পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ১০ জুন, ২০২৩সময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০ (মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য) (শরৎ) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ১৩.০৮.২০১০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ১০ জুন, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ক) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  2. খ) আবু জাফর শামসুদ্দীন
  3. গ) সিকান্দার আবু জাফর
  4. ঘ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসটির রচয়িতা- 'সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'। 

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে তাঁর জন্ম। 
- পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফরাসি নাগরিক এ্যান মেরির সঙ্গে ওয়ালীউল্লাহ পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহ'র প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনূদিত হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু।
- চাঁদের অমাবস্যা।
- কাঁদো নদী কাঁদো।

• 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস: 
- এটি একটি মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা |
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ।

• চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসের কাহিনী সংক্ষেপ: 
- উপন্যাসে কোপন নদীর তীরবর্তী চাঁদপাড়া গ্রামের জনৈক যুবক শিক্ষিত আরেফ আলী শীতের এক উজ্জ্বল জ্যোৎস্না রাতে ঘর ছেড়ে বেরিয়েছিল প্রকৃতির প্রয়ােজনে। প্রয়ােজন মিটিয়ে ঘরে ফিরে না গিয়ে সে। চন্দ্রলােকিত রজনীর রূপরাশিতে মােহাবিষ্ট হয়। হঠাৎ ছায়া শরীরের আকর্ষণে সে গ্রামের পথে বেরিয়ে পড়ে।
- বাঁশঝাড়ে নিহত এক রমণীর লাশ দেখে সে ঘটনাটি আরেফ আলীর মনােলােকে আলােড়ন তােলে।
- প্রকৃত ব্যাপরটি ছিল আরেফ আলী গ্রামের যে বড়বাড়িতে আশ্রিত গৃহশিক্ষক সেই বড়বাড়িরই অন্যতম কর্তাপুরুষ কাদের আলী নিম্ন শ্রেণির এক রমণীকে সম্ভোগের উদ্দেশ্যে বাঁশঝাড়ে যায়; আরেফ সেই কাদেরকেই অনুসরণ করেছিল। আরফের পদশব্দে ভয় পেয়ে কাদের রমণীটিকে গলাটিপে হত্যা করে।
- উপন্যাসের সিংহভাগ ব্যয়িত হয়েছে আরেফ আলীর মনে উক্ত ঘটনার প্রতিক্রিয়া বর্ণনায়। শেষ পর্যন্তই ঘটনাটি সে প্রথমে দাদাসাহেবকে এবং পরে পুলিশকে জানায়।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা।
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর।
- তরঙ্গভঙ্গ।
- সুড়ঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'দোলন-চাঁপা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) গোলাম মোস্তফা
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) যতীন্দ্র মোহন বাগচী
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• 'দোলন-চাঁপা'- কাজী নজরুল ইসলামের একটি কাব্যগ্রন্থ। 

• 'দোলন-চাঁপা' কাব্যগ্রন্থ: 
- অক্টোবর, ১৯২৩ সালে এটি প্রকাশিত হয়। কবি তখন রাজবন্দী ছিলেন।
- এতে ২১টি কবিতা আছে। প্রথম কবিতা- আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে।   
- ১৩৩০ বঙ্গাব্দের আশ্বিনে (অক্টোবর ১৯২৩) এটি প্রকাশিত হয়। 
- দোলন-চাঁপা কাব্য গ্রন্থের প্রথম কবিতা আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে।      
- দোলন-চাঁপা কাব্য গ্রন্থটি ২১টি কবিতার সংকলন।
- দোলন-চাঁপা কাব্য গ্রন্থটি মূলত প্রেম - প্রধান কবিতার বই।  

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: 
- অগ্নি-বীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সাম্যবাদী,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- জিঞ্জির,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয় শিখা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, 'দোলন-চাঁপা' কাব্যগ্রন্থ।
.
‘রক্তকরবী’ নাটকটির রচিয়তা কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. ঘ) ইব্রাহীম খাঁ
সঠিক উত্তর:
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
‘রক্তকরবী’ নাটকটির রচয়িতা- 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর'।  

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

• রক্তকরবী' নাটক: 
- রক্তকরবী (১৯২৬) রবীন্দ্রনাথের একটি সাংকেতিক নাটক।
- ১৩৩০ বঙ্গাব্দে নাটকটি প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত।
- রক্তকরবীতে ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- চরিত্র: নন্দিনী, রঞ্জন। 
- নাটকে 'নন্দিনী' চরিত্রটি নিপীড়িত মানুষের মাঝখানে দেখা দিয়েছে আনন্দের দূত রূপে। 
- 'রঞ্জন' বিদ্রোহের বাণী বহন করে এনেছে। 

• রবীন্দ্রনাথ রচিত আরো নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- অচলায়তন ,
- চিরকুমার সভা ,
- তাসের দেশ , 
- বৈকুন্ঠের খাতা , 
- শারদোৎসব,
- প্রায়শ্চিত্ত , 
- ডাকঘর , 
- বসন্ত , 
- চণ্ডালিকা , 
- নটীর পূজা। 

উৎস : রক্তকরবী নাটক- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর;  এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) আভ্যন্তরীন
  2. খ) অভ্যন্তরিণ
  3. গ) অভ্যন্তরীণ
  4. ঘ) আভ্যন্তরিণ
সঠিক উত্তর:
গ) অভ্যন্তরীণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অভ্যন্তরীণ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'অভ্যন্তরীণ' বানানটি শুদ্ধ।
 
• 'অভ্যন্তরীণ' শব্দের অর্থ- মধ্যবর্তী, অভ্যন্তরে আছে এমন। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) গৃহিনী
  2. খ) গৃহিণী
  3. গ) গৃহীনী
  4. ঘ) গৃহিণি
সঠিক উত্তর:
খ) গৃহিণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গৃহিণী
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'গৃহিণী'- বানানটি শুদ্ধ। 

• 'গৃহিণী' শব্দের অর্থ- পত্নী; স্ত্রী। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
.
'নাবিক'-এর সন্ধি-বিচ্ছেদ-
  1. ক) নৌ + ইক
  2. খ) ন + ইক
  3. গ) নব + ইকা
  4. ঘ) নবৌ +ইক
সঠিক উত্তর:
ক) নৌ + ইক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নৌ + ইক
ব্যাখ্যা
• 'নাবিক'-এর সন্ধি-বিচ্ছেদ- 'নৌ + ইক'।     

• 'নাবিক'-এর সন্ধি-বিচ্ছেদ এর নিয়ম: 
এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব ও আব হয়।
যেমন-
গৈ + অক = গায়ক,
নে + অন = নয়ন,
নৈ + অক = নায়ক,
পো + অন = পবন,
গো + এষণা = গবেষণা,
নৌ + ইক = নাবিক,
পো + ইত্র = পবিত্র,
গো + আদি = গবাদি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'দুশ্চরিত্র'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. ক) দুশ্চ + চিত্র
  2. খ) দুঃ + চরিত্র
  3. গ) দু + চরিত্র
  4. ঘ) দুঃ + চরিত
সঠিক উত্তর:
খ) দুঃ + চরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুঃ + চরিত্র
ব্যাখ্যা
• 'দুশ্চরিত্র'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ- 'দুঃ + চরিত্র'। 

• 'দুশ্চরিত্র'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ এর নিয়ম:  
আগে বিসর্গ ও পরে চ্ বা ছ্ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ্ হয়। শ্ পরের বর্ণে যুক্ত হয়।
যেমন:
- দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র,  
- নিঃ + চয় = নিশ্চয়,
- নিঃ + চল = নিশ্চল,
- নিঃ + চিহ্ন = নিশ্চিহ্ন,
- নিঃ + চুপ = নিশ্চুপ,
- দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা,
- দুঃ + চেষ্টা = দুশ্চেষ্টা,
- নভঃ + চর = নভশ্চর,
- মনঃ + চক্ষু = মনশ্চক্ষু,
- শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 
.
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম কি?
  1. ক) ব্যাসবাক্য
  2. খ) সমস্ত পদ
  3. গ) সমস্যমান পদ
  4. ঘ) সমাসবাক্য
সঠিক উত্তর:
গ) সমস্যমান পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমস্যমান পদ
ব্যাখ্যা
• যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটিকে বলে- 'সমস্যমান পদ'।  

