ব্যাখ্যা
প্রাচীনকালের সাহিত্যতাত্ত্বিকদের মতে কতকগুলো 'রস' এ ভাগ করেছেন।
যেমন - করুণরস, বীররস ইত্যাদি।
বৈষ্ণব দের মতে সাধারণত রস পাঁচ প্রকার।
যথাঃ
- শান্ত
- দাস্য
- বাৎসল্য
- সখ্য
- মধুর।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫২ প্রশ্ন
প্রাচীনকালের সাহিত্যতাত্ত্বিকদের মতে কতকগুলো 'রস' এ ভাগ করেছেন।
যেমন - করুণরস, বীররস ইত্যাদি।
বৈষ্ণব দের মতে সাধারণত রস পাঁচ প্রকার।
যথাঃ
- শান্ত
- দাস্য
- বাৎসল্য
- সখ্য
- মধুর।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন - বিদ্যাপতি। তিনি ছিলেন - পঞ্চদশ শতকের কবি।
- তিনি ব্রজবুলি ভাষায় কাব্য রচনা করতেন।
তবে - সংস্কৃত ভাষায় তার রচিত একটি গ্রন্থ হচ্ছে - পুরুষপরীক্ষা।
বিদ্যাপতির এ-জাতীয় আরো কয়েকটি গ্রন্থ হচ্ছে -
- কীর্তিলতা, গঙ্গাবাক্যাবলী, বিভাগসার।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ।
বাঙলা ভাষাকে যারা অবজ্ঞা করতো আবদুল হাকিম তাদের উপর ক্ষেপেছিলেন।
এসব পরগাছাদের নিন্দা করে তিনি লিখেছেন অমর পঙক্তি।
সে পঙক্তিগুলো আছে তার নূরনামা কাব্যগ্রন্থে।
''যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী
সে সব কাহার জন্ম নির্নয় ন জানি।
ন দেশি ভাষা বিদ্যা যার মনে ন জুয়ায়,
নিজ দেশ ত্যাগী কেন বিদেশে ন যায়?
মাতা পিতামহ ক্রমে বঙ্গেত বসতি,
দেশি ভাষা উপদেশ মনে হিত অতি।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাঙলা কবিতাকে মধ্যযুগ থেকে নিয়ে আসেন আধুনিক কালে।
- তিনি চিরদিনের বাঙলা পয়ারকে নতুন রূপ দেন।
- মুক্তি দেন বাঙলা ছন্দকে, পয়ারকে করে তোলেন প্রবহমাণ।
- একে নির্ভর করে অনেক বিবর্তন ঘটেছে।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
- নীলকর সাহেবদের বীভৎস অত্যাচারে লাঞ্ছিত নীল চাষিদের দূরবস্থা অবলম্বনে রচিত নাটক নীল-দর্পণ রচিত, প্রকাশিত ও মঞ্চস্থ হয় ১৮৬০ সালে।
- নীল-দর্পণ নাটকের কাহিনী মেহেরপুর অঞ্চলের, দীনবন্ধু ঢাকায় অবস্থানকালে এটি রচনা করেন।
- নাটকটি প্রথম প্রকাশ হয় - ঢাকার বাংলা প্রেস থেকে এবং প্রথম মঞ্চস্থও হয় ঢাকাতে। তাই এটিকে বাংলাদেশের নাটক বলা হয়।
- প্রথম প্রকাশের সময় দীনবন্ধুর নাম ছিল না। 'নীলকর-বিষধর-দংশন-কাতর-প্রজানিকর-ক্ষেমঙ্কর-কেনচিৎ পথিকেনাভি প্রণীতম' এইভাবে গ্রন্থাকারের নাম গুপ্ত রাখা হয়।
- নীল-দর্পণ মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। অনুবাদের নাম - Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror যা ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখার প্রথম সংকলন বের হয়েছিল যখন তার বয়স মাত্র পঁয়ত্রিশ বছর বয়স (১৮৯৬)।
- এ-সংকলন ছাপা হয়েছিলো তার বিভিন্ন বইয়ের অনেকগুলো কবিতা।
- এটির নাম ছিলো কাব্যগ্রন্থাবলী।
- এরপর হতে থাকে তার লেখার অনেক অনেক সংকলন।
- তার প্রথম গল্প সংকলন - গল্পগুচ্ছ; এর প্রথম খন্ড প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
- তিনি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর রচিত উপন্যাসঃ
- চৈতালী ঘূর্ণি (প্রথম উপন্যাস),
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- গণদেবতা,
- পঞ্চগ্রাম,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- একটি কালো মেয়ের কথা (সর্বশেষ উপন্যাস ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস)।
তার রচিত গল্পগ্রন্থঃ
- রসকলি,
- বেদেনী,
- ডাকহরকরা,
- তারিণী মাঝি ইত্যাদি।
নাটকঃ
- দ্বীপান্তর,
- পথের ডাক,
- দুই পুরুষ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
ইয়ং বেঙ্গল' গোষ্ঠীর মুখপত্র হিসেবে পরিচিত 'জ্ঞানান্বেষণ' পত্রিকা।
- এর সম্পাদক ছিলেন - দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় - ১৮৩১ সালে।
- ব্রাহ্মণসেবধি' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- 'কল্লোল' পত্রিকার সম্পাদক- দীনেশরঞ্জন দাশ। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
হুমায়ুন আজাদের 'আব্বুকে মনে পড়ে' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস।
- এটি ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত হয়।
তার রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
- অলৌকিক স্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু৷
তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস-
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- কবি অথবা দন্ডিত পুরুষ৷
উপন্যাসঃ
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- কবি অথবা দন্ডিত পুরুষ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ৷
কিশোর সাহিত্যঃ
- আব্বুকে মনে পড়ে,
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না,
- বুক পকেটে জোনাকি পোকা ইত্যাদি
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
আবু জাফর শামসুদ্দীন ছিলেন ধর্মনিরপেক্ষ, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিশ্বাসী একজন প্রগতিশীল লেখক।
- দৈনিক সোলতান পত্রিকায় সাবএডিটর হিসেবে আবু জাফরের কর্মজীবন শুরু হয়। পরে তিনি খুলনা, কলকাতা ও কটকে কিছুকাল সরকারি চাকরি করেন।
- এর পাশাপাশি তিনি আজাদ, ইত্তেফাক, পূর্বদেশ সংবাদ পত্রিকায় বিভিন্ন পদে চাকরি করেন।
- মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে দৈনিক সংবাদে ‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শীর্ষক সাপ্তাহিক কলাম লিখে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
- এর আগে তিনি ১৯৬১ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমীতে সহকারী অনুবাদকের পদে নিযুক্ত ছিলেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
সেলিম আল দীন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও গবেষক।
- তিনি ফেনী জেলার সোনাগাজী থানার সেনেরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি অন্যান্যদের সাথে 'ঢাকা থিয়েটার' ও 'বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার' গড়ে তোলেন।
স্বৈরশাসনকে ব্যঙ্গ করে সেলিম আল দীন রচনা করেন ‘মুন্তাসীর ফ্যান্টাসী’ নাটকটি।
- হাস্যরসের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন সেনা ও স্বৈরশাসকেরা দেশের প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে সঙ্গে শুভবোধ ও সংস্কৃতিকেও ধ্বংস করে৷
তাঁর রচিত বিখ্যাত কয়েকটি নাটকঃ
- কেরামতমঙ্গল,
- স্বর্ণবোয়াল,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- সর্ব বিষয়ক গ্রন্থ ও অন্যান্য নাটক,
- হাতহদাই,
- শকুন্তলা,
- বাসন,
- যৈবতী কন্যার মন,
- কীর্তনখোলা,
- চাকা,
- হরগজ,
- প্রাচ্য,
- নিমজ্জন,
- ধাবমান ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্পগ্রন্থ সমূহঃ
- অন্য ঘরে অন্য স্বর
- খোঁয়ারি
- দুধেভাতে উৎপাত
- দোজখের ওম
- জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল
এর মধ্যে ''দুধেভাতে উৎপাত'' গ্রন্থটিতে চারটি গল্প রয়েছে।
যথা -
- মিলির হাতে স্টেনগান
- দুধভাতে উৎপাত
- পায়ের নিচে জল
- দখল
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার, বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
কবি জসীমউদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
- ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত।
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
তাঁর রচিত নাটক-
- পদ্মাপাড়,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।
তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ-
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে ইত্যাদি।
শিশুতোষ গ্রন্থঃ
- হাসু
- এক পয়সার বাঁশী
- ডালিমকুমার
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সাহিত্যকর্মের চরিত্রঃ
- বড়দিদি -- মাধবী (বড়দিদি), প্রমীলা, ব্রজরাজ, সুরেন্দ্রনাথ।
- শ্রীকান্ত -- শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষী, অন্নদাদি, অভয়া, রোহিণী, গুরুদেব, কমললতা।
- চরিত্রহীন -- সতীশ, সাবিত্রী, দিবাকর, কিরণময়ী।
- গৃহদাহ -- অচলা, মহিম, সুরেশ।
- দত্তা -- বিজয়া, নরেন, রাসবিহারী, বনমালী।
- দেবদাস -- দেবদাস, পার্বতী, চন্দ্রমূখী, চুনিলাল, ধর্মদাস।
- নিষ্কৃতি -- গিরিশ, রমেশ, সিদ্দেশ্বরী, শৈলজা।
- পথের দাবী -- সব্যসাচী
- পল্লীসমাজ -- রমা, রমেশ, বেণী, বলরাম।
- বিপ্রদাস -- বিপ্রদাস, দ্বিজদাস, বন্দনা।
- শেষ প্রশ্ন -- কমল।
উৎস: ড. সৌমিত্র শেখর রচিত বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের
অনুবাদ গ্রন্থঃ
- শকুন্তলা (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলাম অনুসারে)
