ব্যাখ্যা
থমসনের পরমাণু মডেলের নাম - কিশমিশ পুডিং মডেল
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের নাম - সৌর মডেল
বোরের পরমাণু মডেলের নাম - কোয়ান্টাম মডেল৷
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন
১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন
থমসনের পরমাণু মডেলের নাম - কিশমিশ পুডিং মডেল
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের নাম - সৌর মডেল
বোরের পরমাণু মডেলের নাম - কোয়ান্টাম মডেল৷
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন
ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা 17
পটাশিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা 19
ক্যালসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা 20
আয়রনের পারমাণবিক সংখ্যা 26
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন
সাবানঃ দীর্ঘ কার্বন শিকলবিশিষ্ট ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ৷
ডিটারজেন্টঃ দীর্ঘ কার্বন শিকল বিশিষ্ট বেনজিন সালফোনিক এসিডের সোডিয়াম লবণ৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
এক হাজার ক্যালরি সমান এক কিলােক্যালরি বা এক খাদ্য ক্যালরি (One Food Calorie)। খাদ্যের ক্যালরিকে কিলােক্যালরি দিয়ে বােঝানাে হয়।
উদাহরণ দেওয়ার জন্য বলা যায়, শর্করা এবং প্রােটিনের ক্যালরি প্রায় সমান, ৪ kcal/g।
স্নেহজাতীয় খাদ্যে অর্থাৎ ফ্যাটের ক্যালরি সবচেয়ে বেশি— এর পরিমাণ ৯ kcal/g। একটা খাদ্যের খাদ্য ক্যালরি বলতে বােঝায় খাদ্যটি সম্পূর্ণভাবে জারণ হলে কতখানি শক্তি বের হবে।
একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দৈনিক ২৫০০ kcal এবং একজন নারীর ২০০০ kcal এর সমপরিমাণ খাবার খাওয়া প্রয়ােজন।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন এ চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলাে অ্যামাইনাে এসিডে পরিণত হয়। অর্থাৎ বলা যায় একটি নির্দিষ্ট আমিষের পরিচয় হয় কিছু অ্যামাইনাে এসিড দিয়ে।
মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনে এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনাে এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
উৎস দিয়ে বিবেচনা করা হলে আমিষ দুই প্রকার: প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ।
প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির- এগুলাে প্রাণিজ আমিষ।
উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। ডাল, শিমের বিচি, মটরশুটি, বাদাম হচ্ছে উদ্ভিজ্জ আমিষের উদাহরণ।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
অ্যাজমা সাধারণত রােগ প্রতিরােধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়ে থাকে। অর্থাৎ কোনাে একটি বহিঃস্থ পদার্থ ফুসফুসে প্রবেশ করলে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করতে দেহের প্রতিরােধ-ব্যবস্থার যেটুকু প্রতিক্রিয়া দেখানাের কথা, তার চেয়ে অনেক তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া ঘটলে অ্যাজমা হতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাজমা আক্রান্ত শিশু বা ব্যক্তির বংশে হাঁপানি বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে। এটি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রােগও নয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
প্রাণিদেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও এর অসংখ্য কোষের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয় রক্ষা করে স্নায়ুতন্ত্র। স্নায়ুতন্ত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহার হয় - মেরুদন্ডী প্রাণিতে।
মেরুদন্ডী প্রাণীরা আজ পৃথিবীতে প্রাধান্য বিস্তারকারী গোষ্ঠী। এ আধিপত্যের অন্যতম কারণ - উন্নত মস্তিষ্ক।
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কেন্দ্র হচ্ছে মস্তিষ্ক এবং একক হচ্ছে - নিউরন। অসংখ্য নিউরনের সমন্বয়ে মস্তিষ্ক গঠিত।
মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র (Central nervous system)
২. প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র (Peripheral nervous system)
উৎসঃ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
তবে, মাধ্যমিক (উন্মুক্ত) ও অষ্টম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বইতে স্নায়ুতন্ত্রকে ৩ ভাগে বিভক্ত দেখানো হয়েছে।
যথা - কেন্দ্রীয়, প্রান্তীয় ও স্বয়ংক্রিয়।
তবে, এই ক্ষেত্রে জীববিজ্ঞান বোর্ড বইগুলো অধিকতর গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ২ ভাগকে সঠিক উত্তর ধরে নিচ্ছি।
লঘু এসিডের বৈশিষ্ট্যঃ
- সকল লঘু এসিড টক স্বাদযুক্ত
- এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ হিসাবে পরিচিত
- এসিড নীল বর্ণের লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে
- সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে
- ধাতব কার্বনেটের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
এসিড এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্য যা পানিতে দ্রবীভূত করলে এসিডের অণু বিয়োজিত হয়ে (ভেঙে) হাইড্রোজেন আয়ন বা প্রােটন (H+) দান করে।
যেমন- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) এরা তীব্র এসিড৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
এক্স-রের গােয়েন্দা বিভাগে ব্যবহারঃ
১। কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখলে তা খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয়।
২। কাস্টম কর্মকর্তারা চোরাচালানের দ্রব্যাদি খুঁজে বের করতে ব্যবহার করেন। কোনাে নিষিদ্ধ পণ্য কোনো কাঠের বাক্স বা ধাতুর বাক্সে থাকলে এদের মধ্য দিয়ে এক্স-রে প্রবেশ করিয়ে তা জানা যায়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন
যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনাে বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনাে বলের কোনাে রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনাে না কোনাে রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
এই মৌলিক বলগুলাে হলাে :
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational force)
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic force)
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear force)
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear force)
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন
অ্যালবার্ট মাইকেলসন ও এডওয়ার্ড মােরলে ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দে ইথারের অস্তিত্ব নির্ণয়ের জন্য একটি বিখ্যাত পরীক্ষা সম্পাদন করেন।
এটি মাইকেলসন-মােরলে পরীক্ষা নামে সুপরিচিত।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, মহাবিশ্বে ইথারের কোনাে অস্তিত্ব নেই।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন
বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাপিয়ে দেয়। এগুলাে হলাে ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব।
দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলাে পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালাে বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলাের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন
শ্বেতসার বা স্টার্চ: ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। এছাড়া আলু, রাঙা আলু বা কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়।
গ্লুকোজ: এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর, খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়।
সুক্রোজ: আখের রস, চিনি, গুড়, মিছরি এর উৎস।
সেলুলােজঃ বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনাে ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলােজ থাকে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
পানি বিশুদ্ধ করার কয়েকটি উপায় আছে৷ এরমধ্যে অন্যতম হলো ক্লোরিনেশন, ফুটানো, থিতানো এবং ছাঁকন৷
এদের মধ্যে পানিকে জীবাণুমুক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ক্লোরিনেশন৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
নিঃশ্বাস প্রশ্বাস বা শ্বসন প্রক্রিয়ায় আমরা বাতাস থেকে যে অক্সিজেন গ্রহণ করি, সেটি ফুসফুসে আমাদের রক্তের সাথে মিশে যায়।
রক্তের লােহিত কণিকা এই অক্সিজেন আমাদের শরীরের কোষে পৌঁছে দেয়৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
প্রাণীদেহের গঠনে প্রােটিন অপরিহার্য। দেহকোষের বেশির ভাগই প্রােটিন দিয়ে তৈরি। দেহের হাড়, পেশি, লােম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং- এগুলাে সবই প্রােটিন দিয়ে তৈরি হয়।
প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রােটিন।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
শক্তির রূপান্তরে পরিবেশের উপর প্রভাবের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে ফসিল জ্বালানি বা তেল, গ্যাস এবং কয়লা। এই তিনটিতেই কার্বনের পরিমাণ অনেক বেশি এবং এগুলাে পুড়িয়ে যখন তাপশক্তি তৈরি হয় তখন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যেটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস।
অর্থাৎ এই গ্যাস পৃথিবীতে তাপকে ধরে রাখতে পারে এবং এ কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে, যেটি বৈশ্বিক উষ্ণতা নামে পরিচিত।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে, যা বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ।
অজৈব পদার্থগুলাের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন: সােডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়ােডিন এবং O2, CO2, এবং N2 জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ।
জৈব পদার্থের মধ্যে আছেঃ
১. খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনাে এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি।
২ রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামােনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
লােহিত কণিকার কাজঃ
১. দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা।
২. নিষ্কাশনের জন্য কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা।
৩. হিমােগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করা।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
গ্র্যানোলোসাইট শ্বেত রক্তকণিকার একটি ধরন৷
এদের সাইটোপ্লাজম সূক্ষ্ম দানাযুক্ত। গ্রানুলােসাইট শ্বেত কণিকাগুলাে নিউক্লিয়াসের আকৃতির ভিত্তিতে তিন প্রকার।
যথা: নিউট্রোফিল, ইওসিনােফিল এবং বেসােফিল।
- নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়া জীবাণু ভক্ষণ করে।
- ইওসিনােফিল ও বেসোফিল হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে।
- বেসােফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্ত বাহিকার ভেতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম৷ এটি ডান ও বাম খণ্ডে বিভক্ত৷
দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে অবস্থিত৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
২০১৯ সালের শেষের দিকে চীন থেকে একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে যার প্রচলিত নাম - করােনা ভাইরাস।
করােনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম নির্ধারণ করা হয়
- SARS-CoV-2 বা severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রােগটি হয় তার আনুষ্ঠানিক নাম COVID-19
উৎসঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
আইসোটোপ (Isotope): যেসব নিউক্লাইডের প্রোটন সংখ্যা (Z) সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা (Z) ভিন্ন তাদেরকে বলা হয় আইসোটোপ৷
আইসােটোন (Isotone): যে সব নিউক্লাইডের নিউট্রন সংখ্যা (N) সমান তাদের বলা হয় আইসােটোন৷
আইসােবার (Isobar): যে সব নিউক্লাইডের ভর সংখ্যা (A) সমান তাদের বলা হয় আইসােবার।
আইসােমার (Isomer): একই প্রজাতির দুটি নিউক্লিয়াস যদি দুটি ভিন্ন শক্তি অবস্থায় থাকে এবং কমপক্ষে তাদের একটি যদি ক্ষণস্থায়ী হয়, তাহলে তাদেরকে বলা হয় আইসােমার।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন
পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়ােজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করা এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পুরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করা। পুষ্টির ইংরেজি প্রতিশব্দ Nutrition.
অপরদিকে খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদের একসঙ্গে পরিপোষক বা নিউট্রিয়েন্টস বলে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য।
- কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে শর্করা তৈরি হয়।
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত।
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে।
- জীবদেহে বিপাকীয় (Metabolic) কাজের জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সেটি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি