পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৮ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [Exam – 16 & 17] [Live Class -23,25 & 24 মেন্টর: আসিফ আসাদ]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের হাইকোর্ট পঞ্চদশ সংশোধনীকে আংশিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করেছে- 
  1. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
  3. ৩ জুলাই, ২০২৫
  4. ৩০ জুন, ২০২৪ 
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:  
- বাংলাদেশের হাইকোর্ট ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে পঞ্চদশ সংশোধনীকে আংশিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করেছে।
- পঞ্চদশ সংশোধনী ৩০ জুন, ২০১১ তারিখে জাতীয় সংসদে পাস হয়।
- এবং ৩ জুলাই, ২০১১ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।
- সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ৫৪টি পরিবর্তন, সংযোজন ও পরিমার্জন আনা হয়।
- তবে বদিউল আলম মজুমদার- সুজন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক- সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
- হাইকোর্টের রায়ে ২০২৪ সালে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও দেবাশীষ রায় চৌধুরী ৫৪টির মধ্যে ৬টি বিধান বাতিল করেন।
- বাতিলকৃত ধারার মধ্যে ছিল- ৭(ক), ৭(খ), ৪৪(২) এবং ১৪২।
- এর ফলে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন বাতিল হয়ে যায়।
- বর্তমানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ ধারা বাতিল করা হয়েছিল।
- তবে হাইকোর্ট পুনর্বহালের রায়ে গণভোট আয়োজনের ক্ষমতা পুনঃসংযোজন করে।
- হাইকোর্টের রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করার পথ সুগম করেছে।
- এছাড়া, সংবিধানের মৌলিক বিষয়গুলোর পরিবর্তন বা বাতিল করার সুযোগও নিশ্চিত করেছে।
- পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের ফলে আইন বিভাগের উপর শাসন বিভাগের কর্তৃত্ব কিছু পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে। 

উৎস: 
১. প্রথম আলো;
২. BBC News;
৩. দৈনিক ইত্তেফাক। 

.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন- 
  1. অধ্যাপক জয়নুল আবেদীন
  2. অধ্যাপক রুহুল আমিন
  3. অধ্যাপক কামরুল হাসান
  4. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রিয়াজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রিয়াজ
ব্যাখ্যা

• সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন অধ্যাপক আলী রিয়াজ। 
- কমিশনে মোট ৯ জন সদস্য ছিলেন।
- কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে:
• দেশের সাংবিধানিক নাম হবে জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ (People's Republic of Bangladesh),
• নাগরিকত্ব বাংলাদেশি হিসেবে ধার্য করা হবে।
• সংবিধানের মূলনীতি হবে চারটি – সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র।
• এছাড়া, সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট;
• যেখানে নিম্নকক্ষে ৪০০টি আসন এবং উচ্চকক্ষে ১০৫টি আসন থাকবে। 
• এবং সরকারের, সংসদের এবং রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ধার্য করা হবে ৪ বছর।
• সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স হবে ২১ বছর। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

.
বাংলাদেশ সংবিধানের কততম সংশোধনীতে "বিসমিল্লাহির-রাহমানির রাহিম" সংযোজন করা হয়? 
  1. চতুর্থ 
  2. পঞ্চম 
  3. দ্বিতীয় 
  4. প্রথম 
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম 
ব্যাখ্যা

পঞ্চম সংশোধনী: 
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে।
- বাংলাদেশের পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) ছিল একটি বিতর্কিত সংশোধনী।

- এই সংশোধনীর মাধ্যমে-
• ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক সরকারের সমস্ত কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেয়া হয়।
সংবিধানের শুরুতে "বিসমিল্লাহির-রাহমানির রাহিম" সংযোজন করা হয়।
• তাছাড়া, বাঙালি জাতিকে ‘বাংলাদেশি’ নামে আখ্যায়িত করা হয়, যদিও এটি পরে পরিবর্তিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫ সালে হাইকোর্ট পঞ্চম সংশোধনীর সামরিক শাসন বৈধতা দানকারী অংশটি অবৈধ ঘোষণা করে।
- আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলেও, সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজনের অংশটি বাতিল করেনি। 

উৎস:
১. BBC News;
২. প্রথম আলো পত্রিকা;
৩. বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

