উত্তর
ব্যাখ্যা
মামুনুর রশীদ মূলত নাট্যকার ছিলেন।
তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটকঃ
- ওরা কদম আলী,
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস, ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগি,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
DPE · ১০ জানুয়ারি, ২০২১ · ৮০ প্রশ্ন
মামুনুর রশীদ মূলত নাট্যকার ছিলেন।
তাঁর রচিত বিখ্যাত নাটকঃ
- ওরা কদম আলী,
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস, ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগি,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত কিছু অনুবাদগ্রন্থ:
- দীওআন-ই-হাফিজ,
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ,
- রুবাইয়াত-ই-উমর খইয়ম,
- মহানবী,
- বাইআত নামা,
- বিদ্যাপতি শতক,
- অমর কাব্য কোরান শরীফ (অনুবাদ ও ভাষাসহ প্রকাশিত),
- বুখারী শরীফ,
- ঈদুল আযহা
- কোরবানির আহকাম।
উৎসঃ বিভিন্ন পত্রিকা এবং বাংলাপিডিয়া।
কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থঃ
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা,
- চন্দ্রবিন্দু,
- সিন্ধু হিন্দোল,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
নিরীহ (বিশেষণ)
১) শান্ত; গোবেচারা।
২) অহিংস্র।
৩) নিরুপদ্রব; নির্বিরোধ।
৪) নিশ্চেষ্ট; অচেষ্ট।
৫) নিঃস্পৃহ; নির্লোভ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।
নিশীথ (বিশেষ্য)
১) রাত্রি; রজনী।
২) মধ্যরাত্র; অর্ধরাত্রি।
৩) গভীর রাত্রি (নিশীথে কি কথা কয়ে গেলে-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।
ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।
(কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না। সেক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।)
সপ্তমী বিভক্তিঃ এ, য়, তে
উদাহরণ-
পাগলে কি না বলে (কে বলে) : কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি।
বুলবুলিতে ধান খেয়েছে (কে খেয়েছে) : কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে (সময় এবং স্থানকে) অধিকরণ কারক বলে।
ক্রিয়াকে ‘কোথায়/ কখন/ কী বিষয়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।
ষষ্ঠী বিভক্তি হচ্ছে - র, এর।
'এই নদীর মাছ বড়' বাক্যে 'নদী' স্থানকে বুঝায় এবং এর সাথে 'র' যুক্ত আছে;
তাই এটি অধিকরণ কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
সমাসের জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি সংজ্ঞাঃ
ব্যাসবাক্যঃ যে বাক্যাংশ থেকে সমাসের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য। একে সমাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্যও বলা হয়।
সমস্ত পদঃ ব্যাসবাক্য থেকে সমাসের মাধ্যমে যে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় সমস্ত পদ।
সমস্যমান পদঃ ব্যাসবাক্যের যে সব শব্দ সমস্ত পদে অন্তর্গত থাকে, সমস্ত পদের সেই সব শব্দকে সমস্যমান পদ বলে। অর্থাৎ যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটির নাম সমস্যমান পদ।
পূর্বপদঃ সমস্ত পদের প্রথম অংশ/ শব্দকে পূর্বপদ বলে। অর্থাৎ, সমস্ত পদের প্রথম সমস্যমান পদই পূর্বপদ।
পরপদ / উত্তরপদঃ সমস্ত পদের শেষ অংশ / শব্দকে পরপদ / উত্তরপদ বলে। অর্থাৎ, সমস্ত পদের শেষ সমস্যমান পদই পরপদ।
যেমন, সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।
এখানে ব্যাসবাক্য হলো- ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’।
আর সমস্ত পদ হলো ‘সিংহাসন’। সমস্যমান পদ হলো ‘সিংহ’ আর ‘আসন’। এদের মধ্যে ‘সিংহ’ পূর্বপদ, আর ‘আসন’ পরপদ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন-
নীল যে অম্বর = নীলাম্বর।
নীল যে আকাশ = নীলাকাশ।
নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
রক্ত যে কমল = রক্তকমল।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
প্রসন্ন এর বিপরীত শব্দ বিষণ্ন।
প্রসন্ন (বিশেষণ) সন্তুষ্ট; সদয় ; নির্মল, পবিত্র।
বিষণ্ন (বিশেষণ)
