পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২: পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি) পার্ট-২) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণ), জাতিসংঘ মিশন সমূহ, World Bank, IMF, WTO, UNCTAD. পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে ও আপডেটেড তথ্য দেওয়া থাকে না।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় -
  1. ১৭৪৩ সালে ইংরেজি ভাষায়
  2. ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়
  3. ১৭৭৮ সালে ইংরেজি ভাষায়
  4. ১৭৭৮ সালে পর্তুগিজ ভাষায়
সঠিক উত্তর:
১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়
ব্যাখ্যা
ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণ:
- ব্যাকরণে ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- ব্যাকরণের কাজ ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ইত্যাদি বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভাষার মধ্যকার সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য খুঁজে বের করা। 
- যে বিদ্যাশাখায় বাংলা ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি বর্ণনা করা হয় তাকে বাংলা ব্যাকরণ বলে। 

• প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়
- এর লেখক ছিলেন মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ।
- তাঁর বাংলা-পর্তুগিজ অভিধানের ভূমিকা অংশ হিসেবে তিনি এটি রচনা করেন।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'ঢ়' কোন ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ?
  1. উষ্ম ব্যঞ্জন
  2. কম্পিত ব্যঞ্জন
  3. তাড়িত ব্যঞ্জন
  4. পার্শ্বিক ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
তাড়িত ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাড়িত ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
• 'ঢ়' তাড়িত ব্যঞ্জন ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

ব্যঞ্জনধ্বনি:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখের বাইরে বের হওয়ার আগে বাক্প্র‌ত্যঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বাধা পায়, সেগুলোকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।

• ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট, জিভ, জিভমূল ইত্যাদি বাক্প্র‌ত্যঙ্গের আকৃতিগত পরিবর্তন হয়। এতে বায়ুপথে সৃষ্ট বাধার ধরন আলাদা হয়ে উচ্চারণের প্রকৃতি বদলে যায়।
- উচ্চারণের এই প্রকৃতি অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন, নাসিক্য ব্যঞ্জন, উষ্ম ব্যঞ্জন, পার্শ্বিক ব্যঞ্জন, কম্পিত ব্যঞ্জন, তাড়িত ব্যঞ্জন ইত্যাদি।

তাড়িত ব্যঞ্জন:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূর্ধায় টোকা দেওয়ার মতো করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে।
- বাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ড়, ঢ় তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোন বর্ণের নিজস্ব কোনো ধ্বনি নেই?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ঞ:
- '' বর্ণের নিজস্ব কোনো ধ্বনি নেই
- স্বতন্ত্র ব্যবহারে [অঁ]-এর মতো আর সংযুক্ত ব্যঞ্জনে [ন্‌]-এর মতো উচ্চারিত হয়: মিঞা [মিয়াঁ], চঞ্চল [চন্চ‌ল্], গঞ্জ [গন্‌জো]।

অন্যদিকে,
ণ:
ণ বর্ণের উচ্চারণ [ন্‌]: কণা [কনা], বাণী [বানি], হরিণ [হোরিন্]।

ম:
- ম বর্ণের সাধারণ উচ্চারণ [ম]।
- শব্দের প্রথম বর্ণে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণের সময়ে ম-এর উচ্চারণ [অঁ]-এর মতো হয়।
যেমন - শ্মশান [শশান্‌], স্মরণ [শঁরোন্]।
- শব্দের মধ্যে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণে দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য অনুনাসিক হয়।
যেমন - আত্মীয় [আত্‌তিঁয়ো], পদ্ম [পদ্‌দোঁ]।
- কিছু ক্ষেত্রে ম-ফলায় ম্-এর উচ্চারণ বজায় থাকে।
যেমন - যুগ্ম [জুগ্‌মো], জন্ম [জন্‌মো], গুল্ম [গুল্‌মো]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
ণ-ত্ব বিধানের নিয়মানুসারে গঠিত হয়েছে কোনটি?
  1. কঙ্কণ
  2. কৃপণ
  3. নিক্কণ
  4. বাণ
সঠিক উত্তর:
কৃপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃপণ
ব্যাখ্যা
• ণ-ত্ব বিধানের নিয়মানুসারে গঠিত হয়েছে - কৃপণ

ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম:
- ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য, য়, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন - কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, অর্পণ (র্ + প + অ+ণ্‌), লক্ষণ (ক্+ ষ্‌ + অ + ণ্‌)।
এরূপ - রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

স্বভাবতই 'ণ' হয় এমন কিছু শব্দ:
- চাণক্য, মাণিক্য, গণ, কণিকা, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কল্যাণ, বণিক, কঙ্কণ, শোণিত, মণি, স্থাণু , গুণ, পুণ্য, বেণী, ফণী, অণু , বিপণি, গণিকা, আপণ, লাবণ্য, বাণী, নিপুণ, ভণিতা, পাণি, গৌণ, কোণ, ভাণ, পণ, শাণ, চিক্কণ, নিক্কণ, তূণ, কফণি (কনুই), গুণ, গণনা, পিণাক, পণ্য, বাণ

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'লক্ষ্মণ' শব্দের 'ক্ষ্ম' বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে কোনটি পাওয়া যায়?
  1. ক্ + হ্‌ + ম
  2. ক্ + ষ্ + ম
  3. ক্ + ষ্ + ণ
  4. ক্ + ষ্ + ন
সঠিক উত্তর:
ক্ + ষ্ + ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ + ষ্ + ম
ব্যাখ্যা
• 'লক্ষ্মণ' শব্দের 'ক্ষ্ম' বর্ণটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় - ক্ + ষ্ + ম

ক্ষ্ম - সহযােগে গঠিত কয়েকটি শব্দ হলো:
- লক্ষ্মী,
- লক্ষ্মণ ইত্যাদি।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
- ত্ + ত = ত্ত,
- ভ্‌ + র = ভ্র,
- হ্‌ + ণ = হ্ণ,
- ষ্‌ + ণ = ষ্ণ,
- ত্‌ + থ = ত্থ,
- ঙ্‌ + গ = ঙ্গ,
- ঙ্‌ + ক = ঙ্ক,
- ক্‌ + ষ = ক্ষ,
- হ্‌ + ম = হ্ম,
- ঙ্‌ + ক্‌ + ষ = ঙ্ক্ষ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সংবৃত পশ্চাৎ স্বরধ্বনি কোনটি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• সংবৃত পশ্চাৎ স্বরধ্বনি -

স্বরধ্বনি:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখগহ্বরের কোথাও বাধা পায় না, সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে।

• জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. সম্মুখ স্বরধ্বনি - [ই], [এ], [অ্যা]।
২. মধ্য স্বরধ্বনি - [আ]।
৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি - [অ], [ও], [উ]
- সম্মুখ স্বরধ্বনির বেলায় জিভ সামনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়; পশ্চাৎ স্বরধ্বনির বেলায় জিভ পিছনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. সংবৃত - [ই], [উ]
২. অর্ধ-সংবৃত - [এ], [ও]।
৩. অর্ধ-বিবৃত - [অ্যা], [অ]।
৪. বিবৃত - [আ]।
- সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'সুষুপ্ত' শব্দে 'ষ' হয়েছে যে নিয়মে -
  1. স্বভাবত 'ষ' বসে
  2. 'স' এর পরে বসেছে বলে
  3. 'উ' কারান্ত উপসর্গ পূর্বে আছে বলে
  4. 'প্ত' মূলরূপ থেকে উৎসারিত হওয়ায় 
সঠিক উত্তর:
'উ' কারান্ত উপসর্গ পূর্বে আছে বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'উ' কারান্ত উপসর্গ পূর্বে আছে বলে
ব্যাখ্যা
• 'সুষুপ্ত' শব্দে 'ষ' হয়েছে - 'উ' কারান্ত উপসর্গ পূর্বে আছে বলে

ষ-ত্ব বিধান:
- বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই।
- তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না।
- কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে।
- যেসব তৎসম শব্দে 'ষ' রয়েছে তা বাংলায় অবিকৃত আছে।
- তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য 'ষ'-এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

• ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ' হয়।
যেমন - অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, প্রতিসেধক > প্রতিষেধক, প্রতিস্থান > প্রতিষ্ঠান, অনুস্থান > অনুষ্ঠান, বিসম> বিষম, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি?
  1. সংস্কার
  2. সংসার
  3. সংহার
  4. স্বয়ংবরা
সঠিক উত্তর:
সংস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কার
ব্যাখ্যা
• বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি - সংস্কার

ব্যঞ্জনসন্ধি:
স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে।
- এদিক থেকে ব্যঞ্জন সন্ধিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি,
২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি,
৩. ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি।

বিশেষ নিয়মে সাধিত কতগুলো ব্যঞ্জনসন্ধি:
- উৎ + স্থান = উত্থান,
- সম্‌ + কার = সংস্কার,
- উৎ + স্থাপন = উত্থাপন,
- সম্‌ + কৃত = সংস্কৃত,
- পরি + কার = পরিষ্কার।

