পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান সিলেবাস: জীব বিজ্ঞান: পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, হৃদপিণ্ড এবং হৃদরোগ। আধুনিক বিজ্ঞান: বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
দুধ থেকে দই তৈরিতে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়া হলো-
  1. E. coli
  2. Bacillus subtilis
  3. Lactobacillus
  4. Clostridium
ব্যাখ্যা
• দুধ থেকে দই তৈরিতে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়া হলো Lactobacillus.

অন্যদিকে,
• E. coli. - মানব ইনসুলিন তৈরিতে বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ব্যকটেরিয়া।
• Bacillus subtilis - সাবটিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়।
• Clostridium - পাট থেকে পাটের আঁশ পৃথক করতে এই ব্যাকটেরিয়ার অবদান রয়েছে।

ব্যাকটেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব।
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্ব প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
- ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে।
- কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- (১) কক্কাস, (২) ব্যাসিলাস, (৩) স্পাইরিলাম এবং (৪) কমা আকৃতি ।

ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:
• মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে।
• একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
• পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে।
• দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়।
• বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়। 

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
নিচের কোনটি একবর্ষজীবী উদ্ভিদ?
  1. ছোলা
  2. গাজর
  3. কাঁঠাল
  4. ফুলকপি
ব্যাখ্যা
• একবর্ষজীবী উদ্ভিদ:
- ধান, মটর, ছোলা, কলা এসব আপনাদের অতি পরিচিতি উদ্ভিদ।
- এদের জীবনকাল এক বছর।
- এ জন্য এদেরকে একবর্ষজীবী উদ্ভিদ বলা হয়।

• দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ:
যেসকল উদ্ভিদের জীবনকাল দুই বছর তাদের দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ বলে।
- মূলা, গাজর, ফুলকপি ইত্যাদি দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ।

• বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ:
আম, কাঁঠাল, বট, তাল ইত্যাদি অনেক উদ্ভিদ রয়েছে যারা বহু বছর বেঁচে থাকে। এসব উদ্ভিদকে বহু বর্ষীজীবী উদ্ভিদ বলে।

উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. নিউক্লিয়াসবিহীন
  2. প্রাক-কেন্দ্রিক
  3. সুকেন্দ্রিক
  4. এককোষী
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়া হলো নিউক্লিয়াসহীন, অসবুজ, এককোষী ও প্রাক-কেন্দ্রিক অণুবীক্ষণিক জীব।
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্ব প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
- ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে।
- কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(১) কক্কাস,
(২) ব্যাসিলাস,
(৩) স্পাইরিলাম এবং
(৪) কমা আকৃতি।

• ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:

- মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে।
- একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
- পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে।
- দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়।
- বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়।
- ব্যাকটেরিয়া জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর জনক কে?
  1. ওয়াটসন ও ক্রিক
  2. আলফ্রেড হার্শে
  3. চার্লস ডারউইন
  4. গ্রেগর মেন্ডেল
ব্যাখ্যা
• ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামো:
- ইংরেজ বিজ্ঞানী ক্রিক এবং মার্কিন বিজ্ঞানী ওয়াটসন ১৯৫৩ সালে ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর বর্ণনা দেন।
- এই ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- ডিএনএ হলো একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে।
- ডিএনএ অণুর দ্বি-হেলিক্স কাঠামো প্রথম আবিষ্কার করেন জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক।
- এজন্য জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিককে ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর জনকও বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ICBN এর পূর্ণরূপ হলো-
  1. International Code of Botanical Nomenclature
  2. International Code of Bioligical Nomenclature
  3. International Code of Botanical Nomenculture
  4. International Code of Biological Nomenclature
ব্যাখ্যা
ICBN এর পূর্ণরূপ হলো International Code of Botanical Nomenclature।
- এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত নিয়মবিধি যা উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

