পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
১) এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর। ২) ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
নিলস বোরের পরমাণু মডেলের নাম কী?
  1. ক) সোলার মডেল
  2. খ) লুনার মডেল
  3. গ) কিশমিশ পুডিং মডেল
  4. ঘ) কোয়ান্টাম মডেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোয়ান্টাম মডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোয়ান্টাম মডেল
ব্যাখ্যা

থমসনের পরমাণু মডেলের নাম - কিশমিশ পুডিং মডেল
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের নাম - সৌর মডেল
বোরের পরমাণু মডেলের নাম - কোয়ান্টাম মডেল৷

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

.
কোন মৌলিক পদার্থের পারমাণবিক সংখ্যা ২৬?
  1. ক) ক্লোরিন
  2. খ) পটাশিয়াম
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) আয়রন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়রন
ব্যাখ্যা

ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা 17
পটাশিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা 19
ক্যালসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা 20
আয়রনের পারমাণবিক সংখ্যা 26

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

.
কোন এসিডের সোডিয়াম লবণকে ডিটারজেন্ট বলা হয়?
  1. ক) ফ্যাটি এসিড
  2. খ) বেনজিন সালফোনিক এসিড
  3. গ) বেনজোয়িক এসিড
  4. ঘ) সাইট্রিক এসিড
সঠিক উত্তর:
খ) বেনজিন সালফোনিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেনজিন সালফোনিক এসিড
ব্যাখ্যা

সাবানঃ দীর্ঘ কার্বন শিকলবিশিষ্ট ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ৷
ডিটারজেন্টঃ দীর্ঘ কার্বন শিকল বিশিষ্ট বেনজিন সালফোনিক এসিডের সোডিয়াম লবণ৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

.
কোন ধরনের খাদ্য থেকে একই পরিমাণ খাওয়ার পরেও তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তি আহরণ করা যায়?
  1. ক) আমিষ
  2. খ) কার্বোহাইড্রেট
  3. গ) ফ্যাট
  4. ঘ) শ্বেতসার
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্যাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্যাট
ব্যাখ্যা

এক হাজার ক্যালরি সমান এক কিলােক্যালরি বা এক খাদ্য ক্যালরি (One Food Calorie)। খাদ্যের ক্যালরিকে কিলােক্যালরি দিয়ে বােঝানাে হয়।
উদাহরণ দেওয়ার জন্য বলা যায়, শর্করা এবং প্রােটিনের ক্যালরি প্রায় সমান, ৪ kcal/g।
স্নেহজাতীয় খাদ্যে অর্থাৎ ফ্যাটের ক্যালরি সবচেয়ে বেশি— এর পরিমাণ ৯ kcal/g। একটা খাদ্যের খাদ্য ক্যালরি বলতে বােঝায় খাদ্যটি সম্পূর্ণভাবে জারণ হলে কতখানি শক্তি বের হবে।
একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ মানুষের দৈনিক ২৫০০ kcal এবং একজন নারীর ২০০০ kcal এর সমপরিমাণ খাবার খাওয়া প্রয়ােজন।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

.
আমিষে কোন মৌলের উপস্থিতি নেই?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) সালফার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সালফার
ব্যাখ্যা

কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন এ চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলাে অ্যামাইনাে এসিডে পরিণত হয়। অর্থাৎ বলা যায় একটি নির্দিষ্ট আমিষের পরিচয় হয় কিছু অ্যামাইনাে এসিড দিয়ে।
মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনে এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনাে এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

.
প্রাণিজ আমিষের উদাহরণ না কোনটি?
  1. ক) মাছ
  2. খ) পনির
  3. গ) ছানা
  4. ঘ) বাদাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাদাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাদাম
ব্যাখ্যা

উৎস দিয়ে বিবেচনা করা হলে আমিষ দুই প্রকার: প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ।
প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির- এগুলাে প্রাণিজ আমিষ।
উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। ডাল, শিমের বিচি, মটরশুটি, বাদাম হচ্ছে উদ্ভিজ্জ আমিষের উদাহরণ।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

.
রােগ প্রতিরােধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয় -
  1. ক) নিউমোনিয়া
  2. খ) অ্যাজমা
  3. গ) যক্ষা
  4. ঘ) অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
ব্যাখ্যা

অ্যাজমা সাধারণত রােগ প্রতিরােধ-ব্যবস্থার অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার ফলে হয়ে থাকে। অর্থাৎ কোনাে একটি বহিঃস্থ পদার্থ ফুসফুসে প্রবেশ করলে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করতে দেহের প্রতিরােধ-ব্যবস্থার যেটুকু প্রতিক্রিয়া দেখানাের কথা, তার চেয়ে অনেক তীব্রভাবে প্রতিক্রিয়া ঘটলে অ্যাজমা হতে পারে।
অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাজমা আক্রান্ত শিশু বা ব্যক্তির বংশে হাঁপানি বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে। এটি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রােগও নয়।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

.
স্নায়ুতন্ত্রকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ১ ভাগে
  2. খ) ২ ভাগে
  3. গ) ৩ ভাগে
  4. ঘ) ৪ ভাগে
সঠিক উত্তর:
খ) ২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ ভাগে
ব্যাখ্যা

প্রাণিদেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও এর অসংখ্য কোষের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয় রক্ষা করে স্নায়ুতন্ত্র। স্নায়ুতন্ত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহার হয় - মেরুদন্ডী প্রাণিতে।
মেরুদন্ডী প্রাণীরা আজ পৃথিবীতে প্রাধান্য বিস্তারকারী গোষ্ঠী। এ আধিপত্যের অন্যতম কারণ - উন্নত মস্তিষ্ক।
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কেন্দ্র হচ্ছে মস্তিষ্ক এবং একক হচ্ছে - নিউরন। অসংখ্য নিউরনের সমন্বয়ে মস্তিষ্ক গঠিত।
মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র (Central nervous system)
২. প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র (Peripheral nervous system)

উৎসঃ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।

তবে, মাধ্যমিক (উন্মুক্ত) ও অষ্টম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বইতে স্নায়ুতন্ত্রকে ৩ ভাগে বিভক্ত দেখানো হয়েছে।
যথা - কেন্দ্রীয়, প্রান্তীয় ও স্বয়ংক্রিয়।

তবে, এই ক্ষেত্রে জীববিজ্ঞান বোর্ড বইগুলো অধিকতর গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ২ ভাগকে সঠিক উত্তর ধরে নিচ্ছি।

.
অম্লের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সত্য নয়?
  1. ক) সকল লঘু এসিড টক স্বাদ যুক্ত
  2. খ) লাল লিটমাসকে নীল করে
  3. গ) এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ
  4. ঘ) সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ উৎপন্ন করে
সঠিক উত্তর:
খ) লাল লিটমাসকে নীল করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাল লিটমাসকে নীল করে
ব্যাখ্যা

লঘু এসিডের বৈশিষ্ট্যঃ

- সকল লঘু এসিড টক স্বাদযুক্ত
- এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ হিসাবে পরিচিত
- এসিড নীল বর্ণের লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে
- সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে
- ধাতব কার্বনেটের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

১০.
নিচের কোন উপাদান কার্বনেরই ভিন্ন রূপ?
  1. ক) গ্রাফাইট
  2. খ) হীরক
  3. গ) গ্রাফিন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কার্বনের দু‘টি রূপভেদ আছে যথা গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড (হীরক)। বিভিন্ন রূপভেদে কার্বনের ব্যবহারও বিভিন্ন।
গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
গ্রাফিন হচ্ছে দ্বিমাত্রিক কার্বন ক্রিস্টাল যা খুব ভালো তাপ এবং বিদ্যুৎ পরিবাহী। গ্রাফিনকে গ্রাফাইট থেকে আহরণ করা হয়
উৎসঃ রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ও দ্যা গার্ডিয়ান
১১.
পানিতে দ্রবীভূত করলে এসিডের অণু বিয়োজিত হয়ে কী আয়ন দান করে?
  1. ক) হাইড্রোজেন আয়ন
  2. খ) হিলিয়াম আয়ন
  3. গ) হাইড্রোক্সাইড আয়ন
  4. ঘ) অক্সাইড আয়ন
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেন আয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেন আয়ন
ব্যাখ্যা

এসিড এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্য যা পানিতে দ্রবীভূত করলে এসিডের অণু বিয়োজিত হয়ে (ভেঙে) হাইড্রোজেন আয়ন বা প্রােটন (H+) দান করে।
যেমন- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) এরা তীব্র এসিড৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

১২.
কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখলে তা খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয় -
  1. ক) বিটা রে
  2. খ) আলফা রে
  3. গ) এক্স রে
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক রে
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক্স রে
ব্যাখ্যা

এক্স-রের গােয়েন্দা বিভাগে ব্যবহারঃ
১। কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখলে তা খুঁজে বের করতে ব্যবহার করা হয়।
২। কাস্টম কর্মকর্তারা চোরাচালানের দ্রব্যাদি খুঁজে বের করতে ব্যবহার করেন। কোনাে নিষিদ্ধ পণ্য কোনো কাঠের বাক্স বা ধাতুর বাক্সে থাকলে এদের মধ্য দিয়ে এক্স-রে প্রবেশ করিয়ে তা জানা যায়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

১৩.
কোনটি মৌলিক বল?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তাড়িতচৌম্বক বল
  3. গ) মহাজাগতিক বল
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনাে বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনাে বলের কোনাে রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনাে না কোনাে রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।

এই মৌলিক বলগুলাে হলাে :
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational force)
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic force)
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear force)
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear force)

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

১৪.
মানুষের শরীরের কোন অংশ বা অঙ্গ ক্ষারীয়?
  1. ক) পাকস্থলী
  2. খ) ত্বক
  3. গ) মূত্র
  4. ঘ) রক্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) রক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রক্ত
ব্যাখ্যা

টেবিলঃ মানুষের শরীরের বিভিন্ন অংশের pH
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১৫.
কোন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে মহাবিশ্বে ইথারের কোনো অস্তিত্ব নেই?
  1. ক) বোর-রাদারফোর্ড পরীক্ষা
  2. খ) হকিং-বোস পরীক্ষা
  3. গ) মাইকেলসন-মােরলে পরীক্ষা
  4. ঘ) আইনস্টাইন-হাইজেনবার্গ পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
গ) মাইকেলসন-মােরলে পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাইকেলসন-মােরলে পরীক্ষা
ব্যাখ্যা

অ্যালবার্ট মাইকেলসন ও এডওয়ার্ড মােরলে ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দে ইথারের অস্তিত্ব নির্ণয়ের জন্য একটি বিখ্যাত পরীক্ষা সম্পাদন করেন।
এটি মাইকেলসন-মােরলে পরীক্ষা নামে সুপরিচিত।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, মহাবিশ্বে ইথারের কোনাে অস্তিত্ব নেই।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

১৬.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘটে -
  1. ক) ১৮০০ সালে
  2. খ) ১৮৬০ সালে
  3. গ) ১৯০০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯০০ সালে
ব্যাখ্যা

বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাপিয়ে দেয়। এগুলাে হলাে ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব।
দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলাে পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালাে বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলাের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

১৭.
সেলুলোজ উপস্থিত কোন ফলে?
  1. ক) বেল
  2. খ) আখের রস
  3. গ) আঙুর
  4. ঘ) খেজুর
সঠিক উত্তর:
ক) বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেল
ব্যাখ্যা

শ্বেতসার বা স্টার্চ: ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। এছাড়া আলু, রাঙা আলু বা কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়।
গ্লুকোজ: এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর, খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়।
সুক্রোজ: আখের রস, চিনি, গুড়, মিছরি এর উৎস।
সেলুলােজঃ বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনাে ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলােজ থাকে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

১৮.
কত ক্যারেট স্বর্ণ ১০০% বিশুদ্ধ?
  1. ক) ২৫ ক্যারেট
  2. খ) ২৪ ক্যারেট
  3. গ) ২২ ক্যারেট
  4. ঘ) ২১ ক্যারেট
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪ ক্যারেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৪ ক্যারেট
ব্যাখ্যা

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১৯.
পানিকে জীবাণুমুক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় -
  1. ক) ফুটানো
  2. খ) ক্লোরিনেশন
  3. গ) ছাঁকন
  4. ঘ) থিতানো
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লোরিনেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লোরিনেশন
ব্যাখ্যা

পানি বিশুদ্ধ করার কয়েকটি উপায় আছে৷ এরমধ্যে অন্যতম হলো ক্লোরিনেশন, ফুটানো, থিতানো এবং ছাঁকন৷
এদের মধ্যে পানিকে জীবাণুমুক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ক্লোরিনেশন৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

২০.
রক্তের কোন উপাদান আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌছে দেয়?
  1. ক) শ্বেত কণিকা
  2. খ) বেসোফিল
  3. গ) গ্র‍্যানুলোসাইট
  4. ঘ) লোহিত কণিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহিত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহিত কণিকা
ব্যাখ্যা

নিঃশ্বাস প্রশ্বাস বা শ্বসন প্রক্রিয়ায় আমরা বাতাস থেকে যে অক্সিজেন গ্রহণ করি, সেটি ফুসফুসে আমাদের রক্তের সাথে মিশে যায়।
রক্তের লােহিত কণিকা এই অক্সিজেন আমাদের শরীরের কোষে পৌঁছে দেয়৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২১.
প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের কত শতাংশ প্রােটিন?
  1. ক) ১৫%
  2. খ) ২৫%
  3. গ) ৩৫%
  4. ঘ) ৫০%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫০%
ব্যাখ্যা

প্রাণীদেহের গঠনে প্রােটিন অপরিহার্য। দেহকোষের বেশির ভাগই প্রােটিন দিয়ে তৈরি। দেহের হাড়, পেশি, লােম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং- এগুলাে সবই প্রােটিন দিয়ে তৈরি হয়।
প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রােটিন।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২২.
শক্তির কোন উৎসটি পরিবেশের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর?
  1. ক) ফসিল ফুয়েল
  2. খ) জিওথার্মাল
  3. গ) বায়োগ্যাস
  4. ঘ) জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
ক) ফসিল ফুয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফসিল ফুয়েল
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তরে পরিবেশের উপর প্রভাবের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে ফসিল জ্বালানি বা তেল, গ্যাস এবং কয়লা। এই তিনটিতেই কার্বনের পরিমাণ অনেক বেশি এবং এগুলাে পুড়িয়ে যখন তাপশক্তি তৈরি হয় তখন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যেটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস।
অর্থাৎ এই গ্যাস পৃথিবীতে তাপকে ধরে রাখতে পারে এবং এ কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে, যেটি বৈশ্বিক উষ্ণতা নামে পরিচিত।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২৩.
নিচের কোনটি রেচন পদার্থ?
  1. ক) কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. খ) অ্যামোনিয়া
  3. গ) ক্লোরিন
  4. ঘ) আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা

রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে, যা বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ।
অজৈব পদার্থগুলাের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন: সােডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়ােডিন এবং O2, CO2, এবং N2 জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ।
জৈব পদার্থের মধ্যে আছেঃ
১. খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনাে এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি।
২ রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামােনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২৪.
কোনটি লোহিত রক্তকণিকার কাজ নয়?
  1. ক) দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা
  2. খ) কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা
  3. গ) ক্ষতস্থানে রক্তপড়া বন্ধ করা
  4. ঘ) রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করা
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষতস্থানে রক্তপড়া বন্ধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষতস্থানে রক্তপড়া বন্ধ করা
ব্যাখ্যা

লােহিত কণিকার কাজঃ

১. দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা।
২. নিষ্কাশনের জন্য কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা।
৩. হিমােগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করা।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২৫.
ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়া জীবাণু ভক্ষণ করে কে?
  1. ক) নিউট্রোফিল
  2. খ) ইওসিনােফিল
  3. গ) বেসােফিল
  4. ঘ) হেপারিন
সঠিক উত্তর:
ক) নিউট্রোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিউট্রোফিল
ব্যাখ্যা

গ্র‍্যানোলোসাইট শ্বেত রক্তকণিকার একটি ধরন৷
এদের সাইটোপ্লাজম সূক্ষ্ম দানাযুক্ত। গ্রানুলােসাইট শ্বেত কণিকাগুলাে নিউক্লিয়াসের আকৃতির ভিত্তিতে তিন প্রকার।
যথা: নিউট্রোফিল, ইওসিনােফিল এবং বেসােফিল।

- নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়া জীবাণু ভক্ষণ করে।
- ইওসিনােফিল ও বেসোফিল হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে।
- বেসােফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্ত বাহিকার ভেতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২৬.
দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) লঘুমস্তিষ্কে
  2. খ) গুরুমস্তিষ্কে
  3. গ) মধ্যমস্তিষ্কে
  4. ঘ) পশ্চাৎমস্তিষ্কে
সঠিক উত্তর:
খ) গুরুমস্তিষ্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গুরুমস্তিষ্কে
ব্যাখ্যা

মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম৷ এটি ডান ও বাম খণ্ডে বিভক্ত৷
দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে অবস্থিত৷

উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

২৭.
করােনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম কী?
  1. ক) severe acumulative respiratory syndrome coronavirus 2
  2. খ) severe acquit respiratory syndrome coronavirus 2
  3. গ) severe acute respirational syntex coronavirus 2
  4. ঘ) severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
সঠিক উত্তর:
ঘ) severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
ব্যাখ্যা

২০১৯ সালের শেষের দিকে চীন থেকে একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে যার প্রচলিত নাম - করােনা ভাইরাস।

করােনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম নির্ধারণ করা হয়
- SARS-CoV-2 বা severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
এবং এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রােগটি হয় তার আনুষ্ঠানিক নাম COVID-19

উৎসঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

২৮.
একই প্রজাতির দুটি নিউক্লিয়াস যদি দুটি ভিন্ন শক্তি অবস্থায় থাকে এবং কমপক্ষে তাদের একটি যদি ক্ষণস্থায়ী হয়, তাহলে তাদেরকে বলা হয় _____।
  1. ক) আইসোটোপ
  2. খ) আইসোএনার্জি
  3. গ) আইসোম্যাস
  4. ঘ) আইসোমার
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসোমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসোমার
ব্যাখ্যা

আইসোটোপ (Isotope): যেসব নিউক্লাইডের প্রোটন সংখ্যা (Z) সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা (Z) ভিন্ন তাদেরকে বলা হয় আইসোটোপ৷
আইসােটোন (Isotone): যে সব নিউক্লাইডের নিউট্রন সংখ্যা (N) সমান তাদের বলা হয় আইসােটোন৷
আইসােবার (Isobar): যে সব নিউক্লাইডের ভর সংখ্যা (A) সমান তাদের বলা হয় আইসােবার।
আইসােমার (Isomer): একই প্রজাতির দুটি নিউক্লিয়াস যদি দুটি ভিন্ন শক্তি অবস্থায় থাকে এবং কমপক্ষে তাদের একটি যদি ক্ষণস্থায়ী হয়, তাহলে তাদেরকে বলা হয় আইসােমার।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

২৯.
খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদের একসঙ্গে কী বলে?
  1. ক) পুষ্টি
  2. খ) ভিটামিন
  3. গ) পরিপোষক
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) পরিপোষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিপোষক
ব্যাখ্যা

পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়ােজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করা এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পুরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করা। পুষ্টির ইংরেজি প্রতিশব্দ Nutrition.
অপরদিকে খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদের একসঙ্গে পরিপোষক বা নিউট্রিয়েন্টস বলে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৩০.
জীবদেহে বিপাকীয় কাজের জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সেটি কোন ধরনের খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়?
  1. ক) অর্গানিক
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) বোটানিক
  4. ঘ) কার্বোহাইড্রেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বোহাইড্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বোহাইড্রেট
ব্যাখ্যা

শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য।

- কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে শর্করা তৈরি হয়।
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত।
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে।
- জীবদেহে বিপাকীয় (Metabolic) কাজের জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সেটি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়৷

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি