পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
Exam - 13 Topics: A. Politics in Bangladesh: Geography, History, Society, Culture Source: Class - 10 and Relavant Books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন

.
The Teesta River water-sharing dispute is primarily between Bangladesh and—(তিস্তা নদীর পানি বণ্টন বিরোধ মূলত বাংলাদেশের সাথে কার মধ্যে?) 
  1. Nepal
  2. Bhutan
  3.  India 
  4. Myanmar
সঠিক উত্তর:
 India 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 India 
ব্যাখ্যা

- তিস্তা নদী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসীমান্ত নদী। এটি মূলত ভারতের সিকিম থেকে উৎপন্ন হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলা অতিক্রম করে ব্রহ্মপুত্র নদীতে মিশে যায়।
- উত্তরবঙ্গের (বিশেষ করে রংপুর অঞ্চলের) কৃষি সেচের জন্য তিস্তার পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানির অভাব হলে শস্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এটি শুধু ভৌগোলিক ইস্যু নয়, বরং একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইস্যু।
- ভারত তিস্তা নদীতে একাধিক বাঁধ ও ব্যারেজ নির্মাণ করেছে (বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে)। ফলে বর্ষাকাল বাদ দিলে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় পানি প্রবাহ কমে যায়। বাংলাদেশ দাবি করে, ন্যায্য ও সমানভাবে টীস্তার পানি ভাগাভাগি করা দরকার।
- ২০১১ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরের কথা ছিল। বাংলাদেশে সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এ নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপত্তি তোলায় চুক্তি সই হয়নি। ফলে এখনও (২০২৫ সাল পর্যন্ত) এ সমস্যা সমাধান হয়নি।
- উত্তরবঙ্গের কৃষকরা সেচের জন্য পানির ঘাটতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন → সামাজিক-অর্থনৈতিক অসন্তোষ তৈরি হয়। প্রতিটি বাংলাদেশ-ভারত বৈঠকে এই ইস্যুটি গুরুত্ব পায় → এটি একটি দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক চাপের ক্ষেত্র। বাংলাদেশে অনেক রাজনৈতিক দল এটি জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও কৃষকের অধিকার ইস্যু হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।
- তিস্তা পানি বণ্টন বিরোধ মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক-ভৌগোলিক দ্বন্দ্ব।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– নজরুল ইসলাম 

.
Which Bangladeshi district is geopolitically significant due to hosting both the deep seaport project and Rohingya camps?
(কোন বাংলাদেশি জেলা ভূ-রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সেখানে একইসাথে গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প ও রোহিঙ্গা শিবির অবস্থিত?) 
  1. Khulna
  2. Cox’s Bazar 
  3. Sylhet
  4. Patuakhali
সঠিক উত্তর:
Cox’s Bazar 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cox’s Bazar 
ব্যাখ্যা

- কক্সবাজার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি জেলা। এটি শুধু পর্যটন নয়, বরং কৌশলগত অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ।
- কক্সবাজারের মহেশখালীতে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।এটি বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর, যা ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরের বিকল্প ও পরিপূরক ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, বরং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও চীন-জাপানসহ বৈশ্বিক বাণিজ্যের সঙ্গে আরও সরাসরি যুক্ত হবে। ফলে এটি একটি আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক হাবে পরিণত হবে।
- কক্সবাজার জেলাতেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প অবস্থিত (কুতুপালং, টেকনাফ ইত্যাদি এলাকায়)। মিয়ানমার থেকে আসা প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা এখানে অবস্থান করছে। এর ফলে বাংলাদেশ-মায়ানমার সম্পর্ক, মানবাধিকার ইস্যু এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতি—সবই কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
- রোহিঙ্গা ইস্যু বাংলাদেশের রাজনীতিতে মানবিক, নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে।অন্যদিকে গভীর সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতীক ও কৌশলগত সম্পদ।
- কক্সবাজার জেলা একইসাথে গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প ও রোহিঙ্গা শিবির থাকার কারণে বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– ড. মোঃ মনিরুল আলম।

.
The Chittagong Hill Tracts (CHT) Peace Accord (1997) was politically important because—(চট্টগ্রাম পার্বত্য চুক্তি (১৯৯৭) রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ—) 
  1. It ended insurgency in a geographically sensitive border region (এটি ভৌগোলিকভাবে সংবেদনশীল সীমান্ত অঞ্চলে সশস্ত্র বিদ্রোহের অবসান ঘটায়)
  2. It gave citizenship to Rohingya refugees (এটি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেয়)
  3. It introduced federalism (এটি ফেডারেল ব্যবস্থা প্রবর্তন করে)
  4. It created a new province (এটি একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করে)
সঠিক উত্তর:
It ended insurgency in a geographically sensitive border region (এটি ভৌগোলিকভাবে সংবেদনশীল সীমান্ত অঞ্চলে সশস্ত্র বিদ্রোহের অবসান ঘটায়)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It ended insurgency in a geographically sensitive border region (এটি ভৌগোলিকভাবে সংবেদনশীল সীমান্ত অঞ্চলে সশস্ত্র বিদ্রোহের অবসান ঘটায়)
ব্যাখ্যা

- চট্টগ্রাম পাহাড়ি অঞ্চল (CHT): চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি মিলে গঠিত এই পার্বত্য অঞ্চলটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি এলাকা। এখানে প্রধানত আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বসবাস (চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, বম ইত্যাদি)। এই অঞ্চলটি ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকা।
- স্বাধীনতার পর পাহাড়ি জনগোষ্ঠী অভিযোগ তোলে যে তারা সংবিধানে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। ১৯৭০ ও ৮০-এর দশকে "শান্তিবাহিনী" নামে সশস্ত্র বিদ্রোহী দল আত্মপ্রকাশ করে এবং সরকারের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘর্ষ চলতে থাকে। এই পরিস্থিতি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি করে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে।
- শান্তিচুক্তি (২ ডিসেম্বর ১৯৯৭): শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার "পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (PCJSS)"-এর সঙ্গে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির মাধ্যমে শান্তিবাহিনীর বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণ করে,পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়,ভূমি সমস্যা সমাধানের জন্য ভূমি কমিশন গঠিত হয়,পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিচয় ও উন্নয়নের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়।-- রাজনৈতিক গুরুত্ব: দীর্ঘ ২০ বছরের সংঘাতের অবসান ঘটে,সীমান্তবর্তী এই ভৌগোলিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়,বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে,এটি বহুজাতিক সমাজে সহাবস্থান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- ১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তিচুক্তির মূল রাজনৈতিক গুরুত্ব হলো— এটি ভৌগোলিকভাবে সংবেদনশীল সীমান্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিনের সশস্ত্র বিদ্রোহের অবসান ঘটিয়েছিল।
সূত্রঃ বাংলাদেশ ভূগোল পরিচিতি– সৈয়দ রফিকুল আলম রুমী  

.
Bangladesh’s strategic location in South Asia benefits— (দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান কোন কাজে সহায়ক?)
  1. Colonization (উপনিবেশ স্থাপন)
  2. Space conquest (মহাকাশ বিজয়)
  3. Desert trade (মরুভূমি বাণিজ্য)
  4. International trade and regional diplomacy (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আঞ্চলিক কূটনীতি)
সঠিক উত্তর:
International trade and regional diplomacy (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আঞ্চলিক কূটনীতি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International trade and regional diplomacy (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আঞ্চলিক কূটনীতি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ভারত, মায়ানমার ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর সংযোগস্থল। বঙ্গোপসাগরের কাছে অবস্থিত হওয়ায় সমুদ্র বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থান বাংলাদেশের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে গুরুত্ব বাড়ায়।
- চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও পণ্য রপ্তানির কেন্দ্র। দক্ষিণ এশিয়ার ভেতরের দেশগুলোতে বাংলাদেশের মাধ্যমে সরবরাহ চেইন সহজ হয়।
- ভারতের সঙ্গে নদী ও সীমান্ত সমঝোতা, মায়ানমারের সঙ্গে নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান ইত্যাদিতে কৌশলগত অবস্থান সহায়ক। SAARC, BIMSTEC-এর মতো আঞ্চলিক সংস্থায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক গুরুত্ব বাড়ায়।
- বাংলাদেশ উপনিবেশ স্থাপনের চেষ্টা করে না।
- মহাকাশ বিজয় বাংলাদেশের মূল কৌশল নয়।
- বাংলাদেশ কোনো মরুভূমি বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত অবস্থান মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বন্দর ও সরবরাহ চেইন এবং আঞ্চলিক কূটনীতিতে সুবিধা দেয়। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– ড. মোঃ মনিরুল আলম।

.
Why is the Bangladesh-Myanmar border politically sensitive? (বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত কেন রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল?)
  1. Frequent floods (ঘন ঘন বন্যা)
  2. Rohingya refugee influx and security concerns (রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রবাহ এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ)
  3. Mountainous terrain (পাহাড়ি এলাকা)
  4. Industrial development disputes (শিল্প উন্নয়ন নিয়ে বিরোধ)
সঠিক উত্তর:
Rohingya refugee influx and security concerns (রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রবাহ এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rohingya refugee influx and security concerns (রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রবাহ এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হওয়ার প্রধান কারণ হলো রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ।
- ২০১৭ সালের আগস্টে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান ও সংঘর্ষের ফলে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে বড় শরণার্থী ক্যাম্প গড়ে উঠেছে। স্থানীয় অর্থনীতি, জনসংখ্যা এবং সামাজিক অবকাঠামোর ওপর চাপ তৈরি করেছে।
নিরাপত্তা উদ্বেগ: সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র, মাদক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ঝুঁকি,অবৈধ সীমান্ত পারাপার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন, সীমান্ত এলাকা পাহাড়ি ও দুর্গম, যা নজরদারি কঠিন করে তোলে,আন্তর্জাতিক চাপ ও মানবিক সংকট সীমান্ত পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে।
-ঘন ঘন বন্যা থাকে, কিন্তু রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার মূল কারণ নয়।
- পাহাড়ি এলাকা  দুর্গম হলেও মূল রাজনৈতিক সমস্যা নয়।
- সীমান্তে শিল্প-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ নেই।
সূত্রঃ বাংলাদেশ ভূগোল পরিচিতি– সৈয়দ রফিকুল আলম রুমী  