- জীবনচরিত (ইংরেজি বই অবলম্বনে)
- বেতালপঞ্চবিংশতি (হিন্দী থেকে)
- বাঙ্গলার ইতিহাস (মার্শম্যানের বই অনুসারে)
- সীতার বনবাস (রামায়ণ অনুসারে)
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের কমেডি অব এররস অনুসারে) ইত্যাদি।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলী, হুমায়ুন আজাদ।
ঋ, র, ষ -এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়।
যেমন - ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
ঋ, র, ষ -এর পরে স্বরধ্বনি, ষ, য়, ব, হ,ং এবং ক - বর্গীয় ও প - বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী 'ন' মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমনঃ কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ণ,) এরূপ- রুক্সিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণি)।
যে পদ বিশেষ্য ও সর্বনাম ভিন্ন অন্য পদকে বিশেষিত করে তাই ভাব বিশেষণ।
ভাব বিশেষণ চার প্রকার।
যথা-
১. ক্রিয়া বিশেষণ - যে পদ ক্রিয়া সংঘটনের ভাব, কাল বা রূপ নির্দেশ করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।
যেমনঃ ধীরে ধীরে বায়ু বয়।
২. বিশেষণের বিশেষণ - যে পদ নাম বিশেষণ বা ক্রিয়া বিশেষণ কে বিশেষিত করে, তাকে বিশেষণের বিশেষণ বলে।
যেমনঃ সামান্য একটু দুধ দাও।
৩. অব্যয়ের বিশেষণ - যে পদ অব্যয়পদ অথবা অব্যয় পদের অর্থকে বিশেষিত করে, তাকে অব্যয়ের বিশেষণ বলে।
যেমনঃ ধিক্ তারে শত ধিক্ নির্লজ্জ যে জন।
৪. বাক্যের বিশেষণ - কখনো কখনো কোন বিশেষণ পদ একটি সম্পূর্ণ বাক্যকে বিশেষিত করতে পারে, তখন তাকে বাক্যের বিশেষণ বলে।
যেমন - বাস্তবিকই আজ আমাদের কঠিন পরিশ্রমের প্রয়োজন।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি
বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।
যেমন - বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়। - এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য।
কারণ, বাক্যটিতে পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত সমন্বয় বিদ্যমান।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।
উপসর্গঃ শব্দ বা ধাতুর পূর্বে কতিপয় সুনির্দিষ্ট অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ যুক্ত হয়ে সাধিত শব্দের অর্থের পরিবর্তন,সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটিয়ে থাকে।
এগুলোকে বলা হয় উপসর্গ।
উপসর্গ ৩ প্রকার।
সংস্কৃত
বাংলা
বিদেশি
বিদেশি উপসর্গঃ আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি - এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ধকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে।
এর সঙ্গে কিছু বিদেশী উপসর্গও রয়েছে।
আরবি উপসর্গ- আম্,খাস, লা, গর্।
লা
অর্থদ্যোতকতা - না।
উদাহরণ - লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ, লাপাত্তা ইত্যাদি।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমনঃ
- তার বয়স বাড়লেও বুদ্ধি বাড়েনি।
- সকল অহংকার হে আমার ডুবাও চোখের জলে।
- আমি বহু কষ্টে শিক্ষা লাভ করেছি।
প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি একটি সরল বাক্য।
বাক্যটির যৌগিক রূপঃ মেঘ গর্জন করে, তবে ময়ূর নৃত্য করে।
জটিল রূপঃ যদি মেঘ গর্জন করে, তাহলে ময়ূর নৃত্য করে।
উৎসঃ মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বই।
ই/ঈ প্রত্যয়ের ব্যবহারঃ
১. ভাব অর্থেঃ বাহাদুর + ই = বাহাদুরি; উমেদার - উমেদারি।
২. বৃত্তি বা ব্যবসায় অর্থেঃ ডাক্তার - ডাক্তারি; মোক্তার - মোক্তারি; পোদ্দার - পোদ্দারি, ব্যাপার - ব্যাপারি; চাষ - চাষি।
৩. মালিক অর্থেঃ জমিদার - জমিদারি; দোকান - দোকানি।
৪. জাত, আগত বা সম্বন্ধ বোঝাতেঃ ভাগলপুর - ভাগলপুরি, মাদ্রাজ - মাদ্রাজি, সরকার - সরকারি।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি
প্রাচ্য শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে পাশ্চাত্য।
প্রাচ্য শব্দের আরেকটি বিপরীত শব্দ হচ্ছে প্রতীচ্য।
গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতি প্রত্যয়ঃ
প্রশস্ত - সংকীর্ণ
নশ্বর - শ্বাশত
শত্রু - মিত্র
যোজক - প্রণালি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
কর্মবাচ্যের ধাতুঃ
মৌলিক ধাতুর সাথে 'আ' প্রত্যয় যোগে কর্ম্বাচ্যের ধাতু সাধিত হয়।
এটি বাক্য মধ্যস্ত কর্মপদের অনুসারী ক্রিয়ার ধাতু।
যেমনঃ দেখ্ + আ = দেখা;কাজটি ভালো দেখায় না।
হার্ + আ = হারা; যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন কেষ্টা বেটায় চোর।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম - দশম শ্রেণী)।
প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাসঃ
যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয়যুক্ত হয় তাকে বলা হয় প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি সমাস।
যেমন -
- এক দিকে চোখ যার = একচোখা (চোখ + আ)।
- ঘরের দিকে মুখ যার = ঘরমুখো (মুখ + ও)
এরকম,
- নি-খরচে, দোটানা, দোমনা, একগুঁয়ে, অকেজো, একঘরে, দোনলা, দোতলা, ঊনপাঁজুরে ইত্যাদি।
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি
- অন্ধের ষষ্ঠি ও অন্ধের নড়ি বাগধারা দুইটির অর্থ একমাত্র সম্বল,
এছাড়া,
- অকাল কুষ্মান্ড বাগধারার অর্থ - অপদার্থ, অকেজো।
- তাল পাতার সেপাই - অতিশয় দুর্বল
- অরণ্য রোদন - বাগধারাটির অর্থ নিষ্ফল আবেদন।
- যা বহন করা হচ্ছে = নীয়মান।
- বলার আকাঙ্খা রয়েছে এমন = বক্ষ্যমাণ।
- যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে = অপসৃয়মাণ।
- যে আকৃষ্ট হচ্ছে = কৃষ্যমাণ।
- যা অনুভব করা হচ্ছে = অনুভূয়মান।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা একাডেমী অভিধান।
ফারসি - আ’ঈন শব্দ থেকে বাংলা আইন শব্দটি এসেছে।
এছাড়াও বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কতিপয় ফারসি শব্দঃ
১. ধর্মসংক্রান্ত শব্দঃ
খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, বেহেশত, ফেরেশতা, রোজা ইত্যাদি।
২. প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দঃ
কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তোশক, দফতর, দঊলত, নালিশ, বাদশাহ, বেগম, মেথর, রসদ ইত্যাদি।
৩. বিবিধঃ
আদমি, আমদানি, জানোয়ার, জিন্দা, নমুনা, বদমাশ, রফতানি, হাঙ্গামা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড বই।
'বচন' ব্যাকরণের একটী পারিভাষিক শব্দ।
এর অর্থ সংখ্যার ধারনা।
ব্যাকরনের বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যাগত ধারনা প্রকাশের উপায়কে বচন বলে।
কেবলমাত্র বিশেষ্য ও সর্বনাম শব্দের বচনভেদ হয়। কোন কোন সময় টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি যোগ করে করে বিশেষ্যের একবচক নির্দেশ করা হয়।
যেমনঃ গরুটা, বাছুরটা, কলমটা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
The Augustan Age (1702-1745):
- This age is called the Augustan Age because the writers of this period imitated the style and elegance of the writers who wrote in Italy during the reign of Emperor Augustus (27 B.C.-14 A.D).
- This span of time is also called the Age of Pope because Alexander Pope was the best-known poet of the time.
- During these years England was ruled by Queen Anne (1702-14), George I (1714-27) and George II (1727-60).
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Henry V, chronicle play in five acts by William Shakespeare. Henry V is the last in a sequence of four plays (the others being Richard II, Henry IV, Part 1, and Henry IV, Part 2) known collectively as the “second tetralogy,” treating major events in English history of the late 14th and early 15th centuries.
A famous quote of this play-
''The empty vessel makes the loudest sound.''
Source: britannica and SparksNotes
"She walks in beauty, like the night
Of cloudless climes and starry skies;
And all that’s best of dark and bright
Meet in her aspect and her eyes;
Thus mellowed to that tender light
Which heaven to gaudy day denies."
She Walks in Beauty
By Lord Byron
- Robert Browning, Mathew Arnold and Alfred Lord Tennyson are famous English poets of the Victorian Period.
- James Joyce was an Irish novelist, short story writer, poet, teacher, and literary critic.
