পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes১৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা- ৪ টপিক তাপ ও তাপগতিবিদ্যা: (তাপ, তাপ সঞ্চালন, তাপধারণ ক্ষমতা, আপেক্ষিক তাপ, সুপ্ত তাপ, পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনে তাপের প্রভাব, তাপমাত্রা বা উষ্ণতা, পরমশূন্য তাপমাত্রা, প্রমাণ তাপমাত্রা, প্রমাণ চাপ ও পানির ত্রৈধ বিন্দু, তাপমাত্রার বিভিন্ন স্কেল, পদার্থের তাপমাত্রিক ধর্ম, গ্যাসের সূত্রাবলি, তাপগতিবিদ্যা, তাপ ইঞ্জিন, প্রত্যাবর্তী ও অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া) তড়িৎ: (স্থির তড়িৎ, আধান, তড়িৎ বল ও কুলম্বের সূত্র, তড়িৎ ক্ষেত্র, তড়িৎ তীব্রতা ও বিভব, চল তড়িৎ, তড়িৎ, প্রবাহ, তড়িৎ পরিবাহিতা, ব্যান্ড তত্ত্ব, তড়িৎ বর্তনী, রোধ, ওহমের সূত্র, তড়িৎ চালক শক্তি, তড়িৎ ক্ষমতা ও তড়িৎ, শক্তি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি) [ক্লাস ৮ ও ৯]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. তাপের এস আই একক জুল (J)
  2. আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্রের নাম হাইড্রোমিটার
  3. তাপ পরিমাপক যন্ত্রের নাম ক্যালরিমিটার
  4. উপরের সবগুলো
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

অপশনে হাইড্রোমিটারের স্থলে হাইগ্রোমিটার হওয়ার কথা ছিল। 
টাইপিং জনিত ভুল থাকার কারণে প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

সঠিক উত্তর- ক) ও গ)


 • তাপ:
- তাপ শক্তির একটি রূপ।
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক।
- তাপের এস আই একক জুল (J)
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি।
- তাপ পরিমাপক যন্ত্রের নাম ক্যালরিমিটার

• আরো কিছু পরিমাপক যন্ত্র:
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র হলো- ফ্যাদোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইগ্রোমিটার
- দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র - ল্যাকটোমিটার।
- ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম - সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - রিখটার স্কেল।
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্ৰ - ব্যারোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার।
- আটিয়াল ও রক্তের চাপ মাপক যন্ত্র - স্ফিগমেমোমিটার।
- উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র - অ্যালটিমিটার।

উৎস:
১. পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা। 

.
রোধ পরিমাপের একক কোনটি?
  1. কুলম্ব (C)
  2. অ্যাম্পিয়ার (A)
  3. ওহম (Ω)
  4. ভোল্ট (V)
সঠিক উত্তর:
ওহম (Ω)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওহম (Ω)
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) ওহম (Ω)

• রোধ:
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ (ইলেকট্রন প্রবাহ) বাধাগ্রস্ত হয় বা বিঘ্নিত হয়, তাকে রোধ (Resistance) বলে।
- এটি পরিবাহীর এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা বিদ্যুৎ চলাচলের বিরোধিতা করে।
- পরিবাহীর দৈর্ঘ্য, প্রস্থচ্ছেদ, উপাদান এবং তাপমাত্রার ওপর রোধ নির্ভর করে।
- এই রোধ বা Resistance-এর একক হচ্ছে ওহম (Ohm)।
- এটাকে গ্রিক অক্ষর Ω (ওমেগা) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- কোনো বস্তুর দুই প্রান্তে 1 V বিভব পার্থক্য প্রযুক্ত হলে যদি দেখা যায় 1 A বিদ্যুৎ প্রবাহিত হচ্ছে তাহলে বুঝতে হবে সেই বস্তুর রোধ 1 Ω।
- বৈদ্যুতিক রোধ (Resistance) পরিমাপের প্রধান যন্ত্রের নাম ওহমমিটার (Ohmmeter)।