.
Cyclone-prone coastal zones impact political priorities by— 
(ঘূর্ণিঝড়-প্রবণ উপকূলীয় এলাকা রাজনৈতিক অগ্রাধিকারকে কীভাবে প্রভাবিত করে—)
  1. Causing industrial shutdowns (শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়া)
  2. Limiting trade (বাণিজ্য সীমিত করা)
  3. Shaping disaster management and regional development (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক উন্নয়ন নির্ধারণ করা)
  4. Reducing tourism only (শুধু পর্যটন হ্রাস করা)
সঠিক উত্তর:
Shaping disaster management and regional development (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক উন্নয়ন নির্ধারণ করা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shaping disaster management and regional development (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক উন্নয়ন নির্ধারণ করা)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল যেমন বরিশাল, পটুয়াখালি, খুলনা, চট্টগ্রাম উপকূল ঘূর্ণিঝড় ও সাইক্লোনের জন্য খুবই সংবেদনশীল। এই এলাকাগুলোর ভূগোল ও জলবায়ুর কারণে প্রতিবছর ক্ষয়ক্ষতি ঘটে—মানুষের জীবন, বসতবাড়ি, ফসল, এবং অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- সরকারকে এই অঞ্চলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতি ও পরিকল্পনা তৈরি করতে হয়। উদাহরণ: সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ, ত্রাণ বিতরণ, সতর্কতা ব্যবস্থা। পাশাপাশি আঞ্চলিক উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন করা হয়, যাতে অবকাঠামো ঘূর্ণিঝড়-সহনীয় হয় এবং স্থানীয় জনগণ নিরাপদ থাকে।
- এই অঞ্চলের ভৌগোলিক বাস্তবতা রাজনৈতিক অগ্রাধিকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
→ বাণিজ্য কিছুটা প্রভাবিত হতে পারে, কিন্তু এটি প্রধান রাজনৈতিক অগ্রাধিকার নয়।
 → পর্যটন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কিন্তু নীতি প্রণয়নের মূল কারণ নয়।
→ শিল্প কার্যক্রম প্রভাবিত হতে পারে, কিন্তু এটি প্রধান রাজনৈতিক প্রাধান্য নয়।
- ঘূর্ণিঝড়-প্রবণ উপকূলীয় অঞ্চল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক উন্নয়ন নীতিতে সরকারের রাজনৈতিক অগ্রাধিকারকে প্রভাবিত করে। এটি শুধুমাত্র বাণিজ্য, পর্যটন বা শিল্পের উপর সীমাবদ্ধ নয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– নজরুল ইসলাম 

.
Bangladesh’s claim to an Exclusive Economic Zone (EEZ) in the Bay of Bengal was settled through— (বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) সংক্রান্ত দাবি কীভাবে সমাধান করা হয়েছিল—)
  1. Bilateral treaty with India (ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি)
  2. UN arbitration (জাতিসংঘের মধ্যস্থতা)
  3. SAARC mediation (সার্কের মধ্যস্থতা)
  4. ASEAN negotiation (আসিয়ানের আলোচনার মাধ্যমে)
সঠিক উত্তর:
UN arbitration (জাতিসংঘের মধ্যস্থতা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UN arbitration (জাতিসংঘের মধ্যস্থতা)
ব্যাখ্যা

- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের EEZ ও সামুদ্রিক সীমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ এবং মায়ানমার মধ্যে বিরোধ চলছিল। EEZ (Exclusive Economic Zone) হলো একটি দেশের উপকূল থেকে প্রায় ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সমুদ্র ও সমুদ্রসম্পদের উপর নিয়ন্ত্রণের এলাকা।
- দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৩০,০০০ বর্গকিমি জলের মালিকানা নিয়ে বিরোধ ছিল। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ এই ইস্যু জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন আদালত (ITLOS)-এর কাছে পাঠায়।
- ২০১২ সালে আদালত বাংলাদেশের অধিকারের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়। বাংলাদেশকে EEZ-এর ৭০,০০০ বর্গকিমি অঞ্চলের অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এটি বাংলাদেশকে সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা, খনিজ অনুসন্ধান এবং বাণিজ্যিক মাছ ধরা কার্যক্রম পরিচালনার স্বায়ত্তশাসন দেয়।
- এই অর্জন বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা শক্তিশালী করেছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও আইন অনুসরণ করে দাবি সমাধানের উদাহরণ হিসেবে এটি বিশ্বমঞ্চে প্রশংসিত।
- বাংলাদেশের EEZ দাবি জাতিসংঘের মাধ্যমে আর্কিট্রেশন দ্বারা সমাধান হয়, যা দেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– ড. মোঃ মনিরুল আলম 

.
Which Indian state borders Bangladesh along the longest stretch? (কোন ভারতীয় রাজ্য বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত ভাগ করে?)
  1. West Bengal (পশ্চিমবঙ্গ)
  2. Assam (আসাম)
  3. Meghalaya (মেঘালয়)
  4. Tripura (ত্রিপুরা)
সঠিক উত্তর:
West Bengal (পশ্চিমবঙ্গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
West Bengal (পশ্চিমবঙ্গ)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে সীমান্ত ভাগ করে: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাথে সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ২১৯ কিলোমিটার।
- পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্তটি বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, দিনাজপুর, নওগাঁ, পঞ্চগড়) ও দক্ষিণাঞ্চলের কিছু অংশের সাথে সংযুক্ত। এই সীমান্তে অনেক নদী প্রবাহ, যেমন পদ্মা ও মেঘনা, যা উভয় দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- সীমান্ত নিরাপত্তা ও ত্রুটিমুক্ত সীমান্ত তদারকির জন্য সেনা ও সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF) মোতায়েন থাকে। বাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন এবং স্থানীয় কৃষি কার্যক্রম সীমান্তের ভূ-রাজনীতিকে প্রভাবিত করে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অতীতের অভিবাসন সমস্যা ও অর্থনৈতিক পারস্পরিক নির্ভরতা রয়েছে।
- পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও পরিবহন রুটের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত, যা ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
- বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত পশ্চিমবঙ্গের সাথে, যা দেশীয় নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও রাজনৈতিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশ ভূগোল পরিচিতি– সৈয়দ রফিকুল আলম রুমী  

.
Which natural disaster most frequently shapes Bangladesh’s disaster politics and foreign aid dependency?(বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি দেশের দুর্যোগ রাজনীতি এবং বিদেশি সহায়তার ওপর প্রভাব ফেলে?)
  1. Earthquakes (ভূমিকম্প)
  2. Volcanic eruptions ( আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত )
  3. Cyclones and floods (ঘূর্ণিঝড় এবং বন্যা)
  4. Avalanches (হিমপাত / স্নো-স্লাইড)
সঠিক উত্তর:
Cyclones and floods (ঘূর্ণিঝড় এবং বন্যা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cyclones and floods (ঘূর্ণিঝড় এবং বন্যা)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ অবস্থিত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা ডেল্টায়, যা পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতি নদী-মুখী এলাকা। দেশের প্রায় ৭০% এলাকা সমতল এবং নদী ভরাট, ফলে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় খুবই প্রভাবশালী।
- বড় ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার সময় সরকারকে জরুরি ত্রাণ বিতরণ, পুনর্বাসন ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করতে হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বা ব্যর্থতা রাজনৈতিক প্রতিফলন ফেলে। নির্বাচন বা রাজনৈতিক সমালোচনার সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা একটি মুখ্য রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে ওঠে।
- ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার কারণে বাংলাদেশ প্রায়ই অন্তর্জাতিক ত্রাণ ও অর্থনৈতিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকে। ১৯৭০ সালের সুপার সাইক্লোন → জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে বিশাল ত্রাণ। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় → প্রায় ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।
- দুর্যোগ মোকাবিলা নীতি, বাঁধ নির্মাণ, সাইক্লোন শেল্টার, early warning system সবই সরকারী ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অংশ।এটি বাংলাদেশের “disaster politics” এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নির্ভরতার অন্যতম মূল কারণ।
- বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও বিদেশি সাহায্যের ওপর প্রভাব ফেলে তা হলো ঘূর্ণিঝড় এবং বন্যা।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– নজরুল ইসলাম 

১০.
The Bangladesh-Myanmar maritime boundary dispute was settled in— (বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা বিরোধ কখন সমাধান হয়েছিল?)
  1. 2005
  2. 2010
  3. 2012 
  4. 2015
সঠিক উত্তর:
2012 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2012 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে মহাসাগরীয় সীমা ও EEZ (Exclusive Economic Zone) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। উভয় দেশই সমুদ্রের তেল, গ্যাস এবং মাছ ধরার অধিকার নিয়ে নিজেদের EEZ দাবি করেছিল।
- এই বিরোধ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন আদালত (ITLOS) এবং আন্তর্জাতিক কোর্ট অফ জাস্টিস (ICJ) মাধ্যমে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধান করা হয়। ২০১২ সালে আদালত উভয় দেশের জন্য ন্যায্য সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করে।
- বাংলাদেশকে EEZ এবং মহাসাগরীয় সীমার অধিকাংশ অংশ দেওয়া হয়। এতে বাংলাদেশ সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, এবং মাছ ধরা কার্যক্রমে স্বায়ত্তশাসন লাভ করে। এটি বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করে এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সমুদ্রসীমা বিরোধের সমাধান বাংলাদেশের আঞ্চলিক কৌশলগত ক্ষমতা শক্তিশালী করে। এছাড়াও এটি আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ ও কূটনৈতিক সমঝোতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে আসে।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা বিরোধ ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধান হয় এবং এটি দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– নজরুল ইসলাম 

১১.
The Ganges Water Treaty (1996) guarantees Bangladesh a share of water for— (গঙ্গা নদী পানি চুক্তি (১৯৯৬) বাংলাদেশকে কত বছরের জন্য পানি বণ্টনের নিশ্চয়তা দেয়?)
  1. 20 years
  2. 50 years
  3. 30 years 
  4. 25 years
সঠিক উত্তর:
30 years 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
30 years 
ব্যাখ্যা

- গঙ্গা নদী ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয় এবং বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি সেচ-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।১৯৭৫ সালের পর থেকে গঙ্গা নদীর ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণ ও ভারতীয় পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন ছিল।
- ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ফলাফল অনুযায়ী ন্যায্য পানি ভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর ধরে, যা চলমান ব্যবস্থাপনার জন্য সমঝোতার ভিত্তি।
মূল শর্তাবলী: শুষ্ক মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি–মে) এবং বর্ষাকালে নদীর পানি ভাগ করা হবে। পানি বণ্টনের হার প্রতি বছর নদীর প্রবাহ অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। চুক্তি দুই দেশের মধ্যে উভয়পক্ষীয় ত্রাণ ও সহযোগিতার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
- এটি বাংলাদেশের কৃষি, পরিবেশ ও জনজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চুক্তি দ্বিপাক্ষিক কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক জলনীতি অনুসরণের উদাহরণ। পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করে।
- গঙ্গা পানি চুক্তি (১৯৯৬) বাংলাদেশের জন্য ৩০ বছরের জন্য ন্যায্য পানি বণ্টনের নিশ্চয়তা প্রদান করেছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল ও পরিবেশ– প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুর রব 