Source: Britannica and An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Rudyard Kipling (1865-1936) is a Victorian writer.
Works:
- The Jungle Book (1894)
- Departmental Ditties (1886)
- Plain Tales from the Hills (1888)
- Soldiers Three (1890)
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
Doctor Faustus, in full The Tragicall History of D. Faustus, tragedy in five acts by Christopher Marlowe, published in 1604 but first performed a decade or so earlier.
Marlowe’s play followed by only a few years the first translation into English of the medieval legend on which the play is based.
In Doctor Faustus Marlowe retells the story of Faust, the doctor-turned-necromancer, who makes a pact with the devil in order to obtain knowledge and power.
Both Doctor Faustus and Mephistopheles, who is the devil’s intermediary in the play, are subtly and powerfully portrayed.
Marlowe examines Faustus’s grandiose intellectual ambitions, revealing them as futile, self-destructive, and absurd.
Source: Britannica.com
RSVP = ''Please respond'' to require confirmation of an invitation letter. It is derived from the French phrase ''Répondez s'il vous plaît''.
Postscript = An additional remark at the end of a letter, after the signature and introduced by ‘PS’.
NB = Nota Bene; অর্থ হল Note well.
Impede (verb)
Meaning: Delay or prevent (someone or something) by obstructing them
Bengali Meaning: ব্যাঘাত করা
Synonym: hinder, obstruct, hamper, handicap.
Antonym: facilitate, advance, further, help
Source: Samsad Dictionary and Oxford Languages
earnest (adjective)
Bengali Meaning: (আন্তরিক)
Meaning: resulting from or showing sincere and intense conviction
Synonym: Serious, grave, solemn, sober, serious-minded
Antonym: frivolous, apathetic, half-hearted
Source: Oxford Languages
Pandemonium (noun)
Meaning: wild and noisy disorder or confusion
Synonyms: bedlam, chaos, mayhem, uproar, madness, havoc, turmoil
Antonym: Silence, peace
Source: Oxford Languages
exuberant (adj)
Bengali meaning: সমৃদ্ধ, উচ্ছ্বসিত
Meaning: full of energy, excitement, and cheerfulness.
Synonym: ebullient, buoyant, cheerful, sunny, jaunty
Antonym: gloomy, downcast, despondent
Source: Oxford Languages and Samsad Dictionary
custom যখন singular থাকে তখন এর অর্থ হল রীতি। কিন্তু যখন customs লেখা হয় তখন এর অর্থ হয় শুল্কবিভাগ।
Customs ( noun)
Meaning: the official department that administers and collects the duties levied by a government on imported goods.
Source: Oxford langauges
ব্যাখ্যা: 'at the arrival of' (Idiom)
Bengali Meaning: আগমনে
Example: False friends came at the advent of good days in a person’s life.
Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain
ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ: তোমার দরিদ্র মানুষকে ঘৃণা করা উচিত নয়।
Look down upon (phrasal verb)
Bengali Meaning: ঘৃণা করা
Source: Samsad Dictionary
ব্যাখ্যা: Better শব্দটি Noun, adjective, verb এবং adverb হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
প্রথম অপশনটিতে এটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কারণ betters বলতে এখানে উন্নততর ব্যক্তিবর্গকে বোঝানো হয়েছে।
২য় অপশনটিতে এটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কারণ এর পরে noun হিসেবে knowledge আছে। এবং better এখানে knowledgeকে মডিফাই করছে।
৩য় অপশনটিতে এটি verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪র্থ অপশনটিতে এটি adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কারণ এটি sing-কে modify করছে।
DNA এর রাসায়নিক গঠনে কয়েক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট ডিঅক্সিরাইবোস সুগার, অজৈব
ফসফেট এবং এডিনিন (Adenine), গুয়ানিন (Guanine), সাইটোসিন (Cytosins) এবং থায়ামিন (Thyamine) নাইট্রোজেন বেইস DNA এর প্রধান রাসায়নিক উপাদান।
অন্যদিকে, RNA এর নাইট্রোজেন বেইসে থায়ামিনের পরিবর্তে ইউরাসিল (Uracil) থাকে।
মানুষের রেচন প্রক্রিয়াঃ
রেচন মানবদেহের একটি জৈবিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দেহে বিপাক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলো নিষ্কাশিত হয়। দেহের এ সকল বর্জ্য পদার্থগুলো শরীরে কোন কারণে জমতে থাকলে নানা রকমের অসুখ দেখা দেয়, পরবর্তীতে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। রেচন প্রক্রিয়ায় দেহের বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশিত হয়ে দেহ থেকে বের করে দিয়ে দেহের শারীরবৃত্তীয় ভারসাম্য রক্ষা করে। শরীরের অতিরিক্ত পানি, লবণ, কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জৈব পদার্থগুলো সাধারণত রেচনের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। রেচন পদার্থ নিষ্কাশনের জন্য মানবদেহে সুনির্দিষ্ট অঙ্গ রয়েছে। যে সব অঙ্গ রেচন কাজে অংশ গ্রহণ করে তাদেরকে রেচন অঙ্গ বলা হয়। এটি রেচনতন্ত্র নামে পরিচিত। রেচনতন্ত্রের মাধ্যমে শতকরা ৮০% রেচন পদার্থ নিষ্কাশিত হয়। বাকি ২০% রেচন পদার্থ বিভিন্ন ক্রিয়াকর্মে উৎপন্ন ও বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়। মানবদেহের রেচন অঙ্গের নাম বৃক্ক (Kidney)। আর বৃক্কের একক হলো নেফ্রন।
রেচন পদার্থঃ
রেচন পদার্থ বলতে মূলত নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থকে বোঝায়। রেচন পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে আসে।
এ সকল বিপাকীয় বর্জ্য পদার্থ নিম্নরূপ- নাইট্রোজেনঘটিত যৌগ অ্যামোনিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন, কার্বনডাইঅক্সাইড, পিত্ত রঞ্জক, বিভিন্ন ধরনের লবণ এবং ঘাম ও পানি।
সুত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি।
কোনো বস্তুর মধ্যকার পদার্থের মোট পরিমাণ হলো বস্তুর ভর। বস্তুর ভর মৌলিক বৈশিষ্ট্য। ভর স্থান ভেদে পরিবর্তন হয়না কিন্তু ওজন স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।।
হিমোগ্লোবিন এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ। লোহিত রক্ত কণিকায় এর উপস্থিতির কারণে রক্ত লাল দেখায়। রক্তে উপযুক্ত পরিমাণে হিমোগ্লোবিন না থাকলে রক্ত স্বল্পতা বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি
David Arthur John Tyrrell ১৯৬৫ সালে প্রথম মানবদেহে করোনা ভাইরাস সনাক্ত করেছিলেন।
কিন্তু, SARS-CoV-2 হচ্ছে COVID-19 যে করোনাভাইরাসটির কারণে হচ্ছে সেটার অফিশিয়াল নাম। এটা ২০১৯ সালের শেষের দিকে চিহ্নিত হয়েছিল।
WHO থেকেঃ
Official names have been announced for the virus responsible for COVID-19 (previously known as “2019 novel coronavirus”) and the disease it causes. The official names are:
Disease
coronavirus disease
(COVID-19)
Virus
severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
(SARS-CoV-2)
COVID-19 is a disease caused by a new coronavirus called SARS-CoV-2. WHO first learned of this new virus on 31 December 2019, following a report of a cluster of cases of ‘viral pneumonia’ in Wuhan, People’s Republic of China.
অ্যাসিটিক এসিড এর (CH3-COOH) 4- 10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে। আচার সংরক্ষণে ভিনেগার ব্যবহৃত হয়। মনে রাখা প্রয়োজন যে, এসিটিক এসিডকে ইথানয়িক এসিডও বলা হয়ে থাকে।
অনেক জায়গায় ৬-১০% দেয়া থাকে। এই ব্যাপারে,
- নবম দশম শ্রেণীর রসায়ন বইতে ৪-১০% দেয়া।
- ৬-১০% হলেও ভিনেগার হবে। তবে, এটা মনে রাখাতে হবে যে, ৪% হচ্ছে সর্বনিম্ন মাত্রা।
অর্থাৎ, ইথানয়িক এসিডের অন্তত ৪% জলীয় দ্রবণ হলেই তাকে ভিনেগার বলা হয়। ৪-১০% অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর।
এছাড়াও Harvard এর ডকুমেন্ট থেকে FDA এর সংজ্ঞা দেয়া হল -
The U.S. Food and Drug Administration requires vinegar to contain at least 4% acetic acid but may range up to 8% in commonly used vinegar.