সমাসের কয়েকটি পরিভাষা।

• সমস্যমান পদ:
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেককে সমস্যমান পদ বলে।
যেমন- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।
এ বাক্যে সিংহ, চিহ্নিত, আসন- এ তিনটি হচ্ছে সমস্যমান পদ।

• সমস্ত পদ:
সমস্যমান পদগুলাে মিলিত হয়ে যে একপদে পরিণত হয়, তাকে সমস্ত পদ বলে।
একে আবার সমাসবদ্ধপদও বলা হয়।
যেমন- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।
এখানে সিংহাসন হচ্ছে সমস্ত পদ।

• ব্যাসবাক্য:
সমাসবদ্ধ পদটিকে ব্যাখ্যা করার জন্য যে বাক্য তৈরি করা হয় তাকে ব্যাসবাক্য বলে। ব্যাস' শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ।
একে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্যও বলা হয়। উপরের বাক্যে ‘সিংহ চিহ্নিত আসন হলাে সিংহাসন শব্দের ব্যাসবাক্য।

• পূর্বপদ ও পরপদ:
সমাস যুক্ত পদের প্রথম অংশকে বলা হয় পূর্বপদ এবং শেষ অংশকে বলা হয় পরপদ বা উত্তরপদ।
'সিংহাসন' শব্দের 'সিংহ' হলাে পূর্বপদ, আর 'আসন' হলাে পরপদ বা উত্তরপদ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যে সমাসে পূর্ব পদের বিভক্তির লোপ হয় না তাকে বলে-
  1. ক) নিত্য সমাস
  2. খ) প্রাদি সমাস
  3. গ) দ্বন্দ্ব সমাস
  4. ঘ) অলুক সমাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলুক সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলুক সমাস
ব্যাখ্যা
• অলুক অর্থ হলো বিভক্তি লোপ পাবে না অর্থাৎ ব্যাসবাক্যে এবং সমস্ত পদে বিভক্তি বজায় থাকবে।

• যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে।
যেমন: দুধে-ভাতে, জলে-স্থলে, দেশে-বিদেশে, হাতে-কলমে।

• যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ হয় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন- গায়ে পড়া = গায়েপড়া, ঘিয়ে ভাজা = ঘিয়েভাজা, কলে ছাঁটা = কলেছাঁটা, কলের গান = কলেগান, গরুর গাড়ি = গরুগাড়ি ইত্যাদি।

• যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদের কোনো পরিবর্তন হয় না তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে। অলুক বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদটি বিশেষণ হয়।
যথা- মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি, গলায় গামছা যার = গলায়গামছা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।  
১০.
'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ-
  1. ক) সাহায্যকারী
  2. খ) তোষামুদে
  3. গ) বাদক
  4. ঘ) স্বাস্থ্যহীন লোক
সঠিক উত্তর:
খ) তোষামুদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তোষামুদে
ব্যাখ্যা
• 'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ- 'তোষামুদে'। 

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা: 
'কচু বনের কালাচাঁদ' বাগধারার অর্থ- 'অপদার্থ'।  
'ঢাকের বাঁয়া' বাগধারার অর্থ- 'যার কোন মূল্য নেই'।  
'নারকের ঢেঁকি' বাগধারার অর্থ- 'বিবাদের বিষয়'।
'সোনার কাঠি রূপার কাঠি' বাগধারার অর্থ- 'বাঁচামরার লড়াই'।
'তাসের ঘর'  বাগধারার অর্থ- 'ক্ষণস্থায়ী'। 
'চোখের বালি' বাগধারার অর্থ- 'চক্ষুশূল'।  
'গুড়ে বালি' বাগধারার অর্থ- 'আশায় নৈরাশ্য'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
'নীল আকাশের নিচে আমি রাস্তা চলেছি একা' বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্মে শূন্য
  2. খ) করণে শূন্য
  3. গ) অপাদানে শূন্য
  4. ঘ) সম্প্রদানে শূন্য
সঠিক উত্তর:
খ) করণে শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) করণে শূন্য
ব্যাখ্যা
• করণ কারক:  
- যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত দ্বারা’, “দিয়ে, কর্তৃক ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে ‘কার দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।
যেমন –
 - নীল আকাশের নিচে আমি রাস্তা চলেছি একা। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
'নৌকায় নদী পার হলাম' বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) করণে ৭মী
  2. খ) সম্প্রদানে ৪র্থী
  3. গ) অপাদানে ৫মী
  4. ঘ) অধিকরণে ৭মী
সঠিক উত্তর:
ক) করণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) করণে ৭মী
ব্যাখ্যা
নৌকায় নদী পার হলাম' 

• করণ কারক: 
- করণ শব্দটির অর্থ - যন্ত্র, সহায়ক, উপায়।
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই বলে করণ কারক। কীসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই করণ কারক।
যেমন -
নৌকায় নদী পার হলাম’ - এই বাক্যে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘নৌকায়’। এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তি ‘য়’ যুক্ত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
'আনন্দ'-এর সমার্থক শব্দ নয়-
  1. ক) উচ্ছ্বাস
  2. খ) উল্লাস
  3. গ) শ্রান্তি
  4. ঘ) স্ফুরণ
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রান্তি
ব্যাখ্যা
'আনন্দ'-এর সমার্থক শব্দ- উচ্ছ্বাস, উল্লাস, স্ফুরণ।  

• 'আনন্দ'-এর সমার্থক শব্দ নয়- 'শ্রান্তি'।
'শ্রান্তি' শব্দের অর্থ- বিরাম, পরিশ্রমজনিত অবসাদ, নিবৃত্তি।  

• 'আনন্দ'-এর আরো কিছু সমার্থক শব্দ:  
খুশি, আমোদ, মজা, পুলক, হর্ষ, আহ্লাদ, স্ফূর্তি, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ), বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।  
১৪.
'অমৃত'- এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. ক) তিক্ত
  2. খ) বিষাক্ত
  3. গ) বিরল
  4. ঘ) গরল
সঠিক উত্তর:
ঘ) গরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গরল
ব্যাখ্যা
'অমৃত'-এর বিপরীতার্থক শব্দ- 'গরল'।  

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ: 
'তিক্ত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - মধুর।
'অবিরল' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিরল।
'কুটিল' এর বিপরীতার্থক শব্দ - সরল।
'জীবিত' এর বিপরীতার্থক শব্দ  - মৃত।
'হর্ষ' এর বিপরীতার্থক শব্দ  - বিষাদ।

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
যা কষ্টে লাভ করা যায়-
  1. ক) অলভ্য
  2. খ) দুর্লভ
  3. গ) দুর্জয়
  4. ঘ) কষ্টসাধ্য
সঠিক উত্তর:
খ) দুর্লভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুর্লভ
ব্যাখ্যা
• 'যা কষ্টে লাভ করা যায়' এর এক কথায় প্রকাশ- 'দুর্লভ'।  

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ: 
- 'যা কষ্টে জয় করা যায়' এর এক কথায় প্রকাশ- দুর্জয়, 
- 'প্রবেশ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বিবিক্ষা,
- 'বলার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা,
- 'বমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবমিষা,
- 'বাস করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবৎসা,
- 'পাওয়ার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- ঈপ্সা,
- 'জয় করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- জিগীষা,
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বুভুক্ষা,
- 'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- লিপ্সা,
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- দিদৃক্ষা,
- 'মুক্তি লাভে/পেতে ইচ্ছুক এর এক কথায় প্রকাশ- মুমুক্ষা।

উৎস:- ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
কোনটি Conjunction?
  1. ক) or
  2. খ) very
  3. গ) out
  4. ঘ) for
সঠিক উত্তর:
ক) or
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) or
ব্যাখ্যা
♦ Conjunction: A conjunction is a part of speech that connects two or more words, phrase, clause or sentence.
- Conjunction হলো একটি part of speech যা দুই বা ততোধিক words, phrase, clause বা sentence কে যুক্ত করে। 
- যেমন: but, or, and.

