পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৮ পার্ট – ১: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ২. জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। ৩. স্বাধীনতা ও অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। পার্ট – ২: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: i) পরিবেশগত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ii) পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ও জোট [UNEP, IMO, WMO, IPCC, EEA, Greenpeace, ICAN ইত্যাদি] iii) পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলন। ২. বিশ্বের সাম্প্রতিক ও চলমান ঘটনা প্রবাহ: পার্ট – ৩: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনায় কোন পদ্ধতিতে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়?
  1. Computer Assisted Personal intelligent (CAPI)
  2. Tablet Assisted Personal Interviewing (TAPI)
  3. Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI)
  4. Tablet Assisted Personal intelligent (CAPI)
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
জনশুমারি সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য:
• জনশুমারি ও গৃহগণনার মাধ্যমে প্রতি দশ বছর অন্তর-অন্তর দেশে বসবাসকারী সকল ব্যক্তির আর্থ-সামাজিক ও জনমিতিক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরপর ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় এবং পরবর্তীকালে প্রতি দশ বছরের পর্যাবৃত্তি অনুসরণপূর্বক নিয়মিত শুমারি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতিতে ডিজিটাল ডিভাইস ট্যাবলেট ব্যবহার করে ১৫-২১ জুন, ২০২২ সময়সীমায় ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা সম্পন্ন করা হয়।
- এবারই প্রথম তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর CAPI পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের সকল প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন করা হয়।

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্যসংগ্রহে মোডিফাইড ডি- ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- এ পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহূর্তে খানায় গণনার পাশাপাশি কর্তব্যরত ও ভ্রমণরত সদস্যকেও তাদের নিজ নিজ খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

• শুমারিতে Geographic Information System (GIS) ও Geocode সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত ডিজিটাল ম্যাপের মাধ্যমে সহজে ও সুনির্দিষ্টভাবে গণনা এলাকা চিহ্নিতপূর্বক ডিজিটাল ডিভাইস ট্যাবলেট ব্যবহার করে দেশের প্রতিটি খানা হতে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।'
- Integrated Census Management System (ICMS) এর মাধ্যমে শুমারির যাবতীয় কার্যক্রমের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে Tier IV Security সমৃদ্ধ ডাটা সেন্টার ব্যবহার করা হয়েছে।

উৎস:- জনশুমারি রিপোর্ট ২০২২।
.
বাংলাদেশ কত সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহন করছে?
  1. ১৯৮০ সাল
  2. ১৯৮৪ সাল
  3. ১৯৮৮ সাল
  4. ১৯৯০ সাল
ব্যাখ্যা
 • গ্র্যান্ড মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন 'ফিদে'র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে বাংলাদেশের নিয়াজ মোর্শেদ প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাব জয় করেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব এখন
- পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এই পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
.
ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে কোন বিভাগ?
  1. ময়মনসিংহ
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
দেশে বসবাসকারী ভাসমান জনসংখ্যা:
- ভাসমান জনসংখ্যা বলতে সে সকল গৃহহীন মানুষকে বুঝায় যারা সাধারণত বিভিন্ন জায়গায় রাত্রি যাপন করে; যেমন রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল, মাজার, ফুটপাথ, সিঁড়ি/ফুটওভারব্রিজের নিচে, লঞ্চ টার্মিনাল/ফেরি, বাজারের বারান্দা ইত্যাদি।
-তারা ২০২২ সালের আদমশুমারিতে ভাসমান জনসংখ্যা হিসাবে বিবেচিত হয়।

• ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ (৯,৪৬২জন)।
• ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে- ময়মনসিংহ বিভাগ (৭০৩জন)।