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আধান বা চার্জের একক হলো কুলম্ব (C)।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার (A)।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট (V)।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রার আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ করা হয়েছে - 
  1. ২৭০.০০ K
  2. ২৭৩.১৬ K
  3. ১০০.০০ K
  4. ৩৭৩.১৬ K
সঠিক উত্তর:
২৭৩.১৬ K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭৩.১৬ K
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- খ) ২৭৩.১৬ K 

• তাপমাত্রা:

- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হল বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

• ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু:
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পের সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে তাকে ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বা স্টিম বিন্দু বলে।

• নিম্ন স্থির বিন্দু:
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ পানির সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে, অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে তাকে নিম্ন স্থির বিন্দু বা বরফ বিন্দু বলে।

• পানির ত্রৈধ বিন্দু:
- 4.5 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে।
- পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা 273.16 K নির্ধারণ করা হয়েছে

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
বৈদ্যুতিক আধান বা চার্জ সঞ্চয় করে রাখার যন্ত্রকে কী বলা হয়?
  1. জেনারেটর
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ধারক
সঠিক উত্তর:
ধারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ঘ) ধারক 

• ধারক:
- ধারক বা ক্যাপাসিটার হল এমন একটি বৈদ্যুতিক উপাদান যা চার্জ সঞ্চয় করতে পারে।  
- কোনো বস্তুকে তাপ দিলে বস্তু তাপ ধারণ করে রাখে, তাই বস্তুকে তাপ ধারক বলা যায়।
- তেমনি যে বস্তু আধান ধারণ অর্থাৎ সঞ্চয় করে রাখে, তাকে আধান ধারক বা শুধু ধারক বলে।
- পাত্রে পানি ঢাললে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তেমনি কোনো বস্তুতে আধান প্রদান করলে বস্তুর বিভব বৃদ্ধি পায়।
- যে পরিমাণ আধান প্রদান করলে একটি বস্তুর বিভব 1V বৃদ্ধি পায় তাকে তার ধারকত্ব বলে।
- সহজ কথায় বলতে গেলে যে ধারণ করে সেই ধারক। যেমন গ্লাস, বালতি বা কলসী পানি ধারণ করে। সুতরাং তাদেরকে পানি ধারক বলা যায়।
- ধারকত্বকে C দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ধারকের একক ফ্যারাড (F)।
- ধারকের একক ফ্যারাডে একটি বেশ বড় একক। এজন্য এর কতগুলো ছোট একক ব্যবহার করা হয়।

১. 1 μF (মাইক্রো ফ্যারাড) = 10- 6 F
২. 1 nF (ন্যানো ফ্যারাড) = 10- 9 F
৩. 1 pF (পিকো ফ্যারাড) = 10-12 F

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ওহমের সূত্র সম্পর্কিত গাণিতিক সমীকরণটি হলো-
  1. V = IR
  2. I = V/P
  3. Q = I/t
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
V = IR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
V = IR
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ক) V = IR 

• ওহমের সূত্র:

 • সূত্রটির গাণিতিক রূপ হলো-
V = IR

এখানে,
V = ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য (Volt),
I = কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহ (Ampere),
R = রোধ  (Ohm)।
এই সূত্র অনুসারে, কোনো পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য পরিবাহকের রোধ ও পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

অন্যদিকে,
• P = VI – এটি বিদ্যুৎ শক্তি বা Power-এর সূত্র।
• Q = It – এটি আধান (Charge) নির্ণয়ের সূত্র।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
তাপ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক? 
  1. উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে কম হয়
  2. উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে বেশি হয়
  3. সবটুকু তাপ কাজে রূপান্তরিত হয়
  4. কোনো তাপ বর্জিত হয় না
সঠিক উত্তর:
উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে বেশি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে বেশি হয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- খ) উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে বেশি হয়

• তাপীয় ইঞ্জিন:

- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। যথা:
১. বাষ্পীয় ইঞ্জিন,
২. পেট্রোল ইঞ্জিন,
৩. ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে।
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে
- অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে। ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে।
- বাসাবাড়ির রেফ্রিজারেটর তাপীয় পাম্পের একটি উদাহরণ যা আসলে একটি তাপ ইঞ্জিনের ঠিক বিপরীত।
- তাপ ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা হলো ইঞ্জিন দ্বারা কৃত কার্যকর কাজ এবং উৎস থেকে শোষিত তাপশক্তির অনুপাত। এটি শতাংশে প্রকাশ করা হয় এবং নির্দেশ করে যে ইনপুট তাপের কত অংশ কাজের রূপান্তর হয়েছে।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটির আপেক্ষিক রোধ সবচেয়ে বেশি?
  1. বাতাস
  2. হীরা
  3. গ্রাফাইট
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
বাতাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাস
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ক) বাতাস

• আপেক্ষিক রোধ:

- নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একক দৈর্ঘ্য ও একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট কোনো পরিবাহীর রোধকে ঐ পরিবাহীর উপাদানের আপেক্ষিক রোধ (Resistivity) বা রোধাঙ্ক বলে।
- এটি পরিবাহীর উপাদানের মৌলিক ধর্ম, যা বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা নির্দেশ করে।
- একটা নির্দিষ্ট পদার্থের জন্য ρ হচ্ছে আপেক্ষিক রোধ এবং এর একক হচ্ছে Ω m.
- কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক রোধ:


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
দেহের তাপমাত্রা 98°F হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?
  1. 36.7°
  2. 38°
  3. 39.1°
  4. 40.5°
সঠিক উত্তর:
36.7°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36.7°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দেহের তাপমাত্রা 98°F হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?

সমাধান:
ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের সম্পর্ক হলোঃ C/5 = (F - 32)/9
F = 98° হলে,
C/5 = (98 - 32)/9
⇒ C/5 = 66/9
⇒ C = (66 × 5)/9
⇒ C = 330/9
∴ C = 36.7°

সঠিক উত্তর- ক) 36.7° 

.
বরফের আপেক্ষিক তাপ কত?
  1. 130 Jkg- 1K- 1
  2. 400 Jkg- 1K- 1
  3. 4200 Jkg- 1K- 1
  4. 2100 Jkg- 1K- 1
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg- 1K- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg- 1K- 1
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ঘ) 2100 Jkg- 1K- 1

• আপেক্ষিক তাপ (Specific Heat):

- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়।
যেমন- আঁধা লিটার (0.5kg) পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে পাঁচ লিটার বা (5kg) পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি।
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়।
- তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়।
- তাই 1kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে।
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg- 1K- 1.
- বরফের আপেক্ষিক তাপ 2100 Jkg- 1K- 1 বলতে বুঝায় 1kg বরফের তাপমাত্রা 1K বাড়াতে 2100 J তাপের প্রয়োজন।
- কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক তাপ: 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
ভূ-সংযোগ তারের প্রধান কাজ কী?
  1. বিদ্যুৎ বিল কমানো
  2. যন্ত্রের ভোল্টেজ বাড়ানো
  3. অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা
  4. বিদ্যুৎ প্রবাহের গতি বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে পাঠিয়ে শক থেকে রক্ষা করা

• গ্রাউন্ড বা ভূ-সংযোগ:

- হাত দিয়ে ধরে ব্যবহার করা বা যে সব তড়িৎ যন্ত্রকে সব সময় স্পর্শ করে ব্যবহার করা হয় যেমন কম্পিউটার, ফ্রিজ, হেয়ার ড্রায়ার, ইস্ত্রি, ইলেকট্রিক রেজার, ওভেন, কল কারখানার বড় বড় দামী তড়িৎ যন্ত্র ইত্যাদিতে দুইটি তারের অতিরিক্ত আরও একটি তার যুক্ত থাকে। এই তারটি যন্ত্রগুলোর দেহের (Body) সাথে যুক্ত থাকে। তারের অপর প্রান্ত দৃঢ় ভাবে ভূমির সাথে যুক্ত। এই তারকে ভূ-সংযোগ তার বা গ্রাউন্ডেড তার বলে।
- যদি কোনো কারণে যন্ত্রপাতি তড়িতাহিত হয়ে যায় তাহলে এই তার বেয়ে তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি ভূমিতে চলে যায়। কাজেই যন্ত্রটিকে স্পর্শ করে বা ধরে কাজ করলেও ইলেকট্রিক শক খাওয়ার আশংকা থাকে না
- অপর দিকে যদি সংযোগ ত্রুটি বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সমগ্র যন্ত্রটির দেহ উচ্চ বিভবের সাথে সংযোগ হয়ে যায় তাহলে ভূ-সংযোগের কারণে উচ্চ তড়িৎ প্রবাহ ভূমিতে প্রবাহিত হয়ে যায় এবং এর ফলে ফিউজ তার গলে গিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সেজন্য যন্ত্রটি বিপদমুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
তাপমাত্রার এস. আই (SI) একক হচ্ছে -
  1. ফারেনহাইট
  2. ক্যালরি
  3. সেন্টিগ্রেড
  4. কেলভিন
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ঘ) কেলভিন

