ব্যাখ্যা
- জাপানের নাগরিকরা এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি, মোট ৩১টি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য ও শান্তিতে তারা পুরস্কার অর্জন করেছেন। ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছে তাদের পরমাণু বিরোধী সংগঠন ‘নিহন হিদানকায়ো’।
নোবেল পুরস্কার ২০২৪:
• সাহিত্য:
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হান কাং।
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
• শান্তি:
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।
- অবদান: হিবাকুশা নামেও পরিচিত জাপানি সংস্থা হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
• চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- অবদান: ‘মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য’ তাদের এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
• পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
- অবদান: ‘কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিং সক্ষম করে তোলোর বুনিয়াদি আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য’ তাদেরকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
• রসায়ন:
- ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
- অবদান: মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড বেকারকে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইনের জন্য’ এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেমিস হ্যাসাবিস ও জন এম. জাম্পারকে ‘প্রোটিন গঠন পূর্বাভাসের জন্য’ যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
• অর্থনীতি:
- ২০২৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
- অবদান: গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখে তা নিয়ে কার্যকরী গবেষণা করার জন্য।
সূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।