১২.
The Sundarbans plays a political role in Bangladesh’s diplomacy mainly because— (সুন্দরবন বাংলাদেশের কূটনীতি ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রধানত কেন গুরুত্বপূর্ণ) 
  1.  It is a UNESCO World Heritage site (ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান)
  2. It is a desert area (মরুভূমি)
  3. It is a nuclear test zone (পারমাণবিক পরীক্ষা ক্ষেত্র)
  4. It is a major oil producer (প্রধান তেল উৎপাদন কেন্দ্র)
সঠিক উত্তর:
 It is a UNESCO World Heritage site (ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 It is a UNESCO World Heritage site (ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান)
ব্যাখ্যা

- সুন্দরবন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। এটি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার অংশ। বনাঞ্চলটি বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও নানা প্রজাতির জলজ জীবের আবাসস্থল।
- ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটি বাংলাদেশের পর্যটন, বৈশ্বিক পরিবেশ নীতি ও জলবায়ু কূটনীতি-তে গুরুত্ব দেয়।
- সুন্দরবনকে আন্তর্জাতিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করার জন্য বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সুন্দরবন সংক্রান্ত নীতি এবং পরিবেশ সংরক্ষণ বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও জলবায়ু চুক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করে।বনাঞ্চলের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও পরিবেশ নীতি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।
- সুন্দরবন ভারত সীমান্তবর্তী, তাই সীমান্ত নদী ও বনাঞ্চল সংরক্ষণ দুই দেশের কূটনীতি ও নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। পরিবেশগত ও জলবায়ু ইস্যুতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে কৌশলগত অবস্থান তৈরি করে।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি একটি UNESCO World Heritage Site এবং এর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– ড. মোঃ মনিরুল আলমএক্স

১৩.
Which division of Bangladesh is most vulnerable to sea-level rise? (বাংলাদেশের কোন বিভাগ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ?)
  1. Rajshahi (রাজশাহী)
  2. Khulna (খুলনা)
  3. Mymensingh (ময়মনসিংহ)
  4.  Rangpur (রংপুর)
সঠিক উত্তর:
Khulna (খুলনা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Khulna (খুলনা)
ব্যাখ্যা

- খুলনা বিভাগ দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশে, বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী। সুন্দরবনের একটি বড় অংশ খুলনা বিভাগের মধ্যে অবস্থিত। নদীসমৃদ্ধ ও সমতল এলাকা হওয়ায় এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির (sea-level rise) জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।
- জলবায়ু পরিবর্তন ও গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খরাপ ভূমি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি ক্ষতি এবং বসতি ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
- খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালীসহ অঞ্চলের বাসিন্দারা নিয়মিত সরকারি দুর্যোগ তহবিল ও পুনর্বাসন পরিকল্পনার ওপর নির্ভরশীল।
সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পুনর্বাসন, জলবায়ু রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল ইস্যুর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- খুলনা বিভাগে সুন্দরবন ও খরাপ ভূপৃষ্ঠের সংরক্ষণ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে করা হয়। এই অঞ্চলের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের জলবায়ু নীতি ও কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধির কারণে খুলনা বিভাগ বাংলাদেশে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ, যা পরিবেশগত, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– নজরুল ইসলাম 

১৪.
The Lahore Resolution (1940) is historically important for Bangladesh because— (লাহোর প্রস্তাব (১৯৪০) বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ—)
  1. It demanded federalism (এটি ফেডারেল শাসনব্যবস্থা দাবি করেছিল)
  2.  It called for independent Muslim-majority states (এটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি করেছিল )
  3. It ensured autonomy for Bengal (এটি বাংলার স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করেছিল)
  4. It introduced democracy (এটি গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছিল)
সঠিক উত্তর:
 It called for independent Muslim-majority states (এটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি করেছিল )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 It called for independent Muslim-majority states (এটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবি করেছিল )
ব্যাখ্যা

- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ, লাহোরে মুসলিম লীগ অধিবেশনে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়। ব্রিটিশ ভারতের মুসলমানদের জন্য আলাদা রাজনৈতিক ব্যবস্থা দাবি করা হয়েছিল।
- মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি তোলা হয়। বাংলার পূর্বাংশ (বর্তমান বাংলাদেশ) ও পাঞ্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ—এসবকে নিয়ে আলাদা রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি তৈরি হয়।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমেই পূর্ব বাংলার মুসলমানদের স্বাধীন রাষ্ট্রের ধারণা বাস্তব রূপ পেতে শুরু করে। পাকিস্তান আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি হয়, যার পরবর্তী ধাপে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পথে অগ্রসর হয়। তাই লাহোর প্রস্তাব বাংলাদেশের ইতিহাসে “স্বাধীনতার প্রারম্ভিক ধাপ” হিসেবে বিবেচিত।
- প্রস্তাবটি শুধু ভারতের ভেতরে মুসলমানদের অধিকারের কথা বলেনি, বরং আলাদা রাষ্ট্র গঠনের রাজনৈতিক বৈধতা দিয়েছিল।
এর ফলে পাকিস্তান সৃষ্টি হয় (১৯৪৭), আর সেই রাষ্ট্র থেকে মুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জন্ম নেয় (১৯৭১)।
- লাহোর প্রস্তাব (১৯৪০) বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানায়, যা পাকিস্তানের জন্মের পথ তৈরি করে এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি স্থাপন করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস– ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন

১৫.
Which system was introduced in 1996 to oversee free elections? (১৯৯৬ সালে কোন ব্যবস্থা চালু হয়েছিল সুষ্ঠু নির্বাচন তদারকির জন্য?)
  1. Interim civilian rule (অন্তর্বর্তীকালীন বেসামরিক শাসন)
  2.  Military council (সামরিক পরিষদ)
  3. Non-party caretaker government (নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার)
  4. Emergency administration (জরুরি প্রশাসন)
সঠিক উত্তর:
Non-party caretaker government (নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Non-party caretaker government (নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার)
ব্যাখ্যা

- ১৯৯০ সালে স্বৈরশাসক এরশাদ পতনের পর বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হয়। কিন্তু ১৯৯১ ও ১৯৯৪ সালের নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় বিরোধী দলগুলো নির্বাচনী নিরপেক্ষতা নিয়ে আস্থাহীনতা প্রকাশ করে। ফলে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নতুন একটি কাঠামোর দাবি ওঠে।
- জনদাবি ও বিরোধী দলের আন্দোলনের ফলে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী (১৯৯৬) এর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়। এর অধীনে নির্বাচনের সময় রাষ্ট্রক্ষমতা একটি অরাজনৈতিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ন্যস্ত হতো।
- নির্বাচনী কমিশনের কাজকে নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়া। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবমুক্ত থেকে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা।
- ১৯৯৬ সালের জুন মাসে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। পরবর্তী নির্বাচনের জন্যও দীর্ঘদিন এই ব্যবস্থা চালু ছিল। যদিও ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে এই ব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা যায়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম 

১৬.
The ‘Jail Killing Day’ in Bangladesh refers to— (বাংলাদেশের ‘জেল হত্যা দিবস’ কাকে নির্দেশ করে?)
  1. Assassination of Sheikh Mujibur Rahman (শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড)
  2. Killing of four national leaders in Dhaka Central Jail (ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চার জাতীয় নেতার হত্যাকাণ্ড)
  3. Death of Ziaur Rahman (জিয়াউর রহমানের মৃত্যু)
  4. 7 November soldiers’ revolt (৭ নভেম্বর সেনা বিদ্রোহ)
সঠিক উত্তর:
Killing of four national leaders in Dhaka Central Jail (ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চার জাতীয় নেতার হত্যাকাণ্ড)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Killing of four national leaders in Dhaka Central Jail (ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চার জাতীয় নেতার হত্যাকাণ্ড)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শুরু হয়। এর কয়েক মাস পর ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে চারজন জাতীয় নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। যারা নিহত হন: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, মুক্তিযুদ্ধকালীন),তাজউদ্দীন আহমদ (প্রথম প্রধানমন্ত্রী),ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী (প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধকালীন মন্ত্রী),এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান (জাতীয় নেতা, মুক্তিযুদ্ধকালীন মন্ত্রী).
- এই চারজন নেতা মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মুজিবনগর সরকারের মূল স্তম্ভ ছিলেন। তাঁদের হত্যা করা হয়েছিল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে, যাতে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব চিরতরে ধ্বংস হয়।
- ৩ নভেম্বরকে বাংলাদেশে “জেল হত্যা দিবস” হিসেবে পালন করা হয়। দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত। এটি প্রমাণ করে কিভাবে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব নিশ্চিহ্ন করার জন্য ষড়যন্ত্র চলেছিল।
- ‘জেল হত্যা দিবস’ (৩ নভেম্বর ১৯৭৫) বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়, যখন মুক্তিযুদ্ধকালীন চার জাতীয় নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম।

১৭.
Who was the Acting President of the Mujibnagar Government? (মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?)
  1. Sheikh Mujibur Rahman (শেখ মুজিবুর রহমান)
  2. Tajuddin Ahmad (তাজউদ্দীন আহমদ)
  3. Syed Nazrul Islam (সৈয়দ নজরুল ইসলাম)
  4. M. Mansur Ali (এম. মনসুর আলী)
সঠিক উত্তর:
Syed Nazrul Islam (সৈয়দ নজরুল ইসলাম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Syed Nazrul Islam (সৈয়দ নজরুল ইসলাম)
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তানি সেনারা ২৫ মার্চের গণহত্যা শুরু করার পর স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। এটি পরিচিত “মুজিবনগর সরকার” নামে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তখন তিনি পাকিস্তানে কারারুদ্ধ ছিলেন। তাই তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি (Acting President)।
- তাজউদ্দীন আহমদকে মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করা হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কার্যত নির্বাহী প্রধান হিসেবে কাজ করেন।
- এম. মনসুর আলী ছিলেন অর্থমন্ত্রী।
- এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান ছিলেন স্বরাষ্ট্র, পুনর্বাসন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী।
- মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে আন্তর্জাতিকভাবে বৈধতা দেয়। সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্ব মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, কারণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানে বন্দী ছিলেন।
সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস– ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

১৮.
The Liberation War of Bangladesh officially began on— (বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় কবে?)
  1. 7 March 1971
  2. 25 March 1971
  3. 16 December 1971
  4. 26 March 1971 
সঠিক উত্তর:
26 March 1971 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
26 March 1971 
ব্যাখ্যা

- ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। তিনি সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা করেননি, তবে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ দেন।
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনারা ঢাকায় গণহত্যা চালায়। বিশ্ববিদ্যালয়, বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থানে হাজারো মানুষ নিহত হন।
এ রাতেই শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়।
- ২৫ মার্চ রাতের পর বঙ্গবন্ধুর পক্ষে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। ২৬ মার্চ থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: পাকিস্তানি সেনারা যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাদের গণহত্যার পর ২৬ মার্চ ১৯৭১ তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয় এবং এদিন থেকেই মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস– ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন 