• তাপ:

- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- তাপ শক্তির একটি রূপ।
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক।
- তাপের SI একক জুল (J)।
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে 1 ক্যালরি (Cal) বলে।
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। অতএব, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল।

• তাপমাত্রা:
- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হল বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- তাপমাত্রার SI একক কেলভিন
- তবে তাপমাত্রার কেলভিন ছাড়াও বহুল প্রচলিত দুটি একক আছে। এগুলোর একটি হল সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং অন্যটি ফারেনহাইট।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
লোড পরিবর্তন হলেও কোন উৎসের টার্মিনাল ভোল্টেজ সর্বদা স্থির থাকে?
  1. বাস্তব ভোল্টেজ উৎস
  2. আদর্শ কারেন্ট উৎস
  3. আদর্শ ভোল্টেজ উৎস
  4. পরিবর্তনশীল উৎস
সঠিক উত্তর:
আদর্শ ভোল্টেজ উৎস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদর্শ ভোল্টেজ উৎস
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর- গ) আদর্শ ভোল্টেজ উৎস

• আদর্শ ভোল্টেজ উৎস:

- একটি আদর্শ ভোল্টেজ উৎস হল এমন একটি তাত্ত্বিক উৎস যার টার্মিনাল জুড়ে ভোল্টেজ স্থির থাকে এবং লোডের পরিবর্তন নির্বিশেষে এটি পরিবর্তিত হয় না।
- এটি শুধুমাত্র তখনই সম্ভব যদি উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ (internal resistance) শূন্য হয়। কারণ, যদি অভ্যন্তরীণ রোধ থাকে, তাহলে লোডের পরিবর্তনের সাথে সাথে ভোল্টেজ ড্রপ হবে, যা আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের বৈশিষ্ট্যের সাথে সাংঘর্ষিক।
- যদি অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য না হত, তাহলে উৎসের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময় ভোল্টেজ পতন (V = IR) ঘটত এবং ভোল্টেজ পরিবর্তিত হয়ে যেত।
- আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের ক্ষেত্রে, r = 0, তাই, 
Vterminal = Vsource অর্থাৎ, টার্মিনাল ভোল্টেজ সর্বদা উৎসের ভোল্টেজের সমান থাকে।
- সুতরাং, আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য (০)।
- এটি অসীম পরিমাণ কারেন্ট সরবরাহ করতে সক্ষম।

উৎস:
১. "Fundamentals of Electric Circuits" – Charles K. Alexander & Matthew N. O. Sadiku.
২. "Basic Engineering Circuit Analysis" – J. David Irwin & R. Mark Nelms.

১৩.
নিচের কোন প্রক্রিয়াটির জন্য তাপ বর্জন বা সরিয়ে নিতে হয়?
  1. স্ফুটন
  2. ঘনীভবন
  3. বাষ্পীভবন 
  4. গলন
সঠিক উত্তর:
ঘনীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনীভবন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- খ) ঘনীভবন

• স্ফুটনাঙ্ক:

- তাপ প্রয়োগ করে তরলকে গ্যাসে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে স্ফুটন বলে।
- 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তাপ প্রদানের ফলে যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে উক্ত তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।
- প্রত্যেক বিশুদ্ধ তরলের একটি নির্দিষ্ট স্ফুটনাঙ্ক থাকে।
- যেমন 1 বায়ুমন্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C।
- স্ফুটনের বিপরীত প্রক্রিয়াটির নাম ঘনীভবন।
- স্ফুটনের জন্যে তাপ দিতে হয়, ঘনীভবনের সময় তাপ সরিয়ে নিতে হয়

• ঘনীভবন: 
- তাপমাত্রা কমিয়ে কোনো বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থকে তার তরল অবস্থায় রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ঘনীভবন।
- কোনো বায়বীয় পদার্থের তাপ হ্রাস করে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় এলে ঐ পদার্থের ঘনীভবন শুরু হয়। ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রাটি মূলত ঐ পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক।
- তাপ হ্রাস করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখলে তাপমাত্রা স্ফুটনাঙ্কে অপরিবর্তিত থেকে ঘনীভবন চলতে থাকে। ঘনীভবন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তরলের বা বায়বীয় পদার্থের তাপমাত্রা স্ফুটনাঙ্কে স্থির থাকে।

• গলন ও গলনাঙ্ক: 
- কোনো বস্তুর কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে গলন বলে। নির্দিষ্ট চাপে যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থ গলে তরলে রূপান্তরিত হয় তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।
- এক বায়ু মন্ডলীয় চাপে বরফের গলনাংক 0°C। সমস্ত পদার্থ না গলা পর্যন্ত তাপমাত্র অপরিবর্তিত থাকে।

• বাস্পীভবন: 
- কোনো বস্তুর তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে।
- বাষ্পীভবন দু ভাবে সংঘটিত হয়। (১) স্বতঃবাষ্পীভবন বা বাষ্পায়ন এবং (২) স্ফুটন।

উৎস:
১. পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
একটি তড়িৎ ক্ষেত্র কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে?
  1. ১০ মিটার
  2. ১০০ মিটার
  3. অসীম পর্যন্ত
  4. কেবল আহিত বস্তুর উপরিভাগ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
অসীম পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসীম পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) অসীম পর্যন্ত

• তড়িৎ ক্ষেত্র (Electric Field):
 
- দুটি আধান পরস্পরকে বল প্রয়োগ করে। সমধর্মী আধান হলে বিকর্ষণ বল এবং বিপরীতধর্মী আধান হলে আকর্ষণ বল।
- লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো এই বল ক্রিয়া করার জন্য আহিত বস্তু দুটির মধ্যে পরস্পরের সাথে কোনো সংস্পর্শ করার প্রয়োজন হয় না। পরস্পর যেকোনো দূরত্বে থেকে এই বল ক্রিয়া করতে পারে। এই জাতীয় বলকে অস্পর্শী বল বলে।
- যে অঞ্চল জুড়ে অস্পর্শী বল ক্রিয়াশীল থাকে তাকে তার ক্ষেত্র বলে।
- সুতরাং বলা যায়, কোনো আহিত বস্তুর চারিদিকে যে অঞ্চল জুড়ে তড়িতের প্রভাব থাকে সেই অঞ্চলকে ঐ আহিত বস্তুর তড়িৎ ক্ষেত্র বলে।
- ঐ আহিত বস্তু দিয়ে তড়িৎ ক্ষেত্রের বাইরের কোনো আহিত বা অনাহিত বস্তুকে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করতে পারেনা।
- যেহেতু তড়িৎ বল দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক অর্থাৎ F ∝ (1/r2) সেহেতু, তত্ত্বীয় ভাবে বলা যায় তড়িৎ ক্ষেত্র অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত। কারণ বল শূন্য হলে সমীকরণ অনুসারে দূরত্ব অসীম হতে হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
বায়ুর আর্দ্রতা এবং বাষ্পায়নের হারের মধ্যে সম্পর্ক কী?
  1. আর্দ্রতা কমলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়
  2. আর্দ্রতা বাড়লে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়
  3. আর্দ্রতা কমলে বাষ্পায়ন কমে যায়
  4. এদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই
সঠিক উত্তর:
আর্দ্রতা কমলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্দ্রতা কমলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ক) আর্দ্রতা কমলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়

• বাষ্পায়নের উপর বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাব (Effects of various factors on evaporation):

