পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ১০ জানুয়ারি, ২০২১সময়40 minutes
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা -পদ্মা- ২৪.০২.২০১২ (গ্রেড-১৩)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ১০ জানুয়ারি, ২০২১ · ৮০ প্রশ্ন

.
'ওরা কদম আলী' নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মামুনুর রশীদ
  2. খ) জোবায়দা খানম
  3. গ) ওবায়েদুল হক
  4. ঘ) নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

মামুনুর রশীদ মূলত নাট্যকার ছিলেন।
তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটকঃ
- ওরা কদম আলী,
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস, ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগি,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
'শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ' অনুবাদ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  2. খ) কাজী আবদুল ওদুদ
  3. গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) ইব্রাহীম খাঁ
ব্যাখ্যা

ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত কিছু অনুবাদগ্রন্থ:
- দীওআন-ই-হাফিজ,
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ,
- রুবাইয়াত-ই-উমর খইয়ম,
- মহানবী,
- বাইআত নামা,
- বিদ্যাপতি শতক,
- অমর কাব্য কোরান শরীফ (অনুবাদ ও ভাষাসহ প্রকাশিত),
- বুখারী শরীফ,
- ঈদুল আযহা
- কোরবানির আহকাম।
উৎসঃ বিভিন্ন পত্রিকা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) গোলাম মোস্তফা
  2. খ) কামিনী রায়
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থঃ
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা,
- চন্দ্রবিন্দু,
- সিন্ধু হিন্দোল,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) নিরিহ
  2. খ) নিরীহ
  3. গ) নীরিহ
  4. ঘ) নীরীহ
ব্যাখ্যা

নিরীহ (বিশেষণ)
১) শান্ত; গোবেচারা।
২) অহিংস্র।
৩) নিরুপদ্রব; নির্বিরোধ।
৪) নিশ্চেষ্ট; অচেষ্ট।
৫) নিঃস্পৃহ; নির্লোভ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) নিশীথ
  2. খ) নিশিথ
  3. গ) নীশীথ
  4. ঘ) নীশিথ
ব্যাখ্যা

নিশীথ (বিশেষ্য)
১) রাত্রি; রজনী।
২) মধ্যরাত্র; অর্ধরাত্রি।
৩) গভীর রাত্রি (নিশীথে কি কথা কয়ে গেলে-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
পাগলে কিনা বলে।’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) কর্তায় ষষ্ঠী
  2. খ) কর্তায় ২য়া
  3. গ) কর্তায় ৭মী
  4. ঘ) কর্তায় শূন্য
ব্যাখ্যা

বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
(কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না। সেক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।)

সপ্তমী বিভক্তিঃ এ, য়, তে

উদাহরণ-
পাগলে কি না বলে (কে বলে) : কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি।
বুলবুলিতে ধান খেয়েছে (কে খেয়েছে) : কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
‘এই নদীর মাছ বড়।’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. ক) অধিকরণে ২য়া
  2. খ) অপাদানে ৭মী
  3. গ) করণে ৭মী
  4. ঘ) অধিকরণে ৬ষ্ঠী
ব্যাখ্যা

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে (সময় এবং স্থানকে) অধিকরণ কারক বলে।
ক্রিয়াকে ‘কোথায়/ কখন/ কী বিষয়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।
ষষ্ঠী বিভক্তি হচ্ছে - র, এর।
'এই নদীর মাছ বড়' বাক্যে 'নদী' স্থানকে বুঝায় এবং এর সাথে 'র' যুক্ত আছে;
তাই এটি অধিকরণ কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম কি?
  1. ক) ব্যাসবাক্য
  2. খ) সমস্যমান পদ
  3. গ) সমাসবাক্য
  4. ঘ) সমস্তপদ
ব্যাখ্যা

সমাসের জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি সংজ্ঞাঃ
ব্যাসবাক্যঃ যে বাক্যাংশ থেকে সমাসের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য। একে সমাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্যও বলা হয়।
সমস্ত পদঃ ব্যাসবাক্য থেকে সমাসের মাধ্যমে যে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় সমস্ত পদ।
সমস্যমান পদঃ ব্যাসবাক্যের যে সব শব্দ সমস্ত পদে অন্তর্গত থাকে, সমস্ত পদের সেই সব শব্দকে সমস্যমান পদ বলে। অর্থাৎ যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম সমস্যমান পদ।
পূর্বপদঃ সমস্ত পদের প্রথম অংশ/ শব্দকে পূর্বপদ বলে। অর্থাৎ, সমস্ত পদের প্রথম সমস্যমান পদই পূর্বপদ।
পরপদ / উত্তরপদঃ সমস্ত পদের শেষ অংশ / শব্দকে পরপদ / উত্তরপদ বলে। অর্থাৎ, সমস্ত পদের শেষ সমস্যমান পদই পরপদ।
যেমন, সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।
এখানে ব্যাসবাক্য হলো- ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’।
আর সমস্ত পদ হলো ‘সিংহাসন’। সমস্যমান পদ হলো ‘সিংহ’ আর ‘আসন’। এদের মধ্যে ‘সিংহ’ পূর্বপদ, আর ‘আসন’ পরপদ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কর্মধারয় সমাসে কোন পদ প্রধান?
  1. ক) পূর্ব পদ
  2. খ) পর পদ
  3. গ) উভয় পদ
  4. ঘ) অন্য পদ
ব্যাখ্যা

যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন-
নীল যে অম্বর = নীলাম্বর।
নীল যে আকাশ = নীলাকাশ।
নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
রক্ত যে কমল = রক্তকমল।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১০.
'প্রসন্ন' এর বিপরীতার্থক শব্দ-
  1. ক) বিপন্ন
  2. খ) আসন্ন
  3. গ) প্রতিপন্ন
  4. ঘ) বিষণ্ন
ব্যাখ্যা

প্রসন্ন এর বিপরীত শব্দ বিষণ্ন।

প্রসন্ন (বিশেষণ) সন্তুষ্ট; সদয় ; নির্মল, পবিত্র।
বিষণ্ন (বিশেষণ)
১) দুঃখিত; দুঃখপ্রাপ্ত; ক্ষুণ্ন।
২) ম্লান; মলিন (একাকী বিষণ্ন তরুচ্ছায়ে-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।
৩) বিষাদযুক্ত; অপ্রসন্ন।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান এবং ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১১.
'পর্বত' এর সমার্থক শব্দ নয়-
  1. ক) পাহাড়
  2. খ) গিরি
  3. গ) শিলা
  4. ঘ) শৈল
ব্যাখ্যা