.
সংবিধানের চতুর্থ তফসিল কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. ৭ই মার্চের ভাষণ
  2. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  3. শপথ ও ঘোষণা
  4. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী 
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী 
ব্যাখ্যা

সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর কথা উল্লেখ আছে। 

সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদের মাধ্যমে প্রণয়ন করা হয়।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন কমিটি ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করে।
- সংবিধানটি ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
- ১৪ ডিসেম্বর স্পিকার সংবিধানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈধতা ও স্বীকৃ্তি দেয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল রয়েছে।

• সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- প্রথম তফসিল – অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল – রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল – শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল – ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল – স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল – স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

.
সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৪২
  2. ১২৪
  3. ১১৮
  4. ১০৮
সঠিক উত্তর:
১৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২
ব্যাখ্যা

১৪২ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা-
- সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সংবিধানের কোনো বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের মাধ্যমে সংশোধন করতে পারে।
- তবে এর জন্য কিছু শর্ত রয়েছে-
• প্রথমত, সংশোধনীর বিলের সম্পূর্ণ শিরোনামে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে কোন বিধান সংশোধন করা হবে।
• দ্বিতীয়ত, সংসদের মোট সদস্যসংখ্যার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দ্বারা বিল গৃহীত হতে হবে;
- অন্যথায় এটি রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপন করা যাবে না। 
• তৃতীয়ত, রাষ্ট্রপতি বিলটি পাসের জন্য সাত দিনের মধ্যে সম্মতি দিতে হবে;
- আর যদি তিনি দেওয়ার ক্ষমতা না রাখেন, তবে সেই সময়সীমা শেষে বিলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত বলে গণ্য হবে।

অন্যদিকে,
• ১২৪ অনুচ্ছেদ — নির্বাচন সম্পর্কিত বিধানপ্রণয়ন:
- সংসদের ১২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ আইনের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পর্কিত বিষয়গুলি নির্ধারণ করতে পারে।
• এর মধ্যে রয়েছে- 
- নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ,
- ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা,
- নির্বাচন পরিচালনা এবং
- সংসদের সঠিক গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিধান প্রণয়ন করা।

• ১০৮ অনুচ্ছেদ — সুপ্রিম কোর্টের কোর্ট অব রেকর্ড স্বরূপ ক্ষমতা:
- সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ মতে, সুপ্রিম কোর্ট একটি কোর্ট অফ রেকর্ড; তার আদেশ এবং রায় চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে এবং
- কোন বাক্তি  আদালত এর সিদ্ধান্তের অবমাননা করলে সুপ্রিম কোর্ট তদন্ত ও শাস্তিসহ তার সমস্ত সংবিধিবদ্ধ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে ওই বাক্তির বিরুদ্ধে।

• ১১৮ অনুচ্ছেদ — নির্বাচন কমিশন:
- ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে, যার প্রধান হবেন একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং
- সদস্য হিসেবে সর্বোচ্চ চারজন নির্বাচন কমিশনার থাকবেন।

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

.
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- 
  1. ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা 
  2. আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন 
  3. গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের মূলনীতি 
  4. সুযোগের সমতা
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের মূলনীতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের মূলনীতি 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১১:
- ১১ নং অনুচ্ছেদে- গনতন্ত্র ও মানবাধিকারের মূলনীতি প্রণীত হয়েছে। 
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১ -এ উল্লেখ আছে যে, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ হবে।
- এখানে সবাইকে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা দেওয়া হবে।
- মানুষের মর্যাদা ও মূল্যকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
- এছাড়া দেশের সব প্রশাসনিক কাজে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণ অংশগ্রহণ করতে পারবে।

অন্যদিকে,
• ১২ নং অনুচ্ছেদে- ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে।
• ২৫ নং অনুচ্ছেদে- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের কথা উল্লেখ আছে। 
• ১৯ নং অনুচ্ছেদে- সুযোগের সমতার কথা বর্ণিত হয়েছে। 

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

.
সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৬
  2. অনুচ্ছেদ ৬৭ 
  3. অনুচ্ছেদ ৬৮ 
  4. অনুচ্ছেদ ৬৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৬
ব্যাখ্যা