উৎস:- জনশুমারি রিপোর্ট ২০২২। 
.
'মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা' - কার লেখা?
  1. রজনীকান্ত সেন
  2. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. রঙ্গলাল সেন
  4. অতুল প্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
'মোদের গরব মোদের আশা / আ-মরি বাংলা ভাষা'
- গানটির রচয়িতা অতুল প্রসাদ সেন।
- গানটি ষাটের দশকে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়বাদী আন্দোলনকারীদের মনে উদ্দীপনার সঞ্চার করেছিল।
- এ গান বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের মধ্যে অফুরন্ত প্রেরণা জুগিয়েছে।
→ অতুলপ্রসাদ সেন:
- অতুলপ্রসাদ সেন ১৮৭১ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কবি, গীতিকার ও গায়ক ছিলেন।
- তিনি সর্বপ্রথম বাংলা গানে ঠুমরি আমদানি করেন।
- 'মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা' তাঁর রচিত বিখ্যাত গান।
- 'কয়েকটি গান ও গীতিগুচ্ছ' তাঁর গানের সংকলন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোন পত্রিকা বঙ্গবন্ধুকে 'Poet of Polities' হিসেবে আখ্যায়িত করেন?
  1. রয়টার্স
  2. দ্য গার্ডিয়ান
  3. বিবিসি
  4. নিউজউইক
ব্যাখ্যা
• Poet of Politics:
- রাজনীতির কবি 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব'।
- তিনি শুধু বাঙালির বঙ্গবন্ধু নয়, বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিক - 'বিশ্ববন্ধু' উপাধিতেও বিশ্বনন্দিত।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা।
- ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত 'নিউজউইক ম্যাগাজিন' বঙ্গবন্ধুকে 'Poet of Politics' বাঁ 'রাজনীতির কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
- সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য সম্ভবত তাঁর 'স্টাইল' সবচেয়ে বেশি উপযোগী ছিল।
- এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণকে এক অনবদ্য কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে মহাকবি হিসেবে ভূষিত করার অবারিত যুক্তি রয়েছে।

উৎস:
i) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
ii) ১৫ আগস্ট ২০১৮, দৈনিক জনকণ্ঠ।
.
জনসংখ্যায় দেশের তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. ত্রিপুরা
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. গারো
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
• দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি।
• জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
• জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে - মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
• জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় - লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

উৎস:- জনশুমারি রিপোর্ট ২০২২।
.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মুখপাত্র হিসেবে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হয়?
  1. বাংলাদেশ
  2. মুজিব বার্তা
  3. মুক্তির ডাক
  4. জয়বাংলা
ব্যাখ্যা
  • জয়বাংলা 
- মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র ছিলো- জয় বাংলা। 
- সাপ্তাহিক জয়বাংলা প্রকাশিত হতো- মুজিবনগর থেকে। 
- জয় বাংলা পত্রিকার প্রকাশক - আবদুল মান্নান । 
- জয় বাংলা পত্রিকার সম্পাদক – মতিন আহমদ চৌধুরী (ভারপ্রাপ্ত)। 
- জয় বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকাল - ১১ মে ১৯৭১ (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া। 
.
বাংলা একাডেমি পুরস্কারের মূল্যমান কত লক্ষ টাকা?
  1. দুই লক্ষ টাকা
  2. তিন লক্ষ টাকা
  3. তিন লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
  4. চার লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি পুরস্কার - ২০২৩ 

- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- ১৯৬০ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। বাংলাদেশ
- সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এ পুরস্কার ঘোষণা করে। বর্তমানে বাংলা সাহিত্যের ১১টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- তবে ২০২১ সালের আগে ১০টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হতো।
-  প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান তিন লক্ষ টাকা।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুরস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। 
- ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩' ঘোষণা করা হয়।
- মোট ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৬ জন বিশিষ্ট লেখক 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার- ২০২৩' লাভ করেছেন।
- বাংলা একাডেমি আয়োজিত 'অমর একুশে বইমেলা- ২০২৪'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার প্রদান করবেন।