ICBN অনুযায়ী নামকরণের কয়েকটি নীতিমালা দেয়া হল :
- প্রজাতির উপরের ছয়টি স্তরের নাম হবে একপদী (uninomial).
- প্রজাতির নাম হবে দ্বিপদী (binomial)। প্রথম পদ হল গণ নাম এবং দ্বিতীয় পদ হল প্রজাতিক পদ।
- নামকে বৈধভাবে প্রকাশিত (validly published) হতে হবে।
- গোত্র বা গোত্রের নিচে যে কোনো ট্যাক্সনের জন্য একটি মাত্র শুদ্ধ নাম থাকবে।
-  উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামের ভাষা হবে ল্যাটিন।
- গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদের সব অক্ষরই ছোট হাতের হবে।
- বৈজ্ঞানিক নাম ছাপার অক্ষরে ইটালিক (ডান দিকে একটু বাঁকা) বা মোটা অক্ষরের হবে। হাতে লিখলে সাধারণত নামের নিচে একটি বা পৃথকভাবে দুটি দাগ টেনে দিতে হবে।
- বৈজ্ঞানিক নামের শেষে নাম প্রদানকারীর নাম (সাধারণত সংক্ষিপ্ত) লিখতে হয়। যেমন- Mangifera infica খ. এখানে খ হচ্ছে লিনিয়াস-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- যদি একাধিক বিজ্ঞানী একই উদ্ভিদকে বিভিন্ন বিজ্ঞানসম্মত নামকরণ করেন তবে অগ্রাধিকার আইন (Law of Priority) অনুসারে বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নামটি গৃহীত হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও IAPT Website.
.
ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কে?
  1. রবার্ট হুক
  2. স্ট্রাসবুর্গার
  3. ওয়াটসন ও ক্রিক
  4. ক্রেমার
ব্যাখ্যা
• ক্রোমোজোম (Chromosome):
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
- এটি নিউক্লিয়াসের নিউক্লিওপ্লাজমে বিস্তৃত এবং সূত্রাকার ক্রোমাটিন দিয়ে গঠিত।
- বিজ্ঞানী স্ট্রাসবুর্গার (Strasburger) (1875) প্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন।
- প্রজাতির বৈশিষ্ট্যভেদে কোষে এর ডিপ্লয়েড (দুই সেট ক্রোমোজোম, যার একসেট পিতা থেকে আসে এবং আর একসেট মাতা থেকে আসে) সংখ্যা 2 হতে 1600 পর্যন্ত হতে পারে।
- একটি ক্রোমোজোম দৈর্ঘ্যে সাধারণত 3.5 থেকে 30.0 মাইক্রন এবং প্রস্থে 0.2 থেকে 2.0 মাইক্রন হয়ে থাকে। (1 মাইক্রন = 1/1000 মিমি)।
- ক্রোমোজোমের কাজ হলো মাতাপিতা থেকে জিন (যা জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে সন্তান সন্ততিতে বহন করে নিয়ে যাওয়া।
- মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ক্রোমোজোম কর্তৃক বাহিত হয়ে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে।
- এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌতভিত্তি (Physical basis of heredity) বলে আখ্যায়িত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
AIDS এর পূর্ণরূপ-
  1. Acquired Immune Deficiency Symptom
  2. Acquired Immunodeficiency Syndrome
  3. Acquired Immunity Deficiency Syndrome
  4. Acquired Immunodeficiency Symptom
ব্যাখ্যা
• এইডস:
- AIDS এর পুর্ণরূপ: Acquired immunodeficiency syndrome।
- বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে।
- Human Immune Deficiency Virus সংক্ষেপে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়।
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্ত কণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
- এইডস ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শ্বেত রক্ত কণিকা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ।
- আফ্রিকার দেশসমূহে HIV র আক্রমণ বেশি লক্ষ করা যায়।
- ধারণা করা হয় বানরের দেহে এ ভাইরাসটি ছিল যা সর্বপ্রথম আফ্রিকায় বানর থেকে মানুষে স্থানান্তরিত হয় এবং পরে তা আমেরিকা, ইউরোপ তথা সমগ্রবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন এনজাইম দ্বারা প্লাজমিডের নির্দিষ্ট অংশ কাটা হয়?
  1. রেস্ট্রিকশন এনজাইম
  2. এমাইলেজ এনজাইম
  3. প্রোটিয়েজ এনজাইম
  4. কাটিং এনজাইম
ব্যাখ্যা
• রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির ধাপ:
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির প্রধান ধাপসমূহ হলো-
-  প্রত্যাশিত DNA নির্বাচন ও পৃথকিকরণ,
- বাহক নির্বাচন,
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন,
- ছেদনকৃত প্রত্যাশিত DNA অণুকে বাহক প্লাজমিডে সংযোজন এবং
-পোষক নির্বাচন ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ -কে পোষকে স্থাপন।

• প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন:
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়।
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে।
যথা- Eco RI, Hind III, Bam III ইত্যাদি।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজানো অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়।
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে।
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে।
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন অঙ্গে মূত্র তৈরি হয়?
  1. বৃক্ক
  2. পাকস্থলী
  3. ফুসফুস
  4. যকৃত
ব্যাখ্যা
• মানুষের  মূত্র তৈরি হয় বৃক্কে।

• মানুষের বৃক্ক:

- যে প্রক্রিয়ায় কোষীয় বিপাকের | ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলে।
- যে তন্ত্রের মাধ্যমে রেচনকার্য সম্পন্ন হয় তাকে রেচনতন্ত্র বলে।
- বৃক্ক মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ।
- বৃক্কের গাঠনিক বা কার্যিক একককে নেফ্রন বলে।
- মানুষের প্রতিটি বৃক্কে ১০-১২ লাখ নেফ্রন থাকে।
- বৃক্ক মানুষের দেহে এবং রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তে লবণের পরিমান নিয়ন্ত্রণ করে।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য ১০-১২ সেন্টিমিটার,প্রস্থ ৫-৬ সেন্টিমিটার এবং স্থুলত্ব ৩ সেন্টিমিটার।
- পুরুষ মানুষের প্রতিটি বৃক্কের ওজন ১৫০-১৭০ গ্রাম এবং প্রতিটি মহিলা মানুষের বৃক্কের ওজন ১৩০-১৫০ গ্রাম।

উৎস: জীববিজ্ঞান,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
১০.
নিচের কোনটি যক্ষ্মা রোগের টিকা?
  1. DPT
  2. MR
  3. OPV
  4. BCG
ব্যাখ্যা
 • যক্ষ্মার টিকা হলো BCG(Bacillus Calmatte Guerin) ।
- টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
- ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।

অন্যদিকে,
- ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়।
- পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি (Oral Polio Vaccine).
- হাম রোগের টিকা MR।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১.
'ক্যালসিটোনিন' হরমোন নিসৃত হয় কোন গ্রন্থি থেকে?
  1. থাইরয়েড গ্রন্থি
  2. যকৃত গ্রন্থি
  3. অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি
  4. পিটুইটারী গ্রন্থি
ব্যাখ্যা
• থাইরয়েড গ্রন্থি:
- এই গ্রন্থি গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত।
- প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়।
- আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে।
- এই গ্রন্থি বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
মানুষের স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য কত সেন্টিমিটার?
  1. ১৮ সে.মি.
  2. ৩০ সে.মি.
  3. ৪৫ সে.মি.
  4. ৬০ সে.মি.
ব্যাখ্যা
• সুষুম্না কান্ড:
- সুষুম্না কান্ড বা Spinal Cord কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অংশ।
- Spinal Cord বা স্নায়ু রজ্জু মস্তিষ্ক থেকে মেরুদন্ডের ভেতরে অবস্থিত।
- Spinal Cord প্রায় ১৮ ইঞ্চি বা ৪৫ সে.মি. লম্বা।
- এখান থেকে ৩১ জোড়া স্নায়ু (Spinal Nerve) উৎপন্ন হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
হৃদপিণ্ডের স্তর নয়?
  1. এন্ডোকার্ডিয়াম
  2. মায়োকার্ডিয়াম
  3. এপিকার্ডিয়াম
  4. পেরিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
• পেরিকার্ডিয়াম হৃদপিণ্ডের স্তর নয়। 

• হৃদপিণ্ডের গঠন:

- হৃদপিণ্ড বক্ষ গহ্বরের বাম দিকে দু'ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার ফাঁপা অঙ্গ।
- এটি হৃদপেশি নামক এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
- এটি পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
- হৃদপিণ্ডের প্রাচীরে তিনটি স্তর থাকে।
যথা -
• বহিঃস্তর বা এপিকার্ডিয়াম:
- বহিঃস্তর মূলত যোজক কলা দ্বারা গঠিত।
- এতে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি থাকে।
- এটি আবরণী কলা দিয়ে আবৃত থাকে।

• মধ্যস্তর মায়োকার্ডিয়াম:
- এটি বহিঃস্তর এবং অন্তঃস্তরের মাঝখানে অবস্থান করে।
- এটি দৃঢ় অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত।

• অন্তঃস্তর এন্ডোকার্ডিয়াম:
- এটি সব থেকে ভেতরের স্তর। হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো অন্তঃস্তর দিয়ে আবৃত থাকে।
- অন্তঃস্তরটি হৃদপিণ্ডের কপাটিকাগুলোকেও আবৃত করে রাখে।
- হৃদপিণ্ডের ভেতরের স্তর ফাঁপা এবং চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী,
১৪.
'হিমোগ্লোবিন' কোন জাতীয় পদার্থ?
  1. প্রোটিন
  2. কার্বোহাইড্রেট
  3. ভিটামিন
  4. ফ্যাট
ব্যাখ্যা
• হিমোগ্লোবিন:
- হিমোগ্লোবিন আমিষ/প্রোটিন জাতীয় পদার্থ।
- হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিনের কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে কলায় পরিবহন করা এবং কলা থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে পরিবহন করা।

উৎস: জীববিজ্ঞান-দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
১৫.
কোন গ্রুপের রক্তে a ও b উভয় ধরনের এন্টিবডি থাকে?
  1. গ্রুপ O
  2. গ্রুপ AB
  3. গ্রুপ B
  4. গ্রুপ A
ব্যাখ্যা
• রক্তের গ্রুপ:
- বিভিন্ন ব্যক্তির লোহিত রক্ত কণিকায় A এবং B নামক দুই ধরনের অ্যান্টিজেন (antigens) থাকে এবং রক্তরসে a ও b দু'ধরনের অ্যান্টিবডি (antibody) থাকে।
- এই অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়, একে ব্লাড গ্রুপ বলে।
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার 1901 সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা A, B, AB এবং O- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন।
- সাধারণত একজন মানুষের রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে।
- রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে ব্লাড গ্রুপকে এভাবে বর্ণনা করা যায়।
যেমন-
• গ্রুপ A:
এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে b অ্যান্টিবডি) থাকে।

• গ্রুপ B:
এশ্রেণির রক্তে B অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-A অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে a অ্যান্টিবডি) থাকে।

• গ্রুপ AB:
এই শ্রেণির রক্তে A ও B অ্যান্টিজেন থাকে এবং কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না।

• গ্রুপ O:
এ শ্রেণির রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b অ্যান্টিবডি থাকে।

উল্লেখ্য,
- O গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যক্তি সব গ্রুপের রক্তের ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে, এদের বলা হয় সর্বজনীন রক্তদাতা (universal donor)।
- AB রক্তধারী ব্যক্তি যেকোনো ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই তাকে সর্বজনীন রক্তগ্রহীতা (universal recipient) বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
কোন হেপাটাইটিস ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় না?
  1. Hepatities A
  2. Hepatities B
  3. Hepatities C
  4. Hepatities D
ব্যাখ্যা
• হেপাটাইটিস:
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের ( এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে।
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

• ভাইরাসের নাম- ধরণ- সংক্রমণের মাধ্যম:
- Hepatities A- RNA - পানি, দূষিত খাবার;
- Hepatities B- DNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatities C- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatities D- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম, লালা;
- Hepatities E- RNA- পানি, দূষিত খাবার।

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৭.
একটি আদর্শ ফুলের অংশ নয় কোনটি?
  1. দলমণ্ডল
  2. বৃতি
  3. পুষ্পাক্ষ
  4. বৃন্ত
ব্যাখ্যা
• আদর্শ ফুলের বিভিন্ন অংশ:
- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে।
যথা- (ক) পুষ্পাক্ষ, (খ) বৃতি, (গ) দলমণ্ডল, (ঘ) পুংস্তবক এবং (ঙ) স্ত্রীস্তবক।

• পুষ্পাক্ষ:
- ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপর সাজানো থাকে তাকে বলা হয় পুষ্পাক্ষ।
- এটি পুষ্প পত্রধারণ করে এবং ফুলকে কান্ডের সাথে আবদ্ধ রাখে।

• বৃতি:
- একটি ফুলের বাইরের স্তবককে বলা হয় বৃতি। এর প্রতিটি খণ্ডকে বৃত্যংশ বলা হয়।
- সবুজ বৃতি সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে।

• দলমন্ডল:
- বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল। এর প্রতিটি খণ্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়।
- এরা সাধারণত রঙ্গিন হয়।

• পুংস্তবক:
- দলমন্ডলের ভেতরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন পরাগরেণু উৎপাদনকারী স্তবককে পুংস্তবক বলা হয়।
- এটি ফুলের তৃতীয় স্তবক এবং একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ।

• স্ত্রীস্তবক:
- পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়।
- এটি ফুলের আর একটি অত্যাবশ্যকীয় স্তবক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী,
১৮.
পৃথিবীর বৃহত্তম ফুল কোনটি?
  1. র‍্যাফলেশিয়া
  2. ফণিমনসা
  3. রক্তজবা
  4. লরেন্স
ব্যাখ্যা
• র‍্যাফলেশিয়া (Rafflesia arnoldii) হলো পৃথিবীর বৃহত্তম একক ফুল।
- এটি বিশেষভাবে পরিচিত তার বিশাল আকার এবং দুর্গন্ধের জন্য।

• ফুল: 
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- একটি সম্পূর্ণ ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে। যথা-
১. পুষ্পাক্ষ।
২. বৃতি। 
৩. দলমন্ডল। 
৪. পুংস্তবক। 
৫. স্ত্রীস্তবক।
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলা হয়। 
- যখন কোন ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে তখন সেটি উভলিঙ্গ ফুল।  যেমন গোলাপ, ধুতুরা, জবা ইত্যাদি।
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল বলে, যেমন কুমড়া আবার দুটিই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল বলা হয়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভাড ম্যাগাজিন।
১৯.
সালোক সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান নয় কোনটি?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. পানি
  3. আলো
  4. অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
• সালোক সংশ্লেষণ:
- শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্য্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।

- সালোক সংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে:
(১) আলো (২) ক্লোরোফিল (৩) পানি ও (৪) কার্বন ডাই-অক্সাইড।

- সালোক সংশ্লেষণ সাধারণত উদ্ভিদের সবুজ অঙ্গে যেখানে ক্লোরোফিল আছে সেখানে ঘটে।
- যেমন: পাতা, সবুজকাণ্ড, শাখাপ্রশাখা প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- মূল মাটির নিচে থাকে এবং এটি উদ্ভিদের অসবুজ অংশ তাই এখানে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।