- পরিবেশ থেকে সুপ্ত তাপ সংগ্রহ করে কোনো তরল পদার্থের বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো বাষ্পায়ন।
- এ ক্ষেত্রে তরল পদার্থটিকে স্ফুটনাঙ্কে উত্তপ্ত করা হয় না। এটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা। এজন্য প্রক্রিয়াটিকে স্বতঃবাষ্পভবনও বলা হয়।

- কিন্তু তরলের বাষ্পায়ন সাধারণত বেশ কয়েকটি ঘটনা বা বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়। সেগুলো হলো:
১) তরলের প্রকৃতি: বিভিন্ন তরল পদার্থের বাষ্পায়নের হার বিভিন্ন। সাধারণত তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন হার বেশি হয়। উদ্বায়ী পদার্থের বাষ্পায়ন হার অত্যন্ত বেশি।

২) বায়ু প্রবাহ: তরলের উপর বায়ু প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়।

৩) তরলের উপর চাপ: তরলের উপর বায়ু মন্ডলের চাপ বাড়লে বাষ্পায়ন হার কমে যায়। চাপ কমলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায়। শূন্য স্থানে বাষ্পায়নের হার সর্বাধিক।

৪) তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল: বাষ্পায়ন কেবল উপরিতলে সংঘঠিত হয়। তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল যত বেশি বিস্তৃত হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে।

৫) তরল তল সংলগ্ন বায়ু বা বাষ্পের তাপমাত্রা: তাপমাত্রা বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়।

৬) তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা: বায়ুর আর্দ্রতা যত কম হয় তরলের বাষ্পায়ন তত দ্রুত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
5Ω, 7Ω ও 10Ω মানের তিনটি রোধ শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত থাকলে তাদের তুল্য রোধ হবে- 
  1. 19Ω
  2. 22Ω
  3. 0.4Ω
  4. 10Ω
সঠিক উত্তর:
22Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22Ω
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5Ω, 7Ω ও 10Ω মানের তিনটি রোধ শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত থাকলে তাদের তুল্য রোধ হবে-

দেওয়া আছে, 
রোধ, R1 = 5Ω, 
রোধ, R2 = 7Ω এবং 
রোধ, R3 = 10Ω. 

যেহেতু রোধ তিনটি শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত সুতরাং তুল্য রোধ, R = R1 + R2 + R3 
= 5Ω + 7Ω + 10Ω 
= 22Ω 

সঠিক উত্তর- খ) 22Ω

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. P ∝ T
  2. V ∝ T
  3. PV = K
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ঘ) উপরের সবগুলো

• চার্লসের সূত্র:

- স্থির চাপে কোন নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।
- এ সূত্রকে অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”।
গাণিতিকভাবে, V ∝ T.

• বয়েলের সূত্র:
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক।
গাণিতিকভাবে, PV = K.

• গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র:
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোন গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক।
গাণিতিকভাবে, P ∝ T. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।

১৮.
১ কিলোওয়াট ক্ষমতার একটি যন্ত্র ১ ঘণ্টা চললে কতটুকু বিদ্যুৎ শক্তি ব্যয় হবে?
  1. ১ ওয়াট-ঘণ্টা
  2. ১ কিলোওয়াট
  3. ১ ইউনিট
  4. ১ জুল
সঠিক উত্তর:
১ ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ইউনিট
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর- গ) ১ ইউনিট

• কিলোওয়াট-ঘন্টা:
- বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক একক কিলোওয়াট-ঘন্টা।
- কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের বা উৎসের কাজ করার হারকে এর ক্ষমতা বলে।
- অর্থাৎ কোনো বৈদ্যুতিক উৎস একক সময়ে যে কাজ করে তাকে তার ক্ষমতা বলে।
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতার ব্যবহারিক একক হল ওয়াট (Watt)।
- ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ ওয়াট-ঘণ্টা বলা হয়।
- ১ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ১ ইউনিট বলা হয়
- ১ ইউনিট= ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা।
- সুতরাং, বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য কিলোওয়াট-ঘণ্টা  ব্যবহার করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।