ব্যাখ্যা
⇒ আল-মুতাসিম বিল্লার মৃত্যুর পর আবু জাফর হারুন ‘আল-ওয়াসিক বিল্লাহ’ (৮৪২-৪৭) উপাধি ধারণ করে বাগদাদের সিংহাসনে বসেন।
- তিনি সঙ্গীতের ব্যাপক অনুরাগী ছিলেন।
- এ জন্য তার সময়ে সঙ্গীতের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটে।
৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন
⇒ আল-মুতাসিম বিল্লার মৃত্যুর পর আবু জাফর হারুন ‘আল-ওয়াসিক বিল্লাহ’ (৮৪২-৪৭) উপাধি ধারণ করে বাগদাদের সিংহাসনে বসেন।
- তিনি সঙ্গীতের ব্যাপক অনুরাগী ছিলেন।
- এ জন্য তার সময়ে সঙ্গীতের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটে।
⇒সেলজুকগণ মধ্য এশিয়ার বিখ্যাত ঘুজ গোত্রীয় লোক ছিলেন।
-সেলজুক বিন বাকায়িকের নাম অনুসারে এ বংশের নামকরণ হয় সেলজুক বংশ।
⇒ সালাহ্উদ্দিন আইয়্যূবী ১১৩৭ খ্রিষ্টাব্দ, তিকরিত (বর্তমান ইরাক) এ জন্মগ্রহন করেন।
-তার আসল নাম ইউসুফ ইবন আইয়ুব।
-তিনি জাতীতে কুর্দি ছিলেন।
-১১৭৪ সালে সালাহউদ্দিন ‘আইয়ুবী’ বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
⇒ক্রসেড অর্থ ধর্মযুদ্ধ।
-ক্রসেড (Crusade) বলতে সাধারণত ১১শ শতক থেকে ১৩শ শতকের মধ্যে ইউরোপীয় খ্রিস্টানদের দ্বারা পরিচালিত একাধিক সামরিক অভিযানের কথা বোঝানো হয়।
-যার মূল উদ্দেশ্য ছিল পবিত্র ভূমি (বিশেষ করে জেরুজালেম) মুসলিমদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করা।
⇒মালিক শাহের রাজত্বের শেষ দিকে গুপ্তঘাতক সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে।
-তাদের প্রধান ঘাটি আলামুত দুর্গ।
-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নিযামুল মুলকের সহপাঠি হাসান সাবাহ।
-যিনি পর্বতের বৃদ্ধ লোক (The Old Man of the Mountain) নামে পরিচিত।
⇒আজদুদ্দৌলাহর শাসনামলে বুয়াইয়ারা ক্ষমতার চরম শিখরে আরোহণ করেছিলেন।
-খলিফা তাকে ‘সুলতান’ উপাধি প্রদান করেন।
-জুমুআর খুতবায় তাঁর নাম উচ্চারিত হয়।
-মুদ্রায় তাঁর নাম অংকন করা হয়।
-বুয়াইয়াদের মধ্যে তিনিই প্রথম ‘শাহানশাহ্’ উপাধি গ্রহণ করেন।
-তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ বুয়াইয়া শাসক।
⇒ ক্রসেডের ২য় ধাপে মুসলামানদের নেতৃত্ব দেন বিখ্যাত বীর সালাউদ্দিন আইয়ুবী।
- যিনি ১১৮৭ সালে "Battle of Hattin"-এ খ্রিস্টান বাহিনীকে পরাজিত করেন।
- এ যুদ্ধে জয় লাভের পরেই মুসলমানরা জেরুজালেম পুনর্দখল করেন।
