পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: বাংলাদেশের অর্থনীতি, সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাংলাদেশের সমাজজীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, গ্রামে বসবাসকারী জনসংখ্যার শতকরা হার কত?
  1. ৬৭.৫%
  2. ৬৫%
  3. ৬৮.৩৪%
  4. ৭০%
সঠিক উত্তর:
৬৮.৩৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮.৩৪%
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

• অন্যান্য জনমিতিক বিষয়: 
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে

- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

-ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

.
দেশে প্রথমবারের মতো কোন তিনটি জেলাকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ
  2. ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল
  4. কক্সবাজার, ভোলা, নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ
ব্যাখ্যা

• পানি সংকটাপন্ন এলাকা:
- দেশে প্রথমবারের মতো ৩টি অঞ্চলকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

- বাংলাদেশ পানি আইন, ২০১৩-এর ধারা ১৭ ও ১৯-এর আলোকে বিস্তারিত জরিপ ও অনুসন্ধান শেষে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার তিনটি অঞ্চলকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে
- ২৫ আগস্ট ঢাকার গ্রিন রোডের ওয়ারপো ভবনের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় পানিসম্পদ পরিষদের নির্বাহী কমিটির ১৮তম সভায় এই তিনটি এলাকাকে সংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়।
 - এ অঞ্চলে মোট ২৫টি উপজেলার ২১৫টি ইউনিয়ন (৪ হাজার ৯১১টি মৌজা)-এর মধ্যে ৪৭টি ইউনিয়নকে (১ হাজার ৫০৩টি মৌজা) অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

- চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন (১০৪টি মৌজা) ও একটি পৌরসভা (আটটি মৌজা)-এর মধ্যে তিনটি ইউনিয়ন (সাতটি মৌজা) এবং একটি পৌরসভাকে (পাঁচটি মৌজা) অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ। লিংক

.
খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি কোন কাঠের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?
  1. সুন্দরী কাঠ
  2. গেওয়া কাঠ
  3. গরান কাঠ
  4. চাপালিশ কাঠ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
ব্যাখ্যা

• শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

১) কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

২) নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে

৩) দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

৪) রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

৫) পর্যটন শিল্প: পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সুন্দরবন পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও জীববৈচিত্র্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সৈয়দপুর
  3. গাজীপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ রেলওয়ের কারখানা সমূহ:

• সৈয়দপুর (১টি):
- সবচেয়ে বড় কারখানা।
- এখানে উভয় গেজের রেলকোচ ও ওয়াগনের বড় মেরামত করা হয়।
- নতুন রেলকোচ ও ওয়াগন সন্নিবেশ করা হয়।

• পাহাড়তলী (২টি):
- একটি কারখানায় মিটারগেজ রেলযান ও ওয়াগন মেরামত ও সমাবেশ করা হয়।
- অন্যটিতে মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক রেল ইঞ্জিন মেরামত করা হয়।
-
• পার্বতীপুর (২টি):
- ১৯৯২ সালে কেন্দ্রীয় ডিজেল কারখানা স্থাপিত হয়।
- এখানে ডিজেল রেল ইঞ্জিনের বড় মেরামত ও ওভারহলিং করা হয়।
- অন্য কারখানায় ব্রডগেজ ডিজেল রেল ইঞ্জিনের সাধারণ মেরামত করা হয়।

• ঢাকা (১টি):
- এখানে মিটারগেজ রেল ইঞ্জিনের সাধারণ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। (লিংক)

.
বাংলাদেশের জিডিপির প্রধান খাত কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. সেবা
  4. খনিজ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অর্থনীতির খাত: (২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রেক্ষাপটে)
- অর্থনীতির প্রধান খাত: সেবা খাত (Service Sector)
- অতীতে কৃষি খাত প্রধান ছিল, তবে বর্তমানে জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে সেবা খাত

 
• খাতভিত্তিক জিডিপি অবদান
- কৃষি খাত: ১১.৬২%
- শিল্প খাত: ৩৪.৮১%
- সেবা খাত: ৫৩.৫৬%
 
• জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর (চূড়ান্ত হিসাব) → ৪.২২%
- ২০২৪-২৫ অর্থবছর (সাময়িক হিসাব) → ৩.৯৭%
 
• মাথাপিছু আয়
- ২,৮২০ মার্কিন ডলার। 
 
• খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব)
- কৃষি খাত: ১.৭৯%
- শিল্প খাত: ৪.৩৪%
- সেবা খাত: ৪.৫১%। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। (Link)

.
বাংলাদেশে কোন নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত?
  1. হালদা নদী
  2. ইছামতী
  3. অড়িয়াল খাঁ
  4. সুরমা
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা

• হালদা নদী: 
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তরপূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে। 
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষিত- হালদা নদী। 
- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউসের মতো কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।  
- হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং খুবই খরস্রোতা।

তথ্যসূত্র: হাটহাজারী উপজেলা।

.
ত্রিপুরাদের প্রধান বর্ষবরণ উৎসব কোনটি?
  1. ওয়ানগালা
  2. বৈসুক
  3. বিজু
  4. সাংগ্রাই
সঠিক উত্তর:
বৈসুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসুক
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উৎসব:
ত্রিপুরা → বৈসুক (বর্ষবরণ উৎসব)
গারো → ওয়ানগালা
চাকমা → বিজু (বর্ষবরণ উৎসব)
সাঁওতাল → সোহরাই
মারমা → সাংগ্রাই

• ত্রিপুরা:
ভাষার নাম: ককবরক
অর্থ: মানুষের ভাষা
নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই
লেখা হয় বাংলা ও রোমান হরফে

তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি এবং নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ। 

.
পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে দেশের ন্যূনতম কত শতাংশ বনাঞ্চল থাকা উচিত?
  1. ৩৫%
  2. ৩০%
  3. ২৫%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫%
ব্যাখ্যা

• বনজ সম্পদ:
- বনভূমি ও বনজ সম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ।
- প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত অবস্থা ভালো রাখার জন্য যেকোনো দেশের কমপক্ষে শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার
- কিন্তু বাংলাদেশের মোট বনভূমি মোট ভূখণ্ডের প্রায় শতকরা ১৭.৬২ ভাগ যা অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।
- যেমন, আমেরিকায় শতকরা ৩৩.৮৪ ভাগ, জাপানে শতকরা ৬৭ ভাগ, বার্মায় শতকরা ৬৩ ভাগ এবং ভারতে শতকরা ২৩.৭০ ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

.
বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনের জৈবিক উপাদানের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত-
  1. গড় আয়ু ও জীবনযাত্রার মান
  2. অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টি
  3. নদী ভাঙন ও টর্নেডো
  4. জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা
সঠিক উত্তর:
গড় আয়ু ও জীবনযাত্রার মান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গড় আয়ু ও জীবনযাত্রার মান
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তন:
- বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তন নির্ভর করে নানা উপাদানের উপর, যেমন-
- আর্থসামাজিক, প্রাকৃতিক, জৈবিক, রাজনৈতিক, শিক্ষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি, যোগাযোগ, প্রযুক্তি এবং শিল্পায়ন-নগরায়ণ।

 
• প্রাকৃতিক উপাদানসমূহ
১) জলবায়ু পরিবর্তন
২) বৈশ্বিক উষ্ণতা
৩) ভৌগোলিক পরিবর্তন
৪) নদী ভাঙন
৫) অতিবৃষ্টি
৬) অনাবৃষ্টি
৭) টর্নেডো ইত্যাদি
 
• জৈবিক উপাদানসমূহ
জন্ম ও মৃত্যুহার
জনসংখ্যার ঘনত্ব
গড় আয়ু
জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম দশম শ্রেণি।

১০.
বাংলাদেশে কয় ধরনের রেলপথ রয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ রেলওয়ে:
- যোগাযোগের ক্ষেত্রে রেলওয়ে একটি পরিবেশ বান্ধব, নিরাপদ এবং সুলভে মালামাল পরিবহণের নির্ভরশীল মাধ্যম।
- বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের রেললাইনের দৈর্ঘ্য ২,৮৭৭ কিলোমিটার।

- বাংলাদেশে প্রধানত তিন ধরনের রেলপথ রয়েছে। যথা:
১) মিটারগেজ রেলপথ  ২) ব্রডগেজ রেলপথ  ৩) ডুয়েলগেজ রেলপথ

• ব্রডগেজ রেলপথ: ১.৬৮ মিটার প্রস্থ রেলপথকে ব্রডগেজ রেলপথ বলে। ব্রডগেজ রেলপথ যমুনা নদীর পশ্চিমাংশে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে রয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ৬৫৯ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ রয়েছে।

• ডুয়েলগেজ রেলপথ: যমুনা সেতুর উপর দিয়ে জামতৈল থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ৪১০ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেলপথ রয়েছে।

• মিটারগেজ রেলপথ: ১ মিটার প্রস্থ রেলপথকে মিটারগেজ রেলপথ বলে। মিটারগেজ রেলপথ যমুনা নদীর পূর্বাংশে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১১.
চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে সুন্দরবনের কোন বৃক্ষ ব্যবহৃত হয়?
  1. গরান ও বাবুল গাছের বাকল
  2. গেওয়া গাছের পাতা
  3. গোলপাতা
  4. গর্জন, সেগুন ও চাপালিশ গাছের বাকল
সঠিক উত্তর:
গরান ও বাবুল গাছের বাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গরান ও বাবুল গাছের বাকল
ব্যাখ্যা

শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

১) কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

২) নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

৩) দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

৪) রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

৫) চামড়া শিল্প: সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

৬) পর্যটন শিল্প: পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সুন্দরবন পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও জীববৈচিত্র্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
কবে সুন্দরবনকে UNESCO World Heritage Site হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4.  ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:

- সুন্দরবন সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি এবং এটি অখন্ড বন হিসেবে বিশ্বে সর্ববৃহৎ।
- বনভূমিটি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত।
- মোট বিস্তার: প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অংশ: ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার।
-"সুন্দরবন"-এর আক্ষরিক অর্থ: “সুন্দর জঙ্গল” বা “সুন্দর বনভূমি”।
সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দরবনের নামকরণ হয়ে থাকতে পারে, যা এখানে প্রচুর জন্মায়।

• স্বীকৃতি ও মর্যাদা:
- ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ।

• ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য:
- জালের মতো জড়িয়ে আছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ।

তথ্যসূত্র: বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট।

১৩.
বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর কোনটি?
  1. পায়রা
  2. মংলা
  3. চট্টগ্রাম
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
পায়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা
ব্যাখ্যা

• পায়রা বন্দর:
- পায়রা বন্দর বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর।
- এটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর।
- এটি কলাপাড়ার রাবনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর।
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর।

তথ্যসূত্র: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট। (লিংক)

১৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম?
  1. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
ব্যাখ্যা

• বনভূমি:
- বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তন প্রায় ২২.৫ লক্ষ হেক্টর।
- বনভূমির এ পরিমাণ দেশের মোট ভূমির শতকরা ১৭ ভাগ।
- এ বন সারাদেশে সমানভাবে বিস্তৃত নয়।
- অধিকাংশ বনভূমি দেশের পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম।

• অবস্থান ও বিস্তৃতিভেদে বাংলাদেশের বনাঞ্চলকে প্রধানত পাঁচভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১। পাহাড়ি বন;
২। সমতলভূমির বন;
৩। ম্যানগ্রোভ বন;
৪। সামাজিক বন;
৫। কৃষি বন।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
"উত্তরা" কোন ফসলের জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. বেগুন
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

• বেগুনের জাতসমূহ:
- বারি বেগুন-১ (উত্তরা)
- বারি বেগুন-২ (তারাপুরি)
- বারি বেগুন-৩ (শুকতারা)
- বারি বেগুন-৪ (কাজলা)
- বারি বেগুন-৫ (নয়নতারা)

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। LINK

১৬.
বাংলাদেশের কোন সমস্যা আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে?
  1. সাইবার অপরাধ
  2. বাল্যবিবাহ
  3. দুর্নীতি
  4. জনসংখ্যা
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালে দুর্নীতি ও জঙ্গিবাদ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

• সামাজিক সমস্যা:

- এমন এক ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি যা স্বাভাবিক সামাজিক জীবনাচরণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- এর ফলে নাজুক সামাজিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়ে মোকাবেলার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।
 
• বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা:
১. পূর্বের সামাজিক সমস্যা
- জনসংখ্যা সমস্যা, অধিক জনসংখ্যার প্রভাব
- বেকারত্ব
- দারিদ্র্য
- মাদকাসক্তি
- দুর্নীতি
- সুশাসনের অভাব

২. সাম্প্রতিক যোগ হওয়া সমস্যা
- নারীর সামাজিক নিরাপত্তাজনিত সমস্যা
- যৌন নিপীড়ন
- সাইবার অপরাধ
- কর্মজীবী নারীর সমস্যা
- জেন্ডার বৈষম্য
- যৌতুক ও বাল্যবিবাহ
- বার্ধক্য সমস্যা
- সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ
- সাইবার অপরাধের বৃদ্ধি, বিশেষ করে নারীর শিকার হওয়া

৩. বার্ধক্য সমস্যা নতুন মাত্রা পেয়েছে
-কর্মস্থলের দূরত্ব
- নগরমুখিতা
- সামাজিক দায়বদ্ধতার অভাব
- ব্যক্তিস্বার্থপরতার বৃদ্ধি
- অণু পরিবারের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া
- যৌথ বা বর্ধিত পরিবারে অনীহা

তথ্যসূত্র: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh ‍Society for Telecommunication & Information
  2. Bangladesh Standards and Testing Institution
  3. Bangladesh Scientific Testing Institute
  4. Bangladesh Security & testing Institute
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
ব্যাখ্যা

• BSTI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Standards and Testing Institution
- এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তৎপূর্বে ১৯৫৬ সালে Colombo Plan এর অধীনে ঢাকায় Central Testing Laboratory (CTL) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ঢাকায় ১৯৬৩ সালে PSI এর অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে CTL এবং BDSI, এই দুটি সংস্থা পৃথক সত্তা হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্বে কার্যরত ছিল।

 - ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধিনস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।

১৮.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে (GDP) তে কৃষি খাতের অবদান কত? 
  1. ৩৭.৯৫%
  2. ৫১.০৪%
  3. ৩৯.৫৬%
  4. ১১.০২%
সঠিক উত্তর:
১১.০২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.০২%
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা: 
- চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।
- জিডিপিতে কৃষির অবদান - ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পের অবদান - ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবার অবদান -৫১.০৪%।
- অর্থনীতিতে মোট খাত - ১৯ টি (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।

১৯.
বাংলাদেশে প্রথম প্রাকৃতিক তেলক্ষেত্র কোথায় পাওয়া যায়?
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. মৌলভীবাজার
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

খনিজ তেলক্ষেত্র (Petroleum):
- বাংলাদেশের সিলেট জেলার হরিপুরে ১৯৮৬ সালে প্রাকৃতিক গ্যাসের সপ্তম কূপে তেল পাওয়া গেছে
- এ কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৬০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করা হয়।
- অপরিশোধিত তেল চট্টগ্রামের তেল শোধনাগারে পরিশোধন করা হয়। পরিশোধিত তেল থেকে কোরোসিন, বিটুমিন, পেট্রোল ও অন্যান্য দ্রব্য পাওয়া যায়। 
- মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
- দৈনিক প্রায় ১,২০০ ব্যারেল তেল উত্তোলিত হয় এই তেলক্ষেত্রটি থেকে।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সমগ্র বাংলাদেশের জ্বালানি তেল মজুদ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, বিপনন ও জ্বালানি তেল আমদানি ও মজুদ করে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।