Conjunction সাধারণত দুই প্রকার।
যেমন:
1. Coordinating or Coordinative Conjunction.
2. Subordinating or Subjective Conjunction.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
১৭.
কোনটি পুংলিঙ্গ?
  1. ক) Girl
  2. খ) Goose
  3. গ) Man
  4. ঘ) Mare
সঠিক উত্তর:
গ) Man
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Man
ব্যাখ্যা
♦ প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে,
- Girl: বালিকা।
Masculine gender: boy.

Goose: রাজহংসী।
Masculine gender: Gander.

Man: পুরুষজাতি।
Feminine gender: Woman.

Mare: ঘোটকী; মাদি ঘোড়া।
Masculine gender: stallion.

• অপশন গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় Man শব্দটি পুংলিঙ্গ আর বাকি সব স্ত্রীলিঙ্গ।

Source: Accessible & Cambridge Dictionary.
১৮.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Achivement
  2. খ) Acheivment
  3. গ) Achevement
  4. ঘ) Achievement
সঠিক উত্তর:
ঘ) Achievement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Achievement
ব্যাখ্যা
♦ Achievement:
English meaning: something very good and difficult that you have succeeded in doing.
Bangla meaning: কৃতিত্ব।

উল্লেখিত প্রশ্নের বাকি অপশন গুলোর বানান ভুল।

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
১৯.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Ocasion
  2. খ) Occasion
  3. গ) Ocassion
  4. ঘ) Occassion
সঠিক উত্তর:
খ) Occasion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Occasion
ব্যাখ্যা
♦ Occasion:
English meaning: a particular time, especially when something happens or has happened.
Bangla meaning: কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সময়।


উল্লেখিত প্রশ্নের বাকি অপশন গুলোর বানান ভুল।

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২০.
'We do not like idle people' বাক্যটির passive form হবে-
  1. ক) Idle people are not liked by us.
  2. খ) We are not liked by idle people.
  3. গ) Idle people are not like us.
  4. ঘ) Idle people are not of our liking.
সঠিক উত্তর:
ক) Idle people are not liked by us.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Idle people are not liked by us.
ব্যাখ্যা
♦ Present indefinite tense এর Passive করার নিয়ম:
- Active voice এর object এর subjective form বসবে।
- person অনুযায়ী am/is/are বসবে।
- Verb এর Past participle বসবে।
- Preposition (by/at/with) বসবে।
- subject এর objective form বসবে।

• তাই সঠিক passive form হবে Idle people are not liked by us.
২১.
‘They elected him captain' বাক্যের passive form হচ্ছে-
  1. ক) He is elected captain by them.
  2. খ) He has been elected captain by them.
  3. গ) He was elected captain by them.
  4. ঘ) He elected captain by them.
সঠিক উত্তর:
গ) He was elected captain by them.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) He was elected captain by them.
ব্যাখ্যা
Active voice - টিতে দুটি object রয়েছে।
- এর মধ্যে captain হচ্ছে উপাধি বাচক কর্ম (factitive object)।
- নিয়ম অনুযায়ী factitive object টি subject হিসেবে passive voice ব্যবহার করা যাবে না।
- এটি verb এর past participle এরপর বসে থাকে।

• The Factitive Object is used as a complement to the Transitive Verb.

• Pronominal object কে subject বসবে।
- was/were বসবে।
- verb এর past participle বসবে।
- factitive object বসবে।
- by বসবে।
- Subject এর objective form বসবে।

- তাই সঠিক উত্তর হবে গ।
২২.
‘Your offer is acceptable ____ me' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) by
  2. খ) on
  3. গ) for
  4. ঘ) to
সঠিক উত্তর:
ঘ) to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) to
ব্যাখ্যা
♦ এই বাক্যের সাথে সংগতি রাখতে appropriate preposition হিসেবে acceptable এর সাথে to বসবে।

• Acceptable to: 
Meaning: গ্রহণযোগ্য।

• তাছাড়া অপশন এর বাকিগুলো বাক্যের অর্থ পরিপূর্ণ করার জন্য সংগতিপূর্ণ নয়।

Complete sentence: Your offer is acceptable to me.

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.
২৩.
‘Your conduct admits ____ no excuse' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) for
  2. খ) at
  3. গ) of
  4. ঘ) from
সঠিক উত্তর:
গ) of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) of
ব্যাখ্যা
♦ এখানে একটি appropriate preposition এর ব্যবহার।

• Admit to অর্থ স্বীকার করা; স্বীকারোক্তি করা।
- যা এই বাক্যের সাথে কোন ভাবেই সংগতিপূর্ণ নয়।

• Admit of অর্থ অবকাশ থাকা।
- যা এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ।

• Your conduct admits of no excuse.
- তোমার আচরণ কোন অজুহাতের অবকাশ রাখে না।

• এছাড়া বাকি option কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
২৪.
The teacher said, "I shall not teach him English" এর indirect speech হচ্ছে -
  1. ক) The teacher said he would not teach him English.
  2. খ) The teacher said he will not teach him English.
  3. গ) The teacher said that he will not teach him English.
  4. ঘ) The teacher said that he would not teach him English.
সঠিক উত্তর:
ঘ) The teacher said that he would not teach him English.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) The teacher said that he would not teach him English.
ব্যাখ্যা
♦ Narration এর নিয়মানুযায়ী,
- Reporting verb এর tense অনুযায়ী indirect speech এ পরিবর্তন আসবে।
- Reporting verb টি past tense এ হওয়ায়, Reported speech - ও past tense এ হবে।
- reported speech এর will পরিবর্তিত হয়ে would হবে।

তাই সঠিক indirect speech হবে, The teacher said that he would not teach him English.
২৫.
‘With open arms’ এর অর্থ হচ্ছে-
  1. ক) Warmly
  2. খ) With beautiful arm
  3. গ) With long arm
  4. ঘ) With strong arm
সঠিক উত্তর:
ক) Warmly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Warmly
ব্যাখ্যা
♦ With open arms
English Meaning: with great affection or enthusiasm, in a very friendly way.
Bangla Meaning: প্রচন্ড আগ্রহ বা উদ্দীপনার সাথে।

• উল্লেখিত প্রশ্নের অপশন গুলোর মধ্যে
Warmly: in a way that keeps you warm.

• উল্লেখিত প্রশ্নের অপশন গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় ‘With open arms’ এর অর্থ হচ্ছে Warmly.

প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি অপশন গুলো প্রয়োজনীয় নয়।

২৬.
‘Bring to book'-এর অর্থ হচ্ছে-
  1. ক) Book written by famous writer
  2. খ) Valueless person
  3. গ) Book which is lost
  4. ঘ) Rebuke
সঠিক উত্তর:
ঘ) Rebuke
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Rebuke
ব্যাখ্যা
♦ Bring to book/ Bring someone to book
English Meaning: to punish someone and make that person explain their behaviour / bring someone to justice.
Bangla Meaning: শাস্তি দেওয়া এবং কৈফিয়ত চাওয়া / ন্যায় বিচারের মুখোমুখি করা

• উল্লেখিত প্রশ্নের অপশন গুলোর অর্থ:
Book written by famous writer: কোন বিখ্যাত লেখক দ্বারা লিখিত বই।
Valueless person: মূল্যহীন ব্যক্তি।
Book which is lost: যে বইটি হারিয়ে গিয়েছে।
Rebuke:  তিরস্কার বা ভর্ৎসনা করা।

• উল্লেখিত প্রশ্নের অর্থ গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় Bring to book এর অর্থের সাথে Rebuke শব্দটির অর্থের মিল রয়েছে।
- তাই ‘Bring to book'-এর অর্থ হচ্ছে Rebuke.

