ব্যাখ্যা
'রাত' এর প্রতিশব্দ/ সমার্থক শব্দ:
- রাত্তির
- রাতি
- নিশি
- নিশা
- নিশীথ
- রজনী
- যামিনী
- যামবতী
- যামী
- যামিকা
- শমনী
- শর্বরী
- বিভাবরী
- নিশীথিনী
- নিশুতি
- তামসী
- অসুরা
- অন্ধিকা
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১০৪ প্রশ্ন
- রুয়ান্ডায় ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত দুটি প্রধান উপজাতির একটি হলো টুটসি, প্রতিপক্ষের নাম হুটু।
• জনগোষ্ঠী:
- হুটু ও টুটসি জনগোষ্ঠী ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে বেশি পরিচিত লাভ করে।
- হুটু বা আবাহুটু জাতিগোষ্ঠী আফ্রিকার গ্রেট লেক এলাকায় বসবাস করে এবং টুট্সি মধ্য আফ্রিকার রুয়ান্ডা ও বুরুন্ডি তে বাস করে।
- রুয়ান্ডা গণহত্যা সংঘটিত হয় ১৯৯৪ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে।
- ১০০ দিনের মধ্যে দেশটির হুটু সম্প্রদায়ের মানুষ আট লাখ মানুষকে হত্যা করে।
- তাদের বড় অংশই ছিল সংখ্যালঘু টুটসি সম্প্রদায়।
- হিউমান রাইট্স ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডার গণহত্যায় টুট্সিদের ৭৭% মানুষকে মেরে ফেলা হয়েছিল।
উৎস: রুয়ান্ডা হিস্টোরি এবং বিবিসি নিউজ [লিঙ্ক.লিঙ্ক.link]
- আণবিক শীত বা পারমাণবিক শীত বলতে যুদ্ধ পরবর্তী সর্বাত্মক অন্ধকারকে বুঝানো হয়েছে।
• নিউক্লিয়ার উইন্টার বা পারমাণবিক শীত ভলকানিক উইন্টারের মতোই। খুব শক্তিশালী আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছাই ও বস্তুকণা তৈরি হয় যা বায়ুমণ্ডলে ভাসতে থাকে ও সূর্যালোক প্রতিফলিত করে বাইরের দিকে পাঠিয়ে দেয়। ফলে পৃথিবী ঠাণ্ডা হয়ে আসে। ইতিহাস থেকে দেখা যায় এসব ভলকানিক উইন্টার কয়েক বছর অব্যহত ছিল। এমনকি পৃথিবীতে মানুষের আগমনের আগে প্রাণীজগতের বিলুপ্তির পেছনে কিছুটা হলেও এসব ভলকানিক উইন্টারের হাত ছিলো। এটি পৃথিবীকে সম্ভবত কয়েকশ বছর পর্যন্ত ঠাণ্ডা করে রাখতো।
অনেকটা এই ধরনেরই হবে নিউক্লিয়ার উইন্টার। তবে এখানে বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ছাইগুলো হবে রেডিওঅ্যাকটিভ।
• পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ফলে কয়েক বছরের জন্য সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত হবে পৃথিবী। ফলে অন্ধকারে ঢেকে যাবে পৃথিবী। এতে বন্ধ হয়ে যাবে জীবন ধারণের অপরিহার্য একটি প্রক্রিয়া, সালোকসংশ্লেষণ। বেশিরভাগ উদ্ভিদ মারা যাবে নিউক্লিয়ার উইন্টারে। আমাদের মানব প্রজাতিটিও বিলুপ্ত হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা আছে।
সূত্র: ফক্সনিউজ
• গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি:
- ব্রিটিশ ভারতের অহিংস স্বাধীনতা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন খান আব্দুল গাফ্ফার খান।
- আব্দুল গাফফার খান সীমান্ত গান্ধী নামে যিনি বেশী পরিচিত ছিলেন।
- উত্তর- পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে তার অহিংস স্বাধীনতা আন্দোলন ব্রিটিশ শাসকদের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিল।
- সীমান্তে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রোধে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি প্রচার ও ধারণ করায় তাকে 'সীমান্ত গান্ধী' উপাধীতে ভূষিত করা হয়।
উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা এবং বিডিনিউজ২৪।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী বাঙালি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী চাকমা।
- বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী মারমা।
• ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বাংলাদেশে বসবাসরত ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রয়েছে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- আর পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা।
- চাকমাদের সংখ্যা ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।
- চাকমা জনগোষ্ঠী প্রধানত বসবাস করে - বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলায়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মারমা।
- মারমাদের সংখ্যা ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬২।
- বাংলাদেশের তৃতীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ত্রিপুরা।
- ত্রিপুরাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৮।
- চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল।
- তাঁদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।
[প্রশ্নে শুধু 'বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী' উল্লেখ থাকলে 'বাঙালি' উত্তর করতে হবে।
আর প্রশ্নে 'বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' উল্লেখ 'থাকলে চাকমা'উত্তর করতে হবে।]
উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
- প্রয়াত চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদের 'জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব' সম্পর্কিত চলচ্চিত্রের নাম - রানওয়ে।
• চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশে স্বাধীন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, লেখক এবং গীতিকার হিসেবে সমাদৃত তারেক মাসুদ।
- শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর ছেলে আশফাক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিবিসির ভিডিও গ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।
- সবার কাছে মিশুক মুনীর নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন তিনি।
- তিনি তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে একটি করে নতুন ধারার সূচনা করতে চেয়েছিলেন।
- তিনি চেয়েছিলেন তার ‘রানওয়ে’ চলচ্চিত্রটিকে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তের দর্শকদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে।
- জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ বিরোধী একটি রাজনৈতিক ছবি ‘রানওয়ে’ নিয়ে ভেবেছিলেন অন্য ভাবনা।
- ঢাকা কেন্দ্রীক চিন্তাচেতনাকে অগ্রাহ্য করে আর্থিক ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকা পরও অবলীলায় নিজের তৈরি ছবি ‘রানওয়ে’কে বন্দরনগরীতে ২০১০ সালের ৪ অক্টোবরে মুক্তি দিয়েছিলেন।
- ২০০২ সালে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মাটির ময়না’ মুক্তি পায়।
- ২০১১ সালের ১৩ অগস্ট মাসে কাগজের ফুল লোকেশন দেখতে গিয়ে ফিরে আসার সময় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকা এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মারা যান।
তথ্যসূত্র: বাংলা নিউজ ডট কম এবং ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।