সংবিধান: 
- সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণ করে।
- সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ বলে, সংসদে নির্বাচিত হতে হলে একজন প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে.
- এবং বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।
- কিন্তু কোনো ব্যক্তি নির্বাচিত হতে পারবে না, যদি তিনি:
• কোনো আদালত দ্বারা অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা প্রাপ্ত হন,
• দেউলিয়া থাকেন এবং দায় মুক্তি পাননি,
• অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন বা অন্য দেশের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেছেন,
• গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন এবং কারাদণ্ডের পাঁচ বছর পূর্ণ না হয়,
• ১৯৭২ সালের যোগসাজশী মামলায় দণ্ডিত হন, অথবা
• কোনো আইন অনুযায়ী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে যদি:
- শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করার ৯০ দিনের মধ্যে তা করতে না পারেন,
- অনুমতি ছাড়া ৯০ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকেন,
- সংসদ ভাঙে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে অযোগ্য হন, বা
- ৭০ নং অনুচ্ছেদের শর্ত পূরণ হয়।
- সদস্য চাইলে স্পীকারের কাছে লিখিতভাবে পদত্যাগ করতে পারবেন, এবং স্পীকার পত্র প্রাপ্ত হলে তার আসন শূন্য ধরা হবে।

সংবিধানের ৬৮ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ৬৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ-সদস্যদের পারিশ্রমিক, ভাতা ও বিশেষ অধিকার নির্ধারণ করা হবে সংসদের আইন বা রাষ্ট্রপতির আদেশ অনুযায়ী।

সংবিধানের ৬৯ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ৬৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কেউ শপথ গ্রহণের আগে বা অযোগ্য অবস্থায় আসন গ্রহণ বা ভোট দিলে, প্রতি দিনের জন্য এক হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

.
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ, সংবিধান রচনার লক্ষ্যে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, খসড়া সংবিধান বিল গণপরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি- 
• জাতীয়তাবাদ,
• গণতন্ত্র,
• ধর্মনিরপেক্ষতা ও
• সমাজতন্ত্র।

- সংবিধানের বৈশিষ্ঠ্য:
• বাংলাদেশের সংবিধানে ১১ টি অধ্যায় আছে।
• ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
• ৭ টি তফসিল রয়েছে।
• ১৩ টি পরিচ্ছেদ রয়েছে।
• ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ধারায় নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৯৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৪২ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৪৬ নং অনুচ্ছেদ 
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সর্বোচ্চ চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে।
- রাষ্ট্রপতি সংবিধান ও প্রণীত আইনের বিধান অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ প্রদান করবেন।
- একাধিক কমিশনার থাকলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- এই অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনারদের পদ মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এবং তাদের ভবিষ্যৎ সরকারি নিয়োগ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ উল্লেখ করা হয়েছে।
- পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের মতো একই পদ্ধতি ও কারণ ছাড়া কোনো নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণ করা যাবে না।
- সর্বশেষে, কমিশনারদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ব্যবস্থাও এই অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ৯৬ নং অনুচ্ছেদ:
- এই অনুচ্ছেদে বিচারকদের পদের মেয়াদ ও অপসারণ নিয়ে বলা হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে, কোনো বিচারক ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত পদে বহাল থাকবেন।
- প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত প্রস্তাব ও রাষ্ট্রপতির আদেশ ছাড়া বিচারককে অপসারণ করা যাবে না।
- অভিযোগের তদন্ত ও পদ্ধতি সংসদ আইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে।
- তাছাড়া, বিচারক চাইলে রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিতভাবে পদত্যাগ করতে পারবেন।

• সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদ:
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত।
- সংসদ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংবিধানের কোনো বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিত করতে পারে।
- তবে সংশোধনী বিলের শিরোনামে সংশোধনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
- বিলটি সংসদের মোট সদস্যের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত হতে হবে। 
- গৃহীত বিল রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হলে তিনি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দেবেন।
- সম্মতি না দিলে নির্ধারিত সময় শেষে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত বলে গণ্য হবে।

সংবিধানের ১৪৬ নং অনুচ্ছেদ:
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- "বাংলাদেশ" নাম ব্যবহার করে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে বা সরকারের পক্ষ থেকে মামলা করা যেতে পারে। 

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

১০.
সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী অনুসারে, কত বছর পর্যন্ত ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত থাকবে?
  1. ১৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছর
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংশোধনী:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ, সংবিধান রচনার লক্ষ্যে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, খসড়া সংবিধান বিল গণপরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। 
- সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৮ জুলাই জাতীয় সংসদে সপ্তদশ (১৭তম) সংশোধনী বিল পাস হয়।
- এতে একাদশ সংসদের ৫০টি নারী আসন আগামী ২৫ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার বিধান অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

১১.
বিশ্বের প্রথম আধুনিক লিখিত সংবিধান- 
  1. মদিনা সনদ
  2. যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান
  3. ম্যাগনাকার্টা
  4. ভারতের সংবিধান
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান:
- জর্জ ওয়াশিংটনের নেতৃত্বে ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
- এ সম্মেলনে আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এ উদ্দ্যেশ্যে একটি সংবিধান প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
- এ সংবিধান রচনায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন জেমস ম্যাডিসন, আলেকজান্ডার হ্যামিলটন ও বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন।
- বিশ্বের প্রথম আধুনিক লিখিত সংবিধান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ১৭৮৭ সালে গৃহীত হয়। 
- এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার রূপায়ণের মূল দলিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভাগ, সরকারি শাখাগুলির ভূমিকা, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং গণতন্ত্রের বিভিন্ন দিক সংজ্ঞায়িত করে।
- সংবিধানটি গণতন্ত্রের রূপায়ণ ও মানবাধিকার বিষয়ে বিশ্বে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে।

অন্যদিকে,
• মদিনা সনদ:
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান হলো মদিনা সনদ।
- মদিনা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী ইহুদী, খ্রিস্টান, পৌত্তলিক ও ‍মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতির জন্যে হযরত ‍মুহাম্মদ (স.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে ‘মদিনা সনদ’ রচনা করেন।
- এতে ৪৭টি ধারা ছিলো।

• ম্যাগনা কার্টা:
- ম্যাগনা কার্টা (১২১৫) ইংল্যান্ডে রাজা জন অনুমোদিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবিধানিক দলিল।
- এটি রাজা ও শাসনের ক্ষমতা সীমিত করে এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার, যেমন সুবিচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এটি পরবর্তীতে ইংল্যান্ডে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি হিসেবে গড়ে উঠে। 

ভারতের সংবিধান:
-  ভারতের সংবিধান ১৯৫০ সালে কার্যকর হয়।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম লিখিত সংবিধান।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রেখে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো তৈরি করে।

উৎস:
১. উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কে? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
  2. শফিকুল ইসলাম
  3. ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার
  4. আহসান এইচ মনছুর
সঠিক উত্তর:
আহসান এইচ মনছুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান এইচ মনছুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
- ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- এর প্রধান কার্যালয় ব্যতীত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও দশটি শাখা রয়েছে- 
- মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ ও রংপুর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন আ ন ম হামিদুল্লাহ।  
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হচ্ছেন আহসান এইচ মনছুর (১৩তম)। 
- আর অর্থসচিব ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
- গভর্নরের মেয়াদকাল চার বছর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৩.
বাংলাদেশ সরকারের হজযাত্রী সহায়ক মোবাইল অ্যাপের নাম কী? 
  1. লা শারিকালাহু
  2. হজসঙ্গী
  3. লাব্বাইক
  4. হজগাইড 
সঠিক উত্তর:
লাব্বাইক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাব্বাইক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মোবাইল অ্যাপের নাম- 'লাব্বাইক'।

'লাব্বাইক':
- বাংলাদেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের সুবিধার জন্য ‘লাব্বাইক’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে।
- এটি হজযাত্রার প্রস্তুতি থেকে শুরু করে সৌদি আরবে অবস্থানকালীন প্রয়োজনীয় তথ্য, দিকনির্দেশনা, যোগাযোগ, লজিস্টিক সাপোর্ট এবং জরুরি সহায়তার জন্য ডিজিটাল সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- এই অ্যাপ হজযাত্রীদের ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা, স্থানীয় অবকাঠামো সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং জরুরি সহায়তার প্রয়োজনীয়তা মোকাবিলায় সহায়তা করে।
- ফলে হজযাত্রা নিরাপদ, সুবিন্যস্ত এবং আধ্যাত্মিকভাবে সমৃদ্ধ হয়।
- এই অ্যাপটির জন্য হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে।
- অ্যাপটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো: 
• বাংলা ভাষায় হজ বিষয়ক অডিও-ভিজ্যুয়াল গাইড ও দোয়া,
• মক্কা, মদিনা ও মিনার বাসস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহের ছবি ও তথ্য,
• ভার্চুয়াল মেডিকেল সাপোর্ট,
• লাগেজ ট্র্যাকিং, 
• প্রিপেইড কার্ড ও সিমের রোমিং সুবিধা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

১৪.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের কোন অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা
  2. মামলা করার অধিকার 
  3. ধর্মীয় স্বাধীনতা 
  4. কোনোটি নয় 
সঠিক উত্তর:
চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

সংবিধান: 
- বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী ৩৯ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
- সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সকল নাগরিকের চিন্তা ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
- এছাড়া, মত প্রকাশের অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও স্বীকৃত।
- তবে, এই স্বাধীনতা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা, আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধপ্ররোচনার ক্ষেত্রে আইনানুগ সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকবে।

অন্যদিকে,
সংবিধান ৪৪ -মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ:
- সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য নাগরিকদের হাইকোর্টে মামলা করার অধিকার রয়েছে।
- একই সঙ্গে, সংসদ আইন প্রণয়ন করে অন্যান্য আদালতকেও সীমিতভাবে এই ক্ষমতা ব্যবহার করার সুযোগ দিতে পারে, তবে এটি হাইকোর্টের ক্ষমতার ক্ষতি করবে না।

সংবিধান ৪১ -ধর্মীয় স্বাধীনতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকরা যে কোনো ধর্ম মানার, পালন করার ও প্রচার করার অধিকার রাখে।
- এছাড়া, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায় নিজেদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গঠন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার অধিকারও রাখে।
- কোনো ব্যক্তি যদি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়, তার নিজস্ব ধর্ম না হলে তাকে কোনো ধর্মীয় শিক্ষা বা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করা যাবে না।

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

১৫.
সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য সংবিধানের কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়েছে? 
  1. ৫ম তফসিল
  2. ৭ম তফসিল
  3. ৪র্থ তফসিল
  4. ৬ষ্ঠ তফসিল
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের চতুর্থ তফসিল মূলত ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সংক্রান্ত।
- সংবিধানের মূল চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য চতুর্থ তফসিলের অপব্যবহার করা হয়েছে।

সংবিধানের তফসিল:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ, সংবিধান রচনার লক্ষ্যে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে। এগুলো হলো:
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: মুজিবনগর সরকার জারি করা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

১৬.
'জুলাই স্মৃতি উদ্যান' কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম 
  2. কুমিল্লা 
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
ব্যাখ্যা

'জুলাই স্মৃতি উদ্যান':
- চট্টগ্রামের জাতিসংঘ পার্ক-কে সম্প্রতি ‘জুলাই স্মৃতি উদ্যান’ নামে নতুন নামকরণ করা হয়েছে।
- এই উদ্যানটি তৈরি করা হয়েছে শহীদদের স্মরণ ও তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানোর জন্য।
- এই নামকরণটি 'ফ্যাসিবাদ যাতে ফিরে না আসে এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম যাতে শহীদদের ত্যাগ স্মরণ করতে পারে', সেই উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে। 
- উদ্যানটি চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৫৪ সালে পাঁচলাইশ পার্ক নামে স্থাপিত হয়।
- ২০০২ সালে এর নাম পরিবর্তন করে জাতিসংঘ পার্ক (UN Park) রাখা হয়।
- সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এর নাম পরিবর্তন করে ‘জুলাই স্মৃতি উদ্যান’ রাখা হয়।
- নতুনভাবে উদ্যানটি ২০২৫ সালের ৩ জানুয়ারি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। 