⇒ ৭৬৫ সালে আবু জাফর আল মনসুর রোগাগ্রস্থ হয়ে মৃত্যু বরণ করেন।
-এ জন্যই খলিফা হারুন-অর-রশিদের সময় বাগদাদে প্রথম হাসপাতাল বা বিমারিস্তান নির্মিত হয়।
- তার শাসনামলে পুরো সাম্রাজ্যে ৩৪টি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
⇒আল-ওয়াসিকের মৃত্যুর পর তাঁর ভ্রাতা আল-মুতাওয়াক্কিল ৮৪৭ খ্রি: সিংহাসনে আরোহণ করেন।
-তিনি ছিলেন গোঁড়া সুন্নী পন্থী’।
-তাই শিয়া ও মুতাযিলা মতবাদ অবলম্বনকারীদের প্রতি তিনি অত্যন্ত কঠোর ছিলেন।
-কারবালায় ইমাম হুসাইনের মাযার ধ্বংস করেন।
⇒নিজাম-উল-মুলক তুষী ১০৬৫-৬৭ খ্রি. বাগদাদে নিযামিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।
-যা পৃথিবীর একটি শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ও ১ম মুসলিম বিশ্ববিদ্যাল্য হিসেবে পরিচিত।
-ইমাম গাজ্জালী (রহ.) ছিলেন এই মাদ্রাসার একজন অধ্যাপক।
-মহাকবি শেখ সাদী এই মাদ্রাসার অন্যতম কৃতী ছাত্র ছিলেন।
⇒১২৫৬ সালে মোঙ্গল সেনাপতি হালাকু খান গুপ্তঘাতক সম্পদ্রায়ের বিরুদ্ধে অভিযানে সাহায্য চাইলে খলিফা মুস্তাসিম (১২৪২-৫৮) তাতে কোন সাড়া দেননি।
-গুপ্তঘাতক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযানে সাহায্য না করার অযুহাতে হালাকু খানের বাহিনী ১২৫৮ সালের জানুয়ারী মাসে বাগদাদে প্রবেশ করে। বাগদাদ অবরোধ করা হয়।
⇒হালাকু খান নিবির্চারে বাগদাদের ২০ লক্ষ অধিবাসীর মধ্যে ১৬ লক্ষকে হত্যা করেন।
-এখানে এতটাই হত্যাকান্ড চালানো হয় যে ইউফ্রেটিস ও তাইগ্রিস নদীর পানি রক্তে লাল হয়ে যায়।
-খলিফাকে পরিবার পরিজনসহ হত্যা করা হয়।
-ফলে মুসলিম বিশ্বে ৭৫০-১২৫৮( ৫০০ বছরের) শাসনের অবসান ঘটিয়ে কয়েক বছরের জন্য খিলাফত শূণ্য হয়ে যায়।
⇒আব্বাসীয় আমলে সঙ্গীত চর্চা বিকাশ লাভ করে।
-সিয়াত, ইব্রাহিম মওসিলি ও ইসহাক মওসিলি সে সময়ের বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন।
-ইসহাক মওসিলি ছিলেন ঐ যুগের শ্রেষ্ঠতম সঙ্গীতজ্ঞ।
- এ জন্য তাকে সঙ্গীতের ডিন বলা হয়।
⇒আজদুদ্দৌলাহর শাসনামলে বুয়াইয়ারা ক্ষমতার চরম শিখরে আরোহণ করেছিলেন।
-খলিফা তাকে ‘সুলতান’ উপাধি প্রদান করেন।
-বুয়াইয়াদের মধ্যে তিনিই প্রথম ‘শাহানশাহ্’ উপাধি গ্রহণ করেন।
-তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ বুয়াইয়া শাসক।
⇒আল-মামুন তাঁর পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে তাঁর যোগ্যতম ভ্রাতা আবু ইসহাক মুহাম্মদকে ‘মুতাসিম বিল্লাহ’ উপাধি দিয়ে তাঁর উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করেন।
-আল-মামুন ৮৩৩ খ্রি মৃত্যুবরণ করলে তিনি সিংহাসন আরোহন করেন।
-তিনিও আল-মামুনের ন্যায় মুতাযিলা মতবাদের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
⇒বুয়াইয়াদের সময় বিখ্যাত ঐতিহাসিক আল-মাসুদী।
বিখ্যাত দার্শনিক আল-ফারাবী, আবু-নসর।
-বিখ্যাত কবি মুতানববী।
-ভাষাবিদ আলী-আল-ফারসী ও আবুল ফারায প্রমুখ মনীষীগণ বিখ্যাত ছিলেন।
-জ্ঞান-বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস ও সাহিত্যে তারা বিশেষ অবদান রাখেন।
⇒শিয়া সুন্নী বিদ্বেষ
-নিষ্ঠুরতা
-বুয়াইয়াদের দুর্বলতা
-আত্মকলহ
-গৃহযুদ্ধের সুযোগে
-সেলজুক তুকির্রা তুঘ্রিল বেগের নেতৃত্বে শেষ বুয়াইয়া শাসক মালিক রহীমকে পরাজিত করে বুয়াইয়াদের নিকট হতে ক্ষমতা কেড়ে নেয়।
⇒ক্রসেড (Crusade) বলতে সাধারণত ১১শ শতক থেকে ১৩শ শতকের মধ্যে ইউরোপীয় খ্রিস্টানদের দ্বারা পরিচালিত একাধিক সামরিক অভিযানের কথা বোঝানো হয়।
-যার মূল উদ্দেশ্য ছিল পবিত্র ভূমি (বিশেষ করে জেরুজালেম) মুসলিমদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করা।
⇒সেলজুকগণ মধ্য এশিয়ার বিখ্যাত ঘুজ গোত্রীয় লোক ছিলেন।
-সেলজুক বিন বাকায়িকের নাম অনুসারে এ বংশের নামকরণ হয় সেলজুক বংশ।
-৯৫৬ খ্রি. তারা সেলজুক বিন বাকায়িকের নেতৃত্বে দক্ষিণ ট্রান্স অক্সিয়ানার বোখারায় বসতি স্থাপন করেন।
- তারাই সর্ব প্রথম এশিয়া মাইনরে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
⇒ আব্বাসীয় শাসকদের মধ্যে হারুন অর রশীদ ও আল মামুনের সময় জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা শুরু হয়।
-৮৩০ সালে খলিফা আল মামুন বাগদাদে উচ্চ শিক্ষায় মুসলিম দুনিয়ার প্রথম বাইতুল হিকমাহ প্রতিষ্ঠা করেন।
- যার মাধ্যমে সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানে আব্বাসীয়রা শিখরে ওঠে।
-৮ম-৯ম শতকে সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানে আব্বাসীয়রা শীর্ষে পৌঁছায়।
⇒The Abbasid Caliphate began in 750 and lasted until 1258.
-It was ruled by 37 rulers for nearly 500 years.
-The Caliph Harun al-Rashid( 786-809 was known as a “Golden Caliph” of Abbasid dynasty.
⇒বুয়াইয়াদের সময় ইখওয়ানুস সাফা সম্পদ্রায় জ্ঞান-বিজ্ঞানে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল।
- তারা জ্ঞান-বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস ও সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখেন।
⇒আল মুতাসিম বিল্লাহ পারস্য সৈন্যদের প্রভাব হ্রাস করার জন্য তুর্কিদের নিয়ে নতুন সেনাবাহিনী গঠন করেন।
-তুর্কি সেনাবাহিনী ছিল অত্যন্ত প্রভাবশালী।
-পরে এই বাহিনীর উত্তরসূরী হিসেবে সেলজুকদের আবির্ভাব ঘটে।
⇒ভূগোল বিষয়ে আল-খাওয়ারিযিমির ‘সুরাত আল-আরদ’ একটি মৌলিক গ্রন্থ।
- আব্বাসীয় যুগে জ্যোতিবির্দ ও গণিতবিদদের মধ্যে আল-বাত্তানি, আল-বিরুনি, উমর আল খৈয়াম ও আল-খাওরিযমি বিখ্যাত ছিলেন।
⇒আব্বাসীয় খলিফাদের প্রধান উপদেষ্টাকে উজির বলা হতো।
-আব্বাসীয় আমলেই প্রথম উজির পদ সৃষ্টি হয়।
-আবুল আব্বাস আস সাফফাহ সর্ব প্রথম প্রথম উজির পদ সৃষ্টি করেন।
-আব্বাসীয় আমলে ১ম উজির ছিলেন আবু সালামা আল খাল্লাল।
⇒রাজকার্য সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য আল-মুতাওয়াক্কিল তাঁর সাম্রাজ্যকে দু‘ভাগে বিভক্ত করেন।
-পশ্চিমাঞ্চল তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র আল-মুনতাসিরকে
-পূর্বাঞ্চল অপর পুত্র আল-মুতাজকে প্রদান করেন।
⇒আব্বাসীয় খলিফা মুস্তাকফী (৯৪৪-৪৬ খ্রি.) এর সময় বাগদাদে তুর্কি দেহরক্ষী বাহিনীর আধিপত্য বেড়ে যায়।
-এ সময় বুয়াইয়ারা আবু সুযার পুত্র আহমদ এর নেতৃত্বে বাগদাদ উপকণ্ঠে থাকায় খলিফা আহমদ এর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেন।
-আহমদ খলিফার আহবানে সাড়া দিয়ে বাগদাদে প্রবেশ করে তুর্কি বাহিনীকে রাজধানী থেকে বিতাড়ন করেন।
⇒ঐতিহাসিক আল-মাসুদী, দার্শনিক আল-ফারাবী, আবু-নসর।
-কবি মুতানববী, ভাষাবিদ আলী-আল-ফারসী ও আবুল ফারায প্রমুখ।
- এই মনীষীগণ জ্ঞান-বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস ও সাহিত্যে বুয়াইয়া আমলে বিশেষ অবদান রাখেন।
⇒আল মুতাসিম বিল্লাহ পারস্য সৈন্যদের প্রভাব হ্রাস করার জন্য তুর্কিদের নিয়ে নতুন সেনাবাহিনী গঠন করেন।
-তুর্কি সেনাবাহিনী ছিল অত্যন্ত প্রভাবশালী।
-তিনি পারস্যিকদের প্রভাব হ্রাস করতেই রাজধানী বাগদাদ হতে ৬০ মাইল উত্তর পশ্চিমে সামাররাতে (৮৩৬ খি.) স্থানান্তরিত করেন।
⇒আল- মামুন ৮৩০ সালে বাগদাদে বায়তুল হিকমাহ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর অনুবাদে সহায়তার জন্য তিনি প্রথম কাগজকল স্থাপন করেন।
⇒ ৭৬২ সালে আবু জাফর আল মনসুর বাগদাদ শহর প্রতিষ্ঠা করে রাজধানী স্থানান্তর করেন।
- এর পর ৮৩৬ সালে সামাররায় কিছু দিন রাজধানী স্থানান্তর করলেও পরে আবারও বাগদাদ রাজধানী হয়।
- দীর্ঘদিন আব্বাসিদের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হওয়ায় বাগদাদ বাণিজ্য ও শিক্ষা কেন্দ্রে পরিনত হয়।
⇒আল মুতাসিম বিল্লাহ পারস্য সৈন্যদের প্রভাব হ্রাস করার জন্য তুর্কিদের নিয়ে নতুন সেনাবাহিনী গঠন করেন।
-তুর্কি সেনাবাহিনী ছিল অত্যন্ত প্রভাবশালী।
-আল মুতাসিম বিল্লাহ তুর্কি সেনাবাহিনী গঠন করলেও আল‑মুতাওয়াক্কিল তুর্কি সৈন্যদের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়েছিলেন।
⇒ বার্মাকিদের পূর্ব পুরুষ জাফর বলখের বৌদ্ধ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ছিলেন বলে উপাধি ছিল বার্মাক।
- তিনি ৭০৫ সালে কুতাইবা ইবনে মুসলিমের কাছে ধরা পরে ইসলাম গ্রহন করেন।
⇒বুয়াইয়া বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক আজদুদ্দৌলাহ এর সময়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষাসংস্কৃতি সর্বাধিক বিকশিত হয়।
-তিনি নিজেও একজন জ্ঞানী ও সুপন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন।
-গণিতশাস্ত্রে তাঁর দখল ছিলো।
⇒১২৫৮ সালে হালাকু খানের বাগদাদ আক্রমনের পর দীর্ঘ আব্বাসীয় শাসনের অবসান ঘটে।
- সাজারুদ্বার ১২৫০ মিশরে মামলুক শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- হালাকু খানের বাগদাদ আক্রমনের পর খিলাফত সমুন্নত রাখতে মামলুকরা কায়রোতে আব্বাসীয় খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিল।
⇒নিযাম-উল-মুলক রাজ্যশাসন কাঠামোর উপর ‘সিয়াসাত নামা’ নামক ফার্সি ভাষায় একটি মহামূল্যবান পুস্তক রচনা করেন।
-তিনি ১০৬৫-৬৭ খ্রি. বাগদাদে নিযামিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।
-তার পরামর্শে ১০৭৪ খ্রি. উমর আল-খৈয়াম নিশাপুরে ৭০ জন জ্যোতির্বিদদের একটি সম্মেলন আহবান করে একটি পারসিক পঞ্জিকা সংস্কার করেন।
-এটি সুলতানের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ‘জালালী পঞ্জিকা’।
⇒ খলীফা আল-মুতাওয়াক্কিল ছিল গোঁড়া সুন্নী পন্থী’।
- তাই শিয়া ও মুতাযিলা মতবাদ অবলম্বনকারীদের প্রতি তিনি অত্যন্ত কঠোর ছিলেন।
- কারবালায় ইমাম হুসাইনের মাযার ধ্বংস করেন।
⇒ আব্বাসীয়দের শক্তি খর্বের সময়ের শাসক ছিলেন আল‑মুতাওয়াক্কিল।
- যার শাসন কাল ৮৪৭-৮৬১ খ্রি. পর্যন্ত।
- তিনি সামাররা ও আবু দুলাফে দুটি বিখ্যাত মসজিদ নির্মাণ করেন।
⇒৭৪৪ সালে খোরাসানের মাওয়ালী আবু মুসলিম খোরাসানীর সহায়তায় আব্বসীয় আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- যা ছিল পারস্যের অন্তর্গত।
- ৭৫০ সালে আব্বসীয় খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হলে পারস্যিকরা গুরুত্বপর্ণ পদে আসীন হয়।
- এ সময় বার্মেকী নামে বিখ্যাত পারস্যিক পরিবারের দেখা মেলে।
-সে জন্যই আল আমিন ও মামুনের দ্বন্দ্বে মামুন বিজ্য় লাভ করেন।
⇒ আব্বসীয় ২য় খলিফা আবু জাফর আল মনসুর ১ম বাইজান্টাইনদের পদানত করে কর প্রদানে বাধ্য করেন।
-হারুনের সময় ২জন বাইজান্টাইন সম্রাট ৪ বার পরাজিত ও কর প্রাদানে বাধ্য হয়।
-সময়ে সীমান্তে সংঘর্ষ ও পরাজিত হয়ে কর প্রদান এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনই আব্বাসি–বাইজেন্টাইন সম্পর্কের প্রধান বৈশিষ্ট।
⇒ মালিক শাহ সেবা ও আনুগত্যের জন্য তার প্রধানমন্ত্রি নিযামুল মুলককে ‘আতাবেগ’ উপাধি দেন।
-তাঁর কর্মদক্ষতা বিচক্ষণতার ফলেই সেলজুক শাসকদের মধ্যে মালিক শাহের রাজতক্বাল স্মরণীয় হয়ে আছে।
⇒ খ্রিষ্টানদের পোপ দ্বিতীয় আরবানের আহবানে ফরাসি,বিট্রিশ ও জার্মান ক্রসেডাররা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের মাধ্যমেই ক্রসেডের সূচনা ঘটে।
-ক্রসেড অর্থ ধর্মযুদ্ধ।
_ এ অভিযানে খ্রিস্টান বাহিনী জেরুজালেম দখল করে।
⇒আবু সুযা বুয়াইয়ার নেতৃত্বে বুয়াইয়ারা পভ্রাবশালী হয়ে ওঠে।
-তারা কাস্পিয়ান সাগরের দক্ষিণ উপকূলে তাবারিস্তান ও গীলানের মধ্যবর্তী ভূ-ভাগ দাইলাম নামক স্থানে বসবাস করতেন।
-তারা শীয়া মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিল।
-বুয়াইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা মুইয-উদ-দৌলা ১০ মহররম আশুরা উদযাপনের রীতি প্রচলন করেন।
⇒সেলজুকগণ মধ্য এশিয়ার বিখ্যাত ওঘুজ তুর্কি গোত্রীয় লোক ছিলেন।
-সেলজুক বিন তুকাকের নাম অনুসারে এ বংশের নামকরণ হয় সেলজুক বংশ।
-১০৫৫ খ্রি.আব্বাসীয় খলীফা কায়িম-বিল্লাহ বুয়াইয়া শাসকদের পত্রাপে অতিষ্ঠ হয়ে তুঘ্রীল বেগের সাহায্য প্রার্থনা করেন।
-তুঘ্রীল বেগ খলীফার আহবানে বাগদাদে প্রবেশ করে ১০৫৫ খ্রি. শেষ বুয়াইয়া শাসক মালিক রহিমকে পরাজিত করে বাগদাদ দখল করেন।
-খলিফা তুঘ্রীল বেগকে ‘সুলতান’ উপাধি দেন।
⇒সেলজুকগণ মধ্য এশিয়ার বিখ্যাত ওঘুজ তুর্কি গোত্রীয় লোক ছিলেন।
-সেলজুক বিন তুকাকের নাম অনুসারে এ বংশের নামকরণ হয় সেলজুক বংশ।
- তারা সুন্নী ইসলাম মতাদর্শী ছিল।
⇒ আল মুতাসিম বিল্লাহ পারস্যিকদের প্রভাব হ্রাস করতেই রাজধানী বাগদাদ হতে ৬০ মাইল উত্তর পশ্চিমে সামাররাতে (৮৩৬ খি.) স্থানান্তরিত করেন।
- আল-মুতাওয়াক্কিলের রাজধানী ছিল সামাররাতে।
- রাজকার্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য আল-মুতাওয়াক্কিল তাঁর সাম্রাজ্যকে দু‘ভাগে বিভক্ত করেন।
- পশ্চিমাঞ্চল তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র আল-মুনতাসিরকে এবং পূর্বাঞ্চল অপর পুত্র আল-মুতাজকে প্রদান করেন।
- তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র আল-মুনতাসিরকে ৮৬১ খ্রি. কয়েকজন তুর্কি সেনাপতির সাহায্যে এক রাত্রিতে তাঁর পিতাকে হত্যা করে সিংহাসনে বসেন।
- আল-মুতাওয়াক্কিলের হত্যার মধ্য দিয়ে "Anarchy at Samarra” নামক দুর্যোগ শুরু হয়।
⇒ ক্রসেডের ২য় ধাপে মুসলামানদের নেতৃত্ব দেন বিখ্যাত বীর সালাউদ্দিন আইয়ুবী।
- যিনি ১১৮৭ সালে "Battle of Hattin"-এ খ্রিস্টান বাহিনীকে পরাজিত করেন।
- এ যুদ্ধে জয় লাভের পরেই মুসলমানরা জেরুজালেম পুনর্দখল করেন।