অন্যদিকে,
• সাধারণ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধি - সংসার (সম্‌ + সার), সংহার (সম্‌ + হার), স্বয়ংবরা (স্বয়ম্‌ + বরা)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'গ্রাহ্য' শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. গ্রাজ্‌জো
  2. গ্রাজ্‌ঝো
  3. গ্রাঝ্‌ঝো
  4. গ্রাজ্‌হো
সঠিক উত্তর:
গ্রাজ্‌ঝো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাজ্‌ঝো
ব্যাখ্যা
• বানান: গ্রাহ্য।
- সঠিক উচ্চারণ: গ্রাজ্‌ঝো
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি ও প্রত্যয়: √গ্রহ্‌ + য।
- অর্থ: গ্রহণযোগ্য; জ্ঞেয়, বোধগম্য (ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য)।

 উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
'একোন' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. এক + অন
  2. এক + উন
  3. এক + ঊনা
  4. একো + ন
সঠিক উত্তর:
এক + উন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক + উন
ব্যাখ্যা
• 'একোন' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ - এক + উন

স্বরসন্ধি:
স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।

• অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা উ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ও-কার হয়; ও-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়।
যেমন -
→ অ + উ = ও; সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়।
→ আ + উ = ও; যথা + উচিত = যথোচিত; এক + উন= একোন।
→ অ + ঊ = ও; গৃহ + ঊর্ধ্ব = গৃহোর্ধ্ব, 
→ আ + ঊ = ও; গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি।
এরূপ - নীলোৎপল, চলোর্মি, মহোৎসব, নবোঢ়া, ফলোদয়, যথোপযুক্ত, হিতোপদেশ, পরোপকার, প্রশ্নোত্তর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়?
  1. বাগ্‌ধারা
  2. বাচ্য
  3. বিপরীত শব্দ
  4. শব্দজোড়
সঠিক উত্তর:
বাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাচ্য
ব্যাখ্যা
• অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয় - বাচ্য
- এটি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

• ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় অন্তত চারটি ভাগে বিভক্ত। যথা:
১. ধ্বনিতত্ত্ব,
২. রূপতত্ত্ব,
৩. বাক্যতত্ত্ব ও
৪. অর্থতত্ত্ব।

অর্থতত্ত্ব:
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্‌ধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১২.
কোনগুলো অঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি?
  1. চ, ট, প, ঠ
  2. ত, ঙ, ম, হ
  3. থ, ড, ভ, ব
  4. ন, র, ল, স
সঠিক উত্তর:
চ, ট, প, ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ, ট, প, ঠ
ব্যাখ্যা
• অঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি - চ, ট, প, ঠ
 
ধ্বনির কম্পনমাত্রা অনুযায়ী বিভাজন:
ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে স্বরযন্ত্রের ধ্বনিদ্বারে বায়ুর কম্পন কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: ঘোষ ও অঘোষ।

ঘোষ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষধ্বনি।
যথা: , , , দ, ধ, , , , , ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ,

অঘোষ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় অঘোষধ্বনি।
যথা: , ফ, ত, থ, স, , , , ছ, শ, ক, খ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৩.
'পাভেল ও হুমায়ারা নতুন পোশাক পড়ে ষ্টুডিওতে ছবি তুলতে গেল।' - বাক্যটির নিম্নরেখ শব্দগুলোতে মূর্ধন্য 'ষ' এর ব্যবহার -
  1. প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
  2. প্রথমটি অশুদ্ধ, দ্বিতীয়টি শুদ্ধ
  3. দুটোই শুদ্ধ
  4. দুটোই অশুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• 'পাভেল ও হুমায়ারা নতুন পোশাক পড়ে ষ্টুডিওতে ছবি তুলতে গেল।' - বাক্যটির নিম্নরেখ শব্দগুলোতে মূর্ধন্য 'ষ' এর ব্যবহার - প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ

ষ-ত্ব বিধান:
- বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই।
- তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না।
- কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে।
- যেসব তৎসম শব্দে 'ষ' রয়েছে তা বাংলায় অবিকৃত আছে।
- তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য 'ষ'-এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

• আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে 'ষ' হয় না। 
যেমন - জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট, স্টেশন, স্টুডিও ইত্যাদি।
  
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
'বিপচ্ছায়া' কোন নিয়মে ব্যঞ্জনসন্ধি?
  1. স্বর + স্বর
  2. স্বর + ব্যঞ্জন
  3. ব্যঞ্জন + স্বর
  4. ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনসন্ধি:
স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে।
- এদিক থেকে ব্যঞ্জন সন্ধিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি,
২. স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি,
৩. ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি।

ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি:
ত্ ও দ্-এর পর চ্ ও ছ্‌ থাকলে ত্ ও দ্‌ স্থানে চ্ হয়।
যেমন -
- ত্ + চ = চ্চ; সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা।
- ত্‌ + ছ = চ্ছ; উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ।
- দ্‌ + চ = চ্চ; বিপদ + চয় = বিপচ্চয়।
- দ্‌ + ছ = চ্ছ; বিপদ + ছায়া = বিপচ্ছায়া
এরূপ – উচ্চারণ, শরচ্চন্দ্র, সচ্চরিত্র, তচ্ছবি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
নিচের কোনটি জাতিসংঘের প্রশাসনিক কাজ করে?
  1. আর্ন্তজাতিক আদালত
  2. নিরাপত্তা পরিষদ
  3. জাতিসংঘ সচিবালয়
  4. সাধারণ পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ সচিবালয়
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন ১৯৪৫ যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- সচিবালয় বা সেক্রেটারিয়েট জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক বিভাগ।
- মহাসচিব জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
- মহাসচিবের অধীনে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচিত কর্মচারীদের নিয়ে সচিবালয় পরিচালিত হয়ে থাকে।
- জাতিসঘের সদর দপ্তর অবস্থিত নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- নিউ ইয়র্কে সদরদপ্তরের বাইরে জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস রয়েছে — জেনেভা, নাইরোবি ও ভিয়েনাতে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৬.
কোন সংস্থা 'বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন' প্রকাশ করে?
  1. UNTSO
  2. World Bank
  3. UNDP
  4. WTO
সঠিক উত্তর:
World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Bank
ব্যাখ্যা
World Bank:
- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ২৯টি দেশ ব্রেটন উডস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বব্যাংক এর উদ্দেশ্য মধ্য আয়ের দেশ গুলোকে ঋণ প্রদান ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে।
- বিশ্বব্যাংকের প্রথম ঋণ গ্রহীতা দেশ ফ্রান্স।
- বিশ্বব্যাংক 'World Development Report' (বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন) প্রকাশ করে।
- বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বিশ্বের প্রতিটি দেশের একটি তুলনামূলক প্রতিবেদনসহ বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 
- এটি ১৯৭৮ সাল থেকে বার্ষিক প্রকাশিত হয়।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
১৭.
জাতিসংঘের কোন সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচটি দেশের ভেটো প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়?
  1. সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন
  2. মস্কো সম্মেলন
  3. তেহরান সম্মেলন
  4. ইয়াল্টা সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
ইয়াল্টা সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াল্টা সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার অধীন ক্রিমিয়া উপদ্বীপের ইয়াল্টা শহরে জাতিসংঘ গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইয়াল্টা কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট, সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্ট্যালিন এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল অংশগ্রহণ করেন।
-এই সম্মেলনে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের ভেটো ক্ষমতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৮.
Bretton Woods Conference অনুষ্ঠিত হয় -
  1. যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে
  2. যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারে
  3. যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে
  4. যুক্তরাষ্ট্রের পেনসেলভেনিয়ায়
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারে
ব্যাখ্যা
ব্রেটন উডস কনফারেন্স:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৪৪ সালে জার্মানি ও জাপানের প্রত্যাশিত পরাজয়ের পর যুদ্ধোত্তর সময়ে যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ সমূহের পুনর্গঠন ও আর্থিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বানিজ্যের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের ৪৪টি দেশের নেতারা এক সম্মেলনে অংশ নেন।
- এই সম্মেলনকে ব্রেটন উডস কনফারেন্স (Bretton Woods Conference) বলা হয়।
- সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই।
- এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন - যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা Harry Dexter White এবং ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ John Maynard Keynes. 
- তাদের দুই জনকে বিশ্বব্যাংক ও IMF এর Founding Fathers বলা হয় ৷
- এই সম্মেলনের ফলে বিশ্বব্যাংক, IMF ও পরে GATT গঠিত হয়।

উৎস: World Bank Group ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের ওয়েবসাইট।
১৯.
বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম জাতিসংঘে যোগদান করে কত সালে? 
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।