১.
কোন প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটিং সেবা ও স্টোরেজ ভাড়া নেওয়া যায়?
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি বিশেষ পরিষেবা বা একটা ব্যবসায়িক মডেল, যেখানে বিভিন্ন ধরনের রিসোর্স শেয়ার, কম্পিউটিং সেবা, সার্ভার, স্টোরেজ, সফটওয়্যার প্রভৃতি সেবা সহজে ক্রেতার সুবিধা মতো, চাহিবামাত্র ও চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহার করার সুযোগ প্রদান করা বা ভাড়া দেওয়া হয় ।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
যেমন- কোন প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েব সাইট রয়েছে এবং এই ওয়েব সাইটে একটি ব্লগ চলবে। ব্লগের অধিকাংশ ব্লগার এবং ভিজিটর বাংলাদেশের। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত এই ব্লগে ব্যবহারকারী বেশি থাকে। এর মধ্যে রাত ৮টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুব বেশি থাকে, ফলে ঐ সময় সার্ভারে খুব চাপ পড়ে, এই লোড কমানোর জন্য ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু অন্য সময়ে লোড কম থাকার ফলে ১টি সার্ভারেই কাজ হয়। তাহলে ঐ প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটটি চালানোর জন্য ২৪ ঘন্টাই ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র যে সময়ে লোড বেশি থাকে সে সময়ের জন্যই অতিরিক্ত সার্ভারগুলি ভাড়া নিতে পারলেই অনেক খরচ বেঁচে যায়। এতে করে সার্ভার ভাড়া দেয়া কোম্পানিও ফ্রি সময়ে তাদের সার্ভারগুলি অন্য প্রতিষ্ঠানের নিকট ভাড়া দিতে পারছে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান) এবং এইচ এস সি প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
যেমন- কোন প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েব সাইট রয়েছে এবং এই ওয়েব সাইটে একটি ব্লগ চলবে। ব্লগের অধিকাংশ ব্লগার এবং ভিজিটর বাংলাদেশের। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত এই ব্লগে ব্যবহারকারী বেশি থাকে। এর মধ্যে রাত ৮টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুব বেশি থাকে, ফলে ঐ সময় সার্ভারে খুব চাপ পড়ে, এই লোড কমানোর জন্য ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু অন্য সময়ে লোড কম থাকার ফলে ১টি সার্ভারেই কাজ হয়। তাহলে ঐ প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটটি চালানোর জন্য ২৪ ঘন্টাই ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র যে সময়ে লোড বেশি থাকে সে সময়ের জন্যই অতিরিক্ত সার্ভারগুলি ভাড়া নিতে পারলেই অনেক খরচ বেঁচে যায়। এতে করে সার্ভার ভাড়া দেয়া কোম্পানিও ফ্রি সময়ে তাদের সার্ভারগুলি অন্য প্রতিষ্ঠানের নিকট ভাড়া দিতে পারছে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান) এবং এইচ এস সি প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)