শিলা অর্থ পাথর। এটি পর্বত এর সমার্থক শব্দ নয়।
পর্বত এর সমার্থক শব্দ শৈল, গিরি, অচল, পাহাড় ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১২.
“কুঁড়ে স্বভাব” কোন বাগধারা দ্বারা বোঝানো হয়?
  1. ক) ঊনপঞ্চাশ বায়ু
  2. খ) আঠারো মাসে বছর
  3. গ) অকাল কুষ্মাণ্ড
  4. ঘ) অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী
ব্যাখ্যা

আঠারো মাসে বছর- কুড়ে স্বভাব/দীর্ঘসূত্রতা।
ঊনপঞ্চাশ বায়ু- পাগলামি।
অকালকুষ্মাণ্ড- অপদার্থ।
অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী- সামান্য বিদ্যা বড়ো ক্ষতিকর, তাতে জ্ঞান জন্মে না অথচ বিদ্বান বলে অহঙ্কার জন্মে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৩.
'নীরস' এর সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. ক) নিঃ + রস
  2. খ) নি + রস
  3. গ) নী + রস
  4. ঘ) নীঃ + রস
ব্যাখ্যা

ই কিংবা উ ধ্বনির পরের বিসর্গের সাথে ‘র’ এর সন্ধি হলে বিসর্গের লোপ হয় ও বিসর্গের পূর্ববতী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়।
যেমন-
নিঃ + রব = নীরব,
নিঃ + রোগ = নীরোগ,
নিঃ + রস = নীরস।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪.
যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে বলে-
  1. ক) ক্রিয়া
  2. খ) উপসর্গ
  3. গ) বিভক্তি
  4. ঘ) প্রত্যয়
ব্যাখ্যা

মূলশব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।
অর্থাৎ, প্রাতিপদিক ও ধাতুর সঙ্গে যেই শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদেরকেই প্রত্যয় বলে।
যেমন,
পড় + উয়া = পড়ুয়া
এখানে, ‘√পড়’-এর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় 'উয়া' যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ 'পড়ুয়া' গঠন করেছে।
লাজ + উক = লাজুক
এখানে, ‘লাজ’-এর সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় 'উক' যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ 'লাজুক' গঠন করেছে।

যে পদের দ্বারা কাজ করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়া বলে।
যেমন- যাব, খাই, ঘুমাও।

বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এগুলো অন্যে শব্দের আগে বসে। এর প্রভাবে শব্দটির কয়েক ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়।
যেমন- নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়, শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয়, শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ ঘটে, শব্দের অর্থের সংকোচন ঘটে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
ভাষায় ব্যবহৃত এসব অব্যয়সূচক শব্দাংশেরই নাম উপসর্গ।
যেমন- 
‘পাতি’ একটি বাংলা উপসর্গ। এটি ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থে ব্যবহৃত হয়।
'পাতি' যোগে কিছু শব্দঃ পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ইত্যাদি।

বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয়, তাদের বিভক্তি বলে।
বিভক্তি প্রধানত ২ প্রকার।
যথা- ক্রিয়া বিভক্তি(পড়+তে=পড়তে) এবং নাম বিভক্তি।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
'সৌভাগ্যের বিষয়' কথাটি কোন বাগধারা দিয়ে বঝানো হয়েছে?
  1. ক) কেউকেটা
  2. খ) শাপে বর
  3. গ) ব্যাঙের আধুলি
  4. ঘ) একাদশে বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা

'একাদশে বৃহস্পতি' - সৌভাগ্যের বিষয়।
'কেউকাটা' - সামান্য।
'শাপে বর' - অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।
‘ব্যাঙের আধুলি’- সামান্য সম্পদ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬.
Which is the verb of the word 'false'?
  1. ক) Falsehood
  2. খ) Falsen
  3. গ) Falsify
  4. ঘ) Falsity
ব্যাখ্যা

False (adjective) ভ্রান্ত; মিথ্যা; প্রতারণামূলক।

Falsehood [noun] [countable noun] মিথ্যা; মিথ্যা বিবরণ; মিথ্যাভাষণ; মিথ্যাকথন।

Falsify (verb transitive) (past tense past participle falsified)
(১) জাল করা; to falsify records.
(২) মিথ্যা বর্ণনা করা; অসত্যভাবে তুলে ধরা: to falsify a story.

Falsity (noun)
(১) [uncountable noun] মিথ্যা; ভ্রান্তি।
(২) [countable noun] (plural falsities) মিথ্যা, প্রতারণামূলক বা বিশ্বাসঘাতকতামূলক কর্ম, আচরণ, বিবৃতি ইত্যাদি।

১৭.
Which is the adjective of the word 'contempt'?
  1. ক) Contemptible
  2. খ) Contempting
  3. গ) Contemption
  4. ঘ) Contemptable
ব্যাখ্যা

Contempt (noun)
(১) ঘৃণা: I felt contempt for the criminal.
Beneath contempt, ঘৃণারও অযোগ্য।
(২) অবজ্ঞা: He rushed forward in contempt of danger (বিপদকে অবজ্ঞা করে)।
(৩) ঘৃণিত হওয়ার অবস্থা: He fell into contempt by foolish behaviour.
Familiarity breeds contempt (প্রবচন) অতি সংসর্গ ঘৃণার জন্ম দেয়।
Contemptible (adjective) ঘৃণ্য; অবজ্ঞেয়।

১৮.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Greivance
  2. খ) Grievance
  3. গ) Griveance
  4. ঘ) Grieveance
ব্যাখ্যা

Grievance (noun) [countable noun]
Grievance (against) (প্রকৃত বা কল্পিত) দুঃখদুর্দশার কারণ; দুঃখদুর্দশা।

১৯.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) Sattellite
  2. খ) Sattelite
  3. গ) Satelite
  4. ঘ) Satellite
ব্যাখ্যা

Satellite (noun)
(১) উপগ্রহ; চন্দ্র; কৃত্রিম উপগ্রহ: communications satellite.
(২) (লাক্ষণিক, প্রায়ই (attributive(ly) অন্যের উপর নির্ভরশীল এবং অন্যের নেতৃত্বাধীন ব্যক্তি বা দেশ; তাঁবেদার।
Satellite town অন্য শহরের বাড়তি জনসংখ্যার চাপ কমাতে নির্মিত শহর; উপনগর।

২০.
“They elected him captain''. বাক্যের পরিবর্তিত voice form হচ্ছে-
  1. ক) He has been elected captain by them.
  2. খ) He elected captain by them.
  3. গ) He was elected captain by them.
  4. ঘ) He is elected captain by them.
ব্যাখ্যা

Factive object যুক্ত past indefinite tense এর structure:
Pronominal obj কে Sub + was/were + V3 + factitive obj + by + sub কে obj.
সুতরাং প্রদত্ত বাক্যের Passive: He was elected captain by them.