১৯.
Which political leader formed the All Party State Language Movement Committee in 1948? (১৯৪৮ সালে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কে গঠন করেছিলেন?)
  1. Maulana Bhashani (মওলানা ভাসানী)
  2. Abul Kashem (আবুল কাশেম)
  3. Sheikh Mujibur Rahman (শেখ মুজিবুর রহমান)
  4. Huseyn Shaheed Suhrawardy (হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী)
সঠিক উত্তর:
Abul Kashem (আবুল কাশেম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abul Kashem (আবুল কাশেম)
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৮ সালে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা শুরু হয়। এর বিরোধিতা করে পূর্ব বাংলায় আন্দোলন গড়ে ওঠে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবুল কাশেম ভাষা আন্দোলনের প্রাথমিক সংগঠক ছিলেন। তিনি ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে "সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ" গঠন করেন। এই পরিষদ ভাষা আন্দোলনের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ সংগঠন হিসেবে কাজ করে।
- সংগ্রাম পরিষদই পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের রূপরেখা দেয়। ছাত্রসমাজ ও রাজনৈতিক নেতাদের একত্রিত করে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনের ভিত তৈরি করে।
- এই পরিষদের নেতৃত্বে আন্দোলন আরও সুসংগঠিত হয় এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের দিকে অগ্রসর হয়। এর ফলে শেষ পর্যন্ত বাংলা ১৯৫৬ সালের সংবিধানে পাকিস্তানের একটি রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- আবুল কাশেম ১৯৪৮ সালে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেছিলেন, যা ভাষা আন্দোলনের সূচনা ও পরবর্তী সাফল্যের ভিত্তি স্থাপন করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম 

২০.
The Partition of Bengal in 1905 was annulled in— (১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ কখন বাতিল করা হয়েছিল—)
  1. 1911
  2. 1920
  3. 1935
  4. 1947
সঠিক উত্তর:
1911
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1911
ব্যাখ্যা

- ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার অজুহাতে বঙ্গভঙ্গ করেন। এর ফলে বাংলা বিভক্ত হয়ে দুটি প্রদেশ তৈরি হয়— পূর্ব বাংলা ও আসাম (রাজধানী ঢাকা) এবং পশ্চিম বাংলা (রাজধানী কলকাতা)। তবে এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়কে বিভক্ত করা এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দুর্বল করা।
- বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে বাংলায় প্রবল আন্দোলন শুরু হয়, যা ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলন নামে পরিচিত। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অনেক নেতা-লেখক সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এই আন্দোলনের ফলেই স্বদেশি আন্দোলন জন্ম নেয় এবং ব্রিটিশবিরোধী রাজনৈতিক চেতনা তীব্র হয়।
- প্রবল আন্দোলন ও রাজনৈতিক চাপের মুখে অবশেষে ব্রিটিশ সরকার ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ বাতিল ঘোষণা করে। একইসাথে রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস– ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

২১.
A major criticism of Bangladeshi politics is— (বাংলাদেশের রাজনীতির একটি প্রধান সমালোচনা হলো—)
  1. No election system at all (কোনো নির্বাচন ব্যবস্থা নেই)
  2. Lack of political parties (রাজনৈতিক দলের অভাব)
  3. Absence of voters (ভোটারের অনুপস্থিতি)
  4. Over-centralization and dynastic politics (অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ এবং বংশপরম্পরাগত রাজনীতি)
সঠিক উত্তর:
Over-centralization and dynastic politics (অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ এবং বংশপরম্পরাগত রাজনীতি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Over-centralization and dynastic politics (অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ এবং বংশপরম্পরাগত রাজনীতি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রায়শই রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রিক। প্রশাসন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ায় স্থানীয় ও অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসন দুর্বল থাকে।
- দুই প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রধানত পরিবারের নেতৃত্বের দ্বারা পরিচালিত। উদাহরণ: শেখ মুজিবুর রহমান → শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ), জিয়াউর রহমান → খালেদা জিয়া (বিএনপি)। এ ধরনের নেতৃত্ব প্রায়শই নেতৃত্বের উত্তরাধিকার ও কেন্দ্রীভূত ক্ষমতার জন্য সমালোচিত।
-  ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও পারিবারিক রাজনীতির কারণে নৈতিকতা, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও দলীয় জবাবদিহিতা প্রভাবিত হয়। এর ফলে রাজনৈতিক বিতর্ক ও সংঘাত আরও তীব্র হয়।
- বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রধান সমালোচনা হলো-ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ,পরিবারভিত্তিক নেতৃত্ব ও বংশপরম্পরাগত রাজনীতি।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান।

২২.
Which civil society movement significantly shaped environmental politics in Bangladesh? (বাংলাদেশে কোন নাগরিক আন্দোলন পরিবেশনীতি বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছে?)
  1. Narmada Bachao (নারমদা বাঁচাও)
  2.  Save the Sundarbans (সুন্দরবনকে রক্ষা )
  3. Quit India Movement (ইন্ডিয়া ছেড়ে যাও আন্দোলন)
  4. Blue Revolution (নীল বিপ্লব)
সঠিক উত্তর:
 Save the Sundarbans (সুন্দরবনকে রক্ষা )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 Save the Sundarbans (সুন্দরবনকে রক্ষা )
ব্যাখ্যা

- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিস্তৃত। এটি টাইগার, চিতা, হরিণ, কুমিরসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল। নদী ও বনভূমি স্থানীয় মানুষের জীবিকা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।
- “Save the Sundarbans” আন্দোলন শুরু হয়েছিল প্রধানত নাগরিক সমাজ, পরিবেশবিদ এবং স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে। মূল লক্ষ্য- বন সংরক্ষণ, জৈববৈচিত্র্য রক্ষা, শিল্পায়ন ও কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো প্রকল্প থেকে পরিবেশহানি রোধ।
- আন্দোলন সরকারের পরিবেশ নীতি ও পরিকল্পনার উপর প্রভাব ফেলে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুন্দরবনের গুরুত্বকে তুলে ধরে UNESCO World Heritage Site হিসেবে স্বীকৃতি পেতে সাহায্য করে। এটি প্রমাণ করে যে নাগরিক সমাজের আন্দোলন পরিবেশনীতি প্রভাবিত করতে সক্ষম।
- বাংলাদেশে পরিবেশনীতি ও বন সংরক্ষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক আন্দোলন হলো “Save the Sundarbans”। এটি পরিবেশ সংরক্ষণে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও জনসচেতনতা উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান।

২৩.
What is a major political consequence of labor migration from Bangladesh? (বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক প্রবাসের একটি প্রধান রাজনৈতিক প্রভাব কী?)
  1. Decline in remittances (প্রবাসী আয় হ্রাস)
  2. De-industrialization (শিল্পায়নের অবনতি)
  3. Reduced education rate (শিক্ষার হার কমে যাওয়া)
  4. Strengthened foreign exchange reserves (বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি)
সঠিক উত্তর:
Strengthened foreign exchange reserves (বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Strengthened foreign exchange reserves (বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রচুর শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইউরোপে প্রবাসে যায়। এরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় হিসেবে।
- শ্রমিক প্রবাসের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়। সরকারের জন্য এটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ:
বৈদেশিক ঋণ ও আমদানি নির্বাহে সহায়ক। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। সরকারের আন্তর্জাতিক কৌশল ও নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলে।
- রেমিট্যান্স পরিবারের জীবিকা উন্নত করে। স্থানীয় অর্থনীতিতে বিনিয়োগ ও সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়।
- প্রবাসী শ্রমিকদের অভিজ্ঞতা ও আয় সমাজে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বাড়াতে পারে। কিন্তু বড় রাজনৈতিক সমালোচনা হলো প্রবাসে যাওয়া যুবক সমাজের স্থানীয় মানবসম্পদ হ্রাস ঘটায়।
- বাংলাদেশের শ্রমিক প্রবাস দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করে, যা দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান।

২৪.
The 12th Amendment (1991) restored— (দ্বাদশ সংশোধনী ১৯৯১ সালে কোন শাসন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিল?)
  1. Parliamentary system (সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা)
  2. Presidential system (রাষ্ট্রপতি কেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থা)
  3.  Military rule (সেনা শাসন)
  4. Emergency rule (জরুরি অবস্থা)
সঠিক উত্তর:
Parliamentary system (সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Parliamentary system (সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের সংবিধানে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা রাখা হয়। ১৯৭৫ সালে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি কেন্দ্রিক প্রেসিডেনশিয়াল সিস্টেম চালু করেন। এর পরবর্তী সময়ে মিলিটারি শাসন ও প্রেসিডেন্ট প্রধানত ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করেন।
- জনমতের প্রেসিডেনশিয়াল সিস্টেমের সীমাবদ্ধতা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূর করতে দ্বাদশ সংশোধনী আনা হয়। ১৯৯১ সালের সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী কার্যনির্বাহী প্রধান হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন, আর রাষ্ট্রপতি প্রধানত সাংবিধানিক ও প্রতীকী পদ হিসেবে থাকেন।
- সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক ক্ষমতা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সংসদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করে এবং প্রেসিডেন্ট-কেন্দ্রিক ক্ষমতার অপব্যবহার হ্রাস করে।
দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১) বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী কার্যনির্বাহী প্রধান এবং রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক পদে থাকেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম।

২৫.
The Indemnity Ordinance (1975) was enacted during— (ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স ১৯৭৫ সালে কোন সরকারের সময় প্রবর্তিত হয়েছিল?)
  1. Sheikh Mujibur Rahman’s rule(শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকাল)
  2. Khondaker Mostaq Ahmad’s rule (খন্দকার মোশতাক আহমদের শাসনকাল)
  3. Ziaur Rahman’s rule (জিয়াউর রহমানের শাসনকাল)
  4. Ershad’s rule (হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনকাল)
সঠিক উত্তর:
Khondaker Mostaq Ahmad’s rule (খন্দকার মোশতাক আহমদের শাসনকাল)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Khondaker Mostaq Ahmad’s rule (খন্দকার মোশতাক আহমদের শাসনকাল)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের অনেক সদস্য নিহত হন। হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমদ স্বল্পকালীন রাষ্ট্রপতি হন।
- Indemnity Ordinance (1975):খন্দকার মোশতাক সরকারের অধীনে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়।এটির মূল উদ্দেশ্য-বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত সকলকে বিচার থেকে অব্যাহতি দেওয়া। এটি হত্যাকারীদের আইনি দায়মুক্তি প্রদান করে।
- এই অধ্যাদেশের কারণে হত্যা মামলাগুলো বহু বছর স্থগিত থাকে। পরে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে এ অধ্যাদেশ বাতিল করে। এর ফলে হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা চালানো যায়।
- Indemnity Ordinance (1975) ছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খন্দকার মোশতাক সরকারের একটি বিতর্কিত অধ্যাদেশ, যা হত্যাকারীদের আইনি সুরক্ষা দেয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম 

২৬.
Operation Searchlight was launched by the Pakistan army on— (পাকিস্তান সেনারা ‘অপারেশন সার্চলাইট’ কখন চালু করেছিল?)
  1. 1st March 1971
  2. 16th December 1971
  3. 25th March 1971 
  4. 26th March 1971
সঠিক উত্তর:
25th March 1971 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25th March 1971 
ব্যাখ্যা

- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে প্রায় একচ্ছত্র বিজয় অর্জন করে।পশ্চিম পাকিস্তান সরকার নির্বাচনের ফলাফল মানতে অস্বীকৃতি জানায়। পূর্ব পাকিস্তানে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
- ২৫ মার্চ ১৯৭১ রাতেই পাকিস্তানি সেনারা ঢাকায় ব্যাপক গণহত্যা চালায়। প্রধান লক্ষ্য- আওয়ামী লীগের নেতা-সমর্থক এবং বাঙালি জনগণকে দমন করা। সেনারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনগর, নিউ মার্কেট ও অন্যান্য এলাকায় হামলা চালায়। অনেক শিক্ষার্থী, নেতা ও সাধারণ মানুষ নিহত হন।
- এই ঘটনার পরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেপ্তার হন এবং পাকিস্তান নিয়ে যাওয়া হয়। ২৬ মার্চ ১৯৭১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। অপারেশন সার্চলাইট বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নির্ধারণ করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম 

২৭.
Who was the first Prime Minister of independent Bangladesh? (স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?)
  1. Tajuddin Ahmad (তাজউদ্দীন আহমদ)
  2. Sheikh Mujibur Rahman (শেখ মুজিবুর রহমান)
  3. Khondaker Mostaq (খন্দকার মোশতাক)
  4. Ziaur Rahman (জিয়াউর রহমান)
সঠিক উত্তর:
Tajuddin Ahmad (তাজউদ্দীন আহমদ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tajuddin Ahmad (তাজউদ্দীন আহমদ)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন, বাংলাদেশের সরকার বহিরাগত স্থানে মুজিবনগর সরকার হিসেবে গঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি কারাগারে বন্দি থাকায় তিনি নেতৃত্ব গ্রহণ করতে পারেননি।
- তাজউদ্দীন আহমদকে মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। তার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়, প্রশাসন চালু থাকে এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সশস্ত্র প্রতিরোধ, সরবরাহ, রাজনীতি ও অর্থনীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও সরকার পুনর্গঠনে ও স্বাধীন বাংলাদেশের নীতিমালা প্রণয়নে অবদান রাখেন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ, যিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় সরকারের কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস– ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন  

২৮.
The largest ethnic minority group in Bangladesh is— (বাংলাদেশের বৃহত্তম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী কোনটি?)
  1. Chakma (চাকমা)
  2. Marma (মারমা)
  3. Khasi (খাসি)
  4. Garo (গারো)
সঠিক উত্তর:
Chakma (চাকমা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chakma (চাকমা)
ব্যাখ্যা

- চাকমা জনগোষ্ঠী মূলত চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এ বসবাস করে। তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- চাকমারা নিজস্ব ভাষা, পোশাক, উৎসব ও ধর্মীয় আচার বজায় রাখে। প্রধান উৎসব হলো বিজু উৎসব, যা বছরের শুরুতে উদযাপিত হয়। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জঙ্গলের সঙ্গে তাদের জীবনযাপন গভীরভাবে সংযুক্ত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমাদের প্রভাব রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। চাকমা আন্দোলন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি (CHT Peace Accord 1997) তাদের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করে। সংখ্যালঘু অধিকার, ভূমি সংরক্ষণ ও স্বশাসনের ক্ষেত্রে তারা প্রধান ভূমিকা রাখে।
- বাংলাদেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা জনগোষ্ঠী বৃহত্তম। তারা সংস্কৃতি, ভাষা ও রাজনৈতিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – মোঃ নুরুল ইসলাম   

২৯.
What is the role of NGOs in Bangladesh politics? (বাংলাদেশের রাজনীতিতে এনজিওগুলোর ভূমিকা কী?)
  1. Policy-making (নীতি-নির্ধারণ)
  2. Direct governance (প্রত্যক্ষ প্রশাসন)
  3. Advocacy and civic awareness (প্রচার-প্রসার এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি)
  4. Military operations (সেনা বা সামরিক কর্মকাণ্ড)
সঠিক উত্তর:
Advocacy and civic awareness (প্রচার-প্রসার এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Advocacy and civic awareness (প্রচার-প্রসার এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে অসংখ্য এনজিও (NGO) কাজ করে। তাদের লক্ষ্য সাধারণত সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সরাসরি ক্ষমতা না থাকলেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এনজিও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে। ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, নারী-শিশু অধিকার ইত্যাদি নিয়ে জনগণকে শিক্ষিত করে।
-  এনজিও সরকার ও নীতিনির্ধারকদের কাছে নাগরিক চাহিদা ও সামাজিক সমস্যা তুলে ধরে।
 - এনজিও নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও সরকারের নীতি-প্রয়োগে নজর রাখে।
 - এনজিও সরাসরি নীতি-নির্ধারণ বা প্রশাসন চালানো তাদের কাজ নয়।
- সামরিক বা সেনা কর্মকাণ্ডে  এনজিও কোনো ভূমিকা নেই।
- উদাহরণ: BRAC, Ain o Salish Kendra, Transparency International—এসব এনজিও রাজনৈতিক সচেতনতা ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
- বাংলাদেশে এনজিওরা সরাসরি শাসন বা নীতি-নির্ধারণে নয়, বরং প্রচার, অ্যাডভোকেসি ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রভাব ফেলে।
 সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – মোঃ নুরুল ইসলাম   

৩০.
Which social group significantly impacts rural elections? (কোন সামাজিক গোষ্ঠী গ্রামীণ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে?)
  1. Urban elites (শহুরে অভিজাত শ্রেণি)
  2. Local kinship networks (স্থানীয় আত্মীয়তা ও পারিবারিক নেটওয়ার্ক)
  3. Industrial workers (শ্রমিক শ্রেণি)
  4. Journalists (সাংবাদিকরা)
সঠিক উত্তর:
Local kinship networks (স্থানীয় আত্মীয়তা ও পারিবারিক নেটওয়ার্ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local kinship networks (স্থানীয় আত্মীয়তা ও পারিবারিক নেটওয়ার্ক)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চল এখনো অনেকাংশে আত্মীয়তা, পরিবার ও গোত্রভিত্তিক সামাজিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
ভোটাররা প্রায়শই তাদের আত্মীয়স্বজন বা প্রভাবশালী পরিবার/ক্ল্যানের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে।
- আত্মীয়তা নেটওয়ার্ক প্রার্থী নির্বাচনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মাতব্বর বা সমাজপ্রধান পরিবারগুলো ভোটারদের সংগঠিত করতে সক্ষম। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোও প্রায়শই স্থানীয় শক্তিশালী পরিবার থেকে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়।
- শহুরে অভিজাত শ্রেণি (urban elites) গ্রামের ভোটে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলে না।
- শিল্পশ্রমিকরা (industrial workers) মূলত শহরে প্রভাবশালী।
- সাংবাদিকদের (journalists) ভূমিকা সচেতনতা সৃষ্টিতে থাকলেও সরাসরি ভোটের ফলাফলে ততটা প্রভাব নেই।
- বাংলাদেশের গ্রামীণ নির্বাচনে স্থানীয় আত্মীয়তা ও পারিবারিক নেটওয়ার্ক সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাবক। এটি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য ভোট সংগঠনের প্রধান কৌশল।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান 

৩১.
Which political factor is influenced by migration? (অভিবাসন দ্বারা কোন রাজনৈতিক উপাদান প্রভাবিত হয়?)
  1. De-industrialization (শিল্পায়ন হ্রাস)
  2. Remittances and economic policy (রেমিট্যান্স ও অর্থনৈতিক নীতি)
  3. Tea production (চা উৎপাদন)
  4. Literacy (সাক্ষরতা)
সঠিক উত্তর:
Remittances and economic policy (রেমিট্যান্স ও অর্থনৈতিক নীতি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Remittances and economic policy (রেমিট্যান্স ও অর্থনৈতিক নীতি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক কাজ করতে যায়। তারা দেশে টাকা পাঠায় (রেমিট্যান্স), যা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস।
- রেমিট্যান্স অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। সরকারের অর্থনৈতিক নীতি, বাজেট পরিকল্পনা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সরাসরি এই আয়ের ওপর নির্ভর করে।
- শ্রমিক প্রবাসীদের কল্যাণ, অভিবাসন নীতি ও বিদেশ নীতির সঙ্গে রেমিট্যান্স ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। রাজনৈতিক দলগুলো প্রবাসী ভোটার ও রেমিট্যান্স অর্থনীতিকে গুরুত্ব দেয়। প্রবাসী আয়ের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সরকারের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক দায়িত্ব।
- অভিবাসন সরাসরি শিল্পায়ন হ্রাস (De-industrialization) ঘটায় না।
- চা উৎপাদন (Tea production) মূলত অভ্যন্তরীণ কৃষি খাতের সঙ্গে যুক্ত।
- সাক্ষরতা (Literacy) অভিবাসনের ফলাফলের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- অভিবাসনের ফলে রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পায়, আর তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. মাহমুদ-উল-আলা  

৩২.
Which cultural institution preserves heritage? (কোন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে?)
  1. Bangladesh Shilpakala Academy (বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি )
  2. BRAC (ব্র্যাক)
  3. Transparency International (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল)
  4. Save the Sundarbans (সেভ দ্য সুন্দরবন)
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Shilpakala Academy (বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Shilpakala Academy (বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি )
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি একটি জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত। এর মূল কাজ হলো বাংলাদেশের সংস্কৃতি, শিল্পকলা, সংগীত, নৃত্য, নাটক, চারুকলা এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশ করা।
- লোকসংস্কৃতি, নাট্যকলা, সংগীত ও চিত্রকলার বিভিন্ন দিক সংরক্ষণ করে। ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে আধুনিক প্রজন্মের সঙ্গে যুক্ত করে তুলে ধরে। বিভিন্ন প্রদর্শনী, নাটক, সংগীতানুষ্ঠান ও শিল্প প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক চেতনা জাগিয়ে রাখে।
- BRAC মূলত একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদিতে কাজ করে)।
- Transparency International দুর্নীতি বিরোধী গবেষণা ও সচেতনতা কার্যক্রম চালায়, কিন্তু সংস্কৃতি সংরক্ষণের কাজ করে না।
- Save the Sundarbans পরিবেশ ও বন সংরক্ষণে কাজ করে, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
- বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিল্পচর্চার প্রসার ও জাতীয় সংস্কৃতির বিকাশে প্রধান প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – মোঃ নুরুল ইসলাম 

