ব্যাখ্যা
কৃত্তিবাস হিন্দুদের দেবতা মহাদেব; শিব; যিনি বাঘের ছাল পরিধান করেন।
বাংলা ভাষায় রামায়ণ রচনাকারী কবি (কৃত্তিবাস নাম তার)
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন
কৃত্তিবাস হিন্দুদের দেবতা মহাদেব; শিব; যিনি বাঘের ছাল পরিধান করেন।
বাংলা ভাষায় রামায়ণ রচনাকারী কবি (কৃত্তিবাস নাম তার)
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান
দুর্নিরীক্ষ্য (বিশেষণ):
১. নিরীক্ষণ করা কষ্টকর এমন;
২. ভালভাবে দেখা কঠিন এমন (আপনাকে মধ্যাহ্ন তপনের মতো দুর্নিরীক্ষ্য বলিয়া বোধ হইত-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)।
(তৎসম বা সংস্কৃত) দুঃ+নিরীক্ষ্য ।
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান
বর ফারসি উপসর্গ
বর দ্বারা বাইরে বুঝানো হয়েছে।
যেমন বরখেলাপ,বদনাম
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ডঃ সৌমিত্র শেখর।
কয়েকটি বিদেশি উপসর্গ নিম্নরূপ
হিন্দি/উর্দু - হর।
আরবি - আম, খাস, লা, গর, খয়ের
ফারসি - কার, কদ, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ডঃ সৌমিত্র শেখর।
যে সমাসে পূর্বপদ অব্যয় থাকে, উত্তরপদে সাধারনত বিশেষ্য থাকে এবং অব্যয়ের অর্থ সাধারনত প্রধান হয়ে দেখায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
সাধারণত অব্যয়ীভাবে বীপ্সা, সামীপ্য, অনতিক্রম, অভাব, পর্যন্ত, অতিক্রান্ত, বরোধ, যোগ্যতা,সাদৃস্য, পশ্চাৎ প্রভৃতি অর্থে থাকে।
আলুনি = লুনের (লবণেরে) অভাব।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ডঃ সৌমিত্র শেখর।
পদ বিবেচনায় শব্দ কে ৮ টি শ্রেনিতে ভাগ করা হয়।
যথা বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, অনুসর্গ, যোজক, আবেগ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরন ও নির্মিত নবম-দশম শ্রেণি।
পদ বিবেচনায় শব্দ কে ৮ টি শ্রেনিতে ভাগ করা হয়
যথা বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, অনুসর্গ, যোজক, আবেগ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরন ও নির্মিত নবম-দশম শ্রেণি।
ক্রিয়ার কাল ৩ প্রকার।
- বর্তমান কাল,
- অতীত কাল,
- ভবিষ্যৎ কাল।
বর্তমান কাল ৪ প্রকার -
- সাধারন বর্তমান
- ঘটমান বর্তমান
- পুরাঘটিত বর্তমান
- অনুজ্ঞা বর্তমান
অতীত কাল ৪ প্রকার -
- সাধারন অতীত
- ঘটমান অতীত
- পুরাঘটিত অতীত
- নিত্য অতীত
ভবিষ্যৎ কাল ৪ প্রকার -
- সাধারন ভবিষ্যৎ
- ঘটমান ভবিষ্যৎ
- পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ
- অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ
“তাড়াতাড়ি কাজ কোরো” বাক্যটি অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত নবম-দশম শ্রেণি।
বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দ গুচ্ছ যখন পদের ন্যায় আচরন করে তখন তাকে বর্গ বলে।
যেমন -
- সজল ও লতা বই পড়ে।”
এখানে ‘সজল ও লতা’ একটি বর্গ
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরন ও নির্মিত নবম-দশম শ্রেণি।
বাক্যের গুণ ৩ টি।
যথা -
- আকাঙ্খা
- যোগ্যতা
- আসত্তি।
১. বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য এক পদের পর অন্য পদের যে সংস্থাপন , বাক্য পূর্ন না হওয়া পর্যন্ত শ্রোতার যে না-মেটা কৌতূহল, তাকে বাক্যের আকাঙ্খা বলে।
২. বাক্যের পদগুলি অর্থের সঙ্গতিক্রমে পূর্বাপর সন্নিবিষ্ট করার নাম আসত্তি।
৩. বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাব সম্মিলনের নাম যোগ্যতা ।
আলোচ্য বাক্যে বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলন লোপ পেয়েছে। তাই বাক্যটি যোগ্যতা হারিয়েছে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (২০১৯ সংস্করণ)।
অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধ রূপটি হচ্ছে-
- বৃক্ষটি মূলসহ উৎপাটিত হইয়াছে।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
‘উর্ধ্ব’ শব্দের বিপরীত শব্দ অধ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ (নবম-দশম শ্রেণি)।
পানি শব্দের সমার্থক শব্দগুলি হচ্ছে - জল, সলিল, নীর, পয়ঃ, বারি, অপ, উদক, জীবন, অম্বু।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ (নবম-দশম শ্রেণি)।
নারী শব্দের সমার্থক শব্দগুলি হচ্ছে - ললনা, ননিতা, অঙ্গনা, মানবী, মহিলা, স্ত্রী, স্ত্রীলোক, মেয়ে।
অন্যদিকে কন্যা শব্দের সমার্থক শব্দগুলি হচ্ছে - দুহিতা, আত্মজা, নন্দিনী, তনয়া, পুত্রী, ঝি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ (নবম-দশম শ্রেণি)।
পর্বত শব্দের সমার্থক শব্দ গুলো হচ্ছে - পাহাড়, অদ্রী, ভূধর, শৈল, অচল।
অন্যদিকে বৃক্ষ শব্দের সমার্থক শব্দ গুলো হচ্ছে - গাছ, তরু, দ্রুম, শাখী, পাদপ, মহীরুহ, উদ্ভিদ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ (নবম-দশম শ্রেণি)।
যা সারাদিন ব্যবহার করা হয় - আটপৌরে
যা পূর্বে ছিল এখন নেই - ভূতপূর্ব
যা উড়ছে - উড্ডীয়মান
যা বর্ণনা করা যায় না - অবর্ণ্নীয়
উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা দ্বিতীয় পত্র (দ্বাদশ শ্রেণি)।
চিনে জোঁক অর্থ নাছোড়বান্দা।
যেমন- লোকটি এ কাজটি পাওয়ার জন্য একেবারে চিনে জোঁকের মত লেগে আছে
এছাড়াও ‘কচ্ছপের কামড়’ বাগ্ধারাটিও নাছোরবান্দা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
চশমখোর = বেহায়া,
কলুর বলদ = একটানা খাটুনি
খয়ের খাঁ = চাটুকার
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণি)।