Source: Live MCQ Lecture, Cambridge & Accessible Dictionary.
২৭.
'Benefit'-এর synonym হচ্ছে-
  1. ক) Injury
  2. খ) Drawback
  3. গ) Favour
  4. ঘ) Basement
সঠিক উত্তর:
গ) Favour
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Favour
ব্যাখ্যা
♦ Benefit: 
English meaning: a helpful or good effect, or something intended to help.
Bangla meaning: উপকার; লাভ; মঙ্গল; সুবিধা; সুফল।

• উল্লেখিত প্রশ্নের অপশন গুলোর অর্থ:
- Injury: অপকার; ক্ষতি; অনিষ্ট; আহত; পীড়া।
- Drawback: অসুবিধা; বাধা।
- Favour: অনুগ্রহ; সুনজর।
- Basement: ভিত্তি; ভিত; কোনো ভবনের ভূগর্ভস্থ অংশ।

• উল্লেখিত প্রশ্নের অর্থ গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় Benefit এর অর্থের সাথে Favour শব্দটির অর্থের মিল রয়েছে।
- তাই Benefit এর synonym হচ্ছে Favour.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৮.
'Encounter' এর synonym হচ্ছে -
  1. ক) Concord
  2. খ) Battle
  3. গ) Harmony
  4. ঘ) Part
সঠিক উত্তর:
খ) Battle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Battle
ব্যাখ্যা
♦ Encounter:
English meaning: a meeting, especially one that happens by chance.
Bangla meaning: বিপদের মুখোমুখি হওয়া; শত্রুর সামনে পড়া; অপ্রত্যাশিতভাবে (বন্ধুর) দেখা পাওয়া।

• উল্লেখিত প্রশ্নের অপশন গুলোর অর্থ:
- Concord: মতৈক্য বা মিল; নানা সুরের মধুর মিলন।
- Battle: যুদ্ধ; লড়াই।
- Harmony: সাদৃশ্য; মিল।
- Part: কিছু অংশ।

• উল্লেখিত প্রশ্নের অর্থ গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় Encounter এর অর্থের সাথে Battle শব্দটির অর্থের মিল রয়েছে।
- তাই Encounter এর synonym হচ্ছে Battle.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৯.
কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. ক) There is no room for doubt in it
  2. খ) There is no misunderstanding in it
  3. গ) There is no place for doubt in it
  4. ঘ) There is no suspension in it
সঠিক উত্তর:
ক) There is no room for doubt in it
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) There is no room for doubt in it
ব্যাখ্যা
♦ Room for doubt এর অর্থ হচ্ছে a possibility of something being true.
 
• এছাড়াও ফাকা স্থান, সম্ভাবনা, সুযোগ, অবকাশ ইত্যাদি বোঝাতে Room শব্দটি ব্যবহার হয়।

Room: (noun)
- জায়গা; স্থান

There’s no room for doubt.

Meaning: সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই।

• তাই সঠিক বাক্যটি হলো There is no room for doubt in it.
৩০.
কোনটি শুদ্ধ বাক্য
  1. ক) See the word in the dictionary
  2. খ) Find out the word in the dictionary
  3. গ) Pick up the word in the dictionary
  4. ঘ) Look up the word in the dictionary
সঠিক উত্তর:
ঘ) Look up the word in the dictionary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Look up the word in the dictionary
ব্যাখ্যা
♦ Look something up
Meaning: to try to find a piece of information by looking in a book or on a computer.

• কোন information খোঁজ করা বোঝাতে Look up ব্যবহার হয়ে থাকে।
- এখানে শব্দ খোঁজ করা বোঝাতে চাইছে বাক্যটি দ্বারা।
- তাই সঠিক বাক্যটি হবে Look up the word in the dictionary.

Source: Cambridge Dictionary.
৩১.
a + b = 5 এবং a - b = 3 হলে, ab এর মান কত?
  1. ক) 2
  2. খ) 4
  3. গ) 5
  4. ঘ) 3
সঠিক উত্তর:
খ) 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 5 এবং a - b = 3 হলে, ab এর মান কত?

সমাধান:
a + b = 5
a - b = 3

আমরা জানি 
ab = {(a + b)/2}2 - {(a - b)/2}2
 = (5/2)2 -  (3/2)2
= (25/4) - (9/4)
= (25 - 9)/4 
= 16/4
= 4 
৩২.
(x + 5)(x - 3) = কত?
  1. ক) x2 + 8x + 15
  2. খ) x2 - 15
  3. গ) x2 + 2x - 15
  4. ঘ) x2 + 2x + 15
সঠিক উত্তর:
গ) x2 + 2x - 15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) x2 + 2x - 15
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (x + 5)(x - 3) = কত?

সমাধান: 
 (x + 5)(x - 3)
= x2 - 3x + 5x - 15
= x2 + 2x - 15
৩৩.
দুটি বৃত্ত যদি পরস্পর স্পর্শ করে তবে কেন্দ্র হতে স্পর্শ বিন্দুগামী সরলরেখা দুটির অন্তর্ভুক্ত কোণ-
  1. ক) সরলকোণ
  2. খ) সমকোণ
  3. গ) স্থূলকোণ
  4. ঘ) সূক্ষ্মকোণ
সঠিক উত্তর:
ক) সরলকোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সরলকোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি বৃত্ত যদি পরস্পর স্পর্শ করে তবে কেন্দ্র হতে স্পর্শ বিন্দুগামী সরলরেখা দুটির অন্তর্ভুক্ত কোণ- 

সমাধান:


বৃত্তের যে কোনো বিন্দুতে অঙ্কিত স্পর্শক স্পর্শগামী ব্যাসার্ধের উপর লম্ব।
∴ ∠AOC = 90°, ∠BOC = 90°
∠AOC + ∠BOC = 90° + 90°
= 180°
= এক সরলকোণ।
∴ AO এবং BO এর মধ্যবর্তী কোণ সরলকোণ।
৩৪.
যে সামন্তরিকের সকল বাহু সমান, কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয়, তাকে বলে-
  1. ক) আয়তক্ষেত্র
  2. খ) ট্রাপিজিয়াম
  3. গ) বর্গক্ষেত্র
  4. ঘ) রম্বস
সঠিক উত্তর:
ঘ) রম্বস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রম্বস
ব্যাখ্যা
যে সামন্তরিকের সকল বাহু সমান, কিন্তু কোণগুলো সমান নয়, তাকে বলে রম্বস। 
যে আয়তে চারটি বাহু সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কর্ণ দুইটি অসমান তথা কোণগুলো সমকোণ নয় তাকে রম্বস বলে।
প্রকৃতপক্ষে, রম্বস হলো সামান্তরিকের একটি বিশেষ রূপ অর্থাৎ সামান্তরিকের সন্নিহিত বাহুদ্বয় সমান হলে তখন তা রম্বস হয়ে যায়।
৩৫.
যদি ১২ জন পুরুষ অথবা ১৮ জন মহিলা একটি কাজ করে ১৪ দিনে, তাহলে ৮ জন পুরুষ এবং ১৬ জন মহিলা একত্রে কাজটি করতে কতদিন সময় লাগবে?
  1. ক) ৭ দিন
  2. খ) ৯ দিন
  3. গ) ৫ দিন
  4. ঘ) ৬ দিন
সঠিক উত্তর:
খ) ৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ১২ জন পুরুষ অথবা ১৮ জন মহিলা একটি কাজ করে ১৪ দিনে, তাহলে ৮ জন পুরুষ এবং ১৬ জন মহিলা একত্রে কাজটি করতে কতদিন সময় লাগবে?