১৭.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্য ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ (পহেলা বৈশাখ) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ফ্লোরিডা
  2. টেক্সাস
  3. নিউইয়র্ক
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

বাংলা নববর্ষ:
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ (পহেলা বৈশাখ) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- অঙ্গরাজ্যের গভর্নর অফিস আলবেনিতে বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় এই উৎসব উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
- এটি মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে, ৩২ স্টেট সিনেটের লুইস সেপুলভেদার প্রস্তাবে এবং আইনসভার ২২ জানুয়ারির অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে।
- গভর্নর ক্যাথি হোকুল ২৩৪ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেন।
- এই স্বীকৃতি প্রবাসী বাঙালিদের জন্য অনেক বড় একটি অর্জন।
- এছাড়া এই স্বীকৃতি নিউইয়র্কের বহুসাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতিফলনও ঘটায়।
- এর মাধ্যমে ১৪ এপ্রিল শুধু উৎসবের দিন নয়, বরং বাঙালির ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতি আন্তর্জাতিকভাবে উদযাপন করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- পহেলা বৈশাখে নিউইয়র্কে মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা ও পরিবারিক মিলনমেলা আয়োজন করা হয়ে থাকে। 

উৎস: প্রথম আলো ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা। 

১৮.
সপ্তম বাংলাদেশি হিসেবে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করেছেন- 
  1. নিশাত মজুমদার
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. মুসা ইব্রাহীম
  4. এম এ মুহিত 
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা

এভারেস্ট জয়ী: 
- বাংলাদেশি পর্বতারোহী ইকরামুল হাসান শাকিল সপ্তম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন।
-  ২০২৫ সালের ১৯মে শাকিল বাংলাদেশের জন্য এই সাফল্যমণ্ডিত অর্জন বয়ে আনে।
- তিনি কক্সবাজার থেকে প্রায় ১,৩৭২ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে ৮৪ দিনে এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছান।
- এ সময় তিনি এভারেস্টের চূড়ায় লাল-সবুজের বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান।
- এই অভিযানে তিনি পদযাত্রায় এভারেস্ট জয় করে এমন এক কীর্তি গড়েছেন যা পৃথিবীতে অন্য কারো নেই।
- শাকিল সবচেয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সবচেয়ে কম সময়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এভারেস্ট জয়ের বিশ্বরেকর্ড স্থাপন করেছেন।

অন্যদিকে,
- প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী- নিশাত মজুমদার।
- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম।
- এভারেস্টের দুই দিক থেকে দুইবার জয় করেন এম এ মুহিত। 

উৎস: দৈনিক যুগান্তর ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

১৯.
বাংলাদেশের কোন জেলায় রাষ্ট্রীয় বনভূমির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. খুলনা
  2. সিলেট
  3. রাঙ্গামাটি
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৫ লক্ষ ৭৫ হাজার হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮%।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০.৭৪%।
- বাংলাদেশে মোট ৩৫টি জেলায় রাষ্ট্রীয় বনভূমি রয়েছে।
- এর মধ্যে রাঙ্গামাটিতে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে। 
- আর লালমনিরহাটে সবচেয়ে কম।
- অন্য জেলায় বনভূমির পরিমাণ মধ্যম বা তুলনামূলকভাবে কম বেশি।

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- এসব গাছের পাতা একসঙ্গে  ঝরে যায়না।
- ফলে বনগুলো সারা বছর সবুজ থাকে।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়। গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল সমৃদ্ধ।

উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি;
৩. জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২০.
বাংলাদেশের সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) এর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত করা
  2. বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়া
  3. প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক ও বিনামূল্য করা
  4. একাদশ সংসদের ৫০টি নারী আসন সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়া
ব্যাখ্যা

• ষোড়শ সংশোধনী:
- ষোড়শ সংশোধনী বাংলাদেশে ২০১৪ সালে পাস হওয়া সংবিধানের একটি সংশোধনী।
- এর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল থেকে পুনরায় জাতীয় সংসদের হাতে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।
- সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে এই সংশোধনী কার্যকর করা হয়।
- কিন্তু পরবর্তীতে আপিল বিভাগ এই সংশোধনীর বিরুদ্ধে রায় দিয়ে এটিকে অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে।
- কারণ, এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতি ক্ষুণ্ণ করছিল
- এবং এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী ছিল।
- সংশোধনী বাতিল হওয়ার ফলে অপসারণের ক্ষমতা পুনরায় সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ফিরে আসে।
- এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

অন্যদিকে, 
• ১৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত করা হয়। 
• ষোলতম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক ও বিনামূল্য করা হয়। 
• সতেরোতম সংশোধনীর মাধ্যমে একাদশ সংসদের ৫০টি নারী আসন সংরক্ষণ করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

২১.
বাংলাদেশের কোন মূল্যমানের নোটে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধের ছবি রয়েছে?
  1. সামনের দিকে ২ টাকার নোট
  2. সামনের দিকে ৫ টাকার নোট
  3. পেছনের দিকে ১০ টাকার নোট
  4. পেছনের দিকে ২ টাকার নোট
সঠিক উত্তর:
পেছনের দিকে ২ টাকার নোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেছনের দিকে ২ টাকার নোট
ব্যাখ্যা

নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ব্যাংক নোটের ছবি প্রকাশ করেছে।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরিত ৫০০, ২০০, ১০০ ও ১০ টাকার নোটের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
- এছাড়া, অর্থ সচিব ড. খায়রুজ্জামান মজুমদারের স্বাক্ষরিত ২ ও ৫ টাকার নোটের ছবি ও প্রকাশিত হয়েছে।
- ২ টাকার নোটের সামনের দিকে বামপাশে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এবং মাঝখানে শাপলা ফুলের ছবি মুদ্রিত রয়েছে।
- পেছনের দিকে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধের ছবি থাকবে।
- নোটে হালকা সবুজ রঙের আধিক্য থাকবে।
- ২ টাকার নোটের জলছাপ হিসেবে 'রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ', মূল্যমান '2' এবং 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রাম' থাকবে।

অন্যদিকে,
• ৫ টাকার নোট: 
- ৫ টাকার নোটের সামনের দিকে বামপাশে তারা মসজিদ ও মাঝখানে শাপলা ফুলের ছবি মুদ্রিত থাকবে।
- পেছনের দিকে জুলাই-২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি 'গ্রাফিতি-২০২৪' মুদ্রিত থাকবে।
- নোটে গোলাপী রঙের আধিক্য থাকবে।
- জলছাপ হিসেবে নোটে ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ’, মূল্যমান ‘5’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ থাকবে।

• ১০ টাকার নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর স্বাক্ষরিত ১০ টাকার নোটের সামনের দিকে বামপাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এবং মাঝখানে শাপলা ফুলের ছবি মুদ্রিত থাকবে।
- ১০ টাকার নোটের পেছনের দিকে জুলাই-২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের আঁকা ‘গ্রাফিতি-২০২৪’ মুদ্রিত থাকবে।
- নোটে গোলাপি রঙের আধিক্য থাকবে।
- জলছাপ হিসেবে নোটে ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ’, মূল্যমান ‘10’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ থাকবে।

উৎস: প্রথম আলো ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা। 

২২.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুসারে, বাজেটের আকার-  
  1. সাত লক্ষ আটাশি হাজার কোটি টাকা 
  2. সাত লক্ষ পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকা 
  3. সাত লক্ষ একানব্বই হাজার কোটি টাকা 
  4. সাত লক্ষ নিরানব্বই হাজার কোটি টাকা 
সঠিক উত্তর:
সাত লক্ষ আটাশি হাজার কোটি টাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত লক্ষ আটাশি হাজার কোটি টাকা 
ব্যাখ্যা

সংশোধিত জাতীয় বাজেট (২০২৫-২৬):
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- এই বৈঠকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বাজেটটি ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
- চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমায় বাজেটের শেষ নাগাদ এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

- সংশোধিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমিয়ে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমানোর জন্য উন্নয়ন ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে।
- সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা।
- এবং দেশীয় অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা।
- সংশোধিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এছাড়া সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৩ শতাংশ।
- এই ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে ৬৩ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

২৩.
সম্প্রতি বাংলাদেশ কোন দেশে নতুন হাইকমিশন স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. কানাডা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ হাইকমিশন:
- বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটনে একটি হাইকমিশন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
- এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি সমৃদ্ধ দেশ।
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন, মানব উন্নয়ন সূচকে এই দেশের অবস্থান ১৬তম।
- এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা সূচকে ৩২তম অবস্থানে রয়েছে দেশটি।
- দেশটির উচ্চ ক্রয়ক্ষমতা বাংলাদেশি পণ্যের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
- তাছাড়া, হাইকমিশন স্থাপনের মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি রাজনৈতিক, কৌশলগত, বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও প্রবাসী কল্যাণ সম্পর্কিত স্বার্থও বৃদ্ধি পাবে।
- এই মিশনের সকল ব্যয় অর্থবছর ২০২৫-২৬-এ বাস্তবায়িত হয়েছে।

উৎস: The Financial Express ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২৪.
জিংক সমৃদ্ধ নতুন সুগন্ধিযুক্ত ধানের জাতের নাম কী?
  1. জিএইউ ধান-১
  2. জিএইউ ধান-২
  3. জিএইউ ধান-৩
  4. জিএইউ ধান-৪
সঠিক উত্তর:
জিএইউ ধান-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিএইউ ধান-৩
ব্যাখ্যা

ধানের জাত:
- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় একটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।
- জিংকসমৃদ্ধ এই নতুন ধানের জাতের নাম রাখা হয়েছে- জিএইউ ধান-৩’। 
- এই ধান জিংকসমৃদ্ধ এবং সুগন্ধিযুক্ত।
- শিশু ও গর্ভবতী নারীদের জন্য এই ধান বিশেষভাবে উপকারী।
- এতে জিংক ও আয়রনের পরিমাণ বেশি।
- সাধারণ জাতের চেয়ে এই ধানের ফলন প্রায় ১৫% বেশি (হেক্টরে ৫–৬ টন)।
- ধানটি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সুগন্ধিযুক্ত এবং দ্রুত পরিপক্ক হয়।
- আমন মৌসুমে প্রায় ৩ মাস ও বোরো মৌসুমে ৩.৫ মাসে এই জাতের ধান পরিপক্ক হয়।
- এছাড়াও এটি রোগ ও পোকা প্রতিরোধক।
- এই জাতের ধান থেকে প্রচুর খড় উৎপন্ন হয়।
- তাই এই জাতের ধান দ্বৈত ব্যবহারের (শস্য ও জ্বালানি/খাবার) জন্য উপযুক্ত।
- ড. নাসরীন আক্তার আইভীর নেতৃত্বে গাকৃবি'র বিজ্ঞানীরা এই ধানের জাত উদ্ভাবনে সফল হন। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। 

২৫.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী দেশের সাংবিধানিক নাম কী হবে?
  1. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
  2. জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ
  3. গণজনতন্ত্রী বাংলাদেশ
  4. জনতন্ত্রী বাংলাদেশ 
সঠিক উত্তর:
জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- বিদ্যমান সংবিধান পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করার জন্য বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
- কমিশন গঠনের পেছনের প্রেক্ষাপট ছিল ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
-  অতীতের সাংবিধানিক ব্যর্থতার কারণগুলো চিহ্নিত করে একটি নতুন, শক্তিশালী এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত সংবিধান প্রণয়নের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এর পরিপ্রেক্ষিতেই ৬ অক্টোবর, ২০২৪ সালে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠিত হয়।

- কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে:
দেশের সাংবিধানিক নাম হবে জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ (People's Republic of Bangladesh).
• নাগরিকত্ব বাংলাদেশি হিসেবে ধার্য করা হবে।
• সংবিধানের মূলনীতি হবে চারটি – সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র।
• এছাড়া, সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট;
• যেখানে নিম্নকক্ষে ৪০০টি আসন এবং উচ্চকক্ষে ১০৫টি আসন থাকবে।
• এবং সরকারের, সংসদের এবং রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ধার্য করা হবে ৪ বছর।
• সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স হবে ২১ বছর। 

উল্লেখ্য, 
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন অধ্যাপক আলী রিয়াজ।
- কমিশনে মোট ৯ জন সদস্য ছিলেন।
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল:
- জনপ্রতিনিধিত্বশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা এবং গণতন্ত্রের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।