১.
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
ব্যাখ্যা
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসটির রচয়িতা- 'সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'।
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে তাঁর জন্ম।
- পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফরাসি নাগরিক এ্যান মেরির সঙ্গে ওয়ালীউল্লাহ পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহ'র প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনূদিত হয়।
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু।
- চাঁদের অমাবস্যা।
- কাঁদো নদী কাঁদো।
• 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- এটি একটি মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা |
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ।
• চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসের কাহিনী সংক্ষেপ:
- উপন্যাসে কোপন নদীর তীরবর্তী চাঁদপাড়া গ্রামের জনৈক যুবক শিক্ষিত আরেফ আলী শীতের এক উজ্জ্বল জ্যোৎস্না রাতে ঘর ছেড়ে বেরিয়েছিল প্রকৃতির প্রয়ােজনে। প্রয়ােজন মিটিয়ে ঘরে ফিরে না গিয়ে সে। চন্দ্রলােকিত রজনীর রূপরাশিতে মােহাবিষ্ট হয়। হঠাৎ ছায়া শরীরের আকর্ষণে সে গ্রামের পথে বেরিয়ে পড়ে।
- বাঁশঝাড়ে নিহত এক রমণীর লাশ দেখে সে ঘটনাটি আরেফ আলীর মনােলােকে আলােড়ন তােলে।
- প্রকৃত ব্যাপরটি ছিল আরেফ আলী গ্রামের যে বড়বাড়িতে আশ্রিত গৃহশিক্ষক সেই বড়বাড়িরই অন্যতম কর্তাপুরুষ কাদের আলী নিম্ন শ্রেণির এক রমণীকে সম্ভোগের উদ্দেশ্যে বাঁশঝাড়ে যায়; আরেফ সেই কাদেরকেই অনুসরণ করেছিল। আরফের পদশব্দে ভয় পেয়ে কাদের রমণীটিকে গলাটিপে হত্যা করে।
- উপন্যাসের সিংহভাগ ব্যয়িত হয়েছে আরেফ আলীর মনে উক্ত ঘটনার প্রতিক্রিয়া বর্ণনায়। শেষ পর্যন্তই ঘটনাটি সে প্রথমে দাদাসাহেবকে এবং পরে পুলিশকে জানায়।
• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা।
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর।
- তরঙ্গভঙ্গ।
- সুড়ঙ্গ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে তাঁর জন্ম।
- পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফরাসি নাগরিক এ্যান মেরির সঙ্গে ওয়ালীউল্লাহ পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহ'র প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনূদিত হয়।
• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু।
- চাঁদের অমাবস্যা।
- কাঁদো নদী কাঁদো।
• 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- এটি একটি মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা |
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ।
• চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসের কাহিনী সংক্ষেপ:
- উপন্যাসে কোপন নদীর তীরবর্তী চাঁদপাড়া গ্রামের জনৈক যুবক শিক্ষিত আরেফ আলী শীতের এক উজ্জ্বল জ্যোৎস্না রাতে ঘর ছেড়ে বেরিয়েছিল প্রকৃতির প্রয়ােজনে। প্রয়ােজন মিটিয়ে ঘরে ফিরে না গিয়ে সে। চন্দ্রলােকিত রজনীর রূপরাশিতে মােহাবিষ্ট হয়। হঠাৎ ছায়া শরীরের আকর্ষণে সে গ্রামের পথে বেরিয়ে পড়ে।
- বাঁশঝাড়ে নিহত এক রমণীর লাশ দেখে সে ঘটনাটি আরেফ আলীর মনােলােকে আলােড়ন তােলে।
- প্রকৃত ব্যাপরটি ছিল আরেফ আলী গ্রামের যে বড়বাড়িতে আশ্রিত গৃহশিক্ষক সেই বড়বাড়িরই অন্যতম কর্তাপুরুষ কাদের আলী নিম্ন শ্রেণির এক রমণীকে সম্ভোগের উদ্দেশ্যে বাঁশঝাড়ে যায়; আরেফ সেই কাদেরকেই অনুসরণ করেছিল। আরফের পদশব্দে ভয় পেয়ে কাদের রমণীটিকে গলাটিপে হত্যা করে।
- উপন্যাসের সিংহভাগ ব্যয়িত হয়েছে আরেফ আলীর মনে উক্ত ঘটনার প্রতিক্রিয়া বর্ণনায়। শেষ পর্যন্তই ঘটনাটি সে প্রথমে দাদাসাহেবকে এবং পরে পুলিশকে জানায়।
• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা।
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর।
- তরঙ্গভঙ্গ।
- সুড়ঙ্গ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।