্রক্রিয়াকে নিরাপদ, নির্ভুল এবং সময়সাশ্রয়ী করে। তাই এটি সরাসরি “চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা” কাজটি সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

- সঠিক উত্তর: খ) চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।
 
⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
বর্তমান কম্পিউটারে প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে সাধারণত কোন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়?
  1. GPT
  2. DOS
  3. CMOS
  4. UEFI
সঠিক উত্তর:
UEFI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UEFI
ব্যাখ্যা

• বর্তমান কম্পিউটারে প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে সাধারণত UEFI সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) হলো একটি আধুনিক ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস যা BIOS-এর সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করে। এটি দ্রুত বুট সময়, বড় হার্ড ড্রাইভ সমর্থন, এবং উন্নত সিকিউরিটি ফিচার যেমন Secure Boot প্রদান করে। UEFI গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস সমর্থন করে, যা ব্যবহারকারীর জন্য আরও সহজ এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ। এছাড়াও এটি হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি স্থিতিশীল এবং উন্নত সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম। তাই নতুন কম্পিউটারগুলোতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহার করা হচ্ছে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) UEFI.

BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।

BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১৪.
যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. ১ PFLOPS
  2. ১ GFLOPS
  3. ১ TFLOPS
  4. ১ MFLOPS
সঠিক উত্তর:
১ GFLOPS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ GFLOPS
ব্যাখ্যা

• যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে, তখন তাকে ১ জি‌ফ্লপস (GFLOPS) ক্ষমতার বলা হয়। “ফ্লপস” শব্দটি এসেছে “Floating Point Operations Per Second” থেকে, যা একটি প্রসেসরের গণনার গতিশীলতা বা পারফরম্যান্স পরিমাপ করে। এখানে “জি” মানে “গিগা”, যা এক বিলিয়নের সমান। তাই, ১ জি‌ফ্লপস মানে প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট গণনা করা। GFLOPS (Giga Floating-Point Operations Per Second)। অন্য অপশনগুলো যেমন মেগাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন), টেরাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক ট্রিলিয়ন), এবং পেটাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক কোয়াড্রিলিয়ন) ভিন্ন স্কেলে আসে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) ১ GFLOPS.
 
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

১৫.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় সংযোজন (addition) করার জন্য প্রয়োজনীয় লজিক গেট কোনটি?
  1. OR gate
  2. AND gate
  3. NOT gate
  4. NOR gate
সঠিক উত্তর:
OR gate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OR gate
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় সংযোজন (addition) করার জন্য OR gate সবচেয়ে প্রয়োজনীয়। কারণ সংযোজন বা যোগের সময় যদি কোনো ইনপুটের মান ১ হয়, তাহলে আউটপুটও ১ হবে। OR gate এই কাজটি করে, যেখানে আউটপুট তখনই ১ হয় যদি অন্তত একটি ইনপুট ১ হয়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি বুলিয়ান ভেরিয়েবল A এবং B থাকলে, তাদের সংযোজন (A + B) করতে OR gate ব্যবহৃত হয়। AND gate সাধারণত গুণ বা লগিকাল AND এর জন্য ব্যবহৃত হয়, NOT gate ইনভার্স বা লজিকাল NOT এর জন্য, আর NOR gate হলো OR এর ইনভার্টেড আউটপুট। সুতরাং বুলিয়ান সংযোজনের জন্য সরাসরি কার্যকর লজিক গেট হলো OR gate।

- সঠিক উত্তর: ক) OR gate.
 
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

• OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।