২১.
“His behaviour annoys me sometimes''. বাক্যের Passive form হচ্ছে-
  1. ক) Sometimes I am annoyed at his behaviour.
  2. খ) Sometimes I am annoyed to his behaviour.
  3. গ) I was annoyed sometimes at his behaviour.
  4. ঘ) I am annoyed sometimes at his behaviour.
ব্যাখ্যা

Active voice কে Passive voice- এ রূপান্তরের নিয়ম:
Active Voice এর object‌ টি Passive voice এর subject হয় + Tense অনুযায়ী Auxiliary verb + মূল verb এর past participle + Active voice এর subject টি Passive voice এর object হয় এবং তার পূর্বে Preposition (By, with, at, to ,in) বসে।
আর কোন ব্যক্তির উপর বিরক্ত বোঝাতে annoyed with কিন্তু বস্তু বা কাজের উপর বিরক্ত বোঝাতে annoyed at বসে।
তাই, প্রশ্নোক্ত বাক্যটির passive voice হবে- Sometimes I am annoyed at his behaviour.

২২.
Nasima said, ''What a fine picture it is!'' এর Indirect speech হচ্ছে-
  1. ক) Nasima said that it is a very fine picture.
  2. খ) Nasima exclaimed that it was a very fine picture.
  3. গ) Nasima exclaimed that it is a very fine picture.
  4. ঘ) Nasima exclaimed that what a fine picture it was.
ব্যাখ্যা

এই Exclamatory sentence এর Indirect speech হলেঃ
i) said এর পরিবর্তে exclaimed ব্যবহার করতে হবে।
ii) that ব্যবহার করতে হবে।
iii) Exclamatory Sentence টি Assertive Sentence এ রূপান্তর করতে হবে।
এছাড়াও present tense রূপান্তরিত হয়ে past tense হবে।
তাই সঠিক উত্তর অপশন (খ)।

২৩.
“He asked me when the next letter would come.” বাক্যের direct speech হচ্ছে-
  1. ক) He said to me,''When would the next letter come?''
  2. খ) He asked me,''When will the next letter come ?''
  3. গ) He said to me,''When will the next letter come?''
  4. ঘ) He said to me,''When the next letter will come?''
ব্যাখ্যা

প্রথমত, Indirect speech এ would থাকায় direct speech এ will বসবে এবং বাক্যটি Interrogative sentence হবে অর্থাৎ auxiliary verb (will) subject এর পূর্বে বসবে।
দ্বিতীয়ত, asked এর পরিবর্তে said বসবে।
তাই সঠিক উত্তর অপশন (গ)।

২৪.
‘He is afflicted ______ gout.’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) to
  2. খ) of
  3. গ) on
  4. ঘ) with
ব্যাখ্যা

He is afflicted with gout.
সে গেঁটেবাত রোগে পীড়িত বা ক্লিষ্ট।

Afflict (verb transitive) (দৈহিক বা মানসিকভাবে) পীড়া/ক্লেশ/কষ্ট দেওয়া।
Afflicted with arthritis.
Source: Bangla Academy Dictionary.

২৫.
‘Your conduct admits ______ no excuses.’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) at
  2. খ) for
  3. গ) from
  4. ঘ) of
ব্যাখ্যা

Your conduct admits of no excuse.
তোমার আচরণ কোন অজুহাতের অবকাশ রাখে না।

Admit (of) (আনুষ্ঠানিক) অবকাশ থাকা।
The clause admits of no other interpretation.
Source: Bangla Academy Dictionary.

২৬.
'To see eye to eye with' idiom টির সঠিক অর্থ-
  1. ক) To agree
  2. খ) To stare fixedly
  3. গ) To be angry
  4. ঘ) To take revenge
ব্যাখ্যা

To see eye to eye with- be in full agreement.
The boss and I do not always see eye to eye.
Source: Oxford dictionary.

২৭.
'All at once' idiom টির অর্থ হচ্ছে-
  1. ক) Quickly
  2. খ) Slowly
  3. গ) Suddenly
  4. ঘ) Gradually
ব্যাখ্যা

All at once (phrase of once): suddenly.
All at once the noise stopped.
Source: Oxford Dictionary.

২৮.
কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. ক) I am not bad with tennis.
  2. খ) He has assured me of safety.
  3. গ) He parted with his friends in tears.
  4. ঘ) The rich is not always happy.
ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্য- অপশন (খ)।
অপশন (ক) এর সঠিক বাক্যটি হবে- I am not bad at tennis.
অপশন (গ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- He parted from his friends in tears.
অপশন (ঘ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- The rich are not always happy.

২৯.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) No news are good news.
  2. খ) Everything hinges for what happens next.
  3. গ) I have no aptitude to music.
  4. ঘ) I concur with you on your decision.
ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্য- অপশন (ঘ)।
অপশন (ক) এর সঠিক বাক্যটি হবে- No news is good news.
অপশন (খ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- Everything hinges upon what happens next.
অপশন (গ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- I have no aptitude for music.