Mollusca (মোলাস্কা)
Mollusca শব্দটি ল্যাটিন শব্দ molluscus হতে এসেছে যার অর্থ কোমল বা নরম (soft)। ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম শব্দটি ব্যবহার করেন। মোলাস্কা পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের মধ্যে ঝিনুক, শামুক, অক্টোপাস, সেপিয়া, ললিগো ইত্যাদি সুপরিচিত। এরা অমেরুদণ্ডী প্রাণী। একেবারে সরল জীব থেকে অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে অত্যন্ত জটিল এবং আকৃতিগতভাবে প্রায় আণুবীক্ষণিক থেকে দৈত্যাকার স্কুইড এ দলের অন্তর্ভুক্ত। এ পর্বের প্রজাতি সংখ্যা প্রায় ৮৫,০০০; এর মধ্যে জীবিত প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৩৫,০০০।
অন্যদিকে, কচ্ছপ সরীসৃপ।
রক্ত জমাট বাধার পর রক্তের জমাট অংশ থেকে যে হালকা হলুদ বা খড়ের রঙের মতো এক রকম স্বচ্ছ রস নিঃসৃত হয়, তাকে সিরাম বলে।
রক্তরস বা প্লাজমা এবং সিরামের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে, রক্তরসে রক্তকণিকা থাকে কিন্তু সিরামে কোনো রক্তকণিকা থাকে না।
ধনাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে আলফা (α) রশ্মি, ঋণাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে বিটা (β) রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা (γ) রশ্মি বলে।
মনে রাখুনঃ
১। আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
২। গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চোখে দেখা যায় না।
সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি।
H2Oএমন একটি পদার্থ যা তীব্র এসিডের উপস্থিতিতে ক্ষারক হিসাবে এবং তীব্র ক্ষারকের উপস্থিতিতে এসিডরূপে আচরণ করছে।
এরূপ এসিড ও ক্ষারক উভয় আচরণকারী পদার্থকে উভধর্মী যৌগ বলে।
সুত্রঃ এইচএসসি, রসায়ন।
নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া দু‘ধরনের। যথা-
(১) নিউক্লিয়ার সংযোজন বা নিউক্লিয় ফিউশান
(২) নিউক্লিয়ার বিভাজন বা নিউক্লিয় ফিশান
হাইড্রোমিটার (Hydrometer) - তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব
অ্যাটমোমিটার (Atmometer) - বাষ্পীভবনের হার
অডিওমিটার (Audiometer) - শ্রাব্যতা
ব্যারোমিটার (Barometer) - বায়ুচাপ
বলোমিটার (Bolometer) - তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ
ক্যালোরিমিটার (Calorimeter) - রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপ
ক্রোনোমিটার (Chronometer) - সময়
গ্যালভানোমিটার (Galvanometer) - বিদ্যুৎ
হাইগ্রোমিটার (Hygrometer) - আর্দ্রতা
ল্যাক্টোমিটার (Lactometer) - দুধের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব
পাইরোমিটার (Pyrometer) - উচ্চ তাপমাত্রা
স্পিডোমিটার (Speedometer) - ধাবমান বস্তুর গতি, বেগ
স্ফিগোমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer) - রক্ত চাপ
লৌহ বা আয়রন (Fe)
কাজঃ রক্তের লোহিত কণিকা তৈরি করে।
থাকেঃ সবুজ শাক সবজি, ফল, মাংস, কলিজা, ডিমের কুসুমে।
অভাব হলেঃ খাদ্যে লৌহঘটিত লবণের অভাব হলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায়। ফলে শরীর ফ্যাকাশে ও দুর্বল হয় এবং পরিশেষে রক্তাল্পতা বা এ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়।
ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।
যেমন ১০০ এর ক্ষেত্রে,
১০০ / ২ = ৫০ ভাগশেষ - ০
৫০ / ২ = ২৫ ভাগশেষ - ০
২৫ / ২ = ১২ ভাগশেষ - ১
১২ / ২ = ৬ ভাগশেষ - ০
৬ / ২ = ৩ ভাগশেষ - ০
৩ / ২ = ১ ভাগশেষ - ১
১ / ২ = ০ ভাগশেষ - ১
অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ১০০-এর বাইনারি রূপ = (১১০০১০০)২
A computer is an electronic device that performs four basic functions. These functions make up the IPOS cycle, or information processing cycle. The four functions are as follows:
Input-The action of entering data into the computer.
Processing-The manipulation of input data by a sequence of instructions. This instruction will then convert the data into information. Data is just raw bits of facts and is unorganized. Information is data that is organized in a useful manner.
Output-The display of information.
Storage-The action of saving information for later use.
রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer
Microsoft Defender Antivirus is Formerly known as Windows Defender.
Microsoft Defender Antivirus still delivers the comprehensive, ongoing, and real-time protection you expect against software threats like viruses, malware, and spyware across email, apps, the cloud, and the web.
Source: Microsoft
প্রশ্নটা সরাসরি একটা পাঠ্য বইতেও আছে। মাইক্রোওয়েভ এবং ইনফ্রারেড দুই ক্ষেত্রেই ট্রান্সমিটার ও রিসিভার মুখোমুখি বা LOS-Line of sight যোগাযোগ করে থাকে।
- মাঝে কোন বাধা থাকলে সিগনাল সেটা অতিক্রম করতে পারে না।
- এই সমস্যা দূর করতে টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ এর বদলে স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার হয়।
- অন্যদিকে, আধুনিক প্রযুক্তি হিসেবে Direct Infrared এর বদলে Diffused Infrared ব্যবহার হয়।
২০ ছাত্রের মোট বয়স = ২০ X ১২ = ২৪০
২০ ছাত্রের এবং শিক্ষকের মোট বয়স = ২১ X ১৩ = ২৭৩
তাহলে, শিক্ষকের বয়স = ২৭৩ - ২৪০ = ৩৩
ধরি,
ঘরের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং উচ্চতা যথাক্রমে 3, 2, 1
দেয়ালের ক্ষেত্রফল = 2(3 + 2) × 1 = 10 বর্গ একক।
প্রশ্নমতে,
দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং ঘরের উচ্চতা হবে 6, 1 এবং 1/2
এখন, দেয়ালের ক্ষেত্রফল = 2(6 + 1) × 1/2
= 7 বর্গ একক।
দেয়ালের ক্ষেত্রফল হ্রাস = {(10-7)×100} / 10
= 30%
৪ঃ২০ এ মিনিট ও ঘন্টার কাঁটার মধ্যেকার কোণ সূক্ষ্মকোণ = ১০ ডিগ্রি।
তাহলে, মিনিট ও ঘন্টার কাঁটার মধ্যেকার প্রবৃদ্ধ কোণ = ৩৬০ - ১০ = ৩৫০ ডিগ্রি।
ZA5, Y4B, XC6, W3D, ?
A, B, C, D সিরিয়ালে আছে।
W, X, Y, Z উল্টো করে আছে।
নাম্বারগুলো বাম থেকে, ১, ২, ৩, ৪ এভাবে একবার বাড়ছে আরেকবার কমছে। এবং, ভেতরে ও বাইরে যাচ্ছে।
৫ -১ = ৪ (বাইরে)
৪ + ২ = ৬ (ভেতরে)
৬ - ৩ = ৩ (বাইরে)
৩ = ৪ = ৭ (ভেতরে)
অর্থাৎ, প্রশ্নবোধক চিহ্নে VE7 হবে।
৬২৫, ৫, ১২৫, ২৫, ২৫, ?, ৫
দুইটা সিরিজ মিক্স হয়েছে।
৬২৫ ১২৫ ২৫ ৫
৫ ২৫ ১২৫
ধরি,
মিলার বয়স ছিল = x বছর = শিলার বর্তমান বয়স
শর্তানুসারে,
x = ২(২x - ২৪)
⇒ ৩x = ৪৮
⇒ x = ১৬
- গত ২৫ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশের সাথে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ ‘ডোমিনিকা’ (Commonwealth of Dominica) এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- এই নিয়ে বর্তমানে বিশ্বের (জাতিসংঘভুক্ত) ১৫৫টি দেশের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হল।
- এর আগে ৩১ আগস্ট, ২০২০ তারিখে ক্যারিবিয়ান আরেক দেশ - সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস - এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- উল্লেখ্য, ইসরায়েলের সাথে বাংলাদেশের কোন কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।
উৎসঃ Live MCQ সালতামামি।
- বাংলাদেশে গত ২৭ জানুয়ারি ২০২১ কোভিড-১৯ রোগের ভ্যাকসিন প্রদান শুরু হয়। কুর্মিটোলা হাসপাতালের সেবিকা রুনো ভেরোনিকা কস্তা দেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।
- ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণপর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। বাংলাদেশে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রেজেনেকা উদ্ভাবিত এবং ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত ‘কোভিশিল্ড’ ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে।
- সরকার দেশের ৮০ শতাংশ জনগণকে পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যস্থির করেছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা ও সাম্প্রতিক সমাচার।
মোঙ্গলিয়ান বিজেতা তৈমুর লং এর জন্ম - উজবেকিস্তানে।
- ১৩৯৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তৈমুর ভারত আক্রমন করেন। এই সময় দিল্লীর শাসনকর্তা ছিলেন - নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহ তুঘলক।
- ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যার পর ১৩৯৯ সালের এপ্রিলে তৈমুর লঙ ভারত থেকে প্রচুর লুট করা অর্থ নিয়ে তার রাজধানী সমরকন্দে ফিরে যান।
- ১৩৯৯ সালেই তৈমুর লং তার জীবনের সবচেয়ে বড় অভিযান মিশর আক্রমন করেন। তখন মিশরের শাসনকর্তা ছিলেন - বায়েজিদ-১।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
মীর নিসার আলী যিনি ইতিহাসে তিতুমীর নামে পরিচিত।
- তার নেতৃত্বে পরিচালিত তাহরিক-ই-মুহাম্মদীয়া বা ওয়াহাবি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার।
- পরবর্তিতে এটি কৃষক আন্দোলনে রূপ নেয়। যা শেষ পর্যন্ত সশস্ত্র সংগ্রামে পরিণত হয়।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন এবং নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত বাঁশের কেল্লা।
- ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে ওয়াহাবি আন্দোলন শুরু এবং শেষ হয় ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।
১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি করা হয়।
- পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি হলে ১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারগুলি বরখাস্ত, জাতীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদসমূহ অবলুপ্ত, সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত এবং মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিত করা হয়।
- ২৭ অক্টোবর'৫৮ আইয়ুব খান ইসকান্দার মির্জাকে অপসারিত করে সর্বময় ক্ষমতা নিজ হাতে গ্রহণ করেন। তিনি প্রায় ১০ বছর পাকিস্তান শাসন করেন।
- ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক গণআন্দোলনের কয়েকটি ফলাফলঃ
১. ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি।
২. ১০ মার্চ রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্তৃক ৬ দফা ও 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম কমিটি'র ১১ দফা উত্থাপন করেন।
৩. কিন্তু এই গোলটেবিল বৈঠক ব্যর্থ হলে গণআন্দোলন আবার তীব্র হয়।
৪. আয়ুব খান ২০ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর মোনেম খান (বাংলার দ্বিতীয় মীরজাফর)-কে অপসারন করে ড. এম. এন হুদাকে নতুন গভর্নর নিয়োগ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
৫. কিন্তু পরিস্থিতি শান্ত না হওয়ায় অবশেষে ২৫ মার্চ তারিখে সামরিক শাসন জারি করে সেনাপ্রধান আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খানের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এর মাধ্যমে পাকিস্তানের রাজনীতিতে আয়ুব খানের অধ্যায় শেষ হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই (২য়-পত্র)।
সচিবালয়ঃ
বাংলাদশের মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে 'সচিবালয়' বলা হয়।
- সচিবালয় বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রশাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র।
- সচিবালয় সরকারের কর্মসূচি, নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন করে থাকে।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (২য়) পাঠ্য বই।
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় ২১ নভেম্বর ১৯৭১ সালে।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সেনা-নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমন চালায়। সেই দিন থেকেই দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।
- বর্তমানে এই দিনটিকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসাবে পালন করে থাকে।
উৎসঃ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহায়তা করে। ১ কোটি শরনার্থী আশ্রয়সহ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও বৈশ্বিক সমর্থন আদায়ে সহায়তাসহ সর্বাত্মকভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান অনস্বীকার্য।
- পরবর্তীতে যে দেশটি সবচেয়ে বেশি সহায়তা করে সেটি হচ্ছে - সোভিয়েত ইউনিয়ন। বাংলাদেশ সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত হওয়ার প্রাক্কালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন এতে ভেটো প্রয়োগ করায় এই প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীন এ যুদ্ধকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উল্লেখ করে পাকিস্তানকে কৌশলগত সমর্থন দেয়। যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র, অর্থ ইত্যাদি দিয়ে পাকিস্তানকে সহায়তা করে। উল্লেখ্য যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সমর্থনে বঙ্গোপসাগরে সপ্তম নৌবহর প্রেরণ করেছিলো; যদিও তা পৌছানোর আগেই পাকিস্তান আত্মসমর্পন করে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর।
বাংলাদেশের বনভূমির প্রকৃত হিসাব বের করা বেশ দুষ্কর।
বাংলাদেশের বনের পরিমাণ নিয়ে নিম্নে কিছু তথ্য দেওয়া হলো -
- বাংলাদেশের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের হিসাবমতে, দেশে বনভূমির পরিমাণ মোট ভূমির - ১৭%।
- তবে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত "দ্য স্টেট অব গ্লোবাল ফরেস্ট-২০১৮" অনুসারে, বাংলাদেশে বনভূমি - ১৩%।
- বাংলাদেশ বনবিভাগের হিসাবমতে, দেশে মোট বনভূমির পরিমাণ - ২,৫৭৯,৩৮৭.৯৬ হেক্টর।
- আবার, অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০ অনুসারে, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ - ২.৩২ মিলিয়ন হেক্টর। এর মধ্যে ১.৬০ মিলিয়ন হেক্টর বন অধিদপ্তরের আওতাধীন ও ০.৭২ হেক্টর জেলা প্রশাসনের আওতাধীন।
আমরা সরকারি হিসাবকে প্রাধান্য দিয়ে ১৭% সঠিক উত্তর ধরে নিচ্ছি।
মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ অনুসারে,
- নিম্নোক্ত কাজগুলো নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ -
১. চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে ( কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝিামাঝি ) মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ ( যা জাটকা নামে পরিচিত ) আহরণ, পরিবহন।
২. চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর ( আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি হতে পৌষ মাসের মাঝামাঝি ) মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া আহরণ ও পরিবহণ।
৩. চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল ( কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে বৈশাখ মাসের মাঝিামাঝি ) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস আহরণ ও পরিবহণ।
৪. চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন ( মাঘ মাসের মাঝামাঝি হতে আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি ) মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের (১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
৫. চাষের উদ্দেশ্যে মাছ ধরার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে (বর্তমানে সংশ্লিষ্ট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ) নির্ধারিত ফি’র বিনিময়ে লাইসেন্স প্রাপ্ত না হলে বিধিবদ্ধ ২৭টি নদী, খাল ইত্যাদিতে নির্ধারিত সময়ে যে কোন আকারের রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস এবং ঘনিয়া আহরণ বা আহরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবেনা।
উৎসঃ মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
তবে, মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ - এর মূল আইনে ইলিশ ২৩ সে.মি দেওয়া ছিল।
কিন্তু মৎস অধিদপ্তর থেকে সাম্প্রতিককালের সকল নোটিশে ইলিশ মাছের জন্য ২৫ সে.মি বা ১০ ইঞ্চি - এর ছোট মাছকে জাটকা বলা হচ্ছে; এবং এর আহরণ, বহন ও বিতরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তাই , ২৫ সে.মি কে সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা - ১৬.৬৫ কোটি
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭%
- পুরুষ-মহিলা অনুপাত - ১০০.২:১০০
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে - ১১২৫ জন
- দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%
- চরম/হত/অতি দরিদ্রের হার - ১০.৫%
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৫.২৪%
- মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২০৬৪ মার্কিন ডলার
উৎসঃ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
বাংলাদেশে মোট ৫০টি উপজাতি রয়েছে।
- এর মধ্যে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া প্রভৃতি জেলায় বসবাস করে।
- সাঁওতালরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে আসে।
- সাঁওতালদের ভাষা: সাঁওতালি
- প্রধান উৎস: সোহরাই
সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী : পৃষ্ঠা-২১ ও বাংলাপিডিয়া।
প্রত্যক্ষ কর হলো সেসব কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।
প্রত্যক্ষ করের মধ্যে রয়েছে:
- আয়কর
- দানকর
- ভূমি উন্নয়ন কর
- ভ্রমণ কর
- নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ইত্যাদি।
অন্যদিকে, পরোক্ষ করগুলো হচ্ছে
- সম্পূরক শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক ইত্যাদি।
সূত্রঃ মাধ্যমিক অর্থনীতি বোর্ড বই।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
- নগদ অর্থের বিপরীতে ব্যাংক হতে সরবরাহকৃত এক ধরনের প্লাস্টিক কার্ডকে রেডি ক্যাশ বলে।
- এই স্মার্ট কার্ড টি তৈরি করা হয়েছে সর্বাধুনিক মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে।
- নিরাপত্তার জন্য এই কার্ডটিতে রয়েছে চার সংখ্যার একটি গোপন ব্যক্তিগত নম্বর ফলে গ্রাহকই পারবেন কার্ডটি ব্যবহার করতে। এছাড়া এতে গ্রাহকের নাম স্বাক্ষর এবং ছবি থাকে।
- বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব জনতা ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম এই ব্যবস্থা চালু করে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও জনতা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
অনুচ্ছেদ - ৪৪ঃ মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া
যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে।
প্রামাণ্য সংজ্ঞাঃ
- অ্যালেন পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে ‘সংগঠিত গোষ্ঠী’ (Organized group) শব্দ দু’টি ব্যবহারের পক্ষে। কারণ এ ধারণার মাধ্যমে গোষ্ঠীর সংগঠনের ব্যাপকতাকে আরো যথার্থভাবে অনুধাবন করা সম্ভব।
- অ্যালান বলের মতে, “চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ ‘অংশীদারী মনোভাবের’ দ্বারা আবদ্ধ।”
- এইচ জিগলার এর মতে, "চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে এমন একটি সংগঠিত ব্যক্তি সমষ্টি যার সদস্যগণ সরকারি ক্ষমতা প্রয়োগে অংশগ্রহণ করে না। বরং তাদের লক্ষ্য হল সরকারি সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করা।"
- অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল ও জি পাওয়েল বলেন, “স্বার্থগোষ্ঠী বলতে আমরা নির্দিষ্ট স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ অথবা সুযোগ-সুবিধা দ্বারা সংযুক্ত এমন এক ব্যক্তিসমষ্টিকে বুঝি যারা এরূপ বন্ধন সম্পর্কে সচেতন।”
সংক্ষেপে বলতে গেলে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হল এমন এক দল ব্যক্তির সমষ্টি। যারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন থাকে।
Almond ও Powel চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে চার ভাগে ভাগ করেছেন।
যথা:-
1. Institutional Interest Groups
2. The Associational Interest Groups
3. Anomic Interest Groups
4. Non-Associational Interest Groups.
অন্যদিকে, অ্যালান বল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (উন্মুক্ত)।
১৮৯৮ সালে প্রণীত ফৌজধারী কার্যবিধি (CrPC) - এর ৫৪ ধারা অনুসারে, পুলিশ কোনো পরোয়ানা ছাড়াই সন্দেহের বশবর্তী হয়ে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে।
- এই অনুচ্ছেদের আওতায় ৯টি কারনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে।
কারনগুলো হচ্ছেঃ
১. Cognizable Offence বা স্বীকৃত বা জ্ঞাত অপরাধ করলে,
২. Implements of house breaking বা বাড়ি ভাঙ্গার সরঞ্জাম থাকলে,
৩. Proclaimed Offender বা দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হলে,
৪. Stolen Property বা চুরি যাওয়া মালামাল পাওয়া গেলে,
৫. Obstruction to Govt. duty বা সরকারী কাজে বাঁধা দিলে,
৬. Deserter from Army, Navy, Air force বা সামরিক বাহিনী থেকে পালিয়ে গেলে,
৭. Extradition act বা পাচার বা চোরাচালানে জড়িত হলে,
৮. Released convict বা জামিনে মুক্ত হয়ে আবার অপরাধে জড়িয়ে গেলে এবং
৯. Arrest on Requisition বা অন্যকোন থানা থেকে গ্রেপ্তারের অনুরোধ আসলে।
উৎসঃ বিচার বিভাগীয় বাতায়ন।
আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় (১৮৬১-১৮৬৫) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।
- তিনি ১৬ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর আমেরিকা থেকে দাস প্রথা বিলোপ করার ঘোষণা দেন।
- সরকারের দাস প্রথা বিলোপ করার ঘোষণার প্রেক্ষাপটে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা মূলত মার্কিন ফেডারেল সরকার আর বিপ্লবী ১১ টি দাস-নির্ভর প্রদেশের মাঝে সংগঠিত হয়।
- এই ১১ টি প্রদেশ পূর্বেই নিজেদেরকে মূল যুক্তরাষ্ট্র হতে আলাদা ঘোষণা করেছিল এবং নামকরণ করেছিল ‘কনফেডারেট স্টেটস অব আমেরিকা’ এবং এর নেতৃত্বে ছিলেন জেফারসন ডেভিস।
- ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয় লিংকনের বিখ্যাত ‘Emancipation Proclamation’ যার ফলে সকল দাস আইনগতভাবে দাসত্ব থেকে মুক্তি পায়।
- মার্কিন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী অনুমোদনের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।
সূত্রঃ ব্রিটানিকা, ইউএস ন্যাশনাল আর্কাইভস এবং হিস্টোরি ডটকম।
অস্কার/একাডেমী পুরস্কার - ২০২০
- সেরা মুভি - প্যারাসাইট (কোরিয়ান)
- সেরা পরিচালক - Bong Joon Ho (‘প্যারাসাইট’ মুভির পরিচালক)
- সেরা অভিনেতা - জোয়াকুইন ফোনিক্স (‘জোকার’ মুভির জন্য)
- সেরা অভিনেত্রী - রেনে জিলওয়েগার (‘জুডি’ মুভির জন্য)
উৎসঃ অস্কার ওয়েবসাইট।
গ্লাডউইন জেব যুক্তরাজ্যের একজন কূটনীতিক।
- তিনি অক্টোবর, ১৯৪৫ - ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৬ পর্যন্ত জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলনে।
- তিনি UN Preparatory Commission এর নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন।
- পরবর্তীতে, ১৯৪৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসাবে নির্বাচিত হন নরওয়ের নাগরিক- ট্রিগভে লী।
- দায়িত্ব হস্তান্তরের পর জেব জাতিসংঘে যুক্তরাজ্যের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন।
উৎসঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। Link
তাজিকিস্তান মধ্য এশিয়ার একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশ।
- ১৯৯১ সালের আগে পর্যন্ত দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত ছিল।
- পূর্ণনাম - Republic of Tajikistan
- রাজধানী - দুশানবে
- ভাষা - তাজিক
উৎসঃ তাজিকিস্তানের ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
পিংপং ডিপ্লোমেসিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং - এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- কোনো কিছুতেই অবস্থার উন্নতি হচ্ছিলো না। ১৯৭১ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- এর আগে গোপনে দুই দেশের সরকারের যোগাযোগ হলেও এই ঘটনা প্রকাশ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার দুয়ার খুলে দেয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস টীমের ১৫ সদস্য চীন ভ্রমণে যায় এবং ৭ দিন অবস্থান করে ১৭ তারিখে হংকং ফিরে আসে।
- এই সময়ে তারা সেখানে প্রেসিডেন্ট জু এনলাই, সর্বোচ্চ নেতা মাও সেতুংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন। বিশ্ব মিডিয়ায় যা আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- এই ঘটনার সূত্র ধরেই, ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গোপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত।
ইউরোপের গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেন্ডের বিশেষজ্ঞদের মতে,
- ভ্যাকসিন পাওয়া না গেলে আগামী এক বছরে বিশ্ব অর্থনীতির জিডিপিতে কোভিড-১৯-এর প্রভাব হবে তিন দশমিক চার ট্রিলিয়ন ডলার৷
- আর ভ্যাকসিন পাওয়া গেলে পরিমাণ দাঁড়াবে এক দশমিক দুই ট্রিলিয়ন৷
কিন্তু এক দিকে বছরের শেষে এসে কোভিড-১৯ এর নতুন ধরন এবং অন্যদিকে সব মানুষের ভ্যাকসিন প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নিয়ে সারাবিশ্বে চলছে ভ্যাকসিন কূটনীতি৷
• ভ্যাকসিন কূটনীতির ইতিহাস অনেক পুরোনো৷ আভিধানিক অর্থে এক রাষ্ট্রের সাথে আরেক রাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবহার হলো ভ্যাকসিন কূটনীতি৷
- উদাহরণ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে কোভিড ভ্যাকসিনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের প্রতি চীন ও ভারতের বিশেষ আগ্রহের কথা তুলে ধরতে পারি৷
- ভ্যাকসিন কূটনীতি বিষয়ে একজন প্রসিদ্ধ গবেষক পিটার জে হটেজ৷ ইউএস ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ জার্নালে ২০১৪ সালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, ১৮০০ থেকে ১৮০৫ সালে গুটিবসন্তের ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে রাশিয়া, তুরস্ক, স্পেন, মেক্সিকো, ক্যানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভ্যাকসিন কূটনীতির প্রথম সফল প্রয়োগ হয়৷
- অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যকার দফায় দফায় যুদ্ধ ক্ষণিকের জন্য থামিয়ে দিয়েছিল বৃটিশ চিকিৎসক এডওয়ার্ড জেনারের ১৮৯৬ সালে বসন্তের ভ্যাকসিন আবিষ্কার৷ ঘোর শত্রু দেশের জাতীয় ইনস্টিটিউটকে পাঠানো চিঠিতে এডওয়ার্ড বলেছিলেন, ‘‘বিজ্ঞান কখনো যুদ্ধের জন্য নয়৷’’
- সবশেষ ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কিছু রোগের ভ্যাকসিন তৈরির জন্য যৌথ বিবৃতি দিয়েছিল৷ আর সম্প্রতি কভিডের ভ্যাকসিন তৈরির জন্য যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তাতে ভ্যাকসিন কূটনীতির ব্যাপকতা বেড়েছে৷
- হটেজ মনে করেন, ‘‘ভ্যাকসিন হলো বৈদেশিক নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর হাতিয়ার৷’’ উদাহরণ হিসেবে চীনের সাম্প্রতিক 'হেলথ সিল্ক রোড' নীতির কথা বলা যায়৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন কোভিড ভ্যাকসিনকে একদিকে তাদের ইমেজ পুনরুদ্ধার, অন্যদিকে প্রভাবের বলয় বিস্তারের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে৷ ধনীদের ভ্যাকসিন অলীক স্বপ্ন মনে করে অনেক দেশই এখন চীনের দিকে ঝুঁকছে৷
উৎসঃ ডয়েচেভেলে।
আরব বসন্তের শুরু হয় উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ায়।
এই সময় তিউনিশিয়ায় ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা প্রবাহগুলো নিম্নরূপ -
⤇ তিউনিশিয়ায় ২১ বছর (১৯৮৯ - ২০১১) ধরে ক্ষমতায় ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিন আল আবেদীন বেন আলী।
তার শাসনব্যবস্থার দুর্বলতায় দেশটি অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়ে। মুদ্রাস্ফীতি, উচ্চ বেকারত্ব ইত্যাদি কারনে মানুষের জীবন অতিষ্ট হয়ে উঠে।
⤇ ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিউনিশিয়ান এক তরুন মোহাম্মদ বুয়াজিজি পুলিশের গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের প্রতিবাদে স্থানীয় এক সরকারি অফিসের সামনে নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এর ফলে পরেরদিন ১৮ ডিসেম্বরে রাজধানী তিউনিশে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।
⤇ তীব্র আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে ১৪ জানুয়ারি, ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট বেন আলী পদত্যাগ করে সৌদি আরব পালিয়ে যান। ফলে তিউনিশিয়ায় একনায়কতন্ত্রের পতন ঘটে।
২০১১ সালের ২৩ অক্টোবর তিউনিশিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