উৎস- প্রথম আলো।
.
চাকমাদের গ্রামকে কী নামে পরিচিত?
  1. রোয়া
  2. দিশাম
  3. আদাম
  4. পুঞ্জি
ব্যাখ্যা
গ্রাম:
- চাকমাদের গ্রামগুলো আদাম নামে পরিচিত।
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান।
অন্যদিকে,
- সাওতালদের গ্রাম: দিশাম।
- মারমাদের গ্রাম: রোয়া।
- খাসিয়াদের গ্রাম: পুঞ্জি।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি। 
১০.
প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ওডিআই বিশ্বকাপে অভিষিক্ত হন-
  1. নজরুল ইবনে সৈকত
  2. তানভীর আহমেদ
  3. নাদির শাহ
  4. শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত
ব্যাখ্যা
 • শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত
- ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য ম্যাচ অফিশিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি।
- ২০ জনের এ তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।
- প্রথমবারের মতো আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করেন বাংলাদেশি কোনো আম্পায়ার।

উৎস: প্রথম আলো ।
১১.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম নয় কোনটি?
  1. আরেক ফাল্গুন
  2. একুশের গল্প
  3. কবর
  4. জীবন আমার বোন
ব্যাখ্যা
• জীবন আমার বোন।
এটি মাহমুদুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
অন্যদিকে,
• জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস - আরেক ফাল্গুন।
• জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক ছোটগল্প -  একুশের গল্প।
• মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক - কবর। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
মাথাপিছু গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে সবচেয়ে বেশি দায়ী কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ভার‍ত
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউস গ্যাস:
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রিন হাউস গ্যাস।
- গ্রিন হাউস গ্যাস সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনী রশ্মি শোষণ করে এবং আবার মহাশুন্যে ফিরিয়ে দেয়, ফলে আমাদের দেহ বেগুনি রশ্মি গুলি থেকে রক্ষা পায়।
- গ্রিন হাউস গ্যাস পৃথিবীর তাপমাত্রা ধরে রাখে ফলে পৃথিবিতে সবসময় প্রায় একই তাপমাত্রা বিরাজ করে। 
- গ্রিন হাউস গ্যাস গুলি হচ্ছে জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, ওজোন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন ইত্যাদি।

২০ নভেম্বর ২০২৩ সালে UNEP কর্তৃক প্রকাশিত  Emissions Gap Report অনুযায়ী,

• মাথাপিছু গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে শীর্ষ দেশ -
১। যুক্তরাষ্ট্র।
২। রাশিয়া
৩। চীন
৪। ব্রাজিল
৫। ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

• গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে শীর্ষ দেশ -
১। চীন
২। যুক্তরাষ্ট্র।
৩। ভারত
৪। ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
৫। রাশিয়া।



উৎস: Emissions Gap Report 2023। [লিঙ্ক]
১৩.
'২০২৪ আইসিসি নারী টি-২০ বিশ্বকাপ' বিশ্বকাপের কততম আসর?
  1. দশম
  2. নবম
  3. অষ্টম
  4. সপ্তম
ব্যাখ্যা
২০২৪ আইসিসি নারী টি-২০ বিশ্বকাপ:
- এটি আইসিসি নারী টি-২০ বিশ্বকাপের নবম আসর।
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে। 
- এতে অংশ নেবে মোট ১০টি দল।
- আসরে ম্যাচ হবে ২৩টি।

উৎস: ICC Cricket.
১৪.
'Don't make a wave Committee'-এর বর্তমান নাম কী?
  1. Greenpeace International
  2. Green Climate Fund
  3. Earth Watch
  4. Green Belt Movement
ব্যাখ্যা
Greenpeace International: 
- গ্রিনপিস আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রিনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়। 
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা। 
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো। 
- গ্রিনপিস ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে ৫৫টিরও বেশি দেশে ২৫টি স্বাধীন জাতীয়/আঞ্চলিক সংস্থার একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের পাশাপাশি একটি সমন্বয়কারী সংস্থা, গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: Greenpeace International ওয়েবসাইট।
১৫.
United Nations Environment Programme কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৫ জুন, ১৯৭২
  2. ২৫ জুন, ১৯৭২
  3. ৫ জুন, ১৯৭৪
  4. ২৫ জুন, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
UNEP:
- UNEP-এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালের ৫ জুন। 
- সদরদপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- UNEP এর প্রধানের পদবী: নির্বাহী পরিচালক। 
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ইনগার অ্যান্ডারসেন।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠার তারিখ ধরে ৫ জুন প্রতিবছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
১৬.
সম্প্রতি কোন দেশটি 'এশিয়ার ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন' (ACU) থেকে বাদ পড়েছে?
  1. ভুটান
  2. ইরান
  3. মালদ্বীপ
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
ACU:
- ACU এর পূর্নরূপ: Asian Clearing Union.
- ACU হলো একটি আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিকারী সংস্থা।
- এটি এর সদস্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকসমুহ এবং উক্ত অঞ্চলের আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি করে থাকে।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ডিসেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- সদর দপ্তর:  তেহরান, ইরান।
- জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশন (ইসক্যাপ)-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদস্য: ৮টি।
- সদস্যদেশ গুলো: বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

ACU:
- Bangladesh Bank,
- Royal Monetary Authority of Bhutan,
- Reserve Bank of India,
- Central Bank of the Islamic Republic of Iran,
- Maldives Monetary Authority,
- Central Bank of Myanmar,
- Nepal Rastra Bank,
- State Bank of Pakistan.

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি 'এশিয়ার ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন' (ACU) থেকে বাদ পড়েছে শ্রীলংকা।
- দেনা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় সম্প্রতি এ তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শ্রীলঙ্কা।

উৎস: i) Asian Clearing Union ওয়েবসাইট।
        ii) ১০ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
১৭.
ফ্রান্সের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. এলিজাবেথ বর্নি
  2. গ্যাব্রিয়েল আতাল
  3. ইমানুয়েল মাক্রোঁ
  4. জঁ কেস্তে
ব্যাখ্যা
গ্যাব্রিয়েল আতাল:
- ফ্রান্সের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আতাল।
- ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ তাকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন।
- গ্যাব্রিয়েল আতাল (৩৪) আধুনিক ফ্রান্সের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী।
- এর আগে ১৯৮৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ৩৭ বছর বয়সী লোরাঁ ফ্যাবিউস।

উল্লেখ্য,
- এলিজাবেথ বর্নির স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন গ্যাব্রিয়েল আতাল।
- ২০২২ সালের মে মাসে এলিজাবেথ বর্নি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন।
- দায়িত্ব গ্রহণের ২০ মাস পর বর্নি পদত্যাগ করেন।

উৎস: ৯ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
১৮.
কোন সম্মেলনে 'Green Climate Fund' গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়?
  1. বার্লিন সম্মেলনে
  2. জেনেভা সম্মেলনে
  3. কোপেনহেগেন সম্মেলনে
  4. প্যারিস সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
Green Climate Fund:
- ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
- ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় COP-15 সম্মেলন।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- কোপেনহেগেন সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর সদর দপ্তর: ইনচন, দক্ষিণ কোরিয়া।

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট। 
১৯.
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে খাদ্য রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. চীন
ব্যাখ্যা
খাদ্য রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের খাদ্য রপ্তানিতে শীর্ষ পাঁচ দেশ হচ্ছে:
১। যুক্তরাষ্ট্র,
২। যুক্তরাজ্য,
৩। জার্মানি, 
৪। চীন,
৫। ফ্রান্স।

