পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৬
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৯
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৬ প্রশ্ন

.
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যগণ কিভাবে নির্বাচিত হন?
  1. রাষ্ট্রপতির সরাসরি মনোনয়নে
  2. নির্বাচন কমিশনের সরাসরি নিয়োগে
  3. জনগণের সরাসরি ভোটে
  4. সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের আনুপাতিক ভোটে
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যগণ সংসদে নির্বাচিত সদস্যদের আনুপাতিক ভোটে  নির্বাচিত হন।

• সংরক্ষিত নারী আসন: 

- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ৩০০ জন সাধারণ আসনের নির্বাচিত হয়।
- উক্ত সদস্যগণ তাদের নিজ নিজ দলের প্রাপ্ত আসনের আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত ৫০টি মহিলা আসনের সদস্যদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন।
- অর্থাৎ, সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি সংরক্ষিত আসনের সদস্যদের ভোট দেন না, বরং তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই (এমপি) এই ভোট দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশের সংসদে, প্রথাগতভাবে, সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ হিসেবে ক্ষমতাসীন দলের মনোনিত প্রার্থীরাই নির্বাচিত হতেন;  কখনো কখনো বিরোধী দলের নারী প্রার্থীদের কয়েকটা আসনে।

- তবে সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী অনুযায়ী, ২০০৪ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনে নির্ধারণ করা হয় যে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে (সেসময় ৪৫টি) একটি দল থেকে নির্দিষ্ট সংখ্যক নারী সাংসদকে সুযোগ দেওয়া হবে;
- এবং তা হবে সংসদে ঐ দলের কতজন প্রতিনিধি রয়েছে তার অনুপাতে।
- বর্তমানে সংরক্ষিত নারী আসন ৫০ টি রয়েছে ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। এবং বিবিসি নিউজ।[লিঙ্ক]

.
কোন সময়ে টঙ্ক আন্দোলন হয়েছিল?
  1. ১৯৪৫-১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৪৬-১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫৬-১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৪৯-১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৬-১৯৫০ সালে টঙ্ক আন্দোলন হয়েছিল।

• টঙ্ক আন্দোলন:

- ১৯৪৬-১৯৫০ সালে উত্তর ময়মনসিংহে কৃষকদের দ্বারা পরিচালিত একটি আন্দোলন।
- স্থানীয় ভাষায় টঙ্ক শব্দটি জমিতে উৎপাদিত পণ্যের আকারে প্রদেয় খাজনাকে বোঝায়।
- কেন এটাকে টঙ্ক বলা হয় তা স্পষ্ট নয়।
- টঙ্ক দক্ষিণ বাংলার ধান করারির (ধানে পরিশোধ্য খাজনা) মতো। টঙ্ক মূলত মুদ্রা-পূর্বকালের প্রথা।
- কৃষকরা ধানে তাদের খাজনা পরিশোধ করত।

এছাড়াও
- প্রথাগতভাবে টঙ্ক রায়তরা প্রতি ১.২৫ একর জমির জন্য ১০ থেকে ১৫ মন ধান খাজনা দিত।
- টাকার হিসাবে এটি নগদ খাজনা হারের দ্বিগুণেরও বেশি।
- এ জন্য টঙ্ক এলাকার রায়তরা অন্য রায়তদের টাকায় প্রদত্ত খাজনার সঙ্গে ধানে পরিশোধ্য খাজনার ন্যায্য সমন্বয় সাধনের জন্য চাপ দিচ্ছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ মুক্তিযুদ্ধে কোথায় শহীদ হন?
  1. ননিয়ার চর, রাঙ্গামাটি
  2. বাগমারা, খুলনা
  3. গোয়ালহাটি, যশোর
  4. কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে শহিদ হয়।

• বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ:

- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ জন্ম ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার অন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
- পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গায় ইপিআর-এর ৪নং উইং এ নিজ কোম্পানির সাথে যোগ দিয়ে বিদ্রোহ করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- সেক্টর গঠন হলে তাদের উপর ন্যস্ত হয় ৮নং সেক্টরের দায়িত্ব।
- ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার গোয়ালহাটি গ্রামে শহিদ হয়।
- আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র কাশীপুরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

.
নিচের কোনটি প্রত্যক্ষ কর?
  1. ভূমি উন্নয়ন কর 
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারী শুল্ক
  4. আমদানী শুল্ক 
ব্যাখ্যা

- ভূমি উন্নয়ন কর প্রত্যক্ষ কর।

• প্রত্যক্ষ কর: 

- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।
• প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর,
- দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর: 
- মূল্য সংযোজন কর:
- আমদানি শুল্ক:
- আবগারি শুল্ক:
- সম্পূরক শুল্ক:

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
  3. অনুচ্ছেদ-৩৯(১)
  4. অনুচ্ছেদ-৪১
ব্যাখ্যা

 - ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 

- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

.
ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন কোন বাংলাদেশী? 
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. জাফর ইকবাল খান
  3. কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল
  4. ড. রোকনুজ্জামান
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট: 
- ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল। 
- বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক চপল।
- এছাড়া দুই মেয়াদে ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রথম সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি।
- সভাপতি পদে কাজী রাজীব ২৯-৯ ভোটে হারিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার থমাস হান-কে।

উল্লেখ্য, 
- তৃতীয়বারের মতো ঢাকায় বসেছে এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপের আসর।
- ৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জাতীয় স্টেডিয়ামে উদ্বোধন হয়েছে ২৪তম আসরের। টুর্নামেন্টটির স্থানীয় আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যানও তিনি।
- প্রেসিডেন্ট পদে চপলের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন টানা পাঁচবারের এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট চুং ইউ সান।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

.
নিম্নের কোনটি মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর শাখা নয়?
  1. পাঙন
  2. মৈতৈ
  3. রৈথৈই
  4. বিষ্ণুপ্রিয়া
ব্যাখ্যা

- রৈথৈই মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর শাখা নয়।

মণিপুরী:
- পাঙন সম্প্রদায় মূলত মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর একটি শাখা।
- মণিপুরের রাজা চৌরজিৎ সিংহের সময়কালে সংঘটিত বার্মা-মণিপুর যুদ্ধ (১৮১৯-১৮২৫) এর প্রেক্ষাপটে মণিপুরী জনগণের একটি অংশ ভারত ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
- বাংলাদেশে আগত মণিপুরীরা প্রধানত তিনটি শাখায় বিভক্ত হয়:
- (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ এবং (৩) পাঙন।
- পাঙনরা আর্য বংশভুক্ত হলেও মৈতৈ ভাষায় কথা বলেন এবং তারা ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করেন।
- এদের ভাষাগত পরিচিতি মৈতৈদের সঙ্গে মিলে গেলেও ধর্মীয় পরিচয় আলাদা। ফলে, পাঙনদের আলাদা একটি সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- মূলত ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম হলেও, তারা মণিপুরী সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই বিবেচিত।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ।

.
২০২৫ সালে বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে? 
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. কাতার
  4. ওমান
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে সৌদি আরবে সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে বাংলাদেশ।
- প্রায় সাড়ে ৭ লাখ কর্মী পাঠায় বাংলাদেশ।

• বিএমইটি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট ১১ লাখেরও বেশি মানুষ কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশে গেছেন,
- যার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ সৌদি আরবকে বেছে নিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি নতুন কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- এই চুক্তির ফলে কর্মীদের সুরক্ষা, বেতন পরিশোধ, কল্যাণ এবং স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।
- এছাড়া সৌদি আরবের উচ্চাভিলাষী 'ভিশন ২০৩০' প্রকল্পের অধীনে নির্মাণ ও বড় বড় প্রকল্পগুলোতে বাংলাদেশের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালে এই প্রকল্পের আওতায় আরও ৩ লাখ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

উৎস: বিএমইটি ওয়েবসাইট। এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।[লিঙ্ক]

.
নিচের কোনটি গনভোটের অন্তর্ভূক্ত বিষয়বস্তু নয়? 
  1. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
  2. বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার নিয়োগ
  3. সরকারী দল হইতে সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন
  4. জাতীয় সংসদ হইবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

- সরকারী দল হইতে সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন গনভোটের অন্তর্ভূক্ত বিষয়বস্তু নয়।

গণভোট': 

- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
• গণভোটে নিম্নরূপ একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হইবে-
- (ক) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে।
- (খ) আগামী জাতীয় সংসদ হইবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হইবে এবং সংবিধান সংশোধন করিতে হইলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হইবে।
- (গ) সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে ঐকমত্য হইয়াছে- সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকিবে।
- (ঘ) জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হইবে।

উৎস: গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫।

১০.
প্রবাসী ভোটারদের জন্য কোন এ্যাপসটি চালু করা হয়েছে?
  1. Postal Vote BD
  2. Probashi voter app
  3. Foreign voter BD
  4. Postal ballot BD
ব্যাখ্যা

Postal Vote BD অ্যাপ:
- সম্প্রতি, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ সালে নির্বাচন কমিশন প্রবাসী ভোটার অ্যাপ Postal Vote BD উদ্বোধন করে।
- প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধনের জন্য ১৮ নভেম্বর 'পোস্টাল ভোেট বিডি' অ্যাপের উদ্বোধন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- একই দিনে ইসি চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করবে।

উল্লেখ্য
- এবার প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে ইসি।
- এ ছাড়া ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১১.
‍বিশ্বব্যাংক কবে বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ১ জুন, ২০১৫ সালে
  2. ১ জুলাই, ২০১৫ সালে
  3. ২ জুলাই, ২০১৫ সালে
  4. ৩০ জুন, ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

 - ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে।

• নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:

- বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ এবং
- অপরটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।
- প্রতিবছর ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় অনুসারে দেশগুলোকে চারটি আয় গ্রুপে ভাগ করে।
- যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে।
- বর্তমানে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ: ৫০টি।
- উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ: ৫৪টি।
- উচ্চ আয়ের দেশ: ৮৭টি।

উৎস: বিশ্বব্যাংক এবং প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

১২.
’কার্ডিনাল ও চমক’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. মরিচ
  2. আলু
  3. টমেটো
  4. পেঁয়াজ
ব্যাখ্যা

- কার্ডিনাল ও চমক’ আলুর উন্নত জাত।

আলু:

- উন্নত জাতের আলুর জাত: 
- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।

এছাড়াও,
•  পেঁয়াজের জাত: তাহেরপুরী, ফরিদপুর ভাতি, ঝিটকা, কৈলাসনগর।
- উন্নত জাতের ধান:
- ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
 • মরিচের জাত:  বিনা মরিচ-২, সনিক, মেজর, ধুম, চন্দ্রমুখী

• উন্নত জাতের টমেটো: 
- বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

উন্নত জাতের বেগুন:
- শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৩.
’স্বাধীনতা তোরণ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও
  2. প্রগতি সরণি
  3. পলাশীর মোর
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

 ‘স্বাধীনতা তোরণ':
- অবস্থান: প্রগতি সরণি, বাড্ডা, ঢাকা।

- ঢাকার প্রগতি সরণিতে, বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে অবস্থিত,
- যা সম্প্রতি উদ্বোধন করা হয়েছে ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিতে।
- সময়: ৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে। 
- উদ্দেশ্য: জুলাই আন্দোলনের (ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন) স্মৃতি ধারণ করা।
- উদ্বোধক: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক।  

অন্যদিকে,
- আগারগাঁওয়ে 'মুক্তি তোরণ' নামে আরেকটি তোরণও উদ্বোধন করা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা নিউজ।

১৪.
'আলকাপ' কোন অঞ্চলের প্রচলিত গান? 
  1. সিলেট 
  2. রাজশাহী
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- 'আলকাপ' রাজশাহী অঞ্চলের প্রচলিত গান।

আলকাপ গান:

- আলকাপ গান পালাগানের একটি শাখা।
- সাধারণত পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও মালদহ এবং
- বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে এ গানের প্রচলন বেশি।

- আলকাপ একটি দলীয় ও মিশ্র প্রকৃতির সঙ্গীত প্রদর্শন। এতে নাচ, গান, কথা, ছড়া, অভিনয় ইত্যাদির মিশ্রণ আছে।
- আলকাপ গানের প্রধান দুটি অংশ- গান গাওয়া ও বোল বা ছড়া কাটা।
- গানের বিষয়বস্তু সাধারণত রাধাকৃষ্ণলীলা ও অন্যান্য পৌরাণিক কথা, আর ছড়ার বিষয়বস্তু সমকালের সামাজিক ঘটনা।
- সারি গান এক প্রকার লোকসঙ্গীত, যা শ্রমসঙ্গীত বা কর্মসঙ্গীত নামেও পরিচিত।
- নৌকার মাঝি-মাল্লাদের গান হিসেবেই এর প্রধান পরিচয়।
- মাঝিরা সারিবদ্ধভাবে বসে বৈঠা টানার তালে তালে এ গান গায় বলেই এর নাম হয়েছে সারি গান।

এছাড়াও,
-  ভাওয়াইয়া ও চটকা: উত্তরবঙ্গের (রংপুর) ।
- গম্ভীরা: রাজশাহীর সমাজ সচেতনতামূলক গান।
- ভাটিয়ালি: নদীমাতৃক বাংলাদেশের মাঝিদের গান।
-.ধামাইল: সিলেটের বিয়ের গান ও নাচ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে কোন দুটি খাত নিয়ে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. স্বাস্থ্যসেবা এবং ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ
  2. বাণিজ্য এবং কৃষি
  3. বিদ্যুৎ এবং পরিবহন
  4. শিক্ষা এবং পর্যটন
ব্যাখ্যা

- স্বাস্থ্যসেবা এবং ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ নিয়ে  স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক: 
-
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের উপস্থিতিতে দুটি  সমঝোতা স্মারক হয়।
-  বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
- স্থান:  প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা।
- সময়: ২২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ।
- স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে।

• প্রথম সমঝোতা স্মারকটি স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ-সংক্রান্ত, যা সই করে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং ভুটানের রয়‍্যাল সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

• দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকটি আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ এবং অন্যান্য টেলিযোগাযোগসেবা বাণিজ্য-সম্পর্কিত।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।[লিঙ্ক]

১৬.
২০২৫ সালে নারী জাগরণে বেগম রোকেয়া পদক লাভ করেন কে?
  1. সাবিনা খাতুন
  2. ঋতুপর্ণা চাকমা
  3. নিগার সুলতানা জ্যোতি
  4. রাবেয়া খাতুন
ব্যাখ্যা

রোকেয়া পদক- ২০২৫: 
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) :রুভানা রাকিব।
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার): কল্পনা আক্তার।
- মানবাধিকার শ্রেণিতে: নাবিলা ইদ্রিস।
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া): ঋতুপর্ণা চাকমা।

উল্লেখ্য,
- ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ রোকেয়া দিবস অনুষ্ঠানে চারজনের হাতে রোকেয়া পদক তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম উপসাগরীয় দেশ কোনটি?
  1. কাতার
  2. ওমান
  3. কুয়েত
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম উপসাগরীয় দেশ হলো কুয়েত।
- সময়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭৩।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:

- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ইরাক। 
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

উৎস: পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

১৮.
’ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বর্ণিত রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-৪৮
  2. অনুচ্ছেদ-৫১
  3. অনুচ্ছেদ-৫০
  4. অনুচ্ছেদ-৪৯
ব্যাখ্যা

-  অনুচ্ছেদ-৪৯:  ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার ।
- কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ- ৪৮ বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।
- অনুচ্ছেদ- ৫০:  একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 
- স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
-অনুচ্ছেদ -৫১:  রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁহার বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা বা চালু রাখা যাইবে না এবং তাঁহার গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হইতে পরোয়ানা জারী করা যাইবে না।

উৎস: বাংলাদশে সংবিধান।

১৯.
বিচারপতিদের বয়স সীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়েছিল কোন সংশোধনীর মাধ্যমে? 
  1. দ্বাদশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. ষোড়শ
  4. চতুর্দশ
ব্যাখ্যা

চতুর্দশ সংশোধনী:
- সময়:  মে, ২০০৪ সালে।
- মহিলাদের জন্য জাতীয় সংসদে ৪৫টি আসন সংরক্ষণ করা হয়।
- রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি সরকারি অফিসসহ নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিধান করা হয়।
- সুপ্রীমকোর্টের বিচারকদের বয়স সীমা ৬৫-৬৭ বছর করা হয়েছিল।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনী মাধ্যমে সুপ্রীমকোর্টের বিচারকদের বয়স সীমা ৬৭ বছর পূর্ণবহাল রাখা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান আরিফ খান।

২০.
বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলার কে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. মেহেদী হাসান মিরাজ
  2. তাইজুল ইসলাম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাশরাফি বিন মর্তুজা
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেট:
- বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট উইকেট-শিকারি তাইজুল ইসলাম।
- রেকর্ড গড়ার তারিখ: ২৩ নভেম্বর ২০২৫
- মাইলফলক: টেস্টে ২৫০ উইকেট পূর্ণ সাকিব আল হাসানকে টপকে বাংলাদেশে সর্বোচ্চ
- প্রতিপক্ষ দেশ:  আয়ারল্যান্ড।
- বিশেষ অর্জন: বিশ্বের মাত্র কিছু বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে ২৫০+ উইকেট ক্লাবে প্রবেশ করে।
- ক্যারিয়ারের হাইলাইট: টেস্টে সেরা বোলিং – ৮/৩৯ (বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ইনিংস)

উৎস: বিবিসি নিউজ।

২১.
‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট- ২০২৫’ এর আয়োজক কোন প্রতিষ্ঠান? 
  1. বেজা 
  2. বেপজা
  3. বিইইডা
  4. বিডা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা।
- বিইডা নামে কোন প্রতিষ্ঠান নেই। সুতরাং সঠিক উত্তর কোনটিই নয়।

• ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট–২০২৫’:
- আয়োজক- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)
- অনুষ্ঠানের তারিখ: ৭ থেকে ১০ এপ্রিল ২০২৫।
- উদ্বোধন করেন- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
- অংশগ্রহণকারী দেশ-৫০টি
- অংশগ্রহণকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠান-২০০০+
- সম্মেলনে পুরস্কার পাওয়া ৪টি প্রতিষ্ঠান- বিকাশ, ফেব্রিক লাগবে, ওয়ালটন ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- সম্মেলনে 'সম্মানসূচক নাগরিকত্ব' প্রদান করা হয়- কিহাক সাং-কে। 
- কিহাক সাং চেয়ারম্যান- কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান কর্পোরেশন। 

উল্লেখ্য, 
- স্টারলিঙ্কের ইন্টারনেট পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু- ৯ এপ্রিল ২০২৫। 
- এ সম্মেলনে প্রথম ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে- স্টারলিঙ্ক।
- স্টারলিঙ্ককে বাংলাদেশে অনুমোদন দেয়া হয়- ২৯ মার্চ ২০২৫
- বিনিয়োগ সম্মেলনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ চুক্তি করে-হানডা কোম্পানি, চীন (১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

২২.
নিচের কোন বিষয়টি পারিবারিক আদালতের অধীনে নিষ্পত্তি হয় না? 
  1. দেনমোহর বাস্তবায়ন 
  2. দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার
  3. অভিভাবকত্ব
  4. সম্পত্তি বিক্রয় বিরোধ
ব্যাখ্যা

- সম্পত্তি বিক্রয় বিরোধ  পারিবারিক আদালতের অধীনে নিষ্পত্তি হয় না।
- যদি সম্পত্তি বন্টন বা শেয়ার সংক্রান্ত বিরোধ হয়, তাহলে এটি দেওয়ানি প্রকৃতির এবং দেওয়ানি আদালতে (Civil Court) মামলা করতে হয়, যা পারিবারিক আদালতের আওতার বাইরে।

• পারিবারিক আদালত মূলত পাঁচটি বিষয়ে বিচারকার্য নিষ্পন্ন করে থাকে। এগুলি হচ্ছে:
- বিবাহ বিচ্ছেদ,
- দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার,
- মোহরানা,
- ভরণপোষণ ও
- অভিভাবকত্ব।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৩.
কৃষি বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কোন ধান উৎপাদিত হয়?
  1. আমন ধান
  2. বোরো ধান
  3. আউশ ধান
  4. ইরি ধান
ব্যাখ্যা

- কৃষি বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদিত হয়।
- বোরো ধান (স্থানীয় অন্যান্য): ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
- মোট উৎপাদন: ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আউশ ধান (স্থানীয় অন্যান্য): ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আমন ধান (স্থানীয় অন্যান্য):১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন।

• ধান উৎপাদন:

- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
• ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৪.
"উর্দূকে রাষ্ট্রভাষা করিলে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষিত সমাজ রাতারাতি 'অশিক্ষিত' ও সরকারি চাকুরির 'অযোগ্য' বনিয়া যাইবেন"- উক্তিটি কার?
  1. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  2. আবুল মনসুর আহমদ
  3. কাজী মোতাহার হোসেন
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

আবুল মনসুর আহমদ লিখেছিলেন,
- ''উর্দূকে রাষ্ট্রভাষা করিলে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষিত সমাজ রাতারাতি 'অশিক্ষিত' ও সরকারি চাকুরির 'অযোগ্য' বনিয়া যাইবেন- ঠিক যা ঘটেছিল ব্রিটিশরা ফার্সির জায়গায় ইংরেজিকে ভারতের রাষ্ট্রীয় ভাষা করার পর ভারতের মুসলিম শিক্ষিত সমাজের ক্ষেত্রে।
- ভাষার প্রশ্নটি যে 'পাকিস্তানের এক অংশের ওপর আরেক অংশের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ আধিপত্য বিস্তারের সহিত জড়িত' এই বোধ তখন সবার মধ্যে জন্মাইতে শুরু করিবে।'

• কাজী মোতাহার হোসেন তার নিবন্ধে লিখেছিলেন, 
- যদি গায়ের জোরে উর্দুকে বাঙালি হিন্দু-মুসলামের ওপর রাষ্ট্রভাষা রূপে চালাবার চেষ্টা হয়, তবে সে চেষ্টা ব্যর্থ হবে।
- কারণ ধূমায়িত অসন্তোষ বেশি দিন চাপা থাকতে পারে না। তাহলে শিগগিরিই পূর্ব-পশ্চিমের সম্বন্ধের অবসান হবার আশঙ্কা আছে। অর্থাৎ, উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করলে পাকিস্তানের বাঙালিদের ক্ষোভ যে একসময় জাতীয়তাবাদী চিন্তায় রূপ নেবে এবং তা যে পাকিস্তানের বিভক্তি ডেকে আনতে পারে।'

উৎস: ভাষা সংগ্রাম পরিষদ এবং ডেইলি স্টার বাংলা। [লিঙ্ক]

২৫.
২০২৫ সাল পর্যন্ত কতজন নারী নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ৬৬ জন
  2. ৬৭ জন
  3. ৬৮ জন
  4. ৬৯ জন
ব্যাখ্যা

নারী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী:
- ১৯০১- ২০২৫ সাল পর্যন্ত মোট ৬৭ জন নারী নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- ২০২৫ সালে মোট দুইজন নারী নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- মোট ১৯০১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নারীদের ৬৮ বার নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
- কিন্তু ম্যারি কুরি দুইবার পুরস্কার পাওয়ায় মোট নারী বিজয়ীর সংখ্যা ৬৭ জন।
- ম্যারি কুরি ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞান এবং ১৯১১ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ ৬৭ জন নারী নোবেল বিজয়ী:
- শান্তি: ২০ জন,
- সাহিত্য: ১৮ জন,
- চিকিৎসা: ১৪ জন,
- রসায়ন: ৮ জন,
- পদার্থবিজ্ঞান: ৫ জন,
- অর্থনীতি: ৩ জন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

২৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশ নিরপেক্ষ ছিল?
  1. বেলজিয়াম
  2. যুগোশ্লোভিয়া
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পুরো যুদ্ধ জুড়ে মাত্র ১৪টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিরপেক্ষ ছিল।
- দেশগুলো হলো: সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, স্পেন, পর্তুগাল, আয়ারল্যান্ড, তুরস্ক, আফগানিস্তান, ইয়েমেন, ভ্যাটিকান সিটি, লিচেনস্টাইন, অ্যান্ডোরা, মোনাকো, সৌদি আরব, সান মারিনো ।
- উল্লেখ্য যে, সুইজারল্যান্ড সবচেয়ে বেশি নিরপেক্ষ দেশ ছিল যে সশস্ত্র নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছিল।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ যুদ্ধ।
- হিটলারের আগ্রাসী নাৎসি জার্মানি যখন ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর পোল্যান্ড আক্রমণ করে, তখন এই যুদ্ধ শুরু হয়। 
- এই যুদ্ধে মিত্রশক্তি আর অক্ষশক্তি নামে দুটি বিপরীত সামরিক জোটের সৃষ্টি হয়। 
- প্রায় ত্রিশটি দেশের ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- গণহত্যা ও প্রথম পারমানবিক বোমার প্রয়োগে ৫ থেকে ৮ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করে।

• মিত্রশক্তি: ১৯৪১ সালের পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়ন একত্রে বৃহৎ তিন নামে পরিচিত হয় এবং চীন মিলে মিত্রশক্তি গঠন করে। পরবর্তীতে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ব্রাজিল, কানাডা চেকোস্লাভিয়া, ইথিওপিয়া, গ্রীস, ভারত, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড এবং যুগোশ্লোভিয়া এই জোটে যোগ দেয়।
• অক্ষশক্তি: অক্ষশক্তির প্রধান তিনটি রাষ্ট্র হলো জার্মানি, ইতালি এবং জাপান। এই বৃহৎ রাষ্ট্রগুলির সাথে সাথে তাদের ইউরোপ, আফ্রিকা, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত কলোনিগুলোও অক্ষশক্তির অংশ হয়ে যায়।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল:
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- কম্পিউটার, জেট ইঞ্জিন এবং পারমাণবিক শক্তির মতো উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও শিল্পের অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।
- দুই পরাশক্তি আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন এর মধ্যে শীতল যুদ্ধ শুরু হয়।
- হলোকাস্ট: ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ঘটনা ছিল হলোকাস্ট। হিটলারের নাৎসি শাসনের সময় প্রায় ৬ মিলিয়ন ইহুদিকে হত্যা করা হয়েছিল। মানব বর্বরতার ভয়াবহতা এখনো এই হলোকাস্টের দ্বারা স্পষ্টভাবে আলোকিত করা হয়েছে।
- মানচিত্রের পরিবর্তন: যুদ্ধের কারনে পৃথিবীর মানচিত্র পরিবর্তিত হয়ে যায়। পুরানো সাম্রাজ্যের পতনের সাথে সাথে নতুন জাতি গড়ে ওঠে।
- এ যুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রয়োগ ছিল পারমানবিক বোমা। এর ধ্বংসলীলার মধ্য দিয়েই জার্মানি ও জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে ১৯৪৫ সালে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। সমগ্র ইউরোপ দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে ছোট ছোট রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পশ্চিম ইউরোপের দেশ সমূহ নিয়ে NATO গঠিত হয়। এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নাটকের পরিসমাপ্তি ঘটে।

উৎস: i) History.com
ii) Worldatlas.