⤇ আরব বসন্তের সময় তিউনিশিয়ায় ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী - “জেসমিন বিপ্লব” নামে পরিচিত।
উৎসঃ হিস্টরি.কম
রুশ বিপ্লবের তাত্ত্বিক উন্নয়নঃ
⤇ রুশ বিপ্লবের তাত্ত্বিক উন্নয়ন ঘটে কার্ল মার্ক্সের দর্শনে। তার শ্রেনী শোষণ বিহীন সমাজ তৈরির যে দর্শন তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- তার রচিত - Das Kapital, The Communist Manifesto - প্রভৃতি বইগুলো বিপ্লবীদের ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করে।
⤇ কার্ল মার্ক্স ছাড়াও হবসন ও লেনিনের প্রদত্ত দুটি তত্ত্বও রুশ বিপ্লবের ক্ষেত্র প্রস্তুতে সহায়তা করে।
- সাম্রাজ্যবাদ সম্পর্কিত এই দুটি তত্ত্বের প্রথমটি পুরোপুরি অর্থনৈতিক। লেনিন তার “Imperialism is the Highest Stage of Capitalism” গ্রন্থে সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারকে পুঁজিবাদ বিস্তারের সর্বোচ্চ স্তর হিসাবে উল্লেখ করেন।
- তার তত্ত্বটি পুরোপুরি অর্থনৈতিক না হলেও অধিক গ্রহনযোগ্য।
⤇ দার্শনিকরা ছাড়াও তৎকালীন রাশিয়ার বিভিন্ন লেখক ও সাহিত্যিকগণ যেমন - আলেক্সান্ডার পুসকিন, লিও টলস্টয়, ফিওডর দস্তয়ভস্কি, ইভান তুর্গনেভ প্রমুখ ক্ষুরধার লেখনীরর মাধ্যমে জনসাধারনকে বিপ্লবে অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করেন।
উৎসঃ হিস্টরি.কম ও Live MCQ Content (Upcoming)।
সভ্যতায় মিশরীয়দের অন্যতম অবদান হলো বর্ণমালার আবিষ্কার।
- আনুমানিক ৫,০০০ বছর পূর্বে মিশরীয়রা ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- তবে প্রথমদিকে মিশরীয়রা চিত্রলিপির মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতো যাকে বলা হতো ‘হায়ারোগ্লিফিক্স বা পবিত্র অক্ষর’।
- বর্ণমালা ব্যতীত মিশরীয়রা নলখাগড়া থেকে ‘প্যাপিরাস’ নামক কাগজ উদ্ভাবন করে যা থেকে ‘পেপার’ শব্দের উৎপত্তি হয়।
আবার,
- চৈনিক সভ্যতায় মূলত শাং রাজাদের আমলে ভিন্ন প্রকৃতির একটি লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার করে। চিত্রভিত্তিক এই লিখন পদ্ধতির নাম - “আইডিওগ্রাফ”।
- সামান্য অদল বদল করে চীনের সেই লিপি এখনও বিদ্যমান এবং বর্তমানে এই লিপির চিহ্নের সংখ্যা প্রায় চল্লিশ হাজার।
এছাড়া,
- সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম - “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
- কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো - ৩২টি।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও হিস্টরি.কম।
Renaissance, (French: “Rebirth”) period in European civilization immediately following the Middle Ages and conventionally held to have been characterized by a surge of interest in Classical scholarship and values.
- The Renaissance also witnessed the discovery and exploration of new continents, the substitution of the Copernican for the Ptolemaic system of astronomy, the decline of the feudal system and the growth of commerce, and the invention or application of such potentially powerful innovations as paper, printing, the mariner’s compass, and gunpowder.
There is some debate over the actual start of the Renaissance.
- However, it is generally believed to have begun in Italy during the 14th century, after the end of the Middle Ages, and reached its height in the 15th century.
- Some scholar says the renaissance began in 1453 in Florance, a city in Italy.
Source: Britannica.com.
ওআইসি সম্মেলন:
- ১৪-তম সম্মেলন ৩১ মে, ২০১৯ সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৫-তম সম্মেলন ২০২২ সালে (Date to be determined) গাম্বিয়ার বানজুলে অনুষ্ঠিত হবে।
- ওআইসির বর্তমান সদস্য ৫৭টি দেশ এবং পর্যবেক্ষক - ৫টি দেশ।
উৎসঃ OIC ওয়েবসাইট।
যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত কয়েকটি চুক্তিঃ
- SALT-1 (Strategic Arms Limitation Talk -1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-2 (Strategic Arms Limitation Talk -2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে।
- START-1 (Strategic Arms Reduction Treaty-1); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- START-2 (Strategic Arms Reduction Treaty-2); চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় - ৩ জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
Kyoto Protocol:
- The Kyoto Protocol was adopted on 11 December 1997. (COP - 3)
- Owing to a complex ratification process, it entered into force on 16 February 2005.
- Currently, there are 192 Parties to the Kyoto Protocol.
- In Doha, Qatar, on 8 December 2012, the Doha Amendment to the Kyoto Protocol was adopted for a second commitment period, starting in 2013 and lasting until 2020.
Source: UNFCCC website.
আসিয়ান (Associaion of South East Asian Nations-ASEAN) হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক জোট।
এটি ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট স্নায়ুযুদ্ধের সময় ‘ব্যাংকক ডিক্লারেশনের’ মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি।
এগুলো হলো:
- ইন্দোনেশিয়া
- মালয়েশিয়া
- ব্রনাই
- সিঙ্গাপুর
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন
- কম্বোডিয়া
- ভিয়েতনাম
- লাওস
- মায়ানমার।
আসিয়ানের সদরদপ্তর জাকার্তায় অবস্থিত।
সূত্র: আসিয়ান ওয়েবসাইট।
শ্রীলঙ্কা - আঞ্চলিক সংস্থা হিসাবে সার্ক ও বিমসটেকের সদস্য।
- বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি - উষ্ণ, আদ্র ও সমভাবাপন্ন।
- মৌসমী জলবায়ুর প্রভাব এদেশের জলবায়ুর উপর অধিক বলে সামগ্রিকভাবে এর জলবায়ু “ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু” নামে পরিচিত।
- শুষ্ক ও আরামদায়ক শীতকাল এবং উষ্ণ ও আদ্রগ্রীষ্মকাল বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ঠ্য।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল (১ম পত্র) বই।
কোন স্থানের তাপ ও চাপের পার্থক্যের কারণে স্থানীয়ভাবে যে বায়ু প্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে স্থানীয় বায়ু বলে।
যেমন -
- সিরক্কো – সাহারা ও লিবিয়া
- চিনুক – রকি পর্বতের মাঝামাঝি এলাকায় প্রবাহিত
- খামসিন – মিশর
- বোরো – আড্রিয়াটিক সাগর।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল প্রথম পত্র (উন্মুক্ত)।
পর্বতের প্রকারভেদঃ
পর্বত নানা প্রকারে গঠিত হয়। উৎপত্তির কারণ ও গঠন অনুসারে পর্বতকে পাঁচ শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. ভঙ্গিল বা ভাঁজ পর্বত (Fold Mountain):
বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে শিলায় ঢেউ এর মতো ভাঁজ পড়ে যে পর্বতের সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্কিল পর্বত বলে।
- 'পাত ভূগঠন তত্ত্ব' ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির কারণ।
যেমন - হিমালয়, আন্দিজ, আল্পস, রকি ইত্যাদি।
২. স্তূপ পর্বত (Block Mountain):
প্রবল ভূ-আলোড়নের ফলে শিলাস্তরের সংকোচন ও প্রসারণ চাপের সৃষ্টি হয়। এতে কখনো কখনো ভূত্বক খাড়াভাবে ফেটে যায়, যে রেখা বরাবর ফাটল হয় তাকে চ্যুতিরেখা বলে।
- কখনো কখনো দেখা যায়, দুটি সমান্তরাল ফাটলের মধ্যবর্তী অংশটি চাপের ফলে পাশ্ববর্তী স্থান অপেক্ষা ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়।
- এই উত্থিত অংশ ভূমির উপর স্তূপ আকারে দাঁড়িয়ে থাকে বলে এধরনের পর্বতকে স্তূপ পর্বত বলে।
যেমন - জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, ফ্রান্সের ভোজ পর্বত ইত্যাদি।
৩. ল্যাকোলিথ পর্বত (Lacolith Mountain):
পৃথিবীর অভ্যন্তরে ম্যাগমা বা গলিত শিলার উপাদানসমূহের সাথে বিবিধ গ্যাস মিশ্রিত অবস্থায় থাকে।
- এ গ্যাস অনেক সময় ঊর্ধ্বপ্রবাহী হয়ে ভূপৃষ্টের দিকে আসার চেষ্টা করে। এ গ্যাসের সাথে প্রচুর ম্যাগমাও থাকে।
- কিন্তু প্রায়ই তা ভূত্বকে আসার পথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ভূত্বকের নিচেই সঞ্চিত থাকে। আস্তে আস্তে এই ম্যাগমা কঠিন আকার ধারন করে।
- এই ধরণের পর্বতকে ল্যাকোলিথ বা গম্বুজ পর্বত বলে। ভূআলোড়ন এ জাতীয় পর্বত গঠনে প্রভাব বিস্তার করে।
যেমন - যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাক হিলস্ ও হেনরী পর্বত।
৪. আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত (Volcanic Mountain):
কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের দুর্বল অংশ ফেটে যায়। ঐ ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই ইত্যাদি প্রবল বেগে নির্গত হয়ে ফাটলের চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- এরূপে বার বার ঐসব পদর্থ ফাটলের চারদিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি হয়।