উৎস: i) ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
         ii) FAO ওয়েবসাইট।
২০.
বর্তমানে আফিম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. উজবেকিস্তান
  2. মিয়ানমার
  3. আইভরিকোস্ট
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
আফিম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ:
- বর্তমানে আফিম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ মিয়ানমার।
- ২০২১ সালে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার উৎখাতের পর থেকে দেশটিতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজ কড়ছে।
- যার ফলে অনেকেই আফিম চাষের দিকে ঝুঁকছেন।
- ইউএনওডিসির প্রতিবেদন মতে, মিয়ানমারের আফিম চাষীরা এখন অন্য যেকোনো পণ্য চাষের তুলনায় গড়ে প্রায় ৭৫ শতাংশ বেশি উপার্জন করছেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২২ সালে আফিম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ ছিল আফগানিস্তান। 
- ২০২২ সালে আফগানিস্তানের তালেবান শাসক মাদকদ্রব্য ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর দেশটিতে আফিম চাষ ৯৫ শতাংশ কমে যায়।

উৎস: i) UN News.
         ii) ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩, The Daily Star Bangla.
২১.
পল লিঞ্চ কীসের জন্য বুকার পুরস্কার-২০২৩ লাভ করেন?
  1. টাইম শেলটার উপন্যাস
  2. সামথিং টু আনসার ফর উপন্যাস
  3. প্রফেট সং
  4. দ্য সেভেন মুনস অব মালি আলমেইদা
ব্যাখ্যা
২০২৩ বুকার পুরস্কার বিজয়ী:
- ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। 
- বুকারজয়ের শর্ত হলো, উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা হতে হবে এবং যুক্তরাজ্যে বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত হতে হবে।
- উপন্যাস ‘প্রফেট সং’ এর জন্য ২০২৩ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছেন আয়ারল্যান্ডের লেখক পল লিঞ্চ।
- তিনি ‘প্রফেট সং’ লিখে প্রথমবারের মতো এ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পেলেন।
- ‘প্রফেট সং’ পল লিঞ্চের পঞ্চম বই এবং চার বছর ধরে লিখেছেন এটি।

অন্যদিকে -
- ২০২২ সালে ‘দ্য সেভেন মুনস অব মালি আলমেইদা’ উপন্যাসের জন্য পুরস্কারটি পান শ্রীলঙ্কার সাহিত্যিক শেহান করুণাতিলকা।
- Time Shelter উপন্যাসের জন্য ২০২৩ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার লাভ করেন লেখক জর্জি গোসপোদিনভ ও অনুবাদক অ্যাঞ্জেলা রোডেল।

উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট। 
২২.
৩০তম APEC শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. সান ফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  3. দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. নয়াদিল্লী, ভারত
ব্যাখ্যা
APEC:
- APEC এর পূর্ণরূপ: Asia-Pacific Economic Cooperation.
- এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক জোট।
-  প্রতিষ্ঠিত হয়: ৬ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর।
- সদস্য সংখ্যা: ২১টি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে ৩০তম APEC শীর্ষ সম্মেলন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো শহরে ১১ নভেম্বর, ২০২৩ - ১৭ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: APEC ওয়েবসাইট।
২৩.
২০২৩ সালে 'ফিফা ফেয়ারপ্লে অ্যাওয়ার্ড' পেয়েছেন -
  1. ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল
  2. আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল
  3. ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দল
  4. জাপান জাতীয় ফুটবল দল
ব্যাখ্যা
২০২৩ সালে 'ফিফা দ্য বেস্ট':
- বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা),
- বর্ষসেরা নারী খেলোয়াড়: আইতানা বোনমাতি (স্পেন),
- পুরুষ গোলকিপার: এদেরসন (ব্রাজিল),
- নারী গোলকিপার: মেরি আর্পস (ইংল্যান্ড),
- পুরুষ কোচ: পেপ গার্দিওলা (স্পেন),
- নারী কোচ: সারিনা ভাইগমান (নেদারল্যান্ডস),
- ফিফা পুসকাস অ্যাওয়ার্ড: গিলের্মে মাদরুগা (ব্রাজিল),
- ফিফা স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড: মার্তা (ব্রাজিল),
- ফিফা ফেয়ারপ্লে অ্যাওয়ার্ড: ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল,
- ফিফা ফ্যান অ্যাওয়ার্ড: হুগো দানিয়েল ইনিগুয়েজ (আর্জেন্টিনা)।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট। [link]
২৪.
ক্রমহ্রাসমান হারে ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপদান বিলীনের বিষয়টি কোন চুক্তিতে বলা হয়েছে?
  1. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন চুক্তি
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
Montreal Protocol:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর। 
- ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। 
- গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭; মন্ট্রিল, কানাডা।

উল্লেখ্য,
- প্রতি বছর ১৬ সেপ্টেম্বর ওজোন স্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
২৫.
ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা কোনটি?
  1. পদ্মবিভূষণ
  2. পদ্মভূষণ
  3. ভারতরত্ন
  4. পদ্মশ্রী
ব্যাখ্যা
ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা:
- ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ভারতরত্ন।
- এরপর রয়েছে পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ ও পদ্মশ্রী।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ভারত সরকার ১৩২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্ম সম্মাননার জন্য মনোনীত করেছে।
- তাঁদের মধ্যে পাঁচজন পদ্মবিভূষণ, ১৭ জন পদ্মভূষণ আর ১১০ জন পদ্মশ্রী সম্মাননা পাচ্ছেন।
- ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস সামনে রেখে প্রতি বছর পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।
- সাধারণত মার্চ বা এপ্রিলে রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠান করে পুরস্কারগুলো তুলে দেওয়া হয়।

 উৎস: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
২৬.
কার্টাগেনা প্রটোকল কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২৯ জানুয়ারি, ২০০০
  2. ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০০
  3. ২৯ জানুয়ারি, ২০০৩
  4. ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ। 
- কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে খসড়া অনুমোদন হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
২৭.
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কী বলে?
  1. কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন
  2. তালব্য ব্যঞ্জন
  3. দন্ত্য ব্যঞ্জন
  4. মূর্ধন্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
তালব্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
 যেমন:
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রর্ভতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে:
মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দন্ত্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
- তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন: 
- কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।
- হাতি শব্দের হ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৮.
'রাষ্ট্রপতি' শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. রাশ্‌ট্রপতি
  2. রাশ্‌ট্রোপোতি
  3. রাষট্রপতি
  4. রাশ্‌ট্রোপতি
ব্যাখ্যা
• 'রাষ্ট্রপতি'
- সংস্কৃত শব্দ।
- বিশেষ্য পদ।
- উচ্চারণ: রাশ্‌ট্রোপোতি
- প্রকৃতি প্রত্যয়: রাষ্ট্র + পতি।
 অর্থ:
- রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৯.
'সামান্য' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ -
  1. সামান্‌ন
  2. শামান্নো
  3. সামান্ন
  4. শামান্‌নো
ব্যাখ্যা
• 'সামান্য' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ - শামান্‌নো

শ, ষ, স এর উচ্চারণ: 
- শ কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়।
- স কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, আবার কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়।
- ষ বর্ণের উচ্চারণ সব সময়ে [শ]।

