পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান সিলেবাস: জীব বিজ্ঞান: পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, হৃদপিণ্ড এবং হৃদরোগ। আধুনিক বিজ্ঞান: বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
দুধ থেকে দই তৈরিতে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়া হলো-
  1. E. coli
  2. Bacillus subtilis
  3. Lactobacillus
  4. Clostridium
সঠিক উত্তর:
Lactobacillus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lactobacillus
ব্যাখ্যা
• দুধ থেকে দই তৈরিতে ব্যবহৃত ব্যাকটেরিয়া হলো Lactobacillus.

অন্যদিকে,
• E. coli. - মানব ইনসুলিন তৈরিতে বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ব্যকটেরিয়া।
• Bacillus subtilis - সাবটিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক প্রস্তুত করতে ব্যবহৃত হয়।
• Clostridium - পাট থেকে পাটের আঁশ পৃথক করতে এই ব্যাকটেরিয়ার অবদান রয়েছে।

ব্যাকটেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব।
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্ব প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
- ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে।
- কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- (১) কক্কাস, (২) ব্যাসিলাস, (৩) স্পাইরিলাম এবং (৪) কমা আকৃতি ।

ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:
• মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে।
• একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
• পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে।
• দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়।
• বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়। 

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
নিচের কোনটি একবর্ষজীবী উদ্ভিদ?
  1. ছোলা
  2. গাজর
  3. কাঁঠাল
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
ছোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোলা
ব্যাখ্যা
• একবর্ষজীবী উদ্ভিদ:
- ধান, মটর, ছোলা, কলা এসব আপনাদের অতি পরিচিতি উদ্ভিদ।
- এদের জীবনকাল এক বছর।
- এ জন্য এদেরকে একবর্ষজীবী উদ্ভিদ বলা হয়।

• দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ:
যেসকল উদ্ভিদের জীবনকাল দুই বছর তাদের দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ বলে।
- মূলা, গাজর, ফুলকপি ইত্যাদি দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ।

• বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ:
আম, কাঁঠাল, বট, তাল ইত্যাদি অনেক উদ্ভিদ রয়েছে যারা বহু বছর বেঁচে থাকে। এসব উদ্ভিদকে বহু বর্ষীজীবী উদ্ভিদ বলে।

উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. নিউক্লিয়াসবিহীন
  2. প্রাক-কেন্দ্রিক
  3. সুকেন্দ্রিক
  4. এককোষী
সঠিক উত্তর:
সুকেন্দ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকেন্দ্রিক
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়া হলো নিউক্লিয়াসহীন, অসবুজ, এককোষী ও প্রাক-কেন্দ্রিক অণুবীক্ষণিক জীব।
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্ব প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।
- ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে।
- কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(১) কক্কাস,
(২) ব্যাসিলাস,
(৩) স্পাইরিলাম এবং
(৪) কমা আকৃতি।

• ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:

- মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে।
- একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে।
- পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে।
- দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়।
- বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়।
- ব্যাকটেরিয়া জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর জনক কে?
  1. ওয়াটসন ও ক্রিক
  2. আলফ্রেড হার্শে
  3. চার্লস ডারউইন
  4. গ্রেগর মেন্ডেল
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন ও ক্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন ও ক্রিক
ব্যাখ্যা
• ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামো:
- ইংরেজ বিজ্ঞানী ক্রিক এবং মার্কিন বিজ্ঞানী ওয়াটসন ১৯৫৩ সালে ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর বর্ণনা দেন।
- এই ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- ডিএনএ হলো একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে।
- ডিএনএ অণুর দ্বি-হেলিক্স কাঠামো প্রথম আবিষ্কার করেন জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক।
- এজন্য জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিককে ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর জনকও বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ICBN এর পূর্ণরূপ হলো-
  1. International Code of Botanical Nomenclature
  2. International Code of Bioligical Nomenclature
  3. International Code of Botanical Nomenculture
  4. International Code of Biological Nomenclature
সঠিক উত্তর:
International Code of Botanical Nomenclature
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Code of Botanical Nomenclature
ব্যাখ্যা
ICBN এর পূর্ণরূপ হলো International Code of Botanical Nomenclature।
- এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত নিয়মবিধি যা উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

ICBN অনুযায়ী নামকরণের কয়েকটি নীতিমালা দেয়া হল :
- প্রজাতির উপরের ছয়টি স্তরের নাম হবে একপদী (uninomial).
- প্রজাতির নাম হবে দ্বিপদী (binomial)। প্রথম পদ হল গণ নাম এবং দ্বিতীয় পদ হল প্রজাতিক পদ।
- নামকে বৈধভাবে প্রকাশিত (validly published) হতে হবে।
- গোত্র বা গোত্রের নিচে যে কোনো ট্যাক্সনের জন্য একটি মাত্র শুদ্ধ নাম থাকবে।
-  উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামের ভাষা হবে ল্যাটিন।
- গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদের সব অক্ষরই ছোট হাতের হবে।
- বৈজ্ঞানিক নাম ছাপার অক্ষরে ইটালিক (ডান দিকে একটু বাঁকা) বা মোটা অক্ষরের হবে। হাতে লিখলে সাধারণত নামের নিচে একটি বা পৃথকভাবে দুটি দাগ টেনে দিতে হবে।
- বৈজ্ঞানিক নামের শেষে নাম প্রদানকারীর নাম (সাধারণত সংক্ষিপ্ত) লিখতে হয়। যেমন- Mangifera infica খ. এখানে খ হচ্ছে লিনিয়াস-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- যদি একাধিক বিজ্ঞানী একই উদ্ভিদকে বিভিন্ন বিজ্ঞানসম্মত নামকরণ করেন তবে অগ্রাধিকার আইন (Law of Priority) অনুসারে বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নামটি গৃহীত হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও IAPT Website.
.
ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কে?
  1. রবার্ট হুক
  2. স্ট্রাসবুর্গার
  3. ওয়াটসন ও ক্রিক
  4. ক্রেমার
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাসবুর্গার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাসবুর্গার
ব্যাখ্যা
• ক্রোমোজোম (Chromosome):
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
- এটি নিউক্লিয়াসের নিউক্লিওপ্লাজমে বিস্তৃত এবং সূত্রাকার ক্রোমাটিন দিয়ে গঠিত।
- বিজ্ঞানী স্ট্রাসবুর্গার (Strasburger) (1875) প্রথম ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন।
- প্রজাতির বৈশিষ্ট্যভেদে কোষে এর ডিপ্লয়েড (দুই সেট ক্রোমোজোম, যার একসেট পিতা থেকে আসে এবং আর একসেট মাতা থেকে আসে) সংখ্যা 2 হতে 1600 পর্যন্ত হতে পারে।
- একটি ক্রোমোজোম দৈর্ঘ্যে সাধারণত 3.5 থেকে 30.0 মাইক্রন এবং প্রস্থে 0.2 থেকে 2.0 মাইক্রন হয়ে থাকে। (1 মাইক্রন = 1/1000 মিমি)।
- ক্রোমোজোমের কাজ হলো মাতাপিতা থেকে জিন (যা জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে সন্তান সন্ততিতে বহন করে নিয়ে যাওয়া।
- মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার গঠন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য ক্রোমোজোম কর্তৃক বাহিত হয়ে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে।
- এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌতভিত্তি (Physical basis of heredity) বলে আখ্যায়িত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
AIDS এর পূর্ণরূপ-
  1. Acquired Immune Deficiency Symptom
  2. Acquired Immunodeficiency Syndrome
  3. Acquired Immunity Deficiency Syndrome
  4. Acquired Immunodeficiency Symptom
সঠিক উত্তর:
Acquired Immunodeficiency Syndrome
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Acquired Immunodeficiency Syndrome
ব্যাখ্যা
• এইডস:
- AIDS এর পুর্ণরূপ: Acquired immunodeficiency syndrome।
- বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে।
- Human Immune Deficiency Virus সংক্ষেপে HIV নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়।
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্ত কণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
- এইডস ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শ্বেত রক্ত কণিকা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ।
- আফ্রিকার দেশসমূহে HIV র আক্রমণ বেশি লক্ষ করা যায়।
- ধারণা করা হয় বানরের দেহে এ ভাইরাসটি ছিল যা সর্বপ্রথম আফ্রিকায় বানর থেকে মানুষে স্থানান্তরিত হয় এবং পরে তা আমেরিকা, ইউরোপ তথা সমগ্রবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন এনজাইম দ্বারা প্লাজমিডের নির্দিষ্ট অংশ কাটা হয়?
  1. রেস্ট্রিকশন এনজাইম
  2. এমাইলেজ এনজাইম
  3. প্রোটিয়েজ এনজাইম
  4. কাটিং এনজাইম
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
ব্যাখ্যা
• রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির ধাপ:
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির প্রধান ধাপসমূহ হলো-
-  প্রত্যাশিত DNA নির্বাচন ও পৃথকিকরণ,
- বাহক নির্বাচন,
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন,
- ছেদনকৃত প্রত্যাশিত DNA অণুকে বাহক প্লাজমিডে সংযোজন এবং
-পোষক নির্বাচন ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ -কে পোষকে স্থাপন।

• প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন:
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়।
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে।
যথা- Eco RI, Hind III, Bam III ইত্যাদি।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজানো অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়।
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে।
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে।
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন অঙ্গে মূত্র তৈরি হয়?
  1. বৃক্ক
  2. পাকস্থলী
  3. ফুসফুস
  4. যকৃত
সঠিক উত্তর:
বৃক্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্ক
ব্যাখ্যা
• মানুষের  মূত্র তৈরি হয় বৃক্কে।

• মানুষের বৃক্ক:

- যে প্রক্রিয়ায় কোষীয় বিপাকের | ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলে।
- যে তন্ত্রের মাধ্যমে রেচনকার্য সম্পন্ন হয় তাকে রেচনতন্ত্র বলে।
- বৃক্ক মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ।
- বৃক্কের গাঠনিক বা কার্যিক একককে নেফ্রন বলে।
- মানুষের প্রতিটি বৃক্কে ১০-১২ লাখ নেফ্রন থাকে।
- বৃক্ক মানুষের দেহে এবং রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তে লবণের পরিমান নিয়ন্ত্রণ করে।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য ১০-১২ সেন্টিমিটার,প্রস্থ ৫-৬ সেন্টিমিটার এবং স্থুলত্ব ৩ সেন্টিমিটার।
- পুরুষ মানুষের প্রতিটি বৃক্কের ওজন ১৫০-১৭০ গ্রাম এবং প্রতিটি মহিলা মানুষের বৃক্কের ওজন ১৩০-১৫০ গ্রাম।

উৎস: জীববিজ্ঞান,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
১০.
নিচের কোনটি যক্ষ্মা রোগের টিকা?
  1. DPT
  2. MR
  3. OPV
  4. BCG
সঠিক উত্তর:
BCG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BCG
ব্যাখ্যা
 • যক্ষ্মার টিকা হলো BCG(Bacillus Calmatte Guerin) ।
- টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
- ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।

অন্যদিকে,
- ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়।
- পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি (Oral Polio Vaccine).
- হাম রোগের টিকা MR।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১.
'ক্যালসিটোনিন' হরমোন নিসৃত হয় কোন গ্রন্থি থেকে?
  1. থাইরয়েড গ্রন্থি
  2. যকৃত গ্রন্থি
  3. অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি
  4. পিটুইটারী গ্রন্থি
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থি
ব্যাখ্যা
• থাইরয়েড গ্রন্থি:
- এই গ্রন্থি গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত।
- প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়।
- আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে।
- এই গ্রন্থি বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
মানুষের স্পাইনাল কর্ডের দৈর্ঘ্য কত সেন্টিমিটার?
  1. ১৮ সে.মি.
  2. ৩০ সে.মি.
  3. ৪৫ সে.মি.
  4. ৬০ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
৪৫ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ সে.মি.
ব্যাখ্যা
• সুষুম্না কান্ড:
- সুষুম্না কান্ড বা Spinal Cord কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অংশ।
- Spinal Cord বা স্নায়ু রজ্জু মস্তিষ্ক থেকে মেরুদন্ডের ভেতরে অবস্থিত।
- Spinal Cord প্রায় ১৮ ইঞ্চি বা ৪৫ সে.মি. লম্বা।
- এখান থেকে ৩১ জোড়া স্নায়ু (Spinal Nerve) উৎপন্ন হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
হৃদপিণ্ডের স্তর নয়?
  1. এন্ডোকার্ডিয়াম
  2. মায়োকার্ডিয়াম
  3. এপিকার্ডিয়াম
  4. পেরিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
• পেরিকার্ডিয়াম হৃদপিণ্ডের স্তর নয়। 

• হৃদপিণ্ডের গঠন:

- হৃদপিণ্ড বক্ষ গহ্বরের বাম দিকে দু'ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার ফাঁপা অঙ্গ।
- এটি হৃদপেশি নামক এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
- এটি পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
- হৃদপিণ্ডের প্রাচীরে তিনটি স্তর থাকে।
যথা -
• বহিঃস্তর বা এপিকার্ডিয়াম:
- বহিঃস্তর মূলত যোজক কলা দ্বারা গঠিত।
- এতে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি থাকে।
- এটি আবরণী কলা দিয়ে আবৃত থাকে।

• মধ্যস্তর মায়োকার্ডিয়াম:
- এটি বহিঃস্তর এবং অন্তঃস্তরের মাঝখানে অবস্থান করে।
- এটি দৃঢ় অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত।

• অন্তঃস্তর এন্ডোকার্ডিয়াম:
- এটি সব থেকে ভেতরের স্তর। হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো অন্তঃস্তর দিয়ে আবৃত থাকে।
- অন্তঃস্তরটি হৃদপিণ্ডের কপাটিকাগুলোকেও আবৃত করে রাখে।
- হৃদপিণ্ডের ভেতরের স্তর ফাঁপা এবং চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী,
১৪.
'হিমোগ্লোবিন' কোন জাতীয় পদার্থ?
  1. প্রোটিন
  2. কার্বোহাইড্রেট
  3. ভিটামিন
  4. ফ্যাট
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
• হিমোগ্লোবিন:
- হিমোগ্লোবিন আমিষ/প্রোটিন জাতীয় পদার্থ।
- হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিনের কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে কলায় পরিবহন করা এবং কলা থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে পরিবহন করা।

উৎস: জীববিজ্ঞান-দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
১৫.
কোন গ্রুপের রক্তে a ও b উভয় ধরনের এন্টিবডি থাকে?
  1. গ্রুপ O
  2. গ্রুপ AB
  3. গ্রুপ B
  4. গ্রুপ A
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ O
ব্যাখ্যা
• রক্তের গ্রুপ:
- বিভিন্ন ব্যক্তির লোহিত রক্ত কণিকায় A এবং B নামক দুই ধরনের অ্যান্টিজেন (antigens) থাকে এবং রক্তরসে a ও b দু'ধরনের অ্যান্টিবডি (antibody) থাকে।
- এই অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়, একে ব্লাড গ্রুপ বলে।
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার 1901 সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা A, B, AB এবং O- এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন।
- সাধারণত একজন মানুষের রক্তের গ্রুপ আজীবন একই রকম থাকে।
- রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ভিত্তিতে ব্লাড গ্রুপকে এভাবে বর্ণনা করা যায়।
যেমন-
• গ্রুপ A:
এ শ্রেণির রক্তে A অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে b অ্যান্টিবডি) থাকে।

• গ্রুপ B:
এশ্রেণির রক্তে B অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টি-A অ্যান্টিবডি (সংক্ষেপে a অ্যান্টিবডি) থাকে।

• গ্রুপ AB:
এই শ্রেণির রক্তে A ও B অ্যান্টিজেন থাকে এবং কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না।

• গ্রুপ O:
এ শ্রেণির রক্তে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না কিন্তু a ও b অ্যান্টিবডি থাকে।