সমাধান: 
১২ জন পুরুষের কাজ = ১৮ জন মহিলার কাজ
∴৮ জন পুরুষের কাজ = {(১৮ × ৮)/১২} জন মহিলার কাজ
= ১২

∴ মােট মহিলা = (১২ + ১৬) = ২৮ জন

১৮ জন মহিলা কাজটি করে ১৪ দিনে
∴২৮ জন মহিলা কাজটি করে = {(১৪ × ১৮)/২৮} দিনে
= ৯ দিন।
৩৬.
৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জন অনুত্তীর্ণ হলে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর শতকরা হার-
  1. ক) ৫৩%
  2. খ) ৬১%
  3. গ) ৬০%
  4. ঘ) ৬৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জন অনুত্তীর্ণ হলে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর শতকরা হার-

সমাধান:
উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী = ৪০ - ১৬ = ২৪ জন 

৪০ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ২৪ জন 
১ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ২৪/৪০ জন 
১০০ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ২৪ × ১০০/৪০ জন 
= ৬০ জন 
৩৭.
২০ জন বালক ও ১৫ জন বালিকার গড় বয়স ১৫ বছর। বালকদের গড় বয়স ১৫.৫ বছর হলে, বালিকাদের গড় বয়স কত?
  1. ক) ১৪ বছর
  2. খ) ১৪ বছর ৪ মাস
  3. গ) ১৪ বছর ৬ মাস
  4. ঘ) ১৪ বছর ৮ মাস
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ বছর ৪ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ বছর ৪ মাস
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০ জন বালক ও ১৫ জন বালিকার গড় বয়স ১৫ বছর। বালকদের গড় বয়স ১৫.৫ বছর হলে, বালিকাদের গড় বয়স কত?

সমাধান:
বালক ২০ জন  
বালিকা ১৫ জন 
মোট = ২০ + ১ ৫ = ৩৫ জন 

৩৫ জনের মােট বয়স (১৫ × ৩৫) = ৫২৫ বছর

২০ জন বালকের মােট বয়স (১৫.৫ × ২০) = ৩১০ বছর

১৫ জন বালিকার মোট বয়স  = ৫২৫ - ৩১০ বছর 
= ২১৫ বছর 

∴ ১৫ জন বালিকার গড় বয়স =২১৫/১৫ বছর
= ১৪(১/৩) বছর
= ১৪ বছর (১২/৩) মাস 
= ১৪ বছর ৪ মাস

∴ বালিকাদের গড় বয়স ১৪ বছর ৪ মাস।
৩৮.
পিতা ও ২ সন্তানের বয়সের গড় ৩০ বছর। ২ সন্তানের বয়সের গড় ২০ বছর হলে, পিতার বয়স কত?
  1. ক) ৫০ বছর
  2. খ) ৬০ বছর
  3. গ) ৫৫ বছর
  4. ঘ) ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও ২ সন্তানের বয়সের গড় ৩০ বছর। ২ সন্তানের বয়সের গড় ২০ বছর হলে, পিতার বয়স কত?

সমাধান:
পিতা ও ২ সন্তানের বয়সের গড় ৩০ বছর
পিতা ও ২ সন্তানের মোট বয়স = (৩ × ৩০)বছর
= ৯০ বছর

২ সন্তানের মোট বয়স = (২ × ২০)বছর
= ৪০ বছর

সুতরাং পিতার বয়স = ( ৯০ - ৪০)বছর
= ৫০ বছর
৩৯.
এক কুড়ি কলা ৫০ টাকায় ক্রয় করে এক ডজন কলা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করা হল । শতকরা কত টাকা লাভ হবে?
  1. ক) ১০%
  2. খ) ১৫%
  3. গ) ২০%
  4. ঘ) ২৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক কুড়ি কলা ৫০ টাকায় ক্রয় করে এক ডজন কলা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করা হল । শতকরা কত টাকা লাভ হবে?

সমাধান:
২০ টি কমলার ক্রয় মূল্য = ৫০ টাকা
১ টি কমলার ক্রয় মূল্য = ৫০/২০ টাকা
১২ টি কমলার ক্রয় মূল্য = (৫০ × ১২)/২০ টাকা
= ৩০ টাকা

লাভ = (৩৬ - ৩০) = ৬ টাকা

এখন,
৩০ টাকায় লাভ হয় ৬ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় ৬/৩০ টাকা
১০০ টাকায় লাভ হয় ৬ × ১০০/৩০ টাকা
= ২০ টাকা
৪০.
এক ডজন আম ৩৬ টাকায় ক্রয় করে হালি কত টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% ক্ষতি হবে?
  1. ক) ৫ টাকা
  2. খ) ৬ টাকা
  3. গ) ৮ টাকা
  4. ঘ) ৯ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  এক ডজন আম ৩৬ টাকায় ক্রয় করে হালি কত টাকায় বিক্রয় করলে ২৫% ক্ষতি হবে?

সমাধান:
১২টি আমের ক্রয়মূল্য ৩৬ টাকা
১টি আমের ক্রয়মূল্য ৩৬/১২ টাকা
১টি আমের ক্রয়মূল্য (৩৬ × ৪)/১২ টাকা
 = ১২টকা

 ২৫% ক্ষতিতে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ৭৫ টাকা
ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ৭৫/১০০ টাকা
ক্রয়মূল্য ১২ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য (৭৫ × ১২)/১০০ টাকা
= ৯ টাকা
৪১.
দুটি রাশির অনুপাত ৮ : ১৫। পূর্ব রাশি ৪০ হলে, উত্তর রাশি কত?
  1. ক) ১৫
  2. খ) ৪৫
  3. গ) ৭৫
  4. ঘ) ১২০
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি রাশির অনুপাত ৮ : ১৫। পূর্ব রাশি ৪০ হলে, উত্তর রাশি কত?

সমাধান: 
সমাধান: 
পূর্ব রাশি : উত্তর রাশি = ৮ : ১৫
পূর্ব রাশি /উত্তর রাশি = ৮/১৫
৪০/উত্তর রাশি = ৮/১৫
৫/উত্তর রাশি = ১/১৫
উত্তর রাশি = ১৫ × ৫
= ৭৫
৪২.
ক ও খ এর বেতনের অনুপাত ৭ : ৫। ক, খ অপেক্ষা ৪০০ টাকা বেশি বেতন পেলে, খ এর বেতন কত?
  1. ক) ৯০০ টাকা
  2. খ) ১০০০ টাকা
  3. গ) ১১০০ টাকা
  4. ঘ) ১৬০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক ও খ এর বেতনের অনুপাত ৭ : ৫। ক, খ অপেক্ষা ৪০০ টাকা বেশি বেতন পেলে, খ এর বেতন কত?

সমাধান: 
ধরি, 
খ এর বেতন x
∴ ক এর বেতন x + ৪০০

প্রশ্নমতে,
(x + ৪০০)/x = ৭/৫
⇒ ৫x + ২০০০ = ৭x
⇒ ৭x - ৫x = ২০০০
⇒ ২x = ২০০০
∴ x = ১০০০ 

∴ খ এর বেতন ১০০০ টাকা 
৪৩.
করিমের আয় রহিমের আয় অপেক্ষা ২৫% বেশি। রহিমের আয় করিমের আয় অপেক্ষা শতকরা কত কম?
  1. ক) ২০%
  2. খ) ২৫%
  3. গ) ৭৫%
  4. ঘ) ১৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: করিমের আয় রহিমের আয় অপেক্ষা ২৫% বেশি। রহিমের আয় করিমের আয় অপেক্ষা শতকরা কত কম ?

ধরি
রহিমের আয় ১০০ টাকা।
করিমের আয় = ১০০  + ১০০ এর ২৫%
= ১০০ + ২৫
= ১২৫ টাকা ।

 করিমের আয় ১২৫ টাকা হলে রহিমের আয় কম ২৫ টাকা 
করিমের আয় ১ টাকা হলে রহিমের আয় কম ২৫/১২৫ টাকা 
করিমের আয় ১০০ টাকা হলে রহিমের আয় কম (২৫ × ১০০)/১২৫ টাকা 
= ২০ টাকা
৪৪.
৭, ১০, ১৬, ২৮, ৫২ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ক) ৭৪
  2. খ) ১০০
  3. গ) ১০৪
  4. ঘ) ১৫০
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  ৭, ১০, ১৬, ২৮, ৫২ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান:
১ম পদ = ৭
২য় পদ = ৭ + ৩ = ১০
৩য় পদ =১০ + ৬ = ১৬
৪র্থ পদ = ১৬ + ১২ = ২৮
৫ম পদ  = ২৮ + ২৪ = ৫২
৬ষ্ঠ পদ = ৫২ + ৪৮ = ১০০
৪৫.
১, ৫, ১৩, ২৯, ৬১ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ক) ৮০
  2. খ) ১০০
  3. গ) ১২০
  4. ঘ) ১২৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১, ৫, ১৩, ২৯, ৬১ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান: 
১ম পদ  = ১
২য় পদ = ৫
৩য় পদ  = ৫ + ৮ = ১৩
৪র্থ পদ = ১৩ + ( ৮ × ২) = ২৯
৫ম পদ = ২৯ + ( ১৬ × ২) = ৬১
৬ষ্ঠ পদ  = ৬১ + ( ৩২ × ২) = ১২৫
৪৬.
ভূ-পৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি আছে?
  1. ক) কপার
  2. খ) জিংক
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) পারদ
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীতে যে ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় তা হলো অ্যালুমিনিয়াম
- ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)। লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬%।
- কিন্ত প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায় না।
- অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে। এগুলো হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
ফরমালিন হলো ফরমালডিহাইডের-
  1. ক) ৪০% জলীয় দ্রবণ
  2. খ) ৩০% জলীয় দ্রবণ
  3. গ) ২০% জলীয় দ্রবণ
  4. ঘ) ১০% জলীয় দ্রবণ
সঠিক উত্তর:
ক) ৪০% জলীয় দ্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪০% জলীয় দ্রবণ
ব্যাখ্যা
• ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
- ফরমালিনে ৪০ ভাগ মিথান্যাল ও ৬০ ভাগ পানি থাকে। 
- ফরমালিন মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪৮.
কোনটির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?
  1. ক) বেগুনি আলো
  2. খ) নীল আলো
  3. গ) হলুদ আলো
  4. ঘ) লাল আলো
সঠিক উত্তর:
ক) বেগুনি আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেগুনি আলো
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতি বেগুণি রশ্মির পরের এটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র। 
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন বৰ্ণ দেখা যায়।
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৯.
গোধূলির কারণ কী?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) বিক্ষেপণ
  3. গ) প্রতিসরণ
  4. ঘ) ব্যতিচার
সঠিক উত্তর:
খ) বিক্ষেপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
• গোধুলির মূল কারণ হলো আলোর বিক্ষেপণ
- সূর্য যখন দিগন্তের নিচের দিকে অবস্থান করে, তখন নীল আর সবুজ রং ভেঙে যায় এবং আমরা কমলা এবং লাল রং-এর আভা দেখতে পাই। এসময় সূর্যকে লাল দেখায়। এটাই গোধুলি নামে পরিচিত।
- এর কারণ, আলোর যে রংগুলোর তরঙ্গদৈঘ্য ছোট (যেমন, বেগুনি এবং নীল) সেগুলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো যেমন, কমলা এবং লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে এর বিক্ষেপণ কম হওয়ায় এরা সরাসরি পৃথিবীতে চলে আসে।

উৎস: বিবিসি।
৫০.
নিচের কোনটিকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়?
  1. ক) নির্গমনমুখ
  2. খ) যুক্তি বর্তনী
  3. গ) স্মৃতি
  4. ঘ) কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ (কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ):
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে। প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরো কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে। সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১.
মনিটরের কাজ হলো-
  1. ক) গাণিতিক সমাধান করা
  2. খ) বিভিন্ন কাজের মধ্যে সংগতি স্থাপন করা
  3. গ) লেখা ও ছবি দেখানো
  4. ঘ) এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) লেখা ও ছবি দেখানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লেখা ও ছবি দেখানো
ব্যাখ্যা
মনিটর:
- কম্পিউটারের সাহায্যে ডেটা প্রক্রিয়াকরণের পর তৈরীকৃত ফলাফল যখন কোনো ডিভাইস বা হার্ডওয়্যারের সাহায্যে প্রদর্শিত হয় বা শোনা যায় তাকে সফটকপি বলে। আর ব্যবহৃত ডিভাইস বা হার্ডওয়্যারসমূহকে সফটকপি আউটপুট হার্ডওয়্যার বলে।
- মনিটর হলো একটি অন্যতম সফটকপি আউটপুট হার্ডওয়্যার, যা দেখতে সাধারণত টেলিভিশনের পর্দার মতো।
- মনিটর সাদা-কালো বা রঙিন হয়ে থাকে।
- আবার অ্যানালগ কিংবা ডিজিটালও হতে পারে।
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত মনিটর সাধারণত ১৪ থেকে ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে।
- তবে ১৪ থেকে ১৯ ইঞ্চি মনিটর সচরাচর বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
মাছির পা থাকে-
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ১০টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬টি
ব্যাখ্যা
• মাছির ৬টি পা থাকে।
- মাছি  Diptera বর্গের একদল পতঙ্গের সাধারণ নাম।
- প্রকৃত মাছিরা Brachycera উপবর্গের সদস্য এবং এদলে আছে ঘরের সাধারণ মাছি, ডাঁশ, ফলের মাছি (Fruit fly), সেটসি (Tsetse) মাছি ইত্যাদি।
- গুটিকয় প্রজাতির ডানাবিহীন মাছি ছাড়া অন্যান্য মাছি কেবল ওড়ার উপযোগী একজোড়া ডানা থাকে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৫৩.
করোটিতে কয়টি অস্থি থাকে?
  1. ক) ২৭
  2. খ) ২৮
  3. গ) ২৯
  4. ঘ) ৩০
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯
ব্যাখ্যা
করোটি (Skull):
- মুখমণ্ডলীয় ও করোটিকার অস্থি সমন্বয়ে গঠিত মাথার কঙ্কালিক গঠনকে করোটি বলে।
- করোটিতে মোট ২৯টি অস্থি থাকে।



উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
ক্লোরোফিল ছাড়া সম্পন্ন হয় না-
  1. ক) শ্বসন
  2. খ) অভিস্রবণ
  3. গ) রেচন
  4. ঘ) সালোকসংশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সালোকসংশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সালোকসংশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- এ প্রক্রিয়াটি সজীব উদ্ভিদ কোষস্থ ক্লোরোফিল সূর্যের আলোকশক্তিকে ATP এবং NADPH+H+ নামক রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে CO2 বিজারণের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে ও উপজাত হিসেবে O2 নির্গত করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় দরকার হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি, সূর্যালোক এবং ক্লোরোফিল।
- উৎপন্ন হয় শর্করা (গ্লুকোজ) এবং অক্সিজেন। কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহৃত হয় শর্করা তৈরির জন্য, পানি ব্যবহৃত হয় রাসায়নিক শক্তি হিসেবে NADPH+H+ তৈরির জন্য। সূর্যালোকের দরকার হয় মূল শক্তির জন্য এবং ক্লোরোফিল দরকার হয় সূর্য শক্তিকে শোষণ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরের জন্য। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৫.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়-
  1. ক) কাণ্ডের অগ্রভাগে
  2. খ) পাতায়
  3. গ) মূলের অগ্রভাগে
  4. ঘ) মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে
ব্যাখ্যা
• বিভাজনে সক্ষম কোষ দ্বারা গঠিত টিস্যুকে ভাজক টিস্যু বলা হয়।
- ভাজক টিস্যুর কোষগুলোকে ভাজক কোষ বলা হয়।
- ভাজক কোষের বিভাজনের মাধ্যমেই উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং ভাজক টিস্যু থেকেই অন্যান্য স্থায়ী টিস্যুর উৎপত্তি হয়।
- সাধারণত উদ্ভিদ দেহের মূল, কান্ড ও পাতার অগ্রভাগে থেকে বৃদ্ধি পায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৬.
সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি প্রায়-
  1. ক) দ্বিগুণ
  2. খ) তিনগুণ
  3. গ) চারগুণ
  4. ঘ) ছয়গুণ
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর উপর চন্দ্র ও সূর্য উভয়রই আকর্ষণ রয়েছে। এই আকর্ষনের সাথে পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাবে জোয়ার-ভাঁটা হয়।
- সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সকল বস্তুকেই সর্বদা কম-বেশি আকর্ষন করছে।
- সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
- কিন্তু আবার সূর্য পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আর চন্দ্র মাত্র ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার।
- উপর্যুক্ত কারনে পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি; প্রায় দ্বিগুণ।
- জোয়ার-ভাঁটা তৈরির ক্ষেত্রে সূর্যের ক্ষমতা চাঁদের ক্ষমতার ৪/৯ ভাগ।