উদাহরণ:
- শ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: শত [শতো], শসা [শশা]।
- শ বর্ণের [স] উচ্চারণ: শ্রমিক [স্রোমিক্‌], শৃগাল [সৃগাল্‌]।
- ষ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: ভাষা [ভাশা], ষােলাে [শােলাে]।
- স বর্ণের [শ) উচ্চারণ: সাধারণ [শাধারােন], সামান্য [শামান্‌নো]।
- স বর্ণের [স] উচ্চারণ: আস্তে [আসতে], সালাম [সালাম্‌]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১)।
৩০.
কোন ক্ষেত্রে ‘র’ এর উচ্চারণে বৈচিত্র পাওয়া যায়?
  1. র-ফলা
  2. রেফ
  3. ব-ফলা
  4. ঋ-কার
ব্যাখ্যা
র বর্ণের উচ্চারণ:
- র বর্ণের উচ্চারণ [র্‌]। তবে র-ফলা হিসেবে এর উচ্চারণে বৈচিত্র্য আছে।
- শব্দের মধ্যে বা শেষে কোনাে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে র-ফলা থাকলে দ্বিত্বসহ র-ফলা উচ্চারিত হয়।
যেমন –
- মাত্র [মাত্ত্রো‌], বিদ্রোহ [বিদ্দ্রো‌হাে], যাত্রী [জাত্ত্রি‌]।
- কিন্তু শব্দের মধ্যে বা শেষে যুক্তব্যঞ্জনের সঙ্গে র-ফলা যুক্ত হলে দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় না।
যেমন -
- কেন্দ্র [কেন্‌দ্রো], শাস্ত্র [শাস্‌ত্রো]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
৩১.
নিচের কোনটি মধ্য স্বরাগম পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. স্কুল > ইস্কুল
  2. ভ্রু > ভুরু
  3. দিশ্ > দিশা
  4. সত্য > সইত্য
ব্যাখ্যা
মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:
- সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে।
- একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন:
- অ - রত্ন > রতন; ধর্ম > ধরম; স্বপ্ন > স্বপন; হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।
- ই - প্রীতি > পিরীতি; ক্লিপ > কিলিপ; ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।
- উ - মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক; ভ্রু > ভুরু; শুক্রবার >শুক্কুরবার ইত্যাদি।
- এ - গ্রাম > গেরাম; প্রেক > পেরেক; স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
- ও - শ্লোক > শোলক, মুরগ > মুরােগ > মােরগ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- 'স্কুল > ইস্কুল' আদি স্বরাগম ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।
- 'দিশ্ > দিশা' অন্ত্যস্বরাগম ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।
- 'সত্য > সইত্য' অপিনিহিতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩২.
’যুগ্ম’ শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি?
  1. জুগ্‌মো
  2. যুগন্‌
  3. যোগম্‌
  4. যুগুনো
ব্যাখ্যা
ম বর্ণের উচ্চারণ:
- ম বর্ণের সাধারণ উচ্চারণ [ম]।
- শব্দের প্রথম বর্ণে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণের সময়ে ম-এর উচ্চারণ [অঁ]-এর মতো হয়,
  যেমন:
- শ্মশান [শঁশান্],
- স্মরণ [শঁরোন্]।

- শব্দের মধ্যে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণে দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য অনুনাসিক হয়,
যেমন:
- আত্মীয় [আতিঁয়ো], পদ্ম [পদ্‌দোঁ]।
- কিছু ক্ষেত্রে ম-ফলায় ম্- এর উচ্চারণ বজায় থাকে,
যেমন:
- যুগ্ম [জুগ্‌মো],
- জন্ম [জমো],
- গুল্ম [গুমো]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।
৩৩.
ধ্বনি উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখবিবরে উচ্চারণের মূল উপকরণ -
  1. কণ্ঠ ও জিহ্বা
  2. জিহ্বা ও দাঁত
  3. জিহ্বা ও ওষ্ঠ
  4. কণ্ঠ ও তালু
ব্যাখ্যা
উচ্চারণের স্থানভেদে ব্যঞ্জনধ্বনির বিভাগ:
- ধ্বনি উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখবিবরে উচ্চারণের মূল উপকরণ বা উচ্চারক জিহ্বা ও ওষ্ঠ।
- আর উচ্চারণের স্থান হলাে কণ্ঠ বা জিহ্বামূল, অগ্রতাল, মূর্ধা বা পশ্চাৎ দন্তমূল, দন্ত বা অগ্র দন্তমূল, ওষ্ঠ্য ইত্যাদি।
- উচ্চারণের স্থানের নাম অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনিগুলােকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়:
১) কণ্ঠ্য বা জিহ্বামুলীয়,
২) তালব্য বা অগ্রতালুজাত,
৩) মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্তমূলীয়,
৪) দন্ত্য বা অগ্র দন্তমূলীয় এবং
৫) ওষ্ঠ্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।