৩০.
'Vacant' শব্দের Synonym হচ্ছে-
  1. ক) Busy
  2. খ) Blank
  3. গ) Engaged
  4. ঘ) Employed
ব্যাখ্যা

Vacant- শূন্য; খালি।
Blank- খালি।
Busy- ব্যস্ত।
Engaged- নিয়োজিত।
Employed- নিয়োগপ্রাপ্ত।

৩১.
১০ বছর আগে রহিমের বয়স ছিল করিমের বয়সের অর্ধেক। যদি তাদের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৩ : ৪ হয়, তবে তাদের বর্তমানে মোট বয়স কত?
  1. ক) ৩৫ বছর
  2. খ) ৪৫ বছর
  3. গ) ৫৬ বছর
  4. ঘ) ৬৩ বছর
ব্যাখ্যা

ধরি, রহিমের বর্তমান বয়স = ৩x
করিমের বর্তমান বয়স = ৪x

১০ বছর আগে রহিমের বয়স = (৩x - ১০) বছর
১০ বছর আগে করিমের বয়স = (৪x - ১০) বছর

প্রশ্নমতে,
১/২ (৪x – ১০) = (৩x – ১০)
বা, ৪x – ১০ = ৬x – ২০
বা, ২x = ১০
∴ x = ৫

রহিমের বর্তমান বয়স = ৩ × ৫ = ১৫
করিমের বর্তমান বয়স = ৪ x ৫ = ২০

∴ বর্তমানে তাদের মোট বয়স = ১৫ + ২০ = ৩৫ বছর।

৩২.
একটি সংখ্যার তিনগুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়। সংখ্যাটি কত?
  1. ক) ২৪
  2. খ) ২০
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা

ধরি, সংখ্যাটি x
শর্তমতে,
3x + 2x = 90
⇒ 5x = 90
∴ x = 18

৩৩.
এক ব্যক্তি ক্রয়মূল্যের উপর ৫০% বেশি হিসেব করে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে। সে নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের উপর ১০% কমিশন দিয়ে জিনিস বিক্রয় করে। তার মোটের উপর শতকরা কত লাভ হয়?
  1. ক) ৫০ টাকা
  2. খ) ৪৫ টাকা
  3. গ) ৪০ টাকা
  4. ঘ) ৩৫ টাকা
ব্যাখ্যা

৫০% বাড়তি ধরে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে নির্ধারিত মূল্য = ১০০ + ৫০ = ১৫০ টাকা।

আবার, ১০% কমিশনে,
নির্ধারিত মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ৯০ টাকা।
নির্ধারিত মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ৯০/১০০ টাকা।
নির্ধারিত মূল্য ১৫০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (৯০ X ১৫০) / ১০০ টাকা।
= ১৩৫ টাকা।

লাভ = ১৩৫ - ১০০ = ৩৫ টাকা।

৩৪.
কোনো একটি জিনিস নির্মাতা ২০% লাভে ও খুচরা বিক্রেতা ২০% লাভে বিক্রয় করে। যদি ঐ জিনিসের নির্মাণ খরচ ১০০ টাকা হয় তবে খুচরা মূল্য কত?
  1. ক) ১৪০ টাকা
  2. খ) ১৪৪ টাকা
  3. গ) ১২৪ টাকা
  4. ঘ) ১২০ টাকা
ব্যাখ্যা

২০% লাভে,
নির্মাতার বিক্রয় মূল্য (১০০+২০) = ১২০ টাকা।

আবার, ২০% লাভে,
খুচরা বিক্রেতার বিক্রয় মূল্য (১২০ + ১২০ এর ২০%) = (১২০+২৪) = ১৪৪ টাকা।

৩৫.
নির্দিষ্ট দামে একটি দ্রব্য বিক্রয় করাতে ২০% ক্ষতি হল। এটি ৬০.০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করতে পারলে ১০% লাভ হত। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ক) ২০০ টাকা
  2. খ) ৩০০ টাকা
  3. গ) ২৬০ টাকা
  4. ঘ) ২২০ টাকা
ব্যাখ্যা

২০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০-২০ = ৮০ টাকা।
১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০+১০ = ১১০ টাকা।
বিক্রয় মূল্যের ব্যবধান = ১১০-৮০ = ৩০ টাকা।

বিক্রয়মূল্য ৩০ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = (১০০×৬০)/৩০ টাকা
= ২০০ টাকা।

৩৬.
একটি চৌবাচ্চা তিনটি নল দিয়ে যথাক্রমে ১০, ১২ ও ১৫ ঘণ্টায় পূর্ণ হতে পারে। তিনটি নল এক সঙ্গে খুলে দিলে চৌবাচ্চার অর্ধেক পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে?
  1. ক) ৬ ঘণ্টা
  2. খ) ৪ ঘণ্টা
  3. গ) ৩ ঘণ্টা
  4. ঘ) ২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

১ম নল দ্বারা, ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় ১/১০ অংশ
২য় নল দ্বারা, ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় ১/১২ অংশ
৩য় নল দ্বারা, ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় ১/১৫ অংশ
∴ তিনটি নল দ্বারা ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় (১/১০ + ১/১২ + ১/১৫) অংশ
= (৬ + ৫ + ৪) / ৬০ অংশ
= ১/৪ অংশ
এখন,
১/৪ অংশ পূর্ণ হয় ১ ঘন্টায়
∴ ১ অংশ পূর্ণ হয় ৪ ঘন্টায়
∴ ১/২ অংশ পূর্ণ হয় ৪ × ১/২ ঘন্টায়
= ২ ঘন্টায়

৩৭.
ঘণ্টায় ৫ কিমি বেগে চললে কোনো স্থানে পৌঁছাতে যে সময় লাগে, ঘণ্টায় ৬ কিমি বেগে চললে তার চেয়ে ৩০ মিনিট কম লাগে। স্থানটির দূরত্ব কত?
  1. ক) ২৫ কিমি
  2. খ) ২২ কিমি
  3. গ) ২০ কিমি
  4. ঘ) ১৫ কিমি
ব্যাখ্যা

ধরি, স্থানটির দূরত্ব = x কিমি
৩০ মিনিট = ১/২ ঘন্টা।
প্রশ্নমতে,
x/৫ = x/৬ + ১/২
বা, ৬x = ৫x + ১৫ [৩০ দ্বারা গুণ করে পাই]
∴ x = ১৫ কিমি

৩৮.
কোনো শ্রেনীতে ২০ জন ছাত্রীর বয়সের গড় ১২ বছর। ৪ জন নতুন ছাত্রী ভর্তি হওয়াতে বয়সের গড় ৪ মাস কমে গেল। নতুন ৪ জন ছাত্রীর বয়সের গড় কত?
  1. ক) ৮ বছর
  2. খ) ৯ বছর
  3. গ) ১০ বছর
  4. ঘ) ১১ বছর
ব্যাখ্যা

২০ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (২০ x ১২) বছর।
= ২৪০ বছর।
২৪ জন ছাত্রীর বয়সের গড় = (১২ - ৪/১২) বছর।
= ৩৫ / ৩ বছর।
২৪ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (৩৫/৩ x ২৪) বছর।
= ২৮০ বছর।
৪ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (২৮০ - ২৪০) বছর।
= ৪০ বছর।
৪ জন ছাত্রীর গড় বয়স = ৪০/৪ বছর।
= ১০ বছর।

৩৯.
৬ জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১ জন বালকের বয়সের গড় ৩৫ বছর। পুরুষদের বয়সের গড় ৪০ বছর এবং স্ত্রীলোকদের বয়সের গড় ৩৪ বছর। বালকের বয়স কত?
  1. ক) ১৩ বছর
  2. খ) ১৪ বছর
  3. গ) ১৫ বছর
  4. ঘ) ১৬ বছর
ব্যাখ্যা

৬ জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১ জন বালকের বয়সের সমষ্টি = (৩৫ x ১৫) বছর।
= ৫২৫ বছর।
৬ জন পুরুষ এবং ৮ জন স্ত্রীলোকের বয়সের সমষ্টি = {(৬ x ৪০) + (৮ x ৩৪)} বছর।
= ৫১২ বছর।
বালকের বয়স = (৫২৫ - ৫১২) বছর।
= ১৩ বছর।

৪০.
কোনো ত্রিভুজের শিরঃকোণের সমদ্বিখণ্ডক যদি ভূমির উপর লম্ব হয়, তবে ত্রিভুজটিকে কি বলে?
  1. ক) সমদ্বিবাহু
  2. খ) সমবাহু
  3. গ) সমকোণী
  4. ঘ) স্থুলকোণী
ব্যাখ্যা
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের শিরঃকোণের সমদ্বিখন্ডক ভূমিকে সমদ্বিখণ্ডিত করে এবং ভূমির উপর লম্ব হয়।

যেহেতু বলাই আছে যে শিরঃকোণটির সমদ্বিখণ্ডক ভূমির উপর লম্ব অর্থাৎ পাশের দুইটি বাহু নিশ্চিতভাবেই সমান। এখন ভূমি এই দুটি বাহুর সমান হতেও পারে নাও পারে।
তবে, প্রশ্ন যদি এটা হয় যে, কোন ত্রিভুজের শিরঃকোণের সমদ্বিখণ্ডক সর্বদা ভুমির উপর লম্ব হবে। তাহলে উত্তর সমবাহু।

৪১.
দুটি বৃত্ত যদি পরস্পর স্পর্শ করে তবে কেন্দ্রদ্বয় হতে স্পর্শ বিন্দুগামী সরলরেখা দুটির অন্তর্ভুক্ত কোণ ---
  1. ক) সূক্ষ্মকোণ
  2. খ) স্থুলকোণ
  3. গ) সমকোণ
  4. ঘ) সরলকোণ
ব্যাখ্যা


বৃত্তের যে কোনো বিন্দুতে অঙ্কিত স্পর্শক স্পর্শগামী ব্যাসার্ধের উপর লম্ব।
∴ ∠AOC = 90°, ∠BOC = 90°
∠AOC + ∠BOC = 90° + 90°
= 180°
= এক সরলকোণ।
∴ AO এবং BO এর মধ্যবর্তী কোণ সরলকোণ।

৪২.
৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩ _ _ _ _ _ _ _ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৫০
  2. খ) ১০৫
  3. গ) ১০১
  4. ঘ) ৭৫
ব্যাখ্যা

৮ + ৩ = ১১
১১ + ৬ = ১৭
১৭ + ১২ = ২৯
২৯ + ২৪ = ৫৩
৫৩ + ৪৮ = ১০১

৪৩.
(০.০০৩) = কত?
  1. ক) ০.০০০০০৯
  2. খ) ০.০০০০৯
  3. গ) ০.০০০৯
  4. ঘ) ০.০০৯
ব্যাখ্যা

(০.০০৩)
= ০.০০৩ x ০.০০৩
= ০.০০০০০৯

৪৪.
2x2 + x − 15 এর উৎপাদক কোনটি ?
  1. ক) (x - 3) (2x - 5)
  2. খ) (x + 3) (2x + 5)
  3. গ) (x + 3) (2x − 5)
  4. ঘ) (x − 3) (2x + 5)
ব্যাখ্যা

2x2 + x − 15
= 2x2 + 6x - 5x - 15
= 2x (x + 3) - 5 (x + 3)
= (x + 3) (2x - 5)

৪৫.
a + b = 7 এবং ab = 10 হলে, a2 + b2 + 3ab = কত ?
  1. ক) 29
  2. খ) 59
  3. গ) 49
  4. ঘ) 69
ব্যাখ্যা

a2 + b2 + 3ab
= a2 + b2 + 2ab + ab
= (a + b)2 + ab
= (7)2 + 10
= 49 + 10
= 59

৪৬.
গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বলতে কি বোঝায়?
  1. ক) সূর্যালোকের অভাবে সালোকসংশ্লেষণে ঘাটতি
  2. খ) প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃত্রিম চাষের প্রয়োজনীয়তা
  3. গ) তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
  4. ঘ) উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
ব্যাখ্যা

গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূপৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়।
এই বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূপৃষ্ঠের তথা বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়।
উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৭.
আকাশ নীল দেখায় কেন?
  1. ক) নীল সমুদ্রের প্রতিফলনের ফলে
  2. খ) নীল আলোর বিক্ষেপন অপেক্ষাকৃত বেশি বলে
  3. গ) নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে
  4. ঘ) নীল আলোর প্রতিফলন বেশি বলে
ব্যাখ্যা

যে আলাের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যতাে কম সে আলাের বিক্ষেপণ ততাে বেশি।
নীল আলাের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম বলে বিক্ষেপণ বেশি।
যার ফলে বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণায় বিক্ষিপ্ত নীল আলাে উপরে চলে যায় বলে আকাশ নীল দেখায়।
বায়ুমণ্ডল না থাকলে আকাশ কালো দেখাত, কারণ সেক্ষেত্রে আলােক রশ্মির বিক্ষেপণ হতাে না।

৪৮.
কোন উদ্ভিদে স্বপরাগায়ন ঘটে?
  1. ক) পেঁপে
  2. খ) আম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) সরিষা
ব্যাখ্যা

পরাগায়ন দু'প্রকার।
যথা- স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন।
- স্ব-পরাগায়ন : একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলা হয়।
- সরিষা, ধুতুরা, শিম, কুমড়া ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে।
- পর-পরাগায়ন : একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে।
শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীববিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।

৪৯.
বজ্রপাতের সময় আপনি নিজের গাড়ি করে যাচ্ছেন। নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য আপনি কোন কাজটি করবেন?
  1. ক) বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন
  2. খ) বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকবেন
  3. গ) কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নিবেন
  4. ঘ) গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন
ব্যাখ্যা
National Oceanic and Atmospheric Administration of the USA Government এর মতে,
No place outside is safe when a thunderstorm is in the area. Get inside as soon as you hear thunder. Run to a substantial building or hard-topped metal vehicle as fast as you can.
এখানে স্পষ্ট করে বলা আছে যে, বাইরে যাওয়া কোনভাবেই নিরাপদ নয়।
তারা আরও বলে যে,
If you can’t get to a safe building or vehicle:
— Avoid open areas. Don’t be the tallest object in the area.
অর্থাৎ, যদি কোন বিল্ডিং বা ছাদ বিশিষ্ট গাড়ি আশেপাশে না থাকে তাহলেই কেবল বাইরে শুয়ে পড়তে হবে যেন আশেপাশের সবকিছুর চেয়ে নিজের উচ্চতাটা কম থাকে।
তাছাড়া, আমাদের সরকারি নির্দেশনা/লিফলেটেও গাড়ির ভেতরেই থাকতে বলা হয়েছে। এবং, গাড়ির ভেতরে কোন ধাতব অংশের সঙ্গে যেন স্পর্শ না লাগে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বাইরে খোলা জায়গাতে যেতে সরাসরিভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
এখানে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি আবহাওয়া সেবা সংস্থার প্রচারণামূলক নির্দেশিকার একটা ছবি দিয়ে দেয়া হল -
৫০.
কোন প্রাণীর তিনটি হৃৎপিণ্ড?
  1. ক) কচ্ছপ
  2. খ) সিল মাছ
  3. গ) ক্যাটল ফিস
  4. ঘ) হাঙ্গর
ব্যাখ্যা

ক্যাটল ফিস ও অক্টোপাস উভয়ের তিনটি করে হৃৎপিন্ড আছে।
তাছাড়া ব্যাঙের হৃদপিন্ডে ৩টি প্রকোষ্ঠ এবং মানুষের হৃৎপিণ্ডে ৪ টি প্রকোষ্ঠ আছে।

৫১.
অতি বেগুনী রশ্মি কোথা হতে আসে?
  1. ক) চন্দ্র
  2. খ) সূর্য
  3. গ) বৃহস্পতি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

এক্সরের থেকে কম বা ছোট কম্পাঙ্কের বিকিরণ অতিবেগুনি রশ্মি (ultraviolet ray)।
এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে বিস্তার 10-8 থেকে 4 x 10-7, এক্সরে এবং দৃশ্যমান আলোর মাঝামাঝি।
সূর্য রশ্মি এই বিকিরণের প্রধান উৎস।
এই রশ্মি আমাদের শরীরের ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরি করে।
তবে বেশিক্ষণ এই রশ্মি শরীরে পড়লে তা ক্ষতিকর হয়।
চোখের জন্য এটি বেশ ক্ষতিকর।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

৫২.
মেঘনা নদী ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে ----
  1. ক) ভৈরব বাজারে
  2. খ) চাঁদপুরের কাছে
  3. গ) গোয়ালন্দে
  4. ঘ) নারায়ণগঞ্জে
ব্যাখ্যা

মেঘনা আসামের ’বরাক’ নদী নাগা-মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ থেকে উৎপত্তি লাভ করে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
শাখা দুইটি সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়েছে।
মূলত সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্রোতধারাই মেঘনা নদী।
সুরমা নামক শাখাটি প্রথমে খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড়ের নিকট দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ছাতক ও সুনামগঞ্জের নিকট দিয়ে অগ্রসর হয়ে দক্ষিণে হবিগঞ্জ জেলার উত্তর সীমানায় পৌঁছে কুশিয়ারার সাথে মিলিত হয়েছে।
মেঘনা ভৈরববাজারের নিকট এসে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের সাথে যুক্ত হয়েছে।
মেঘনা নদীর উপনদীগুলো হলো- শীতলক্ষ্যা, গোমতি, ডাকাতিয়া, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র।
উৎসঃ ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

৫৩.
সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি প্রায়-
  1. ক) আটগুণ
  2. খ) চারগুণ
  3. গ) তিনগুণ
  4. ঘ) দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা

সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব থেকে অনেক বেশি।
তাই পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ।
পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ তাই হল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।
এ মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৪.
শীতলক্ষ্যা নদী উৎপন্ন হয়েছে-
  1. ক) যমুনা নদী হতে
  2. খ) মেঘনা নদী হতে
  3. গ) পদ্মা নদী হতে
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র নদী হতে
ব্যাখ্যা

শীতলক্ষ্যা নদী (Shitalakshya River) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপন্ন।
গাজীপুর জেলার টোক নামক স্থানে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে একটি ধারা বানার নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে লাকপুর নামক স্থানে শীতলক্ষ্যা নাম ধারণ করে বৃহত্তর ঢাকা জেলার পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৫৫.
পরিচলন বৃষ্টি হয় কোন অঞ্চলে?
  1. ক) শীতপ্রধান অঞ্চলে
  2. খ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  3. গ) মেরু অঞ্চলে
  4. ঘ) নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

দিনের বেলায় সূ্র্যকিরণের জন্যে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial Region) স্থলভাগ অপেক্ষা জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এখানকার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সব সময় বেশি থাকে।
ফলে জলীয়বাষ্পপূর্ণ এই হালকা বায়ু উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে।
তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকাল অথবা সন্ধ্যায় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি

৫৬.
মংলা বন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) ভৈরব
  4. ঘ) পশুর
ব্যাখ্যা

মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাাতিক সমুদ্র বন্দর।
১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ ''The City of Lyons'' সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে ।
এটাই ছিল মংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সুচনা।
উৎসঃ মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।

৫৭.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
  1. ক) কালুরঘাট
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) হালুয়াঘাট
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
পরবর্তীতে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্থায়ী সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর স্বাধীন দেশের বেতার কেন্দ্র হিসেবে এর নতুন নাম হয় ‘বাংলাদেশ বেতার’।
বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসে এবং সেদিন থেকেই স্বাধীন দেশের রেডিও হিসেবে বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কাজ শুরু হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৫৮.
কোন শহরকে মুসলমান, খ্রীস্টান, ইহুদী সকলেই পবিত্র জ্ঞান করে?
  1. ক) মদীনা
  2. খ) জেদ্দা
  3. গ) জেরুজালেম
  4. ঘ) বাগদাদ
ব্যাখ্যা

মুসলমান, ইহুদি আর খ্রিস্টান; তিন ধর্মের মানুষের কাছেই পবিত্র এক নগরী জেরুসালেম।
যা দখল করে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে ইসরায়েল।
অন্যদিকে মুসলমানদের স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বপ্নও এই জেরুসালেমকে ঘিরেই।

৫৯.
হ্যালীর ধূমকেতু আবির্ভূত হয়-
  1. ক) প্রতি ৮০ বছর পর পর
  2. খ) প্রতি ৭৫ বছর পর পর
  3. গ) প্রতি ২০০ বছর পর পর
  4. ঘ) প্রতি ১০০ বছর পর পর
ব্যাখ্যা

জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে।
হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ১৯৮৬+৭৬ = ২০৬২ সালে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬০.
প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উড্ডয়ন করে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা

মহাকাশে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের কৃতিত্ব সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের।
১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর স্পুটনিক-১ নামে কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে নতুন ইতিহাস তৈরি করে দেশটি।
একই বছর সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশে দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-২ উৎক্ষেপণ করে।
স্পুটনিক-২ লাইকা নামে একটা কুকুর বহন করে নিয়ে যায়।
অবশ্য উৎক্ষেপণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে লাইকা মারা যায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৫৮ সালের ৩১ জানুয়ারি তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ এক্সপ্লোরার-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে।
বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ১২ মে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে।
উৎসঃ সমকাল।

৬১.
বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী 'কলিঙ্গ পুরস্কার' লাভের গৌরব অর্জন করেছেন?
  1. ক) ড. আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দীন
  2. খ) ড. কুদরত-এ-খুদা
  3. গ) ড. জগদীশ চন্দ্র বসু
  4. ঘ) ড. কামাল উদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা

আবদুল্লাহ আল-মুতী দেশের প্রধান প্রধান সব পুরস্কারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও লাভ করেন।
যেমনঃ
- বাংলা একডেমি পুরস্কার (১৯৭৫),
- ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক কলিঙ্গ পুরস্কার (১৯৮৩),
- একুশে পদক (১৯৮৫),
- স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯৫)।
তার প্রথম প্রকাশিত বই- এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে (১৯৫৫)।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৬২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কি?
  1. ক) মৃত্যুদণ্ড
  2. খ) সংবিধান
  3. গ) সংসদ
  4. ঘ) ফৌজদারী আইন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো বাংলাদেশ সংবিধান।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
''জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।''
অর্থাৎ সংবিধানের আলোকেই প্রচলিত অন্যান্য আইন তৈরি হবে।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।

৬৩.
কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ঘ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
১৫ ডিসেম্বর খসড়া সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমে স্বাক্ষর করেন এবং তারপর অন্যান্য গণপরিষদ সদস্যরা এতে স্বাক্ষর করেন।
তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৬৪.
বাংলাদেশে কার উপর আদালতের এখতিয়ার নেই?
  1. ক) বিচারপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) সেনাপ্রধান
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে।
সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান।
সবার ঊর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
তার উপর আদালতের এখতিয়ার নেই।
সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁর উপর প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন।
সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন।

৬৫.
সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক উপাধি কি?
  1. ক) বীরশ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা

মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনীর একজন করে।
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - সেনাবাহিনী
সিপাহী মোস্তফা কামাল - সেনাবাহিনী
সিপাহী হামিদুর রহমান - সেনাবাহিনী
ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন - নৌবাহিনী
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান – বিমান বাহিনী
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ – সাবেক ই. পি. আর.
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ – সাবেক ই. পি. আর.।
সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৬৬.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানী নয়?
  1. ক) পেট্রোলিয়াম
  2. খ) বায়োগ্যাস
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা

জীবাশ্ম জ্বালানী হল এক প্রকার জ্বালানী যা মৃত গাছের পাতা, মৃতদেহ ইত্যাদি জীবনের উপাদান হাজার হাজার বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে এ জ্বালানী তৈরি হয়।
সাধারণত ৬৫০ মিলিয়ন বছর।
যেমনঃ কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম, খনিজ তেল ইত্যাদি।
তবে বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানী নয়।
গোবর, মলমূত্র, পাতা, খড়কুটো প্রভৃতি পদার্থ পানিতে মিশিয়ে বাতাসের অনুপস্থিতি রাখলে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে গাজন প্রক্রিয়া ঘটে।
ফলে এক ধরনের বর্ণহীন দাহ্য গ্যাস উৎপন্ন হয়।
এর শতকরা ৬০-৭০ ভাগই মিথেন গ্যাস। ইহাই বায়োগ্যাস নামে পরিচিত।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি; রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

৬৭.
মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে-
  1. ক) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়
  2. খ) টেলিভিশন লাইনের সংযোগ সাধন হয়
  3. গ) টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন হয়
  4. ঘ) রেডিও লাইনের সংযোগ সাধন হয়
ব্যাখ্যা

মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন হয়।

অফ-লাইন ইন্টারনেটে সংযোগ পদ্ধতিতে কম্পিউটার ও টেলিফোন লাইনের মাঝে মডেম ব্যবহার করে দূরবর্তী নেটওয়ার্ক তথা ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ স্থাপন করা হয়।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটারের দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বিএড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৮.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৮৯৭ সালে
  2. খ) ১৯০২ সালে
  3. গ) ১৯২১ সালে
  4. ঘ) ১৯৩২ সালে
ব্যাখ্যা

১৯১২ সালের ২৭ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠিত হয়।
ঐ বছরই নাথান কমিশন সরকারের নিকট তার রিপোর্ট জমা দেয় যা ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
এই রিপোর্টে ঢাকায় একটি সরকার নিয়ন্ত্রিত আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করা হয়।
নাথান কমিশন ও পরবর্তীতে স্যাডলার কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।

৬৯.
সুবাদার ইসলাম খান ঢাকার নাম রাখেন-
  1. ক) জাহাঙ্গীরনগর
  2. খ) জান্নাতাবাদ
  3. গ) ইসলামাবাদ
  4. ঘ) নাসিরাবাদ
ব্যাখ্যা

১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হয়েছিলেন।
তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৭০.
জিব্রাল্টার প্রণালী পৃথক করেছে-
  1. ক) ইতালি-সিসিলি
  2. খ) আফ্রিকা-স্পেন
  3. গ) ফ্রান্স-ব্রিটেন
  4. ঘ) আমেরিকা-এশিয়া
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী পৃথক করেছে আফ্রিকা-স্পেন।
মেসিনা প্রণালী পৃথক করেছে ইতালী-সিসিলি।
বেরিং প্রণালী পৃথক করেছে এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে।

৭১.
হিজরী সন গণনা শুরু হয়-
  1. ক) ৬২৩ সাল থেকে
  2. খ) ৬২২ সাল থেকে
  3. গ) ৬১২ সাল থেকে
  4. ঘ) ৬০২ সাল থেকে
ব্যাখ্যা

রাসুল মুহাম্মদ (সা:) এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যেই ৬২২ সালে হিজরী সাল গণনার সূচনা করা হয়।
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা:) এর শাসনামলে চন্দ্র মাসের হিসাবে এই পঞ্জিকা প্রবর্তন করা হয়।

৭২.
বাংলাদেশ স্টান্ডার্ড টাইম ও গ্রীনউইচ মান টাইম-এর মধ্যে পার্থক্য হল-
  1. ক) ১০ ঘণ্টা
  2. খ) ৮ ঘণ্টা
  3. গ) ৭ ঘণ্টা
  4. ঘ) ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য ৬ ঘন্টা।
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ × ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)

৭৩.
কোন দেশের শিক্ষার হার সর্বোচ্চ?
  1. ক) শ্রীলঙ্কা
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC- South Asian Association for Regional Cooperation) ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত। সার্কের বর্তমান সদস্য দেশ ৮ টি। সদস্য দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, ও আফগানিস্তান (সর্বশেষ সদস্য)।
সার্কের অন্তর্ভুক্ত স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র ৩টি‌। যথা- নেপাল, আফগানিস্তান ও ভুটান।
সার্কের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্র ভারত এবং ছোট রাষ্ট্র মালদ্বীপ।

সার্কভুক্ত দেশগুলোর শিক্ষার হার সবচেয়ে বেশি মালদ্বীপে এবং সবচেয়ে কম আফগানিস্তানের।
মাথাপিছু আয় সবচেয়ে বেশি মালদ্বীপের এবং সবচেয়ে কম আফগানিস্তানের।
উৎসঃ সার্কের ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।

৭৪.
WHO-এর সদর দফতর কোথায়?
  1. ক) ইউএসএ
  2. খ) ইতালি
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

World Health Organization ৭ এপ্রিল ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১০ জুলাই ১৯৪৮ জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
এর প্রতিষ্ঠার দিনটিকে প্রতিবছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়। সদরদপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
বর্তমান মহাপরিচালক ইথিওপিয়ার নাগরিক টেড্রস আধানম গেব্রেইসাস।
উৎসঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

৭৫.
'দুলাহাজরা' সাফারী পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম সাফারি পার্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি উদ্যান, কক্সবাজার।
এটি দুলাহাজারা সাফারি পার্ক নামেও পরিচিত
এর আয়তন ৬০০ হেক্টর।
এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ সরকারি ওয়েবসাইট এবং পত্রিকা।

৭৬.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাব কতজনকে দেয়া হয়?
  1. ক) ৫ জন
  2. খ) ১০ জন
  3. গ) ৮ জন
  4. ঘ) ৭ জন
ব্যাখ্যা

মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনীর একজন করে।
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - সেনাবাহিনী
সিপাহী মোস্তফা কামাল - সেনাবাহিনী
সিপাহী হামিদুর রহমান - সেনাবাহিনী
ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন - নৌবাহিনী
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান – বিমান বাহিনী
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ – সাবেক ই. পি. আর.
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ – সাবেক ই. পি. আর.।
সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৭৭.
দূষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে?
  1. ক) কার্বন মনোক্সাইড
  2. খ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  3. গ) নাইট্রিক অক্সাইড
  4. ঘ) সালফার ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা

গাড়ি, বিভিন্ন যানবাহন, কল-কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
কার্বন মনোক্সাইড রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে মিশে কার্বোক্সি হিমোগ্লোবিন তৈরী করে, যা ফুসফুস থেকে সমস্ত শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে বাঁধা সৃষ্টি করে।
এ কারণে কার্বন মনোক্সাইড বিষাক্ত।
উৎসঃ রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭৮.
পলাশীর যুদ্ধ কোন সালে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৮৫৭ সালে
  2. খ) ১৮০৩ সালে
  3. গ) ১৭৫৭ সালে
  4. ঘ) ১৭৫৫ সালে
ব্যাখ্যা

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা এবং রবার্ট ক্লাইভ নেতৃত্বাধীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনীর মধ্যে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
এতে নবাব সিরাজুদ্দৌলা পরাজিত হন এবং এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য স্তিমিত হয়।
বাংলায় প্রায় দুইশ বছরের ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত ঘটে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৯.
বাংলাদেশের কোন জেলা দুই দেশের সীমানা দ্বারা বেষ্টিত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
তার মধ্যে -
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।

৮০.
ইন্দোনেশিয়া স্বাধীনতা লাভের পূর্বে কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) পর্তুগাল
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডের নিকট হতে স্বাধীনতা লাভ করে।
মালয়েশিয়া ও মায়ানমার ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
সূত্রঃ ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়া।