ব্যাখ্যা
• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- বাংলাদেশের হাইকোর্ট ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে পঞ্চদশ সংশোধনীকে আংশিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করেছে।
- পঞ্চদশ সংশোধনী ৩০ জুন, ২০১১ তারিখে জাতীয় সংসদে পাস হয়।
- এবং ৩ জুলাই, ২০১১ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।
- সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ৫৪টি পরিবর্তন, সংযোজন ও পরিমার্জন আনা হয়।
- তবে বদিউল আলম মজুমদার- সুজন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক- সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
- হাইকোর্টের রায়ে ২০২৪ সালে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও দেবাশীষ রায় চৌধুরী ৫৪টির মধ্যে ৬টি বিধান বাতিল করেন।
- বাতিলকৃত ধারার মধ্যে ছিল- ৭(ক), ৭(খ), ৪৪(২) এবং ১৪২।
- এর ফলে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন বাতিল হয়ে যায়।
- বর্তমানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য,
- পূর্বে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ ধারা বাতিল করা হয়েছিল।
- তবে হাইকোর্ট পুনর্বহালের রায়ে গণভোট আয়োজনের ক্ষমতা পুনঃসংযোজন করে।
- হাইকোর্টের রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করার পথ সুগম করেছে।
- এছাড়া, সংবিধানের মৌলিক বিষয়গুলোর পরিবর্তন বা বাতিল করার সুযোগও নিশ্চিত করেছে।
- পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের ফলে আইন বিভাগের উপর শাসন বিভাগের কর্তৃত্ব কিছু পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।
উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. BBC News;
৩. দৈনিক ইত্তেফাক।