৩৩.
Which ethnic minority is mainly in Chittagong Hill Tracts? (চট্টগ্রাম পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রধান কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাস করে?)
  1. Marma (মারমা)
  2. Khasi (খাসি)
  3. Garo (গারো)
  4. Chakma (চাকমা)
সঠিক উত্তর:
Chakma (চাকমা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chakma (চাকমা)
ব্যাখ্যা

- চাকমারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। এদের বসবাস প্রধানত চট্টগ্রাম পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলায়)। তাদের ভাষা হলো চাকমা ভাষা, যা ইন্দো-আর্য ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- অধিকাংশ চাকমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। এদের নিজস্ব পোশাক, গান, নৃত্য ও উৎসব রয়েছে।ঐতিহ্যবাহী উৎসব হলো বৈসাবি উৎসব, যা বাংলা নববর্ষের সময় উদযাপিত হয়।
- চাকমারা মূলত ঝুম চাষ, কৃষি, মৎস্য আহরণ এবং হস্তশিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তাদের সমাজে গোষ্ঠীগত নেতৃত্ব ও প্রথাগত আইন এখনো গুরুত্বপূর্ণ।
- Marma (মারমা): বান্দরবান জেলায় বেশি বাস করে, সংখ্যায় চাকমাদের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম।
- Khasi (খাসি): প্রধানত সিলেট অঞ্চলের চা-বাগান এলাকায় বাস করে।
- Garo (গারো): মূলত ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা এবং শেরপুর অঞ্চলে বাস করে।
- চট্টগ্রাম পার্বত্য চট্টগ্রামের (CHT) প্রধান নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা জনগোষ্ঠী। তারা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও ইতিহাসে সমৃদ্ধ, এবং বাংলাদেশের নৃ-তাত্ত্বিক চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান 

৩৪.
What is a major issue in urban politics? (শহুরে রাজনীতির একটি প্রধান সমস্যা কী?)
  1. Rural education (গ্রামীণ শিক্ষা)
  2. Tea cultivation (চা চাষ)
  3. Agriculture (কৃষি)
  4. Urban poverty and slums (শহরের দারিদ্র্য ও বস্তি)
সঠিক উত্তর:
Urban poverty and slums (শহরের দারিদ্র্য ও বস্তি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Urban poverty and slums (শহরের দারিদ্র্য ও বস্তি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শহরগুলো দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্রাম থেকে মানুষ কর্মসংস্থানের খোঁজে শহরে আসছে, কিন্তু পর্যাপ্ত আবাসন, চাকরি ও সেবা না থাকায় তারা বস্তিতে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে শহুরে দারিদ্র্য, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন সংকট, বেকারত্ব, অপরাধ বৃদ্ধি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
- শহরের ভোটার সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বস্তিবাসীরা রাজনৈতিক দলগুলোর ভোট ব্যাংক হিসেবেও গুরুত্ব পাচ্ছে। ফলে রাজনৈতিক দলগুলো শহুরে দারিদ্র্য দূরীকরণ, আবাসন প্রকল্প, নগর অবকাঠামো উন্নয়ন ইত্যাদি প্রতিশ্রুতি দেয়।
- Rural education (গ্রামীণ শিক্ষা): এটি গ্রামীণ রাজনীতির বিষয়, শহরের নয়।
- Agriculture (কৃষি): মূলত গ্রামীণ ও অর্থনৈতিক নীতি সংক্রান্ত সমস্যা।
- Tea cultivation (চা চাষ): এটি সিলেট ও পার্বত্য এলাকার অর্থনৈতিক ইস্যু, শহরের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- শহুরে রাজনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো দারিদ্র্য ও বস্তি জীবন। এটি বাংলাদেশের নগর উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার এবং জাতীয় রাজনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – মোঃ নুরুল ইসলাম   

৩৫.
Which festival fosters interfaith harmony? (কোন উৎসব আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে?)
  1. Eid-ul-Fitr (ঈদ-উল-ফিতর)
  2. Pohela Boishakh (পহেলা বৈশাখ)
  3. Bihu (বিহু)
  4. Diwali (দীপাবলি)
সঠিক উত্তর:
Eid-ul-Fitr (ঈদ-উল-ফিতর)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Eid-ul-Fitr (ঈদ-উল-ফিতর)
ব্যাখ্যা

- মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী রমজান শেষে উদযাপিত হয়। দিনটি সাধারণত সামাজিক মিলন, ভ্রাতৃত্ববোধ, দান-খয়রাত ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য প্রদর্শনের জন্য বিশেষ।
- ঈদে শুধু মুসলমানরা নয়, অন্যান্য ধর্মের প্রতিবেশী, বন্ধু ও সহকর্মীরাও শুভেচ্ছা বিনিময় করে। অনেক অমুসলিম পরিবারও মুসলমান বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। ফলে এটি জাতীয় ঐক্য ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতিকে শক্তিশালী করে।
- Pohela Boishakh (পহেলা বৈশাখ): এটি একটি সাংস্কৃতিক উৎসব, ধর্মীয় নয়, তবে এটি জাতীয় মিলনমেলার উৎসব।
- Bihu (বিহু): আসামের আঞ্চলিক উৎসব, বাংলাদেশে সীমিত প্রভাব রয়েছে।
- Diwali (দীপাবলি): হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব, তবে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে ঈদের প্রভাব বাংলাদেশে বেশি।
- ঈদ-উল-ফিতর শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি আন্তঃধর্মীয় সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সামাজিক সংহতিকে জোরদার করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান

৩৬.
Which medium conveys political messages through folk culture? (লোকসংস্কৃতির মাধ্যমে কোন মাধ্যম রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেয়?)
  1. Newspapers (সংবাদপত্র)
  2. Baul songs (বাউল গান)
  3. Television (টেলিভিশন)
  4. Radio (রেডিও)
সঠিক উত্তর:
Baul songs (বাউল গান)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Baul songs (বাউল গান)
ব্যাখ্যা

- বাউল গান হলো বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন লোকসংগীত ধারার একটি। এতে আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক বার্তা সুরের মাধ্যমে সহজভাবে প্রকাশ করা হয়। জটিল রাজনৈতিক চিন্তাভাবনাও মানুষকে বোঝাতে বাউলরা সহজ উপমা ও প্রতীকের ব্যবহার করেন।
- ঔপনিবেশিক শাসনামল থেকেই বাউল গান অন্যায়, দমননীতি ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা হয়েছে।মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাউল গান স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে ভূমিকা রেখেছিল। আজও এটি গ্রামীণ সমাজে গণসচেতনতা ও রাজনৈতিক বার্তা ছড়ানোর কার্যকর মাধ্যম।
- Newspapers (সংবাদপত্র): রাজনৈতিক খবর ও মতামত প্রকাশ করে, কিন্তু এটি লোকসংস্কৃতির অংশ নয়।
- Television (টেলিভিশন): আধুনিক গণমাধ্যম, লোকসংস্কৃতির মাধ্যমে নয়।
- Radio (রেডিও): রাজনৈতিক বার্তা প্রচার করে, তবে লোকগান বা লোকসংস্কৃতির বিশেষ ধারার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
- বাউল গান হলো এমন এক লোকসংস্কৃতির মাধ্যম, যা সাধারণ মানুষের কাছে রাজনৈতিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক বার্তা কার্যকরভাবে পৌঁছে দেয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – মোঃ নুরুল ইসলাম   

৩৭.
Which social factor affects women’s political participation? (নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণে কোন সামাজিক উপাদান প্রভাব ফেলে?)
  1. Education (শিক্ষা)
  2. Geography (ভূগোল)
  3. Industry (শিল্প)
  4. Climate (আবহাওয়া)
সঠিক উত্তর:
Education (শিক্ষা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Education (শিক্ষা)
ব্যাখ্যা

- শিক্ষা নারীদের রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়ায়। এটি আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা জোগায়। শিক্ষিত নারী রাজনীতি, ভোটাধিকার ও সামাজিক আন্দোলনে বেশি সক্রিয় হন।
- শিক্ষা নারীদের রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে অবহিত করে। শিক্ষিত নারীরা দলীয় রাজনীতিতে যোগদান, ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং নাগরিক সমাজের নেতৃত্বে আসতে সক্ষম হন। এটি রাজনীতিতে সমতা ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।
-  ভৌগোলিক অবস্থান কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে, তবে এটি প্রধান সামাজিক উপাদান নয়।
-  শিল্প উন্নয়ন নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ালেও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সরাসরি শিক্ষার ওপর বেশি নির্ভরশীল।
-  জলবায়ু বা আবহাওয়া নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণে তেমন প্রভাব ফেলে না।
- নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উপাদান হলো শিক্ষা। শিক্ষা নারীদের রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও সক্রিয় করে তোলে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান 

৩৮.
What is a key political challenge in multicultural Bangladesh? (বহুসাংস্কৃতিক বাংলাদেশে একটি প্রধান রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ কী?)
  1. Lack of natural resources (প্রাকৃতিক সম্পদের অভাব)
  2. Industrial decline (শিল্পক্ষেত্রের পতন)
  3. Foreign trade deficit (বিদেশি বাণিজ্য ঘাটতি)
  4. Ethnic tensions (জাতিগত উত্তেজনা)
সঠিক উত্তর:
Ethnic tensions (জাতিগত উত্তেজনা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ethnic tensions (জাতিগত উত্তেজনা)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ একটি বহুসাংস্কৃতিক রাষ্ট্র। এখানে বাঙালি সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, গারো, খাসি সহ নানা জাতিগোষ্ঠী রয়েছে। প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, ভাষা ও জীবনযাত্রা আছে।
- চট্টগ্রাম পাহাড়ি এলাকা (CHT) বহুদিন ধরে জাতিগত ও রাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্র। ভূমি অধিকার, স্বায়ত্তশাসন, সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি ইত্যাদি নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। এসব উত্তেজনা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় ঐক্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
- বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সম্পদে খুব সমৃদ্ধ নয়, তবে এটি মূল রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নয়।
- বিদেশি বাণিজ্য ঘাটতি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, রাজনৈতিক নয়।
- শিল্পক্ষেত্রের পতন কিছু সমস্যা থাকলেও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের তুলনায় গৌণ।
- বহুসাংস্কৃতিক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হলো জাতিগত উত্তেজনা। এটি সমাধান করতে অধিকার রক্ষা, সংলাপ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি অপরিহার্য।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – মোঃ নুরুল ইসলাম   

৩৯.
Which festival represents Bangladesh’s cultural pluralism? (বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদকে কোন উৎসব সবচেয়ে বেশি প্রতিফলিত করে?)
  1. Durga Puja (দুর্গাপূজা)
  2. Christmas (বড়দিন)
  3. Eid-ul-Fitr (ঈদ-উল-ফিতর)
  4. Pohela Boishakh (পহেলা বৈশাখ)
সঠিক উত্তর:
Pohela Boishakh (পহেলা বৈশাখ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pohela Boishakh (পহেলা বৈশাখ)
ব্যাখ্যা

- সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ বলতে বোঝায় একটি সমাজে বিভিন্ন ধর্ম, জাতি ও সংস্কৃতির মানুষদের সহাবস্থান। বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ হলেও এখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ নানা ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষ বসবাস করে।
- এটি একটি অধর্মীয় জাতীয় উৎসব, যা সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ উদযাপন করে। এই দিনে সবাই সমানভাবে মঙ্গল শোভাযাত্রা, মেলা, গান, নাটক ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে। পহেলা বৈশাখ তাই শুধুমাত্র উৎসব নয়, বরং এটি জাতীয় ঐক্য ও বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রীতির প্রতীক।
- ঈদ-উল-ফিতর মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি থাকলেও এটি ধর্মীয় উৎসব।
- দুর্গাপূজা হিন্দু ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ উৎসব, যা মূলত হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমিত।
- বড়দিন খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উৎসব, যা আন্তঃসাংস্কৃতিক হলেও জাতীয় পরিসরে তেমন বিস্তৃত নয়।
- বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ ও জাতীয় ঐক্যের সেরা প্রতীক হলো পহেলা বৈশাখ। এটি ধর্মনিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সার্বজনীন উৎসব হিসেবে জাতীয়ভাবে স্বীকৃত।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান 

৪০.
Which women’s rights activist pioneered gender equality campaigns in Bangladesh? (বাংলাদেশে লিঙ্গ সমতার জন্য কোন নারীর অধিকার আন্দোলনকারীর সূচনা করা হয়েছিল?)
  1. Begum Rokeya (বেগম রোকেয়া)
  2. Sufia Kamal (সুফিয়া কামাল)
  3. Khaleda Zia (খালেদা জিয়া)
  4. Sheikh Hasina (শেখ হাসিনা)
সঠিক উত্তর:
Begum Rokeya (বেগম রোকেয়া)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Begum Rokeya (বেগম রোকেয়া)
ব্যাখ্যা

- বেগম রোকেয়া (১৮৮০–১৯৩২) বাংলাদেশের নারীর শিক্ষার প্রথম প্রবর্তক ও নারী অধিকার আন্দোলনের পথিকৃৎ। তিনি নারীদের শিক্ষা, সামাজিক স্বাধীনতা ও সমান অধিকারের প্রচার করেছিলেন। ১৯১১ সালে তিনি সখী ছাত্রী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা বাংলার নারীর শিক্ষার ক্ষেত্রে মাইলফলক।
- রোকেয়া নারীদের শিক্ষা ও সামাজিক অধিকার নিশ্চিত করতে লিখেছেন প্রবন্ধ ও সাহিত্য। তার লেখা ‘সুলতানা’s স্বপ্ন’ (Sultana’s Dream) একটি কাল্পনিক রচনা, যেখানে নারীরা নেতৃত্বে এবং সমাজে সমান অধিকার পেয়েছে। এটি নারীর ক্ষমতায়ন ও সমতার ধারণাকে জনপ্রিয় করেছে।
- সুফিয়া কামাল নারী আন্দোলনে অবদান রেখেছেন, তবে বেগম রোকেয়ার তুলনায় প্রাথমিক প্রবর্তক নয়।
- খালেদা জিয়া রাজনৈতিক নেতা, নারীর অধিকার আন্দোলনের পথপ্রদর্শক নয়।
- শেখ হাসিনা রাজনৈতিক নেতা, নারীর উন্নয়নে কাজ করেছেন, কিন্তু নারী অধিকার আন্দোলনের প্রাথমিক পথিকৃৎ নন।
- বাংলাদেশের নারী অধিকার ও লিঙ্গ সমতার আন্দোলনের প্রবর্তক ও পথিকৃৎ হলো বেগম রোকেয়া। তিনি শিক্ষার প্রসার, সামাজিক সচেতনতা ও নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – মোঃ নুরুল ইসলাম   

৪১.
Which cultural practice is linked to rural political life? (গ্রামীণ রাজনৈতিক জীবনের সাথে কোন সাংস্কৃতিক প্রথা যুক্ত?)
  1. Cinema (সিনেমা)
  2. Village fairs (গ্রাম মেলা/উৎসব)
  3. Football (ফুটবল)
  4. Television (টেলিভিশন)
সঠিক উত্তর:
Village fairs (গ্রাম মেলা/উৎসব)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Village fairs (গ্রাম মেলা/উৎসব)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে মেলা শুধু বিনোদন নয়, এটি সামাজিক ও রাজনৈতিক মিলনের স্থান। মেলায় গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়, খবর-খবর শোনে, মতামত বিনিময় করে এবং প্রার্থী বা স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে।
- রাজনৈতিক নেতা ও দলগুলি মেলার সময় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সমর্থন সংগ্রহ এবং ভোটপ্রার্থনা করে। গ্রামের জনগণ এখানে প্রার্থীর কর্মকাণ্ড, জনপ্রিয়তা ও বক্তব্য মূল্যায়ন করে। এটি একটি স্থানীয় গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
- সিনেমা মূলত বিনোদন এবং শহরভিত্তিক, রাজনৈতিক আলোচনা সীমিত।
- ফুটবল খেলার মাধ্যমে সামাজিক মিলন হতে পারে, তবে রাজনৈতিক বার্তা বহন করে না।
- টেলিভিশন শহরে বেশি প্রচলিত, গ্রামীণ রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পর্ক কম।
- বাংলাদেশের গ্রামীণ রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে মেলা সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। এটি শুধুমাত্র সামাজিক মিলনের স্থান নয়, বরং রাজনৈতিক সচেতনতা ও স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান 

৪২.
Which organization campaigns for minority rights in Bangladesh? (বাংলাদেশে সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষার জন্য কোন প্রতিষ্ঠান কাজ করে?)
  1. BRAC (ব্র্যাক)
  2. Transparency International (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল)
  3. Ain o Salish Kendra (আইন ও সালিশ কেন্দ্র)
  4. Save the Sundarbans (সেভ দ্য সুন্দরবন)
সঠিক উত্তর:
Ain o Salish Kendra (আইন ও সালিশ কেন্দ্র)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ain o Salish Kendra (আইন ও সালিশ কেন্দ্র)
ব্যাখ্যা

- আইন ও সালিশ কেন্দ্র (ASK) ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বতন্ত্র মানবাধিকার সংস্থা।এটি বাংলাদেশের মানবাধিকার, সংখ্যালঘু অধিকার, নারী ও শিশু অধিকার রক্ষা ও প্রচারের জন্য কাজ করে।
- ধর্মীয় ও আঞ্চলিক সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য ও নিপীড়ন নিরীক্ষণ করে। আইনি সহায়তা প্রদান করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা করে। সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করে এবং নীতি প্রণয়নে অংশগ্রহণ করে।
- Transparency International মূলত দুর্নীতি নিরোধে কাজ করে।
- BRAC উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে, সংখ্যালঘু রাজনৈতিক অধিকার নয়।
- Save the Sundarbans: পরিবেশ ও বন সংরক্ষণে কাজ করে, সংখ্যালঘুর অধিকার নয়।
- বাংলাদেশে সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র (ASK) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি আইনি সহায়তা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতি প্রণয়নে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – মোঃ নুরুল ইসলাম   

৪৩.
Which NGO is globally known for poverty alleviation and microfinance in Bangladesh? (বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচন ও মাইক্রোফাইন্যান্সের জন্য কোন এনজিও বিশ্বব্যাপী পরিচিত?)
  1. BRAC (ব্র্যাক)
  2. Transparency International (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল)
  3. Amnesty International (অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল)
  4. Human Rights Watch (হিউম্যান রাইটস ওয়াচ)
সঠিক উত্তর:
BRAC (ব্র্যাক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BRAC (ব্র্যাক)
ব্যাখ্যা

- BRAC হলো বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, যা ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত। এর মূল লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক উন্নয়ন।
- BRAC ছোট ঋণ (মাইক্রোফাইন্যান্স) প্রদান করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বনির্ভরতা এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা বাড়ায়। এটি বিশেষভাবে নারী ও গ্রামের মানুষের জন্য কার্যকর।
- BRAC-এর মডেল বিশ্বব্যাপী শিক্ষার, স্বাস্থ্যসেবার ও ক্ষুদ্রঋণের ক্ষেত্রে অনুসরণীয়।
- Transparency International: দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে, দারিদ্র্য বিমোচন নয়।
- Amnesty International: মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়।
- Human Rights Watch: মানবাধিকার বিষয়ক নজরদারি সংস্থা, দারিদ্র্য বিমোচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
-  বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও মাইক্রোফাইন্যান্স কার্যক্রমে বাংলাদেশের BRAC সবচেয়ে পরিচিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান। এটি নারী ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি – ড. এ কে এম শওকত আলী খান 

৪৪.
The exclusive economic zone (EEZ) of Bangladesh in the Bay of Bengal extends— (বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) কত নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত?)
  1. 100 nautical miles
  2. 200 nautical miles
  3. 250 nautical miles
  4. 350 nautical miles
সঠিক উত্তর:
200 nautical miles
উত্তর
সঠিক উত্তর:
200 nautical miles
ব্যাখ্যা

- একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ) হলো একটি দেশের সমুদ্রসীমা যেখানে দেশটি প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, মাছ ধরা ও সামুদ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।জাতিসংঘের সমুদ্র আইনের কনভেনশন (UNCLOS 1982) অনুযায়ী, EEZ সাধারণত সী-লাইন থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত হয়।
- বাংলাদেশ তার EEZ বাংলাদেশের উত্তর বঙ্গোপসাগরে স্থাপন করেছে। এটি মৎস্য সম্পদ, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ২০১২ সালে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের সঙ্গে মেরিটাইম সীমান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর EEZ-এর সীমানা সুস্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়।
- EEZ বাংলাদেশের সামুদ্রিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উৎস। এটি মৎস্য, গ্যাস, খনিজ সম্পদ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে EEZ রক্ষা করা বাংলাদেশের সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করে।
অন্য বিকল্পগুলো কেন নয়?
- 100 nautical miles  অনেক ছোট, UNCLOS অনুযায়ী EEZ-র সীমা নয়।
- 250 nautical miles / 350 nautical miles: UNCLOS অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি, তাই বৈধ নয়।
- বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের EEZ ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এটি সামুদ্রিক সম্পদ, অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ভূগোল– ড. মোঃ মনিরুল আলম 

৪৫.
Political polarization in Bangladesh society is mainly between— (বাংলাদেশের সমাজে প্রধান রাজনৈতিক মেরুকরণ মূলত কোন দুটি দলের মধ্যে?)
  1. Awami League and BNP (আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি)
  2. AL and Jatiya Party (আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টি)
  3. BNP and Jamaat (বিএনপি এবং জামায়াত)
  4. AL and Workers’ Party (আওয়ামী লীগ এবং ওয়ার্কার্স পার্টি)
সঠিক উত্তর:
Awami League and BNP (আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Awami League and BNP (আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি)
ব্যাখ্যা

- রাজনৈতিক মেরুকরণ হলো সমাজে দুটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে বিরোধ ও বিভাজন। এতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈপরীত্য দেখা যায় এবং সাধারণ মানুষও দলের পক্ষ নেওয়ায় বিভক্ত হয়।
- বাংলাদেশে মেরুকরণ মূল কেন্দ্র আওয়ামী লীগ (AL) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)। দুই দলই দেশের রাজনীতিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রভাব রাখে। নির্বাচনী সময়, আন্দোলন, আন্দোলন ও রাজনৈতিক নীতি গ্রহণের ক্ষেত্রে এই বিভাজন স্পষ্ট।
- সরকারের কার্যক্রম, নীতি প্রণয়ন, বিচার ব্যবস্থায় রাজনৈতিক চাপ এবং সামাজিক সংঘাত বাড়ায়। সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। রাজনৈতিক সহমতের অভাব দেশের স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের জন্য চ্যালেঞ্জ।
- AL and Jatiya Party: জাতীয় পার্টি কিছু সময় সহযোগী হলেও মূল ধ্রুবীকরণ নয়।
- BNP and Jamaat: জামায়াত বিএনপির সাথে জোটের অংশ হলেও প্রধান সামাজিক মেরুকরণ সৃষ্টি করে না।
- AL and Workers’ Party: Workers’ Party ছোট একটি দল, প্রধান মেরুকরণ নয়।
- বাংলাদেশের সমাজে রাজনৈতিক মেরুকরণসবচেয়ে বেশি আওয়ামী লীগ (AL) এবং বিএনপি (BNP) এর মধ্যে। এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নীতি গ্রহণে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম 

৪৬.
Which aspect of Bangladesh’s political culture is most criticized internationally? (বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির কোন দিক আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত?)
  1. Absence of civil society (নাগরিক সমাজের অভাব)
  2. Polarization and lack of democratic compromise (রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং গণতান্ত্রিক সমঝোতার অভাব)
  3. Voter participation (ভোটার অংশগ্রহণ)
  4. NGO dominance (এনজিও-র আধিপত্য)
সঠিক উত্তর:
Polarization and lack of democratic compromise (রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং গণতান্ত্রিক সমঝোতার অভাব)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Polarization and lack of democratic compromise (রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং গণতান্ত্রিক সমঝোতার অভাব)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে রাজনীতিতে প্রধান দুটি দল (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি) প্রায়শই বিরোধ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে কাজ করে, সমঝোতার চেষ্টার অভাব দেখা যায়। সরকার, বিরোধী দল এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার অনুপস্থিতি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে।
- নির্বাচনকালীন সহিংসতা এবং বিরোধীদলীয় প্রতিবাদের কারণে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতি প্রশ্ন ওঠে।
বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক পর্যবেক্ষক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলি এই মেরুকরণ এবং সমঝোতার অভাবকে সমালোচনা করে।
-বাংলাদেশে ভোটার অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে উচ্চ, তাই মূল সমালোচনার কারণ নয়।
- এনজিও-র আধিপত্য উন্নয়ন ও সমাজসেবায় কার্যকর হলেও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে প্রধান সমালোচনার কারণ নয়।
- বাংলাদেশে শক্তিশালী নাগরিক সমাজ রয়েছে, তাই এটি প্রধান সমালোচনার কারণ নয়।
- আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় সমালোচনা হলো রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং গণতান্ত্রিক সমঝোতার অভাব, যা স্থির সরকারী নীতি গ্রহণ ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস– ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন  

৪৭.
The location of Bangladesh makes it geopolitically significant because— (বাংলাদেশের অবস্থান এটিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে কেন?)
  1. It connects South Asia with Southeast Asia (এটি দক্ষিণ এশিয়াকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে)
  2. It is an island nation (এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র)
  3. It borders only one country (এটি কেবল একটি দেশের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে)
  4. It controls the Suez Canal (এটি সুয়েজ খাল নিয়ন্ত্রণ করে)
সঠিক উত্তর:
It connects South Asia with Southeast Asia (এটি দক্ষিণ এশিয়াকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It connects South Asia with Southeast Asia (এটি দক্ষিণ এশিয়াকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার এক কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত এবং ভারত, মায়ানমার এবং বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে। এটি দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু বা করিডোর হিসেবে কাজ করে।
- আঞ্চলিক বাণিজ্য ও রুট কন্ট্রোল: বাংলাদেশের অবস্থান রপ্তানি-আমদানি ও সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- সামরিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব: প্রাকৃতিক সীমান্ত ও সমুদ্রসীমা কৌশলগতভাবে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ।
- আঞ্চলিক সংহতি: SAARC, BIMSTEC, এবং বাংলাদেশ-মায়ানমার-ভারত সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়।
- বাংলাদেশ দ্বীপ রাষ্ট্র নয়, এটি মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ চারটি দেশের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে (ভারত, মায়ানমার, নয়, দ্বীপ নয়)।
- সুয়েজ খাল মিসরের অন্তর্গত, বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক নেই।
- বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্ব মূলত এর অবস্থান থেকে আসে, যা দক্ষিণ এশিয়াকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে।এটি রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে আঞ্চলিক শক্তি এবং কূটনৈতিক গুরুত্ব নিশ্চিত করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম 

৪৮.
Which international recognition strengthened Bangladesh’s cultural politics globally? (কোন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজনীতিকে বিশ্বব্যাপী শক্তিশালী করেছে?)
  1. UNESCO recognition of 21 February (২১ ফেব্রুয়ারিকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি )
  2. IMF membership (IMF-এ সদস্যপদ)
  3. NATO alliance (NATO জোট)
  4. FIFA ranking (FIFA র‍্যাংকিং)
সঠিক উত্তর:
UNESCO recognition of 21 February (২১ ফেব্রুয়ারিকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNESCO recognition of 21 February (২১ ফেব্রুয়ারিকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি )
ব্যাখ্যা

- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ২১ ফেব্রুয়ারি “International Mother Language Day” হিসাবে ইউনেস্কো ঘোষিত। এটি বাংলাদেশের ভাষা ও সাংস্কৃতিক অধিকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পায়।
- বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় ও ভাষার মর্যাদা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্কৃতি ও শিক্ষার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশ মানবাধিকার, ভাষা ও সাংস্কৃতিক নীতিতে একটি উদাহরণ হিসেবে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে উঠে আসে।
- IMF membership: অর্থনৈতিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, সাংস্কৃতিক রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- NATO alliance: বাংলাদেশ NATO সদস্য নয়, সামরিক ক্ষেত্রে সম্পর্ক নেই।
- FIFA ranking: ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাফল্য নির্দেশ করে, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক স্বীকৃতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজনীতি বিশ্বব্যাপী শক্তিশালী হয়েছে ২১ ফেব্রুয়ারি ইউনেস্কোর স্বীকৃতির মাধ্যমে, যা ভাষা আন্দোলন ও জাতীয় পরিচয়কে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম 

৪৯.
The Padma Bridge project symbolically represents— (পদ্মা সেতু প্রকল্প প্রতীকীভাবে কী প্রকাশ করে?)
  1. Political centralization (রাজনৈতিক কেন্দ্রীকরণ)
  2. Self-reliance and national pride (স্বনির্ভরতা এবং জাতীয় গর্ব)
  3. Dependence on IMF (IMF-এর উপর নির্ভরতা)
  4. Partition of Bengal (বাঙালির বিভাজন)
সঠিক উত্তর:
Self-reliance and national pride (স্বনির্ভরতা এবং জাতীয় গর্ব)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Self-reliance and national pride (স্বনির্ভরতা এবং জাতীয় গর্ব)
ব্যাখ্যা

- পদ্মা সেতু প্রকল্প বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সেতু ও অবকাঠামো প্রকল্প, যা দেশের অর্থনৈতিক সংযোগ এবং ভৌগোলিক একতা নিশ্চিত করে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়িত, তাই এটি স্বনির্ভরতা ও জাতীয় সক্ষমতা নির্দেশ করে।
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং জাতীয় সক্ষমতার প্রতীক। এটি দেশীয় দক্ষতা, উদ্ভাবন এবং সরকারের বড় প্রজেক্ট বাস্তবায়নের ক্ষমতা প্রদর্শন করে।
- সেতু দেশের অবকাঠামো সংযোগ করে, কেন্দ্রীকরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- প্রকল্প IMF ঋণ ছাড়া সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে সম্পন্ন হয়েছে।
- বিভাজনের সঙ্গে প্রকল্পের কোনো সম্পর্ক নেই।
- পদ্মা সেতু প্রকল্প বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা এবং জাতীয় গর্বের প্রতীক, যা দেশের অর্থনৈতিক সংযোগ, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং জাতীয় ক্ষমতাকে তুলে ধরে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম 

৫০.
Which Bangladesh leader emphasized “politics of development” in the 1980s? (১৯৮০-এর দশকে “উন্নয়নের রাজনীতি” কে প্রাধান্য দিয়েছিলেন?)
  1. Sheikh Mujibur Rahman (শেখ মুজিবুর রহমান)
  2. Ziaur Rahman (জিয়াউর রহমান)
  3. Hussain Muhammad Ershad (হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ)
  4. Khaleda Zia (খালেদা জিয়া)
সঠিক উত্তর:
Hussain Muhammad Ershad (হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hussain Muhammad Ershad (হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ)
ব্যাখ্যা

- “Politics of Development” বা উন্নয়নের রাজনীতি এমন একটি রাজনৈতিক নীতি যেখানে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং দারিদ্র্য হ্রাস। নির্বাচনী রাজনীতির পরিবর্তে রাজনৈতিক বৈধতা এবং জনসমর্থন অর্জনের উপায় হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৮২ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির জন্য উন্নয়নের রাজনীতি জোরালোভাবে প্রচার করেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের মধ্যে ছিল সড়ক, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি উন্নয়ন এবং শিল্পায়ন। এরশাদের নীতি অনুযায়ী, অর্থনৈতিক অগ্রগতি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি।
- Sheikh Mujibur Rahman: প্রধানত স্বাধীনতা, জাতীয় পুনর্গঠন ও রাজনীতি-সংক্রান্ত নীতি চালু করেছিলেন।
- Ziaur Rahman: রাজনৈতিক পুনর্গঠন ও বহুদলীয় রাজনীতি প্রতিষ্ঠার দিকে বেশি মনোনিবেশ করেছিলেন।
- Khaleda Zia: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আসেন ১৯৯১ সালে, উন্নয়নের রাজনীতি ততটা ব্যপকভাবে প্রচার করা হয়নি।
- ১৯৮০-এর দশকে বাংলাদেশের “উন্নয়নের রাজনীতি” সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছিল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে। এটি অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক বৈধতা অর্জনের একটি মূল হাতিয়ার ছিল।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহিম