পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৭
সিলেবাস
৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ৩ পরীক্ষার টপিক: ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ৪২তম বিশেষ বিসিএস (স্বাস্থ্য) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট) ২১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ১১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। [উপরোক্ত বিসিএসের মূল পরীক্ষার প্রশ্নগুলো Live MCQ আর্কাইভ থেকে উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ ভালোভাবে পড়ে নিন। মূল প্রশ্ন মডিফাই করে রিভিশন পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণীত হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৭ প্রশ্ন

.
"উর্বশী ও আর্টেমিস" গ্রন্থটির রচয়িতা কে? 
  1. বুদ্ধদেব বসু 
  2. বিষ্ণু দে
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা

"উর্বশী ও আর্টেমিস" গ্রন্থটির রচয়িতা- বিষ্ণু দে। 
-------------------------------------------- 
• বিষ্ণু দে:
- বিষ্ণু দে ছিলেন একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী,
- তিনি ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- তাঁর শিক্ষা জীবন কেটেছে কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউট ও সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুলে।
- তিনি পঞ্চপান্ডব্দের মধ্যকার একজন। 

- ১৯২৩ সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের ফলে বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারা ও শিল্পচেতনার সূচনা হয়, যেখানে বিষ্ণু দে অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন।
- ১৯৩০ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হলে তিনি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের পরিচয় (১৯৩১) পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন এবং ১৯৪৭ পর্যন্ত সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৪৮ সালে তিনি চঞ্চলকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় সাহিত্যপত্র প্রকাশ করেন।
- তিনি ১৯৮২ সালের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

- বিষ্ণু দে’র উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
• উর্বশী ও আর্টেমিস, 
• চোরাবালি,
• সাত ভাই চম্পা,
• রুচি ও প্রগতি, 
• সাহিত্যের ভবিষ্যৎ, 
• নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
• তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
• স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত,
• রবীন্দ্রনাথ ও শিল্পসাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা,
• মাইকেল রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য জিজ্ঞাসা,
• In the Sun and the Rain,
• উত্তরে থাকো মৌন,
• সেকাল থেকে একাল, 
• আমার হূদয়ে বাঁচো। 
------------------------------------------------------- 
“উর্বশী ও আর্টেমিস” গ্রন্থ নিয়ে কিছু কথা: 
- বিষ্ণু দে রচিত “উর্বশী ও আর্টেমিস” একটি আধুনিক কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি প্রেম, নারীসত্তা ও মানুষের অন্তর্নিহিত কামনার সঙ্গে আধুনিক বাস্তবতার সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে। কবি এখানে পৌরাণিক ও প্রতীকি নারী চরিত্র—উর্বশী (কামনার প্রতীক) ও আর্টেমিস (কুমারী ও শিকারদেবী)—মাধ্যমে নারী ও প্রেমের দ্বান্দ্বিক রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। গ্রন্থে আধুনিক প্রেম ও নারী, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের নারীসত্তার পার্থক্য এবং প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে নতুন আঙ্গিক ও ভাষায় মানব জীবনের জটিলতা প্রকাশিত হয়েছে। এতে প্রায় ২৫টি কবিতা সংকলিত, যার মধ্যে ‘পলায়ন’, ‘কাব্যপ্রেম’, ‘উদ্যাপন’ ও ‘প্রেম’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 

উৎস:
বাংলাপিডিয়া;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ব্যঙ্গাত্মক ও রম্য গ্রন্থ কোনটি? 
  1. যুগলাঙ্গুরীয় 
  2. লোকরহস্য
  3. কমলাকান্তের দপ্তর 
  4. মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত
সঠিক উত্তর:
কমলাকান্তের দপ্তর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলাকান্তের দপ্তর 
ব্যাখ্যা

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ব্যঙ্গাত্মক ও রম্য গ্রন্থ- 'কমলাকান্তের দপ্তর'। 
------------
• ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ নিয়ে কিছু কথা:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ব্যঙ্গাত্মক ও রম্য গ্রন্থ ‘কমলাকান্ত’-এর অংশ ‘কমলাকান্তের দপ্তর’।  
- এই প্রবন্ধতে প্রধান চরিত্র হিসেবে রয়েছে আফিঙখোর বাঙালি ব্রাহ্মণ কমলাকান্ত।
- তিনি একজন নেশাগ্রস্ত, দার্শনিক ও সমাজ-সচেতন চরিত্র। 
- তার জবানবন্দিতে সমাজের অসঙ্গতি, কপটতা ও রাজনৈতিক কূটকৌশল প্রকাশিত হয়েছে।
- ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত ‘কমলাকান্ত’ গ্রন্থটি মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত—‘কমলাকান্তের দপ্তর’, ‘কমলাকান্তের পত্র’ এবং ‘কমলাকান্তের জবানবন্দী’।
- এর মধ্যে ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ প্রথম ভাগ হিসেবে ১৮৭৫ সালে স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশিত হয়।

- ভীষ্মদেব খোশনবীশ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কমলাকান্তের দপ্তর গ্রন্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- তিনি ছিলেন কমলাকান্তের একজন প্রিয় বন্ধু, যিনি অকালপ্রয়াত হন। 
- ভীষ্মদেবের ডায়রি বা খাতা কমলাকান্তের হাতে পৌঁছায়, এবং সেই খাতাটিই পরে কমলাকান্তের দপ্তর নামে প্রকাশিত হয়। 
----------------
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় একজন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক এবং বাংলার নবজাগরণের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চব্বিশ পরগনার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- চাকরিজীবনে তিনি প্রথম প্রশাসনিক চাকরিতে যোগ দেন।
-  এবং পরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টরের পদে দায়িত্ব পালন করেন।
- সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি তার দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেন।
- এর স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ১৮৯১ সালে ‘রায়বাহাদুর’ এবং ১৮৯৪ সালে ‘Companion of the Most Eminent Order of the Indian Empire’ উপাধি লাভ করেন। 

- ইতিহাসে বঙ্কিমচন্দ্রকে সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে অভিহিত করা হয়না। 
- তাঁর মুল পরিচয় হচ্ছে- তিনি একজন প্রভাবশালী লেখক ও হিন্দু পুনরুত্থানবাদী চিন্তাবিদ। 
- তার পেশাগত অভিজ্ঞতা তাঁর সাহিত্য ও চিন্তাভাবনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রবন্ধ-
- ‘লোকরহস্য’,
- ‘কমলাকান্তের দপ্তর’,
 ‘বিবিধ সমালোচনা’,
- ‘সাম্য’,
- ‘কৃষ্ণচরিত্র’,
- ‘ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন’,
- ‘মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত’, 
- 'বিজ্ঞান রহস্য'।
------------------------

উৎস: 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
বাংলাপিডিয়া। 

.
'সৌম্য' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. কোমল
  2. উগ্র
  3. নম্র
  4. কঠিন  
সঠিক উত্তর:
উগ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উগ্র
ব্যাখ্যা

- ‘সৌম্য’ মানে শান্ত, নম্র বা মৃদুভাষী।
- ‘সৌম্য’ এর বিপরীতার্থক শব্দ- উগ্র।
- আর 'উগ্র' শব্দের অর্থ হলো প্রচণ্ড, তীব্র, ভীষণ, কটু, বা ভীষণ রাগী।
∴ সৌম্য = উগ্র।
-----------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
অনুসন্ধান — উপেক্ষা,
 কৃপণ — বদান্য,
 বিলুপ্ত — সংরক্ষিত / উদ্বৃত্ত,
 বীর — ভীরু,
 সংশয় — প্রত্যয়,
 সরু — মোটা,
 উর্বর — ঊষর / অনুর্বর,
 বিরত — উদ্যত / রত / নিরত,
 যুদ্ধ — শান্তি,
 আবাহন — বিসর্জন,
 কৃত্রিম — অকৃত্রিম / স্বাভাবিক,
 আকস্মিক — চিরন্তন,
 চঞ্চল — স্থির / নিশ্চল / অবিচল,
 অলস — পরিশ্রমী,
 ক্ষীয়মান — বর্ধমান,
 কৃশ — স্থূল,
 পরাস্ত — জয়ী,
 কপট — সরল / অকপট,
 অসীম — সসীম,
 মায়া — নির্মমতা,
 অনুরাগ — বিরাগ,
 বিষাদ — আনন্দ / হর্ষ,
 ভূত — ভবিষ্যৎ,
 প্রাচীন — নবীন / নব্য / অর্বাচীন,
 বিনীত — উদ্ধত / দুর্বিনীত,
 ধ্বনি — প্রতিধ্বনি,
 অনুগ্রহ — নিগ্রহ,
 সরল — কুটিল / জটিল / গরল,
 অমৃত — গরল,
 আবির্ভাব — তিরোভাব,
 জঙ্গম — স্থাবর,
 নশ্বর — অবিনশ্বর,
 সুন্দর — কুৎসিত,
 আপদ — সম্পদ,
 আকাশ — পাতাল,
 নির্মল — পঙ্কিল / মলিন,
 প্রসারণ — সংকোচন,
 প্রসন্ন — বিষণ্ণ,

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'বৃষ্টি' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি? 
  1. বৃষ্ + টি
  2. বৃ + ইষ্টি
  3. বৃষ্‌ + তি
  4. বৃষ্ + ইষ্টি
সঠিক উত্তর:
বৃষ্‌ + তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্‌ + তি
ব্যাখ্যা

প্রকৃতি-প্রত্যয়:
- ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতুর (√) শেষে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়।
- এবং এভাবে গঠিত শব্দকে কৃদন্ত পদ বা কৃৎ-প্রত্যয়ান্ত শব্দ বলা হয়।

- ‘বৃষ্টি’ কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ। 
- এর সঠিক প্রকৃতি–প্রত্যয় হলো √বৃষ্‌ + তি।
- এখানে √বৃষ্‌ একটি ধাতু এবং ‘তি’ একটি কৃৎ প্রত্যয়।
- √বৃষ্‌ ধাতুর মূল অর্থ হলো- বর্ষণ করা, সেচন করা বা পাবিত করা।
- তাই ‘বৃষ্টি’ শব্দের অর্থ দাঁড়ায়- আকাশ থেকে পতিত জলকণা, বর্ষণ, বা ধারা।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ এবং সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত।

- ভাষাগত নিয়ম অনুযায়ী, যেসব ধাতুর শেষে শ্ বা ষ্ ধ্বনি থাকে, সেসব ধাতুর সঙ্গে ত, তি ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হলে ধ্বনিগত পরিবর্তনের ফলে যথাক্রমে ষ্ট, ষ্টি ইত্যাদি রূপ হয়।
- সেই কারণেই √বৃষ্‌ + তি যুক্ত হয়ে ‘বৃষতি’ না হয়ে বৃষ্টি হয়েছে।

- কিছু উদাহরণ—
- √স্মৃ + তি → স্মৃতি;
- √সৃজ + তি → সৃষ্টি; 
- কৃ্ষ্ + তি = কৃষ্টি;
- √দৃশ + তি → দৃষ্টি। 

উৎস:
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; 
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
কোন নাট্যকারের নাটকে দ্বৈতাদ্বৈতবাদ  শিল্পতত্ত্ব অনুসৃত হয়েছে? 
  1. আব্দুল্লাহ আল মামুন 
  2. মামুনুর রশিদ 
  3. সেলিম আল দীন
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায় 
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন
ব্যাখ্যা

সেলিম আল দীনের নাটকে ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদ’ শিল্পতত্ত্ব অনুসৃত হয়েছে।
----------------------------------------------
• সেলিম আল দীন:
- সেলিম আল দীন ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট ফেনি জেলার সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা আধুনিক নাট্যকারদের মধ্যে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
- তাকে নাট্যাচার্য  উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিলো।

- জীবদ্দশায় সেলিম আল দীন তার বিভিন্ন রচনায় প্রকাশ করেছেন যে, শিল্পদর্শনে তিনি দ্বৈতাদ্বৈতবাদী ছিলেন।
- তিনি পশ্চিমা শিল্পের সমস্ত বিভাজনকে বাঙালির সহস্রবছরের নন্দনতত্ত্বের আলোকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন শিল্পরীতি প্রতিষ্ঠা করেন, যাকে তিনি ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব’ বলে অভিহিত করেছেন।

- সেলিম আল দিন শুধুমাত্র নাটক রচনাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না।
- তিনি নাট্যবিষয়ক বহু গবেষণামূলক প্রবন্ধ রচনা করে বাঙালি নাটকের সহস্র বছরের ইতিহাস এবং তার স্পষ্ট কাঠামো উন্মোচনে সক্ষম হন।
- তিনি ১৯৯৬ সালে মধ্যযুগের বাঙলা নাট্য রচনা করেছেন।
- এছাড়া, নাট্য গবেষণা পত্রিকা Theater Studies-এর সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
- নাট্যশিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে তিনি অনুবাদ ও সম্পাদনা করেছেন নাট্যবিষয়ক গ্রন্থ নন্দিকেশ্বরের অভিনয় দর্পণ। 

- সেলিম আল দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস এবং অসংখ্য নাটক।
• তার উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো:
- একটি মারমা রূপকথা,
- গঙ্গাবতী,
- জন্ডিস, বিবিধ বেলুন,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- শকুন্তলা,
- কিত্তনখোলা,
- কেরামতমঙ্গল,
- প্রাচ্য,
- হরগজ,
- বনপাংশুল,
- স্বর্ণবোয়াল,
- পুত্র, ইত্যাদি।  

 তাঁর অন্যান্য প্রকাশিত সাহিত্যকীর্তির মধ্যে রয়েছে-
- কাব্যগ্রন্থ- কবি ও তিমি।
- উপন্যাস- অমৃত উপাখ্যান।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ? 
  1. আকাঙ্খা 
  2. উচ্ছ্বাস 
  3. মূর্ছা
  4. ঈদৃশ 
সঠিক উত্তর:
আকাঙ্খা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাঙ্খা 
ব্যাখ্যা

- ‘আকাঙ্খা’ বানানটি অশুদ্ধ।
- এর শুদ্ধ রূপ হলো ‘আকাঙ্ক্ষা’।
- ‘আকাঙ্ক্ষা’ একটি বিশেষ্য পদ এবং সংস্কৃত উৎসজাত শব্দ। 
- ‘আকাঙ্ক্ষা’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো আঙ্ক্ষ (আঙ+কাঙ্ক্ষা) বা সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী অ + কাঙ্ক্ষ + অ (আ+কাঙ্ক্ষ+অ)।
- এটি মূলত একটি কৃদন্ত পদ, যা 'আ' (আঙ) উপসর্গের সাথে 'কাঙ্ক্ষ' ধাতুর যোগে গঠিত হয়েছে। 
- আকাঙ্ক্ষা শব্দের অর্থ হলো তীব্র ইচ্ছা, কামনা, বাসনা, সাধ, অভিলাষ বা প্রত্যাশা।
---------------------- 
অন্যদিকে,
- উচ্ছ্বাস, মূর্ছা, ঈদৃশ- শব্দগুলোর বানান সঠিক। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান

.
চর্যাপদের ভাষাকে ‘সান্ধ্য ভাষা’ বলেছেন কে? 
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় 
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. বিজয়চন্দ্র মজুমদার
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ–এ সান্ধ্যভাষা (বা সন্ধ্যা ভাষা) ব্যবহৃত হয়েছে। 
- চর্যাপদের প্রথম আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের ভাষাকে সান্ধ্য ভাষা বলেছেন। 
------------------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্যিক নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।
-  চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের সাধনা–ভজনমূলক গান।
- এটি যে ভাষায় রচিত, তাকে সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বলা হয়।
- কারণ এই ভাষা কোথাও স্পষ্ট, কোথাও অস্পষ্ট; তাই একে ‘আলো–আঁধারি ভাষা’ও বলা হয়।
- এই ভাষা ইচ্ছাকৃতভাবে রহস্যময় ও দ্ব্যর্থক, যাতে বাহ্যিক অর্থের আড়ালে গূঢ় সাধনাতত্ত্ব প্রকাশ পায়।

- চর্যাপদকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই তর্ক চলে আসছে।
- কারণ হিন্দি, ওড়িয়া ও অসমিয়া ভাষার গবেষকরাও একে তাঁদের ভাষার প্রাচীন নিদর্শন বলে দাবি করেছেন।
- তবে শব্দের ব্যুৎপত্তি, ব্যাকরণ, ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্য ও ভাষাবিবর্তনের ধারাবাহিক বিশ্লেষণে দেখা যায়—অন্য ভাষার তুলনায় চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার সাদৃশ্যই সবচেয়ে বেশি।

- বিজয়চন্দ্র মজুমদারের মতে চর্যাপদের ভাষায় বাংলা, ওড়িয়া ও মৈথিলী ভাষার প্রভাব থাকলেও তা মূলত হিন্দি ভাষা।
- ভাষাতাত্ত্বিক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাকরণ ও ক্রিয়াপদের রূপ বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা না মৈথিলী, না হিন্দি, না ওড়িয়া, না অসমিয়া—বরং এটি প্রাচীন বাংলা। 
- একই সিদ্ধান্তে উপনীত হন ভাষাবিজ্ঞানী সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
- তিনি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চর্যাপদের ধ্বনি, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিশ্লেষণ করে একে বাংলা ভাষার সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।
- গবেষক রাহুল সাংকৃত্যায়ন ভিন্ন মত দিলেও, অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী শহীদুল্লাহ ও সুনীতিকুমারের সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করেছেন। 

- ছন্দের দিক থেকে চর্যাপদের পদগুলো আধুনিক বিচারে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অন্তর্ভুক্ত বলে ধরা হয়। 
- বিষয়বস্তু ও তত্ত্বগত বিশ্লেষণে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. সুকুমার সেন ও ড. শশীভূষণ দাশগুপ্তসহ বহু গবেষক একমত যে চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।

উৎস:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — মাহবুবুল আলম; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস এর উদাহরণ-
  1. ছায়াছবি
  2. মহাপুরুষ
  3. কুসুমকোমল
  4. দম্পতি
সঠিক উত্তর:
ছায়াছবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াছবি
ব্যাখ্যা

মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস:
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্য গঠনের সময় মাঝের বা মধ্যবর্তী পদটি বাদ পড়ে যায়, সেই ধরনের কর্মধারয় সমাসকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলা হয়।
- এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশ (যেমন: 'মিশ্রিত', 'চিহ্নিত', 'নামক', 'সূচক') সমস্তপদে আর থাকে না, শুধু প্রথম ও শেষ পদটি থাকে। 

- যেমন:
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা, 
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ, 
- পল (মাংস) মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন,
- প্রীতিসূচক উপহার = প্রীতিউপহার,
- ছায়া অবলম্বনে যে ছবি = ছায়াছবি, 
- জয় সূচক ধ্বনি = জয়ধ্বনি,
- বিজয় উপলক্ষে উৎসব = বিজয় উৎসব, 
- বিষণ্ণ অথচ মধুর = বিষণ্ণমধুর, 
- পদ্মা নাম্নী নদী = পদ্মানদী,  
- মৌ আশ্রিত মাছি = মৌমাছি, 
- ঘরে আশ্রিত জামাই =ঘরজামাই,
- জ্যোৎস্না শোভিত রাত = জ্যোৎস্নারাত,
- সাম্য বিষয়ক বাদ = সাম্যবাদ ইত্যাদি।
-----------------------
অন্যদিকে,
- মহান যে পুরুষ = মহাপুরুষ (সাধারণ কর্মধারয় সমাস)।
- কুসুমের মতাে কোমল = কুসুমকোমল (উপমান কর্মধারয় সমাস)।
- জায়া ও পতি = দম্পতি (দ্বন্দ্ব সমাস)।

উৎস: 
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোন বাক্যে শব্দদ্বিত্ব দ্বারা আধিক্য বোঝানো হয়েছে?
  1. রাশি রাশি ধান, থোকা থোকা জাম
  2. আমি আজ জ্বর জ্বর অনুভব করছি
  3. তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ 
  4. সে মা মা বলে কাঁদছে 
সঠিক উত্তর:
রাশি রাশি ধান, থোকা থোকা জাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশি রাশি ধান, থোকা থোকা জাম
ব্যাখ্যা

- “রাশি রাশি ধান, থোকা থোকা জাম” বাক্যে ‘রাশি রাশি’ হলো-আধিক্য অর্থে বিশেষ্য পদের শব্দদ্বিত্ব।
- "রাশি রাশি" বলতে অনেক ধান, "থোকা থোকা" বলতে প্রচুর জাম বোঝায়।
- এমন দ্বিরুক্তিতে প্রথম শব্দটি অপরিবর্তিত থাকে। 
- আর দ্বিতীয় শব্দটি দ্বিত্ব আকারে ব্যবহৃত হয়ে শব্দটির ভাব বা আভাস প্রকাশ করে, সম্পূর্ণ জ্বর বোঝায় না।
-----------------------
• শব্দদ্বিত্ব:
- বাংলা ভাষায় একটি শব্দ বা তার সামান্য পরিবর্তিত রূপ যখন একই সাথে বা পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে শব্দদ্বিত্ব বা শব্দদ্বৈত বলা হয়।
- যেমন ‘রাশি রাশি’ বাক্যে ‘রাশি’ শব্দটি পুনরুক্ত হয়েছে।

- বিশেষ্য পদের দ্বিরুক্তি মূলত নিম্নলিখিত অর্থ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়:
- আধিক্য বোঝাতে: রাশি রাশি ধান, থোকা থোকা জাম।
- সামান্য বোঝাতে: আমি আজ জ্বর জ্বর অনুভব করছি।
- আগ্রহ বোঝাতে: সে মা মা বলে কাঁদছে। 
- পরম্পরতা বা ধারাবাহিকতা বোঝাতে: তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ। 
- ক্রিয়া বিশেষণ বোঝাতে: সে ধীরে ধীরে যায়; ফিরে ফিরে তাকায়।
- অনুরূপ বোঝাতে: তার সঙ্গী-সাথী কেউ নেই।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০.
জাদুবাস্তবতার প্রয়োগে সমগ্র বাংলা কথাসাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন কোন ঔপন্যাসিক? 
  1. দিলারা হাশেম 
  2. শহীদুল জহির
  3. রিজিয়া রহমান
  4. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
সঠিক উত্তর:
শহীদুল জহির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদুল জহির
ব্যাখ্যা

• শহীদুল জহির: 
- শহীদুল জহির  (১১ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩ – ২৩ মার্চ ২০০৮) ছিলেন বাংলাদেশী গল্পকার, ঔপন্যাসিক ও সরকারি কর্মকর্তা। 
- তিনি বাংলা সাহিত্যে জাদুবাস্তবতার (Magical Realism) ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র পরিচয় স্থাপন করেছেন
- জন্মেছিলেন পুরান ঢাকার নারিন্দার ৩৬ ভূতের গলিতে।
- তাঁর আসল নাম মোহাম্মদ শহীদুল হক। 
- ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগদানের পর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন।। 
- তাঁর রচনায় রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে কাল্পনিক উপাদানের মিলন ঘটে, যা “শহীদুল জহিরীয়” ধারার জন্ম দেয়। 
- জীবদ্দশায় তিনি আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, আজকের কাগজ সাহিত্য পুরস্কার ও প্রথম আলো বর্ষসেরা সাহিত্য পুরস্কার (মরণোত্তর) লাভ করেছেন।

- শহীদুল জহির বাংলা সাহিত্যের ব্যতিক্রমী কথাশিল্পী।
- তিনি ম্যাজিক রিয়েলিজম বা জাদুবাস্তবতার প্রয়োগে সমগ্র বাংলা কথাসাহিত্যে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।
- তাঁর গল্পে বাস্তব ও পরাবাস্তবের মাঝখানে অনিশ্চিত একটি জায়গায় চরিত্রগুলো ঘুরে বেড়ায়, যেখানে বিমূর্ত ভাষা ব্যবহার করেও জীবনের অন্তর্নিহিত সত্য ও মানুষের দৈনন্দিন অনুভূতি ফুটিয়ে তোলা হয়।
- তিনি নিম্নবর্গের মানুষের অকৃত্রিম ভাষাকে সাহিত্যিক পুঁজি হিসেবে নিয়েছেন।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে-

• গল্পগ্রন্থ:
- পারাপার,
- ডুমুরখেকো,
- মানুষ ও অন্যান্য গল্প,
- ডলু নদীর হাওয়া ও অন্যান্য গল্প। 

• উপন্যাস:
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা,
- সে রাতে পূর্ণিমা ছিল,
- মুখের দিকে চেয়ে দেখি। 

উৎস:
শহীদুল জহির ‘গল্পসমগ্র’;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
কালি কলম।

১১.
মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা ‘আঙুর’ এর সম্পাদক ছিলেন- 
  1. মুহাম্মদ আবদুল হাই
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  4. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা

• ‘আঙুর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্। 
----------------- 
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন প্রখ্যাত বাঙালি বহুভাষাবিদ, শিক্ষক ও দার্শনিক।
- তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলাভাষা ও সাহিত্য গবেষণায় তাঁর অবদানের জন্য তিনি ‘জ্ঞানতাপস’ এবং ‘চলিষ্ণু অভিধান’ হিসেবে বিশেষ পরিচিত।

- এছাড়া তিনি বিভিন্ন পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন।
- তিনি সহকারী সম্পাদক হিসেবে আল–এসলাম এবং যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করেছে। 
- তিনি মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা ‘আঙুর’ এর সম্পাদক ছিলেন।
- এছাড়াও তিনি দি পীস (ইংরেজি মাসিক), বঙ্গভূমি (বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা) এবং তকবীর (পাক্ষিক) সম্পাদনা করেছেন।

- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ-এর ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ। 
- এই গ্রন্থে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিবর্তন বিষয়ক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। 
- এতে তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি, ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব এবং বিবর্তনের ধারাকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। 
- এই গ্রন্থে তিনি প্রমাণ করেছেন যে বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত ও গৌড়ীয় অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত হয়েছে।

- তিনি ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক বহু প্রবন্ধ লিখেছেন।
- ড. শহীদুল্লাহ্-এর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে—
• বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত, 
• সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প,
• ভাষা ও সাহিত্য,
• বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
• দীওয়ান-ই-হাফিজ,
• শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ,
• রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম, 
• আমাদের সমস্যা,
• পদ্মাবতী,
• বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড),
• বিদ্যাপতি শতক,
• বাংলা আদব কী তারিখ,
• কুরআন শরীফ,
• অমরকাব্য ইত্যাদি। 

উৎস:
বাংলাপিডিয়া;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১২.
'ক্লান্তিহীনভাবে চলে যা'- এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি? 
  1. ক্লান্তিহীন
  2. অক্লান্ত
  3. অবিশ্রাম
  4. অক্লান্ত কর্মী
সঠিক উত্তর:
অক্লান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্লান্ত
ব্যাখ্যা

‘ক্লান্তিহীনভাবে চলে যা’ বাক্যটি এক কথায় প্রকাশ করলে হয়- অক্লান্ত।
----------------------- 
অন্যদিকে,
- কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই' = অক্লান্ত কর্মী। 
- ‘যাহার কোন কিছুতে ক্লান্তি নাই’ = ক্লান্তিহীন।
------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- বাতাসে চরে যে = কপোত।
- পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার = জাতিস্বর।
- সরোবরে জন্মায় যাহা = সরোজ।
- যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে = জাজ্বল্যমান।
- সকলের জন্য প্রযোজ্য = সর্বজনীন।
- সকলের জন্য অনুষ্ঠিত = সার্বজনীন।
- প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন = প্রভাতকল্পা।
- রাত্রির মধ্যভাগ = মহানিশা।
- স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ।
- স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি = শাস্ত্রকার।
- এখনও শত্রু জন্মায় নাই যার = অজাতশত্রু। 
- যা পূর্বে শোনা যায় নি — অশ্রুতপূর্ব। 
- যা পূর্বে দেখা যায় নি — অদৃষ্টপূর্ব।
- যা বলা হয় নি — অনুক্ত।
- যা বলার যোগ্য নয় — অকথ্য।
- যার অন্য উপায় নেই — অনন্যোপায়।
- যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে — প্রত্যুৎপন্নমতি।
- যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না — অজ্ঞাতকুলশীল।
- যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে — সর্বহারা, হতসর্বস্ব।
- যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে — বীরপ্রসূ। 
- যে নারীর সন্তান বাঁচে না — মৃতবৎসা।
- যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ — শাপদসংকুল
- যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক (বা বিরোধবাদ) নেই — অবিসংবাদিত।
- যা গমন করে না — নগ।
- যার স্পৃহা দূর হয়েছে — বীতস্পৃহ।
- যে রমণীর হাসি পবিত্র — শুচিস্মিতা।
- যে রমণীর হাসি সুন্দর — সুহাসিনী। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৩.
'তরঙ্গভঙ্গ' নাটকটি কার সৃষ্টিকর্ম? 
  1. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  2. শেখ ওয়াজেদ আলী 
  3. শওকত ওসমান 
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা

'তরঙ্গভঙ্গ' নাটকটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত। 
-------------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ  ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- তিনি ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ (ডেপুটি) বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন।
- তিনি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ফেনী হাইস্কুলে।
- তাঁর প্রথম গল্প প্রকাশিত হয় ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে।
- লেখায় তিনি গ্রামীণ সমাজ, লোকায়ত সংস্কার, ধর্মীয় ভণ্ডামি এবং চারিত্রিক পতন চিত্রায়ন করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশের ‘একুশে পদক’ (মরণোত্তর, ১৯৮৩) লাভ করেন।
- তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১০ অক্টোবর ১৯৭১, প্যারিসে।

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত ছোট গল্প:
- নয়নচারা;
- একটি তুলসি গাছের কাহিনী।

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা;
- কাঁদো নদী কাঁদো;
- লালসালু।

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত নাটক:
- বহিপীর;
- তরঙ্গভঙ্গ;
- সুরঙ্গ;
- উজানে মৃত্যু।
--------------------------
'তরঙ্গভঙ্গ' নাটক সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘তরঙ্গভঙ্গ’ একটি অভিব্যক্তিবাদী নাটক।
- নাটকটি গ্রামীণ পটভূমিতে দারিদ্র্য ও যন্ত্রণার কারণে আমেনা নামের এক নারীর স্বামী হত্যার ঘটনা এবং এর পেছনের সামাজিক দায় ও বিচার প্রক্রিয়ার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ তুলে ধরে। নাটকটি খুনের কারণ অনুসন্ধানের চেয়ে চরিত্রের মানসিক টানাপড়েন, বিচারকের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দোষ-নির্দোষের প্রশ্নকে গুরুত্ব দিয়েছে, যা গ্রামীণ জীবনের অসহায়ত্ব ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রতিফলন।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

১৪.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক শোকগাঁথামূলক গদ্য গ্রন্থ- 
  1. বেতাল পঞ্চবিংশতি 
  2. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  3. ব্রজবিলাস
  4. রত্নপরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
প্রভাবতী সম্ভাষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রভাবতী সম্ভাষণ
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক শোকগাঁথামূলক গদ্য গ্রন্থ- প্রভাবতী সম্ভাষণ। 
----------------------
• 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' নিয়ে আলোচনা:
- প্রভাবতী সম্ভাষণ হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক শোকগাঁথা বা শোকমূলক গদ্য গ্রন্থ। 
- এটি রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকালমৃত কন্যা প্রভাবতীর স্মৃতিতে রচিত। 
- বিদ্যাসাগর প্রভাবতীকে নিজের কন্যার মতো স্নেহ করতেন। 
- তার অকাল মৃত্যুর পর ব্যক্তিগত শোক ও করুণার অনুভূতি তিনি গ্রন্থের গদ্যে প্রকাশ করেছেন।
--------------------- 
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন একজন সংস্কৃত পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ, লেখক, সমাজসংস্কারক ও জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- তাঁর প্রধান ছদ্মনাম ছিল ‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য’।
- ১৮৩৯ সালে ১৯ বছর বয়সে কলকাতার সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় অসাধারণ জ্ঞানের কারণে তিনি ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

- তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ:
- বেতাল পঞ্চবিংশতি (এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন ব্যবহার করেন)।
- প্রভাবতী সম্ভাষণ (বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা)।
- ব্রজবিলাস।
- রত্নপরীক্ষা।

উৎস:
বাংলাপিডিয়া;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৫.
'Coeducation' শব্দের পরিভাষা কোনটি? 
  1. গণশিক্ষা
  2. সহশিক্ষা
  3. শিক্ষাতত্ত্ব
  4. শিক্ষানীতি
সঠিক উত্তর:
সহশিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহশিক্ষা
ব্যাখ্যা

• 'Coeducation' শব্দের পরিভাষা- ছেলেমেয়েদের একত্র শিক্ষা; সহশিক্ষা। 
- Cambridge Dictionary অনুযায়ী Coeducation (সহশিক্ষা) হলো এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা যেখানে ছেলে ও মেয়েদের আলাদা না করে একই স্কুল, কলেজ বা প্রতিষ্ঠানে একসাথে পড়ানো হয়।
- এই পদ্ধতিকে coeducational বা সংক্ষেপে co-ed বলা হয়।
------------------------- 
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
- Fiction – কথাসাহিত্য;
- Register – নিবন্ধক; 
- Ad-hoc – অনানুষ্ঠানিক / অস্থায়ী; 
- Executive – কার্যানির্বাহী; 
- Keynote – মূলভাব; 
- Archetype – আদিরূপ; 
- Constituency – নির্বাচনী এলাকা; 
- Up-to-date – হালনাগাদ; 
- Circular – পরিপত্র; 
- Educationist – শিক্ষাবিদ; 
- Consultant – উপদেষ্টা; 
- Affidavit – হলফনামা; 
- Unprecedented – অভূতপূর্ব; 
- Bugger – জঘন্য ব্যক্তি; 
- Apprentice – শিক্ষানবিশ; 
- Phonetics – ধ্বনিবিজ্ঞান; 
- Plebiscite – গণভোট; 
- Pledge – বন্দক; 
- Orion – কালপুরুষ; 
- Hostage – জিম্মি; 
- Honorary – অবৈতনিক; 
- Distorted – বিকৃত। 
------------------------------------------
অন্যদিকে, 
- Pedagogy – শিক্ষাতত্ত্ব।
- Education policy – শিক্ষানীতি; 
- Mass Education – গণশিক্ষা

উৎস:
Cambridge Dictionary [লিঙ্ক];
বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।

১৬.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর “দুঃখের কবি” বলে অভিহিত করেছেন কাকে? 
  1. বিদ্যাপতিকে 
  2. রামকৃষ্ণ পরমহংসকে 
  3. চণ্ডীদাসকে 
  4. বিবেকানন্দকে 
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাসকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাসকে 
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা কবি চণ্ডীদাস-কে “দুঃখের কবি” বলে অভিহিত করেছেন।
----------------------
• চণ্ডীদাস:
- চণ্ডীদাস মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এক বিশিষ্ট বৈষ্ণব কবি।
- তিনি চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি।
- তিনি জাতিতে ব্রাহ্মণ ছিলেন।
-  চণ্ডীদাসের বিখ্যাত উক্তি— “শোন হে মানুষ ভাই, সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই”—মানুষের মর্যাদা ও মানবতার সর্বোচ্চ মূল্যকে তুলে ধরে।
- এই মানবতাবাদী চেতনার কারণেই তাঁকে বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।
- তাঁর কাব্যে মানবপ্রেম, বিরহ ও দুঃখের গভীর অনুভব প্রকাশ পেয়েছে।
- তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে “দুঃখের কবি” বলে অভিহিত করেন।
-  ‘বহুদিন পরে বঁধুয়া এলে,দেখা না হইত পরাণ গেলে,' ‘সই কেবা শুনাইল শ্যাম নাম’, ‘সখি কেমনে ধরিব হিয়া’ প্রভৃতি পদে তাঁর কাব্যিক শক্তি ও বৈষ্ণব ভাবধারার পরিচয় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

- চণ্ডীদাসের নামে চারজন কবির পরিচয় পাওয়া যায়—
- বড়ু চণ্ডীদাস, দ্বিজ চণ্ডীদাস, দীন চণ্ডীদাস ও চণ্ডীদাস;
- যার ফলে তাঁর পরিচয় নিয়ে কিছু জটিলতা আছে।

উৎস:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম;
বাংলাপিডিয়া;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৭.
'অন্ধের নড়ি'- বাগ্‌ধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. সুচতুর ব্যক্তি
  2. একমাত্র সন্তান
  3. একমাত্র অবলম্বন
  4. সুসময়ের বন্ধু
সঠিক উত্তর:
একমাত্র অবলম্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একমাত্র অবলম্বন
ব্যাখ্যা

'অন্ধের নড়ি' বাগধারার অর্থ হলো- একমাত্র অবলম্বন। 
- এটি মূলত একজন অসহায় ব্যক্তির একমাত্র ভরসা বা সহায়তাকে নির্দেশ করে। 
----------------- 
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
অকাল কুষ্মাণ্ড – অপদার্থ, অকেজো, 
অক্কা পাওয়া – মারা যাওয়া, 
অগস্ত্য যাত্রা – চির দিনের জন্য প্রস্থান, 
অগাধ জলের মাছ – সুচতুর ব্যক্তি, 
অর্ধচন্দ্র – গলা ধাক্কা, 
অন্ধের যষ্ঠি – একমাত্র অবলম্বন, 
অগ্নিশর্মা – নিরতিশয় ক্রুদ্ধ, 
অগ্নিপরীক্ষা – কঠিন পরীক্ষা, 
শিবরাত্রির সলতে = একমাত্র সন্তান,
শিরে সংক্রান্তি = বিপদ মাথার ওপর,
শরতের শিশির = সুসময়ের বন্ধু,
শত্রুর মুখে ছাই = কুদৃষ্টি এড়ানো,
শ্রীঘর = কারাগার,
ষাঁড়ের গোবর = অযোগ্য,
ষোল আনা = পুরোপুরি,
চোখের বালি = চক্ষুশূল,
চোখ কপালে তোলা = বিস্মিত হওয়া,
চোখে ধুলো দেওয়া = প্রতারণা করা,
চোখের মণি = প্রিয়,
কচুকাটা করা = নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
কলম পেষা = কেরানিগিরি,
কপাল ফেরা = সৌভাগ্য লাভ,
কেঁচো খুড়তে সাপ = বিপদজনক পরিস্থিতি,
কেউ কেটা = গণ্যমান্য,
গা ঢাকা দেওয়া = আত্মগোপন,
গায়ে কাঁটা দেওয়া = রোমাঞ্চিত হওয়া,
গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো = কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা,
ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো = নিজ খরচে পরের বেগার খাটা,
ঘোড়ার ঘাস কাটা = অকাজে সময় নষ্ট করা,
ঝোপ বুঝে কোপ মারা = সুযোগ মত কাজ করা। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

১৮.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. দশচক্রে ভগবান ভূত
  2. বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র
  3. আগামীকাল কলেজ বন্ধ থাকবে
  4. মেয়েটি বিদুষী কিন্তু ঝগড়াটে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বাক্য:
- বাংলা ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ হলো সৃজনশীলভাবে সঠিক বলা বা লেখা।
- এটি ব্যাকরণের নিয়ম মেনে করা হয়, যা ভাষাকে সুন্দর, মার্জিত এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখে।
- বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র → অশুদ্ধ। 
- বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র → শুদ্ধ।
- উন্নতশীল অশুদ্ধ কারণ এখানে বিশেষ্য পদ উন্নয়নশীল শুদ্ধ। 
---------------------
• বাংলায় বহুল প্রচলিত কিছু অশুদ্ধ বাক্য এবং তাদের শুদ্ধ রূপ নিচে দেওয়া হলো: 

- বিদ্বান মহিলা → অশুদ্ধ। 
- বিদুষী মহিলা → শুদ্ধ। 

- দশচক্রে ঈশ্বর ভূত → অশুদ্ধ। 
- দশচক্রে ভগবান ভূত → শুদ্ধ। 

- আসছে আগামীকাল কলেজ বন্ধ থাকবে → অশুদ্ধ।
- আগামীকাল কলেজ বন্ধ থাকবে → শুদ্ধ।

- আমি এ ঘটনা চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেছি → অশুদ্ধ।
- আমি এ ঘটনা চাক্ষুষ দেখেছি / প্রত্যক্ষ করেছি → শুদ্ধ।

- মেয়েটি বিদ্বান কিন্তু ঝগড়াটে → অশুদ্ধ।
- মেয়েটি বিদুষী কিন্তু ঝগড়াটে → শুদ্ধ।

- আমি সাক্ষী দিব না → অশুদ্ধ।
- আমি সাক্ষ্য দেব না → শুদ্ধ।

- আমি গীতাঞ্জলী পড়েছি → অশুদ্ধ।
- আমি গীতাঞ্জলি পড়েছি → শুদ্ধ।

- আবশ্যকীয় বিছানাপত্র নিয়ে আসবেন → অশুদ্ধ।
- আবশ্যক বিছানাপত্র নিয়ে আসবেন → শুদ্ধ।

- গাছটি সমূলসহ উৎপাটিত হয়েছে → অশুদ্ধ।
- গাছটি সমূলে উৎপাটিত হয়েছে → শুদ্ধ।

- তিনি স্বস্ত্রীক কুমিল্লা বাস করেন → অশুদ্ধ।
- তিনি সস্ত্রীক কুমিল্লা বাস করেন → শুদ্ধ।

- এ কথা প্রমাণ হয়েছে। → অশুদ্ধ।
- এ কথা প্রমাণিত হয়েছে। → শুদ্ধ।

- পূর্বদিকে সূর্য উদয় হয়। → অশুদ্ধ।
- পূর্বদিকে সূর্য উদিত হয়। → শুদ্ধ।

- ঘটনা বর্ণনা হয়েছে। → অশুদ্ধ।
- ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। → শুদ্ধ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৯.
'ধনুষ্টঙ্কার' এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কী?
  1. ধনু + টঙ্কর
  2. ধনুষ + টঙ্কর
  3. ধনুঃ + টঙ্কার
  4. ধনঃ + টঙ্কার
সঠিক উত্তর:
ধনুঃ + টঙ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনুঃ + টঙ্কার
ব্যাখ্যা

• 'ধনুষ্টঙ্কার' এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ- ধনুঃ + টঙ্কার। 
- এটি বিসর্গসন্ধির উদাহরণ। 
-------------------------
• বিসর্গসন্ধি:
- বিসর্গসন্ধি হলো এমন এক ধরনের সন্ধি যেখানে শব্দের শেষে থাকা বিসর্গ পরবর্তী স্বর বা ব্যঞ্জনের সঙ্গে মিলিত হয়ে উচ্চারণ সুবিধার জন্য রূপ পরিবর্তন করে।
- বিসর্গের পরে যে ব্যঞ্জন আসে তার প্রকার অনুযায়ী বিসর্গের পরিবর্তন ঘটে। 
- যেমন-
• তালব্য ব্যঞ্জন (অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ) আসলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিশ ধ্বনি হয়।
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন (অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ) আসলে বিসর্গের স্থলে মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি হয়।
• দন্ত্য ব্যঞ্জন (অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ) আসলে বিসর্গের স্থলে দন্ত্য শিশ ধ্বনি হয়।

• সূত্র ও উদাহরণ:
• ঃ + ট / ঠ → ষ + ট / ঠ
- চতুঃ + টয় = চতুষ্টয়;
- নিঃ + ঠীবন = নিষ্ঠীবন;
- ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার; 
- নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২০.
নিচের কোনটি যৌগিক শব্দ?
  1. চিকামারা
  2. পঙ্কজ 
  3. শাখামৃগ
  4. কারচুপি
সঠিক উত্তর:
চিকামারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকামারা
ব্যাখ্যা

যৌগিক শব্দ:
- যে শব্দগুলোর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ একই, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলা হয়।
- অর্থাৎ শব্দের মূল গঠন অনুযায়ী অর্থ এবং ভাষায় প্রচলিত অর্থের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না।
- উদাহরণ:
- পাঠক, গুণবান, ভাড়াটে, মেয়েলি, শয়ন, মিতালি, নায়ক, নয়ন, গায়ক, কর্তব্য, বাবুয়ানা, মধুর, দৌহিত্র, চিকামারা, মলম, কলম।

• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দগুলোর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ মিলছে না, অর্থাৎ প্রকৃতির অর্থ থেকে বিচ্যুত অর্থ বহন করে, সেগুলোকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলা হয়।
- উদাহরণ:
- মন্দির, ফলাহার, কারচুপি, তৈল, ভাজা, সন্দেশ, গবেষণা, রাখাল, প্রবীণ, শ্বশুর, পাঞ্জাবী, হস্তী, দারুণ, বাঁশি, হরিণ, মন্ডপ।

যোগরূঢ় শব্দ:
- যেসব শব্দ সমাস বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে পৃথক কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলা হয়।

- এর কিছু উদাহরণ:
- শাখামৃগ – সমাস বিশ্লেষণে এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলে লম্বা লেজ এবং লোমাবৃত দেহবিশিষ্ট মাঝারি আকৃতির বনচর স্তন্যপায়ীকে বোঝায়, তবে দৈনন্দিন ব্যবহারিক অর্থে এটি কেবল বানরকে নির্দেশ করে।
- পঙ্কজ – মূলত ‘পঙ্কে জন্মায় এমন কিছু’, কিন্তু ব্যবহারিক অর্থে শুধুমাত্র পদ্মফুল।
- সরোজ – ‘সরোবরে জন্মায় এমন কিছু’, ব্যবহারিক অর্থে শুধু পদ্মফুল।
- রাজপুত – ‘রাজার পুত্র’, ব্যবহারিক অর্থে একটি নির্দিষ্ট জাতি বোঝায়।
- মহাযাত্রা – ‘মহাসমারোহে যাত্রা’, ব্যবহারিক অর্থে মৃত্যু বোঝায়।
- জলধি – ‘জল ধারণ করে এমন কিছু’, ব্যবহারিক অর্থে শুধুমাত্র সমুদ্র।
- জলদ – ‘জল দেয় এমন কিছু’, ব্যবহারিক অর্থে মেঘ বোঝায়। 

- আরও কিছু উদাহরণ- দশানন, পরিবার, বহুব্রীহি, গোঁফখেজুরে, তুরাঙ্গম, আদিত্য। 

উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ),
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

২১.
Swimming in the river is a refreshing exercise.
The underlined part is a/an-
  1. Noun phrase
  2. Verbal phrase
  3. Adjective phrase
  4. Adverbial phrase
সঠিক উত্তর:
Noun phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun phrase
ব্যাখ্যা

Correct Answer: ক) Noun phrase.

- Swimming in the river is a refreshing exercise.
- এখানে "Swimming in the river" অংশটি বাক্যের Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এটি একটি Gerund phrase (Swimming = verb + ing, কিন্তু noun হিসেবে কাজ করছে)।
- তাই এটি একটি Noun phrase.

• Noun phrase:
- যে phrase বা শব্দগুচ্ছ noun এর কাজ করে তাই মূলত Noun phrase.
- অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun phrase বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে।
যেমন:
- Subject হিসেবে; (এই বাক্যে 'Writing a diary' phrase টি Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি Noun Phrase.)
- Object of a verb হিসেবে;
- Object of a preposition হিসেবে;
- Subject complement হিসেবে;
- Object complement হিসেবে।

• The three types of noun phrases are:
i. Appositive phrase:
- It renames another noun in the sentence.
- যে noun phrase অন্য একটি noun সম্মন্ধে comma ব্যবহার করে নতুন তথ্য যোগ করে তাকে appositive বলে।
Example: Mr. Salim, my favorite English teacher, is doing this assignment for me.

ii. Gerund phrase:
- Gerund phrase starts with a gerund.
- Gerund (verb + ing) দিয়ে শুরু হওয়া phrase কে gerund phrase বলে।
Example: The ringing of the phone during the prayers in the mosque disturbs me much.

ii. Infinitive phrase:
- It has an infinitive (to + the present form of the verb) and modifiers linked to the infinitive.
- Infinitive (to+verb) দিয়ে শুরু হওয়া phrase কে infinitive phrase বলে।
Example: I like to have a cup of tea in the morning.

Other Options:
• Verbal phrase
- একটি Verbal phrase কেবল একটি main verb, অথবা একটি main verb এবং যেকোনো modal এবং/অথবা auxilary verb থাকে। main verb সর্বদা Verbal phrase শেষে আসে।
- Tony might have been waiting outside for you.
- might - modal verb, have been - auxiliary verb, waiting - main verb.

• Adjective phrase
- যে phrase গুলো sentence -এ adjective -এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Noun/pronoun -এর পর যদি কোনো clause/phrase বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাহলে সেটি Adjective phrase হবে।
- The car is economical for its size.

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb -এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত verb -কে কখন (When), কোথায় (Where), কেন (Why) ও কীভাবে (How) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Adverbial phrase.
- She completed the project in a record time.

Source: Cliff's TOEFL.

২২.
Select the meaning of the following phrase: By and large.
  1. Very large
  2. Far away
  3. The largest one
  4. Everything considered
সঠিক উত্তর:
Everything considered
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Everything considered
ব্যাখ্যা

• By and large (idiom): 
English Meaning - on the whole; everything considered.
Bangla Meaning - মোটকথা; সামগ্রিকভাবে।

• Example Sentences: 
- There are a few small things that I don't like about my job, but by and large it's very enjoyable.
- Mammals have, by and large, bigger brains than reptiles. 

Source: 
1. Oxford Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 

২৩.
Choose the correct complex form of the sentence:
An honest man is respected by all. 
  1. A man respects all who is honest. 
  2. A man who is honest is respected by all.
  3. A man is honest who respected by all. 
  4. A man who respects all is honest. 
সঠিক উত্তর:
A man who is honest is respected by all.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A man who is honest is respected by all.
ব্যাখ্যা

Correct Answer: খ) A man who is honest is respected by all.

Simple sentence: An honest man is respected by all.
- এখানে honest (adjective) দিয়ে man-কে বর্ণনা করা হয়েছে।

• Adjective + noun যুক্ত Simple Sentence কে Complex করার নিয়ম:
- article বসে +
- adjective এর পরের noun টি বসে +
- relative pronoun who/which/that বসে +
- tense অনুযায়ী verb বসে +
- adjective টি বসে +
- প্রদত্ত noun এর পর থেকে শেষ অংশ বসে। 

তাই, সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - A man who is corrupt cannot win the respect of others.
 
• Other Options:
ক) A man respects all who is honest.
- Meaning পরিবর্তন হয়েছে।

গ) A man is honest who respected by all.
- Structure ভুল।

ঘ) A man who respects all is honest.
- Sentence-এর অর্থ পরিবর্তন হয়েছে।

২৪.
Fill in the blank with the correct word:
The thief ran away to avoid ______ by the police. 
  1. catch
  2. catching
  3. being caught
  4. caught
সঠিক উত্তর:
being caught
উত্তর
সঠিক উত্তর:
being caught
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: The thief ran away to avoid being caught by the police. 

- কিছু verb (যেমন: avoid, enjoy, finish, admit ইত্যাদি) এর পরে verb + ing (gerund) বসে।
- অর্থাৎ, catching সঠিক উত্তর হবে।
- কিন্তু এখানে subject (the thief) নিজে কাজটি করছে না, বরং কাজটি তার উপর হচ্ছে (police তাকে ধরবে)।
- তাই বাক্যটি passive অর্থে, ফলে gerund এর passive form being + past participle ব্যবহার করতে হবে।

২৫.
Fill in the blank with the correct preposition:
There is a hospital ______ the road.
  1. at
  2. on
  3. under
  4. across
সঠিক উত্তর:
across
উত্তর
সঠিক উত্তর:
across
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ঘ) across.

- এখানে বাক্যের অর্থ হচ্ছে: রাস্তার ওপারে একটি হাসপাতাল আছে।
- “Across” ব্যবহার করা হয় যখন কোনো কিছু রাস্তা/নদী/এলাকার এক পাশ থেকে অন্য পাশে বোঝানো হয়।
- Complete sentence: There is a hospital across the road.
- Bangla Translation: রাস্তার ওপারে একটি হাসপাতাল আছে।

- জায়গার নাম যদি street এর নামে হয়, তখন At বা On ব্যবহার করা যেতে পারে।

২৬.
Identify the correct conditional sentence-
  1. If you have driven more carefully, you would not have had an accident.
  2. If you had driven more carefully, you would not have an accident.
  3. If you had driven more carefully, you would not have had an accident.
  4. If you had driven more carefully, you will not have had an accident.
সঠিক উত্তর:
If you had driven more carefully, you would not have had an accident.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
If you had driven more carefully, you would not have had an accident.
ব্যাখ্যা

- Correct sentence: If you had driven more carefully, you would not have had an accident.

- প্রদত্ত বাক্যটি 3rd conditional এর উদাহরণ। তাই If যুক্ত Clause টি past perfect হওয়ায় পরবর্তী Clause এ would not have এর পর verb এর past participle হয়েছে।

Third conditional-এর নিয়মানুযায়ী:
- If clause (শর্তযুক্ত অংশে)-এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause -এ would/could/might + have + V3 + extension হয়।
- Structure: If + Past Perfect (had +V3) + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle.
- Negative অর্থ প্রকাশ করলে would/could/might + not হয়।

Other options:
ক) If you have driven more carefully, you would not have had an accident.
- 3rd conditional এর ক্ষেত্রে If যুক্ত Clause টি past perfect Tense এর হয়। তাই এটি সঠিক নয়।

খ) If you had driven more carefully, you would not have an accident.
- 3rd conditional এর ক্ষেত্রে If যুক্ত Clause টি past perfect Tense এর হয় এবং পরবর্তী Clause এ would not have এর পর verb এর past participle হয়। তাই এটি সঠিক নয়। 

ঘ) If you had driven more carefully, you will not have had an accident.
- 3rd conditional এর ক্ষেত্রে If যুক্ত Clause টি past perfect Tense এর হয় এবং পরবর্তী Clause এ would not have এর পর verb এর past participle হয়। তাই এটি সঠিক নয়। 

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

২৭.
What is the correct indirect form of: He said, “You had better finish your work.”
  1. He advised him to finish his work.
  2. He advised that he should finished his work.
  3. He suggested him to finish his work.
  4. He told that he had better finish his work.
সঠিক উত্তর:
He advised him to finish his work.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He advised him to finish his work.
ব্যাখ্যা

• Direct speech: He said, “You had better finish your work.”
- এখানে “had better” দ্বারা advice বোঝানো হয়েছে।

• had better এবং subject second person যুক্ত direct speech কে  indirect speech এ পরিণত করার নিয়ম - 
- প্রথমে Subject বসবে,
- advised বসবে,
- object বসবে,
- infinitive বসবে,
- বাকি অংশ বসবে,।

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হচ্ছে -  He advised him to finish his work.

• Other Options:
খ) He advised that he should finished his work.
- “should finished” ভুল (should + base verb হবে)।

গ) He suggested him to finish his work.
- suggest এর পরে object + to হয় না; “suggest that…” হয়।

ঘ) He told that he had better finish his work.
- told এর পরে object লাগে (told him), এবং structure ভুল।

২৮.
Which word is correct?
  1. Furnitures
  2. Informations
  3. Sceneries
  4. Earnings
সঠিক উত্তর:
Earnings
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Earnings
ব্যাখ্যা

• প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Earnings শব্দটিই শুদ্ধ।

• Earnings (noun):
English Meaning: something (such as wages) earned, money that a person earns from work.
Bangla Meaning: উপার্জন; আয়।
 
Other Options:
- Furnitures: শব্দটি ভুল কেননা Furniture (আসবাবপত্র) শব্দটির কোন plural form নেই। 
- Informations: শব্দটি ভুল কেননা Information (তথ্য) শব্দটির কোন plural form নেই।
- Sceneries: এই শব্দটি ভুল কেননা “Scenery” (দৃশ্য) শব্দটির কোন plural form নেই।
 
Source: Cambridge Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৯.
The word 'barking' in the sentence 'The barking dog chased the thief' is—
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Verbal noun
  4. Infinitive
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা

• The word 'barking' in the sentence 'The barking dog chased the thief' is - Participle.

• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার:
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog.
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens.
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.

- The barking dog chased the thief.
- এখানে “barking” শব্দটি dog (noun) কে modify করছে।
- অর্থাৎ, এটি কুকুরের অবস্থা/গুণ বর্ণনা করছে (যে কুকুরটি ঘেউ ঘেউ করছিল)।

Other Options:
ক) Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- অর্থাৎ, Gerund হলো verb-এর -ing ফর্ম, যা বাক্যে noun হিসেবে কাজ করে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

গ) Verbal Noun:
- কোন বাক্যের Verb + ing - এর পুর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ing + of = verbal noun.
- Verbal Noun দ্বারা Noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।

ঘ) Infinitive:
- Verb এর present form এর আগে to বসিয়ে Infinitive গঠন করা হয়।
- অর্থাৎ, Infinitive = to + verb.
- Infintive দুই রকম হতে পারে,
1. To-যুক্ত infinitive এবং,
2. To-বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.
- Infinitive form বিভিন্ন ভাবে ব্যবহৃত হতে পারে।যেমন: Subject of verb, Object of verb, Complement of verb, object of preposition, etc.

৩০.
What is the main theme of 'A Passage to India'? 
  1. Indian natural beauty
  2. East-West cultural conflict
  3. Wealth and power
  4. British rule success
সঠিক উত্তর:
East-West cultural conflict
উত্তর
সঠিক উত্তর:
East-West cultural conflict
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: খ) East-West cultural conflict.  

• 'A Passage to India' is written by  E.M. Forster, who is a British novelist, essayist এবং social and literary critic.
- তিনি Modern Period এর একজনন সাহিত্যিক।
- His 'A Passage to India' was published in 1924 and is considered one of the author's finest works.
- এই novel টিতে মূলত racism and colonialism ফুটে উঠেছে।
- The book portrays the relationship between the British and the Indians in India.
- The novel mainly explores misunderstanding and conflict between British (Western) and Indian (Eastern) cultures.

• এই Novel এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে -
- Dr. Aziz,
- Mrs. Moore,
- Adela Quested,
- Rony Hislop,
- Cyril Fielding, etc.

• E.M. Forster:
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- His fame rests largely on his novels Howards End and A Passage to India and on a large body of criticism.

• Notable work:
- A Passage to India,
- A Room with a View,
- Aspects of the Novel,
- Howards End,
- Marianne Thornton,
- Maurice,
- The Hill of Devi,
- The Longest Journey,
- Where Angels Fear to Tread.

Source: Britannica.

৩১.
What is Doctor Zhivago mainly about? 
  1. A romantic comedy set in modern Europe
  2. The impact of the Russian Revolution on personal lives
  3. A detective solving crimes in Moscow
  4. A fantasy story about magical powers
সঠিক উত্তর:
The impact of the Russian Revolution on personal lives
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The impact of the Russian Revolution on personal lives
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: খ) The impact of the Russian Revolution on personal lives.

• Doctor Zhivago:
- রচনা করেন Boris Pasternak.
- ১৯৫৭ সালে ইটালিতে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের পটভূমিতে এই উপন্যাসের কাহিনী রচিত। বিপ্লব এবং বিপ্লব পরবর্তী সময়ে একটি বুর্জোয়া পরিবারের উপর নেমে আসা বিভিন্ন পরিণতি এর উপজীব্য বিষয়।

• কেন্দ্রীয় চরিত্র: Dr. Yury Zhivago এবং তার প্রেমিকা Lara.

• Boris Leonidovich Pasternak:
- Boris Leonidovich Pasternak won the Nobel Prize in literature in 1958.
- তিনি একজন রাশিয়ান কবি ছিলেন।
- ১৮৯০ সালে রাশিয়ার মস্কোতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার উপন্যাস Doctor Zhivago এর জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
- তিনি প্রথমে পুরস্কার গ্রহণ করেন, কিন্তু পরে তার দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিরোধীতার কারণে তিনি পুরস্কারটি প্রত্যাখ্যান করেন।

• Famous works of Boris Leonidovich Pasternak:
- Doctor Zhivago.
- My Sister, Life.
- Second Birth.
- Safe Conduct.
- Themes and Variations.

Source: Britannica.

৩২.
Rafi bought three ____ yesterday.
  1. pair of socks
  2. pairs of sock
  3. pair of sock
  4. pairs of socks
সঠিক উত্তর:
pairs of socks
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pairs of socks
ব্যাখ্যা

Pair (Noun):
English meaning: two corresponding things designed for use together.
Bangla meaning: জোড়া।
Example: a pair of shoes, a pair of gloves.

Sock (Noun):
English meaning: a garment for the foot.
Bangla meaning: মোজা।
Plural: socks.

- যখন এক জোড়া বোঝানো হয় তখন, a pair of socks.
- যখন একাধিক জোড়া বোঝানো হয় তখন, pairs of socks.

• বাক্যে তিন জোড়া বোঝানো হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর: ঘ) pairs of socks.

Source: Cambridge Dictionary.

৩৩.
What does the idiom "giving someone the cold shoulder" mean?
  1. To annoy somebody
  2. To harm somebody
  3. To appreciate somebody
  4. To ignore somebody
সঠিক উত্তর:
To ignore somebody
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To ignore somebody
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ঘ) To ignore somebody.

• Cold shoulder:
English Meaning: a show of intentional unfriendliness / an unfriendly attitude shown.
Bangla Meaning: অবন্ধুসুলভ আচরণ।

Ex. Sentence: He showed a cold shoulder when danger came.
Bangla Meaning: সে বিপদের সময় মুখ ফিরিয়ে নিলো।

Source: Live MCQ Lecture.

৩৪.
What is the purpose of a topic sentence? 
  1. To introduce the topic 
  2. To analyse the topic 
  3. To present the main idea 
  4. To expand the idea
সঠিক উত্তর:
To present the main idea 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To present the main idea 
ব্যাখ্যা

• Paragraph এ শুধুমাত্র একটি para থাকে। 
- Paragraph হলো এমন একটি ক্ষুদ্র রচনা যার মধ্যে একটি মাত্র, idea বা theme থাকে।

• তাছাড়া Paragraph এ সাধারণত তিনটি অংশ থাকে।

• Topic Sentence:
- একটি Paragraph এর প্রধান idea বা theme যে বাক্যের দ্বারা প্রকাশিত হয় তাকে topic sentence বলে।
- Topic Sentence সাধারণত কোনো Paragraph এর শুরুতে লেখা হয়।
- Topic Sentence এ অবশ্যই একটি Controlling Idea থাকবে যা Paragraph এর বাকি অংশ Control করে।

• Body:
- প্রথম sentence- এর পর থেকে শেষ sentence এর আগ পর্যন্ত পুরো অংশটাকে paragraph এর body বলা যায়।
- এতে এমন সব বাক্য সমষ্টি থাকে যা paragraph এর মূল idea বা theme কে উপস্থাপিত করে।
- এখানে main idea কে explain করা হয়। 

• Terminator:
- এটাকে paragraph এর সমাপ্তি, উপসংহার বলে। এটি দিয়ে Paragraph শেষ হয়।
- অর্থাৎ একটি সার্থক সমাপ্তি সূচক sentence কে বলা হয় Terminator.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.

৩৫.
Generous - Stingy ::
  1. Benevolent - Charitable 
  2. Lavish - Miserly
  3. Kind - Helpful
  4. Giving - Sharing
সঠিক উত্তর:
Lavish - Miserly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lavish - Miserly
ব্যাখ্যা

• Generous - Stingy ::
Generous: উদার; দানশীল।
Stingy: কৃপণ; কুঁচকানো।

• Given Options:
ক) Benevolent - Charitable 
Benevolent: শুভপ্রবৃত্ত; সদয়।
Charitable: দানশীল; দয়া প্রদর্শনকারী।

খ) Lavish - Miserly
Lavish: উদারভাবে দান করা বা ব্যয় করা।
Miserly: কৃপণ; টাকার প্রতি অত্যন্ত যত্নবান।

গ) Kind - Helpful
Kind: সদয়, সহানুভূতিশীল।
Helpful: সহায়ক, সাহায্যকারী।

ঘ) Giving - Sharing
Giving: দানশীল হওয়া; দান করা।
Sharing: ভাগাভাগি করা।

• Analogy: Generous : Stingy :: Lavish : Miserly
• কারণ এটি মূল শব্দজুটির মতো বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। 

৩৬.
Someone tried to ____ the truth about the incident.
  1. defy
  2. praise
  3. deny
  4. announce
সঠিক উত্তর:
deny
উত্তর
সঠিক উত্তর:
deny
ব্যাখ্যা

Options,
ক) defy:
- প্রকাশ্যে বিরোধিতা করা; যুদ্ধার্থে আহবান করা; স্পর্ধা দেখানো।

খ) praise: 
- প্রশংসা করা; ইতিবাচক মন্তব্য করা।

গ) deny:
- সত্য বলে স্বীকার না-করা; অসত্য বলে ঘোষণা করা; অস্বীকার করা

ঘ) announce: 
- ঘোষণা করা; তথ্য প্রকাশ করা।

• অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, শুন্যস্থানে deny বসালে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হবে।

Correct answer: গ) deny.

Complete sentence: Someone tried to deny the truth about the incident.
Bangla: কেউ ঘটনাটির সত্য অস্বীকার করার চেষ্টা করেছিল।

৩৭.
Who wrote the novel 'For Whom the Bell Tolls'?
  1. Charles Dickens
  2. Homer
  3. Lord Tennyson
  4. Ernest Hemingway
সঠিক উত্তর:
Ernest Hemingway
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ernest Hemingway
ব্যাখ্যা

• 'For Whom the Bell Tolls':
- এই নামে ইংরেজি সাহিত্যে দুইটি সাহিত্য কর্ম খুঁজে পাওয়া যায়।
1. A novel by Ernest Hemingway.
2. A poem by John Donne.
• প্রশ্নে যেহেতু novel উল্লেখ করা, তাই Ernest Hemingway এর সঠিক উত্তর। 

• For Whom the Bell Tolls (Novel)
- ১৯৪০ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি ১৯৩৭ সালে স্পেনের সেগোভিয়ার (Segovi) কাছাকাছি একটি শহরে বসবাস করা আমেরিকান শিক্ষক রবার্ট জর্ডানের (Robert Jordan) গল্প বলে যিনি ntifascist Loyalist army দের সাথে যোগ দিয়েছিলেন।
- The title is derived from Meditation 17 of John Donne’s Devotions upon Emergent Occasions (1624).
- This novel is set against the backdrop of the Spanish Civil War.

• উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র -
- Robert Jordan,
- Maria,
- Pablo,
- Pilar.

• Ernest Hemingway, in full Ernest Miller Hemingway is an American novelist and short-story writer.
- He was noted both for the intense masculinity of his writing and for his adventurous and widely publicized life.
- তাঁর সংক্ষিপ্ত এবং সুস্পষ্ট গদ্যশৈলী ২0 শতকে American and British কথাসাহিত্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছিল।
- ১৯৫৪ সালে The Old Man and The Sea Novel  এর জন্য Ernest Hemingway, Noble Prize লাভ করেন।

• তাঁর বিখ্যাত novel সমূহ - 
- The Sun Also Rises,
- The old man and The Sea,
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa ইত্যাদি
- The Sun Also Rises তার প্রথম novel যা Novelist হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে গুরুত্বপূর্ণ পালন করেছে।

Source: Britannica.

৩৮.
Who is the poet of the 'Victorian Age'?
  1. Helen Keller
  2. Mathew Arnold
  3. Shakespeare
  4. Thomas More
সঠিক উত্তর:
Mathew Arnold
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mathew Arnold
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে -  Mathew Arnold - 'Victorian Age' এর সাহিত্যিক।

• The Victorian period: [1832-1901]
- 19th century of English literature refers to The Victorian Period.
- 1832–1901- time frame is known as the ‘Victorian Period’ in English Literature.
- এই যুগটি Queen Victoria র নামে নামকরণ করা হয়।
- Queen Victoria যদিও 1837 সালে ক্ষমতায় আসে কিন্তু এই যুগটির সূচনা হয় 1832 সালে।
- এর কারণ হলো 1832 সাল থেকেই সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যে আমুল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
- Fabian Society was founded in 1883 to avoid violence in class-struggle.
- G.B. Shaw was one of the members of the Fabian Society.

• Victorian period মোট ২টি সময়কালে বিভক্ত।
- যথা:
- The Pre-Raphaelites: (1848-1860)
- Aestheticism & Decadence: (1880-1901)

• A list of writers of 'Victorian Age':
- Charles Dickens,
- Thomas Hardy,
- Matthew Arnold,
- Lord Alfred Tennyson,
- Robert Browning,
- George Eliot,
- Charlotte Bronte;
- Emily Bronte;
- Samuel Butler etc.

• Matthew Arnold: 
- তিনি একজন English Victorian poet এবং literary ও social critic.
- তিনি শুরুতে inspector of schools হিসেবে কাজ করেন। পরে তিনি professor of poetry  হিসেবে যোগ দান করেন Oxford এ।

• Some notable works: 
- Culture and Anarchy;
- Dover Beach;
- Empedocles on Etna;
- Essays in Criticism;
- God and the Bible;
- On Translating Homer;
- On the Study of Celtic Literature;
- Sohrab and Rustum;
- The Forsaken Merman;
- The Scholar Gipsy. 

উল্লেখ্য, 
• Helen Keller - Modern period এর writer; 
• Shakespeare - Rennaissance Period এর সাহিত্যিক।
• Thomas More - Rennaissance Period এর সাহিত্যিক।

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

৩৯.
“Failure is success if we learn from it.”
was stated by-
  1. Disraeli
  2. Emerson
  3. Gladstone
  4. Shakespeare
সঠিক উত্তর:
Gladstone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gladstone
ব্যাখ্যা

• William E. Gladstone is known for the famous quote, “Failure is success if we learn from it.”

- তাঁর পুরো নাম William Ewart Gladstone.
- তিনি ব্রিটেনের রাষ্ট্রনায়ক এবং চারবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

• William Ewart Gladstone এর কিছু বিখ্যাত উক্তি হলো -
- “Failure is success if we learn from it.”
- “No man ever became great or good except through many and great mistakes.”
- “Good laws make it easier to do right and harder to do wrong.”

Source: Britannica.com ‍and Live MCQ Lecture.

৪০.
The “Jessore Road” in the poem 'September on Jessore Road' refers to:
  1. A very busy road in Khulna
  2. A road taken by refugees fleeing Bangladesh
  3. A historical trade route in Asia
  4. A fictional road in Ginsberg’s imagination
সঠিক উত্তর:
A road taken by refugees fleeing Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A road taken by refugees fleeing Bangladesh
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: খ) A road taken by refugees fleeing Bangladesh.

- The Jessore Road was used by thousands of refugees fleeing the war-torn areas of Bangladesh in 1971.

 • September on Jessore Road:
- এটি একটি poem.
- রচনা করেন American poet ও activist Allen Ginsberg.
- তিনি 1971 সালের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব বাংলা শরণার্থীদের দুর্দশা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- গিন্সবার্গ এটি লিখেছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের যশোর সড়কের শরণার্থী শিবিরগুলো পরিদর্শন করার পর।

• Allen Ginsberg:
- তিনি একজন American poet.
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন June 3, 1926, Newark, New Jersey, U.S.
- তিনি মৃত্যুবরণ করেন April 5, 1997, New York, New York.

Notable works:
- Howl,
- Jack Kerouac and Allen Ginsberg: The Letters,
- Mind Breaths: Poems 1972-1977,
- Planet News,
- Reality Sandwiches,
- The Fall of America: Poems of These States, 1965-1971.

৪১.
যদি A = {x: x স্বাভাবিক সংখ্যা যা 3, 4 ও 6 দ্বারা বিভাজ্য এবং x < 80} হয় তবে P(A)-এর উপাদান সংখ্যা কত?
  1. 16
  2. 128
  3. 32
  4. 64
সঠিক উত্তর:
64
উত্তর
সঠিক উত্তর:
64
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি A = {x: x স্বাভাবিক সংখ্যা যা 3, 4 ও 6 দ্বারা বিভাজ্য এবং x < 80} হয় তবে P(A)-এর উপাদান সংখ্যা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
A = {x: x স্বাভাবিক সংখ্যা যা 3, 4 ও 6 দ্বারা বিভাজ্য এবং x < 80}
3, 4 ও 6 দ্বারা বিভাজ্য মানে সংখ্যাটি তাদের ল.সা.গু দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে।
∴ ল.সা.গু (3, 4, 6) = 12

∴ 80 অপেক্ষা ছোট 12 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো হলো: 12, 24, 36, 48, 60, 72
∴ A = {12, 24, 36, 48, 60, 72}
এখানে সেটের উপাদান সংখ্যা, n = 6

∴ P(A) এর সদস্য সংখ্যা = 2n
= 26
= 64

৪২.
যদি Moon : Satellite, তবে Earth : ?
  1. Sun
  2. Planet
  3. Solar System
  4. Comet
সঠিক উত্তর:
Planet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Planet
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি Moon : Satellite, তবে Earth : ?

সমাধান:
- এখানে প্রথম জোড়ার মধ্যে সম্পর্ক হলো— বস্তু : তার শ্রেণীবিভাগ (Object : Category)।
- চাঁদ (Moon) হলো একটি উপগ্রহ (Satellite)।

- একইভাবে, পৃথিবী (Earth) হলো একটি গ্রহ (Planet)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে Planet

• অন্যান্য অপশন:
- Sun: সূর্য একটি নক্ষত্র (Star), যা পৃথিবীর শ্রেণীভুক্ত নয়।
- Solar System: এটি গ্রহ-নক্ষত্রের সমষ্টি, যা কোনো একক বস্তুর শ্রেণী বোঝায় না।
- Comet: ধূমকেতু হলো মহাজাগতিক বরফ ও ধূলিকণা, যা পৃথিবীর প্রকৃতির সাথে মেলে না।

৪৩.
বার্ষিক ৮% হার মুনাফায় ২৫০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?
  1. ৩১৫০ টাকা
  2. ২৮৫১ টাকা
  3. ২৯১৬ টাকা
  4. ৩০৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৯১৬ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯১৬ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ৮% হার মুনাফায় ২৫০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
প্রারম্ভিক মূলধন, P = ২৫০০ টাকা
বার্ষিক মুনাফার হার, r = ৮% = ৮/১০০ = ২/২৫
সময়, n = ২ বছর

আমরা জানি,
চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ক্ষেত্রে,
সবৃদ্ধিমূল বা চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(১ + r)n
= ২৫০০(১ + ২/২৫)
= ২৫০০{(২৫ + ২)/২৫}
= ২৫০০(২৭/২৫)
= ২৫০০ × (২৭/২৫) × (২৭/২৫)
= ১০০ × (২৭/২৫) × ২৭
= ৪ × ২৭ × ২৭
= ৪ × ৭২৯
= ২৯১৬

∴ নির্ণেয় চক্রবৃদ্ধি মূলধন ২৯১৬ টাকা।

৪৪.
একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ ৩ সে.মি. এবং উচ্চতা ৭ সে.মি. হলে, উহার সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৩০π বর্গ সে.মি.
  2. ৬০π বর্গ সে.মি.
  3. ৮৪π বর্গ সে.মি.
  4. ৯৬π বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৬০π বর্গ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০π বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ ৩ সে.মি. এবং উচ্চতা ৭ সে.মি. হলে, উহার সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ, r = ৩ সে.মি.
উচ্চতা, h = ৭ সে.মি.

আমরা জানি,
সিলিন্ডারের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = 2πr(r + h)
= ২ × π × ৩(৩ + ৭)
= ৬π × ১০
= ৬০π বর্গ সে.মি.

∴ সিলিন্ডারের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = ৬০π বর্গ সে.মি.।

৪৫.
নিম্নের শব্দগুলো ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি পাওয়া যাবে?
(1) Mirror, (2) Mobile, (3) Manner, (4) Master, (5) Market
  1. 35124
  2. 45321
  3. 34152
  4. 35412
সঠিক উত্তর:
35412
উত্তর
সঠিক উত্তর:
35412
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিম্নের শব্দগুলো ইংরেজি অভিধান অনুসারে সাজালে কোন ক্রমটি পাওয়া যাবে?
(1) Mirror, (2) Mobile, (3) Manner, (4) Master, (5) Market

সমাধান:
এখানে প্রতিটি শব্দের প্রথম বর্ণ M যা সবগুলো শব্দের মধ্যে আছে।
(3) Manner বর্ণ a-এর পর n আসে, যা অভিধানে সবার প্রথমে আসে;
(5) Market বর্ণ a-এর পর r আসে, প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে এটি ২য়;
(4) Master বর্ণ a-এর পর s আসে, প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে এটি ৩য়;
(1) Mirror বর্ণ i আসে, যা a-এর পরে কিন্তু o-এর আগে, তাই এটি ৪র্থ;
(2) Mobile বর্ণ o আসে, যা i-এর পরে আসে, তাই এটি ৫ম;

∴ সঠিক ক্রম হবে 35412

৪৬.
এক ব্যক্তি টাকায় ২ টি এবং টাকায় ৪ টি করে সমান সংখ্যক লেবু ক্রয় করে টাকায় ৩ টি করে লেবু বিক্রয় করলেন। ঐ ব্যক্তির শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হলো তা নির্ণয় করুন। 
  1. ১০% লাভ
  2. ১১.১১% ক্ষতি
  3. ১২.৫০% লাভ
  4. ৮.২৫% ক্ষতি
সঠিক উত্তর:
১১.১১% ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.১১% ক্ষতি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক ব্যক্তি টাকায় ২ টি এবং টাকায় ৪ টি করে সমান সংখ্যক লেবু ক্রয় করে টাকায় ৩ টি করে লেবু বিক্রয় করলেন। ঐ ব্যক্তির শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হলো তা নির্ণয় করুন।

সমাধান:
ধরি,
টাকায় ২ টি করে ২ টাকায় ব্যক্তিটি ৪ টি লেবু ক্রয় করলো
টাকায় ৪ টি করে ১ টাকায় আরো ৪ টি লেবু ক্রয় করলো
৮ টি লেবু ক্রয় করলো ৩ টাকায়
∴ ১ টি লেবুর ক্রয়মূল্য ৩/৮ টাকা

৩ টি লেবুর বিক্রয়মূল্য ১ টাকা
১ টি লেবুর বিক্রয়মূল্য ১/৩ টাকা

ক্ষতি = ক্রয়মূল্য - বিক্রয়মূল্য
= (৩/৮) - (১/৩)
= (৯ - ৮)/২৪
= ১/২৪ টাকা

∴ শতকরা ক্ষতির হার = {(ক্ষতি/ক্রয়মূল্য) × ১০০}%
= {(১/২৪)/(৩/৮) × ১০০}%
= (১ × ৮ × ১০০)/(২৪ × ৩)%
= (১০০/৯)%
= ১১.১১% (প্রায়)

∴ ঐ ব্যক্তির শতকরা ১১.১১% ক্ষতি হলো।

৪৭.
৭ + ১২ + ১৭ + ২২ + …… ধারাটির কত তম পদ ৫০২?
  1. ৮০ তম পদ
  2. ৯৫ তম পদ
  3. ১০০ তম পদ
  4. ১১০ তম পদ
সঠিক উত্তর:
১০০ তম পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ তম পদ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৭ + ১২ + ১৭ + ২২ + …… ধারাটির কত তম পদ ৫০২?

সমাধান:
এখানে, ৭ + ১২ + ১৭ + ২২ + ……
এটি একটি সমান্তর ধারা,
যার প্রথম পদ, a = ৭
সাধারণ অন্তর, d = ১২ - ৭ = ৫

ধরি,
ধারাটির n তম পদ ৫০২

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n - ১)d
⇒ ৫০২ = ৭ + (n - ১)৫
⇒ ৫০২ = ৭ + ৫n - ৫
⇒ ৫০২ = ৫n + ২
⇒ ৫n = ৫০২ - ২
⇒ ৫n = ৫০০
⇒ n = ৫০০/৫
∴ n = ১০০

∴ ধারাটির ১০০ তম পদ ৫০২

৪৮.
যদি D = 8, H = 16 এবং L = 24 হয়, তবে M + A + T + H = কত?
  1. 60
  2. 76
  3. 84
  4. 92
সঠিক উত্তর:
84
উত্তর
সঠিক উত্তর:
84
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি D = 8, H = 16 এবং L = 24 হয়, তবে M + A + T + H = কত?

সমাধান:


ইংরেজী বর্ণমালা অনুসারে বর্ণগুলোর অবস্থানের মানকে 2 দিয়ে গুণ করা হয়েছে।
D এর অবস্থান 4; D = 4 × 2 = 8
H এর অবস্থান 8; H = 8 × 2 = 16
L এর অবস্থান 12; L = 12 × 2 = 24

একইভাবে,
M এর অবস্থান 13; M = 13 × 2 = 26
A এর অবস্থান 1; A = 1 × 2 = 2
T এর অবস্থান 20; T = 20 × 2 = 40
H এর অবস্থান 8; H = 8 × 2 = 16

M + A + T + H = 26 + 2 + 40 + 16
∴ M + A + T + H = 84

৪৯.
যদি log√2 x = 12 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 64
  2. 125
  3. 256
  4. √27
সঠিক উত্তর:
64
উত্তর
সঠিক উত্তর:
64
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি log√2 x = 12 হয়, তবে x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
log√2 x = 12
⇒ x = (√2)12   [logaM = n ⇒ an = M]
⇒ x = (21/2)12
⇒ x = 2(1/2) × 12
⇒ x = 26
∴ x = 64

৫০.
x2 - 7x + 12 > 0 অসমতাটির সমাধান কোনটি?
  1. (- ∞, 6) ∪ (2, + ∞)
  2. (- ∞, - 2) U (5, + ∞)
  3. (- ∞, 3) ∪ (4, + ∞)
  4. (- ∞, - 4) U (- 3, + ∞)
সঠিক উত্তর:
(- ∞, 3) ∪ (4, + ∞)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(- ∞, 3) ∪ (4, + ∞)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 - 7x + 12 > 0 অসমতাটির সমাধান কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x2 - 7x + 12 > 0
⇒ x2 - 4x - 3x + 12 > 0
⇒ x(x - 4) - 3(x - 4) > 0
⇒ (x - 4)(x - 3) > 0

দুইটি রাশির গুনফল তখনই ধনাত্মক বা শূন্য অপেক্ষা বড় হবে যদি উভয়ই ধনাত্মক অথবা উভয়েই ঋণাত্মক হয়।

ক্ষেত্র ১: উভয়ই ধনাত্মক হলে,
x - 4 > 0 এবং x - 3 > 0
⇒ x > 4 এবং x > 3
∴ x > 4

ক্ষেত্র ২: উভয়ই ঋণাত্মক হলে,
x - 4 < 0 এবং x - 3 < 0
⇒ x < 4 এবং x < 3
∴ x < 3

সুতরাং, অসমতাটির সমাধান হলো: x < 3 অথবা x > 4
ব্যবধিতে প্রকাশ করলে: (- ∞, 3) ∪ (4, + ∞)

৫১.
নিচের প্রশ্নবোধক চিহ্নে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
  1. 112
  2. 142
  3. 156
  4. 204
সঠিক উত্তর:
142
উত্তর
সঠিক উত্তর:
142
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের প্রশ্নবোধক চিহ্নে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
এখানে, ১ম চিত্রে:
(101 + 15) - (43 + 35)
= 116 - 78
= 38

এখন, ২য় চিত্রে:
(48 + 184) - (34 + 56)
= 232 - 90
= 142

∴ প্রশ্নবোধক চিহ্নে 142 সংখ্যাটি বসবে।

৫২.
SUCCESS শব্দটির অক্ষরগুলো নিয়ে গঠিত বিন্যাস সংখ্যা কত?
  1. 60
  2. 120
  3. 360
  4. 420
সঠিক উত্তর:
420
উত্তর
সঠিক উত্তর:
420
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: SUCCESS শব্দটির অক্ষরগুলো নিয়ে গঠিত বিন্যাস সংখ্যা কত?

সমাধান:
SUCCESS শব্দটিতে মোট 7টি অক্ষর আছে।
এখানে, অক্ষর 'S' আছে 3 বার এবং অক্ষর 'C' আছে 2 বার।
অন্যান্য অক্ষরগুলো (U, E) একবার করে আছে।

আমরা জানি, n সংখ্যক বস্তুর মধ্যে p সংখ্যক এবং q সংখ্যক বস্তু একজাতীয় হলে বিন্যাস সংখ্যা = n!/(p! × q!)

∴ নির্ণেয় বিন্যাস সংখ্যা = 7!/(3! × 2!)
= (7 × 6 × 5 × 4 × 3 × 2 × 1)/{(3 × 2 × 1) × (2 × 1)}
= 5,040/(6 × 2)
 = 5,040/12
= 420

৫৩.
tanθ = 5/12 হলে cosecθ = ?
  1. 13/5
  2. 13/12
  3.  5/13
  4. 12/13
সঠিক উত্তর:
13/5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13/5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: tanθ = 5/12 হলে cosecθ = ?

সমাধান:
দেয়া আছে,
tanθ = 5/12
⇒ cotθ = 12/5

আমরা জানি,
cosec2θ − cot2θ = 1
⇒ cosec2θ = 1 + cot2θ
⇒ cosec2θ = 1 + (12/5)2
⇒ cosec2θ = 1 + (144/25)
⇒ cosec2θ = (25 + 144)/25
⇒ cosec2θ = 169/25
⇒ cosecθ = √(169/25)
∴ cosecθ = 13/5

৫৪.
'Eloquent' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি চিহ্নিত করুন।
  1. Silent
  2. Articulate
  3. Confused
  4. Hesitant
সঠিক উত্তর:
Articulate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Articulate
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'Eloquent' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি চিহ্নিত করুন।

সমাধান:
Eloquent (adjective): সুবক্তা; প্রাঞ্জলভাবে ও প্রভাবশালীভাবে কথা বলতে বা লিখতে সক্ষম; বাগ্মী।

- Silent: নীরব; নিশ্চুপ; কথাহীন।
- Articulate: স্পষ্টভাষী; প্রাঞ্জলভাবে মনোভাব প্রকাশে সক্ষম।
- Confused: বিভ্রান্ত; অস্পষ্ট; হতবুদ্ধি।
- Hesitant: দ্বিধাগ্রস্ত; ইতস্তত করে এমন।

অপশন বিবেচনায় — 'Eloquent' অর্থ সুন্দর ও প্রাঞ্জলভাবে কথা বলা, যা Articulate শব্দটির অর্থের সাথে সবচেয়ে মিল।
∴ সঠিক উত্তর: খ) Articulate

৫৫.
P(A) = 1/5, P(B) = 1/2 এবং A ও B স্বাধীন হলে, P(A ∪ B) এর মান কত?
  1. 1/2
  2. 3/5
  3. 7/8
  4. 2/3
সঠিক উত্তর:
3/5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3/5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P(A) = 1/5, P(B) = 1/2 এবং A ও B স্বাধীন হলে, P(A ∪ B) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P(A) = 1/5, P(B) = 1/2

আমরা জানি, P(A ∪ B) = P(A) + P(B) - P(A ∩ B) ........(১)

যেহেতু A ও B স্বাধীন ঘটনা,
∴ P(A ∩ B) = P(A) × P(B)

এখন (১) নং সমীকরণে মান বসিয়ে পাই,
∴ P(A ∪ B) = P(A) + P(B) - {P(A) × P(B)}
= (1/5) + (1/2) - {(1/5) × (1/2)}
= {(2 + 5)/10} - (1/10)
= (7/10) - (1/10)
= (7 - 1)/10
= 6/10
= 3/5

৫৬.
কোন মৌলের পরমাণু স্বাধীন বা মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে?
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ঘ) হিলিয়াম

• পরমাণু:

- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 

• পরমাণুর বৈশিষ্ট্য: 
১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
৪. একমাত্র হাইড্রোজেন ছাড়া সকল পদার্থের পরমাণু তিনটি কণা দিয়ে তৈরি। সেগুলো হচ্ছে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। এই কণাগুলোকে পরমাণুর সাংগঠনিক (fundamental) বা মৌলিক কণা বলে।
৫. পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরতে থাকে। 


♦ নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Noble Gases) মৌলগুলোর পরমাণু স্বাধীন বা মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে। এদের সর্বশেষ শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস পূর্ণ থাকায় এরা অন্য কোনো পরমাণুর সাথে বিক্রিয়া করে না বা অণু গঠন করে না। যেমন: হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন  এবং রেডন।  
 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৭.
উইন্ডোজ (Windows) কোন প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা অপারেটিং সিস্টেম?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. আইবিএম (IBM)
  4. মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ঘ) মাইক্রোসফট কর্পোরেশন

• Windows:

- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম
- Windows হলো একটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এবং Windows একটি closed source অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। 
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়।
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না।
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮।
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• মাইক্রোসফট কর্পোরেশন (Microsoft Corporation):
- মাইক্রোসফট কর্পোরেশন একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যা ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং পল অ্যালেন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত।
- ওয়াশিংটনের রেডমন্ডে সদর দপ্তর অবস্থিত।
- এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট ৩৬৫ (অফিস) স্যুট, এবং Azure ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত । 

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Geeksforgeeks.
৩. Britannica [Link]

৫৮.
মানবদেহে কত জোড়া 'অটোজোম' থাকে?
  1. ১ জোড়া
  2. ২৩ জোড়া
  3. ২২ জোড়া
  4. ৪৬ জোড়া
সঠিক উত্তর:
২২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ জোড়া
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : গ) ২২ জোড়া

• ক্রোমোজোম:
 
- ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত ডিএনএ (DNA) ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত সুতার মতো বংশগতির বাহক, যা কোষ বিভাজনের সময় দৃশ্যমান হয়।
- এগুলো জিনের ধারক হিসেবে জীবের সমস্ত বংশগতীয় বৈশিষ্ট্য (যেমন- চোখের রং, উচ্চতা) এক প্রজন্মে থেকে অন্য প্রজন্মে সঞ্চারিত করে, তাই একে বংশগতির ভৌতভিত্তি বলা হয়। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম। 
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।  

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
কম্পিউটার যেসব ডেটা বারবার ব্যবহার করে তা কোথায় জমা থাকে?
  1. Cache Memory
  2. Hard Disk
  3. ROM
  4. Register
সঠিক উত্তর:
Cache Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cache Memory
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক) Cache Memory

• RAM:

- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।
 
• ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

• Cache Memory:
- কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
- সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache Memory তে অবস্থান করে
- Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।

• Register:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

• Hard Disk:
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা-গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি।
- গোলাকার পাতগুলোর উভয় পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থ ফেরিক অক্সাইডের প্রলেপ থাকে এবং একটির ওপরে একটি স্তূপ আকারে বসানো থাকে। পাতগুলোর মাঝখানে থাকে একটি দণ্ড। উক্ত দণ্ডের সাহায্যেই পাতগুলো একটির ওপরে একটি করে বসানো থাকে। কাজের সময় পাতগুলো প্রতি মিনিটে ৭২০০ বা আরো বেশিবার আবর্তিত হয়।
- হার্ডডিস্ক সাধারণত মটর, স্পিন্ডল, রিড-রাইট হেড, অ্যাকিউটর, ফ্রেম, এয়ার ফিল্টার, গ্লাস অথবা সিরামিক এবং ইলেকট্রনিক্সের সমন্বয়ে গঠিত, যা চুম্বকীয় মাধ্যম দ্বারা আবৃত্ত থাকে।
- একেবারে ওপরের ডিস্কের ওপরের পৃষ্ঠ এবং নিচের ডিস্কের নিচের পৃষ্ঠ ছাড়া অন্য ডিস্কগুলোর উভয় পৃষ্ঠ এবং ওপরের ও নিচের ডিস্কের ভেতরের দিকের পৃষ্ঠে উপাত্ত, তথ্য, প্রোগ্রাম ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
 
উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
কেন জেট বিমানগুলো সাধারণত স্ট্রাটোমন্ডল স্তর দিয়ে চলাচল করে?
  1. এই স্তরে বাতাসের চাপ অনেক বেশি থাকে
  2. এই স্তরে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে
  3. এই স্তরে প্রচুর মেঘ থাকে
  4. আবহাওয়া শুষ্ক ও শান্ত থাকে এবং ঝড়-বৃষ্টি থাকে না
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া শুষ্ক ও শান্ত থাকে এবং ঝড়-বৃষ্টি থাকে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া শুষ্ক ও শান্ত থাকে এবং ঝড়-বৃষ্টি থাকে না
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ঘ) আবহাওয়া শুষ্ক ও শান্ত থাকে এবং ঝড়-বৃষ্টি থাকে না

• স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere):

- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তর হলো স্ট্রাটোমন্ডল বা স্ট্রাটোস্ফিয়ার যা উর্ধ্বে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি এমনই একটি স্তর যা জলীয়বাষ্পবিহীন।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে বলা হয় স্ট্রাটোবিরতি বা স্ট্রাটোপস।

• স্ট্রাটোমন্ডলের বৈশিষ্ট্য:
ক) স্ট্রাটোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ অনেক কম।
খ) এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের পরিমাণ বেশি থাকায় সূর্য হতে আগত অতিবেগুনী রশ্মি এই ওজোন স্তর শুষে নেয়।
গ) এই স্তরের নিম্নে উষ্ণতার তেমন পরিবর্তন না হলেও ১০ কিলোমিটার থেকে ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়তে বা ওজোনোস্ফিয়ার থাকে। এই উষ্ণতা বৃদ্ধি উচ্চ স্ট্রাটোমন্ডলে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
ঘ) পৃথিবীতে প্রাণিজগতের বসবাসের উপকারী পরিবেশ তৈরিতে এই স্তরের ভূমিকা রয়েছে। এই স্তরেই সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি শোষণ করে নেয়া হয়।
ঙ) স্ট্রাটোমন্ডলে ধূলিকণার পরিমাণ নগন্য এবং মেঘ দেখাই যায় না।
চ) এই স্তরে আবহাওয়া শুষ্ক ও শান্ত থাকে। সাধারণত জেট বিমানগুলো এই স্তর দিয়ে চলাফেরা করতে পারে কারণ ঝড়-বৃষ্টি থাকে না
ছ) প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে এবং তা স্ট্রাটোমন্ডলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌছায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
VIRUS-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Vital Information Resources Under Seize
  2. Virtual Information Resources Under Seize
  3. Vital Important Resources Under System
  4. Virtual Important Resources Under System
সঠিক উত্তর:
Vital Information Resources Under Seize
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vital Information Resources Under Seize
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক) Vital Information Resources Under Seize 

• কম্পিউটার ভাইরাস (Computer Virus):

- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে। সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে। - VIRUS -এর পুরো নাম হলো Vital Information Resources under Seize। প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাসের নাম হলো- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) মান কত?
  1. ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড
  2. শূন্য
  3. অসীম
  4. ১০ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : খ) শূন্য 

• অভিকর্ষ:

- এ মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাই মহাকর্ষ।
- দুটি বস্তুর একটি যদি পৃথিবী হয়, তাহলে পৃথিবী বস্তুটিকে যে বলে আকর্ষণ করে তাকে মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলে। অর্থাৎ কোনো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণই অভিকর্ষ। 
- সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ, কিন্তু পৃথিবী এবং বিজ্ঞান বই-এর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ।

• অভিকর্ষজ ত্বরণ: 
- বল প্রয়োগ করলে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তন হয়। সময়ের সাথে যে হারে বেগ বৃদ্ধি পায় তাকে ত্বরণ বলে। অভিকর্ষ বলের প্রভাবেও বস্তুর ত্বরণ হয়। এ ত্বরণকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বলা হয়।
- যেহেতু বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে, সুতরাং অভিকর্ষ বলের প্রভাবে কোনো স্থানে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।
- অভিকর্ষজ ত্বরণকে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ এক প্রকার ত্বরণ, সুতরাং এর একক হবে ত্বরণের একক অর্থাৎ মিটার/সেকেন্ড
- কোনো বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষিত হয় তাকে তার ওজন বলে। 
আমরা জানি, 
W = mg 
এখানে, 
m = বস্তুর ভর।
g = অভিকর্ষজ ত্বরণ যার মান 9.8 m/s2 । 
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভূপৃষ্ঠে সর্বোচ্চ। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত নিচে/উপরে যাওয়া যায় এর মান তত কমতে থাকে। 
- এজন্য g এর মান পাহাড়ে বা খনির ভেতরে কম। 
- মেরু অঞ্চলে g এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান শূন্য

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৬৩.
ইন্টারপ্রেটার ও কম্পাইলারের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?
  1. ইন্টারপ্রেটার দ্রুত কাজ করে
  2. ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না
  3. ইন্টারপ্রেটার কেবল নিচু স্তরের ভাষায় কাজ করে
  4. ইন্টারপ্রেটার সব লাইন একসাথে অনুবাদ করে
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : খ) ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:

- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. কম্পাইলার,
২. ইন্টারপ্রেটার ও
৩. অ্যাসেম্বলার। 

• কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
- ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।
- তবে ইন্টারপ্রেটারের অসুবিধা হচ্ছে অনুবাদের ক্ষেত্রে এটি ধীর গতি সম্পন্ন এবং প্রতিবার প্রোগ্রাম নির্বাহের ক্ষেত্রে প্রতিটি স্টেটমেন্ট নতুন করে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়।

• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।
- এ ভাষার প্রত্যেকটি নির্দেশকে অ্যাসেম্বলার মেশিন ভাষার একটি নির্দেশে পরিণত করে। ভুল সংশোধনের পর এ ভাষা পুনরায় প্রথম নির্দেশ থেকে অনুবাদের কাজ শুরু করে।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।

৬৪.
হাইড্রেজেন পরমাণুর আইসোটোপ ট্রিটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা কয়টি?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. 3
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : গ) 2

• আইসোটপ (Isotopes):

- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি H পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান। কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ।
- ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম হাইড্রেজেন পরমাণুর আইসোটোপ।
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়।



উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।  

৬৫.
বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ কোন মূল কোম্পানির অধীনে পরিচালিত হচ্ছে?
  1. গুগল
  2. আলফাবেট
  3. মাইক্রোসফট
  4. মেটা
সঠিক উত্তর:
মেটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেটা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ঘ) মেটা

• ফেসবুক:

- বর্তমান CEO: মার্ক জাকারবার্গ- প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা
- সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো- ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি

• ইনস্টাগ্রাম:
- ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
- ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন কেভিন সাইস্ট্রম ও মাইক ক্রিঞ্জার।
- এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়।
- ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
- বর্তমানে ফেসবুকের মতন ইনস্টাগ্রামও মেটার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

• হোয়াটসঅ্যাপ:
- হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) হলো মেটা-র মালিকানাধীন একটি জনপ্রিয় এবং বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য মেসেজিং ও কলিং অ্যাপ।
- এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাহায্যে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ব্যক্তিগত মেসেজ আদান-প্রদান এবং অডিও-ভিডিও কল করা যায়। 
- এতে 'এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন' থাকে, ফলে প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া অন্য কেউ (এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ নিজেও) মেসেজ পড়তে পারে না।
- টেক্সট মেসেজ ছাড়াও ভয়েস নোট, ছবি, ভিডিও, স্টিকার, জিআইএফ এবং বিভিন্ন ডকুমেন্ট শেয়ার করা যায়।
- বড় গ্রুপ তৈরি করে কথা বলা ছাড়াও নতুন 'চ্যানেল' ফিচারের মাধ্যমে পছন্দের টপিক নিয়ে আপডেট থাকা যায়।
- একক কলের পাশাপাশি একসাথে ৩২ জন পর্যন্ত গ্রুপ ভিডিও কল করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা এ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৬৬.
ক্লোরোপ্লাস্ট কেন সবুজ বর্ণের হয়?
  1. ক্যারোটিন বেশি থাকে বলে
  2. জ্যান্থোফিল বেশি থাকে বলে
  3. ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিক মাত্রায় থাকে বলে
  4. সূর্যের আলোর প্রতিফলনের কারণে
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিক মাত্রায় থাকে বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিক মাত্রায় থাকে বলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : গ) ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিক মাত্রায় থাকে বলে 

• ক্লোরোপ্লাস্ট:
 
- সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরোপ্লাস্ট। 
- ক্লোরোফিল-a, ক্লোরোফিল-b, ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিলের সমন্বয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত। 
- ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা (pigment) অধিক মাত্রায় ধারণ করে বলে এরা সবুজ বর্ণের। 
- এতে অন্যান্য বর্ণকণিকাও কিছু কিছু পরিমাণে বিদ্যমান থাকে। 
- ১৮৮৩ সালে বিজ্ঞনী শিম্পার সর্বপ্রথম উদ্ভিদ কোষে সবুজ বর্ণের প্লাস্টিড লক্ষ্য করেন এবং নামকরণ করেন ক্লোরোপ্লাস্ট। 

• ক্লোরোপ্লাস্টের গঠন (ভৌত গঠন): 
- সমস্ত ক্লোরোপ্লাস্ট একটি দুই স্তরবিশিষ্ট আংশিক অনুপ্রবেশ্য (semipermeable) মেমব্রেন (ঝিল্লি) দ্বারা আবৃত থাকে। 
- ক্লোরোপ্লাস্ট মেমব্রেনে ফসফোলিপিড-এর পরিবর্তে গ্লাইকোসিল গ্লিসারাইড (glycosyl glyceride) থাকে।
- এটি একটি ব্যতিক্রমী গঠন। 
- ক্লোরোপ্লাস্ট হলো তিন মেমব্রেন দ্বারা তৈরি ৩ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট একটি অঙ্গাণু। 


উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

৬৭.
CDMA প্রযুক্তিতে ডেটা আদান-প্রদানের বিশেষ পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. স্প্রেড স্পেকট্রাম
  2. প্যাকেট সুইচিং
  3. গ্লোবাল রোমিং
  4. ইউনিক চ্যানেল
সঠিক উত্তর:
স্প্রেড স্পেকট্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্প্রেড স্পেকট্রাম
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক) স্প্রেড স্পেকট্রাম

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।


২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৬৮.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. f = c/λ
  2. E = hf
  3. E = hc/λ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ঘ) উপরের সবগুলো 

• ফোটন কণা:
 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ, আলো তড়িৎ ক্রিয়া, কম্পটন ক্রিয়াগুলোকে ব্যাখ্যা করার জন্য বিকিরণ শক্তিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেটের গুচ্ছ প্রবাহ আকারে বিবেচনা করা হয়। এই শক্তিকে আলোর কোয়ান্টা (quanta) বা ফোটন (photon) বলে। 

• প্রতিটি ফোটনের শক্তি মান E = hf, যেখানে কম্পাংক, f = c/λ
বা, E = hf 
বা, E = h × c/λ 
E = hc/λ 

এখানে, λ হলো বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯.
'Natural Language Processing' নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং
  3. নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি
  4. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ডিজাইন
সঠিক উত্তর:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : খ) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং 

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।


• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

Natural Language Processing (NLP):
- Natural Language Processing হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কম্পিউটার মানুষের ভাষা বুঝতে, বিশ্লেষণ করতে ও প্রতিক্রিয়া দিতে পারে।
- এটি Artificial Intelligence–এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা
- এর মাধ্যমে চ্যাটবট, ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট (যেমন Siri বা Alexa) এবং গুগল ট্রান্সলেটের মতো প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
১৯৭১ সালে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনা করে কোন ব্যান্ড? 
  1. বিটলস
  2. রোলিং স্টোনস
  3. কুইনস 
  4. লেড জেপেলিন
সঠিক উত্তর:
বিটলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটলস
ব্যাখ্যা

• 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ': 
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ারে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের শরনার্থীদের সহায়তা করা।
- কনসার্ট ফর বাংলাদেশের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশংকর।
- এই অনুষ্ঠানে মার্কিন ব্যান্ডদল 'বিটলস' পারফর্ম করে।
- এতে জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, রিঙ্গো স্টার প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশর আকবর আলী খাঁ, তবলাবাদক ওস্তাদ আল্লারাখা প্রমুখ এতে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট ও দৈনিক জনকণ্ঠ। 

৭১.
ইতিহাসে রোমান সভ্যতার বিশেষ অবদান কোন ক্ষেত্রে সর্বাধিক? 
  1. জ্যোতির্বিদ্যা
  2. স্থাপত্যকলা
  3. আইন প্রণয়ন
  4. সমরবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

• রােমান সভ্যতা:
- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রােম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- এ সময় একটি সভা ও সিনেট ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রােমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রােমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল। 
- রোমের অর্থনীতি ছিলো দাসদের উপর নির্ভরশীল। 

সভ্যতায় রোমের অবদান:
- রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
- তারা এসব বিষয়ে গ্রিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ করেছে।
- তবে সামরিক সংগঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন ও প্রকৌশল বিদ্যায় তারা গ্রিক ও অন্যান্য জাতির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল।
- রোমানদের সবচেয়ে বড় অবদান আইনের ক্ষেত্রে।
- এ ক্ষেত্রে আধুনিক বিশ্ব রোমানদের কাছে ব্যাপক ঋণী।

তথ্যসূত্র:
 i) ব্রিটানিকা। 
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৭২.
যুদ্ধবন্দিদের বিচারের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সংবিধানে কততম সংশোধনী আনা হয়েছিল?
  1. প্রথম সংশোধনী
  2. দ্বিতীয় সংশোধনী
  3. তৃতীয় সংশোধনী
  4. চতুর্থ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭বার সংশোধন হয়েছে।

⇒ প্রথম সংশোধনী:
- ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই বাংলাদেশ সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনা হয়।
- এ সংশোধনীতে বাংলাদশ সংবিধানের ৪৭নং অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করা হয়।
- উক্ত সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৭-(ক) নামে একটি নতুন অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত হয়েছে।
- প্রথম সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল 'গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনে অন্যান্য অপরাধ' এর বিচার ও শাস্তি অনুমোদন।
- এ সংশোধনীর ফলে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী ও গণহত্যার অভিযোগে বন্দিদের বিচারের পথ সহজ হয়।

অন্যদিকে,
- ১৯ ৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সংসদে গৃহীত সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী ছিল অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার বিধান সম্পর্কিত।
- সংবিধানের সর্বশেষ, অর্থাৎ সপ্তদশ সংশোধনী হয় ২০১৮ সালের ৮ জুলাই। আরও ২৫ বছরের জন্য জাতীয় সংসদের ৫০টি আসন শুধুমাত্র নারীদের জন্য সংরক্ষিত রেখে সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী পাশ করে সংসদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭৩.
নেলসন ম্যান্ডেলা কত সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা

• নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।
- নেলসন মেন্ডেলার রাজনৈতিক দল - আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।

⇒ ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

⇒ কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র:
i) Britannica.
ii) BBC.

৭৪.
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কোনটি? 
  1. নাগোয়া প্রটোকল
  2. কার্টাগোনা প্রটোকল
  3. কিয়োটো প্রটোকল
  4. বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
কার্টাগোনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগোনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রোটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যদিকে, 
- নাগোয়া প্রটোকল  জৈব বৈচিত্র্য সম্পর্কিত কনভেনশন। 
- কিয়োটো প্রটোকল জলবায়ু পরিবর্তন (Climate Change) এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস বিষয়ক চুক্তি। 
- বাসেল কনভেনশন বিপজ্জনক বর্জ্য (Hazardous Waste) এর সীমান্ত অতিক্রমকারী চলাচল নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক চুক্তি। 

তথ্যসূত্র: UNTC ওয়েবসাইট।

৭৫.
সুশাসনের মূলনীতির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
  2. কর্তৃত্ববাদী শাসন
  3. কেন্দ্রীভূত সিদ্ধান্ত গ্রহণ
  4. স্বজন প্রীতি ও পক্ষপাতিত্ব
সঠিক উত্তর:
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা

• সুশাসন:
- সুশাসন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে - Good Governance.
- সুশাসন প্রত্যয়টি সর্বপ্রথম ব্যবহার করে - জাতিসংঘ।
- সুশাসনের ধারণা সর্বপ্রথম দেয় - বিশ্বব্যাংক।
- বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসনের ধারণা দেয় ১৯৮৯ সালে।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
- জাতিসংঘের সংস্থা UNDP সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে - সুশাসন।
- সুশাসনের মূলনীতি হচ্ছে - স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। 
- সুশাসনের জন্য প্রয়োজন - আইনের শাসন।

উল্লেখ্য,
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সরকার গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত এবং সম্পাদিত কাজের জন্য আইনসভার নিকট
দায়বদ্ধ থাকে।
- আইন সভার সদস্যগণ জনগনের নির্বাচিত প্রতিনিধি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

৭৬.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

• সাবাস বাংলাদেশ:
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘সাবাস বাংলাদেশ’।
- ভাস্কর্যটির ভাস্কর - নিতুন কুণ্ডু।
- ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এটি উদ্বোধন করেন।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাবাশ বাংলাদেশ কবিতার নামানুসারে এটির নামকরণ করা হয়।
 
• নিতুন কুন্ডু:
- নিতুন কুন্ডু চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর, শিল্পপতি।
- জন্ম ১৯৩৫ সালের ৩ ডিসেম্বর দিনাজপুরে।
- নিতুন কুন্ডু সিনেমার ব্যানার এঁকে নিজের আয়ে শিক্ষা অর্জন করেন।
- ১৯৫৪ সালে তিনি ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন এবং ১৯৫৯ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে চিত্রশিল্পে স্নাতক সমমানের পাঁচ বছরের কোর্স সমাপ্ত করেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অধীনে তথ্য ও প্রচার বিভাগে ডিজাইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ওই সময়ে তাঁর আঁকা একটি পোস্টারের স্লোগান ছিল: ‘সদাজাগ্রত বাংলার মুক্তিবাহিনী’।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।

৭৭.
পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র 'সিয়াচেন হিমবাহ' কোথায় অবস্থিত?
  1. হিমাচল
  2. কাশ্মীর
  3. হায়দারাবাদ  
  4. কাঠমান্ডু
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
ব্যাখ্যা

• সিয়াচেন হিমবাহ:
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ  বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৪ সালে ভারত অপারেশন মেঘদূতের (Operation Meghdoot) মাধ্যমে সিয়াচেন হিমবাহের ৭০% নিয়ন্ত্রণ নেয়।

তথ্যসূত্র:
i) Britannica.
ii) BBC.

৭৮.
'বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন' কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে? 
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন: 
- বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত।
- বাংলাদেশে উন্নয়নশীল দেশের অবস্থান থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে কাঙ্খিত প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং ভোক্তার স্বার্থরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিযোগিতা কমিশনের লক্ষ্য।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ: 
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১০টি দপ্তর/সংস্থা রয়েছে। [জানুয়ারি - ২০২৫]
- এ দপ্তর/সংস্থা সমূহের প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রশাসন অনুবিভাগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ ছাড়াও বিসিএস (ট্রেড) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সকল কার্যাদি এ অনুবিভাগের মাধ্যমে হয়।

→ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ নিম্নরূপ:
১) বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
২) বাংলাদেশ ট্রেড এণ্ড ট্যারিফ কমিশন,
৩) যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর,
৪) বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
৫) বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৬) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৭) আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৮) রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো,
৯) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
১০) বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল।

তথ্যসূত্র: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 

৭৯.
শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

• শেনজেন অঞ্চল:
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- শেনজেন ভুক্ত দেশ: ২৯টি।
- ১ জানুয়ারী ২০২৫ এ সম্পূর্ণরূপে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। (জানুয়ারি, ২০২৬)

উল্লেখ্য:
- লিচেনস্টাইন, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে এই দেশ চারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও শেনজেনভুক্ত দেশের তালিকায় রয়েছে।

তথ্যসূত্র: European Union ওয়েবসাইট।

৮০.
বাংলাদেশে সরকারিভাবে বীজ উৎপাদনকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BRRI 
  3. BADC
  4. BARC
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান - BADC.

• BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কাজ কৃষি উন্নয়ন।
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: BADC ওয়েবসাইট। 

৮১.
UNODC এর পূর্ণরূপ হলো - 
  1. United Nations Department of Commerce
  2. United Nations Office on Drugs and Crime
  3. United Nations Organization for Drug Management
  4. United Nations Development and Crime Office
সঠিক উত্তর:
United Nations Office on Drugs and Crime
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations Office on Drugs and Crime
ব্যাখ্যা

• UNODC:
- UNODC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Office on Drugs and Crime.
- UNODC হলো জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক সংস্থা।
- এর প্রধান মিশন হলো বিশ্বকে মাদক, সংগঠিত অপরাধ, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসবাদ থেকে নিরাপদ করা।
- UNODC  প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৭ সালে।
- সদর দপ্তর: অস্টিয়ার ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

- জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক মাদক নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (ইউএনডিসিপি) এবং জাতিসংঘ অপরাধ দমন ও বিচার বিভাগ এর সমন্বয়ে এই সংস্থাটি গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: UNODC ওয়েবসাইট।

৮২.
অ্যাটর্নি জেনারেল কোন রাষ্ট্রের কোন বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন? 
  1. বিচার বিভাগ
  2. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 

৮৩.
প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ৪ সেকেন্ড 
  2. ৪ মিনিট
  3. ৬ মিনিট
  4. ৮ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক টাইম জোন:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।  

৮৪.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. স্পেন 
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া শান্তিচুক্তি: 
- ওয়েস্টফেলিয়া  জার্মানিতে অবস্থিত।
- ১৬৪৮ সালের ২৪ অক্টোবর এখানে ওয়েস্টফেলিয়া শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ১৬৪৮ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির ফলে ৩০ বছরের যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।
- ওয়েস্টফালিয়ার চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশ অর্থাৎ স্পেন, ফ্রান্স, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস, ওয়েস্টফালিয়ার, পবিত্র - রোম সাম্রাজ্য, সুইডেন, রাশিয়া, ইংল্যান্ড, পোল্যান্ড সহ অন্যান্য দেশের মধ্যে। 
- এসব দেশ প্রায় ৩০ বছর (১৬১৮-১৬৪৮) যাবত যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। 
- এ যুদ্ধে প্রায় ৮০ লক্ষ সামরিক ও বেসামরিক লোক হতাহত হয়। 
- মূলত যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে শান্তি স্থাপনই এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল।

• ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ/ Thirty Years War:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

উৎস:
i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫.
সংসদের কোরাম সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৭১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৭৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭৮ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭৫ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• কোরাম:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- জাতীয় সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সংসদ সংখ্যা ৬০ জনের কম বলে যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় তাহলে তিনি অনূন্য ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন কিংবা মুলতবি করবেন।

উল্লেখ্য,
- কোরাম বলতে বুঝায় একটি বৈধ সভার শুরু হতে শেষ পর্যন্ত ভোটদানের অধিকারী সদস্যের একটি নূন্যতম সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা প্রতিনিধি উপস্থিত থাকা এবং নূন্যতম এই সংখ্যা সংগঠনের আইন নিয়ম দ্বারা পূর্বেই নির্ধারিত করে দেওয়া।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ৭১: দ্বৈত সংসদ-সদস্যতায় বাধা।  
- অনুচ্ছেদ ৭৩: সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী
- অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৮৬.
বিশ্বব্যাংক সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে কত সালে?
  1. ১৯৮৯ সালে 
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

• সুশাসন:
- বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসন হল এমন এক প্রক্রিয়া যেখানে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ সমাজের সমস্যা ও চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংস্থাটি সুশাসনকে সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে ‘Governance is the manner in which power is exercised in the management of a countries economic and social resources for development.’
- সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
- বিশ্বব্যাংক সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছে - শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন রিপোর্টে।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক ‘শাসন: বিশ্বব্যাংকের অভিজ্ঞতা' শীর্ষক এক রিপোর্টে সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
- এ চারটি স্তম্ভ হল− দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা, আইনী কাঠামো ও অংশগ্রহণ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৭.
আন্তর্জাতিক আদালতের (International Court of Justice) একজন বিচারক কত বছরের জন্য নির্বাচিত হন?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৯ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বছর
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত:
- আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (International Court of Justice বা ICJ) জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গসংস্থার মধ্যে একটি।
- এটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৬ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই আদালত সাধারণত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ইত্যাদি অপরাধের জন্য দায়ীদের অভিযুক্ত করে থাকে।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত নেদারল্যান্ডসের দি হেগ শহরে।
- এই আদালতে মোট ১৫ জন বিচারক থাকেন।
- প্রত্যেক বিচারক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের যৌথ ভোটে নির্বাচিত হন।
- একজন বিচারকের মেয়াদ নির্ধারিত থাকে ৯ বছর।
- আদালতের মধ্যে একজন সভাপতি এবং একজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন বিচারকদের মধ্য থেকেই।
- সভাপতির মেয়াদ ৩ বছর, তবে তাকেও পুনঃনির্বাচিত করা যায়।

তথ্যসূত্র: International Court of Justice ওয়েবসাইট। 

৮৮.
দেশে সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
  2. বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
  3. হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
  4. সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
ব্যাখ্যা

• হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮৯.
বেরিং প্রণালী কোন দুই মহাদেশকে আলাদা করেছে? 
  1. এশিয়া ও ইউরোপ
  2. ইউরোপ ও আফ্রিকা
  3. এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকা 
  4. এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• বেরিং প্রণালী:
- বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ এবং রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করে।
- বেরিং প্রণালী ও সাগরের নাম ভিটাস বেরিংয়ের নামে রাখা হয়েছে।
- প্রণালীর গড় গভীরতা ৫০ মিটার এবং গভীরতম স্থান ৯০ মিটার।
- এখানে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ ও সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

• বিখ্যাত কয়েকটি প্রণালী:
- দার্দানেলিস প্রণালী:  এশিয়া - ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী: আফ্রিকা-ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী: ভারত -শ্রীলংকাকে পৃথক করেছে। 
- মালাক্কা প্রণালী: সুমাত্রা- মায়েশিয়াকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী: সুমাত্রা-জাভাকে পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান-আরব আমিরাতকে পৃথক করেছে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী: কিউবা-ফ্লোরিডাকে পৃথক করেছে।
- ডোভার প্রণালী: ফ্রান্স-ব্রিটেনকে পৃথক করেছে। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৯০.
বজ্রপাত প্রধানত বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ঘটে?
  1. স্ট্র্যাটোমণ্ডল
  2. ট্রপোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. এক্সোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

• ট্রপোমন্ডল (Troposphere):
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন হওয়ায় এ স্তর জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় এবং এই স্তরেই আবহাওয়া ও জলবায়ুর সব রকমের বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ কোন সালে সমাপ্ত হবে?  
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০২৭ সালে
  3. ২০২৮ সালে
  4. ২০৩১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

• গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।

⇒ ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।
- তবে, চুক্তি নবায়নের বিষয়ে ভারত ও বাংলাদেশ এরই মধ্যে আলোচনা শুরু করেছে। 

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।

৯২.
NATO এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কয়টি? 
  1. ৯টি 
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি 
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

• NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।             
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে (১৪তম)।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয় :  হেগ, নেদারল্যান্ডস। 
- ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে:  আঙ্কারা, তুরস্ক।  

তথ্যসূত্র: NATO ওয়েবসাইট।

৯৩.
নিচের কোনটি বন্যা নিয়ন্ত্রণের সাধারণ ব্যবস্থার অংশ নয়?
  1. নদী খনন
  2. নদী শাসন
  3. বন্যা পূর্বাভাস উন্নয়ন
  4. নদীর তীরে বনাঞ্চল সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
নদী খনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী খনন
ব্যাখ্যা

- 'নদী খনন' - বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত নয়।
- এটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার 'ব্যয়বহুল প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা'র অন্তর্ভুক্ত। 

• বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control System):
ক. সাধারণ ব্যবস্থাপনা:
১) নদীর দুই তীরে প্রচুর বৃক্ষ রোপন করা।
২) নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
৩) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
৪) পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন ও পুনঃখনন করে পানি সংরক্ষণ করা।
৫) বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারি ভাবে স্থায়ী ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

খ. ব্যয়বহুল প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা:
১) ড্রেজিং-এর মাধ্যমে নদীর পানি পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
২) জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানি প্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
৩) আর্ন্তজাতিক নদীসমূহে পানি প্রবাহকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রন ও নিষ্কাশন করা।
৪) সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
৫) নদী তীরে স্থায়ী ও সুদৃঢ় বাঁধ নির্মাণ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ সংরক্ষণ করা।

গ. সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা
১) নদীর দুই তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
২) দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
৩) রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
৪) বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
৫) শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪.
জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? 
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. তুরস্ক
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা 
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১:
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করবে তুরস্ক।
- তুরস্কের পর্যটননগরী অ্যান্টালিয়া কপ-৩১-এর আয়োজক শহর হবে এবং তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।
- অস্ট্রেলিয়া চাইছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে অ্যাডিলেডে সম্মেলন আয়োজন করতে। 
- অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে এ সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুরস্ক এ দায়িত্ব পেয়েছে।
- সমঝোতা অনুযায়ী প্রাক-কপ একটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপে হবে।
 - মূল সম্মেলন হবে তুরস্কের আন্তালিয়া শহরে। সভাপতি থাকবেন ক্রিস বোয়েন (অষ্ট্রেলিয়া)। 
- ব্রাজিলে আয়োজিত কপ৩০-এ সমঝোতার মধ্য দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করেছে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, বনিক বার্তা ও UNFCCC.

৯৫.
“দর্শন হচ্ছে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী এক অনধিকৃত প্রদেশ।" - উক্তিটি কোন দার্শনিকের? 
  1. আর. বি. পেরি
  2. প্লেটো
  3. সক্রেটিস 
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল
সঠিক উত্তর:
বার্ট্রান্ড রাসেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা

- “দর্শন হচ্ছে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী এক অনধিকৃত প্রদেশ।" - উক্তিটি দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল। 

• বার্ট্রান্ড রাসেল:
- রাসেল ছিলেন একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, ইতিহাসবেত্তা, সমাজকর্মী, অহিংসাবাদী, এবং সমাজ সমালোচক।
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত যুদ্ধবিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ব্যক্তিত্ব।
- ১৯৫০ সালে রাসেল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা ছিল তার 'মানবতার আদর্শ ও চিন্তার মুক্তি'কে ওপরে তুলে ধরা তার বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ।

উল্লেখ্য,
- বিখ্যাত দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেলের মতে সচেতনভাবে বা অচেতনভাবেই হোক মানুষের মনে এমন কিছু প্রশ্ন জাগে যাদের কোন যুক্তি সঙ্গত উত্তর ধর্মতত্ত্বে যেমন পাওয়া যায় না, তেমনি আবার বিজ্ঞান এদের নিয়ে আদৌ মাথা ঘামায় না।
- ধর্মতত্ত্ব ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী এই যে অনধিকৃত একটি রাজ্য তাতেই দর্শন বিচরণ করে চলেছে।
- আর এ কারণেই রাসেল দর্শনকে বিজ্ঞান ও ধর্মতত্ত্বের মধ্যবর্তী অনধিকৃত রাজ্য (No Man's Land) বলে অভিহিত করেছেন।

⇒ তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
- The Elements of Ethics,
- Human Society in Ethics and Politics,
- Moral and others,
- Power: A New Social Analysis,
- Political Ideals,
- Introduction to Mathematical Philosophy etc.

তথ্যসূত্র: শিক্ষার দার্শনিক ও মনোবৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. যশোর 
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. পঞ্চগড়
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

• বাংলাবান্ধা বন্দর: 
- বাংলাবান্ধা বন্দরটি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত। 
- মূলত ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে এ বন্দরের মাধ্যমে যোগসূত্র রয়েছে বাংলাদেশের।
- দুই যুগের বেশি সময় ধরে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলে আসছে দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় এ স্থলবন্দরে।
 - ভারতের শিলিগুড়ি করিডোর সংলগ্ন এবং নেপাল ও ভুটানের সীমান্তবর্তী হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাবক হয়ে উঠছে বাংলাবান্ধা।

- ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাবান্ধা বন্দরটি বহুদেশীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 
- বন্দরটির সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব ৫০৩ কিলোমিটার। 
- আর ভুটানের রাজধানী থিম্পুর দূরত্ব ২৮৬ কিলোমিটার ও নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দূরত্ব ৪৯৪ কিলোমিটার। 
- এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ নগরী শিলিগুড়ির দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার। 
- ভারতের অন্যতম পর্যটন স্পট দার্জিলিং ও সিকিমের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৭ ও ১৫৪ কিলোমিটার। 
- ফলে তিনটি দেশের সঙ্গে স্বল্প দূরত্বের কারণে এ বন্দরের কার্যক্রম বাড়ছে।

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা ও বাসস। 

৯৭.
'মুক্তমন' গ্রন্থটির কে রচনা করেছেন? 
  1. মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
  2. জি. সি. দেব
  3. আরজ আলী মাতুব্বর
  4. কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
আরজ আলী মাতুব্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজ আলী মাতুব্বর
ব্যাখ্যা

• আরজ আলী মাতুব্বর:
- বাংলাদেশে 'নব-নৈতিকতা'র প্রবর্তক হলেন আরজ আলী মাতুব্বর।
- আরজ আলী মাতুব্বর বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট চিন্তাবিদ।
- আরজ আলী মূলত বস্তুবাদী দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন।
- মানবজীবন, প্রকৃতি-পরিবেশ, জড়জগৎ ও বিশ্ব-সংসার থেকে পাঠ নিয়ে তিনি নিজস্ব মতবাদ গড়ে তোলেন।
- তিনি দৃঢ় মনোবল ও বিশ্বাস নিয়ে সকল অন্ধতা, অজ্ঞানতা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।
- তাঁর বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতার কথা তিনি একাধিক গ্রন্থে প্রকাশ করেন।

⇒ আনুষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষাবিহীন স্বশিক্ষিত একজন মননশীল লেখক ও যুক্তিবাদী দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর বাংলাদেশের সমাজে জেকে বসা ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধ কুসংস্কারের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা নৈতিক আদর্শকে কুঠারাঘাত করে, তার স্থলে বস্তুবাদী দর্শন ও বিজ্ঞানের মাধ্যমে সত্য আবিষ্কার করে সত্য, ন্যায় ও বিজ্ঞানের যথাযথ নীতি পদ্ধতিভিত্তিক নব নৈতিক আদর্শের সমাজের কথা চিন্তা করেছেন।
- তার দার্শনিক চিন্তা-চেতনা ধর্মের বিরুদ্ধে ছিল না, ছিল ধর্মের নামে প্রচলিত ধর্মান্ধতা ও ধর্মতন্ত্রের বিরুদ্ধে।
- জোহাদ বরকতুল্লাহ আমাদের মুসলমানদের মধ্যে বাংলাভাষায় প্রথম যথার্থ দার্শনিক প্রবন্ধ রচনা করেন।
- বাংলাদেশের আরেকজন দার্শনিক জি.সি দেব বস্তুবাদ ও অধ্যাত্মবাদের মিশিলে গঠিত সমন্বয়ী দর্শনের প্রচার করেছিলেন।

⇒ তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি:
- সত্যের সন্ধান (১৯৭৩),
- সৃষ্টির রহস্য (১৯৭৭),
- অনুমান (১৯৮৩),
- মুক্তমন (১৯৮৮) ইত্যাদি।

⇒ তাঁর বেশ কিছু অপ্রকাশিত পান্ডুলিপি সম্প্রতি আরজ আলী মাতুববর রচনাবলি নামে প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।