- আগ্নেয় পদার্থ সঞ্চিত হয়ে এ প্রকার পর্বত গঠিত হয় বলে একে আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত বলে।
যেমন - ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, হাওয়ায় দ্বীপের মোনালোয়া ইত্যাদি।
৫. ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট পর্বত (Erosional or Residual Mountain):
সৌরতাপ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, হিমবাহ ইত্যাদি প্রাকৃতিক শক্তিসমূহের ফলে ভূত্বকের নরম অংশ ক্ষয় হতে হতে অপসারিত হয়।
- কঠিন শিলাগুলো অল্প ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে পর্বতরূপে থেকে যায়। এরূপ সৃষ্ট পর্বতকে ক্ষয়জাত বা অবশিষ্ট পর্বত বলে।
যেমন - ভারতের আরাবল্লী, ইউরোপের সিয়েরা নেভেদা, উত্তর আমেরিকার অ্যাপালেশিয়ান ইত্যাদি।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল (১ম পত্র) বোর্ড বই।
বাংলাদেশে অবস্থিত কয়েকটি উপত্যকা ও এর অবস্থানঃ
- সাজেক ভ্যালি - রাঙ্গামাটি
- ভেঙ্গি ভ্যালি - রাঙ্গামাটি
- মাইনমুখী ভ্যালি - রাঙ্গামাটি
- বালিশিরা ভেলী - মৌলভীবাজার
- হালদা ভেলী - খাগড়াছড়ি
- সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম
- নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- অন্যদিকে, তিস্তা নদী সিকিমের হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত চিতামু হ্রদ থেকে সৃষ্টি হয়েছে। উৎপত্তির পর ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীটি নীলফামারী জেলার খড়িবাড়ি সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- তিস্তা নদী কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী নদীবন্দরের দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদে পতিত হয়েছে। তিস্তা নদীর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৩১৫ কিমি, তার মধ্যে ১১৫ কিমি বাংলাদেশ ভূখন্ডে অবস্থিত।
উৎসঃ মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বই ও বাংলাপিডিয়া।
মানবসৃষ্ট কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- রাসায়নিক দূষণ
- যুদ্ধ
- পারমাণবিক বিস্ফোরণ
- মরুকরণ
- অগ্নিকাণ্ড
- জলাবদ্ধতা সৃষ্টি
- বন উজারকরণ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- প্রাকৃতিক কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- ভূমিকম্প
- অগ্ন্যুৎপাত
- নদীভাঙন
- তুষারপাত
- ঘূর্ণিঝড়
- খরা
- জলোচ্ছ্বাস
- বন্যা ইত্যাদি।
সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৮৯।
উল্লেখ্য, মানবসৃষ্ট কারণেই গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়া হয়। বন উজারকরণ, মরুকরণ ইত্যাদি কারণে বায়ুমন্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধি পাচ্ছে; ফলে গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়া হয় এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
CDMP এর পূর্ণরূপ হলো Comprehensive Disaster Management Programme বা সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি।
- এটি ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সরকার গৃহিত একটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মডেল।
সূত্রঃ দুর্যোগকোষ : ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় কয়েকটি কার্যকর পদক্ষেপ হচ্ছে -
- অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যেমন - পাকা দালানের আশ্রয়কেন্দ্র, সংকেত প্রচার কেন্দ্র ইত্যাদি।
- বনায়ন ও উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী গঠন,
- পরিকল্পিত রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণ,
- নদীভাঙ্গন রোধে নদী শাসন
- পাহাড়ে বসতি নির্মান ও পাহাড় কাঁটা বন্ধ ইত্যাদি।
উপকূলীয় এলাকায় চিংড়ি ঘের তৈরি - দুর্যোগ প্রতিরোধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নয়।
প্লেটোর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে প্রথম সুশাসনের ধারণা পাওয়া যায়।
- তিনি একে একটি দ্বিমুখী প্রত্যয় বলে অবহিত করেন, এক পক্ষ জনগণ ও অন্য পক্ষ সরকার।
- এ ব্যবস্থা নাগরিকের নিজ নিজ অধিকার ভোগ করার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
- সুশাসনের মাধ্যমে শাসক ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে, জাতীয় ও ব্যক্তি জীবনে সমৃদ্ধি গড়ে তোলা সহজতর হয়।
সূত্র: সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মূল্যবোধের গুরুত্ব, বাংলাদেশ প্রতিদিন।
সুযোগ্য নেতার জন্য জনগণের আনুগত্য অপরিহার্য।
- শিক্ষিত, সৎ ইত্যাদির পাশাপাশি জনগনের আনুগত্য না থাকলে যোগ্য নেতা হওয়া সম্ভব নয়।
- সুশাসন অব্যাহত থাকলে যোগ্য নেতার আবির্ভাব ঘটে।
নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি যা মানুষকে সুকুমার বৃত্তি অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে।
- এটি একটি মানসিক বিষয় যা মানুষের হৃদয় বা মন থেকে উৎসারিত।
- Morality হলো নৈতিকতা শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ।
- এটি ল্যাটিন শব্দ - Moralitas থেকে উদ্ভূত যার অর্থ - সঠিক আচরণ বা চরিত্র।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই।
সুশাসনের অন্যতম প্রধান উপাদানসমূহ-
- আইনের শাসন,
- জবাবদিহিতা,
- ন্যায়পরায়ণতা,
- স্বচ্ছতা,
- সমতা ও ন্যায্যতা,
- সংবেদনশীলতা,
- জবাবদিহিতা ইত্যাদি।
অপরদিকে,
নৈতিকতা সুশাসনের উপাদান নয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
গনতন্ত্রের ইংরেজী প্রতি শব্দ Democracy, যা গ্রিক শব্দ Demos এবং Kratos বা Kratia থেকে উদ্ভূত।
- Demos অর্থ জনগন এবং Kratos বা Kratia শব্দের অর্থ শাসন ক্ষমতা।
- শব্দগত অর্থে গণতন্ত্রের অর্থহচ্ছে জনগনের শাসন ক্ষমতা।
- আব্রাহাম লিঙ্কনের মতে, "গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের কল্যাণের জন্য, জনগণে দ্বারা পরিচালিত,জনপ্রতিনিধিত্বমূলক শাসনব্যবস্থা।"
- অধ্যাপক ডাইসি বলেন, "গণতন্ত্র হচ্ছে এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে শাসকগণ তুলনামূলকভাবে জনসংখ্যার একটি বিরাট অংশ।"
- গ্রীক ঐতিহাসিক হেরোডোডাস এর মতে, "গনতন্ত্র এমন এক প্রকার শাসনব্যবস্থা যেখানে শাসন ক্ষমতা আইনত কোনো শ্রেণি বা শ্রেণিসমূহের ওপর ন্যস্ত না থেকে সমাজের সকল সদস্যদের ওপর ন্যস্ত থাকে।"
গণতন্ত্র দুই প্রকার।
১. প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র
২. পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই (উন্মুক্ত)।
কার্ল মার্কস্ - সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক।
- তিনি ১৮১৮ সালে জার্মানিতে জন্মগ্রহন করেন এবং ১৮৮৩ সালে যুক্তরাজ্যে মৃত্যবরন করেন।
- তার লেখা Das Kapital বইটি ১৮৬৭ সালে প্রকাশিত হয়।
তার লেখা আরো কয়েকটি বইঃ
- Communist Manifesto
- Holy Family
- The Poverty of Philosophy ইত্যাদি।
উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
মূল্যবোধ ও সুশাসনের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
- সমাজজীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার ব্যবহার ও কর্মকান্ড যে সব নীতিমালার মাধ্যমে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় তাদের সমষ্টিকে মূল্যবোধ বলে।
- মূল্যবোধ না থাকলে সুশাসনের উপাদানগুলো প্রতিষ্ঠা ও বিকশিত করা সম্ভব নয়।
- আইনের শাসন মূল্যবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান; তাই মূল্যবোধ না থাকলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
- মূল্যবোধের অভাবে সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ ঘটে না।
- মূল্যবোধ অনুপস্থিত থাকলে সামাজিক ঐক্য ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, মূল্যবোধের উপস্থিতি ব্যতীত সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই (১ম)।
মানুষের যাবতীয় কার্যাবলি ও আচার-আচরণের ভালো-মন্দ নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে নীতিশাস্ত্র বলে।
- নীতিশাস্ত্র মানুষকে ভালো-মন্দের প্রভেদ শিক্ষা দেয়। ভালোটাকে গ্রহণ ও মন্দটাকে বর্জন করতে শেখায়।
- ইতালির দার্শনিক নিকোলা ম্যাকিয়াভ্যালী সর্বপ্রথম রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও পৌরবিজ্ঞানকে নীতিশাস্ত্রের প্রভাব থেকে মুক্ত করে একে পৃথক শাস্ত্র বা জ্ঞানের শাখা বলে উল্লেখ করেন।
- তবে জ্ঞানের শাখা পৃথক হলেও পৌরনীতি, সুশাসন ও নীতিশাস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ঘনিষ্ট সম্পর্ক।
উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বই (১ম)।