১) দুঃখিত; দুঃখপ্রাপ্ত; ক্ষুণ্ন।
২) ম্লান; মলিন (একাকী বিষণ্ন তরুচ্ছায়ে-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।
৩) বিষাদযুক্ত; অপ্রসন্ন।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান এবং ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
শিলা অর্থ পাথর। এটি পর্বত এর সমার্থক শব্দ নয়।
পর্বত এর সমার্থক শব্দ শৈল, গিরি, অচল, পাহাড় ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
আঠারো মাসে বছর- কুড়ে স্বভাব/দীর্ঘসূত্রতা।
ঊনপঞ্চাশ বায়ু- পাগলামি।
অকালকুষ্মাণ্ড- অপদার্থ।
অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী- সামান্য বিদ্যা বড়ো ক্ষতিকর, তাতে জ্ঞান জন্মে না অথচ বিদ্বান বলে অহঙ্কার জন্মে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ই কিংবা উ ধ্বনির পরের বিসর্গের সাথে ‘র’ এর সন্ধি হলে বিসর্গের লোপ হয় ও বিসর্গের পূর্ববতী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়।
যেমন-
নিঃ + রব = নীরব,
নিঃ + রোগ = নীরোগ,
নিঃ + রস = নীরস।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
মূলশব্দ বা মৌলিক শব্দের সঙ্গে যে অতিরিক্ত শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।
অর্থাৎ, প্রাতিপদিক ও ধাতুর সঙ্গে যেই শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদেরকেই প্রত্যয় বলে।
যেমন,
পড় + উয়া = পড়ুয়া
এখানে, ‘√পড়’-এর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় 'উয়া' যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ 'পড়ুয়া' গঠন করেছে।
লাজ + উক = লাজুক
এখানে, ‘লাজ’-এর সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় 'উক' যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ 'লাজুক' গঠন করেছে।
যে পদের দ্বারা কাজ করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়া বলে।
যেমন- যাব, খাই, ঘুমাও।
বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এগুলো অন্যে শব্দের আগে বসে। এর প্রভাবে শব্দটির কয়েক ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়।
যেমন- নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়, শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয়, শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ ঘটে, শব্দের অর্থের সংকোচন ঘটে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
ভাষায় ব্যবহৃত এসব অব্যয়সূচক শব্দাংশেরই নাম উপসর্গ।
যেমন-
‘পাতি’ একটি বাংলা উপসর্গ। এটি ক্ষুদ্র বা ছোট অর্থে ব্যবহৃত হয়।
'পাতি' যোগে কিছু শব্দঃ পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল, পাতিলেবু, পাতকুয়ো ইত্যাদি।
বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয়, তাদের বিভক্তি বলে।
বিভক্তি প্রধানত ২ প্রকার।
যথা- ক্রিয়া বিভক্তি(পড়+তে=পড়তে) এবং নাম বিভক্তি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
'একাদশে বৃহস্পতি' - সৌভাগ্যের বিষয়।
'কেউকাটা' - সামান্য।
'শাপে বর' - অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।
‘ব্যাঙের আধুলি’- সামান্য সম্পদ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
False (adjective) ভ্রান্ত; মিথ্যা; প্রতারণামূলক।
Falsehood [noun] [countable noun] মিথ্যা; মিথ্যা বিবরণ; মিথ্যাভাষণ; মিথ্যাকথন।
Falsify (verb transitive) (past tense past participle falsified)
(১) জাল করা; to falsify records.
(২) মিথ্যা বর্ণনা করা; অসত্যভাবে তুলে ধরা: to falsify a story.
Falsity (noun)
(১) [uncountable noun] মিথ্যা; ভ্রান্তি।
(২) [countable noun] (plural falsities) মিথ্যা, প্রতারণামূলক বা বিশ্বাসঘাতকতামূলক কর্ম, আচরণ, বিবৃতি ইত্যাদি।
Contempt (noun)
(১) ঘৃণা: I felt contempt for the criminal.
Beneath contempt, ঘৃণারও অযোগ্য।
(২) অবজ্ঞা: He rushed forward in contempt of danger (বিপদকে অবজ্ঞা করে)।
(৩) ঘৃণিত হওয়ার অবস্থা: He fell into contempt by foolish behaviour.
Familiarity breeds contempt (প্রবচন) অতি সংসর্গ ঘৃণার জন্ম দেয়।
Contemptible (adjective) ঘৃণ্য; অবজ্ঞেয়।
Grievance (noun) [countable noun]
Grievance (against) (প্রকৃত বা কল্পিত) দুঃখদুর্দশার কারণ; দুঃখদুর্দশা।
Satellite (noun)
(১) উপগ্রহ; চন্দ্র; কৃত্রিম উপগ্রহ: communications satellite.
(২) (লাক্ষণিক, প্রায়ই (attributive(ly) অন্যের উপর নির্ভরশীল এবং অন্যের নেতৃত্বাধীন ব্যক্তি বা দেশ; তাঁবেদার।
Satellite town অন্য শহরের বাড়তি জনসংখ্যার চাপ কমাতে নির্মিত শহর; উপনগর।
Factive object যুক্ত past indefinite tense এর structure:
Pronominal obj কে Sub + was/were + V3 + factitive obj + by + sub কে obj.
সুতরাং প্রদত্ত বাক্যের Passive: He was elected captain by them.
Active voice কে Passive voice- এ রূপান্তরের নিয়ম:
Active Voice এর object টি Passive voice এর subject হয় + Tense অনুযায়ী Auxiliary verb + মূল verb এর past participle + Active voice এর subject টি Passive voice এর object হয় এবং তার পূর্বে Preposition (By, with, at, to ,in) বসে।
আর কোন ব্যক্তির উপর বিরক্ত বোঝাতে annoyed with কিন্তু বস্তু বা কাজের উপর বিরক্ত বোঝাতে annoyed at বসে।
তাই, প্রশ্নোক্ত বাক্যটির passive voice হবে- Sometimes I am annoyed at his behaviour.
এই Exclamatory sentence এর Indirect speech হলেঃ
i) said এর পরিবর্তে exclaimed ব্যবহার করতে হবে।
ii) that ব্যবহার করতে হবে।
iii) Exclamatory Sentence টি Assertive Sentence এ রূপান্তর করতে হবে।
এছাড়াও present tense রূপান্তরিত হয়ে past tense হবে।
তাই সঠিক উত্তর অপশন (খ)।
প্রথমত, Indirect speech এ would থাকায় direct speech এ will বসবে এবং বাক্যটি Interrogative sentence হবে অর্থাৎ auxiliary verb (will) subject এর পূর্বে বসবে।
দ্বিতীয়ত, asked এর পরিবর্তে said বসবে।
তাই সঠিক উত্তর অপশন (গ)।
He is afflicted with gout.
সে গেঁটেবাত রোগে পীড়িত বা ক্লিষ্ট।
Afflict (verb transitive) (দৈহিক বা মানসিকভাবে) পীড়া/ক্লেশ/কষ্ট দেওয়া।
Afflicted with arthritis.
Source: Bangla Academy Dictionary.
Your conduct admits of no excuse.
তোমার আচরণ কোন অজুহাতের অবকাশ রাখে না।
Admit (of) (আনুষ্ঠানিক) অবকাশ থাকা।
The clause admits of no other interpretation.
Source: Bangla Academy Dictionary.
To see eye to eye with- be in full agreement.
The boss and I do not always see eye to eye.
Source: Oxford dictionary.
All at once (phrase of once): suddenly.
All at once the noise stopped.
Source: Oxford Dictionary.
সঠিক বাক্য- অপশন (খ)।
অপশন (ক) এর সঠিক বাক্যটি হবে- I am not bad at tennis.
অপশন (গ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- He parted from his friends in tears.
অপশন (ঘ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- The rich are not always happy.
সঠিক বাক্য- অপশন (ঘ)।
অপশন (ক) এর সঠিক বাক্যটি হবে- No news is good news.
অপশন (খ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- Everything hinges upon what happens next.
অপশন (গ) এর সঠিক বাক্যটি হবে- I have no aptitude for music.
Vacant- শূন্য; খালি।
Blank- খালি।
Busy- ব্যস্ত।
Engaged- নিয়োজিত।
Employed- নিয়োগপ্রাপ্ত।
ধরি, রহিমের বর্তমান বয়স = ৩x
করিমের বর্তমান বয়স = ৪x
১০ বছর আগে রহিমের বয়স = (৩x - ১০) বছর
১০ বছর আগে করিমের বয়স = (৪x - ১০) বছর
প্রশ্নমতে,
১/২ (৪x – ১০) = (৩x – ১০)
বা, ৪x – ১০ = ৬x – ২০
বা, ২x = ১০
∴ x = ৫
রহিমের বর্তমান বয়স = ৩ × ৫ = ১৫
করিমের বর্তমান বয়স = ৪ x ৫ = ২০
∴ বর্তমানে তাদের মোট বয়স = ১৫ + ২০ = ৩৫ বছর।
ধরি, সংখ্যাটি x
শর্তমতে,
3x + 2x = 90
⇒ 5x = 90
∴ x = 18
৫০% বাড়তি ধরে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে নির্ধারিত মূল্য = ১০০ + ৫০ = ১৫০ টাকা।
আবার, ১০% কমিশনে,
নির্ধারিত মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ৯০ টাকা।
নির্ধারিত মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ৯০/১০০ টাকা।
নির্ধারিত মূল্য ১৫০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (৯০ X ১৫০) / ১০০ টাকা।
= ১৩৫ টাকা।
লাভ = ১৩৫ - ১০০ = ৩৫ টাকা।
২০% লাভে,
নির্মাতার বিক্রয় মূল্য (১০০+২০) = ১২০ টাকা।
আবার, ২০% লাভে,
খুচরা বিক্রেতার বিক্রয় মূল্য (১২০ + ১২০ এর ২০%) = (১২০+২৪) = ১৪৪ টাকা।
২০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০-২০ = ৮০ টাকা।
১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০+১০ = ১১০ টাকা।
বিক্রয় মূল্যের ব্যবধান = ১১০-৮০ = ৩০ টাকা।
বিক্রয়মূল্য ৩০ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৬০ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য = (১০০×৬০)/৩০ টাকা
= ২০০ টাকা।
১ম নল দ্বারা, ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় ১/১০ অংশ
২য় নল দ্বারা, ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় ১/১২ অংশ
৩য় নল দ্বারা, ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় ১/১৫ অংশ
∴ তিনটি নল দ্বারা ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় (১/১০ + ১/১২ + ১/১৫) অংশ
= (৬ + ৫ + ৪) / ৬০ অংশ
= ১/৪ অংশ
এখন,
১/৪ অংশ পূর্ণ হয় ১ ঘন্টায়
∴ ১ অংশ পূর্ণ হয় ৪ ঘন্টায়
∴ ১/২ অংশ পূর্ণ হয় ৪ × ১/২ ঘন্টায়
= ২ ঘন্টায়
ধরি, স্থানটির দূরত্ব = x কিমি
৩০ মিনিট = ১/২ ঘন্টা।
প্রশ্নমতে,
x/৫ = x/৬ + ১/২
বা, ৬x = ৫x + ১৫ [৩০ দ্বারা গুণ করে পাই]
∴ x = ১৫ কিমি
২০ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (২০ x ১২) বছর।
= ২৪০ বছর।
২৪ জন ছাত্রীর বয়সের গড় = (১২ - ৪/১২) বছর।
= ৩৫ / ৩ বছর।
২৪ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (৩৫/৩ x ২৪) বছর।
= ২৮০ বছর।
৪ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (২৮০ - ২৪০) বছর।
= ৪০ বছর।
৪ জন ছাত্রীর গড় বয়স = ৪০/৪ বছর।
= ১০ বছর।
৬ জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১ জন বালকের বয়সের সমষ্টি = (৩৫ x ১৫) বছর।
= ৫২৫ বছর।
৬ জন পুরুষ এবং ৮ জন স্ত্রীলোকের বয়সের সমষ্টি = {(৬ x ৪০) + (৮ x ৩৪)} বছর।
= ৫১২ বছর।
বালকের বয়স = (৫২৫ - ৫১২) বছর।
= ১৩ বছর।
যেহেতু বলাই আছে যে শিরঃকোণটির সমদ্বিখণ্ডক ভূমির উপর লম্ব অর্থাৎ পাশের দুইটি বাহু নিশ্চিতভাবেই সমান। এখন ভূমি এই দুটি বাহুর সমান হতেও পারে নাও পারে।
তবে, প্রশ্ন যদি এটা হয় যে, কোন ত্রিভুজের শিরঃকোণের সমদ্বিখণ্ডক সর্বদা ভুমির উপর লম্ব হবে। তাহলে উত্তর সমবাহু।
বৃত্তের যে কোনো বিন্দুতে অঙ্কিত স্পর্শক স্পর্শগামী ব্যাসার্ধের উপর লম্ব।
∴ ∠AOC = 90°, ∠BOC = 90°
∠AOC + ∠BOC = 90° + 90°
= 180°
= এক সরলকোণ।
∴ AO এবং BO এর মধ্যবর্তী কোণ সরলকোণ।
৮ + ৩ = ১১
১১ + ৬ = ১৭
১৭ + ১২ = ২৯
২৯ + ২৪ = ৫৩
৫৩ + ৪৮ = ১০১
(০.০০৩)২
= ০.০০৩ x ০.০০৩
= ০.০০০০০৯
2x2 + x − 15
= 2x2 + 6x - 5x - 15
= 2x (x + 3) - 5 (x + 3)
= (x + 3) (2x - 5)
a2 + b2 + 3ab
= a2 + b2 + 2ab + ab
= (a + b)2 + ab
= (7)2 + 10
= 49 + 10
= 59
গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূপৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমণ্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়।
এই বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূপৃষ্ঠের তথা বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়।
উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
যে আলাের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যতাে কম সে আলাের বিক্ষেপণ ততাে বেশি।
নীল আলাের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম বলে বিক্ষেপণ বেশি।
যার ফলে বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণায় বিক্ষিপ্ত নীল আলাে উপরে চলে যায় বলে আকাশ নীল দেখায়।
বায়ুমণ্ডল না থাকলে আকাশ কালো দেখাত, কারণ সেক্ষেত্রে আলােক রশ্মির বিক্ষেপণ হতাে না।
পরাগায়ন দু'প্রকার।
যথা- স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন।
- স্ব-পরাগায়ন : একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলা হয়।
- সরিষা, ধুতুরা, শিম, কুমড়া ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে।
- পর-পরাগায়ন : একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে।
শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীববিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
ক্যাটল ফিস ও অক্টোপাস উভয়ের তিনটি করে হৃৎপিন্ড আছে।
তাছাড়া ব্যাঙের হৃদপিন্ডে ৩টি প্রকোষ্ঠ এবং মানুষের হৃৎপিণ্ডে ৪ টি প্রকোষ্ঠ আছে।
এক্সরের থেকে কম বা ছোট কম্পাঙ্কের বিকিরণ অতিবেগুনি রশ্মি (ultraviolet ray)।
এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে বিস্তার 10-8 থেকে 4 x 10-7, এক্সরে এবং দৃশ্যমান আলোর মাঝামাঝি।
সূর্য রশ্মি এই বিকিরণের প্রধান উৎস।
এই রশ্মি আমাদের শরীরের ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরি করে।
তবে বেশিক্ষণ এই রশ্মি শরীরে পড়লে তা ক্ষতিকর হয়।
চোখের জন্য এটি বেশ ক্ষতিকর।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
মেঘনা আসামের ’বরাক’ নদী নাগা-মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ থেকে উৎপত্তি লাভ করে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
শাখা দুইটি সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়েছে।
মূলত সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্রোতধারাই মেঘনা নদী।
সুরমা নামক শাখাটি প্রথমে খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড়ের নিকট দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ছাতক ও সুনামগঞ্জের নিকট দিয়ে অগ্রসর হয়ে দক্ষিণে হবিগঞ্জ জেলার উত্তর সীমানায় পৌঁছে কুশিয়ারার সাথে মিলিত হয়েছে।
মেঘনা ভৈরববাজারের নিকট এসে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের সাথে যুক্ত হয়েছে।
মেঘনা নদীর উপনদীগুলো হলো- শীতলক্ষ্যা, গোমতি, ডাকাতিয়া, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র।
উৎসঃ ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব থেকে অনেক বেশি।
তাই পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ।
পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ তাই হল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি।
এ মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
শীতলক্ষ্যা নদী (Shitalakshya River) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপন্ন।
গাজীপুর জেলার টোক নামক স্থানে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে একটি ধারা বানার নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে লাকপুর নামক স্থানে শীতলক্ষ্যা নাম ধারণ করে বৃহত্তর ঢাকা জেলার পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
দিনের বেলায় সূ্র্যকিরণের জন্যে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial Region) স্থলভাগ অপেক্ষা জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এখানকার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সব সময় বেশি থাকে।
ফলে জলীয়বাষ্পপূর্ণ এই হালকা বায়ু উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে ঝরে পড়ে।
তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকাল অথবা সন্ধ্যায় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাাতিক সমুদ্র বন্দর।
১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ ''The City of Lyons'' সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে ।
এটাই ছিল মংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সুচনা।
উৎসঃ মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
পরবর্তীতে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্থায়ী সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর স্বাধীন দেশের বেতার কেন্দ্র হিসেবে এর নতুন নাম হয় ‘বাংলাদেশ বেতার’।
বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসে এবং সেদিন থেকেই স্বাধীন দেশের রেডিও হিসেবে বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কাজ শুরু হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
মুসলমান, ইহুদি আর খ্রিস্টান; তিন ধর্মের মানুষের কাছেই পবিত্র এক নগরী জেরুসালেম।
যা দখল করে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে ইসরায়েল।
অন্যদিকে মুসলমানদের স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বপ্নও এই জেরুসালেমকে ঘিরেই।
জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়।
১৯৮৬ সালে হ্যালির ধুমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে।
হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে ১৯৮৬+৭৬ = ২০৬২ সালে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
মহাকাশে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের কৃতিত্ব সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের।
১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর স্পুটনিক-১ নামে কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে নতুন ইতিহাস তৈরি করে দেশটি।
একই বছর সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশে দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-২ উৎক্ষেপণ করে।
স্পুটনিক-২ লাইকা নামে একটা কুকুর বহন করে নিয়ে যায়।
অবশ্য উৎক্ষেপণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে লাইকা মারা যায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৫৮ সালের ৩১ জানুয়ারি তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ এক্সপ্লোরার-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে।
বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ১২ মে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে।
উৎসঃ সমকাল।
আবদুল্লাহ আল-মুতী দেশের প্রধান প্রধান সব পুরস্কারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও লাভ করেন।
যেমনঃ
- বাংলা একডেমি পুরস্কার (১৯৭৫),
- ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক কলিঙ্গ পুরস্কার (১৯৮৩),
- একুশে পদক (১৯৮৫),
- স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯৫)।
তার প্রথম প্রকাশিত বই- এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে (১৯৫৫)।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হলো বাংলাদেশ সংবিধান।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
''জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।''
অর্থাৎ সংবিধানের আলোকেই প্রচলিত অন্যান্য আইন তৈরি হবে।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
১৫ ডিসেম্বর খসড়া সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমে স্বাক্ষর করেন এবং তারপর অন্যান্য গণপরিষদ সদস্যরা এতে স্বাক্ষর করেন।
তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে।
সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান।
সবার ঊর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
তার উপর আদালতের এখতিয়ার নেই।
সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁর উপর প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন।
সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনীর একজন করে।
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - সেনাবাহিনী
সিপাহী মোস্তফা কামাল - সেনাবাহিনী
সিপাহী হামিদুর রহমান - সেনাবাহিনী
ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন - নৌবাহিনী
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান – বিমান বাহিনী
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ – সাবেক ই. পি. আর.
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ – সাবেক ই. পি. আর.।
সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
জীবাশ্ম জ্বালানী হল এক প্রকার জ্বালানী যা মৃত গাছের পাতা, মৃতদেহ ইত্যাদি জীবনের উপাদান হাজার হাজার বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে এ জ্বালানী তৈরি হয়।
সাধারণত ৬৫০ মিলিয়ন বছর।
যেমনঃ কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম, খনিজ তেল ইত্যাদি।
তবে বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানী নয়।
গোবর, মলমূত্র, পাতা, খড়কুটো প্রভৃতি পদার্থ পানিতে মিশিয়ে বাতাসের অনুপস্থিতি রাখলে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে গাজন প্রক্রিয়া ঘটে।
ফলে এক ধরনের বর্ণহীন দাহ্য গ্যাস উৎপন্ন হয়।
এর শতকরা ৬০-৭০ ভাগই মিথেন গ্যাস। ইহাই বায়োগ্যাস নামে পরিচিত।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি; রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইনের সংযোগ সাধন হয়।
অফ-লাইন ইন্টারনেটে সংযোগ পদ্ধতিতে কম্পিউটার ও টেলিফোন লাইনের মাঝে মডেম ব্যবহার করে দূরবর্তী নেটওয়ার্ক তথা ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ স্থাপন করা হয়।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটারের দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বিএড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯১২ সালের ২৭ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠিত হয়।
ঐ বছরই নাথান কমিশন সরকারের নিকট তার রিপোর্ট জমা দেয় যা ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
এই রিপোর্টে ঢাকায় একটি সরকার নিয়ন্ত্রিত আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করা হয়।
নাথান কমিশন ও পরবর্তীতে স্যাডলার কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হয়েছিলেন।
তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
জিব্রাল্টার প্রণালী পৃথক করেছে আফ্রিকা-স্পেন।
মেসিনা প্রণালী পৃথক করেছে ইতালী-সিসিলি।
বেরিং প্রণালী পৃথক করেছে এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে।
রাসুল মুহাম্মদ (সা:) এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যেই ৬২২ সালে হিজরী সাল গণনার সূচনা করা হয়।
ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর (রা:) এর শাসনামলে চন্দ্র মাসের হিসাবে এই পঞ্জিকা প্রবর্তন করা হয়।
বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য ৬ ঘন্টা।
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ × ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC- South Asian Association for Regional Cooperation) ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত। সার্কের বর্তমান সদস্য দেশ ৮ টি। সদস্য দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, ও আফগানিস্তান (সর্বশেষ সদস্য)।
সার্কের অন্তর্ভুক্ত স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র ৩টি। যথা- নেপাল, আফগানিস্তান ও ভুটান।
সার্কের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্র ভারত এবং ছোট রাষ্ট্র মালদ্বীপ।
সার্কভুক্ত দেশগুলোর শিক্ষার হার সবচেয়ে বেশি মালদ্বীপে এবং সবচেয়ে কম আফগানিস্তানের।
মাথাপিছু আয় সবচেয়ে বেশি মালদ্বীপের এবং সবচেয়ে কম আফগানিস্তানের।
উৎসঃ সার্কের ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।
World Health Organization ৭ এপ্রিল ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১০ জুলাই ১৯৪৮ জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
এর প্রতিষ্ঠার দিনটিকে প্রতিবছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়। সদরদপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
বর্তমান মহাপরিচালক ইথিওপিয়ার নাগরিক টেড্রস আধানম গেব্রেইসাস।
উৎসঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
দেশের প্রথম সাফারি পার্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি উদ্যান, কক্সবাজার।
এটি দুলাহাজারা সাফারি পার্ক নামেও পরিচিত
এর আয়তন ৬০০ হেক্টর।
এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ সরকারি ওয়েবসাইট এবং পত্রিকা।
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনীর একজন করে।
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - সেনাবাহিনী
সিপাহী মোস্তফা কামাল - সেনাবাহিনী
সিপাহী হামিদুর রহমান - সেনাবাহিনী
ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন - নৌবাহিনী
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান – বিমান বাহিনী
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ – সাবেক ই. পি. আর.
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ – সাবেক ই. পি. আর.।
সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গাড়ি, বিভিন্ন যানবাহন, কল-কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
কার্বন মনোক্সাইড রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে মিশে কার্বোক্সি হিমোগ্লোবিন তৈরী করে, যা ফুসফুস থেকে সমস্ত শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে বাঁধা সৃষ্টি করে।
এ কারণে কার্বন মনোক্সাইড বিষাক্ত।
উৎসঃ রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা এবং রবার্ট ক্লাইভ নেতৃত্বাধীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনীর মধ্যে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
এতে নবাব সিরাজুদ্দৌলা পরাজিত হন এবং এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য স্তিমিত হয়।
বাংলায় প্রায় দুইশ বছরের ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত ঘটে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
তার মধ্যে -
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডের নিকট হতে স্বাধীনতা লাভ করে।
মালয়েশিয়া ও মায়ানমার ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
সূত্রঃ ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়া।