২৭.
জাতিসংঘের সনদের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো দেশ অন্য কোনো সার্বভৌম দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বলপ্রয়োগ বা হস্তক্ষেপ করতে পারে না?
  1. ২(৪) নং অনুচ্ছেদ
  2. ৪(১) নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১(১) নং অনুচ্ছেদ
  4. ২(২) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ ২ (৪) নং অনুযায়ী, কোনো দেশ অন্য কোনো সার্বভৌম দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বলপ্রয়োগ বা হস্তক্ষেপ করতে পারে না, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে হুমকি বা বলপ্রয়োগ নিষিদ্ধ করে এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানায়। 

জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ ২ নং:

- ধারা ১-এ বর্ণিত উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য এই সংগঠন এবং এর সদস্যরা নিম্নলিখিত মূলনীতিসমূহ অনুযায়ী কাজ করবে:
১. সব সদস্যের সার্বভৌমত্ব ও সমতার মূলনীতির ওপর এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত।
২. সদস্যপদের অধিকারগুলো ও সুবিধাদি সবার জন্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সদস্যরা বর্তমান সনদ অনুযায়ী তাদের দায়দায়িত্ব সরল বিশ্বাসে মেনে চলবে।
৩. সব সদস্য তাদের আন্তর্জাতিক বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে এমনভাবে নিষ্পত্তি করবে, যাতে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হয়।
৪. আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সব সদস্য আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কিংবা অন্য কোনো রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বল প্রয়োগের ভীতি প্রদর্শন থেকে এবং জাতিসংঘের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন কোনো উপায় গ্রহণ করা থেকে নিবৃত্ত থাকবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৪(১) নং: বর্তমান সনদে উল্লিখিত সব দায়দায়িত্ব যারা গ্রহণ করবে এবং সংগঠনটির বিচারে যারা এসব দায়দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম ও ইচ্ছুক সে ধরনের অন্য সব শান্তিপ্রিয় রাষ্ট্রের জন্য জাতিসংঘের সদস্যপদ উন্মুক্ত থাকবে।
- অনুচ্ছেদ ১১(১) নং: আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নিরস্ত্রীকরণ ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ নীতিসহ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সাধারণ নীতিগুলো সম্পর্কে সাধারণ পরিষদ যেকোনো প্রশ্ন বা বিষয় আলোচনা করতে পারবে এবং এসব নীতি সম্পর্কে সদস্যদের কাছে অথবা নিরাপত্তা পরিষদের অথবা উভয় স্থানে সুপারিশ করতে পারবে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

২৮.
প্যারিস শান্তি চুক্তি কোন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কোরিয় যুদ্ধ
  2. আফগান যুদ্ধ
  3. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

প্যারিস শান্তি চুক্তি ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান ঘটাতে স্বাক্ষরিত হয়।

প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেটি প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords নামে পরিচিত।
- আনুষ্ঠানিকভাবে "Agreement on Ending the War and Restoring Peace in Vietnam" নামে পরিচিত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকাল: ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩।
- স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহার এবং ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে।
- প্যারিস শান্তি চুক্তির স্বাক্ষরের আগে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লি ডাক থো ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হেনরি কিসিঞ্জার আলোচনা করেন এবং চুক্তির খসড়া প্রণয়ন করেন। এর সূত্র ধরে দুই জনকেই ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

⇒ ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যা প্রায় ২০ বছর (১৯৫৪-৭৫) ধরে চলে।
- এটি ছিল উত্তর ভিয়েতনাম (সমাজতান্ত্রিক) ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের (মার্কিন-সমর্থিত) মধ্যে সংঘটিত একটি গৃহযুদ্ধ।
- এতে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
- দক্ষিণ ভিয়েতনামে মার্কিন-সমর্থিত শাসকদের পরাজয় এবং ভিয়েতনামের উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগেই কমিউনিস্ট শক্তির বিজয়ের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটে।
- প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords-এর মাধ্যমে দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান ঘটে।

উৎস: History.com

২৯.
ধরিত্রী সম্মেলনের সময় গৃহীত কর্মপরিকল্পনার নাম কী?
  1. রিও ঘোষণা
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. বেইজিং কর্মপরিকল্পনা
  4. এজেন্ডা ২১
ব্যাখ্যা

ধরিত্রী সম্মেলন:
- ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) হলো পরিবেশ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব সম্মেলন।
- এটি ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এটি ছিল জাতিসংঘের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মেলনগুলোর মধ্যে একটি যেখানে ১৭৮টি দেশ অংশগ্রহণ করে। 
- গৃহীত ফলাফল: এই সম্মেলনে Agenda 21, রিও ঘোষণাপত্র, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা (UNFCCC) এবং জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন (CBD) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 

⇒ ধরিত্রী সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য:
- রিও ঘোষণা: ২৭টি সার্বজনীন নীতিসহ পরিবেশ ও উন্নয়নের কাঠামো।
- এজেন্ডা ২১: ২১শ শতাব্দীর জন্য টেকসই উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনা।
- UNFCCC: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কনভেনশন যা পরে কিয়োটো প্রোটোকল নামে পরিচিত।
- জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশন: জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
- বন ব্যবস্থাপনা নীতিমালা: বন সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার ঘোষণা।
- ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র সম্মেলন: ১৯৯৪ সালে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রথম সম্মেলন।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩০.
High Seas Treaty-এর আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে মহাসাগরের কত শতাংশ এলাকা সুরক্ষার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ২০%
  2. ২৫%
  3. ৩০%
  4. ৩৫%
ব্যাখ্যা

High Seas Treaty:
- High Seas Treaty-এর আনুষ্ঠানিক নাম: Agreement under the United Nations Convention on the Law of the Sea on the Conservation and Sustainable Use of Marine Biological Diversity of Areas Beyond National Jurisdiction.
- এটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সম্পর্কিত সনদের (UNCLOS) অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জাতীয় এখতিয়ারের বাইরের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করে। 
- High Seas Treaty স্বাক্ষরিত হয়: ১৯ জুন, ২০২৩।
- স্বাক্ষরের স্থান: জাতিসংঘের সদরদপ্তর নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩।
- কার্যকর হয়: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬।
- High Seas Treaty লক্ষ্য: জাতিসংঘের এই চুক্তিটি দেশের জন্য অতিরিক্ত মাছ ধরাসহ নানা হুমকি মোকাবিলার জন্য একটি আইনগত কাঠামো প্রবর্তন করবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মহাসাগরের ৩০ শতাংশ এলাকা সুরক্ষার লক্ষ্যে ভূমিকা রাখবে। 

উল্লেখ্য,
- High Seas হচ্ছে আন্তর্জাতিক জলসীমা, যেখানে সব দেশের অধিকার, জাহাজ চালানো ও গবেষণার অধিকার রয়েছে।
- পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠভাগের অর্ধেকের বেশি ও সমুদ্রের ৬০ শতাংশের বেশি এই হাই সির অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) High Seas Alliance ওয়েবসাইট।
ii) UN  ওয়েবসাইট।

৩১.
'কোড নেপোলিয়ন' কোন দেশের আইন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

কোড নেপোলিয়ন (Napoleon Code) মূলত ফ্রান্সের আইন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত।

কোড নেপোলিয়ন (Napoleon Code):
- নেপোলিয়নের অন্যতম প্রধান সংস্কার হচ্ছে ফ্রান্সে আইন সংস্কার যা Napoleon Code নামে খ্যাত।
- ১৮০৪ সালের ২১ মার্চ ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট Napoleonic Code প্রণয়ন করেন।
- এতে ব্যক্তি স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, আইনের সামনে সকলের সমতা নিশ্চিত করা হয়। এই কোড বিশ্বব্যাপী বহু দেশের আইন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলেছে।

⇒ কোড নেপোলিয়নর প্রায় ২২৮০টি ধারা এবং তা দেওয়ানি কোড, ফৌজদারি কোড এবং বাণিজ্যিক কোর্ড এ তিন অংশে বিভক্ত ছিল। আইনের ধারাগুলি সহজ ও স্পষ্ট ভাষায় রচিত হয়। কোড নেপোলিয়ন বিশ্লেষণ করলে নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলি পরিলক্ষিত হয়:
 - আইনের চোখে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়;
- সামাজিক সাম্য স্থাপিত হয় এবং কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের বিশেষ অধিকার বিলোপ করা হয়। অর্থাৎ সকল নাগরিকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ লাভের অধিকার স্বীকৃত হয়;
- একমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতে যে কোনো নাগরিকের চাকরি লাভের অধিকার স্বীকৃত হয়;
- সামন্ততন্ত্র লোপ করে নতুন ভূমিবন্দোবস্ত চালু করা হয়। ফলে বিপ্লবী যুগে কৃষক ও মধ্যবিত্তরা ভূমিতে বৈধ স্বত্ব লাভ করে। ভূমিদাস ও ম্যানর প্রভৃতি শোষণ মূলক প্রথার অবসান ঘটানো হয়। মোট কথা বিপ্লবের সময় বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা রোধ করে যে নতুন আইন করা হয়েছিল নেপোলিয়ন তা বহাল রাখেন।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৩২.
শাটল ডিপ্লোমেসির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কোন চুক্তির পথ প্রশস্ত হয়?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. তায়েফ চুক্তি
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
ব্যাখ্যা

শাটল ডিপ্লোমেসির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির পথ প্রশস্ত হয়।

শাটল ডিপ্লোম্যাসি (Shuttle Diplomacy):

- শাটল ডিপ্লোম্যাসি হলো একটি বিশেষ কূটনৈতিক কৌশল যেখানে একজন নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী বিবাদমান দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনা ছাড়াই যোগাযোগ রক্ষা করে।
- তিনি এক পক্ষের কাছে গিয়ে তাদের মতামত, প্রস্তাব বা অভিযোগ শোনেন, তারপর অন্য পক্ষের কাছে গিয়ে সেগুলো পৌঁছে দেন এবং প্রস্তাব নিয়ে আবার ফিরে আসেন। এভাবে বারবার যাতায়াত (শাটলের মতো) করে আলোচনা এগিয়ে নেয়া হয়।
- এই ধরনের কূটনীতি সাধারণত সংঘর্ষ বা জটিল পরিস্থিতি সমাধানে ব্যবহৃত হয়।

⇒ শাটল ডিপ্লোম্যাসি সবচেয়ে বিখ্যাত উদাহরণ:
- ১৯৭৩ সালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হন হেনরি কিসিঞ্জার।
- ‘শাটল ডিপ্লোম্যাসি’ নামে পরিচিত এই কূটনৈতিক প্রয়াসে কিসিঞ্জার তৃতীয় ব্যাক্তি হিসেবে আরব দেশগুলোর মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসন সম্পর্কিত আলোচনায় সহায়তা করেন।
- ১৯৭৩ সালের ইয়োম কিপুর যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এক পক্ষ থেকে অন্য পক্ষে বারবার যাতায়াত করতেন।
- তিনি মিশর, ইজরায়েল, সিরিয়া ইত্যাদি আরবদেশে অনেকবার এরকম ‘শাটল মিশন’ পরিচালনা করেন।
- এই কৌশলের ফলে যে বড় চুক্তির পথ প্রশস্ত হয় তা হলো ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords)।
- কিসিঞ্জারের শাটল ডিপ্লোমেসি মিশর-ইসরায়েলের মধ্যে ধাপে ধাপে আস্থা তৈরি করে যা পরে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প ডেভিডে পূর্ণ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হয়।

উল্লেখ্য,
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

অন্যদিকে,
- অসলো চুক্তি (Oslo Accords): ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে প্রথম শান্তি চুক্তি। নরওয়ের রাজধানী অসলোতে শুরু হওয়া আলোচনার পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (পিএলও) প্রধান ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনিদের পক্ষ হয়ে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। এটি শাটল ডিপ্লোমেসি নয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট।

৩৩.
ন্যাটো চুক্তির আর্টিকেল - ৫ আনুষ্ঠানিকভাবে কতবার প্রয়োগ করা হয়েছে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. কখনোই না
ব্যাখ্যা

NATO চুক্তির আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

⇒ ন্যাটো চুক্তির আর্টিকেল - ৫ আনুষ্ঠানিকভাবে মাত্র একবার প্রয়োগ হয়েছিল।
-  ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের জঙ্গি হামলার পর এ অনুচ্ছেদের আওতায় আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে যোগ দেয় ন্যাটোর অন্যান্য সদস্যরা।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- তবে এর বাইরেও ন্যাটো অন্যান্য ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে।
- ১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়, ২০০৩ সালে ইরাক সংকটের সময় এবং ২০১২ সালে সিরিয়া পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া হিসেবে ন্যাটো প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েনের মাধ্যমে যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্থাপন করেছিল। এই তিনবারই ন্যাটো তুরস্কের অনুরোধের ভিত্তিতে প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েন করে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৩৪.
‘ইয়েলো লাইন’ সীমারেখা কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ইসরায়েল ও গাজা
  2. লেবানন ও ইসরায়েল
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

ইয়েলো লাইন (Yellow Line)
- ইয়েলো লাইন হলো গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দ্বারা চিহ্নিত একটি সীমারেখা।

• হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। 
- যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে উপত্যকাটিতে নির্দিষ্ট সীমারেখা বরাবর সেনা সদস্যের সরিয়ে নেয় ইসরায়েল। ওই সীমারেখাকে বলা হয় ‘ইয়েলো লাইন’ বা ‘হলুদ রেখা’।
- একটি খসড়া মানচিত্রে দেখা গেছে, হলুদ রেখা টেনে দেওয়ার মধ্য দিয়ে গাজার প্রায় ৫৮ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
- এই লাইন অতিক্রম করলে বা কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলে ফিলিস্তিনিদের গুলি করে ও ড্রোন হামলা চালিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। 
- এই হলুদ রেখাই গাজা ও ইসরায়েলের ‘নতুন সীমান্ত’ হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর প্রধান ইয়াল জামির।

অন্যদিকে,
- লেবানন ও ইসরায়েলের সীমারেখা: ব্লু লাইন।
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমারেখা: Line of Control (LoC)। 
- আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমারেখা: ডুরান্ড লাইন।

উৎস: i) The Guardian.
ii) প্রথম আলো।

৩৫.
Global Governance Initiative (GCI)-এর উদ্যোক্তা কে? 
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. কিয়ের স্টারমার
  3. ভ্লাদিমির পুতিন
  4. শি জিনপিং
ব্যাখ্যা

Global Governance Initiative (GCI):
- Global Governance Initiative (GGI)-এর উদ্যোক্তা হলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

⇒ শি জিনপিং-এর প্রস্তাবিত নতুন বৈশ্বিক ব্যবস্থার নাম গ্লোবাল গভর্ন্যান্স ইনিশিয়েটিভ বা বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা উদ্যোগ।
- চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) প্লাসের বৈঠকে তার চতুর্থ প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগ 'Global Governance Initiative (GCI) উন্মোচন করেন।
- এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থায় প্রতিনিধিত্ব ও কণ্ঠস্বর বাড়ানো।

উল্লেখ্য,
- GGI ছাড়াও শি জিনপিং-এর আরও তিনটি প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগ রয়েছে। এগুলো হলো:
- Global Development Initiative (GDI),
- Global Security Initiative (GSI) এবং,
- Global Civilization Initiative (GCI)।

উৎস: English.gov.cn

৩৬.
২০২৬ সালে ২৫তম শীতকালীন অলিম্পিক কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. লস অ্যাঞ্জেলেস
  2. মিলান
  3. বেইজিং
  4. গ্লাসগো
ব্যাখ্যা

শীতকালীন অলিম্পিক ২০২৬:
- ২০২৬ সালের ৬-২২ ফেব্রুয়ারি ২৫তম শীতকালীন অলিম্পিক ইতালির মিলান ও কর্টিনা ডি'অ্যামপেজো শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
- তৃতীয়বারের মতো ইতালি বিশ্বের বৃহত্তম শীতকালীন ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজন করবে।
- ২০২৬ সালের শীতকালীন অলিম্পিকে প্রায় ৯০টি দেশ এবং অঞ্চল থেকে ২,৯০০ জনেরও বেশি ক্রীড়াবিদ একত্রিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

এছাড়াও,
- ২০২৪ সালে ৩৩তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৮ সালে ৩৪তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: i) Olympics ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

৩৭.
রাজা হাম্মুরাবী কীসের জন্য বিখ্যাত ছিলেন?
  1. আইন সংকলন 
  2. শূন্য উদ্যান নির্মাণ 
  3. মানচিত্র তৈরি
  4. বর্ণমালা উদ্ভাবন
ব্যাখ্যা

রাজা হাম্মুরাবী:
- রাজা হাম্মুরাবী ছিলেন এ্যামোরাইট জাতির বিখ্যাত নেতা।
- তাঁর আমলে ব্যবিলন নতুন সভ্যতায় উদ্ভাসিত হয়।
- ইউফ্রেটিস উপত্যকায় ব্যবিলনে তিনি কেন্দ্রীয় রাজ্য স্থাপন করেন এবং যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে এক বিশাল শক্তিশালী রাজ্য গড়ে তোলেন।
- রাজা হাম্মুরাবি ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ব্যাবিলন শাসন করেন। 

⇒ ব্যবিলনীয় সভ্যতা চরম খ্যাতি অর্জন করে বিখ্যাত সম্রাট হাম্মুরারীর শাসনামলে।
- রাজা হাম্মুরাবী বিখ্যাত ছিলেন তাঁর প্রণীত হাম্মুরাবির আইন সংহিতার (Code of Hammurabi) জন্য।
-  হাম্মুরারীর আইন জগত বিখ্যাত। 
- ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও সুসংহত লিখিত আইন সংকলন।

উল্লেখ্য,
- ২৮২টি আইনের সমন্বয়ে তৈরি, পাথরে খোদাই করা এই কোডটি ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া শাসনের জন্য তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত।
- আইনগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী কাদামাটিতে লিখে আগুনে পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হতো।
- বিষয় অনুসারে আইনগুলো নানা শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। যেমন পারিবারিক বিষয়, বাণিজ্য, ধর্ম ও দাসপ্রথা।
- জনসাধারণ যদিও পড়তে জানত না, তবু আইনভঙ্গকারীদের দাঁত উপড়ে নেওয়া বা শূলে চড়ানোর মতো শাস্তি ভোগ করতে হতো।

উৎস: i) History.com
ii) ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
নিম্নের কোনটি জাতিসংঘের অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি?
  1. ATT
  2. NPT
  3. CWC
  4. CTBT
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি হলো Arms Trade Treaty (ATT)।

ATT চুক্তি:
- জাতিসংঘের অস্ত্রবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ATT-এর পূর্ণরূপ হলো: Arms Trade Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ এপ্রিল, ২০১৩  (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে)।
- কার্যকর হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪।
- চুক্তিটি অনুমোদনকারী দেশ: ১১৭টি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এখনও অনুমোদন করেনি: ২৫টি।
- উদ্দেশ্য: প্রচলিত অস্ত্রের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও মানবাধিকার রক্ষা।

উল্লেখ্য,
- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কোস্টারিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অস্কার অ্যারিয়াস (Oscar Arias) ATT ধারণার মূল প্রবক্তা ছিলেন।
- যুক্তরাজ্য ২০০৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ATT প্রস্তাব জাতিসংঘে উত্থাপন করে।

অন্যদিকে,
- NPT (Nuclear Non-Proliferation Treaty): পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ।
- CWC (Chemical Weapons Convention): রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধ।
- CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty): পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধ।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।

৩৯.
পারস্য উপসাগরের আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ২২টি
ব্যাখ্যা

পারস্য উপসাগরের আঞ্চলিক পরিষদ (GCC):
- GCC-এর পূর্ণরূপ: Gulf Cooperation Council বা পারস্য উপসাগরের আঞ্চলিক পরিষদ।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৬টি।
- সদস্য দেশ: সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান।
- গঠিত হয়: ২৫মে, ১৯৮১ ।
- সদরদপ্তর: রিয়াদ, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: জাসেম মোহাম্মদ আল বুদাইউই।
- GCC সদস্য দেশগুলো একে অপরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ট্যুরিজম এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- সুপ্রিম কাউন্সিল GCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সত্তা, যা সদস্য রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে গঠিত এবং বার্ষিক বৈঠক করে। সিদ্ধান্তগুলো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এছাড়া, একটি প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা কাউন্সিল রয়েছে যা সামরিক সহযোগিতা সমন্বয় করে।
- GCC সনদের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জোটটির মূল উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, GCC গঠিত হয়েছিল সদস্য দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য এবং দেশগুলির নাগরিকদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য।

উৎস: Britannica.

৪০.
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস সংক্রান্ত কিয়োটো প্রটোকল কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

কিয়োটো প্রটোকল:
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য প্রথম আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করে কিয়োটো প্রোটোকল। 
- এই প্রোটোকলটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (UNFCCC) অধীনে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- কিয়োটো প্রোটোকল শিল্পোন্নত দেশগুলোকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়। 

উল্লেখ্য,
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।

⇒ কিয়োটো চুক্তির ভিত্তিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০১২ সালের মধ্যে ৫.২ শতাংশ কমানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত অনুযায়ী বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের ৫৫ শতাংশ উৎপাদনকারী দেশগুলোর স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল।
- প্রাথমিক পর্যায়ে নিজ নিজ দেশে উৎপন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- চুক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোফ্লোরোকার্বন, পারফ্লোরোকার্বন ও সালফার।

⇒ কিয়োটো প্রটোকলের অংশ হিসেবে অনেক উন্নত দেশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসকরণের জন্য নৈতিকভাবে দুটি পর্যায়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
- প্রথম প্রতিশ্রুতির সময় ২০০৮-২০১২ এবং দ্বিতীয়টি ২০১৩-২০২০ সাল পর্যন্ত।
- প্রথম চুক্তির মেয়াদ ২০১২ সালে শেষ হলে দ্বিতীয় দফায় সেই চুক্তি সংশোধন করে ২০২০ সাল নাগাদ বর্ধিত করা হলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়নি।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৪১.
সর্বশেষ স্বল্পোন্নত (LDC) দেশের তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে কোন দেশ?
  1. নেপাল 
  2. ভুটান 
  3. বাংলাদেশ
  4. সাও টোমে
ব্যাখ্যা

সর্বশেষ স্বল্পোন্নত (LDC) দেশ হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছে সাও টোমে ও প্রিন্সিপ।

Least Developed Countries (LDC):
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।
- সর্বশেষ সাও টোমে ও প্রিন্সিপ ২০২৪ সালে LDC থেকে উর্ত্তীণ হয়েছে।

⇒ স্বল্পোন্নত দেশ (LDC - Least Developed Countries) থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘ তিনটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে একটি দেশের উন্নয়ন ও উত্তরণের যোগ্যতা। এই সূচকগুলো হলো:
- মাথাপিছু জাতীয় আয় (Income),
- মামানবসম্পদ (Income),
- জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা (Economic and Environmental Vulnerability)।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে জাতিসংঘ দুই শ্রেণিতে বিশ্বের সব দেশকে ভাগ করে থাকে।
- এগুলো হলো: উন্নয়নশীল ও উন্নত।
- উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে আবার যেসব দেশ তুলনামূলক দুর্বল, তাদের নিয়ে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালে LDC-ভুক্ত দেশের তালিকা থেকে উর্ত্তীণ হবে বাংলাদেশ, নেপাল, লাওস।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৪২.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সাথে অস্ত্রবাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে -
  1. স্পেন 
  2. স্লোভেনিয়া
  3. বেলজিয়াম
  4. আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সাথে অস্ত্রবাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে স্লোভেনিয়া।
 
⇒ স্লোভেনিয়া ২০২৫ সালের আগস্টে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) প্রথম সদস্য দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের অস্ত্র বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- এটি গাজায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক সংকটের প্রতিবাদে নেওয়া হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী রবার্ট গোলোব বলেন, স্লোভেনিয়া "প্রথম ইউরোপীয় দেশ" যারা এমন পদক্ষেপ নিয়েছে।
- এর আগে ২০২৪ সালের জুনে আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও স্পেনের পথ অনুসরণ করে স্লোভেনিয়ার পার্লামেন্ট ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Reuters.

৪৩.
বর্তমানে G-7-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কে?
  1. ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
  2. কিয়ের স্টারমার
  3. মার্ক কার্নি
  4. জর্জিয়া মেলোনি
ব্যাখ্যা

G-7:
- বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫।
- বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র: ৭টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা)।
- সভাপতি: ফ্রান্স।
- চেয়ারম্যান: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি। তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।
- ১৫-১৭ জুন, ২০২৫ ৫১তম G-7 শীর্ষ সম্মেলন কানাডার আলবার্টার কানানাস্কিস রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট।

৪৪.
বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয় - 
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি
  2. ২০ জুন
  3. ১৮ সেপ্টেম্বর
  4. ১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

বিশ্ব শরণার্থী দিবস:
- বিশ্ব শরণার্থী দিবস হলো প্রতি বছর ২০ জুন জাতিসংঘ কর্তৃক আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক দিবস।
- এটি বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের উদযাপন, সম্মান এবং অমানবিক অবস্থানের প্রতি আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের সচেতনতা সৃষ্টির জন্য পালন করা হয়। 

⇒ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০০১ সাল থেকে শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় UNHCR প্রতি বছর ২০ জুন দিবসটি পালন করে থাকে।
- ১৯৫১ সালে শরণার্থীদের স্বীকৃতির বিষয়ে জাতিসংঘের সনদটি গৃহীত হয়।
- ১৯৫১ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাস হওয়া আন্ত‍‍র্জাতিক রিফিউজি কনভেনশনে স্বাক্ষরিত দেশগুলোর পাশাপাশি যারা স্বাক্ষর করেনি এবং ১৯৬৭ সালের প্রটোকলে অনুস্বাক্ষর করেনি, সেরকম অনেক দেশও বিশ্ব শরণা‍র্থী দিবস পালন করে। 
- ২০০০ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্ব শরণার্থী দিবস অনুমোদন হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিবছর জুন মাসের ২০ তারিখ মূলত আফ্রিকার শরণার্থী দিবস হিসেবে পালিত হতো।
- পরবর্তী সময়ে এটা বিশ্ব শরণার্থী দিবস হিসেবে পরিচিতি পায়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৪৫.
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছিলেন মার্কিন কোন প্রেসিডেন্ট?
  1. জন এফ. কেনেডি
  2. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  4. জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার।

IAEA:
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৮০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: গিনি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- বর্তমান মহাপরিচালক: রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি (আর্জেন্টিনা)।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার 'International Atomic Energy Agency (IAEA)'- এর প্রস্তাবক ছিলেন।
- তিনি ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘে 'Atoms for Peace' নামক একটি উদ্যোগের আওতায় পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমে পরমাণু শক্তি শুধুমাত্র অস্ত্র হিসেবে নয়, বরং শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে, এমন একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে IAEA প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।

৪৬.
'দই মই' কোন দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি?
  1. ইন্দোনেশিয়া 
  2. ফিলিপাইন 
  3. জাপান 
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

দই মই সংস্কার:
- 'দই মই' সংস্কার ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।

⇒ এটি ১৯৮৬ সালে ভিয়েতনামে শুরু হয়।
- ভিয়েতনামী ভাষায় Doi Moi মানে “নতুন পুনর্গঠন” বা “নতুন পরিবর্তন”।
- ১৯৮৬ সালের ৬ষ্ঠ জাতীয় কংগ্রেসে ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট পার্টি দ্বারা চালু হয়।
- উদ্দেশ্য: সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির কিছু সীমাবদ্ধতা সরিয়ে বাজার ভিত্তিক অর্থনীতি চালু করা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি করা ও জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়ন করা।
- এই সংস্কারের ফলে ভিয়েতনামের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়, দারিদ্র্য হ্রাস পায় এবং দেশটি বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত হয়।

উৎস: BBC.

৪৭.
RAM সম্পর্কিত সঠিক বিবৃতি কোনটি?
  1. পাওয়ার বন্ধ করলে ডেটা মুছে যায়
  2. এটি ডেটা চিরস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  3. হার্ড ডিস্কের তুলনায় এটি ধীর
  4. রম হিসেবে কাজ করে
ব্যাখ্যা

• RAM সম্পর্কিত সঠিক বিবৃতিটি হলো ক) পাওয়ার বন্ধ করলে ডেটা মুছে যায়। RAM বা র‍্যান্ডম অ্যাকসেস মেমোরি একটি অস্থায়ী স্মৃতি মাধ্যম, যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় চলমান প্রোগ্রাম ও ডেটা সংরক্ষণ করে। কম্পিউটারের পাওয়ার বন্ধ হলে বা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে RAM-এ থাকা সব তথ্য মুছে যায়। এটি ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে না, তাই খ- অপশনটি ভুল। RAM হার্ড ডিস্কের তুলনায় অনেক দ্রুত, তাই গ- ভুল। এছাড়া RAM কখনোই ROM হিসেবে কাজ করে না, তাই ঘ- অপশনটিও সঠিক নয়।
 
• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮.
কোন ধরনের মাদারবোর্ড ফর্ম ফ্যাক্টর সবচেয়ে ছোট?
  1. Extended ATX
  2. Micro-ATX
  3. ATX
  4. Mini-ITX
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত মাদারবোর্ড ফর্ম ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট হলো Mini-ITX (ঘ)। মাদারবোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টর মূলত এর আকার, ডিজাইন এবং কেসের সঙ্গে সামঞ্জস্য বোঝায়। Extended ATX এবং ATX তুলনামূলকভাবে বড় আকারের, যা বেশি এক্সপ্যানশন স্লট ও হার্ডওয়্যার সাপোর্ট দেয়। Micro-ATX আকারে ছোট হলেও এটি এখনও Mini-ITX-এর চেয়ে বড়। Mini-ITX সাধারণত মাত্র ১৭×১৭ সেন্টিমিটার আকারের হয়, তাই এটি ছোট কেস, কম জায়গা নেওয়া কম্পিউটার এবং হোম থিয়েটার পিসির জন্য খুবই উপযোগী। ছোট আকারের কারণে এতে এক্সপ্যানশন সীমিত হলেও এটি শক্তি সাশ্রয়ী ও বহনযোগ্য সমাধান দেয়।
 
মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Lenovo. [link]

৪৯.
কোনটির মাধ্যমে ফায়ারওয়াল প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে
  2. সফটওয়্যারের মাধ্যমে
  3. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে
  4. কোনোটি প্রযোজ্য নয়
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল প্রয়োগ করা যেতে পারে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে, তাই সঠিক উত্তর হলো গ) হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে। হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল সাধারণত নেটওয়ার্কের প্রবেশদ্বারে স্থাপন করা হয় এবং এটি সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ককে বাইরের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। অন্যদিকে সফটওয়্যার ফায়ারওয়াল কম্পিউটার বা সার্ভারে ইনস্টল করা হয় এবং নির্দিষ্ট ডিভাইসকে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে। উভয় ধরনের ফায়ারওয়াল একসাথে ব্যবহৃত হলে নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয় এবং ডেটা সুরক্ষার মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
 
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৫০.
কম্পাইলার ব্যবহারের প্রধান সুবিধা কী?
  1. প্রোগ্রাম দ্রুত রান করে
  2. ডিবাগ করা সহজ
  3. কম মেমোরি লাগে
  4. প্রোগ্রামে কোনো ত্রুটি নেই
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হলো প্রোগ্রাম দ্রুত রান করা। কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একবারে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, ফলে প্রোগ্রাম চালানোর সময় বারবার অনুবাদ করতে হয় না। এর ফলে এক্সিকিউশন স্পিড অনেক বেশি হয়। ডিবাগ করা সহজ হওয়া বা কম মেমোরি লাগা সব ক্ষেত্রে কম্পাইলারের প্রধান সুবিধা নয়, কারণ ডিবাগিং তুলনামূলকভাবে ইন্টারপ্রেটারে সহজ হতে পারে এবং মেমোরি ব্যবহারের দিক থেকেও কম্পাইলার সব সময় সুবিধাজনক নয়। এছাড়া কম্পাইলার ব্যবহারে প্রোগ্রামে কোনো ত্রুটি থাকবে না, এমন নিশ্চয়তাও নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো প্রোগ্রাম দ্রুত রান করে।
 
অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
উচ্চ CPU ক্লক স্পিড কী নির্দেশ করে?
  1. উন্নত গ্রাফিক্স
  2. বেশি স্টোরেজ
  3. ধীর প্রক্রিয়াকরণ
  4. দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• উচ্চ CPU ক্লক স্পিড মূলত প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে কতটি নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তা নির্দেশ করে। ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, CPU তত দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। এর ফলে সফটওয়্যার চালানো, মাল্টিটাস্কিং, গেমিং কিংবা ভারী অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে সিস্টেমের সাড়া দ্রুত পাওয়া যায়। উচ্চ ক্লক স্পিড গ্রাফিক্সের মান বা স্টোরেজের পরিমাণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এবং এটি ধীর প্রক্রিয়াকরণকেও বোঝায় না। তাই উচ্চ CPU ক্লক স্পিডের সঠিক অর্থ হলো দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ, যা কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫২.
নিম্নলিখিত কোনটি ই-বুক ব্যবহারের জন্য বিখ্যাত?
  1. PowerPoint
  2. Excel
  3. Photoshop
  4. Kindle
ব্যাখ্যা

• অপশন গুলোর মধ্যে ই-বুক ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত হলো ঘ) Kindle। Kindle মূলত অ্যামাজনের তৈরি একটি ই-রিডার ও সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম, যা বিশেষভাবে ডিজিটাল বই পড়ার জন্য তৈরি। এতে ই-ইঙ্ক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হওয়ায় চোখে চাপ কম পড়ে এবং দীর্ঘ সময় পড়া আরামদায়ক হয়। Kindle-এ হাজার হাজার ইবুক সংরক্ষণ করা যায় এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সহজেই বই ডাউনলোড করা সম্ভব। অন্যদিকে PowerPoint প্রেজেন্টেশনের জন্য, Excel ডেটা বিশ্লেষণের জন্য এবং Photoshop ছবি সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ই-বুক পড়ার ক্ষেত্রে Kindle সবচেয়ে উপযোগী ও জনপ্রিয়।

• ই-বুক (Ebook):
- ই-বুক এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হলো 'ইলেকট্রনিক বুক'।
- প্রিন্টকৃত বইয়ের ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ভার্সনকে ই-বুক বলা হয়।
- যা কম্পিউটার, মোবাইল বা বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত কোনো বহনযোগ্য ডিভাইসে পাঠ করা যায়।
- এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়, যা বিভিন্ন ধরনের ই-রিডার দিয়ে পড়া যায়।
- প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- ই-বুকের জনক হলেন মাইকেল এস হার্ট (Michael S Hart)।
- তাঁকে ই-বুকের আবিষ্কারক বা জনক বলা হয়, কেননা তিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামূল্যে ই-বুক বিতরণের প্রথম প্রজেক্ট গুটেনবার্গ- এর উদ্যোক্তা ছিলেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৫৩.
কোন অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত কমান্ড লাইন ইন্টারফেসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. iOS
  2. UNIX/Linux
  3. Android
  4. Windows GUI
ব্যাখ্যা

• কমান্ড লাইন ইন্টারফেস (CLI) সাধারণত UNIX/Linux অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো খ) UNIX/Linux। UNIX এবং Linux মূলত মাল্টি-ইউজার ও মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম, যেখানে টার্মিনাল বা শেলের মাধ্যমে কমান্ড লিখে কাজ করা হয়। প্রোগ্রামিং, সার্ভার পরিচালনা, নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন এবং সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য CLI খুবই কার্যকর। iOS ও Android মূলত গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেসভিত্তিক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, আর Windows GUI সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য গ্রাফিক্যাল পরিবেশে কাজ করার সুবিধা দেয়। তাই কমান্ড লাইনের ক্ষেত্রে UNIX/Linux সবচেয়ে প্রচলিত।

• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

৫৪.
রিয়েল-টাইম এমবেডেড সিস্টেমের প্রধান ব্যবহার হচ্ছে -
  1. সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ
  2. ই-বুক রিডার
  3. এয়ারপ্লেন কন্ট্রোল সিস্টেম
  4. ডেস্কটপ পাবলিশিং
ব্যাখ্যা

• রিয়েল-টাইম এমবেডেড সিস্টেমের প্রধান ব্যবহার হলো গ) এয়ারপ্লেন কন্ট্রোল সিস্টেম। কারণ এই ধরনের সিস্টেমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। এয়ারপ্লেনের গতি নিয়ন্ত্রণ, উচ্চতা বজায় রাখা, নেভিগেশন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নিতে হয়। সামান্য দেরি বা ত্রুটি বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই রিয়েল-টাইম এম্বেডেড সিস্টেম নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ করার ক্ষমতার জন্য এয়ারপ্লেন কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
 
• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
ASCII কী প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন
  2. শুধু চিহ্ন
  3. শুধু সংখ্যা
  4. শুধু অক্ষর
ব্যাখ্যা

• ASCII (American Standard Code for Information Interchange) হলো একটি মানক কোডিং পদ্ধতি, যা কম্পিউটার ও ডিজিটাল ডিভাইসে তথ্য প্রকাশ ও আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে ইংরেজি ভাষার অক্ষর (A–Z, a–z), সংখ্যা (0–9) এবং বিভিন্ন চিহ্ন যেমন +, -, @, # ইত্যাদি প্রকাশ করা যায়। প্রতিটি অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্নের জন্য ASCII একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাসূচক কোড নির্ধারণ করে, যাতে কম্পিউটার সহজে তথ্য বুঝতে ও প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। তাই ASCII অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন- এই তিনটিকেই প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। সঠিক উত্তর হলো ক) অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন।
 
• ASCII কোড:
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI-American National Standards Institute) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 27 বা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-8 কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬.
যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হয়, তখন সেই সম্পর্ককে কী বলা হয়?
  1. One-to-One
  2. Many-to-Many
  3. Self-Referencing
  4. One-to-Many
ব্যাখ্যা

• যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হয়, তখন সেই সম্পর্ককে One-to-Many সম্পর্ক বলা হয়। এখানে “One” অংশটি বোঝায় প্রথম টেবিলের একটি নির্দিষ্ট রেকর্ড এবং “Many” অংশটি বোঝায় দ্বিতীয় টেবিলের একাধিক রেকর্ড। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি Customer টেবিলের একটি গ্রাহক একাধিক Order দিতে পারে। কিন্তু প্রতিটি Order সাধারণত একটি নির্দিষ্ট Customer-এর সাথেই যুক্ত থাকে। এই ধরনের সম্পর্ক ডেটাবেস ডিজাইনে খুবই সাধারণ এবং এটি টেবিলগুলোর মধ্যে তথ্যকে সুসংগঠিতভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করতে সাহায্য করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) One-to-Many.
 
• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
সার্চ ইঞ্জিনের সঙ্গে সম্পর্কিত SEO-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Simple Electronic Operation
  2. Search Engine Optimization
  3. Systematic Engineering Output
  4. Secure Email Option
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো খ) Search Engine Optimization.

Search Engine Optimization বা SEO হলো একটি ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল, যা ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজকে সার্চ ইঞ্জিনে (যেমন গুগল, বিং) আরও উচ্চ র্যাঙ্কে দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের ভিজিটর সংখ্যা বৃদ্ধি করা যায় এবং সঠিক দর্শককে টার্গেট করা সম্ভব হয়। SEO-তে কীওয়ার্ড রিসার্চ, অন-পেজ অপটিমাইজেশন, ব্যাকলিংক তৈরি, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এবং টেকনিক্যাল সেটিংসের মতো বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে। লক্ষ্য হলো ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদমের দৃষ্টিতে প্রাসঙ্গিক ও ব্যবহারবান্ধব বানানো, যাতে এটি ব্যবহারকারীদের অনুসন্ধানের ফলাফলে উপরে আসে। সুতরাং, SEO ওয়েবসাইটের দৃশ্যমানতা এবং ব্যবসায়িক সফলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।
 
• SEO:
- SEO এর পূর্ণরূপ হলো Search Engine Optimization.
- হোস্টিংকৃত ওয়েবসাইটটি আরো বেশি প্রচারমুখী করার জন্য ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সংযুক্ত করতে হয়।
- একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের সাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে SEO বলা হয়।

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫৮.
নিম্নলিখিত কোনটি একটি LAN-এর বৈশিষ্ট্য?
  1. বিভিন্ন দেশ জুড়ে বিস্তৃত
  2. শুধু ওয়্যারলেস সংযোগ ব্যবহার করে
  3. স্যাটেলাইট সংযোগ প্রয়োজন
  4. ছোট ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত 
ব্যাখ্যা

• LAN বা Local Area Network হলো একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা সাধারণত একটি ছোট ভৌগোলিক এলাকায় ব্যবহৃত হয়, যেমন একটি বাড়ি, অফিস, স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। LAN-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি ছোট এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং সাধারণত উচ্চ গতির ডেটা সংযোগ প্রদান করে। এটি তারের (Ethernet) বা ওয়্যারলেস (Wi-Fi) উভয় পদ্ধতিতে কাজ করতে পারে, তবে LAN-এর জন্য স্যাটেলাইট সংযোগ বা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিস্তার জরুরি নয়। তাই LAN-এর সবচেয়ে মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর সীমিত ভৌগোলিক পরিসর এবং দ্রুত, নির্ভরযোগ্য স্থানীয় ডেটা আদানপ্রদানের সুবিধা। সুতরাং, এখানে সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ছোট ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
 
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN-Local Area Network):
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 
- LAN এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ 1 কিলোমিটার করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করতে হয়।
- LAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো একক ব্যাক্তি বা কিছুসংখ্যক লোকের একটি গ্রুপের হতে পারে।
- ল্যানের IEEE স্ট্যন্ডার্ড: IEEE 802

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. IEEE.

৫৯.
স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইটের কক্ষপথ কোনটি?
  1. লো আর্থ অরবিট (LEO)
  2. সান-সিঙ্ক্রোনাস
  3. মিডিয়াম আর্থ অরবিট (MEO)
  4. জিওস্টেশনারি
ব্যাখ্যা

• স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইটগুলো লো আর্থ অরবিট (LEO)-তে অবস্থান করে। LEO হলো পৃথিবীর খুব নিকটবর্তী কক্ষপথ, সাধারণত ৫৫০ থেকে ১২০০ কিলোমিটার উচ্চতায়। এই উচ্চতায় স্যাটেলাইটগুলো দ্রুত পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে এবং কম সময়ে সংযোগ প্রদান করতে পারে, যার ফলে ইন্টারনেট সিগন্যালের বিলম্ব বা লেটেন্সি খুব কম থাকে। স্টারলিঙ্কের লক্ষ হলো বিশ্বব্যাপী উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া, এবং LEO কক্ষপথ এটি সম্ভব করে। তুলনায়, জিওস্টেশনারি বা MEO কক্ষপথে সিগন্যাল পৌঁছাতে বেশি সময় লাগে। তাই দ্রুত, কম বিলম্বের ইন্টারনেট সেবার জন্য স্টারলিঙ্ক LEO ব্যবহার করে।

- সঠিক উত্তর: ক) লো আর্থ অরবিট (LEO).

• Starlink: 
- স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক। 
- স্টারলিংক হলো আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স দ্বারা উন্নত একটি স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক, যা ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহ করে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। 
- এটি একটি মেগাকনস্টেলেশন, বা স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- স্টারলিংক দ্রুতগামী এবং নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

উৎস: Britannica. 

৬০.
BCD 1000 1000 কোন দশমিক সংখ্যার সমতুল্য?
  1. 81
  2. 88
  3. 86
  4. 83
ব্যাখ্যা

• BCD বা Binary-Coded Decimal হলো একটি সংখ্যা প্রকাশের পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা আলাদা ৪-বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, 0 থেকে 9 পর্যন্ত প্রতিটি সংখ্যা ৪-বিটের বাইনারি আকারে লেখা হয়। এখন প্রশ্নে দেওয়া BCD হলো 1000 1000। BCD 1000 1000 দশমিক সংখ্যা 88 প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) 88

• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
8 এর বিসিডি 1000
∴ BCD 1000 1000 হচ্ছে 88 দশমিক সংখ্যার সমতুল্য। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
SaaS-এ সফটওয়্যার কোথায় হোস্ট করা হয়?
  1. সিডি-রোমে
  2. ইউএসবি ড্রাইভে
  3. ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে
  4. ক্লাউড/সার্ভারে
ব্যাখ্যা

• SaaS (Software as a Service) হলো একটি মডেল যেখানে সফটওয়্যার ব্যবহারকারীরা সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে, সফটওয়্যারটি তাদের কম্পিউটার বা কোনো ফিজিক্যাল ডিভাইসে ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই। SaaS-এ সফটওয়্যার সাধারণত ক্লাউড বা সার্ভারে হোস্ট করা হয়, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো সময় এবং যেকোনো জায়গা থেকে অ্যাক্সেস করা যায়। এটি ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক, কারণ তারা সফটওয়্যার আপডেট, রক্ষণাবেক্ষণ বা ব্যাকআপ নিয়ে চিন্তিত হতে হয় না। সিডি-রোম, ইউএসবি ড্রাইভ বা ব্যক্তিগত কম্পিউটারে সফটওয়্যার হোস্ট করার প্রয়োজন নেই, সব কিছুই ক্লাউডে সংরক্ষিত থাকে এবং সার্ভার থেকে সরাসরি ডেলিভারি করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ক্লাউড/সার্ভারে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬২.
বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে যান্ত্রিক শক্তি উৎপাদনের উদাহরণ কোনটি?
  1. এল.ই.ডি বাল্ব
  2. বৈদ্যুতিক পাখা
  3. বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি
  4. ব্যাটারি চার্জ করা
ব্যাখ্যা

- বৈদ্যুতিক পাখা বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে (গতিশক্তি) রূপান্তরিত করে। পাখার মোটরে বৈদ্যুতিক প্রবাহের ফলে ব্লেডগুলো ঘোরে, যা বায়ুপ্রবাহ তৈরি করে এবং এটিই যান্ত্রিক শক্তির উদাহরণ। 

বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তি: 
- শক্তির রূপান্তরের উদাহরণ হিসেবে সাধারণত প্রথমে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তি ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি সহজে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরবরাহ করা সবচেয়ে সহজ। এজন্য সবার বাসায় অন্য শক্তি সরবরাহ না করে প্রথমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। 
- বৈদ্যুতিক পাখা বা অন্যান্য মোটরে তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
(যদিও চৌম্বক শক্তি আসলে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি থেকে ভিন্ন কিছু নয়, তার পরেও মোটর বা বৈদ্যুতিক পাখার ভেতরে বিদ্যুৎশক্তিকে প্রথমে চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তর করে সেখান থেকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর হতে দেখা যায়)। 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারে বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বাল্ব, টিউবলাইট বা এলইডিতে তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- শব্দ শক্তি তৈরি করার জন্য সাধারণত কোনো কিছুকে কাঁপাতে হয়, সেটি এক ধরনের যান্ত্রিক শক্তি। তারপরও স্পিকারে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মোবাইলে টেলিফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করা হয়, যেখানে আসলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৩.
তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত যে রশ্মি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায় তা মূলত কোন ধরনের রশ্মি?
  1. রঞ্জন রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
ব্যাখ্যা

• তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত যে রশ্মি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায়, তা মূলত আলফা রশ্মি (Alpha rays)। কারণ আলফা রশ্মি ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা (He2+) দ্বারা গঠিত, তাই এটি ঋণাত্মক পাতের দিকে আকৃষ্ট হয়ে সেদিকেই বেঁকে যায়। অপরদিকে বিটা রশ্মি ঋণাত্মক আধানযুক্ত (ইলেকট্রন) হওয়ায় ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায় এবং গামা রশ্মি আধান নিরপেক্ষ হওয়ায় ক্ষেত্রে বেঁকে যায় না।

তেজস্ক্রিয়তা: 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে কয়েক ধরণের রশ্মি নির্গত হয়। 
- যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রন্থ, তাকে আলফা কণিকা (α) বলে। 
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ, তাকে বিটা কণিকা (β) বলে। 
- যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ, তাকে গামা রশ্মি (γ) বলে। 

আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
২। আলফা কণিকা ধনাত্মক চার্জ বহন করে, এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব। 
৩। আলফা কণিকার শক্তি 1 MeV বা 1.6×10-13 J হতে 9 MeV বা 1.44×10-12 J পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। আলফা কণিকার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β-কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ-কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
৬। আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। আলফা কণিকা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
ডেনড্রাইটের মূল কাজ কী?
  1. অন্য নিউরনকে পুষ্টি প্রেরণ করা
  2. স্নায়ু উদ্দীপনা সংরক্ষণ করা
  3. অন্য নিউরন থেকে স্নায়ু উদ্দীপনা গ্রহণ করা
  4. স্নায়ু উদ্দীপনা প্রেরণ করা
ব্যাখ্যা

- ডেনড্রাইটের প্রধান কাজ হল অন্য নিউরন বা পরিবেশ থেকে স্নায়বিক সংকেত বা তথ্য গ্রহণ করা এবং তা নিউরনের কোষদেহের দিকে পরিচালিত করা। 

নিউরনের গঠন: 
- প্রতিটি নিউরন কোষদেহ এবং প্রলম্বিত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
(a) কোষদেহ (Cell body): 
- প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম আর নিউক্লিয়াস নিয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার, অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষদেহ নামে পরিচিত।  এখানে সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবস্তু, লাইসোজোম, চর্বি, গ্লাইকোজেন, রঞ্জক কণাসহ অসংখ্য নিসল দানা থাকে। 

(b) প্রলম্বিত অংশ: 
- কোষদেহ থেকে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকেই প্রলম্বিত অংশ বলে। 
- প্রলম্বিত অংশ দুই ধরনের। 
(i) ডেনড্রন (Dendron): 
- কোষদেহের চারদিকের শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রন বলে।
- ডেনড্রন থেকে যে শাখা বের হয় তাদের ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে ডেনড্রন সংখ্যা শূন্য থেকে শতাধিক পর্যন্ত হতে পারে। ডেনড্রাইট অন্য নিউরন থেকে স্নায়ু তাড়না গ্রহণ করে। 

(ii) অ্যাক্সন (Axon): 
- কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা তদুটির নাম অ্যাক্সন। এর চারদিকে পাতলা আবরণটিকে নিউরিলেমা বলে। নিউরিলেমা এবং অ্যাক্সনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে, একে মায়েলিন (Myelin) বলে। অ্যাক্সনের শেষ মাথা অ্যাক্সন টারমিনালে বিভক্ত হয়ে যায়, এবং এই টারমিনালগুলো দিয়ে সিন্যাপস মারফত অন্য নিউরনের ডেনড্রাইটে স্নায়ু তাড়না প্রেরণ করা হয়। 
- বহুসংখ্যক অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইট মিলিত হয়ে স্নায়ু গঠন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৫.
স্থিতিশীল নিউক্লিয়াসের অর্ধায়ু কেমন হয়? 
  1. অসীম 
  2. শূন্য 
  3. অর্ধেক সেকেন্ড
  4. এক সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

- স্থিতিশীল নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় ক্ষয় হয় না, অর্থাৎ তারা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয় না। অর্ধায়ু হলো সেই সময় যে সময়ে একটি তেজস্ক্রিয় পদার্থের অর্ধেক ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। যেহেতু একটি স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস কখনও ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না, তাই এর ক্ষয় হওয়ার সময়কাল অসীম। 

অর্ধায়ু (Half Life): 

- একটি নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস ঠিক কোন মুহূর্তে বিকিরণ করবে সেটি বলা সম্ভব নয়, পদার্থবিজ্ঞান শুধু তার বিকিরণ করার সম্ভাবনাটি বলতে পারে। সে কারণে তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বের করার জন্য 'অর্ধায়ু' (Half Life)-এর ধারণাটি ব্যবহার করা হয়। 
- যে পরিমাণ সময়ের ভেতর অর্ধেক সংখ্যক নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ঘটে সেটি হচ্ছে অর্ধায়ু। 
- যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিতা যত বেশি তার অর্ধায়ু তত কম। 
- স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস, যার কোনো তেজস্ক্রিয়তা নেই তার অর্ধায়ুকে 'অসীম' বলে বিবেচনা করতে পারি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিউক্লিয়াসের ঘটনা, তাই তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে একটি নিউক্লিয়াস অন্য নিউক্লিয়াসে পরিবর্তিত হয়। 
- ভিন্ন নিউক্লিয়াস চার্জহীন পরমাণু হওয়ার জন্য খুব সহজেই এক দুইটি বাড়তি ইলেকট্রন তার কাছাকাছি পরিবেশ থেকে নিতে পারে কিংবা ছেড়ে দিতে পারে। তার কারণ নিউক্লিয়াসের ভেতরকার নিউক্লিয়ার শক্তি অনেক বেশি হলেও পরমাণুর ইলেকট্রনের শক্তি সে তুলনায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৬.
Biotechnology শব্দটি প্রথম কে, কোন বছর প্রবর্তন করেন?
  1. গ্রেগর মেন্ডেল, 1863 সালে 
  2. ওয়াটসন ও ক্রিক, 1953 সালে
  3. স্ট্রাসবুর্গার, 1953 সালে
  4. কার্ল এরেকি, 1919 সালে 
ব্যাখ্যা

- হাঙ্গেরীয় কৃষি প্রকৌশলী কার্ল এরেকি (Karl Ereky) সর্বপ্রথম ১৯১৯ সালে "Biotechnology" বা "জৈবপ্রযুক্তি" শব্দটি প্রবর্তন করেন।

জীবপ্রযুক্তি বা বায়োটেকনোলজি (Biotechnology): 

- জীবপ্রযুক্তি দুটি শব্দ Biology এবং Technology-এর সমন্বয়ে গঠিত। Biology শব্দের অর্থ জীব সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান এবং Technology শব্দের অর্থ প্রযুক্তি। 
অর্থাৎ, Biology এবং Technology-এর আন্তঃসম্পর্কিত বিষয়ই হলো জীবপ্রযুক্তি। 
- 1919 সালে হাঙ্গেরীয় প্রকৌশলী কার্ল এরেকি (Karl Ereky) প্রথম Biotechnology শব্দটি প্রবর্তন করেন। 
- এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কোনো জীবকোষ, অণুজীব বা তার অংশবিশেষ ব্যবহার করে নতুন কোনো বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের (উদ্ভিদ বা প্রাণী বা অণুজীব) উদ্ভাবন বা সেই জীব থেকে প্রক্রিয়াজাত বা উপজাত দ্রব্য প্রস্তুত করা হয়। 

- বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় জীবপ্রযুক্তি কোনো নতুন সংযোজন নয়, মানব সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই জীবপ্রযুক্তির প্রয়োগ শুরু হয়েছে। গাঁজন এবং চোলাইকরণের (Fermentation and brewing) মতো প্রযুক্তিজ্ঞান মানুষ প্রায় ৪০০০ বছর আগেই রপ্ত করেছে। 
- 1863 সালে গ্রেগর জোহান মেন্ডেল কৌলিতত্ত্ব বা জেনেটিক্স-এর সূত্রগুলো আবিষ্কারের পর থেকে জীবপ্রযুক্তি নতুনরূপে অগ্রযাত্রা শুরু করে। 
- 1953 সালে Watson এবং Crick কর্তৃক ডিএনএ ডাবল হেলিক্স মডেল আবিষ্কারের ধারাবাহিকতায় আজকের আধুনিক জীবপ্রযুক্তির শুরু। 
- জীবপ্রযুক্তির অনেক পদ্ধতির মধ্যে বর্তমানে টিস্যু কালচার (Tissue culture) ও জিন প্রকৌশল (Genetic engineering) পদ্ধতি কৃষি উন্নয়ন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৭.
কোনো বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে- 
  1. স্থির থাকবে
  2. ডুবে যাবে
  3. ভেসে যাবে 
  4. আংশিক ভাসবে
ব্যাখ্যা

- যদি কোনো বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হয়, তাহলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে, কারণ বস্তুর ওপর নিচের দিকে ক্রিয়াশীল ওজন (মহাকর্ষ বল) উপরের দিকে ক্রিয়াশীল প্লবতা বল (অপসারিত পানির ওজন) থেকে বেশি হয়, ফলে বস্তুটি ডুবে যায়। 

আর্কিমিডিসের সূত্র: 

- কোনো বস্তু তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হলে, বস্তুটি কিছু পরিমাণ তরল বা বায়বীয় পদার্থ অপসারণ করে এবং বস্তুটি কিছু ওজন হারায়। 
- বস্তুর এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। 

বস্তুর ভাসা ও ডোবার শর্ত: 
ধরা যাক, 
- একটি বস্তুর ওজন (বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল) W নিউটন, বস্তুটির পানিতে ডোবালে এর উপর পানির প্লবতা (ঊর্ধ্বচাপ জনিত বল) W1 নিউটন।  এক্ষেত্রে- 
• W > W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে। 
• W < W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে ভেসে থাকবে। 
• W = W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন সমান হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে ডুবে ভাসবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৮.
নিচের কোন পদার্থ সাধারণত বিজারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. হাইড্রোজেন 
  2. অক্সিজেন
  3. ক্লোরিন 
  4. ব্রোমিন 
ব্যাখ্যা

- হাইড্রোজেন সাধারণত বিজারক হিসেবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে। বিজারক পদার্থ অন্য পদার্থকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়। অন্যদিকে অক্সিজেন, ক্লোরিন এবং ব্রোমিন ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তাই এরা জারক পদার্থ। 

বিজারক পদার্থ (Reductant): 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। 
- বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (H), লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb) প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। এছাড়াও ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S), হাইড্রোজেন পারক্সাইড (H2O2) প্রভৃতি বিজারক পদার্থ। 

জারক পদার্থ (Oxidant): 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। 
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়। 
যেমন- সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), অক্সিজেন (O), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), নাইট্রিক এসিড (HNO3), সালফিউরিক এসিড (H2SO4), হাইড্রোজেন পারক্সাইড (H2O2)ইত্যাদি জারক পদার্থ। 

উল্লেখ্য, 
- সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2) একই সাথে জারক এবং বিজারক হিসেবে কাজ করে। 
- হাইড্রোজেন পারক্সাইড (H2O2) সচরাচর জারকের মত ব্যবহার করলেও অম্লীয় বা ক্ষারীয় দ্রবণে বিজারক হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ, ইন্ডিয়া।

৬৯.
ফানজাই (Fungi)-এর কোষপ্রাচীর প্রধানত কোন পদার্থ দিয়ে গঠিত?
  1. প্রোটিন
  2. সেলুলোজ
  3. কাইটিন
  4. লিপিড
ব্যাখ্যা

- ফানজাই (Fungi) বা ছত্রাকের কোষপ্রাচীর প্রধানত কাইটিন নামক একটি শক্ত পলিস্যাকারাইড দিয়ে গঠিত। কিছু ক্ষেত্রে গ্লুকান এবং গ্লাইকোপ্রোটিনও থাকতে পারে। এই কাইটিন উপাদানটি ছত্রাকের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীকোষ থেকে এদের আলাদা করে। 

ফানজাই (Fungi): 

- ফানজাই এর বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেওয়া হলো- 
- এরা অধিকাংশই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী।  
- এদের দেহ এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম (সরু সুতার মতো অংশ) দিয়ে গঠিত। 
- এইগুলোর নিউক্লিয়াস সুগঠিত। 
- এদের কোষপ্রাচীর কাইটিন বস্তু দিয়ে গঠিত। 
- এদের খাদ্যগ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে। 
- এদের ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। 
- এরা হ্যাপ্লয়েড স্পোর দিয়ে বংশবৃদ্ধি ঘটে। 
উদাহরণ: ইস্ট, Penicillium, মাশরুম ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭০.
2 মিটার ফোকাস দূরত্ব বিশিষ্ট উত্তল লেন্সের ক্ষমতা কত হবে?
  1. + 0.5 D
  2. + 1.0 D
  3. - 2.0 D 
  4. - 0.5 D
ব্যাখ্যা

- 2 মিটার ফোকাস দূরত্ব বিশিষ্ট উত্তল লেন্সের ক্ষমতা হবে +0.5 D, কারণ লেন্সের ক্ষমতা (P)) হলো ফোকাস দূরত্বের (f)) ব্যস্তানুপাতিক (P = 1/f) এবং উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ধনাত্মক (positive) হওয়ায় ক্ষমতাও ধনাত্মক হয়, তাই P = 1/2 মিটার = +0.5 ডায়াপ্টর (D)। 

লেন্সের ক্ষমতা: 
- প্রধান অক্ষের সমান্তরাল এক গুচ্ছ আলোকরশ্মিকে উত্তল লেন্স কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে এক বিন্দুতে মিলিত করে। অপরদিকে অবতল লেন্স একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মিকে অপসারী করে; ফলে ঐ রশ্মিগুচ্ছ কোনো একটি বিন্দু থেকে অপসারিত হচ্ছে বা ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। 
- আলোকরশ্মিকে অভিসারী বা অপসারী করার প্রক্রিয়াটি পরিমাপ করার জন্য লেন্সের ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়। 
• ১-কে লেন্সের ফোকাস দূরত্ব (মিটারে প্রকাশ করে) দিয়ে ভাগ করা হলে লেন্সের ক্ষমতা পাওয়া যায়, যার একক হল ডায়াপ্টর। 
অর্থাৎ, একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২ মিটার হলে তার ক্ষমতা হবে ১/২ ডায়াপ্টর = ০.৫ ডায়াপ্টর। 
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক উভয়ই হতে পারে। 
- কোনো লেন্সের ক্ষমতা +1D বলতে বোঝায়, লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের ১ মিটার দূরে আলোকরশ্মিগুচ্ছকে মিলিত করবে। 
- একইভাবে, লেন্সের ক্ষমতা -2D হলে বুঝতে হবে, লেন্সটি অবতল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে এমনভাবে অপসারিত করে যে, এগুলো কোনো লেন্স থেকে ১/২ মিটার বা ৫০ সেমি দূরের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭১.
সূর্যগ্রহণ কোন সময় ঘটে?
  1. চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর উল্টো পাশে অবস্থান করলে
  2. চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় হলে
  3. চাঁদ পূর্ণিমার অবস্থায় থাকলে 
  4. চাঁদ নতুন চাঁদের অবস্থায় থাকলে কিন্তু পৃথিবী আলোর উৎসে না থাকলে
ব্যাখ্যা

- সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী যখন একই সরলরেখায় আসে এবং চাঁদ মাঝখানে থাকে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর কিছু অংশে পড়ে এবং সেই অংশ থেকে সূর্যকে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে দেখা যায় না 

অমাবস্যা: 

- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে তখন চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

পূর্ণিমা: 
- যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে তখনই পূর্ণিমা হয়। 

চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ সরলরেখায় অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে।

উৎস: বিবিসি বাংলা, ৪ ডিসেম্বর, ২০২১ [লিঙ্ক]।

৭২.
পরিণত বয়সের আদর্শ রক্তচাপ কত?
  1. 90/60 mmHg
  2. 100/70 mmHg 
  3. 140/90 mmHg
  4. 120/80 mmHg
ব্যাখ্যা

- পরিণত বয়সের আদর্শ রক্তচাপ হলো 120/80 mmHg, যা সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য স্বাভাবিক সীমার মধ্যে ধরা হয়। 

রক্তচাপ (Blood Pressure): 
- রক্তপ্রবাহের সময় ধমনির গায়ে যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন বা সিস্টোল অবস্থায় ধমনির গায়ে রক্তচাপের মাত্রা সর্বাধিক থাকে, একে সিস্টোলিক চাপ (Systolic Pressure) বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের (প্রকৃতপক্ষে নিলয়ের) প্রসারণ বা ডায়াস্টোল অবস্থায় রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে, একে ডায়াস্টোলিক চাপ (Diastolic Pressure) বলে। 

আদর্শ রক্তচাপ: 
- চিকিৎসকদের মতে, পরিণত বয়সে একজন মানুষের আদর্শ রক্তচাপ (Blood pressure) সাধারণত 120/80 mmHg মানের কাছাকাছি। 
- রক্তচাপকে দুটি সংখ্যায় উল্লেখ করা হয় যেখানে প্রথমটি উচ্চমান এবং দ্বিতীয়টি নিম্নমান। রক্তের উচ্চ চাপকে সিস্টোলিক (Systolic) চাপ বলে, যার আদর্শ মান 120 mmHg নিচে। নিম্নচাপকে ডায়াস্টোলিক (Diastolic) চাপ বলে, এই চাপটির আদর্শ মান 80 mmHg নিচে। এই চাপটি হৃৎপিণ্ডের দুটি বিটের মাঝামাঝি সময় রক্তনালিতে সৃষ্টি হয়। 
- দুই ধরনের রক্তচাপের পার্থক্যকে ধমনিঘাত বা নাড়িঘাত চাপ (Pulse pressure) বলা হয়। 
- সাধারণত সুস্থ অবস্থায় হাতের কব্জিতে রেট তথা হৃৎস্পন্দনের মান প্রতি মিনিটে 60-100 mmHg । 
- হাতের কব্জিতে হালকা করে চাপ দিয়ে ধরে পালস রেট বের করা যায়। 
- স্ফিগমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer) বা সংক্ষেপে বিপি যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ মাপা যায়। 
- এই যন্ত্র দিয়ে ডায়াস্টোলিক ও সিস্টোলিক চাপ দেখে রক্তচাপ নির্ণয় করা যায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৩.
ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে কোনো বস্তুর ওজন কেন কমে যায়?
  1. ঘনত্ব কমে যায়
  2. ভর কমে যায়
  3. অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যায়
  4. আয়তন কমে যায় 
ব্যাখ্যা

- ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরে উঠলে বস্তুর ওজন কমে যাওয়ার মূল কারণ হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ কমে যায়, কারণ উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে পৃথিবী ও বস্তুর মধ্যকার দূরত্ব বাড়ে এবং মহাকর্ষ বল দুর্বল হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান (g) হ্রাস পায়, ফলে ওজন (W = mg) কমে যায়, ভর অপরিবর্তিত থাকে। 

ভর ও ওজনের সম্পর্ক: 
- বস্তুর মধ্যে পদার্থের পরিমাণই হচ্ছে এর ভর। 
- ভর হচ্ছে একটি ধ্রুব রাশি যা ভূপৃষ্ঠে বা ভূপৃষ্ঠের উপরে বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনের সাথে পরিবর্তিত হয় না। 
- ৭৫ কেজি ভরের একজন মহাশূন্যচারীর ভর চাঁদে কিংবা পৃথিবীর কক্ষপথেও ৭৫ কেজিই থাকবে। 
- মহাশূন্যচারী বা কোনো বস্তু যতটুকু পদার্থ দিয়ে তৈরি, বস্তু বা মহাশূন্যচারীর স্থান পরিবর্তনের ফলে তাতে কোনো পরিবর্তন হয় না বলে তার ভর সর্বত্র অপরিবর্তিত থাকে।

- যেহেতু বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি, সুতরাং বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভর করে।
- যেসব কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন ঘটে সেসব কারণে বস্তুর ওজনও পরিবর্তিত হয়।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন তত কমতে থাকে।
- বস্তুর ওজন বস্তুর মৌলিক ধর্ম নয়, কোনো বস্তুর ওজন থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য, তাই সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য।
- মহাশূন্যে কোনো বস্তুর ওজন শূন্য হলে তখন বস্তুর উপর কোনো মহাকর্ষ বল কাজ করে না।
- চাঁদের অভিকর্ষজনিত ত্বরণের মান পৃথিবীতে অভিকর্ষজ ত্বরণের প্রায় ৬ ভাগ।
সুতরাং, চাঁদে ১ কেজি ভরের বস্তুর ওজন হবে প্রায় ৯.৮/৬ নিউটন ≈ ১.৬৩ নিউটন (N)। 
- কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে তার দূরত্বের উপর নির্ভর করে। 
- যদি দূরত্ব বাড়ানো হয় তাহলে তার উপর পৃথিবীর আকর্ষণ কমে যায়, ফলে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। 
- ভূপৃষ্ঠে ১ কেজি ভরের কোনো বস্তুতুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলেও পৃথিবী থেকে দূরত্ব বাড়ার সাথে সাথে বস্তুর ওজন কমতে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৭৪.
কোন ধরনের অ্যালকোহল মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. মিথানল 
  2. ইথানল
  3. রেকটিফাইড স্পিরিট 
  4. পাওয়ার অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা

- মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানি হিসেবে পাওয়ার অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। পাওয়ার অ্যালকোহল হলো মূলত পেট্রোল এবং ইথানলের একটি মিশ্রণ, যাতে অল্প পরিমাণে বেনজিন বা অন্য কোনো উদ্বায়ী তরল পদার্থও থাকতে পারে।

অ্যালকোহল: 

- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়, এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়, এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়, এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে।
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে, তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
নিম্নলিখিত কোনটি উদ্ভিদের ম্যাক্রোউপাদান নয়?
  1. ক্যালসিয়াম (Ca)
  2. দস্তা (Zn)
  3. নাইট্রোজেন (N)
  4. ফসফরাস (P)
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদের ম্যাক্রোউপাদান নয়- দস্তা (Zn), এটি একটি মাইক্রোউপাদান (micronutrient), অর্থাৎ উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য এটি খুব অল্প পরিমাণে প্রয়োজন হয়।

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদান: 

- মাটি ও পরিবেশ থেকে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য উদ্ভিদ যে সকল পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে তাই উদ্ভিদের পুষ্টি। এসব পুষ্টি উপাদানের অধিকাংশ উদ্ভিদ মাটি থেকে সংগ্রহ করে বলে, এদেরকে খনিজ পুষ্টিও বলা হয়। 
- উদ্ভিদে প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে, এই ৬০টি উপাদানের মধ্যে ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্তপ্রয়োজনীয়।  এই ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (Essential elements) বলা হয়, কারণ এ উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ ও প্রজননের জন্য প্রয়োজনীয়। এদের যে কোনো একটির অভাব হলে উদ্ভিদের অভাবজনিত লক্ষণ (Deficiency symptoms) প্রকাশ পায় এবং পুষ্টি অভাবজনিত রোগ সৃষ্টি হয়। 

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ: 
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুইভাবে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
(ক) ম্যাক্রোউপাদান (Macronutrient) বা মুখ্য উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোউপাদান বলা হয়।
- এরূপ ৯টি উপাদান হলো- নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O) ও সালফার (S)। 

(খ) মাইক্রোউপাদান (Micronutrient) বা গৌণ উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রোউপাদান বলা হয়। 
- এরূপ ৭টি উপাদান হলো- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), লৌহ বা আয়রন (Fe), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (Cu) ও ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬.
(৩ + √৫) কোন ধরনের সংখ্যা? 
  1. অবাস্তব সংখ্যা
  2. অমূলদ সংখ্যা
  3. অনির্ণেয়
  4. মূলদ সংখ্যা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (৩ + √৫) কোন ধরনের সংখ্যা? 

সমাধান: 
(৩ + √৫) একটি অমূলদ সংখ্যা

কারণ, এখানে ৩ একটি মূলদ সংখ্যা।
এবং √৫ একটি অমূলদ সংখ্যা, কারণ ৫ পূর্ণবর্গ সংখ্যা নয়।

গাণিতিক নিয়ম অনুযায়ী,
একটি মূলদ সংখ্যার সাথে একটি অমূলদ সংখ্যা যোগ করলে যোগফল সবসময় একটি অমূলদ সংখ্যা হয়। 
যেহেতু √৫-এর মান একটি অসীম অনাবৃত দশমিক (২.২৩৬০৬৭৯...), তাই (৩ + √৫)-এর মানও হবে একটি অসীম দশমিক, যা ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তাই এটি অমূলদ সংখ্যা। 

৭৭.
log10x + log10(10x) = 3 হলে, x এর মান কত? 
  1. - 10
  2. 3
  3. 100
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log10x + log10(10x) = 3 হলে, x এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
log10x + log10(10x) = 3
⇒ log10(x × 10x) = 3
⇒ 10x2 = 103
⇒ 10x2 = 1000
⇒ x2 = 1000/10
⇒ x2 = 100
⇒ x = ± √100
∴ x = ± 10

কিন্তু log10x এবং log10(10x) উভয়ের জন্যই x > 0 হতে হবে।
অতএব x = - 10 গ্রহণযোগ্য নয়।
∴ x = 10

৭৮.
  1. 0
  2. 6√6
  3. 6
  4. 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 

সমাধান: 

৭৯.
একজন ছাত্রের বাংলায় পাশ করার সম্ভাবনা 2/3। বাংলা ও গণিত দুইটাতেই পাশের সম্ভাবনা 1/3 এবং দুইটির যে কোন একটিতে পাশের সম্ভাবনা 4/5 হলে, তার গণিতে পাশের সম্ভাবনা কত? 
  1. 1/3
  2. 2/5
  3. 3/5
  4. 7/15
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন ছাত্রের বাংলায় পাশ করার সম্ভাবনা 2/3। বাংলা ও গণিত দুইটাতেই পাশের সম্ভাবনা 1/3 এবং দুইটির যে কোন একটিতে পাশের সম্ভাবনা 4/5 হলে, তার গণিতে পাশের সম্ভাবনা কত? 

সমাধান:
ধরি,
বাংলায় পাশের সম্ভাবনা, P(B) = 2/3
উভয় বিষয়ে পাশের সম্ভাবনা, P(B ∩ M) = 1/3
যেকোনো একটিতে পাশের সম্ভাবনা, P(B ∪ M) = 4/5
গণিতে পাশের সম্ভাবনা, P(M) = ?

আমরা জানি, 
P(B ∪ M) = P(B) + P(M) - P(B ∩ M)
⇒ 4/5 = (2/3) + P(M) - (1/3)
⇒ P(M) = (4/5) + (1/3) - (2/3)
⇒ P(M) = (12 + 5 - 10)/15
∴ P(M) = 7/15


সুতরাং, ছাত্রটির গণিতে পাশের সম্ভাবনা হলো 7/15.

৮০.
একটি বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য ১১ সে.মি. এবং বৃত্তের ব্যাসার্ধ ৭ সে.মি. হলে, চাপটি কেন্দ্রে কত ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন করে?
  1. ১২০°
  2. ৯০°
  3. ৭৫°
  4. ১৮০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য ১১ সে.মি. এবং বৃত্তের ব্যাসার্ধ ৭ সে.মি. হলে, চাপটি কেন্দ্রে কত ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন করে?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য ১১ সে.মি. এবং বৃত্তের ব্যাসার্ধ ৭ সে.মি.

আমরা জানি, 
বৃত্তের পরিধি = ২πr
= ২ × (২২/৭) × ৭
= ৪৪ সে.মি.

আবার, 
কেন্দ্রীয় কোণ, θ = (চাপের দৈর্ঘ্য/পরিধি) × ৩৬০°
= (১১/৪৪) × ৩৬০°
= (১/৪) × ৩৬০°
= ৯০°

৮১.
একজন দোকানদার ২০% লাভে একটি জিনিস বিক্রি করেন। যে মূল্যে তিনি বিক্রি করেছেন তার চেয়ে ৪৫ টাকা কম দামে বিক্রি করলে ১০% ক্ষতি হয়। জিনিসটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ১৫০ টাকা
  2. ২০৫ টাকা
  3. ১৭৫ টাকা
  4. ২২০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন দোকানদার ২০% লাভে একটি জিনিস বিক্রি করেন। যে মূল্যে তিনি বিক্রি করেছেন তার চেয়ে ৪৫ টাকা কম দামে বিক্রি করলে ১০% ক্ষতি হয়। জিনিসটির ক্রয়মূল্য কত?


সমাধান:
ধরি, ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা

২০% লাভে, বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ২০ = ১২০ টাকা 

আবার, 
১০% ক্ষতিতে, বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ১০) টাকা = ৯০ টাকা

∴ বিক্রয়মূল্য কম = (১২০ - ৯০) টাকা = ৩০ টাকা 

∴ বিক্রয়মূল্য ৩০ টাকা কম হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা 
∴ বিক্রয়মূল্য ১ টাকা কম হলে ক্রয়মূল্য ১০০/৩০ টাকা 
∴ বিক্রয়মূল্য ৪৫ টাকা কম হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৪৫)/৩০ টাকা 
= ১৫০ টাকা 

সুতরাং, জিনিসটির ক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা

৮২.
৮৫ + ৮২ + ৭৯ + …… + ২৮ ধারাটির সমষ্টি কত?
  1. ১২০০
  2. ১১৫০
  3. ১১৩০
  4. ১০৮০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৮৫ + ৮২ + ৭৯ + …… + ২৮ ধারাটির সমষ্টি কত? 

সমাধান: 
এটি একটি সমান্তর ধারা।
যার, প্রথম পদ, a = ৮৫
সাধারণ অন্তর, d = ৮২ - ৮৫ = - ৩
শেষ পদ, l = ২৮

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n-তম, l = a + (n - 1)d
২৮ = ৮৫ + (n - ১)(- ৩)
⇒ ২৮ = ৮৫ - ৩(n - ১)
⇒ ৩(n - ১) = ৮৫ - ২৮
⇒ ৩(n - ১) = ৫৭
⇒ n - ১ = ৫৭/৩
⇒ n - ১ = ১৯
⇒ n = ১৯ + ১ 
∴ n = ২০
অর্থাৎ ধারায় মোট ২০টি পদ আছে।

আবার, 
সমান্তর ধারার সমষ্টি, Sₙ = (n/২) × (প্রথম পদ + শেষ পদ)
S২০ = (২০/২) × (৮৫ + ২৮)
= ১০ × ১১৩
= ১১৩০

সুতরাং, ধারাটির সমষ্টি ১১৩০। 

৮৩.
a4 - 64 এর একটি উৎপাদক নির্ণয় করুন- 
  1. (a + 2√2)
  2. (a + 4)
  3. (a + √2)
  4. (a - 4)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a4 - 64 এর একটি উৎপাদক নির্ণয় করুন- 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
a4 - 64
= (a2)2 - 82
= (a2 + 8)(a2 - 8) ; [a2 - b2 = (a + b)(a - b)]
= (a2 + 8){a2 - (2√2)2}
= (a2 + 8)(a + 2√2)(a - 2√2)

সুতরাং, a4 - 64 = (a2 + 8)(a + 2√2)(a - 2√2)

৮৪.
একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে মোট 8টি দল অংশগ্রহণ করেছে। যদি প্রতিটি দল একে অপরের সাথে একবার করে অর্থাৎ একক লীগ পদ্ধতিতে খেলে, তবে টুর্নামেন্টে মোট কতটি ম্যাচ পরিচালিত হবে?
  1. 56টি
  2. 34টি
  3. 28টি
  4. 112টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে মোট 8টি দল অংশগ্রহণ করেছে। যদি প্রতিটি দল একে অপরের সাথে একবার করে অর্থাৎ একক লীগ পদ্ধতিতে খেলে, তবে টুর্নামেন্টে মোট কতটি ম্যাচ পরিচালিত হবে?

সমাধান:
আমরা জানি, 
একক লীগে মোট ম্যাচের সংখ্যা = n(n - 1)/2
= 8(8 - 1)/2   ; [এখানে, n = 8 (দলের সংখ্যা)]
= (8 × 7)/2
= 56/2
= 28

অতএব, টুর্নামেন্টে মোট 28টি খেলা পরিচালনা করতে হবে।

৮৫.
ΔABC-তে AB = AC এবং ∠B = 65°। যদি EF রেখা BC এর সমান্তরাল হয়, তবে ∠AEF + ∠A এর মান কত?
  1. 115°
  2. 130°
  3. 75°
  4. 180°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ΔABC-তে AB = AC এবং ∠B = 65°। যদি EF রেখা BC এর সমান্তরাল হয়, তবে ∠AEF + ∠A এর মান কত?

সমাধান: 

দেওয়া আছে,
AB = AC, তাই ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু।
এবং ∠B = ∠C।
∴ ∠B = 65° হলে ∠C = 65° হবে। 

আমরা জানি,
∠A + ∠B + ∠C = 180°
∠A = 180° - ∠B - ∠C 
= 180° - 65° - 65°
= 180° - 130°
∴ ∠A = 50°

আবার, 
EF || BC এবং A থেকে এ রেখা তে ∠AEF গঠিত।
সমান্তরাল রেখার কোণের  সূত্র অনুযায়ী,
⇒ ∠AEF = ∠C = 65°

∴ ∠AEF + ∠A = 65° + 50° = 115°

৮৬.
বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সরল সুদে ক, খ-কে ৮০০ টাকা এবং গ-কে কিছু টাকা ধার দেয়। তিন বছর পর 'ক' সর্বমোট ৩৬০ টাকা সুদ পেলে ক, গ-কে কত টাকা ধার দিয়েছিল?
  1. ৩৮০ টাকা
  2. ৪৪০ টাকা
  3. ৫১০ টাকা
  4. ৪০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সরল সুদে ক, খ-কে ৮০০ টাকা এবং গ-কে কিছু টাকা ধার দেয়। তিন বছর পর 'ক' সর্বমোট ৩৬০ টাকা সুদ পেলে ক, গ-কে কত টাকা ধার দিয়েছিল? 
 
সমাধান:
দেওয়া আছে,
বার্ষিক সুদের হার = ১০%
সময় = ৩ বছর
ক, খ-কে ধার = ৮০০ টাকা
মোট প্রাপ্ত সুদ = ৩৬০ টাকা

খ-এর সুদের পরিমাণ, 
সুদ = (মূলধন × হার × সময়)/১০০
= (৮০০ × ১০ × ৩)/১০০
∴ সুদ = ২৪০ টাকা 

∴ গ-থেকে প্রাপ্ত সুদ = ৩৬০ - ২৪০ = ১২০ টাকা

ধরি, গ-কে ধার দেওয়া টাকা = P।
∴ সুদ = (মূলধন × হার × সময়)/১০০
⇒ ১২০ = (P × ১০ × ৩)/১০০
⇒ ৩P = ১২০০ 
⇒ P = ১২০০/৩ 
∴ P = ৪০০ টাকা 
 
সুতরাং, ক, গ-কে ৪০০ টাকা ধার দিয়েছিল।

৮৭.
  1. 0
  2. - (1/a) 
  3. - 1
  4. 1/a
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 


সমাধান: 

৮৮.
যদি xy < 0, xz > 0 এবং z < 0 হয়, তবে নিচের কোনটি অবশ্যই সত্য হবে? 
  1. y < 0
  2. yz > 0
  3. y > 0
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি xy < 0, xz > 0 এবং z < 0 হয়, তবে নিচের কোনটি অবশ্যই সত্য হবে? 

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
z < 0, সুতরাং z ঋণাত্মক। 

আবার,
xz > 0 ; সুতরাং x ও ঋণাত্মক। 

এবং 
xy < 0 হওয়ায় y অবশ্যই ধনাত্মক। 

সুতরাং, y > 0। 

৮৯.
তিনটি সংখ্যার গড় ১০। একটি সংখ্যা ১২ হলে, নিচের কোনটি একমাত্র প্রচুরক হতে পারে?
  1. ৬ 
  2. ৯ 
  3. ১০ 
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনটি সংখ্যার গড় ১০। একটি সংখ্যা ১২ হলে, নিচের কোনটি একমাত্র প্রচুরক হতে পারে?
 
সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
৩টি সংখ্যার গড় ১০
∴ মোট সমষ্টি = ৩ × ১০ = ৩০ 
এবং একটি সংখ্যা = ১২
 
একটি সংখ্যা ১২। সুতরাং, বাকি দুটি সংখ্যার সমষ্টি হবে = ৩০ - ১২ = ১৮ 
এখন, ১৮ কে দুইটি সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় = (১০ + ৮), (৯ + ৯), (১২ + ৬),......

এখানে, ১৮ = শুধুমাত্র (৯ + ৯) নিলে প্রচুরক হতে পারে ৯। 
∴ সংখ্যা তিনটি যথাক্রমে, ১২, ৯, ৯ হলে একমাত্র প্রচুরক ৯। 

৯০.
একটি আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ ও পরিসীমার অনুপাত ১ : ৫ হলে, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত? 
  1. ৫ : ১
  2. ৫ : ৩  
  3. ৪ : ৩ 
  4. ৩ : ২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ ও পরিসীমার অনুপাত ১ : ৫ হলে, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত? 
 
সমাধান:
ধরি, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = খ 
এবং পরিসীমা = ৫খ 

আমরা জানি, 
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
৫খ = ২(ক + খ)  ; [দৈর্ঘ্য = ক] 
⇒ ৫খ = ২ক + ২খ
⇒ ২ক = ৫খ - ২খ 
⇒ ২ক = ৩খ
⇒ ক/খ = ৩/২ 
⇒ ক : খ = ৩ : ২ 
∴ দৈর্ঘ্য : প্রস্থ = ৩ : ২ 

 অতএব, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ৩ : ২। 

৯১.
রুবেল ও সালমানের আয়ের অনুপাত ৫ : ৭ এবং সালমান ও জুয়েলের আয়ের অনুপাত ৪ : ৫। রুবেলের আয় ১৮০০ টাকা হলে জুয়েলের আয় কত?
  1. ৩০০০ টাকা
  2. ৩১৫০ টাকা
  3. ৩২৫০ টাকা
  4. ৩২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রুবেল ও সালমানের আয়ের অনুপাত ৫ : ৭ এবং সালমান ও জুয়েলের আয়ের অনুপাত ৪ : ৫। রুবেলের আয় ১৮০০ টাকা হলে জুয়েলের
আয় কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
রুবেল : সালমান = ৫ : ৭
সালমান : জুয়েল = ৪ : ৫

∴ রুবেল : সালমান : জুয়েল = (৫ × ৪) : (৭ × ৪) : (৫ × ৭) 
⇒ রুবেল : সালমান : জুয়েল = ২০ : ২৮ : ৩৫

আবার, 
দেওয়া আছে, 
রুবেলের আয় = ১৮০০ টাকা
এবং রুবেলের অংশ = ২০

∴ জুয়েলের আয় = {(১৮০০/২০) × ৩৫} টাকা 
= ৩৫ × ৯০
= ৩১৫০ টাকা

 সুতরাং, জুয়েলের আয় = ৩১৫০ টাকা

৯২.
(1/√2) + 1 + √2 + ....... ধারাটির কোন পদ 16√2 হবে?
  1. 9 তম
  2. 12 তম
  3. 8 তম
  4. 11 তম
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (1/√2) + 1 + √2 + ....... ধারাটির কোন পদ 16√2 হবে? 

সমাধান:
এটি একটি গুণোত্তর ধারা। 
যার প্রথম পদ, a = 1/√2
সাধারণ অনুপাত, r = 1/(1/√2) = √2

আমরা জানি, 
n-তম পদ, an = arn - 1

প্রশ্নমতে, 
(1/√2)(√2)n - 1 = 16√2
⇒ (√2)n - 1 = 16√2 × √2
⇒ (√2)n - 1 = 32 = 25
⇒ (√2)n - 1 = (√2)10
⇒ n - 1 = 10
⇒ n = 10 + 1
∴ n = 11

অতএব, ধারাটির 11 তম পদ 16√2 হবে। 

৯৩.
ax + by + c = 0 সরলরেখার ঢাল কত?
  1. - c/b
  2. - a/b
  3. c/b
  4. a/b
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ax + by + c = 0 সরলরেখার ঢাল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
সাধারণ রৈখিক সমীকরণ ax + by + c = 0 কে y-এর সাপেক্ষে লিখলে পাই, 
⇒ by = - ax - c
∴ y = - (a/b)x - (c/b)

এখানে, 
x-এর সহগ (- a/b) হলো রেখাটির ঢাল। 

সুতরাং , ax + by + c = 0 সমীকরণের ঢাল হলো - a/b

৯৪.
  1. f(0) = ∞
  2. f(1) = - 1
  3. f(1) = 0
  4. f(- 1) = - 1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 

সমাধান: 

৯৫.
একটি কোণকের ভূমির ব্যাসার্ধ 8 সে.মি. এবং উচ্চতা 15 সে.মি. হলে, এর হেলানো উচ্চতা কত?
  1. 17 সে.মি.
  2. 7 সে.মি.
  3. 23.25 সে.মি.
  4. 7π সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কোণকের ভূমির ব্যাসার্ধ 8 সে.মি. এবং উচ্চতা 15 সে.মি. হলে, এর হেলানো উচ্চতা কত? 

সমাধান: 
কোণকের ভূমির ব্যাসার্ধ, r = 8 সে.মি.
কোণকের উচ্চতা, h = 15 সে.মি.
ধরি, হেলানো উচ্চতা, l = ?

আমরা জানি, 
কোণকের হেলানো উচ্চতা, l = √(r2 + h2
= √(82 + 152)
= √(64 + 225)
= √(289)
= 17

সুতাং, কোণকের হেলানো উচ্চতা 17 সে.মি.

৯৬.
Float : Sink :: Boat : ?
  1. Ship
  2. Raft
  3. Submarine
  4. Surfboard
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Float : Sink :: Boat : ?

সমাধান:
এখানে প্রথম জোড়ার সম্পর্কটি হলো বিপরীতার্থক ক্রিয়া।
 • Float = ভাসা এবং Sink = ডোবা– হলো একে অপরের বিপরীত।

• দ্বিতীয় জোড়ার ক্ষেত্রে,
- Boat (নৌকা) হলো এমন একটি যান যা সাধারণত পানির উপরিভাগে ভেসে চলে। 
- এর বিপরীতে সাবমেরিন (Submarine) বা ডুবোজাহাজ পানির নিচে চলাচল করতে সক্ষম, তাই এটিই সঠিক সাদৃশ্য।

৯৭.
P হলো Q এবং R-এর আপন ভাই। S হলো R-এর মা। T হলো P-এর বাবা। নিচের কোন উক্তিটি নিশ্চিতভাবে সত্য নাও হতে পারে?
  1. S হলো P-এর মা
  2. P হলো S-এর ছেলে
  3. T হলো S-এর স্বামী
  4. Q হলো T-এর ছেলে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P হলো Q এবং R-এর আপন ভাই। S হলো R-এর মা। T হলো P-এর বাবা। নিচের কোন উক্তিটি নিশ্চিতভাবে সত্য নাও হতে পারে?

সমাধান:
P এখানে Q এবং R-এর আপন ভাই হওয়ায় তারা একই বাবা-মা'র সন্তান;
S হলো R-এর মা, তাই P এবং Q-এরও মা;
T হলো P-এর বাবা, তাই Q এবং R-এরও বাবা এবং S-এর স্বামী।

কিন্তু Q-এর লিঙ্গ (Gender) সম্পর্কে কিছু বলা নেই। Q ছেলে হতে পারে, আবার মেয়েও হতে পারে। তাই "Q হলো T-এর ছেলে" - এটি নিশ্চিত নয়।

৯৮.
১৪, ২৮, ২০, ৪০, ৩২, ৬৪, ... পরবর্তী সংখ্যাটি কত হবে?
  1. ৪২
  2. ৫৬
  3. ৯৬
  4. ১২৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১৪, ২৮, ২০, ৪০, ৩২, ৬৪, ... পরবর্তী সংখ্যাটি কত হবে?

সমাধান:
এখানের লজিক বা প্যাটার্ন হলো:
প্রথমে ২ দিয়ে গুণ এবং তারপরে ৮ বিয়োগ।

১৪ × ২ = ২৮
২৮ - ৮ = ২০
২০ × ২ = ৪০
৪০ - ৮ = ৩২
৩২ × ২ = ৬৪
৬৪ - ৮ = ৫৬

∴ প্যাটার্ন অনুযায়ী পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৫৬।

৯৯.
P তার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে যাত্রা শুরু করল। ২৫ মিটার হাঁটার পর সে ডানে মোড় নিল এবং ১০ মিটার হাঁটল। তারপর সে আবার ডানে মোড় নিয়ে ১৫ মিটার হাঁটল। এরপর তাকে ১৩৫° ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরতে হবে এবং ৩০ মিটার পথ অতিক্রম করতে হবে। তাকে এখন কোন দিকে যেতে হবে?
  1. উত্তর
  2. দক্ষিণ-পূর্ব
  3. উত্তর-পশ্চিম
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P তার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে যাত্রা শুরু করল। ২৫ মিটার হাঁটার পর সে ডানে মোড় নিল এবং ১০ মিটার হাঁটল। তারপর সে আবার ডানে মোড় নিয়ে ১৫ মিটার হাঁটল। এরপর তাকে ১৩৫° ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরতে হবে এবং ৩০ মিটার পথ অতিক্রম করতে হবে। তাকে এখন কোন দিকে যেতে হবে?

সমাধান:

-  পশ্চিম দিকে ২৫ মিটার গেল।
- পশ্চিম থেকে ডানে ঘুরলে দিক হয় উত্তর। সে উত্তর দিকে ১০ মিটার গেল।
- উত্তর থেকে আবার ডানে ঘুরলে দিক হয় পূর্ব। সে পূর্ব দিকে ১৫ মিটার গেল।
- বর্তমানে P পূর্ব দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে। পূর্ব দিক থেকে ৯০° ঘড়ির কাঁটার দিকে (ডানে) ঘুরলে দিক হয় দক্ষিণ। দক্ষিণ থেকে আরও ৪৫° (অর্থাৎ মোট ৯০° + ৪৫° = ১৩৫°) ঘুরলে দিক হবে দক্ষিণ-পশ্চিম

১০০.
২০১৮ সালের ১৭ মার্চ শনিবার হলে, একই বছরের ১ মে কী বার ছিল?
  1. মঙ্গলবার
  2. বুধবার
  3. সোমবার
  4. রবিবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২০১৮ সালের ১৭ মার্চ শনিবার হলে, একই বছরের ১ মে কী বার ছিল?

সমাধান:
১৭ মার্চ থেকে ১ মে পর্যন্ত মোট দিনের সংখ্যা হিসাব করি:
মার্চ মাসের অবশিষ্ট দিন = (৩১ - ১৭) = ১৪ দিন
এপ্রিল মাস = ৩০ দিন
মে মাসের তারিখ = ১ দিন

মোট দিন সংখ্যা = ১৪ + ৩০ + ১ = ৪৫ দিন।

এখন,
এই ৪৫ দিনকে সপ্তাহের ৭ দিন দ্বারা ভাগ করে অতিরিক্ত দিন (Odd Days) বের করি,
৪৫ ÷ ৭ = ৬ সপ্তাহ ৩ দিন অবশিষ্ট।

যেহেতু ৩ দিন অবশিষ্ট আছে, তাই বারটি হবে শনিবারের ৩ দিন পরের বার।
শনিবার + ৩ দিন = রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার

∴ ২০১৮ সালের ১ মে ছিল মঙ্গলবার।

১০১.
নিচের চিত্রটিতে মোট কয়টি বর্গক্ষেত্র আছে?
  1. 6
  2. 9
  3. 10
  4. 12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রটিতে মোট কয়টি বর্গক্ষেত্র আছে?


সমাধান:

দুটি ফাঁকা ঘর নিয়ে গঠিত বর্গগুলো হলো: ABKJ, BCLK, CDEL, LEFG, KLGH এবং JKHI = মোট 6টি

চারটি ফাঁকা ঘর নিয়ে গঠিত মাত্র একটি বর্গ আছে, তা হলো CEGK = 1টি

আটটি ফাঁকা ঘর নিয়ে গঠিত বর্গগুলো হলো ACGI এবং BDFH = মোট 2টি

অতএব, চিত্রটিতে মোট বর্গের সংখ্যা = 6 + 1 + 2 = 9টি।

১০২.
যদি ছ × H = ৫৬ হয়, তবে K × ড = ?
  1. ১১০
  2. ১৩২
  3. ১৪৩
  4. ১৫৬
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ছ × H = ৫৬ হয়, তবে K × ড = ?

সমাধান: এই সমস্যাটি বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ এবং ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমিক অবস্থানের গুণফলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
প্রথম অংশ:
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রমে 'ছ' এর অবস্থান = ৭ (ক = ১, খ = ২, গ = ৩, ঘ = ৪, ঙ = ৫, চ = ৬, ছ = ৭)।
ইংরেজি বর্ণমালায় 'H' এর অবস্থান = ৮ (A = 1, B = 2, C = 3, D = 4, E = 5, F = 6, G = 7, H = 8)।
∴ ৭ × ৮ = ৫৬। 

দ্বিতীয় অংশ:
ইংরেজি বর্ণমালায় 'K' এর অবস্থান = ১১ (A = 1, ..., J=10, K=11)।
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ক্রমে 'ড' এর অবস্থান = ১৩ (ক-ঙ = ৫টি, চ-ঞ = ৫টি, ট = ১১, ঠ = ১২, ড = ১৩)।
∴ K × ড = ১১ × ১৩ = ১৪৩

১০৩.
নিচের চিত্র ম্যাট্রিক্সটি পূর্ণ করতে প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্র ম্যাট্রিক্সটি পূর্ণ করতে প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?


সমাধান:

প্রতিটি সারির তৃতীয় চিত্রটি এমন সব অংশ নিয়ে গঠিত যা প্রথম দুটি চিত্রের মধ্যে সাধারণ (Common) নয়। অর্থাৎ, প্রথম ও দ্বিতীয় চিত্রের মধ্যে যে রেখা বা অংশগুলো মিল আছে সেগুলো বাদ যাবে এবং যা মিল নেই কেবল সেই অংশগুলোই তৃতীয় চিত্রে প্রদর্শিত হবে।
∴ সঠিক উত্তর: ঘ) 4

১০৪.
নিম্নের কোন গুচ্ছের শব্দগুলো বর্ণনানুক্রমিকভাবে সাজানো রয়েছে?
  1. অদম্য, অদ্যাপি, অদৃশ্য, অদৃষ্ট
  2. অদম্য, অদৃশ্য, অদৃষ্ট, অদ্যাপি
  3. অদৃশ্য, অদৃষ্ট, অদম্য, অদ্যাপি
  4. অদৃষ্ট, অদ্যাপি, অদম্য, অদৃশ্য
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিম্নের কোন গুচ্ছের শব্দগুলো বর্ণনানুক্রমিকভাবে সাজানো রয়েছে?

সমাধান:
বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে, বর্ণনানুক্রমিকভাবে সাজালে আমরা পাই:
অদম্য
অদৃশ্য
অদৃষ্ট
অদ্যাপি

অতএব সঠিক উত্তর: খ)

১০৫.
A ও B দুইজন সমান শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি হলে কার জন্য 45 কেজি ওজন সম্বলিত বারটি ধরে রাখা তুলনামূলক সহজ হবে?
  1. A এর জন্য
  2. B এর জন্য
  3. উভয়ের জন্যই সহজ হবে
  4. কারো জন্যই সহজ হবে না
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A ও B দুইজন সমান শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি হলে কার জন্য 45 কেজি ওজন সম্বলিত বারটি ধরে রাখা তুলনামূলক সহজ হবে?


সমাধান:
• A এর জন্য 45 কেজি ওজন সম্বলিত বারটি ধরে রাখা তুলনামূলক সহজ হবে।

আমরা জানি, লিভারের ক্ষেত্রে প্রযুক্ত ওজন ফালক্রামের যত কাছাকাছি থাকবে, লিভারের অন্য প্রান্তে তত কম ভারী অনুভূত হবে।

A এর ক্ষেত্রে ওজনটি ফালক্রামের কাছে অবস্থিত। A থেকে ওজনটির দূরত্ব বেশি হওয়ায় A এর জন্য বারটি ধরে রাখা তুলনামূলক সহজ হবে।

B এর ক্ষেত্রে ওজনটি ফালক্রাম থেকে দূরে এবং B এর কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় B এর কাছে বারটির ওজন বেশি মনে হবে। ফলে বারটি ধরে রাখা B এর জন্য কষ্টকর হবে।

১০৬.
এক ব্যক্তির কাছে ৪৮০ টাকা আছে যার মধ্যে ১ টাকার নোট, ৫ টাকার নোট এবং ১০ টাকার নোটের সংখ্যা সমান। তার কাছে মোট কতগুলো নোট আছে?
  1. ৪৫ টি
  2. ৬০ টি
  3. ৯০ টি
  4. ১২০ টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক ব্যক্তির কাছে ৪৮০ টাকা আছে যার মধ্যে ১ টাকার নোট, ৫ টাকার নোট এবং ১০ টাকার নোটের সংখ্যা সমান। তার কাছে মোট কতগুলো নোট আছে?

সমাধান:
মনে করি, প্রতিটি নোটের সংখ্যা = ক

প্রশ্নমতে,
(১ × ক) + (৫ × ক) + (১০ × ক) = ৪৮০
⇒ ক + ৫ক + ১০ক = ৪৮০
⇒ ১৬ক = ৪৮০
⇒ ক = ৪৮০/১৬
⇒ ক = ৩০

যেহেতু প্রতিটি নোটের সংখ্যা ৩০টি করে এবং তিন ধরনের নোট রয়েছে,
সুতরাং, মোট নোটের সংখ্যা = (৩০ + ৩০ + ৩০) = ৯০ টি।

∴ তার কাছে মোট ৯০ টি নোট আছে।

১০৭.
'Resilience' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. Fragility
  2. Endurance
  3. Despair
  4. Vulnerability
ব্যাখ্যা

• 'Resilience' শব্দটির সমার্থক শব্দ Endurance।

Resilience (noun) - স্থিতিস্থাপকতা; সংকট কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতা; কষ্ট সহ্য করার শক্তি।
Fragility - ভঙ্গুরতা; যা সহজেই ভেঙে যায় এমন অবস্থা।
Endurance - সহনশীলতা; ধৈর্য; কোনো প্রতিকূলতা সহ্য করার ক্ষমতা।
Despair - নিরাশা; চরম হতাশা।
Vulnerability - অরক্ষিত অবস্থা; আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার ঝুঁকি বা দুর্বলতা।

অপশন বিবেচনায় 'Resilience' শব্দটির সমার্থক শব্দ Endurance.

১০৮.
বর্ষাকালে বাতাসের তাপমাত্রা শীতকালের সমান হওয়া সত্ত্বেও বর্ষাকালে শব্দ দ্রুত শোনা যায় কেন?
  1. বর্ষাকালে বাতাসের ঘনত্ব বেশি থাকে
  2. বর্ষাকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে
  3. বর্ষাকালে বাতাসের চাপ বেড়ে যায়
  4. বর্ষাকালে বাতাসের ওজন বেশি থাকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বর্ষাকালে বাতাসের তাপমাত্রা শীতকালের সমান হওয়া সত্ত্বেও বর্ষাকালে শব্দ দ্রুত শোনা যায় কেন?

সমাধান:
শব্দের বেগ বাতাসের আর্দ্রতার ওপর নির্ভর করে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বাড়লে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।

• জলীয় বাষ্পের প্রভাব (Effect of Humidity):
- জলীয় বাষ্পের ঘনত্ব সাধারণ শুষ্ক বাতাসের ঘনত্বের চেয়ে কম।
- বর্ষাকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য থাকে, যার ফলে বাতাসের সামগ্রিক ঘনত্ব কমে যায়।
- আমরা জানি, শব্দের বেগ ঘনত্বের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক (v ∝ 1/√ρ)। অর্থাৎ ঘনত্ব কমলে শব্দের বেগ বাড়ে।
- যেহেতু আর্দ্র বাতাসের (বর্ষাকাল) ঘনত্ব শুষ্ক বাতাসের (শীতকাল) চেয়ে কম, তাই বর্ষাকালে শব্দ দ্রুত চলে।

এটি একটি সাধারণ ভুল ধারণা যে, পানি যেহেতু বাতাস থেকে ঘন, তাই আর্দ্র বাতাসও ঘন হবে। আসলে জলীয় বাষ্প অক্সিজেন বা নাইট্রোজেনের চেয়ে হালকা।

∴ সঠিক উত্তর হলো (খ) বর্ষাকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে।

১০৯.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 45
  2. 4
  3. 6
  4. 36
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
এখানে, কলামগুলোর (উপর থেকে নিচ) মধ্যে প্যাটার্নটি হলো:
প্রথম সংখ্যা + (দ্বিতীয় সংখ্যা × 2) = তৃতীয় সংখ্যা

প্রথম কলাম: 13 + (7 × 2) = 13 + 14 = 27
দ্বিতীয় কলাম: 54 + (45 × 2) = 54 + 90 = 144

তৃতীয় কলাম (প্রশ্নবোধক চিহ্ন):
ধরি অনুপস্থিত সংখ্যাটি = x
∴ x + (32 × 2) = 68
⇒ x + 64 = 68
⇒ x = 68 - 64
⇒ x = 4

অতএব, প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে 4 বসবে।

১১০.
'Evacuee' এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. সেনাদল
  2. উদার
  3. ব্যতিক্রম
  4. উদ্‌বাস্তু
ব্যাখ্যা

• 'Evacuee' এর বাংলা পরিভাষা - উদ্‌বাস্তু

অন্যদিকে,
Exception - ব্যতিক্রম। 
Garrison - সেনাদল। 
Liberal - উদার।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং অভিগম্য অভিধান।

১১১.
'পঞ্চাকার' নামক পুঁথির লিপির সঙ্গে সাদৃশ্য বিবেচনা করে চর্যাপদের লিপিকাল কত শতকের মনে করা হয়?
  1. নবম শতক
  2. দশম শতক
  3. একাদশ শতক
  4. দ্বাদশ শতক
ব্যাখ্যা

চর্যাপদের পুঁথি:
- চর্যার প্রাপ্ত পুঁথিতে একান্নটি গান ছিল।
- তার মধ্যে একটি (১১ সংখ্যক) পদ টীকাকার কর্তৃক ব্যাখ্যা হয় নি।
- আবার পুঁথির কয়েকটি পাতা নষ্ট হওয়ায় তিনটি সম্পূর্ণ (২৪, ২৫ ও ৪৮ সংখ্যক) পদ এবং একটি (২৩ সংখ্যক) পদের শেষাংশ পাওয়া যায়নি।
- তাই পুঁথিতে সর্বসমেত্ব সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে।
- চর্যাপদের প্রাপ্ত পুঁথিটির লিপিকাল বার বা চৌদ্দ থেকে ষোল শতকের মধ্যে বলে অনুমান করা হয়।
- তবে ১১৯৯ সালে লিপিকৃত 'পঞ্চাকার' নামের পুঁথির লিপির সঙ্গে চর্যাপদের লিপির সাদৃশ্য বিবেচনা করে কেউ কেউ এর লিপিকাল বার শতকের বলে মনে করেন।
- চর্যার পুঁথিটি বাংলা অক্ষরে লিপিকৃত।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস মাহবুল আলম।

১১২.
স্বরধ্বনির অনুনাসিকতা বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
  1. অনুস্বার ( ং )
  2. চন্দ্রবিন্দু ( ঁ )
  3. হসন্ত ( ্‌ )
  4. বিসর্গ ( ঃ )
ব্যাখ্যা

অনুনাসিক স্বরধ্বনি:
- মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে বায়ু শুধু মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে।
- এ সময়ে কোমল তালু স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে।
- কিন্তু ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে কোমল তালু খানিকটা নিচে নেমে গেলে কিছুটা বায়ু নাক দিয়েও বের হয়।
- এর ফলে ধ্বনিগুলো অনুনাসিক হয়ে যায়।
- স্বরধ্বনির এই অনুনাসিকতা বোঝাতে বাংলা স্বরবর্ণের উপরে চন্দ্রবিন্দু (ঁ) ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
 
অনুনাসিক ষ্বরধ্বনি: [ইঁ], [এঁ], [অ্যাঁ], [আঁ], [অঁ], [ওঁ], [উঁ]।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।

১১৩.
'খেদ' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. উল্লাস
  2. নিখুঁত
  3. অনুতাপ
  4. আক্ষেপ
ব্যাখ্যা

• 'খেদ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - উল্লাস

উল্লেখ্য,
'খেদ' শব্দের অর্থ - আক্ষেপ, অনুতাপ।
'হর্ষ' শব্দের অর্থ - আনন্দ, উল্লাস, পুলক, উদ্‌গম, উদ্ভেদ, শিহরন।

অন্যদিকে,
খুঁত - নিখুঁত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১৪.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন সাহিত্যকর্মের সাথে 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে?
  1. বৌ ঠাকুরাণীর হাট
  2. নৌকাডুবি
  3. ঘরে-বাইরে
  4. যোগাযোগ
ব্যাখ্যা

'ঘরে-বাইরে' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস।
- ১৯১৬ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত।
- ঘরে-বাইরে উপন্যাসের সাথে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে
- স্টিভেনসনের সেরাফিনা, অটো ও গোনড্রেমাক যথাক্রমে রবীন্দ্রনাথের বিমলা, নিখিলেশ ও সন্দীপ।
- তবে স্টিভেনসনের উপস্থাপনা ব্যঙ্গাত্মক, সমাপ্তি মিলনাত্মক কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কাহিনী সকরুণ, সিরিয়াস।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস:
- বৌ ঠাকুরাণীর হাট,
- ঘরে বাইরে,
- চোখের বালি,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১১৫.
"যে মোরে করিল পথের বিবাগী, 
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি" - পঙ্‌ক্তিদ্বয় কোন কবিতার অন্তর্গত? 
  1. হাসু
  2. আসমানী
  3. প্রতিদান
  4. প্রতিধ্বনি
ব্যাখ্যা

"যে মোরে করিল পথের বিবাগী,
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি" - পঙ্‌ক্তিদ্বয়ের রচয়িতা - জসীম উদ্‌দীন। কবিতাটি জসীম উদ্‌দীনের 'প্রতিদান' কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
-  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

জসীম উদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১১৬.
কোন শব্দটি বিশেষণ পদ?
  1. ইতিহাস
  2. উৎকর্ষ
  3. দারিদ্র্য
  4. অভ্যস্ত
ব্যাখ্যা

• বিশেষণ পদ - অভ্যস্ত
- 'অভ্যস্ত' শব্দের বিশেষ্য পদ - অভ্যাস।
-  শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- অভ্যাসদ্বারা আয়ত্ত।
- নিত্য আচরণজাত, স্বভাবপ্রাপ্ত।

অন্যদিকে,
বিশেষ্য পদ - ইতিহাস।
বিশেষণ পদ - ঐতিহাসিক।

বিশেষ্য পদ - উৎকর্ষ।
বিশেষণ পদ - উৎকৃষ্ট।

বিশেষ্য পদ - দারিদ্র্য।
বিশেষণ পদ - দরিদ্র।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১৭.
নিচের কোন শব্দটি অন্যটি থেকে ভিন্ন?
  1. ঐশ্বরীক
  2. নিমীলিত
  3. মহীয়সী
  4. ব্যুৎপত্তি
ব্যাখ্যা

• 'ঐশ্বরীক' - শব্দটি অন্যটি থেকে ভিন্ন। কারণ 'ঐশ্বরীক' শব্দটির বানান অশুদ্ধ, বাকি শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
- তাই সঠিক উত্তর - ঐশ্বরীক

• 'ঐশ্বরীক' শব্দের শুদ্ধ বানান - ঐশ্বরিক।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- ঈশ্বরের (ঐশ্বরিক শক্তি), ঈশ্বরসম্বন্ধীয়।

অন্যদিকে,
- নিমীলিত, মহীয়সী এবং ব্যুৎপত্তি - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১৮.
"ধর্ম > ধরম" - এটি কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. বিপ্রকর্ষ
  2. অপিনিহিতি
  3. আদি স্বরাগম
  4. অন্ত্যস্বরাগম
ব্যাখ্যা

বিপ্রকর্ষ, মধ্যস্বরাগম বা স্বরভক্তি:
- মাঝে মাঝে উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি এলে তাকে মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি বলে।

যেমন:
- রত্ন > রতন,
- প্রীতি > পিরীতি,
- গ্রাম > গেরাম,
- ধর্ম > ধরম,
- শ্লোক > শোলোক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

১১৯.
কোন কবি মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের প্রথম জয়যাত্রা শুরু করেন?
  1. কৃত্তিবাস
  2. কবীন্দ্র পরমেশ্বর
  3. দ্বিজ বংশীদাস
  4. কাশীরাম দাশ
ব্যাখ্যা

কৃত্তিবাসের রামায়ণ:
- দীর্ঘ সময় ধরে রামায়ণ কাহিনি দেশে দেশে রসসঞ্চার করে এসেছে।
- বাল্মীকির রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করে কবি কৃত্তিবাস মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্যের প্রথম জয়যাত্রা শুরু করেন। কালের আবর্তে এই অমর কবির প্রকৃত সৃষ্টিরূপ, তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় বিলীন হয়ে গেলেও, তিনি তাঁর অমর সৃষ্টির মাধ্যমে যে অবিনশ্বর ঐতিহ্য প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। 
- তাকে ড. সুকুমার সেন 'অসমসাহসিকতার নামান্তর' বলে অভিহিত করেছেন।
- কৃত্তিবাসের কবিকীর্তি আশ্রয় করেই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে অনুবাদকর্মের সগৌরব সূত্রপাত ঘটেছিল।
- কবির অবদান সম্পর্কে প্রবচনময় ঐতিহ্যের সৃষ্টি হলেও তাঁর মূল সৃষ্টির আস্বাদ লাভ অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে ভূদেব চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, 'ছাপাখানার কল্যাণে ঘরে ঘরে আদি ও অকৃত্রিম কৃত্তিবাসী রামায়ণের যত বিচিত্র আকারের গ্রন্থ বিরাজ করছে, তার একটিতেও এমন এক ছত্র পাওয়া দুরূহ, নিঃসংশয়ে যাকে কৃত্তিবাসের নিজের রচনা বলে দাবি করা যেতে পারে।'
- এর কারণ হিসেবে মনে করা হয় যে, সে আমলে একাধিক পুঁথি রচনা করা কবির পক্ষে সম্ভব হত না। তাই জনগণের মধ্যে পুঁথির প্রচলন হয়নি, কাব্যের প্রচলন হয়েছে পাঁচালি গানের মাধ্যমে। সে আমলে গায়েনের স্মৃতিশক্তিই ছিল কবিগণের সৃজনকীর্তির শ্রেষ্ঠ ধারক।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১২০.
"গুর্বী" - শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. গুরু + বি
  2. গুরু + ইক
  3. গুরু + ঈ
  4. গুরু + বী
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
- উ-কার কিংবা উ-কারের পর উ-কার ও উ-কার ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে উ বাউ স্থানে ব-ফলা হয় এবং লেখার সময় ব-ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়।

যেমন:
- সু + আগত = স্বাগত,
- অনু + ইত = অন্বিত,
- তনু + ঈ = তন্বী,
- গুরু + ঈ = গুর্বী, 
- অনু + এষণ = অন্বেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১২১.
চর্যাপদের কবি কুক্কুরীপা কার গুরু ছিলেন?
  1. জালন্ধরী
  2. ইন্দ্রভূতি
  3. ভাদ্রপা
  4. বজ্রঘণ্ট
ব্যাখ্যা

কুক্কুরীপা:
- ধারণা করা হয় কুক্কুরীপা খ্রিষ্টীয় অষ্টম শতকে বর্তমান ছিলেন।
- তিনি ইন্দ্রভূতির অন্যতম গুরু।
-  তাঁর জন্ম হয়েছিল ব্রাহ্মণ বংশে। তিনি ছিলেন অন্যতম সিদ্ধা।
- তিনি তিব্বতের কাছাকাছি কোনো এক অঞ্চলের বাসিন্দা।
- কুক্কুরীপা চর্যাপদের ২, ২০ ও ৪৮নং পদের রচয়িতা।
- তাঁর রচিত ৪৮নং পদটি খুঁজে পাওয়া যায়নি।

কুক্কুরীপা রচিত পঙক্তি হলো:

"দিবসহি বহুড়ী কাউহি ডর ভাই।
রাতি ভইলে কামরু জাই।।"

অন্যদিকে,
- ভাদেপা'র গুরু ছিলো জালন্ধরীপা, মতান্তরে কাহ্নপা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১২২.
নিচের কোনটি ফারসি শব্দ?
  1. খানসামা
  2. শয়তান
  3. চামেলি
  4. ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• ফারসি শব্দ - খানসামা
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- আহার পরিবেশন করা যার পেশা; পরিচারক, valet।

অন্যদিকে,
আরবি শব্দ - শয়তান। 
বাংলা শব্দ - চামেলি।
তৎসম শব্দ - ঠাকুর।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২৩.
"দুই কান কাটা যার" - ব্যাসবাক্যটি কোন বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত?
  1. প্রত্যয়ান্ত
  2. ব্যাধিকরণ
  3. ব্যতিহার
  4. সমানাধিকরণ
ব্যাখ্যা

ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
- বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ এবং পরপদ কোনোটিই যদি বিশেষণ না হয়, তবে তাকে বলে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি।
যথা:
আশীতে (দাঁতে) বিষ যার = আশীবিষ,
- কথা সর্বস্ব যার = কথাসর্বস্ব।

• পরপদ কৃদন্ত বিশেষণ হলেও ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়।
যেমন:
- দুই কান কাটা যার = দু কানকাটা,
- বোঁটা খসেছে যার = বোঁটাখসা,
অনুরূপভাবে - পাতা-চাটা, পাতাছেঁড়া, ধামাধরা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১২৪.
জ্ঞানদাস কার কাব্যাদর্শ অনুসরণ করেছিলেন?
  1. বিদ্যাপতি
  2. শ্রীচৈতন্যদেব
  3. চণ্ডীদাস
  4. গোবিন্দদাস
ব্যাখ্যা

জ্ঞানদাস:
- সম্ভবত ষোল শতকে বর্ধমান জেলায় কবি জ্ঞানদাসের জন্ম। তিনি চৈতন্যোত্তর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।
- বৈষ্ণব সাধকদের মধ্যেও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিলেন। তিনি বৈষ্ণবগুরু নিত্যানন্দের পত্নী জাহ্নবী দেবীর শিষ্য ছিলেন।
- তিনি চণ্ডীদাসের কাব্যাদর্শ অনুসরণ করে এবং তার সঙ্গে নিজের মৌলিক প্রতিভার সমন্বয়ে রাধাকৃষ্ণের লীলাবর্ণনার মাধ্যমে মানবমানবীর শাশ্বত প্রেমবেদনার কথা ব্যক্ত করেছেন।
- জ্ঞানদাসই প্রথম 'ষোড়শ-গোপাল'-এর রূপ বর্ণনা করে পদ রচনা করেন।
- তিনি বাংলা এবং ব্রজবুলিতে রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক প্রায় দুশ (মতান্তরে চারশ) পদ রচনা করেন। তাঁর রচিত মাথুর ও মুরলীশিক্ষা বৈষ্ণবগীতিকাব্যের দুটি মূল্যবান গ্রন্থ।
- পদরচনায় তিনি বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাসকে অনুসরণ করলেও সংস্কার ত্যাগ করে নিজের মতো করে সরল সুরে পদ রচনা করেন, যে কারণে পাঠক সহজেই তাঁর লেখায় আকৃষ্ট হয়। প্রেম, সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতা জ্ঞানদাসের রচনার মুখ্য বিষয়। বৃন্দাবনের কিশোর-কিশোরীর লীলাকে জ্ঞানদাস মানবজীবনের আলোকে বর্ণনা করেছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া।

১২৫.
বিশেষণ রূপে কোন দ্বিরুক্ত বাচক শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো।
  2. এদিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা।
  3. দেখে দেখে যেও।
  4. ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।
ব্যাখ্যা

ক্রিয়াবাচক শব্দ:

যেমন:
বিশেষণ রূপে: এদিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা। তোমার নেই নেই ভাব গেল না।
স্বল্পকাল স্থায়ী বোঝাতে: দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো।
ক্রিয়া বিশেষণ: দেখে দেখে যেও। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনলে কীভাবে?
পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।

দ্বিরুক্ত শব্দ:
- দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন। বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ, একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়। যেমন- 'আমার জ্বর জ্বর লাগছে।' অর্থাৎ ঠিক জ্বর নয়, জ্বরের ভাব অর্থে এই প্রয়োগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১২৬.
"সে লোকটিকে খুন করেছিল এবং তার মাথা ঠাণ্ডা ছিল।" - বাক্যটির সরল রূপ কোনটি?
  1. সে যে লোকটিকে খুন করেছিলো তার মাথা ঠাণ্ডা ছিলো।
  2. সে ঠাণ্ডা মাথায় লোকটিকে খুন করেছিল।
  3. সে ঠাণ্ডা মাথার কারণে লোকটিকে খুন করেছিল।
  4. সে লোকটিকে খুন করেছিল কিন্তু তার মাথা ঠাণ্ডা ছিল।
ব্যাখ্যা

যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্য:
- যৌগিক বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে; অন্যদিকে সরল বাক্যে থাকে একটি সমাপিকা ক্রিয়া। তাই যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময়ে মাঝখানের সমাপিকা ক্রিয়াকে অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করে নিতে হয়।

যেমন:
যৌগিক বাক্য: সে লোকটিকে খুন করেছিল এবং তার মাথা ঠাণ্ডা ছিল।
সরল বাক্য: সে ঠাণ্ডা মাথায় লোকটিকে খুন করেছিল।

যৌগিক বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত, কিন্তু অভদ্র নয়।
সরল বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত হলেও অভদ্র নয়।

যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।
সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১২৭.
কোন কবিতাটি 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
  1. পূজারিণী
  2. জীবন-বন্দনা
  3. পুবের হাওয়া
  4. বেলাশেষে
ব্যাখ্যা

'জীবন-বন্দনা' কবিতা:
- কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
- 'জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
- সন্ধ্যা কাব্য গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে।
- বাংলাদেশের রণসংগীত "চল চল চল, উর্ধ্ব গগণে বাঝে মাদল" এই কাব্য থেকে নেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে,
'দোলনচাঁপা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা - পূজারিণী, পুবের হাওয়া, বেলাশেষে।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১২৮.
"রাত" - শব্দে কোন কোন ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ আছে?
  1. দন্তমূলীয় এবং মূর্ধন্য
  2. দন্তমূলীয় এবং দন্ত্য
  3. মূর্ধন্য এবং দন্ত্য
  4. দন্ত্য এবং ওষ্ঠ্য
ব্যাখ্যা

• "রাত" - শব্দে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন 'র' এবং দন্ত্য ব্যঞ্জন 'ত' ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ আছে।

দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গােড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
- নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দন্ত্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
- তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে।
- এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরচিত।
 যেমন: 
- পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা।
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১২৯.
শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটকটি বাংলায় অনুবাদ করেন কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা

'ভ্রান্তিবিলাস':
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তিবিলাস' শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটকের অনুবাদ।
- ভ্রান্তিবিলাস রচিত হয় ১৮৬৯ সালে, বিদ্যাসাগরের প্রথম রচনা বেতালপঞ্চবিংশতির বাইশ বছর পরে।
- ভ্রান্তিবিলাস বিশ্বখ্যাত নাট্যকার শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটক অবলম্বনে রচিত।

• বইয়ের 'বিজ্ঞাপন' শিরোনাম অংশে তিনি লিখেছেন:
'কিছু দিন পূর্বে, ইংলন্ডের অদ্বিতীয় কবি শেক্সপীয়রের প্রণীত ভ্রান্তিপ্রহসন পড়িয়া আমার বোধ হইয়াছিল, এতদীয় উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত হইলে লোকের চিত্তরঞ্জন হইতে পারে। তদনুসারে ঐ প্রহসনের উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত ও ভ্রান্তিবিলাস নামে প্রচারিত হইল।'
এরপরে তিনি বলেছেন যে এই নাটকের কাব্য-অংশ শেক্সপীয়রের অন্যান্য নাটকের চেয়ে 'নিকৃষ্ট', কিন্তু এর কাহিনী-অংশ কৌতুকপূর্ণ।
সেজন্য তিনি এই নাটকটি বাংলাভাষায় রূপান্তরের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।
- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন।
- বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থ।

১৩০.
'মুরারি গুপ্তের কড়চা' - এর প্রকৃত নাম কী?
  1. শ্রীচৈতন্যভাগবত
  2. শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম
  3. শ্রীচৈতন্যমঙ্গল
  4. শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
ব্যাখ্যা

শ্রীচৈতন্যদেবের সংস্কৃত জীবনী:
- চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়। নরহরি সরকার, রঘুনাথ দাস প্রমুখেরা চৈতন্যবিষয়ক পদ রচনা করেছিলেন।
- তবে চৈতন্যের প্রথম জীবনী লেখক হিসেবে মুরারি গুপ্ত কৃতিত্বের অধিকারী।
- 'মুরারি গুপ্তের কড়চা' নামে পরিচিত তাঁর কাব্যের প্রকৃত নাম 'শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম'।
- মুরারি গুপ্ত মূলত সিলেটের অধিবাসী ছিলেন এবং পরে নবদ্বীপে শ্রীচৈতন্যের সহাধ্যায়ী ছিলেন। মুরারি গুপ্তের গৃহে চৈতন্যের প্রথম ভাবাবেশ ঘটেছিল বলে জনশ্রুতি বিদ্যমান।
- তিনি চৈতন্যের সমসাময়িক ছিলেন বলে অধিকাংশ ঘটনা নিজেই প্রত্যক্ষ করেছেন।
- কবি মুরারি গুপ্ত চৈতন্য জীবনের প্রথম দিকের সন্ন্যাস জীবন পর্যন্ত বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর কাব্যের মধ্য ও শেষ লীলা অন্যের রচনা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৩১.
'বেঙ্গল গেজেট' - কত খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দে
  2. ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দে
  3. ১৭৮৮ খ্রিষ্টাব্দে
  4. ১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা

'বেঙ্গল গেজেট' পত্রিকা:
- ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে জানুয়ারি কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয় ভারতের প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র জেম্স অগাস্টাস হিকি সম্পাদিত 'বেঙ্গল গেজেট'।
- পত্রিকাটিতে মূলত বিজ্ঞাপন, বিদেশি ইংরেজি পত্রিকা থেকে উদ্ধৃতি, সংবাদদাতাদের বিবরণধর্মী লেখা ছাপা হতো।
- 'পোয়েটস্ কর্নার' বলে একটি বিশেষ অংশ ছিল। প্রকাশের প্রথম মাস দশেক কোনো রাজনৈতিক বিবাদপূর্ণ লেখা প্রকাশিত হয় নি।
- পরে প্রশাসনের বিপক্ষে কিছু লেখা বের হলে ১৭৮০ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ই নবেম্বর ফোর্ট উইলিয়াম থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ডাকঘর মারফত পত্রিকা বিতরণ বন্ধ করা হয়। পরে হিকি মামলায় জড়িয়ে পড়েন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩২.
"দৃশ্য" শব্দে 'দৃশ্' কোন প্রকার ধাতু?
  1. সংস্কৃত
  2. বিদেশি
  3. বাংলা
  4. সংযোগমূলক
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত ধাতু:
- তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতুকে সংস্কৃত ধাতু বলে।

যেমন:
- অক্ + অন = অঙ্কন: ছোটদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিথু প্রথম হয়েছে।
- দৃশ্ + য = দৃশ্য: দুর্ঘটনার মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না।
- কৃ + তব্য = কর্তব্য: ছাত্রদের কর্তব্য লেখাপড়া করা।
- হস্ + য = হাস্য: অকারণ হাস্য-পরিহাস ত্যাগ কর।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১৩৩.
"রাধাকান্ত এবং নয়নতারা" - কোন গ্রন্থের চরিত্র?
  1. সধবার একাদশী
  2. এর উপায় কী
  3. বিয়ে পাগলা বুড়োঁ
  4. মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়
ব্যাখ্যা

'এর উপায় কী' প্রহসন:
- 'এর উপায় কী' প্রহসনটির রচয়িতা 'মীর মশাররফ হোসেন'।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৫ সালে এবং দ্বিতীয় প্রকাশ ১৮৯২ সালে।
- উনিশ শতকে এক শ্রেণির লোক যে স্ত্রীর প্রতি অবহেলা দেখিয়ে মদ ও পতিতাবৃত্তিতে আকৃষ্ট হয়ে নানা ধরনের অনাচার ও উচ্ছৃঙ্খলতায় নিমজ্জিত হয়েছিল- লেখক এই প্রহস্নে সে রকম একটি ঘটনাই তুলে ধরেছেন।

এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- রাধাকান্ত,
- মুক্তকেশী,
- নয়নতারা,
- ইয়ার মদন প্রমুখ।

উল্লেখ্য,
'সধবার একাদশী' গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য চরিত্র - নিমচাঁদ, কেনারাম, সৌদামিনী, গিন্নী, কাঞ্চন ইত্যাদি।
'বিয়ে পাগলা বুড়ো' গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য চরিত্র - নসিরাম, রতা, রাজীব, রাজমণি, কেশব, বৈকুণ্ঠ ইত্যাদি।

মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু। গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু। পরে তাঁর দ্বিতীয়া স্ত্রী বিবি কুলসুমও এক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখেন।
- মশাররফ আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৩৪.
'দরিয়া' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. নদী
  2. পানি
  3. সমুদ্র
  4. খাল
ব্যাখ্যা

'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- সাগর, সিন্ধু, সায়র, দরিয়া, জলধি, অকূল, পাথার, বারিধি, রত্নাকর, নীলাম্বু, পয়োধি, বারীন্দ্র, অর্ণব, পারাবার।

অন্যদিকে,
'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- নদ, গাঙ, স্রোতদ্বিনী, তটিনী, প্রবাহিনী, নির্ঝরিণী, কল্লোলিনী।

'পানি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- জল, সলিল, নীর, পয়ঃ, বারি, অপ, উদক, জীবন, অম্বু।

'খাল' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- জলনালি, নালা, প্রণালি, গর্ত, খাদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১৩৫.
'নিরপরাধী' - শব্দে কোন কারণে অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. সমাস ঘটিত
  2. সন্ধি বিষয়ক
  3. বাহুল্যজনিত
  4. 'তা' প্রত্যয়জনিত
ব্যাখ্যা

• 'নিরপরাধী' - শব্দে সমাস-ঘটিত অপপ্রয়োগ হয়েছে।
- শব্দটির শুদ্ধ প্রয়োগ - নিরপরাধ।

কিছু সমাস সাধিত অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ:
অশুদ্ধ শব্দ শুদ্ধ শব্দ:
- নিরপরাধী - নিরপরাধ;
- অহর্নিশি - অহর্নিশ;
- নিরহঙ্কারী - নিরহঙ্কার;
- নির্দোষী - নির্দোষ;
- পিতাহারা - পিতৃহারা;
- অর্ধরাত্রি - অর্ধরাত্র;
- নিরভিমানী - নিরভিমান।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩৬.
কোন প্রতিষ্ঠান নূরন্নেছা খাতুন কে ‘সাহিত্য সরস্বতী’ উপাধিতে ভূষিত করেন?
  1. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ
  2. নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ
  3. মুসলিম সাহিত্য সমাজ
  4. নিখিল বঙ্গ সাহিত্য সমিতি
ব্যাখ্যা

নূরন্নেছা খাতুন:
- প্রথম মুসলিম মহিলা ঔপন্যাসিক। তিনি ১৯৯৪ সালে মুর্শিদাবাদ জেলার শাহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা খোন্দকার হাবিবুস সোবহান সরকারি চাকুরে ছিলেন। পূর্ব-পুরুষ শাহ তাহের ছিলেন পীর।
- স্বামীর উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় তিনি ইংরেজি শিক্ষার ও সাহিত্যচর্চার সুযোগ পান। স্বামীর কর্মোপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে গমন ও ভ্রমণের ফলে বহির্জগত সম্বন্ধে তাঁর জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়। ফলে একজন সাহিত্যিক হিসেবে তাঁর সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটে।
- কোহিনুর মাসিক পত্রিকার ১৩১৮ সনের বৈশাখ সংখ্যায় নূরন্নেছা খাতুনের ‘আহবান-গীতি’ নামে একটি কবিতা প্রকাশিত হয়।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস স্বপ্নদৃষ্টা ১৯২৩ সালে শ্রীরামপুর (হুগলী) থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। উল্লেখযোগ্য যে, বেগম রোকেয়ার (১৮৮০-১৯৩৩) পদ্মরাগ উপন্যাসটি এর এক বছর পর ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘নিখিল বঙ্গ সাহিত্য সমিতি’ তাঁকে ‘বিদ্যাবিনোদিনী’ এবং ‘নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ‘সাহিত্য সরস্বতী’ উপাধিতে ভূষিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩৭.
অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ইশারা
  2. রাখী
  3. কঙ্কাবতী
  4. কামিনী কাঞ্চন
ব্যাখ্যা

• অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস - কঙ্কাবতী।

অন্নদাশঙ্কর রায়:

- তিনি ১৯০৪ সালের ১৫ মার্চ ভারতের উড়িষ্যা প্রদেশের ঢেঙ্কানলে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, চিন্তাবিদ। 
- তিনি উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত লেখার নাম 'তিনটি প্রশ্ন' (প্রবাসী', ১৯২০)।

তাঁর রচিত প্রধান উপন্যাস:
- যার যথা দেশ,
- অজ্ঞাতবাস,
- কঙ্কাবতী,
- দুঃখমোচন,
- মর্তের স্বর্গ,
- অপসরণ। 

তাঁর রচিত প্রধান প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তারুণ্য,
- ইশারা,
- জীবনশিল্পী,
- বিনুর বই,
- আধুনিকতা,
- জীয়ন কাটি,
- প্রত্যয় ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান কবিতা:
- রাখী,
- কালের শাসন,
- কামনা পঞ্চবিংশতি,
- নূতনা রাধা,
- লিপি,
- জার্নাল,
- ক্রীডো ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান ছোটগল্প:
- প্রকৃতির পরিহাস,
- মন পবন,
- কামিনী কাঞ্চন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৩৮.
'লোকায়ত সাহিত্য' - গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. আহমদ শরীফ
  3. আবদুল কাদির
  4. বদরুদ্দীন উমর
ব্যাখ্যা

• 'লোকায়ত সাহিত্য' প্রবন্ধ গ্রন্থটির রচয়িত আবদুল কাদির
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে। আব্দুল কাদিরের মৃত্যুর পর বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয় 'লোকায়িত সাহিত্য’।

আবদুল কাদির: 
- তিনি ১৯০৬ সালের ১লা জুন আড়াই সিধা গ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, ছান্দসিক, সম্পাদক।
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের (১৯২৬) মাধ্যমে ঢাকায় যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন সংঘটিত হয়, আবদুল কাদির ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা।
- তিনি সংগঠনের মুখপত্র বার্ষিক 'শিখা' (১৯২৭) পত্রিকার প্রকাশক ও লেখক ছিলেন।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- বাংলা কাব্যের ইতিহাস,  
- কবি নজরুল, 
- কাজী আবদুল ওদুদ, 
- লোকায়ত সাহিত্য।

তাঁর রচিত কবিতাগ্রন্থ:
- দিলরুবা ও
- উত্তর বসন্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩৯.
ফররুখ আহমদ রচিত কোন কাব্যগ্রন্থে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিরূপ সমাজের ছবি স্থান পেয়েছে?
  1. সাত সাগরের মাঝি
  2. মুহূর্তের কবিতা
  3. সিন্দাবাদ
  4. হাতেমতায়ী
ব্যাখ্যা

'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ:
- ফররুখ আহমদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে মোট উনিশটি কবিতা স্থান পেয়েছে।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে। এ গ্রন্থের কবিতাগুলি ১৯৪৩-৪৪ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে রচিত।
- মূলত জাগরণের লক্ষ্যে ফররুখ আহমদ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলি লিখেছেন।
- বাংলা প্রচলিত শব্দ পরিত্যাগ করে এ গ্রন্থে কবি বহু অপ্রচলিত আরবি-ফারসি শব্দ গ্রহণ করেছেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিরূপ সমাজের ছবি কাব্যগ্রন্থটিতে স্থান পেয়েছে।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪০.
Choose the masculine gender-
  1. Bride
  2. Doe
  3. Sow
  4. Cob
ব্যাখ্যা

• The masculine gender among the options is- ঘ) Cob.

• Cob (Noun)
- English Meaning: a male swan; a strong horse with short legs.
- Bangla Meaning: (১) রাজহাঁস। (২) খাটো পাওয়ালা ছোট তেজি ঘোড়া।

- অন্যদিকে, বাকি অপশনগুলো হলো feminine gender.
• Bride (বিয়ের কনে; নববধূ) → Female (male: bridegroom).

• Doe (স্ত্রীজাতীয় হরিণ অথবা খরগোশ) → Female deer (male: buck).

• Sow (পূর্ণবয়স্ক শূকরী) → Female pig (male: boar).

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৪১.
Identify the correct antonym of 'Ameliorate':
  1. Assuage
  2. Deteriorate
  3. Alleviate
  4. Decorate
ব্যাখ্যা

• The correct antonym of 'Ameliorate' is- খ) Deteriorate.

• Ameliorate (verb transitive, intransitive)
- English Meaning: To make a bad or unpleasant situation better.
- Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো হওয়া; অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো করা।

• Given Options:
ক) Assuage - (দুঃখ, বেদনা, অনুভূতি, কামনা ইত্যাদি) প্রশমিত করা; উপশম করা।

খ) Deteriorate - অবনতি ঘটা বা ঘটানো।

গ) Alleviate - (যন্ত্রণা, কষ্ট ইত্যাদি) লাঘব করা; উপশম করা।

ঘ) Decorate - অলংকারাদি পরা; অলংকৃত/মুণ্ডিত/ভূষিত/শোভিত করা।

- সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The correct antonym of 'Ameliorate' is- খ) Deteriorate.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৪২.
Identify the common noun:
  1. Victory
  2. Iron
  3. Ring
  4. Audience
ব্যাখ্যা

• 'Ring' is a Common noun. (names a thing of a class)

• Ring (noun) 
- English Meaning: a circular band for holding; a circular piece of jewellery worn especially on your finger.
- Bangla Meaning: [countable noun] আংটি; ধাতু, কাঠ অথবা যেকোনো দ্রব্যের তৈরি বৃত্ত।

- এর plural form হলো- rings.
- যেমন: a key ring, a towel ring, etc.

• Common noun:
- A common noun refers to every person, place or thing of the same class or kind.
- It does not refer to anything in particular.
- যে সব noun দ্বারা নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় সবাইকেই বোঝায় তাদেরকে Common noun বলে। 
- অর্থাৎ, Common noun হলো একটি সাধারণ শ্রেণি বা জাতের নাম, যা সাধারণভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা ধারণাকে নির্দেশ করে।
- যেমন: River, Ring, Book, Doctor, Teacher, Village, City, Sailors, Sheep, infant, etc.

অন্যদিকে,
• Victory (জয়; বিজয়) → Abstract noun.

• Iron (লৌহ; লোহা) → Material noun.

• Audience (শ্রোতৃমণ্ডলী) → Collective noun.

Source:
1. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৪৩.
Fill in the blank: Police subjected him _____ hours of questioning.
  1. to
  2. of
  3. for
  4. over
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Police subjected him to hours of questioning.
- Bangla meaning: পুলিশ তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করেছিল।

• Subject somebody/something to something [phrasal verb]
- English Meaning: [often passive] to make somebody/something experience, suffer or be affected by something, usually something unpleasant.
- Bangla Meaning: (be subject to) বাধ্য/অধীন/অনুবর্তী হওয়া।

- অর্থাৎ, কাউকে বা কোনো কিছুকে বাধ্য/অধীন/অনুবর্তী/মুখোমুখি করা অর্থে  phrasal verb হিসেবে Subject এর সাথে to ব্যবহৃত হয়।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Longman Dictionary.

১৪৪.
What is the correct spelling?
  1. Bourgeuisie
  2. Bourgeouisi
  3. Bourgeoisie
  4. Bourgeoisi
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is- গ) Bourgeoisie.

• Bourgeoisie (Noun)
- English Meaning: members of the middle class.
- Bangla Meaning: সমষ্টিগতভাবে মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোক।

• Example Sentences:
- Marx criticized the hypocritical behaviour of the liberal bourgeoisie.
- The bourgeoisie were rising in economic power and cultural confidence.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৪৫.
His handwriting is similar to ______ his father.
  1. those
  2. that of
  3. those of
  4. that
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: His handwriting is similar to that of his father.

• তুলনা করার সময় প্রথম noun টির possessive case হলে পরেরটিও possessive case হয়।
- দুটি Noun এর মধ্যে পূর্বের Noun এর পুনরাবৃত্তি পরিহার করতে Uncountable Noun এর পরিবর্তে that of এবং Plural Countable Noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহৃত হয়।

- We are comparing one handwriting (his) to another handwriting (his father's).
- Handwriting (singular) → use 'that of' to avoid repetition.
- প্রদত্ত বাক্যে Your handwriting হলো singular unountable Noun তাই, শূন্যস্থানে 'that of' হবে।

১৪৬.
Select the correct sentence:
  1. Women never have so many law degrees as today.
  2. Never so many women received law degrees as today.
  3. Never have so many women received law degrees as today.
  4. Never so many women have received law degrees as today.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: গ) Never have so many women received law degrees as today.

- This sentence uses inversion for emphasis.
- এটি একটি inversion structure যেখানে negative adverb "Never have" দ্বারা subject-verb inversion হয়েছে।

• Inversion:
- প্রশ্ন করতে বা জোর প্রদান করতে বাক্যে subject এর পূর্বে verb ব্যবহৃত হওয়াকে Inversion of verb বলে।

• Negative inversion এর ক্ষেত্রে,
- Negative adverb + Auxiliary verb + Subject + Principal verb + Extension.
- Negative adverb গুলো হচ্ছে Hardly, Barely, Scarcely, Rarely, Seldom, Very seldom, Nowhere, Never, Never again, Never before, No sooner, Neither, Nor, Little (negative) ইত্যাদি।

- এ ধরনের negative বা restrictive adverb দিয়ে বাক্য শুরু হলে বাক্যে 'subject-verb' inversion করতে হয়।
- তাই সঠিক বাক্যটি হবে- গ) Never have so many women received law degrees as today.

Other options:
ক) Women never have so many law degrees as today.
- Awkward and unclear; এটি দ্বারা বুঝাচ্ছে women possess law degrees, not earn degrees.
- এবং এখানে inversion ও হয়নি।

খ) Never so many women received law degrees as today.
- এখানে subject এর আগে auxiliary verb missing আছে তাই এটি ভুল।

ঘ) Never so many women have received law degrees as today.
- inversion এর ক্ষেত্রে, auxiliary verb সর্বদা subject এর আগে আসবে।

১৪৭.
What would be the right synonym of 'Indictment'?
  1. Acquittal
  2. Eulogy
  3. Accusation
  4. Exemption
ব্যাখ্যা

• The right synonym of 'Indictment' is- গ) Accusation.