উৎস: ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
পরিচলন বৃষ্টি বেশি হয় কোন অঞ্চলে?
  1. ক) মেরু অঞ্চলে
  2. খ) শীত প্রধান অঞ্চলে
  3. গ) নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
  4. ঘ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে জল বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ওই জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে। এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমণ্ডলে সারাবছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই বৃষ্টি বেশি হয়। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
৫৮.
দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়-
  1. ক) ২৩ মার্চ
  2. খ) ২১ জুন
  3. গ) ১ জুলাই
  4. ঘ) ১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২১ জুন
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয় - ২১ জুন। 

• ২১জুন:
→ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন।
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন।
→ পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
৫৯.
পৃথিবীর শক্তির মূল উৎস-
  1. ক) অভিকর্ষ শক্তি
  2. খ) মাধ্যাকর্ষণ শক্তি
  3. গ) পারমাণবিক শক্তি
  4. ঘ) সূর্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সূর্য
ব্যাখ্যা
• সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি।
- সূর্য সকল শক্তির উৎস।
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকেই আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে।
- আধুনিক সভ্যতার ধারক জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) বহুদিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি।
- বায়ু থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাও সূর্য থেকেই আসা।
- খাদ্য ও বায়োগ্যাস আমাদের শক্তির দুটো উৎস।
- পানিকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে তাও আসলে সূর্য থেকেই আসা।

উৎস: সাধারণবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬০.
উপকূল হতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
  1. ক) ২৫০ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ২২৫ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ১৫০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
সীমানাঃ
⇒ উপকূল হতে অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার (  ১ নটিক্যাল মাইল = ১.১৫ মাইল বা ১.৮৫২ কিলোমিটার )।
⇒ আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল এবং সন্নিহিত এলাকা ১৮ নটিক্যাল মাইল।
⇒ পূর্ব থেকে পশ্চিমে বাংলাদেশের বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিলোমিটার 
⇒ দেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১২ কিলোমিটার।
⇒ দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার


উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ থেকে উৎপন্ন হয়েছে?
  1. ক) বরাইল
  2. খ) কাঞ্চন জঙ্গা
  3. গ) কৈলাস
  4. ঘ) গডউইন অস্টিন
সঠিক উত্তর:
গ) কৈলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৈলাস
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদ:
ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
- আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বই (উন্মুক্ত)।
৬২.
মেঘনা নদী ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে-
  1. ক) চাঁদপুরের কাছে
  2. খ) ভৈরব বাজারে
  3. গ) গোয়ালন্দে
  4. ঘ) নারায়ণগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
খ) ভৈরব বাজারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভৈরব বাজারে
ব্যাখ্যা
মেঘনা:
- মেঘনা আসামের ’বরাক’ নদী নাগা-মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ থেকে উৎপত্তি লাভ করে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- শাখা দুইটি সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়েছে।
- মূলত সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্রোতধারাই মেঘনা নদী।
- সুরমা নামক শাখাটি প্রথমে খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড়ের নিকট দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ছাতক ও সুনামগঞ্জের নিকট দিয়ে অগ্রসর হয়ে

- দক্ষিণে হবিগঞ্জ জেলার উত্তর সীমানায় পৌঁছে কুশিয়ারার সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা ভৈরববাজারের নিকট এসে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের সাথে যুক্ত হয়েছে।
- মেঘনা নদীর উপনদীগুলো হলো- শীতলক্ষ্যা, গোমতি, ডাকাতিয়া, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র।

উৎসঃ ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
৬৩.
ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভাগ করা হয়েছে-
  1. ক) ৩টি অঞ্চলে
  2. খ) ৪টি অঞ্চলে
  3. গ) ৫টি অঞ্চলে
  4. ঘ) ৬টি অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
ক) ৩টি অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩টি অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-গাঠনিক অবস্থা এবং গঠন সময় অনুযায়ী বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
নিম্নে ভূ-প্রকৃতির প্রকারভেদ দেখানো হলো-
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে যেসব আন্দোলন হয়েছিল তার মধ্যে কোনটি প্রধান?
  1. ক) কোরায়েশী আন্দোলন
  2. খ) হাসেমী আন্দোলন
  3. গ) ফরায়েজী আন্দোলন
  4. ঘ) সৈয়দী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
গ) ফরায়েজী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরায়েজী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে যেসব আন্দোলন হয়েছিল তার মধ্যে প্রধান হচ্ছে - ফরায়েজী আন্দোলন।

ফরায়েজী আন্দোলন:

- ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন দুদু মিয়া।
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরিয়াত উল্লাহ বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর এই সংস্কার আন্দোলনের নামই ফরায়েজি আন্দোলন।

- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
-  শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।

- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। 
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।

- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
কত সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯০৩ সালে
  2. খ) ১৯০৪ সালে
  3. গ) ১৯০৫ সালে
  4. ঘ) ১৯০৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯০৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯০৬ সালে
ব্যাখ্যা
মুসলিম লীগ
• ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল মুলক, সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান প্রমুখের উদ্যোগে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• নওয়াব আব্দুল লতিফ, স্যার সৈয়দ আহমদ খান, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ছিলেন না।
• মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯১৩ সালে মুসলিম ‍লীগে যোগ দেন। তবে ত্রিশের দশকের মাঝামাঝি থেকে জিন্নাহর নেতৃত্বেই ‍মুসলিম লীগ ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৬.
বঙ্গভঙ্গের পরেই ঢাকায় কি নির্মিত হয়?
  1. ক) সুরম্য অট্টালিকা
  2. খ) কার্জন হল
  3. গ) হাইকোর্ট
  4. ঘ) এর সবগুলিই
সঠিক উত্তর:
ঘ) এর সবগুলিই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এর সবগুলিই
ব্যাখ্যা
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করেন।

অপরদিকে -
- কার্জন হল কোন সালে নির্মিত হয় - ১৯০৮ সালে।
- হাইকোর্ট ভবন, পুরাতন ঔপনিবেশিক আমলে ঢাকায় নির্মিত একটি ভবন। এটি রমনা গ্রীনের প্রান্ত ঘেঁষে সুদৃশ্য কার্জন হলের বিপরীতে কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউতে অবস্থিত। বঙ্গভঙ্গ-এর (১৯০৫) পর নব প্রতিষ্ঠিত পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশের গভর্নরের সরকারি বাসভবন হিসেবে জমকালো দ্বিতল ভবনের পরিকল্পনা করা হয়।
- সুরম্য অট্টালিকাও বঙ্গভঙ্গের পরেই নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৭.
পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
  1. এ. কে. ফজলুল হক
  2. ইস্কান্দার মীর্জা
  3. চৌধুরী খালেকুজ্জামান
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
চৌধুরী খালেকুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌধুরী খালেকুজ্জামান
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৯ ও প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০ - এ এসেছিল, এটি আমাদের প্রণয়ণকৃত প্রশ্ন নয়।]

পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর ছিলেন - ফ্রেডেরিক চালমার্স বোর্ন
(১৫ আগস্ট ১৯৪৭ - ৫ এপ্রিল ১৯৫০)।

অপশনে ফ্রেডেরিক চালমার্স বোর্ন নেই। আর অপশনে যাদের নাম রয়েছে তাদের মধ্যে চৌধুরী খালেকুজ্জামান প্রথম। সে অনুসারে উত্তর হিসেবে চৌধুরী খালেকুজ্জামান নেয়া হয়েছে।

• চৌধুরী খালেকুজ্জামান - ৪ এপ্রিল, ১৯৫৩ থেকে ৩০ মে, ১৯৫৪ পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
• ইস্কান্দার আলী মীর্জা - ৩০ মে, ১৯৫৪ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪ পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
• এ. কে. ফজলুল হক - ৯ মার্চ, ১৯৫৬ থেকে ৩১ মার্চ, ১৯৫৮ পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।

• হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
কখনও পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন না। তিনি ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
====================

• চৌধুরী খালিকুজ্জামান:

- চৌধুরী খালিকুজ্জামান আইনজীবি, রাজনীতিক ও পূর্ব বাংলার গভর্নর। তিনি ১৮৮৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর লখনৌতিতে জন্মগ্রহণ করেন।
- খালিকুজ্জামান প্রথমে ১৯২৩ সালে এবং পরে ১৯২৬ ও ১৯৩৫ সালে লক্ষ্ণৌ মিউনিসিপ্যাল বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
- তিনি কংগ্রেস দলীয় পার্লামেন্টারি বোর্ডের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৩৬ সালে তিনি মুসলিম লীগে যোগ দেন।
- তিনি সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ ওয়ার্কিং কমিটিরও সদস্য ছিলেন।

 - দেশ বিভাগের পর তিনি পাকিস্তানে চলে আসেন এবং পাকিস্তান মুসলিম লীগের আহবায়ক নির্বাচিত হন। পরে  দলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৫০ সালের মধ্যভাগে দলের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- চৌধুরী খালিকুজ্জামান ১৯৫৩ সালের ৪ এপ্রিল পূর্ব বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন এবং ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পর্যন্ত তিনি এ পদে দায়িত্ব পালন করেন।  

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ওয়ার্ড স্টেটম্যান ওয়েবসাইট।
৬৮.
কে অসহযোগ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন?
  1. ক) গান্ধীজি
  2. খ) মাওলানা শওকত আলী
  3. গ) জহরলাল নেহেরু
  4. ঘ) বিপিনচন্দ্র পাল
সঠিক উত্তর:
ক) গান্ধীজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গান্ধীজি
ব্যাখ্যা
• মাহাত্ম গান্ধী (Mahatma Gandhi):
- অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পোরবন্দ নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা এই উপাধিটি রবীন্দ্রনাথ প্রদান করেন।

- দক্ষিণ আফ্রিকায় নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস নামক দল গঠন করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় তিনি ‘Indian Opinion' নামক পত্রিকাটি সম্পাদনা করতেন।
-  দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের উপর বর্ণবাদী আচরনের বিরুদ্ধে তিনি সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি সেখানে ১৯১০ সালে একটি আশ্রম গড়ে তুলেন যার নাম ছিল - তলস্তয় ফার্ম (Tolstoy Farm)।
- এই আশ্রম থেকেই আন্দোলন পরিচালিত হত এবং সেখানে তিনি একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন যার নাম “দ্যা ক্রনিকাল”। 

- ভারতে ব্রিটিশদের অত্যাচার ও ১৯১৯ সালে জালিয়ালওয়ালাগের হত্যাকান্ডের প্রেক্ষিতে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ১৯২০ সালে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯২১ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নির্বাহীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।
- ১৯৪২ সালে মহাত্মাগান্ধী ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ‘ভারত ছাড় আন্দোলন' (Quit India Movement) শুরু করেন। 
- ১৯৪৬ সালে তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুরী ভ্রমন করেন দাঙ্গা থামানোর লক্ষ্যে এবং সোনাইমুরীতে তার নামে একটি জাদুঘর আছে ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
৬৯.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. ক) জয়নুল আবেদীন
  2. খ) কামরুল হাসান
  3. গ) হাসেম খান
  4. ঘ) হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনের বর্তমান রূপটির রূপকার শিল্পী কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি রয়েছে তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়। 
- ‘জাতীয় পতাকা’ গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকিবে।
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন হিসেবে বিবেচ্য করা হয় শিব নারায়ণ দাসকে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭০.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?
  1. ক) ১২ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৩ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রকৃত সংখ্যা অদ্যাবধি নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি। প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে শহীদদের মোটামুটি একটা সংখ্যা দাঁড় করানো যায়। এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন।
- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭১.
আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারী করা হয়?
  1. ক) ৭ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ২৫ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা।
বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একই দিনে আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ নামে একটি আদেশ জারি করেন। স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা রক্ষার্থে এটা করা হয়।
অর্থ্যাৎ ২৬ মার্চ থেকে এটি বলবৎ হয়।

- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৭২.
বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রাপ্তদের সংখ্যা কত?
  1. ক) পাঁচ
  2. খ) ছয়
  3. গ) সাত
  4. ঘ) আট
সঠিক উত্তর:
গ) সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী 'বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৩.
নিউমোনিয়া রোগটি হয়-
  1. ক) হৃৎপিণ্ডে
  2. খ) ফুসফুসে
  3. গ) যকৃতে
  4. ঘ) কিডনীতে
সঠিক উত্তর:
খ) ফুসফুসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফুসফুসে
ব্যাখ্যা
নিউমোনিয়া:
- দুর্বলদেহ অতি সহজেই রোগজীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ফুসফুস আক্রান্ত হলে নিউমোনিয়া হয়ে থাকে।
- এ রোগে ফুসফুসে এক প্রকার তরল পদার্থ জমা হয়।
- কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, জ্বর ইত্যাদি নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ায় প্রধানত-
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) পানি
  3. গ) শর্করা
  4. ঘ) স্নেহ
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন
ব্যাখ্যা
ভিটামিন:
- যেসব রাসায়নিক পদার্থ বিভিন্ন খাদ্যবস্তুতে অতি অল্প মাত্রায় থেকে আমাদেরকে জীবনীশক্তি দান করে এবং আমাদের দেহের সুষ্ঠু বৃদ্ধিসাধন করে ও দেহকে সুস্থ রাখে তাকে ভিটামিন বলে।
- স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য দেহে ভিটামিনের চাহিদার পরিমাণ খুব সামান্য হলেও তার গুরুত্ব অপরিসীম।
- কারণ এটি এমন একটি জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা প্রোটিন, শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাদ্যকে দেহে কাজে লাগাতে সাহায্য করে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
সবচেয়ে কঠিন পদার্থ-
  1. ক) গ্রাফাইট
  2. খ) টাংস্টেন
  3. গ) প্লাটিনাম
  4. ঘ) হীরা
সঠিক উত্তর:
ঘ) হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হীরা
ব্যাখ্যা
• কার্বন একটি অধাতু এবং বিজারক পদার্থ।
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক
- হীরা কাচ কাটতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৬.
আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে তার-
  1. ক) বিস্তারী
  2. খ) গতিবেগ
  3. গ) তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) তরঙ্গদৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তরঙ্গদৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌস্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
কোনটির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) নীল আলো
  2. খ) বেগুনি আলো
  3. গ) হলুদ আলো
  4. ঘ) লাল আলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাল আলো
ব্যাখ্যা
• তাড়িতচৌস্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
ক্ষমতার একক-
  1. ক) ওয়াট
  2. খ) জুল
  3. গ) ক্যালরি
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়াট
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা (Power):
- ক্ষমতা কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কী পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ-
  1. ক) মঙ্গল
  2. খ) বুধ
  3. গ) শুক্র
  4. ঘ) বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
গ) শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শুক্র
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র। 
- পৃথিবী থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ৪.৩ কোটি কিলোমিটার। 
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কতক্ষণ সময় লাগে?
  1. ক) ১০.৫৬ মিনিট
  2. খ) ৯.১২ মিনিট
  3. গ) ৭.৯৬ মিনিট
  4. ঘ) ৮.৩২ মিনিট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮.৩২ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮.৩২ মিনিট
ব্যাখ্যা
• আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে ১ বছরে যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ১ আলোক বর্ষ বলে। 
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড বা ৫০০ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।

উৎস: PHYS ORG Website এবং ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি।