পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
Exam 11 Topic: Part II d. Qutubuddin Aibak — the Mamluk dynasty — its consolidation by Iltutmish; the successors of Iltutmish; Ghiyasuddin Balban and his policy of consolidation with special reference to the theory of kingship; e. the beginning of Mongol invasion; The Khaljis; Alauddin Khalji’s conquests and price-control system Source: Class – 09, relevant books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
কুতুবউদ্দিন আইবেককে লাকস বক্স উপাধিতে ভূষিত করা হয় কেন?
  1. লাক্সারি জীবন যাপনের জন্য
  2. অত্যধিক দানশীল হওয়ার জন্য 
  3. অনেক দাস অব মুক্ত করার জন্য 
  4. দিল্লি সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা হওয়ার জন্য
ব্যাখ্যা

⇒দানশীলতার দিক থেকে কুতুবউদ্দিনকে হাতেম তাই-এর সাথে তুলনা করা হয়।
-তিনি প্রত্যেক দিন লক্ষ লক্ষ মুদ্রা দান করতেন।
- এ জন্য ঐতিহাসিকগণ তাঁকে ‘লাখ বকস্’ উপাধি প্রদান করেন।

.
বন্দেগানই চেহেল গানের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি কে ছিলেন?
  1. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. নাসির উদ্দীন নসরত শাহ
  3. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  4. গিয়াসউদ্দিন বলবন
ব্যাখ্যা

⇒শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ ৪০ জন তুর্কি  ক্রীতদাসের সমন্বয়ে ‘বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ নামক চল্লিশ চক্রের শাসকগোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা করেন।
-তার মরত্যর পর এই বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ নামক চল্লিশ চক্রের শাসকগোষ্ঠী সুলতানদের উপর প্রভব বিস্তার করেছিল।
-বন্দেগানই চেহেল গানের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন বলবন।

.
মোঙ্গলরা সর্ব প্রথম কোন সুলতানের শাসনামলে ভারত আক্রমণ করে?
  1. কুতুবউদ্দিন আইবেকের সময়
  2. শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশের সময়
  3. আরম শাহের সময়
  4. গিয়াসউদ্দিন বলবনের সময়
ব্যাখ্যা

⇒ শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশের সময় সর্ব প্রথম মঙ্গল ১২২১ সালে আক্রমণের সম্ভাব্যতা থেকে ভারতীয় উপমহাদেশকে কৌশলে রক্ষা করে তিনি দিল্লি সালতানাতকে একটি সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠা করেন।
-নানা বিদ্রোহ ও প্রতিকূল অবস্থার মোকাবেলা করে একে সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠা করেন জন্য তাকে দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।  

.
দিল্লি সালতানাতে Blood and Iron নীতির প্রবক্তা কে?
  1. শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ
  2. কুতুবউদ্দিন আইবেক 
  3. গিয়াসউদ্দিন বলবন
  4. আলাউদ্দিন খিলজি 
ব্যাখ্যা

⇒গিয়াসউদ্দিন বলবন সাম্রাজ্যে ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিনত্নাবাদ, গোলযোগ ও বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলা নির্মূল করার উদ্দেশ্যে এক অভিনব ও নির্মম নীতি অবলম্বন করেন।
-যা ইতিহাসে ‘রক্তপাত ও কঠোরতার নীতি’ (Blood and Iron Policy) নামে পরিচিত। 

.
আলাউদ্দিন খলজির রাজসভার বিখ্যাত কবি কে ছিলেন?
  1. মালিক মুহম্মদ জায়সি
  2. আমির খসরু
  3. আবুল ফজল
  4. জিয়াউদ্দিন বারানী
ব্যাখ্যা

⇒তিনি আমির খসরু ( ভারতের তোতা পাখী), শেখসাদি, নিজাম উদ্দিন আউলিয়া, ও রুকুনুদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
-তার সভার বিখ্যাত কবি ছিলেন ভারতের তোতা পাখী খ্যাত আমির খসরু।

.
ইলতুতমিশকে ইতিহাসবিদ মিনহাজ-উস-সিরাজ কী নামে অভিহিত করেছিলেন?
  1. সুলতান-ই-আজম
  2. সুলতান-উল-ইসলাম
  3. সুলতান-ই-আদিল
  4. সুলতান-ই-মুইজউদ্দিন
ব্যাখ্যা

⇒১২২৯ খিস্ট্রাব্দে দিল্লির সুলতানদের মধ্য ১ম শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ বাগদাদের আব্বাসীয় খলিফা আল- মুনতাসিরের কাছ থেকে “সুলতান-উল-আজম” খেতাব সহ রাজছত্র ও রাজকীয় পোশাক উপঢৌকন হিসেবে লাভ করেন। 
- এ জন্যই বিখ্যাত ঐতিহাসিক মিনহাজ-উস-সিরাজ তাকে 'সুলতান-উল-আজম' নামেই অভিহিত করেছেন। 

.
ইলতুৎমিশের আমলের আমিরগণ কি নামে পরিচিত ছিল?  
  1. মুইজ্জী আমির
  2. হিন্দুস্থানী আমির
  3. কুতবী আমির
  4. শামসী আমির 
ব্যাখ্যা

⇒মুইজ উদ্দুন মুহাম্মদ ঘুরির আমীর গণ মুঈজি আমীর নামে।
-কুতুব উদ্দুন আইবেকের আমীরগণ কুতুবী আমীর নামে,
-এবং শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশের আমীরগণ শামসী আমীর নামে পরিচিত ছিল।

.
ইলতুৎমিশ বাগদাদের খলিফার নিকট থেকে সুলতান-উল-আজম খেতাব পান কবে?  
  1. ১২২১ খ্রিস্টাব্দে    
  2. ১২২৫ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১২৩৬ খ্রিস্টাব্দে 
ব্যাখ্যা

⇒ইলতুৎমিশ ১২২৯ খিস্ট্রাব্দে তিনি বাগদাদের আব্বাসীয় খলিফা আল- মুনতাসিরের কাছ থেকে “সুলতান-উল-আজম” খেতাবলাভ করেন।
-তিনি খলিফার নিকট থেকে রাজছত্র ও রাজকীয় পোশাক উপঢৌকন হিসেবে লাভ করেন। 

.
নিচের কোন স্থাপত্য কীর্তিটি কুতুবউদ্দিন আইবেক স্থাপন করেন?
  1. কুতুব মিনার
  2. আড়াই দিনকা ঝোপড়া মসজিদ
  3. কুয়াতুল ইসলাম মসজিদ
  4. উপরের সব গুলোই
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লিতে ‘কুয়াত-উল-ইসলাম’ এবং আজমীরে ‘আড়াই দিন-কা-ঝোপড়া’ মসজিদ নির্মাণ করেন। 
-রাজ্য বিজয়ের স্মারক এবং ইসলামের মহিমা বিশ্বজনীনভাবে উপস্থাপনের ‘কুতুব মিনার’ নির্মাণ আরম্ভ করেন। তবে তিনি এর নির্মাণ শেষ করে যেতে পারেন নি। 

১০.
বালবানের রাজতত্ত্ব বা Kingship Theory কোন ধারণার উপর ভিত্তি করে ছিল?
  1. আল্লাহর প্রতিনিধি
  2. জনগণের প্রতিনিধি
  3. সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি
  4. অভিজাতদের প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা

⇒ গিয়াসউদ্দিন বলবনের রাজতন্ত্র মতবাদ হচ্ছে:
-রাজতন্ত্রের ক্ষমতা নিরঙ্কুশ
-সুলতান আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ প্রাপ্ত হওয়ায় সমাজে কেউ তার সমক্ষ নয়।
-সুলতান সম্মান রক্ষা না করলে জনগণ অবাধ্য ও সাম্রাজ্যে নৈরাজ্য দেখা দিবে।
-জনগণের আনুগত্য ও সাম্রাজ্যের নিরাপত্তার জন্য সুলতানের অতিমানব সুলভ ও স্বেচ্ছাচারী মুলক ক্ষমতা প্রয়োগ আবশ্যক।

১১.
কুতুব মিনারের বর্তমান উচ্চতা কত?
  1. ২৩৫ ফুট
  2. ২৩৬ ফুট
  3. ২৩৭ ফুট
  4. ২৩৮ ফুট
ব্যাখ্যা

⇒ কুতুবউদ্দিন আইবেক রাজ্য বিজয়ের স্মারক এবং ইসলামের মহিমা বিশ্বজনীনভাবে উপস্থাপনের অভিপ্রায়ে ১১৯২ সালে সুলতান কুতুবউদ্দিন ধমর্বেত্তা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকীর নামানুসারে ‘কুতুব মিনার’ নির্মাণ আরম্ভ করেন।
-তবে তিনি এর নির্মাণ শেষ করে যেতে পারেন নি।
-এটি ৭টি স্তরে নির্মিত যার উচ্চতা ছিল ৩০০ ফুট।
-বর্তমানে এর ২টি স্তর ঝড়ে ভেঙ্গে যাওয়ায় উচ্চতা ২৩৮ ফুট।

১২.
ইলতুৎমিশ কোন গোত্রের লোক ছিলেন?
  1. দাস গোষ্ঠির 
  2. খলজী তুর্কি  গোষ্ঠির 
  3. পাঠান গোষ্ঠির
  4. ইলবারি তুর্কি  গোষ্ঠির  
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ ছিলেন ইলবারী তুর্কি গোষ্ঠির লোক।
-কুতুবউদ্দিন আইবেক ক্রীতদাস হিসেবে তাকে উচ্চমূল্যে কিনে নেন।
-তার গুণে হয়ে তাঁকে মুক্ত করে বদায়ুনের শাসনকর্তা এবং নিজ কন্যার সাথে বিয়ে দেন। 

১৩.
সুলতান রাজিয়া কে ছিলেন?  
  1. কুতুবউদ্দিনে কন্যা
  2. বাহরামের কন্যা 
  3. রুকনউদ্দিনে কন্যা
  4. ইলতুৎমিশের কন্যা
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান ইলতুৎমিশ তাঁর সুযোগ্য কন্যা, বুদ্ধিমতী ও অনন্য প্রতিভার অধিকারী রাজিয়াকে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন। 
- কিন্তু ১২৩৬ খ্রিস্টাব্দে ইলতুৎমিশের মৃত্যুর পর তাঁর মনোনয়ন অস্বীকার করে কতিপয় অভিজাত সুলতানের পুত্র রুকনউদ্দিন ফিরোজকে সিংহাসনে আরোহণে সহায়তা প্রদান করেন।
-রুকনউদ্দিন ফিরোজের অদক্ষতার জন্য আমির উমারাহগণ রাজিয়াকে দিল্লির সিংহাসনে আমন্ত্রণ জানালে তিনি ১২৩৬ সালে সিংহাসনে আরোহন করেন। 

১৪.
গিয়াসউদ্দিন বালবন কোন প্রথা প্রবর্তন করেন?
  1. ইলমা প্রথা 
  2. মুদ্রা সংস্কার 
  3. পায়বস প্রথা
  4. দাগ প্রথা 
ব্যাখ্যা

⇒গিয়াসউদ্দিন বালবন রাজদরবার জমকালোভাবে সজ্জিত,সিজদাহ ও পায়বুস রীতি প্রচলন করেন।
-তিনি জনগণের থেকে দুরত্ব ও সবসময় রাজকীয় পোশাক পরিধান করতেন।
-তিনি নিচু বংশের সাথে মেলোমেশা ও কথা বলা পছন্দ করতেন না।

১৫.
মালিক কাফুর কে হাজার দিনারী বলা হয় কেন?
  1. তিনি হাজার দিনার দান করতেন
  2. তিনি হাজার দিনারের মালিক ছিলেন
  3. তার মূল্য ছিল হাজার দিনার 
  4. তিনি হাজার দিনার ব্যয় করতেন
ব্যাখ্যা

⇒১২৯৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান আলাউদ্দিন খলজি নিজ ভাই উলুঘ খান এবং  নুসরাত খানকে গুজরাট অভিযানে প্রেরণ করেন।
- সেখান থেকে রানী কমলাদেবী সহ কাফুর নামক একজন খোজাকে বন্দি করে  নিয়ে আসা হয়।
-সুলতান রানী কমলাদেবীকে বিবাহ করেন।
-খোজা কাফুরকে নসরাত খান ১০০০ দিনারের বিনিময়ে সুলতানের কাছে বিক্রয় করেন।
-পরবর্তীতে মালিক কাফুর নামে সেনাপতি ও অমাত্যের পদ অলংকৃত করেন।
-১০০০ দিনারের বিনিময়ে সুলতানের কাছে বিক্রয় করেন জন্য মালিক কাফুর কে হাজার দিনারী বলা হয়।

১৬.
আলাউদ্দিন খিলজির মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার তদারকি কে করত?
  1. দিওয়ান-ই-ইনশা
  2. শাহনা-ই-মান্ডি
  3. দিওয়ান-ই-আরিজ
  4. চেহেলগান
ব্যাখ্যা

⇒অর্থনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে সাম্রাজ্যের স্থায়ীত্ব,সিনাবাহিনী গঠন ও মদ্রাস্ফিতি হ্রাস করতেই মূল্য নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি চালু করে সকল পন্যের দাম নির্ধারণ করে দেন।
-এ জন্য বাজার স্থাপন(মান্ডি),বাজার পরিদর্শন,সরবরাহ নিশ্চিত করন,শস্য ভান্ডার স্থাপন, রেশনিং ব্যবস্থা করে এগুলোর তত্ত্বাবধানে ‘শাহান-ই-মান্ডি’ নিয়োগ করে।

১৭.
মুহাম্মদ ঘুরি কুতুবউদ্দিন আইবেককে উপাধিতে ভূষিত করে উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করেছিলেন?
  1. মালিক
  2. সুলতান
  3. আমীর
  4. শাহেন শাহ
ব্যাখ্যা

⇒মুহাম্মদ ঘুরি ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুর পূর্বে কুতুবউদ্দিন আইবেককে ভারতে উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করে তাঁকে ‘মালিক’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
-১২০৬ খ্রিস্টাব্দের ২৪ জুন লাহোরে কুতুবউদ্দিন আইবেক দায়ীত্ব নেয়ার পর তাঁর নামে খুৎবা পাঠ করা হয় এবং মুদ্রা প্রচলন করা হয়।

১৮.
দিল্লি সালতানাতের কোন সুলতান ১ম বাগদাদের খলিফার নিকট থেকে স্বকৃীত লাভ করেন?
  1. কুতুবউদ্দিন আইবেক 
  2. শামস উদ্দিন ইলতুৎমিশ
  3. গিয়াসউদ্দিন বলবন
  4. আলাউদ্দিন খিলজি 
ব্যাখ্যা

⇒১২২৯ খিস্ট্রাব্দে দিল্লির সুলতানদের মধ্য ১ম শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ বাগদাদের আব্বাসীয় খলিফা আল- মুনতাসিরের কাছ থেকে “সুলতান-উল-আজম” খেতাব সহ রাজছত্র ও রাজকীয় পোশাক উপঢৌকন হিসেবে লাভ করেন। 
- এ জন্যই বিখ্যাত ঐতিহাসিক মিনহাজ-উস-সিরাজ তাকে 'সুলতান-উল-আজম' নামেই অভিহিত করেছেন। 

১৯.
গিয়াসউদ্দিন বলবন কার দাস ছিলেন?
  1. কুতুবউদ্দিন আইবেকের 
  2. শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশের
  3. সুলতানা রাজিয়ার
  4. নাসির উদ্দন মাহমুদের
ব্যাখ্যা

⇒গিয়াসউদ্দিন বলবন তুর্কিস্থানের বিখ্যাত ইলবারি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন।
-বলবনের প্রকৃত নাম ছিল বাহাউদ্দিন।
-১২৩২ খ্রিস্টাব্দে তাকে সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশের নিকট বিক্রি করে দেন। 
-সুলতান ইলতুৎমিশ গিয়াসউদ্দিন বলবনকে তাঁর ইতিহাস প্রসিদ্ধ বিখ্যাত ‘বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ বা ‘চলিশ্ল চক্রের’ অন্তর্ভুক্ত করেন।
-তিনি ছিলেন সুলতান ইলতুৎমিশের ‘খাসবরদার’ বা ব্যক্তিগত কমর্কর্তা।

২০.
মামলুক বংশের কতজন শাসক ক্রীতদাস ছিলেন?
  1.  ১১ জন
  2. ৫ জন
  3. ৩ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা

⇒১২০৬ থেকে ১২৯০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কুতুবউদ্দিন, ইলতুৎমিশ, বলবন এবং তাঁদের বংশধরেরা মোট ১১ জন সুলতান শাসন করেন।
-যারা সকলেই বিভিন্ন গোত্রের হলেও জাতীতে তুর্কি ছিলেন।
-প্রথম জীবনে কুতুবউদ্দিন, ইলতুৎমিশ এবং বলবন এই তিনজনই ছিলেন ক্রীতদাস।
-এক সময় এঁদের সবাইকে একই বংশের লোক বলে মনে করা হতো এবং তাঁদের বংশকে বলা হতো ‘দাস বংশ’।

২১.
ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য ইলতুৎমিশ কোন প্রথা প্রবর্তন করেন?
  1. ইকতা
  2. শিকল ঘন্টা
  3. বন্দেগান-ই-চেহেলগান
  4. পয়বুস
ব্যাখ্যা

⇒শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ ১২১১ খ্রি. থেকে ১২৩৬ খ্রি. পর্যন্ত দীর্ঘ সময় শাসন করেন। 
-প‌্রজাসাধারণ সহজে সুলতানের দৃষ্টি আকষর্ণের জন্য তিনি রাজদরবারে একটি শিকল বাঁধা ঘণ্টা ঝুলিয়ে রাখতেন। 

২২.
আলাউদ্দিন খিলজির আমলে কোন স্থাপত্য নির্মিত হয়েছিল?
  1. আলাই দরওয়াজা
  2. হাউজ খাস
  3. কুয়াতুল ইসলাম মসজিদ
  4. কুতুব মিনারের
ব্যাখ্যা

⇒আলাউদ্দিন খিলজিকে বিজয়ের জন্য ২য় আলেকজান্ডার বলা হয়।
- এই বিজয়ের স্বারক হিসেবেই তিনি আলাই দরওয়াজা সহ বেশ কিছু স্থাপত্য নির্মাণ করেন।
- এছাড়াও তিনি আমির খসরু (তোতা পাখী), শেখসাদি, নিজাম উদ্দিন আউলিয়া, ও রুকুনুদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।

২৩.
সুলতান ইলতুৎমিশ বলবনকে ক্রয় করেন কত সালে?   
  1. ১২২৮ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১২৩০ খ্রিস্টাব্দে 
  3. ১২৩২ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১২৩৪ খ্রিস্টাব্দে 
ব্যাখ্যা

⇒গিয়াসউদ্দিন বলবন তুর্কিস্থানের বিখ্যাত ইলবারি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন।
-বলবনের প্রকৃত নাম ছিল বাহাউদ্দিন।
-১২৩২ খ্রিস্টাব্দে তাকে সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশের নিকট বিক্রি করে দেন। 
-সুলতান ইলতুৎমিশ গিয়াসউদ্দিন বলবনকে তাঁর ইতিহাস প্রসিদ্ধ বিখ্যাত ‘বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ বা ‘চলিশ্ল চক্রের’ অন্তর্ভুক্ত করেন।

২৪.
আমীর খসরু আলাউদ্দিন খিলজিকে কী উপাধি দিয়েছিলেন?
  1. সুলতান-ই-আজম
  2. সিকান্দার-ই-সানি
  3. জল্লু-ল্লাহ
  4. খলিফা-ই-হিন্দ
ব্যাখ্যা

⇒আলাউদ্দিন খিলজিকে উত্তর ভারত বা রাজপুতনা ও দাক্ষিণাত্য বিজয় করেন।
-তার সভার বিখ্যাত কবি ছিলেন ভারতের তোতা পাখী খ্যাত আমির খসরু।
-বিজেতা হিসেবে অবিশ্বরনীয় অবদানের জন্য তার সভার বিখ্যাত কবি ভারতের তোতা পাখী খ্যাত আমির খসরু তাকে সিকান্দার-ই-সানি  বা ২য় আকিজান্ডার উপাধী দিয়েছিলেন।

২৫.
সুলতানা রাজিয়ার সঘোষিত উপাধি কোনটি?
  1. উমদাদ-উল-নিসওয়ান
  2. উমদাদ-উদ-দৌলা
  3. সুলতানা-উল-নিসওয়ান
  4. লৌহ মানবী
ব্যাখ্যা

⇒রুকনউদ্দিন ফিরোজের অদক্ষতার জন্য আমির উমারাহগণ রাজিয়াকে দিল্লির সিংহাসনে আমন্ত্রণ জানালে তিনি ১২৩৬ সালে সিংহাসনে আরোহন করেন।
-সিংহাসনে আরোহন করে তিনি নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন করেন।
-এবং মুদ্রায় নিজেকে ‘উমদাদ-উল-নিসওয়ান’ বা মহিলাদের মধ্যে সম্ভ্রান্ত বলে অভিহিত করেন।

২৬.
সুলতান ইলতুৎমিশ কর্তৃক প্রবর্তিত রৌপ্য মুদ্রার নাম কি ছিল?
  1. ফালুস
  2. দিরহাম
  3. দিনার
  4. রূপাইয়া
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান ইলতুৎমিশ বেশ কিছু সংস্কার সাধন করেন।
-সমগ্র রাজ্যকে কতগুলো ‘ইকতা’ বা প্রদেশে বিভক্ত করে।
-প‌্রজাসাধারণ সহজে সুলতানের দৃষ্টি আকষর্ণের জন্য তিনি রাজদরবারে একটি শিকল বাঁধা ঘণ্টা ঝুলিয়ে রাখতেন। 
-তিনি ‘রূপাইয়া’ নামে রৌপ্য মুদ্রা প্রবর্তন করেন। 

২৭.
আলাউদ্দিন খিলজির আমলে দক্ষিণ ভারতের অভিযানের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
  1. রাজস্ব সংগ্রহ
  2. ধর্মীয় প্রসার
  3. সাম্রাজ্য বিস্তার
  4. বাণিজ্য সম্প্রসারণ
ব্যাখ্যা

⇒ সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি ১৩০৬ খ্রিস্টাব্দে দেবগিরি বিজয় করে।
-১৩০৯ খ্রিস্টাব্দে বরঙ্গল বিজয় করেন।
-১৩১০ খ্রিস্টাব্দে দ্বারসমুদ্রে অভিযান করে বিজয় করেন।
-১৩১১ খ্রিস্টাব্দে পান্ডরাজ্য অধিকার করেন।  
-এ সকল অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল রাজস্ব সংগ্রহ করা।

২৮.
গিয়াসউদ্দিন বালবনের মৃত্যুর পর দিল্লি সালতানাত দুর্বল হয়ে পড়ে কেন?
  1. যোগ্য উত্তরসূরি অভাবে
  2. মঙ্গোল আক্রমণে
  3. বাংলার বিদ্রোহে
  4. অর্থনৈতিক সংকটে
ব্যাখ্যা

⇒বলবনের মৃত্যুর পর  যোগ্য উত্তরাধিকারের অভাবে বিশ্ঙৃখলা দেখা দেয়।
- এ সুযোগে জালাল উদ্দিন ফিরোজ খলজি ১২৯০ সালের  ১৩ জুন শাসন গ্রহন করেন।
- মামলুক বংশের পতন ঘটে খলজি বংশের সূচনা হয়।

২৯.
গুজরাটের রাজা দ্বিতীয় রায় কর্ণদেবের স্ত্রীর নাম কি? 
  1. রাণী দেবলাদেবী  
  2. রাণী কমলাদেবী 
  3. রাণী সুরমা দেবী
  4. রাণী সূর্য দেবী 
ব্যাখ্যা

⇒১২৯৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান আলাউদ্দিন খলজি নিজ ভাই উলুঘ খান এবং  নুসরাত খানকে গুজরাট অভিযানে প্রেরণ করেন।
-গুজরাট বিজয় করে রাজা দ্বিতীয় রায় কর্ণদেবের স্ত্রীর রানী কমলাদেবী সহ কাফুর নামক একজন খোজাকে বন্দি করে দিল্লিতে নিয়ে আসে। 
-সুলতান রানী কমলাদেবীকে বিবাহ করেন।

৩০.
আলাউদ্দিন খিলজির দরবারে কোন সুফি সাধকের পদচারণা ছিল?
  1. খাজা মইনুদ্দিন চিশতি
  2. কুতুব উদ্দিন বখতিয়ার কাকী
  3. নিজাম উদ্দিন আউলিয়া
  4. শাহ জালাল
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দিন খিলজিকে উত্তর ভারত বা রাজপুতনা ও দাক্ষিণাত্য বিজয় করেন।
-তার সভার বিখ্যাত কবি ছিলেন ভারতের তোতা পাখী খ্যাত আমির খসরু।
-এছাড়াও তিনি শেখসাদি, বিখ্যাত সুফি সাধক নিজাম উদ্দিন আউলিয়া, ও রুকুনুদ্দিনের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।

৩১.
'পদ্মিনী' কোথাকার রানী ছিলেন?
  1. দেবগিরির
  2. গুজরাটের
  3. রণথম্বোরের
  4. চিতোরের
ব্যাখ্যা

⇒১৩০৩ খ্রিস্টাব্দের ২৬ আগস্ট আলাউদ্দিন খলজি চিতোর আক্রমণ করেন।
-জনশ্রুতি আছে যে,রাজপুত রাণা রতন-সিংহের স্ত্রী পদ্মিনীকে লাভের জন্য সুলতান আলাউদ্দিন খলজি চিতোর অভিযান করেন।
- রাজা রাণা রতন সিংহ পরাজিত হলে রাজপুত রমনীগণ আত্মসম্মান রক্ষায় অগ্নিকুন্ডে ঝাঁপ দিয়ে আত্মবিসর্জন দেন।

৩২.
খলজি বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান কে ছিলেন? 
  1. সুলতান আলাউদ্দিন খলজি
  2. সুলতান কুতুবউদ্দিন মুবারক খলজি
  3. সুলতান শাহাবুদ্দিন ওমর খলজি 
  4. সুলতান জালাল উদ্দিন ফিরোজ খলজি
ব্যাখ্যা

⇒খলজিরা আফগান বংশোদ্ভুত।
-বলবনের মৃত্যুর পর বিশৃঙ্খলার সুযোগে জালাল উদ্দিন ফিরোজ খলজি ১২৯০ সালের  ১৩ জুন শাসন গ্রহন করেন।
-সুলতানী আমলে ২য় বংশ হিসেবে খলজি বংশের সূত্রপাত ঘটে।

৩৩.
বন্দেগান-ই-চেহেল গানের ক্ষমতা খর্ব করেন কে?
  1. শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ
  2. সুনতানা রাজিয়া
  3. গিয়াসউদ্দিন বলবন 
  4. নাসিরুদ্দিন মাহমদ 
ব্যাখ্যা

⇒গিয়াসউদ্দিন বলবন সাম্রাজ্যে ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিনত্নাবাদ, গোলযোগ ও বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলা নির্মূল করার উদ্দেশ্যে এক অভিনব ও নির্মম নীতি অবলম্বন করেন। যা ইতিহাসে ‘রক্তপাত ও কঠোরতার নীতি’ (Blood and Iron Policy) নামে পরিচিত। 
-তিনি সুলতান ইলতুৎমিশের গঠিত বিখ্যাত ‘বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ বা চলিশ্ল চক্রের প্রভাব হ্রাস করেন। 

৩৪.
আলাউদ্দিন খিলজির প্রশাসনিক ব্যবস্থা কাকে অনুপ্রাণিত করেছিল?
  1. শেরশাহ
  2. আকবর
  3. বাবর
  4. আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

⇒আলাউদ্দিন খিলজি ১২৯৬ খ্রি. থেকে ১৩১৬ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
-তার দীর্ঘ সময়ের শাসনের সব সংস্কার গুলো আকবরকে প্রভাবিত করে।

৩৫.
আলাউদ্দিন খলজি সেনাপতি মালিক কাফুরকে কোন উপাধিতে ভূষিত করেন?
  1. মালিক-ই-নায়েব
  2. আমীর-ই-আখুর
  3. সুলতানই মালিক
  4. খাসদরবারই মালিক
ব্যাখ্যা

⇒১২৯৯ সালে গুজরাট বিজয়ের সময় সেনাপতি নুসরত খান মালিক খোজাকে সাথে নিয় দিল্লও এসে সুলতানের কাছে ১০০০ দিনারে বিক্রয় করেন।
-পরবর্তী তিনি মালিক কাফুর নামে সুলতানের সেনাপতির দায়িত্ব গ্রহন করেন।
-১০০৬-১৩  সালের মধ্যে মালিক কাপুর দাক্ষিনাত্য বুজয় করলে সুলতান আলাউদ্দিন খলজি সেনাপতি মালিক কাফুরকে ‘মালিক-ই-নায়েব’ উপাধিতে ভূষিত করেন। 

৩৬.
আলাউদ্দিন খিলজির কোন সেনাপতি দক্ষিণ ভারতে সর্বাধিক সাফল্য অর্জন করেন?
  1. মালিক কাফুর
  2. উলুঘ খান
  3. নুসরত খান
  4. বুগরা খান
ব্যাখ্যা

⇒আলাউদ্দিন খলজি সর্ব প্রথম রাজপুতনা ও দাক্ষিনাত্য বিজয় করেন।
যে সব সেনাপতি তার বিজয় অভিযান পরিচালনা করেন তার হচ্ছে - ভাই উলুখ খান, নাসরত খান,মালিক কাফুর।
-উত্তর ভারত বা রাজপুতনা উলুখ খান ও নাসরত খান বিজয় করে।
- দাক্ষিণাত্য মালিক কাফুরের নেতৃত্বে বিজিত হয়।

৩৭.
আলাউদ্দিন খলজির দরবারের ইতিহাস রচয়িতা কে ছিলেন?
  1. মিনহাজ-ই-সিরাজ
  2. জিয়াউদ্দিন বারানি
  3. আমির খসরু
  4. আবুল ফজল
ব্যাখ্যা

⇒আলাউদ্দিন খলজির দরবারে আমির খসরু, শেখ সাদি,জিয়াউদ্দিন বারাণী,নিজামুদ্দিন আউলিয়া সহ অনেক বিভিন্ন মনিষীর পদাচারণ ঘটেছিল।

৩৮.
বলবনের প্রকৃত নাম কি ছিল? 
  1. নাসির উদ্দিন  
  2. সেলিম উদ্দিন
  3. বাহাউদ্দিন
  4. বাহার উদ্দিন 
ব্যাখ্যা

⇒গিয়াসউদ্দিন বলবন তুর্কিস্থানের বিখ্যাত ইলবারি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন।
-বলবনের প্রকৃত নাম ছিল বাহাউদ্দিন।
-১২৩২ খ্রিস্টাব্দে তাকে সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশের নিকট বিক্রি করে দেন। 
-সুলতান ইলতুৎমিশ গিয়াসউদ্দিন বলবনকে তাঁর ইতিহাস প্রসিদ্ধ বিখ্যাত ‘বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ বা ‘চলিশ্ল চক্রের’ অন্তর্ভুক্ত করেন।

৩৯.
কুতুবউদ্দিন ইলতুৎমিশকে কোথাকার শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন? 
  1. গজনীর  
  2. বদায়ুনের 
  3. লাহোরের
  4. মুলতানের 
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ ছিলেন ইলবারী তুর্কি গোষ্ঠির লোক।
-কুতুবউদ্দিন আইবেক তাকে উচ্চমূল্যে কিনে নেন।
-তার গুণে হয়ে তাঁকে মুক্ত করে বদায়ুনের শাসনকর্তা এবং নিজ কন্যার সাথে বিয়ে দেন। 

৪০.
স্বাধীন দিল্লি সালতানাত প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?  
  1. ১১৯২ সালে
  2. ১১৯৪ সালে
  3. ১২০৪ সালে    
  4. ১২০৬ সালে
ব্যাখ্যা

⇒মুহাম্মদ ঘুরি ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুর পূর্বে কুতুবউদ্দিন আইবেককে ভারতে উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করে তাঁকে ‘মালিক’ উপাধিতে ভূষিত করেন। 
-১২০৬ খ্রিস্টাব্দের ২৪ জুন লাহোরে কুতুবউদ্দিন আইবেক দায়ীত্ব নেয়ার পর তাঁর নামে খুৎবা পাঠ করা হয় এবং মুদ্রা প্রচলন করা হয়।

৪১.
আলাউদ্দিন খিলজির মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কোন সময়ে সবচেয়ে কার্যকর ছিল কোথায়?
  1. গুজরাটে
  2. দিল্লিতে
  3. দাক্ষিনাত্যে
  4. রাজপুতনায়
ব্যাখ্যা

⇒দাক্ষিণাত্য হতে আহরিত অগণিত ধন সম্পদ উত্তর ভারতে মুদ্রাস্ফীতির সূচনা করে, বাধ্য হয়ে সুলতান আলাউদ্দিন খলজি জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে মূল্যনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।
-কিন্তু তার এই মূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা রাজধানী দিল্লি ছাড়া আর কোথায় কার্যকর হয় নি!

৪২.
'উলুঘ খান’ কার উপাধি?
  1. সুলতান রুকন উদ্দিনের 
  2. সুলতান মুইযউদ্দিনের
  3. সুলতান নাসির উদ্দিনের
  4. সুলতান গিয়াসউদ্দিনের
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন তুর্কিস্থানের বিখ্যাত ইলবারি গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন।
-বলবনের প্রকৃত নাম ছিল বাহাউদ্দিন।
-তার উপাধি ছিল উলুগ খান।

৪৩.
কুতুব মিনার কার নামানুসারে নামকরণ করা হয়?
  1. কুতুবউদ্দিন আইবেকের
  2. নূর কুতুবুল আলমের
  3. কুতুব শেখের
  4. কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকির
ব্যাখ্যা

⇒রাজ্য বিজয়ের স্মারক এবং ইসলামের মহিমা বিশ্বজনীনভাবে উপস্থাপনের অভিপ্রায়ে ১১৯২ সালে সুলতান কুতুবউদ্দিন ধমর্বেত্তা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকীর নামানুসারে ‘কুতুব মিনার’ নির্মাণ আরম্ভ করেন।
-তবে তিনি এর নির্মাণ শেষ করে যেতে পারেন নি।
-এটির উচ্চতা ৩০০ ফুট বর্তমানে ২৩৮ ফুট।