• Indictment (Noun)
- English Meaning: a formal statement of accusing someone of something.
- Bangla Meaning: অভিযোগ; অভিযোগপত্র।

• Given Options:
ক) Acquittal - বেকসুর খালাস।

খ) Eulogy - উচ্চপ্রশংসা; উচ্চপ্রশংসাসমৃদ্ধ রচনা।

গ) Accusation - অভিযোগ; নালিশ।

ঘ) Exemption - অব্যাহতি; রেহাই; দায়মোচন।

- সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The right synonym of 'Indictment' is- গ) Accusation.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৪৮.
A discussion took place respecting the provision of science teaching.
-The underlined word is a/an-
  1. Participle
  2. Gerund
  3. Adverb
  4. Preposition
ব্যাখ্যা

• A discussion took place respecting the provision of science teaching.
- The underlined word is a Preposition.

- এখানে respecting হচ্ছে Participle Preposition, যা ‍এখানে (about or relating to something) বা সম্পর্কিত অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• Respecting (Preposition):
- English Meaning: with respect to: concerning/ considering/regarding; about or relating to something.
- Bangla Meaning: (preposition(al)) সম্পর্কিত; ব্যাপারে; বিবেচনায়।

• Participial Preposition:
- concerning/ respecting/regarding, considering, following, including, excluding, barring/excepting, ইত্যাদি participle গুলো noun phrase -এর পূর্বে বসে Preposition হিসেবে কাজ করে।
- যেমন:
- He did well considering his limitations.
- He died following the incident.
- He answered all the questions excepting the last one.

Source:
1. Longman Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৪৯.
The effects of climate change _______ devastating.
  1. is
  2. are
  3. had
  4. have
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The effects of climate change are devastating.

• Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,
- Subject -এর সাথে preposition দিয়ে যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি যুক্ত থাকে তারা কখনোই verb -এর উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।
- তাই সাধারণত preposition/ prepositional phrase -এর পূর্বের subject অনুসারে বসে।
- অর্থাৎ, preposition/ prepositional phrase -এর পূর্বের subject টি plural হলে verb টি plural হবে এবং subject টি singular হলে verb টি singular হবে।
- কিন্তু একই sentence -এ একাধিক noun -এর পূর্বে একাধিক preposition ব্যবহৃত হলে প্রথম preposition -এর পূর্বে ব্যবহৃত noun অনুযায়ী verb বসবে।

- প্রদত্ত বাক্যে subject হলো "The effects" (plural), তাই verb টিও plural (are) হবে।
- "of the climate change" is a prepositional phrase modifying effects, not the subject.

More examples:
- The prices of rice are rising.
- The colour of her eyes is blue.

১৫০.
He is used to getting up early, _______ ?
  1. didn't he
  2. doesn't he
  3. isn’t he
  4. usedn't he
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: He is used to getting up early, isn’t he?
- Bangla Meaning: সে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে অভ্যস্ত, তাই নয় কি?

• Explanation:
- Tag question -এর নিয়মানুযায়ী, affirmative sentence -এর tag টি negative হয়।
- Auxiliary verb -এর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।

- "be used to" is a present structure (meaning "accustomed to / in the habit of").
- Be used to" = অভ্যস্ত হওয়া (একটি state/condition).
- এখানে main verb হলো "is" (the verb "to be").
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক tag টি হবে- isn’t he?

Source:
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

১৫১.
"Pandemonium" means-
  1. Orderliness
  2. Commotion
  3. Heaven
  4. Tranquility
ব্যাখ্যা

• "Pandemonium" means- Commotion.

• Pandemonium (noun)
- English Meaning: a chaotic situation; noisy confusion and wild excitement.
- Bangla Meaning: হৈচৈপূর্ণ অস্বাভাবিক বিশৃঙ্খলা; এরূপ বিশৃঙ্খলার স্থান।

- আবার Pandemonium দ্বারা the infernal regions: hell (the capital of Hell in Milton's Paradise Lost) বুঝানো হয়।

• Given Options:
ক) Orderliness - সুশৃঙ্খল; সুবিন্যস্ততা।

খ) Commotion - হৈচৈ; উত্তেজনা।

গ) Heaven - স্বর্গ; স্বর্গলোক; জান্নাত; পরলোক; লোকান্তর।

ঘ) Tranquility - প্রশান্তি; শান্ত অবস্থা।

- সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, "Pandemonium" অর্থ হলো- Commotion.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৫২.
Fill in the blank with the correct verb: Ayan denied _________ the window.
  1. to break
  2. break
  3. breaking
  4. broke
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Ayan denied breaking the window.

• Deny doing something
- সাধারণত যা deny বা অস্বীকার করা হয়েছে তা বুঝাতে deny + gerund ব্যবহৃত হয়।
- Often we use -ing for an action that happens before the first verb or at the same time.

More examples:
- He denied stealing the money.
- She denied knowing anything about it.

- কিছু কিছু verb আছে যেগুলোর পরে gerund (verb+ing) ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: admit, avoid, consider, deny, enjoy, forget, mind, pardon, postpone, recall, save, stop, etc.

Source: 
1. Intermediate English Grammar by Raymond Murphy.
2. Cambridge Dictionary.

১৫৩.
Which of the following is correct?
  1. The walls of our house has been painted green.
  2. The walls of our house have been painted green.
  3. The walls of our house have been painted with green.
  4. The walls of our house have been painted by green.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: The walls of our house have been painted green.

- বাক্যটি সম্পূর্ণ করতে উল্লিখিত শূন্যস্থানে কোনো preposition এর প্রয়োজন নেই।
- 'Paint' verbটি - to cover a surface with paint এই অর্থে ব্যবহৃত হলে এরসাথে preposition (by, in, with) ব্যবহার হয় না।

• Paint (verb)
- English Meaning: to cover a surface with paint.
- Bangla Meaning: রঙের প্রলেপ দেওয়া; রং করা।

 তবে, 
• Paint (verb) - to make a picture using paints অর্থে paint এর সাথে by বসে।
- All these pictures were painted by local artists.

• Paint (verb) - to cover with another layer of paint অর্থে paint এর সাথে over বসে।
-  I'll need to paint over these dirty marks on the wall.

অন্যদিকে,
ক) The walls of our house has been painted green.
- subject হলো "The walls" (plural), তাই verb টি has না হয়ে plural (have) হবে।

গ) The walls of our house have been painted with green.
- কোনো tool দ্বারা paint করা হলে তখন "With" ব্যবহার হয়। ("painted with a brush").

ঘ) The walls of our house have been painted by green. 
- "By" is used for the agent/doer ("painted by the workers").

১৫৪.
The idiomatic meaning of "slow coach" is-
  1. One who is unthoughtful
  2. One who is careless
  3. One who is slow
  4. One who is irresponsible
ব্যাখ্যা

• The idiomatic meaning of "slow coach" is- One who is slow.

• Slow coach [noun]
- English Meaning: one who is slow or is lethargic in temperament: one who thinks or moves slowly.
- Bangla Meaning: খুবই অলস;  কাজকর্মে শ্লথগতি বা নির্বোধ বা সেকেলে ধ্যানধারণা পোষণকারী অনগ্রসর লোক।

• Ex. Sentence: A slow coach can't shine in life.
- Bangla Meaning: অলস ব্যক্তি জীবনে উন্নতি লাভ করতে পারে না।

অন্যদিকে,
• Unthoughtful → অবিবেচক।

• Careless → অসতর্ক; অমনোযোগী।

• Irresponsible → দায়িত্বহীন।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৫৫.
It was recommended that she ______ for a leave of absence.
  1. apply
  2. applied
  3. applies
  4. had applied
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: It was recommended that she apply for a leave of absence.

• Present Subjunctive -এর নিয়মানুসারে,
- Principal clause -এ Present Subjunctive হিসেবে 'recommended' থাকায় that যুক্ত sub-ordinate clause -এ Subject -এর পরে verb -এর base form 'apply' হবে।
- অন্য অপশনগুলোতে Present Subjunctive -এর ভুল ব্যবহার রয়েছে।

• Present Subjunctive:
- চাওয়া বা ইচ্ছা প্রকাশ করতে sub-ordinate clause -এ verb -এর base form ব্যবহারের রীতিই হলো- Present Subjunctive.
- এক্ষেত্রে structure হলো: Subject + verb (any tense)/Adjective + that + subject + verb -এর base form + ext. হয়।
- এক্ষেত্রে that যুক্ত sub-ordinate clause -এ সর্বদাই verb -এর base form হবে।
- 'be verb' এর ক্ষেত্রে শুধু 'be' বসে।
- British English -এ should + base form ব্যবহার হয়।

- প্রদত্ত বাক্যে "It was recommended that..." থাকায় subjunctive mood ব্যবহার হবে।

• Present Subjunctive হিসেবে ব্যবহৃত Adjective:
- proposed, recommended, suggested, urgent, important, mandatory, necessary, obligatory, etc.

Source:
1. Cliffs TOEFL. 
2. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

১৫৬.
Choose the correct passive form of:
"We elected him a member of parliament."
  1. He was elected to a member of parliament by us.
  2. He is a member of parliament elected by us.
  3. He was elected a member of parliament by us.
  4. A member of parliament elected by us.
ব্যাখ্যা

- Active: We elected him a member of parliament.
- Passive: He was elected a member of parliament by us.

• Factitive object/complementary object যুক্ত active voice কে passive voice এ পরিবর্তন করার নিয়ম:
- প্রদত্ত Pronominal object -টি (me, us, you, them, him, her) / নামবাচক object টি Subject হিসেবে বসে।
- Tense ও person অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- মূল verb এর past participle বসে।
- Factitive object টি বসে।
- by বসে + Subject টির objective form বসে।

More example:
- Active: We elected him mayor.
- Passive: He was elected mayor by us.

• Factitive object:
- Select, elect, nominate, make, call, name, ইত্যাদি Factitive verb গুলোর object থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণরূপে অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। পরিপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করার জন্য অতিরিক্ত object আনতে হয়। এইরূপ অতিরিক্ত object কে Factitive object বলে।
- যেমন: We made him captain.
- এখানে 'captain' হলো Factitive object.

১৫৭.
The indirect speech: He asked me, "Must you leave now?"
  1. He asked me if I must leave then.
  2. He asked me if I must have left then.
  3. He asked me if I had to leave now.
  4. He asked me if I had to leave then.
ব্যাখ্যা

- Direct speech: He asked me, "Must you leave now?"
- Indirect speech: He asked me if I had to leave then.

• Must যুক্ত interrogative sentence -এর Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরের নিয়ম:
- প্রথমে Reporting verb এর subject বসে।
- Reporting verb হিসেবে ask/asked বসে।
- Inverted comma উঠে if/whether বসে।
- অবশ্য করণীয় অর্থে must থাকলে Indirect speech এ had to হয়।
- to এর পর verb এর base form বসবে।
- বাকি অংশ বসে।
- Indirect speech- এ Now → then হয়।

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.

১৫৮.
"Beauties in vain their pretty eyes may roll;
Charms strike the sight, but merit wins the soul."
-This famous line is taken from Alexander Pope's notable poem _____ .
  1. Windsor-Forest
  2. The Rape of the Lock
  3. The Dunciad
  4. An Essay on Criticism
ব্যাখ্যা

•"Beauties in vain their pretty eyes may roll;
Charms strike the sight, but merit wins the soul."
-This famous line is taken from Alexander Pope's notable poem The Rape of the Lock.

• The Rape of the Lock: 
- এটি Alexander Pope রচিত।
- এটি একটি mock-heroic Epic.
- এটি একটি ৭৯৪ লাইনের একটি গুরুগম্ভীর কিন্তু হাস্যরসাত্মক কবিতা।
- Heroic couplets ব্যবহার করে এটি রচিত হয়।
- এই কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন-
- "Beauties in vain their pretty eyes may roll;
Charms strike the sight, but merit wins the soul."

• Alexander Pope (1688-1744):
- তিনি Neo-Classical Period- এর 'Augustan Age' -এর একজন কবি ও satirist.
- তার নাম অনুসারে Augustan Age -এর নামকরণ করা হয় 'Age of Pope'.
- তিনি 'Mock Heroic Poet' নামে পরিচিত।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের বুদ্ধিদীপ্ত সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। 
- তিনি গ্রিক কবি Homer -এর কালজয়ী সৃষ্টি 'The Iliad' & 'The Odysse' কাব্যগ্রন্থ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।

• Some of his famous quotes:
- Fools rush in where angels fear to tread.
- A little Learning is a dangerous Thing.
- To err is human, to forgive, divine.
- A little learning is a dangerous thing.
- An honest man is the noblest work of God.
- Charms strike the sight, but merit wins the soul.
- Blessed is he who expects nothing, for he shall never be disappointed.
- The proper study of mankind is man.
- Hope springs eternal in the human breast;
Man never is, but always to be blest.

• Notable Works:
- An Essay on Criticism,
- An Essay on Man,
- The Rape of the Lock,
- The Dunciad,
- The New Dunciad,
- Windsor-Forest,
- An Epistle to Dr. Arbuthnot,
- The Imitation of Horace, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৫৯.
“Was this the face that launch'd a thousand ships,
And burnt the topless towers of Ilium?"
-Who utters the famous lines?
  1. Antony
  2. Romeo
  3. Faustus
  4. Caesar
ব্যাখ্যা

→ (41st BCS Preli)
• “Was this the face that launch'd a thousand ships,

And burnt the topless towers of Ilium?"
- This is uttered by Doctor Faustus.

• Doctor Faustus:
- In full: The Tragicall History of D. Faustus.
- 'Doctor Faustus' হলো Christopher Marlowe -এর লেখা একটি পাঁচ acts বিশিষ্ট tragedy, যা ১৬০৪ সালে প্রকাশিত হয়, তবে এর মঞ্চায়ন তার এক দশক আগে হয়েছিল।
- Doctor Faustus নাটকে Christopher Marlowe গল্পটি নতুনভাবে উপস্থাপন করেন, যেখানে এক ডাক্তার জাদুবিদ্যার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে জ্ঞান ও ক্ষমতা অর্জনের জন্য শয়তানের সঙ্গে চুক্তি করে।
- Faustus ২৪ বছর অসীম জ্ঞান ও শক্তি ভোগ করবে, কিন্তু এর পর তার আত্মা শয়তানের দখলে চলে যাবে।
- ২৪ বছর পর চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে, Faustus অনুতপ্ত হয় এবং মুক্তি চাইতে চায়, কিন্তু তখন আর দেরি হয়ে গেছে। শয়তান আসে এবং তার আত্মাকে নরকে নিয়ে যায়।
- নাটকে Doctor Faustus এবং শয়তানের দূত Mephistopheles চরিত্র দুটি খুব দক্ষতার সঙ্গে চিত্রিত হয়েছে।
- Marlowe - Doctor Faustus -এর উচ্চাকাঙ্ক্ষী জ্ঞানলাভের আকাঙ্ক্ষাকে বিশ্লেষণ করেছেন, যা শেষ পর্যন্ত বৃথা, আত্মবিধ্বংসী এবং হাস্যকর বলে প্রতীয়মান হয়।

• Quotes from Dr. Faustus:
- "Sweet Helen, make me immortal with a kiss:
Her lips suck forth my soul, see where it flies!"

- "Was this the face that launch'd a thousand ships,
And burnt the topless towers of Ilium?"

• Christopher Marlowe (1564-1593):
- তিনি একজন Elizabethan poet.
- তিনি একজন University Wit ছিলেন।
- Shakespeare -এর আগে তিনিই ছিলেন English drama -এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
- He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.

• Notable works:
- Doctor Faustus,
- Tamburlaine the Great,
- The Jew of Malta,
- Edward II,
- Hero and Leander (poem), etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৬০.
Who wrote the novel "The Vegetarian"?
  1. James Joyce
  2. Pearl S. Buck
  3. Han Kang
  4. Jon Fosse
ব্যাখ্যা

• The novel "The Vegetarian" was written by Han Kang.

• The Vegetarian:
- "The Vegetarian" হলো দক্ষিণ কোরিয়ান নোবেলজয়ী লেখিকা Han Kang-এর লেখা উপন্যাস।
- The Vegetarian উপন্যাসটি ২০০৭ সালে Chaesikjuuija নামে প্রকাশিত হয়; পরবর্তীতে ইংরেজিতে ২০১৫ সালে "The Vegetarian" নামে প্রকাশিত হয়।
- এটি Han Kang-এর প্রথম উপন্যাস যা ইংরেজিতে অনূদিত হয়।
- উপন্যাসটি ২০১৬ সালে International Booker Prize অর্জন করে।
- উপন্যাসটি শুরুতে ১৯৯৭ সালের একটি ছোটগল্প “The Fruit of My Woman” থেকে উদ্ভূত।
- গল্পে এক তরুণী হঠাৎ মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেয়, যার ফলে তার পরিবার ও সমাজের সঙ্গে ভয়ংকর সংঘাত তৈরি হয়।

• Han Kang (1970-):
- জন্ম ১৯৭০, গওাংজু, দক্ষিণ কোরিয়া।
- একজন প্রখ্যাত দক্ষিণ কোরিয়ান ঔপন্যাসিক।
- তিনি ২০২৪ সালে প্রথম দক্ষিণ কোরীয় ও ১৮তম নারী হিসেবে সাহিত্যে নোবেলজয়ী ব্যক্তি।
- তিনি পরীক্ষামূলক উপন্যাস রচনা এবং মানবজাতির সহিংসতার প্রবণতা নিয়ে লেখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• Notable Works:
- Greek Lessons,
- We Do Not Part,
- The Vegetarian,
- Human Acts,
- The White Book, etc.

Source: Britannica.

১৬১.
"An Elegy Written in a Country Church Yard" belongs to-
  1. Neoclassical period
  2. Romantic Period
  3. Modern Period
  4. Victorian period
ব্যাখ্যা

• "An Elegy Written in a Country Church Yard" belongs to- Neoclassical period.
- এটি লিখেছেন 'the Age of Sensibility' এর বিখ্যাত Graveyard Poet - Thomas Gray.

• An Elegy Written in a Country Church Yard:
- Thomas Gray রচিত একটি Elegy বা শোকগাঁথা এটি।
- A meditative poem written in iambic pentameter quatrains published in 1751.
- ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা রত্নভান্ডার বলা যেতে পাারে এই সাহিত্যটিকে।
- A meditation on unused human potential, the conditions of country life, and mortality, An Elegy Written in a Country Church Yard is one of the best-known elegies in the language.
- এখানে মূলত: কবরস্থানে বসে একজন বর্ণনাকারী অত্যন্ত করুন এবং স্পষ্ট ভাষায় তার চারপাশের বর্ণনা দিয়ে যাচ্ছে।

• Thomas Gray (1716-1771):
- Thomas Gray একজন ইংরেজ কবি, পণ্ডিত এবং অধ্যাপক, যিনি তাঁর আবেগময় এবং প্রতিফলিত কবিতার জন্য সবচেয়ে পরিচিত।
- তিনি একজন বিখ্যাত Graveyard Poet.
- তিনি আঠারো শতকের মধ্যভাগের একজন প্রভাবশালী কবি ছিলেন এবং Romantic movement -এর পূর্বসূরী ছিলেন।
- তার বিখ্যাত Elegy হলো 'Elegy Written in a Country Churchyard'.
- তিনি 'The Age of Sensibility' -এর একজন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক।

• His famous quotations:
- 'Where ignorance is bliss, it is folly to be wise."
- "Full many a flower is born to blush unseen,
And waste its sweetness on the desert air."
- "The paths of glory lead but to the grave."
- "Sorrow never comes too late."

• Notable works:
- “An Elegy Written in a Country Church Yard”,
- “Ode on a Distant Prospect of Eton College”,
- “The Bard”,
- “The Progress of Poesy”, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৬২.
"Man's love is of man's life a thing apart,
'Tis woman's whole existence."
The line was written by _______ .
  1. Alfred Tennyson
  2. John Donne
  3. Lord Byron
  4. Jane Austen
ব্যাখ্যা

• "Man's love is of man's life a thing apart,
'Tis woman's whole existence."
- The line was written by Lord Byron.
- উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে Lord Byron-এর রচিত ব্যঙ্গাত্মক মহাকাব্যিক কবিতা Don Juan থেকে। 

• Don Juan:
- Romantic period এর অন্যতম poet and satirist Lord Byron এর অনবদ্য সৃষ্টি Don Juan হচ্ছে a satire in the form of a picaresque verse tale.
- এটি  Lord Byron রচিত একটি unfinished satirical epic poem.
- তার জন্ম স্পেনের সেভিল শহরে।
- এই কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Don Juan যাকে ঘিরে কবিতার মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে এবং তার নামেই কবিতাটির নামকরণ করা।
- Don Juan কে এখানে চিত্রায়িত করা হয়েছে womanizer এবং easily seduced by women হিসেবে।
- কবিতাটি প্রায় পাঁচ হাজার লাইন বিশিষ্ট।

• এই poem এর কিছু বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
- "Sweet is revenge—especially to women."
- "Pleasure's a sin, and sometimes sin's a pleasure."
- "Man's love is of man's life a thing apart,
'Tis woman's whole existence."
- "Tis strange,-but true; for truth is always strange;
Stranger than fiction: if it could be told,
How much would novels gain by the exchange!
How differently the world would men behold!"

• Lord Byron (1788-1824):
- Lord Byron এর পুরো নাম George Gordon Byron.
- তিনি একজন British Romantic poet এবং satirist.
- His poetry and personality captured the imagination of Europe.

• Notable works:
- Beppo,
- Childe Harold’s Pilgrimage,
- Don Juan,
- Giaour,
- Lara,
- Manfred,
- The Bride of Abydos,
- The Prisoner of Chillon,
- The Corsair,
- Hours of Idleness,
- Heaven and Earth.

Poem:
- She walks in Beauty,
- The Vision of Judgement.

- Poetic dramas: Marino Faliero, Sardanapalus, The Two Foscari, and Cain.

Source: Britannica.

১৬৩.
Which novel is written by an English novelist?
  1. Things Fall Apart
  2. Nineteen Eighty-four
  3. The God of Small Things
  4. East Wind, West Wind
ব্যাখ্যা

• The novel 'Nineteen Eighty-four' is written by an English novelist.
- Nineteen Eighty-Four হলো ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক George Orwell রচিত একটি বিখ্যাত ডিস্টোপিয়ান (dystopian) উপন্যাস।

• Nineteen Eighty-Four/1984:
- The novel was published in 1949 as a warning against totalitarianism.
- এই উপন্যাসে ভবিষ্যৎ সমাজের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে রাষ্ট্র মানুষের চিন্তা, ভাষা ও ব্যক্তিগত জীবন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
- গল্পের পটভূমি Oceania নামক একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র, যেখানে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী Big Brother.
- সরকার সর্বক্ষণ জনগণের ওপর নজরদারি চালায় টেলিস্ক্রিন ও গোপন পুলিশের মাধ্যমে।
- সত্যকে বদলে ফেলার জন্য ইতিহাস পুনর্লিখন করা হয় এবং ভাষাকে সীমাবদ্ধ করার জন্য তৈরি করা হয় Newspeak.
- সরকার জনগণের ব্রেইনওয়াশ করে এবং বিন্দুমাত্র সমালোচনাও না করতে উৎসাহ দেয়।
- সরকার দলের স্লোগান ছিল: “War is peace,” “Freedom is slavery,” and “Ignorance is strength.”
- গল্পের নায়ক Winston Smith, যিনি সরকারবিরোধী চিন্তা পোষণ করলেও তা প্রকাশ করতে ভয় পান। তিনি সত্য ও স্বাধীনতার সন্ধানে বের হন এবং Julia-র সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের নির্মম দমন-পীড়নের কাছে তিনি পরাজিত হন।
- এরপর Thought Criminal হিসেবে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।

• Important terms:
• Big Brother: (Big Brother is watching you).
- রাষ্ট্রের সর্বময় শাসক ও নজরদারির প্রতীক।
• The Party:
- রাষ্ট্র পরিচালনাকারী শাসক দল, যা মানুষের চিন্তা ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
• Newspeak:
- রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত ভাষা; চিন্তার পরিসর সংকুচিত করার জন্য তৈরি।
• Thought Police:
- চিন্তা-অপরাধ শনাক্ত ও দমনকারী গোপন পুলিশ।
• Thoughtcrime:
- রাষ্ট্রবিরোধী চিন্তা করাই অপরাধ।

• ​George Orwell (1903-1950):
- তিনি একজন British novelist, essayist এবং critic.
- Also known as: Eric Arthur Blair.
- তিনি ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণ করেন।
- Animal Farm এবং Nineteen Eighty-Four George Orwell দুটি বিখ্যাত কালজয়ী উপন্যাস।

• Notable Works (Novels):
- A Clergyman’s Daughter,
- Animal Farm,
- Nineteen Eighty-Four/1984,
- Burmese Days,
- Coming up for Air,
- Homage to Catalonia,
- Keep the Aspidistra Flying,
- Down and Out in Paris and London.
- The Lion and the Unicorn,
- The Road to Wigan Pier.

• Story/Essay:
- Shooting an Elephant (autobiographical expository prose),
- A Hanging (autobiographical expository prose).

অন্যদিকে,
- Things Fall Apart → by Nigerian author Chinua Achebe.

- The God of Small Things  → by Indian author Arundhati Roy.

- East Wind, West Wind → by American author Pearl S. Buck.

Source: Britannica.

১৬৪.
"But be not afraid of greatness:
some are born great, some achieve greatness,
and some have greatness thrust upon 'em."
-This extract is taken from the drama-
  1. As You Like It
  2. Hamlet
  3. Macbeth
  4. Twelfth Night
ব্যাখ্যা

•"But be not afraid of greatness: 
some are born great, some achieve greatness,
and some have greatness thrust upon 'em."
- This extract is taken from the drama 'Twelfth Night'.

• Twelfth Night:
- এটি Shakespeare লিখিত একটি বিখ্যাত Comedy নাটক।
- Twelfth Night, in full Twelfth Night; or, What You Will.
- 5 acts বিশিষ্ট একটি comedy.
- One of Shakespeare’s finest comedies, Twelfth Night, precedes the great tragedies and problem plays in order of composition.

• Main characters:
- Viola,
- Sebastian,
- Duke Orsino,
- Lady Olivia,
- Malvolio,
- Sir Toby Belch,
- Maria,
- Sir Andrew Aguecheek,
- Feste, etc.

• Famous quotes from Twelfth Night:
- "But be not afraid of greatness: 
some are born great, some achieve greatness,
and some have greatness thrust upon 'em."

- “If music be the food of love, play on,
Give me excess of it; that surfeiting,
The appetite may sicken, and so die.”

- “Better a witty fool, than a foolish wit.”

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.

১৬৫.
“The Importance of Being Earnest: A Trivial Comedy for Serious People” was authored by-
  1. Henrick Ibsen
  2. J. M. Synge
  3. Oscar Wilde
  4. George Bernard Shaw
ব্যাখ্যা

• “The Importance of Being Earnest: A Trivial Comedy for Serious People” was authored by Oscar Wilde.

• The Importance of Being Earnest:
- In full The Importance of Being Earnest: A Trivial Comedy for Serious People.
-  Oscar Wilde-এর three act বিশিষ্ট বিখ্যাত হাস্যরসাত্মক নাটক।
- ১৯৯৫ সালে নাটক টি প্রথম মঞ্চস্থ হয়েছিল এবং ১৮৯৯ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- এটি মূলত একটি social satire about Victorian social hypocrisy.
- এই নাটকটি ভিক্টোরিয়ান সমাজের ভণ্ডামি ও সামাজিক মূল্যবোধকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করেছে।
- তীক্ষ্ণ রসবোধ ও বুদ্ধিদীপ্ত সংলাপের জন্য এটি Oscar Wilde -এর সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়।

• Main Characters:
- Jack Worthing,
- Cecily Carde,
- Ernest (imaginary),
- Gwendolen Fairfax,
- Lady Bracknell,
- Algernon Moncrieff.

• Oscar Wilde (1854-1900):
- Oscar Wilde ছিলেন আয়ারল্যান্ডের অন্যতম বিখ্যাত নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, কবি এবং সমালোচক।
- তিনি তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত রসবোধ, ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্য ও নান্দনিকতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- তিনি ছিলেন সাহসী, প্রতিভাবান এবং ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্যের অগ্রদূত।
- তার নাটক, উপন্যাস ও গল্প আজও সাহিত্যপ্রেমীদের মুগ্ধ করে এবং তার রচনাগুলো আধুনিক সমাজেও প্রাসঙ্গিক।
- He was a spokesman for the late 19th-century Aesthetic movement in England, which advocated art for art’s sake.

• Notable works:
- The Picture of Dorian Gray,
- A Woman of No Importance,
- The Importance of Being Earnest,
- An Ideal Husband,
- Intentions,
- The Happy Prince and Other Tales, etc.

Source:
1. Britannica.
2. English Essence by Live MCQ.

১৬৬.
"My heart aches, and a drowsy numbness pains
My sense, as though of hemlock I had drunk"
-These lines are taken from the poem-
  1. Ode on Melancholy
  2. Ode to a Nightingale
  3. Ode to the West Wind
  4. The Solitary Reaper
ব্যাখ্যা

 •"My heart aches, and a drowsy numbness pains
My sense, as though of hemlock I had drunk"
-These lines are taken from the poem- Ode to a Nightingale.
- এই লাইনগুলো John Keats -এর কবিতা 'Ode to a Nightingale' থেকে নেওয়া হয়েছে।

• Ode to a Nightingale:
- এই কবিতাটি শুরু হয়েছে এই লাইনটি দিয়ে।
- John Keats রচিত "Ode to a Nightingale" কবিতাটি প্রকৃতি, সৌন্দর্য, মৃত্যু এবং বাস্তবতা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লেখা এক অনন্য সৃষ্টি।
- আটটি স্তবকে রচিত কবিতা যা "Lamia, Isabella, The Eve of St. Agnes, and Other Poems" (১৮২০) গ্রন্থে প্রকাশিত হয়।
- এটি কবির বাগানে বাসা বাঁধা একটি বুলবুলির গানের দ্বারা অনুপ্রাণিত।
- এই কবিতাটিকে গণ্য করা হয় meditation upon art and life হিসেবে।
- কবিতায় মূলত Nightingale পাখিকে দেখানো হয়েছে অমরত্বের প্রতীক হিসেবে।
- "Ode to a Nightingale" কবিতায় Keats প্রকৃতি ও কল্পনার মধ্য দিয়ে বাস্তব জীবনের দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। তবে কবি বুঝতে পারেন যে, মানুষকে বাস্তবতা মেনে নিতেই হয়।

• Famous Lines from this Poem:
- "My heart aches, and a drowsy numbness pains
My sense, as though of hemlock I had drunk"

- "Thou wast not born for death, immortal Bird!"

- "Forlorn! the very word is like a bell."

• John Keats (1795-1821):
- John Keats একজন English Romantic lyric poet ছিলেন।
- তিনি প্রকৃতি, সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়ে গভীরভাবে লিখেছেন।
- তিনি মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেও, তার লেখা কবিতা তাকে চিরস্মরণীয় কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি। 
- তার কাব্য সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য আজও বিশ্ব সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।

• Some Famous Quotations of John Keats:
- "Beauty is truth, truth beauty." (Ode on a Grecian Urn)
- "A thing of beauty is a joy forever:
Its loveliness increases; it will never
Pass into nothingness." (Endymion)
- "Heard melodies are sweet, but those unheard
 Are sweeter." (Ode on a Grecian Urn)
- "Where are the songs of spring? Aye, where are they?" (To Autumn)

• Famous poems:
- Ode to Psyche,
- Ode to a Nightingale
- Ode on Melancholy,
- Ode on a Grecian Urn,
- To Autumn,
- Bright Star,
- On First Looking into Chapman's Homer,
- Lamia,
- Hyperion,
- The Eve of St. Agnes,
- La Belle Dame Sans Merci, etc.

অন্যদিকে,
গ) Ode to the West Wind লিখেছেন P. B. Shelley.

ঘ) The Solitary Reaper লিখেছেন William Wordsworth.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১৬৭.
Who is the writer of the biographical and critical work “The Lives of the English Poets”?
  1. Samuel Johnson
  2. Matthew Arnold
  3. John Milton
  4. Thomas Carlyle
ব্যাখ্যা

• The biographical and critical work “The Lives of the English Poets” was written by Samuel Johnson.

• The Lives of the Poets:
- Also known as: “Prefaces, Biographical and Critical, to the Works of the English Poets”, “The Lives of the English Poets”.
- Samuel Johnson রচিত একটি বিখ্যাত সমালোচনামূলক গ্রন্থ। এটি ১৭৭৯–১৭৮১ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়।

- এই গ্রন্থে জনসন ইংরেজি সাহিত্যের ৫২ জন কবির জীবনী ও সাহিত্যকর্মের সমালোচনা করেছেন। তিনি শুধু কবিদের জীবনের তথ্যই দেননি, বরং তাদের কবিতার গুণ, সীমাবদ্ধতা, শৈলী, ভাষা ও নৈতিক দিক বিশ্লেষণ করেছেন। জনসনের সমালোচনা যুক্তিনির্ভর, স্পষ্ট এবং অনেক ক্ষেত্রে নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা প্রভাবিত।

• Dr. Samuel Johnson (1709-1784):
- তিনি একাধারে একজন English critic, biographer, essayist, poet এবং lexicographer.
- ১৭৫৫ সালে Samuel Johnson -এর লেখা "A Dictionary of the English Language"-কে প্রথম (The first comprehensive English dictionary) অভিধান হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এজন্য তাকে English Dictionary এর জনক বলা হয়। 
- Dr. Samuel Johnson হচ্ছেন The Age of Sensibility (1745-1798) এর অত্যন্ত সুপরিচিত সাহিত্যিক।
- The Age of Sensibility - কে The Age of Johnson বলা হয় কারণ Dr. Samuel Johnson এই সময়টাকে dominate করেছেন।
- তিনি William Shakespeare এর একজন বিখ্যাত সমালোচক হিসাবে পরিচিত।
- তিনি ১৭৬৪ সালে ইংরেজি সাহিত্য ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন।
- Samuel Johnson -এর অভিধান ইংরেজি ভাষার অভিধান তৈরির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল, কারণ এটি ভাষার ব্যবহার ও অভিধানের গুণগত মান উন্নত করতে সাহায্য করেছে।

• Notable works:
- A Dictionary of the English Language,
- The History of Rasselas, Prince of Abyssinia,
- Preface to Shakespeare,
- Irene (play),
- The False Alarm (pamphlet),
- The Vanity of Human Wishes (poem),
- The Lives of the Poets (Biographical and Critical Works),
- The Patriot (Essay).

Note:
- Culture and Anarchy, a major work of criticism by Matthew Arnold.
- On Heroes, Hero-Worship, and the Heroic in History, six essays লিখেছে Thomas Carlyle.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.

১৬৮.
John Keats's "On First Looking into Chapman's Homer" is a/an-
  1. Ballad
  2. Sonnet
  3. Ode
  4. Blank verse
ব্যাখ্যা

• John Keats's "On First Looking into Chapman's Homer" is a sonnet.

• On First Looking into Chapman’s Homer:
- “On First Looking into Chapman’s Homer” হলো জন কিটসের একটি বিখ্যাত কবিতা (sonnet), যা তিনি হোমারের মহাকাব্য Iliad ও Odyssey এর ইংরেজি অনুবাদকৃত সংস্করণ (Chapman’s Homer) পড়ার অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন।
- It was first published in The Examiner in 1816 and later published in Poems (1817), Keats’s first collection. 
- Considered the poet’s first mature poem.
- It is Keats’s response to heroism.

• John Keats (1795-1821):
- তিনি একজন British Poet এবং Romantic period এর লেখক।
- তার সাহিত্য কর্মের মধ্যে আছে: Sonnets, Odes, and Epics.
- তিনি খুব অল্প সময় বেঁচে ছিলেন, কিন্তু এই স্বল্প সময়েই তিনি সুন্দর কল্পনা, অনুভূতি ও চিত্রধর্মী ভাষায় কবিতা লিখে সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখেন।
- তিনি প্রাচীন গল্প বা উপাখ্যানের মাধ্যমে জীবনের গভীর অর্থ বোঝাতে চেষ্টা করতেন।

• Notable poems:
- Ode to Psyche,
- Ode on Melancholy,
- Ode to a Nightingale,
- Ode on a Grecian Urn,
- To Autumn,
- Bright Star,
- Lamia,
- Isabella,
- Hyperion,
- The Eve of St.,
- On First Looking into Chapman's Homer (sonnet),
- La Belle Dame Sans Merci, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৬৯.
“Two roads diverged in a wood, and I—
I took the one less traveled by,
And that has made all the difference.”
-These lines were written by _______ .
  1. Ezra Pound
  2. Carl Sandburg
  3. Robert Frost
  4. Ted Hughes
ব্যাখ্যা

• “Two roads diverged in a wood, and I—
I took the one less traveled by,
And that has made all the difference.”
- These lines were written by Robert Frost.
- এটি Robert Frost এর কবিতা “The Road Not Taken” থেকে উদ্ধৃত।

• The Road Not Taken: 
- Robert Frost এর বিখ্যাত কবিতা।
- কবিতাটির আলোচ্য বিষয় হচ্ছে আমাদের জীবনে যে সিদ্ধান্তগুলো আমরা গ্রহণ করিনি সে সম্পর্কে অনুশোচনা। 
- The poem is often interpreted as an allegory about making choices in life. 

• Robert Frost (1874-1963):
- Robert Frost একজন আমেরিকান কবি।
- তাকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়। 
- তিনি ‘Nature poet’, ‘Regional poet’ নামে পরিচিত। 
- তিনি চারবার পুলিতজার পুরস্কার লাভ করেন।

• Famous Quotations:
- "Most of the change we think we see in life
Is due to truths being in and out of favor."
- "Home is the place where, when you have to go there,
They have to take you in."
- "I have been one acquainted with the night.
I have walked out in rain—and back in rain.
I have outwalked the furthest city light."
- “Two roads diverged in a wood, and I -
I took the one less traveled by,
And that has made all the difference.”
- "Good fences make good neighbors."

• Notable Works: 
- The Road Not Taken,
- Mending Wall,
- Stopping by Woods on a Snowy Evening,
- Christmas Trees,
- A Boy’s Will,
- North of Boston,
- Nothing Gold Can Stay,
- After Apple-picking,
- Home Burial.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১৭০.
‘প্যারা বন’ বলতে কোন ধরনের বনকে বোঝানো হয়? 
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন 
  2. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন 
  3. উপকূলীয় বন 
  4. মিঠাপানির জলাভূমির বন 
ব্যাখ্যা

• উপকূলীয় বন:
- অবস্থান: নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা।
- পরিমাণ: এ বনের আয়তন ২ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ১.৩৬%।
- উদ্ভিদ প্রজাতি: কেওড়া, ছৈলা, বাইন, গোলপাতা ইত্যাদি।প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনের মতো এ বন জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত হয়।

- বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় চরাঞ্চলে সফল বনায়ন পদ্ধতির উদ্ভাবক।
 - বন বিভাগ ষাটের দশক থেকে উপকূলীয় জেগে ওঠা চরে বনায়ন শুরু করেছে।

-  এ বন কে প্যারা বন ও বলা হয়।
 - উপকূলীয় চর বনায়ন প্রক্রিয়া বনজ সম্পদ সৃষ্টির পাশাপাশি উপকূলবাসীকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা এবং সাগর থেকে ভূমি জেগে ওঠার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে ।
 - এই বনায়নের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগর থেকে ১ হাজার ৬০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ভূমি দেশের মূল ভূ-খন্ডের সাথে যুক্ত হয়েছে।
- দেশের মজুদ কার্বন সংরক্ষণের লক্ষ্যে উপকূলবর্তী জেগে ওঠা চরে সৃজিত বনের ২ লক্ষ ৬০ হাজার ৩৮৮.৮৫ একর সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 

১৭১.
গম্বুজাকৃতির পর্বতের উদাহরণ কোনটি?  
  1. কিলিমাঞ্জারো 
  2. হেনরী 
  3. ফুজিয়ামা
  4. অ্যাপালেচিয়ান
ব্যাখ্যা

- হেনরী পর্বত গম্বুজাকৃতির পর্বত।  

• ল্যাকোলিথ পর্বত (Lacolith Mountain): 

- পৃথিবীর অভ্যন্তরের ম্যাগমা বা গলিত শিলারউপাদানসমূহের সাথে বিবিধ গ্যাস মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। 
- এ গ্যাস অনেক সময় ঊর্ধ্বপ্রবাহী হয়ে ভূপৃষ্ঠের দিকে আসতে চেষ্টা করে। 
- এ গ্যাসের সাথে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগমাও থাকে। 
- কিন্তু প্রায়ই তা ওপরে আসার পথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ভূত্বকের নিচেই সঞ্চিত হতে থাকে।
- আস্তে আস্তে চাপ পড়ার ফলে ভূত্বকের শিলা ভেঙে পর্বতের ন্যায় উঁচু হয়ে উঠে এবং তার নিচের ম্যাগমা ক্রমেই কঠিন আকার ধারণ করে।
- এটি দেখতে গম্বুজের মত। এ পর্বতকে ল্যাকোলিথ বা গম্বুজ পর্বত বলে।  
- অনেক ক্ষেত্রে ভূআলোড়নও এ জাতীয় পর্বত গঠনে প্রভাব বিস্তার করে। 

উদাহরণ : আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ডাকোটা প্রদেশের ব্ল‍্যাক হিলস (Black Hills) এবং উতাহ প্রদেশের হেনরী পর্বত ল্যাকোলিথ পর্বতের উদাহরণ।

• ল্যাকোলিথ পর্বতের বৈশিষ্ট্য:
i) ল্যাকোলিথ পর্বত গম্বুজাকৃতির।
(ii) এ ধরনের পর্বতের উচ্চতা কম এবং ঢাল সামান্য খাড়া থাকে।
(iii) এ পর্বত অল্প অঞ্চলব্যাপী অবস্থান করে।
(iv) ল্যাকোলিথ পর্বতে কোনো শৃঙ্গ থাকে না।

অন্যদিকে
জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ। 

• আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।


তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী।  

১৭২.
সম্প্রতি, নরসিংদী জেলার মাধবদীতে সংঘটিত ভূমিকম্পটির গভীরতা কত ছিল? 
  1. ৫ কিলোমিটার
  2. ৮ কিলোমিটার
  3. ১০ কিলোমিটার
  4. ১৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

⇒ ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।

উল্লেখ্য। 
- ২১ নভেম্বর, ২০২৫, সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে নরসিংদীর জেলার মাধবদী উপজেলায় মাটির প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

তথ্যসূত্র:  i) ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
iii) BBC 

১৭৩.
মাউন্ট এভারেস্ট কোন দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে গঠিত হয়েছে? 
  1. ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান
  2. ইউরেশিয়ান প্লেট ও আফ্রিকান প্লেট 
  3. প্যাসিফিক প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেট
  4. ইন্ডিয়ান প্লেট ও অ্যান্টার্কটিক প্লেট 
ব্যাখ্যা

• এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উল্লেখ্য,
- ইউরেশিয়ান প্লেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটিনেন্টাল প্লেট, যা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: i) ব্রিটানিকা। 
ii) National Geographic।

১৭৪.
কোনো এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ ঘোষণা হয় কোন আইনের মাধ্যমে? 
  1. পরিবেশ আদালত আইন, ২০১০
  2. বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫
  3. জীববৈচিত্র্য আইন, ২০১৭
  4. জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ :
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন - ১৯৯৫ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনটি পরে সংশোধন করা হয়, যা বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০ নামে পরিচিত।
-  পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের মাধ্যমে - পরিবেশ অধিদপ্তর তৈরি হয়।
-  পরিবেশ অধিদপ্তর  প্রধান হবে-  একজন মহাপরিচালক৷
-  এ আইনের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সামগ্রী উৎপাদন, বিক্রয় ইত্যাদির উপর বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
-  ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য উৎপাদন, আমদানি, মওজুদকরণ, বোঝাইকরণ, পরিবহণ, ইত্যাদি সংক্রান্ত বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
-  জাহাজ কাটা বা ভাঙার কারণে সৃষ্ট দূষণ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ নিষেধ আরোপ করা হয়।
- কোনো এলাকার প্রতিবেশ ব্যবস্থা (ইকো সিস্টেম) সংকটাপন্ন হলে বা হওয়ার আশঙ্কা থাকলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা সে এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ ঘোষণা করতে পারে।
- জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জায়গা ভরাট বা অন্য কোনোভাবে শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। 
- সরকারি বা আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন বা দখলাধীন বা ব্যক্তিমালিকানাধীন পাহাড় ও টিলা কাটা যাবে না।

তথ্যসূত্র: Laws of Bangladesh ও প্রথম আলো। 

১৭৫.
Headley Center for Climate Prediction and Research (HCCPR)-এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০৮০ সালে বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় কত সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পাবে?
  1. ১৫ সেন্টিমিটার 
  2. ২৫ সেন্টিমিটার
  3. ৪০ সেন্টিমিটার
  4. ৫০ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ঝুঁকি: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকূল প্রভাবগুলোর কারণে ও সমুদ্র উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী একটি বড় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা নাজুক হয়ে ওঠেছে। 
- এটি দুই কোটি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করতে পারে। 
-  International Centre for Climate Change and Development, 2020 অনুযায়ী, ১৯৭৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে গড় তাপমাত্রা প্রায় ১.২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে
- এখানকার ৬০ শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে মাত্র ৫ মিটার উপরে। 
- 'Headley Center for Climate Prediction and Research (HCCPR)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী বাংলাদেশে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ২০৮০ সালে ৪০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পাবে।  
- ফলশ্রুতিতে, অবকাঠামো, বাসস্থান, কৃষি এবং জীবিকার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হবে। সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল ঝড় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতেও থাকবে।
- 'Inter-governmental Panel on Climate Change (IPCC)' এর প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সালে বাংলাদেশের ভূমির ১৭ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হারিয়ে যাবে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী ও বাংলা ট্রিবিউন। 

১৭৬.
লম্বক প্রণালী সংযুক্ত করেছে - 
  1. ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগর
  2. সেলেবস সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
  3. আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর
  4. আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা

• লম্বক প্রণালী (Lombok Strait): 
- একটি প্রণালী (Strait) হলো প্রাকৃতিকভাবে গঠিত একটি সংকীর্ণ জলপথ, যা দুটি স্থলভাগের মধ্যে অবস্থান করে এবং দুটি বড় জলরাশিকে সংযুক্ত করে।
- লম্বক প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার লম্বক ও বালি দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরকে জাভা (বালি) সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে। 



- লম্বক প্রণালী ৬০ কিমি দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা ২৫০ মিটার (৮২০ ফুট)।
 - এটি প্রায়শই একটি বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভারি মালবাহী জাহাজ (Bulk Carriers) এবং সুপারট্যাংকারগুলো যেগুলো আরব দেশ থেকে চীনে তেল বা অন্যান্য পণ্য পরিবহন করে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৭৭.
সম্প্রতি, হালদা নদীকে ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হয় কবে?  
  1.  ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  3. ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  4. ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

- হালদা নদীকে নতুন করে ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করেছে সরকার। 
- দেশে স্বাদুপানির মৎস্য খাতে অনন্য অবদান রাখা চট্টগ্রামের এ নদীটিকে দ্বিতীয়বারের মতো হেরিটেজ ঘোষণা করে ৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে গেজেট প্রকাশ করে সরকার।

• মৎস্য হেরিটেজ:
- গেজেট অনুযায়ী হালদা থেকে কোনো প্রকার মাছ ও জলজ প্রাণী ধরা বা শিকার করা যাবে না।

- একইসঙ্গে এ নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ১৭টি খালে ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
- তবে মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে নির্দিষ্ট সময়ে মাছের নিষিক্ত ডিম আহরণ করা যাবে।

- ‘মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণার গেজেট অনুযায়ী হালদা নদীর প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংসকারী কার্যকলাপ রহিত করা ছাড়াও ভূমি ও পানির বৈশিষ্ট্য নষ্ট হয় এমন কাজ করা যাবে না।
- মাছ, ডলফিন ও জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর কাজ, নদীর চারপাশে বসতবাড়ি, শিল্প ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ও তরল বর্জ্য নির্গমন, নদীর বাঁক কেটে সোজা করাসহ নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ১৭টি খালে প্রজনন মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-জুলাই) মৎস্য আহরণ করা যাবে না।

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা।

১৭৮.
মূল্যবোধ শিক্ষার প্রাথমিক উৎস কোনটি?
  1. পরিবার
  2. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  3. প্রাথমিক বিদ্যালয়
  4. গণমাধ্যম
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ শিক্ষা:
- মূল্যবোধ শিক্ষা মানুষের নৈতিকতা, আদর্শ ও সামাজিক মানদণ্ড বিকাশ করে।
- এর প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- পরিবারের কাছ থেকে একজন মানুষ প্রথম মূল্যবোধ শিখে।
- মূল্যবোধের প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয় বা শিক্ষালয়।
- এছাড়া সামাজিক রীতিনীতি, প্রথা, ধর্ম, আদর্শ ইত্যাদি মূল্যবোধের অন্যতম উপাদান হিসেবে বিবেচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৭৯.
'Critique of Pure Reason' বইটির লেখক কে?
  1. জন লক
  2. রেনে ডেকার্ত
  3. ইমানুয়েল কান্ট
  4. বারুখ স্পিনোজা
ব্যাখ্যা

⇒ 'Critique of Pure Reason' বইটির লেখক ইমানুয়েল কান্ট।

নৈতিকতা:
- ‘কর্তব্যের জন্য কর্তব্য’ ধারণাটির প্রবর্তক জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট।
- ইমানুয়েল কান্ট এর নীতিবিদ্যার মূলকথা ৩টি। যথা-
• সৎ ইচ্ছা,
• কর্তব্যের জন্য কর্তব্য,
• শর্তহীন আদেশ।

- তাঁকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
- 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়৷

⇒ নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বইসমূহ:
• Critique of Pure Reason.
• Critique of Practical Reason.
• Critique of Judgement.
• Groundwork for Metaphysics of Morals.

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮০.
নিচের কোনটি জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয়?
  1. জবাবদিহিতা
  2. রাজনীতি
  3. সুশাসন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- সুশাসন হল এমন একটি শাসন ব্যবস্থা বা প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের ক্ষমতা সুষ্ঠু, ন্যায়সঙ্গত, স্বচ্ছ ও দক্ষতার সাথে প্রয়োগ করা হয়।
- এতে জনগণের অংশগ্রহণ, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন ও সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হয়, যাতে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন টেকসইভাবে অর্জিত হয়।
- জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় হলো সুশাসন৷ 
- সুশাসন হল যৌক্তিক এবং দক্ষভাবে শাসন পরিচালনা।
- সুশাসন অবশ্যই আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতার নিশ্চিত করে।
- জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, সরকারের দক্ষতা ও সাড়া প্রদানের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে সুশাসন প্রক্রিয়া।
- সুশাসন ছাড়া দুর্নীতি, অদক্ষতা ও অসমতা বাড়ে, যা উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮১.
‘দারিদ্রের সাহায্য পাবার অধিকার‘ কোন ধরনের অধিকার?
  1. নৈতিক অধিকার
  2. রাজনৈতিক অধিকার
  3. আইনগত অধিকার
  4. অর্থনৈতিক অধিকার
ব্যাখ্যা

⇒ ‘দারিদ্রের সাহায্য পাবার অধিকার‘ নৈতিক অধিকার।

নৈতিক অধিকার:
- নৈতিক অধিকার বলতে সেইসব অধিকার বোঝায় যা মানুষের বিবেক, নৈতিকতা, ন্যায়বোধ এবং সামাজিক মূল্যবোধ থেকে উদ্ভূত হয়।
- এগুলো রাষ্ট্রের কোনো আইন বা সরকারি প্রণয়নের ওপর নির্ভর করে না, বরং মানুষের মনুষ্যত্ববোধ, সামাজিক ন্যায় এবং সাধারণ নৈতিক চেতনা থেকে আসে।
- সমাজের নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে নৈতিক অধিকারের উদ্ভব।
• দারিদ্রের সাহায্য পাবার অধিকার,
• প্রতিবেশী দুস্থরা সাহায্য পাওয়া,
• পিতা-মাতা কর্তৃক সন্তান লালন-পালন ও তাদের ভরণপোষণের অধিকার ইত্যাদি।

- নৈতিক অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক প্রবর্তিত নয়।
- এ অধিকার ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে পারে না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীত ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।

১৮২.
রাজনৈতিক সাম্যের উদাহরণ কোনটি?
  1. আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমান অধিকার
  2. ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সমান সম্পদ বণ্টন
  3. সার্বজনীন ভোটাধিকার
  4. জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সমান সামাজিক মর্যাদা
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক সাম্য:
- রাজনৈতিক সাম্য বলতে বোঝায় রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের রাজনৈতিক কার্যক্রমে সমান অংশগ্রহণের সুযোগ এবং সমান রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করার অধিকার।
- এটি গণতন্ত্রের একটি মৌলিক ভিত্তি।
- রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অধিকার ভোগের বেলায় সমান সুযোগ থাকাকেই রাজনৈতিক সাম্য বলে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ, স্ত্রী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিষ্ক নাগরিক যখন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে বা সাধারণ ভোটদাতা হিসেবে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে তখনই কোনো দেশে রাজনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাজনৈতিক সাম্যের উদাহরণ হচ্ছে সার্বজনীন ভোটাধিকার।

⇒ উল্লেখ্য:
- ‘আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমান অধিকার’ আইনগত সাম্য।
- ‘ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সমান সম্পদ বণ্টন’ অর্থনৈতিক সাম্য।
- জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সমান সামাজিক মর্যাদা সামাজিক সাম্য।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮৩.
মূল্যবোধের শ্রেণিবিভাগ কোনটি?
  1. সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ
  2. নৈতিক মূল্যবোধ
  3. সামাজিক মূল্যবোধ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- সুশাসনের মূল চাবিকাঠি হলো মূল্যবোধভিত্তিক প্রশাসন।
- সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার ইত্যাদি মূল্যবোধ না থাকলে দুর্নীতি, অসাম্য ও অস্থিরতা বাড়ে।
- মূল্যবোধ হলো সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি।
- এটি ব্যক্তিকে সুনাগরিক করে তোলে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অপরিহার্য।
- মূল্যবোধের অভাবে সমাজ অবক্ষয়ের দিকে যায়।

⇒ মূল্যবোধের শ্রেণিবিভাগ:
• ধর্মীয় মূল্যবোধ,
• সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ,
• নৈতিক মূল্যবোধ,
• অর্থনৈতিক মূল্যবোধ,
• আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ ও
• আধুনিক মূল্যবোধ,
• সামাজিক মূল্যবোধ,
• রাজনৈতিক মূল্যবোধ,
• গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, উচ্চ মাধ্যমিক, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।

১৮৪.
ই-গভর্নেন্স এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. সুশাসন প্রতিষ্ঠা
  2. স্বচ্ছতা বৃদ্ধি
  3. দুর্নীতি বৃদ্ধি
  4. জবাবদিহিতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

⇒ ই-গভর্নেন্স এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয় দুর্নীতি বৃদ্ধি।

ই-গভর্নেন্স:
- ই-গভর্নেন্স এর পূর্ণরূপ ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের নিকট পৌঁছানোকেই ই-গভর্নেন্স বলে।

⇒ ই-গভর্নেন্স এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
• সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
• জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় ৷
• স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় ৷
• দক্ষতা বৃদ্ধি পায় ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৮৫.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল:
- দুর্নীতি দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- এতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অংশীদারদের ভূমিকা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
- এই কৌশলে শুদ্ধাচার বলতে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১৮৬.
‘যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন' নিচের কোন সাম্যের মূল কথা?
  1. আইনগত সাম্য
  2. ধর্মীয় সাম্য
  3. অর্থনৈতিক সাম্য
  4. রাজনৈতিক সাম্য
ব্যাখ্যা

⇒ ‘যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন' অর্থনৈতিক সাম্যের মূল কথা।

অর্থনৈতিক সাম্য:
- অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ সকল সম্পদ সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া নয় ।
- অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত রাজনৈতিক সাম্য অর্থহীন।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র সকল মানুষ যখন কাজ করার, ন্যায্য মজুরি পাবার সুবিধা লাভ করে, তখন তাকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে।
- অর্থনৈতিক সাম্যের মূল কথা হল যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।