উল্লেখ্য,
- O গ্রুপের রক্তবিশিষ্ট ব্যক্তি সব গ্রুপের রক্তের ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে, এদের বলা হয় সর্বজনীন রক্তদাতা (universal donor)।
- AB রক্তধারী ব্যক্তি যেকোনো ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই তাকে সর্বজনীন রক্তগ্রহীতা (universal recipient) বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
কোন হেপাটাইটিস ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে ছড়ায় না?
  1. Hepatities A
  2. Hepatities B
  3. Hepatities C
  4. Hepatities D
সঠিক উত্তর:
Hepatities A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hepatities A
ব্যাখ্যা
• হেপাটাইটিস:
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের ( এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে।
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

• ভাইরাসের নাম- ধরণ- সংক্রমণের মাধ্যম:
- Hepatities A- RNA - পানি, দূষিত খাবার;
- Hepatities B- DNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatities C- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatities D- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম, লালা;
- Hepatities E- RNA- পানি, দূষিত খাবার।

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৭.
একটি আদর্শ ফুলের অংশ নয় কোনটি?
  1. দলমণ্ডল
  2. বৃতি
  3. পুষ্পাক্ষ
  4. বৃন্ত
সঠিক উত্তর:
বৃন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃন্ত
ব্যাখ্যা
• আদর্শ ফুলের বিভিন্ন অংশ:
- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে।
যথা- (ক) পুষ্পাক্ষ, (খ) বৃতি, (গ) দলমণ্ডল, (ঘ) পুংস্তবক এবং (ঙ) স্ত্রীস্তবক।

• পুষ্পাক্ষ:
- ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপর সাজানো থাকে তাকে বলা হয় পুষ্পাক্ষ।
- এটি পুষ্প পত্রধারণ করে এবং ফুলকে কান্ডের সাথে আবদ্ধ রাখে।

• বৃতি:
- একটি ফুলের বাইরের স্তবককে বলা হয় বৃতি। এর প্রতিটি খণ্ডকে বৃত্যংশ বলা হয়।
- সবুজ বৃতি সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে।

• দলমন্ডল:
- বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল। এর প্রতিটি খণ্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়।
- এরা সাধারণত রঙ্গিন হয়।

• পুংস্তবক:
- দলমন্ডলের ভেতরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন পরাগরেণু উৎপাদনকারী স্তবককে পুংস্তবক বলা হয়।
- এটি ফুলের তৃতীয় স্তবক এবং একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ।

• স্ত্রীস্তবক:
- পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়।
- এটি ফুলের আর একটি অত্যাবশ্যকীয় স্তবক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী,
১৮.
পৃথিবীর বৃহত্তম ফুল কোনটি?
  1. র‍্যাফলেশিয়া
  2. ফণিমনসা
  3. রক্তজবা
  4. লরেন্স
সঠিক উত্তর:
র‍্যাফলেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাফলেশিয়া
ব্যাখ্যা
• র‍্যাফলেশিয়া (Rafflesia arnoldii) হলো পৃথিবীর বৃহত্তম একক ফুল।
- এটি বিশেষভাবে পরিচিত তার বিশাল আকার এবং দুর্গন্ধের জন্য।

• ফুল: 
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- একটি সম্পূর্ণ ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে। যথা-
১. পুষ্পাক্ষ।
২. বৃতি। 
৩. দলমন্ডল। 
৪. পুংস্তবক। 
৫. স্ত্রীস্তবক।
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলা হয়। 
- যখন কোন ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে তখন সেটি উভলিঙ্গ ফুল।  যেমন গোলাপ, ধুতুরা, জবা ইত্যাদি।
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল বলে, যেমন কুমড়া আবার দুটিই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল বলা হয়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভাড ম্যাগাজিন।
১৯.
সালোক সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান নয় কোনটি?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. পানি
  3. আলো
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
• সালোক সংশ্লেষণ:
- শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্য্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।

- সালোক সংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে:
(১) আলো (২) ক্লোরোফিল (৩) পানি ও (৪) কার্বন ডাই-অক্সাইড।

- সালোক সংশ্লেষণ সাধারণত উদ্ভিদের সবুজ অঙ্গে যেখানে ক্লোরোফিল আছে সেখানে ঘটে।
- যেমন: পাতা, সবুজকাণ্ড, শাখাপ্রশাখা প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- মূল মাটির নিচে থাকে এবং এটি উদ্ভিদের অসবুজ অংশ তাই এখানে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।